বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন৮৯৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ, সম্পদের বন্টন ও গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৮৯৯

২০১.
লোহিত সাগর কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও আফ্রিকা
  2. এশিয়া ও ইউরোপ
  3. আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

লোহিত সাগর:
- লোহিত সাগর হলো একটি দীর্ঘ ও সরু সমুদ্র।
- লোহিত সাগরের সর্বোচ্চ প্রস্থ প্রায় ১৯০ মাইল এবং গভীরতা প্রায় ৯,৯৭৪ ফুট (৩,০৪০ মিটার)। 
- এর আয়তন প্রায় ৪৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার।

- এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে প্রাকৃতিক বিভাজন তৈরি করে।
- এর পশ্চিম তীর আফ্রিকার দেশগুলো—মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি দ্বারা গঠিত।
- আর পূর্ব তীর এশিয়ার দেশগুলো- আরব উপদ্বীপের সৌদি আরব ও ইয়েমেন দ্বারা ঘেরা।
- লোহিত সাগর উত্তরে সিনাই উপদ্বীপ, সুয়েজ উপসাগর এবং আকাবা (এলাত) উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত;
- এবং দক্ষিণে বাব-এল-মান্দেব প্রণালী ও এডেন উপসাগরের মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি ভারত মহাসাগরের একটি অভ্যন্তরীণ সমুদ্র হিসেবে কাজ করে।
- এটি সুয়েজ খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে পরোক্ষভাবে সংযুক্ত। 
- এটি আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপকে পৃথক করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবেও বিবেচিত।

উৎস: Britannica. 

২০২.
সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পায়?
  1. ক) ৪° সেলসিয়াস
  2. খ) ৬° সেলসিয়াস
  3. গ) ৮° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১২° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ৬° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। যেমন-দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্নরকম হয়। দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২০৩.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান?
  1. মধুপুর গড়
  2. ভাওয়াল বন
  3. সুন্দরবন
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সুন্দরবন ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, এটি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় বিস্তৃত এবং ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো এই বনভূমিকে প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। 

​ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থানকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনটি স্থান হলো:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)।
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

২০৪.
East London কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইংল্যান্ডে
  2. খ) জার্মানিতে
  3. গ) আমেরিকায়
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকায়
ব্যাখ্যা
- East London, Afrikaans Oos-Londen, port city, Eastern Cape province, South Africa.
- It lies at the mouth of the Buffalo River along the Indian Ocean.
- Buffalo Harbour, first visited by the British in 1836 and named Port Rex, was used as a supply base during the seventh Cape Frontier War (1846).
- The next year, Fort Glamorgan (now a prison) was built, and the site was annexed to Cape Colony as the Port of East London.
- It prospered after the arrival of German settlers in the late 1850s, becoming a town in 1873 and a city in 1914.

Source: Britannica
২০৫.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শ্রীমঙ্গল
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পঞ্চগর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৭ সালে পূর্বেকার পাকিস্তান টি বোর্ডের স্থলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
২০৬.
পাল শাসন আমলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি ‘জগদ্দল বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) নওগাঁ
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা

পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি 'জগদ্দল বিহার' রাজা রামপাল কর্তৃক নির্মিত।
এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শালবন বিহার (সর্বপ্রাচীন) কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- বাসু বিহার অবস্থিত বগুড়ার শিবগঞ্জে।
- উয়ারী বটেশ্বর অবস্থিত নরসিংদীতে।

সূত্রঃ http://www.archaeology.gov.bd

২০৭.
বাংলাদেশে শালবনের বৃহৎ অঞ্চল কোন কোন জেলায় বিস্তৃত?
  1. গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
  2. সিলেট, কক্সবাজার ও বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কুমিল্লা
  4. বরিশাল, পটুয়াখালী ও খুলনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ (Shorea robusta) মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- মুল কর্তিত গাছ থেকে পুনরায় গজানোর গুণ থাকায় এগুলোকে গজারি বন ও বলা হয়। 
- মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
- মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। 
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কি.মি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কি.মি। 
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত। 
- এছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
২০৮.
বাংলাদেশের কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত?
  1. কর্ণফুলী
  2. হালদা
  3. সাঙ্গু
  4. মাতামুহুরী
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপত্তি লাভ করা হালদা নদী কর্ণফুলী নদীর একটা উপনদী।
- এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত যা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- এছাড়া সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- হালদা নদী বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।

সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

২০৯.
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, কোন দেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ব্রাজিল
  2. রাশিয়া
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বনভূমি:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা ৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন হেক্টর এলাকায় বনভূমি রয়েছে। 
- পৃথিবীর মোট বনভূমির বেশির ভাগ নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থিত। 
- ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী রাশিয়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে।
- দেশটিতে ৮১ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট বনভূমির ২০ দশমিক ৪১ শতাংশই রাশিয়ায়।
- দেশটির বনভূমির বড় অংশ রয়েছে ফার ইস্টার্ন ফেডারেল অঞ্চলে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সাইবেরিয়ান ফেডারেল অঞ্চল।
- এসব এলাকার বেশির ভাগ গাছই লার্চ, পাইন ও স্প্রুস জাতের।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
২১০.
কোনটি প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
  1. ক) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  2. খ) টাঙ্গুয়ার হাওড়
  3. গ) সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) চলন বিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চলন বিল
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বলতে মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে বোঝায়।
সরকারিভাবে ঘোষিত বর্তমানে দেশে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা - ১৩টি।
এগুলো হল:
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ,
- কক্সবাজার ও টেকনাফ উপকূলবর্তী এলাকা,
- সোনাদিয়া দ্বীপ,
- হাকালুকি হাওর,
- টাঙ্গুয়ার হাওর,
- মারজাত বাঁওড়,
- গুলশান-বারিধারা লেক,
- সুন্দরবন,
- বুড়িগঙ্গা নদী,
- শীতলক্ষ্যা নদী,
- বালু নদী,
- জাফলং-ডাউকি নদী এবং
- তুরাগ নদী।
২১১.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়?
  1. ক) নিঝুম দ্বীপ
  2. খ) মনপুরা দ্বীপ
  3. গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  4. ঘ) শাহ্‌ পরীর দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- চুনাপাথর (Limestone) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ। 
- সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট, লালঘাট ও বাগলিবাজার, সিলেট জেলার জাফলং, জকিগঞ্জ, চরগাঁ ও ভাঙ্গারহাট, জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট ও জামালগঞ্জ, কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ, চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে চুনাপাথর ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হয়।
-  এছাড়া গৃহনির্মাণ, গ্লাস, ইস্পাত, কাগজ, সাবান, ব্লিচিং পাউডার, রং ও ক্যালসিয়াম কার্বাইড প্রভৃতি তৈরিতে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১২.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. ক) বিষুবরেখা
  2. খ) ০° অক্ষরেখা
  3. গ) মহাবৃত্ত
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।

নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো-
বিষুবরেখা (Equator),
০° অক্ষরেখা ( ০° Latitude),
মহাবৃত্ত (Great circle)।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
২১৩.
কোন প্রণালি উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
  1. ক) পক
  2. খ) ফ্লোরিডা
  3. গ) জিব্রাল্টার
  4. ঘ) বেরিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেরিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেরিং
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী আর্কটিক মহাসাগরকে বেরিং সাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
প্রণালীটি ৩০ থেকে ৫০ মিটার গভীর এবং সংকীর্ণতম অংশটি প্রায় ৫৩ মাইল (৮৫ কিমি) প্রশস্ত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২১৪.
আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) জর্দান
  4. ঘ) ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
গ) জর্দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জর্দান
ব্যাখ্যা
আকাবা হলো আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত জর্দানের একমাত্র সমুদ্রবন্দর।

অন্যদিকে,
- আকিয়াব (বর্তমান নাম সিত্তে) ও ইয়াঙ্গুন : মিয়ানমারের সমুদ্র বন্দর।
- জেদ্দা ও দাম্মাম : সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর।
- এডেন ও হুদাইদাহ : ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২১৫.
পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের কত শতাংশ আমাজন উৎপাদিত হয়?
  1. প্রায় ৯ শতাংশ
  2. প্রায় ২০ শতাংশ
  3. প্রায় ৩২ শতাংশ
  4. প্রায় ৪৪ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: i) National Geographic.
ii) World Atlas.
২১৬.
'সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. চকোরিয়া
  2. পতেঙ্গা
  3. টেকনাফ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত।
- লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্র সৈকতের পাড়ের সাবরাং এলাকায় প্রস্তাবিত পর্যটন অঞ্চল হচ্ছে 'সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক'।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।
- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।

২১৭.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন খনিজ দ্রব্য বেশি পাওয়া যায়?
  1. চুনাপাথর
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কয়লা
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ:
- অ্যান্টার্কটিকার বেশিরভাগ অংশই বরফ দ্বারা আবৃত তাই এটি মানুষ বসবাসের অনুপযোগী।
- বিশ্বের প্রায় ৭০% স্বাদু পানির রিজার্ভ সেখানে হিমায়িত রয়েছে।
- সর্বোচ্চ বিন্দু: ভিনসন মাসিফ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে স্যাবগ্লাসিয়াল।
- এ মহাদেশের জীবজন্তু: পেঙ্গুইন, তিমি ও সীল।
- এ মহাদেশের প্রধান সম্পদ: পাথর।
- প্রধান খনিজ দ্রব্য: কয়লা।

উল্লেখ্য,
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।
- অ্যান্টার্কটিক দক্ষিণ মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এটিতে ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরু রয়েছে।
- এটি পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ। 
- এর আয়তন ১,৩২,০৯,০০০ বর্গ কি.মি.।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। 
২১৮.
বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) মাতামুহুরী
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম, বৃহত্তম, প্রশস্ত এবং গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা হিমালয় বলয় বহির্ভূত (Non-Himalayan) নদী।
- মেঘনা মূলত সুরমা, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গার মিলিত স্রোতধারা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া; ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২১৯.
Which of the following is the third tallest mountain in the world?
  1. ক) Kanchenjunga
  2. খ) K2
  3. গ) Everest
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
ক) Kanchenjunga
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Kanchenjunga
ব্যাখ্যা
- Kanchenjunga is the tallest mountain in India.
- It is the third tallest mountain in the world, after Everest and K2.
 
Source: Britannica
২২০.
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।

⇒ বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর, আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি। একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।
- সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে।
- আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে।
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি। এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।

উৎস: সিলেট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২২১.
'হর্ন অফ আফ্রিকা' অঞ্চলে কোন দেশটি অবস্থিত নয়? 
  1. ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া
  3. ইরিত্রিয়া
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

- 'হর্ন অফ আফ্রিকা' অঞ্চলে অবস্থিত নয় নাইজেরিয়া। 

​হর্ন অব আফ্রিকা:
১। ইরিত্রিয়া
২। সোমালিয়া
৩। জিবুতি এবং
৪। ইথিওপিয়া।
​- এই অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে আফ্রিকার শৃঙ্গাকৃতি প্রান্তে অবস্থিত বলে একে "হর্ন অফ আফ্রিকা" বলা হয়।  

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস & ব্রিটানিকা।

২২২.
নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত -
  1. নরওয়ে
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা

নরওয়ে:
- নরওয়ে ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি।
- দেশটির আয়তন .৩৮৪,৪৮৩ বর্গ কিমি।
- এর রাজধানী: অসলো।
- মুদ্রা: নরওয়েজিয়ান ক্রোন।
- নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত নরওয়ে।
- উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত এখানে সূর্য পুরোপুরি অস্তমিত হয় না।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২২৩.
The 'Roof of the World' is______
  1. ক) The Pamir Plateau
  2. খ) The Andes
  3. গ) The Apennines
  4. ঘ) The Alps
সঠিক উত্তর:
ক) The Pamir Plateau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) The Pamir Plateau
ব্যাখ্যা
- পামির মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ মালভূমি যার উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার।
- পামির মালভূমি তাজিকিস্তান, চীন, আফগানিস্তান এবং কিরগিজস্তান জুড়ে বিস্তৃত।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
২২৪.
দক্ষিণ গোলার্ধে প্রবলভাবে প্রবাহিত পশ্চিমা বায়ুর জন্য এই অঞ্চলকে কী বলা হয়?
  1. Horse Latitude
  2. Roaring Forties
  3. Trade Winds
  4. Doldrums
সঠিক উত্তর:
Roaring Forties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roaring Forties
ব্যাখ্যা

পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০ অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়।
- এসময় অপেক্ষাকৃতি উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল।
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ু প্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু।
- ৪০থেকে ৪৭ দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)।
- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০থেকে ৫০ উত্তর ও দক্ষিণঅক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে।
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না।
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত।
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো।
- এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ৩০ থেকে ৩৫ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল 'শস্যগোলা' নামে পরিচিত?
  1. ক) দক্ষিণ বঙ্গ
  2. খ) পূর্ববঙ্গ
  3. গ) পশ্চিমবঙ্গ
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরবঙ্গ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শস্যগোলা ধরা হয় উত্তরবঙ্গকে। 
- কিন্তু উত্তরবঙ্গ এখন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বিপর্যস্ত। 
- পানি সংকটে সেখানে এখন শস্য উৎপাদন সংকটাপন্ন। 
- খরা ও শৈত্যপ্রবাহ এখন শস্যহানির এক অনিবার্য নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
- উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এরই মধ্যে এ উত্তরাঞ্চলের অনেক জমি উৎপাদনের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। 
- অথচ উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক ফসলের ফলন এখনও নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
 
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট। 
২২৬.
“নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত কোনটি?
  1. চলন বিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাংগুয়ার হাওর:
- “নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত হাওরটি হলো টাঙ্গুয়ার হাওর,
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

এছাড়াও, 
• চলন বিল:
- চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।

হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।

সূত্র: সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
২২৭.
'অলিভিয়া' বন্দরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
- 'অলিভিয়া' বন্দরটি ইউক্রেনের।
- রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশের 'বাংলার সমৃদ্ধি' জাহাজটি ইউক্রেনের অলিভিয়া বন্দরে আটকা পড়েছিল।
- 'আকাবা' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে।
- 'এডেন' সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- গ্লাসগো সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- মন্ট্রিল, কুইবেক, ভ্যাঙ্কুভার সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি নিউজ।
২২৮.
ভূত্বকের রাসায়নিক দ্রব্যের দ্রবণের হার কোন অঞ্চলে বেশি সংঘটিত হয়?
  1. পাহাড়ী অঞ্চলে
  2. সমতলে
  3. চুনাপাথর অঞ্চলে
  4. মোহনায়
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
দ্রবণ  (Solution) :
ভূ-ত্বকের রাসায়নিক দ্রব্যসমূহ নদীর পানির সাথে দ্রবীভূত হয়ে নদীর প্রস্তর খন্ডগুলোকে দ্রবীভূত করে।
ফলে প্রস্তর খন্ডসমূহ সহজে ক্ষয় হয়। এ জাতীয় ক্ষয় চুনাপাথর অঞ্চলে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এইচ.এস.সি।
২২৯.
'চুনাপাথর' কোন ধরণের শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ। 

⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩০.
নিচের কোনটি ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির বৃক্ষ?
  1. শাল
  2. কড়ই
  3. হিজল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায় না।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- শাল, কড়ই, হিজল প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সুন্দরি, গরান, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।
- স্রোতময় মিঠা ও নোনা পানির সংযোগস্থলে জন্মে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩১.
কোন ধরনের ভূমিরূপের সাথে 'কাদা আগ্নেয়গিরি' যুক্ত?
  1. কার্স্ট ল্যান্ডফর্ম
  2. হিমবাহী ল্যান্ডফর্ম
  3. টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম
  4. স্ট্র্যাটোভোলকানো ল্যান্ডফর্ম
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম
ব্যাখ্যা
কাদা আগ্নেয়গিরি:
- কাদা আগ্নেয়গিরি সাধারণত টেকটোনিক ল্যান্ডফর্ম বা পেট্রোলিয়াম সংগ্রহের জায়গাগুলির চারপাশে পাওয়া যায়।
- গর্তগুলি সাধারণত অগভীর হয় এবং মাঝে মাঝে কাদা ফুটতে থাকে।
-  এটিতে হাইড্রোকার্বন গ্যাসগুলি বিস্ফোরিত হয়।
-  সুপ্ত দাশগিল মাটির আগ্নেয়গিরি কাস্পিয়ান সাগরের পশ্চিম উপকূলের কাছে আজারবাইজানে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও Sciencedirect.com
২৩২.
বরেন্দ্রভূমি দেশের কোন অঞ্চলে বিস্তৃত?
  1. পশ্চিম-পূর্বাঞ্চলে
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
  4. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্রভূমি:
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত।
- প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: 
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- মাটির রং লালচে ও ধূসর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩৩.
পেনাং কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়া
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
খ) মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
- পেনাং : মালয়েশিয়ার সমুদ্রবন্দর
- দাভাও, ম্যানিলা : ফিলিপাইনের সমুদ্রবন্দর
- বুশান : দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রবন্দর
- পোর্ট অব সিঙ্গাপুর : সিঙ্গাপুরের সমুদ্রবন্দর।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২৩৪.
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বিরামপুর, দিনাজপুর
  2. খ) পার্বতীপুর, দিনাজপুর
  3. গ) চিরিরবন্দর, দিনাজপুর
  4. ঘ) নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) পার্বতীপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পার্বতীপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
• বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
• এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত
• এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
• এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।  

তথ্যসূত্র:- পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
২৩৫.
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোনটি?
  1. আমাজন
  2. সুন্দরবন
  3. অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ম্যানগ্রোভ
  4. কঙ্গো বন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ হলো উপকূলীয় নোনা জল ও কর্দমাক্ত মাটিতে জন্মানো বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ, যা চরম প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে।
- শ্বাসমূল ও ঠেসমূলযুক্ত এই গাছগুলো উপকূলকে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি ও ক্ষয় থেকে রক্ষা করে।
- গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে এবং বাকী অংশ ভারতে অবস্থিত।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৬.
কোন ধরনের বনাঞ্চল প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা প্রদান করে?
  1. উপকূলীয় বন
  2. পার্বত্য বন
  3. পত্রপতনশীল বন
  4. চিরহরিৎ বন
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় বন
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি।প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মতো এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।

- বন্যপ্রাণী: হরিণ, মেছোবাঘ, শিয়াল, বানর, বনবিড়াল, বালিহাঁস ইত্যাদি।
- মৎস্য সম্পদ: এ বন উপকূলীয় মৎস্য ভান্ডারেরও একটি বিরাট উৎস। ভিটকি, পারসে, গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি ইত্যাদি মাছ ও কাঁকড়া পাওয়া যায়।

- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
- বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে।
- উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।
- এই বনায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগর থেকে ১ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ভূমি দেশের মূল ভূ-খন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের মজুদ কার্বন সংরক্ষণের লক্ষ্যে উপকূলবর্তী জেগে ওঠা চরে সৃজিত বনের ২ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৮৮.৮৫ একর সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

২৩৭.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান কোনটি?
  1. ক) মনপুরা দ্বীপ
  2. খ) সেন্ট মার্টিনস
  3. গ) নিঝুম দ্বীপ
  4. ঘ) দুবলার চর
সঠিক উত্তর:
খ) সেন্ট মার্টিনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেন্ট মার্টিনস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ
- ইউনিয়ন : সেন্ট মার্টিনস
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

সর্বউত্তরের:
- স্থান : জায়গীরজোত
- ইউনিয়ন : বাংলাবান্ধা
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

সর্বপূর্বের:
- স্থান : আখাইনঠং
- ইউনিয়ন : তিন্দু
- উপজেলা : থানচি
- জেলা : বান্দরবান

সর্বপশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা
- ইউনিয়ন : মনাকষা
- উপজেলা : শিবগঞ্জ
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
২৩৮.
বাংলাদেশে কোথায় ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
  2. খ) আলুটিলা পাহাড়ে
  3. গ) লালমাই পাহাড়ে
  4. ঘ) কুলাউড়া পাহাড়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুলাউড়া পাহাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুলাউড়া পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার হারাগাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।
উৎস: মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
২৩৯.
সমুদ্র সমতল থেকে কোন শীলাস্তুপ কমপক্ষে কত মিটার উচু হলে একে পর্বত বলা যাবে?
  1. ক) ৫০০
  2. খ) ৬০০
  3. গ) ৯০০
  4. ঘ) ১০০১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০১
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উচু ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শীলাস্তুপকে পর্বত বলে।
সাধারণত ৬০০ - ১০০০ মিটার উচু, স্বল্পবিস্তৃত শীলাস্তুপকে পাহাড় বলে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪০.
কোন খনিজ সম্পদকে ‘তরল সোনা’ বলা হয়?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. কয়লা
  3. পেট্রোলিয়াম
  4. কঠিন শিলা
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা

তরল সোনা:
- পেট্রোলিয়ামকে তার উচ্চ বাণিজ্যিক মূল্য এবং বহুমুখী ব্যবহারের কারণে 'তরল সোনা' বলা হয়।

• মাটির নিচে থেকে যে তরল জ্বালানি তোলা হয়, তাকে পেট্রোলিয়াম বলে।
- এই তরলের গুরুত্ব এতটাই যে, পেট্রোলিয়ামকে তরল সোনা আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
- এটি মূলত হাইড্রোকার্বন এবং অন্যান্য কিছু জৈব যৌগের মিশ্রণ।
- এদের মধ্যে কার্বন এবং হাইড্রোজেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেলকে আংশিক পাতন পদ্ধতিতে পৃথক করা হয়।
- মাটির নিচে থেকে যে তরল জ্বালানি তোলা হয়, তাকে পেট্রোলিয়াম বলে। 

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪১.
দেশের কোন বনাঞ্চলকে 'ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি' বলা হয়?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  4. বরেন্দ্র বনভূমি
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

⇒ স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে কী বলে?
  1. ক) নদীর মোহনা
  2. খ) দোয়াব অঞ্চল
  3. গ) নদী উপত্যকা
  4. ঘ) নদীসঙ্গম
সঠিক উত্তর:
ক) নদীর মোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নদীর মোহনা
ব্যাখ্যা
নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ ও সংজ্ঞা - 

নদীর মোহনা
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

দোয়াব অঞ্চল
দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

উপনদী
বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন - যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

নদীসঙ্গম
পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

নদী উপত্যকা
নদীর উৎস হতে মোহনা পর্যন্ত গতিপথে যে স্থানের মধ্য দিয়ে পানিরাশি প্রবাহিত হয় সেই খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।

নদীগর্ভ বা নদীতট
নদী উপত্যকার তলদেশকে বলা হয় নদীগর্ভ।

জলবিভাজিকা
যে উচ্চভূমি বিভিন্ন নদীজ এলাকাকে আলাদা করে থাকে তাকে জলবিভাজিকা বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২৪৩.
‘জাফলং’ কোথায় অবস্থিত?
  1. জকিগঞ্জ, সিলেট
  2. গোলাপগঞ্জ, সিলেট
  3. গোয়াইনঘাট, সিলেট
  4. জৈন্তাপুর, সিলেট
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়াইনঘাট, সিলেট
ব্যাখ্যা
জাফলং:
- জাফলং বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার অন্তর্গত একটি এলাকা।
- জাফলং, সিলেট শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে, ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, এবং এখানে পাহাড় আর নদীর অপূর্ব সম্মিলন বলে এই এলাকা বাংলাদেশের অন্যতম একটি পর্যটনস্থল হিসেবে পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তি এলাকায় জাফলং অবস্থিত।
- এর অপর পাশে ভারতের ডাওকি অঞ্চল।
- ডাওকি অঞ্চলের পাহাড় থেকে ডাওকি নদী এই জাফলং দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।মূলত পিয়াইন নদীর অববাহিকায় জাফলং অবস্থিত।
- জাফলং-এ পাথর ছাড়াও পাওয়া গেছে সাদামাটি বা চীনামাটিও, যদিও সেখানে মাটি বা বালি পরিশোধন করার মতো কোনো অবকাঠামো নেই।
- এই এলাকায় যেমন সাধারণ বাঙালিরা বসবাস করেন, তেমনি বাস করেন উপজাতিরাও।
- জাফলং-এর বল্লা, সংগ্রামপুঞ্জি, নকশিয়াপুঞ্জি, লামাপুঞ্জি ও প্রতাপপুর জুড়ে রয়েছে ৫টি খাসিয়াপুঞ্জি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪৪.
উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ক) আগ্নেয় পর্বত
  2. খ) ল্যাকোলিথ পর্বত
  3. গ) ভঙ্গিল পর্বত
  4. ঘ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
সঠিক উত্তর:
গ) ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
• ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain):
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।

• বিভিন্ন পর্যায়ে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি:
ভূ-বিজ্ঞানীগণ ভঙ্গিল পর্বত গঠনে কয়েকটি পর্যায় দেখিয়েছেন।
- প্রথম পর্যায়ে সমুদ্রখাতের উভয় দিক থেকে সংকোচনের ফলে নিম্নাংশ অবনমিত হয় বা নিচে নেমে যায়।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে সমুদ্রখাতের অবনমিত অংশে পলি জমা হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে পলির ভারে নিচের দিকে নেমে যায়। ফলে ভূ-অধঃভাঁজের সৃষ্টি হয়।
- তৃতীয় পর্যায়ে অবনমিত খাতের তলদেশ রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় এবং আগ্নেয়শিলা পলির ভিতরে প্রবেশ করে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে
সংকোচন হ্রাস পায় এবং সম্পূর্ণ খাত উপরে উত্থিত হয়ে পর্বতমালা গঠন করে। যেমন-এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৫.
কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় কোন খনিজ পাওয়া গেছে?
  1. জিরকন
  2. ম্যাগনেটাইট
  3. মোনাজাইট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলের বঙ্গোপসাগরে রয়েছে অনেক সামুদ্রিক সম্পদ।
- এর তলদেশে ৪৪২ প্রজাতির মৎস্য, ৩৩৬ প্রজাতির মলাঙ্কস (Mollusks), ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, নানারকম কাঁকড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক জলজ উদ্ভিদ রয়েছে।
- কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় পারমাণবিক খনিজ জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রিওটাইল ও লিউকক্সেন পাওয়া গেছে।
- এছাড়া সমুদ্র তলদেশে রয়েছে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৪৬.
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জলমহাল গ্রুপ 'টাঙ্গুয়ার হাওর' এর অবস্থান কোন কোন উপজেলা নিয়ে?
  1. ক) দিরাই এবং তাহিরপুর
  2. খ) জগন্নাথপুর এবং বিশ্বম্ভরপুর
  3. গ) ধর্মপাশা এবং জামালগঞ্জ
  4. ঘ) ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)  
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
• কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
• টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪৭.
“নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে কোন স্থানটি পরিচিত?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. চলন বিল
  3. হাকালুকি হাওর
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- “নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত হাওরটি হলো টাঙ্গুয়ার হাওর,
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

অন্যদিকে - 
হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।

• চলন বিল:
- চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।

সূত্র: সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
২৪৮.
হালদা নদী কিসের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) মাতৃ মৎস ভাণ্ডার
  2. খ) পর্যটন
  3. গ) রামসার সাইট
  4. ঘ) নদী বন্দর
সঠিক উত্তর:
ক) মাতৃ মৎস ভাণ্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাতৃ মৎস ভাণ্ডার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য খনি বা মাতৃ মৎস ভাণ্ডার খ্যাত ছোট একটি নদীর নাম হালদা। এই নদী পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখানে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে এবং নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর

২৪৯.
বাংলাদেশের কোথায় গন্ধক পাওয়া যায়?
  1. দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া
  2. কক্সবাজারের কুতুবদিয়া
  3. মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায়
  4. দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা
গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশে শুধুমাত্র কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে।
- সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে গন্ধক ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
 - বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৫০.
Ben Nevis পর্বতের গঠন কোন ধরনের শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. চুনাপাথর ও স্যান্ডস্টোন
  2. গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট
  3. শেল ও স্লেট 
  4. ডোলোমাইট ও বেসাল্ট
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট
ব্যাখ্যা

Ben Nevis পর্বতের গঠন গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট  শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
-----------------------
বেন নেভিস (Ben Nevis):
- বেন নেভিস হলো ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সর্বোচ্চ পর্বত। 
- এটি স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ড কাউন্সিল এলাকায় অবস্থিত। 
- এই পর্বত গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

- পর্বতটির চূড়া প্রায় ১০০ একর (৪০ হেক্টর) আয়তনের একটি মালভূমি;
- যার দক্ষিণাংশ তুলনামূলকভাবে মৃদু ঢালযুক্ত, কিন্তু উত্তর-পূর্ব দিকে রয়েছে খাড়া ও প্রায় উল্লম্ব মুখ।

- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে (Carboniferous Period) পৃথিবীর অভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এখানে বিশাল আগ্নেয়গিরি গঠন করেছিল।
- পরবর্তীতে আগ্নেয় কার্যকলাপ নিস্তেজ হয়ে গেলে, গভীরে জমে থাকা ম্যাগমা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে গ্রানাইট (Granite) শিলায় পরিণত হয়। 
- এই গ্রানাইট স্তরের ওপর আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ থেকে নির্গত লাভা ঠান্ডা হয়ে অ্যান্ডেসাইট (Andesite) শিলা তৈরি করে।

- ফলে Ben Nevis পর্বতের গঠন হয় দুটি স্তরের সমন্বয়ে—
- নিচের স্তর: গভীর আগ্নেয় শিলা — গ্রানাইট,
- উপরের স্তর: বাহ্যিক আগ্নেয় শিলা — অ্যান্ডেসাইট। 

- দীর্ঘ সময়ের ক্ষয় ও ভাঙনের ফলে এই শিলাগুলো ভূপৃষ্ঠে উন্মোচিত হয়ে বর্তমান আকৃতি লাভ করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হিমবাহ ক্ষয় ও আবহবিকার প্রক্রিয়ায় এর বর্তমান গম্বুজাকৃতি শীর্ষ গঠিত হয়েছে। 

উৎস: Britannica. 

২৫১.
কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. মেক্সিকো রিফ
  3. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
সঠিক উত্তর:
গ্রেট বেরিয়ার রিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেট বেরিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

সূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২৫২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ক) শ্রীমঙ্গল
  2. খ) লালপুর
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) বাংলাবান্ধা
সঠিক উত্তর:
খ) লালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।
- জুন থেকে অক্টোবর মাসে সাধারণত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%
‌- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৩.
'Seismic Risk Zone' কী?
  1. বন্যাপ্রবণ অঞ্চল
  2. আগ্নেয়গিরি সক্রিয় অঞ্চল
  3. সুনামিপ্রবণ অঞ্চল
  4. ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা

সিসমিক রিস্ক জোন:
- সিসমিক রিস্ক জোন এমন অঞ্চলকে নির্দেশ করে যেখানে ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- এই এলাকা ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের সঞ্চালন বা সংঘর্ষজনিত কারণে ভূমিকম্পের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।

অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36

২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28

৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.20

৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড ওয়েবসাইট।

২৫৪.
জোয়ার-ভাটার তেজকটাল কখন হয়?
  1. ক) একাদশীতে
  2. খ) অমাবস্যায়
  3. গ) পঞ্চমীতে
  4. ঘ) অষ্টমী
সঠিক উত্তর:
খ) অমাবস্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
- পূর্ণিমা ও অমাবস্যার তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের জন্য জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে। ফলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় একে তেজকটাল বলে।

- আর অষ্টমীর তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। তাই চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়। চন্দ্র পৃথিবীর নিকট থাকায় তার কার্যকরী শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি। কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণের তা বেশি স্ফীত হতে পারে না। ফলে মরা কটাল হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৫.
কোন প্রকার মাটি চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী?
  1. বেলে
  2. দোঁ-আশ
  3. এঁটেল
  4. কংকর
সঠিক উত্তর:
দোঁ-আশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোঁ-আশ
ব্যাখ্যা
- ফসল উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি উত্তম, কারণ এই মাটিতে বালি, পলি, কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। 
- এ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে তাই চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী। 
- এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয় বেশি। 
- বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি দো-আঁশ মাটি। 
- কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
২৫৬.
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ :
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৭.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালি
  2. খ) বেরিং প্রণালি
  3. গ) ফরমোজা প্রণালি
  4. ঘ) বাবেল মান্দেব প্রণালি
সঠিক উত্তর:
খ) বেরিং প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেরিং প্রণালি
ব্যাখ্যা
• বেরিং প্রণালি: বেরিং সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) ও চুকচি সাগর (উত্তর মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
• ফরমোজা প্রণালি: দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
• মালাক্কা প্রণালি: আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
• বাবেল মান্দেব প্রণালি: লোহিত সাগর ও এডেন সাগরকে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা।
২৫৮.
পৃথিবীর কেন্দ্র মণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনগুলো?
  1. লোহা ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. নিকেল ও সিলিকন
  3. নিকেল ও লোহা
  4. অ্যামোনিয়াম ও সিসা
সঠিক উত্তর:
নিকেল ও লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকেল ও লোহা
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রমন্ডল(Centrosphere):
- গুরুমন্ডলের ঠিক পরেই রয়েছে কেন্দ্রমন্ডল।
- কেন্দ্রমন্ডল, গুরুমন্ডলের নিম্ন ভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্তপ্রায় ৩,৪৭৯ কিলোমিটার বিস্তৃত।
- এর গড় ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ সে.মি.।
- কেন্দ্রের দিকে ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
- ভূ-কম্পন তরঙ্গের সাহায্যে জানা গেছে যে, কেন্দ্রমন্ডলে একটি তরল বহিরাবরণ আছে, যা প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার পুরু এবং কঠিন অন্তঃভাগ আছে যা প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার পুরু।
- কেন্দ্রমন্ডলের উপাদানগুলো হলো লোহা, নিকেল, পারদ ও সিসা।
- তবে প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা যা নাইফ নামে পরিচিত।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৯.
নিচের কোনটি শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে ভূ-ত্বক গঠন করে।
  2. প্রাকৃতিকভাবে বন্ধনে আবদ্ধ।
  3. অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
  4. বিভিন্ন প্রকার শিলার সংমিশ্রণই মৃত্তিকার উৎস।
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা
⇒ শিলা পরিবার:
বিভিন্ন ধরনের শিলাকে একত্রে শিলা পরিবার বলা যায়। 
মানব সমাজে আমরা যেমন একে অপরের সাথে পারস্পরিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজ গঠন করে থাকি, তেমনি বিভিন্ন ধরনের শিলা নানা ভাবে একত্রিত হয়ে বা পারস্পরিক সহাবস্থানে ভূ-ত্বক গঠন করে থাকে।

⇒ শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য:
- এরা পারস্পরিক সহাবস্থানের মাধ্যমে ভূ-ত্বক গঠন করে।
- এরা প্রাকৃতিকভাবে বন্ধনে আবদ্ধ।
- বিভিন্ন প্রকার শিলার সংমিশ্রণই মৃত্তিকার উৎস।
অর্থাৎ পারস্পরিক সহাবস্থান, বন্ধন, সংমিশ্রণ শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য।

কিন্তু 'শিলা পরিবারে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে' এটি শিলা পরিবারের বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬০.
‘প্রান্তিক হ্রদ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক, 
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
২৬১.
মধুপুর গড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. টাঙ্গাইল
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

- মধুপুর গড় টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

(ক) বরেন্দ্রভূমি: দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত। প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

(খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার। সমভূমি থেকে এরউচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।

(গ)লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

২৬২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
  1. কেওক্রাডং
  2. চিম্বুক
  3. তাজিনডং
  4. লাউয়াছড়া
সঠিক উত্তর:
তাজিনডং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজিনডং
ব্যাখ্যা

বান্দরবানে অবস্থিত তাজিনডং শৃঙ্গটির উচ্চতা ১,২৮০ মিটার, যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি: 

বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ। গঙ্গা নদী পশ্চিম, ব্রহ্মপুত্র নদ উত্তর, সুরমাও কুশিয়ারা নদী উত্তর-পূর্ব দিক থেকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একযোগে সুবিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করেছে। স্থায়ী বসবাসের জন্য সমভূমিই আদর্শ। বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে।

ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, 
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ, 
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। 

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়। এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়),যার উচ্চতা ১,২৮০ মিটার।
- এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবেটিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

২৬৩.
'লেক বোর্গেট' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
লেক বোর্গেট
- বোর্গেট হল ফ্রান্সের বৃহত্তম প্রাকৃতিক হ্রদ।
- একটি রামসার জলাভূমি হ্রদ হিসেবে পরিচিত।
- এটি ৪৪  কিঃমিঃ প্রসারিত হ্রদ।
- পাহাড় এবং পর্বত দ্বারা বেষ্টিত।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে/অক্টোবরের শুরুতে, বোর্গেট হ্রদের রোমান্টিক নাইটস ফেস্টিভ্যাল দুর্দান্ত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

উৎস: Britanica & france-voyage.com.[link]
২৬৪.
নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয়- 
  1. দোয়াব
  2. খাড়ি 
  3. উৎস 
  4. নদী সঙ্গম
সঠিক উত্তর:
খাড়ি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাড়ি 
ব্যাখ্যা

• নদী:
- উঁচু পর্বত, মালভূমি বা উঁচু কোনো স্থান থেকে বৃষ্টি, প্রস্রবণ, হিমবাহ বা বরফ গলা পানির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্রোতধারার মিলিত প্রবাহ যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নির্দিষ্ট খাতে প্রবাহিত হয়ে সমভূমি বা নিম্নভূমির উপর দিয়ে কোনো বিশাল জলাশয় বা হ্রদ অথবা সমুদ্রের সঙ্গে মিলিত হয়, তখন তাকে নদী বলে।
- যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
- নদী যখন কোনো হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
- নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে খাঁড়ি বলে।
- প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
- পর্বত বা হ্রদ থেকে যেসব ছোট নদী উৎপন্ন হয়ে কোনো বড় নদীতে পতিত হয় তাকে সেই বড় নদীর উপনদী বলে। বাংলাদেশের তিস্তা ও করতোয়া হলো যমুনা নদীর উপনদী।
- মূল নদী থেকে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। বাংলাদেশের কুমার ও গড়াই হলো পদ্মা নদীর শাখানদী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬৫.
বৈকাল হ্রদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• হ্রদ (Lake):
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে।
- বৈকাল হ্রদ অবস্থিত - রশিয়ায়।

এছাড়াও - 
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ অবস্থিত -  আফ্রিকায়।
- সুপিরিয়র হ্রদ অবস্থিত - যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৬.
বাংলাদেশের কোথায় চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain) অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
২৬৭.
কোথায় বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত পরস্পরকে ছুঁয়েছে?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। ভারতের সাথে ৩০টি এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
এর মধ্যে একমাত্র রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মায়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন৷
২৬৮.
'ডলোরাইট' কোন ধরনের শিলা?
  1. বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
  2. অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

১. আগ্নেয় শিলা:
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়।
- এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
- উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।
- এর দানাগুলো স্থূল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

২. পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে। উদাহরণ: চুনাপাথর, বেলেপাথর, কয়লা, শেল, কাদাপাথর ইত্যাদি।

৩. রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬৯.
বাংলাদেশে কয়টি কয়লা খনি রয়েছে?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা

• কয়লা:
- বাংলাদেশের কয়লা খনি ৫টি।

- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে গঠিত  বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর বা জি.এস.বি ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে, ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জি.এস.বি)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ৪টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ কোম্পানি বি.এইচ.পি-মিনারেলস আরও একটি কয়লাখনি আবিষ্কার করলে দেশে কয়লাখনির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫টিতে।


উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ও বাংলাপিডিয়া। 

২৭০.
ভবদহ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. বরিশাল
  3. নোয়াখালী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা

- ভবদহ যশোর জেলায় অবস্থিত।

যশোর জেলা:
- যশোর জেলায় অবস্থিত নদী সমূহের মধ্যে ভৈরব, চিত্রা, কপোতাক্ষ, হরিহর, দাদরা, বেত্রাবতী, কোদলা ও ইছামতি অন্যতম।
- যশোর জেলার উল্লেখযোগ্য বিল সমূহের মধ্যে রয়েছে :ভবদহ, জলেশ্বর, বকর, হরিণা ইত্যাদি।
- প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা।
- এ জেলা সৃষ্টি হয়েছিল প্রায় দুইশত বৎসর পূর্বে ১৭৮৬ সালে।
- স্বাধীন যশোর রাজ্যের যারা শাসক ছিলেন তাঁদের মধ্যে মহারাজ বিক্রমমাদিত্য, রাজা প্রতাপাদিত্য, রাজা সীতারাম রায় বিশেষভাবে 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৭১.
সোনাদিয়া দ্বীপ কেন বিখ্যাত?
  1. ক) মাছের প্রজনন ক্ষেত্র বলে
  2. খ) ঝড়ঝঞ্ঝা কবলিত এলাকা
  3. গ) জনমানবহীন এলাকা বলে
  4. ঘ) সামুদ্রিক মাছ শিকারের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) সামুদ্রিক মাছ শিকারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সামুদ্রিক মাছ শিকারের জন্য
ব্যাখ্যা

সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত। 
- এ দ্বীপকে যাযাবর পাখিদের জন্য ভূ-স্বর্গ বলা যায়। দ্বীপের পশ্চিম দিকে বালুকাময় সমুদ্র সৈকত রয়েছে যেখানে ঝিনুক ও মুক্তা পাওয়া যায়।
- শুষ্ক মৌসুমে এখানে প্রচুর মাছ শুকানো হয় যা দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করা হয়।
- সোনাদিয়ার প্যারাবন, চর, খাল ও মোহনা নানা প্রজাতির মাছ ও অমেরুদন্ডী প্রাণীর গুরুত্বপূর্ন আবাসস্থল। দ্বীপটির প্যারাবন সংলগ্ন খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় যেমন-বাটা, কোরাল, তাইল্যা, দাতিনা, কাউন, পোয়া ইত্যাদি।
- এ দ্বীপ অতিথি পাখি এবং মাছ চাষের জন্য বিখ্যাত।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

২৭২.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) রংপুর
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ফরিদপুর জেলায় পাট উৎপন্ন হয়েছে ৮,৯১,৯৩৮ মেট্রিক টন। যা সারাদেশে সর্বোচ্চ।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় সবচেয়ে বেশী পাট উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশে সাধারনত দুই প্রকার পাট চাষ করা হয় দেশি এবং তোষা পাট।

সোর্সঃ কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২০।
২৭৩.
৯০ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং কর্কটক্রান্তি রেখা কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) মানিকগঞ্জ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এই রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙ্গারদিয়া গ্রামের ধোপাডাঙ্গা মৌজার একটি ফসলি ক্ষেতের উপর মিলিত হয়েছে। এই স্থানকে কেন্দ্র করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানমন্দির' নির্মাণ করতে যাচ্ছে। (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক, ৩ জুলাই ২০১৯)
২৭৪.
নিচের কোনটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) লিপারি
  2. খ) স্ট্রম্বলি
  3. গ) ফুজিয়ামা
  4. ঘ) ভিসুভিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) ফুজিয়ামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফুজিয়ামা
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ: 
- পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যেমন:
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active Volcano),
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant Volcano) এবং
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি (Extinct Volcano)।

ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেই সব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি দুই ধরনের।
- যেমন- যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে অবিরত লাভা নির্গত হয় সেগুলো অবিরাম আগ্নেয়গিরি।
- অন্যদিকে যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর মাঝে মাঝে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে।
- যেমন: ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।

খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি সমূহ থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে।
⇒ যেমন : জাপানের ফুজিয়ামা।

গ. মৃত আগ্নেয়গিরিসমূহ থেকে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে না।
- যেমন: পোপো আগ্নেয়গিরি।
- মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে, তাকে আগ্নেয় হ্রদ (Vent) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
নাসিরাবাদ কোন জেলার পূর্ব নাম?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নরসিংদী
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মোগল আমলে মোমেনশাহ নামে একজন সাধক ছিলেন, তাঁর নামেই মধ্যযুগে অঞ্চলটির নাম হয় মোমেনশাহী। ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার স্বাধীন সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁর পুত্র সৈয়দ নাসির উদ্দিন নসরত শাহ'র জন্য এ অঞ্চলে একটি নতুন রাজ্য গঠন করেছিলেন, সেই থেকেই নসরতশাহী বা নাসিরাবাদ নামের সৃষ্টি। নাসিরাবাদ নাম পরিবর্তন হয়ে ময়মনসিংহ হয় একটি ভুলের কারণে। বিশ টিন কেরোসিন বুক করা হয়েছিল বর্জনলাল এন্ড কোম্পানীর পক্ষ থেকে নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এই মাল চলে যায় রাজপুতনার নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এ নিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরবর্তীতে আরো কিছু বিভ্রান্তি ঘটায় রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ রাখা হয়। সেই থেকে নাসিরাবাদের পরিবর্তে ময়মনসিংহ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। উৎসঃ ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২৭৬.
কোন যুগে ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয়?
  1. টারশিয়ারী
  2. প্লাইস্টোসিন
  3. কোয়াটারনারী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী
ব্যাখ্যা
- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ গঠিত হয় - টারশিয়ারী যুগে।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।

• ভূমিরূপ:
- বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুসারে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণি, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং প্লাবন সমভূমি।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলাজুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২০ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭৭.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে - মৌলভীবাজার জেলায়।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

এছাড়াও - 
- কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৮.
নিচের কোনটি নদী বিহীন দ্বীপরাষ্ট্র?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মালদ্বীপ
  3. ফিলিপাইন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

- মালদ্বীপ নদী বিহীন দ্বীপরাষ্ট্র। 

• নদী বিহীন দেশ:

- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• নদী বিহীন দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. 

২৭৯.
ভূত্বকের গঠনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা উপাদান কোনটি?
  1. পটাসিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. সিলিকন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূত্বকের উপাদান:
- অক্সিজেনের পরিমাণ – ৪৬.১%
- সিলিকনের পরিমাণ – ২৮.২%
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ – ৮.২%
- লোহার (আয়রন) পরিমাণ – ৫.৬%
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ – ৪.১%
- সোডিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ – ২.৩%
- পটাসিয়ামের পরিমাণ – ২.০%
- টাইটানিয়ামের পরিমাণ – ০.৫%
- হাইড্রোজেনের পরিমাণ – ০.১%
- অন্যান্য উপাদান – ০.৫%

সূত্র: World Economic Forum ওয়েবসাইট।
২৮০.
বাংলাদেশের কোথায় তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়?
  1. কুয়াকাটা
  2. লালমাই এলাকায়
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেটের পাহাড়ে
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়।
- এছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া যায়।
- ইউরেনিয়াম আকরিক প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ ২য় পত্র, এইচ এসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
২৮১.
ভূ-ত্বক সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. পর্বতশ্রেণি
  2. মালভূমি
  3. মহাদেশ ও মহাসাগর
  4. মহীসোপান ও মহীঢাল
সঠিক উত্তর:
মহাদেশ ও মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাদেশ ও মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠের গঠন সর্বত্র একরকম নয়। স্থলভাগের কোথাও সুউচ্চ পাহাড় ও পর্বত, কোথাও মালভূমি, কোথাওবা সুবিস্তৃত সমভূমি রয়েছে।
- পৃথিবীর ভূ-ভাগের শতকরা ৫৮ ভাগ এলাকা সমভূমি, ১৮ ভাগ পার্বত্যময় এবং অবশিষ্ট ২৪ ভাগ মালভূমি ও পাহাড় দ্বারা বিস্তৃত। 
- ভূমিরূপের পর্যায়ক্রমিক সৃষ্টি ও আকৃতির উপর ভিত্তি করে ভূগোলবিদগণ সকল ভূমিরূপকে প্রধান তিনটি পর্যায়ে ভাগ করেছেন। যথা-
ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ,
খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ এবং
গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ।

ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির সর্বপ্রথম পর্যায়ে মহাদেশ ও মহাসাগরগুলির সৃষ্টি হয়েছে। 
- উপরের অংশগুলি নিয়ে মহাদেশীয় ভূ-ভাগ এবং নিচু অংশগুলো নিয়ে মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠন করে।
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির শুরুতেই এ প্রধান দুইটি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় বলে এদেরকে প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ বলা হয়। 

খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- মহাদেশীয় ভূ-ভাগ ও মহাসাগরের তলদেশে পরবর্তী পর্যায়ে যে প্রধান ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়েছে তাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি এবং গভীর সমুদ্রখাত।

গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ:
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে ক্ষয় ও রূপান্তরের ফলে যে সকল ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- এইরূপ ভূমিরূপ বিভিন্ন ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রক্রিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। 
- যেমন- নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, ভূ-গর্ভস্থ জলধারা ও জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠ অনবরত ক্ষয় সাধিত হয় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাগুলি অন্যত্র পরিবাহিত ও অবক্ষেপিত হয়। হয়। এভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে উপত্যকা, গিরিখাত প্রভৃতি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮২.
ব্যাসল্ট হচ্ছে - 
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. আগ্নেয় শিলা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা
- ব্যাসল্ট একটি আগ্নেয় শিলা।

আগ্নেয় শিলা:
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- এই শিলার বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) স্ফটিকার,
(খ) অন্তরীভূত,
(গ) কঠিন ও কম ভঙ্গুর,
(ঘ) জীবাশ্ম দেখা যায় না এবং
(ঙ) অপেক্ষাকৃত ভারী।

- আগ্নেয়গিরি বা ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় ভূত্বকের দুর্বল অংশে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তখন পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে উত্তপ্ত গলিত লাভা নির্গত হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাসল্ট ও গ্রানাইট শিলার সৃষ্টি হয়।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
২৮৩.
রকি পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. সিরক্কো
  2. চিনুক
  3. পাম্পেরু
  4. মিস্ট্রাল
সঠিক উত্তর:
চিনুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিনুক
ব্যাখ্যা
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে সৃষ্ট বায়ু স্থানীয় বায়ু নামে পরিচিত।
স্থানীয় বায়ুসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- চিনুক : রকি পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন
- সায়মুম : আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু
- খামসিন : মিশর
- সিরক্কো : উ. আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
- মিস্ট্রাল : ফ্রান্সের মালভূমি থেকে উৎপন্ন
- পাম্পেরু : আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
- লু : ভারত প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৮৪.
নিচের কোন স্থানটি বাংলাদেশের রামসার সাইট?
  1. চলনবিল
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. সোনাদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- চলনবিল, হাকালুকি হাওর, সোনাদিয়া দ্বীপ রামসার সাইট নয়।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২৮৫.
নিচের কোনটি অস্তরীভূত শিলার উদাহরণ নয়?
  1. ব্যাসল্ট
  2. গ্রানাইট
  3. ডলোরাইট
  4. শেল
সঠিক উত্তর:
শেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেল
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা:
- তাপ বিকিরণ করে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই।
- তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা
- এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।
- বহিঃজ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।
- অন্তঃজ আগ্নেয় শিলার উদাহরণ হলো গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল। 

পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৮৬.
ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ কত কিলোমিটার?
  1. ১৬০০ কিলোমিটার
  2. ১৫০০ কিলোমিটার
  3. ১৪০০ কিলোমিটার
  4. ১৩০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৬০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

আহ্নিক গতি (Rotation): 
- পৃথিবী গতিশীল। পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের বা অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- পৃথিবী তার নিজের মেরুদন্ডের উপর একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ একদিন। একে সৌরদিন বলে।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সকল স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এজন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি। 
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৮৭.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনভূমি বিদ্যমান?
  1. ক) ১৫.৩৫
  2. খ) ১৬.২০
  3. গ) ১৭.২৬
  4. ঘ) ২০.৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭.২৬
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ২৫,৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
- মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যমতে বনভূমির পরিমাণ ১৭ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৮৮.
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ সামরিক মহড়ার নাম কি ছিলো?
  1. ব্লাক ক্যাট-১
  2. ডেজার্ট রোড
  3. গাল্ফ শিল্ড-১
  4. পিস ফোর্স-১
সঠিক উত্তর:
গাল্ফ শিল্ড-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাল্ফ শিল্ড-১
ব্যাখ্যা
সামরিক মহড়া:
- ২০১৮ সালে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে ‘গালফ শিল্ড-১’ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
- উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বন্ধু দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সমন্বয় ও সহযোগিতায় সৌদি আরব মাসব্যাপী এ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে।
- এতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।

উৎস: কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮৯.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যার চাপ, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন, এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার দ্বীপটির পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর আওতায় সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area - ECA) ঘোষণা করে।

ঘোষণার উদ্দেশ্য:
- দ্বীপের প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান রক্ষা করা,
- জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ নিশ্চিত করা,
- অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ করা,
- প্লাস্টিক ও বর্জ্য দূষণ কমানো,
- পরিবেশ বান্ধব টেকসই পর্যটন ব্যবস্থা চালু করা।

উল্লেখ্য,
পরিবেশ অধিদপ্তর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সাম্প্রতিক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
- পর্যটক সংখ্যা সীমিত,
- পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা,
- প্লাস্টিক নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৯০.
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. তিতাস
  3. হরিপুর
  4. বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র: 
- ১৯৫৫ সালে হরিপুরে আবিষ্কৃত দেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্রে এযাবৎ মোট ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।
- সর্বশেষ Schlumberger SEACO Inc. কর্তৃক সম্পাদিত ৩ডি সাইসমিক রিভিউ প্রতিবেদন অনুযায়ী হরিপুর ফিল্ডের প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদের পরিমাণ ৩৮৫ বিলিয়ন ঘনফুট।
- ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ ফিল্ড হতে উত্তোলিত গ্যাসের পরিমাণ ২২৪.৭০৯ বিলিয়ন ঘনফুট যা উত্তোলনযোগ্য মজুদের শতকরা ৫৮.২১ ভাগ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এ ফিল্ডের উৎপাদনরত ৩টি কূপ হতে গড়ে দৈনিক প্রায় ৫.৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদিত গ্যাস সিলিকাজেল প্লান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)-এ সরবরাহ করা হয়েছে।
- এছাড়া এ ফিল্ডে গ্যাসের উপজাত হিসেবে গড়ে দৈনিক প্রায় ৩৩.১৪ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০২৪)। 
২৯১.
নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ কোনটি?
  1. উপত্যকা
  2. প্লাবন সমভূমি
  3. পলল পাখা
  4. পলল কোণ
সঠিক উত্তর:
উপত্যকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপত্যকা
ব্যাখ্যা

• নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ (Erosional Features of River):
- নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয় এবং নতুন নতুন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়।
- পার্বত্য অবস্থায় নদীর ক্ষয়কার্য অত্যন্ত বেশি হয়।
- নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ অনেক ধরণের হয়।
- যেমন:
১. 'ভি' আকৃতি উপত্যকা ('V' shaped Valley),
২. জলপ্রপাত (Waterfall),
৩. গিরিসংকট (Ravine), 
৪. গিরিখাত (Gorge),
৫. নদীপ্রপাত (Rapid),
৬. নদীর বাঁক (Meanders),
৭. বর্তুলাকার গর্ত (Pot Holes) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯২.
'Swatch of No Ground' কোথায় অবস্থিত?
  1. আন্দামান সাগরে
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. আরব সাগরে
  4. লাক্ষাদ্বীপ সাগরে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
- 'Swatch of No Ground' বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এটি একটি গভীর সামুদ্রিক খাদ।

Swatch of No Ground: 
- 'Swatch of No Ground' ভূমিরূপটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- Swatch of No Ground একটি খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত এবং গঙ্গা খাদ নামেও পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ প্রায় ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, এবং তার তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল, তবে পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- এই খাদটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা, যার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- এটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, যা বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৯৩.
সুন্দরবনের কত অংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় অবস্থিত?
  1. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৫,৫০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
•সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম। 
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন ।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা
- এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশে পড়েছে।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯৪.
"পৃথিবীর ফুসফুস" বলা হয় কোন বনকে?
  1. সিনহারাজা ফরেস্ট
  2. কঙ্গো রেইনফরেস্ট
  3. আমাজন রেইনফরেস্ট
  4. বোর্নিও রেইনফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
আমাজন রেইনফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা

 "পৃথিবীর ফুসফুস" বলা হয় অ্যামাজন রেইনফরেস্টকে।

​আমাজন রেইনফরেস্ট:
- আমাজন রেইনফরেস্ট বিশ্বের সবচেয়ে বড় বনের নাম।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান।
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত।
- আমাজন রেইনফরেস্ট পৃথিবীর ২০% অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- আমাজন রেইনফরেস্টকে “পৃথিবীর ফুসফুস” বলা হয়।
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।

উল্লেখ্য,
- কঙ্গো রেইনফরেস্ট: কঙ্গো রেইনফরেস্ট পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইনফরেস্ট। এটি পৃথিবীর ‘দ্বিতীয় ফুসফুস’ হিসেবে পরিচিত।
- সিনহারাজা ফরেস্ট রিজার্ভ: শ্রীলঙ্কার সিনহারাজা ফরেস্ট রিজার্ভ ১৯৭৮ সালে ইউনেসকো দ্বারা অভয়ারণ্য এবং ১৯৯৮ সালে জীববৈচিত্র্য হটস্পট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।

২৯৫.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) পাবনা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে ((২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। দ্বিতীয় – খুলনা (২৪,৪৩,৫২৩ মে.টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)। দ্বিতীয় – পাবনা (৫,১২,৬১৮ মে.টন)।
- পাটের মোট উৎপাদন ৭৭,২৫,০৮৩ মে.টন  যা ১৬,৮৫,৭১১ একর জমিতে চাষ হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
২৯৬.
কোথায় ‘আলতামিরা গুহা' অবস্থিত?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ক) স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পেন
ব্যাখ্যা
• আলতামিরা গুহা:
- আলতামিরা গুহাটি উত্তর স্পেনে অবস্থিত।
- গুহাটি তার দুর্দান্ত প্রাগৈতিহাসিক চিত্রকর্ম এবং খোদাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ক্যান্টাব্রিয়া প্রদেশের বন্দর শহর সান্তান্ডার থেকে ১৯ মাইল (৩০ কিমি) পশ্চিমে অবস্থিত। 
- আলতামিরা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মনোনীত হয়েছিল।
- ১৮৬৮ সালে একজন শিকারী দ্বারা আবিষ্কৃত গুহাটি ১৮৭৬ সালে স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মার্সেলিনো সানজ ডি সাউতুওলা পরিদর্শন করেছিলেন।
- আলতামিরা গুহাটি ৯৭১ ফুট (২৯৬ মিটার) লম্বা।

উৎস: Encyclopedia Britannica. 
২৯৭.
বাংলাদেশের সর্বউত্তরের স্থান কোনটি?
  1. ক) জায়গীর জোত
  2. খ) মনাকাষা
  3. গ) আখানইঠং
  4. ঘ) ছেঁড়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) জায়গীর জোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জায়গীর জোত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগ­ঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।
সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্থলবন্দর কয়টি?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ২৩
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ২৫
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশে স্থলবন্দর- ২৪টি। দেশের ২৪ তম স্থলবন্দরের নাম- ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর। আর বর্তমানে দেশে নদীবন্দর ৩৩টি এবং সমুদ্র বন্দর ৩টি। উৎস: bskb.gov.bd
২৯৯.
গুরুমন্ডল প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. কার্বন ও আয়রন
  3. অ্যালুমিনিয়াম ও পটাশিয়াম
  4. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা

গুরুমন্ডল:
- কেন্দ্রমন্ডলের ওপর থেকে চতুর্দিকে প্রায় ২৮৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত মন্ডলটিকে গুরুমন্ডল বলে।
- সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুর সংমিশ্রণে এ মন্ডলটি গঠিত।
- এর উপরাংশে ১৪৪৮ কিলোমিটার ব্যাসল্ট জাতীয় উপাদান দ্বারা গঠিত বলে একে ব্যাসল্ট অঞ্চল বলে।
- সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দ্বারা গঠিত বলে একে সিমা বলে।
- গুরুমন্ডলের উপরাংশকে অশ্মমন্ডল বা শিলামন্ডল বলা হয়।
- অশ্মম-ল নানা রকম শীলা ও খনিজ দ্বারা গঠিত।
- এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সর্বাপেক্ষা বেশি এবং মহাসাগরীয় অঞ্চলে সর্বাপেক্ষা কম।
- এর গভীরতা স্থান বিশেষ ৩০ কিলোমিটার থেকে ৬৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ধরা হয়।  

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 

৩০০.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কী?
  1. ক) সন্দ্বীপ
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সেন্টমার্টিন
  4. ঘ) হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।