উত্তর
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান শনাক্ত করা ব্যবহারকারীদের জন্য কঠিন হওয়ার প্রধান কারণ হলো এগুলো সাধারণত বৈধ বা নির্ভরযোগ্য প্রোগ্রামের মতো ছদ্মবেশ ধারণ করে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে সন্দেহ করেন না। ট্রোজান অনেক সময় নিরীহ সফটওয়্যার বা দরকারি অ্যাপ্লিকেশনের ভেতর লুকিয়ে থাকে এবং স্বাভাবিক আচরণের মতোই কাজ করে যায়, যার ফলে এদের উপস্থিতি বোঝা কঠিন হয়।
পাশাপাশি অনেক ট্রোজান আলাদা ইনস্টলেশন ছাড়াই সিস্টেমে ঢুকে পড়ে, যা ব্যবহারকারীর নজর এড়ায়। যদিও কিছু ট্রোজান ইন্টারনেটে সংযুক্ত না-ও হতে পারে বা সিস্টেম ক্র্যাশ ঘটাতে পারে, তবুও ছদ্মবেশ এবং লুকানো কার্যপ্রণালীই শনাক্ত করাকে সবচেয়ে কঠিন করে তোলে।
• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
• Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
• Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
• Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
• ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
• লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
• ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
• ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
• ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।
উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।