বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

মোট প্রশ্ন৯৩৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ও তফসিল

PrepBank · পাতা / ১০ · ১০০ / ৯৩৬

.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ কে করে থাকেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ:
⇒ সংবিধানের ৫৬নং অনুচ্ছেদের ২নং দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।
- ৫৬ (৩)নং দফা অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

- মন্ত্রীসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে।
- মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি।
.
সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সকল নাগরিকের চাকুরি লাভের সুযোগ
  2. সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
  3. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
ব্যাখ্যা

• সংবিধান: 
- সংবিধানের ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবেন।

এছাড়াও -
- রাষ্ট্রপতির অভিসংশন - ৫২ নং অনুচ্ছেদ।
- সুপ্রিম কোর্টের গঠন - ৯৪ নং অনুচ্ছেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে, ’জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা’ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৪ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৪ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- ২৪ নং অনুচ্ছেদে, জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
------------------------------------------------
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাদ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ সমাবেশেরে স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭ নং
  2. ১৩৮ নং
  3. ১৩৯ নং
  4. ১৪০ নং
সঠিক উত্তর:
১৩৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

সংবিধানের -
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
-  ১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২২
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন,
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

.
"প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবেন" - এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ৪ (ক)
  2. অনুচ্ছেদ - ৩
  3. অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ - ২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২ (ক)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- সংবিধানের ২ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবে। 

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ৪ক - জাতির পিতার প্রতিকৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৪ - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক। 
অনুচ্ছেদ ৩ - রাষ্ট্রভাষা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের নির্দেশনা আছে?
  1. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে সর্বোচ্চ আদালত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রায় দেন।
- বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করতে দেওয়া রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৩ নং: জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ নং: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
.
'কাস্টিং ভোট' বলতে কী বোঝায়?
  1. স্পিকারের ভোট
  2. স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ভোট
  3. দুই তৃতীয়াংশ ভোট
  4. এক দশমাংশ ভোট
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট: (Casting Vote):
​- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী: ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”
​- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন। একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১১.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’সংবিধান সংশোধন’ সংবলিত?
  1. সপ্তম অধ্যায়
  2. দশম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. একাদশ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দশম অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৯
  4. অনুচ্ছেদ ২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, কার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কমপক্ষে ১৮ বয়স প্রয়োজন হয়?
  1. ১২২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১২২। (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

• অন্যদিকে:
- ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব। 
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা। 
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪ (১) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়।

সুপ্রিম কোর্ট:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
         iii) ১৮ ডিসেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
১৬.
নিম্নের কোন তফসিলৎ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশাল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৩৪নং
  2. ৩১নং
  3. ৩৬নং
  4. ২৯নং
সঠিক উত্তর:
৩৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়াও,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'?
  1. ৫২ নং 
  2. ৫৩ নং
  3. ৫৪ নং
  4. ৫৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ১ম অনুচ্ছেদের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'
• ৫৪। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫৫ নং অনুচ্ছেদ: মন্ত্রিসভা। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৯.
জাতীয় নির্বাচন সংবিধানের কত নং অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র
দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার
চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ
পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা
ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ
সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন
একাদশ অধ্যায় - বিবিধ

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদের মধ্যে 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার'- এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯নং
  2. ১১ নং
  3. ১০ নং
  4. ১২ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মূলনীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ: মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।'
• সমাজতন্ত্র: মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।'
• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: সংবিধানের  ১১ নং  অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।
• ধর্ম নিরপেক্ষতা: সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।'

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. ৪৮ নং
  2. ৫৫ নং
  3. ৫৮ নং
  4. ৬২ নং
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা -
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- ৫৫ (২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
- ৫৫ (৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
- ৫৫ (৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
- ৫৫ (৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
- ৫৫ (৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

এছাড়া,
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ৫৮ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রীগণের পদের মেয়াদ।
- ৬২ নং অনুচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২২.
সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮-২৩
  2. অনুচ্ছেদ ৯-২৪
  3. অনুচ্ছেদ ৮-২৫
  4. অনুচ্ছেদ ৭-২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৮-২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ (৮-২৫)।
৮৷ মূলনীতিসমূহ;
৯। জাতীয়তাবাদ;
১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
১১৷ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
১৩৷ মালিকানার নীতি;
১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
১৬৷ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
১৭৷ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 
১৯৷ সুযোগের সমতা।
২০৷ অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
২১৷ নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
২২৷ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
২৩৷ জাতীয় সংস্কৃতি।
২৩ক। উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
২৪৷ জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
২৫৷ আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৩.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী কে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪.
'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৮
  2. অনুচ্ছেদ ২৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ২৯ 
  4. অনুচ্ছেদ ২৫ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা- 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০ - বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদে ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেল ৭(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(খ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৭খ: 
- সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

• ৭খ অনুচ্ছেদের বিস্তারিত:
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উল্লেখ্য,
৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়ার বিধানটি বর্ণিত আছে?
  1. ৬৬ নং
  2. ৬৭ নং
  3. ৭০ নং
  4. ৭৭ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

• ৭০ নং অনুচ্ছেদ:
- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া -
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া,
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ: ন্যায়পাল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ বর্ণিত আছে?
  1. ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩(ক) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি'র বিষয়টি বর্ণিত আছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ক নং: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৮.
নিম্নের বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৬
  2. অনুচ্ছেদ ৫৭
  3. অনুচ্ছেদ ৫৮
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৯
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯ এ স্থানীয় শাসন এবং ৬০- এ স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন-
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।
(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক একাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(ক) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

অন্যদিকে, উল্লিখিত অনুচ্ছেদসমূহের বিষয়বস্তু:
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ;
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ;
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "সকল শিশুর জন্য অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা" উল্লেখ করা হয়েছে-
  1. ১৮ অনুচ্ছেদ 
  2. ১৯ অনুচ্ছেদ 
  3. ১৫ অনুচ্ছেদ 
  4. ১৭ অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১৭ অনুচ্ছেদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশনের উল্লেখ করেছে?
  1. ৭২নং অনুচ্ছেদ
  2. ৭৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ৭৪নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭৫নং অনুচ্ছেদ
  5. ৭৬নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৭২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

তথযসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১.
'অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন' সংবিধানের কোন তফসিলে বর্ণিত আছে?
  1. ২য়
  2. ৫ম
  3. ৪র্থ
  4. ১ম
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৩২.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সাম্য
  2. মানবিক মর্যাদা
  3. বহুত্ববাদ
  4. ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় ধর্মনিরপেক্ষতা।

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৮(১) অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি। যথা: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- এই চারটি মূলনীতিকে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

• জাতীয়তাবাদ: ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি,(অনুচ্ছেদ ৯)।
• সমাজতন্ত্র: মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হল রাষ্ট্রের লক্ষ্য, (অনুচ্ছেদ ১০)।
• গণতন্ত্র: প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, (অনুচ্ছেদ ১১)।
• ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেওয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিপীড়নের অবসান, (অনুচ্ছেদ ১২)।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন বর্তমান সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতির পরিবর্তে নতুন মূলনীতি হিসেবে 'সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র'র কথা সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) BBC.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩২
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৩
  3. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে: 

(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৩৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ 'নির্বাচন কমিশন' গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।

অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ কথা উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১২১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১২২
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ১২১; প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

নির্বাচন:
১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
১২৩। নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়;
১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা;
১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা;
১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের কথা সংবিধানে উল্লেখ আছে –
  1. ৩ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭খ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৮.
Which articles of the constitution mention about 'Annual Financial Statement'?
  1. 27
  2. 39
  3. 43
  4. 87
সঠিক উত্তর:
87
উত্তর
সঠিক উত্তর:
87
ব্যাখ্যা
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ নং অনুচ্ছেদ বাজেটকে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি' নামে বর্ণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হতে ব্যয় করা হবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, প্রদর্শিত হবে এবং অন্যান্য ব্যয় হতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করে প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ নং অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, 'রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতা রক্ষার অধিকার থাকিবে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯.
'সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৭(১)
  2. ৭(২)
  3. ৭(ক)
  4. ৭(খ)
সঠিক উত্তর:
৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭(২)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
- ৭(১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে ৷

- ৭(২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে ।

উল্লেখ্য,
- অনুচ্ছেদ ০৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ০৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭১
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ ৭৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭২
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩(ক) - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১ - অর্থবিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১.
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

-সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

-সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

-সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা' নাগরিকের কর্তব্য নয়। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষা করা ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪২.
কোনটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গণতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র
  3. সমঅধিকার
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
সমঅধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঅধিকার
ব্যাখ্যা
• 'সমঅধিকার' - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮ নং অনুচ্ছেদে ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।

এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য ঘোষণা হবে?
  1. জাতীয় সংসদের সদস্যপদ হারালে
  2. অনাস্থা প্রস্তাবে পরাজিত হলে
  3. মৃত্যুবরণ করলে অথবা পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৫৭: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ খালি হবে যদি—
(ক) তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ সদস্য না থাকেন।

(২) যদি প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তবে তাঁকে হয় পদত্যাগ করতে হবে, নয়তো সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এভাবে পরামর্শ দিলে, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেবেন যদি তিনি নিশ্চিত হন যে সংসদের আর কোনো সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা অর্জন করতে পারবেন না।

(৩) নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজের পদে বহাল থাকবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৪.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'সমাবেশের স্বাধীনতা’ কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ৩৬ নং
  3. ৩৭ নং
  4. ৩৪ নং
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
ব্যাখ্যা

- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

 • সমাবেশের স্বাধীনতা:
 - ৩৭ নং অনুচ্ছেদে,  জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

 • কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
 - ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
 - ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
 - ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
 - ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
 - ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
 - ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
 - ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
 - ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
 - ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
 - ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৪৫.
সংবিধানের ৮৭নং অনুচ্ছেদে কী উল্লেখ রয়েছে?
  1. আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি
  2. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
  3. সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
  4. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।

• সংবিধানের ৮০নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

• সংবিধানের ৮১নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- অর্থবিল।

• সংবিধানের ৮২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।

• সংবিধানের ৮৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।

• সংবিধানের ৮৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব।

• সংবিধানের ৮৫নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।

• সংবিধানের ৮৬নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।

• সংবিধানের ৮৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

• সংবিধানের ৮৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়।

• সংবিধানের ৮৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি বলে গণ্য হবে?
  1. ৫ নং
  2. ৭ নং
  3. ৩ নং
  4. ৬ নং
সঠিক উত্তর:
৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ নং
ব্যাখ্যা
• ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ।
• ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।
• ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।
• ৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি, ও নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৭.
সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র কী নিশ্চিত করবে?
  1. ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব
  3. বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা

২২নং অনুচ্ছেদ: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ- 
- রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন। 

অন্যদিকে: 
- ১২নং অনুচ্ছেদ : ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ৩৬নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৪১নং অনুচ্ছেদ : ধর্মীয় স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪৮.
’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের কোন  অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৮ নং
  2. ১৪ নং
  3. ২১ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
• ’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
সংবিধানের ২৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - মূলনীতিসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৮ (ক): 
-  ″রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।″

- এই অনুচ্ছেদটি দ্বারা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্দেশ করে। 
- অর্থাৎ, বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা যেমন পরিবেশ ব্যবহার করছে, সেইসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুস্থ পরিবেশে বাঁচার সুযোগ রাষ্ট্রকে  নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি
- অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫০.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের ব্যাখ্যা' দেওয়া আছে -
  1. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে “অধিবেশন” ( সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হইবার বা ভাঙ্গিয়া যাইবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হইতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভাঙ্গিয়া যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫১.
সাধারণ নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ আহ্বান করতে হয়?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের অধিবেশন:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশন নিয়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বলা হয়েছে:
⇒ ১. রাষ্ট্রপতি সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত এবং ভঙ্গ করবেন। তিনি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।
→ তবে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেওয়া যাবে না।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করবেন।
⇒ ২. সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের বৈঠক আহ্বান করতে হবে।
⇒ ৩. প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর পর সংসদ ভেঙে যাবে, যদি রাষ্ট্রপতি আগে না ভাঙেন।
→ তবে, যুদ্ধে লিপ্ত থাকলে সংসদের মেয়াদ একবারে সর্বোচ্চ ১ বছর বাড়ানো যাবে এবং যুদ্ধ শেষে এই মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হবে না।
→ সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর যদি রাষ্ট্রপতি মনে করেন যুদ্ধাবস্থার কারণে সংসদ পুনরায় আহ্বান করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনরায় আহ্বান করতে পারেন।
→ সংসদের বৈঠকগুলো কার্যপ্রণালী-বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’ন্যায়পাল’ কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬নং
  2. ৭৭নং
  3. ১২৭নং
  4. ১৩৭নং
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
ব্যাখ্যা

• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
- ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদ;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদ।
-  মন্ত্রিগণ: ৫৬ নং অনুচ্ছেদ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদের আসন কখন শূন্য হবে?
  1. একাদিক্রমে নব্বই কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে
  2. স্পীকারের নিকট পত্রযোগে পদত্যাগ করলে
  3. সংসদ ভেঙে গেলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি -
- (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভেঙে যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
- ৬৭ (২) নং অনুচ্ছেদ- কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৮ অনুচ্ছেদ
  2. ৫৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৬৯ অনুচ্ছেদ
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫৯ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত মৌলিক বিধান দেওয়া হয়েছে।

সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃনমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য স্থানীয় সরকারকে প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং একই সাথে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে ৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ এবং ৬০)।
- এসব অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা ও কার্যকারিতা বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: এই অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করা এবং কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ১১: প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ৫৯: প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটের স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাগুলির উপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
⇒ অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষনাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

৫৯। (১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:

(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস:
i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

৫৫.
সংবিধানের ১৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন ধরনের অপরাধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. চুরি, ডাকাতি, এবং খুন
  2. ঘুষ ও দুর্নীতি
  3. সাইবার অপরাধ এবং প্রতারণা
  4. জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
সঠিক উত্তর:
জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে, জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে, গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৫৬.
সংবিধানের তফসিল কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” নিশ্চয়তা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪
  2. অনুচ্ছেদ-১২
  3. অনুচ্ছেদ-১১
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৫৮.
সংবিধানের ১২২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
  3. নির্বাচন কমিশনের গঠন
  4. নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ - ১১৯ : নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৯.
সংবিধানের কোন তফসিল অনুসারে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "নির্বাচন" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অষ্টম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. ষষ্ঠ ভাগে
  4. পঞ্চম ভাগে
সঠিক উত্তর:
সপ্তম ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম ভাগে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬১.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ২ক নং অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. রাষ্ট্রধর্ম
  2. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা
  3. নাগরিকত্ব
  4. সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রধর্ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের মূলনীতি (Fundamental Principles of State Policy) বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৮–২৫ অনুচ্ছেদ
  2. ৯–২৫ অনুচ্ছেদ
  3. ৮–২৪ অনুচ্ছেদ
  4. ১০–২৭ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৮–২৫ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮–২৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (Part II) রাষ্ট্রের মূলনীতি বর্ণিত হয়েছে। অনুচ্ছেদ ৮ থেকে ২৫ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Fundamental Principles of State Policy) নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ:
- সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫ তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এই ৪টি বিষয়কে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- এতে আরো বলা হয়েছে, উপরোক্ত চারটি নীতিসহ ২য় ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে গণ্য হবে।

• জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি (অনুচ্ছেদ ৯)।

• সমাজতন্ত্র:
- মানুষের উপর মানুষের শোষণ হতে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজ লাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হল রাষ্ট্রের লক্ষ্য (অনুচ্ছেদ ১০)।

• গণতন্ত্র:
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানব সত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে (অনুচ্ছেদ ১১)।

• ধর্মনিরপেক্ষতা:
- ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হল সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতা অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেওয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ নিপীড়নের অবসান (অনুচ্ছেদ ১২)।

উৎস:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৪২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।
- রাষ্ট্রপতি সংবিধান ও প্রণীত আইনের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রদান করবেন।
- একাধিক কমিশনার থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- এই অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনারদের পদ মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং তাদের ভবিষ্যৎ সরকারি নিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ উল্লেখ করা হয়েছে।
- পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো একই পদ্ধতি ও কারণ ছাড়া কোনো নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ করা যাবে না।
- সর্বশেষে, কমিশনারদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ব্যবস্থাও এই অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৯৬ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদে বিচারকদের পদের মেয়াদ ও অপসারণ নিয়ে বলা হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, কোনো বিচারক ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত পদে বহাল থাকবেন।
- প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত প্রস্তাব ও রাষ্ট্রপতির আদেশ ছাড়া বিচারককে অপসারণ করা যাবে না।
- অভিযোগের তদন্ত ও পদ্ধতি সংসদ আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।
- তাছাড়া, বিচারক চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারবেন।

• সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত।
- সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিত করতে পারে।
- তবে সংশোধনী বিলের শিরোনামে সংশোধনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
- বিলটি সংসদের মোট সদস্যের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হতে হবে। 
- গৃহীত বিল রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হলে তিনি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দেবেন।
- সম্মতি না দিলে নির্ধারিত সময় শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।

সংবিধানের ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- "বাংলাদেশ" নাম ব্যবহার করে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারের পক্ষ থেকে মামলা করা যেতে পারে। 

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

৬৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  2. নারী পুরুষের সমান অধিকার
  3. সমাবেশের স্বাধীনতা
  4. বাকৃ-স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
নারী পুরুষের সমান অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারী পুরুষের সমান অধিকার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(১ ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষ ভেদে রাষ্ট্র কোন নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবেনা।
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে- নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবে।

এছাড়াও 
• সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- সমাবেশের স্বাধীনতার কথা বর্ণনা করা আছে।
• সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬৫.
”ধর্মীয় স্বাধীনতা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ৪৫নং
  2. ৪১নং
  3. ৪৬নং
  4. ৪২নং
সঠিক উত্তর:
৪১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  ধর্মীয় স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৪২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সম্পত্তির অধিকার।
• সংবিধানের ৪৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
• সংবিধানের ৪৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৬.
সরকারী কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন কার নিকট? 
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সরকারী কর্ম কমিশন: 
- সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদে বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করবেন।
 - যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন।

এছাড়াও,
- সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৭.
সংবিধানের ১০৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আসন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
  3. আপীল বিভাগের এখতিয়ার
  4. আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬ - সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৭ - সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৮ - "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১০৯ - আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ১১০ - অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৫
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3.  অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ ২৫(১) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।

• দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। 
- অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি,নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- ২৫(১) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র।
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৯.
মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী বলে পরিচিত হবেন?
  1. ৫(১)
  2. ৫(২)
  3. ৬(১)
  4. ৬(২)
সঠিক উত্তর:
৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬(২)
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র (১-৭খ)।
- অনুচ্ছেদ ৬(১) অনুযায়ী -  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- অনুচ্ছেদ ৬(২)  অনুযায়ী - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৫ (১) অনুযায়ী- প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ৷ 
- অনুচ্ছেদ (২) অনুযায়ী- রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ।

৭১.
Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ______ অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে। 
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৪
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা

→ Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে। 

♦ Habeas Corpus writ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) অনুসারে Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট বলতে বোঝায় আদালতের এমন একটি আদেশ, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক বা বন্দি করে রাখা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হয়।
অর্থাৎ, Habeas Corpus Writ হলো সংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারভিত্তিক রিট, যার মাধ্যমে অবৈধ আটক বা বেআইনি বন্দিত্বের বিরুদ্ধে আদালতের তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
- এই রিটের মাধ্যমে আদালত আটককারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে এবং কেন তাকে আটক রাখা হয়েছে তার আইনগত কারণ ব্যাখ্যা করতে।
- যদি আটক বৈধ না হয়, তবে আদালত তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – 'গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ':
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্ৰকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন ।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

♦ উল্লেখ্য:
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. চতুর্থ ভাগ
  2. তৃতীয় ভাগ
  3. দ্বিতীয় ভাগ
  4. প্রথম ভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮
  2. অনুচ্ছেদ ৪৯
  3. অনুচ্ছেদ ৫০
  4. অনুচ্ছেদ ৫১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৪.
বর্তমান সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২০০টি
  2. ১৬০টি
  3. ১৫৩টি
  4. ১৬৫টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে;
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে মূলনীতি: ৪টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে, যথা:-

এছাড়াও,
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও,
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৫.
সংবিধানের পঞ্চম ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাচন
  4. কর্ম কমিশন
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
’বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ৫নং
  2. ৩নং
  3. ৭(১)নং
  4. ২নং
সঠিক উত্তর:
৩নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।
• সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• সংবিধানের ৭(১)নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের ফোন কোনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী চেক করতে পারে না?
  1. ৪০ নং
  2. ৪১ নং
  3. ৪২ নং
  4. ৪৩ নং
সঠিক উত্তর:
৪৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে 'মৌলিক অধিকার' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ 'গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ' অনুযায়ী যোগাযোগ থেকে শুরু করে চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং ব্যক্তিগত সবকিছুর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ৪৩ নং অনুছেদ:
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের -
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হতে নিজ গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকবে।

অন্যদিকে,
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৮.
কোনটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়?
  1. গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
  2. দায়মুক্তি ক্ষমতা
  3. যুদ্ধ ঘোষণা
  4. পেশার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়।

সংবিধানের তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার

- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭) মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো: 
২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল,
২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা,
২৮। ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য,
২৯। সরকারী নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা,
৩০। বিদেশী খেতার প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ,
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
৩৩। গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ,
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ,
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা,
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা,
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা,
৩৮। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা,
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা,
৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা,
৪২। সম্পত্তির অধিকার,
৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ,
88। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ,
৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন,
৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা,
৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত।

অন্যদিকে,
- যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের ৪র্থ ভাগের অংশ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৯.
সংবিধানের কোন তফসিলটি বর্তমানে কার্যকর নয়?
  1. ১ম
  2. ৫ম
  3. ২য়
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশালট

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাজধানী' সম্পর্কে বর্ণিত আছে?
  1. ২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২ক নং অনুচ্ছেদ
  3. ৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮১.
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২ক
  3. অনুচ্ছেদ ২
  4. অনুচ্ছেদ ৪ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র: 
- ১নং অনুচ্ছেদঃ প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ২ক এ রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে বলা আছে।
- [২ক। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন]

অন্যদিকে,
- ৩নং অনুচ্ছেদঃ রাষ্ট্রভাষা।
- ৪নং অনুচ্ছেদঃ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২.
’সরকারী কর্ম কমিশন’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দশম ভাগ
  2. অষ্টম ভাগ
  3. নবম ভাগ
  4. সপ্তম ভাগ
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের নবম ভাগে সরকারী কর্ম কমিশন কথা রয়েছে।

- অনুচ্ছেদ: ১৩৭। কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৮। সদস্য-নিয়োগ,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৯। পদের মেয়াদ,
- অনুচ্ছেদ: ১৪০। কমিশনের দায়িত্ব
- অনুচ্ছেদ: ১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট

অপরদিকে,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৪.
গণিকাবৃত্তি ও জুয়া খেলা নিষিদ্ধ সম্পর্কিত বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ১৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৯নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৮নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
“গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।”

অন্যদিকে,
১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৭ নং অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকার এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪২
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১২৩ নং
  2. ১২৪ নং
  3. ১২৫ নং
  4. ১২৬নং
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩ নং
ব্যাখ্যা
নির্বাচন(৭ম অধ্যায়):
১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১-  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।
১২৬ - নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস- বাংলাদেশ সংবিধান।
৮৭.
’জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১৮
  2. অনুচ্ছেদ-২০
  3. অনুচ্ছেদ-২২
  4. অনুচ্ছেদ-২৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৮
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
- অনুচ্ছেদ-১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- (১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

- (২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান

৮৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলি উল্লেখ আছে?
  1. ৮০ অনুচ্ছেদে
  2. ৮১ অনুচ্ছেদে
  3. ৮২ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থ বিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদে অর্থবিল সম্পর্কে বলা হয়েছে:
- অর্থবিল বলতে এমন বিল বোঝানো হয়, যা কর আরোপ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ, সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ প্রদান, বা এ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে প্রণয়ন করা হয়।
- যদি কোনো বিল জরিমানা, লাইসেন্স ফি, বা স্থানীয় কর আরোপ নিয়ে হয়, তবে সেটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হবে না।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর সময় স্পিকার একটি সার্টিফিকেট দিয়ে নিশ্চিত করবেন যে এটি একটি অর্থবিল।
- এই সার্টিফিকেট চূড়ান্ত হবে এবং তা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করা সম্ভব?
  1. অনুচ্ছেদ-৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-৪৯
  3. অনুচ্ছেদ-৫১
  4. অনুচ্ছেদ-৫২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৫২
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন: 
অনুচ্ছেদ- ৫২ (১): সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে;
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিব না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

 - ৫২(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ৪৮। রাষ্ট্রপতি;
- অনুচ্ছেদ- ৪৯। ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
- অনুচ্ছেদ- ৫১। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯০.
'প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল' গঠনের কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ১১৭নং
  2. ১২০নং
  3. ১১০নং
  4. ১১৫নং
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১২০নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- ১১৫নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালতে নিয়োগ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫০
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ-  ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।
- ৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; 
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারবে না; 
- এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪৮ । রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯২.
সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ৬নং অনুচ্ছেদে। 

অনুচ্ছেদ ৬৷ নাগরিকত্ব:
৬। (১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
৬। (২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- অনুচ্ছেদ ৫৷ রাজধানী
- অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৯৩.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে দেশের সাংবিধানিক নাম কী?
  1. প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ 
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. ইসলামী জনগণতন্ত্র বাংলাদেশ 
  4. লোকপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হবে৷ 

• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি-৪টি।
- সংবিধানের তফসিল-৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫৩ টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১২০নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২১নং অনুচ্ছেদে
  3. ১২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১২৪নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগ - নির্বাচন অংশে ১২১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিধান বর্ণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১২১ নং অনুযায়ী সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।

অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. ভাষা ও সংস্কৃতি
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. মতৈক্য ও সমঝোতা
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

অর্থাৎ বাঙালী জাতি তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন, এবং সেই ঐক্য ও সংগ্রামের চেতনা বাঙালী জাতীয়তাবাদ গঠনের মূল স্তম্ভ।


⇒ Article 9: Nationalism
- The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
  1. ২৫
  2. ২৮
  3. ৪০
  4. ৪২
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
- ২৮(১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- ২৮(২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
- ২৮(৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
- ২৮(৪) নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৪০ নং: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৮.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪৫ক
  3. অনুচ্ছেদ-১৪২
  4. অনুচ্ছেদ-১৪৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৫০
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫০ তে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনী আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়?
  1. ষোড়শ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- পঞ্চদশ সংশোধনী  আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়েছিল।

পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল অংশ:
- সময়: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা: এই আইনের ২০ ও ২১ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেছিল।
- ওই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক,৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত।
• সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল গণভোট।
- এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো।
- ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।

 উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।
- ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক] বিবিসি বাংলা।লিঙ্ক

১০০.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৫ নং
  2. ১৪ নং
  3. ১৭ নং
  4. ১৮ নং
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং
ব্যাখ্যা
• ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- ১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।