বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক চাষ ও পশুপালন পদ্ধতি এবং কৃষি ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন১৭৯এই পাতা৭৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক চাষ ও পশুপালন পদ্ধতি এবং কৃষি ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা / · ১০১১৭৯ / ১৭৯

১০১.
জিএম ফসলের প্রধান সুবিধা কী?
  1. পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
  2. কম পানি প্রয়োজন
  3. স্বাদ বৃদ্ধি
  4. দ্রুত বর্ধনশীলতা
সঠিক উত্তর:
পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• জিএম ফসলের অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। 

• জিএম ফসল:

- জিএম ফসল (Genetically Modified Crops) হলো এমন ফসল যাদের জিনগত গঠনে পরিবর্তন (Genetic Engineering) করে বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো পোকামাকড়, রোগ, আগাছা, এবং পরিবেশগত চাপ থেকে ফসলকে রক্ষা করা।

• জিএম ফসলের প্রধান সুবিধাসমূহ:
→ পোকামাকড় প্রতিরোধ:
- উদাহরণ: Bt cotton, Bt brinjal – এতে Bacillus thuringiensis ব্যাকটেরিয়ার জিন ঢুকিয়ে পোকা মারার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

→ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
- কিছু জিএম ফসলে ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে জিন সংযোজন করা হয়।

→ রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। 

→ ফসলের উৎপাদন ও লাভ বৃদ্ধি পায়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- ব্রিটানিকা। 
১০২.
মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে কোনটি করা হয়?
  1. এপিকালচার
  2. ফ্লোরিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. মেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা

এপিকালচার: 
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়।
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। 

এছাড়াও, 
ফ্লোরিকালচার - ফুলচাষ সংক্রান্ত বিদ্যা। 
সেরিকালচার - রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা। 
মেরিকালচার - সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যা। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
খরিপ-২ মৌসুমের সময়কাল নিচের কোনটি?
  1. জৈষ্ঠ্য মাস থেকে শ্রাবণ মাস
  2. বৈশাখ মাস থেকে আশ্বিন মাস
  3. আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস
  4. জৈষ্ঠ্য মাস থেকে কার্তিক
সঠিক উত্তর:
আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীলকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
১০৪.
ইউরিয়া সার জমিতে একবারে প্রয়োগ না করে কয়েক বারে প্রয়োগ করা হয় কেন?
  1. গাছ দ্রুত গ্রহন করতে পারে না বলে
  2. মাটিতে সংযোজন হয়ে যায় বলে
  3. চুয়ানির মাধ্যমে নষ্ট হয় বলে
  4. গ্রহনোপযোগী হতে দেরী হয় বলে
সঠিক উত্তর:
চুয়ানির মাধ্যমে নষ্ট হয় বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুয়ানির মাধ্যমে নষ্ট হয় বলে
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া:
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- ইউরিয়া এক ধরণের সাদা দানাদার পদার্থ।
- এর উল্লেখযোগ্য ধর্ম হচেছ এটি পানি গ্রাহী পদার্থ।
- যদিও এ সার সহজেই পানিতে দ্রবণীয় কিন্তু সাধারণ অবস্থায় এটি জলীয় বাষ্প শোষণ করে না তবে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় দানা গলে যেতে পারে।

⇒ বাজারে সচরাচর প্রাপ্ত ইউরিয়ায় নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪০-৪৫%, তবে রাসায়নিকভাবে বিশুদ্ধ ইউরিয়ায় নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬-৪৭%।
- কৃত্রিম উপায়ে কল- কারখানায় উৎপাদিত সার ছাড়াও ইউরিয়া জৈব রাসায়নিক যৌগ হিসেবে মাটিতে অবস্থান করে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়।

⇒ এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করার পর পানির সাথে যুক্ত হয়ে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অ্যামোনিয়াম প্রস্তুত হয়।
- উদ্ভিদ সাধারণত নাইট্রেট ও অ্যামোনিয়াম আকারে ইউরিয়া সার গ্রহণ করে।
- অ্যামোনিয়াম পরিণত হওয়ার সময় কিছু পরিমাণ ইউরিয়ার বায়বীয় অপচয় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- এতে ইউরিয়ার শুধু অপচয়ই হয় না উদ্বায়নের সময় বীজের অঙ্কুরোদগম বা চারা গাছের ক্ষতি করে।
- চুনযুক্ত ক্ষারীয় মাটিতে অ্যামোনিয়া গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- চুয়ানির মাধ্যমেও ইউরিয়া নষ্ট হয়, ফলে জমিতে ইউরিয়া একবারে ব্যবহার না করে কয়েকবার ব্যবহার করা হয়।
- ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা দ্রুত এবং স্থায়ীত্বও কম।
- প্রয়োগের এক সপ্তাহের মধ্যেই গাছ পরিশোষণ শুরু করে।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যার নাম কী?
  1. পিসিকালচার
  2. মেরিকালচার
  3. এভিকালচার
  4. এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা

মৌমাছির জাত: 
- মৌমাছির কলোনি তিন প্রকার মৌমাছি নিয়ে গঠিত। 
যেমন- একটি রাণী, কিছু হাজার কর্মী এবং কিছু শত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি মৌমাছি নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে। 
- বহুরূপতা দেখা যায় তাদের দৈহিক গঠনেও, যেখানে রাণী, কর্মী এবং পুরুষ মৌমাছির শারীরিক গঠন ভিন্ন। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে এপিকালচার বলা হয়। 

রাণী মৌমাছির জীবনমান: 
- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে বড় এবং তার উদর প্রশস্ত হয়। 
- রাণী মৌমাছির ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্তে সরু, যেখানে বাঁকানো হুল থাকে যা একটি রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- রাণী মৌমাছির প্রোবোসিস ও রেণুখলি নেই, এবং তাদের ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ হয়। 
- রাণী মৌমাছি মোম ও মধু তৈরি করতে পারে না, তার লালাগ্রন্থি নেই। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১০৬.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'শতাব্দী ও ডেলফোজ'  কী ধরনের ফসলের জাত হিসেবে পরিচিত?
  1. ভুট্টা ও তামাক
  2. গম ও তুলা
  3. গম ও টমেটো
  4. আলু ও আম
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
ব্যাখ্যা

গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী
- তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

অন্যান্য ফসল ও তাদের কিছু উন্নত জাত:
-  ধান: ব্রি হাইব্রিড - ১, সুফলা, প্রগতি।
-  ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
-  বেগুন: নয়নতারা, শুকতারা, বিজয়।
- আলু: হিরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল।
- আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

১০৭.
Ichthyology কী?
  1. ক) বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা
  2. খ) মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা
  3. গ) শৈবাল সম্পর্কিত বিদ্যা
  4. ঘ) হাড় সম্পর্কিত বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা
ব্যাখ্যা
• Ichthyology হলো মাছ সম্পর্কিত বিদ্যা।
- Ichthyology মাছের বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
- এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা সমস্ত জীবন্ত জিনিস নিয়ে কাজ করে।
- Ichthyology মাছের প্রজাতির সাথে সম্পর্কিত, বিশেষ করে Chondrichthyes, Osteichthyes (অস্থি মাছ) এবং Agnatha (চোয়ালবিহীন মাছ) নিয়ে গবেষণা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০৮.
এপিকালচার বলতে বুঝায়-
  1. রেশমের চাষ
  2. মৎস্য চাষ
  3. মৌমাছির চাষ
  4. পাখিপালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৌমাছির চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছির চাষ
ব্যাখ্যা
• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

আধুনিক চাষ:
• উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
• পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।
• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
• সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।

উৎস:
১. কৃষিশিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১০৯.
সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে কী বলা হয়?
  1. Pisciculture
  2. Prawn culture
  3. Mariculture
  4. Sericulture
সঠিক উত্তর:
Mariculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mariculture
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষবিদ্যা:
- সামুদ্রিক মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর চাষবিদ্যাকে মেরিকালচার বলা হয়।

অন্যদিকে,
- সাধারণ মৎস্য চাষবিদ্যাকে পিসিকালচার বলা হয়।
- রেশম কীট পালন ও রেশম উৎপাদনের বিদ্যাকে সেরিকালচার বলা হয়।
- চিংড়ি ও অন্যান্য শেলফিশ চাষবিদ্যাকে প্রণকালচার বলা হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১১০.
উদ্ভিদের পুষ্পধারণের উপর দিবালোকের দৈর্ঘ্যের প্রভাবকে বলে-
  1. ক) ফসফোরাইলেশন
  2. খ) ফটোপিরিওডিজম
  3. গ) রেস্পিরেশন
  4. ঘ) ফটোলাইসিস
সঠিক উত্তর:
খ) ফটোপিরিওডিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফটোপিরিওডিজম
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের ফুল ধারণের ওপর দিবালোকের দৈর্ঘ্যের প্রভাবকে ফটোপিরিওডিজম বলে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে ফটোপিরিওডিজমের গুরুত্ব অপরিসীম। এ পদ্ধতি প্রয়োগ করে এক ঋতুর ফসল অন্য ঋতুতে ফলানো সম্ভব। এক ঋতুর ফসল উত্পন্ন ও বাজারজাত করে ভিন্ন মৌসুমের ফসল হিসেবে প্রচুর আয় করা সম্ভব। সূত্রঃ প্রথম আলো।
১১১.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আলু চাষ করে কারা?
  1. পর্তুগিজরা
  2. ডাচরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. দিনেমাররা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
প্রথম আলু চাষ:
- ভারতীয় উপমহাদেশে সতেরো শতকের গোড়ার দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতে প্রথম আলু নিয়ে আসে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত The Gardening Monthly ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম রেকর্ড দেখা যায়।
- প্রথমদিকে আলুর চাষ হতো কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহে, সেখান থেকে আলু চাষের প্রবর্তন হয় চেরাপুঞ্জিতে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর থাকাকালীন সময়ে (১৭৭২-১৭৮৫), তাঁর উদ্যোগে আলুর চাষ বোম্বেসহ অনেক প্রদেশে বিস্তার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- আলু সম্ভবত আমেরিকার স্থানীয় ফসল।
- স্পেনীয় অনুসন্ধানকারীরা ষোল শতকে পেরু থেকে এটি নিয়ে আসে স্পেনে যেখান থেকে তা উত্তর ও পূর্বে সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকরা সম্ভবত ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে এটিকে উত্তর আমেরিকায় নিয়ে আসে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১২.
জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয় কত তারিখ?
  1. পহেলা আষাঢ়
  2. পহেলা পৌষ
  3. পহেলা অগ্রহায়ণ
  4. পহেলা কার্তিক
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৩.
'প্রণকালচার' শব্দটি দ্বারা কী বুঝায়?
  1. রেশম চাষ
  2. চিংড়ি চাষ
  3. মৎস্য চাষ
  4. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
ব্যাখ্যা
- 'প্রণকালচার' শব্দটি দ্বারা চিংড়ি চাষ বুঝায়। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১১৪.
সয়াবিন ফসলে কোন পোকার আক্রমন দেখা যায়?
  1. বিছাপোকা
  2. কাটালে পোকা
  3. লেদা পোকা
  4. গান্ধী পোকা
সঠিক উত্তর:
বিছাপোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিছাপোকা
ব্যাখ্যা
সয়াবিন ফসল:
⇒ সয়াবিনের ইংরেজি নাম হলো Soybean এবং বৈজ্ঞানিক নাম হলো Glycine max.
- এ ফসল খুব বেশি বা খুব কম তাপমাত্রা কোনটিই সহ্য করতে পারে না।
- দোআঁশ, বেলে দোআঁশ ও এটেল দোআঁশ মাটি সয়াবিন চাষের জন্য উত্তম।
- ব্রাগ, ডেভিস, সোহাগ ইত্যাদি এর অনুমোদিত জাত। 

- সয়াবিন ফসলে বিছাপোকা ও কান্ডের মাছি পোকার আক্রমণ দেখা যায়।
- বিছাপোকার মথের ডিম ফোটার পর প্রথম অবস্থায় শুককীটগুলো দলবদ্ধভাবে পাতার নিচের দিকে অবস্থান করে এবং পাতা খেয়ে ঝাঁঝড়া করে ফেলে।
- এ অবস্থায় আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে বিছাপোকা মেরে ফেলতে হয়।
- কান্ডের মাছি পোকা কান্ড ছিদ্র করে ভিতরের নরম অংশ খায়।
- সেজন্য আক্রান্ত অংশ বা সম্পূর্ণ গাছ মরে যায়।
- অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করে উভয় পোকাই দমন করা সম্ভব।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৫.
মৌমাছির কলোনিতে কোন প্রজাতির মৌমাছি শুধুমাত্র একটি থাকে? 
  1. কর্মী মৌমাছি 
  2. পুরুষ মৌমাছি 
  3. রাণী মৌমাছি 
  4. সব প্রজাতির মৌমাছি 
সঠিক উত্তর:
রাণী মৌমাছি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাণী মৌমাছি 
ব্যাখ্যা

মৌমাছির জাত: 
- মৌমাছির কলোনি তিন প্রকার মৌমাছি নিয়ে গঠিত।
যেমন- একটি রাণী, কিছু হাজার কর্মী এবং কিছু শত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি মৌমাছি নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে। 
- বহুরূপতা দেখা যায় তাদের দৈহিক গঠনেও, যেখানে রাণী, কর্মী এবং পুরুষ মৌমাছির শারীরিক গঠন ভিন্ন। 

রাণী মৌমাছির গঠন: 
- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে বড় এবং তার উদর প্রশস্ত হয়। 
- রাণী মৌমাছির ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্তে সরু, যেখানে বাঁকানো হুল থাকে যা একটি রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- রাণী মৌমাছির প্রোবোসিস ও রেণুখলি নেই, এবং তাদের ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ হয়। 
- রাণী মৌমাছি মোম ও মধু তৈরি করতে পারে না, তার লালাগ্রন্থি নেই। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
আলুর একটি জাতের নাম-
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা

• আলুর একটি জনপ্রিয় জাত হলো ডায়মন্ড। এই জাতটি উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধক্ষম। ডায়মন্ড আলুর গাছ মাঝারি উচ্চতার হয় এবং পাতাগুলো গাঢ় সবুজ রঙের। এর কন্দ বা আলু মাঝারি আকারের, খোসা মসৃণ ও হালকা বাদামি বর্ণের। এই জাতটি মূলত মাঝারি ও শীতপ্রধান অঞ্চলে ভালো ফলন দেয়। ডায়মন্ড জাতের আলু রান্নার জন্য খুব উপযুক্ত এবং সংরক্ষণক্ষমতাও ভালো। কৃষকরা কম সময়ের মধ্যে অধিক ফলন পাওয়ার জন্য এটি চাষ করতে আগ্রহী। এজন্য ডায়মন্ড বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় আলুর জাত হিসেবে পরিচিত।

• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
• ড্রামহেড, গ্রীন এক্সপ্রেস ও গোল্ডেন ক্রস হচ্ছে উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১১৭.
প্রণকালচার বলতে কী বোঝানো হয়? 
  1. মৎস্য চাষ
  2. সামুদ্রিক মৎস্য চাষ
  3. রেশম চাষ
  4. চিংড়ি চাষ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ
ব্যাখ্যা

• প্রণকালচার বলতে সাধারণত জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত চাষকেই বোঝানো হয়, যার মধ্যে চিংড়ি, মাছ, কচ্ছপ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এটি প্রাকৃতিক জলাশয় বা কৃত্রিম পুকুরে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রাণীর বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বিশেষ যত্ন ও নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রণকালচারের প্রধান উদাহরণ হলো চিংড়ি চাষ, যা খাদ্যসামগ্রী ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মৎস্য চাষ বা রেশম চাষ সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্রে পড়ে।
- সুতরাং, প্রণকালচার বলতে মূলত চিংড়ি চাষকেই বোঝানো হয়। এটি আধুনিক কৃষি ব্যবস্থায় একটি লাভজনক এবং দায়িত্বশীল জলজ চাষ প্রক্রিয়া।

 
আধুনিক চাষ: 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- পাখী পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১৮.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চিংড়ি চাষের জন্য কী করা হয়?
  1. মিঠা পানি সংরক্ষণ করা হয়
  2. গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়
  3. নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
  4. বৃষ্টির পানি পরিশোধন করা হয়
সঠিক উত্তর:
নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়
ব্যাখ্যা

• সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় চিংড়ি চাষের জন্য নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়।

• বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব:
- বর্তমানে গ্রীষ্মকালে অনেক বেশি গরম পড়ে।
- মাঝে মাঝে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ৪৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়।
- গ্রীষ্ম ও শীত—উভয় ঋতুতেই আগের তুলনায় তাপমাত্রা বেশি থাকে।
- এটি বৈশ্বিক উষ্ণতার স্পষ্ট প্রমাণ।

• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীতে সঞ্চিত বরফ গলতে শুরু করে।
- সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
- এর ফলে বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানির নিচে চলে যেতে পারে।

• লবণাক্ততার বিস্তার:
- সাগরের লবণাক্ত পানি মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করে।
- নদনদী, খালবিল ও ভূগর্ভস্থ পানি লবণাক্ত হয়ে পড়ে।
- মিঠা পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

• দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাস্তব চিত্র:
- সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় চিংড়ি চাষের জন্য নালা কেটে লবণাক্ত পানি আনা হয়।
- এর ফলে ঐ এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিসহ অন্যান্য মিঠা পানির উৎস লবণাক্ত হয়েছে।
- অনেক স্থানে মিঠা পানির একমাত্র উৎস এখন বৃষ্টির পানি।
- ১০–১৫টি গ্রামের মানুষ একটি পুকুরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে সারা বছর ব্যবহার করে।
- পানি সংগ্রহের জন্য অনেক গৃহবধূকে ৭–৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়।

• আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
- মালদ্বীপ ও ভারতের কিছু অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে আংশিকভাবে ডুবে গেছে।
- বহু মানুষ জলবায়ু শরণার্থী হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১১৯.
Which field is associated with honey production?
  1. Pisciculture
  2. Sericulture
  3. Apiculture
  4. Horticulture
  5. Aquaculture
সঠিক উত্তর:
Apiculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apiculture
ব্যাখ্যা
• মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার। 

• এপিকালচার:
- যে পদ্ধতিতে কৃত্রিম ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়, তাকে এপিকালচার বলা হয়।

• এটি কৃষির একটি বিশেষায়িত শাখা যেখানে মৌমাছির প্রজনন, পরিচর্যা এবং মধু, মোম, পরাগরেণু, রয়‍্যাল জেলি ও প্রোপোলিসের মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
- মধু উৎপাদন বা মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার।
- এটি কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৌমাছি পালন একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।

• এপিকালচারের গুরুত্ব:
→ অর্থনৈতিক উপকারিতা:
- মধু ও মৌমাছির অন্যান্য উপজাত দ্রব্য (যেমন মোম, প্রোপোলিস) বিক্রি করে আয় করা যায়।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক পেশা।
→ পরাগায়নে ভূমিকা:
- মৌমাছি ফসলের পরাগায়নে সাহায্য করে, যা কৃষি উৎপাদন ২০-৩০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
→ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা:
- মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে,
• পিসিকালচার- এটি হলো আধুনিক কৃষির একটি বিশেষ শাখা যেখানে মাছ চাষ, ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• সেরিকালচার- এ শাখায় রেশমকীট পালন ও রেশম উৎপাদন অর্থাৎ রেশম চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• হর্টিকালচার- আধুনিক কৃষির এ শাখায় ফলমূল, শাকসবজি ও ফুলের চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• অ্যাকুয়াকালচার- এ শাখায় মাছ, শেলফিশ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- FAO (Food and Agriculture Organization).
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।
১২০.
ধানের টুংরো ভাইরাস ছড়ায় কোন পোকা?
  1. সবুজ পাতা ফড়িং
  2. মাজরা পোকা
  3. গলমাছি
  4. পামরি পোকা
সঠিক উত্তর:
সবুজ পাতা ফড়িং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ পাতা ফড়িং
ব্যাখ্যা
সবুজ পাতা ফড়িং (Green leaf hopper):
⇒ ক্ষতির লক্ষণ:
১) পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয় অবস্থায় এ পোকা ধানের পাতার রস শুষে খায়।
২) গাছের বৃদ্ধি কমে যায় ও গাছ খাটো হয়।
৩) এ পোকা টুংরো ভাইরাস ছড়ায়।

⇒ দমন ব্যবস্থা:
১) আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২) হাতজাল ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৩) প্রতিরোধী জাত যেমন বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৫, বিআর-৬, বিআর-১০, বিআর-১২ জাতের ধান চাষ করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
নিচের কোনটি রবি মৌসুমের শাকসবজি নয়?
  1. বাঁধাকপি
  2. মূলা
  3. গাজর
  4. পটল
সঠিক উত্তর:
পটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটল
ব্যাখ্যা
→ পটল খরিপ মৌসুমের শাকসবজি।

• রবি মৌসুম:
- শাকসবজি: ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, গাজর, লাউ, সীম, টমেটো, আলু।

- এ ছাড়া বোরো ধান, গম, ডাল ও সরিষা রবি মৌসুমের ফসল।

• খরিপ মৌসুমকে পুনরায় দু'ভাগে ভাগ করা হয়।
• খরিপ-১:
- ফাল্গুন মাস হতে আষাঢ় মাস (মার্চ মাস থেকে জুলাই মাস) পর্যন্ত সময় খরিপ-১ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এ সময়কালকে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ সময় তাপমাত্রা বেশি থাকে। মাঝে মাঝে ঝড় বৃষ্টি হয়।
- আউশ ধান, পাট, ঢেঁড়শ, করলা, পটল, কাঁকরোল, বরবটি ইত্যাদি ফসলের চাষ হয়।
- আম, জাম, কাঠাল, লিচু, পেঁপে ইত্যাদি এ মৌসুমের প্রধান ফল।

• খরিপ-২:
- আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস (মধ্য জুলাই থেকে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কাল খরিপ-২ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এ মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকে এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- এ মৌসুমকে তাই বর্ষাকাল বলে।
- আমন ধান ও বর্ষাকালীন শাকসবজি এ মৌসুমের প্রধান ফসল।
- প্রধান ফলের মধ্যে জাম্বুরা, তাল, আমলকি, কাঁঠাল, জলপাই উল্লেখযোগ্য।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1.  ৫ ভাগ 
  2.  ৭ ভাগ 
  3.  ৩ ভাগ 
  4.  ৬ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৫ ভাগ 
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

১২৩.
What is called 'Bee Farming'?
  1. ক) Aviculture
  2. খ) Sericulture
  3. গ) Apiculture
  4. ঘ) Pisciculture
সঠিক উত্তর:
গ) Apiculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Apiculture
ব্যাখ্যা
- বানিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষকে এপিকালচার বলে

অন্যদিকে,
- বানিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিদ্যাকে - এভিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে রেশম চাষকে - সেরিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে মৎস চাষকে - পিসিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষকে -প্রণকালচার  বলে।

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১২৪.
ফুল উৎপাদনের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. অর্গানিক ফার্মিং 
  2. মাইকোলজি 
  3. ফ্লোরিকালচার 
  4. হর্টিকালচার 
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার 
ব্যাখ্যা

ফুল: 
- ফুল বা সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের জ্ঞান ফ্লোরিকালচার বা পুষ্পোদ্যান বিদ্যা নামে পরিচিত। 
- ফুল মানসিক আনন্দ দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- কতগুলো ফুলের সৌন্দর্য মানুষ আকৃষ্ট করে। আবার কতগুলো ফুলের গন্ধ খুবই মনোমুগ্ধকর। 
- ফুল গৃহ, স্কুল কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোভা বর্ধনের জন্য খুবই প্রয়োজন। 
- ফুল শুধু মানুষের মনতুষ্টির জন্যও নয় এর অর্থনৈতিক অবদান অপরিসীম। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ফুল ও সুদৃশ্য গাছ বাণিজ্যিক উৎপাদন বিশেষ ভাবে গোলাপ চোখে পড়ছে। 
- এছাড়াও বিভিন্ন সুগন্ধি প্রস্তুতি ফুলের নির্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে। এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না। সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে। এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১২৫.
রেশম তন্তু কোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত? 
  1. এলাস্টিন 
  2. ফাইব্রেয়ন 
  3. কলাজেন 
  4. কেরাটিন 
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রেয়ন 
ব্যাখ্যা

রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 

- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৬.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. এপিকালচার 
  2. সেরিকালচার 
  3. এভিকালচার
  4. অ্যাকোয়া কালচার 
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
ব্যাখ্যা

মৌমাছি: 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- মৌমাছির কলোনি তিন প্রকার মৌমাছি নিয়ে গঠিত। 
যেমন- একটি রাণী, কিছু হাজার কর্মী এবং কিছু শত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন দেখা যায়, যেখানে প্রতিটি মৌমাছি নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে। 
- বহুরূপতা দেখা যায় তাদের দৈহিক গঠনেও, যেখানে রাণী, কর্মী এবং পুরুষ মৌমাছির শারীরিক গঠন ভিন্ন। 

- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে বড় এবং তার উদর প্রশস্ত হয়। 
- রাণী মৌমাছির ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্তে সরু, যেখানে বাঁকানো হুল থাকে যা একটি রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- রাণী মৌমাছির প্রোবোসিস ও রেণুখলি নেই, এবং তাদের ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ হয়। 
- রাণী মৌমাছি মোম ও মধু তৈরি করতে পারে না, তার লালাগ্রন্থি নেই। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১২৭.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫৪ সালে
  2. ১৮৫৫ সালে
  3. ১৮৫৬ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

মালনীছড়া চা-বাগান:
- সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত মালনীছড়া চা-বাগান।
- ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ইংরেজ ভদ্রলোক লর্ড হার্ডসন বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- চা-বাগানটির মোট আয়তন ২ হাজার ৫০০ একর। 

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আসাম ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারস, সিলেট-এ বলা হয়, সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। 
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
         ii) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১২৮.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষকে কী বলা হয়?
  1. Apiculture
  2. Sericulture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
সঠিক উত্তর:
Horticulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Horticulture
ব্যাখ্যা
Horticulture শব্দটি ল্যাটিন hortus (garden/উদ্যান) এবং cultura (চাষাবাদ) থেকে এসেছে। এটি ফুল, ফল, শাকসবজি ও অলঙ্কারিক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি: 
- মৌমাছির চাষ - এপিকালচার
- রেশমের (পোকার) চাষ – সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ - পিসিকালচার
- পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার।
- উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।
- মুক্তাচাষ- পার্লকালচার।
- রেশম কীট পালন, রেশম উৎপাদনের জন্য - সেরিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২৯.
কোন সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস এই দুইটি খাদ্য উপাদান পায়?
  1. টিএসপি
  2. অ্যামোনিয়াম সালফেট 
  3. ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
  4. হাইপার ফসফেট
সঠিক উত্তর:
ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সার:
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও টিকে থাকার জন্য মাটি থেকে কমপক্ষে ১৬টি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে।
- মাটিতে এসব উপাদানের ঘাটতি থাকলে বা উদ্ভিদে অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দিলে বাইরের উৎস থেকে সারদ্রব্যের আকারে জমিতে প্রয়োগ করা হয়।
- এ সারদ্রব্য কল-কারখানায় রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রস্তুত করে বাজারজাত করা হয়।
- জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও অধিক ফসল ফলানোর জন্য কল-কারখানায় প্রস্তুত বাজারে প্রাপ্ত সার দ্রব্য জমিতে ব্যবহৃত হয়।

⇒ কতকগুলো সার আছে যেগুলো থেকে উদ্ভিদ একাধিক খাদ্যোপাদান পায়। যেমন: 
- অ্যামোনিয়াম সালফেট: নাইট্রোজেন ও সালফার,
- ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট: নাইট্রোজেন ও ফসফরাস,
- ক্যালসিয়াম নাইট্রেট: ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- ট্রিপল সুপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- হাইপার ফসফেট: ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম,
- পটাশিয়াম সালফেট: পটাশিয়াম ও সালফার,
- পটাশিয়াম নাইট্রেট: পটাশিয়াম ও নাইট্রোজেন,
- জিপসাম: ক্যালসিয়াম ও সালফার,
- জিঙ্ক সালফেট: জিঙ্ক ও সালফার।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
'মধুবালা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তরমুজ
  2. মরিচ
  3. তামাক
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
ব্যাখ্যা

- মধুবালা' তরমুজের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত:
- তরমুজের জাত:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

অপরদিকে,
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১৩১.
মৌমাছি কোন ধরনের পোকা? 
  1. একাকী পোকা
  2. ছত্রাক জাতীয় পোকা
  3. পরজীবী পোকা
  4. সামাজিক পোকা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক পোকা
ব্যাখ্যা
এপিকালচার (Apiculture): 
- অনেক পোকা আছে যা আমাদের প্রভৃত উপকার করে থাকে যার মধ্যে মৌমাছি অন্যতম। কারণ মধু ও মোমের জন্য মৌমাছি সকলের নিকট খুবই প্রিয়। 
- এছাড়াও এরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়। 
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়। 
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। 
- মৌমাছি একটি সামাজিক পোকা। 
- এরা কলোনী তৈরি করে একসাথে বসবাস করে। 
- এই পোকার মধ্যে শ্রমবিভাজন দেখা যায়। 
- শ্রমবিভাজন অনুসারে এই পোকাদের ৩টি শ্রেণি বা কাস্টে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) রাণী মৌমাছি (২) কর্মী বা শ্রমিক মৌমাছি (৩) পুরুষ মৌমাছি। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. বিআর ৫
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৫১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৩৩.
'সেরিকালচার' সম্পর্কিত নিচের কোনটি?
  1. পাখি পালন
  2. মৎস্য চাষ
  3. মৌমাছি চাষ
  4. রেশম চাষ
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা

সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো সেরিকালচার (Sericulture)।
- ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে।
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়।

• গুরুত্বপূর্ণ আরোও কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- বাণিজ্যিকভাবে উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলে হর্টিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে। 
- বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে এভিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে পিসিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে প্রণকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে মেরিকালচার।  

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩৪.
রেশম পোকার কোন অংশ থেকে রেশম সুতা আহরণ করা হয়? 
  1. ডিম
  2. লার্ভা
  3. ডানার খোলস
  4. কোকুন
সঠিক উত্তর:
কোকুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোকুন
ব্যাখ্যা
সেরিকালচার (Sericulture): 
- রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে।
- এদের মধ্যে Bombyx mori রেশম চাষে বেশি ব্যবহার করা হয়। এ পোকা তুঁত গাছের পাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে বিধায় রেশম চাষীকে তুঁত গাছ চাষ করতে হয়।
- রেশম চাষ এর ইংরেজি হলো Sericulture। ল্যাটিন শব্দ 'Serio' থেকে Sericulture শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। 'Serio' শব্দের অর্থ Silk বা রেশম।
- রেশম পোকার খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ চাষ করে এই পোকার লার্ভা পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি বা কোকুন থেকে রেশম সুতা আহরণ করার পদ্ধতিকে রেশম চাষ বলা হয়
- তুঁত গাছ চাষ ও রেশম পোকার লার্ভা পালন ছাড়াও এ পোকার বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন ঘটিয়ে অধিক উৎপাদনশীল রেশম পোকা উদ্ভাবন করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত।
- এই দেশের মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ু রেশম চাষের জন্য বেশ উপযোগী। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
নিচের কোন যুগলটি সঠিক নয়?
  1. সেরিকালচার : রেশম পোকা পালন
  2. পিসিকালচার : মৎস চাষ
  3. এপিকালচার : মৌমাছি পালন
  4. হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ
সঠিক উত্তর:
হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ
ব্যাখ্যা
- Sericulture, the production of raw silk by means of raising caterpillars (larvae), particularly those of the domesticated silkworm (Bombyx mori).
- Fish farming or pisciculture involves commercial breeding of fish, usually for food, in fish tanks or artificial enclosures such as fish ponds.
- Beekeeping (or apiculture) is the maintenance of bee colonies, commonly in man-made hives, by humans. Most such bees are honey bees in the genus Apis, but other honey-producing bees such as Melipona stingless bees are also kept.
- Herpetology is the scientific study of amphibians and reptiles.

সুতরাং, অপশন ঘ) তে প্রদত্ত হারপেটোলজি : ঝিনুক চাষ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সূত্র: Encyclopedia Britannica.
১৩৬.
‘প্রণকালচার’ বলতে কোন বাণিজ্যিক চাষকে বোঝানো হয়?
  1. মৎস্য চাষ 
  2. মৌমাছি চাষ 
  3. চিংড়ি চাষ 
  4. রেশম চাষ 
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি চাষ 
ব্যাখ্যা

- চিংড়ি চাষকে ইংরেজিতে Prawn Culture বা প্রণকালচার বলা হয়। এটি জলজ চাষের একটি বিশেষ শাখা যেখানে বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি উৎপাদন করা হয়। 

আধুনিক চাষ: 

- বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি চাষ করাকে এপিকালচার বলে। 
- বাণিজ্যিকভাবে রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে পিসিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে প্রণকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে উদ্যান বিষয়ক বিদ্যাকে বলে হর্টিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে এভিকালচার। 
- বাণিজ্যিকভাবে সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে মেরিকালচার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৩৭.
বিছাপোকার কোন অবস্থা মাসকালাইয়ের জন্য ক্ষতিকর?
  1. লার্ভা
  2. ডিম
  3. পিউপা
  4. পূর্ণ বয়স্ক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
লার্ভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লার্ভা
ব্যাখ্যা

মাসকালাই:
- মাসকালাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ডাল ফসল।
- এ ফসল গোখাদ্য ও সবুজ সার ফসল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
- সুনিষ্কাশিত উচ-নিচু সব ধরনের জমিতেই এ ফসল চাষ করা যায়।
- এর উন্নত ও স্থানীয় জাত রয়েছে।
- এ ফসল সারিতে বা ছিটিয়ে চাষ করা হয়।
- এ ফসলে জীবানু সার প্রয়োগ করা হলে ইউরিয়া সার দিতে হয় না।
- সঠিক পন্থায় ও ঠিক সময়ে পোকা ও রোগ দমন করে এ ফসলের ভালো ফলন নিশ্চিত করা যায়।
- জাতভেদে হেক্টরপ্রতি এ ফসলের ফলন ১.৫-২ টন পর্যন্ত হয়ে থাকে।

⇒ বিছা পোকা:
- এ পোকার কীড়া/লার্ভা মাসকালাই ফসলের পাতা খেয়ে জালিকার মত করে ফেলে।
- এতে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।
- এ পোকার কীড়াগুলো দলবদ্ধভাবে আক্রমন করে বিধায় হাত দ্বারা সংগ্রহ করে তা মেরে ফেলতে হবে।
- আক্রমনের তীব্রতা বেশি হলে সাইলারমেথ্রিন ইসি এক লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
জমির লবণাক্ততা নিয়িন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
পানি সেচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি সেচ
ব্যাখ্যা
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ। 
- দুই-তিনবার স্বাদুপানির সেচ দিয়ে সেই পানি জমি থেকে বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যায়। 
- এটা একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি। 
- লবণাক্ততার কারণে শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ফসল চাষ অসম্ভব হয়ে পড়ে। 
- এ সময়ে মাটির লবণাক্ততা ৮.০ ডিএস/মি. এর উপরে চলে যায়। 
- এছাড়া এ সময়ে নদীর পানির লবণাক্ততা ২৫.০-৩০.০ ডিএস/মি. পর্যন্ত লক্ষ করা যায়। 

জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো: 
- ভূমিক্ষয় রোধ করা। 
- মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা। 
- মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা। 
- একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা। 
- পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষিশিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
কোনটি মশলা হিসেবে পেঁয়াজের বিকল্প হতে পারে?
  1. লেমনগ্রাস
  2. ক্যাপসিকাম
  3. চিভ
  4. ব্রকোলি
সঠিক উত্তর:
চিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিভ
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) চিভ।
- পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে যে উপাদানটি মশলার কাজ করতে পারে, সেটি এমন কিছু হওয়া উচিত যা স্বাদে বা গন্ধে কিছুটা পেঁয়াজের মতো।

অপশন আলোচনা:
- চিভ (গ): এটি একটি হালকা স্বাদের গুল্মজাতীয় মশলা, যা অনেকটা পেঁয়াজ বা রসুনের স্বাদের কাছাকাছি। এটি সাধারণত সালাদ, স্যুপ, বা ডিশের গার্নিশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
- লেমনগ্রাস (ক): এটি একটি সুগন্ধি গুল্ম যা সাধারণত থাই রান্নায় ব্যবহৃত হয়, তবে এটি পেঁয়াজের মতো স্বাদ বা গন্ধ দেয় না।

- ক্যাপসিকাম (খ): এটি মূলত একটি সবজি এবং স্বাদে মিষ্টি বা হালকা ঝাল হয়; পেঁয়াজের মতো নয়।
- ব্রকোলি (ঘ): এটি একটি সবজি এবং পেঁয়াজের সাথে এর স্বাদের কোনো মিল নেই।

- সুতরাং, চিভ-ই পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত মশলা।

সূত্র: prothomalo [লিংক]
১৪০.
বাংলাদেশের কৃষি মৌসুম কয় ভাগে বিভক্ত?
  1. তিনটি মৌসুমে
  2. দুটি মৌসুমে
  3. চারটি মৌসুমে
  4. একটি মৌসুমে
সঠিক উত্তর:
তিনটি মৌসুমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি মৌসুমে
ব্যাখ্যা

• কৃষি মৌসুম: 
• কৃষি ঋতু তিনটি। 
যথা-
- রবি (শীতকাল), 
- খরিপ-১ (গ্রীষ্মকাল) ও 
- খরিপ-২ (বর্ষাকাল)। 

• ঋতু ভেদে ফসল উৎপাদনে ভিন্নতা দেখা যায়।
- যেমন- শীতকালে, শাক সবজি ও গ্রীষ্মকালে ফলমূলের উৎপাদন বেশি হয়।
- বিশেষ করে জৈষ্ঠ্য মাসে দেশীয় নানা সুমিষ্ট ফলমূলের সমাহার বেশি থাকে বলে একে মধু মাসও বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১৪১.
পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) থমাস হান্ট মর্গান
  2. খ) থিওডোর সোয়ান
  3. গ) স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা

- লুই পাস্তুর মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, জলাতঙ্কের ভ্যাক্সিন, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন।
- থমাস হান্ট মর্গান বংশগতির সঞ্চারণে ক্রোমোজোমের ভূমিকা আবিষ্কার করেন।
- স্ট্যানলি বি. প্রুজিনার প্রথম প্রিয়ন আবিষ্কার করেন।
- থিওডোর সোয়ান কোষ মতবাদ বর্ণনা করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৪২.
সেরিকালচার কী?
  1. ক) মৌমাছি পালনকে
  2. খ) রেশমপোকা পালনকে
  3. গ) মৎস্যচাষ পালনকে
  4. ঘ) সমন্বিত হাঁস-মুরগি পালনকে
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেশমপোকা পালনকে
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভিত্তিতে রেশমপোকার পালনকে সেরিকালচার বলে। 

রেশমপোকা (Silkworm)  বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান প্রাকৃতিক রেশম উৎপাদন করে, Lepidoptera বর্গের এমন কতক লার্ভার সাধারণ নাম। এরা হতে পারে Bombycidae গোত্রের তুঁতগাছের রেশমপোকা (Mulberry silkworm, Bombyx mori) ও অন্য গাছের রেশমপোকা, যেমন Saturniidae গোত্রের এরি রেশমপোকা (Eri silkworm, Samia cynthia ricini), মুগা রেশমপোকা (Muga silkworm, Antheraea assama), তসর রেশমপোকা (Tasar silkworm, A. mylitta ও A. paphia) ইত্যাদি। 

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে B. mori চাষ হয়। বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য লোকে তুঁতগাছের রেশমপোকা multivoltine জাতগুলি প্রায় এককভাবে চাষ করে। অবশ্য পরীক্ষামূলকভাবে কিছু bivoltine জাতের রেশমপোকার চাষও হচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ ও ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড রেডিয়েশন বায়োলজি সাভার, ঢাকা পরীক্ষামূলকভাবে S. c. ricini নামক রেশমপোকা প্রতিপালন করছে। বর্তমানে দেশের রেশমচাষিদের কাছে এরি রেশমপোকা চাষের বাণিজ্যিক গুরুত্ব নেই।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১৪৩.
এপিকালচার কী?
  1. রেশম চাষ বিদ্যা
  2. মৎস্য চাষ বিদ্যা
  3. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
  4. পাখি পালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে। বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে। যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৪৪.
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) সিলেট 
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম বোর্ড রাজশাহীতে অবস্থিত। 

রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশে ১৯৭৮ সালে (অধ্যাদেশ ১৯৭৭ সাল) প্রতিষ্ঠিত। রেশম উৎপাদনে উৎসাহ দান ও রেশম শিল্পে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চার জন সার্বক্ষণিক ও ৭ জন খন্ডকালীন সদস্য নিয়ে এই বোর্ড গঠিত। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী হলেন চেয়ারম্যান। বোর্ডের কার্যাবলি নিম্নোক্ত প্রধান বিভাগসমূহে বিভক্ত: ১. অর্থসংস্থান ও পরিকল্পনা; ২. সম্প্রসারণ ও উদ্বুদ্ধকরণ; ৩. উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ এবং ৪. প্রশাসন।

বোর্ডের প্রধান লক্ষ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে: ১. রেশম উৎপাদন ও রেশম শিল্পের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন; ২. রেশম উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণে উদ্যোগ, সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান; এবং ৩. তুঁত, ভেরেন্ডা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উদ্ভিদের উন্নত চাষপদ্ধতি উদ্ভাবন।

দেশের বিভিন্ন অংশে বোর্ডের ১৪টি নার্সারি, ৩৯টি কেন্দ্র ও ১৫৯টি উপকেন্দ্র রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ রেশম বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১৪৫.
বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. শিল্প ভিত্তিক
  2. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  3. ধান-প্রধান নিবিড় বাণিজ্যিক
  4. যান্ত্রিক কৃষি
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী ধরনের।

• ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে তাকে স্বয়ংভোগী চাষাবাদ বলে।
- আদ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসিতপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপানে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে। 

• বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ক্ষুদ্রায়তন জমি।
- নিবিড় চাষাবাদ।
- ধানের প্রাধান্য।
- কায়িক শ্রম নির্ভর।
- একাদিক্রমে চাষাবাদ।
- চাষাবাদ প্রকৃতির উপর বেশী নির্ভরশীল।

• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলার কারণ: 
- আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য (ধান) উৎপাদন।
- বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। 
- এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসবজি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
- এজন্যই বাংলাদেশকে কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলা হয়। 
--------------------- 
বাংলাদেশের জাতীয় কৃ‌ষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।
 
উৎস:
জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) -মোস্তাফিজুর রহমান,  একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৬.
'রবিশস্য বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) বর্ষাকালীন শস্য
  2. খ) যে কোনো সময়ের শস্য
  3. গ) গ্রীষ্মকালীন শস্য
  4. ঘ) শীতকালীন শস্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন শস্য
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।

রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্রঃ কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
১৪৭.
বাংলাদেশে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন কবে চালু হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন ২০২০ সালে চালু হয়। 
- ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে।
- ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।
- ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩ হাজার ৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে।
- এ থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।
- গত চার বছরে ট্রেনটি চলাচলে তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
- ফলে এই কয়েক বছরে রেলওয়ের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা।
- ২০২৪ সালে রাজশাহী থেকে সর্বনিম্ন খরচে ঢাকায় আম পরিবহনের জন্য আগামী ১০ জুন থেকে চালু হচ্ছে 'ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন'।
- এ ট্রেনে রাজশাহী থেকে ঢাকায় আম পরিবহনে প্রতি কেজিতে খরচ পড়বে এক টাকা ৪৩ পয়সা।

সূত্র- রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।  
১৪৮.
পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যা কী নামে পরিচিত?
  1. এভিকালচার
  2. সেরিকালচার 
  3. এপিকালচার
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
ব্যাখ্যা

- পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যাকে এভিকালচার (Aviculture) বলা হয়, এটি বন্দী অবস্থায় পাখি পালন এবং প্রজননের অনুশীলনকে বোঝায় 

আধুনিক চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিসমূহ: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

১৪৯.
নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে কোনটি গঠন করে?
  1. ক) ভ্রূণ
  2. খ) বীজ
  3. গ) ফল
  4. ঘ) ফলত্বক
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
ব্যাখ্যা

- নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজ গঠন করে।
- নিষেকের পরে ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফল গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে ফলত্বক গঠন করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৫০.
Which of the following is not used in organic farming?
  1. Vermicompost
  2. Green manure
  3. Compost
  4. Chemical fertilizer
  5. Cow dung fertilizer
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
ব্যাখ্যা
• জৈব কৃষিতে রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় না। 

• জৈব কৃষি:
- জৈব কৃষি (Organic Farming) হলো একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে।

• জৈব কৃষির বৈশিষ্ট্য:
→ প্রকৃতির ভারসাম্য: জৈব কৃষি প্রকৃতির নিয়ম মেনে কাজ করে, যেখানে মাটি, জল, এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।
→ প্রাকৃতিক উপাদান: জৈব সার, জৈব কীটনাশক, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার করা হয়।
→ মাটির স্বাস্থ্য: জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করা হয়।
→ জৈব বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরনের ফসল এবং পশুপাখি পালন করে জৈব বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়।
→ পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ কমানো হয়।
→ খাদ্য নিরাপত্তা: নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়।
→ অর্থনৈতিক লাভ: জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

• জৈব কৃষিতে ব্যবহৃত উপাদান:
→ কেঁচো সার (Vermicompost):
- কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বাড়ায়।
→ কম্পোস্ট (Compost):
গোবর, পাতা, খড় ইত্যাদি পচিয়ে তৈরি করা হয়।
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়।
→ সবুজ সার (Green Manure):
ধইঞ্চা, সেসবানিয়া ইত্যাদি ফসল মাটিতে চাষ করে পুঁতে দেওয়া হয়।
নাইট্রোজেন স্থিরকরণ ও মাটির গঠন উন্নত করে।
→ গোবর সার (Cow dung fertilizer):
- এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও ফসলের স্বাস্থ্য উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর।

• জৈব কৃষিতে অব্যবহৃত উপাদান:
→ রাসায়নিক সার (Chemical Fertilizers):
- ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি কৃত্রিম সার জৈব কৃষিতে নিষিদ্ধ।
- এগুলো মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৫১.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. হর্টিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. এপিকালচার 
  4. পিসিকালচার 
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ বিষয়ক বিভিন্ন পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৫২.
নিচের কোনটি একোয়াকালচারের উদাহরণ নয়?
  1. মৌমাছি চাষ
  2. চিংড়ি চাষ
  3.  শামুক চাষ
  4. ওয়েস্টার চাষ 
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
ব্যাখ্যা

- মৌমাছি চাষ বা এপিকালচার (Apiculture) একোয়াকালচারের (জলজ চাষ) উদাহরণ নয়। এটি হলো মৌমাছি প্রতিপালন এবং তাদের থেকে মধু, মোম ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহের পদ্ধতি। এটি একটি ভূমি-ভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম
অন্যদিকে,
- ওয়েস্টার চাষ, চিংড়ি চাষ, এবং শামুক চাষ- এই সবই হলো একোয়াকালচারের উদাহরণ, কারণ এই প্রাণীগুলোকে জলজ পরিবেশে (সমুদ্রের পানি, স্বাদু পানি বা লবণাক্ত পানির মিশ্রণে) চাষ করা হয়। 
 
মৎস্যবিজ্ঞান: 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে। 
- বর্তমানে মাছ চাষের সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন জলজ প্রাণি যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ, ব্যাঙ ইত্যাদি চাষ করা হয়। 
- বিজ্ঞানের ভাষায় মাছ চাষকে একোয়াকালচার (Aquaculture) বলা হয়। 
- Aquaculture শব্দটি Latin শব্দ 'Aqua' যার অর্থ “পানি” এবং English শব্দ 'Culture' যার অর্থ "চাষ” নামক দু'টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, Aquaculture অর্থ পানিতে চাষ অথবা মাছ চাষকে বুঝায়। 
- অন্যভাবে, নিয়ন্ত্রিত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলজ জীবের চাষকে একোয়াকালচার বলে। একে আবার Aquafarming বলা হয়। যেমন- মাছ চাষ (Fish farming/culture), চিংড়ি চাষ (Shrimp farming/culture), ওয়েস্টার চাষ (Oyster farming/culture), সীউঈড চাষ (Seaweed farming/culture) ইত্যাদি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৫৩.
রেশম পোকা পালনকে কী বলা হয়?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. ভিটিকালচার
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

◉ রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতো উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture বলে। 

​সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​এপিকালচার (Apiculture): মৌমাছি পালনকে বোঝায়, মূলত মধু সংগ্রহের জন্য।
পিসিকালচার (Pisciculture): মাছ চাষ বা পালনকে বোঝায়।
ভিটিকালচার (Viticulture): মদ তৈরীর জন্য আঙ্গুর চাষ করার প্রক্রিয়া।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫৪.
বেলে বুনটের মাটিতে এমপি সার কত কিস্তিতে দিতে হয়?
  1. ২ কিস্তি
  2. ৩ কিস্তি
  3. ৪ কিস্তি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
ব্যাখ্যা
জমি চাষ:
- জাত ও মৌসুম ছাড়া সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও কিছু কিছু নীতিমালা মেনে চলতে হয়। যেমন:
১। পাহাড়ের পাদভূমির মাটি ও লাল বেলে মাটিতে এমপি সার দেড়গুণ দিতে হয়।
২। গঙ্গাবাহিত পলিমাটি ও সেচ প্রকল্প এলাকার মাটিতে দস্তা সার বেশি পরিমাণে দিতে হয়।
৩। হাওড় এলাকার মাটিতে সার কম পরিমাণে দিতে হয়।
৪। স্থানীয় জাতের ধানে সারের পরিমাণ অর্ধেক দিলেই চলে।
৫। পূর্ববর্তী ফসলে প্রতিটি সার সঠিক পরিমাণে প্রয়োগ হয়ে থাকলে উপস্থিত ফসলে প্রতিটি সারের অর্ধেক পরিমাণ ব্যবহার করলেই চলে।
৬। পূর্ববর্তী ফসলে দস্তা সার ব্যবহার হয়ে থাকলে পরবর্তী ২টি ফসলে আর এ সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
৭। বেলে মাটিতে এম পি সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হয়।
৮। কোন জমিতে সবুজ সার ফসলের চাষ হলে পরবর্তী ফসলে ইউরিয়া সার ৪০-৫০% কমিয়ে ব্যবহার করলেও চলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৫.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে কী বলে?
  1. ক) হর্টিকালচার
  2. খ) পিসিকালচার
  3. গ) সেরিকালচার
  4. ঘ) এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে হর্টিকালচার বলে। 

উদ্যানতত্ত্ব  উদ্যানতত্ত্ব হচ্ছে সমন্বিত একটি বিষয়, মাটি থেকে বিভিন্ন প্রকার উৎপাদন এর অন্তর্ভূক্ত। সাধারণভাবে উদ্যানতত্ত্ব বলতে বাণিজ্যিক ভিত্তিক বাগান করা বুঝায় যাতে লাভের জন্য ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১৫৬.
সামদ্রিক মৎস্য চাষের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. মেরিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. হর্টিকালচার
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৫৭.
পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. Animal Husbandry
  2. Sericulture
  3. Apiculture
  4. Aviculture
সঠিক উত্তর:
Aviculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aviculture
ব্যাখ্যা
• Aviculture (এভিকালচার) - পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

অপশন আলোচনা:
• Animal Husbandry (এনিম্যাল হাসবেন্ড্রি):
- পশুপালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

• Sericulture (সেরিকালচার):
- সেরিকালচারে রেশম চাষ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

• Apiculture (এপিকালচার):
- এপিকালচারে মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: Britannica.com
১৫৮.
মানুষের চুল ও নখে কোন ধরণের প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ফাইব্রেয়ন
  2. খ) গ্লোবিউলিন
  3. গ) কেরাটিন
  4. ঘ) অ্যাকটিন
সঠিক উত্তর:
গ) কেরাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেরাটিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।
- রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন দ্বারা তৈরি।
- জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে ফ্লিস উল (Fleece Wool) বলে।
- মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয়, পুল্ড উল (Pulled Wool) বলে।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৯.
শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে কি পাওয়া যায়?
  1. ক) PVC
  2. খ) মেলামাইন পলিমার
  3. গ) নাইলন
  4. ঘ) অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মেলামাইন পলিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেলামাইন পলিমার
ব্যাখ্যা

- ইউরিয়া মূল্যবান পদার্থ। কার্বন - ডাই - অক্সাইড ও অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চচাপে ও ১৩০ ডিগ্রী - ১৫০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বনেট উৎপন্ন হয়।
- পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙ্গে ইউরিয়া প্রস্তুত করা হয়। অ্যামোনিয়াম সায়ানাইড থেকেও ইউরিয়া পাওয়া যায়।
- শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে মেলামাইন পলিমার পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৩০২।

১৬০.
সেরিকালচার সম্পর্কিত কোনটি?
  1. মধু উৎপাদন
  2. রেশম উৎপাদন
  3. মাছ চাষ
  4. ফুল চাষ
সঠিক উত্তর:
রেশম উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম উৎপাদন
ব্যাখ্যা
◉ সেরিকালচার হলো রেশমকীট (Silkworm) পালন ও রেশম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।

সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
মধু উৎপাদন - Apiculture, 
মাছ চাষ - Pisciculture, 
ফুল চাষ - Floriculture.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬১.
সূর্যমূখীর ভাল ফলনের জন্য প্রতি হেক্টর জমিতে সার প্রয়োগ করতে হবে -
  1. ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া
  2. ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম
  3. ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
সূর্যমূখী চাষ:
- সূর্যমুখী ইংরেজি নাম Sunflower এবং আলো নিরপেক্ষ ফসল হওয়ায় এটা সারা বছর ধরে চাষ করা যায়।
- গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ভালো ফলন হয়।
- চাষের জন্য দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি অত্যন্ত উপযোগী।
- কিসো ও বারি সূর্যমুখী ২ জাত উল্লেখযোগ্য।
- প্রতি হেক্টর জমিতে চাষ ৮-১০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।
- ফলন ১.৫-১.৮ টন/হেক্টর।
- এটা তেল ও ফুল উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে চাষ হয়ে থাকে।
- এর বীজে ৪৫-৫০% ভোজ্য তেল থাকে।
- এর তেল সরিষার তেলের চেয়ে অনেক ভালো।

⇒ সার প্রয়োগ:
- সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করলে সূর্যমূখীর ফলন ভালো হয়।
- প্রতি হেক্টর জমিতে ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া, ১৬০-১৮কেজি টিএসপি, ১২০-১৫০ কেজি এমওপি, ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট, ১০-১২ কেজি বরিক এসিড ও ৮০-১০০ কেজি ম্যানেসিয়াম সালফেট প্রয়োগ করতে হয়।
- ইউরিয়া সারের অর্ধেকসহ বাকী সব সার জমি তৈরির শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
- বাকী অর্ধেক ইউরিয়া দু'ভাগ করে ১ম ভাগ চারা গাজনোর ২০-২৫ দিন পর এবং ২য় ভাগ ৪০-৪৫ দিন পর বা ফুল আসার আগে প্রয়োগ করতে হয়।
- প্রতিবার সেচের পর ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে সারের সঠিক ব্যবহার হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬২.
জীববিজ্ঞানের কোন বিষয়ে রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. অরনিথোলজি
  2. এপিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. সিল্ক ওয়ার্ম স্টাডি
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

- রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের সেরিকালচার শাখায়।
- - রেশম পোকার ইংরেজি হলো সিল্ক ওয়ার্ম। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের এপিকালচার শাখায়।
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পাখি বিষয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে অরনিথোলজি বলা হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

১৬৩.
'সেরিকালচার' বলতে কী বুঝায়? 
  1. রেশম চাষ 
  2. পাখি পালন 
  3. মৎস্য চাষ 
  4. মৌমাছি চাষ 
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৬৪.
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ইরি - ৮
  2. ইরি - ১
  3. ইরি - ২০
  4. ইরি - ৩
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় ১৯৬৭ সালে ‘ইরি-৮’ ধানের মাধ্যমে। 
- ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। 
- পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। 
- বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে। 

উৎস: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট।
১৬৫.
শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজের আর্দ্রতা কত ভাগ প্রয়োজন হয়?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণ:
- বীজ যদি অধিক আর্দ্রতায় রাখা হয় তাহলে বীজ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ এর ফলে বীজের শ্বসন বৃদ্ধি পায়, রোগ বালাই ও পোকামাকড় এর আক্রমণ বাড়ে। - অনেক সময় মোল্ড দেখা দেয়।
- যেহেতু বীজের জীবনকাল আর্দ্রতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাই বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজ শুকানো প্রয়োজন।
- শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য ১০% আর্দ্রতা খুবই উপকারী।
- তবে ৪% বা এর নিচের আর্দ্রতা বীজের অঙ্কুরোদ্গমের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অন্যদিকে,
- বীজের আর্দ্রতা প্রতি ১% কমাতে বীজের জীবনকাল দ্বিগুণ হয়।

উৎস - Seed Science and Technology, TNAU AGRITECH website।
১৬৬.
চিংড়িপালন বিদ্যাকে বলা হয় -
  1. প্রোণকালচার
  2. এভিকালচার
  3. এপিকালচার
  4. সেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
প্রোণকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোণকালচার
ব্যাখ্যা
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার;
এপিকালচার-মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা;
এভিকালচার-পাখিপালন বিদ্যা এবং
পিসিকালচার-মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রোণকালচার।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৬৭.
পরীক্ষাগারে উৎপাদিত প্রথম জৈব যৌগ কোনটি?
  1. ক) অ্যালকোহল
  2. খ) ইথানল
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) পাইরিন
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- ১৮১৫ সালে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস প্রস্তাব করেন যে, জৈব যৌগসমূহ কেবল সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে এক রহস্যময় প্রাণশক্তির প্রভাবে উৎপন্ন হয়ে থাকে। তাই একে পরীক্ষাগারে উৎপন্ন করা সম্ভব নয়। একে প্রাণশক্তি মতবাদ বলা হয়। তখন সব বিজ্ঞানী এ মতবাদ গ্রহণ করেন।
- ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলার পরীক্ষাগারে অজৈব অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড লেড সায়ানেট দ্রবণের বিক্রিয়া ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে পরীক্ষাগারে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন।
- ইউরিয়া হলো প্রথম জৈব যৌগ যা পরীক্ষাগারে উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এজন্য বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৬৮.
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে কত সেন্টিমিটারের কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ? 
  1. ১৮ সেন্টিমিটার
  2. ২০ সেন্টিমিটার
  3. ২৩ সেন্টিমিটার
  4. ২৫ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২৩ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০ সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত। 
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সালে এ আইন প্রণয়ন করে। 
- এ আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ- 
১. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি কর্তৃক- 
(ক) প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর (আষাঢ় মাসের মাঝামঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালবাউস, ঘনিয়া। 
(খ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে (কার্তিক মাসের মাঝামঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা 'জাটকা' নামে পরিচিত); 
(গ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (১ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস; 
(ঘ) প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি হতে জুন ( মাঘ মাসের মাঝামাঝি হতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের (১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের সিলন, বোয়াল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহণ বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ । 

উৎস: মৎস্যবিষয়ক আইনসমূহ, মৎস্য অধিদপ্তর বাংলাদেশ।
১৬৯.
জৈব কৃষিতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না?
  1. কেঁচো সার
  2. রাসায়নিক সার
  3. কম্পোস্ট
  4. সবুজ সার
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক সার
ব্যাখ্যা
• জৈব কৃষি তে রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় না। 

• জৈব কৃষি:

- জৈব কৃষি (Organic Farming) হলো একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে।

• জৈব কৃষির মূল ধারণা:
- প্রকৃতির ভারসাম্য: জৈব কৃষি প্রকৃতির নিয়ম মেনে কাজ করে, যেখানে মাটি, জল, এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।  
- প্রাকৃতিক উপাদান: জৈব সার, জৈব কীটনাশক, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার করা হয়।  
- মাটির স্বাস্থ্য:  জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করা হয়।
- জৈব বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরনের ফসল এবং পশুপাখি পালন করে জৈব বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়।  
- পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ কমানো হয়।  
- খাদ্য নিরাপত্তা: নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়।  
- অর্থনৈতিক লাভ: জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

• জৈব কৃষিতে ব্যবহৃত উপাদান:
কেঁচো সার (Vermicompost):
- কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বাড়ায়।

কম্পোস্ট (Compost):
- গোবর, পাতা, খড় ইত্যাদি পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়।

সবুজ সার (Green Manure):
- ধইঞ্চা, সেসবানিয়া ইত্যাদি ফসল মাটিতে চাষ করে পুঁতে দেওয়া হয়।
- নাইট্রোজেন স্থিরকরণ ও মাটির গঠন উন্নত করে।

• জৈব কৃষিতে অব্যবহৃত উপাদান:
রাসায়নিক সার (Chemical Fertilizers):
- ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি কৃত্রিম সার জৈব কৃষিতে নিষিদ্ধ।
- এগুলো মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৭০.
পাখি সম্পর্কিত বিদ্যা-
  1. ক) Herpetology
  2. খ) Ichthyology
  3. গ) Ornithology
  4. ঘ) Nematology
সঠিক উত্তর:
গ) Ornithology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Ornithology
ব্যাখ্যা
Ornithology শব্দের অর্থ- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যা।
১৭১.
সেরিকালচার কী?
  1. পাখিপালন
  2. মৎস্য চাষ
  3. রেশম চাষ
  4. মৌমাছি চাষ
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষাবাদ:
• পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যা - এভিকালচার;
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা - সেরিকালচার;
• মৌমাছির চাষ বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার;
• সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৭২.
গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে -
  1. এগিয়ে থাকে
  2. পিছিয়ে থাকে
  3. সমান থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিছিয়ে থাকে
ব্যাখ্যা

 গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০) ধরা হয়।
- প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে।
- এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

উৎস:  NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১৭৩.
উদ্যানচর্চা বিষয়ক বিজ্ঞানকে বলা হয়-
  1. হর্টিকালচার
  2. বোটানি
  3. প্লান্টকালচার 
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

• হর্টিকালচার:
- হর্টিকালচার হলো ফসল উৎপাদন ও উদ্যানচর্চার বিজ্ঞান ও শিল্প, যা মূলত ফুল, ফল, সবজি, ঔষধি ও সুগন্ধি উদ্ভিদ, বনজ উদ্ভিদ ইত্যাদির চাষ এবং ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এটি কৃষি বিজ্ঞানের একটি উপশাখা হলেও এর লক্ষ্য মানুষের খাদ্য, সুগন্ধি, সৌন্দর্য এবং পরিবেশের উন্নতি।

 • হর্টিকালচারের প্রধান শাখা:
- ফলবীজ (Pomology): ফলমূল উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা।
উদাহরণ: আম, কলা, লিচু, আপেল, কমলা।

- সবজি চাষ (Olericulture): সবজি উৎপাদন ও সংরক্ষণ।
উদাহরণ: টমেটো, গাজর, পটল, বাঁধাকপি।

- ফুলচাষ (Floriculture): ফুল ও শোভামূলক উদ্ভিদ উৎপাদন।
উদাহরণ: গোলাপ, জবা, শাপলা, লিলি।

- সুগন্ধি ও ঔষধি উদ্ভিদ (Aromatic & Medicinal Plants): গন্ধযুক্ত ও ঔষধি উদ্ভিদ উৎপাদন।
উদাহরণ: লবঙ্গ, পুদিনা, তুলসী, হরিতকি।

- ল্যান্ডস্কেপ হর্টিকালচার (Landscape Horticulture): উদ্যান, পার্ক, রাস্তার গাছপালা, বাগান ও সবুজ পরিবেশের পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণ।
 
• হর্টিকালচারের গুরুত্ব:
১। পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা: ফল ও সবজি মানুষের পুষ্টি ও ভিটামিন সরবরাহ করে।

২। আর্থিক গুরুত্ব: ফুল, ফল ও ঔষধি উদ্ভিদ বিক্রয় থেকে আয় বৃদ্ধি।

৩। পরিবেশগত গুরুত্ব: সবুজায়ন ও বায়ু, মাটি ও পানি সংরক্ষণে সাহায্য।

৪। সৌন্দর্য ও পর্যটন: ফুলবাগান, উদ্যান ও ল্যান্ডস্কেপ শিল্পে সৌন্দর্য বৃদ্ধি।

৫। স্বাস্থ্য ও ঔষধি ব্যবহার: ঔষধি উদ্ভিদ ও সুগন্ধি উদ্ভিদ থেকে জীবনমান উন্নয়ন।

অপরদিকে,
পিসিকালচার হলো মাছ চাষের বিজ্ঞান ও শিল্প, যা মূলত মাছের প্রজনন, বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কিত।এটি পানির মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় এবং কৃষি ও প্রাণি সম্পদের উপশাখা।

উৎস: Britannica [Link]

১৭৪.
নিচের কোনটি মাছের চাষ বুঝায়?
  1. পিসিকালচার (Pisciculture)
  2. সেরিকালচার (Sericulture)
  3. এপিকালচার (Apiculture)
  4. হর্টিকালচার (Horticulture)
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার (Pisciculture)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিসিকালচার (Pisciculture)
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৭৫.
নিচের কোনটি চাষের ধরন ও বিদ্যার সঠিক জোড়া?
  1. পাখি — এপিকালচার
  2. মৎস্য — পিসিকালচার
  3. মৌমাছি — এভিকালচার
  4. রেশম — প্রণকালচার
সঠিক উত্তর:
মৎস্য — পিসিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্য — পিসিকালচার
ব্যাখ্যা

- পিসিকালচার (Pisciculture) হলো বাণিজ্যিকভাবে ট্যাঙ্ক বা পুকুরে মাছ চাষ করার প্রক্রিয়া। এটি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

আধুনিক কৃষি ও চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

১৭৬.
পেঁয়াজের প্রধান রোগ কোনটি?
  1. পার্পল ব্লেচ
  2. লিফ ব্লাইট
  3. অ্যানথ্রাকনোজ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
পিঁয়াজ:
- একটি দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদ।
- আমাদের দেশে এর একবর্ষজীবী জাতও দেখা যায়।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম Allium cepa.
- পিঁয়াজের রূপান্তরিত কান্ড সংলগ্ন পাতার গোড়ায় খাদ্য জমাটের ফলে স্ফীত হয় এবং কান্ডের সাথে একটির পর একটি সংযোজিত হয়ে শল্ককন্দ উৎপাদন করে।
- এ শল্ককন্দ পিঁয়াজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এ থেকে নতুন গাছ জন্মে থাকে।
- পিঁয়াজের ফুল উভলিঙ্গী, ফল ক্যাপসুল জাতীয় এবং বীজের রং কালো।

⇒ রোগবালাই ও পোকামাকড়:
- পেঁয়াজের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে পার্পল ব্লেচ, লিফ ব্লাইট, অ্যানথ্রাকনোজ, বালব রট প্রধান।
- পার্পল ব্লেচ রোগ বীজবাহিত।
- সুতরাং বীজ বপনের পূর্বে শোধন করে নিতে হবে।
- পেঁয়াজের ক্ষতিকর পোকামাকড় হচ্ছে থ্রিপস, মাছি ইত্যাদি।
- এক্ষেত্রে ডায়াজিনন স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৭.
ধানের পামরি পোকা আক্রমণের লক্ষণ -
  1. শীষ আসার সময় হলে 'হোয়াইট হেড' বের হয়
  2. গাছ খাটো হয় 
  3. পাতা শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মত হয়
  4. আক্রান্ত কুঁশি পিয়াজের মত রং
সঠিক উত্তর:
পাতা শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মত হয়
ব্যাখ্যা
পামরি পোকা (Rice hispa):
⇒ ক্ষতির লক্ষণ:
১) পামরি পোকা পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় ও কীড়া এ দু-অবস্থায় ধান গাছ আক্রমন করে।
২) কীড়া পাতা ছিদ্র করে সবুজ অংশ খায়।
৩) পূর্ণবয়স্ক পোকা ধানের পাতার উপর সমান্তরাল দাগ করে সবুজ অংশ কুরে কুরে খেয়ে ফেলে।
৪) পাতা শুকিয়ে পুড়ে যাওয়ার মত হয়।

⇒ দমন ব্যবস্থা:
১) হাতজাল অথবা মশারিরর কাপড় দিয়ে পূর্ণবয়স্ক পোকা ধরে মেরে ফেলতে হবে।
২) গাছের পাতা ছেঁটে দিয়ে কীড়া মারা যায়।
৩) পাতার ৩৫% ক্ষতি হলে অথবা প্রতি গোছায় ধানগাছে ৪টি পূর্ণবয়স্ক পোকা থাকলে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৮.
পিসিকালচার কী?
  1. পাখিপালন বিদ্যা
  2. রেশমচাষ বিদ্যা
  3. মৎস্যচাষ বিদ্যা
  4. সামুদ্রিক মৎস্যপালন বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
মৎস্যচাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্যচাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যা- এভিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা- সেরিকালচার।
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা- পিসিকালচার।
• সামুদ্রিক মৎস্য পালন বিষয়ক বিদ্যা- মেরিকালচার।
• মৌমাছি চাষ বিষয়ক করা- এপিকালচার বলে।
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা- প্রণকালচার।
• উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা- হর্টিকালচার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৭৯.
বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় ’জুম’ চাষ করা হয়? 
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি 
  3. বান্দারবন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

জুমচাষ (Jhum):
- বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে 'সুইডেন চাষাবাদ' বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে জুমচাষ হয়।
- বাংলাদেশ শুধু তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে এ -জুমচাষ করা হয়।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।