বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস

মোট প্রশ্ন৩২২এই পাতা২২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩২২ / ৩২২

৩০১.
কোন ভাইরাসকে 'মাদার অফ অল ভাইরাস' বলা হয়?
  1. জেরুজালেম ভাইরাস
  2. সিআইএইচ ভাইরাস
  3. বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ভিবিএস/হেল্পার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা ‘CIH’ ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। CIH ভাইরাস বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ করে ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০২.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

◉ ট্রোজান হর্স একটি ধরনের ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে নিজেকে একটি নিরীহ বা উপকারী প্রোগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করে। ট্রোজান হর্সের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণের ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনী থেকে, যেখানে একটি কাঠের ঘোড়ার ভিতরে সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩০৩.
কোনটি নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার?
  1. Browser
  2. Worm
  3. Firewall
  4. Antivirus
ব্যাখ্যা

• Worm হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজে থেকে অনুকরণ করতে এবং সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এটি কোনো হোস্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। Worm সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং কম্পিউটারের ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতি করতে পারে। Browser বা Antivirus নিজে থেকে ম্যালওয়্যার নয়; Browser হলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সফটওয়্যার, আর Antivirus হলো সিস্টেমকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার প্রোগ্রাম। Firewall হলো সিস্টেমের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার হলো Worm.

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. WinRAR
  2. Trend Micro
  3. Windows Defender
  4. Norton
ব্যাখ্যা

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো সেই প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান ও অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এখানে প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Trend Micro, Windows Defender এবং Norton সবই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এগুলো ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু WinRAR হলো একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার, যা ফাইল কমপ্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস সনাক্তকরণ বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) WinRAR।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৩০৫.
কোন ধরনের ফায়ারওয়াল অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে?
  1. Application-layer firewall
  2. Packet-filtering firewall
  3. Circuit-level gateway
  4. Stateless firewall
ব্যাখ্যা
• Application-layer firewall হল এমন একটি ফায়ারওয়াল যা অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে। এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের ডেটা প্যাকেটের কন্টেন্ট পরীক্ষা করে এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকলের নিয়মাবলী অনুসারে ট্রাফিককে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করে। এটি ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফার ইত্যাদি সেবা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Packet-filtering firewall শুধুমাত্র প্যাকেটের হেডার তথ্য যেমন সোর্স এবং ডেস্টিনেশন আইপি ঠিকানা, পোর্ট নম্বর দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। Circuit-level gateway সেশন লেভেলে কাজ করে এবং Stateless firewall পূর্ববর্তী অবস্থা বিবেচনা না করে শুধুমাত্র প্যাকেটের তথ্য দেখে কাজ করে। তাই, অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করার জন্য Application-layer firewall ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৬.
বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস কোনটি?
  1. নরটন
  2. এভাস্ট
  3. বেশতো
  4. কোবরা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস হলো কোবরা।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
Malware শব্দটির পূর্ণ শব্দরূপ কী?
  1. Malicious Virus
  2. Malicious Software
  3. Multiple Virus
  4. Malicious Hardware
ব্যাখ্যা
• মেলওয়‍্যার (Malware):
- মেলওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে মেলওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়‍্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- মেলওয়‍্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে মেলওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় যেমন: Ransomware ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩০৮.
ফায়ারওয়াল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য
  2. ফাইল নিরাপদ করার জন্য
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য
  4. তথ্য সংরক্ষণের জন্য
ব্যাখ্যা

​• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সিস্টেম বা ডিভাইস, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ট্রাফিককে অনুমতি দেয় এবং অননুমোদিত বা সন্দেহজনক ট্রাফিককে ব্লক করে। এর ফলে হ্যাকার বা ম্যালওয়্যার থেকে কম্পিউটার এবং নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত থাকে। এছাড়াও, এটি সংবেদনশীল তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট এবং লোকাল নেটওয়ার্কে নিরাপদভাবে যোগাযোগ করতে পারে। তাই মূল উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করা।

সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও মনিটর করার জন্য। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৯.
কোন ভাইরাসকে CIH বলা হয়?
  1. ভিবিএস/হেল্পার ভাইরাস
  2. বুট সেক্টর ভাইরাস
  3. ওয়ার্ম ভাইরাস
  4. চেরনোবিল ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাস বলা হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১০.
ভিবিএস/হেল্পার কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা

ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

• ভিবিএস/হেল্পার: 
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

• Computer Virus: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩১১.
Trojan Horse- কি?
  1. ডিভাইস
  2. পেন
  3. ল্যান
  4. ভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং- হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)। চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ কোনটি?
  1. কাজের গতি বেড়ে যাওয়া
  2. খুব অল্প সময়ে প্রোগ্রাম লোড হওয়া
  3. হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
- কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের লক্ষণ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।
- নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে বোঝা যাবে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে:
১। কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে।
২। কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়
৩। প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে।
৪। হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
৫। Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৬। ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে।
৭। তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
৮। অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
৯। কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
১০। কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
১১। অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৩.
Which of the following is a type of malware that locks a victim's files and demands payment to unlock them?
  1. Spyware
  2. Trojan
  3. Ransomware
  4. Adware
ব্যাখ্যা

Ransomware হলো এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা ভুক্তভোগীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে লক করে দেয় এবং ফাইলগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে সাধারণত ডেটা লক করে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়।
- এটি এমন একটি ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত সিস্টেমে প্রবেশ করতে দেয় না।
- "র‍্যানসমওয়্যার" নাম থেকেই বোঝা যায় যে এটি কম্পিউটারের ফাইল জিম্মি রেখে মুক্তিপণের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আক্রমণটি কম্পিউটারের সমস্ত ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং ব্যবহারকারীকে একটি বার্তা প্রদর্শন করে।
- বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ফাইলগুলো পুনরুদ্ধার করতে চাইলে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত ফাইল এনক্রিপ্ট করতে একটি বিশেষ এনক্রিপশন কী বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করা হয়।
- এই চাবির তথ্য শুধুমাত্র আক্রমণকারীর কাছে সংরক্ষিত থাকে।
যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয়, তবে আক্রমণকারী ফাইলগুলো পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩১৪.
'AVG' হলো একটি -
  1. Computer Antivirus
  2. Computer Virus
  3. Spreadsheet program
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Kaspersky,
- Norton Antivirus,
- McAfee,
- Bitdefender,

- Avast,
- AVG Antivirus,
- ESET NOD32,
- Trend Micro,

- Sophos,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- F-Secure,
- Panda Security,

- Comodo Antivirus,
- Malwarebytes,
- ZoneAlarm,
- Avira,

- Adaware Antivirus,
- BullGuard,
- Emsisoft Anti-Malware,
- IObit Malware Fighter, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩১৫.
কোনটির মাধ্যমে ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে
  2. সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  4. কোনোটি প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে। হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত নেটওয়ার্কের প্রবেশদ্বারে স্থাপন করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করা হয় এবং নির্দিষ্ট ডিভাইসকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। উভয় ধরনের ফায়ারওয়াল একসাথে ব্যবহৃত হলে নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয় এবং ডেটা সুরক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩১৬.
'Quick Heal' হলো একটি-
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটার অ্যান্টি ভাইরাস
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. কুইক অ্যাক্সেস টুলবার
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টি ভাইরাস:
- অ্যান্টি-ভাইরাস হলো কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল করা একটি সুরক্ষা প্রোগ্রাম যেটি ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার থেকে রক্ষা করে।
- যদি একটি কম্পিউটার ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হয়ে পড়ে তবে একটি সাইবার আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর সমস্ত কী-স্ট্রোক ক্যাপচার করতে পারে, নথিপত্র চুরি করতে পারে বা অন্যকে আক্রমণ করার জন্য তার কম্পিউটারটি ব্যবহার করতে পারে।
- এক্ষেত্রে যেকোনও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রামিত হতে পারে।
- এর প্রতিকার হিসাবে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিদিন ম্যালওয়‍্যারের অনেকগুলি নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে যা কোনও অ্যান্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তাদের সকলকে সনাক্ত করতে এবং সুরক্ষা দিতে পারে না।
- অ্যান্টি-ভাইরাসগুলি আমাদের কম্পিউটারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এটি সমস্ত ধরনের ম্যালওয়্যার সনাক্ত বা বন্ধ করতে পারে না।
- উদাহরণ: নরটন অ্যান্টিভাইরাস (Norton Antivirus), ম্যাকআফি অ্যান্টি ভাইরাস (McAfee Antivirus), বিটফাইন্ডার অ্যান্টিভাইরাস (Bitdefender), কুইক হিল অ্যান্টিভাইরাস (Quick Heal), এভিজি অ্যান্টিভাইরাস (AVG)।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৭.
কোনটি কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত?
  1. স্টোন
  2. ঢাকা
  3. মাইক্রো
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের জন্য অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে পরিচিত পান্ডা। এটি একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম সনাক্ত ও দূর করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করলে ডিভাইসের ডেটা নিরাপদ থাকে এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে। বাজারে বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায়, তবে পান্ডা বিশেষভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস স্ক্যান ও আপডেট করতে সক্ষম, যা কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) পান্ডা।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
- মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।

৩১৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Norton
  3. CodeRed
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• CodeRed হলো একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক লার্নিং প্ল্যাটফর্ম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৯.
নিম্নলিখিত কোন নামে CIH ভাইরাস পরিচিত?
  1. WannaCry
  2. Melissa
  3. Chernobyl
  4. Stuxnet
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বাইরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে। এটি মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে এবং মূল্যবান প্রোগ্রাম ও তথ্য নষ্ট করার পাশাপাশি অনেক সময় কম্পিউটারকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে পারে।
- CIH ভাইরাস-এর রচয়িতা হলেন Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও), যিনি তাইওয়ানের Tatung University-এর ছাত্র ছিলেন। তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)।
- এই ভাইরাসটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত। এটিকে Chernobyl বা Spacefiller নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল, CIH বা চেরনোবিল ভাইরাসের আক্রমণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
ভাইরাসের নামকরণ করেন-
  1. অ্যালান টুরিং
  2. রবার্ট মরিস
  3. ফ্রেড কোহেন
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ক) Trojan Horse
  2. খ) Vigillant
  3. গ) Stealth
  4. ঘ) Macro
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের তালিকা
1. Boot Sector Virus2.
2. F1 Key Virus
3. Multipurpose Virus
4. Macro Virus
5. Companion Virus
6. Overwriting Virus
8. Trojan Horse Virus
7. Partition Virus
9. Command Purpose Virus
10. Stealth Virus
11. Memory Resident Virus
12. A.I.D.S Virus
13. De-My Valentine
14. BUDDY LST.ZIP
15. FLFBOWL.EXE
16. Perrin.Exe
17. FULFNBX. Exe
18. Irina Virus 

Vigillant হলো Anti- Virus .

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ , ভোকেশনাল
৩২২.
বুট সেক্টর ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি কী ক্ষতি হতে পারে?
  1. ব্রাউজারের কুকিজ চুরি করা
  2. মজার বার্তা দেখানো
  3. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
ব্যাখ্যা

• বুট সেক্টর ভাইরাস হলো এমন একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টর বা স্টার্টআপ অংশে সংক্রমণ ঘটায়। এটি মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় সক্রিয় হয় এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে নিয়ন্ত্রণ নেয়। তাই বুট সেক্টর ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করতে পারে অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করার মাধ্যমে, যার ফলে কম্পিউটার পুরোপুরি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যায়। অন্যান্য ক্ষতি যেমন ব্রাউজারের কুকিজ চুরি, মজার বার্তা দেখানো বা ইন্টারনেটের গতি কমানো তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই ভাইরাসের মূল লক্ষ্য হলো সিস্টেমকে বুট প্রক্রিয়ায় আঘাত করা।
- সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা