বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১৪ / ৩০ · ১,৩০১১,৪০০ / ২,৯৯৩

১,৩০১.
প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে-
  1. বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
  2. বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  3. বাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে মামলা খারিজ ও বিবাদীর ক্ষেত্রে একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
• যদি কোন পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার (to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদি হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদি হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
১,৩০২.
যখন মামলাকারী নিশ্চিত নয় যে কার কাছ থেকে প্রতিকার প্রাপ্য, তখন তিনি আদেশ ১ এর বিধি ৭ অনুসারে-
  1. মামলা দায়ের করতে পারবেন না
  2. মামলাটি স্থগিত রাখতে হবে
  3. আদালতের নির্দেশমতে যেকোনো একজন বিবাদীকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
  4. একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক বিবাদীকে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন
ব্যাখ্যা

আদেশ ১ এর বিধি ৭:
যখন মামলাকারী (plaintiff) নিশ্চিত নন যে, কার (কোন ব্যক্তির) কাছ থেকে তিনি প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণ (redress) পাওয়ার অধিকারী, তখন তিনি দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে বিবাদী (defendant) হিসেবে একত্রে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন—যাতে আদালত সব পক্ষের মধ্যে নির্ধারণ করতে পারে, কোন বিবাদী দায়ী এবং কতটুকু পরিমাণে দায়ী।

সহজভাবে বললে,
যদি মামলাকারীর সন্দেহ থাকে যে কার বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত, তাহলে তিনি একাধিক ব্যক্তিকে একসঙ্গে বিবাদী করতে পারেন, যাতে আদালত ঠিক করতে পারে কে দায়ী এবং কতটা দায়ী।

১,৩০৩.
সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ___________ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে, সেক্ষেত্রে  নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
  1. ৫০০
  2. ১০০০
  3. ৫০০০
  4. ১০০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৩ বিধি-১: নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে:
আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়। কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।

১,৩০৪.
Res Sub-Judice নীতি প্রয়োগ করলে পরবর্তী মোকদ্দমার কী হয়?
  1. খারিজ করা হবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে
  3. কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
  4. পূর্ববর্তী মামলার কার্যক্রম স্থগিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারা মোতাবেক কোনো একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদের মধ্যে পূর্বেই একটি মোকদ্দমা চলমান থাকলেল পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটির কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে।
- ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিত রাখাবে। এই ধারায় বলা আছে যে, কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালিয়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবি করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যা: কোন বিদেশি আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
- ১০ ধারার অধীন আদালত পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করতে পারে না বরং বিচার স্থগিতের আদেশ দিতে পারে।
⇒ এই Doctrine বা নীতিটি Res-Subjudice নামে পরিচিত। এই Doctrine প্রয়োগ করার শর্তসমূহ হলো:
১- প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই বিচার্য বিষয়ে দুটি মোকদ্দমা থাকতে হবে।
২-উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হবে।
৩-পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকবে
৪- উক্ত মোকদ্দমার দাবিকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার আদালতে থাকতে হবে।
৫- উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্বের জন্য মোকদ্দমা করেছে।

⇒ এই নীতিটি প্রয়োগ করতে আদালত বাধ্য।
- বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।
- যে মামলাটি প্রথমে দায়ের করা হয়েছে তা চলমান থাকবে এবং দ্বিতীয় মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। খারিজ হবে না। বা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত ১৫১ ধারা প্রয়োগ করে ১ম মামলাটি স্থগিত রাখার আদেশ দিতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
১,৩০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৪ আদেশে কতটি বিধি আছে?
  1. ৪ টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি-১৯০৮ সালের ৫নং আইন, প্রকাশিত হয়-১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী, এটি মুল ও পদ্ধতিগত আইনের মিশ্রন। ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি আইনটি ১১টি ভাগে (Part) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৫৮টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ১৫৮টি ধারার পাশাপাশি ৫১টি আদেশ (Order) রয়েছে।  ধারা সংশোধন করে জাতীয় সংসদ, বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রিম কোট।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪  বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
১,৩০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ অনুযায়ী পক্ষগণের মধ্যে কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন মামলা?
  1. মামলা স্থগিত
  2. রায় ঘোষণা
  3. খারিজ
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ১৫ বিধি-১ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় আদালত মোকদ্দমা নিষ্পত্তি বা রায় ঘোষণা করতে পারেন,
⇒ যদি দেখেন যে পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা বা আইন বিষয়ক কোন বিরোধ নেই (Parties not at issue)।
⇒ অর্থাৎ পক্ষগণের মধ্যে যদি কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে আদালত ১ম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা দিতে পারেন। 
⇒ তবে বিধি ২ অনুযায়ী কতিপয় বিবাদীর মধ্যে যদি ১ জন সম্পর্কে কোন বিচার্য্য বিষয় না থাকে তাহলে ঐ বিবাদী পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষনা করে অন্যান্য বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মামলা চলবে।
১,৩০৭.
লিখিত জবাব দাখিলের ________ দিনের মধ্যে ইস্যু গঠন করতে হয়?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ আদেশের বিধি ১ অনুযায়ী যখন ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যখন একপক্ষ দৃড়ভাবে ঘোষণা করে এবং অন্য পক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয় উদ্ভব হয়। মামলার প্রথম শুনানীর সময় কিংবা লিখিত জবাব দাখিলের (যেটা পরে ঘটে) তার ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে হবে।
১,৩০৮.
মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বিবাদীর মোকদ্দমাটি একতরফা নিষ্পত্তি করে। সংক্ষুদ্ধ বিবাদীর প্রতিকার হতে পারে
  1. রিভিশন করা
  2. একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ বাতিল করা
  3. পুনরায় মোকদ্দমার কার্যক্রম চালুর জন্য আবেদন করা
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦মুলতবি খরচ প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজ করলে বা বিবাদীর মোকদ্দমা একতরফা নিষ্পত্তি করলে সংক্ষুদ্ধ বাদী বা বিবাদী (যেমন প্রযোজ্য হয়) ১৭ আদেশের ১ (৭) বিধির অধীন মোকদ্দমা পুনবহালের বা পুনরূজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে [Restoration or Revival of the proceeding] বা ১১৫ ধারায় রিভিশন করতে পারে।
১,৩০৯.
বিক্রয়ের আদেশদানকারী আদালতে ইশতেহার লটকিয়ে দেয়ার পর কত দিন পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হবে না?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১,৩১০.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১,৩১১.
আপিল খারিজ আদেশের কত দিনের মধ্যে আবেদন করা হলে তা সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Re-admit) করা যায়?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-১৯ক এর বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ:
- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে।
- এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
--------------------------------------
CPC Order-41 Rule-19A. Direct readmission of appeal:
(1) Notwithstanding anything contained in rule 19 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly re-admit without requiring the appellant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 19:

Provided that the appeal under this rule shall not be readmitted unless an application, supported by affidavit, praying for such re-admission is made to the Court within thirty days of the date on which the appeal is dismissed for default:

Provided further that no appeal shall be re-admitted more than once under this rule.

(2) As soon as an order under sub-rule (1) is made to readmit an appeal, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the appellant upon the respondent who appeared in the appeal.
১,৩১২.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণের (Directly setting aside ex-parte decree) জন্য প্রার্থনা করতে পারে?
  1. ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ডিক্রির তারিখ হতে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. লিখিত জবাব দাখিলের ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ১৩(ক)- একতরফা ডিক্রি সরাসরি রহিতকরণ :

১) বিধি ১৩ বা অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালতে বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর উদ্দেশ্যে, বিধি ১৩ এর অধীন আদালতকে পর্যান্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করানোর উদ্দেশ্যে বাদিকে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান করে, সরাসরি ডিক্রি খারিজ করে দিতে পারেন, তবে আদালত উপযুক্ত ও নির্ধারণ করা সাপেক্ষে বাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির আওতায় কোন একতরফা ডিক্রি রহিত করা যাবে না, যদি না যে বিবাদী হাজির হয়েছিল এবং লিখিত বর্ণনাপত্র দাখিল করেছে সে বিবাদী কর্তৃক একতরফা ডিক্রির তারিখ হতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত একতরফা ডিক্রী রহিতকরণের জন্য প্রার্থনা করে এফিডেভিট সহকারে আদালতের নিকট আবেদন করে: তবে আরো শর্ত থাকে যে, একই বিবাদির অনুরোধে কোন ডিক্রিই একাধিকবার রহিত করা যাবে না।

২) কোন একতরফা ডিক্রি রহিতকরণের আদেশ প্রদানের সঙ্গে সঙ্গেই আদালতে বিবাদির খরচায় বাদির উপর নোটিশ জারি করাবেন।

• অর্থাৎ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
১,৩১৩.
মামলার বাদী আদালতে নিঃস্ব হিসেবে মামলা পরিচালনা করলেও তদন্তে দেখা যায়, তার যথেষ্ট আর্থিক সংস্থান রয়েছে। এ অবস্থায় আদালত Order 33 Rule 9 এর অধীন কী করতে পারে?
  1. বাদীকে জরিমানা করবে
  2. বাদীর মামলা খারিজ করবে
  3. বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
  4. বাদীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর নিঃস্ব মুক্তির আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৯: নিঃস্ব মুক্তি
আদালত বিবাদী বা সরকারি উকিলের আবেদনক্রমে, যে সম্পর্কে বাদীকে কমপক্ষে সাত দিনের লিখিত স্পষ্ট নোটিশ দিয়ে, বাদী নিঃস্ব নয় মর্মে আদেশ দিতে পারে-
ক) যদি মোকদ্দমা চলাকালে সে বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণে দোষী হয়; বা
খ) যদি প্রতীয়মান হয় যে, তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে, যাতে তার নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা পরিচালনা করা উচিত নয়; বা
গ) যদি সে মোকদ্দমার অধীনে বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকে, যাতে অন্য কোনো ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে একটি স্বার্থ অর্জন করেছে।

Order 33 Rule 9: Dispaupering:

The Court may, on the application of the defendant, or of the Government pleader, of which seven days' clear in writing has been given to the plaintiff, order the plaintiff to be dis-paupered-
a) if he is guiltyof vexatious or improper conduct in the course of the suit;
b) if it appears that his means are such that he ought not to continue to sue as a pauper, or
c) if he has entered into any agreement with reference to the subject-matter ofthe suit under which any other person has obtained an interest in such subject- matter.
১,৩১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক আদালতে টাকা জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২৪ বিধি ১
  4. আদেশ ২৬ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৪ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান- দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।

Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
১,৩১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সর্বমোট কত জন সদস্য নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়?
  1. ৩ জন সদস্য
  2. ৬ জন সদস্য
  3. ৫ জন সদস্য
  4. ৯ জন সদস্য
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে নিম্নলিখিত ২টি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১- সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগের (হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিধি প্রণয়ণের ক্ষমতা;
২- দেওয়ানী আদালতের পদ্ধতি সম্পর্কে এবং প্রথম তফসিলের যেকোন নিয়ম বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করার ক্ষমতা।

ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-
ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে;
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে প্রেক্টিস করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে। এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
১,৩১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে মামলা মূল আদালতে ফিরিয়ে দিতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২১ 
  2. আদেশ ৪১, বিধি ২৫
  3. আদেশ ৪১, বিধি ১২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ২৫ (Order XLI Rule 25) অনুযায়ী আপিল আদালতের এই বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, মূল আদালত যদি মামলার মেরিট নিষ্পত্তির জন্য অপরিহার্য কোনো ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল আদালত:
- নিজে নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারবে,
- প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে
- সেই ইস্যুগুলো বিচারের জন্য মামলাটি যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে, সেই একই আদালতে ফেরত পাঠাতে পারবে। মূল আদালত বিচার করে তার ফাইন্ডিংস ও কারণসহ আপিল আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.

১,৩১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩১ এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  2. সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো
  3. আপিল প্রক্রিয়া সহজ করা
  4. ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রাস্টি মামলার জটিলতা কমানো।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩১-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ট্রাস্টি, এক্সিকিউটর বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (প্রশাসক) সংক্রান্ত মামলাগুলোকে সহজ ও সুসংগঠিত করা। এই আদেশের মাধ্যমে:
প্রতিনিধিত্বের সুবিধা:
- ট্রাস্টি/এক্সিকিউটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের (beneficiaries) প্রতিনিধিত্ব করেন।
- ফলে, প্রতিটি সুবিধাভোগীকে আলাদাভাবে মামলার পক্ষ করতে হয় না, যা মামলার জটিলতা ও সময় কমায়।
পক্ষগঠনের সরলীকরণ:
- একাধিক ট্রাস্টি থাকলে সাধারণত সকলকে পক্ষ করতে হয় (বিধি ২), তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে (যেমন: বিদেশি ট্রাস্টি বা অপ্রমাণিত উইলের এক্সিকিউটর)।
- আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত পক্ষ যুক্ত করতে পারে (বিধি ১)।
বিবাহিত ট্রাস্টির স্বামী/স্ত্রীর বিষয়:
- বিবাহিত ট্রাস্টির স্বামী/স্ত্রী স্বয়ংক্রিয়ভাবে পক্ষ হন না (বিধি ৩), যাতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো যায়।
মামলার কার্যকারিতা:
- এই বিধিগুলো ট্রাস্ট সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিকে দ্রুততর ও দক্ষ করে তোলে।
১,৩১৮.
কোন ধরনের দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ধর্মীয় আইনের বিধান অনুসরণ করা হবে?
  1. উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে
  2. ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  3. বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সকল বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বিষয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল বিষয়ে
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে- "কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section: 37- Certain decisions to be according to local law
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished. 
 
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
১,৩১৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১০৪(২) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে আপিলে প্রদত্ত আদেশ-
  1. পুনরায় আপিলযোগ্য
  2. পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ আদালতে পুনর্বিবেচনাযোগ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় আপিলযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:
(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(ff) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(g) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(h) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(i) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (ff) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
১,৩২০.
আদেশ ৪৪ বিধি-১ অনুসারে, আদালত কখন নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল আবেদন অগ্রাহ্য করবেন?
  1. যদি আপিলকারী আদালতে উপস্থিত না হন
  2. যদি আপিলকারী আদালতের শর্ত না মানেন
  3. যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
  4. যদি আপিলকারী সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে না পারেন
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি ডিক্রি আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধ না হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-১: কে নিঃস্বভাবে আপিল করতে পারে:
১) আপিল করার অধিকার যার আছে, যদি আপিলের স্মারকলিপির জন্য এধরণের যে কোন ব্যক্তি প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অপারগ হয়, তাহলে স্মারকলিপির সাথে সে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার জন্য একটি আবেদন পেশ করতে পারবে এবং এরূপ ক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সম্বন্ধীয় এই আইনের বিধানসমূহ যতদূর প্রযোজ্য তৎসাপেক্ষে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে আপিল করার অনুমতি প্রদান করা যাবেঃ

আপিল গ্রহণের জন্য দরখাস্তের পদ্ধতিঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আপিলের আবেদন এবং যে রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সেগুলো দেখে আদালত যদি মনে করেন যে, উক্ত ডিক্রি আইনবিরুদ্ধ বা আইনের ন্যায় প্রচলিত রীতিবিরুদ্ধে নয় বা অন্য কোন কারণেও অসঙ্গত নয়, তবে আদালত ঐ আবেদন অগ্রাহ্য করবেন।
১,৩২১.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসার জন্য আদালত কোন মোকদ্দমা মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে বা মধ্যস্থতা করতে পারে?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পর
  4. লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি উভয় পক্ষ হাজির হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
⇒ মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
⇒ মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।

⇒ মধ্যস্থতার সংজ্ঞা (Definition of Mediation)- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতার সংজ্ঞা রয়েছে। ৮৯ ধারার ১নং ব্যাখ্যায় মধ্যস্থতা বলতে প্রসারিত অনানুষ্ঠানিক, অবাধ্যতামূলক, গোপনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং সমঝোতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতিকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী মীমাংসার কোন শর্তে নির্দেশ না করে কিংবা তৎসম্পর্কে কোন আদেশ না দিয়ে পক্ষগণের মধ্যকার বিরোধগুলো নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেন।

⇒ কখন মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়- লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত শুনানী মুলতবি রেখে মোকদ্দমার বিরোধটি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা উক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একজন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে। সুতরাং লিখিত জবাব দাখিলের পরই মধ্যস্থতার কার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ বর্তমানে মধ্যস্থতার (Mediation) জন্য মামলার বিরোধীয় বিষয়টি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে পাঠানো আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
⇒ বিচারক নিজেই অথবা পক্ষগণ বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী (mediator) মধ্যস্থতা করতে পারে।
১,৩২২.
জারীর দরখাস্ত ডিক্রির কতদিন পর দায়ের করা হলে দায়ীকের উপর অবশ্যই নোটিশ জারী করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• ডিক্রি জারির জন্য প্রথম দরখাস্ত/আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i)  ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
১,৩২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসস্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময়ের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে? 
  1. সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত
  2. সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত
  3. সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
  4. শুধুমাত্র সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
সঠিক উত্তর:
সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(১)-এর প্রথম প্রভিশন (Provided, firstly) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise.
- অর্থাৎ, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসগৃহে (dwelling-house) সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত (অর্থাৎ রাতের বেলা প্রবেশ নিষেধ)।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:

Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:

Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

১,৩২৪.
নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক নাবালকের নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক হলে এবং উক্ত মোকদ্দমা আবেদনক্রমে খারিজ হলে, আদালত কী নির্দেশ দিতে পারে?
  1. নতুন নেক্সট ফ্রেন্ড নিয়োগ করবে
  2. মোকদ্দমার খরচ মওকুফ করবে
  3. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নাবালককে আদেশ দিবে
  4. মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচ পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসঙ্গত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।

২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসঙ্গত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।
১,৩২৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বোচ্চ আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোনো আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
  4. উপরের যেকোনো একটিতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-

"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it."

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
১,৩২৬.
বিবাদী যদি সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করে বা অন্য কারণে সাধারণভাবে সমন জারি করা সম্ভব না হয়, তবে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের ২০ নং বিধির অধীনে কী আদেশ দিতে পারে?
  1. সমন জারি স্থগিত করার
  2. বিবাদীর সম্পত্তি আটক করার
  3. বিকল্পরূপে সমন জারি করার
  4. বিবাদীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করার
সঠিক উত্তর:
বিকল্পরূপে সমন জারি করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্পরূপে সমন জারি করার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের ২০ বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service of Summon) বিধান রয়েছে।

২০ নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে বিবাদী সমন এড়ানোর জন্য আত্মগোপন করেছে অথবা অন্য কোন কারণে সাধারনভাবে সমন জারি করা যায়না, সেক্ষেত্রে বিবাদীর গৃহের বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশ্য অংশে সমনের একটি নকল ঝুলিয়ে জারি করার জন্য আদালত আদেশ দিবেন অথবা বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার আদেশ দিবে যা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারি Substituted Service নামে পরিচিত। এই পদ্ধতি ব্যক্তিগতভাবে সমন জারির মতই কার্যকর হবে।

Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.

(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.

Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.

Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require.
১,৩২৭.
ক তার বাড়ি মাসিক ১০০০০ টাকা ভাড়ার ভিত্তিতে খ কে ভাড়া দেয়। খ ১৫ মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে দেওয়ায় ক আদালতে খ এর বিরুদ্ধে ১২ মাসের ভাড়া আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে ডিক্রি লাভ করে। পরবর্তীতে ক বাকি ৩ মাসের ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে।
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা তামাদিতে বারিত হবে
  2. পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা গৃহীত হবে।
  4. কোনোটি নয়।
সঠিক উত্তর:
পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) বিধান দাবির আংশিক পরিত্যাগ (Relinquishment of part of claim) : বাদী যদি তার দাবির কোন অংশ বাদ বা ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিয়ে মোকদ্দমা করে, তাহলে পরে দাবির সেই অংশের জন্য মামলা করতে পারবে না। যখন বাদী একাধিক প্রতিকার দাবি করে মোকদ্দমা করতে অধিকারী, তখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত উত্তরূপ প্রতিকারগুলির মধ্যে কোন একটি দাবি করা না হলে পরে সেই প্রতিকারটি দাবি করা যাবে না।
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) এ এই বিষয়ে বলা আছে। একই transaction হতে উদ্ভূত সকল প্রতিকার না চাইলে এবং কোনো প্রতিকার আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে বাদ দিলে তা নিয়ে পরবর্তীতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। পরবর্তী মোকদ্দমা দায়ের করার সুযোগ দিলে একই বিষয় নিয়ে একাধিক মোকদ্দমার সুযোগ থাকবে। যেমন- কেউ ১ লক্ষ টাকার জন্য ১০ টা মোকদ্দমাও দায়ের করতে পারবে যেখানে প্রতি মোকদ্দমায় ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হবে। এই কারণে একই লেনদেন হতে উদ্ভূত সকল পাওনা বা প্রতিকার এক মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
১,৩২৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৪১ এর _______ অনুসারে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি করা যাবে।
  1. বিধি ১১ক
  2. বিধি ১৯
  3. বিধি ২১ক
  4. বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ২১ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২১ক
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন।
বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
১,৩২৯.
ডিক্রি জারি মূলে কোন সম্পত্তির নিলাম বিক্রি হলে, বিক্রির কত দিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮৫ এর বিধান ক্রয়মূল্যের পুরো টাকা পরিশোধের জন্যে সময় :
- ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
-----------
CPC: Order-21 Rule-85: Time for payment in full of purchase-money:
The full amount of purchase-money payable shall be paid by the purchaser into Court before the Court closes on the fifteenth day from the sale of the property:
Provided that, in calculating the amount to be so paid into Court, the purchaser shall have the advantage of any setoff to which he may be entitled under rule 72.
১,৩৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৮ ধারা অনুযায়ী, আদালত কোন শর্তে স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. যদি সম্পত্তি একাধিক আদালতের এখতিয়ারে থাকে
  2. যদি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে
  3. যদি আদালত মামলা পরিচালনার জন্য সক্ষম হয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain):
- স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।

- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
১,৩৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ অনুসারে আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার অন্ততপক্ষে কত দিন পর স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময়: বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
-----------
⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale: Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১,৩৩২.
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge) সর্বোচ্চ কত টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. ১৫ লাখ
  2. ২০ লাখ
  3. ২৫ লাখ
  4. ৩০ লাখ
সঠিক উত্তর:
২৫ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
- The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
- সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
- যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
- যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
- যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।

১,৩৩৩.
উভয়পক্ষের আবেদনে আদালত মুলতবি অনুমোদন করলে খরচের টাকা কাকে দিতে হবে?
  1. কোনো খরচ দিতে হবে না
  2. বাদীকে
  3. বিবাদীকে
  4. রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।
[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
১,৩৩৪.
Notice to admit facts কে দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী
  2. শুধু বিবাদী
  3. মামলার যেকোনো পক্ষ
  4. কেবল আদালত
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৪:
মামলার শুনানির তারিখের কমপক্ষে নয় দিন আগে, মামলার যেকোনো পক্ষ লিখিত নোটিশের মাধ্যমে অন্য পক্ষকে অনুরোধ করতে পারে যেন সে মামলার স্বার্থে নোটিশে উল্লেখ করা যে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য স্বীকার করে। নোটিশ দেওয়ার পর ছয় দিনের মধ্যে, অথবা আদালত যে অতিরিক্ত সময় দেবে, তার মধ্যে যদি অপর পক্ষ সেই তথ্য স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা উপেক্ষা করে, তাহলে—
 সেই তথ্য প্রমাণ করতে যে খরচ হবে, মামলার ফলাফল যাই হোক না কেন, অস্বীকারকারী পক্ষকেই সেই খরচ বহন করতে হবে, যদি না আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ দেয়।

এছাড়া নোটিশের ভিত্তিতে যে কোনো স্বীকারোক্তি করা হবে, তা শুধুমাত্র এই মামলার উদ্দেশ্যে কার্যকর হবে। অন্য কোনো মামলায় বা অন্য কারও পক্ষে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

আদালত প্রয়োজন হলে ন্যায্য শর্তে যে কোনো সময় পক্ষকে তার করা স্বীকারোক্তি পরিমার্জন বা প্রত্যাহার করার অনুমতিও দিতে পারে।

১,৩৩৫.
'Leave for revision' সংক্রান্ত বিধান The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১১২
  2. ১১৪
  3. ১১৩
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

(৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------------
(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
১,৩৩৬.
চূড়ান্ত নিষ্পত্তির নির্ধারিত দিনে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. দো-তরফা ডিক্রি দিতে পারে
  2. রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে, সেইক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে

আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
১,৩৩৭.
অধস্তন আদালতের ভাষা ও দরখাস্তের রীতি নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. হাইকোর্টের
  2. সরকারের
  3. জেলা জজের
  4. উক্ত আদালতের বিচারকের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

১,৩৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Chief Officer
  2. Officer
  3. Presiding Officer
  4. Executive Officer
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
১,৩৩৯.
সালিস আইন, ২০০১ এর অধীন সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত কী?
  1. সরকারের অনুমোদন
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. সকল পক্ষের সম্মতি
  4. লিগ্যাল এইড অফিসারের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
ব্যাখ্যা
সালিস আইন, ২০০১: ধারা ২২-সালিস ব্যতীত অন্যভাবে নিষ্পত্তি:
(১) সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সালিস ব্যতীত অন্যভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি উৎসাহিত করা হইলে উহা সালিস কার্যধারার সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না এবং সালিসী ট্রাইব্যুনাল সকল পক্ষের সম্মতিক্রমে, সালিসী কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে, বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা, আপোষ বা অন্য যে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবে।
 
(২) সালিসী কার্যধারা চলাকালে পক্ষগণ বিরোধীয় বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করিলে এবং পক্ষগণ কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, সালিসী ট্রাইব্যুনাল উক্তরূপ নিষ্পত্তিকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসাবে সালিসী রোয়েদাদ আকারে লিপিবদ্ধ করিবে। 

(৩) সর্বসম্মত শর্তে সালিসী রোয়েদাদ ধারা ৩৮ মোতাবেক প্রদত্ত হইবে এবং উহা যে একটি সম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদ এই মর্মে উক্ত রোয়েদাদে উল্লেখ করিতে হইবে। 

(৪) সর্বসম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদের মর্যাদা ও কার্যকরতা বিরোধীয় অন্য যে কোন বিষয়ে প্রদত্ত সালিসী রোয়েদাদের অনুরূপ হইবে।
১,৩৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় সালিশ (Arbitration) সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১১৫
  2. ধারা ৮৯ক
  3. ধারা ৮৯খ
  4. ধারা ৮৯গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯খ-এ সালিশ (Arbitration) সংক্রান্ত বিধান প্রদান করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত মোকদ্দমার পক্ষগণের সম্মতিতে বিরোধীয় বিষয় সালিশের (arbitration) মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং সালিশ আইন, ২০০১ অনুসারে সেই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে হবে।

- ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন।
- তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
- সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯ঙ) সংশোধন করা হয়।
- এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
১,৩৪১.
একজন pauper হিসেবে মামলা করার জন্য আবেদনপত্রে কী থাকতে হবে?
  1. চাকরির বিবরণ
  2. পরিবারের সদস্যদের তথ্য
  3. সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
  4. উকিলের নাম ও স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির তালিকা ও মূল্য
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী, একজন pauper হিসেবে মামলা করার জন্য আবেদনপত্রে আবেদনকারী ব্যক্তির সমস্ত সম্পত্তির তালিকা এবং সেই সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য থাকতে হবে। আবেদনপত্রটি অবশ্যই সঠিকভাবে স্বাক্ষরিত ও যাচাই করা উচিত।
- এছাড়া, উকিলের নাম ও স্বাক্ষর আবশ্যক নয়, কারণ একটি pauper মামলা সাধারণত ব্যক্তি নিজে বা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে করা হয়। তবে, আবেদনটি যখন উপস্থাপন করা হবে, তখন এটি আদালতে বা উপযুক্ত ব্যক্তি দ্বারা সরাসরি উপস্থাপন করা উচিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩, বিধি ২ অনুসারে, একজন দরিদ্র (pauper) হিসেবে মামলা করার আবেদনপত্রে নিম্নলিখিত তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক:
সম্পত্তির তালিকা ও আনুমানিক মূল্য:
- আবেদনকারীকে তার সমস্ত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত তালিকা জমা দিতে হবে।
- প্রতিটি সম্পত্তির আনুমানিক বাজার মূল্য উল্লেখ করতে হবে।
ব্যতিক্রম: পরিধানের প্রয়োজনীয় পোশাক ও মামলার বিষয়বস্তু সম্পত্তি হিসাবে গণ্য হবে না।
মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য: সাধারণ আরজিতে (plaint) যা যা তথ্য প্রয়োজন (যেমন: পক্ষদের বিবরণ, মামলার কারণ ইত্যাদি) তা উল্লেখ করতে হবে।
স্বাক্ষর ও শপথনামা:
আবেদনপত্র আবেদনকারী দ্বারা স্বাক্ষরিত ও শপথনামাযুক্ত হতে হবে (যেমন অন্যান্য লিখিত বক্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজন)।
১,৩৪২.
একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করার বিধান করা হয়েছে-
  1. বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য
  2. বিবাদিকে বিশেষ সুযোগ দানের জন্য
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা

• ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩: 
একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)- 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি; 
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।

• আদেশ-৯, বিধি-১৩কঃ
সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল ( Directly setting-aside exparte decree)- 
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

অর্থাৎ বিধি-১৩ক সরাসরি বলে এটি "বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য" (ক)। কিন্তু একইসাথে এটি বিবাদীকে সরাসরি রদের আবেদন করার একটি দ্রুত ও সহজ বিকল্প পথ দেয়, যা তাকে বিশেষ সুযোগ দেয় (খ)। ফলে, বিধানটির উদ্দেশ্য আসলে উভয়টি – বিচার দ্রুত করা এবং বিবাদীর জন্য বিশেষ পদ্ধতি তৈরি করা।

১,৩৪৩.
দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা অর্থ এমন মোকদ্দমা যেখানে ___________সংশ্লিষ্ট স্বার্থ জড়িত থাকে।
  1. সম্পত্তি বা অফিস
  2. সম্পত্তি ও অফিস
  3. শুধু সম্পত্তি
  4. শুধু অফিস
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বা অফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বা অফিস
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৯ ধারার ব্যাখ্যাতে বলা আছেঃ  যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় সে মোকদ্দমা দেওয়ানি প্রকৃতির, যদিও উচ্চ অধিকার সম্পূর্ণরূপে ধর্মীয় আচার বা উৎসব সম্পর্কিত প্রশ্নের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করতে পারে।

♦ দেওয়ানি আদালতের সকল দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার আছে, মোকদ্দম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিচারার্থে গ্রহণ বারিত করা হয়েছে সে সকল মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার দেওয়ানি আদালতের নেই।

♦ যে বিষয়সমূহকে দেওয়ানি প্রকৃতির মনে করা হয়-
১) সম্পত্তির অধিকার (right to property) বা
২) পদের অধিকার (right to office)
১,৩৪৪.
ভুল বাদীর নামে মোকদ্দমা বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কি আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমা খারিজ হবে
  2. স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত
  3. কর্তন বা বাদ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)-
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে,
বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।

১০(২) নং বিধিমতে,
ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও, বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
১,৩৪৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় বিদেশি রায় গ্রহণের অনুমান সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, বিদেশি রায় সম্পর্কে অনুমান বিদেশি আদালতের রায়ের সত্যায়িত নকল নথির সাথে পেশ করা হলে বিপরীত কোন প্রমাণ পাওয়া না গেলে তা এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত প্রদান করেছে বলে অনুমিত হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৪ -বিদেশী রায় সম্পর্কে অনুমান:
- বিদেশী রায়ের সত্যায়িত নকল বলে কথিত কোন দলিল আদালতে পেশ করা হলে এবং বিপরীত কোন প্রমাণ না পাওয়া গেলে আদালত ধরে নিবেন যে, রায়টি উপযুক্ত এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতই প্রদান করেছেন কিন্তু উক্ত আদালতের এ ব্যাপারে এখতিয়ার ছিল না বলে প্রমাণিত হলে ঐ রূপ অনুমান উঠায়ে নেয়া হবে।
--------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908 Section-14. Presumption as to foreign judgments:
- The Court shall presume, upon the production of any document purporting to be a certified copy of a foreign judgment, that such judgment was pronounced by a Court of competent jurisdiction, unless the contrary appears on the record; but such presumption may be displaced by proving want of jurisdiction.
১,৩৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা নিষ্পত্তির প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 


Section: 89(5)-

The  Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
১,৩৪৭.
‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ৫,০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ২,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ ‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
----------------
SUITS BY PAUPERS
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-33, Rule-1: Suits may be instituted in forma pauperis:
- Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper. 
Explanation.−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth  [five thousand Taka] other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
১,৩৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি মোতাবেক আদালত কর্তৃক চাহিত জবাব দানে ব্যর্থ হলে, আদালত তার বিরুদ্ধে -
  1. রায় ঘোষণা করতে পারেন
  2. ৩ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেবেন
  3. মামলা স্থগিত রাখতে পারেন
  4. উপরের যেকোনোটির নির্দেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী- আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৮ আদেশের ১০ বিধি- লিখিত জবাব আদালত কর্তৃক দাখিলের জন্য বলা হলে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে পদ্ধতিঃ
কোন পক্ষের থেকে লিখিত জবাব তলব করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করতে পারে বা মোকদ্দমা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারে।
১,৩৪৯.
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় দুই বা ততোধিক দেওয়ানি আদালতের মধ্যে এখতিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে-
  1. আদালত নিজ সিদ্ধান্তে মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদী নিজেদের পছন্দমতো আদালত নির্বাচন করবে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
  4. বিবাদী যেখানে থাকে, সেই এলাকার আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন যে কোনো একটি আদালত মামলা পরিচালনা করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান- আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে নিম্নলিখিত বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে:

১. মোকদ্দমা দায়েরের স্থান নির্ধারণ:
যদি স্থাবর সম্পত্তিটি দুই বা ততোধিক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়, তাহলে যে কোনো একটি আদালত এই অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবে।
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ এমনভাবে কার্যকর হবে, যেন সম্পত্তিটি আদালতের নিজস্ব স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত ছিল।

২. আপিল বা রিভিশন আদালতে আপত্তি:
যদি উপধারা (১) অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ড করা না হয় এবং আপিল বা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত, সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত এই আপত্তি গ্রহণ করবে না।
তবে যদি আদালতের মতে মোকদ্দমা দায়েরের সময় এখতিয়ার সম্পর্কে অনিশ্চয়তার যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর ফলে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে আপত্তিটি গ্রহণ করা যেতে পারে।
১,৩৫০.
ধারা ৩৮ অনুসারে, কোন দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. উচ্চ আদালত এবং জেলা আদালত
  2. নিম্ন আদালত এবং আপীল আদালত
  3. স্থানীয় আদালত এবং বিশেষ আদালত
  4. ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারিকারক আদালত এবং যে আদালতে ডিক্রি প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
১,৩৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯(১) অনুসারে, Next Friend কখন অপসারণ করা যেতে পারে?
  1. স্বার্থ নাবালকের বিরোধী হলে
  2. দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করলে
  3. বাংলাদেশের বাইরে চলে গেলে
  4.  উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৯(১) অনুসারে নিম্নলিখিত যেকোনো কারণেই Next Friend-কে অপসারণ করা যেতে পারে:
ক) স্বার্থ নাবালকের বিরোধী হলে - যখন Next Friend-এর স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের বিরোধী হয়। 
খ) দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করলে - যখন Next Friend তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে। 
গ) বাংলাদেশের বাইরে চলে গেলে - যখন মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন Next Friend বাংলাদেশের বাইরে চলে যায়।
- এছাড়াও আদালত যেকোনো অন্য যথেষ্ট কারণেও Next Friend-কে অপসারণ করতে পারে।
- তাই উপরের সবগুলো অবস্থাতেই আদালত উল্লেখযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ মনে করলে নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারে এবং মামলার খরচ সম্পর্কেও আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯: Next Friend অপসারণ:
(১) যখন কোন নাবালকের Next Friend এর স্বার্থে ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে বা যখন সে এমন বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যার দরুণ তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ যথার্থভাবে সংরক্ষণ সম্ভব নহে, অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না বা মামলা বিচারাধীন থাকাকারে বাংলাদেশে বসবাস করা শেষ করে অথবা অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হন, তবে Next Friend-কে তদানুসারে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন Next Friend বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং উক্ত মতে নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক Next Friend এর স্থলে নিজেই নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের Next Friend নিয়োগ করা উচি নহে, এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মামলায় যে খরচ হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাদি সাপেক্ষে Next Friend হিসাবে নিয়োগ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-9: Removal of next friend: 
(1) Where the interest of the next friend of a minor is adverse to that of the minor or where he is so connected with a defendant whose interest is adverse to that of the minor as to make it unlikely that the minor's interest will be properly protected by him, or where he does not do his duty, or, during the pendency of the suit, ceases to reside within Bangladesh, or for any other sufficient cause, application may be made on behalf of the minor or by a defendant for his removal; and the Court, if satisfied of the sufficiency of the cause assigned, may order the next friend to be removed accordingly, and make such other order as to costs as it thinks fit.
(2) Where the next friend is not a guardian appointed or declared by an authority competent in this behalf, and an application is made by a guardian so appointed or declared, who desires to be himself appointed in the place of the next friend, the Court shall remove the next friend unless it considers, for reasons to be recorded by it, that the guardian ought not to be appointed the next friend of the minor, and shall thereupon appoint the applicant to be next friend in his place upon such terms as to the costs already incurred in the suit as it thinks fit.

১,৩৫২.
সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপিল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে-
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি অবৈধ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আদালত অবৈধ
  3. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ
  4. রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
ব্যাখ্যা
 ♦ সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন করে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আইন, ১৯৮৮ পাস করা হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে দুইটি রীট দায়ের করা হয়েছিল এই ভিত্তিতে যে প্রজাতন্ত্রের উপর বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি যা পরিবর্তন বা নষ্ট করা যায় না । সুতরাং উক্ত সংশোধনী অবৈধ। হাইকোর্টের বিভক্ত বেঞ্চ এই দুইটি রীট পিটিশন খারিজ করে দেয়। লিভ টু আপীল আপীলেট ডিভিশনে দায়ের করলে তা আপীল বিভাগ মঞ্জুর করে এবং সর্বশেষ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ বলে আপীল বিভাগ রায় দেয়।
১,৩৫৩.
আদেশ-১০, বিধি-৩ অনুযায়ী, পক্ষগণের জবানবন্দির সারমর্ম কে লিখবেন?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. বিচারক
  4. উভয় পক্ষের আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

বিধি-৩: জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]
১,৩৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন নিয়মে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-২, নিয়ম-৭
  2. আদেশ-১, নিয়ম-৮
  3. আদেশ-২, নিয়ম-৮
  4. আদেশ-৩, নিয়ম-১
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, নিয়ম-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, নিয়ম-৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি সংহিতা (CPC)-এর আদেশ-১, নিয়ম-৮-এ প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান রয়েছে। এই নিয়ম অনুসারে, যখন একই স্বার্থে অসংখ্য ব্যক্তি জড়িত থাকে, তখন আদালতের অনুমতিক্রমে এক বা একাধিক ব্যক্তি সকলের পক্ষে মামলা দায়ের বা রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Order-1, Rule-8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct.
2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.

১,৩৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী কোন Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়?
  1. নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে
  2. মামলার নথিতে ভুল-ভ্রান্তি থাকলে
  3. ক ও খ উভয় কারনে
  4. উল্লিখিত কোন কারনে নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় কারনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয় কারনে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। 

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
১,৩৫৬.
আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্যের কারণে ক্রোক আদেশ দিলে তা সর্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধে নিষেধাজ্ঞা: চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
 ⇒যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

  ⇒এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারেন।

 ⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর বিধান লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা।
- ১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।
- ২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।
- ৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয়মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।
- ৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
---------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908,Order-39 Rule-2.Injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may by order grant such injunction, on such terms, as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience, or of breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
১,৩৫৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আপিল আদালতের সংজ্ঞা
  2. ডিক্রি বাস্তবায়নের সময়সীমা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ
  4. ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারা বিশেষভাবে ডিক্রি কার্যকর (Execution of Decree) প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত। এই ধারায় "ডিক্রি দানকারী আদালত"-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যা ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- এ ধারা অনুসারে যদি ডিক্রি আপিল আদালতের মাধ্যমে হয়, তবে মূল আদালতকে (first instance court) ডিক্রি দানকারী আদালত হিসেবে ধরা হবে।
- যদি সেই মূল আদালত অস্তিত্বহীন হয়ে যায় বা এখতিয়ার হারায়, তবে তখনকার বিদ্যমান যে আদালতের ঐ মামলা বিচার করার এখতিয়ার থাকত, তাকেই ডিক্রি দানকারী আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 37. Definition of Court which passed a decree.
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,-
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
১,৩৫৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান মতে আপিল আদালত নিজ রায় পুনঃবিচার করতে পারেন?
  1. ১১৩ ধারার
  2. ১১৪ ধারার
  3. ১১৫ ধারার
  4. ১২০ ধারার
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
- অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। 
-  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে।

উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান মতে আপিল আদালত নিজ রায় পুনঃবিচার করতে পারেন।
১,৩৫৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা মতে গণ-উপদ্রব বা গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা এটর্নি জেনারেল ছাড়া আর কে করতে পারে?
  1. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে যে কেহ
  2. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
  3. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তি
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভূমি কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
•বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
১,৩৬০.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. আরজি নাকচ
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। 
১,৩৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের বিধি ৯ অনুসারে, স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-৯ : স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন : যে-কোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-9. Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

১,৩৬২.
দেওয়ানি আদালত ধারা ৭৫ অনুযায়ী নিম্নের কোন কাজের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারেন?
  1. নতুন আইন প্রণয়ন
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান
  4. পুলিশকে গ্রেফতারের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালতের কমিশন প্রেরণের চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। তার মধ্যে একটি হলো: "স্থানীয় তদন্ত করা"- মানে কোনো ঘটনার বা সম্পত্তির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ “স্থানীয় তদন্ত করা” ধারা ৭৫ অনুসারে আদালতের কমিশন প্রেরণের একটি বৈধ ও নির্ধারিত উদ্দেশ্য।
- অন্য অপশনগুলো আদালতের কমিশনের মাধ্যমে সম্পাদনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: খ) স্থানীয় তদন্ত করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
১,৩৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
- যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Sections- 32: Penalty for default:
-The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- 
(a) issue a warrant for his arrest; 
(b) attach and sell his property; 
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
১,৩৬৪.
“রায়” কীসের ভিত্তি হিসেবে দেওয়া হয়?
  1. মামলার আবেদনের
  2. সাক্ষ্য বা প্রমাণের
  3. ডিক্রি বা আদেশের
  4. আরজি বা লিখিত জবাবের
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বা আদেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বা আদেশের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ২(৯) – “Judgment”:
“রায়” বলতে সেই বিবৃতিকে বোঝায় যা বিচারক ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে প্রদান করেন।
"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:

১,৩৬৫.
বাদী ক বিবাদী খ কে নালিশী জমিতে প্রবেশ করে বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানো হতে বারিত করার প্রার্থনায় দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, রুল ১/২ ও ১৫১ ধারা মোতাবেক দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালত বিবাদী খ কে কেন বারিত করা হবে না জানতে চেয়ে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন এবং ততোদিন পর্যন্ত বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আদালতের উক্ত আদেশ-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  4. Interlocutory order
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
♦ আদালতের উক্ত আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
১,৩৬৬.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর অনুমোদন
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বাদীর ২ জন সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১,৩৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মূল ডিক্রি হতে আপিলের বিধান আছে-
  1. আদেশ ৪০
  2. আদেশ ৪১
  3. আদেশ ৪৩
  4. আদেশ ৪৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এ মূল ডিক্রী হতে আপিল বিষয়ক বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপিল সংক্রান্ত বিধান আছে।
 
আপিল(Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে।
- আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
১,৩৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কখন কোনো দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যদি দলিলটি প্রত্যয়িত কপি হয়
  2. যদি দলিলটি মোকদ্দমার শেষে উপস্থাপন করা হয়
  3. যদি দলিলটি পক্ষগণের সম্মতিতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে কোনো দলিলকে অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করলে তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে এবং প্রত্যাখ্যানের কারণ রেকর্ড করবে। এটি নিশ্চিত করে যে মোকদ্দমায় শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য দলিল ব্যবহৃত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

১,৩৬৯.
যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে কোন আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে
  4. উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ অর্থাৎ যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে উক্ত যেকোনো এক আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে।

- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
১,৩৭০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮১ ধারা মতে গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি (Exemption from arrest and personal appearance) পদাধিকার বলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না । আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
১,৩৭১.
রিসিভারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. রিসিভারের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

১,৩৭২.
Which type of court can order the sale of immovable property in execution of decrees?
  1. Only District Courts
  2. Court of Small Causes
  3. Only High Court
  4. Any Court except a Court of Small Causes
সঠিক উত্তর:
Any Court except a Court of Small Causes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any Court except a Court of Small Causes
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule 82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
১,৩৭৩.
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ,
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
১,৩৭৪.
Which authority has the power to fix the local limits of jurisdiction of the civil courts mentioned in the Civil Courts Act, 1887?
  1. The Government
  2. The High Court Division
  3. The Appellate Division
  4. The High Court Division with consultation of Government
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 Section 13: Power to fix local limits of jurisdiction of Courts-

(1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the local limits of the jurisdiction of any Civil Court under this Act. 
 
(2) If the same local jurisdiction is assigned to two or more Joint District Judges or to two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, the District Judge may assign to each of them such civil business cognizable by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, as, subject to any general or special orders of the High Court Division, he thinks fit. 
 
(3) When civil business arising in any local area is assigned by the District Judge under sub-section (2) to one of two or more Joint District Judges or to one of two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, a decree or order passed by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge shall not be invalid by reason only of the case in which it was made having arisen wholly or in part in a place beyond the local area if that place is within the local limits fixed by the Government under sub-section (I). 
 
(4) A Judge of a Court of Small Causes appointed to be also a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge is a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, within the meaning of this section. 
 
(5) The present local limits of the jurisdiction of every Civil Court under this Act shall be deemed to have been fixed under this section.
১,৩৭৫.
যথাযথভাবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিনের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করতে হবে?
  1. অব্যবহিত পরেই
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
১,৩৭৬.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. বে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারি বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:

- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

বিধি-৫ অনুসারে কোন কর্পোরেশনের বা অফিসের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তা উহার কর্মকর্তাদের উপর বাধ্যতামূলক ভাবে কার্যকর হয়।
বিধি-৫ক ‘তে বলা আছে অতি জরুরি বিষয় ছাড়া সরকারের বিপক্ষে এক-তরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না।
----------
Order-39 Rule-5A. No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party:
(1) Court shall not, without serving reasonable notice to the Government Pleader and giving him or any Pleader authorised by him in that behalf an opportunity of being heard, pass ex parte any order of ad interim or temporary injunction under any of the aforesaid rules of this Order at the instance of a private party against the Government or any statutory public authority, if such order is likely to prejudice or interfere with any measure designed to implement any development programme, or any development work or otherwise harm public interest.

(2) The Court shall, in all cases where a private party makes an application for ad interim or temporary injunction against another private party, direct notice of the application to the opposite party, unless it appears that the object or granting the injunction would be defeated by the delay.

(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
১,৩৭৭.
Under Rule 8 of Order 14, The maximum time allowed for fixing the date of final hearing is-
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
সঠিক উত্তর:
120 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-8. Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall, within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪, বিধি-৮: চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ:
ইস্যু নির্ধারণের পর, আদালত একশত বিশ (১২০) দিনের মধ্যে মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

১,৩৭৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় Second Revision এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১৫(১)
  2. ১১৫(২)
  3. ১১৫(৪)
  4. ১১৫(৫)
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ (৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------------
Section 115(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
১,৩৭৯.
একতরফা আদেশ সরাসরি রদ-রহিতের ক্ষেত্রে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৪০০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

 ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
১,৩৮০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে আদালত বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪
  2. আদেশ ১৫
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১,৩৮১.
একটি সমনের কপি আদালতের ভবন এবং বিবাদীর শেষ বাসস্থানে টাঙানো হয়েছে, কিন্তু বিবাদী দাবি করছে যে সে কখনো দেখেনি। আইন অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির Order 5 Rule 20(2) এর অধীনে এই সমন-
  1. অবৈধ
  2. আংশিক কার্যকর
  3. ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
  4. শুধুমাত্র পরামর্শমূলক
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
ব্যাখ্যা

Order 5 Rule 20(2) অনুযায়ী- আদালতের আদেশে বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি দেওয়া সমনের সমান কার্যকর। যদিও বিবাদী সমন দেখেনি, তবুও আইন অনুযায়ী সে লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার সমান গণ্য হবে।

• আদেশ ৫, বিধি ২০- বিকল্প/প্রতিস্থাপিত সমন দাখিল:
(১) বিকল্প সমনের কারণ ও পদ্ধতি: যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে- বিবাদী সমন এড়ানোর উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত আছে, অথবা অন্য কোনো কারণে সাধারণ পদ্ধতিতে সমন পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাহলে আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে- সমনের একটি কপি আদালতের প্রধান ভবনের (Court-house) কোনো স্পষ্ট স্থানে টাঙানো হবে, এবং সমনের একটি কপি সেই বাড়ির কোনো স্পষ্ট স্থানে (যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা নিজের উপার্জনের কাজ করেছিল) টাঙানো হবে, অথবা যে কোনো অন্য উপায়ে, যা আদালত যথাযথ মনে করে, সমন প্রদান করা হবে।
 
(১ক) সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া: যদি আদালত উপ-ধারা (1)–এর মাধ্যমে সমন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় - সংবাদপত্রটি অবশ্যই দৈনিক হতে হবে, এবং সেই এলাকার মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে যেখানে বিবাদী শেষবার বাস্তবে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা কাজ করেছিল।
 
(২) বিকল্প সমনের কার্যকারিতা: আদালতের আদেশ অনুযায়ী বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন, ব্যক্তিগতভাবে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো সমনের সমান কার্যকর হবে।
 
(৩) উপস্থিতির সময় নির্ধারণ: আদালতের আদেশ অনুযায়ী যদি সমন বিকল্পভাবে দাখিল করা হয়, আদালত বিবাদীর উপস্থিতির সময় নির্ধারণ করবে, যা মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত হবে।

১,৩৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ অনুযায়ী, রিসিভারকে নিম্নলিখিত কোন ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে?
  1. মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ
  2. সম্পত্তি উদ্ধার, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন
  3. ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ ও প্রয়োগ
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL)-এর অধীনে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- আদেশ ৪০-এর বিধি অনুযায়ী, আদালত রিসিভারকে সম্পত্তি সংরক্ষণ, উন্নয়ন, মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ এবং সেগুলো ব্যবহারের মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, যা মালিক নিজে করতে পারতেন বা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে। তাই উপরোক্ত সব ক্ষমতা রিসিভারকে দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ রিসিভার নিয়োগ:
১(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।
২ পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XL – Appointment of Receivers:
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
১,৩৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (Examination-in-chief) কিভাবে গ্রহণ করা হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

১,৩৮৪.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে আদালতে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা
- এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী 'খ' করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
১,৩৮৫.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছিল। মামলার শুরুতেই আদালত 'খ' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, অপর্যাপ্ত কারণে এই মামলা করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে 'খ', আবেদন সাপেক্ষে 'ক' এর বিরুদ্ধে অনধিক কত টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে, অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds):

(১) যেখানে কোনো মামলায় গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে অথবা পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে-

(ক) যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, আটক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা

(খ) বাদীর মামলা বিফল হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মামলা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না, তাহলে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত এরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে তাঁর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত প্রতিকর হিসেবে বাদীর বিরুদ্ধে তার আদেশে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক আধিকারের সীমা অতিক্রম না করে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।

(২) এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ করলে সেই আদেশ উক্ত গ্রেফতারী, আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কোনো মামলা বাধা দিবে।
১,৩৮৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য সংগ্রহের পদ্ধতি
  2. আপিল দায়েরের বিধান
  3. আদালতের বিচারিক এখতিয়ার
  4. মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যে কোনো সময়, এবং তার উপযুক্ত মনে হলে খরচ বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, কোনো মামলার কার্যধারায় যে কোনো ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে; এবং মামলার কার্যধারার উপর নির্ভরশীল বা উত্থাপিত প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সকল প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
১,৩৮৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় (Joinder of Parties) বলতে কি বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of Plaintiffs or defendants
  4. Joinder of legal representatives of parties
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
১,৩৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত একই সাথে ব্যক্তি ও সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে-
  1. বাধ্য
  2. অস্বীকার করতে পারে
  3. বাদীকে নির্দেশ দিবে
  4. জারীকারক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
 আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে

⇒ Order-21 Rule-21- Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor. 
১,৩৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৭ অনুযায়ী অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি কিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মামলা প্রত্যাহারের
  2. কমিশন জারি করার
  3. সাক্ষ্য গোপন রাখার
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশন ইস্যু করার পরিবর্তে, আদালত অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে। এটি একটি বিকল্প ব্যবস্থা, যা তখন ব্যবহার করা হয় যখন সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন এবং কমিশনের মাধ্যমে তাঁকে পরীক্ষা করা সম্ভব বা সুবিধাজনক নয়।
- ধারা ৭৭ স্পষ্টভাবে বলে: "In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request..."
- অর্থাৎ, "কমিশন ইস্যু করার বিকল্প হিসেবে অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি প্রযোজ্য।"

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.

১,৩৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক কত দিন সময় দেওয়া যায়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া (mediation) সম্পন্ন করার জন্য সর্বাধিক ৬০ দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে, যদি পক্ষগণ একমত হন বা আদালত মনে করে যে মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য আরও কিছু সময় প্রয়োজন, তাহলে আদালত এই সময়সীমা আরও ৩০ দিন বাড়াতে পারবে।
- এর মানে হলো, সর্বাধিক ৯০ দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া যেতে পারে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য।
- এখানে, ৯০ দিনের সময়সীমা উল্লিখিত হতে পারে প্রাথমিক ৬০ দিন এর পর, ৩০ দিন বাড়ানোর বিধান অনুযায়ী।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুযায়ী: “...mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days... unless the Court... extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.”
- অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে ৬০ দিন সময় দেওয়া হয় মধ্যস্থতা শেষ করার জন্য।  প্রয়োজনে আদালত আরও ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে।
- অতএব, সর্বাধিক সময় = ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।
 তাই সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন।
১,৩৯১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, আদালত মামলার পক্ষ বা কোনো পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে?
  1. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  2. আদেশ-১৬, বিধি-১৩
  3. আদেশ-১৬, বিধি-১১
  4. আদেশ-১৬, বিধি-১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে

বলা আছে- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-

Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document]

• অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
১,৩৯২.
দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতে কী দাখিল করতে হয়?
  1. লিখিত বর্ণনা/written statement
  2. আরজি / plaint
  3. দরখাস্ত/petition
  4. উপরের যে কোনোটি।
সঠিক উত্তর:
আরজি / plaint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি / plaint
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারায় বলা হয়েছে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজির বা plaint মাধ্যমে দায়ের করতে হবে।
১,৩৯৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী কয়টি বিষয়ে কমিশন নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৬ অনুযায়ী ৪টি বিষয় তদন্ত করার জন্য কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়।
১) কোন ব্যক্তি জবানবন্দি গ্রহণ।
২) স্থানীয় তদন্তের জন্য।
৩) হিসাব পরীক্ষ...
৪) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
⇒ কমিশনের সামাজিক মর্যাদা উপর নির্ভর করে আদালত খরচের টাকা নির্ধারন করবেন (ধারা-৭৫)
১,৩৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. ডিক্রি পুনরায় জারি করা
  3. পক্ষগণকে ক্ষতিপূরণ দেয়া
  4. পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
১,৩৯৫.
আদালত কোনো আগন্তুককে (মোকদ্দমার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী নয়) সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে-
  1. ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
  2. বাদীর আবেদনক্রমে
  3. কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক ক্ষমতায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত মামলার পক্ষ বা কোন পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য সমন দিতে পারে।

• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে। এই আদেশের বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।

আদেশ ১৬ বিধি ১৪-
হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল 

Order 16 Rule 14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document
১,৩৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ-এর অধীনে আপিল আদালত কোন বিধান অনুসরণ করবে?
  1. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে আদেশ ৪১-এর বিধান
  2. ফৌজদারি আদালতের আপিলের বিধান
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
  4. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ১০৭ এর বিধান
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
১,৩৯৭.
Order 1, Rule 10(4) অনুযায়ী, নতুন বিবাদী যুক্ত হলে কী করতে হবে?
  1. নতুন আরজি দাখিল করতে হবে
  2. আরজি সংশোধন করতে হবে
  3. সংশোধিত সমন জারি করতে হবে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।
[Where defendant added, plaint to be amended: Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
১,৩৯৮.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,০০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ কে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• The Civil Court Act,1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
⇒ সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
⇒ যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

তাই এই মামলাটির মূল্যমান ২৪,০০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,৩৯৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Officer
  2. Judge
  3. Executive Officer
  4. Presiding Officer
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

-সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]

অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লিখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
১,৪০০.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সাক্ষীর প্রতি সমন জারীর করার সময় বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর জন্য আদালত কীসের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক অনুমোদন করবে?
  1. বিশেষজ্ঞের বয়সের ওপর
  2. আদালতের ইচ্ছার ওপর
  3. সময় এবং কাজের পরিমাণে ওপর
  4. সাক্ষীর অভিজ্ঞতার ওপর
সঠিক উত্তর:
সময় এবং কাজের পরিমাণে ওপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় এবং কাজের পরিমাণে ওপর
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-২:
সমন জারীর জন্য আবেদন করলে সাক্ষীর খরচ জমা দিতে হবে:
(১) যে পক্ষ কোন দেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করে, সেই পক্ষকে সমন মঞ্জুর হওয়ার পূর্বে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য সমন দেয়া হবে, আদালতে তার যাওয়া এবং আসার এবং একদিনের হাজিরার ব্যয় নির্বাহের উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আদালতে দাখিল করতে হবে।
(২) বিশেষজ্ঞ:
অত্র বিধি অনুসারে কোন বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসাবে সমন দেয়ার জন্য কত টাকা দাখিল করতে হবে তা নির্ধারণকল্পে আদালত উক্ত বিশেষজ্ঞের সাক্ষাদান ও বিশেষজ্ঞ হিসাবে অন্য কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কি পরিমাণ সময় লাগিবে তা বিবেচনা করে সেই অনুপাতে তার সঙ্গত পরিমাণ পারিশ্রমিক মঞ্জর করতে পারেন।

(৩) খরচের হার:
যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আদালত কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেক্ষেত্রে উক্ত খরচের হার নির্ধারণের সময় ঐ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা বিবেচনা করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-16 Rule-2.
Expenses of witness to be paid into Court on applying for summons:
(1) The party applying for a summons shall, before the summons is granted and within a period to be fixed, pay into Court such a sum of money as appears to the Court to be sufficient to defray the travelling and other expenses of the person summoned in passing to and from the Court in which he is required to attend, and for one day's attendance. 
 
Experts:

(2) In determining the amount payable under this rule, the Court may, in the case of any person summoned to give evidence as an expert, allow reasonable remuneration for the time occupied both in giving evidence and in performing any work of an expert character necessary for the case.

Scale of expenses:
(3) Whether the Court is subordinate to the High Court Division, regard shall be had, in fixing the scale of such expenses, to any rules made in that behalf.