বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১৬ / ৩০ · ১,৫০১১,৬০০ / ২,৯৯৩

১,৫০১.
দেওয়ানি মামলায় কোনটি রক্ষনীয়?
  1. বিবাদী বাদীর দত্তক নয় মর্মে ঘোষণা
  2. বাদী বিবাদীর দত্তক পুত্র মর্মে ঘোষণা
  3. বাদী বিবাদীর পালক পিতা মর্মে ঘোষণা
  4. উপরের সবগুলো ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦সব গুলা অপশন এর মূলত বিষয়টি হলো আইনগত পরিচয়ের ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের। এই কারণে প্রশ্নে উল্লেখিত সকল ঘোষণামূলক মামলাটি রক্ষণীয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে । অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree )বলে।

♦আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্ত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
১,৫০২.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রির ক্ষেত্রে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা ক্রোকের কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩১ এর বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি: ডিক্রিটি কোন সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির জন্য প্রদত্ত হলে, উক্ত অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে এবং যে পক্ষের অনুকূলে রায় দেয়া হয়েছে সেই পক্ষকে অর্পণ করে অথবা ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা উভয় প্রকারেই এটি জারি করা যাবে।
- যেক্ষেত্রে কোন ক্রোক ৬ মাস বলবৎ রয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রি দায়িক যদি ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার যদি ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং উক্ত বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে ডিক্রিদারকে দেওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
-------
⇒ Order-21 Rule-31. Decree for specific movable property:
(1) Where the decree is for any specific movable, or for any share in a specific movable, it may be executed by the seizure, if practicable, of the moveable or share, and by the delivery thereof to the party to whom it has been adjudged, or to such person as he appoints to receive delivery on his behalf, or by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment of his property, or by both.

(2) Where any attachment under sub-rule (1) has remained in force for six months, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold, and out of the proceeds the Court may award to the decreeholder, in cases where any amount has been fixed by the decree to be paid as an alternative to delivery of movable property, such amount, and, in other cases, such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.  

(3) Where the judgment-debtor has obeyed the decree and paid all costs of executing the same which he is bound to pay, or where, at the end of six months from the date of the attachment, no application to have the property sold has been made, or, if made, has been refused, the attachment shall cease.
১,৫০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে দলিলাদি দাখিলের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ২
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ১৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১৪-এ দলিলাদি দাখিলের বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, মামলা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় আদালত মামলার যেকোনো পক্ষকে তাদের আয়ত্তাধীন এবং মামলার বিতর্কিত বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত দলিলাদি শপথমূলে দাখিল করার আদেশ দিতে পারে। আদালত এই দলিলগুলো ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১ বিধি ১৪ দলিলাদি দাখিল —
-কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

- It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]

১,৫০৪.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  2. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  4. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
১,৫০৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে
  2. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে
  3. অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.
১,৫০৬.
যদি ডিক্রি কার্যকর করার সময় দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে সম্পত্তি দখলের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হয়, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য তাকে কারাগারে রাখতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে ডিক্রি কার্যকর করার সময় স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় এবং সেই বাধা ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হয়, তখন আদালত আবেদনকারী ডিক্রিধারীর (বা ক্রেতার) অনুরোধে সেই দেনাদার বা বাধাদানকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেল-এ আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারে। পাশাপাশি, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান: স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান: ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
১,৫০৭.
ক ৩০,০০,০০০/- টাকা দিয়ে একটি জমি খরিদ করার পর দলিলে ত্রুটি ধরা পড়ায় দলিল সংশোধনের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ-এর আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে? এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোন আদেশটি আইনগত ভাবে সঠিক?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. মোকদ্দমা স্থানান্তর
  4. আরজি খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। কথিত দলিলের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা হওয়ায় এই মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচার্য। কিন্তু এটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করায় আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে তা উপযুক্ত আদালতে অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করার জন্য ফেরত দিতে হবে। ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা আরজি প্রত্যাখ্যানের সুযোগ নেই। আর মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা শুধু জেলা জজ-এর আছে।
♦The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 
১,৫০৮.
কোনো ব্যক্তির একটি জমি যদি দুটি ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে সেই জমির বিরুদ্ধে যেকোনো মামলা -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের কাছাকাছি আদালতে দায়ের করতে হবে
  3. যে এলাকা বড় সেই এলাকার আদালতে দায়ের করতে হবে
  4. উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

সুতরাং দেখা যাচ্ছে,
স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
১,৫০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, মধ্যস্থতার আদেশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয়কে আদালতকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়ে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারি করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারি করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

১,৫১০.
প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে-
  1. ০৩ বছরের মধ্যে
  2. ০৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
♦প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে- যে কোন সময়।
১,৫১১.
আপোষ মূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউ-এ।
  3. রিভিশনে
  4. রেফারেন্সে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
♦ অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায় ।
১,৫১২.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

১,৫১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ অনুযায়ী, আদালত কোন কোন ক্ষেত্রে বাদীর অভিযোগ (Plaint) ফেরত দিতে বা খারিজ করতে পারে?
  1. যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়
  2. যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা উল্লেখ না থাকে
  3. যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) এর আদেশ ৭ (Order VII) অনুসারে, বাদীর দায়ের করা অভিযোগ বা Plaint ফেরত (Return) বা খারিজ (Rejection) করার বিভিন্ন পরিস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে প্রতিটি অপশন ব্যাখ্যা করা হলো: 
ক) যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১০ অনুযায়ী, যদি Plaint এমন আদালতে দায়ের করা হয় যার বিচারিক ক্ষমতা (jurisdiction) নেই, তাহলে আদালত Plaint ফেরত (Return) দিতে পারে যেন বাদী তা সঠিক আদালতে পুনরায় দায়ের করতে পারে। এটি খারিজ নয়, বরং ফেরত দেওয়া।
 খ) যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা (Cause of Action) উল্লেখ না থাকে:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(ক) অনুযায়ী, যদি Plaint-এ মামলা দায়েরের কারণ (cause of action) স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত Plaint খারিজ (Reject) করতে পারে।
গ) যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(গ) অনুযায়ী, যদি Plaint অপর্যাপ্ত আদালত ফি বা স্ট্যাম্পে লেখা হয় এবং আদালত নির্দেশিত সময় (সাধারণত ২১ দিন) এর মধ্যে তা পরিশোধ করা না হয়, তাহলে Plaint খারিজ (Reject) করা হবে।

উল্লেখ্য, 
→ ফেরত (Return): এটি মূলত তখন হয় যখন বিচারিক এখতিয়ার নেই বা স্থান ভুল।
→ খারিজ (Rejection): এটি তখন হয় যখন Plaint-এর ভিতরেই গুরুতর ত্রুটি থাকে।

অর্থাৎ প্রশ্নে বর্ণিত তিনটি পরিস্থিতিই সঠিক। Plaint ফেরত বা খারিজ—উভয় ক্ষেত্রেই আদেশ ৭ প্রযোজ্য হয়।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে।
১,৫১৪.
According to The Code of Civil Procedure,1908, The Court of Small Causes is subordinate to which of the following courts?
  1. Supreme Court and District Court
  2. High Court Division and Civil Court
  3. High Court Division and District Court
  4. District Court only
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Section-3: Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান- আদালতের পর্যায়ক্রমা:
-এই কোড-এর উদ্দেশ্যে জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানী আদালত এবং সকল স্মল কজ কোট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধঃস্তন।
১,৫১৫.
দেনাদার কয়টি উপায়ে ডিক্রীর অর্থ পরিশোধ করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ২১ বিধি ১ অনুযায়ী ৩টি উপায়ে দেনাদার ডিক্রীর অর্থ পরিশোধ করতে পারে ।
১) ডিক্রী জারিকারী আদালতে অর্থ জমা দিয়ে,
২) আদালতের বাহিরে ডিক্রীদারকে পাওনা টাকা প্রদানের মাধ্যমে,
৩) আদালতের নির্দেশিত অন্য কোন উপায়ে।
১,৫১৬.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না?
  1. অপর ব্যক্তির বাড়ি অবৈধ দখল করে ভাড়া নিলে
  2. অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. অপর ব্যক্তির সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
ব্যাখ্যা
অন্যের জমি অবৈধ দখল করে এতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে- তা মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
১,৫১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ ধারার উদ্দেশ্যে জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল প্রস্তুত করেন?
  1. অতিরিক্ত জেলা জজের
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবীদের
  3. মধ্যস্থতাকারী পক্ষদ্বয়ের
  4. জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির
সঠিক উত্তর:
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির
ব্যাখ্যা

ধারা ৮৯(১০):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, জেলা জজ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে একটি মধ্যস্থতাকারীর (Mediator) তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় তা হালনাগাদ করা হবে)।

এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন- আইনজীবীগণ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকগণ, বিবাদ নিষ্পত্তি (dispute resolution) বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ, এবং এমন অন্যান্য ব্যক্তি— যাদেরকে এই উদ্দেশ্যে উপযুক্ত মনে করা হয়; তবে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এই তালিকায় থাকতে পারবেন না।

জেলা জজ তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এ তালিকা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

শর্ত:
এই উপ-ধারার অধীনে তালিকাভুক্ত কোনো মধ্যস্থতাকারী কোনো মামলায় মধ্যস্থতা করতে পারবেন না, যদি তিনি পূর্বে ওই মামলার কোনো পক্ষের আইনজীবী হিসেবে কোনো আদালতে নিযুক্ত হয়ে থাকেন।

১,৫১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ অনুযায়ী আদালত কখন সরকারি কর্মকর্তাকে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে?
  1. যখন বিবাদী স্বেচ্ছায় হাজিরা দিতে চায়
  2. যখন মামলার বিষয়বস্তু সমাধান হয়ে যায়
  3. যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
  4. যখন বিবাদী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ (b) অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য মামলা হলে, আদালত নিম্নলিখিত শর্তে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে, যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী (সরকারি কর্মকর্তা) তার দায়িত্ব থেকে অনুপস্থিত থাকলে জনসেবায় ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিবে।

- আইনের ভাষা অনুসারে: "...where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person."
অর্থাৎ, জনসেবা বিঘ্নিত হবে এমন পরিস্থিতিতে আদালতের অনুমোদনে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা না দিয়েও মামলা চালাতে পারবেন।
- সঠিক উত্তর: গ) যখন জনসেবায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮১ - গ্রেফতার ও হাজিরা হতে অব্যাহতি:
পদাধিকারে বলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের করা হয়ে থাকলে—
ক) বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রিজারী ব্যতিত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং
খ) যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে নিঃসন্দিহান হন যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেক্ষেত্রে ইহা তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
১,৫১৯.
'Non-Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় সাক্ষী অন্তর্ভুক্ত না করা
  2. প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
  3. উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করা
  4. একাধিক মোকদ্দমায় একত্রিত করা
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পক্ষদের মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত না করা
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে।
অন্যদিকে, উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
১,৫২০.
প্রত্যেক মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন _______পর্যায়ের আদালতে।
  1. জেলা জজ নির্ধারিত
  2. সর্বোচ্চ
  3. সর্বনিম্ন
  4. যে-কোনো
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান হল যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। এই ধারা  অনুযায়ী  প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,৫২১.
আরজিতে বিবৃত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে,ববিবাদী তা-
  1. প্রত্যাখান করেছে বলে গণ্য হবে।
  2. অস্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
  3. বর্জন করেছে বলে গণ্য হবে।
  4. স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা
আদেশ-৮,বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার [Denial to be specific]-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে,তা না হলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

[It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff,but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth,except damages.]
১,৫২২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী কোন ধরনের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষীর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত মন্তব্য
  2. মামলার কারণ সম্পর্কিত মন্তব্য
  3. সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
  4. আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত মন্তব্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদানকালে তার হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে সে সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে। এই মন্তব্য সাক্ষীর আচরণের বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা, দ্বিধা বা অসঙ্গতি ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হতে পারে, যা মামলার ন্যায়বিচারে সহায়ক।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
- আদেশ ১৮ বিধি ১২- আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
- The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.

১,৫২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC) ১৯০৮-এর ধারা ১৫১-এ আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court" অর্থাৎ CPC-এর কোনো বিধান আদালতের সহজাত ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয়।

⇒ দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা:-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

১,৫২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুযায়ী, প্রতিবাদী (Respondent) যদি নির্ধারিত টাকা না দেয়, তাহলে কী হবে?
  1. আপিল মুলতবি হবে
  2. আপিল খারিজ হয়ে যাবে
  3. আদালত নতুন তারিখ দেবে
  4. আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৪১, বিধি ১২ক: আপিলে মুলতবি (Adjournment in Appeal):
(১) আপিল শুনানির জন্য কোনো পক্ষের অনুরোধে তিনবারের বেশি মুলতবি (adjournment) আদালত দিতে পারবে না। তিনবারের বেশি মুলতবি চাইলে, যে পক্ষ তা চাইবে, তাকে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যা কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে — আদালত যা উপযুক্ত মনে করবে।
- যদি আপিলকারী (Appellant) টাকা না দেয়, তাহলে আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- যদি প্রতিবাদী (Respondent) টাকা না দেয়, তাহলে একতরফা শুনানিতে আপিল নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যেকোনো আপিল যদি খারিজ হয় বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে যার কারণে তা হয়েছে, সে পক্ষ ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে শুনানির জন্য আপিল পুনরুজ্জীবিত (revive) করা যাবে।
- এই আবেদনের সাথে আদালত কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ ধার্য করবে।
- খরচ আদালতে জমা দিলে, কোনো অতিরিক্ত প্রক্রিয়া ছাড়াই আপিল পুনরায় শুনানির জন্য গ্রহণ করা হবে।
- আদালত জমাকৃত অর্থ অপর পক্ষকে পরিশোধ করবে।
- একই পক্ষ একবারের বেশি এই নিয়মে আপিল পুনরুজ্জীবন করাতে পারবে না।

(৩) আপিল শুনানির সময় আদালত নিজে থেকে মুলতবি আদেশ দিতে পারবে না, যদি না আদালত উপযুক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে।

১,৫২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ ২২
  2. আদেশ ২৩
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২২
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ, পক্ষগণের মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়া অবস্থা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে আদেশ ২২ এর মাঝে।
১,৫২৬.
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় হওয়ার সাথে সাথে ক্রেতা ক্রয়মূল্যের কত টাকা নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদান করবে।
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২ এর বিধান কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে (What Courts may order sales): খুল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে। সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনঃবিক্রয় (Deposit by purchaser and re-sale on default): স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় (Time for payment in full of purchase-money): ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮৪ এর বিধান ক্রেতা কর্তৃক জমা এবং ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে পুনর্বিক্রয়।-১) স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ে সময় খরিদ্দার বলে ঘোষিত ব্যক্তি বিক্রয় পরিচালনাকারী কর্মচারী কিংবা অপর ব্যক্তির নিকট উক্ত ঘোষণা অব্যবহিত পরই তার ক্রয় মূল্যের টাকার শতকরা পঁচিশ ভাগ টাকা জমা প্রদান করবে এবং অনুরূপ প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।
২) যেক্ষেত্রে ডিক্রিদার ক্রেতা এবং ৭২ বিধির অধীনে ক্রয় মূল্যের দাবী সমন্বয়ের অধিকারী, সেক্ষেত্রে আদালত এই বিধির আবশ্যকতা পরিত্যাগ করতে পারে।
--------------
⇒ Order 21 Rule-84: Deposit by purchaser and re-sale on default-1) On every sale of immovable property the person declared to be the purchaser shall pay immediately after such declaration a deposited of twenty-five per cent. on the amount of his purchase-money to the officer or other person conducting the sale, and in default of such deposit, the property shall forthwith be re-sold.
2) Where the decree-holder is the purchaser and is entitled to set-off the purchase-money under rule 72, the Court may dispense with the requirements of this rule.
১,৫২৭.
আপিল আদালতের রায় সংক্রান্ত কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. রায়ে শুধুমাত্র মামলার ফলাফল উল্লেখ করতে হবে
  2. রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
  3. রায়ে শুধুমাত্র আপিলকারীর দাবী উল্লেখ করতে হবে
  4. রায়ে বিচারকের মতামত ছাড়া অন্য কিছু উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে সিদ্ধান্তের কারণসহ সম্পূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-৩১: রায়ের সারমর্ম তারিখ এবং স্বাক্ষর:

আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে, এবং
ক) সিদ্ধান্তের বিষয়সমূহ;
খ) তাদের উপর সিদ্ধান্ত;
গ) সিদ্ধান্তের কারণসমূহ; এবং
ঘ) যেক্ষেত্রে আপিলকৃত ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয় সেক্ষেত্রে আপিলকারী যে প্রতিকারের অধিকারী তা বিবৃত করতে হবে; এবং সেটি ঘোষণার সময় বিচারক বা মতৈক্যে উপনীত বিচারকবৃন্দ তাতে স্বাক্ষর করবে ও তারিখ দিবে।
১,৫২৮.
'Cross Claims' এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় রয়েছে?
  1. Order-XI, Rule-10
  2. Order-XXI, Rule-19
  3. Order-XXII, Rule-17
  4. Order-XXI, Rule-9
সঠিক উত্তর:
Order-XXI, Rule-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXI, Rule-19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-XXI, Rule-19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।
⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।
⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
১,৫২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ আদেশের ৬নং বিধিতে কোন বিষয়ের বিধান রয়েছে?
  1. Judgment on appeal
  2. Judgment on admissions
  3. Judgment against debtor
  4. Judgment on attachment
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judgment on admissions
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১,৫৩০.
দেওয়ানি জারি মামলায় একজন দায়িককে সর্বোচ্চ কতদিন দেওয়ানিকারাগারে আটক রাখা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৯০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ‍Section 58 এর বিধান হলঃ আটক ও মুক্তি (Detention and release)। 

এই ধারায় বলা আছে যে, ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।

♦ অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ‍Section 58 এর বিধানানুযায়ী দেওয়ানি জারি মামলায় একজন দায়িককে সর্বোচ্চ ৬ মাস দেওয়ানিকারাগারে আটক রাখা যায়। 
১,৫৩১.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কিসের ভিত্তিতে  বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. আদালতের ইচ্ছাধীন
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন:
ক) পক্ষগণ কর্তৃক বা তাদের পক্ষে উপস্থিতি কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা সেই পক্ষদের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে রচিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
খ) আরজি জবাবের বা মামলায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তররের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু ভিত্তিতে।
১,৫৩২.
আদালতের কার্যধারার ত্রুটি বা অনিয়মের জন্য মোকদ্দমার গুণাগুণের ক্ষতি না হলে, ধারা ৯৯ অনুসারে আপিলে উক্ত-
  1. মোকদ্দমার ডিক্রি বাতিল করা যাবে
  2. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বহুলাংশে রদবদল করা যাবে
  4. মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা-৯৯: মোকদ্দমার কোন ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ার ব্যাহত না হলে ভুল, বিচ্যুতি বা অনিয়মের জন্য ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা চলবে না:
মোকদ্দমার পক্ষ বা বিষয়বস্তু-সংক্রান্ত কোন ভুলের দরুন বা কার্যধারার ভ্রান্তি, ত্রুটি বা অনিয়মতার জন্য কোন মোকদ্দমার ক্ষতি বা আদালতের এখতিয়ারকে ক্ষুন্ন না করলে আপিলে কোন ডিক্রি বাতিল বা বহুলাংশে রদবদল করা চলবে না বা মোকদ্দমাটি পুনর্বিচারের জন্য প্রেরণ করা চলবে না

Sec.-99: No decree to be reversed or modified for error or irregularity not affecting merits or jurisdiction:
No decree shall be reserved or substantially varied, nor shall any case be remanded, in appeal on account of any misjoinder of parties or causes of action or any error, defect or irregularity in any proceedings in the suit, not affecting the merits of the case or the jurisdiction of the Court.
১,৫৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোথায় Cross Claims এর বিধান রয়েছে?
  1. Order XXII, Rule 17
  2. Order XXI, Rule 18
  3. Order XXI, Rule 19
  4. Order XI, Rule 10
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXI, Rule 19
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XXI, Rule 19 তে Cross Claims এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১৯ এর বিধান একই ডিক্রির অধীন পাল্টা দাবির ক্ষেত্রে জারি (Execution in case of cross-claims under same decree): যেক্ষেত্রে পরস্পরের নিকট হতে অর্থ আদায়ের জন্য দুই পক্ষ একটি ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করে, সেক্ষেত্রে-
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান হলে, ডিক্রিতে উভয় পক্ষের প্রাপ্য টাকার পরিশোধ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং
⇒ টাকার দুই অঙ্ক সমান না হলে, বৃহত্তম অঙ্কের অধিকারী পক্ষ কর্তৃক এই ক্ষুদ্রতম অঙ্ক বাদ দেওয়ার পর যা থাকে তার জন্য জারি কার্য পরিচালিত হতে পারে, এবং ক্ষুদ্রতম অঙ্কের মিটানো সম্পর্কে ডিক্রিতে লিপিবদ্ধ হবে।

⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।

⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
১,৫৩৪.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, আদালত কী করতে পারেন?
  1. মামলা পুনরায় শুরু করবে
  2. অবিলম্বে রায় দান করতে পারেন
  3. পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
  4. পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরের নির্দেশ দেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০, বিধি ৪(১) অনুসারে, যদি কোন পক্ষের উকিল বা তার সঙ্গী আদালতের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, এবং আদালতের মতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিতে সক্ষম, তাহলে আদালত শুনানি স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।
- বিধি ৪(২) অনুসারে, যদি পক্ষ বিনা বৈধ কারণে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়, তাহলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।

সুতরাং, প্রথম ধাপে আদালত পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবেন এবং শুধুমাত্র হাজির না হলে পরবর্তীতে রায় দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪ অনুসারে, যদি কোনো পক্ষের উকিল বা সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা অসমর্থ হয়, তবে আদালত মামলার শুনানি ভবিষ্যতের কোন তারিখ পর্যন্ত স্থগিত রাখবে এবং সে তারিখে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবে।
এছাড়া, যদি নির্ধারিত তারিখে পক্ষ কোনো আইনসঙ্গত কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত ওই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন।
১,৫৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ৬ এর অধীনে আদালত নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি
  2. আপিলের অনুমতি
  3. সাক্ষীর পুনরায় পরীক্ষা
  4. পারস্পরিক দায় পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক দায় পরিশোধ
ব্যাখ্যা

আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:

১) রায়ের সাথে সাদৃশ্য:
ডিক্রিটি রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। এতে মামলার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবির বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে এবং মামলায় মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা অন্যান্য সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

২) খরচের বিবরণ:
ডিক্রিতে মামলায় incurred (ব্যয়িত) ব্যয়ের পরিমাণ, কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে বা কোন অনুপাতে সেই ব্যয় পরিশোধ করতে হবে—তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৩) পারস্পরিক দায় সমন্বয়:
আদালত নির্দেশ দিতে পারেন যে, এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষের প্রতি প্রদেয় খরচাদির পরিমাণ সেই অংকের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে (set-off), যা পূর্বে অপর পক্ষের কাছ থেকে পাওনা হিসাবে স্বীকৃত বা নির্ধারিত হয়েছে।

১,৫৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৬ অনুসারে, আদালত কোন পরিস্থিতিতে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. যখন বাদী তা চায়।
  2. যখন সম্পত্তির উপর মোকদ্দমার খরচ মেটানো দায় থাকে।
  3. যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
  4. যখন সম্পত্তিটি আদালতের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন সম্পত্তিটি দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৬ অনুযায়ী, আদালত মামলা চলাকালীন কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে এমন অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে যা মোকদ্দমার বিষয়বস্তু, বা যা রায় ঘোষণার আগে ক্রোক (attach) করা হয়েছে, এবং যা দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত বা যেখানে ন্যায়সঙ্গত ও পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে অবিলম্বে বিক্রয়ের। আদালত নিজ বিবেচনায় বিক্রয়ের পদ্ধতি, শর্ত এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিও নির্ধারণ করতে পারেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৬ এর বিধান অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা (Power to order interim sale):
- কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকলে অথবা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকলে, যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায় সঙ্গত এবং যথেষ্ট কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে নিলামে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়।
⇒ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-39 Rule-6. Power to order interim sale:
- The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movable property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.
১,৫৩৭.
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১
  2. আদেশ ৭ বিধি ১
  3. আদেশ ৮ বিধি ১
  4. আদেশ ৯ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি – আদেশ ৮ : লিখিত জবাব (Written Statement)
বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে, তাকে লিখিত জবাব (Written Statement) বলা হয়।
এ সম্পর্কিত বিধানগুলো দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮-এর বিধি ১ থেকে ১০ পর্যন্ত আলোচিত হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি ১ – লিখিত জবাব দাখিলের সময়সীমা:
বিবাদী তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনপূর্বক একটি লিখিত জবাব দাখিল করবে। তবে যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে আদালত অতিরিক্ত সময় দিতে পারে, এবং সেই কারণটি আদালত রেকর্ডে লিপিবদ্ধ করবে। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময় সমন জারির তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৬০ কার্যদিবসের বেশি হতে পারবে না।

৬০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব না দিলে:
যদি বিবাদী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত একতরফা (ex parte) মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করতে পারবে।

১,৫৩৮.
মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর বাদীর কোন দাবি থাকে না কোন ধরনের মামল?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলায়
  2. ইন্টারপ্লিডার মামলায়
  3. জনস্বার্থ সম্পর্কিত মামলায়
  4. নাবালক কর্তৃক মামলায়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-৮৮ এবং আদেশ ৩৫ তে ইন্টারপ্লিডার স্যুট সম্পর্কে বলা আছে।

- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
- তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

অর্থাৎ 'ইন্টারপ্লিডার মামলায়' মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর বাদীর কোন দাবি থাকে না। 
১,৫৩৯.
দেওয়ানি আপিলের মেমোতে কোন একটি হেতু উল্লেখ না করলে, শুনানীকালে তাহা উত্থাপন করা যাবে শুধুমাত্র-
  1. সরকারি কৌসুলির অনুমতি সাপেক্ষে
  2. হাইকোর্টের আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. বিচারিক আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা।
- অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ CPC Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 

- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
১,৫৪০.
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে-
  1. বিচারকের উপস্থিতিতে
  2. বিচারকের তত্ত্বাবধানে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায়
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি-৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-

হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
[The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
১,৫৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নম্বর আইন?
  1. ১নং আইন
  2. ৫নং আইন
  3. ৪৫নং আইন
  4. ৮নং আইন
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫নং আইন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
১,৫৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদ করার জন্য বিবাদী কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৯ বিধি ১৩ এবং বিধি ১৩ক উভয় অনুসারে, একতরফা ডিক্রি (Ex parte Decree) রদ করার জন্য আবেদন ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে। এই ৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সাধারণত আবেদন গ্রহণ করবেন না, যদি না বিলম্বের জন্য সন্তোষজনক কারণ দেখানো হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির একতরফা ডিক্রি:
আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী বিবাদীর অনুপস্থিতিতে যে ডিক্রি প্রদান করা হয় তাহলো এক তরফা ডিক্রি। যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বাদী হাজির হয় কিন্তু বিবাদী হাজির হয়না, সেই ক্ষেত্রে যদি এটা প্রমাণ করা যায় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথাযথভাবে জারি করা হয়েছিল, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা বিচার করতে পারবে বা আদালত একতরফা ডিক্রি দিতে পারবে। আর যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদী বরাবর সমন যথারীতি জারি করা হয়নি, তাহলে আদালত বিবাদী বরাবর দ্বিতীয় বার সমন জারির আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ৬ অনুযায়ী, বিবাদীর হাজির না হওয়ার কারণে, আদালত একতরফা ডিক্রি দিলে, বিবাদী নিম্ন লিখিত প্রতিকার পেতে পারে-
১. বিধি ১৩ এর অধীন একতরফা ডিক্রি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
২. বিধি ১৩ক এর অধীন এবতরফা ডিক্রি সরাসরি রদকরণের আবেদন করতে পারবে;
৩. যেহেতু একতরফা ডিক্রি একটি ডিক্রি তাই ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল করা যেতে পারে ;
৪. ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
কোন মোকদ্দমায় বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তা রদ করার জন্য বিবাদী ৯ আদেশের ১৩ বিধির অধীন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন করতে পারবে। তবে এই ক্ষেত্রে বিবাদী কে প্রমাণ করতে হবে যে-
১. তার বরাবর যথাযথভাবে সমন জারি করা হয়নি;
২. শুনানীর দিন উপযুক্ত কোন কারণে, সে হাজির হতে পারে নি।

অপর দিকে, একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য, আদালতকে উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে। একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য বা একতরফা ডিক্রি সরাসরি বাতিলের জন্য ৩০ দিনের মধ্যে বিবাদীকে আবেদন করতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order-9 Rule-13A-Directly setting aside ex parte decree:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as it may deem appropriate and determine:
Provided that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is made to the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff. 

১,৫৪৩.
কোন মোকদ্দমার অ্যাবেট এর আদেশ রদের জন্য মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি সরাসরি দরখাস্ত করিতে পারে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
১,৫৪৪.
The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় 'nemo debet esse judex in propria causa' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২২ ধারায়
  3. ২৬ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo debet esse judex in propria causa' অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
১,৫৪৫.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি নাকচ
  3. আরজি ফেরত
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
- (২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।
১,৫৪৬.
Order 9 Rule 12 এর বিধান কোন পক্ষের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. শুধু সাক্ষী
  4. বাদী ও বিবাদী উভয়
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী ও বিবাদী উভয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বাদী ও বিবাদী উভয়।

আদেশ ৯ বিধি ১২: ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে ফলাফল:

যদি কোনো বাদী বা বিবাদী, যাকে আদালত ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে আদেশ দিয়েছে, সে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথেষ্ট কারণ দেখাতে না পারে, তবে সেই পক্ষের ক্ষেত্রে আদালত আগের নিয়মগুলোর (উপরের নিয়মসমূহ) অধীনে যে বিধান আছে, ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হওয়া বাদী বা বিবাদীর জন্য যে পরিণতি নির্ধারিত,
সেগুলোই প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ,
- যদি বাদী হাজির না হয়, মামলা খারিজ হতে পারে,
- যদি বিবাদী হাজির না হয়, Ex-parte ডিক্রি হতে পারে, ইত্যাদি।

১,৫৪৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 38, Rule 6 অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে?
  1. যদি বিবাদি সম্পত্তির মালিক না হয়
  2. যদি বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয়
  3. যদি বিবাদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৬: কারণ না দর্শালে বা জামানত না দিলে ক্রোক:
১) যেক্ষেত্রে বিবাদি জামানত প্রদান না করার কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হয় বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর যে আংশিক প্রদেয় ডিক্রিটি মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত বলে প্রতীয়মান, সেরূপ অংশ ক্রোক হওয়া মর্মে আদেশ প্রদান করতে পারেন।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি অনুরূপ কারণ দর্শায় অথবা আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে, এবং উল্লেখিত সম্পত্তি বা এর কোন অংশ ক্রোক হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিবে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
১,৫৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২ক অনুযায়ী, অতিরিক্ত স্থগিতাদেশের ক্ষেত্রে ন্যূনতম খরচ কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ১২A অনুযায়ী, কোনো পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনটির বেশি স্থগিতাদেশ (adjournment) গ্রহণ করলে, অতিরিক্ত প্রতিটি স্থগিতাদেশের জন্য তাকে অপর পক্ষকে ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ প্রদান করতে হয়।
- যদি আবেদনকারী খরচ প্রদান না করে, তবে আপিলকারী হলে আপিল খারিজ হতে পারে, প্রতিবাদকারী হলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ২০০ টাকা। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর বিধি ১২ক অনুসারে, আপিল শুনানির ক্ষেত্রে আদালত কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার মুলতবি (adjournment) দিতে পারবেন।
- তবে ৩ বারের বেশি মুলতবি দেওয়া হলে, আদালত ন্যূনতম ২০০ টাকা এবং সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দেবেন।
- যদি আপিলকারী এই খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার আপিল খারিজ হয়ে যাবে।
- আর যদি প্রতিবাদী খরচ প্রদান করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হবে।
- একতরফাভাবে আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি হলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ খারিজের তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পুনরুজ্জীবনের আবেদন করতে পারবে।
- এই আবেদনের সঙ্গে আদালতের নির্ধারিত ন্যূনতম ২০০ টাকা ও সর্বাধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে।
- প্রত্যেক পক্ষ এইরকম পুনরুজ্জীবনের সুযোগ একবারই পাবে।
- তবে আদালত যদি নিজে থেকে আপিল শুনানি মুলতবি করতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, নইলে মুলতবির আদেশ দেবেন না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A .Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১,৫৪৯.
নিচের কোন কারণে ডিক্রী প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করা যাবে?
  1. কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবিষ্কার হল
  2. কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য আবিষ্কার হলে
  3. নথীদৃষ্টে কোনো ভুল বা ভ্রান্তি প্রতীয়মান হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রিভিউ:
যে আদালত ডিক্রি/আদেশদ দেয়, সে আদালতে (রায় প্রদানকারী আদালতে) রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা ও ৪৭ আদেশে রিভিউ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারা এবং আদেশ ৪৭ এর ১(১) বিধি মোতাবেক রিভিউ-এর আবেদন করা যায় নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়, কিন্তু আপিল করা হয়নি;
⇒ যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না;
⇒ স্মল কজ কোর্টের রেফারেন্সে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

রিভিউ করা যায় যে কারণে:
i) মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন কোনো বিষয় আবিষ্কার হলে, যা মোকদ্দমার ডিক্রিপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে নানান চেষ্টা করা সত্ত্বেও আদালতে উপস্থাপন করতে অক্ষম হয়েছিল;
ii) নথিতে আপাত কোনো ভুলের কারণে;
iii) অন্য কোনো পর্যাপ্ত কারণে।
১,৫৫০.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুসারে, কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  2. শুধুমাত্র আদালতের নিজস্ব বিবেচনায়
  3. মোকদ্দমার পক্ষের কোনো আবেদন ছাড়া
  4. কোনো পরিস্থিতিতেই নয়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি [Detention, preservation, inspection, etc., of subject-matter of suit]:

১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।
১,৫৫১.
সমন অমান্য বা হাজির করতে বাধ্য করার জন্য কোন ধরনের সাজা দেয়া যেতে পারে?
  1. গ্রেফতারের এর জন্য পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন;
  2. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
  3. অনধিক ৫০০/- (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করতে পারেন;
  4. উল্লেখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ আদালত যাকে সমন প্রদান করেন, সে ব্যক্তি উক্ত সমন অমান্য করলে অথবা উক্ত ব্যক্তি কে হাজির হওয়ার জন্য ধারা ৩২ অনুযায়ী নিম্নের আদেশের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে-
ক) গ্রেফতারের এর জন্য পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন;

) সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;

গ) অনধিক ৫০০/- (পাঁচশত টাকা) জরিমানা করতে পারেন;

ঘ) হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেওয়ার আদেশ প্রদান করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে কারাগারে পাঠাতে পারেন।
১,৫৫২.
যদি আদালত বাদীর ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন মনে করে, তখন আদেশ ৫ এর বিধি ৩ অনুসারে আদালত-
  1. মামলাটি খারিজ করবে
  2. শুনানি স্থগিত করবে
  3. উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
  4. সমন জারি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিতির আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৫ বিধি ৩:
(১) যদি আদালত মনে করে যে বিবাদীর (defendant) ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন, তাহলে সমন (summons)-এ উল্লেখ থাকবে যে, নির্দিষ্ট দিনে তাকে নিজে আদালতে হাজির হতে হবে।

(২) যদি আদালত মনে করে যে বাদীর (plaintiff) ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন, তাহলে আদালত সেই একই দিনের জন্য তার উপস্থিতির আদেশ দিতে পারবে।

১,৫৫৩.
'The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.'- The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ১৬ বিধি ৪
  2. আদেশ ১৭ বিধি ৪
  3. আদেশ ১৮ বিধি ৪
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ৪
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule.-4: Witnesses to be examined in open Court:
The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

আদেশ ১৮ বিধি-৪: প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি:
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে এবং ব্যক্তিগত নির্দেশনা এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
১,৫৫৪.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  2. X নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. X, L এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  4. L নিজের পুকুরে মাছ চাষ করে মুনাফা পেলে
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'ক' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে। 

• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
১,৫৫৫.
আদেশ ৩৮ বিধি ৪ এর অধীন বিবাদীকে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।

১,৫৫৬.
আদালত রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারে যদি বিবাদী ডিক্রি বলবৎ করতে বাধা দিতে বা বিলম্ব করতে-
  1. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে
  2. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি আদালতের আঞ্চলিক সীমার বাইরে নিয়েছে
  3. তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সমস্ত বা আংশিক সম্পত্তি হস্তান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি ৫ অনুযায়ী  যেক্ষেত্রে বিবাদীকে সম্পত্তি উপস্থিত করার জন্য জামানত প্রদানের নির্দেশ দেয়া যায়: (১) যেক্ষেত্রে শপথনামা দ্বারা বা অন্য কোনভাবে মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে তা জারীকরণে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-
ক) তার সম্পত্তির সমগ্র বা কোন অংশ হস্তান্তর করার উপক্রম করেছে, বা
খ) আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানাহতে তার সমগ্র সম্পত্তি বা উহার কোন অংশ অপসারণের উপক্রম করেছে,
সেক্ষেত্রে আদালত ইহার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদেশের উল্লেখিত পরিমাণ অংকের টাকা জামানত হিসাবে দাখিল করতে বা উক্ত সম্পত্তি বা উহার মূল্য বা ডিক্রি পরিতুষ্ট হওয়ার মত উহার যথেষ্ট অংশ আবশ্যক হলে আদালতের এখতিয়ারে ন্যস্ত করার জন্য অথবা সে কেন জামানত প্রদান করবে না তার কারণ দর্শাইতে হাজির হবার জন্য বিবাদীর প্রতি নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, যে সম্পত্তি ক্রোক করা আবশ্যক বাদীকে উহ এবং উহার আনুমানিক মূল্য নির্দিষ্ট সম্পত্তির সমগ্র বা উহার কোন অংশ শর্ত সাপেক্ষে ক্রোকের ও নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ অর্থাৎ আদেশ-৩৮, বিধি- ৫ থেকে ১৩: রায় ঘোষণার পূর্বে ক্রোক (Attachment before judgment): বাদী এফিডেভিট দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে আদালতকে যদি সন্তুষ্ট করতে পারে যে, বিবাদী তার বিরুদ্ধে ডিক্রি হতে পারে মনে করে তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার চেষ্টা করছে, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে উক্ত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারেন।
১,৫৫৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪১ ধারা অনুসারে, কার্যকরকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্রে (Certificate) কী থাকতে পারে না?
  1. ডিক্রি সফলভাবে কার্যকর করা হয়েছে এমন তথ্য।
  2. ডিক্রি কার্যকর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি এমন তথ্য।
  3. ডিক্রি কার্যকর করতে ব্যর্থ হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ।
  4. ডিক্রির বৈধতা সম্পর্কে কার্যকরকারী আদালতের মতামত।
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির বৈধতা সম্পর্কে কার্যকরকারী আদালতের মতামত।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির বৈধতা সম্পর্কে কার্যকরকারী আদালতের মতামত।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪১ শুধুমাত্র কার্যকর প্রক্রিয়ার বাস্তব ফলাফল প্রত্যয়ন করার জন্য বাধ্যতামূলক করে।
- প্রত্যয়নপত্রে নিম্নলিখিত দুটি বিষয়ের যেকোনো একটি থাকবে:
ক) ডিক্রি সফলভাবে কার্যকর হয়েছে - এই তথ্য (বা)
খ) ডিক্রি কার্যকর করতে ব্যর্থতা - এবং এর পরিস্থিতি ও কারণ। 
- তবে ডিক্রির বৈধতা বা আইনগত সঠিকতা সম্পর্কে মতামত প্রদান এই ধারার আওতায় পড়ে না। কার্যকরকারী আদালত কেবল প্রক্রিয়ার ফলাফল জানায়, ডিক্রির আইনগত ভিত্তি নিয়ে বিচার করে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-41: Result of execution proceedings to be certified.
- The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.

১,৫৫৮.
নিম্নোক্ত সম্পত্তির মধ্যে কোনটি ক্রোকযোগ্য?
  1. কৃষকের দখলে আছে এমন কৃষিপণ্য।
  2. পরিধেয় বস্ত্র।
  3. স্বর্ণালংকার।
  4. সরকারি পেনশনভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরিকৃত বৃত্তি।
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণালংকার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বর্ণালংকার।
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
♦ডিক্রি জারির জন্য যে সকল সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে-
জমি, বাসগৃহ অথবা অন্যান্য দালান কোঠা, মালপত্র, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ, হুন্ডি, প্রমিসরি নোট, সরকারি সিকিউরিটি বণ্ড বা অর্থের অন্য কোন প্রকার সিকিউরিটিস, দেনা, কর্পোরেশনের শেয়ার এবং দেনাদারের সকল বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি।
♦যে সকল সম্পত্তি ক্রোক বা বিক্রয় করা যাবে না-
ডিক্রি দায়িকের, তার স্ত্রী এবং সন্তানগণের প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র, রান্নার বাসন-পত্রাদি, বিছানাপত্র, গহনাপত্র যা ধর্মীয় বিধান অনুসারে কোন মহিলার পক্ষে খুলে ফেলা উচিৎ নয়, দেনাদার কারিগর হলে কারিগরের যন্ত্রপাতি বা কৃষক হলে কৃষকের বা চাষির বাসগৃহ ও অন্যান্য গৃহ (তার সরঞ্জামসহ অবস্থান, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য ভূমি) চাষের যন্ত্রপাতি, গো-মহিষাদি, বীজ ও হিসাবের খাতা-পত্র, ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার, ব্যক্তিগত সেবার অধিকার, সরকারি পেনশনভোগীদের বৃত্তি, এককালীন সাহায্য ইত্যাদি ।
১,৫৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৭-এর অধীনে সম্পত্তি ক্রোক করার কোন বিধান দেয়া আছে? 
  1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি নিয়ে ক্রোক করা যাবে 
  2. কেবলমাত্র ঋণগ্রহীতার অনুরোধে সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে 
  3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য যাচাই করার পর ক্রোক করা যাবে 
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্রোক করা যাবে 
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্রোক করা যাবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্রোক করা যাবে 
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি: 
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে। 

Rule.-7: Mode of making attachment: 
Save as otherwise expressly provided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree. 
১,৫৬০.
হলফনামার শপথ কার দ্বারা পরিচালিত হবে এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ১৩৯
  2. ১৪০
  3. ১৪২
  4. ১৪৪
সঠিক উত্তর:
১৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যে কোন অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered: In the case of any affidavit under this Code-
(a) any Court or Magistrate, or
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.
১,৫৬১.
দায়িকের কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় তার খোরপোষের হার কে নির্ধারন করবে?
  1. সরকার
  2. ডিক্রিদার
  3. জেল কর্তৃপক্ষ
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।

দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৭ ধারা- খোরপোষ ভাতা:
সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।

Section 57: Subsistence allowance-
The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
১,৫৬২.
যদি বাদী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন না করে, তাহলে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ অনুসারে-
  1. মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
  2. বাদীর জন্য জরিমানা নির্ধারণ করবে
  3. বাদীকে নতুন মামলা দায়েরের সুযোগ দেবে
  4. মামলার শুনানি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।
১,৫৬৩.
Which of the following is grounds for striking out pleadings under Order 6, Rule 16 of the Code of Civil Procedure?
  1. The matter is unnecessary
  2. The matter is scandalous
  3. The matter tends to delay a fair trial
  4. All of them
সঠিক উত্তর:
All of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of them
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে।লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

⇒ আদেশ-৬,বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।
১,৫৬৪.
“মধ্যবর্তী মুনাফা”র সংজ্ঞায় নিম্নের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সুদসহ প্রাপ্য মুনাফা
  2. সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যা করা সম্ভব ছিল সেই মুনাফা
  3. বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তির স্বাভাবিক মুনাফা
  4. বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তির উন্নয়ন করে অর্জিত অতিরিক্ত মুনাফা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

১,৫৬৫.
The Civil Courts Act, 1887 এর Section 18 অনুযায়ী District Judge বা Subordinate Judge এর আদি এখতিয়ার কীসের অধীন?
  1. Civil Procedure Code এর Section 5
  2. Civil Procedure Code এর Section 10
  3. Civil Procedure Code এর Section 15
  4. Civil Procedure Code এর Section 21
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ১৮ অনুসারে, District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার (original jurisdiction) সিভিল কোর্টে বিচারযোগ্য সকল মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন। ধারা ১৫-এ উল্লেখ আছে যে, প্রতিটি মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যে আদালত স্থানীয় এখতিয়ার এবং মামলার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালত হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে মামলাগুলো যথাযথ আদালতে বিচারের জন্য দায়ের করা হয়, এবং District Judge বা Subordinate Judge-এর এখতিয়ার এই বিধানের আলোকে নির্ধারিত হয়।

- Sonali Bank vs Abidur Rahman 42 DLR 311, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধারা ১৮ অনুসারে District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন।

তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) Civil Procedure Code এর Section 15।
--------- 
⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-18: Extent of original jurisdiction of District or Joint District Judge:
- Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a District Judge or Joint District Judge extends, subject to the provisions of section 15 of the Code of Civil Procedure, 1908 to all original suits for the time being cognizable by Civil Courts.

১,৫৬৬.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করলে দায়িকের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-২২ তে ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান রয়েছে- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথ‍্যেছ
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়।
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়। 
♦এছাড়া কোন বিদেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করলে নোটিশ দিতে হয়।
১,৫৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান কত সালে প্রথম সংযোজন করা হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908)-এ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (Alternative Dispute Resolution - ADR) বিধান প্রথম ২০০৩ সালে সংযোজন করা হয়। এটি Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2003 এবং পরবর্তীকালে Act No. XXXVI of 2003 দিয়ে কার্যকর হয়। এই সংশোধনের মাধ্যমে ধারা ৮৯ক (Section 89A - Mediation), ৮৯খ (Section 89B - Arbitration) এবং ৮৯গ (Section 89C - Application and commencement) যোগ করা হয়, যা সিভিল মামলায় মধ্যস্থতা (Mediation) এবং সালিশী (Arbitration)-এর মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করে। প্রথমে এটি ঐচ্ছিক ছিল, কিন্তু ২০১২ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012) দিয়ে মধ্যস্থতাকে বাধ্যতামূলক করা হয় ('may' শব্দটির পরিবর্তে 'shall' ব্যবহার করে)।

১,৫৬৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ______ অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়?
  1. Order 7 rule 10
  2. Order 8 rule 10
  3. Order 10 rule 4
  4. Order 26 rule 4
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ক)-Order 7 rule 10 , (খ) Order 8 rule 10 এবং (গ) Order 10 rule 4 আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু অপশন (ঘ) Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর তালিকায় নেই। 

- এজন্য বলতে পারি যে The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়।
১,৫৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে 'Production, Impounding and Return of Documents' সম্পর্কিত বিধি-বিধান আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১২
  3. আদেশ ১৩
  4. আদেশ ১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।
 
- বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান: মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
 
- বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।
 
- বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত: যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।
 
- বিধি ৮- দলিল আটক: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
১,৫৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে নিচের কোন বিষয়টি অন্তভুক্ত করার বিধান নেই?
  1. পক্ষদের নাম
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. ডিক্রিটি হতে কোন আপিল হয়েছে কিনা
  4. মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-১১ অনুযায়ী ডিক্রি জারির জন্য লিখিত আবেদনপত্রে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-১১ মৌখিক আবেদন।
১) যেক্ষেত্রে ডিক্রি টাকা পরিশোধের জন্য হয় সেক্ষেত্রে ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে ডিক্রি প্রদানের সময়েই ডিক্রিদারের মৌখিক আবেদনক্রমে আদালত, দায়িক আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকলে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রস্তুত করার পূর্বে তাকে গ্রেফতার ক্রমে তৎক্ষণাৎ জারির আদেশ প্রদান করতে পারে।

২) লিখিত আবেদনঃ উপরোক্ত (১) উপ-বিধিতে বর্ণিত ভিন্নরূপ কোন বিধান ব্যতিরেকে ডিক্রিজারির প্রত্যেক আবেদন আবেদনকারী কর্তৃক বা আদালতের পরিতৃষ্টি মোতাবেক মোকদ্দমার ঘটনার সাথে পরিচিত বলে প্রমাণিত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত এবং সত্যতা প্রতিপাদনকৃত হতে হবে, এবং সারণীবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে, যথা-
ক) মোকদ্দমার নম্বর:
খ) পক্ষদের নাম:
গ) ডিক্রির তারিখ:
ঘ) ডিক্রিটি হতে কোন আপিল দায়ের করা হয়েছে কিনা;
ঙ) ডিক্রির পরবর্তীতে পক্ষদের ভিতর বিতর্কিত বিষয়ে কোন পরিশোধ বা অন্যরূপ সমন্বয় সাধন হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) হয়ে থাকে তবে এর পরিমাণ;
চ) ডিক্রি জারির জন্য পূর্বে কোন আবেদন করা হয়েছে কিনা এবং (যদি কোন) করা হয়ে থাকে কিরূপ আবেদন করা হয়েছে ঐরূপ আবেদনের তারিখ ও ফলাফল;
ছ) ডিক্রির উপর প্রাপ্য সুদসহ (যদি কোন) টাকার পরিমাণ বা এটির দ্বারা মঞ্জুরীকৃত অন্য কোন প্রতিকার, জারি হওয়ার জন্য প্রার্থিত ডিক্রির তারিখের পূর্বে বা পরে কোন পাল্টা ডিক্রি প্রদত্ত হয়ে থাকলে তার বিবরণ;
জ) মঞ্জুরীকৃত ব্যায়াদি (যদি কোন) পরিমাণ;
ঝ) যার বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি প্রার্থনা করা হয় তার নাম; এবং
ঞ) নিম্নোক্ত যে পদ্ধতিতে আদালতে সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তা-

১. সুস্পষ্টভাবে ডিক্রিপ্রাপ্ত কোন সম্পত্তি অর্পণের দ্বারা,
২. কোন সম্পত্তির ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয়ের দ্বারা বা ক্রোক ব্যতীত নিলাম বিক্রয় দ্বারা, ৩. কোন ব্যক্তির গ্রেফতার এবং জেলে আটক,
৪. তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্তির দ্বারা,
৫. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকারের ধরণে প্রয়োজন হতে পারে এ রকম অন্য কোনভাবে হতে পারে।

৩) উপরোক্ত (২) উপ-বিধির অধীনে যে আদালতে আবেদন করা হবে, ঐ আদালত আবেদনকারীকে ডিক্রির একটি প্রত্যায়িত নকল দাখিল করতে তলব করতে পারে।
অর্থাৎ মোকদ্দমা পরিচালনাকারী বিচারকের নাম অন্তভুক্ত করার বিধান নেই।
১,৫৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কোন বিধি অনুসারে আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে বিচারিক আদালতে পাঠাতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৬
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২৫
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ২৫ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে মূল আদালত কোনো প্রয়োজনীয় ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং সে ইস্যুটি মামলার মেরিট বিচার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে আপিল আদালত নিজেই নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারে এবং সেই ইস্যুগুলোর বিচার করার জন্য মামলাটি আবার মূল আদালতে পাঠাতে পারে।
- এই বিধির আওতায় আপিল আদালত ইস্যু নির্ধারণ করে; সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিচার করার জন্য আদেশ দেয়; বিচার শেষে সেই আদালত তার মতামত সহ প্রমাণাদি আপিল আদালতে ফেরত পাঠায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) বিধি-২৫।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.
১,৫৭২.
নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ বা ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মোকদ্দমার শুনানির পর পক্ষগণ বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
১,৫৭৩.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা-
  1. বিবেচনামূলক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. নিরোধমূলক
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

♦ The Specific Relief Act,1877-Section 52. Preventive relief how granted: Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

♦ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন।
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা

২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারীর মাধ্যমে।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এক প্রকারের প্রতিরোধমূলক বা নিরোধমূলক প্রতিকার । দেওয়ানী আদালত কর্তৃক নিরোধমূলক প্রতিকার যেমন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন বা বিবেচনামূলক অথাবা ইচ্ছাধীন।
১,৫৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা কোন সময়সীমার মধ্যে আদালতের অনুমতি নিয়ে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১১, বিধি-১ অনুযায়ী, পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলার ইস্যু নির্ধারণের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) প্রদান করতে পারবে। এই প্রশ্নমালাগুলো আদালতের অনুমতির পরে এক বা একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে দেয়া যেতে পারে এবং প্রশ্নমালার শেষে তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে কোন পক্ষকে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
- অর্থাৎ আদেশ-১১ বিধি-১ অনুযায়ী, প্রশ্নমালা প্রদানের জন্য ১০ দিন সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
১,৫৭৫.
স্থানীয় তদন্তের কমিশন প্রাপ্ত ব্যক্তি রিপোর্ট দাখিলের জন্য সময় পাবে ________।
  1. ২ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন:
যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।

Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:

In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১,৫৭৬.
একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে, বাদী কী করতে পারবে?
  1. শুধু একটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  2. সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
  3. সর্বোচ্চ দুইটি প্রতিকার দাবী করতে পারবে
  4. কোনো প্রতিকার দাবী করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করতে পারবে 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

• আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ 
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
 বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

১,৫৭৭.
আদেশ ৩৫ বিধি-৫ অনুসারে, কে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে না?
  1. আদালত
  2. প্রতিনিধিগণ
  3. নাবালক
  4. সরকারী কর্মচারীগণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধিগণ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

উদাহরণ:
ক) 'ক'-তার প্রতিনিধির 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।

১,৫৭৮.
কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির সর্বোচ্চ কত টাকার সম্পত্তি থাকতে পারে?
  1. ২,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ ৩৩ (Order XXXIII) নিঃস্ব ব্যক্তির (pauper) পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
আদেশ ৩৩, বিধি ১ অনুযায়ী “কোন ব্যক্তি যদি মামলার জন্য নির্ধারিত কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন, অথবা কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত না থাকলে তার পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোন সম্পত্তি যদি ৫০০০ টাকার বেশি না থাকে, তবে সেই ব্যক্তি 'নিঃস্ব' (pauper) হিসেবে গণ্য হবেন এবং আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করতে পারবেন।”

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতে, নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis:
Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation- person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.

১,৫৭৯.
দেওয়ানী মামলায় সময়ের প্রার্থনা করে দরখাস্ত করা যায় কোন আইনের কত ধারা অনুযায়ী?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৪৮ এবং আদেশ ১৪ বিধি ১
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৪ ধারা
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ এর বিধি ১ অনুয়ায়ী আদালত সময় মঞ্জুর করিতে এবং শুনানি মুলতবি রাখিতে পারে।

♦ আদালত পক্ষসমূহের আবেদনক্রমে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) পক্ষগণের সময় আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন এবং শুনানি মুলতুবি রাখতে পারেন।
১,৫৮০.
আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপীলের বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- আপিল (Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে। আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদি (মূল) এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত ( সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, এবং যুগ্ম জেলা জজ) প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণের জন্য ক্ষমতা প্রাপ্ত আদালতে ( জেলা জজ বা হাইকোর্টে) আপীল দায়ের করা যাবে। আপীলে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় আপীল করা যায়না। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধিতে দ্বিতীয় আপীলের কোন বিধান নেই।
⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
--------------
- দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ CPC Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
১,৫৮১.
'No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৩০ ধারা
  2. ১৩২ ধারা
  3. ১৩৩ ধারা
  4. ১৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।

Section 135: Exemption from arrest under civil process:
(1) No Judge, Magistrate or other judicial officer shall be liable to arrest under civil process while going to, presiding in, or returning from, his Court.

(2) Where any matter is pending before a tribunal having jurisdiction therein, or believing in good faith that it has such jurisdiction, the parties thereto, their pleaders, mukhtars, revenue-agents and recognised agents, and their witnesses acting in obedience to a summons, shall be exempt from arrest under civil process other than process issued by such tribunal for contempt of Court while going to or attending such tribunal for the purpose of such matter, and while returning from such tribunal.

(3) Nothing in sub-section (2) shall enable a judgment-debtor to claim exemption from arrest under an order for immediate execution or where such judgment-debtor attends to show cause why he should not be committed to prison in execution of a decree.
১,৫৮২.
নিচের কে মধ্যস্থতাকারীর তালিকা প্রণয়ন করবেন?
  1. দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত জজ, বিরোধ নিষ্পত্তির প্রশিক্ষিত বলে জানা কোন ব্যক্তি এবং প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত এইরূপ ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ যারা উক্ত উদ্দেশ্যে উপযুক্ত বলে বিবেচিত তাদের সমন্বয়ে জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীগণের একটি তালিকা তৈরী করবেন (সময়ে সময়ে তা হালনাগাদ করতে হবে) এবং তার প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে তালিকার বিষয়ে তিনি অবহিত করবেন।
⇒ মধ্যস্থতাকারীর যোগ্যতা-
i) জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্যানেল সদস্য; বা
ii) অবসরপ্রাপ্ত জজ; অথবা
iii) সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমার পক্ষগণ নিযুক্ত উকিল ব্যতীত অন্য যে কোন উকিল মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন।

⇒ তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে (Office of Profit) নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
১,৫৮৩.
বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকারের দেওয়ানী মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে। The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারায় বলা হয়েছে।
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯ এর বিধান  বারিত না হলে আদালত সকল দেওয়ানী মামলার বিচার করবেনঃ
আদালতের (এখানে বর্ণিত বিধানাবলী সাপেক্ষে) সকল দেওয়ানী প্রকৃতির মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকবে, কেবল সে সকল মামলা ব্যতিত যেগুলির বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) প্ৰত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বারিত হয়েছে।
♦ব্যাখ্যাঃ যে মামলায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে মামলা দেওয়ানী প্রকৃতির, যদিও অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কীত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।
১,৫৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় 'Application for restitution' এর বিধান আছে?
  1. ১৪০
  2. ১৪১
  3. ১৪৪
  4. ৪৪
সঠিক উত্তর:
১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত: 
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা - করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
-----------------------
⇒ CPC Section: 144. Application for restitution.
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal. 
(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
১,৫৮৫.
দেওয়ানী আদালত কোন ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে
  2. তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধের ক্ষেত্রে
  4. আদালতের কার্যক্রমে কোনো পক্ষকে অন্যায় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত রাখতে
সঠিক উত্তর:
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির বাধা অতিক্রম করতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালত তামাদির বাধা অতিক্রম করাতে অন্তর্নিহিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। 
- ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

⇒  ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
⇒  ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১,৫৮৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক অনুযায়ী, ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১০,০০০ টাকা
  3. ১৫,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয় এবং পরে দেখা যায় যে এর ফলে অপর পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে আদালত ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে তার ব্যয়িত খরচ ছাড়াও অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদান করতে পারে।

- এই বিধান অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অপব্যবহার রোধের জন্য যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কোনো পক্ষ ভিত্তিহীন বা অনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ আদায় করতে না পারে।

- অর্থাৎ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ টাকা। এই ক্ষতিপূরণ কেবল তখনই দেওয়া হবে, যখন দেখা যাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণে অন্য পক্ষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১,৫৮৭.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাতিল বা দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১,৫৮৮.
বাদীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, তা ______ বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ
ব্যাখ্যা
কোন ত্রুটির জন্য মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত আদেশ বলে গণ্য হবে।

• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১,৫৮৯.
আদালতে উপস্থিতির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মামলার পক্ষ নিজে উপস্থিত হতে সব সময় বাধ্য
  2. মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
  3. কেবলমাত্র বাদী উকিলের মাধ্যমে উপস্থিত হতে পারে
  4. কেবলমাত্র বিবাদী উকিলের মাধ্যমে হাজির হতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষ উকিল বা স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে হাজির হতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
১,৫৯০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারার বিধান মতে হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত থেকে যে-কোনো মামলা বদলী করতে পারেন?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারা মতেঃ স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal ): মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-
‌তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
♦ তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং

২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা

৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা ৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।  

♦কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত হয়ে থাকলে যে পর্যায়ে তা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই পর্যায় হতে বিচার শুরু করতে পারেন।

♦স্বল্প এখতিয়ার আদালত হতে স্থানান্তরিত বা প্রত্যাহৃত মোকদ্দমার বিচারকারী আদালতকে উক্ত মোকদ্দমার ব্যাপারে স্বল্প এখতিয়ার আদালত বলে গণ্য করতে হবে।
১,৫৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার বিধান কী?
  1. প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
  2. নিলাম বিক্রির দরখাস্ত
  3. কমিশন নিয়োগের দরখাস্ত
  4. রায় সংশোধনের দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পণের দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144. Application for restitution-
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
১,৫৯২.
Mis-joinder এবং Non-joinder এর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ- ১
  2. আদেশ- ২
  3. আদেশ- ৩
  4. আদেশ- ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ- ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ- ১ এ অপসংযোগ ও অসংযোগ (Mis-joinder, Non-joinder) বিষয়ে বিধান আছে।

• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।  ভুল ব্যক্তির নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ অথবা স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে দিতে পারে।

⇒ কোন মামলায় পক্ষ সমূহের অপসংযোগ ও অসংযোগ এর কারনে আদালাত মামলা খারিজ করবেন না।
১,৫৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২(১১) ধারায় কীসের সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. Court
  2. Judge
  3. Judgement
  4. Legal Representative
সঠিক উত্তর:
Legal Representative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legal Representative
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
১,৫৯৪.
আদেশ-১০ বিধি-৪ অনুয়ায়ী, যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  2. মামলার পুনঃশুনানি ঘোষণা করতে পারেন
  3. সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
  4. শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১০ বিধি ৪(২) অনুসারে: যদি কোন পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং এর জন্য কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে তাহলে আদালত সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দান করতে পারেন অথবা মামলা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০, বিধি-৪(২) অনুসারে, যদি কোনো পক্ষ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও নির্ধারিত তারিখে ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয় এবং তার কোনো আইনসঙ্গত কারণ না থাকে, তবে আদালত তবে সেই পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারেন বা মামলাটির সম্পর্কে অন্য কোন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

এতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত তখন ঐ পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দিতে পারেন বা অন্য উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারেন, যা বিচারক পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।
১,৫৯৫.
আরজির সাথে দাখিলকৃত দলিলের তালিকা কে পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করবে এবং বিচারক স্বাক্ষর করবে
  2. বিচারক পরীক্ষা করে, স্বাক্ষর করবে
  3. আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
  4. বাদীর উকিল পরীক্ষা করবে এবং বাদী স্বাক্ষর করবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষা করে স্বাক্ষর করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়।দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭  বিধি-৯ তে আরজি গ্রহণের পদ্ধতি দেয়া হয়েছে-

যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।

Order 7 Rule 9 (Procedure of admitting plaint)-


1) The plaintiff shall endorse on the plant, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

2) Concise statements: Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plantiff or defendant sues or is sued.

3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
১,৫৯৬.
'চ' একজন বাদী হিসেবে একটি মামলা পরিচালনা করছেন। হঠাৎ তিনি দেউলিয়া হয়ে যান এবং তার রিসিভার মামলাটি পরিচালনা করতে অস্বীকৃতি জানান। তাহলে আদালত -
  1. মোকদ্দমা বাতিল করবে
  2. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. মোকদ্দমায় নতুন বাদী নিয়োগ করবে
  4. রিসিভারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বাতিল করবে
ব্যাখ্যা
বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমার পরিচালনা:
যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যান এবং তাদের মামলার পরিচালনা স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার দ্বারা করা হয়, তবে মামলাটি তখনও চলবে যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলার খরচের জন্য জামানত দিতে প্রস্তুত থাকেন। জামানত না দিলে বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আদালত মামলাটি বাতিল করতে পারে
আর যদি স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার জামানত না দেন বা মামলা চালাতে ব্যর্থ হন, বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারে যে, বাদীর দেউলিয়ার অজুহাতে মামলাটি বাতিল করা হোক। আদালত মামলাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর সম্পত্তির বিরুদ্ধে প্রমাণিত খরচ প্রদান করার আদেশ দিতে পারে।

আদেশ ২২ বিধি ৮- যখন বাদীর দেউলিয়ায় মোকদ্দমায় বাধা হয়:
১) বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার তার পাওনাদারদের স্বার্থে মোকদ্দমাটি পরিচালনা করতে থাকলে কোন বাদীর অসচ্ছলতা মোকদ্দমাটি বিলুপ্ত করাবে না, যদি না অনুরূপ ভারপ্রাপ্ত স্বত্বনিয়োগী কিংবা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে অথবা (যদি না কোন বিশেষ কারণে আদালত ভিন্ন প্রকার নির্দেশ দেয়) আদালতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উহার খরচ মোকদ্দমায় খরচাদির জন্য জামানত দিতে অস্বীকৃত জানান।

২) যখন স্বত্বনিয়োগী মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা জামানত দিতে ব্যর্থ হয়, তখন পদ্ধতিঃ যেক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মোকদ্দমাটি চালাতে এবং অনুরূপভাবে আদেশকৃত সময়ের মধ্যে উক্ত জামানত দিতে অবহেলা বা অস্বীকার করে সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর অসচ্ছলতার অজুহাতে মোকদ্দমাটি খারিজ করার জন্য আবেদন করতে পারে এবং আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করে এবং বিবাদীকে বাদীর এস্টেটের বিরুদ্ধে ঋণ হিসাবে প্রমাণিত বিবাদীর উক্ত মোকদ্দমায় পরিচালনাবন্ধ উদ্বৃত্ত খরচাদি প্রদান করতে আদেশ দিতে পারে।
১,৫৯৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা মুলতবি খরচের আদেশ দেয়া যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১,৫৯৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান কর্বে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১(ছ) তে বলা আছে কোন ব্যক্তিকে  সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদালত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের বিধি ১ এর(ছ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
১,৫৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার প্রথম ব্যাখ্যায় কোন নীতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. Former Suit
  2. Direct Res-Judicata
  3. Litigation for Public Rights
  4. Constructive Res-Judicata
সঠিক উত্তর:
Former Suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Former Suit
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি (Res Judicata) আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় ৬টি ব্যাখ্যা [Explanation] রয়েছে:
১ম ব্যাখ্যা: Former Suit [পূর্ববর্তী মোকদ্দমা];
২য় ব্যাখ্যা: Competence of a Court [কোর্টের বিচার করার ক্ষমতা];
৩য় ব্যাখ্যা: Direct Res-Judicata [প্রত্যক্ষ দোবারা দোষ];
৪র্থ ব্যাখ্যা: Constructive Res-Judicata [পরোেক্ষ দোবারা দোষ];
৫ম ব্যাখ্যা: Any relief not granted shall be deemed to have been refused [প্রার্থিত প্রতিকার মঞ্জুর না হলে প্রত্যাখ্যান বলে গণ্য হবে];
৬ষ্ঠ ব্যাখ্যা: Litigation for Public Rights [সার্বজনীন বা সাধারণ অধিকার বা বাস্তব সুবিধার জন্য মামলা]
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-11. Res Judicata:
- No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
 
Explanation I.-The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II.-For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III.-The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV.-Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V.-Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
১,৬০০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, নিচের কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না?
  1. Ex-parte decree
  2. Contesting decree
  3. Ex-parte dismissal
  4. Compromise decree
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compromise decree
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী যদি আদালত পক্ষগুলোর সম্মতিতে কোনো ডিক্রি (Compromise decree) প্রদান করে, তাহলে সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপীল করা যায় না।
- Compromise decree হলো দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে আপস, সমঝোতা বা সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত কর্তৃক দেওয়া একটি ডিক্রি, যা পক্ষগুলো সম্মত হয়।
- অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কিন্তু রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-96. Appeal from original decree:
- (1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court. 
- (2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte. 
- (3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.