বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা৮৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ৩০ / ৩০ · ২,৯০১২,৯৮৮ / ২,৯৯৩

২,৯০১.
আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়?
  1. আদেশ ৪৩-এর নিজস্ব নিয়মাবলি
  2. আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
  3. আদেশ ২১-এর নিয়মাবলি
  4. আদেশ ৪৫-এর নিয়মাবলি
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১-এর নিয়মাবলি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৩, বিধি-২ (Order XLIII, Rule 2) অনুযায়ী:
"The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders."

- অর্থাৎ, আদেশ-৪৩ এর আওতাভুক্ত আপিলযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে যখন আপিল করা হয়, তখন আদেশ-৪১ (Order XLI)–এর নিয়মাবলি প্রযোজ্য হয়, যতদূর প্রয়োগযোগ্য হয়।

২,৯০২.
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, যে আদালতের এখতিয়ারধীন-
  1. বাদী বসবাস করে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
  3. বিবাদী বসবাস করে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

• তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
২,৯০৩.
যদি কোনো পক্ষ অনুপস্থিত থাকেন বা স্বাক্ষর দিতে অক্ষম হন, তখন তার প্লিডিং এ স্বাক্ষর করতে পারেন কে?
  1. কোনো সাক্ষী
  2. মামলার প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের বিচারক
  4. তার অনুমোদিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
তার অনুমোদিত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার অনুমোদিত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

Order VI Rule 14 – Pleading to be signed:
প্রতিটি প্লিডিং (pleading) অর্থাৎ plaint (আরজি) বা written statement (বিবাদীর উত্তর) পক্ষ নিজে এবং তার নিযুক্ত আইনজীবী (pleader) উভয়ের স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে।

তবে শর্ত হলো:
দি কোনো কারণে (যেমন অনুপস্থিতি বা অন্য যুক্তিসঙ্গত কারণবশত) পক্ষ নিজে স্বাক্ষর করতে না পারেন, তাহলে তার পক্ষে যথাযথভাবে অনুমোদিত (duly authorized) অন্য কোনো ব্যক্তি তার হয়ে সেই প্লিডিং এ স্বাক্ষর করতে পারবেন অথবা মামলা করতে বা আত্মরক্ষা দিতে পারবেন।

২,৯০৪.
আপিল আদালত সংক্ষিপ্তভাবে আপিল খারিজ [Summary disposal of appeal] করতে পারে কত ধারায়?
  1. ৪১১ ধারা
  2. ৪১৯ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪২১ ধারা মতে যদি আপিল আদালত মনে করে আপিলের কোন কারণ নেই, তাহলে আপিল আদালত আপিলটি সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করে দিতে পারে। এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে কিন্তু তলব করতে বাধ্য না।
২,৯০৫.
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয়, সেই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে কবে থেকে গণ্য হবে?
  1. বিক্রয় প্রস্তাবের তারিখ থেকে
  2. ডিক্রি জারির তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
  4. বিক্রয়টি চূড়ান্ত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৫- ক্রেতার স্বত্ব:
যখন কোনো স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিক্রি করা হয় এবং ওই বিক্রয় চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন সেই সম্পত্তি ক্রেতার অধিকারভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে সেই সময় থেকে যখন সম্পত্তি বিক্রি করা হয়েছিল, না যে সময়ে বিক্রয়টি চূড়ান্ত হয়েছে।

Section 65- Purchaser's title:
Where immovable property is sold in execution of a decree and such sale has become absolute, the property shall be deemed to have vested in the purchaser from the time when the property is sold and not from the time when the sale becomes absolute.
২,৯০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির _______ অনুযায়ী আদালত প্লিডিংসের কোনো অংশ কর্তন করার আদেশ দিতে পারে।
  1. আদেশ ৬, বিধি ৬
  2. আদেশ ৭, বিধি ১১
  3. আদেশ ৬, বিধি ১০
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬ বিধি ১৬ (Order 6 Rule 16) অনুসারে আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখিত কোনো অপ্রয়োজনীয় (unnecessary), কুৎসাজনক (scandalous) অথবা সুষ্ঠু বিচারকে ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত করতে পারে এমন বিষয় কর্তন (strike out) বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি  আদেশ-৬ বিধি-১৬ আরজি জবাবে কর্তন: মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লেখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তাকিলে আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন। 
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-16. Striking out pleadings: 
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.

২,৯০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ-১২ বিধি-১
  2. আদেশ-১২ বিধি-২
  3. আদেশ-১২ বিধি-৪
  4. আদেশ-১২ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।
আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যে-রূপ সংগত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
২,৯০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করা হয় কখন?
  1. রায় ঘোষণার পরে
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে
  3. মামলা নিষ্পত্তির পরে
  4. মামলা দায়েরের সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
ব্যাখ্যা
উত্তর: রায় ঘোষণার পূর্বে।
আদালত রায় ঘোষণার আগে দুইটি কারণে ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন:
১) যদি বিবাদী জামানত ও অন্যান্য খরচ আদালতে জমা দেয়।
২) যদি মোকদ্দমা খারিজ হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
২,৯০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী আপিল কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
  1. হাইকোর্টে সরাসরি
  2. যেকোনো দেওয়ানি আদালতে
  3. আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালতে
  4. আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
২,৯১০.
প্লিডিংসে কোন কোন বিষয়াবলীর বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হয়?
  1. ভ্রান্ত বিবরণ, প্রতারণা
  2. বিশ্বাসভঙ্গ, স্বেচ্ছাকৃত খেলাপ
  3. অন্যায়, অবাঞ্চিত প্রভাবের
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• প্লিডিংস সম্পর্কে নিয়ম:
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [ Material Facts] উল্লেখ করতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। সেসব তথ্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ(concise form) দান করতে হবে, এতদসম্বন্ধীয় প্রমাণাদি দরখাস্তে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই।

• ৬নং আদেশের বিধি-৪ তে কখন প্লিডিংসে বিস্তারিত বর্ণনা দান করতে হবে, তা বলা আছে-
যেক্ষেত্রে প্লিডিংস কোন ভ্রান্ত বিবরণ, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, স্বেচ্ছাকৃত খেলাপ, অযথা অন্যায় অথবা অবাঞ্চিত প্রভাবের উপর নির্ভর করে এবং অন্যান্য যে সকল ক্ষেত্রে উপরোক্ত ফরমসমূহে প্রদর্শিত বিবরণ ব্যতীত আরও বেশী বিবৃতি দেয়ার প্রয়োজন পড়ে, ঐ সকল ক্ষেত্রে (প্রয়োজনবোধে তারিখ ও দফা উল্লেখ করে) এর বিশদ বিবৃতি(particulars) দিতে হবে।
২,৯১১.
দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না______এর ক্ষেত্রে।
  1. সালিসি আইন, ২০০১
  2. অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. The Negotiable Instrument Act, 1881
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থবণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় [Explanation No. (1) ] মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

♦অন্যান্য আইনে ADR
Muslim Family Laws Ordinance 1961
The Family Courts Ordinance, 1985 (ধারা: ১০, ১৩)
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫)
যেহেতু অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (ধারা: ২২-২৫) তে মধ্যস্থতার বিধান আছে এই জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির 89A ধারায় মধ্যস্থতার বিধান প্রযোজ্য হবে না।
২,৯১২.
দেওয়ানি কার্যবিধি কী ধরনের আইন?
  1. Criminal Law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. Constitutional Law
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ ।
- ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
- The Code of Civil Procedure,1908 (ACT NO. V OF 1908)

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি।
- এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কীভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি, পক্ষসমূহের শুনানির সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানি, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ, আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। তাই এটি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যে-সব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

২,৯১৩.
একটি মামলা গ্রামবাসীর পক্ষে সদবিশ্বাসে দায়ের করা হয় এবং দুই পক্ষের শুনানির পর তা খারিজ হয়। পরবর্তীতে, পূর্বের মামলার ব্যাপারে না জেনে ‘ঘ’ একই বিষয়ে আবার মামলা দায়ের করেন। এ ক্ষেত্রে কী হবে?
  1. মোকদ্দমাটি খারিজ করা হবে।
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে না।
  3. মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
  4. পূর্বের মোকদ্দমা সম্পর্কে ‘ঘ’-এর জ্ঞান না থাকলে আরজি প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির "কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা" (Constructive Res Judicata) নীতি:
→ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার ৪নং ব্যাখ্যায় অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটা (Constructive Res Judicata) নীতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- পরোক্ষ রেস জুডিকাটা বলতে বোঝায়, যে বিষয় পূর্ববর্তী মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারত বা হওয়া উচিত ছিল সেটাও উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ ও মূল বিচার্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে।
- অর্থাৎ, যেখানে পূর্বের মামলায় কোনো পক্ষের পক্ষে এমন যুক্তি ছিল, যা সেই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি, কিন্তু উপস্থাপন করা উচিত ছিল। এমন পরিস্থিতিতে, পরবর্তী মামলায় সেই যুক্তি আর উপস্থাপন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১১ ধারার ৬ নং ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রেও রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করা হবে।
এই মামলায় ‘ঘ’ পূর্বের মোকদ্দমার কথা না জানলেও সে উক্ত মোকদ্দমা করতে পারবে না। কারণ একই বিচার্য বিষয়ে পূর্বে একবার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এখানে 'ঘ' ভিন্ন ব্যক্তি হলেও ইস্যু একই এবং তাঁদের স্ট্যাটাসও একই। এই কারণে রেস জুডিকাটা নীতির প্রয়োগ করে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে।

যেমন: ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে জমির মালিকানার বিরোধ জনিত এক মোকদ্দমায় আদালত রায় দিলেন যে, জমিটি বিক্রেতার। কিন্তু ক্রেতা আদালতে উল্লেখ করেন নি যে, জমিতে গোপন ত্রুটি রয়েছে। পরে আবার নতুন করে এই গোপন ত্রুটির ভিত্তিতে আরেকটি মামলা দায়ের করা যাবে না। এক্ষেত্রে অব্যক্ত বা কনস্ট্রাকটিভ রেস জুডিকাটাকে (Constructive Res Judicata) পরোক্ষ রেস জুডিকাটাও বা Indirect Res Judicata বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court.
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto.
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court.
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other.
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit.
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused.
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
২,৯১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ কখন পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে?
  1. মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত
  2. আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত
  3. নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার পর এক বছর পর্যন্ত
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) আদেশ-XXXIX, বিধি-১ এবং বিধি-২ এর বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশের কার্যকর থাকার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত, অথবা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত – আদালত চাইলে যেকোনো সময় নিষেধাজ্ঞা বাতিল, পরিবর্তন বা স্থগিত করতে পারে।

আদেশ- XXXIX, বিধি- ১ এর বিধান:
- বিধি- ১ এ বলা হয়েছে:
"The Court may by order grant a temporary injunction to restrain such act, or make such other order for the purpose of staying and preventing the wasting, damaging, alienation, sale, removal or disposition of the property as the Court thinks fit, until the disposal of the suit or until further orders."
অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত এমন আদেশ দিতে পারে যা সম্পত্তির ক্ষতি, নষ্ট, হস্তান্তর বা বিক্রয় রোধ করবে।
- এই নিষেধাজ্ঞা মামলার নিষ্পত্তি পর্যন্ত বা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে, যেটি আদালত উপযুক্ত মনে করে।

আদেশ- XXXIX, বিধি- ২(২) এর বিধান:
- বিধি- ২(২) এ বলা হয়েছে: "The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit."
অর্থাৎ বিধি- ২ এর অধীনে, আদালত চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি রোধ করার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে।
- এই নিষেধাজ্ঞার সময়কাল আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে, এবং এটি সাধারণত মামলার নিষ্পত্তি বা আদালতের পরবর্তী আদেশ পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
২,৯১৫.
দেওয়ানি আদালত কত ধারায় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করার সাধারন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যেকোনো সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ, এই ধারার অধীন আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।

Section 153- General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
২,৯১৬.
দেওয়ানি আদালত কখন মোকদ্দমায় কোনো পক্ষকে বাদ দিতে বা সংযুক্ত করতে আদেশ দিতে পারে?
  1. রায়ের আগে
  2. মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
  3. বিচার্য বিষয় চূড়ান্ত হবার আগে
  4. মামলার প্রথম শুনানির আগে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : মামলার যেকোনো পর্যায়ে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ এর  বিধি ১০ (২)- আদালত পক্ষসমূহকে বাদ দিতে বা যোগ করতে পারেন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা বিনা আবেদনে এবং সেই সকল শর্তে যা আদালতের কাছে সঙ্গতঃ বলে প্রতীয়মান হয়, অন্যায় ভাবে যুক্ত কোন পক্ষের নাম, বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক, কর্তন করতে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম বাদী বা বিবাদী যে হিসেবেই হউক যুক্ত করা উচিত, অথবা মামলায় বিজড়িত প্রশ্নসমূহের কার্যর ও সম্পূর্ণভাবে বিচার ও নিস্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

২,৯১৭.
আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোনো পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
২,৯১৮.
দেওয়ানি রিভিশন The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১০৭
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর  ১১৫ ধারায় রিভিশন, ১১৪ ধারায় রিভিউ এবং ১০৭ ধারায় দেওয়ানী আপীলের ক্ষেত্রে আপীল আদালতের এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
♦১১৫ ধারা অনুযায়ীধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ ও
২)হাইকোর্ট বিভাগ
২,৯১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী, প্রিসেপ্ট (precept) দ্বারা ক্রোকের কার্যকারিতা কত সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়?
  1. ছয় মাস
  2. তিন মাস
  3. দুই মাস
  4. এক মাস
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”
- অর্থাৎ, স্বাভাবিকভাবে অনুরোধপত্রে ভিত্তি করে সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-
১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept.
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree:
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.

২,৯২০.
আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল;
  2. রিভিউ;
  3. নতুন আরজি দাখিল;
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦আরজি নাকচের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলঃ ধারা ২(২) অনুযায়ী আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের আদেশ একটি ডিক্রি তাই এর বিরুদ্ধে ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী আপীল করা যায়। আপীল না করলে ধারা ১১৪/Order XLVII অনুযায়ি রিভিউ করা যায় এবং আদেশ ৭ বিধি ১৩ এর অধীন পুনরায় একই কারণে নতুন আরজি দাখিল করা যায়।
২,৯২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারায় আদালত কোন পরিস্থিতিতে দেনাদারকে দেওয়ানি জেলে আটক করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
  2. ডিক্রিদার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করলে
  3. দেনাদার আদালতের অবমাননা করলে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিতে বাধা প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:

যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
২,৯২২.
Under Order 22 Rule-9A of The Code of Civil Procedure, 1908, who can apply for setting aside abatement or dismissal?
  1. the assignee of any insolvent plaintiff
  2. legal representative of a deceased plaintiff
  3. the receiver of any insolvent plaintiff
  4. all of them
সঠিক উত্তর:
all of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of them
ব্যাখ্যা
Order 22 Rule-9A- Directly setting aside abatement or dismissal: 
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand takaas the Court may deem appropriate.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ:
এই নিয়মের উদ্দেশ্য হলো মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা এবং দেরি এড়ানো। যদি কোনো মামলার বাদী মারা যান বা দেউলিয়া হয়ে যান, তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধি অথবা দেউলিয়া বাদীর অধিগ্রহণকারী বা রিসিভার আদালতে আবেদন করতে পারেন মামলা বাতিল বা খারিজের আদেশ বাতিল করার জন্য। তবে-
- এই আবেদন অবশ্যই ৬০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
- আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করতে পারে, কোনো প্রমাণ চাওয়া ছাড়াই।
- আদালত আবেদনকারীকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা খরচ দিতে বলতে পারে।
২,৯২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ভাগের বিধানবলী শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য?
  1. ৭ম ভাগ
  2. ৮ম ভাগ
  3. ৯ম ভাগ
  4. ১০ম ভাগ
সঠিক উত্তর:
৯ম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ম ভাগ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ম ভাগ হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বিধানগুলির সাথে সম্পর্কিত। নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদগুলি উচ্চ আদালত বিভাগের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে:

১১৬ ধারা-
এই অধ্যায়টি শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের জন্য প্রযোজ্য।

১১৭ ধারা-
এই অধ্যায়ে বা অধ্যায় ১০-এ বা বিধিমালায় যা উল্লেখ করা হয়নি, সেই অংশগুলি হাইকোর্ট বিভাগে প্রযোজ্য হবে।

১১৮ ধারা-
যদি হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে মোকদ্দমার খরচ নির্ধারণ করা হওয়ার আগেই তাদের আদেশটি কার্যকর করা প্রয়োজন, তাহলে তারা আদেশ দিতে পারেন যে খরচ সম্পর্কিত অংশ বাদে অন্য অংশগুলি প্রথমেই কার্যকর করা হবে। খরচ নির্ধারণের পর সেই অংশটিও কার্যকর করা হবে।

১১৯ ধারা-
এই কোডের কোনো কিছুই এমন অর্থ বহন করবে না যে অন্য কারো পক্ষে কেউ হাইকোর্ট বিভাগে সরাসরি বক্তব্য রাখতে বা সাক্ষী পরীক্ষা করতে পারবেন, যদি না আদালত তাদের এই অধিকার দেয়। তবে আইনজীবীদের সম্পর্কে বিধি প্রণয়নের উচ্চ আদালতের ক্ষমতা থাকবে।

১২০(১) ধারা-
১৬, ১৭ এবং ২০ ধারা হাইকোর্ট বিভাগের মৌলিক দেওয়ানী কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।
২,৯২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য সম্পত্তি জব্দের সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ২ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৬ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ২(৪) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “No attachment under this rule shall remain in force for more than one year…”
অর্থাৎ, এই বিধির আওতায় কোনো সম্পত্তি ১ বছরের বেশি সময় জব্দ রাখা যাবে না।
-  যদি এক বছরের মধ্যে আদেশ পালন না হয়, তবে আদালত জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারে এবং বিক্রয়ের অর্থ থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে।

- আদেশ XXXIX, বিদ্ধি- ২(৪) এ বলা হয়েছে:
- "No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto."

- অর্থাৎ এই বিধি অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে বা লঙ্ঘন করে, তবে আদালত তার সম্পত্তি জব্দ করতে পারে। জব্দকৃত সম্পত্তি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত জব্দ অবস্থায় থাকতে পারে।
- এক বছরের পর, যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তবে আদালত জব্দকৃত সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে। বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে আদালত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে এবং বাকি অর্থ (যদি থাকে) সম্পত্তির মালিককে ফেরত দেওয়া হবে।
 
অর্থাৎ সম্পত্তি জব্দের সর্বোচ্চ সময়সীমা = ১ বছর
- ১ বছরের মধ্যে আদেশ মানা না হলে → বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ।
- তাই সঠিক উত্তর: খ) ১ বছর। 
২,৯২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে কোন ধারার বিধানগুলি প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ অনুসরণ করা হয়?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯ঘ
  4. ধারা ৮৯ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯ক
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) অনুযায়ী, আপিলে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৯২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় 'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-৯
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৭
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির- আদেশ:-৬ বিধি-১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
- মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
- বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
- আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
- প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
- প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
------------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 
২,৯২৭.
কোন আইনের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  2. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯ক (১) অনুযায়ী,
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে বা আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়, তাহলে আদালত শুনানী মুলতুবি রেখে-
ক. মোকদ্দমার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা
খ. মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিরোধটি-
১. The Legal Aid Act 2000 এর অধীন নিয়োগকৃত সংশ্লিষ্ট আইন সহায়তা কর্মকর্তার নিকট বা
২. মোকদ্দমার পক্ষগণের নিযুক্ত উকিল এর নিকট পাঠাতে পারে; বা
৩. যেক্ষেত্রে কোন উকিল নিযুক্ত করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে মোকদ্দমার পক্ষ বা পক্ষগণের নিকট পাঠাতে পারে; বা
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য না। কারণ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর অধীন মধ্যস্থতা সম্পর্কিত আলাদা বিধান আছে।
২,৯২৮.
দেওয়ানি কার্যধারার কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করেন The Code of Civil Procedure, 1908 এর -
  1. ১৫২ ধারায়
  2. ১৫৩ ধারায়
  3. ১৫১ ধারায়
  4. Order VI, Rule-17 অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যধারার ১৫৩ ধারায়  মতে মোকদ্দমার কার্যধারায় কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে আদালত যে কোন সময় কোন মামলার কার্যধারার ত্রুটি সংশোধন [amend any defect or error in any proceeding in a suit] করতে পারবে।
২,৯২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Res-subjudice শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Sub-judice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Sub-judice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে, সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি, তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানি মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
২,৯৩০.
সংযুক্তি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কখন আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. বিবাদী আবেদন করলে
  2. বিচারকে বিলম্বিত করলে
  3. বাদী আবেদন করলে
  4. উল্লেখিত যেকোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিচারকে বিলম্বিত করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকে বিলম্বিত করলে
ব্যাখ্যা
• সংযুক্তি মোকদ্দমায় বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি যদি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-

১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

• তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন। সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে-
ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।

Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
২,৯৩১.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ অনুমোদন করতে পারেন?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
 • দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
২,৯৩২.
আদেশ ৪৪ বিধি-১ এ কার আপিল করার অনুমতি প্রদানের ব্যাপারে বলা হয়েছে?
  1. নাবালকের
  2. অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির
  4. ক এবং খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
১) আপিল করার অধিকার যার আছে, যদি আপিলের স্মারকলিপির জন্য এধরণের যে কোন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অপারগ হয়, তাহলে স্মারকলিপির সাথে সে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার জন্য একটি আবেদন পেশ করতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্বন্ধীয় এই আইনের বিধানসমূহ যতদূর প্রযোজ্য তৎসাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার অনুমতি প্রদান করা যাবেঃ

আপিল গ্রহণের জন্য দরখাস্তের পদ্ধতিঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আপিলের আবেদন এবং যে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো দেখে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ বা আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধে নয় বা অন্য কোন কারণেও অসঙ্গত নয়, তবে আদালত ঐ আবেদন অগ্রাহ্য করবেন।

Rule.-1: Who may appeal as pauper-
Any person entitled to prefer an appeal, who is unable to pay the fee required for the memor-andum of appeal,may present an application accompanied by a memor-andum of appeal, and maybe allowed to appeal as a pauper, subject, in all matters, including the presentation of such application, to the provisions relating to suits by paupers, in so far as those provisions are applicable:

Procedure on application for admission of appeal:
Provided that the Court shall reject the application unless, upon a perusal thereof and of the judgment and decree appealed from, it sees reason to think that the decree is contrary to law or to some usage having the force of law, or is otherwise erroneous or unjust.
২,৯৩৩.
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার মধ্যবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যু হলে মোকদ্দমার কী হবে?
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত হবে
  3. বাতিল হবে না
  4. নতুন করে শুনানি শুরু হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৬: শুনানির পর মৃত্যুর কারণে কোনরূপ বাতিল হবে না:
পূর্ববর্তী বিধিসমূহে কোন বিধান থাকা সত্ত্বে মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হোক বা না হোক শুনানি সমাপ্তি এবং রায় ঘোষণার বিদ্যাবর্তী সময়ে কোন পক্ষের মৃত্যুর কারণে কোন মোকদ্দমা বাতিল হবে না, কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে মৃত্যু সত্ত্বেও রায় ঘোষণা করা যাবে এবং উক্ত মৃত্যু হওয়ার পূর্বে রায় প্রকাশিত হলেও যেরূপ শক্তি ও কার্যকারীতা থাকত এটিরও সেটাই থাকবে।

Rule-6: No abatement by reason of death after hearing-
Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of of the hearing and ed pronouncing either pat but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronouncedbefore the death took place.
২,৯৩৪.
ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক ডিক্রী জারী স্থগিত রাখার বিধান আছে The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশে?
  1. ৪২
  2. ৪১
  3. ৪৩
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
⇒ Order 41 হলো "Appeals from Original Decrees" সম্পর্কিত আদেশ।
Order 41 Rule 5-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: আপিল করা হয়েছে বললেই কোনো ডিক্রী বা আদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হয় না।
তবে, যদি আপিল করা হয় এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়, তাহলে আপিল আদালত অথবা ডিক্রী প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রী দিয়েছে) ডিক্রী কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে।
Rule 5(2) বলছে: ডিক্রী প্রদানকারী আদালতও (original court) ডিক্রী জারী স্থগিত রাখতে পারে, যদি আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করা হয়; এবং যথাযথ কারণ দেখানো হয়।

⇒ আদেশ ৪১ বিধি-৫- স্থগিতাদেশ (Stay) সম্পর্কে বিধান:

(১)আপিল করা হয়েছে বলে কোনো ডিক্রি বা আদেশের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত হবে না, তবে আপিল আদালত (Appellate Court) প্রয়োজনীয় কারণ দেখাতে পারলে কার্যকরির স্থগিতাদেশ দিতে পারে। শুধুমাত্র আপিল করা হয়েছে বলে ডিক্রির কার্যকরী বন্ধ হবে না; তবে যথোপযুক্ত কারণ দেখালে আপিল আদালত কার্যকরী স্থগিত রাখতে আদেশ দিতে পারবে।
(২)যদি কোনো আপিলযোগ্য ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখার জন্য আবেদন করা হয়, এবং তা আপিল করার জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হয়, তাহলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত (যে আদালত ডিক্রি দিয়েছে) যথাযথ কারণ দেখানো হলে কার্যকরী স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারবে।

(৩)সাব-রুল (১) বা (২)-এর অধীনে কার্যকরী স্থগিত রাখার কোনো আদেশ আদালত দেবে না, যদি না নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়:
(ক) আবেদনকারী পক্ষের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে যদি স্থগিতাদেশ দেওয়া না হয়;
(খ) আবেদনটি অনাহেতুক বিলম্ব না করে করা হয়েছে;
(গ) আবেদনকারী ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা (security) প্রদান করেছে বা ভবিষ্যতে তা তার ওপর বাধ্যতামূলক হবে।
(৪) সাব-রুল (৩)-এর যেকোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও, আদালত শুনানির পূর্বে ex parte (একতরফা) আদেশ দিয়ে ডিক্রির কার্যকরী স্থগিত রাখতে পারে।
২,৯৩৫.
অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি দাখিলের ত্রুটি দূরীকরণে আদালত সর্বোচ্চ কত সময় মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান- আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে:
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
২,৯৩৬.
আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কারণে ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা: চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।
- ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
- ২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
- ৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২,৯৩৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ ধারা অনুযায়ী, যদি সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে পড়ে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মোকদ্দমা গ্রহণ করতে পারবে না
  2. মোকদ্দমাটি স্থগিত রাখতে হবে
  3. মোকদ্দমা উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করতে হবে
  4. অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান: স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
২,৯৩৮.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে?
  1. মোকদ্দমার রিভিউ চলমান থাকলে
  2. মোকদ্দমায় নতুন সাক্ষ্য-প্রমাণ পেলে
  3. মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
  4. মোকদ্দমাটি আপিলের জন্য প্রস্তুত করা হলে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করা হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:

অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.
২,৯৩৯.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, রেফারেন্স পাঠানোর পর আদালত কী করতে পারে?
  1. কার্যক্রম বাতিল করতে পারে
  2. সঙ্গে সঙ্গে রায় প্রদান করতে পারে
  3. কার্যক্রম স্থগিত বা মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর করতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৬ বিধি-২: আদালত হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা স্বত্ত্বেও আদালত কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে অথবা মোকদ্দমা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারে; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মোকদ্দমায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মোকদ্দমায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।

Rule-2: Court may pass decree contingent upon decision of High Court Division:
The Court may either stay the proceedings or proceed in the case notwithstanding such reference, and may pas a decree or make an order contingent upon the decision of the High Court Division on the point referred;but no decree or order shall be executed in any case in which such reference is made until the receipt of a copy of the judgment of the High Court Division uponthe reference.

২,৯৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুযায়ী আদালত কোন সময় কোর্ট ফি হিসাব করবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. বাদী আবেদন করলে
  3. বাদী মামলায় সফল হলে
  4. প্রতিপক্ষ আপত্তি জানালে
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী মামলায় সফল হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ১০ অনুসারে, যখন কোনো নিঃসম্বল ব্যক্তি (pauper) আদালতের অনুমতি নিয়ে কোর্ট ফি না দিয়ে মামলা করে এবং সে মামলায় সফল হয়, তখন আদালত হিসাব করে দেখে "যদি সে নিঃসম্বল না হতো, তাহলে তাকে কত কোর্ট ফি দিতে হতো।"
এই হিসাবকৃত পরিমাণটি তখন সরকার কর্তৃক ডিক্রির মাধ্যমে যাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কাছ থেকে আদায়যোগ্য হয় এবং মামলার বিষয়বস্তুর উপর ‘first charge’ বা প্রথম দায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাই, কোর্ট ফি মামলার শুরুতে নয়, শুধুমাত্র তখনই হিসাব করা হয়, যখন বাদী মামলায় সফল হন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩ বিধি-১০: নিঃসম্বল ব্যক্তি সফল হলে মামলার খরচ: 
যেক্ষেত্রে বাদী মামলায় সফল কার্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত, বাদী যদি নিঃসম্বলব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি না পাইত, তবে তাহলে তাকে যে পরিমাণ কোর্ট ফি প্রদান করতে হতো, সেই পরিমাণ কোর্ট ফি হিসাব করবেন, সেই পরিমাণ অর্থ ডিক্রিতে যাকে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়, সেই পক্ষের নিকট হতে সরকার কর্তৃক আদায় যোগ্য হবে, এবং উহা মামলার বিষয় বস্তুর উপর প্রথম দায় হিসাবে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-10. Costs where pauper succeeds:
Where the plaintiff succeeds in the suit, the Court shall calculate the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper; such amount shall be recoverable by the Government from any party ordered by the decree to pay the same, and shall be a first charge on the subject-matter of the suit.
২,৯৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা দায়েরের পর বাদী কখন মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে
  3. যে কোন সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim. 
২,৯৪২.
‘প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবিষ্কার’ এর ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের অনুমতি ব্যতীত কয় সেট প্রশ্নমালা দাখিল করা যায়?
  1. ১ সেট
  2. ২ সেট
  3. ৩ সেট
  4. ৫ সেট
সঠিক উত্তর:
১ সেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেট
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
- প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
- দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

আদেশ ১১, বিধি ১: জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তথ্য উদ্ঘাটন (Discovery by Interrogatories)-
যেকোনো মামলায়, বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে [ইস্যু নির্ধারণের তারিখ হতে দশ দিনের মধ্যে] প্রতিপক্ষ বা তার মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে লিখিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ (interrogatories) প্রদান করতে পারে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে। এই জিজ্ঞাসাবাদগুলো প্রদান করার সময় সেগুলোর নিচে একটি নোট দিতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—প্রত্যেক ব্যক্তি কোন কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য।

শর্তস্বরূপ:
- আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
- এমন কোনও জিজ্ঞাসাবাদ যা মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিতর্কিত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—যদিও তা মৌখিক জেরা (oral cross-examination) চলাকালে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
২,৯৪৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারায় কোন আদালতে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. ক, খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
২,৯৪৪.
দেওয়ানি সমন জারির ক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিস তালিকা কে প্রস্তুত করবেন?
  1. সংশ্লিষ্ট বিচারক
  2. জেলা জজ
  3. সরকারের ডাক বিভাগ
  4. বাদীপক্ষের আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।

(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।

(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।

(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।

(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
২,৯৪৫.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে কোনো পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার সময় পেতে পারে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মূলতবির আবেদন করতে হয়। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন । আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মূলতবি রাখতে পারে। চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। 

♦ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে; তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।

♦ মূলতবি খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে। মূলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২,৯৪৬.
বাদীকে তার আরজিতে কোন ধরনের প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে?
  1. সাধারণভাবে যে প্রতিকার দাবী করে
  2. বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে
  3. যে প্রতিকার আদালত সঙ্গত বিবেচনায় মঞ্জুর করে থাকে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদী সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.
২,৯৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে?
  1. ১০
  2. ২১
  3. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারি করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারি করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
------------
⇒ CPC Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
২,৯৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারার বিধান কী?
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal.
সঠিক উত্তর:
Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arbitration
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

⇒ সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৬) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
-----------------------
⇒ CPC Section-89B. Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
২,৯৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে কত সালে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়?
  1. ২০০৩ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation)
২- সালিশী (Arbitration)

মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
২,৯৫০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারানুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক মামলা বদলির ক্ষেত্রে ___________।
  1. শুনানী আবশ্যক কিন্তু নোটিশ নয়
  2. নোটিশ ও শুনানী আবশ্যক
  3. নোটিশ আবশ্যক কিছু শুনানী নয়
  4. নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ ও শুনানী কোনোটিই আবশ্যক নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪ স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২,৯৫১.
ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি কার্যক্রম শুরু হতে পারে যদি ডিক্রিটি হয়-
  1. বন্ধকের
  2. অর্থের
  3. বন্টনের
  4. অগ্রক্রয়ের
সঠিক উত্তর:
অর্থের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন:
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।
-----------
⇒ Order-21 Rule-11  Oral application:
(1) Where a decree is for the payment of money the Court may, on the oral application of the decree-holder at the time of the passing of the decree, order immediate execution thereof by the arrest of the judgment-debtor, prior to the preparation of a warrant if he is within the precincts of the Court. 
২,৯৫২.
ডিক্রি জারির নতুন দরখাস্ত ১২ বৎসর পরেও দায়ের করা যায় যদি জারী কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়________
  1. প্রবঞ্চনার কারণে
  2. শক্তি প্রয়োগের ফলে
  3. ক ও খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রী জারীর জন্য ১ম আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
♦তবে নতুন আবেদন ১২ বছরের মধ্যে করতে হবে। তবে ১২ বছরের পরেও আবেদন করা যায়। যদি দেনাদার  প্রবঞ্চনা কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রী জারীতে বাধা দিয়ে থাকে।
♦উল্লেখ্য ২ বৎসরের মধ্যে আবেদন করলে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তবে ২ বছরে পরে আবেদন করলে দায়িক কে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
২,৯৫৩.
কোন ধরনের সম্পত্তির জন্য আদেশ-২১, বিধি-৫৪ প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪: স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:
(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।
২,৯৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ডিক্রির অধীনে টাকা পরিশোধের পদ্ধতি কোনটি?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
  2. ডিক্রিদারকে আদালতের বাইরে টাকা দিয়ে;
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়;
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।

⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলী আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ কোন মোকদ্দমার রায়ে যার পক্ষে ডিক্রি দেয়া হয় তিনি আপনা আপনি ডিক্রির ফল ভোগ করতে পারবেন না। জারিযোগ্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে নতুন করে একটি ডিক্রি জারির মামলা করতে হয়। নির্দিষ্ট ফরম পূরণপূর্বক জাবেদা নকল সহ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে বা যে আদালতে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয়েছে সে আদালতে ডিক্রি জারির আবেদন করতে হয়।

⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
ⅳ) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
২,৯৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুযায়ী ডিক্রির অধীনে অর্থ প্রদান সাধারণত কতটি উপায়ে করা যায়?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অধীনে ডিক্রির অর্থপ্রদানের তিনটি প্রাথমিক উপায় নির্ধারিত আছে:
১. আদালতে অর্থ প্রদান: যে আদালত ডিক্রি কার্যকর করার দায়িত্বে আছে, সেখানে অর্থ জমা দেওয়া হয়।
২. আদালতের বাইরে ডিক্রি-হোল্ডারকে অর্থ প্রদান: ডিক্রি-হোল্ডারকে সরাসরি আদালতের বাইরে অর্থ প্রদান করা যেতে পারে।
৩. আদালতের নির্দেশক্রমে অন্য কোন পদ্ধতি: যদি ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনো বিশেষ পদ্ধতি নির্দেশ দেয়, সেই অনুযায়ী অর্থ প্রদান করা হয়।
- অর্থাৎ, মোট তিনটি উপায়েই অর্থ প্রদান করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর আদেশ-২১, বিধি-১: ডিক্রির টাকা পরিশোধ- ২১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে ডিক্রির টাকা ৩ ভাবে পরিশোধ করা যায়। যথা-
ⅰ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে টাকা জমা দিয়ে;
ii) ডিক্রিদারকে আদালতের বাহিরে টাকা দিয়ে; এবং
iii) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নির্দেশে অন্য উপায়ে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যায়।
⇒ ডিক্রি জারির সংজ্ঞা (Definition of Execution of Decree)- আদালত প্রদত্ত ডিক্রিকে বলবৎ বা বাস্তবায়ন করাকে ডিক্রি জারি বা executuion of decree বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৬ থেকে ৭৪, ১৩৫ক ধারা এবং ২১ নং আদেশের ১ থেকে ১০৩ বিধিসমূহে ডিক্রি জারিকরণ সংক্রান্ত সকল নিয়মাবলি আলোচনা করা হয়েছে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-1: Payment under Decree:
- Modes of paying money under decree:
(1) All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:−
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree; or
(b) out of Court to the decree-holder; or
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.
(2) where any payment is made under clause (a) of subrule (1), notice of such payment shall be given to the decreeholder.
২,৯৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, সাধারণভাবে একটি ডিক্রি কার্যকর করার জন্য কত বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর 
  4. ২ বছর 
সঠিক উত্তর:
১২ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৪৮ অনুযায়ী, একটি ডিক্রি কার্যকর করার আবেদন সাধারণত ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে করতে হয়। এই ১২ বছরের পরে সাধারণত আর সেই ডিক্রি কার্যকর করা যায় না, যদি না আইন বা আদালতের বিশেষ আদেশে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

২,৯৫৭.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
১) আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
২) মধ্যস্থতা (Mediation);
৩) সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-

এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।

আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-

এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়
এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-

সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
২,৯৫৮.
মোকদ্দমায় শুনানী (hearing) বলতে কি বোঝায়?
  1. রায় বা ডিক্রি শুনানী
  2. মোকদ্দমার পক্ষসমূহের বক্তব্য শ্রবণ
  3. বিচারকের বক্তব্য শ্রবণ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষসমূহের বক্তব্য শ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষসমূহের বক্তব্য শ্রবণ
ব্যাখ্যা
• হেয়ারিং বা শুনানী বলতে কোন মোকদ্দমায় কোন বিষয়ের নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বক্তব্য শ্রবণ, যাচাই অথবা জিজ্ঞাসাবাদ করাকে বোঝায়। কোন বিষয় বা ঘটনার শুনানীর মানে বিষয় বা ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত শোনা এবং সেই অনুসারে সিদ্ধান্ত দেয়া।

• দেওয়ানি মোকদ্দমার মূলত তিন ধরনের শুনানী হয়ে থাকে। যথা-

i) বিচার কার্যক্রম-পূর্ব শুনানী (Pre-trial hearing);

ii) চূড়ান্ত শুনানী (Pre-emptory hearing); এবং

iii) অধিকতর শুনানী (Further hearing)।
২,৯৫৯.
দেওয়ানী আদালত গঠিত হয় নিম্নের কোন আইন অনুযায়ী?
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Civil Courts Act, 1887
  4. The Constitution of the People's Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
২,৯৬০.
চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  2. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
  3. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  4. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী, প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান:

প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।

অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
২,৯৬১.
'Judgment' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. ডিক্রি
  2. রায়
  3. আদেশ
  4. বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
Section-2(9)- "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
- 'রায়' (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
২,৯৬২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ এর বিধানাবলী কোন ক্ষেত্রে প্রযোগ করা হয় না?
  1. ডিক্রি কার্যকরের ক্ষেত্রে
  2. মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে
  3. মামলা আপসের ক্ষেত্রে
  4. দাবির অংশ পরিত্যাগের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ৪ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order."
- অর্থাৎ, আদেশ ২৩-এর বিধানাবলী (মামলা প্রত্যাহার, দাবি পরিত্যাগ ও আপস-সমঝোতা সংক্রান্ত) ডিক্রি কার্যকরের (execution of decree) কোনো কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected:
- Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.

২,৯৬৩.
আদি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশকে সাধারণত আইনের প্রশ্নে চ্যালেঞ্জ করা যায়-
  1. রেফারেন্সে
  2. আপিলে
  3. রিভিউ-এ
  4. রিভিশনে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে যদি আদেশ বা ডিক্রিটি আপীলঅযোগ্য হয় বা ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান না থাকে এবং নিম্ন আদালত আইনগত ভুল করার কারণে ডিক্রি বা আদেশে ভুল হয়েছে এবং উক্ত ভুলের কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হলে [Occasioning failure of Justice]। শুধুমাত্র আইনত ভুলের ক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। যদি আইনগত ভুলটি ন্যায় বিচার বিঘ্ন করে, শুধুমাত্র আদালত তখনই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না। ✓ আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয় 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
২,৯৬৪.
নিম্নের কে Panel of Mediators এ অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. স্থানীয় বারের সভাপতি
  3. স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় চাকুরিরত ব্যক্তি
  4. লাভজনক সরকারি পদে চাকুরিরত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
লাভজনক সরকারি পদে চাকুরিরত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাভজনক সরকারি পদে চাকুরিরত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।

♦ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

♦ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না
২,৯৬৫.
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিলে এবং আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা অস্বীকার করলে, আদালত কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে?
  1. মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখবে
  2. উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ
  3. মোকদ্দমা খারিজ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

• আদেশ ১০ বিধি ৪(১,২) অনুসারে, যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কোন পক্ষ নিজে না এসে কোন আইনজীবীর মাধ্যমে আদালত হাজিরা দেয়, সেই ক্ষেত্রে আইনজীবী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে অক্ষম হলে বা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে, আদালত মোকদ্দমার শুনানী মুলতুবি রেখে উক্ত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। উক্ত নির্ধারিত দিনে এমন পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে।

• উল্লেখ্য যে, আদেশ ১০ এর ৪ বিধির অধীন কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার আদেশ হলো একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
২,৯৬৬.
'সমন যথাযথভাবে পৌঁছানোর পরও যদি দেওয়ানি মামলার শুনানিতে কেবল বাদী উপস্থিত থাকে এবং বিবাদী অনুপস্থিত থাকে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিতে উল্লেখ আছে?
  1. Order XI, Rule 6
  2. Order IX, Rule 6
  3. Order X, Rule 6
  4. Order VIII, Rule 6
সঠিক উত্তর:
Order IX, Rule 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order IX, Rule 6
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি-৬ (Order IX, Rule 6):
১. যখন মামলার শুনানির জন্য আদালতে মামলা তোলা হয় এবং কেবল বাদী উপস্থিত হয়, প্রতিপক্ষ (বিবাদী) উপস্থিত হয় না, তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে:

(ক) সমন যথাযথভাবে জারি ও পৌঁছানো হয়েছে (Summons duly served)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত একপক্ষীয় (ex parte) শুনানি করতে পারে।

(খ) সমন যথাযথভাবে পৌঁছানো হয়নি (Summons not duly served)
যদি প্রমাণ না হয় যে সমন যথাযথভাবে পৌঁছেছে, আদালত নির্দেশ দেবে যে দ্বিতীয় সমন জারি করে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো হোক।

(গ) সমন পৌঁছেছে, কিন্তু যথাযথ সময়ে নয় (Summons served, but not in due time)
যদি প্রমাণিত হয় যে সমন পৌঁছেছে, কিন্তু পর্যাপ্ত সময় না থাকায় বিবাদী নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হয়ে উত্তর দিতে পারেনি, আদালত শুনানি পরবর্তী দিনে স্থগিত করবে, এবং বিবাদীকে নতুন তারিখের নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেবে।

২,৯৬৭.
মামলার বাদী উপস্থিত কিন্তু বিবাদী অনুপস্থিত রয়েছে, শুনানীর দিন এই ক্ষেত্রে কি হবে?
  1. যদি সমন যথার্থ জারি হয় তাহলে আদালত একতরফা বিচার করতে পারবেন
  2. যদি সমন যথার্থ জারি না হয় তাহলে আদালত পুনরায় সমন দেওয়ার আদেশ দিবেন
  3. সমন যদি যথার্থ ভাবে জারি হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার যথেষ্ট সময় না পায় তাহলে পরবর্তী দিন নির্ধারন করবে এবং শুনানী মূলতবী করবে।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী যদি শুনানির জন্য ডাকা হয় তখন যদি বাদী উপস্থিত হয় এবং বিবাদী উপস্থিত না হয় তাহলে,
১. সমন যথারীতি জারি হলে, আদালত একতরফা বিচার করতে পারবেন।
২. সমন যথারীতি জারি না হলে, আদালত দ্বিতীয়বার সমন প্রেরণ এবং জারি করার নির্দেশ দান করবেন।
৩. সমন জারি হয় কিন্তু বিবাদীকে হাজির হয়ে জবাব দেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় প্রদান করা না হলে, আদালত পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি রাখবেন এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ জানানোর জন্য নির্দেশ দিবেন।
২,৯৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির এক্সিকিউশনের জন্য আবেদন করার সময়সীমা কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. কোনো সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৮(১) অনুসারে, একটি ডিক্রির জারি (এক্সিকিউশন) এর জন্য আবেদন করার সময়সীমা সাধারণত ১২ বছর। তবে এই সময়সীমা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না:
- নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি (decree granting an injunction)
- যদি জজমেন্ট-ডেবটর প্রতারণা বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ডিক্রি জারি বাধাগ্রস্ত করে (ধারা ৪৮(২)(ক) অনুযায়ী)
- তামাদি আইনের ১৮৩ ধারা প্রযোজ্য হয় এমন ক্ষেত্রে। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:- নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনা মতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 48 Limit of Time for Execution:
 Execution barred in certain cases: (1) Where an application to execute a decree not being a decree granting an injunction has been made, no order for the execution of the same decree shall be made upon any fresh application presented after the expiration of twelve years from
(a) the date of the decree sought to be executed, or,
(b) where the decree or any subsequent order directs any payment of money or the delivery of any property to be made at a certain date or at recurring periods, the date of the default in making the payment or delivery in respect of which the applicant seeks to execute the decree.

(2) Nothing in this section shall be deemed:
(a) to preclude the Court from ordering the execution of a decree upon an application presented after the expiration of the said term of twelve years, where the judgment-debtor has, by fraud or force, prevented the execution of the decree at some time within twelve years immediately before the date of the application; or
(b) to limit or otherwise affect the operation of article 183 of the First Schedule to the Limitation Act, 1908.

২,৯৬৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে কোন সম্পত্তি?
  1. বাজার দর নির্ধারন করতে
  2. বার্ষিক ক্ষতি বা মূল লাভ নির্ধারন করতে
  3. অন্তবর্তীকালীন মুনাফা নির্ধারনের জন্য
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ৯ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে।
⇒ মোকদ্দমার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির-
১) বাজার মূল্য বা
২) অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা (Mesne Profits )
৩) ক্ষতিপূরণ বা
৪) বাৎসরিক নীট মুনাফা নির্ণয় করা
⇒ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
⇒ তবে স্থানীয় তদন্তে সম্পত্তির দখলকার আছে তা নির্ধারন হয় না।
২,৯৭০.
স্থাবর বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  2. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  3. ক বা খ
  4. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের কারণ উৎপত্তি হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী, মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা,
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
২,৯৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সুপ্রীম কোর্ট কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে?
  1. ধারা ৯৬
  2. ধারা ১০২
  3. ধারা ১২২
  4. ধারা ১৫১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২২
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে সময় সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধির মাধ্যমে প্রথম তফশীলের সকল বা যেকোনো বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২২ ধারা- বিধি প্রণয়নে সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতা:
- সুপ্রীমকোর্ট সময় সময়ে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানী আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণকালে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধি দ্বারা প্রথম তফশীলের সকল বা যে কোন বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 122. Power of the Supreme Court to make rules.
- The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.

২,৯৭২.
'Striking out pleadings'- বলতে কী বোঝায়?
  1. আরজি-জবাব কর্তন
  2. আরজি-জবাব সংশোধন
  3. আরজি-জবাব বাতিল করা
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আরজি-জবাব কর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি-জবাব কর্তন
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৬, বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে  প্লিডিংস কর্তনের (Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।

• আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
⇒ অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter); বা
⇒ কুৎসাজনক (Scandalous); অথবা
⇒ বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice, embarras or delay fair trial of the suit)
২,৯৭৩.
আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
♦ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের উদ্দেশ্যে জনাব মাজদার হোসেনসহ কতিপয় বিচার বিভাগীয় অফিসার ১৯৯৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নং- ২৪২৪ /৯৫ দায়ের করেছিলেন। বিষয়টির উপর ১৩ জুন ১৯৯৬ সাল থেকে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ শুনানির পর হাইকোর্ট বিভাগ ৭ মে ১৯৯৭ সালে রায় প্রদান করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার আপীল করে (দেওয়ানী আপীল নং- ৭৯/ ১৯৯৯) এবং আপীল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত রায় নিরীক্ষণ করে ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ তারিখে রায় প্রদান করে ( ৫২ ডি এল আর, ৮২ )
২,৯৭৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি কীভাবে জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. দেওয়ানি কারাগারে আটক করে
  3. আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে
  4. উল্লিখিত কোনো ভাবেই নয়
সঠিক উত্তর:
আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।

Order-21 Rule- 32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
২,৯৭৫.
'নিজের মামলায় নিজে বিচারক হওয়া যায় না'- এই নীতি দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৮৭ এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1.  ৩৬ ধারা 
  2.  ৩৭ ধারা 
  3.  ৩৮ ধারা 
  4.  ৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
 ৩৮ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৩৮ ধারা 
ব্যাখ্যা

• Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

২,৯৭৬.
আপিল শুনানির দিন যদি আপিলকারী অনুপস্থিত এবং রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত থাকে, তাহলে আদেশ ৪১ বিধি ১৭ এর অধীন-
  1. আপিল খারিজ করা হবে
  2. শুনানি পুনঃতফসিল করা হবে
  3. একতরফা ভাবে আপিল শুনানি হবে
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ আনা হবে
সঠিক উত্তর:
আপিল খারিজ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল খারিজ করা হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফা ভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
২,৯৭৭.
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোন ভুল হইলে আদালত তাহা সংশোধন (Corrected by the Court) করিতে পারে- 
  1. যে কোন সময়
  2. মোকদ্দমার শুরুতে
  3. আপিল চলাকালে
  4. সংশোধন করিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন। রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders: Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
২,৯৭৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে remand কী?
  1. মামলার পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
  2. আপিল আদালত কর্তৃক মামলা পুনর্বিচার করা
  3. আপিল আদালত কর্তৃক পুনর্বিচারের জন্য বিচারিক আদালতে পাঠানো
  4. পুনর্বিচার করা
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত কর্তৃক পুনর্বিচারের জন্য বিচারিক আদালতে পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত কর্তৃক পুনর্বিচারের জন্য বিচারিক আদালতে পাঠানো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ও দেওয়ানী কার্যবিধিতে remand –এর ধারণা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোনো বিচার্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান না করলে এবং আদালত যদি প্রাথমিক বিষয়াদি বিবেচনায় রায় প্রদান করেন সেই ক্ষেত্রে আপিল আদালত মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য ১০৭(১)(খ) ধারা মোতাবেক পুনর্বিচার-এর জন্য প্রেরণ করতে পারেন। রিমান্ড কখনও পুনর্বিচার নয়, পুনর্বিচারের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়াই হলো রিমান্ড
২,৯৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ আদেশের ৯ক বিধির অধীন মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনের ক্ষেত্রে আদালত অনধিক কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal: 
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
২,৯৮০.
নাবালকের জন্য অভিভাবক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নাবালকের সম্মতি
  2. শপথনামা সমর্থিত আবেদন
  3. নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবককে নোটিশ প্রদান
  4. অভিভাবকের স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া
সঠিক উত্তর:
নাবালকের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের সম্মতি
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ (Order XXXII) অনুযায়ী, যখন কোনো নাবালক বিবাদী হয় বা তার পক্ষে কোনো মামলা চলমান থাকে, তখন আদালত তার জন্য একজন "অভিভাবক" (Guardian for the suit) নিযুক্ত করে। এই প্রক্রিয়ায় কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক, আবার কিছু বিষয় ঐচ্ছিক বা প্রাসঙ্গিক নয়।

যা বাধ্যতামূলক:
শপথনামা সমর্থিত আবেদন দিতে হয় বিধি ৩(৩)-এ বলা হয়েছে যে, যিনি অভিভাবক হতে চান, তাকে একটি শপথনামাসহ আবেদন করতে হবে যাতে প্রমাণ থাকে যে তার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী নয়।
নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক বা পিতা-মাতাকে নোটিশ প্রদান করতে হয় বিধি ৩(৪)-এ বলা আছে যে, অভিভাবক নিযুক্তির আগে উপযুক্ত নোটিশ প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
নিয়োগপ্রত্যাশী ব্যক্তির স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূল না হওয়া বাধ্যতামূলক কারণ তার স্বার্থ সংঘাতপূর্ণ হলে সে উপযুক্ত অভিভাবক নয়।

যা বাধ্যতামূলক নয়:
→ নাবালকের সম্মতি: কোনো নাবালকের ব্যক্তিগত সম্মতি অভিভাবক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নয়। কারণ নাবালক আইনত পূর্ণরূপে সচেতন বা সক্ষম বিবেচিত হন না, তাই আদালতই তার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং তার মঙ্গল বিবেচনায় অভিভাবক নিয়োগ করেন।
→ সঠিক উত্তর: ক) নাবালকের সম্মতি। এটি আইনত বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনা ও অন্যান্য দায়িত্বশীল প্রক্রিয়া অনুসারে অভিভাবক নিয়োগ হয়।
২,৯৮১.
কোনো পক্ষ কর্তৃক Set off দাবি করা যেতে পারে?
  1. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  2. স্বত্বের মামলায়
  3. অর্থের মামলায়
  4. বণ্টনের মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off "অর্থ আদায়ের" মোকদ্দমায় দাবি করা যায়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।

• ৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—
১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।

২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

• বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায় তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
২,৯৮২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী কিভাবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি জারি করা যায়?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করে
  2. কারাগারে আটক রেখে
  3. অর্থ দণ্ডের মাধ্যমে
  4. স্পেশাল ডিক্রির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক করে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
-দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

- যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
২,৯৮৩.
আদেশ ৩৩, বিধি ৬ অনুসারে, আদালত আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণ ও অপ্রমাণের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কত দিনের নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. কমপক্ষে ১৫ দিন
  2. কমপক্ষে ১০ দিন
  3. কমপক্ষে ৭ দিন
  4. কমপক্ষে ৫ দিন
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ৬ অনুযায়ী, যখন আদালত আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করে, তখন সে দিন সম্পর্কে বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে কমপক্ষে ১০ দিনের পরিষ্কার নোটিশ দিতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো দুই পক্ষকেই যথেষ্ট সময় দেওয়া যাতে তারা সাক্ষী হাজির করার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে এবং ন্যায়সঙ্গত শুনানি সম্ভব হয়। তাই নোটিশের সময়সীমা কমপক্ষে ১০ দিন হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৬: আবেদনকারীর নিঃসম্বল অবস্থা সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখের নোটিশ:
যেক্ষেত্রে ৫ নম্বর বিধিতে বর্ণিত কোনো অজুহাতে আদালত আবেদনপত্র খারিজের কারণ না দেখেন, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারী তার নিঃসম্বল অবস্থা প্রমাণের জন্য যে রকম সাক্ষ্য হাজির করবে তা গ্রহণের জন্য এবং তা অপ্রমাণের জন্য যে সাক্ষ্য হাজির করা হয়, তা শুনানির জন্য একটি দিন ধার্য করবেন।
(যার কমপক্ষে ১০ দিনের পরিস্কার নোটিশ বিপরীত পক্ষ এবং সরকারী উকিলকে দিতে হবে)।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-6: Notice of day for receiving evidence of applicant's pauperism:
Where the Court sees no reason to reject the application on any of the grounds stated in rule 5, it shall fix a day (of which at least ten days' clear notice shall be given to the opposite party and the Government pleader) for receiving such evidence as the applicant may adduce in proof of his pauperism, and for hearing any evidence which may be adduced in disproof thereof.
২,৯৮৪.
ডিক্রি জারি মামলার কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী দায়িককে কত দিন পর্যন্ত দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যায়?
  1. ১২০
  2. ৯০
  3. ৬০
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান: যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
২,৯৮৫.
যদি নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করা হয় এবং দুই মাসের মধ্যে মীমাংসা হয়, তবে বাদী কী পাবেন না?
  1. খরচ
  2. প্রতিকার
  3. মামলার রায়
  4. আইনি সহায়তা
সঠিক উত্তর:
খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি সরকার বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নির্ধারিত ২ মাসের নোটিশ প্রদান না করে মামলা দায়ের করেন, অথবা
নোটিশ দেওয়ার ২ মাসের সময়কাল শেষ হওয়ার আগেই মামলা দায়ের করেন, এবং সেই মামলাটি দুই মাসের মধ্যে মীমাংসিত হয় অথবা সরকার বাদীর দাবি মেনে নেয়, তাহলে বাদী কোনো খরচ (costs) পাবে না।
- আইন অনুযায়ী: "...সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না।"

অপশন বিশ্লেষণ:
খ) প্রতিকার:→ প্রতিকার (relief) বাদী পেতে পারেন যদি দাবি মেনে নেওয়া হয়।
গ) মামলার রায়: → মামলা নিষ্পত্তি হলে রায় দেওয়া হয়, তাই বাদী রায় পায়।
ঘ) আইনি সহায়তা: → এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়, আদালত বা রাষ্ট্র আইনি সহায়তা দিতে পারে প্রয়োজনে।

- সুতরাং নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে, এবং সরকার যদি স্বেচ্ছায় বাদীর দাবী মেনে নেয় বা মামলা নিস্পত্তি হয়, তাহলে বাদী কেবল "খরচ" (costs) পাবে না।
অন্য প্রতিকার বা রায় পেতে কোনো বাধা নেই।
- অর্থাৎ ধারা ৮০ অনুযায়ী, নোটিশ ছাড়া মামলা করে দুই মাসের মধ্যে সমাধান হলে বাদী কোনো খরচ দাবি করতে পারবেন না। তাই সঠিক উত্তর: ক) খরচ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮০ - নোটিশ:
(১) পদাধিকার বলে গণ্য কোন কার্যের জন্য সরকার বা সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিম্নের অফিসসমূহের লিখিত নোটিশ দেয়ার বা পাঠানোর দুইমাস অতিবাহিত হবার পরে মামলা দায়ের করা চলবে—
খ) ১. সরকারে বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ে সংক্রান্ত মামলা ব্যতিত - অন্যান্য ক্ষেত্রে সরকারের সচিব অথবা জেলা কালেক্টর এবং
২. রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে রেলওয়ের জেনারেল ম্যাজোর এবং কোন সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে তাকে বা তার অফিসে মামলার কারণ, বাদীর নাম ও বাসস্থানের ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবী করে তা উল্লেখ করে নোটিশ দিতে হবে এবং অনুরূপ নোটিশ দেয়া হয়েছে বা পাঠানো হয়েছে বলে আরজিতে একটি বিবৃতি থাকতে হবে।
(২) যে ক্ষেত্রে উপরি-উল্লেখিত মতে নোটিশ না দিয়া বা না পাঠায়ে অথবা উল্লেখিত দুই মাস মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই কোন মামলা দায়ের করা হয়, অথবা যেই ক্ষেত্রে আরজিতে উক্ত রূপ নোটিশ প্রদান বা পাঠানের বিষয়ে কোন বিবৃতি থাকে না, সেক্ষেত্রে মামলা দায়েরের দুই মাস সময়ের মধ্যে যদি মামলার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কোন মীমাংসায় পৌছানো যায়, অথবা সরকার বা সরকারী কর্মকর্তা বাদীর দাবী মানিয়া লয়, তবে বাদী কোন খরচ পাবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ নোটিশ ছাড়া কোন মামলা দায়ের করতে হলে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য আদালত সরকারকে কমপক্ষে তিন মাস সময় মঞ্জর করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,-
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left.
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit:
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
২,৯৮৬.
২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার সীমা নিম্নরূপ:

সহকারী জজের আদালত: সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
সিনিয়র সহকারী জজের আদালত: ১৫ লক্ষ টাকার বেশি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
যুগ্ম জেলা জজের আদালত: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলার বিচার করতে পারে।
- যেহেতু প্রশ্নে মামলার মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা উল্লেখ আছে, যা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি এবং ২৫ লক্ষ টাকার কম, তাই এই মামলাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।

২,৯৮৭.
আদেশ ২৩ বিধি-১(৩) অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া যদি বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে-
  1. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ দিবে
  2. ৩০ দিনের কারাদণ্ড পাবে
  3. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না
  4. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

২,৯৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়?
  1. অস্থায়ী আদেশ
  2. জামিন সংক্রান্ত আদেশ
  3. চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
  4. আদালতের কার্যধারা স্থগিতের আদেশ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চূড়ান্ত আদেশ, ডিক্রি বা রায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ অথবা অন্য কোনো চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের প্রদত্ত চূড়ান্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করা যায়।
এখানে চূড়ান্ত বলতে বোঝানো হয়েছে, যে আদেশ বা রায় দ্বারা মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
অস্থায়ী আদেশ বা অন্তর্বর্তী আদেশের বিরুদ্ধে এই ধারায় আপিলের সুযোগ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.