বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আইন বিভাগ

মোট প্রশ্ন১০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আইন বিভাগ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১০৫

.
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ বাতিল করে কোন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  2. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৫
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০২৫
  4. কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি
সঠিক উত্তর:
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ বাতিল করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।

⇒ এতে আগের আইনের ৯টি ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে।
- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ বাদ পড়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ধারাগুলোয় নিষ্পন্নাধীন কোনো মামলা বা অন্যান্য কার্যধারা ও তদন্ত বাতিল হবে এবং কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। এ ছাড়া এসব ধারায় আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ড ও জরিমানা বাতিল হবে।
- বাদ পড়া ধারাগুলোয় ছিল—মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড; পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ; আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ; অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার ইত্যাদির দণ্ড; মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার ইত্যাদি।

উৎস: i) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশে কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণীত হয়?
  1. ২০০২ সালে 
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

.
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন কত সালে প্রণীত?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন:
- বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- আইনটি ২০০৬ সালের ৩ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে জন্ম, মৃত্যু, নাগরিক পরিচয় ও বয়সের প্রমাণপত্র আইনগতভাবে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়।
- এটি নাগরিক অধিকার, সেবা গ্রহণ, উত্তরাধিকার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উলেখ্য,
- ২০১০ থেকে অনলাইনে জন্মসনদ দেওয়া শুরু হয়। ২০১৬ সালে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন প্রকল্পটির তৃতীয় পর্যায় শেষ হয়। সরকার ওই বছরের ১ জুলাই থেকে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম রাজস্ব খাতে নিয়ে আসে। বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- জনসচেতনতা বাড়াতে ২০১৮ সালের অক্টোবরে সরকার ৬ অক্টোবরকে ‘জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো। 

.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের মতে উচ্চ কক্ষে মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবে কতজন সদস্য?
  1. ১০৫ জন
  2. ১০০ জন
  3. ৩০০ জন
  4. ৩৫০ জন
সঠিক উত্তর:
১০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- উচ্চকক্ষ মোট ১০৫ (একশো পাঁচ) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে;
- এর মধ্যে ১০০ জন সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবেন।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের মনোনয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ (একশো) জন প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
- এই ১০০ (একশো) জন প্রার্থীর মধ্যে কমপক্ষে ৫ জন আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য ও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন) প্রার্থী মনোনীত করবেন।
- কোনো রাজনৈতিক দলকে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্বের যোগ্য হতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১% নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও,
- উচ্চকক্ষের স্পিকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের একজন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন যিনি সরকার দলীয় সদস্য ব্যতিত উচ্চকক্ষের অন্য সকল সদস্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

.
সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য ন্যূনতম কতজন সদস্য উপস্থিত থাকতে হয়?
  1. ৯০ জন
  2. ৭০ জন
  3. ৫০ জন
  4. ৬০ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয় এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক বিরোধের বিচার প্রক্রিয়া কতদিনের দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে?   
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন 
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন 
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- এই অধ্যাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘সুইট ম্যানেজমেন্ট’ বা মামলা ব্যবস্থাপনা শুনানি।
 - বিবাদী জবাব দাখিল করার পর প্রথম শুনানির দিনই আদালত বিচার্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন এবং কত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে, তার একটি রূপরেখা তৈরি করবেন।
 - চূড়ান্ত শুনানি শুরু হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh

.
জাতীয় সংসদে 'কাউন্টিং' ভোট কি?
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. স্পিকারের ভোট
  4. রাষ্ট্রপতির ভোট
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকারের ভোট
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে “কাউন্টিং” শব্দের পরিবর্তে “কাস্টিং” হবে।
• জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো — স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
.
সার্ভে অ্যাক্ট পাস হয় কত সালে?
  1. ১৮৭৫ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৭৭৫ সালে
  4. ১৮৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
সার্ভে অ্যাক্ট:
- ব্রিটিশ সরকার এদেশে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করার পর জমিদারগণ ভূমির মালিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। তারা প্রজাচাষীর ভাল-মন্দ, সুখ-দু:খ, সুযোগ সুবিধার দিকে মোটেও তাকাত না। ফলে কৃষকের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে। অনেকে কৃষি কর্ম ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যেতে থাকে। ফলে কৃষি জমি অনাবাদি থাকার উপক্রম হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়। ইত্যাকার কারণে ইংরেজদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ আইন প্রণয়নের চিন্তা করে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৭৫ সনে ইংরেজ সরকার বঙ্গীয় সার্ভে আইন পাশ করে।

⇒ কিন্ত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ আইন যথেষ্ট না হওয়ায় ১৮৮৫ সনে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন করা হয়।
- ১৮৮৩ সনের ২ মার্চ আইনটি ভারতীয় আইন সভায় পেশ করা হয় এবং ১৮৮৫ সনে তা অনুমোদন লাভ করে।
- উল্লিখিত আইনের অধীনে খতিয়ান প্রণয়ন কাজ পর্যালোচনার জন্য ১৮৮৪ সনে ভূমি রেকর্ড ও কৃষি নামে একটি দপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- দপ্তরটির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয় বোর্ড অব রেভিনিউর হাতে।
- ১৮৮৮ সনে কৃষি একটি স্বতন্ত্র দপ্তর হিসেবে গঠিত হওয়ায় দপ্তরটি ভূমি রেকর্ড দপ্তর নামে পরিচিতি লাভ করে।
- তখন জরিপ কাজ পরিচালনা করত সার্ভে অব ইন্ডিয়া নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
.
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 জারি করা হয় কবে?
  1. ৫ জুলাই, ২০২৫
  2. ৭ জুলাই, ২০২৫
  3. ১০ জুলাই, ২০২৫
  4. ১২ জুলাই, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০২৫
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025:
- গত ১০ জুলাই, ২০২৫ “The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025” নামে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
- এতে ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ সংশোধন করে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ধারা ১৭৩এ (173A)।
- এর মাধ্যমে তদন্ত চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার আইনি সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নতুন বিধান তদন্তাধীন মামলায় দীর্ঘ সময় ধরে নিরপরাধ ব্যক্তিদের জেল হাজতে থাকা বা হয়রানির শিকার হওয়ার প্রবণতা কমবে।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১০.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে।
- এ আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর মা-বাবার ভরণপোষণ দিতে হবে।
- কোনো মা-বাবার একাধিক সন্তান থাকলে সে ক্ষেত্রে সন্তানেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাঁদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।
- আর তা না করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে।

⇒ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩-এর ৫ ধারার (১) অনুযায়ী, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তাঁর সন্তানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
- আইনে বলা হয়, কোনো সন্তানের স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা নিকটাত্মীয় যদি বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সন্তানকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে তাদেরও একই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

উৎস: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩। 

১১.
বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল-
  1. ষষ্ঠ সংসদ
  2. দ্বিতীয় সংসদ
  3. চতুর্থ সংসদ
  4. তৃতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল- ষষ্ঠ সংসদ।

• বাংলাদেশে গঠিত সকল সংসদের তালিকা:

- প্রথম সংসদ: ২ বছর ৬ মাস (৭ই এপ্রিল, ১৯৭৩ ৬ই নভেম্বর, ১৯৭৫) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।
- দ্বিতীয় সংসদ: ২ বছর ১১ মাস (২রা এপ্রিল, ১৯৭৯ ২৪শে মার্চ, ১৯৮২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- তৃতীয় সংসদ: ১ বছর ৫ মাস (১০ই জুলাই, ১৯৮৬ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৮৭) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- চতুর্থ সংসদ: ২ বছর ৭ মাস (১৫ই এপ্রিল, ১৯৮৮ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- পঞ্চম সংসদ: ৪ বছর ৮ মাস (৫ই এপ্রিল, ১৯৯১ ২৪শে নভেম্বর, ১৯৯৫) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- ষষ্ঠ সংসদ: ১২ দিন (১৯শে মার্চ, ১৯৯৬ ৩০শে মার্চ, ১৯৯৬) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- সপ্তম সংসদ: ৫ বছর (১৪ই জুলাই, ১৯৯৬ ১৩ই জুলাই, ২০০১) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

১২.
নূন্যতম কতজন সংসদ সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পীকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৪৫ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৯০ জন
  4. ১৫১ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:

- জাতীয় সংসদ  গণপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পীকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন কতটি?
  1. ৩৫১টি
  2. ৩৫০টি
  3. ৩৩০টি
  4. ৩০০টি
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।
- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ওয়েবসাইট।
১৪.
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে অধ্যাদেশ জারি হয়-
  1. ১৫ নভেম্বর, ২০২৪
  2. ১৮ নভেম্বর, ২০২৪
  3. ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ নভেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৮ নভেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ নভেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করে অধ্যাদেশ জারি হয়- ১৮ নভেম্বর, ২০২৪।

অধ্যাদেশ শিরোনাম:
'সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা- স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানসিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪।'

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সকল ক্যাডারের চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের আওতাবহির্ভূত সকল সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হইবে ৩২ বছর। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ব স্ব নিয়োগ বিধিমালা বা ক্ষেত্রমতো প্রবিধানমালা বহাল থাকিবে।’

উল্লেখ্য,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন।
‘আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন, বিধিমালা, প্রবিধানমালা, আদেশ, নির্দেশ বা আইনগত দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh ওয়েবসাইট। [Link]
১৫.
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল করা হয় ১৯৯৬ সালে।

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ:

- ‘ইনডেমনিটি’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা।
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হলো সেই অধ্যাদেশ, যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনি ব্যবস্থা থেকে শাস্তি এড়ানোর জন্য বাংলাদেশে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে ডার্কেস্ট ল’ বা সবচেয়ে কালো আইন নামে পরিচিত।
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এ ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে খন্দকার মোশতাক হন দেশের রাষ্ট্রপতি।
- বঙ্গবন্ধুর খুনি ও তাদের দোসররা নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের হত্যাকে আইনসিদ্ধ করতে চেয়েছিল।
- তাই তখন খুনিদের ‘প্রয়োজনে’ জারি করা হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদ কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি অধ্যাদেশের আকারে এ আইনটি প্রণীত হয়; যা ১৯৭৫ সালের অধ্যাদেশ নম্বর ৫০ নামে অভিহিত ছিল।
- ১৯৭৯ সালে সংসদ কর্তৃক ওই ইনডেমনিটি অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর পর সংশোধিত আইনে এ আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর সপ্তম জাতীয় সংসদে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নামক ইতিহাসের কালো আইনটি বাতিল করা হয়।
- এর ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ সুগম হয় এবং ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্ট কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১২ নভেম্বর ২০২১, যুগান্তর।
১৬.
কোনটি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য?
  1. দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  2. পরিবেশ পরিষ্কার রাখা
  3. শিক্ষার প্রসার ঘটানো
  4. সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব ও কর্তব্য : বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- নাগরিকের যেমন আছে রাষ্টপ্রদত্ত আধিকার, তেমনি আছে রাষ্ট্র নির্ধারিত কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্য দুই ধরণের। যথা - ১. নৈতিক ও ২. আইনগত কর্তব্য।

১. নৈতিক কর্তব্য :
- মানুষের সেবা করা,
- দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
- শিক্ষার প্রসার ঘটানো,
- পরিবেশ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি।

২. আইনগত কর্তব্য
- ভোট দান করা,
- নিয়মিত কর প্রদান,
- আইন মেনে চলা,
- সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাউবি।
১৭.
বাংলাদেশে প্রথম দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত পৃথক করে প্রজ্ঞাপন জারি হয় কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত:
- গত ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করা হয়েছে।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মামলাজট কমাতে এই পৃথককীরণ করা হয়েছে।
- এর ফলে মামলা পরিচালনার সময় বাঁচবে এবং মামলার নিষ্পত্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য,
- দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে বর্তমানে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ এবং ফৌজদারি মামলা প্রায় ২৩ লাখ।
- ফৌজদারি মামলা দেওয়ানি মামলার তুলনায় বেশি হওয়া সত্ত্বেও ফৌজদারি বিচারককে উভয় ধরনের মামলা পরিচালনা করতে হয়। এর ফলে মামলা নিষ্পত্তির গতি হ্রাস পায় এবং মামলাজট বৃদ্ধি পায়।
- এই বাস্তবতা বিবেচনায় পৃথক ২০৩টি অতিরিক্ত দায়রা আদালত এবং ৩৬৭টি যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- এই আদালতগুলোতে বিচারকেরা কেবল ফৌজদারি মামলার বিচার করবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৮.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয় কবে?
  1. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৯.
বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯:
- বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এটি ১৯২০ সালের 'দ্য ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট' বাতিল করে প্রণীত হয়েছে।
- কার্যকর হয়: ১০ জুলাই, ২০১৯। 
- উদ্দেশ্য: প্রাণীদের সঠিক যত্ন ও দায়িত্বশীল পালন নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ করা।

⇒ এই আইনে প্রাণী বলতে মানুষ ছাড়া সব স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপজাতীয় প্রাণী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং সরকারি গেজেট-প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত অন্য প্রাণীকে বোঝাবে।
- আইনে ‘কর্তৃপক্ষ’ বলতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ওই অধিদপ্তরের কোনো ভেটেরিনারি সার্জনকে বোঝানো হয়েছে।
- আর ‘স্থানীয় কর্তৃপক্ষ’ বলতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে বোঝানো হয়েছে।
- এ আইনে সাজা হিসেবে অনধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কথা বলা আছে। সর্বোচ্চ সাজা অনধিক দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য। 

উৎস: প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯।

২০.
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি ও সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করে কোন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. জাতীয় নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  2. অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ২০২৫
  3. রাষ্ট্রদ্রোহ ও নিরাপত্তা বিধান অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার (সংগঠন) যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে সরকার।
- সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ সময়োপযোগী করার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে সরকার।
- সংসদ কার্যকর না থাকায় আইন অধিকতর সংশোধন করে আশু ব্যবস্থা নিতে সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে দেয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- পরে তা ১১ মে, ২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- অধ্যাদেশে বলা হয়, সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে।
- এ ছাড়া সত্তা বা তার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেস বিবৃতি, প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন বা জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়া নিষিদ্ধ করা যাবে।
- সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী, ‘সত্তা’ বলতে কোনো আইনি প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বাণিজ্যিক বা অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী, অংশীদারি কারবার, সমবায় সমিতিসহ এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে কোনো সংগঠনকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট।
২১.
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী গুমের ঘটনায় দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ দণ্ড কী নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. মৃত্যুদণ্ড 
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড
  4. অর্থদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড 
ব্যাখ্যা

• ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’:  
- চূড়ান্ত অনুমোদন: নভেম্বর ৬, ২০২৫ (উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে)।
- গেজেট প্রকাশ ও জারি: ১ ডিসেম্বর ২০২৫
- সংশোধনী: অধ্যাদেশটি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।

• গুমের সংজ্ঞা: রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বা তাদের অনুমোদনে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার/আটক করে তার অবস্থান গোপন করা বা অস্বীকার করাকে হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

• শাস্তি:
- সর্বোচ্চ শাস্তি: মৃত্যুদণ্ড।
- অন্যথায়: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

• ট্রাইব্যুনাল:
- প্রত্যেক বিভাগ বা জেলায় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন।
- বিচার ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:
i) আইন মন্ত্রণালয়। (Link) (Link2) 
ii) বাসস। (Link) (Link2)
iii) প্রথম আলো। (Link) 

২২.
জাতীয় অর্থ তহবিলের নিয়ন্ত্রক কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- জাতীয় সংসদ সরকারের অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 
- সংসদের আইন বা উহার কর্তৃত্ব ব্যতীত কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যায় না (অনু: ৮৩)।
- সরকার প্রতি বছর আয়-ব্যয়ের অনুমিত হিসাব সংবলিত একটি বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবে এবং সংসদের অনুমোদন ব্যতীত উক্ত বাজেট কার্যকর হবে না (অনু: ৮৭)।
- সকল সরকারি অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ সংসদের আইন দ্বারা করা হবে (অনু: ৮৫)। 
সুতরাং, জাতীয় সংসদ হচ্ছে জাতীয় অর্থের অভিভাবক ও নিয়ন্ত্রণকারী।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশ সংবিধান।
২৩.
সংসদ প্রণীত বিলে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইন প্রণয়নের জন্যে সংসদে আনীত প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- সংসদ বিল গ্রহণ করলে তা সম্মতির জন্যে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হয়।
- সংসদ বিল রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হলে তিনি তাতে ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন।
- রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ তা গ্রহণ করবে।
- পুনরায় তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৪.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন সচিব
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হচ্ছেন - অ্যাটর্নি জেনারেল।

সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে "অ্যাটর্নি জেনারেল" সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ-৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল - 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি - জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
২৫.
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে? 
  1. সেনাপ্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী:
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- এই বিভাগটি মন্ত্রী পদমর্যাদা ভোগ করে এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (MoD) সাথে সমান্তরাল কাজ করে।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল,
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ প্রদান করেন।
- তাছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এছাড়াও,
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ((Supreme Command) এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর।
- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন।
- জাতীয় দিবসসমূহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশ্যে বাণী প্রদান করেন এবং বঙ্গভবনে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

উৎস: ⅰ) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
ii) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।

২৬.
২০২৬ সালের গণভোটে ব্যবহৃত ব্যালটের রঙ কী হবে? 
  1. সাদা
  2. গোলাপি
  3. হলুদ
  4. নীল 
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
 - জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বিবিসি।  

২৭.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা-
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পিকারের
  4. জাতীয় সংসদের
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
• আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে — জাতীয় সংসদের।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে:
"জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে।

• তবে শর্ত থাকে যে,
সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৮.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৯.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব কোন সংস্থার ওপর নির্ধারিত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৩০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭৭
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
৭৭। (১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।

ন্যায়পাল পদের মূল উদ্দেশ্য:
- সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের সমতা, সততা ও স্বচ্ছতা বিধান এবং
- সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনের যে কোনো ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

• Ombudsman শব্দের বাংলা ন্যায়পাল করা হয়েছে।
• ন্যায়পাল এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরা সম্ভব হয় অর্থাৎ তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১.
উপজেলা পরিষদে কতজন ভাইস চেয়ারম্যান থাকেন? 
  1. ২ জন 
  2. ৩ জন 
  3. ৫ জন 
  4. ১ জন 
সঠিক উত্তর:
২ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন 
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ গঠন: 
- একজন চেয়ারম্যান,
- দুজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা) ।
- এবং উপজেলার আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদসমূহের চেয়ারম্যানবৃন্দ,
- পৌরসভার (যদি থাকে) মেয়র এবং তিনজন মহিলা সদস্যের সমন্বয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদেরকে পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা প্রদান করা হয়েছে।
- চেয়ারম্যান উপজেলার ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮২ পৃষ্ঠা।

৩২.
সম্প্রতি (২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কয়টি ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেয়েছেন?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা
- ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২ (১) অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
- কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ১৭টি  ধারা অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।
- ধারা গুলো হলো: ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৩.
আইন প্রণয়ন এর ক্ষমতা কোন বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. শাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- সরকার কর্তৃক শাসনব্যবস্থা পরিচালিত করার ক্ষমতা মহান সংসদের হাতে থাকার কারণে বাংলাদেশে সংসদের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
- এর অর্থ হল-আইন ও শাসন প্রণয়নগত সকল বিষয়ে সংসদ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালাই প্রযোজ্য হবে এবং তা শাসন বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে।
- এর ব্যতয় হওয়া সাংবিধানিকভাবে আইন লংঘনের শামিল।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১০%
  2.  ৫%
  3. ১৫%
  4. ৩%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৫.
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

৩৬.
কোনো বিল অর্থবিল কিনা তাতে কার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয় কবে?
  1. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
- গুম একটি চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অধ্যাদেশে।
- অধ্যাদেশে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশের অধীনে অপরাধ জামিন ও আপস অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
- এ ছাড়া গুমের আদেশ বা অনুমতি দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও সমান সাজার বিধান রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫।

৩৮.
কাস্টিং ভোট প্রদান করে কে?
  1. সংসদ নেতা
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. চীফ হুইফ
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
সংসদ নিয়ম, কোরাম ইত্যাদি (অনুচ্ছেদ ৭৫):
১. সংবিধানের আওতায়:
(ক) সংসদের কার্যপ্রণালী সংসদ নিজেই প্রণীত নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হবে। যদি নিয়ম তৈরি না হয়, তাহলে তা রাষ্ট্রপতির প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
(খ) সংসদে যে কোনো সিদ্ধান্ত সংসদ সদস্যদের উপস্থিত এবং ভোটদানকারী সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
সভাপতির (স্পিকার) ভোট দেওয়ার অধিকার থাকবে না, তবে ভোট সমান হলে তিনি ফল নির্ধারণে একটি ভোট (কাস্টিং ভোট) দিতে পারবেন।

- কাস্টিং ভোট: কোনো বিষয়ে ভোটের সংখ্যা সমান হলে, সভার সভাপতির দ্বারা প্রদত্ত একটি সিদ্ধান্তমূলক ভোট, যা বিষয়টির নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে। (Cambridge Dictionary)
- জাতীয় সংসদের সভাপতি: স্পিকার ।
- কাস্টিং ভোট প্রদান করে: স্পিকার । 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৯.
দেশে 'বাণিজ্যিক আদালত' প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশ জারি হয় কবে?
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৬ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, 
- এই অধ্যাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘সুইট ম্যানেজমেন্ট’ বা মামলা ব্যবস্থাপনা শুনানি।
- বিবাদী জবাব দাখিল করার পর প্রথম শুনানির দিনই আদালত বিচার্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন এবং কত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে, তার একটি রূপরেখা তৈরি করবেন।
- চূড়ান্ত শুনানি শুরু হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh. (Link)

৪০.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি ৬৮টি উপজেলায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তিত হয়।
পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি এই আইন সারাদেশে কার্যকর হয়।

(সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া)
৪১.
বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম কী?
  1. Parliament of the People
  2. House of the Nation 
  3. Nation of the House
  4. National Assembly House 
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম House of the Nation.

আইনবিভাগ: 

- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে।
- এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন সচিব
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. ন্যায়পাল
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উৎস: এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৪৩.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন' পাস করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে।
- এ আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর মা-বাবার ভরণপোষণ দিতে হবে।
- কোনো মা-বাবার একাধিক সন্তান থাকলে সে ক্ষেত্রে সন্তানেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাঁদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।
- আর তা না করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে।

⇒ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩-এর ৫ ধারার (১) অনুযায়ী, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তাঁর সন্তানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
- আইনে বলা হয়, কোনো সন্তানের স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা নিকটাত্মীয় যদি বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সন্তানকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে তাদেরও একই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

উৎস: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩।
৪৪.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার কাছে দায়বদ্ধ?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ 
  3. প্রধান বিচারপতি 
  4. জনগণ 
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ 
ব্যাখ্যা

• সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।
- এজন্যে তাকে 'সরকারের স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করা।
- তিনি জাতীয় সংসদের নেতা।
- তার নেতৃত্বে জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
-  আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে। 
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।
- জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়।
- অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তথ্যসূত্র:
i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. মোঃ আসাদুজ্জামান
  2. রুহুল আমিন
  3. শহীদুল ইসলাম
  4. হুমায়ন কনির
সঠিক উত্তর:
মোঃ আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঃ আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৬.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ যৌথভাবে কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. মন্ত্রণালয় 
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা: 
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
- তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়। অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতির সময় কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৮.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. এক-কক্ষবিশিষ্ট
  2. দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন-কক্ষবিশিষ্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

আইনবিভাগ: 
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
আইন বিভাগের প্রধান কাজ কোনটি?
  1. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ। 
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

• আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

• সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

• অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
বাংলা ভাষাকে দেশের সর্বস্তরে ব্যবহার নিশ্চিত করতে আইন পাশ করা হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৭ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাশ: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
বাংলাদেশে বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরে (সরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনানুগ কার্যক্রম ইত্যাদি) ব্যবহারের জন্য "বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭" পাস করা হয়েছে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ।
- এই আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এ আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সোয়াল- জওয়াব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হবে।
- ' ৩(২) ধারায় আরও বলা হয়েছে, উল্লেখিত কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন, তাহলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।'
- ধারা ৩ ( বলছে, ‘যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রথম আলো ।

৫১.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

৫২.
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স জারি করা হয় -
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- এটি ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে।
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
প্রধানমন্ত্রী তার কাজের জন্য কার নিকট জবাবদিহি করবেন?
  1. জাতীয় সংসদের নিকট
  2. রাষ্ট্রপতির নিকট
  3. স্পীকারের নিকট
  4. সুপ্রিম কোটের নিকট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের নিকট
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ: 

- সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
- প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান।
- তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা।

এছাড়াও, 
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।
- সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।
- যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়।
- এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। 
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন।
- সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৫৯ পৃষ্ঠা।

৫৪.
মাত্র ১টি সংসদীয় আসন-
  1. লক্ষ্মীপুর জেলায়
  2. মেহেরপুর জেলায়
  3. ঝালকাঠী জেলায়
  4. রাঙামাটি জেলায়
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি জেলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

জেলাগুলো হলো-
- রাঙ্গামাটি,
- বান্দরবান, 
- খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ:
- গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ তিনটি
i) আইন বিভাগ,
ii) শাসন বিভাগ 
iii) বিচার বিভাগ।

• সরকারের সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ - শাসন বিভাগ।
- শাসন বিভাগের দুইটি অংশ রয়েছে। যথা− রাজনৈতিক অংশ এবং অ-রাজনৈতিক অংশ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
৫৬.
The anti-money laundering statute currently in force in Bangladesh was enacted in the year -
  1. 2002
  2. 2008
  3. 2009
  4. 2012
সঠিক উত্তর:
2012
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2012
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫৭.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়নে আইনসভা বা জাতীয় সংসদের পর মূখ্য ভূমিকা পালন করে -
  1. সচিবালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রীসভা
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রীসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রীসভা
ব্যাখ্যা
আইনসভা:
- আইন প্রণয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা মুখ্য ভূমিকা পালন করে আইনসভা।
- বাংলাদেশে আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
- যেকোন ধরনের সরকারি আইন প্রণয়নের দায়িত্ব সংসদের উপর ন্যস্ত।
- আইনসভার পরেই আইন প্রণয়নে মন্ত্রিসভার ভূমিকা মুখ্য।
 
এছাড়াও,
- রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি।
৫৮.
জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
  1. স্থপতি লুই কান
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
  4. শাহ আব্দুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান ভবন ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত। 
- এই ভবনের মূল স্থপতি প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান।

⇒ এই ভবনের পরিকল্পনা গৃহীত হয় ১৯৫৯ সালে।
- এর মূল নকশা অনুমোদিত হয় ১৯৬২ সালে এবং ১৯৬৪ সালে বর্তমান শেরেবাংলানগরে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। 
- ১০৮ একর জমির উপর বিশাল খোলা চত্বরের বুকে সম্পুর্ণ কংক্রিটের ঢালাইয়ে বৃত্তাকারে নির্মিত নয়তলা।
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- মেইন প্লাজার মূল অংশটি হচ্ছে সংসদ অধিবেশন কক্ষ। এখানে একই সময়ে ৩৫৪ জন সদস্যের সংস্থান রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একই বছরের ১৫ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম (এবং শেষ) অধিবেশনে প্রথম সংসদ ভবন ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
সংবিধান অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে;
- বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন।
- জরুরি অবস্থার মৌলিক অধিকারের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৬ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।।
৬১.
সরকারি চাকরি আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি আইন:
- সরকারি চাকরি আইনটি ২০১৮ সালে প্রণীত হয়।

⇒ ২০১৮ সালে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ প্রণয়ন করে সরকার।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।
- আইনটি কার্যকর হয় ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর।

⇒ সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, বর্তমানে যেকোনো কর্মচারীর চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারে সরকার। এর বাইরে কোনো কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে গেলে ২০১৮ সালের শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা অনুযায়ী দীর্ঘ মেয়াদি তদন্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬২.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  2. বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস
  3. কাজী মোদুদ এলাহী
  4. এ কে এম সিদ্দিক
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দী অবস্থা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- এরপর এক আদেশ বলে তিনি দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- ১৯৭২ সালের নির্বাচন কমিশন আদেশ জারি করা হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পান বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
- ১৯৭৩ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। 
- সে সময় মোট ভোটার ছিল ৩ কোটি ১৯ হাজার ৮০৯ জন। 
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানের অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম কী?
  1. Parliament
  2. National Parliament 
  3. Legislature
  4. The House of the Nation
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
→ সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
→ সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

♦ জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৪.
জাতীয় সংসদের কক্ষের সামনের সারিতে অবস্থিত আসন গুলোকে কী বলা হয়?
  1. ট্রেজারি বেঞ্চ
  2. সংরক্ষিত বেঞ্চ
  3. প্রেস বেঞ্চ
  4. পর্যবেক্ষক বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

• ট্রেজারি বেঞ্চ:

- ট্রেজারি বেঞ্চ হলো সংসদের সামনের সারির আসন যেখানে সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ বসেন।
- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৬৫.
সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী কোন শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তিরস্কার
  2. নিম্নপদে অবনমিতকরণ
  3. কেবলমাত্র জরিমানা
  4. অতিরিক্ত ভাতা বন্ধ
সঠিক উত্তর:
নিম্নপদে অবনমিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নপদে অবনমিতকরণ
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৩ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’  জারি করেছে সরকার।

⇒ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়। 
- অধ্যাদেশে অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের চারটি বিষয়কে অপরাধের আওতাভুক্ত করা হয়। সেগুলো হলো-
• সরকারি কর্মচারী যদি এমন কোনো কাজে লিপ্ত হন, যা অনানুগত্যের শামিল বা যা অন্য যেকোনো সরকারি কর্মচারির মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে; অন্যান্য কর্মচারির সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে ছুটি ছাড়া বা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন; অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তার কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকতে বা বিরত থাকতে বা তার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন এবং যেকোনো সরকারি কর্মচারীকে তার কর্মে উপস্থিত হতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন, তাহলে তিনি অসদাচরণের দায়ে দণ্ডিত হবেন।

- এসব অপরাধের শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে, দোষী কর্মচারীকে নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ বা চাকরি থেকে অপসারণ বা চাকরি থেকে বরখাস্ত দণ্ড প্রদান করা যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

৬৬.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয় কবে? 
  1. ২০ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ২২ জানুয়ারি, ২০২৫ 
  3. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬: 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। 

- এই অধ্যাদেশ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।
- সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন।
এই অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অন্য যেকোনো আইনের ওপর এটি প্রাধান্য পাবে।
- অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ ও ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার’-এর মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন। 

৬৭.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনার জন্য সর্বনিম্ন কতজন সদস্য উপস্থিত থাকা প্রয়োজন?
  1. ৩০ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৬৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:

- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০। 
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর। 
- এর পূর্বেও রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদের একটি অধিবেশন সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে হয়।
- মোট সদস্য সংখ্যার মধ্যে কমপক্ষে ৬০ জন উপস্থিত থাকলে কোরাম হয় এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায়।
- প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সংসদের নেতা
- আসনসংখ্যার দিক দিয়ে নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দলের প্রধান সংসদে বিরোধী দলের নেতাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬৮.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১ দশমাংশ
  2. ১ পঞ্চামাংশ
  3. ১ চতুর্থাংশ
  4. ১ তৃতীয়াংশ
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ দশমাংশ
ব্যাখ্যা

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৯.
জাতীয় সংসদ উদ্ভোধনের পর সংসদ অধিবেশন কোথায় বসত?
  1. কার্জন হল
  2. জগন্নাথ হল
  3. শহিদুল্লাহ হল
  4. কলাভবন
সঠিক উত্তর:
জগন্নাথ হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জগন্নাথ হল
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ হলো বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের প্রধান বিভাগ।
- সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি, যার মধ্যে ৫০টি নারী আসন রয়েছে।
- ১৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই নারী আসন পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখার বিধান প্রণীত হয়েছে।
- জাতীয় সংসদের স্থপতি লুইস আই কান।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল। এটি ছিল দেশের প্রথম সংসদের সূচনা।
- জাতীয় সংসদ প্রথমবার ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- পরবর্তীতে শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন উদ্বোধনের পরে সেখানে প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ সালে।
- উদ্বোধনের পর ২য় অধিবেশন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সংসদ অধিবেশন বসত।
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭০.
বাংলাদেশে বিশেষ ক্ষমতা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৪
  2. ১৯৭৯
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বিশেষ ক্ষমতা আইন:
- ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।
- ১৯৯১ সালের সংশোধনীতে আইনটির ১৬, ১৭ ও ১৮ ধারা রদ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

৭১.
‘বাংলাদেশ কোড’ কী?
  1. বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
  2. বাংলাদেশের সব আইন সম্বলিত সরকারি মোবাইল অ্যাপ
  3. একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের তালিকা সম্বলিত বই
  4. বাংলাদেশের একটি নতুন আইন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কোড:
• বাংলাদেশ লজ (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুযায়ী দেশে প্রচলিত সব আইন একত্র করে বই আকারে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
• এই বই-ই ‘বাংলাদেশ কোড’।

উল্লেখ্য,
• আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে মোট ৪৭ খণ্ডে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোডের মোড়ক উন্মোচন করেন।
•  লাল-সবুজের প্রচ্ছদে ‘বাংলাদেশ কোড’।
• ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রচলিত সব আইন নিয়ে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ৪২ খণ্ডে বাংলাদেশ কোড প্রকাশ করা হয়েছিল।
• এবার প্রকাশিত বাংলাদেশ কোডে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রণয়ন হওয়া ১ হাজার ১৭৭টি আইন যুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, ২৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
৭২.
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন কে?
  1. শাহ আব্দুল হামিদ
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শামসুল হুদা চৌধুরী
  4. মির্জা গোলাম হাফিজ
সঠিক উত্তর:
শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন: 
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। 
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. বিচার বিভাগ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। 
​- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। 
​- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০জন সদস্য নিয়ে গঠিত। 
​- এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে। 
​- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে। 
​- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

​​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৭৪.
কারা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করেন?
  1. সরকারি দল
  2. সামরিক বাহিনী
  3. বিরোধী দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল ও ছায়া মন্ত্রিসভা
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যাবস্থায় বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলা হয়।
- বিরোধী দল ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- ক্ষমতাসীন সরকার এর স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি রোধে বিরোধী দল ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।
- বর্তমানে গণতান্ত্রিক শাসনের অপর নাম দলীয় শাসন।
- গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় শক্তিশালী বিরোধী দল অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ বর্তমান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি।
- ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ এ বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩ টি আসনে জয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠন করে। 
- জাতীয় পার্টি পায় ১১টি আসন।

তথ্যসূত্র - ১.পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাউবি।
২. বাসস।
৭৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স -
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৪৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স - ৩৫ বছর।

• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা।
- জাতীয় সংসদ সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে সংবিধানের পঞ্চম ভাগে।
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রচলিত আইন মেনে বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক এই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।
- এই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

রাষ্ট্রপতি:
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
- রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে, রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির উপর অগ্রাধিকার দেবেন এবং এই সংবিধান এবং অন্য কোন আইন দ্বারা তার উপর অর্পিত ও আরোপিত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং দায়িত্ব পালন করবেন।
- কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদ বেশি রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হবেন না, পদ পরপর থাকুক বা না থাকুক।
- রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য হতে পারবেন না, এবং যদি সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি যেদিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে তার পদে প্রবেশ করবেন সেদিন সংসদে তার আসন খালি করবেন।
- কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি তার বয়স পঁয়ত্রিশ বছরের কম হয়, সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন।
- এই সংবিধানের অধীনে অভিশংসন মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়ে থাকে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ-৪৮।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়।
- গুমের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।

⇒ গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিজ পরিচয়ের বলে অথবা সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সমর্থন বা সম্মতির ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক, অপহরণ বা অন্য যেকোনোভাবে স্বাধীনতা হরণ করলে এবং পরে সেই ঘটনা অস্বীকার করলে বা ব্যক্তির অবস্থান, অবস্থা বা পরিণতি গোপন রাখলে—এটি ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে।
- এখানে ‘স্বাধীনতা হরণ’ বলতে কোনো ব্যক্তিকে তাঁর সম্মতি ছাড়া নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ রাখাকে বোঝাবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগী আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হলে দায়ী ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, লাশ পাওয়া গেলে বা গুমের পাঁচ বছর পরও তাঁকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে—দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অন্য কোনো মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাবে।
- গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করলেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। গুম-সংক্রান্ত কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে বিনষ্ট, গোপন, বিকৃত বা পরিবর্তন করলে আইনে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। 

উৎস: i) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫। 
ii) প্রথম আলো।

৭৭.
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ: 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৬ নং অনুচ্ছেদ) 
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়। 

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৭৮.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সর্বপ্রথম কে অবস্থান করেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

- জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী: সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি।
উল্লেখ্য:
১. রাষ্ট্রপতি।
২. প্রধানমন্ত্রী।
৩. সংসদের স্পিকার।
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা।
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা; সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ (আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
- ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান রাষ্ট্রপতি।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৭৯.
সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয় -
  1. ১৩ ডিসেম্বর
  2. ১৪ ডিসেম্বর
  3. ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়।
- ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভায় প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮০.
সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন পদ কোনটি? 
  1. উপমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

• সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়- স্পীকার।

• স্পীকার:
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।

• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
যথা:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচর ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই ।

৮১.
'সরকারি চাকরি আইন' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮:
- 'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮' প্রণীত হয় ২০১৮ সালে। 

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় সরকারি চাকুরিসমূহের একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। এই ব্যবস্থা ১৯৪৭-এর পর ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশেরই সরকার কাঠামোতে অব্যাহত ছিল এবং তা ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল। 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে চাকুরি সৃষ্টি, চাকুরিসমূহ যুক্তকরণ অথবা সরকারি কর্মকর্তাদের সেবা একীভূতকরণের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের চাকুরিসমূহ পুনর্গঠন করার জন্য আইন প্রনয়ণের অধিকার দিয়েছে। 
- চাকুরিসমূহ পুনর্গগঠিত করার জন্য ১৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সরকার ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ, ১৯৭৩’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। পরে এ আইনটি ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) আইন, ১৯৭৫’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০১৮ সালে 'সরকারি চাকরি আইন- ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।
- সরকারি চাকুরি আইন, ২০১৮ (৫৭ নং আইন) এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (৫) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই আইন প্রণয়ন করেন।
- আইনটি এস.আর.ও নং ৩০৫ সংশ্লিষ্টট আইন যা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ দ্বারা জারি করা হয়।
- প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নে বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইতোপূর্বে কোনো সরকারই এ আইন প্রণয়ন করেনি। 

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরি আইনে ৬২টি ধারা সংবলিত ১৩টি অধ্যায় আছে।
- এ আইনে সরকারি কর্মচারীদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।
- আইনে সরাসরি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার বিধান রাখা হয়েছে।
- মেধা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও সন্তোষজনক চাকরি বিবেচনাক্রমে পদোন্নতি প্রদানের বিধানও রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮২.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের — সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয় ।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৮৩.
সংসদে কাস্টিং ভোট প্রদান করেন কে? 
  1. সংসদ নেতা
  2. স্পিকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট (Casting Vote): 
- কখনো কখনো সংসদে কোনো বিষয়ে হ্যাঁ ও না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এ ধরনের সমসংখ্যক ভোটের ফলে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়, তা নিরসনে স্পীকার তাঁর ভোট প্রয়োগ করেন।
- স্পীকারের এই ভোটকে 'নির্ণায়ক ভোট' বা 'কাস্টিং ভোট' বলা হয়।
- সাধারণত স্পীকার ভোট দেন না।
- তবে যখন ভোটাভুটিতে সমতা দেখা দেয়, তখনই কেবল তিনি তাঁর নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ, কোনো প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমানসংখ্যক ভোট পড়লে স্পীকার সংসদের সভাপতি হিসেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ভোট দেন।
- এ ছাড়া অন্য কোনো পরিস্থিতিতে স্পীকারের ভোটাধিকার নেই।

• সংবিধানিক বিধান
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।"

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৪.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৯৬ সালের ২ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭: 
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৭  বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে  মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮৫.
সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস -
  1. উপকর
  2. রেইট
  3. টোল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন। 
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস:
(ক) সরকার হতে প্রাপ্ত অনুদান।
(খ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত আয় বা মুনাফা।
(গ) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত যে-কোনো কর, উপকর, রেইট, টোল ও ফিস ইত্যাদি।
(ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক প্রদত্ত দান।
(ঙ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত সকল ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত আয়।
(চ) কর্পোরেশনের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(জ) আইনের অধীন অর্থদন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬.
‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ অধ্যাদেশ জারি করা হয় কবে? 
  1. ১ অক্টোবর, ২০২৫
  2. ২ অক্টোবর, ২০২৫
  3. ৩ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ৫ অক্টোবর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৫ অক্টোবর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ অক্টোবর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ অধ্যাদেশ:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ৫ অক্টোবর, ২০২৫ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ সংশোধন করে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন।
- অধ্যাদেশটিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ২০০৯ এর (২০০৯-এর) ২টি ধারা সংশোধন করা হয়েছে।
- এতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বে ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ’ সংক্রান্ত বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই সংশোধনীতে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ নামে একটি পৃথক সার্ভিস চালুর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য ব্যবহৃত হবে।
- তবে, আলাদা সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পুরনো বিধান বহাল থাকবে।
- এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার এই সংশোধনী আনতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল।

​তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]

৮৭.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের প্রথম স্তর- 
  1. সচিবালয়
  2. মাঠ প্রশাসন
  3. মন্ত্রণালয় 
  4. সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা

প্রশাসনিক কাঠামো: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো এর দুটি প্রধান স্তর আছে।
- প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬২ পৃষ্ঠা।

৮৮.
বাংলাদেশে কত সালে 'স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স' জারি হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

 স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স:
- বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে 'স্থানীয় শাসন অর্ডিন্যান্স' জারি হয়। 

⇒ ১৯৭২ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৭নং আদেশ দ্বারা  সরকার বিদ্যমান সকল স্থানীয় সরকার কমিটি ভেঙে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে নতুন করে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির আদেশের (আদেশ নং ২২) অধীনে গঠিত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 
- ১৯৭৬ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নতুন সরকার স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এতে তিন ধরনের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়, যথা, ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
- এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কেবলমাত্র ইউনিয়ন পরিষদেই চেয়ারম্যান ও অপর ৯ জন সদস্য প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। থানা পরিষদ সরকারি কর্মকর্তা ও বেসরকারি সদস্যের সমন্বয়ে গঠনের বিধান রাখা হয়। মহকুমা অফিসার (SDO) থানা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সার্কেল অফিসারকে (SO) ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্তির বিধান করা হয়। যদিও জেলা পরিষদও নির্বাচিত সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও মহিলা সদস্যদের দ্বারা গঠন করার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু এক্ষেত্রে কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি থাকে -
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯০.
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স ১৯৮৫ অনুযায়ী, পারিবারিক আদালত মূলত কয়টি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে?
  1. ৩টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে।
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।
- এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন।

⇒ পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে:
- বিবাহ বিচ্ছেদ,
- দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার,
- মোহরানা,
- ভরণপোষণ ও
- অভিভাবকত্ব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯১.
কোন বিভাগকে ‘জাতীয় মঞ্চ’ বলে অভিহিত করা হয়?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• আইন বিভাগ:
- আইনসভা সরকারের তিনটি অঙ্গের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
- বস্তুত: সংবিধান প্রণয়ন কিংবা আইন প্রণয়নের মত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বলতে গেলে আইন সভা থেকেই একটি রাষ্ট্রের কার্যক্রম সূচনা হয়।
- জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা আইনসভার সদস্য হন। যার জন্য আইনসভাকে গণতন্ত্রের প্রতীক বলা হয়।
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় আইনসভা সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। 
- আইন প্রণয়নের কারণে সরকারের অন্য দুই বিভাগ থেকে এ বিভাগের মর্যাদা অধিকতর। আইনসভাকে অনেকে ‘জাতীয় মঞ্চ’ বলে অভিহিত করেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
ভূমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে আপিল আপত্তির স্তর কোনটি?
  1. ৬ ও ৫
  2. ৪ ও ৫
  3. ৫ ও ৬
  4. ৬ ও ৭
সঠিক উত্তর:
৫ ও ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ও ৬
ব্যাখ্যা
ভূমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে আপিল আপত্তির স্তর:
- ভূমি জরিপ হচ্ছে এমন এক কৌশল, পেশা, বিজ্ঞান যা নির্দিষ্টভাবে স্থানসমূহের ভূগোলক বা ত্রিমাত্রিক অবস্থানের পারস্পারিক দূরত্ব এবং কোণ নির্ণয় করতে পারে। সাধারণত মৌজা ভিত্তিক ভূমির নকশা ও ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান বা ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলা হয়।

⇒ ভূমি রেকর্ডের ক্ষেত্রে আপিল আপত্তির স্তর ৫ ও ৬।

• আপীল স্তর:
এ স্তরে আপত্তি মামলায় প্রদত্ত রায়ের অসম্মতিতে আপত্তি মামলার পক্ষগণের পক্ষ হতে আপীল দায়ের হয় এবং মামলাগুলি যথাবিধি শুনানি করা হয়। কিন্ত সে সময় আপীল শুনানীর অফিসারকে মৌজার মূল ওয়ার্কিং ভলিউমও সরবরাহ করা হয় বিধায় অনাকাঙ্ক্ষিত টেম্পারিং হয়ে থাকে যা বর্তমানে অনলাইন ভূমি জরিপ সফটওয়ার এর মাধ্যমে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহারের দ্বারা আপীল শুনানির অফিসারকে যে যে খতিয়ানে আপীল মামলা জড়িত ঠিক সেই সেই খতিয়ানগুলিকে সংশোধনের অনুমতি প্রদান করা হয় ফলে আপীল না পড়া খতিয়ানগুলিতে কোন প্রকার টেম্পারিং করার সুযোগ থাকে না। কাজেই ট্র্যাডিশনাল ভূমি জরিপ ব্যবস্থাপনায় চিরাচরিতভাবে টেম্পারিং করার যে সুযোগ ও সম্ভাবনা ছিল তা চিরতরে দূরকরণ করা সম্ভব হয়েছে।

• আপত্তি স্তর: এ স্তরে খসড়া প্রকাশনা দেয়া খতিয়ানের উপর ভূমি মালিকদের দাখিলকৃত আপত্তি মামলাগুলি শুনানি করা হয় এবং সে সময় মৌজার মূল ওয়ার্কিং ভলিউম আপত্তি শুনানীর অফিসারকে সরবরাহ করা হয়। ভলিউম হাতে থাকার ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত টেম্পারিং হয়ে থাকে যা বর্তমানে অনলাইন ভূমি জরিপ সফটওয়ার এর মাধ্যমে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহারের দ্বারা আপত্তি শুনানির অফিসারকে যে যে খতিয়ানে আপত্তি মামলা জড়িত ঠিক সেই সেই খতিয়ানগুলিকে সংশোধনের অনুমতি প্রদান করা হয়। ফলে আপত্তি না পড়া খতিয়ানগুলিতে কোন প্রকার টেম্পারিং করার সুযোগ থাকে না। কাজেই ট্র্যাডিশনাল ভূমি জরিপ ব্যবস্থাপনায় চিরাচরিতভাবে টেম্পারিং করার যে সুযোগ ও সম্ভাবনা ছিল তা চিরতরে দূরকরণ করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস ওয়েবসাইট।
৯৩.
'ক্যাবিনেট তোরণের প্রধান স্তম্ভ' বলা হয় -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রীসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়, ক্ষমতায় টিকে থাকে ও ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময় যেকোন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করার পরামর্শ দিতে পারেন এবং ঐ মন্ত্রী তা করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতিকে তার নিয়োগ বাতিলের পরামর্শ দিতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা স্বীয় পদে বহাল না থাকলে মন্ত্রীদের সকলেই পদত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবে।
- এছাড়াও মন্ত্রীসভার অধিবেশন আহ্বান, কার্যসূচী নির্ধারন, অধিবেশন সভা পরিচালনা, মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন, মন্ত্রীসভার কাজ তত্ত্ববধান প্রভৃতি দায়িত্ব মূলত প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত।
- এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' (Keystone of the Cabinet arch) বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৪.
আইন বিভাগের কাজ নয় কোনটি?
  1. আইন প্রণয়ন
  2. বিচারিক কার্য সম্পাদন করা
  3. আইন পরিবর্তন
  4. আইন সংশোধন
সঠিক উত্তর:
বিচারিক কার্য সম্পাদন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক কার্য সম্পাদন করা
ব্যাখ্যা
⇒ বিচারিক কার্য সম্পাদন করা আইন বিভাগের কাজ নয়।

আইন বিভাগ:

- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- সরকার কর্তৃক শাসনব্যবস্থা পরিচালিত করার ক্ষমতা মহান সংসদের হাতে থাকার কারণে বাংলাদেশে সংসদের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
- এর অর্থ হল-আইন ও শাসন প্রণয়নগত সকল বিষয়ে সংসদ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালাই প্রযোজ্য হবে এবং তা শাসন বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। এর ব্যতয় হওয়া সাংবিধানিকভাবে আইন লংঘনের শামিল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে বিচার বিভাগ সরকারের সকল প্রকার বিচারিক কার্য সম্পাদন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২৫ মার্চ, ২০১০
  2. ১৫ নভেম্বর, ২০১০
  3. ১ সেপ্টেম্বর, ২০১০
  4. ৭ নভেম্বর, ২০১০
সঠিক উত্তর:
২৫ মার্চ, ২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ মার্চ, ২০১০
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
-  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা হয়।
- ২০২৪ সালের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। 


তথ্যসূত্র: 
i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.

৯৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে? 
  1. রাজশাহী 
  2. ঢাকা 
  3. চট্টগ্রাম 
  4. কুমিল্লা 
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
ব্যাখ্যা

• সংসদীয় আসন: 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা- ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা- ৩০০টি।
- সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০তম আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়। 
- চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- রাজশাহী জেলায় সংসদীয় আসন ৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

৯৭.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:

- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান। 
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়?
  1. ৩য় সংশোধনী
  2. ৪র্থ সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৬ষ্ঠ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৫ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:

- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সরাসরি সংবিধানের কোনো বিধান পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করা হয়নি।
- সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন ফরমান ও আদেশবলে সংবিধানের যেসব পরিবর্তন করা হয়েছে, পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলোর বৈধতা দেওয়া হয়।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান পঞ্চম সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত চারটি সামরিক ফরমান (ফার্স্ট মার্শাল ল প্রক্লেমেশন) জারি করা হয়েছিল। 
- বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- উত্থাপনকারী: এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- ৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
- তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে রাখা হয়েছিল।
- এরপর ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।
- ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
- এরপর ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়, যাতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পায় সংসদ।

⇒ পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
- রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়।
- ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে।
- এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

⇒ ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ করা যাবে।
- সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল, এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
৯৯.
বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য কত দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

⇒ সরকারি বিল:
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়। 

⇒ বেসরকারি বিল:
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- সংসদের ৭২(১) বিধি অনুসারে মন্ত্রী ব্যতীত সকল সংসদ সদস্য সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপনের নোটিশ দিতে পারে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়। 

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১০০.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ কোন আইন দ্বারা রহিত করা হয়েছে?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
  3. 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (তদন্ত পরিচালনা) বিধিমালা, ২০২২'
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা বিধিমালা- ২০২০
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩:
• ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ( ২০২৩ সনের ৩৯ নং আইন ) দ্বারা রহিত করা হইয়াছে।

উল্লেখ্য,
• ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়।
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয় - ২৮ আগস্ট, ২০২৩।
• বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
• এর আগে গত ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাসস (২৮ আগস্ট, ২০২৩)।