উত্তর
ব্যাখ্যা
কিশমিশ (বিশেষ্য)
- ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- বীজশূণ্য ছোটো শুকনো আঙ্গুর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২ / ৪ · ১০১–২০০ / ৩৩৭
হিন্দি শব্দ- চাচা, দাদা, দাদি, ফুফা, ফুফি।
তুর্কি শব্দ- বাবা, খোকা, বিবি।
উর্দু শব্দ- আব্বু।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
⇒ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, চৌ (বাংলা) + হদ্দি (ফারসি) = চৌহদ্দি।
⇒ Accessible Dictionary by Bangla Academy অনুসারে, চৌ+(আরবি) হদ্দ্+(বাংলা) ই = চৌহদ্দি।
⇒ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন অনুসারে, চৌ (ফারসি) + হদ্দি (আরবি) = চৌহদ্দি।
⇒ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) অনুসারে, চৌ (ফারসি) + হদ্দি (আরবি) = চৌহদ্দি।
আমরা বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানকে প্রাধান্য দিয়ে উত্তর নিয়েছি। মূল পরীক্ষায় আসলে আপনার নিজস্ব বিবেচনায় উত্তর দিতে পারেন।
তারিখবাচক শব্দগুলোর প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থকে ৪ পর্যন্ত (পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা) হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি শব্দগুলো বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ‘ঠাকুর’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
- (তৎসম বা সংস্কৃত) ঠক্কুর>ঠাকুর}
- কিন্তু বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর বইয়ে
- ‘ঠাকুর’ শব্দটি তুর্কি ভাষার শব্দ দেয়া, যা ভুল।
[উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান]
হুলিয়া - শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ। এটি ‘হুলিয়াত’ শব্দ থেকে উৎপন্ন।
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আরবি শব্দ -
অন্দর, আজগুবি, আদালত, আমলা, আমানত, ইশারা, ইমারত, মফস্বল, ইশতেহার, মুনাফা, লোকসান ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯)
গুজরাটি - খদ্দর, হরতাল।
তুর্কি - চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা৷
পাঞ্জাবি - চাহিদা, শিখ৷
চিনা - চা, চিনি৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
মিশ্র শব্দ (সংকর শব্দ):
বাংলা ভাষায় ‘মিশ্র শব্দ’ নামে আরেক ধরনের শব্দ আছে। এই শব্দগুলাে বিভিন্ন ভাষার বিদেশি শব্দ কিংবা দেশি ও বিদেশি শব্দের মিশ্রণে তৈরি হয়েছে। এগুলােকে সংকর শব্দ বলা যেতে পারে।
যেমন :
- ইংরেজি ‘হেড’ + তৎসম ‘পণ্ডিত = হেডপণ্ডিত;
- ইংরেজি ‘খ্রিস্ট’ + তৎসম ‘অব্দ = খ্রিস্টাব্দ;
- ইংরেজি ‘ডাক্তার’ + ফারসি ‘খানা’ = ডাক্তারখানা;
- তদ্ভব ‘হাট’ + ফারসি ‘বাজার' = হাটবাজার;
- তদ্ভব ‘রাজা’ + ফারসি ‘বাদশা’ = রাজা-বাদশা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলো তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন-
ধর্মসংক্রান্ত শব্দঃ খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি।
বিবিধ শব্দঃ আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষার একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে।
যেমন,
- হাত, পা, পাখি, কুমির ইত্যাদি।
- চুলা, ডাব দেশি শব্দ।
- চাবি পর্তুগিজ শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
কতগুলো মিশ্র শব্দ হলো-
খ্রিস্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),
ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),
রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),
হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি),
হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),
হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),
পকেটমার (ইংরেজি + বাংলা),
চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
• 'চাকর' শব্দটি ফারসি ভাষার শব্দ ।
• ফারসি ভাষার আরো কয়েকটি শব্দ হলো:
- কারখানা,
- চশমা,
- জবানবন্দি,
- তোশক,
- দফতর,
- দরবার,
- দোকান,
- দস্তখত,
- দৌলত,
- নালিশ,
- বাদশাহ,
- বান্দা,
- বেগম,
- মেথর,
- রসদ
উৎসঃ বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
উল্লেখ্য,
- চাকর শব্দটির উৎস মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইয়ে 'তুর্কি' দেওয়া আছে যা প্রকৃতপক্ষে ভুল।
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে এটি ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
তাই নিঃসন্দেহে সঠিক উত্তর - ফারসি।
তবে অপশনে ফারসি না থাকলে উত্তর 'তুর্কি' হবে।
হিন্দি ভাষার শব্দগুলো হলো :
- পানি
- ধোলাই
- লাগাতার
- হালুয়া
- ঠান্ডা
উৎস : নবম দশম শ্রেণির ব্যাকরণ (নতুন)
• বর্গি,
- ফারসি শব্দ।
অর্থ: অষ্টাদেশ শতকের অশ্বারোহী মারাঠি দস্যুসৈন্য।
আবার,
বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে,
• ‘বর্গি’ মারাঠি শব্দ।
শব্দের উৎসমূল এর ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়ায় সঠিক উওর হবে ‘ফারসি’।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
ফরাসি: ডিপাে, রেস্তোরাঁ, কুপন, কার্তুজ।
ওলন্দাজ: ইস্কাপন, টেক্কা, তুরুপ, রুইতন, হরতন ইত্যাদি৷
অন্যান্য ভাষার শব্দ :
- রিকসা (রিক্সা) (জাপানি);
- চা, চিনি, লিচু, সাম্পান (চিনা);
- লুঙ্গি, ঘুঘনি, (বর্মী অর্থাৎ মায়ানমারের);
- স্টুডিও, ম্যালেরিয়া (ইতালীয়);
- সাগু (মালয়ী);
- কচুরি, লােটা, খানাপিনা, লাগাতার, বন, টালমাটাল (উর্দু/হিন্দি);
- হরতাল, খদ্দর (গুজরাটি) ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
ফারসি শব্দ : বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলােকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
(১) ধর্মসংক্রান্ত শব্দ : খােদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রােজা ইত্যাদি।
(২) প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ : কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তােশক, দফতর, দরবার,
দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি।
(৩) বিবিধ শব্দ : আদমি, আমদানি, জানােয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
কেয়ামত, গোসল এবং হারাম আরবি ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা একাডেমি অভিধান
বাংলা ভাষাভাষীদের ভূখণ্ডে অনেক আদিকাল থেকে যারা বাস করতো, সেইসব আদিবাসীদের ভাষার যে সব শব্দ বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সে সব শব্দকে বলা হয় দেশি শব্দ। এই আদিবাসীদের মধ্যে আছে- কোল, মুণ্ডা, ভীম, ইত্যাদি। যেমন,
কুড়ি (বিশ)- কোলভাষা,
পেট (উদর)- তামিল ভাষা,
চুলা (উনুন)- মুণ্ডারী ভাষা।
এছাড়াও কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
• ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- কুপন,
- ডিপো,
- রেস্তোরাঁ,
- আঁতেল,
- কার্তুজ,
- ওলন্দাজ,
- দিনেমার,
- কাফে,
- আঁতাত,
- বুর্জোয়া,
- রেনেসাঁস ইত্যাদি।
• তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- বাবা,
- উজবুক,
- কাঁচি,
- কাবু,
- কুর্নিশ,
- কুলি (মজুর),
- কোর্মা,
- খাতুন,
- চকমক,
- তালাশ,
- তােপ,
- বন্দুক,
- বাবুর্চি,
- বেগম,
- মুচলেকা,
- লাশ,
- সওগাত
- দারোগা,
- চাকর,
- চাকু,
- তোপ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
দাম, ইউনানি ও সেমাই গ্রিক শব্দ। দাম-দ্রাখমে, সেমাই-সেমাদালিম ও ইউনানি-আইওনিয়ন থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দঃ
- কুপন,
- ডিপো,
- রেস্তোরাঁ,
- আঁতেল,
- ওলন্দাজ,
- দিনেমার,
- কাফে,
- আঁতাত,
- বুর্জোয়া,
- রেনেসাঁস ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
তৎসম শব্দের উদাহরণ :
চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, আকাশ, স্থল, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, নর, নারী, বৃক্ষ, লতা ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।
পর্তুগীজ' ভাষা থেকে আগত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাংলা শব্দ -
আচার, আনারস, আলপিন, আলমারী, ইস্পাত, গির্জা, গুদাম, চাবি, তামাক, পাউরুটি, পাদ্রি, পেয়ারা, পেরেক, বালতি, সাবান ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
• হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
• গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
• বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
• তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন- বাদাম তেল।
• প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী -
• বারান্দা (বিশেষ্য)
শব্দের উৎস - ফারসি শব্দ
অর্থ-ঘরসংলগ্ন ছাদযুক্ত বা ছাদহীন চত্বর, অলিন্দ, দাওয়া।
কিন্তু ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ অনুযায়ী -
• বারান্দা- পর্তুগিজ শব্দ
===========
বাংলা একাডেমী অভিধান অনুসারে,
অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর - ফারসি।
অপশনে ফারসি না থাকলে পর্তুগিজকে সঠিক উত্তর ধরা যাবে।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ, ভাষা -শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
তৎসম শব্দ:
- সংস্কৃতের শব্দভাণ্ডার থেকে সব সময়েই প্রয়ােজনীয় শব্দাবলি বাংলা ভাষায় গ্রহণ করা হয়। যে-সব সংস্কৃত শব্দ অপরিবর্তিত রূপে হুবহু বাংলায় এসেছে সে-সব শব্দকে ‘তৎসম শব্দ’ বলা হয়।
- তৎসম শব্দের উদাহরণ : ডিম, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য, আকাশ, স্থল, হস্ত, পদ, মস্তক, চক্ষু, কর্ণ, নর, নারী, বৃক্ষ, লতা ইত্যাদি।
অপরদিকে,
হাত, ফুল এবং ছেরাদ্দ শব্দগুলো যথাক্রমে বাংলা, প্রাকৃত, অর্ধ-তৎসম শব্দ৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।
কাটারি, কাটারী [কাটারি] (বিশেষ্য)
- কাটবার অস্ত্রবিশেষ; একপ্রকার সরু ও লম্বা দা; ছুরি
{( তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) কর্তরিকা, কর্তরীকা> (প্রাকৃত) কট্টরিআ> (বাংলা) কাটারি, কাটারী, কট্টরী}
• 'ময়না' শব্দটি 'আরবি' ভাষা থেকে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- অস্বাভাবিক বা আকস্মিক মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে শবব্যবচ্ছেদ, post-mortem।
আরবি ভাষার কিছু শব্দ:
- এলাকা, এলাহি, কয়েদ, কসাই, কসরত, খারাবি, খারাপ, খারিজ, খাসমহল, খাসলত, তুফান, তকদির, ময়না, মুমিন, মুনিব, মুনশি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।