বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন৮৯৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / · ৫০১৬০০ / ৮৯৯

৫০১.
'নানিয়ারচর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
'নানিয়ারচর' অবস্থিত রাঙামাটিতে। কুলিয়ারচর অবস্থিত কিশোরগঞ্জে। চরভদ্রাসন অবস্থিত ফরিদপুরে এবং সুবর্ণচর, ভাসানচর অবস্থিত নোয়াখালীতে। চর লরেন্স, চর শাহাবানী, চর শ্রীজনী, চর কাদিরা, চেঙ্গার চর নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায় অবস্থিত। rangamati.gov.bd
৫০২.
'আমাজন বনভূমি' কোন ধরণের বনভূমি?
  1. গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
  2. ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল
  3. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি
  4. উপক্রান্তীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
আমাজন বন:
- দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন বন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল।
- আমাজন পৃথিবীর বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট।
- এটি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল।
- এর আয়তন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন বর্গ মাইল।
- এটি ৯ টি দেশ যথা: ব্রাজিল, বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম ও ফ্রে গায়ানা জুড়ে বিস্তৃত।
- আমাজন বনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস ।

উৎস: WWF ওয়েবসাইট। 
৫০৩.
নদী প্রবাহের কোন পর্যায়ে ক্ষয়কার্য সাধন অধিক হয়?
  1. ক) নিম্নগতি
  2. খ) উর্ধ্বগতি
  3. গ) মধ্যগতি
  4. ঘ) ধীরগতি
সঠিক উত্তর:
খ) উর্ধ্বগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উর্ধ্বগতি
ব্যাখ্যা
- পর্বতের উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর প্রবাহকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
- উর্ধ্বগতি হলো প্রাথমিক অবস্থা যেখানে ক্ষয় সাধন হলো প্রধান কাজ এবং এতে নদীর স্রোতের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- মধ্যগতি শুরু হয় যখন নদী সমভূমি দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় সঞ্চয় সাধন প্রধান কাজ। স্রোতের বেগ পূর্বের তুলনায় অনেক কমে যায়।
- সর্বশেষ হলো নিম্নগতি যেখানে স্রোতের বেগ একেবারেই কমে যায়।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫০৪.
অতীশ দিপঙ্কর বর্তমান কোন জেলার অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) মুন্সিগঞ্জ
  2. খ) নরসিংদী
  3. গ) মানিকগঞ্জ
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক। দশম-একাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা (বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ) এর বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫০৫.
মহীভাবক আলোড়নের ফলে কী সৃষ্টি হয়?
  1. মরুভূমি
  2. সমুদ্র
  3. পাহাড়
  4. মালভূমি
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা
• মহীভাবক আন্দোলন (Epeirogenic Movement)):
- মহীভাবক আন্দোলন মহাদেশসমূহের ভূ-পৃষ্ঠে লম্বভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে মালভূমি, চ্যুতি, চ্যুতি ভৃগু তট, স্রস্ত উপত্যকা, স্তূপ পর্বত প্রভৃতি ভূমিরূপ তৈরি করে।
যেমন-
→ পূর্ব আফ্রিকা ও জর্ডানের স্রস্ত উপত্যকাসমূহ,
→ রাইন নদীর স্রস্ত উপত্যকা।
→ এছাড়াও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগরের দ্বীপসমূহ মহীভাবক আন্দোলনের ফলে ভূ-ভাগ নিমজ্জিত হয়ে গঠিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৬.
বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কত?
  1. ০.৪১ শতাংশ
  2. ১.৪৯ শতাংশ
  3. ১.৭২ শতাংশ
  4. ২.৪১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.৪১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৪১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি।

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ।
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ।
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ।
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ।
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৭.
গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
৫০৮.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের নিম্নের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. বান্দরবান
  2. টাঙ্গাইল
  3. বাগেরহাট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। 
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।


অন্যদিকে,
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৯.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. রূপান্তরিত শিলা 
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা 
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা 
ব্যাখ্যা

- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়।
- ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে।
- পাললিক শিলা ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ দখল করে আছে।
- তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে ।
- পাললিক শিলা যৌগিক, জৈবিক বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হতে পারে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে।
- অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১০.
বর্তমানে বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র-
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩১টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সর্বশেষ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। গত ৯ আগস্ট, ২০২১ নতুন এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে।
- ক্ষেত্রটিতে ৬,৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দৈনিক এই ক্ষেত্র থেকে ১ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৫১১.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১২.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. মিথেন গ্যাস
  4. ইলমেনাইট
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
• বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


সূত্র:
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৫১৩.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বনভূমি কোন দেশে রয়েছে?
  1. ব্রাজিল
  2. রাশিয়া
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০.৪১ শতাংশই রাশিয়ায়। দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়। আয়তনের বিশালত্বের কারণে দেশটি নয়টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল। এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

⇒ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪.৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ বনভূমির দেশ:
১. রাশিয়া,
২. ব্রাজিল,
৩. কানাডা,
৪. যুক্তরাষ্ট্র,
৫. চীন।

উৎস: i) Global Forest Resources Assessment 2025, FAO.
ii) Worldometer.

৫১৪.
'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পলিনেশিয়া
  2. মাইক্রোনেশিয়া
  3. মেলানেশিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মেলানেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলানেশিয়া
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৫১৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ইস্পাত শিল্প:
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা হয়।
- প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা- চট্টগ্রাম স্টিল মিল।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৫১৬.
'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে-
  1. ক) নদীর উৎপত্তিস্থলে
  2. খ) নদীর মোহনায়
  3. গ) নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  4. ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে।
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১৭.
পাদদেশীয় মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়?
  1. আগ্নেয়গিরির লাভা দ্বারা
  2. নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
  3. মহাদেশীয় শীল্ডে প্রাকৃতিক উত্তলতার মাধ্যমে
  4. সমুদ্রের তীরে বালু জমায়
সঠিক উত্তর:
নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ও হিমবাহের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ সঞ্চয় দ্বারা
ব্যাখ্যা

• পর্বতের ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থ জমে যে উঁচু বা সমতল ভূমি সৃষ্টি করে, সেটিই পাদদেশীয় মালভূমি।
----------------------- 
• মালভূমি:
- মালভূমি বলতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তুলনামূলকভাবে উঁচু, বিস্তীর্ণ ও প্রায় সমতল ভূমিকে বোঝানো হয়।
- এটি গঠিত হয় ভূ-অভ্যন্তরস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- যেমন—পাত সঞ্চালন, ভূ-আন্দোলন, ক্ষয়, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির আগ্নুৎপাত ও লাভা সঞ্চয়।

- মালভূমি উৎপত্তি অনুসারে প্রধানত তিন প্রকারে বিভক্ত:
- ভূ-গাঠনিক মালভূমি,
- সঞ্চয়জাত মালভূমি,
- এবং ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট মালভূমি।

- অবস্থান ও গঠন অনুযায়ী ছয় প্রকার মালভূমি রয়েছে:
- পর্বত-মধ্যবর্তী মালভূমি (Intermontane Plateau),
- পাদদেশীয় মালভূমি (Piedmont Plateau),
- চ্যুতি-সৃষ্ট মালভূমি (Horst Plateau),
- লাভা বা আগ্নেয়জাত মালভূমি (Lava Plateau),
- ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট মালভূমি (Erosional/Residual Plateau),
- শীল্ড বা মহাদেশীয় মালভূমি (Shield/Continental Plateau)

পাদদেশীয় মালভূমি:
- পাদদেশীয় মালভূমি হলো সেই ধরণের ভূমি যা পর্বতের পাদদেশে গঠিত হয়।
- পর্বতের শিখর থেকে বৃষ্টি, নদী বা হিমবাহের মতো প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত মাটি, পাথর ও মৃত্তিকা নিচে ভেসে আসে এবং ধীরে ধীরে জমে এক ধরনের সমতল বা হালকা উঁচু ভূমি তৈরি করে।
- এই মালভূমি অনেক সময় পাদদেশীয় পলল সমভূমি বা পর্বত জোয়ার নামে পরিচিত।
- সাধারণত এর একপাশে সমুদ্র বা সমতল ভূমি থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি একটি পাদদেশীয় মালভূমি।

উৎস: ভূমিরূপ বিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৮.
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. মুরাদনগর
  2. চান্দিনা
  3. দাউদকান্দি
  4. চৌদ্দগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মুরাদনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরাদনগর
ব্যাখ্যা
বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র:
- ১৯৬৯ সালে কুমিল্লা জেলার বাখরাবাদ নামক স্থানে বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর  উপজেলায় অবস্থিত।
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রে প্রাথমিক মোট মজুদ ছিল ১৭০১ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এবং প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য মজুদ ১২৩১.৫ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এই গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৩.৮৯%।
 এছাড়াও গ্যাস লাইন হতে কুমিল্লা ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
- এবং চাঁদপুর, লাকসাম, সীতাকুন্ড প্রভৃতি স্থানে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের কূপের সংখ্যা ৬টি।

উৎস: ভূগোল  দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫১৯.
'সােয়াচ অব নাে গ্রাউন্ড' কী?
  1. ক) একটি দেশের নাম
  2. খ) ম্যানগ্রোভ বন
  3. গ) একটি দ্বীপ
  4. ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫২০.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কবে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।
- ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বাধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২১.
পৃথিবীর সমচাপ সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) আইসোবার
  2. খ) আইসোথার্ম
  3. গ) আইসোহাইট
  4. ঘ) আইসোহেলাইন
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোবার
ব্যাখ্যা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : ওপেন ইউনিভার্সিটি এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৫২২.
পৃথিবীর কোন বায়ুমণ্ডলীয় স্তরকে "ক্ষুব্ধমণ্ডল" বলা হয়?
  1. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4.  থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

 ট্রপোমণ্ডল :
- ট্রপোমণ্ডল হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর, যা সরাসরি ভূপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত।
- এই স্তরেই দেখা যায় মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়, বজ্রপাত ও অন্যান্য আবহাওয়ার ঘটনা;
- তাই ট্রপোমণ্ডলকে "ক্ষুব্ধমণ্ডল"ও বলা হয়।
- এই স্তরে প্রায় ৯০% ধূলিকণা, জলীয় বাষ্প, কুয়াশা ও মেঘ থাকে।
- এটি বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের প্রায় ৮০% ধারণ করে।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তকে ট্রপোবিরোতি বলা হয়।
- ট্রপোমণ্ডল ভূপৃষ্ঠ থেকে শুরু হয়ে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬–১৯ কিলোমিটার এবং
- মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ - নবম-দশম শ্রেণি।

৫২৩.
নিচের কোন জেলাটি হাওরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত।
জেলাসমূহ হলো:
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ
- নেত্রকোনা
- কিশোরগঞ্জ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে যার মোট আয়তন ৮,৫৮,৪৬০ হেক্টর।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে সিলেটে ১০৫টি।
- সবচেয়ে বড় হাওর হলো সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫২৪.
‘হাজার হ্রদের দেশ’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• হাজার হ্রদের দেশ - ফিনল্যান্ড।

• অপরদিকে-
- সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
- হাজার দ্বীপের দেশ - ইন্দোনেশিয়া
- ম্যাপল পাতার দেশ – কানাডা।

সূত্র: ব্রিটানিকা

৫২৫.
দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমিতে কোন ধরনের ভূপ্রকৃতি পরিলক্ষিত হয়?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিককালের
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৬.
At present the most gas is extracted locally from which gas field?
  1. Bibiyana gas field
  2. Kailashtilla gas field
  3. Jalalabad gas field
  4. Titas gas field
  5. Bakhrabad gas field
সঠিক উত্তর:
Bibiyana gas field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bibiyana gas field
ব্যাখ্যা
বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র:
- ১৯৯৮ সালে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়।
- আমেরিকান তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কোম্পানি ইউনিকল উপমহাদেশের বৃহত্তম এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশের ২২টি গ্যাসক্ষেত্রের ১১৩টি কূপ দিয়ে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- এসব কূপ থেকে ১ হাজার ৭১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন হয়েছে।
- স্থানীয়ভাবে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হয় সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে
- মার্কিন কোম্পানি শেভরনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৬টি কূপ দিয়ে দৈনিক ৭৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে সরবরাহ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে,
- দেশীয় কোম্পানি বাপেক্স আটটি গ্যাসক্ষেত্রের ১৫টি কূপ দিয়ে ১১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে, এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে সালদা, ফেঞ্চুগঞ্জ, শাহবাজপুর, সেমুতাং, শ্রীকাইল, বেগমগঞ্জ ও রূপগঞ্জ।
- সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (এসজিএফএল) সিলেট, কৈলাশটিলা-১, কৈলাশটিলা-২, রশিদপুর ও বিয়ানীবাজার এই পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্রের ১১টি কূপ দিয়ে দৈনিক ১১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি (বিজিএফসিএল) পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্রের ৪৪টি কূপ দিয়ে দৈনিক ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহ করছে। গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, নরসিংদী এবং ম্যাগনামা। এর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রটি সবচেয়ে পুরোনো।

উৎস: i) ১৯ এপ্রিল ২০২৪, কালবেলা।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২৭.
সাহারা মরুভূমি কয়টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• সাহারা মরুভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- আফ্রিকায় অবস্থান: সাহারা উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশে বিস্তৃত, যা সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% জুড়ে রয়েছে।
- উত্তরে: ভূমধ্যসাগর ও অ্যাটলাস পর্বতমালা।
- পূর্বে: লোহিত সাগর।
- পশ্চিমে: আটলান্টিক মহাসাগর।
- দক্ষিণে: সাহেল অঞ্চল।
- সাহারা মরুভূমির বিস্তৃত: আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫২৮.
দেশের প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি) টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. ক) মংলা
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সোনাদিয়া
  4. ঘ) চট্টগ্রাম বন্দর
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এল এন জি) টার্মিনাল মহেশখালীতে স্থাপিত হয়েছে।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৫২৯.
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ গিরিখাত কোনটি?
  1. ক) পদ্মা নদীর গিরিখাত
  2. খ) নীলনদের গিরিখাত
  3. গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
  4. ঘ) যমুনা নদীর গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু নদের গিরিখাত
ব্যাখ্যা
• গিরিখাত ও ক্যানিয়ন (Gorge and Canyon):
- উর্ধ্বগতিতে নদীর প্রবল স্রোত খাড়া পর্বতগাত্র বেয়ে নিচের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এতে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষয় হয়ে শিলাখন্ড ভেঙ্গে পড়ে।
- শিলাগুলো পরস্পরের সঙ্গে এবং নদীখাতের সঙ্গে সংঘর্ষে মসৃণ হয়ে অনেক দূর বাহিত হয়।
- এসব পাথরের সংঘর্ষে নদীর খাত আরও গভীর ও সংকীর্ণ হতে থাকে।
- এরূপ খাতকে গিরিসংকট বা গিরিখাত বলে।
⇒ সিন্ধু নদের গিরিখাতটি পৃথিবীর একটি অন্যতম গভীর গিরিখাত (৫১৮ মিটার)।
- নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩০.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

অন্যদিকে,

- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর : পাললিক শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৫৩১.
'তিনবিঘা করিডোের' কোন জেলায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিনবিঘা করিডোর 
• লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
• এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
• পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং
• ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
• ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
• ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র:- লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট।
৫৩২.
নিম্নের কোনটি মাঝারি আকাশের মেঘ?
  1. সিরাস মেঘ
  2. সিরোকিউমুলাস মেঘ
  3. অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
  4. কিউমুলাস মেঘ
সঠিক উত্তর:
অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ
ব্যাখ্যা
মেঘ:
- মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়।

উচ্চতা অনুসারে মেঘ:
উঁচু আকাশের মেঘ:
- যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে।
- যেমন: সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘ:
- ২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে।
- অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus), অল্টোস্ট্রাটাস মেঘ (Altostratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘ:
- যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে।
- যেমন: স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato- cumulus).

উৎস: National Weather Service (.gov).
৫৩৩.
চির বসন্তের দেশ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. কানাডা
  2. ব্রাজিল
  3. ঘানা
  4. ইকুয়েডর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
ব্যাখ্যা

ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ ‘নিরক্ষীয় অঞ্চল’।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
- দেশটির আয়তন ৯৯,১১২ বর্গ মাইল (২৫৬,৭০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৩৪.
সাহেল অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ইউরোপ
  2. পশ্চিম আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সাহেল (Sahel):
- সাহেল অঞ্চল বলে অভিহিত পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হচ্ছে মৌরিতানিয়া, মালি ও নাইজার প্রভৃতি।
- এই অঞ্চলে সাভানা বনভূমি রয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রেইরি (Prairie): উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমি।
- তুন্দ্রা: সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা।

উৎস: Britannica.
৫৩৫.
কোন প্রকার বায়ু চাপবলয় দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থানীয় বায়ু
  2. সাময়িক বায়ু
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
- যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু, মেরু বায়ু।
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- মেরু বায়ু প্রবাহিত হয় মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।
৫৩৬.
Brown Waterfalls are situated in:
  1. ক) Australia
  2. খ) New Zealand
  3. গ) Canada
  4. ঘ) Switzerland
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) New Zealand
ব্যাখ্যা
• ব্রাউন জলপ্রপাত: 
- ব্রাউন ফলস হল বিশ্বের দশম উচ্চতম জলপ্রপাত। 
- ২ হাজার ৭৪৩ ফুট উচ্চতার জলপ্রপাতটির অবস্থান নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ড প্রদেশের ফিওর্ডল্যান্ড ন্যাশনাল পার্কে।
- ৮০০ ফুট উচ্চতা হতে এর পানি পতিত হয়।
- এর গড় প্রস্থ ৪০ ফুট।

সূত্র: World atlas ও নিউজ বাংলা। 
৫৩৭.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমি কী ধরনের?
  1. পত্রপতনশীল
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  3. স্রোতজ বনভূমি
  4. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বিস্তৃত বনভূমি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি।
- এছাড়া এই বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি রয়েছে।

- এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল। এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৫৩৮.
সুন্দরবন কী ধরনের বনভূমি?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পত্রপতনশীল বনভূমি
  4. সৃজিত বনভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বনভূমি হলো স্রোতজ বনভূমি বা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট যা সুন্দরবন নামে পরিচিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৫৩৯.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল পরিবৃত দ্বীপ কোনটি?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সেন্টমার্টিন
  3. মহেশখালী
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল পরিবৃত দ্বীপ।
টেকনাফ থেকে ৪২ কিমি দক্ষিণে সাগরের বুকে বাংলাদেশের সর্বশেষ ভূখন্ড হলো সেন্টমার্টিন।
এ দ্বীপের আদি নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
দ্বীপের ৯ কিমি পশ্চিমে সাগরে ডোবা একটি প্রবাল প্রাচীর আছে।
দ্বীপটি নানারকম সৌন্দর্যে ভরপুর। যেনো এক স্বপ্নপুরী।
প্রবাল, পাথর, দীর্ঘ সমূদ্র সৈকত, নারিকের গাছের সারি, জেলে পল্লী- সব কিছু মিলিয়ে সত্যিই উপভোগ করার মতো।
দ্বীপটিতে টেকনাফ থেকে ট্রলারে যাতায়াত করতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৫৪০.
পাট চাষের জন্য তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. ১০° থেকে ২৫° সেলসিয়াস
  2. ১৫° থেকে ২৫° সেলসিয়াস
  3. ২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
  4. ২৫° থেকে ৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পাট (Jute):
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট।
- এদেশে সাধারণত দেশী ও তোষা নামক দুই প্রকারের পাট চাষ হয়।
- ময়মনসিংহ, রংপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল এবং পাবনা জেলায় পাট চাষ ভালো হয়।
- তাপমাত্রা: পাট চাষের জন্য অধিক তাপমাত্রা (২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস) প্রয়োজন। এ কারণে পাটকে উষ্ণ অঞ্চলের ফসল বলা হয়।
- বৃষ্টিপাত : পাট চাষে প্রচুর বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। সাধারণত ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
- মৃত্তিকা: বাংলাদেশের নদী অববাহিকার পলিযুক্ত দোঁআশ মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪১.
চলন বিলের মধ্য দিয়ে কোন নদী প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ক) আত্রাই
  2. খ) মহানন্দা
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) কুশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
ক) আত্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আত্রাই
ব্যাখ্যা
আত্রাই নদী ব্রহ্মপুত্রের সর্বপশ্চিমের শাখা নদী।
পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের ১০ কি.মি. উত্তরপূর্বে নদীটির উৎপত্তিস্থল। সেখান থেকে এটি যমুনা নদীর পশ্চিমে প্রবাহিত হয়।
দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা থেকে করতোয়া নদী আত্রাই নাম ধারণ করেছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
৫৪২.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন কোনটি?
  1. ক) ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২১ মার্চ
  3. গ) ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২১ জুন
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২১ জুন।
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন।
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২২ ডিসেম্বর
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত : ২২ ডিসেম্বর।
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান : ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪৩.
নাপিত খালি ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

ভেঙ্গি ভেলী - কাপ্তাই লেক
বালিশিরা ভেলী - মৌলভীবাজার
হালদা ভেলী - খাগড়াছড়ি
সাজেক ভ্যালী - রাঙামাটি
সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার
মাইনমুখী ভ্যালি - রাঙামাটি
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।

৫৪৪.
নিম্নলিখিত দেশগুলির মধ্যে কোনটি ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. তাইওয়ান
  2. লাওস
  3. কম্বোডিয়া
  4. ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
- নিম্নলিখিত দেশগুলির মধ্যে তাইওয়ান ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

ইন্দোচীন:

- ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া।
- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৪৫.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল
সঠিক উত্তর:
২৪০০ বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৫৪৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ঝড়, বৃষ্টি ও শিশির সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডলে
  2. খ) মেসোমণ্ডলে
  3. গ) স্ট্রাটোমণ্ডলে
  4. ঘ) ওজোনমণ্ডলে
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমণ্ডলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমণ্ডলে
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
  - বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে এই পাঁচটি স্তর হলো- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল,মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৮০ কিলোমিটারর মধ্যে সমমণ্ডল অবস্থিত যা তিনটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডল নিয়ে গঠিত।
- বিষমমন্ডল প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত যা ২টি স্তর নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো- তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমণ্ডল
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৭.
"প্রবাল দ্বীপ" নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সন্দ্বীপ
  2. মহেশখালী
  3. সেন্টমার্টিন
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
প্রবাল দ্বীপ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- স্থানীয়দের কাছে এটি ''নারিকেল জিঞ্জিরা'' নামে পরিচিত।
- সমস্ত দ্বীপ জুড়ে ভাটার পানি স্তরের অত্যন্ত কাছাকাছি ক্ষুদ্র খাড়িসমূহে বিভিন্ন ধরনের জীবিত ছোট ছোট প্রবাল গোষ্ঠী দেখা যায়।
- মৃত প্রবাল গোষ্ঠীগুলি ক্ষুদ্র জলমগ্ন নিম্নভূমিতে জোয়ারভাটা উভয় সময়েই দেখা যায়।
- দেশের এই একমাত্র প্রবাল দ্বীপটির উত্থানের শুরু হয়েছিল কমপক্ষে গত সর্বোচ্চ হিমবাহ যুগ থেকে (অর্থাৎ আনুমানিক ৪০,০০০ বৎসর পূর্বে)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী। এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৫৪৮.
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে কোন পর্বতের?
  1. হিমালয়
  2. ভিসুভিয়াস
  3. ফুজিয়ামা
  4. বিন্ধ্যা
সঠিক উত্তর:
হিমালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল:
- বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে হিমালয় পর্বতের।
- বাংলাদেশে মূলত হিমালয় অঞ্চলের প্রভাবে কিছু গঠন সম্পর্কিত বিশেষত্ব রয়েছে, বিশেষত এর ভূপৃষ্ঠের অস্থিরতা এবং টেকটনিক প্লেটের সংযোগের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ ভাগ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৯.
পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চলের বেশিরভাগ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. আর্জেন্টিনা
  3. চিলি
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- পৃথিবীর কোন দেশে বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চল বা রেইনফরেস্ট হলো আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: World Atlas.
৫৫০.
‘বুশ হাউজ’ অবস্থিত -
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) কানাডা
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
গ) লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
‘বুশ হাউজ’ অবস্থিত লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অল্ডউইচ নামক জায়গায়। সেই জায়গাটা লন্ডনের সাবেক নগর পরিষদ ১৯১৯ সালে ভাড়া দিয়েছিল আরভিং টি. বুশকে যিনি ছিলেন আমেরিকান একটি সংস্থা – নিউ ইর্য়কের বুশ টার্মিনাল কোম্পানির মালিক। নগর পরিষদ সেখানে মিঃ বুশকে নতুন একটি বিশাল বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলার অনুমতি দিয়েছিল।
৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বুশ হাউস থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস-এর সংবাদ প্রচারিত হতো।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
৫৫১.
বর্তমানে সুন্দরবনে কতটি ম্যানগ্রোভ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে?
  1. ক) ৩৫
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৫০
  4. ঘ) ৫৫
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)। কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।

- সুন্দরবনের গাছপালার অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ ধরনের এবং এখানে রয়েছে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ঘাস, পরগাছা এবং আরোহী উদ্ভিদসহ নানা ধরনের উদ্ভিজ্জ। অধিকাংশই চিরসবুজ হওয়ার কারণে এদের সবার শারীরবৃত্তিক ও গঠনগত অভিযোজন কমবেশি একই রকম।

- অধিকাংশ বৃক্ষের আছে ঊর্ধ্বমুখী শ্বাসমূল (pneumatophore), যার সাহায্যে এরা শ্বসনের জন্য বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে।

- এ বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি সুন্দরী এবং গেওয়া (Excoecaria agallocha)। ১৯০৩ সালে ডি. প্রেইন সুন্দরবনের গাছপালার উপর লিখিত তাঁর গ্রন্থে ২৪৫ গণের অধীনে ৩৩৪টি উদ্ভিদ প্রজাতি লিপিবদ্ধ করেছেন; এর মধ্যে ১৭টি ফার্নজাতীয় (pteridophytes), ৮৭টি একবীজপত্রী (monocotyledons) এবং অবশিষ্ট ২৩০টি দ্বিবীজপত্রী (dicotyledons)। প্রজাতিগুলির মধ্যে ৩৫টি শিমগোত্রীয়, ২৯টি তৃণজাতীয়, ১৯টি হোগলাজাতীয় এবং ১৮টি সিজজাতীয় (euphorbias) উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত।

- আজ পর্যন্ত জানা প্রায় ৫০টি প্রকৃত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে কেবল সুন্দরবনেই আছে ৩৫টি প্রজাতি। অধিকাংশ ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ চিরসবুজ, খাটো, গুল্মজাতীয় অথবা লম্বা বৃক্ষজাতীয়। এদের অনেকেই বনের তলদেশ খালি না রেখে সাধারণত দলবদ্ধভাবে জন্মায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৫২.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) পক প্রণালি
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. গ) সুন্দা প্রণালি
  4. ঘ) ফরমোজা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দা প্রণালি
ব্যাখ্যা
- সুন্দা প্রণালি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালি ব্যতীত মালাক্কা প্রণালিও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
অন্যদিকে,
- পক প্রণালি ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫৫৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী?
  1. দক্ষিণাঞ্চলের
  2. উত্তরাঞ্চলের
  3. পূর্বাঞ্চলের
  4. পশ্চিমাঞ্চলের
সঠিক উত্তর:
উত্তরাঞ্চলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাঞ্চলের
ব্যাখ্যা
গম (Wheat):
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী
- এছাড়া দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি তাই প্রতিবছর গম আমদানি করতে হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৪.
কোন প্রজাতিকে সুন্দরবনের ফ্ল্যাগশিপ প্রজাতি বলা হয়?
  1. রয়েল বেঙ্গল টাইগার
  2. কুমির
  3. মায়া হরিণ 
  4. বানর 
সঠিক উত্তর:
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা জলাভূমির বন হিসেবেও পরিচিত।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে বিস্তৃত সুন্দরবনের আয়তন ২,৪০০ বর্গমাইল বা ৬২%।
- সুন্দরবনের প্রাণীবৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
- এখানে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- সুন্দরবনের ফ্ল্যাগশিপ প্রজাতি হলো- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- কারণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার এই ম্যানগ্রোভ পরিবেশে টিকে থাকতে অভিযোজিত হয়েছে।
- এছাড়া এর সাঁতার কাটার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
• সুন্দরবন যে এলাকাগুলো জুড়ে রয়েছে: সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনা।
• সুন্দরবনের অভয়ারণ্য বা restricted area এর মধ্যে রয়েছে: হিরণ পয়েন্ট, আলকী দীপ।

• সুন্দরবনের প্রধান ম্যানগ্রোভ গাছগুলো হলো:
- সুন্দরী, গেওয়া, গড়ান, পশুর, বাইন, হেঁতাল, গোলপাতা, কেওড়া, ধুন্দুল।
-  এই গাছগুলো লবণাক্ত পরিবেশে টিকে থাকে এবং বনটির বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• সুন্দরবনের বিখ্যাত প্রাণী:
- চিত্রা ও মায়া হরিণ, বানর, বনবিড়াল, সজারু, বন্য শূকর, বিভিন্ন ধরনের পাখি (যেমন মদনটাক, মাছরাঙ্গা, শঙ্খচিল), কুমির, সাপ, গাঙ্গেয় ডলফিন, এবং ভোঁদড়সহ নানা স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ ও জলজ প্রাণী।

উৎস:
১. বন অধিদপ্তর,
২. বাংলাপিডিয়া;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫৫৫.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৫৫৬.
Which of these is not one of the 13 countries crossed by the Equator?
  1. ক) Republic of the Congo
  2. খ) Egypt
  3. গ) Uganda
  4. ঘ) Kenya
সঠিক উত্তর:
খ) Egypt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Egypt
ব্যাখ্যা
The Equator passes through 13 countries: 
Ecuador, Colombia, Brazil, Sao Tome & Principe, Gabon, Republic of the Congo, Democratic Republic of the Congo, Uganda, Kenya, Somalia, Maldives, Indonesia and Kiribati. 
At least half of these countries rank among the poorest in the world.
 
Source: Britannica. pbs.org
৫৫৭.
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য -
  1. ১০ মিনিট
  2. ৮ মিনিট
  3. ৬ মিনিট
  4. ৪ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান:
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। 
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫৮.
ভারতের দাক্ষিণাত্যের মালভূমি কী ধরনের মালভূমি?
  1. চ্যুতি মালভূমি
  2. পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  3. ক্ষয়জাত মালভূমি
  4. আগ্নেয় মালভূমি
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় মালভূমি
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় মালভূমি:
→ অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-ত্বকের কোনো ফাটল বা আগ্নেয়গিরির ছিদ্র পথে ভূ-গর্ভ হতে লাভা প্রবাহ ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং শীতলীকরণ প্রক্রিয়ায় ঠান্ডা হয়ে কঠিন অবস্থা ধারণ করে যে ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে আগ্নেয়জাত মালভূমি বলে। যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৫৯.
বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে কোন দেশে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. অস্ট্রেলিয়ায়
  3. রাশিয়ায়
  4. ব্রাজিলে
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল:
- বিশ্বের সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে রাশিয়ায়।
- বিশ্বের বৃহত্তম এই দেশে বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ বনভূমির অবস্থান।
- রাশিয়ার মোট ভূমির ৪৫ শতাংশ বন দ্বারা আচ্ছাদিত।
- এখানে প্রায় ৮১৫ মিলিয়ন হেক্টর বনভূমি বিদ্যমান।
- এছাড়া ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন, অস্ট্রেলিয়া এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো হলো অন্যান্য দেশ যেখানে ১০০ মিলিয়ন হেক্টরের অধিক বনাঞ্চল রয়েছে।
--------------------

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বিশ্বের বৃহত্তম দেশ - রাশিয়া।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ভ্লাদিমির পুতিন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম - ইউনাইটেড রাশিয়া।
- রাশিয়ার সাথে ১৪ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে - ১৯১৭ সালে।
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয় - ১৯২২ সালে।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন - ক্রেমলিন।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ - ৬ বছর।
- সোভয়েত ইউনিয়নের স্থায়িত্বকাল - ১৯২২-১৯৯১ সাল।
- USSR (Union of Soviet Socialist Republic) বিলুপ্ত হয় - ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে।
- রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘঠিত হয় - ১৯১৭ সালে।

উৎস: Worldatlas [লিঙ্ক]
৫৬০.
সুন্দরবনের কয়টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- অবস্থান: খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হচ্ছে আমাদের সুন্দরবন। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে এ বন অবস্থিত।
- পরিমাণ: প্রায় ৬,০১,৭০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ৪.১৩% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: সুন্দরী, গেওয়া, কেওড়া, পশুর, বাইন, কাকড়া ইত্যাদি এ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি।
- বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, শুকর, কুমির, ডলফিন, গুইসাপ, অজগর, হরিয়াল, বালিহাঁস, গাংচিল, বক, মদনটাক, মরালিহাঁস, চখা, ঈগল, চিল মাছরাঙা ইত্যাদি।

- নদী/খাল: এ বনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত প্রধান প্রধান নদীগুলো হলো- পশুর, শিবসা, বলেশ্বর, রায়মংগল ইত্যাদি। তাছাড়া শত শত খাল এ বনের মধ্যে জালের মতো ছড়িয়ে আছে।
- মাছ: শুধু বৃক্ষসম্পদ নয়, এ বন মৎস্য সম্পদেরও এক বিরাট আধার। ইলিশ, লইট্টা, ছুরি, পোয়া,  রূপচাঁদা, ভেটকি, পারসে, গলদা, বাগদা, চিতরা ইত্যাদি মাছ পাওয়া যায়।
- বিশ্ব ঐতিহ্য: সুন্দরবনের ৩ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য নিয়ে গঠিত ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বনাঞ্চলকে ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
সুন্দরবনের ৩ টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- ১) সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ২) সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, ৩) সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। (লিংক)(লিংক২)

৫৬১.
নিচের কোনটি ক্ষয়জাত সমভূমি?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) বরেন্দ্রভূমি
  3. গ) মেঘনা প্লাবিত সমভূমি
  4. ঘ) হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। উৎপত্তিগতভাবে সমভূমি সঞ্চয়জাত ও ক্ষয়জাত দু’ভাবে গঠিত।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমি গঠিত হয়।
ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ:
- বরেন্দ্রভূমি
- মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি
- ফিনল্যান্ড
- সাইবেরিয়া প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সুন্দরবন, হাতিয়া ও মেঘনা প্লাবিত সমভূমি হলো নদী দ্বারা সৃষ্ট সঞ্চয়জাত সমভূমি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫৬২.
'লাল করিডোর' অঞ্চল চিহ্নিত হয় -
  1. বাংলাদেশে
  2. নেপালে
  3. ভুটানে
  4. ভারতে
সঠিক উত্তর:
ভারতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতে
ব্যাখ্যা
• 'লাল করিডোর' অঞ্চলটির অবস্থান ভারতে।

- ভারতের পূর্ব ও দক্ষিণের যেসব এলাকায় মাওবাদী বা নকশালপন্থীদের ব্যাপক তৎপরতা রয়েছে, সে এলাকা ‘লাল করিডর’ বলে পরিচিত।
- নকশালি গ্রুপ বলতে যা বোঝায়, তা হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মাওবাদী) সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে গঠিত দল।
- তারা মাওবাদী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ শিবির ও গণ-আদালত পরিচালনা করে থাকে।
- গণ-আদালত হচ্ছে সরকারের অনুমোদনহীন আদালত, যেখানে মাওবাদীরা নিজস্ব নিয়মে বিচার পরিচালনা করে।
- ভারতে ১৯৬৭ সালে প্রণীত ‘বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধবিষয়ক আইন’ বলে নকশালদের সব ধরনের সংগঠন সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ।
- ‘লাল করিডর’ যেসব রাজ্যের মধ্য দিয়ে গেছে, সেগুলো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, ওডিশা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র প্রদেশ ও উত্তর প্রদেশ।

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট [লিঙ্ক]।
৫৬৩.
সমমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত নয় নিচের কোনটি?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. এক্সোমন্ডল
  3. মেসোমন্ডল
  4. স্ট্রাটোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
এক্সোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা

'এক্সোমন্ডল' সমমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

বায়ুমন্ডলের স্তর বিন্যাস:

- বায়ুমন্ডল বিভিন্ন স্তরে স্তরে সজ্জিত।
- বায়ুমন্ডলের স্তরসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর থেকে উপরের দিকে ক্রমশ লঘু হয়।
- উলম্বভাবে (Vertically) বায়ুর তাপমাত্রার বিন্যাসের ভিত্তিতে বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- ট্রপোমন্ডল,
- স্ট্রাটোমন্ডল,
- মেসোমন্ডল,
- তাপমন্ডল ও
- এক্সোমন্ডল।

উল্লেখ্য,
- বায়ুমন্ডলের উপরিউক্ত স্তরগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি (ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডল) সমমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- শেষের দুইটি (তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল) বিষমমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।



উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬৪.
আরব উপদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর পশ্চিম
  2. খ) পশ্চিম
  3. গ) উত্তর পূর্ব
  4. ঘ) দক্ষিণ পূর্ব
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিম
ব্যাখ্যা
- আরব উপদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ।
- এর আয়তন প্রায় ১২.৫ লক্ষ বর্গমাইল।
- জর্ডান ও ইরাকসহ এতে নয়টি দেশ অবস্থিত। এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ সৌদি আরব এবং ক্ষুদ্রতম বাহরাইন।
- এটি এশিয়া মহাদেশের পশ্চিম দিকে অবস্থিত

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৫৬৫.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ক) বেলেপাথর
  2. খ) কাঁকর
  3. গ) ব্যাসল্ট
  4. ঘ) বালি
সঠিক উত্তর:
ক) বেলেপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেলেপাথর
ব্যাখ্যা
বেলেপাথর, কয়লা,শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর, কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ। জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে। (রেফারেন্স - বাংলাপিডিয়া)
৫৬৬.
কোন শিলা মানুষের দৈনন্দিন কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আগ্নেয়
  2. খ) পাললিক
  3. গ) রূপান্তরিত
  4. ঘ) খনিজ
সঠিক উত্তর:
খ) পাললিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাললিক
ব্যাখ্যা
• পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাই পাললিক শিলা। পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত।
- স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- পাললিক শিলা তিন প্রকার।
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় ভূখণ্ড (supercontinent) কী নামে পরিচিত?
  1. প্যারাশিয়া
  2. প্যানজিয়া
  3. মেসোজোয়িক
  4. পেলিওজয়িক
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা
বৃহত্তম মহাদেশীয় ভূখণ্ড (supercontinent):
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশীয় ভূখণ্ড (supercontinent) প্যানজিয়া (Pangaea) নামে পরিচিত।

- বিজ্ঞানী ওয়েগনারের মতে, ইন্ডিয়া, সাউথ আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা একসঙ্গে জড়ো হয়ে গন্ডোয়ানাল্যান্ড গঠন করে।
- নর্দান আমেরিকা, ইউরোপ, নর্থ ও মিড এশিয়া লরেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
- এই দুই ভূখণ্ড গন্ডোয়ানাল্যান্ড ও লরেশিয়া মিলে যে সুবিশাল স্থলভাগ গঠন করেছিল সেটির নামই প্যানজিয়া।
- এই প্যানজিয়াই হলো বর্তমানকালের দৃশ্যমান মহাদেশগুলোর আদি-অকৃত্রিম রূপ।
- আলফ্রেড ওয়েগনার এই প্যানজিয়াকে ঘিরে থাকা বিশাল জলভাগের নামকরণ করেছিলেন প্যানথালাসা।
- এটি প্রাচীনকালকার একটি বৃহৎ ভূতাত্ত্বিক মহাদেশ ছিল, যা বর্তমানে পৃথক পৃথক মহাদেশে বিভক্ত হয়ে গেছে।
- প্যানজিয়া (Pangea) প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন বছর আগে একত্রিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন মহাদেশের বিচ্ছেদ ঘটে, যার ফলস্বরূপ বর্তমানের মহাদেশগুলো সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- একটি সুপারকন্টিনেন্ট হলো এমন এক ভূমিভাগ যা পৃথিবীর অধিকাংশ বা সবগুলো ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত।
- এই সংজ্ঞা অনুযায়ী, বর্তমান আফ্রিকা ও ইউরেশিয়া মহাদেশগুলি একত্রে গঠন করা ভূমিভাগও একটি সুপারকন্টিনেন্ট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- পৃথিবীর সর্বশেষ সুপারকন্টিনেন্ট Pangea ছিল, যা পৃথিবীর প্রধান ভূখণ্ডগুলির প্রায় সবগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছিল এবং এটি সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচিত সুপারকন্টিনেন্ট।

(A supercontinent is a landmass made up of most or all of Earth's land. By this definition, the landmass formed by present-day Africa and Eurasia could be considered a supercontinent. The most recent supercontinent to incorporate all of Earth's major—and perhaps best-known—landmasses was Pangea.)

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
৫৬৮.
কোথায় ‘বেঙ্গল ফ্যান’ ভূমিরূপটি অবস্থিত?
  1. সিলেট অঞ্চলে
  2. বঙ্গোপসাগরে 
  3. হিমালয়ের পাদদেশে
  4. চট্টগ্রাম পাহাড়ের পাদদেশে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে 
ব্যাখ্যা
• গঙ্গা গিরিখাত:
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিরূপ হলো গঙ্গা অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of no Ground) নামে পরিচিত।
- এটি একটি অত্যন্তখাড়া তীর বিশিষ্ট সামুদ্রিক গিরিখাত, যা উত্তর-পূর্ব দিক থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রলম্বিত হয়ে বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশের সাথে মিশেছে।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড জোয়ার- ভাটা, পললের গতিবিধি ও অবক্ষেপন, পানির গতি-প্রকৃতি প্রভৃতির উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীবাহিত পলি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মধ্য দিয়ে টারবিডিটি স্রোতের মাধ্যমে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নিয়ে আসে।
- এ পলি মিশ্রিত স্রোত বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অগভীর খাতের সৃষ্টি করে শিরা- উপশিরার ন্যায় বেষ্টনি তৈরি করেছে।
- এটি ‘বেঙ্গল ফ্যান’ (Bengal Fan) বা ‘গাঙ্গেয় ফ্যান' (Ganges Fan) নামে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৯.
দেশে প্রথম রাবার বাগান গড়ে উঠে কোথায়?
  1. রামু
  2. সীতাকুন্ড
  3. মালিনীছড়া
  4. বেতবুনিয়া
সঠিক উত্তর:
রামু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামু
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৭টি রাবার বাগান রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৫৭০.
নিম্নলিখিত পর্বতগুলির মধ্যে কোনটি আগ্নেয় পর্বত নয়?
  1. পিনাটুবো 
  2. কিলিমানজারো
  3. ভিসুভিয়াস
  4. হেনরী
সঠিক উত্তর:
হেনরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত ল্যাকোলিথ পর্বতের উদাহরণ। 

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):

- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়।
- একে সঞ্চিত পর্বতও বলে। 
- এই পর্বত সাধারণত মোচা আকৃতির হয়ে থাকে। 
 আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হল:
- ইতালির ভিসুভিয়াস 
- কেনিয়ার কিলিমানজারো। 
- জাপানের ফুজিয়ামা 
- ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত। 

• ল্যাকোলিথ পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭১.
'ভাওয়াইয়া' মূলত কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

- 'ভাওয়াইয়া' মূলত রংপুর অঞ্চলের গান।
- মূলত গরুর গাড়ি চালকদের মুখে এ গান শোনা যায়।
- 'গম্ভীরা' বৃহত্তর রাজশাহী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) অঞ্চলের গান।
- 'জারি গান' মূলত ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের গান। এটি মূলত দুই পক্ষের মধ্যে গানের প্রতিযোগিতা।
- 'ভাটিয়ারী' মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
- 'লেটো' মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গান।
- 'চটকা' রংপুর অঞ্চলের গান।

৫৭২.
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় অবস্থিত।
Source: safariparkgazipur.info.bd
৫৭৩.
পাতাগোনিয়ান মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

পাতাগোনিয়ান মরুভূমি:
-  এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মরুভূমি।
- পাতাগোনিয়ান মরুভূমি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত। 
- এ মরুভূমি বিস্তৃত আর্জেন্টিনা ও চিলি উভয় দেশে।
- এটি দেখতে বেশ সুন্দর হওয়ায় বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে বেশি পরিচিত।
- এ মরুভূমির দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে আন্দিজ পর্বতমালা।
- আর পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর।
- প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক এখানে আসেন।
- প্রায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে মরুভূমিটি বিস্তৃত। 
- অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী এ মরুভূমিতে দেখা যায়।

উৎস: Worldatlas.

৫৭৪.
কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. কয়লা
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

অনবায়নযোগ্য সম্পদ: 
- অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৫.
‘টাঙ্গুয়ার হাওর‘ কখন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171

বাংলাদেশ ও রামসারঃ
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৫৭৬.
সাহার মরুভূমি নিচের কোন দেশের অংশ নয়?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. গ্যাবন
  4. মালি
সঠিক উত্তর:
গ্যাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাবন
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- আয়তন: প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- আফ্রিকায় অবস্থান: সাহারা উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশে বিস্তৃত,
- যা সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% জুড়ে রয়েছে। 
- উত্তরে: ভূমধ্যসাগর ও অ্যাটলাস পর্বতমালা। 
- পূর্বে: লোহিত সাগর। 
- পশ্চিমে: আটলান্টিক মহাসাগর। 
- দক্ষিণে: সাহেল অঞ্চল। 
- সাহারা মরুভূমির বিস্তৃত: আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান।
- গ্যাবন সহারা মরুভূমির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
৫৭৭.
প্রবাহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলা হয়?
  1. মোহনা
  2. অববাহিকা
  3. দোয়াব
  4. উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা
• নদী সম্পর্কিত গুরত্বপূর্ণ তথ্যাবলি:
→ উৎস:
নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে ।

→ মোহনা:
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয়, সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে ।

→ দোয়াব অঞ্চল:
দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব বলে ।


→ নদী উপত্যকা:
যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়।

→ নদীসঙ্গম:
পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

→ নদী অববাহিকা:
মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

অন্যদিকে,
→ উপনদী:
বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন- যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

→ শাখানদী:
কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন- ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৮.
কোন গ্রহের একটি উপগ্রহ রয়েছে?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) বুধ
  3. গ) পৃথিবী
  4. ঘ) শুক্র
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবী
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি।
- বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই।
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)
- মঙ্গলের উপগ্রহ দুইটি (ফোবস ও ডিমোস)।
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ শনির।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপগ্রহ বৃহস্পতির।
- ইউরেনাসকে সবুজগ্রহ,
- বুধকে ক্ষুদ্রগ্রহ,
- মঙ্গলকে লালগ্রহ,
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭৯.
ভূত্বকে সিলিকনের পরিমাণ-
  1. ক) ২০.৭%
  2. খ) ৪২.৭%
  3. গ) ১৬.৮%
  4. ঘ) ২৭.৭%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭.৭%
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ ২.১%।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত?
  1. ক) উত্তর
  2. খ) দক্ষিণ
  3. গ) পূর্ব
  4. ঘ) পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয় ভাবে টিলা নামে পরিচিত।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
পাহাড়গুলাে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগােত্রীয়। এ পাহাড়গুলাে বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১.২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ : ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার ৫ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলাের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলাে স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলাের উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫৮১.
খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল কোন ধরনের প্লাবন সমভূমি?
  1. ব-দ্বীপ সমভূমি
  2. স্রোতজ সমভূমি
  3. নিয়তভাবাপন্ন
  4. পাদদেশীয় সমভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
 - সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
- খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।

এছাড়াও,
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা নোয়াখালী ও সিলেট অঞ্চলের বন্যা প্রবণ প্লাবন সমভূমি।
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫৮২.
নিচের কোন জেলা রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) সিলেট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত রাজশাহী জেলা।
তথ্য যাচাইঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৮৩.
কোনটি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত?
  1. তারিম মালভূমি
  2. পামীর মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পামীর মালভূমি
ব্যাখ্যা
→ পামীর মালভূমি "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিত।

⇒ পামীর মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
- যা মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার, যা একে "পৃথিবীর ছাদ" হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
- পামীর মালভূমি বিশ্বের কয়েকটি বৃহৎ পর্বতমালার মিলনস্থল, যেমন: হিমালয়, কারাকোরাম এবং তিয়ান শান।

অন্যদিকে,
- গোলান মালভূমি: সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত এবং এটি একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।
- তিব্বত মালভূমি: এটি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি, যা উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
- কলোরাডো মালভূমি (Colorado Plateau) উত্তর আমেরিকার একটি প্রাকৃতিক এলাকা, যা পশ্চিমী যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বিস্তৃত।
- তারিম মালভূমি পশ্চিম চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৫৮৪.
ম্যানগ্রোভ বনের বৃক্ষ নয় কোনটি?
  1. শাল
  2. কেওড়া
  3. ধুন্দল
  4. গরান
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ বনের বৃক্ষ নয় শাল।

ম্যানগ্রোভ বন:

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।
সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।

ম্যানগ্রোভ বনের বিস্তৃতি:
প্রাকৃতিকভাবে ম্যানগ্রোভ বন বা সুন্দরবন বৃহত্তর খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে এবং চট্টগ্রামের চকরিয়া (ক্ষয়িষ্ণু) অংশে অবস্থিত।

ম্যানগ্রোভ বনের বৈশিষ্ট্য: 
ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
১। ম্যানগ্রোভ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার ফলে দৈনিক দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয়।
২। এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
৩ । সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
৪। এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী
৫। ম্যানগ্রোভ বনের আবহাওয়া সব সময় আর্দ্র এবং লোনা পানিতে ভেজা থাকে।

প্রধান প্রধান গাছপালা ও বন্যপ্রাণী:
ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো- সুন্দরী, ধুন্দল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে- রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৫.
হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে -
  1. ক) আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশকে
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
  3. গ) পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে
  4. ঘ) আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে
ব্যাখ্যা
- হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- হরমুজ প্রণালী সংযুক্ত করেছে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে।

জিব্রাল্টার প্রণালী
- সংযুক্ত করেছে - আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে এবং
- পৃথক করেছে -  আফ্রিকা (মরক্কো) ও ইউরোপ (স্পেন) মহাদেশকে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫৮৬.
ইউরোপের আল্পস ও উত্তর আমেরিকার রকি কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮৭.
সুন্দরবনের মোট আয়তনের কী পরিমাণ বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত?
  1. ৫,৯৮৮ বর্গ কি. মি
  2. ৬,০১৭ বর্গ কি. মি
  3. ৬,২১২ বর্গ কি. মি
  4. ৬,৪১৯ বর্গ কি. মি
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি. মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কি. মি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫৮৮.
“ভবদহ” বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফরিদপুরে
  2. খ) জামালপুরে
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) যশোরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যশোরে
ব্যাখ্যা

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় মোট ২৯ টি বিল আছে।
এই উপজেলাতেই ভবদহ বিল অবস্থিত।
উৎসঃ অভয়নগর উপজেলা ওয়েবসাইট।

৫৮৯.
ম্যানগ্রোভ কী?
  1. কেওড়া বন
  2. চিরহরিৎ বন
  3. শালবন
  4. উপকূলীয় বন
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯০.
প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি কোনটি?
  1. বরেন্দ্রভূমি
  2. লালমাই পাহাড়
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত। 
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯১.
লালমাই পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- লালমাই পাহাড় কুমিল্লা জেলার একটি বিখ্যাত ভূ-আকৃতি।

লালমাই পাহাড়: 
- লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এটি কুমিল্লা জেলার একটি বিশেষ ধরনের উঁচুভূমি, এটি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পাহাড়টি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- পাহাড়ের মাটি লাল রঙের এবং এতে নুড়ি, বালি, ও অন্যান্য খনিজ উপাদান মিশ্রিত।
- সমভূমি থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক উচ্চভূমি হিসেবে বিবেচিত।  

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
কোনটি 'ল্যাটিন আমেরিকান' রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কানাডা
ব্যাখ্যা
- ল্যাটিন আমেরিকা বিশটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং বিভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- ল্যাটিন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণে অবস্থিত সমস্ত পর্তুগিজ এবং স্প্যানিশ ভাষী রাষ্ট্রসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- অন্তর্ভূক্ত রাষ্ট্রসমূহ: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, প্যারাগুয়ে, পেরু, উরুগুয়ে, ভেনেজুয়েলা, পানামা, এল সালভাদর, গুয়েতেমালা, হুন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, কোস্টারিকা, কিউবা, হাইতি, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র।

- 'কানাডা' উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত একটি দেশ।

সোর্সঃ worldatlas
৫৯৩.
কোন্‌ প্রাণালী এশিয়া মহাদেশ ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. ক) জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. খ) বসফরাস প্রণালী
  3. গ) বাবেল মান্দেপ প্রণালী
  4. ঘ) বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
গ) বাবেল মান্দেপ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাবেল মান্দেপ প্রণালী
ব্যাখ্যা
- বাবেল মান্দেব প্রণালি এশিয়া (ইয়েমেন) এবং আফ্রিকা (জিবুতি ও ইরিত্রিয়া) মহাদেশকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে। এটি এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
অন্যদিকে,
- বেরিং প্রণালি এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- দার্দানেলিস প্রণালি তুরস্কের এশিয়া ও ইউরোপীয় অংশকে পৃথক করেছে।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫৯৪.
কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. হবিগঞ্জ
  3. সুনামগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড: 
- ১৯৬১ সালে আবিষ্কৃত এ গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ৮টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১২.১৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ড সিলেটে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- সিলেটে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র:
- হরিপুর গ্যাস ফিল্ড,
- রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড,
- বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড,
- ছাতক গ্যাস ফিল্ড। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ান।
 
৫৯৫.
বায়ুমন্ডলের উপাদান কোনটি?
  1. ক) ধূলিকণা
  2. খ) বিভিন্ন প্রকার গ্যাস
  3. গ) জলীয়বাষ্প
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান
• পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমন্ডল বেষ্টিত। এই মন্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয়
মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান।
• বায়ুমন্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ। এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ।
• বায়ুমন্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই। তাই বায়ুমন্ডলের এই সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না।
• সুতরাং বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।   

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৯৬.
 নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. মৌলভীবাজার
  3. কুমিল্লা 
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা 
ব্যাখ্যা

কুমিল্লায় প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড় রয়েছে।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৭.
‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত জেলা কোনটি?
  1. কক্সবাজার
  2. ভোলা
  3. পটুয়াখালী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা।
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ যা বাংলা করলে ‘বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী’ হয়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৫৯৮.
আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) হিমালয়
  2. খ) আন্দিজ
  3. গ) রকি
  4. ঘ) ভিসুভিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিসুভিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিসুভিয়াস
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় পর্বত : আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত লাভা, দীর্ঘকাল ধরে একই জায়গায় সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বতের
সৃষ্টি করে।  যেমন - জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৯.
‘প্যারা বন’ বলতে কোন ধরনের বনকে বোঝানো হয়? 
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন 
  2. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন 
  3. উপকূলীয় বন 
  4. মিঠাপানির জলাভূমির বন 
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন 
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি।প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মতো এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।

- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
 - বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে।

-  এ বন কে প্যারা বন ও বলা হয়।
 - উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।
 - এই বনায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগর থেকে ১ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ভূমি দেশের মূল ভূ-খন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের মজুদ কার্বন সংরক্ষণের লক্ষ্যে উপকূলবর্তী জেগে ওঠা চরে সৃজিত বনের ২ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৮৮.৮৫ একর সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

৬০০.
খুলনা কাগজ কলের মূল কাঁচামাল হিসেবে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হতো?
  1. বাঁশ
  2. লতা–গুল্ম তন্তু
  3. গেওয়া কাঠ
  4. পুনর্ব্যবহৃত কাগজ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

∗ খুলনা নিউজপ্রিন্ট:
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ছিল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাগজ শিল্প।
- ১৯৬০–এর দশকের শেষ দিকে খুলনার রূপসা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় কাঠসহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল পরিবহনে সুবিধা থাকায় এটি দ্রুত শিল্পায়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- খুলনা কাগজ কলের মূল কাঁচামাল হিসেবে গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হতো।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল:
• দেশের নিউজপ্রিন্ট আমদানিনির্ভরতা কমানো,
• খুলনা অঞ্চলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
- তবে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, আর্থিক লোকসান এবং কাঁচামালের ঘাটতির ফলে মিলটি ক্রমে অচল হয়ে পড়ে;
- এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৯৩ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- যদিও সরাসরি মিলের কার্যক্রম জলবায়ু দ্বারা প্রভাবিত ছিল না;
- কিন্তু, খুলনা অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন, অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টি এবং পানির ঘাটির মতো সমস্যা কাঁচামাল সরবরাহ ও শ্রমিকদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করেছিল।
 
উৎস:
1. The Daily Star;
2. দৈনিক ইনকিলাব।