ব্যাখ্যা
- এই উপন্যাসের রচয়িতা সেলিনা হোসেন।
- বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের হত্যাকান্ডের পটভূমিতে রচিত হিউম্যান ট্রাজেডির উপাখ্যান।
- হত্যাকান্ডের বিচারে ৬১ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
- সাক্ষীদের এইসব জবানবন্দি কাহিনীর প্রয়োজনে উপন্যাসজুড়ে ব্যবহৃত হয়েছে।
- লেখক একদিকে গল্প বানিয়েছেন অন্যদিকে জবানবন্দি উপস্থাপন করে ঘটনার বিবরণ সংযুক্ত করেছেন।
- ফলে উপন্যাসে সাধু ও চলিত ভাষার ব্যবহার অনিবার্য ছিল।
- নিঃসন্দেহে বলা যায় ভাষার এই দুই ধারা উপন্যাসের আঙ্গিকে ভিন্নতা এনেছে।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্ররা মৃত।
- ভিন্নধর্মী আঙ্গিকের কারণে উপন্যাসের পৃষ্ঠাজুড়ে তাদের উপস্থিতি ছিল।
- এই উপন্যাসে সময় উথালপাথাল চরিত্র। কাহিনী নির্মাণের প্রয়োজনে সময়ের ধারাবাহিকতার আগপিছ করা হয়েছে।
সেলিনা হোসেন:
- কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন, রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- সেলিনা হোসেন বর্তমানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বদেশ পরবাসী,
- একাত্তরের ঢাকা,
- নির্ভয় করো হে।
তার রচিত গল্প:
- পরজন্ম,
- মানুষটি,
- মতিজানের মেয়েরা,
- অনূঢ়া পূর্ণিমা,
- একালের পান্তাবুড়ি,
- নারীর রূপকথা,
- মৃত্যুর নীল পদ্ম ইত্যাদি।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) 'আগস্টের একরাত' উপন্যাস