বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Civil Procedure, 1908

মোট প্রশ্ন২,৯৯৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Civil Procedure, 1908

PrepBank · পাতা ১০ / ৩০ · ৯০১১,০০০ / ২,৯৯৩

৯০১.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য ৫০ টাকার নিচে হলে, আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী বিবাদীকে সর্বোচ্চ কতদিন জেলে রাখা যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।
৯০২.
ডিক্রি জারির মামলায় Compromise এর আবেদন করা যায় না এটি দেওয়ানী কার্যবিধির _____________ এর বিধান।
  1. আদেশ-২৩ বিধি-১
  2. আদেশ-২৩ বিধি-২
  3. আদেশ-২৩ বিধি-৩
  4. আদেশ-২৩ বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশে দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং সোলেনামা অর্থাৎ আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে।
২৩ নং আদেশের ১নং বিধির ২ ও ৩নং উপবিধিতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৪ নং বিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির মামলায় Compromise এর আবেদন করা যায় না।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৪ এর বিধান:  ডিক্রিজারির কার্যক্রম প্রভাবিত হয় না:  ডিক্রি বা আদেশ জারির কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বিধির কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
--------------
⇒ CPC Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected. Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
৯০৩.
কোন পক্ষ কর্তৃক Set-off দাবী করা যেতে পারে-
  1. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  2. স্বত্বের মামলায়
  3. অর্থের মামলায়
  4. বন্টনের মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থের মামলায়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৮ বিধি-৬ এর বিধান লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে:
(১) টাকা পরিশোধের দাবিতে দায়েরকৃত কোন মামলায় যদি বাদীর নিকট হতে আইনত বিবাদীর প্রাপ্য টাকা দিয়ে তার বিরুদ্ধে বাদীর দাবি পরিশোধ করতে চায়। এবং প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের উর্ধ্বে না হয়, এবং বাদীর মামলার ন্যায় বিবাদীর দাবির ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই পর্যায়ে পড়ে, তবে মামলার প্রথম শুনানির তারিখেই বিবাদী তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে। কিন্তু প্রথম শুনানির পর আদালতের অনুমতি ব্যতীত অনুরূপ বিবৃতি দাখিল করতে পারবে না।

(২) দাবি সমন্বয়ের ফলাফল
: উক্ত লিখিত বিবৃতিটি পাল্টা মামলার আরজির ন্যায় গণ্য হবে এবং বিচারক মূল মামলা ও পাল্টা দাবির মামলা সম্পর্কে একই রায় দান করতে পারবেন; কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর খরচ বাবদ কোন উকিলের দাবি থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।

(৩) বিবাদী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কিত বিধিসমূহ পারস্পরিক দায় পরিশোধের দাবিতে প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

♦ যখন বাদী বিবাদীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা করে তখন প্রথম শুনানির দিন বাদীর দাবিকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবিকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী লিখিত আবেদন করতে পারেন। মোকদ্দমায় শুধুমাত্র বাদীর বিবাদীর কাছে টাকা পাওনা থাকে না, বিবাদীও বাদীর নিকট টাকা পাওনা থাকে। তবে এইক্ষেত্রে বিবাদীর দাবী, বাদীর দাবির সমান বা কম হতে হবে।

♦ Set off অর্থ হলো পারস্পরিক দায়শোধ। Set-Off এর জন্য নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হবে-

১) মোকদ্দমাটি অবশ্যই অর্থ পুনরুদ্ধারের সংক্রান্ত হতে হবে,
২) আইনগতভাবে আদায়যোগ্য,
৩) দাবীকৃত টাকার পরিমাণ অবশ্যই নির্দিষ্ট হতে হবে,
৪) আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার মধ্যে থাকতে হবে।
৫) একাধিক বিবাদী থাকলে সকল বিবাদীর প্রাপ্য বাদী বা সকল বাদীর বিরুদ্ধে আদায়যোগ্য হতে হবে।

♦ অর্থাৎ Set off বা পারস্পরিক দায়শোধ এর মূল কথা হলো যে কোন পরিমান অর্থ যেটা বিবাদী বাদীর নিকট পাবে, সেই অর্থ Set off বা পারস্পরিক দায়শোধ করা যেতে পারে বাদী বিবাদীর নিকট যে অর্থ পাবে তার দ্বারা। শুধুমাত্র অর্থের মোকদ্দমায় Set off দাবী করা যায়।
৯০৪.
আদেশ ৩৯ বিধি ৭ অনুযায়ী নিম্নের কোনটি আদালত আদেশ দিতে পারে?
  1. ক্রোকাদেশ বাতিলের আদেশ
  2. সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

৯০৫.
নিম্নের কোনটি সঠিক-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় res judicata শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি নীতি ব্যাখা করা হয়েছে-

ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা- ১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় [Res sub judice] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় Res sub judice এর পরিবর্তে  (stay of suit) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনামেই Res Judicata শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।
৯০৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. মোকদ্দমার সমন জারি
  3. লিখিত জবাব দাখিল
  4. স্বীকারোক্তির উপর রায়
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির উপর রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির উপর রায়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬-এর শিরোনামই হলো "Judgment on admissions" বা "স্বীকারোক্তির উপর রায়"।
- এই বিধি অনুযায়ী, যখন মামলার কোন পক্ষ আদালতের কাছে কোন স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন স্বীকারোক্তি করে (যা লিখিত জবাব, দলিল বা অন্য উপায়ে হতে পারে), তখন অপর পক্ষ মামলার অন্যান্য বিষয়ের নিষ্পত্তি না হয়েও শুধুমাত্র সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রায় বা আদেশ চাইতে পারে। আদালত প্রাসঙ্গিক হলে সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আংশিক বা সম্পূর্ণ রায় দিতে পারেন।

- দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.

৯০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি ৪ অনুসারে, ইস্যু গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আদালত ইস্যু গঠন সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য স্থগিত করতে পারে?
  1. ২১ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-১৪ বিধি-৪ অনুসারে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তির পরীক্ষা বা কোনো দলিলের পরিদর্শন ছাড়া ইস্যু সঠিকভাবে গঠন করা সম্ভব নয়, তবে আদালত ইস্যু গঠন ১৫ দিনের বেশি স্থগিত করতে পারবে না। এই সময়সীমার মধ্যে আদালত প্রয়োজনীয় ব্যক্তির উপস্থিতি বা দলিল উৎপাদনের জন্য সমন বা অন্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারে। 
------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-4.Court may examine witness or documents before framing issues:
Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.

৯০৮.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে?
  1. বন্ধকী সম্পত্তি পুনরদ্ধারের মোকদ্দমায়
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  3. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায়
  4. ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
সঠিক উত্তর:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৪ : আদালতে পরিশোধ [Payment into court]

বিধি ১ : দাবি পরিতুষ্টির টাকা বিবাদী কর্তৃক আদালতের জমা দেওয়া [Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim] :
ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে তার বিবেচনামতো দাবির সম্পূর্ণ অংশটি মেটানোর জন্য অনুরূপ অর্থ আদালতে জমা দিতে পারে।
[The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.]
৯০৯.
রায় ঘোষনাকারী বিচারক ডিক্রি স্বাক্ষর না করে অফিস পরিত্যাগ করলে,সেক্ষেত্রে তৈরীকৃত ডিক্রি কে স্বাক্ষর করতে পারেন?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  3. পরবর্তী বিচারক
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এর ৮নং বিধি অনুযায়ী-

যেক্ষেত্রে রায় ঘোষণা করার পর কিন্তু ডিক্রি স্বাক্ষর না করে কোন বিচারক অফিস পরিত্যাগ করেছেন, সেক্ষেত্রে এরূপ রায় অনুযায়ী তৈরীকৃত ডিক্রি তার পরবর্তী বিচারক স্বাক্ষর করতে পারেন
উক্ত আদালত যদি অস্তিত্ববিহীন হয়, সেক্ষেত্রে ঐ আদালত যে আদালতের অধঃস্তন ছিল ঐ আদালতের বিচারক কর্তৃক তা স্বাক্ষরিত হতে পারে।

[Where a Judge has vacated office after pronouncing judgment but without signing the decree, a decree drawn up in accordance with such judgment may be signed by his successor or if the Court has ceased to exist, by the Judge of any Court to which such Court was subordinate.]
৯১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুসারে, অধস্তন আদালতের ভাষা কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের পরামর্শে
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. আদালতের বিচারকের পছন্দ অনুযায়ী
  4. সরকার কর্তৃক ঘোষিত বা পূর্বের প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক ঘোষিত বা পূর্বের প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক ঘোষিত বা পূর্বের প্রচলিত ভাষা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা অনুযায়ী, যেসব অধস্তন আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধীন, সেগুলোর ভাষা আইন কার্যকর হওয়ার সময় যেটি প্রচলিত ছিল, সেটাই বহাল থাকবে — যতক্ষণ না সরকার ভিন্নভাবে কোনো নির্দেশ দেয়। অর্থাৎ, আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রয়েছে। এছাড়া সরকার আদালতের আবেদনপত্র এবং কার্যধারার রীতিনীতিও নির্ধারণ করতে পারে।
- সুতরাং, অধস্তন আদালতের ভাষা সরকারি ঘোষণা বা পূর্বের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।
২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।
৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজিতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজির সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজির অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.
(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.
(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.

৯১১.
আদেশ ৪৬ বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত কিসের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের
  2. পক্ষগণের বক্তব্য শুনে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. পক্ষগণের আবেদন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি ২- আদালত হাইকোর্ট ডিভিশনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিক্রি প্রদান করতে পারেন:
অনুরূপ রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও আদালত কর্মক্রম স্থগিত রাখিতে পারে বা মামলা অগ্রসর হতে পারেন, এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত বিষয় সম্বন্ধে সিদ্ধান্তের আলােকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন; কিন্তু রেফারেন্সে প্রেরিত বিষয়ের উপর রায়ের নকল না পাওয়া পর্যন্ত যে মামলায় অনুরূপ বিষয় প্রেরিত হয় সে মামলায় কোন ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাবে না।
৯১২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে কে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না?
  1. ADR প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি
  2. অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ
  3. বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী
  4. সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(২) ও (১০) অনুযায়ী মধ্যস্থতাকারী নিযুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তাবলী প্রযোজ্য:
অযোগ্য ব্যক্তি:
- প্রজাতন্ত্রের সেবায় লাভের অফিসে নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত হতে পারবেন না।
- অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবী (যেমন: বিচার বিভাগ/প্রশাসন/পুলিশ ইত্যাদিতে কর্মরত) মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না (ধারা ৮৯ক(২) এর দ্বিতীয় শর্ত)।
যোগ্য ব্যক্তি:
- ADR (Alternative Dispute Resolution) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি (ধারা ৮৯ক(১০))
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ (ধারা ৮৯ক(২) ও (১০))
- বার কাউন্সিলভুক্ত আইনজীবী (ধারা ৮৯ক(১০))
সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) সরকারী চাকরিতে নিযুক্ত ব্যক্তি, কারণ ধারা ৮৯ক(২) এ এদের অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- (2) When the reference under sub-section (1) is made through the pleaders, the pleaders shall, by their mutual agreement in consultation with their respective clients, appoint another pleader, not engaged by the parties in the suit, or a retired judge, or a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), or any other person whom they may seem to be suitable, to act as a mediator for settlement: Provided that, nothing in this sub-section shall be deemed to prohibit appointment of more than one person to act as mediator:
Provided further that, a person holding an office of profit in the service of the Republic shall not be eligible for appointment as mediator.

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.
৯১৩.
টাকার ডিক্রি জারি মামলায় কোন ধরনের দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে না?
  1. নিঃষ্ব ব্যক্তি
  2. কোনো স্ত্রীলোক
  3. ষাটোর্ধ্ব পুরুষ
  4. বিকলাঙ্গ পুরুষ
সঠিক উত্তর:
কোনো স্ত্রীলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো স্ত্রীলোক
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারাঃ ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
- আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
----------
⇒ Section 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
 Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৯১৪.
B, A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার পরিকল্পনা করে। A,B এর বিরুদ্দে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা দায়ের করেছে এই প্রার্থনা করে যে, B আইনগত পন্থা ব্যতীত জোরপূর্বক A কে দখলচ্যুত করবেনা।মোকদ্দমাটি বিচারাধীন থাকাবস্থায় B,A কে বলপূর্বক দখলচ্যুত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। A স্থায়ী নিষেধেজ্ঞার অন্য আর একটি মোকদ্দমা দায়ের করেছে। এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি-
  1. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস জুডিকাটা দ্বারা বারিত হবে
  2. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে না
  3. দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মোকদ্দমাটি রেস সাবজুডিস দ্বারা বারিত হবে
ব্যাখ্যা
♦এখানে রেস সাবজুডিস নীতি প্রযোজ্য হবে কারণ একই বিষয় নিয়ে পূর্ববর্তী চিরস্থায়ী নিষেধেজ্ঞার মোকদ্দমাটি এখনও বিচারাধীন আছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতির বিধান আছে, রেস সাবজুডিস বা মামলা স্থগিত রাখাঃ কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার চালায়ে যাবেন না, যার বিচার বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষভাবে এবং মূলত পূর্বে দায়েরকৃত অপর একটি মামলাও বিচার্য বিষয়, তা একই পক্ষগণের মধ্যে অথবা এমন পক্ষগণের মধ্যে যাদের অধীনে তারা বা তাদের মধ্যে কোন একজনের সূত্রে পরবর্তী মামলার পক্ষগণ বা পক্ষগণের মধ্যে কোন একজন স্বত্ব দাবী করেন, যেখানে এরূপ মামলা একই অথবা বাংলাদেশের অন্য কোন আদালতে বিচারাধীন আছে, যে আদালতের প্রার্থীত প্রতিকার মঞ্জুর করার এখতিয়ার আছে অথবা বাংলাদেশের বাইরে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বা চলতি কোন আদালত যার এরূপ এখতিয়ার আছে, অথবা সুপ্রীমকোটে বিচারাধীন কোন মামলা।
ব্যাখ্যাঃ কোন বিদেশী আদালতে দায়েরকৃত মামলা যদি বাংলাদেশের কোন আদালতে দায়েরকৃত মামলার সাথে একই কারণযুক্ত হয়, তবুও ইহা বাংলাদেশের আদালতে উক্ত মামলা বিচারে বাধা হবে না।
৯১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি ৫৪ এর অধীন যখন সম্পত্তি স্থাবর হয়, তখন ক্রোকের আদেশ কীভাবে করা হয়?
  1. সম্পত্তির দখল দিয়ে
  2. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করে
  3. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে অনুমতি দিয়ে
  4. ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করতে নিষিদ্ধ করে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪- স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:

(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।

Order 21 Rule 54: Attachment of immovable property:
(1) Where the property is immovable, the attachment shall be made by an order prohibiting the judgment-debtor from transferring or charging the property in any way, and all persons from taking any benefit from such transfer or charge.

(2) The order shall be proclaimed at some place on or adjacent to such property by beat of drum or other customary mode, and a copy of the order shall be affixed on a conspicuous part of the property and then upon a conspicuous part of the court-house, and also, where the property is land paying revenue to the Government, in the office of the Collector of the district in which the land is situate.
৯১৬.
In every plaint, how must the facts be proved?
  1. evidence
  2. affidavit
  3. cross-examination
  4. oral testimony
সঠিক উত্তর:
affidavit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
affidavit
ব্যাখ্যা

Section 26- Institution of Suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

ধারা ২৬- মোকদ্দমা দায়ের করা:
(১) প্রতিটি মোকদ্দমা (suit) আরজি (plaint) দাখিলের দ্বারা দায়ের করতে হবে অথবা সেইভাবে, যা আইনে নির্ধারিত হতে পারে।(২) প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।

৯১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে কী বিধান রয়েছে?
  1. আপোষ মিমাংসা
  2. সোলেনামা
  3. compromise of suit
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦আদেশ-২৩, বিধি-৩: সোলেনামা বা আপোষ মিমাংসা (compromise of suit) - চুক্তি বা আপোষ মিমাংসামূলে কোন মামলায় আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করা হলে, তাকে সোলেনামা বলে। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে নিষ্পত্তি করাকে সোলেনামা বলে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩নং আদেশের ৩নং বিধিতে বলা হয়েছে যে, যখন কোন মোকদ্দমা যুক্তিসঙ্গতভাবে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে মিটমাট হয়েছে অথবা বিবাদী মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে সামগ্রিক বা আংশিকভাবে বাদীর সন্তুষ্টি সাধন করে থাকে, তখন আদালত চুক্তি, আপোষ, নিষ্পত্তি বা সন্তুষ্টি সাধনের বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবেন এবং সেই অনুসারে মামলার নিষ্পত্তি বা ডিক্রি দান করবেন।

♦সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি সম্পর্কে কোন পক্ষ হতে কোনরূপ প্রতারণার অভিযোগে মামলা বা দরখাস্ত করা হলে, আদালত উক্ত সোলে ডিক্রি বা সোলে নিষ্পত্তি বাতিল করতে পারেন।

♦২৩ নং আদেশের ৩ নং বিধিমতে আদালত পক্ষগণের মধ্যে আইনসম্মত চুক্তি বা আপোষ বা সন্তোষসাধন লিপিবদ্ধ করলে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোন আদেশ প্রদান করলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে অর্থাৎ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে আদালত কোনো আদেশ দিলে উক্ত সোলে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৯১৮.
If a suit is dismissed and then restored under Order 9 Rule 15, what stage will it continue from?
  1. From the final hearing
  2. From the judgment stage
  3. From the beginning of the suit
  4. From the stage it was at before the order of dismissal
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 15:
Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.

আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ৩১নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

অর্থাৎ, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ প্রত্যাহার করা হলে- মোকদ্দমাটি খারিজ আদেশ দেয়ার পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, সেই অবস্থা থেকে চালু হবে।
৯১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন আদেশ কোন বিধি অনুযায়ী লিখিত জবাব দাখিলের প্রাথমিক সময় ৩০ কর্ম দিবস এবং সর্বোচ্চ সময় ৬০ কর্মদিবস?
  1. আদেশ ৭ বিধি ১
  2. আদেশ ৮ বিধি ১
  3. আদেশ ৮ বিধি ২
  4. আদেশ ৮ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮ বিধি ১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৮ বিধি ১ অনুযায়ী বাদী কর্তৃক বিবাদীর উপর সমন জারি হওয়ার ৩০ দিনের কার্যদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয়।
⇒ যদি বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল না করে তাহলে মামলা এক তরফা হবে।
⇒ সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারে।
৯২০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান কী?
  1. Notice
  2. Letter of request.
  3. Execution of decree.
  4. Suits by or against the Government.
সঠিক উত্তর:
Suits by or against the Government.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Suits by or against the Government.
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদি বা বিবাদি হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে বাংলাদেশ।
----------
- Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
৯২১.
হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোনো আদালতের ভাষা কে নির্ধারণ করে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. সংসদ আইন দ্বারা
  4. উক্ত আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৩৭ ধারায় বলা আছে- সরকার অধস্তন আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৭ ধারা: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

Section: 137- Language of subordinate Courts:
(1) The language which, on the commencement of this Code, is the language of any Court subordinate to the High Court Division shall continue to be the language of such subordinate Court until the Government otherwise directs.

(2) The Government may declare what shall be the language of any such Court and in what character applications to and proceedings in such Courts shall be written.

(3) Where this Code requires or allows anything other than the recording of evidence to be done in writing in any such Court, such writing may be in English; but if any party or his pleader is unacquainted with English a translation into the language of the Court shall, at his request, be supplied to him; and the Court shall make such order as it thinks fit in respect of the payment of the costs of such translation.
৯২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২২ অনুযায়ী, কমিশনের রিপোর্ট কে প্রেরণ করবে বিদেশী আদালতে?
  1. সংশ্লিষ্ট সাক্ষী
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. সরাসরি কমিশনার
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ অনুযায়ী, যখন বিদেশী রাষ্ট্রে অবস্থিত কোনো আদালতের অনুরোধে বাংলাদেশে বসবাসকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণ করা হয়, তখন সেই কমিশনের কার্য সম্পাদন ও প্রতিবেদন হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত পাঠাতে হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগই সেই প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য গ্রহণপত্র অনুরোধপত্রসহ বিদেশী আদালতে প্রেরণ করেন।
- অর্থাৎ কমিশনের প্রতিবেদন বিদেশী আদালতে প্রেরণের দায়িত্ব শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগের, কারণ তারাই যথাযথভাবে প্রতিবেদন যাচাই করে এবং আইনি উপায়ে তা বিদেশে পাঠান।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-২২ কমিশন প্রেরণ সম্পাদন এবং ফেরত দান এবং বিদেশী আদালত প্রমাণ প্রেরণ:
অত্র আদেশের ৬, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ বিধিতে বর্ণিত বিধানসমূহ যতদুর সম্ভব উক্ত কমিশন প্রেরণ, উহার কার্য সম্পাদন এবং ফেরত পাঠাবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, এবং তখন অনুরূপ কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিতে হয়, যখন উহা তদানুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সহ হাইকোর্ট বিভাগে ফেরত দিতে হবে, যা বিদেশী আদালতে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ পত্র সহ হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরণ করবেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-26, Rule-22. Issue, execution and return of commissions, and transmission of evidence to foreign Court:
The provisions of rules 6, 15, 16, 17 and 18 of this Order is so far as they are applicable shall apply to the issue, execution and return of such commissions, and when any such commission has been duly executed it shall be returned, together with the evidence taken under it, to the High Court Division, which shall forward it to the Government, along with the letter of request for transmission to the foreign Court.
৯২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারায় কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. যে আদালতে ডিক্রিদার আবেদন করে
  2. যে আদালতে ডিক্রিদার এবং দায়িক আবেদন করে
  3. যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব আদালত
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি ঘোষনা করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।

Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৯২৪.
Under Order 35 Rule 2, who is required to place the thing claimed before the court?
  1. The defendant
  2. The plaintiff
  3. Both plaintiff & defendant
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
The plaintiff
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The plaintiff
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-২: দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা প্রদান:
যেক্ষেত্রে দাবীকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে সেটা অনুরূপভাবে প্রদান করতে বা স্থাপন করতে তলব করা যেতে পারে।

Rule.-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
৯২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুযায়ী, চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন জারি হলে যদি কোনো পক্ষ পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. মামলাটি স্থগিত করতে পারে
  3. পুনরায় সমন জারি করতে পারে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৫ বিধি ৪ অনুসারে, যদি মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন জারি করা হয় এবং কোনো পক্ষ যথাযথ কারণ ছাড়া তার উপর নির্ভরশীল প্রমাণ উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত দুটি পদক্ষেপের যেকোনো একটি গ্রহণ করতে পারে:
ক) অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে: যদি আদালত মনে করে যে প্রমাণের অভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা যায়, তবে তৎক্ষণাৎ রায় দেওয়া যেতে পারে।
খ) মামলাটি স্থগিত করতে পারে: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, তবে ইস্যু গঠন ও রেকর্ড করে মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য সময় দিতে পারে।

অর্থাৎ, আদালত দুটি পদক্ষেপ নিতে পারেন: ক) অবিলম্বে রায় ঘোষণা করতে পারে (at once pronounce judgment), অথবা খ) মামলাটি স্থগিত করতে পারে (adjourn the suit) এবং প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য নতুন তারিখ দিতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হল ঘ) 'ক' অথবা 'খ'।
-----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Order-15, Rule-4.Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.

৯২৬.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৮৯
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
৯২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, যদি বাদীদের সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচার বিলম্বিত করে, আদালত বাদীগণকে পৃথক বিচারের জন্য নির্দেশ দিবেন?
  1. আদেশ-১, বিধি-১
  2. আদেশ-১, বিধি-২
  3. আদেশ-১, বিধি-৩
  4. আদেশ-১, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী সংযুক্তি মোকদ্দমায় বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি যদি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা: যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
৯২৮.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কোনো আরজি বা জবাবের অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. আরজি ভুল বানানে লেখা হলে
  2. কোন আইনি অনুচ্ছেদ না থাকলে
  3. আরজিতে সাক্ষী তালিকা না থাকলে
  4. আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৯২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় অসুস্থতার অযুহাতে মুক্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫৫ ধারা
  2. ৫৮ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়আড় বিধান আছে এবং পরবর্তীতে পূনরায় তাকে গ্রেফতার করতে কোন বাধা নাই।
৯৩০.
দেওয়ানি আদালত যদি পক্ষগণের সম্মতিতে ডিক্রি দেন, তাহলে উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. আপিল চলবে না
  2. হাইকোর্টে সরাসরি আপিল করা যাবে
  3. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে আপিল করা যাবে
  4. শুধু আর্থিক ক্ষতির ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল চলবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।

(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।

(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

৯৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যায় না?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৫ (খ) ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যাবে না।
৯৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী, প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দেয়া হয়:
  1. মামলার শুরুতেই
  2. শুধুমাত্র শুনানির সময়
  3. মামলার যে কোন পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র রায় ঘোষণার পর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
⇒ প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
⇒ প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।

Order 6 Rule 17: Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced, unless the Court is of opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit. 
৯৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ(১) অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের পর বিরোধ নিষ্পত্তি কোন আইনের অধীনে সম্পন্ন হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশি আইন, ১৯৪০
  3. সালিশ আইন, ২০০১
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।

- তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃদাখিল করতে পারবেন।
-----------------
⇒ Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:

Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 

(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).

৯৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুসারে, কখন রায়ের পূর্বে ক্রোক বাতিল করা হয়?
  1. বাদী সম্মতি দিলে
  2. মামলা খারিজের পর
  3. বিবাদী জামিন দিলে
  4. 'খ' বা 'গ'
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে ক্রোক বাতিল করার জন্য দুটি প্রধান শর্ত আছে,
১. বিবাদী যখন আদেশিত নিরাপত্তা (জামিন) প্রদান করে।
২. মামলা যদি খারিজ হয়ে যায়।
-এই দুই শর্তের যে কোনও একটির পূরণে আদালত ক্রোক প্রত্যাহারের আদেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো ‘খ’ বা ‘গ’ উভয়ই। বাদীর সম্মতি বা অনুমতি এখানে বাধ্যতামূলক নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order 38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
৯৩৫.
নিম্নের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. আপিল আদালত
  2. রিভিশন আদালত
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

♦ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

♦ আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

♦ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।

♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
৯৩৬.
‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে এবং সেখানে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘Q’ এই মুনাফার দাবি করে। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন ধারায় ‘Q’ এর দাবির বিষয়টি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা 2(8)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(15)
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
ব্যাখ্যা

⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits)" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা অর্জিত হয় বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারতো, সুদসহ তা মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে গণ্য হয়। তবে, বেআইনী দখলদারের উন্নয়নের ফলে অর্জিত মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- এই ক্ষেত্রে, ‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করেছে, তাই ‘Q’ ধারা 2(12)  তে সংজ্ঞায়িত মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবি করতে পারে।

 ⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৯৩৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদীকে কী করতে হবে?
  1. দলিলগুলো নিজের কাছে রাখতে হবে
  2. দলিলগুলো উকিলকে সরবরাহ করবে
  3. দলিলগুলির কপি আদালতের কর্মচারীকে দেবে
  4. দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
সঠিক উত্তর:
দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদী দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে।

⇒ দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লিখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৯ আরজি গ্রহণের পদ্ধতি-
যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
----------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Order-7 Rule 9: Procedure of admitting plaint: 
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.
Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.
(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
৯৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩২ অনুসারে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন ক্রোক কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে।
- কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

 (2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.

(3) Where any attachment under sub-rule (1) or sub-rule (2) has remained in force for one year, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold; and out of the proceeds the Court may award to the decree-holder such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.
৯৩৯.
ক্রোকী সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার জন্য প্রমাণ করতে হবে-
  1. অপুরনীয় ক্ষতি
  2. পলাতক ছিলো না
  3. আত্মগোপন করে নাই
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৯ ধারা মতে ক্রোকী সম্পত্তি ফেরৎ পাওয়ার জন্য ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী হুলিয়াধীন ব্যক্তি যদি ২ বৎসরের মধ্যে হাজির হয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেন নাই বা হুলিয়ার নোটিশ পান নাই, তাহলে আদালত ক্রোক সম্পর্কিত খরচ কেটে রেখে বাকি সম্পত্তি অবমুক্ত করতে পারেন।
৯৪০.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি:
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ সালের ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইনের ২২ ধারায়।

উক্ত আইনের ২২ ধারায় বলা আছে যে,
মামলায় বিবাদী পক্ষ লিখিত বক্তব্য পেশ করার পর আদালত ধারা ২৪-এর বিধানসাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবেন।উক্ত প্রেরিত মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সহিত পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অপর একজন আইনজীবী, যিনি কোন পক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত নয় অথবা কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিযুক্ত করতে পারবে; তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে। মধ্যস্থতার কার্যক্রম গোপনে অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যস্থতার পর মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার বিবরণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।

আদালত, যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, সেই তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কতৃর্ক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়, অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা বা মধ্যস্থতা হয়ে থাকে তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তির শর্তাবলি অন্তর্ভূক্ত করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারী ও আইনজীবীদের তা সত্যায়িত করতে হবে। ঐ সমঝোতা বা মধ্যস্থতার চুক্তির ভিত্তিতে আদালত একটি আদেশ বা ডিক্রী জারী করবেন। এই ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। এই ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আদালত কালেক্টরের নিকট হতে আরজির উপর প্রদত্ত সমুদয় কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে বাদীর অনুকূলে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে এবং ইহার ভিত্তিতে বাদী প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে।
৯৪১.
Which one is correct?
  1. decree shall follow judgment
  2. judgment shall follow decree
  3. both of above
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রি এবং ২(৮) ধারায় রায়ের সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে। "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• ধারা ৩৩ঃ রায় ও ডিক্রি-
মোকদ্দমার শুনানির পর আদালত রায় ঘোষণা করবে এবং এরূপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদত্ত হবে।

Section 33: Judgment and decree-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment, and on such judgment a decree shall follow.
৯৪২.
আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এর অধীন ক্রোক করার পদ্ধতি কীভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. বিবাদির নির্দেশ অনুযায়ী
  2. নোটিশ জারি করার মাধ্যমে
  3. আদালতের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expresslyprovided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.
৯৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি?
  1. নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্ষমতা
  3. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. মোকদ্দমা পুনর্বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে চারটি প্রধান ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে:
- মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা (Clause a)
- মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause b)
- বিচার্য বিষয় গঠন ও সেগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause c)
- অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা এমন সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করার ক্ষমতা (Clause d)
 উপরোক্ত চারটি ক্ষমতার কোনো একটিও "নতুন মামলা গ্রহণ" করার ক্ষমতা নয়।
 "নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা" (Institution of suit) শুধু আদি আদালতের (Court of original jurisdiction) থাকে, আপীল আদালতের নয়।

→ অর্থাৎ আপীল আদালত পূর্বে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে বিচার ও পর্যালোচনার ক্ষমতা রাখে, কিন্তু নতুন মামলা গ্রহণ করার এখতিয়ার রাখে না।
তাই সঠিক উত্তর: ক) নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা।

 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার; 
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৯৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের জন্য কোন বিধি প্রযোজ্য?
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০-এর অধীনে রিসিভারের নিয়োগ ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
- আদেশ ৪০-এর বিধি ১-এ রিসিভার নিয়োগ এবং তার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- আর রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের বিষয়ে স্পষ্ট বিধান আছে আদেশ ৪০-এর বিধি ২-এ।
- এই বিধি অনুসারে, আদালত রিসিভারের সেবার জন্য পারিশ্রমিক সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে।
- অন্য কোনো বিধিতে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো আদেশ-৪০, বিধি-২।

- আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক: আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
- Order 40 Rule-2: Remuneration: The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৯৪৫.
কোন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমায় দ্বিতীয় রিভিশন করা যায়?
  1. জেলা জজ।
  2. যুগ্ন জেলা জজ।
  3. সিনিয়র সহকারি জজ।
  4. সহকারি জজ।
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, ধারা ১১৫(৪) আনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি সাপেক্ষে জেলা জজ কিংবা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
৯৪৬.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. আরজিতে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বাদী
  2. লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালত প্লিডিংস সত্যাখ্যান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

Order 6 Rule 15: Verification of pleadings-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৯৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) প্রদানের সময়সীমা গণনা শুরু হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. প্রথম শুনানির তারিখ থেকে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  4. উত্তর দাখিলের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।
- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।

প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
৯৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কোন আদালত "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না?
  1. দেওয়ানি আদালত
  2. ভূমি রাজস্ব আদালত
  3. কৃষিজমি সংক্রান্ত আদালত
  4. রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।l

উল্লিখিত প্রশ্নের "দেওয়ানি আদালত" "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৯৪৯.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কারোর বিরুদ্ধেই নয়
  2. ডিক্রি-দেনাদারের বন্ধুর বিরুদ্ধে
  3. ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
  4. খ ও গ উভয়ের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
৯৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধানসমূহের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
  2. অতিরিক্ত সময়সহ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে
  3. সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
  4. সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation),
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
৯৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে
  4. পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত পক্ষদের সম্মতিতে একটি ডিক্রি প্রদান করে, তবে ওই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। এর মানে হলো, যখন পক্ষসমূহ আদালতের কাছে তাদের সম্মতি দিয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় এবং আদালত সেই সম্মতিতে ডিক্রি প্রদান করে, তখন সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ডিক্রি (প্রশ্নের ক) এবং চূড়ান্ত ডিক্রি (প্রশ্নের খ) সম্পর্কিত বিধান অনুসারে, আপিল করা যায়। একতরফা ডিক্রি (প্রশ্নের গ) সম্পর্কেও আপিল করা সম্ভব, যদি ডিক্রি প্রাপ্ত পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকে।

তবে পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রি আপিলের জন্য যোগ্য নয়, কারণ এটি তাদের সম্মতির ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
৯৫২.
Who prescribes the form and dimensions of the court seal according to Section 16 of The Civil Courts Act, 1887?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The presiding Judge
  4. The District Judge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16- Seals of Courts:
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.

ধারা ১৬ – আদালতের সীল:
এই আইনের আওতায় প্রতিটি দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার এবং মাত্রার একটি সীল ব্যবহার করবে।

৯৫৩.
ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদেশ ২১, বিধি ১০ অনুসারে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিক্রিদানকারী আদালতে
  3. নির্ধারিত অফিসারের নিকট
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-১০: জারির নিমিত্তে আবেদন: 
ডিক্রি জারি করিতে ইচ্ছা করলে ডিক্রিদানকারী আদালতে কিংবা তৎপক্ষে নিয়োগকৃত অফিসারের (যদি কোন) নিকট অথবা ইতোপূর্বে তাতে বর্ণিত বিধানের অধীনে ভিন্ন আদালতে ডিক্রি প্রেরিত হয়ে থাকলে উক্ত আদালত বা উহার উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করবে।

Rule.-10: Application for execution:
Where the holder of a decree desires to execute it, he shall apply to the Court which passed the decree or to the officer (if any) apointed in this behalf, or if the decree has been sent under the provisions hereinbefore contained to another Court then to such Court or to the proper officer thereof.
৯৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারাটি Principle of Res judicata এর বিধান সম্পর্কিত?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১৫১ ধারা
  4. ১৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারা অনুসারে Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না ।
- একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
- The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
৯৫৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 30 (2) অনুযায়ী, যদি আপিল শুনানির সময় কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. এক-তরফা রায় দিবে
  2. আপিল মুলতবী রাখবে
  3. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 Order XLI, Rule 30 – রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত, উভয় পক্ষ বা তাদের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর এবং প্রয়োজন মনে করলে আপিলের কার্যবিবরণী অথবা যেই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সেই আদালতের কার্যবিবরণীর কোনো অংশের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার পর, উন্মুক্ত আদালতে (Open Court) রায় ঘোষণা করবে। এই রায় হয় সাথে সাথেই ঘোষণা করা যেতে পারে অথবা ভবিষ্যতের কোনো তারিখে ঘোষণা করা যেতে পারে—তবে সেই ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীকে আগে থেকে নোটিশ দিতে হবে।

(২) তবে উপ-নিয়ম (১)-এ যা বলা হয়েছে তার পরও, যদি শুনানির সময় কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যদি মনে করে যে নথিতে থাকা উপকরণগুলোই মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল নিষ্পত্তির জন্য যথেষ্ট, তবে সে ক্ষেত্রে আদালত উন্মুক্ত আদালতে সাথে সাথেই অথবা নির্ধারিত কোনো তারিখে রায় ঘোষণা করতে পারবে।

৯৫৬.
যদি কোন নাবালক নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা করে, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা স্থগিত করে
  2. মামলাটি মঞ্জুর করে
  3. মামলার শুনানি শুরু করে
  4. মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা নথি হতে অপসৃত করে দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ২ অনুযায়ী, যদি কোনো নাবালক (minor) নেকস্ট ফ্রেন্ড (next friend) ছাড়া মামলা দায়ের করে, তবে বিবাদী (opposite party) আদালতের কাছে আবেদন করতে পারে যেন সেই মামলা নথি হতে খরচসহ অপসৃত (struck off the record) করা হয়। কারণ, আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক নিজে এককভাবে বা স্বাধীনভাবে মামলা দায়ের করতে পারে না। নেকস্ট ফ্রেন্ড হল এমন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি, যে নাবালকের হয়ে তার স্বার্থ রক্ষায় মামলা করে।
সুতরাং, যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা হয়, তাহলে আদালত সেই মামলাকে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করবে না এবং প্রয়োজনীয় শুনানির পর মামলাটি নথি হতে বাদ দিয়ে দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-২ নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়া মামলা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসৃত হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলা কোন নেকস্ট ফ্রেন্ড ছাড়াই নাবালক কর্তৃক বা নাবলকের পক্ষে দায়ের হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদী উক্ত আরজি যে, উকি ব্যক্তি কর্তৃক দাখিল হয়েছিল, তার নিকট হতে মামলার খরচাসহ আরজিটি নথি হতে অপসৃত করার জন্য আবেদন করতে পারে।
(২) উক্ত আবেদন পত্রের নোটিশ উক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করতে হবে এবং আদালত তার আপত্তি (যদি থাকে) শবণের পর বিষয়টির উপর বিবেচনা মত সঙ্গত আদেশ দান করতে পারেন।
৯৫৭.
ধারা ৮৯ক (২) অনুযায়ী নিম্নের কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবেন না?
  1. অবসরপ্রাপ্ত বিচারক
  2. আদালত নিজে
  3. প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
  4. জেলা জজ কর্তৃক নিযুক্ত প্যানেলের সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
মধ্যস্থতাকারী: ৮৯ক (২) ধারা অনুযায়ী-

১. আদালত নিজে;
২. পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল বা উক্ত উকিল কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন উকিল যে উক্ত মোকদ্দমায় কোন পক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত হয়নি;
৩. অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারক;
8. জেলা জজ কর্তৃক তৈরীকৃত প্যানেল থেকে কোন একজন মধ্যস্থতাকারী;
৫. অন্যকোন ব্যক্তি যাকে তারা মধ্যস্থতাকারী হিসাবে উপযুক্ত মনে করে;
তবে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি মধ্যস্থতাকারী হতে পারবে না।
৯৫৮.
নিচের কোথায় দেওয়ানী কার্যবিধির রিভিউ সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৪১ আদেশ
  2. ৪৩ আদেশ
  3. ৪৫ আদেশ
  4. ৪৭ আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ আদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
---------
⇒ CPC Order-47 Rule-1.Application for review of judgment:
(1) Any person considering himself aggrieved−
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed, but from which no appeal has been preferred,
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed, or
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes, and who, from the discovery of new and important matter or evidence which, after the exercise of due diligence, was not within his knowledge or could not be produced by him at the time when the decree was passed or order made, or on account of some mistake or error apparent on the face of the record, or for any other sufficient reason, desires to obtain a review of the decree passed or order made against him, may apply for a review of judgment to the Court which passed the decree or made the order.

(2) A party who is not appealing from a decree or order may apply for a review of judgment notwithstanding the pendency of an appeal by same other party except where the ground of such appeal is common to the applicant and the appellant, or when, being respondent, he can present to the Appellate Court the case on which he applies for the review.
৯৫৯.
ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় করার আদেশ কোন আদালত প্রদান করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র স্মল কজ আদালত
  2. শুধুমাত্র উচ্চ আদালত
  3. শুধুমাত্র জেলা আদালত
  4. স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যেকোন আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule-82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৯৬০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ঘ এর অধীনে মধ্যস্থতার আবেদন গ্রহণ করলে, মোকদ্দমা কোন বিধানের অধীনে নিষ্পত্তি হবে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯খ
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক বা ধারা ৮৯গ
ব্যাখ্যা

Section 89D – Mediation সংক্রান্ত বিশেষ বিধান:
যে কোনো মোকদ্দমা বা আপিল, যা সিভিল প্রসিডিউর সংশোধন আইন, ২০১২ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই কোনো আদালতে বিচারাধীন ছিল- সেই মোকদ্দমার পক্ষগণ যদি একটি আবেদন দাখিল করে জানান যে তারা মধ্যস্থতার (mediation) মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আগ্রহী, তাহলে সেই মোকদ্দমা বা আপিল Section 89A অথবা Section 89C–এর বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

৯৬১.
দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে-
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।  দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না । 
♦ একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে  Principle of Res judicata আছে।  একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে ।
♦ অর্থাৎ Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
৯৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ১৪ এর বিধান কি?
  1. দলিল স্বীকার
  2. জবাবন্দী গ্রহণ
  3. দলিল আটক
  4. বিচার্য বিষয় গঠন
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় গঠন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধান হল বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং আইনগত বিচার্য বিষয় বা সম্মতিক্রমে বিচার্য বিষয় মোতাবেক মোকদ্দমার সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
⇒ যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ  দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
⇒ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
⇒  একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
⇒  বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় খ) আইনগত বিচার্য বিষয় ।
⇒ লিখিত জবাব দাখিলের ১৫ দিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং বিচার্য বিষয় প্রণয়নের ১২০ দিনের ভিতর চূড়ান্ত শুনানীর তারিখ নির্ধারন হবে।
৯৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী যদি সাক্ষী সমন অনুযায়ী হাজির হতে ব্যর্থ হন, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে শুধুমাত্র পরবর্তীতে সমন পাঠানো হবে।
  2. আদালত সাক্ষীকে শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করবেন।
  3. আদালত সাক্ষীর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবেন।
  4. আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত সাক্ষীকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা পাঠাতে পারেন।
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৬ বিধি-১০ মোতাবেক সাক্ষী সমন অমান্য করলে:
ক) আদালত উক্ত সাক্ষীর প্রতি হুলিয়া জারি করতে পারবেন। হুলিয়ার একটি কপি তার বাসগৃহে বা প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে দিতে হবে।
খ) গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং আদালত চাইলে সম্পত্তি ক্রোকাদেশ দিতে পারেন।
তবে স্বল্প এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত স্থাবর সম্পত্তি  ক্রোকের কোন আদেশ দিতে পারবেন না।  

→ যেখানে সাক্ষী সমন মান্য করতে অপারগ হয়, তখন আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে:
১. শপথনামার মাধ্যমে সমন জারীর সত্যতা যাচাই:
যদি সাক্ষী সমন মেনে হাজির হতে বা দলিল দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, এবং সমন জারি করা কর্মচারী শপথনামার মাধ্যমে তার সত্যতা প্রতিপন্ন না করে থাকে, তাহলে আদালত শপথনামার মাধ্যমে সেই কর্মচারীর জবানবন্দী গ্রহণ করবে বা অন্য আদালতের মাধ্যমে তা করাবে।
২. সাক্ষ্য বা দলিল দাখিলের জন্য ইশতেহার জারি:
যদি আদালত মনে করে যে, সাক্ষ্য বা দলিল দাখিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সাক্ষী আইনসঙ্গত কারণে না হাজির হয়ে থাকে বা ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়ায়, তাহলে আদালত সেই সাক্ষীকে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে হাজির করার জন্য ইশতেহার জারি করতে পারে। ইশতেহারের একটি কপি ওই ব্যক্তির বসবাসস্থানে বা অন্য কোন দৃশ্যমান স্থানে লটকাতে হবে।
৩. গ্রেফতার বা সম্পত্তি ক্রোক:
যদি ইশতেহার জারির পরেও ব্যক্তিটি হাজির না হন, তখন আদালত তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে এবং জামিন শর্তসহ বা জামিন ব্যতিরেকে তাকে গ্রেফতার করার আদেশ দিতে পারে। আদালত সেই ব্যক্তির কিছু সম্পত্তি ক্রোক করারও নির্দেশ দিতে পারে, তবে ১২ বিধির অধীনে প্রযোজ্য খরচ ও জরিমানার পরিমাণের উপরে তা হবে না। তবে, স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারবে না।
৯৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৩, বিধি-৫ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. আবেদনকারী যদি প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
  2. আবেদনকারী যদি মামলার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছায়।
  3. আবেদনকারীর অভিযোগ যদি নালিশের কারণ না দর্শায়।
  4. উপরের সবকটি।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, আদেশ ৩৩, বিধি ৫ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণগুলোর যেকোন একটি বিদ্যমান থাকলে আদালত নিঃসম্বল ব্যক্তি হিসাবে মামলা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করতে পারে:
১. আবেদনটি বিধি অনুযায়ী গঠিত না হলে বা সঠিকভাবে দাখিল না হলে।
২. আবেদনকারী প্রকৃতপক্ষে নিঃসম্বল ব্যক্তি না হলে।
৩. আবেদনকারী প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকলে।
৪. আবেদনকারীর অভিযোগ কোনো নালিশের কারণ না দর্শালে।
৫. আবেদনকারী মামলার বিষয়বস্তুর উপর এমন কোনো চুক্তিতে পৌঁছে থাকলে, যার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তি সেই বিষয়ে স্বার্থবান হয়।
- এই সবগুলো ক্ষেত্রই আদালতের পক্ষ থেকে আবেদন প্রত্যাখ্যান করার যথাযথ ভিত্তি।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-33 Rule-5.Rejection of application:
The Court shall reject an application for permission to sue as a pauper-
(a) where it is not framed and presented in the manner prescribed by rules 2 and 3, or
(b) where the applicant is not a pauper, or
(c) where he has, within two months next before the presentation of the application, disposed of any property fraudulently or in order to be able to apply for permission to sue as a pauper, or
(d) where his allegations do not show a cause of action, or
(e) where he has entered into any agreement with reference to the subject-matter of the proposed suit under which any other person has obtained an interest in such subject-matter.
৯৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে মোকদ্দমা প্রত্যাহার বা দাবির আংশিক পরিত্যাগের বিধান রয়েছে- 
  1. আদেশ ১২, বিধি ১০
  2. আদেশ ২৩, বিধি ১ 
  3. আদেশ ২১, বিধি ১১
  4. আদেশ ২৫, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩, বিধি ১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩, বিধি ১ 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ২৩, বিধি ১-এ "Withdrawal of suit or abandonment of part of claim" সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, মোকদ্দমা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী সকল বা যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

৯৬৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারার ক্ষমতাবলে একটি দেওয়ানি আদালত কোনো পদ্ধতিগত কাজের জন্য নির্ধারিত সময় বর্ধিত করতে পারেন?
  1. ১৪৭ ধারায়
  2. ১৪৮ ধারায়
  3. ১৪৯ ধারায়
  4. ১৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮: ধারা ১৪৮- সময় বাড়ানো:
যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে, তবুও আদালত পরবর্তীতে নিজের বিবেচনা অনুযায়ী সেই সময়সীমা বাড়াতে পারবে।

Section 148- Enlargement of time:
Where any period is fixed or granted by the Court for the doing of any act prescribed or allowed by this Code, the Court may, in its discretion, from time to time, enlarge such period, even though the period originally fixed or granted may have expired.

এই বিধানের উদ্দেশ্য হল বিচারকার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আদালতকে সুযোগ দেওয়া। কারণ প্রতিটি মামলার পরিস্থিতি একইরকম না হওয়ায় আদালতকে প্রয়োজনীয় সময়সীমা নির্ধারণের জন্য নমনীয়তা রাখা উচিত। তবে এই ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বাঁচতে আদালতকে সতর্ক থাকতে হবে।
৯৬৭.
স্মল কজ কোর্ট কোন আদালতের অধস্তন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা আদালত
  3. রাজস্ব আদালত
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।

Section-3: Subordination of Courts:
-For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
৯৬৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ ৩৯, বিধি ৭ কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার ফি নির্ধারণ
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বাস্তবায়ন
  4. মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞা জারি
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

৯৬৯.
'ক' এর ২ শতক জমি মাগুরায় ও ১ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৩ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোর সহকারি জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে, 'খ' উক্ত মোকদ্দমা মাগুরা সহকারি জজ আদালতে স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. মাগুরা জেলা জজ আদালতে
  3. যশোর জেলা জজ আদালতে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয়, তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.

প্রশ্নে উল্লিখিত যশোর সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হবে যশোর জেলা জজ আদালত এবং মাগুরা সহকারি জজ আদালতের আপিল আদালত হচ্ছে মাগুরা জেলা জজ আদালত। আদালতসমূহ ভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীন বিধায় হাইকোর্ট ডিভিশনে স্থানান্তরের আবেদন পেশ করতে হবে।
৯৭০.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ৫০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ৫০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এখানে কে,কার বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে
  2. 'ক','খ' এর বিরুদ্ধে
  3. পারস্পরিক অপরিশোধযোগ্য
  4. আদালত উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
'খ','ক' এর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ','ক' এর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার হলে সেই মোকদ্দমায় সেট-অফের দাবি যাবে।এক্ষেত্রে বিবাদী,বাদীর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারে। উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' বাদী এবং 'খ' বিবাদী। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে সেট অফ দাবি করতে পারবে

• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-

i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;

ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;

iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;

iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না; 

v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৯৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে?
  1. ৭৯
  2. ৮০
  3. ৮১
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৯৭২.
পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ হলে নাম পরিবর্তন, কর্তন বা যুক্তকরণের আবেদন করতে হয়ে-
  1. ১ আদেশের ১০ বিধিতে
  2. ১ আদেশের ১২ বিধিতে
  3. ১ আদেশের ১১ বিধিতে
  4. ১ আদেশের ৯ বিধিতে
সঠিক উত্তর:
১ আদেশের ১০ বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ আদেশের ১০ বিধিতে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির ১ আদেশের ১০ বিধি মতে- আদালত মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে বা আদালত নিজেই কোন বাদী বাবিবাদীর নাম পরিবর্তন, কর্তন বা সংযোজন করতে পারেন। উল্লেখ্য পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগের ফলে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না।
৯৭৩.
দেওয়ানি আদালতের নির্দেশে কোনো আটককৃত দলিল কার হেফাজতে রাখা হয়?
  1. পুলিশের
  2. বাদী পক্ষের
  3. আদালতের কোন অফিসারের
  4. শুধুমাত্র বিচারকের নিজ হেফাজতে রাখা যায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন অফিসারের
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে:
এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।

Rule.-8: Court may order any document to be impounded- 
Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit.
৯৭৪.
অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যাখ্যান Verification অংশে কার দস্তখত থাকবে?
  1. এ্যাডভোকেট
  2. এ্যাডভোকেটের মোহরির
  3. যে কোন ব্যক্তি
  4. জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৫ নং বিধিতে প্লিডিংস সত্যাখ্যানের (Verification of pleadings) বিধান রয়েছে। ১৫ নং বিধিমতে প্রত্যেক Pleadigns-এর শেষে সংশ্লিষ্ট পক্ষ অর্থাৎ আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী সত্যপাঠে স্বাক্ষর করবে, যাকে প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন (Verification of pleadigns) বলে। অর্থাৎ আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখান বা সত্যতা প্রতিপাদন করবে।
♦ আদেশ ৬, বিধি ১৫ তে এই বিষয়ে বলা আছে। …every pleading shall be verified at the foot by the party or one of the parties….”
♦ আরজির সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি তাতে একেবারে শেষে স্বাক্ষর দিবেন এবং স্বাক্ষরে তারিখ ও স্থান উল্লেখ করবেন ।
৯৭৫.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. পক্ষগণকে জরিমানা দিতে হবে
  2. মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. একই বিচারক মামলার শুনানি চালিয়ে যাবেন
  4. মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯এ(৯) অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা (Mediation) করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে একই বিচারক, যিনি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, মামলার শুনানি চালিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে, মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে (Competent Jurisdiction) শুনানির জন্য পাঠানো হবে। এটি নিশ্চিত করে যে মামলার শুনানি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয় এবং মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(9) When a mediation initiative led by the Court itself fails to resolve the dispute or disputes in the suit, the same court shall not hear the suit, if the Court continues to be presided by the same judge who led the mediation initiative; and in that instance, the suit shall be heard by another court of competent jurisdiction.

৯৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Enforcement of decree against legal representative' এর বিধান আছে?
  1. ৫১
  2. ৫২
  3. ৫৩
  4. ৫৪
সঠিক উত্তর:
৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.

(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
৯৭৭.
আদেশ ৩৯ বিধি ৬ এর অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের বিধান কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

৯৭৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারায় কোন ধরনের ডিক্রির কথা উল্লেখ আছে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক বা চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে:
১। প্রাথমিক ডিক্রি;
২। চূড়ান্ত ডিক্রি;
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি।
৯৭৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ১০ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে আদালত পার্ট-ফাইল ব্যবহার করে ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. যখন পুলিশ তদন্তে ব্যর্থ হয়
  2. যখন মামলা থানায় দায়ের করা হয়
  3. যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
  4. যখন রেকর্ড পক্ষদ্বয় দ্বারা চাওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ড আপিল আদালত দ্বারা চাওয়া হয়
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: আদেশ ২১ বিধি ১০৪: সরাসরি ডিক্রি কার্যকর করা:
(১) এই কোড বা অন্য কোনো চলমান আইন যা-ই বলবৎ থাকুক না কেন, আদালত, তামাদি আইনের সীমার মধ্যে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে:
- সেই মামলার রেকর্ডে, যেখানে ডিক্রি (decree) দেওয়া হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আবেদন; অথবা,
- যদি রেকর্ড আপিল বা রিভিশন আদালত দ্বারা চাওয়া হয়, তবে এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুত পার্ট-ফাইলে আবেদন করা যেতে পারে।
আদালত তখন তৎক্ষণাৎ ডিক্রি কার্যকর করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যেখানে ডিক্রিধারী (decree-holder) বা ডিক্রি অনুযায়ী বিক্রি হওয়া সম্পত্তির ক্রেতা সম্পত্তির দখল নিতে গেলে মুল মামলার পক্ষ বা অন্য কোনো ব্যক্তি বাধা বা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে, এবং আদালত এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে ডিক্রিধারী বা ক্রেতার আবেদন অনুযায়ী আদালত যে কোনও ব্যক্তিকে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য দায়িত্ব দেবে এবং প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবহার করে ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান নিশ্চিত করতে পারে।

৯৮০.
কোন আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী আদালতসমূহ:

ক) জেলা  জজ আদালত;
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত;
গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
ঙ) সহকারী জজ আদালত।

দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার:

ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি  টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।


গ) যুগ্ম জেলা জজ-  
১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পঁচিশ লক্ষ টাকা থেকে  অসীম,
২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,
৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পঁচিশ  লক্ষ টাকা পর্যন্ত,   
ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।

অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা হয় না, শুধুমাত্র জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার হয়ে থাকে।
৯৮১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন আদেশ বলে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত হওয়া যায়?
  1. Order 1
  2. Order 2
  3. Order 5
  4. Order 10
সঠিক উত্তর:
Order 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 1
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১ বিধি-৮ একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মোকদ্দমা করতে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে (One person may sue or defend on behalf of all in same interest ): যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় বহু সংখ্যক লোকের একই স্বার্থ থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করতে বা মোকদ্দমায় বিবাদী হতে পারে।
♦ এক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যক্তিগত জারির মাধ্যমে নোটিশ দিবেন। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অধিক হলে এভাবে নোটিশ জারি যুক্তিসঙ্গত হবে না। তখন গণ বিজ্ঞপ্তি দেয়া যাবে।
৯৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে কী দেখাতে হবে?
  1. বাদীর স্বার্থ ও দাবি
  2. আদালতের এখতিয়ার
  3. বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
  4. বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য না
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter, and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
৯৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ কোন বিষয়ে বিধান প্রদান করে?
  1. ডিক্রি কার্যকরকরণ
  2. গ্রেফতার ও কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
  4. পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ এবং দেউলিয়াত্ব
সঠিক উত্তর:
পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ এবং দেউলিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষের মৃত্যু, বিবাহ এবং দেউলিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) “Death, Marriage and Insolvency of Parties” বিষয়ক বিধানসমূহ নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ মৃত্যু: মামলার চলাকালীন বাদী বা বিবাদী মারা গেলে, যদি মামলা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার (right to sue) থাকে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি মামলায় যুক্ত হয়ে মামলা চালাতে পারেন।
বিবাহ: কোনো নারী পক্ষ বিবাহিত হলে মামলার অবস্থা বদলায় না; মামলা চলতে থাকে।
দেউলিয়াত্ব: কোনো পক্ষ দেউলিয়া হলে, তার পক্ষে receiver বা assignee মামলা চালাতে পারে।
- এই আদেশ মামলার ধারাবাহিকতা রক্ষা করে, যাতে পক্ষের ব্যক্তিগত পরিবর্তনের কারণে মামলা বাতিল না হয়।
- তাই, আদেশ-২২ মূলত মৃত্যু, বিবাহ ও দেউলিয়াত্ব জনিত পরিস্থিতিতে মামলা কিভাবে পরিচালিত হবে তা নির্ধারণ করে।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ দেওয়ানি মামলার চলাকালীন সময় কোনো পক্ষ (plaintiff বা defendant) যদি মৃত্যুবরণ করেন, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন (বিশেষত মহিলা পক্ষের ক্ষেত্রে), কিংবা দেউলিয়া (insolvent) হয়ে পড়েন, সে ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম কিভাবে পরিচালিত হবে তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908)-এর আদেশ-২২ (Order XXII) এ "Death, Marriage and Insolvency of Parties" সংক্রান্ত বিধানসমূহ অন্তর্ভুক্ত আছে।
৯৮৪.
চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচারের পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ নিম্নের কোন পদক্ষেপ নিতে পারবে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
  2. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন
  3. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিউ
  4. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৭ ধারানুযায়ী, প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান:
প্রাথমিক ডিক্রিতে যে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হলে তখন উক্ত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রির যথার্থতা/বৈধতা অস্বীকার করা যাবে না।
- অর্থাৎ প্রাথমিক ডিক্রি দেওয়া হলে, প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা না হলে- যখন চূড়ান্ত ডিক্রি দেওয়া হবে তখন প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না অথবা চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হলেও প্রাথমিক ডিক্রির বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

- এ ধারার সারমর্ম হচ্ছে-
প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রি উভয় ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল না করলে চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলে প্রাথমিক ডিক্রি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
---------------
⇒ CPC Section-97. Appeal from final decree where no appeal from preliminary decree:
 - Where any party aggrieved by a preliminary decree passed after the commencement of this Code does not appeal from such decree, he shall be precluded from disputing its correctness in any appeal which may be preferred from the final decree.
৯৮৫.
কোন মামলায় আদালত রায়ের গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. বাটোয়ারার মামলায়
  2. নিষেধাজ্ঞার মামলায়
  3. ফোরক্লোজারের মামলায়
  4. অর্থ মামলায়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মামলায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশ অনুযায়ী বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ কোন স্থাবর সম্পত্তি বা ভূমি সংক্রান্ত মোকদ্দমায় যেমন বাটোয়ারা, নিষেধাজ্ঞার মামলা, ফোরক্লোজার বা বন্ধকী সম্পত্তির জামানত ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে মঞ্জুর করা যায় না। কিন্তু অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদীকে রায়ের পূর্বে আটকের আদেশ আদালত মঞ্জুর করতে পারে।
৯৮৬.
আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে বাদীকে কী দেখাতে হবে?
  1. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর কোনো স্বার্থ নেই
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে শুধুমাত্র বাদীর স্বার্থ আছে
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থ আছে
  4. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য না
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থ আছে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বিবাদীর দাবীর উত্তর দিতে বাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter,and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
৯৮৭.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?
  1. আরজি ফেরৎ
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলার খারিজ
  4. মামলা চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী- আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত আরিজ নাকচ করবেন। ভুল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত আরজি ফেরত দেয়। আরজি খারিজ ও মামলা খারিজ একই বিষয় নয়। উল্লেখ্য যে, আরজি খারিজ বা নাকচ হলেও নির্দিষ্ট ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় আরজি পেশ করা যায়। শুনানীর দিন পক্ষগণের অনুপস্থিতির কারণে বা সমন জারি না হওয়ার কারণে মামলা খারিজ হতে পারে।
♦ আরজিতে প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান কম করা হলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হলে, আদালত উক্ত ক্ষেত্রে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিবে না বরং প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান সংশোধন করতে এবং আরজি প্রয়োজনীয় কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন করার জন্য ২১ দিন সময় দিবে। যদি উক্ত ২১ দিনের মধ্যে বাদী এমন আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদিকে আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে', প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য আদালত বাদীকে ২১ দিন সময় দিবে। বাদী ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে। কিন্তু আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে, আদালত আরজি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
৯৮৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ এর নীতি কী নামে পরিচিত?
  1. Res Judicata
  2. Res Sub Judice
  3. Res Nullius
  4. Res Gestae
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Stay of Suit) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারার নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত। এই নীতি অনুসারে, যদি একই বিষয় এবং একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত একটি মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলার বিচার স্থগিত রাখা হবে, যতক্ষণ না পূর্ববর্তী মামলার নিষ্পত্তি হয়। এর উদ্দেশ্য হলো একই বিষয়ে একাধিক মামলার বিচারের ফলে বিচারিক দ্বন্দ্ব বা অসঙ্গতি রোধ করা।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এর নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত, যা মোকদ্দমা স্থগিতকরণের বিষয়ে বর্ণনা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Res Sub Judice.

৯৮৯.
অনধিক ৫০ টাকার ডিক্রি জারিতে একজন ব্যক্তিকে আটক রাখা যাবে-
  1. ২ সপ্তাহ
  2. ৩ সপ্তাহ
  3. ৫ সপ্তাহ
  4. ৬ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার বিধান আটক ও মুক্তি (Detention and release);

♦৫০ টাকার বেশি পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে ৬ মাসের বেশি দেওয়ানি জেলে আটক রাখা যাবে না; এবং ৫০ টাকার কম হলে সে ক্ষেত্রে ৬ সপ্তাহের বেশি আটক রাখা যাবে না।

♦যে ডিক্রি জারিতে ডিক্রি দায়িক আটক থেকে মুক্তি পেয়েছেন, সেই বিষয়ে তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা যাবে না।
৯৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ অনুসারে, যদি ডিক্রি-দায়িক ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া বাধা দেয়, আদালত কী করবে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. নতুন ডিক্রি জারি করবে
  3. আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীকে সম্পত্তির দখলে রাখার নির্দেশ দিবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮- দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান:
ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

৯৯১.
সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন প্রথম কত সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৯১ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

৯৯২.
মামলার শুনানি শেষে আদালত কী প্রদান করে?
  1. রায়
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. অভিযোগপত্র
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,
কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।

Section 33- Judgment and decree:
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment and on such judgment a decree shall follow.
৯৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান উল্লেখ আছে?
  1. স্থানীয় সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. ফৌজদারি সমন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারা- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons:
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
৯৯৪.
বাদী আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  2. মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. ক বা খ
  4. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল- [আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) এবং ১(৪) বিধি]

⇒ ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;

⇒ আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।
৯৯৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির Order XXI-এর কোন বিধি (Rule) তে "Execution in case of Cross-claims under same decree" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে? 
  1. Rule-11
  2. Rule-19
  3. Rule-26
  4. Rule-35
সঠিক উত্তর:
Rule-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-19
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর Order XXI ডিক্রি ও আদেশের জারি (Execution) সম্পর্কিত বিধান প্রদান করে। এই আদেশের Rule 19-এ একই ডিক্রির অধীনে দুই পক্ষ পরস্পরের নিকট অর্থ পাওয়ার দাবির (Cross-claims) ক্ষেত্রে কিভাবে জারি কার্য পরিচালিত হবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ পাল্টা দাবী (Cross claims)- ২১ নং আদেশের ১৯ নং বিধি অনুযায়ী, যে ডিক্রি অনুসারে দুইপক্ষ পরষ্পরের নিকট টাকা আদায়ের অধিকার লাভ করে, সেই ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করা হলে, তখন-
ⅰ)যদি দুটি অংক সমান হয়, তবে উভয়টির পরিতুষ্টি ডিক্রির উপর লিখতে হবে; এবং
ii) যদি দুটি অংক অসমান হয়, তবে যে পক্ষ বৃহত্তর পরিমাণ অংকের অধিকারী, ঐ পক্ষ ক্ষুদ্রতর অংশ বাদে শুধু অবশিষ্ট অংকের টাকার জন্য ডিক্রি জারি করাতে পারবে এবং ক্ষুদ্রতর অংকের জন্য ডিক্রিতে পরিতুষ্টির বিষয়টি লিপিবদ্ধ করতে হবে।
⇒ পাল্টা ডিক্রির (Cross Decrees) ক্ষেত্রে প্রথম দুটি মামলায় দুইটি ডিক্রি একসাথে জারি করা হয়। অন্যদিকে পাল্টা দাবীর (Cross Claims) ক্ষেত্রে একই মামলায় বাদী-বিবাদীর পাল্টা দাবির ডিক্রি জারি করা হয়।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-21 Rule-19. Execution in case of cross-claims under same decree:
Where application is made to a Court for the execution of a decree under which two parties are entitled to recover sums of money from each other, then−
(a) if the two sums are equal, satisfaction for both shall be entered upon the decree; and,
(b) if the two sums are unequal, execution may be taken out only by the party entitled to the larger sum and for so much only as remains after deducting the smaller sum, and satisfaction for the smaller sum shall be entered upon the decree.
৯৯৬.
আদেশ ২৩ বিধি-১ অনুযায়ী, কতিপয় বাদীর মধ্যে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহারের অনুমতি আদালত-
  1. দিতে পারে
  2. দিতে পারে না
  3. শুধু বিশেষ ক্ষেত্রে পারে
  4. আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:

১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্যবাদিকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে,সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদিকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদির উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদি মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদির মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

Rule-1: Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.-
1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

2) Where the Court is satisfied-
a) that a suit must fail by reason of some formal defect, or
b) that there are other sufficient grounds for allowing the plantiff to institute afresh suit for the subject-matter of a suit or part of a claim,it may, on such terms as it thinks fit, grant the plaintiff permission to withdraw from such suit or abandon such part of a claim with liberty to institute a fresh suit in respect of the subject-matter of such suit or such part of a claim.

3) Where the plaintiff withdraws from a suit, or abandons part of a claim, without the permission referred to in sub-rule (2), he shall be liable for such costs as the Court may award and shall be precluded from instituting any fresh suit in respect of such subject-matter or such part art of the claim.

4) Nothing in this rule shall be deemed to authorise the Court to permit one of several plaintiffs to withdraw without the consent of the others.
৯৯৭.
দেওয়ানি মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো আদালতে
  2. এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে
  3. এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ধারা ১৫ অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমা, বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
৯৯৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমার রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
৯৯৯.
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে, কত দিনের মধ্যে কর্তনের জন্য আবেদন করতে হয়?
  1. ১০ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে।বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবেনা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• ১১ নং আদেশ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-

কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

[Rule.-7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.]
১,০০০.
আদালত কার আবেদনের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. আদালতের স্বপ্রণোদিত সিদ্ধান্তে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  3. সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. সম্পত্তিতে স্বার্থ আছে এরকম ৩য় কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোনো পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.