বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১২ / ৩০ · ১,১০১১,২০০ / ২,৯৯৩

১,১০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির First Schedule-এর নিয়মাবলী পরিবর্তন, বাতিল বা সংযোজন করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকারের
  2. জেলা জজের
  3. সুপ্রিম কোর্টের
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১২২ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে সময় সময়ে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধির মাধ্যমে প্রথম তফশীলের সকল বা যে-কোনো বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১২২ ধারা- বিধি প্রণয়নে সুপ্রীমকোর্টের ক্ষমতা:
- সুপ্রীমকোর্ট সময় সময়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগের ও ইহার নিয়ন্ত্রণাধীন দেওয়ানি আদালতসমূহের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ কালে পূর্বকালীন প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন এবং এরূপ প্রণীত বিধি দ্বারা প্রথম তফশীলের সকল বা যে কোন বিধি বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 122. Power of the Supreme Court to make rules.
- The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.

১,১০২.
আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী রিসিভারকে কখন হিসাবাদি দাখিল করতে হবে?
  1. মোকদ্দমার শেষে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণের চাহিদামাত্র
  3. সম্পত্তির মালিকের আবেদনসাপেক্ষে
  4. আদালতের নির্দেশিত মেয়াদে
সঠিক উত্তর:
আদালতের নির্দেশিত মেয়াদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নির্দেশিত মেয়াদে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৩: রিসিভারের দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.

১,১০৩.
According to Order 5, Rule 2 of the Code of Civil Procedure, Every summons shall be accompanied by a copy of the ______ .
  1. Plaint
  2. Application
  3. Affidavit
  4. Certificate
সঠিক উত্তর:
Plaint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plaint
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর বিধি ২ অনুযায়ী,
যখন আদালত কোনো সমন (summons) ইস্যু করে, তখন সেই সমনের সাথে মামলার অভিযোগপত্র বা plaint-এর একটি কপি যুক্ত করে পাঠাতে হয়। অথবা,  যদি আদালত অনুমতি দেয়, তখন এটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি সহেও পাঠানো যেতে পারে।

Order 5, Rule 2-
Every summons shall be accompanied by a copy of the plaint or, if so permitted, by a concise statement.
১,১০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কে নিয়োগ পেতে পারেন না?
  1. আইনজীবী
  2. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  3. সরকারি চাকুরিজীবী
  4. প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী
সঠিক উত্তর:
সরকারি চাকুরিজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি চাকুরিজীবী
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ) সরকারি চাকুরিজীবী নিয়োগ পেতে পারেন না।

- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যিনি রাষ্ট্রের চাকরিতে আছেন বা রাষ্ট্রের জন্য লাভজনক কোনো অফিসে কর্মরত, তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না। এর মূল উদ্দেশ্য হল, মধ্যস্থতার প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে, এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্যে পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা হতে পারে।

- অন্যদিকে, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বা প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী যথাযথ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকলে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারার উপধারা (২)-এর দ্বিতীয় প্রভিজো (Proviso) অনুযায়ী, "a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator" অর্থাৎ "প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগের অযোগ্য"।

অন্যদিকে:
ক) আইনজীবী (প্লিডার) নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(১) ও (২) অনুযায়ী]।
খ) অবসরপ্রাপ্ত বিচারক নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী]।
ঘ) প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারী (ডিস্ট্রিক্ট জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেলভুক্ত) নিয়োগযোগ্য [৮৯ক(১০) অনুযায়ী]।
সুতরাং, সরকারি চাকুরিজীবী একমাত্র অপশন যারা মধ্যস্থতাকারী হতে পারেন না।
১,১০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, আপিল শুনানিতে কতবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়?
  1. যতবার ইচ্ছা
  2. সর্বোচ্চ একবার
  3. সর্বোচ্চ তিনবার
  4. সর্বোচ্চ ছয়বার
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ তিনবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ তিনবার
ব্যাখ্যা

​⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর Order XLI, Rule 12A(1) অনুসারে, আপিল শুনানির সময় যেকোনো পক্ষের আবেদনে সর্বোচ্চ তিনবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়। তিনবারের বেশি স্থগিতাদেশ চাইলে আদালত কস্ট (খরচ) আরোপ করতে পারে (ন্যূনতম ২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা)।
যদি আবেদনকারী কস্ট পরিশোধ না করেন, তাহলে আপিলকারীর ক্ষেত্রে আপিল খারিজ (Dismissed) হতে পারে।
রেসপন্ডেন্টের ক্ষেত্রে একতরফা (Ex parte) রায় দেওয়া হতে পারে।

- অর্থাৎ ​দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার XLI, রুল 12A অনুযায়ী, আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষের অনুরোধে সর্বোচ্চ তিনবার স্থগিতাদেশ (Adjournment) দেওয়া যায়। তিনবারের বেশি স্থগিতাদেশ দেওয়া হলে, আদালত নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন খরচ প্রদান) এগিয়ে যেতে পারে, এবং অ-সম্মতি হলে আপিল খারিজ বা এক্স-পার্টে নিষ্পত্তি হতে পারে।
​-----------
​⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-12A.Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.
(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.
(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

১,১০৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২২, বিধি-৬ অনুসারে, শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু ঘটে তাহলে কী হয়?
  1. রায় ঘোষণা হয়।
  2. মামলা স্থগিত হয়।
  3. মামলা বাতিল হয়।
  4. নতুন পক্ষ যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা হয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) রায় ঘোষণা হয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২২, বিধি-৬ অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পরে কিন্তু রায় ঘোষণার আগে ঘটে, তাহলে মামলাটি অবসানপ্রাপ্ত (abatement) হয় না। বরং, আদালত সেই পরিস্থিতিতে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং উক্ত রায়ের কার্যকারিতা এমনই বিবেচিত হবে যেন তা পক্ষের জীবিত থাকা অবস্থায়ই ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২, বিধি-৬: শুনানি শেষ হওয়ার পর কোনো পক্ষের মৃত্যুজনিত কারণে মামলার অবসান নয়:
- পূর্ববর্তী বিধিসমূহে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কারণ-সংক্রান্ত অধিকার বজায় থাকুক বা না থাকুক, যদি কোনো পক্ষের মৃত্যু শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর এবং রায় প্রদান করার পূর্বে ঘটে, তাহা হইলে কেবলমাত্র উক্ত মৃত্যুর কারণে মামলার অবসান হইবে না; বরং উক্ত অবস্থায়ও রায় প্রদান করা যাইবে এবং রায়টি এমনভাবে কার্যকর হইবে যাহা মৃত্যুর পূর্বেই প্রদান করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ Order XXII, Rule 6 of the Code of Civil Procedure, 1908: No abatement by reason of death after hearing:
- Notwithstanding anything contained in the foregoing rules, whether the cause of action survives or not, there shall be no abatement by reason of the death of either party between the conclusion of the hearing and the pronouncing of the judgment, but judgment may in such case be pronounced notwithstanding the death and shall have the same force and effect as if it had been pronounced before the death took place.
১,১০৭.
"Definition of Court which passed a decree" এটি দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারার বিধান?
  1. ৩৬
  2. ৩৭
  3. ৩৮
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-

ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
----------------
Section 37. Definition of Court which passed a decree.
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- 
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.
১,১০৮.
আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি ?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধির অধীন মোকদ্দমার বিবাদীর আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুরের আবেদন হল আপীলআযোগ্য আদেশ। তাই এই ক্ষেত্রে আপীল করা যাবে না বরং রিভিশন করতে হবে। 
♦অর্থাৎ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না-মঞ্জুর করলে রিভিশন করতে হবে।
১,১০৯.
বাদীর দেউলিয়াত্বের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়ানি মোকদ্দমা-
  1. স্থগিত হয়ে যাবে
  2. অ্যাবেট হবে
  3. অ্যাবেট হবে না
  4. বিবাদীর পক্ষে পরিচালিত হবে
সঠিক উত্তর:
অ্যাবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাবেট হবে না
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ : বিধি ৮, দেওয়ানি কার্যবিধি:
কোনো মামলায় যদি বাদী দেউলিয়া হয়ে যায়, এবং সেই মামলাটি তার ক্রেডিটরদের সুবিধার জন্য কোনো অ্যাসাইনী (assignee) বা রিসিভার (receiver) পরিচালনা করতে পারে, তাহলে- বাদীর দেউলিয়াপনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলাকে বন্ধ (abate) করবে না,

যদি না সেই অ্যাসাইনী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে, অথবা যদি না আদালত বিশেষ কোনো কারণে অন্য নির্দেশনা দেয়, এবং অ্যাসাইনী বা রিসিভার আদালত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে খরচের নিরাপত্তা (security for costs) প্রদান করে না।

১,১১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশে (Order) Reference সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধান প্রদান করা হয়েছে?
  1. আদেশ-৪৭
  2. আদেশ-৪৬
  3. আদেশ-৪৫
  4. আদেশ-৪০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৬ (Order XLVI)-এ Reference সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধান রয়েছে।
- এই আদেশে বলা হয়েছে, যদি কোনো মামলা বা আপিলের শুনানির সময় বা ডিক্রি কার্যকর করার সময় আইনগত কোনো প্রশ্ন বা usage having the force of law বিষয়ে সংশয় দেখা দেয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট আদালত তা স্বতঃপ্রবৃত্তভাবে বা পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশনে রেফারেন্স পাঠাতে পারে।

এছাড়া আদেশ ৪৬-এ আরও বলা হয়েছে: 
- হাইকোর্ট রেফারেন্সকৃত মামলার আইনি প্রশ্নে সিদ্ধান্ত দেবে।
- রায় বা আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে।
- ক্ষুদ্র বিষয়ে এখতিয়ার নিয়ে সন্দেহ হলে হাইকোর্টে পাঠানো যাবে।
১,১১১.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তাহলে ডিক্রি-ধারক ডিক্রি কার্যকরের জন্য কোন আদালতে আবেদন করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. যেকোন দেওয়ানি আদালতে
  3. জেলা আদালতে
  4. যে আদালতে ডিক্রি জারি হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
১,১১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII Rule 13 এ বাদীকে কী অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. আরজি সংশোধনের
  2. আরজির সাথে দলিল দাখিলের
  3. নতুন আরজি দায়েরের
  4. মোকদ্দমার মূল্যমান সংশোধনের
সঠিক উত্তর:
নতুন আরজি দায়েরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন আরজি দায়েরের
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) নতুন আরজি দায়েরের।

Order VII Rule 13 – Where rejection of plaint does not preclude presentation of fresh plaint:
যদি কোনো আরজি পূর্বোক্ত কারণগুলির (যেমন: ত্রুটি, ভুল মূল্যায়ন, স্ট্যাম্প না থাকা ইত্যাদি) কারণে আদালত দ্বারা খারিজ (rejected) হয়, তবে শুধুমাত্র সেই কারণে বাদী (plaintiff) একই cause of action (মোকদ্দমার মূল কারণ)-এর ভিত্তিতে নতুন করে আরজি দায়ের করতে বাধা প্রাপ্ত হবেন না।

১,১১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর কোন বিধিতে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিধি-১
  2. বিধি-২
  3. বিধি-৩
  4. বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ (Order XLVII) এর বিধি-৩ (Rule 3)-এ নিম্নোক্তভাবে বলা হয়েছে:
→ Form of applications for review: "The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review."
- এখানে "mutatis mutandis" শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয়েছে— যার অর্থ হলো, "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ প্রয়োগযোগ্য"।
- এই বিধি অনুযায়ী, আপিলের যেভাবে আবেদন করা হয়, রিভিউ আবেদনেও একইরকম নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
- তবে, যেহেতু রিভিউ আবেদন ও আপিলের মধ্যে কিছু কাঠামোগত পার্থক্য আছে, তাই প্রাসঙ্গিক পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) নিয়ম প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ এর বিধি-৩: পুনর্বিবেচনার আবেদনের ফর্ম:
- আপিল করার যেভাবে ফর্মাল আবেদন (Form of Appeal) করা হয়, সেরকমভাবেই রিভিউ আবেদনের ক্ষেত্রেও একই ফর্ম বা নিয়ম প্রযোজ্য হবে, যতটা প্রাসঙ্গিকভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় (mutatis mutandis)।
-------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order-XLVII, Rule-3 Form of applications for review:
- The provisions as to the form of preferring appeals shall apply, mutatis mutandis, to applications for review.
১,১১৪.
মামলায় পক্ষের অপসংযোগ বা অসংযোগ দোষে মামলা -
  1. খারিজ হবে
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়
  3. আরজি ফেরত দেয়া যায়
  4. ব্যর্থ হবে না।
সঠিক উত্তর:
ব্যর্থ হবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যর্থ হবে না।
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১ আদেশের ৯ বিধিতে বলা হয়েছে, কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ- সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবেনা [No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or non-joinder of parties]
১,১১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র উকিলের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর নিজস্ব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  3. পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
  4. কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোনো শুনানিতে যদি কোনো পক্ষ বা তার সাথে থাকা ব্যক্তি মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে আদালত তাকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
- এছাড়া, আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারে। তবে এটি আদালতের নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে—অর্থাৎ আদালত বাধ্য নয় যে, পক্ষগণ যা সুপারিশ করবে তা অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।

⇒ Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১,১১৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order-XXI rule 92 অনুসারে প্রদত্ত "Setting aside or refusing to set aside a sale" আদেশটি-
  1. রিভিশনযোগ্য
  2. আপিলযোগ্য
  3. ১৫১ ধারার বিধান মতে রদ ও রহিতযোগ্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

Order 43, Rule 1(J) অনুসারে:
২১ অর্ডারের ৭২ অথবা ৯২ রুল-এর অধীন ডিক্রি জারিতে বিক্রয় বাতিল করার আদেশ বা বিক্রয় বাতিলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করার আদেশ (setting aside or refusing to set aside)- একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১,১১৭.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বিবাহ, জাতি
  3. ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।

অর্থাৎ, নিম্নলিখিত সবগুলো বিষয়ে হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে: ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত বিষয়সমূহ:
ক) উত্তরাধিকার (Succession, Inheritance)
খ) বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste)
গ) ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution)
- অতএব, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো বিষয়ই ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত।

ব্যতিক্রম: শুধুমাত্র যখন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই ধর্মীয় আইনগুলো পরিবর্তন বা বাতিল করা হয়েছে, তখন সেই বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

১,১১৮.
নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশ টি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ ১০ রুল ৭
  2. আদেশ ৮, রুল ১০
  3. আদেশ ১৬, রুল ২০
  4. আদেশ ৩৯, রুল ২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ রুল ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১০ রুল ৭
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে। ক  নং অপশনটি বা আদেশ ১০ রুল ৭ উক্ত তালিকায় নাই। আদেশ ৭ রুল ১০ আপিলযোগ্য আদেশ। আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে।  এই ২৫ প্রকারের আদশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
১,১১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪ অনুযায়ী মূল্যমান ৫০ টাকার কম হলে, রায়ের পূর্বে দায়িককে কতদিন দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে?
  1. ২১ দিন
  2. ১ মাস
  3. ৬ সপ্তাহ
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৪: জামানত দিতে ব্যর্থ হলে দেওয়ানি কারাগারে আটক:- ২ ও ৩ বিধি অনুযায়ী বিবাদী জামানত দিতে ব্যর্থ হলে আদালত উক্ত বিবাদীকে দেওয়ানি কারাগারে প্রেরণ করতে পারে। সাব্যস্ত দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটকের পরিমাণ নিম্নরূপ-

- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকা বা তার কম হলে ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে; এবং
- ডিক্রির প্রদত্ত টাকার পরিমান ৫০/- টাকার বেশী হলে ৬ মাস আটক রাখা যাবে। 
স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেমন-বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক বা বন্ধক মুক্তি অথবা স্বত্বের মামলায় আদালত রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ মঞ্জুর করতে পারেনা।
-অপর্যাপ্ত কারণে বিবাদীকে গ্রেফতার করা হলে অথবা বাদীপক্ষ মামলা দায়ের করার যৌক্তিক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হলে, আদালত বাদীকে এক হাজার (১০০০/-) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।

- শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তার করা যায় এবং রায় ঘোষণার পূর্বে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাস আটক রাখা যাবে।
------------
⇒ CPC Order-38 Rule-4.Procedure where defendant fails to furnish security or find fresh security: 
- Where the defendant fails to comply with any order under rule 2 or rule 3, the Court may commit him to the civil prison until the decision of the suit or, where a decree is passed against the defendant, until the decree has been satisfied:

Provided that no person shall be detained in prison under this rule in any case for a longer period than six months, nor for a longer period than six weeks when the amount or value of the subject-matter of the suit does not exceed fifty Taka: 
Provided also that no person shall be detained in prison under this rule after he has complied with such order.
১,১২০.
স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
  2. যেখানে বিবাদী বসবাস করে
  3. যেখানে অনিষ্ট সংঘটিত হয়েছে
  4. যেখানে বাদী বসবাস করে
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।
১,১২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Small Cause Court not to attach immovable property' এই বিধান বলা আছে?
  1. Order-XXI, Rule-89
  2. Order-XXII, Rule-32
  3. Order-XXXVIII, Rule-13
  4. Order-XXXVIII, Rule-5
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ (Order-XXXVIII, Rule-13) এর বিধান: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করবেন না। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
-------------
CPC Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
- Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.
১,১২২.
আদেশ ২১ বিধি ৯৮ এর অধীন আদালত কখন দায়িককে জেলে আটকের আদেশ দিতে পারে?
  1. আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. ডিক্রিদারকে সম্পত্তি ফেরত না দিলে
  3. ডিক্রিদারকে সম্পত্তি দখলে বাধা দিলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিদারকে সম্পত্তি দখলে বাধা দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রিদারকে সম্পত্তি দখলে বাধা দিলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি ৯৮- দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান:
যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটা সন্তোষজনক হয় যে, যে দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি কোন ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করেছিল, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং যেক্ষেত্রে আবেদনকারীকে এতদসত্ত্বেও দখল লাভের প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করেছিল, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার আদেশ প্রদান করবে এবং যেক্ষেত্রে আবেদনকারীকে এতসত্ত্বেও দখল লাভের প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত আবেদনকারীর অনুরোধে দায়িককে বা তার প্ররোচনায় কার্যকরী ব্যক্তিকে ত্রিশ দিন পর্যন্ত মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটকের আদেশও দিতে পারে।

Rule 98: Resistance or obstruction by Judgment-debtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be datained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.
১,১২৩.
কোন একটা সম্পত্তি কামাল সাহেবের দখলে আছে কিন্তু কামাল সাহেব তার প্রকৃত মালিক না। তিনি প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে চায় কিন্তু রফিক ও সফিক নামের দুইজন ব্যক্তি ঐ সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে। এই ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য হবে-
  1. কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  2. রফিক বা সফিক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
  3. কামাল সাহেব সম্পত্তি পলিশের কাছে জমা দিবেন
  4. কামাল সাহেব সম্পত্তি আদালতে জমা দিবেন
সঠিক উত্তর:
কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits দায়ের করবেন
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
♦  তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

♦উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
১,১২৪.
ধারা ৩৫খ অনুযায়ী, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরখাস্ত বা আপত্তি পেশ না করা হয়, তাহলে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচা প্রদান করতে হতে পারে?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩৫খ: অন্তর্বর্তী বিষয়গুলো সম্পর্কে আনীত দরখাস্ত, প্রভৃতিতে বিলম্বের নিমিত্তে খরচা:
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
১,১২৫.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, কোন অবস্থায় আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করার আদেশ দিবে?
  1. বাদী আপত্তি করলে
  2. সাক্ষী হাজির না হলে
  3. মামলার শুনানি শেষ হলে
  4. বিবাদী জামানত প্রদান করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১,১২৬.
মোকদ্দমায় নতুন বিবাদী যুক্ত করা হলে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত জবাবের নকল
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, যদি সরল বিশ্বাসে ভুলের মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয় বা মোকদ্দমার বিরোধের বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন হয়, তাহলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত অন্যায়ভাবে যুক্ত যে কোন পক্ষের নাম কাটতে পারবে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম যুক্ত করা উচিত অথবা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
১,১২৭.
প্লিডিংস সংশোধনের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকে, তাহলে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সংশোধন না করলে পরে আর সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে:
কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।

Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
১,১২৮.
আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদেশের নিয়মগুলো প্রযোজ্য হবে?
  1. Order XLI
  2. Order XLIII
  3. Order XLVI
  4.  Order XLIV
সঠিক উত্তর:
Order XLI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XLI
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৩ বিধি ২:
অর্ডার XLI– (আদেশ ৪১) এর নিয়মগুলো আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।
[The rules of Order XLI shall apply, so far as may be, to appeals from orders.]

অর্থাৎ, যে নিয়মে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শোনা হয়, প্রায় একই নিয়মে Order থেকে আপিল পরিচালিত হবে।

১,১২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order-VII,Rule-1 অনুযায়ী, প্লেইন্টে (plaint) মোট কতটি বিষয় (particulars) অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII, Rule 1 অনুসারে একটি প্লেইন্টে নিম্নলিখিত ৯টি বিষয় (particulars) অন্তর্ভুক্ত করতে হয়:
১. (a) যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম। 
২. (b) বাদীর নাম, বিবরণ ও বসবাসের স্থান (ফোন/মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও ইমেইল সহ)। 
৩. (c) বিবাদীর নাম, বিবরণ ও বসবাসের স্থান (ফোন/মোবাইল নম্বর, এনআইডি ও ইমেইল সহ)। 
৪. (d) বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ হলে তার বিবৃতি। 
৫. (e) কারণ সৃষ্টিকারী ঘটনা (cause of action) ও কখন তা সৃষ্টি হয়েছে। 
৬. (f) আদালতের এখতিয়ার রয়েছে এমন ঘটনাবলি। 
৭. (g) বাদী কীরূপ প্রতিকার (relief) চান। 
৮. (h) বাদী যদি দাবির一 যা ছেড়ে দেন বা সমন্বয় করেন তার পরিমাণ। 
৯. (i) এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য। 

সুতরাং, Order VII, Rule 1 এ মোট ৯টি উপধারা (a থেকে i) রয়েছে, যেখানে প্লেইন্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এমন বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে।
---------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-VII, Rule-1 Particulars to be contained in plaint: 
- The plaint shall contain the following particulars:
(a) the name of the Court in which the suit is brought; 
(b) the name, description and place of residence (including phone or mobile number, national identification number (NID) and email address, if any, of the plaintiff;
(c) the name, description and place of residence (including phone or mobile number, national identification number (NID) and email address, if any, of the defendant so far as they can be ascertained;
(d) where the plaintiff or the defendant is a minor or a person of unsound mind, a statement to that effect;
(e) the facts constituting the cause of action and when it arose;
(f) the facts showing that the Court has jurisdiction;
(g) the relief which the plaintiff claims;
(h) where the plaintiff has allowed a set-off or relinquished a portion of his claim, the amount so allowed or relinquished; and
(i) a statement of the value of the subject-matter of the suit for the purposes of jurisdiction and of court-fees, so far as the case admits.

১,১৩০.
যদি কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৬ বিধি ১২অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি-১২: সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে অনুরূপ ব্যক্তি হাজির না হয় বা হাজির হয়  কিন্তু আদালতকে ঐরূপ সন্তুষ্ট করতে না পারে, সেক্ষেত্রে আদালত তার জীবন যাপনের অবস্থা এবং মোকদ্দমায় যাবতীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে তার উপর আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করে এরূপ অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারে এবং তার সম্পত্তি কিংবা উহার যে কোন অংশ ক্রোক করার ও নিলাম বিক্রয় করার জন্য, অথবা যদি ১০ বিধি অনুসারে ইতোপূর্বে ক্রোকাবদ্ধ হয়ে থাকে, তবে তা উক্ত জরিমানার অংকসহ, যদি কোন, অনুরূপ ক্রোকের ব্যয় মিটানোর উদ্দেশ্যে নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, ঐ ব্যক্তি উপরোক্ত খরচাদি এবং জরিমানা আদালতে পরিশোধ করলে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকমুক্ত হতে আদেশ দিবে।
১,১৩১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধিতে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে কী প্রতিকার দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে
  2. জেলা জজ আদালতে আপিল করতে হবে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
  4. জেলা জজ আদালতে রিভিউ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করতে হবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুসারে,
যে আদালতই ডিক্রি প্রদান করুক না কেন, আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে সর্বদা রিভিশন দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। যেমন সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ, বা জেলা জজের সকলের আপীলঅযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। এই ক্ষেত্রে কোন আদালত আপীলঅযোগ্য ডিক্রিটি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান কত তা গুরুত্বপূর্ণ না।

উদাহরণ: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় যদি সহকারী জজ কোন ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করতে হবে। কারণ ৯ ধারার ডিক্রীটি আপীলঅযোগ্য কিন্তু এর বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়। এই ক্ষেত্রে কিন্তু কোন আদালত ডিক্রি দিয়েছে বা মোকদ্দমার মূল্যমান বিবেচনা করা হয়নি বরং আপীলঅযোগ্য ডিক্রি হওয়ার কারণে রিভিশনটি হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
১,১৩২.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ করা না থাকলে, তাহলে আদালত কী পদক্ষেপ নিবে?
  1. আরজি গ্রহণ করবে
  2. আরজি খারিজ বা নাকচ করবে
  3. আরজি সংশোধনের নির্দেশ দিবে
  4. উক্ত বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিবে না
সঠিক উত্তর:
আরজি খারিজ বা নাকচ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি খারিজ বা নাকচ করবে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর ১১ নং বিধি অনুসারে আদালত নিম্নে বর্ণিত চারটি কারণে একটি আরজি খারিজ বা নাকচ করতে পারেন। কারণগুলো নিম্নরূপ:

প্রথমত,
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত উক্ত আরজি নাকচ বা খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
একটি মোকদ্দমা দায়ের করার পেছনে অবশ্যই কোন কারণ থাকে, যাকে আমরা ইংরেজিতে বলি Cause of Action (কজ অফ একশন)। কিন্তু আরজিতে ওই কজ অফ একশন/মামলার কারণ উল্লেখ না করা হলে, তাহলে আদালত মামলা করার কারণ সম্বন্ধে বোধগম্য হবে না। তাই আদালত উক্ত আরজিটি খারিজ বা নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবেন।

দ্বিতীয়ত,
আরজিতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য কম উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশ দেওয়ার পরও বাদী যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সঠিক মূল্য লিখতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আরজিটি খারিজ বা নাকচ বা প্রত্যাখ্যান করে দিতে পারে।

তৃতীয়ত,
আদালতে একটি আরজি দাখিল করার সময় প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প যুক্ত কাগজে আরজি লিখতে হয়। কিন্তু কেউ যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্প যুক্ত কাগজে আরজি লিখে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ২১ দিনের সময় দিবে। ২১ দিন সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে হবে। কিন্তু যদি ২১ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপারে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়, সেই ক্ষেত্রে আরজিটি আদালত খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবে।

চতুর্থত,
আপনি যে বিষয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে আরজি দাখিল করেছেন সেই বিষয়টি যদি আইন অনুসারে নিষিদ্ধ বা বারিত হয়, তাহলে সেই আরজিটি আদালত খারিজ করে দিবেন। যেমন ধরুন, দেনমোহর আদায় করার জন্য যে মোকদ্দমা দায়ের করা হয় তার তামাদি মেয়াদ হচ্ছে তিন বছর। এখন আপনি যদি বিলম্বিত দেনমোহর আদায়ের জন্য আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেন বিবাহ বিচ্ছেদের তিন বছরের পরে যেখানে কিনা ইতিমধ্যে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত আপনার উক্ত আরজিটি খারিজ বা প্রত্যাখ্যান করে দিবেন।
১,১৩৩.
আদেশ ১৭ এর অধীন মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবে?
  1. ১০নং আদেশ
  2. ৯নং আদেশ
  3. ১৫নং আদেশ
  4. ১১নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৯নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯নং আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭, বিধি ২: মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হওয়ার ফলাফল-

যে তারিখ পর্যন্ত শুনানী মূলতবি রাখা হয়েছিল সেই তারিখে পক্ষগণ বা কোন এক পক্ষ আদালতে হাজির না হলে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশ অনুযায়ী যে কোন পন্থায় বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবেন।
[Where on any day to which the hearing of the suit is adjourned, the parties or any of them fail to appear,the Court may proceed to dispose of the suit in one of the modes directed in that behalf by Order IX or make such other order as it thinks fit.]

অর্থাৎ শুনানী মুলতবি রাখার পর নির্ধারিত তারিখে বাদী হাজির না হলে মামলা খারিজ, বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি অথবা বাদী ও বিবাদী উভয় হাজির না হলে মামলা খারিজ হবে।
১,১৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. আপিল সংক্রান্ত এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান- আর্থিক এখতিয়ার:
- অন্যত্র সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত না থাকলে এই কোর্ডের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমানার (যদি থাকে) অধিক মূল্য সম্পন্ন বিষয়বস্তুর মামলা বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Civil Courts (Amendment) Act, 2021 – দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার বৃদ্ধি:
সহকারী বিচারক (Assistant Judge): সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।
সিনিয়র সহকারী বিচারক (Senior Assistant Judge): সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা মূল্যের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।

আপিল সংক্রান্ত পরিবর্তন:
যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge) এর রায়ের বিরুদ্ধে আপিল—যদি মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকার কম হয়, তবে আপিল জেলা জজের আদালতে যাবে।
যদি ৫ কোটির বেশি হয়, তবে আপিল হাইকোর্ট বিভাগে যাবে।
----------------
The Code of Civil Procedure, 1908 Section-6. Pecuniary Jurisdiction:
- Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

১,১৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ(২) অনুযায়ী বিলম্বিত আবেদনের খরচ প্রদান না করলে আবেদনের কী অবস্থা হবে?
  1. আবেদন গৃহীত হবে
  2. আবেদন স্থগিত থাকবে
  3. আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
  4. উচ্চ আদালতে আপিল করতে হবে
সঠিক উত্তর:
আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদন খারিজ হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ(২) ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো পক্ষ লিখিত বিবৃতি দাখিলের পর বিলম্বিত আবেদন করে, এবং আদালত মনে করে যে আবেদনটি আগে করা উচিত ছিল এবং তা মামলার মূল কার্যধারা বিলম্বিত করতে পারে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে শুধু যদি আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।
- যদি ক্ষতিপূরণ না প্রদান করা হয়, তাহলে আবেদনটি খারিজ হয়ে যাবে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (গ) আবেদন খারিজ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 35B. Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters.
(1) If at any stage of a suit or proceeding, an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be, shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.
(2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which, in the opinion of the Court, could and ought to have been made earlier, and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit, but shall not hear and dispose of the application, without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
১,১৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭ অনুযায়ী, সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য সমন কোথায় পাঠাতে হবে?
  1. সরকারি মন্ত্রীর কাছে
  2. সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাসায়
  3. সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের কাছে
  4. আদালতের কেরানীর কাছে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের কাছে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২১: বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করলে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন কোনো সমন জারিকারী আদালত সমন পাঠাবে এবং সেই আদালত সমন জারি করবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৪: বিবাদী কারাগারে বন্দী থাকলে, তার কাছে সমন জারির জন্য কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৬: বিদেশে থাকা বিবাদীর ক্ষেত্রে, প্রয়োজনে সমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জারি করা যেতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৭: সরকারী কর্মকর্তা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার জন্য, সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৮: বিবাদী যদি সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-5 Rule-27.Service on civil public officer or on servant of railway company or local authority:
Where the defendant is a public officer (not belonging to the armed forces of Bangladesh, or is the servant of the railway or local authority, the Court may, if it appears to it that the summons may be most conveniently so served, send it for service on the defendant to the head of the office in which he is employed, together with a copy to be retained by the defendant.
১,১৩৭.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিবলে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিল, পরিবর্তন ও রদ করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৮ বিধি-৪
  2. আদেশ ৩৮ বিধি-৬
  3. আদেশ ৩৯ বিধি-৪
  4. আদেশ ৩৯ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯ বিধি-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.
১,১৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুসারে, ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য প্রেরিত আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয়, তবে ডিক্রি কীভাবে প্রেরণ করা হবে?
  1. সরাসরি শেষোক্ত আদালতে
  2. জেলা আদালতের মাধ্যমে
  3. সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে
  4. ডিক্রি প্রেরণের প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সরাসরি শেষোক্ত আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি শেষোক্ত আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৫ অনুযায়ী, যখন ডিক্রি নিষ্পত্তির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করতে হবে সেটি ডিক্রি জারি করা আদালতের একই জেলার মধ্যে অবস্থিত হয়, তখন ডিক্রি সরাসরি সেই শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করা হবে। অর্থাৎ, মধ্যবর্তী কোনো আদালত বা অন্য কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রেরণের প্রয়োজন নেই।
- তবে, যদি ডিক্রি প্রেরিত আদালত ভিন্ন জেলার মধ্যে থাকে, তখন ডিক্রি প্রথমে সেই জেলার জেলা আদালতে পাঠানো হবে। এই নিয়ম ডিক্রি প্রেরণ প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল এবং দ্রুততর করে তোলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908 Order-21 Rule-5.(Mode of transfer):  Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed.

১,১৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১ অনুযায়ী ডিক্রির টাকা পরিশোধের বৈধ পদ্ধতি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-১ অনুযায়ী, ডিক্রির টাকা তিনটি বৈধ পদ্ধতিতে পরিশোধ করা যেতে পারে।
→ বিধি-১(১) এ বলা হয়েছে:
 “All money payable under a decree shall be paid as follows, namely:—
(a) into the Court whose duty it is to execute the decree;
(b) out of Court to the decree-holder;
(c) otherwise as the Court which made the decree directs.”
অর্থাৎ, ডিক্রির অর্থ নিম্নলিখিত ৩টি উপায়ে পরিশোধ করা যায়:
→ আদালতে জমা দিয়ে – ডিক্রি কার্যকর করার দায়িত্ব যার উপর, সেই আদালতে টাকা জমা দেওয়া।
→ আদালতের বাইরে ডিক্রিদারকে টাকা প্রদান করে – সরাসরি ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান।
→ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে – যেমন: কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমায় কিস্তিতে পরিশোধ, বা আদালতের নির্ধারিত পদ্ধতিতে।
→ অতএব, বৈধ পদ্ধতির সংখ্যা = ৩টি।
১,১৪০.
কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী আদালত কমিশন (Commission) প্রেরণ করতে পারেন?
  1. জবানবন্দী গ্রহণের জন্য (To examine any person),
  2. স্থানীয় তদন্তের জন্য (To make a local investigation),
  3. বাটোয়ারার ক্ষেত্রে (To make a partition),
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাঃ ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:  নির্ধারিত শর্তাবলী ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত  উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-

ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
--------------------------------
⇒  Section-75: Power of Court to issue commissions. Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
১,১৪১.
আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে কত দিনের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন মুলতুবি (Adjourn) রাখতে পারেন?
  1. অনধিক ১০ দিনের
  2. অনধিক ২০ দিনের
  3. অনধিক ১৫ দিনের
  4. অনধিক ১ মাস
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১৫ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১৫ দিনের
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলির বা তাদের কতকগুলি হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন:

ক) পক্ষগণ কর্তৃক বা তাদের পক্ষে উপস্থিতি কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা সেই পক্ষদের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে রচিত অভিযোগসমূহ

খ) আরজি জবাবের বা মামলায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তররের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।

♦ আদেশ ১৪ বিধি-৪ বিধান আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
আদালত কোন ব্যক্তির জবানবন্দি বা কোন দলিল পেশ করার প্রয়োজন মনে করলে অনধিক ১৫ দিনের জন্য বিচার্য বিষয় গঠন মুলতুবি (Adjourn) করে উক্ত ব্যক্তি বা দলিল হাজির করার জন্য সমন জারি করতে পারেন।
১,১৪২.
বাংলাদেশে বসবাসকারী কোন বিদেশি ব্যক্তি আদালতের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে মামলা করতে পারেন – এটি দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৮৪
  2. ধারা ৮৩
  3. ধারা ৮২
  4. ধারা ৮১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৩ অনুযায়ী: "বিদেশি শত্রু" (Alien Enemy) বা "বিদেশি বন্ধু" (Alien Friend) যারা সরকারের অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে বসবাস করছেন, তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই আদালতে মামলা করতে পারবেন।
অর্থাৎ, সরকারের অনুমতি থাকলে, তারা বাংলাদেশের নাগরিকের ন্যায় আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন।
কিন্তু যদি সরকারের অনুমতি না থাকে, তাহলে বিদেশি শত্রু ব্যক্তি কোনো আদালতে মামলা করতে পারবেন না, এমনকি তিনি বাংলাদেশে বসবাস করলেও।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ - কখন বিদেশি ব্যক্তি মামলা করতে পারে:
(১) সরকারের অনুমতিক্রমে বিদেশি শক্রগণ এবং বিদেশি বন্ধুগণ বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবেন।
(২) এরূপ অনুমতি ব্যতীত বিদেশি শত্রু বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে বা বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাস করলে অনুরূপ কোন আদালতে মামলা করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা: যে সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বা সামরিক অভিমানে জড়িত, সেই সকল দেশে বসবাসরত এবং বাংলাদেশ সরকারের একন সচিবের সহিযুক্ত অনুমতি ব্যতীত ঐ সকল দেশে ব্যবসা চালাইতে থাকলে (২) উপধারার উদ্দেশ্যে উক্তরূপ বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাসরত প্রত্যেক ব্যক্তি বিদেশি শত্রু বলে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 83. When aliens may sue:
(1) Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh, as if they were citizens of Bangladesh.
(2) No alien enemy residing in Bangladesh without such permission, or residing in a foreign country, shall sue in any of such Courts. 
Explanation.-Every person residing in a foreign country the Government of which is at war with, or engaged in military operations against, Bangladesh, and carrying on business in that country without a license in that behalf under the hand of a Secretary to the Government shall, for the purpose of sub-section (2), be deemed to be an alien enemy residing in a foreign country.
১,১৪৩.
সরকারি মামলায় 'বাংলাদেশ' নামে মামলা দায়ের করার বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮০
  3. ধারা ৭৯
  4. ধারা ৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৯ অনুযায়ী, যখন কোনো মামলা সরকারের পক্ষে বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়, তখন মামলায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে 'বাংলাদেশ' নাম ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য 'বাংলাদেশ' নামেই মামলা রুজু হয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৯ ধারা- সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 79- Suits by or against the Government:
- In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.

১,১৪৪.
নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যদি-
  1. নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করা নাহলে;
  2. উক্ত নিঃস্ব ব্যক্তি আবেদন করার ২ মাস পূর্বে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে;
  4. উপরের সবগুলাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলাই
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ-৩৩, বিধি-১: নিঃস্ব ব্যক্তির সংজ্ঞা- যে ব্যক্তি মোকদ্দমার জন্য প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা অনির্ধারিত কোর্ট ফি-এর ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, উক্ত ব্যক্তিকে নিঃস্ব ব্যক্তি বলা হবে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৩ নং আদেশে নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের বিধান রয়েছে।

♦ কোন নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়ের করতে হলে প্রথমে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য আদালতে আবেদন করতে হয়।

♦ বিবাদীকে নোটিশ- ৩৩ নং আদেশের ৬ বিধিতে বলা হয়েছে, আদালত যদি আবেদনটি মঞ্জুর করেন তাহলে বিবাদী এবং সরকারী উকিলকে (জিপি) ১০ কার্যদিবসের একটি নোটিশ দিবেন আবেদনকারীর নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার বিষয়ে তাদের কোন বক্তব্য আছে কিনা তা বলার জন্য।

আদালত নিম্নলিখিত কারণে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতির জন্য কোন আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। যথা-

ক) নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করা নাহলে;

খ) আবেদনকারী নিঃস্ব নাহলে;

গ) নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনে কোন কারণ উল্লেখ না থাকলে;

ঘ) উক্ত নিঃস্ব ব্যক্তি আবেদন করার ২ মাস পূর্বে প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে।
১,১৪৫.
'প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।'- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৪ বিধি ১
  2. আদেশ ৪ বিধি ২
  3. ধারা ২৬(১)
  4. ধারা ২৬(২)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ Code of Civil Procedure, 1908, Section 26: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

১,১৪৬.
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ যদি বিবাদী চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করে, তাহলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. মিথ্যা বলে গণ্য হবে
  2. স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
  3. অনির্ণীত আছে বলে গণ্য হবে
  4. অস্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী তার লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
১,১৪৭.
No _____ or _____ shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under Section 89A of The Code of Civil Procedure,1908.
  1. appeal, review
  2. review, revision
  3. appeal, revision
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
appeal, revision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
appeal, revision
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation) 
২- সালিশী (Arbitration)

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১,১৪৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারা অনুসারে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না যদি অর্থ পরিশোধের পরিমাণ _________ হয়।
  1. ৫০ টাকার বেশি
  2. ৫০ টাকার কম
  3. ৫০০ টাকার কম
  4. ১০০ টাকার কম
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকার কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকার কম
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি:
 ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং
 ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।
 যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
____________
Section 58. Detention and release:
(1) Every person detained in the civil prison in execution of a decree shall be so detained,- 
(a) where the decree is for the payment of a sum of money exceeding fifty Taka, for a period of six months, and, 
(b) in any other case for a period of six weeks: 
Provided that he shall be released from such detention before the expiration of the said period of six months or six weeks, as the case may be,- 
(i) on the amount mentioned in the warrant for his detention being paid to the officer in charge of the civil prison, or 
(ii) on the decree against him being otherwise fully satisfied, or 
(iii) on the request of the person on whose application he has been so detained, or 
(iv) on the omission by the person, on whose application he has been so detained, to pay subsistence allowance: 
Provided, also, that he shall not be released from such detention under clause (ii) or clause (iii), without the order of the Court. 
 
(2) A judgment-debtor released from detention under this section shall not merely by reason of his release be discharged from his debt, but he shall not be liable to be re-arrested under the decree in execution of which he was detained in the civil prison.
১,১৪৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় গ্রেফতার ও আটকের বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৫৫ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তিকে যে কোন দিনে ডিক্রী জারীর জন্য সাব্যস্ত দেনাদারকে গ্রেফতার করা যাবে ও দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা যাবে।
• আটক ২ প্রকার- (১) আইনী আটক (২) বেআইনী আটক।
•আইনী আটক আবার ২ প্রকার যথা- (১) নিবারন মূলক আটক (২) শাস্তি মূলক আটক।

• কোন দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য কোন বাসগৃহে সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের পূর্বে প্রবেশ করা যাবে না।
• উল্লেখ্য যে, কোন মহিলাকে আটক করা যাবে না।
-------------
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান গ্রেফতার ও আটক: ডিক্রি জারির জন্য কোন ডিক্রি দায়িককে যে কোন সময় এবং যে কোন দিনে গ্রেফতার করা যাবে এবং দেওয়ানি কারাগারে তাকে আটক রাখা যাবে। তবে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করার জন্য-
- সূর্যাস্তের পর ও সূর্যোদয়ের পূর্বে কোন বাসগৃহে প্রবেশ করা যাবে না;
- কোন বাসগৃহের দরজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না;
- কোন বাসগৃহে কোন মহিলা থাকলে, উক্ত মহিলাকে সরে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ প্রদান না করে প্রবেশ করা যাবে না।

তবে শর্ত থাকে যে, অর্থ পরিশোধের ডিক্রিতে ডিক্রি দায়িককে গ্রেফতার করার পর ডিক্রি দায়িক ডিক্রির টাকা ও গ্রেফতারের খরচ গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করলে উক্ত কর্মকর্তা দায়িককে অবিলম্বে মুক্তি দিবে। এছাড়া ডিক্রি দায়িক দেউলিয়া হলে তাকে মুক্তি দেয়া যাবে।
১,১৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন খণ্ডে "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি" পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. দ্বিতীয় খণ্ড
  2. পঞ্চম খণ্ড
  3. সপ্তম খণ্ড
  4. একাদশ খণ্ড
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম খণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম খণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ "বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি" (Alternative Dispute Resolution – ADR) বিষয়ক বিধানসমূহ দেওয়ানি কার্যবিধির পঞ্চম খণ্ডে (Part V) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই খণ্ডের অধীনে ধারা ৮৯B থেকে ৮৯E পর্যন্ত সালিশি ও মধ্যস্থতা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে, যা আদালতের বাইরে বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ব্যবস্থা প্রদান করে।
- এই ধারাগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো মামলা দীর্ঘায়িত না করে দ্রুত, সহজ ও আপোষযোগ্য পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি করা, যাতে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমে এবং পক্ষগণ নিজেদের মধ্যে সমাধানে পৌঁছাতে পারে।

উল্লেখযোগ্য ধারা:
ধারা ৮৯A: আদালতের মধ্যস্থতা বা নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা।
ধারা ৮৯B: সালিশির মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি।
ধারা ৮৯C: আপিল পর্যায়ে মধ্যস্থতা।
ধারা ৮৯D ও ৮৯E: পূর্বের মামলাগুলোর জন্য ও কার্যকর তারিখ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান।
১,১৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক অনুসারে আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি করলে আদালত কত টাকা খরচ আরোপ করতে পারেন?
  1. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা, অনধিক ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা, অনধিক ২০০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ১০০০ টাকা, অনধিক ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা, অনধিক ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ বিধি ১২ক(১) অনুসারে, আপিলের শুনানিতে তিনবারের বেশি মুলতুবি (Adjournment) মঞ্জুর করা হলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ, যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.

১,১৫২.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কী কী বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়?
  1. দেওয়ানি মামলার পদ্ধতিগত নিয়ম
  2. রায় এবং ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা হয়
  3. আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
→ ১৮৫৯ সালে প্রথমবারের মতো সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ (codified) করা হয়।
→ বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ পাস হয় এবং ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
→ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
→ এই আইনে দেওয়ানি আদালত ও মামলার পক্ষগণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যা মামলার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করে।

এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
১,১৫৩.
আদেশ ১৮ বিধি ১৭ এর অধীন আদালত কখন সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার আগে
  2. মোকদ্দমা সমাপ্তির পর
  3. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুনানির সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৭: আদালত সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি নিতে পারে:
যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

Order 18 Rule 17: Court may recall and examine witness:
The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.
১,১৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, আদালত মামলার পক্ষ বা কোনো পক্ষের সাক্ষী ব্যতীত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে?
  1. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  2. আদেশ-১৬, বিধি-১৪
  3. আদেশ-১৬, বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৬, বিধি-১৪
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।
⇒ আদেশ ১৬ বিধি-১৪ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমায় আগন্তুককে(৩য় ব্যক্তিকে) ঐচ্ছিক ক্ষমতায় সাক্ষী হিসাবে সমন দিতে পারে।
- হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।
অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
-----------------------------
⇒ CPC-Order-16 Rule-14: Court may of its own accord summon as witnesses strangers to suit-
Subject to the provisions of this Code as to attendance and appearance and to any law for the time being in force, whether the Court at any time thinks it necessary to examine any person other than a party to the suit and not called as a witness by a party to the suit, the Court may, of its own motion, cause such person to be summoned as a witness to give evidence, or to produce any document in his possession, on a day to be appointed, and may examine him as a witness or require him to produce such document.
১,১৫৫.
দেওয়ানি মোকদ্দমা যথাযথভাবে দায়ের হওয়ার কত দিনের মধ্যে সাধারণত বিবাদীর প্রতি সমন জারি করতে হবে?
  1. পাঁচ দিন
  2. পাঁচ কার্যদিবস
  3. সাত দিন
  4. সাত কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
পাঁচ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৫, রুল ১(১) এর সরাসরি বিধান অনুযায়ী, একটি মোকদ্দমা যথাযথভাবে দায়ের হওয়ার পর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আদালতের নিযুক্ত কর্মকর্তাকে বিবাদীর কাছে সমন জারি করতে হবে। এখানে "কার্যদিবস" শব্দটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সাধারণ দিন নয়।
⇒ আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবির সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।
২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।

১,১৫৬.
'Small Cause Court not to attach immovable property' এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা আছে?
  1. Order-XXXVIII, Rule-5
  2. Order-XXI, Rule-89
  3. Order-XXII, Rule-32
  4. Order-XXXVIII, Rule-13
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XXXVIII, Rule-13
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ (Order-XXXVIII, Rule-13) এর বিধান: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করবেন না। 
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
-------------
CPC Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
- Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.
১,১৫৭.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আপিল শুনানিতে ________ অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না।
  1. বিরোধী পক্ষের
  2. আপিল আদালতের
  3. বিচারিক আদালতের
  4. আপিল আদালত এবং বিরোধী পক্ষ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২- আপিলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপিলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না; কিন্তু আপিল আদালত আপিল নিষ্পত্তিকালে আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।

দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপিলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবে না অর্থাৎ একমাত্র আপিল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপিলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
১,১৫৮.
একটি দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপির সাথে যুক্ত করতে হবে-
  1. মোকদ্দমার আরজির কপি
  2. মোকদ্দমার লিখিত জবাবের কপি
  3. মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার ডিক্রির কপি 
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপিলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) আপিলের রূপ এবং স্মারকলিপির সাথে সংযুক্তি:
- প্রত্যেকটি আপিল একটি স্মারকলিপি (memorandum) আকারে দায়ের করতে হবে,
- যেটি আপিলকারী বা তার আইনজীবীর (pleader) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- এবং তা আদালতে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে।

স্মারকলিপির সাথে যা যুক্ত করতে হবে:
- যেই ডিক্রির (decree) বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, তার একটি অনুলিপি (copy) এবং (যদি আপিল আদালত তা অব্যাহতি না দেয়) উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে প্রদত্ত রায়ের (judgment) একটি অনুলিপিও দাখিল করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপিলকারীর আপত্তির কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে এবং পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, কোনো বর্ণনামূলক বক্তব্য বা যুক্তি ছাড়াই, এবং প্রতিটি কারণকে ক্রম অনুযায়ী নম্বর দিয়ে সাজাতে হবে।

১,১৫৯.
দেওয়ানি আপিলের স্মারকলিপি (memorandum) কে স্বাক্ষর করবে?
  1. আপিলকারী এবং বিচারক
  2. আপিলকারী অথবা তার সাক্ষী
  3. আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
  4. আপিলকারী এবং আপিলের উত্তরদায়ক
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী অথবা তার আইনজীবী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) আপিলের রূপ এবং স্মারকলিপির সাথে সংযুক্তি:
- প্রত্যেকটি আপিল একটি স্মারকলিপি (memorandum) আকারে দায়ের করতে হবে,
- যেটি আপিলকারী বা তার আইনজীবীর (pleader) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- এবং তা আদালতে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত কোনো কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে।

স্মারকলিপির সাথে যা যুক্ত করতে হবে:
- যেই ডিক্রির (decree) বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, তার একটি অনুলিপি (copy) এবং (যদি আপিল আদালত তা অব্যাহতি না দেয়) উক্ত ডিক্রির ভিত্তিতে প্রদত্ত রায়ের (judgment) একটি অনুলিপিও দাখিল করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপিলকারীর আপত্তির কারণসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে এবং পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, কোনো বর্ণনামূলক বক্তব্য বা যুক্তি ছাড়াই, এবং প্রতিটি কারণকে ক্রম অনুযায়ী নম্বর দিয়ে সাজাতে হবে।
১,১৬০.
আদেশ ৮ বিধি ৩ অনুসারে, বিবাদীকে তার লিখিত জবাবে বাদীর প্রত্যেকটি অভিযোগ-
  1. সাধারণভাবে অস্বীকার করবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
  3. সাধারণভাবে স্বীকার করবে
  4. সুনির্দিষ্টভাবে স্বীকার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৮ বিধি-৩: অস্বীকার সুনির্দিষ্ট হবে:
বিবাদীকে তার লিখিত বিবৃতিতে বাদীর অভিযোগের কারণসমূহ সাধারণভাবে অস্বীকার করলেই যথেষ্ট হবে না, বরং যে সকল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা বিবাদী স্বীকার করে না, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিবাদীকে অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, তবে ক্ষতিপূরণের বিষয় ব্যতীত।

Order 8 Rule 3- Denial to be specific:
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
১,১৬১.
The Civil Courts Act,1887 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের অধিকার কার তত্ত্বাবধানে থাকে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা:
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
১,১৬২.
রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয় কোনটি?
  1. আইনগত ভুল
  2. তথ্যগত ভুল
  3. একপক্ষীয় ভুল
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না। ✓ আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয় 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন। ১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
১,১৬৩.
স্ত্রী "ক" বিচ্ছেদ ও নাবালক সন্তানের অভিভাবকত্ব চেয়ে মামলা করে স্বামীর "খ” বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে "খ" নাবালক সন্তানের অভিভাবক হওয়ার জন্য আরেকটি মামলা দায়ের করে। এই ক্ষেত্রে-
  1. দুটো মামলাই চলতে থাকবে
  2. "ক"এর মামলাটা স্থগিত হবে
  3. "খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
  4. আদালত যেকোন রকম সিদ্ধান্ত নিবেন
সঠিক উত্তর:
"খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"খ" এর মামলাটা স্থগিত হবে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০ অনুযায়ী মামলা স্থগিতকরণ (stay of suit)/Res-subjudice) সম্পর্কে বলা আছে।

♦ যখন পূর্বে দায়েরকৃত বিচারধীন মামলার পক্ষসমূহ ও বিচার্য বিষয় এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলার পক্ষসমূহ ও বিচার্য বিষয় একই হয়, তখন পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলাটির বিচারকার্য আদালত স্থগিত বা মূলতবি (stay of suit / Res-Subjudice) করে দিবেন।

♦  তবে পূর্ববতী মামলা যদি কোন বিদেশী আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তখন মামলার কারণ একই হওয়ার সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মামলা বিচারে বাধা সৃষ্টি করবেনা।
১,১৬৪.
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হলোঃ-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধরার অধীন মূল ডিক্রি হতে আপিল: (১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না ।
আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত [Court exercising original jurisdiction] অর্থ হলো কোন মোকদ্দমা প্রথমে বা আদিতে যে আদলতে শুনানী এবং বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটা হলো এমন আদালত যে আদলত  সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর বিষয়টি আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হয়। যেমন দেওয়ানি মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ, যুগ্ম জেলা জজ হলো আদি এখতিয়ারকারী আদালত। এই সকল আদালতে মোকদ্দমা প্রথমে দায়ের করতে হয় এবং এই আদালত সিদ্ধান্ত দিলে তার বিরূদ্ধে আপীল বা রিভিশন আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,১৬৫.
Mesne Profits-এর মধ্যে সাধারণত কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকে?
  1. শুধু সুদ
  2. শুধু ফসল
  3. সুদসহ মুনাফা
  4. শুধু মুনাফা
সঠিক উত্তর:
সুদসহ মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদসহ মুনাফা
ব্যাখ্যা

⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

১,১৬৬.
আদেশ ৪০, বিধি ৫ অনুযায়ী আদালত কাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. যেকোনো ব্যক্তিকে
  2. কালেক্টরকে
  3. যেকোনো সরকারী কর্মকর্তাকে
  4. মামলার কোন পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি ৫: যখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমি বা উক্ত ভূমির রাজস্ব হস্তান্তরিত বা মুক্ত করা হয়ে থাকে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, কালেক্টর কর্তৃক ব্যবস্থপনা চালিত হলে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ রক্ষা হবে, সেক্ষেত্রে আদালত কালেক্টরের সম্মতিক্রমে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

১,১৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১৪ অনুযায়ী, নাবালক বাদী কী কারণে তার নেক্সট ফ্রেন্ডের মাধ্যমে রুজুকৃত মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. মামলার শিরোনাম ভুল
  2. কোনো কারণ ছাড়াই
  3. অযৌক্তিক বা অসংগত
  4. অত্যধিক সময় নেওয়া
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক বা অসংগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক বা অসংগত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২ বিধি-১৪ অনুযায়ী, একটি নাবালক বাদী সাবালক হওয়ার পর আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসংগত কারণে খারিজ করা হোক। এর মানে হল, যদি নাবালক বাদী মনে করে যে, তার নামে রুজুকৃত মামলা যুক্তিসংগত বা আইনি কারণে সঠিক নয়, তবে সে আদালতে এ বিষয়ে আবেদন করতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-৩২, বিধি-১৪(১) অনুসারে, নাবালক বাদী সাবালকত্ব প্রাপ্তির পর তার নামে নেক্সট ফ্রেন্ড (Next Friend) দ্বারা রুজুকৃত মোকদ্দমা খারিজের আবেদন করতে পারবে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে: মোকদ্দমাটি অযৌক্তিক (Unreasonable) বা অনুচিত (Improper) হলে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১৪: অযৌক্তিক বা অনুচিত মোকদ্দমা:
১) কোন নাবালক একমাত্র বাদি হলে সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয়ে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, তার নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক তার নামে রুজুকৃত মোকদ্দমা অযৌক্তিক বা অসংগত হওয়ার কারণে খারিজ হবে।
২) সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের উপর আবেদনের নোটিশ জারি করতে হবে এবং উক্ত অসংগত কারণ সম্পর্কে সন্তুষ্ট হয়ে আদালত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে এবং আবেদনপত্র ও মোকদ্দমার ব্যাপারে কোন কিছু সম্পর্কে সকল পক্ষ বরাবর খরচাদি পরিশোধের জন্য নেক্সট ফ্রেন্ডকে আদেশ দিতে পারে বা আদালত উপযুক্ত মনে করে অন্য কোন উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule-14:
(1)A minor, upon attaining majority, may, if he is the sole plaintiff, apply for the dismissal of a suit instituted in his name by his next friend on the grounds that it was unreasonable or improper.
(2)Notice of the application shall be served on all the parties concerned. Upon being satisfied of the unreasonableness or impropriety of the suit, the Court may grant the application and order the next friend to pay the costs of all parties regarding the application and anything done in the suit, or make such other order as it deems appropriate.
১,১৬৮.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩৭(১) অনুযায়ী, মুসলিম ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত কীসের ভিত্তিতে নেওয়া হবে?
  1. পারিবারিক আইন
  2. হিন্দু আইন
  3. মুসলিম আইন
  4. উত্তরাধিকার আইন
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম আইন
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।

সুতরাং প্রশ্নে যেহেতু বলা হয়েছে “মুসলিম ব্যক্তিদের মধ্যে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে” → সিদ্ধান্ত হবে শুধুমাত্র মুসলিম আইনের ভিত্তিতে। সঠিক উত্তর: গ) মুসলিম আইন।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

১,১৬৯.
দু'টি পৃথক মামলায় ভিন্ন দু'জন বাদী একই বিবাদীর বিরুদ্ধে একই সম্পত্তির ব্যাপারে একই স্বত্ব দাবি করলে নিম্নের কোন কার্যক্রম গ্রহণ সঠিক হবে?
  1. দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
  2. দুটি মামলার বিচার পৃথক কোর্টে চলবে
  3. দুটি মামলার মধ্যে পরের মামলাটি স্থগিত হবে
  4. দুটি মামলার বিচার একই কোর্টে পাশাপাশি চলবে
সঠিক উত্তর:
দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার রেস-সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করে আদালত যেমন পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি স্থগিত করতে পারে। সেই সাথে, ১৫১ ধারার সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত একই পক্ষসমূহের মধ্যে বিভিন্ন মোকদ্দমা একত্রিকরণ করার আদেশ দিতে পারে যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রকৃতিগতভাবে একই।

দু'টি পৃথক মামলায় ভিন্ন দু'জন বাদী একই বিবাদীর বিরুদ্ধে একই সম্পত্তির ব্যাপারে একই স্বত্ব দাবী করলে, ১০ ধারার রেস-সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার স্থগিত থাকার কথা। কিন্তু যেহেতু ১০ ধারার উদ্দেশ্য হলো বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিহার করা, তাই যথাযথ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে উভয় মোকদ্দমা একত্রিকরণ করে বিচার করার আদেশ আদালত দিতে পারে।

তাই দুইটি মোকদ্দমার বিচার একত্রে (Analogous Hearing) চলতে ১৫১ ধারায় আবেদন করা যায়।
১,১৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমির ক্ষেত্রে আদালত কাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. ভূমি কর্মকর্তা
  2. থানা নির্বাহী অফিসারকে
  3. কালেক্টরকে
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় সেই সব ভূমির জন্য কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। 
⇒ রিসিভার নিয়োগ, অধিকার ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রন হয় দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে।
⇒ আদালত রিসিভারের পারিশ্রমিক কি পরিমাণ নির্ধারন করবে এটা আদালতের ইচ্ছাধীন।
-----------------
CPC Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
১,১৭১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ অনুসারে প্লেইন্ট গৃহীত হলে বাদীকে কতগুলো কপি জমা দিতে হবে?
  1. দুইটি কপি
  2. যত জন বাদী তত কপি
  3. যত জন সাক্ষী তত কপি
  4. যত জন বিবাদী তত কপি
সঠিক উত্তর:
যত জন বিবাদী তত কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যত জন বিবাদী তত কপি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, Order VII, Rule 9(1)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: Procedure of admitting plaint:
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

অর্থাৎ প্লেইন্ট অ্যাডমিট (গৃহীত) হলে বাদীকে বিবাদীর সংখ্যার সমান প্লেইন্টের সাধারণ কাগজে কপি (অথবা আদালত অনুমতি দিলে concise statement) জমা দিতে হবে।
সুতরাং উত্তর: ঘ) যত জন বিবাদী তত কপি।

- বিবাদী-ভিত্তিক কপি: কপির সংখ্যা নির্ভর করে বিবাদীর সংখ্যা এর উপর। প্রত্যেক বিবাদীর জন্য আলাদা কপি জমা দিতে হয়।
- শর্তসাপেক্ষ ব্যতিক্রম: Rule 9(1)-এ আরও বলা হয়েছে যে, যদি প্লেইন্ট খুব বড় হয় বা বিবাদীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়, তাহলে আদালত বাদীকে সংক্ষিপ্ত দাবির বিবরণ জমা দিতে অনুমতি দিতে পারেন।
- প্রতিটি বিবাদীর কাছে প্লেইন্টের কপি পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই কপিগুলো প্রয়োজন হয়, যাতে বিবাদী বাদীর দাবি সম্পর্কে জানতে পারে এবং তার জবাব দাখিল করতে পারে।

সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII, Rule 9(1) অনুযায়ী প্লেইন্ট গৃহীত হলে বাদীকে যত জন বিবাদী তত কপি জমা দিতে হবে।

১,১৭২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ধারা ৩ অনুযায়ী আদালত কত প্রকার?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৫ প্রকার।
১। জেলা জজ
২। অতিঃ জেলা জজ
৩। যুগ্ন জেলা জজ
৪। সিনিঃ সহঃ জজ
৫। সহঃ জজ আদালত
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ দেওয়ানী আদালত হলো জেলা জজ এবং নিম্ন আদালত হলো সহকারী জজ।
• জেলা ও দায়রা জজ একই ব্যক্তি। দেওয়ানী মামলার বিচারের সময় জেলা জজ এবং ফৌজদারী মামলা বিচারের সময় দায়রা জজ নামে পরিচিত।
১,১৭৩.
রিভিশন ক্ষমতাবলে অতিরিক্ত জেলা জজ আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য়
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
  3. অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
  4. অনুমতিসাপেক্ষে জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,

১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
১,১৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ কি?
  1. এফিডেভিট
  2. আরজি বা জবাব
  3. অভিযোগ
  4. যুক্তিতর্ক
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement.
♦ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ হল আরজি বা জবাব।
১,১৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৫ক অনুসারে যদি মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রার্থী পক্ষের বিপক্ষে যায় এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে বিপক্ষ পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  2. ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  3. ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  4. নিষেধাজ্ঞা প্রার্থী পক্ষকে কারাদণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক(৪) অনুসারে, যদি মামলার রায় সেই পক্ষের বিপক্ষে যায়, যার অনুরোধে আদালত অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা (ad interim or temporary injunction) দিয়েছিল; এবং দেখা যায়, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিপক্ষ পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে;
- তাহলে আদালত, মামলার রায় ঘোষণার সময়, বিপক্ষ পক্ষের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে।
- এই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পরও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, চাইলে আরও ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে, তবে এই ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ তখনকার চূড়ান্ত হিসাবের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

- Order XXXIX – Rule 5A: (4) If the suit is ultimately decided against the party at whose instance the ad interim or temporary injunction was granted, and it appears that the other party has suffered loss due to such injunction,
→ The Court shall, while deciding the suit, award compensatory costs not exceeding ten thousand taka in favor of that other party, in addition to any other costs he may be entitled to.
১,১৭৬.
আদেশ ৪৮ বিধি ১ এর অধীন কোন প্রক্রিয়া পরিবেশনের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বিবাদী
  3. যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
  4. যে পক্ষের বিপক্ষে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৮ বিধি ১:
(১) এই বিধির অধীনে জারি করা প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া- যার পক্ষ থেকে বা যার স্বার্থে এটি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষের ব্যয়ে পরিবেশিত হবে, যদি না আদালত অন্যভাবে নির্দেশ দেয়।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়ম হলো- যে পক্ষ আদালতে কোনো সমন/নোটিস/প্রক্রিয়া জারি করায়, সেই পক্ষকেই এর খরচ বহন করতে হবে,
যদি আদালত বিশেষ কারণে আলাদা নির্দেশ না দেয়।

(২) এ ধরনের প্রক্রিয়া (সমন, নোটিস বা অন্যান্য আদালত কর্তৃক জারি করা প্রক্রিয়া) পরিবেশনের জন্য যে আদালত-ফি প্রযোজ্য,
তা প্রক্রিয়াটি জারি করার আগে, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

১,১৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের বিধি ১২ তে জবানবন্দিগ্রহণ কালে আদালতকে কার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বলা হয়েছে যে,
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

• আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১,১৭৮.
ডিক্রি দানকারী আদালত নিচের কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। কখন রিভিউ আবেদন করা যায়: দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-

i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
১,১৭৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারির পর আদালত কী করবে?
  1. মামলাটি বন্ধ করে দেবে
  2. বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
  3. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
  4. নতুন ডিক্রি জারি করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
১,১৮০.
কোন ধরনের মামলায় বাদী মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর কোন দাবি থাকে না?
  1. নাবালক কর্তৃক মামলায়
  2. ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
  3. জনস্বার্থ সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  4. নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক মামলায়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
ব্যাখ্যা
♦ধারা-৮৮ এবং আদেশ ৩৫ তে ইন্টারপ্লিডার স্যুট সম্পর্কে বলা আছে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
♦  তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

♦উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
১,১৮১.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, মিথ্যা দাবির ক্ষেত্রে আদালত কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ আদায়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।
১,১৮২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 10 অধীন প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. চূড়ান্ত এবং আপিলঅযোগ্য আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
১,১৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদালতের স্বেচ্ছায়
  2. সাক্ষীর শপথপত্রের ভিত্তিতে
  3. মামলার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
১,১৮৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল অগ্রাহ্য করে, তবে তাকে কী করতে হবে?
  1. দলিলটি ফেরত দিতে হবে
  2. দলিলটি ধ্বংস করতে হবে
  3. অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
  4. দলিল গ্রহণের জন্য পক্ষগণের অনুমতি নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে সে দলিল অগ্রাহ্য করতে পারে; তবে এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ডপূর্বক উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
১,১৮৫.
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক'-
  1. 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  2. ৬ মাসের মধ্যে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণ সহ 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  4. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
১,১৮৬.
ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার কি?
  1. ফৌজদারী মোকদ্দমা
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমা
  3. কোনো প্রতিকার নাই
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার ধরণ:
(i) স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তির অধিকার
(ii) অদৃশ্য সম্পত্তি যথা: কপিরাইট/ট্রেডমার্ক এর স্বত্বের অধিকার
(iii) পদের/মর্যাদার অধিকার
(iv) ভোটের অধিকার 
(v) বাটোয়ারা মোকদ্দমা (Partition Suit)
(vi) অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা (Preemption Suit)
(vii) অর্থ লেনদেনের মোকদ্দমা (Money)

অর্থাৎ ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার হল দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের।
১,১৮৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রিভিউয়ের বিধান রয়েছে?
  1. ১২০
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
----------------------
Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved-
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
১,১৮৮.
সাধারণত অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের-
  1. পরিমাণ উল্লেখ করবে না
  2. আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবে
  3. যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
ব্যাখ্যা
• আরজি হলো মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-
⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম;
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান;
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি;
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে;
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়;
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে-
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
১,১৮৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত হলে আদালত কী প্রদান করে?
  1. সম্পত্তির মালিকানা চুক্তি।
  2. ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
  3. decree-holder এর জন্য আদেশ।
  4. judgment-debtor এর জন্য নোটিশ।
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুযায়ী, যখন স্থাবর (অস্থাবর নয়) সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত বা চূড়ান্ত (absolute) হয়ে যায়, তখন আদালত একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে। এই সার্টিফিকেটে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন, তার নাম উল্লেখ থাকে। এছাড়া, সার্টিফিকেটে বিক্রয় নিশ্চিত হওয়ার তারিখও উল্লেখ থাকে। এটি ক্রেতার জন্য আইনি স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করে। অন্য কোন দলিল বা নোটিশ এ বিধিতে উল্লেখ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি- ৯৪ ক্রেতাকে সনদপত্র:
-যেখানে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চূড়ান্ত (absolute) হয়ে গেছে, সেখানে আদালত একটি সনদপত্র প্রদান করবে যাতে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন তার নাম উল্লেখ থাকবে। সেই সনদপত্রে বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার তারিখও থাকবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-94. Certificate to purchaser:
-Where a sale of immoveable property has become absolute, the Court shall grant a certificate specifying the property sold and the name of the person who at the time of sale is declared to be the purchaser. Such certificate shall bear date the day on which the sale became absolute.
১,১৯০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল দায়ের করা যেতে পারে?
  1. আপীলে প্রদত্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  2. প্রাথমিক ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  3. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল বলতে বুঝায় উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পর্যালোচনা।
• আইনে অন্য কিছু  বলা না থাকলে প্রত্যেক মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। (আদেশ-৪১)
১,১৯১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২১ক এর অধীন একতরফা ডিক্রি জারির পর বিবাদি কত দিনের মধ্যে আপিল পুনঃশুনানির আবেদন করতে পারবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১, বিধি ২১ক (Order 41, Rule 21A) অনুযায়ী: যদি কোন আপিল একতরফাভাবে (ex parte) শুনানি শেষে বিবাদির অনুপস্থিতে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে বিবাদি যদি পুনঃশুনানির (re-hearing) আবেদন করতে চান, তাহলে তাঁকে অবশ্যই ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে এফিডেভিটসহ একটি আবেদন করতে হবে আদালতে।
- বিধির বক্তব্য: “Provided that an appeal under this rule shall not be reheard unless an application, supported by affidavit, praying for such re-hearing is made to the Court within thirty days of the date on which the ex parte decree is passed against the respondent.”
⇒ অর্থাৎ একতরফা ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যদি আবেদন না করা হয়, তবে আদেশ ৪১, বিধি ২১ক-এর অধীনে পুনঃশুনানির সুযোগ থাকবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিল পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন।
বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।
২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
১,১৯২.
স্থাবর সম্পত্তি দখলের ডিক্রি জারিতে বিক্রিত সম্পত্তির ক্রয়কারী বাধাপ্রাপ্ত হলে, আদালত দায়ী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত দিন দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭৪ ধারা- ডিক্রি জারি কার্যে বাধা প্রদান:
যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধ্য বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হয়।
১,১৯৩.
দুটি মোকদ্দমা যদি res sub judice নীতির আওতায় পড়ে, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বাতিল করতে পারে
  2. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  3. উভয় মোকদ্দমা একত্রিত করতে পারে
  4. নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-
১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হতে হবে;
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে;
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে;
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে;
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

⇒ বিদেশি আদালতে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে Res-Subjudice নীতি প্রযোজ্য হবে না ।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.
১,১৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৩) অনুযায়ী, আদালত কোন প্রযুক্তিগত মাধ্যম ব্যবহার করে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ভিডিও কল
  2. হোয়াটসঅ্যাপ
  3. ফ্যাক্স ও ইমেইল
  4. দৈনিক সংবাদপত্র
সঠিক উত্তর:
ফ্যাক্স ও ইমেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাক্স ও ইমেইল
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: গ) ফ্যাক্স ও ইমেইল। 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ৯(৩)-এ বলা হয়েছে:
"The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax message or electronic mail service by the plaintiff at his own cost."
- অর্থাৎ, বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে এবং তার খরচে, আদালত ফ্যাক্স বা ইলেকট্রনিক মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারেন।

- এখানে “ফ্যাক্স” ও “ইমেইল” — এই দুটোই আইনস্বীকৃত প্রযুক্তিগত মাধ্যম, যেগুলো আদেশ ৫ এর অধীনে সমনের অতিরিক্ত পরিবেশন পদ্ধতি হিসেবে অনুমোদিত।

অন্যান্য অপশন গুলো :
- ভিডিও কল (ক): সমন প্রেরণের কোনো আইনগত স্বীকৃত মাধ্যম নয়।
- হোয়াটসঅ্যাপ (খ): যদিও প্রযুক্তিগতভাবে ফাইল পাঠানো সম্ভব, আইন এই মাধ্যমকে স্বীকৃতি দেয়নি।
- দৈনিক সংবাদপত্র (ঘ): এটি “সমনের প্রাকাশ্য জারি” সংক্রান্ত বিধানে ব্যবহার হতে পারে (যেমন আদেশ ৫, বিধি ২০), কিন্তু এটি ৯(৩)-এর অন্তর্ভুক্ত প্রযুক্তিগত মাধ্যম নয়।
১,১৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে precept কার বরাবরে ইস্যু করা হয়?
  1. ব্যাংকের বরাবরে
  2. আদালত বরাবরে
  3. দায়িক বরাবরে
  4. জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরাবরে
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
১,১৯৬.
আদেশ ৭ বিধি ৬ অনুযায়ী, তামাদি আইনের অধীন অব্যাহতি দাবি করার সময় কী প্রয়োজন?
  1. নোটিশ জারি করতে হবে
  2. বাদীকে আদালতে হাজির হতে হবে
  3. আরজিতে অব্যাহতির কারণ লিখতে হবে
  4. মৌখিকভাবে শুনানিতে কারণ বলতে হবে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অব্যাহতির কারণ লিখতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অব্যাহতির কারণ লিখতে হবে
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.

১,১৯৭.
নিচের কোনটি দেওয়ানী মামলায় রিভিশন আদালতের বিবেচ্য বিষয়?
  1. তথ্যগত ভুল
  2. আইনগত ভুল
  3. একপক্ষীয় ভুল
  4. দ্বিপক্ষীয় ভুল
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত ভুল
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন (Revision)- রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।

⇒ দেওয়ানী মামলায় রিভিশনের শর্ত- ২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি পরিবর্তনের মাধ্যমে দেওয়ানী রিভিশনের বিধানে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করা হয়। বর্তমানে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে রিভিশন করা যায়-
⇒ সাধারণত রিভিশন এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশ আপিলযোগ্য না হলে, কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান না থাকলে অথবা কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে আপিলের বিধান থাকার পরও উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা না হলে সেক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা করা যায়।
⇒ কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরূদ্ধে একবার আপিল করা হলে উক্ত আপিলে প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিশন করা যায়, কেননা দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২য় আপিলের বিধান নেই।
⇒ ১১৫ ধারার বর্তমান বিধান অনুযায়ী কেবলমাত্র ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ যে কোন পক্ষ রিভিশন দায়ের করতে পারে, কিন্তু আগের মত আদালত কর্তৃক স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (suo moto) হওয়ার বিধান নেই।
⇒ রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না।  আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।

-১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সহকারী জজ আদালত বা সহকারী জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।

-৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।

-৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।
১,১৯৮.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির Order 38, Rule 9 এর অধীনে ক্রোক (attachment) প্রত্যাহারের আদেশ দেবে?
  1. বাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলে
  2. বিবাদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলে
  3. বাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
  4. বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) বিবাদী প্রয়োজনীয় জামানত প্রদান করলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.

১,১৯৯.
প্রতিটি মামলা দাখিল করতে হবে-
  1. সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
  2. সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
  3. সমমান স্তরের আদালতে
  4. আদি স্তরের আদালতে
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবেঃ

প্রত্যেকটি মামলা উহা বিচার করার যোগ্যতাসম্পন্ন সর্বনিম্ন পর্যায়ের আদালতে দায়ের করতে হবে।
১,২০০.
আদেশে ৪৭ বিধি ৪ এর অধীন কোন রিভিউ দরখাস্ত মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রেফারেন্স;
  3. রিভিউ;
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুযায়ী ৪৭ আদেশের ৪ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ তে মোট ২৫টি আদেশ রয়েছে যেগুলার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।