বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অন্যান্য পেরিফেরালস ডিভাইসমূহ

মোট প্রশ্ন১৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অন্যান্য পেরিফেরালস ডিভাইসমূহ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১৭২

.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ডডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. প্রসেসর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি সহায়ক মেমরি। 

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
-ম্যাগনেটিক টেপ, ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
ক) র‍্যাম (RAM): প্রাইমারি মেমরি, যা CPU-এর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে, কিন্তু অস্থায়ী (ভলাটাইল) এবং পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য মুছে যায়।
গ) ক্যাশ মেমরি: প্রাইমারি মেমরিরই একটি উচ্চগতির অংশ, CPU-এর কাছাকাছি অবস্থিত, ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য।
ঘ) প্রসেসর: মেমরি নয়, এটি কম্পিউটারের মূল হিসাব-নিকাশকারী অংশ (CPU)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
F5 কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Safe Mode চালু করা
  2. Refresh করার জন্য 
  3. Fullscreen চালু করা
  4. Rename করা
সঠিক উত্তর:
Refresh করার জন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Refresh করার জন্য 
ব্যাখ্যা

F5 কী সাধারণত Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
MICR-এ ব্যবহারের জন্য কোন ফন্টটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত?
  1. E-13B
  2. Calibri
  3. Times New Roman
  4. Arial
সঠিক উত্তর:
E-13B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E-13B
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফন্ট হলো E-13B। এই ফন্টটি ব্যাংকিং এবং চেক প্রক্রিয়াকরণে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে ম্যাগনেটিক ইঙ্ক দিয়ে প্রিন্ট করা অক্ষরগুলো সহজে যন্ত্র দ্বারা সনাক্ত করা যায়। E-13B ফন্টের অক্ষরগুলো নির্দিষ্ট আকার ও গঠন অনুসরণ করে, যা চেক, ড্রাফট বা অন্যান্য ব্যাংক ডকুমেন্টের নম্বর এবং তথ্য পড়তে সাহায্য করে। অন্য ফন্ট যেমন Calibri, Times New Roman, বা Arial সাধারণ পাঠ্য প্রয়োগে ব্যবহার হয়, কিন্তু সেগুলোতে ম্যাগনেটিক স্ক্যানিং-এর জন্য যথেষ্ট স্পষ্টতা ও নির্দিষ্টকরণ নেই। তাই ব্যাংকিংয়ে MICR প্রক্রিয়ায় E-13B ফন্টই সবচেয়ে প্রচলিত।

- সঠিক উত্তর: ক) E-13B

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
Which of the following is an input device?
  1. OCR
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Speaker
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। 
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। যেমন:
→ কি-বোর্ড (Keyboard),
→ মাউস (Mouse),
→ ট্যাকবল (Trackball),
→ জয়স্টিক (Joystick),
→ ওএমআর (OMR),
→ ওসিআর (OCR),
→ স্ক্যানার (Scanner),
→ ডিজিটাইজার (Digitizer),
→ টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
→ লাইটপেন (Lightpen),
→ বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
→ পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale),
→ গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
→ ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়‍্যারসমূহ হলো:
→ মনিটর (Monitor),
→ প্রিন্টার (Printer),
→ প্লটার (Ploter),
→ স্পিকার (Speaker),
→ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
→ ইমেজ সেটার (Image Setter),
→ ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
→ হেড ফোন (Headphone), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Which connectivity technology does a smartwatch have?
  1. Bluetooth
  2. Satellite
  3. Infrared
  4. NFC
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Bluetooth

স্মার্টওয়াচ (Smartwatch)
- স্মার্টওয়াচ হলো হাতের ঘড়ির মতো পরিধানযোগ্য একটি কম্পিউটিং ডিভাইস।
- এটি শুধু সময় দেখায় না, বরং ব্লুটুথ ক্ষমতাসম্পন্ন, যা ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের কার্যক্ষমতা ঘড়িতে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
- স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে ব্যবহারকারী কল রিসিভ ও করা, কল দেওয়া, ইমেইল পড়া, আবহাওয়ার খবর জানা, সঙ্গীত শোনা, ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন করা ইত্যাদি কাজ করতে পারে।

স্মার্টওয়াচের ইতিহাস
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

স্মার্টওয়াচের প্রধান কার্যক্রম (Functions)
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপের নোটিফিকেশন প্রদর্শন।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- ডিসপ্লে হতে পারে রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

.
Which device is used to convert digital signals to analog signals?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Router
  4. Modem 
সঠিক উত্তর:
Modem 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modem 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Modem 

মডেম (Modem)
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস উভয় হিসেবেই কাজ করে।
- শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে, যার সংক্ষিপ্ত রূপ Modem।
- মডুলেটর অংশটি কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের জন্য এতে থাকে একটি DAC (Digital to Analog Converter) সার্কিট।
- ডিমডুলেটর অংশটি অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তন করে।
- এতে ব্যবহৃত হয় ADC (Analog to Digital Converter) সার্কিট।
- একটি মডেমের মধ্যে মডুলেটর ও ডিমডুলেটর উভয়ই থাকে, যা ডেটা আদান-প্রদান করে।
- তথ্য পাঠানো ও গ্রহণের জন্য উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।
- সাধারণত টেলিফোন লাইনের তার মডেমে সংযুক্ত করা হয়, এবং মডেমটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের অংশ নয়?
  1. CPU
  2. RAM
  3. Hard Drive
  4. Expansion Card
সঠিক উত্তর:
Hard Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hard Drive
ব্যাখ্যা

Hard Drive মাদারবোর্ডের অংশ নয়।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

.
Which of the following is used to measure the quality of printing?
  1. dpi
  2. ppi
  3. cps
  4. cpi
সঠিক উত্তর:
dpi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
dpi
ব্যাখ্যা

• প্রিন্টিংয়ের গুণমান পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় DPI (Dots Per Inch)।
- Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমান বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।
- DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।

অন্যদিকে,
- ppi (Pixels Per Inch): এটি ডিজিটাল স্ক্রিন (যেমন—মনিটর) বা স্ক্যান করা ছবির রেজোলিউশন পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টিংয়ের গুণমানের জন্য নয়।
- CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ।
- CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।

.
Which of the following is not a primary function of BIOS?
  1. Detecting peripheral devices
  2. Loading the OS into main memory
  3. Rendering web pages
  4. Managing data flow between the OS and peripherals
সঠিক উত্তর:
Rendering web pages
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rendering web pages
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Rendering web pages

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা সাধারণত ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড-ওনলি মেমোরি (EPROM) তে সংরক্ষিত থাকে।
- CPU এটি ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।

BIOS এর দুটি প্রধান কাজ:
1. উপলব্ধ পারিফেরাল ডিভাইস নির্ধারণ করা – যেমন কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, এবং ভিডিও কার্ড।
2. অপারেটিং সিস্টেম (OS) মেইন মেমোরিতে লোড করা।

- স্টার্টআপের পরে, BIOS প্রোগ্রাম OS এবং পেরিফেরালের মধ্যে ডেটা প্রবাহ পরিচালনা করে, যাতে OS বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো পারিফেরালের বিস্তারিত যেমন হার্ডওয়্যার ঠিকানা জানার প্রয়োজন না পড়ে।
- 21শ শতকের শুরুতে, BIOS এর স্থলাভিষিক্ত হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface), যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS থেকে দ্রুত কাজ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

১০.
Which device converts a battery’s DC supply into AC power?
  1. Transformer
  2. Surge protector
  3. Rectifier
  4. Inverter
সঠিক উত্তর:
Inverter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inverter
ব্যাখ্যা

Inverter converts a battery’s DC supply into AC power.

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চলমান রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক দ্বারা চার্জ ধরে রাখাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- ইনভার্টার বা পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস ব্যাটারি থেকে পাওয়া ডিসি সাপ্লাইকে এসি পাওয়ার সাপ্লাই তে রূপান্তর করতে সক্ষম।
- কার্য ও প্রয়োগ অনুসারে, এই ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমকে বিভিন্নভাবে ডাকা হয়:
  ১। IPS (Instant Power Supply),
  ২। UPS (Uninterrupted Power Supply),
  ৩। EPS (Emergency Power Supply),
  ৪। QPS (Quick Power Supply)। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১১.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে?
  1. Scanner
  2. Mouse
  3. Touch Screen
  4. Projector
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
১২.
নিচের কোনটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস?
  1. বারকোড রিডার
  2. ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
  3. ওসিআর
  4. স্ক্যানার
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যাক্তির দেহের গঠন, জৈবিক বৈশিষ্ট্য (যেমন: আঙ্গুলের ছাপ, চোখের আইরিশ, মুখের গঠন ইত্যাদি) এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা হয়। 

• বায়োমেট্রিক ডিভাইস:
- বায়োমেট্রিক ডিভাইস এমন ইনপুট ডিভাইস যা বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালিত হয়। 

• ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার হলো একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস
- এটি ব্যবহারকারীর আঙ্গুলের ছাপকে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং পূর্বে থেকে ডাটাবেজে সংরক্ষিত আঙ্গুলের ছাপের সাথে মিলিয়ে আইডেন্টিটি ভেরিফিকেশন করতে পারে। 
- এটি মূলত ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে কাজ করে থাকে। 

অন্যদিকে,
• বারকোড রিডার → এটি পণ্য শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
• OCR (Optical Character Recognition) → এটি কাগজে মুদ্রিত লেখা শনাক্ত করে এবং তা ডিজিটাল টেক্সটে রুপান্তর করে। 
• স্ক্যানার → এটি কাগজের তথ্য ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৩.
কোনটি প্রচলিত কীবোর্ড লে-আউট নয়?
  1. QWERTY
  2. QWERTZ
  3. AZERTY
  4. QEWRTY
সঠিক উত্তর:
QEWRTY
উত্তর
সঠিক উত্তর:
QEWRTY
ব্যাখ্যা

•  কীবোর্ড লেআউট হল কম্পিউটার কীবোর্ড , মোবাইল ফোন , বা অন্যান্য কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত টাইপোগ্রাফিক কী গুলোর একটি বিন্যাস। স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ড লেআউটগুলি বিভিন্ন দেশের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। 

QWERTY:
- সবচেয়ে প্রচলিত লে-আউট।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়।
- নাম এসেছে প্রথম ছয়টি অক্ষর থেকে: Q-W-E-R-T-Y

AZERTY:
- এই লেআউট টি ফ্রান্স, বেলজিয়ামে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে A এবং Z দিয়ে শুরু হয়।

QWERTZ:
- এই লেআউট টি জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে কীবোর্ডে  Y ও Z এর অবস্থান অদলবদল হয়।

অন্যদিকে,
QEWRTY:
- এটি কোনো দেশের  প্রচলিত কীবোর্ড লে-আউট নয়।
- কোনো OS বা হার্ডওয়্যার ডিফল্ট হিসেবে এটি ব্যবহার করে না। 

তথ্যসূত্র: 
- KeyBoard layout, Microsoft.
- Introduction to Computers by Peter Norton.
১৪.
কোন কমান্ড দিয়ে ডকুমেন্ট খোলা যায়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
সঠিক উত্তর:
Ctrl + O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + O
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Ctrl + O

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১৫.
ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. স্ক্যানার
  2. মাইক্রোফোন
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মনিটর
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা

• টাচস্ক্রিন ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে থাকে।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

ইনপুট - আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
কোন কম্পোনেন্টটি CPU-এর জন্য অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসে সবচেয়ে কার্যকর?
  1. Registers
  2. ROM
  3. Hard Drive
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
Registers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Registers
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য তথ্য অ্যাক্সেসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর কম্পোনেন্ট হলো Registers। Registers হল মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি ইউনিট, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করতে পারে। CPU যখন কোনো গণনা বা অপারেশন সম্পন্ন করে, তখন এটি প্রথমেই Registers ব্যবহার করে কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। ROM সাধারণত শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়, তাই তা CPU-র জন্য তাত্ক্ষণিক ডেটা অ্যাক্সেসে কার্যকর নয়। RAM দ্রুত, কিন্তু Registers-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। তাই, অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসের জন্য Registers সবচেয়ে কার্যকর।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১৭.
নিচের কোনটি I/O ডিভাইস?
  1. মডেম
  2. প্রজেক্টর
  3. জয়স্টিক
  4. স্ক্যানার
সঠিক উত্তর:
মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডেম
ব্যাখ্যা
•  I/O ডিভাইস বলতে সেইসব ডিভাইস কে বোঝায় যেগুলো একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।  মডেম (Modem) হলো  এক ধরনের I/O (Input/Output) ডিভাইস, যার পূর্ণরূপ হল Modulator-Demodulator।

• এটি দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে: 

১) Modulation (আউটপুট): কম্পিউটার থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে(০,১) অ্যানালগ সিগনালে রূপান্তর করে (  টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে  বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল এর মাধ্যমে পাঠানোর জন্য।)। আবার সিম কার্ড সম্বলিত মডেমে ডিজিটাল সিগন্যাল কে সেলুলার সিগন্যালে রুপান্তর করা হয়।

২) Demodulation (ইনপুট): টেলিফোন লাইন/ফাইবার অপটিক বা সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রাপ্ত অ্যানালগ সিগনালকে আবার ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে যাতে কম্পিউটার সেটি বুঝতে পারে। 
ইনপুট ও অউটপুট উভয় ধরনের কাজ করতে পারে বলে মডেম কে বলা হয় I/O (Input/Output) ডিভাইস।

তথ্যসূত্র: 
-    মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
-   "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
১৮.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. পাসপোর্ট মুদ্রণ
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. বারকোড স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা চেকের নীচে থাকা সংখ্যা এবং তথ্যকে চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রণ করে, যাতে মেশিন সহজে তা পড়তে পারে। এই পদ্ধতি দ্রুত এবং সঠিকভাবে চেকের তথ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। MICR ব্যবহার করলে ত্রুটির সম্ভাবনা কমে এবং লেনদেন প্রক্রিয়ার সময়ও কমে। তাই এটি সাধারণত ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড বা বারকোডের জন্য নয়।

সঠিক উত্তর: গ) ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯.
কম্পিউটার চালু করার সময় কোন অংশ প্রথম কাজ শুরু করে?
  1. CPU
  2. RAM
  3. BIOS
  4. হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
BIOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) BIOS
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এর প্রধান কাজ হলো উপলব্ধ পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করা এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করা। স্টার্টআপের পর, BIOS OS এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 

BIOS (Basic Input Output System)
- কম্পিউটার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে সম্পাদন করে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- এই চিপটিকে BIOS বলা হয় এবং এটি মাদারবোর্ডে থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ BIOS-এর মাধ্যমে ঘটে।
- BIOS-এর নির্দেশগুলো অনুসরণ করে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল উপাদানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২০.
একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে কী বলা হয় -
  1. Resolution
  2. Bit
  3. Pixel
  4. Byte
সঠিক উত্তর:
Pixel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pixel
ব্যাখ্যা
• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• রেজুল্যশন:
- লম্বালম্বিভাবে ও আড়াআড়িভাবে যত সংখ্যক পিক্সেল বিদ্যমান রয়েছে এগুলোকে একত্রে রেজুল্যশন বলে।
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। 
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।

- পিক্সেল রেজুল্যশনের একক।  
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRT টির রেজুল্যশন । 
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
OCR সফটওয়্যার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য কী বিশ্লেষণ করে?
  1. শুধু ভিডিও ফ্রেম
  2. নেটওয়ার্ক সিগন্যাল
  3. ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন
  4. শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি
সঠিক উত্তর:
ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) সফটওয়্যার অক্ষর শনাক্ত করার জন্য মূলত ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে। এটি একটি ইমেজ বা স্ক্যান করা নথির প্রতিটি পিক্সেল পড়ে এবং সেই অনুযায়ী অক্ষরের রূপ, আকৃতি ও রেখার ধরন শনাক্ত করে। সফটওয়্যারটি প্রতিটি অক্ষরকে একটি ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে যাতে কম্পিউটার সহজে তা পড়তে এবং সংরক্ষণ করতে পারে। OCR কোনোভাবে ভিডিও ফ্রেম, নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বা শব্দের ফ্রিকোয়েন্সি বিশ্লেষণ করে না; এর মূল কাজ হলো পিক্সেল তথ্য থেকে অক্ষরের কাঠামো সনাক্ত করা। এই পদ্ধতির মাধ্যমে হাতের লেখা বা প্রিন্ট করা টেক্সটকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তর করা সম্ভব হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ছবির পিক্সেল প্যাটার্ন।
 
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না?
  1. মুদ্রিত বই ডিজিটাল আকারে রূপান্তর
  2. গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া
  3. ভিডিও স্ট্রিমিং
  4. রসিদ স্ক্যান করা
সঠিক উত্তর:
ভিডিও স্ট্রিমিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা

• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বইকে ডিজিটাল আকারে রূপান্তর, গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া, রসিদ স্ক্যান করা ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে ভিডিও স্ট্রিমিং ক্ষেত্রে OCR-এর ব্যবহার হয় না, কারণ ভিডিও স্ট্রিমিং মূলত ভিজ্যুয়াল ও অডিও কনটেন্ট রিয়েল-টাইমে পরিবেশন করে, যেখানে টেক্সট শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তা থাকে না। তাই দেওয়া অপশন গুলির মধ্যে ভিডিও স্ট্রিমিং (গ) হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না। 

ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ-
  1. পিকমেন্ট
  2. আইকন
  3. পিক্সেল
  4. কার্সর
সঠিক উত্তর:
পিক্সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিক্সেল
ব্যাখ্যা
• পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পিক্সেল (Pixel)।

• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• রেজুল্যশন:
- লম্বালম্বিভাবে ও আড়াআড়িভাবে যত সংখ্যক পিক্সেল বিদ্যমান রয়েছে এগুলোকে একত্রে রেজুল্যশন বলে।
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।

- পিক্সেল রেজুল্যশনের একক।
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRT টির রেজুল্যশন ।
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
উচ্চ রেজুল্যশন এবং দ্রুত গতির জন্য নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার বেশি উপযোগী?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ক্যারেক্টার প্রিন্টার
  4. লাইন প্রিন্টার
সঠিক উত্তর:
লেজার প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেজার প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) লেজার প্রিন্টার

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার, অক্ষর প্রিন্টার, ডট ম্যাট্রিক্স।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
হার্ড কপি আউটপুট পেতে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. প্লটার
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্লটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লটার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) প্লটার
 
• আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইস হল একটি প্যারিফেরাল (peripheral) ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য রূপে উপস্থাপন করে।

• দৃশ্যমান আউটপূট ডিভাইস গুলো হলো-
- Monitor (CRT, LCD, LED).
- Projector.

• অডিও আউটপুট ডিভাইস গুলো হলো-
- Speaker. 
- Headphone / Earphone.

• হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস-
- Printer.
- Plotter (প্লটার).
• অর্থাৎ হেডফোন একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে আসা অডিও সিগন্যাল শুনতে পারেন।

অন্যদিকে,
⇒ হেডফোন থেকে কোনো তথ্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।
⇒ হেডফোন কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না, ফলে এটি মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- Britannica

২৬.
কম্পিউটার মাউসে DPI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Processing Input
  2. Digital Pointer Interface
  3. Dots Per Inch
  4. Direct Pointer Integration
সঠিক উত্তর:
Dots Per Inch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dots Per Inch
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মাউসের DPI-এর পূর্ণরূপ হলো Dots Per Inch. এটি মাউসের সংবেদনশীলতা বা সেন্সর দক্ষতার একটি পরিমাপ। সহজভাবে বলতে গেলে, DPI নির্দেশ করে মাউস কত দ্রুত বা কতটা দূরত্বে কার্সর স্ক্রিনে চলবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি মাউসের DPI বেশি হয়, তবে সামান্য শারীরিক আন্দোলনে কার্সর বড় দূরত্বে স্থানান্তরিত হবে, আর কম DPI হলে কার্সরের গতি ধীরে ধীরে হবে। খেলাধুলা বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের জন্য উচ্চ DPI সুবিধাজনক, কারণ এটি দ্রুত ও নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে। তাই মাউসের DPI ব্যবহারকারীর সুবিধা ও কার্যক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। সঠিক উত্তর হলো গ) Dots Per Inch.

• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৭.
হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Hz
  2. Mbps
  3. RPM 
  4. GB
সঠিক উত্তর:
RPM 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RPM 
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি সাধারণত RPM (Revolutions Per Minute) এককে পরিমাপ করা হয়। RPM মানে হলো প্রতি মিনিটে কতবার ডিস্কটি ঘুরছে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk)
- হার্ড ডিস্ক হলো একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম, যা কম্পিউটারে বৃহৎ পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- হার্ড ডিস্ক সমতল, বৃত্তাকার প্লেট নিয়ে গঠিত, যা অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি এবং চৌম্বকীয় পদার্থে আচ্ছাদিত।
- ডেটা ডিস্কগুলির পৃষ্ঠে আবর্তাকার ট্র্যাক আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ম্যাগনেটিক হেড ডিস্কের ঘূর্ণনশীল পৃষ্ঠে ক্ষুদ্র বিন্দুগুলো চৌম্বকীয় করার মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) লিখে এবং সেই বিন্দুগুলোর চৌম্বকীয় দিকনির্দেশনা সনাক্ত করে সংখ্যা পড়ে।
- একটি কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘূর্ণন করার জন্য একটি মোটর এবং সার্কিট থাকে, যা সবই একটি ধাতব কেসে সিল করা থাকে।
- যেখানে হার্ড ডিস্ক অভ্যন্তরীণ ডেটা সংরক্ষণের মানক ছিল, কিছু পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ এখন SSD ব্যবহার করে, যা ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে।
- অতিরিক্ত সংরক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় টেপ এবং অপটিক্যাল ডিস্কও ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

২৮.
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করেনা কোনটি?
  1. টাচ স্ক্রিন
  2. মডেম
  3. ডিজিটাইজার
  4. পেনড্রাইভ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাইজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাইজার
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস।

♦ ইনপুট ডিভাইস:

- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

♦ আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

♦ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
কী-বোর্ডে ব্যবহৃত একটি ফাংশন কী হলো—
  1. Shift
  2. F5
  3. Ctrl
  4. Alt
সঠিক উত্তর:
F5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F5
ব্যাখ্যা

◉ ফাংশন কী সাধারণত কী-বোর্ডের উপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে। এগুলি বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন— F5 সাধারণত রিফ্রেশ (Refresh) বা প্রেজেন্টেশনে স্লাইড শো শুরু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

৩০.
কোনটি BIOS করতে পারে যা UEFI-ও করতে পারে?
  1. গ্রাফিকাল ইন্টারফেস প্রদান করা
  2. GUID পার্টিশন টেবিল (GPT) সমর্থন করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
  4. সিকিউর বুট সক্রিয় করা
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) অপারেটিং সিস্টেম বুট করা।

BIOS এবং UEFI উভয়ই মূলত সিস্টেমের ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করার কাজ করে। যদিও UEFI আধুনিক সুবিধা যেমন গ্রাফিকাল ইন্টারফেস, GUID পার্টিশন টেবিল (GPT) সমর্থন এবং সিকিউর বুট অফার করে, BIOS এই ফিচারগুলো দেয় না। তবে BIOS ও UEFI উভয়ই হার্ডডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেম বুট করতে পারে। 

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩১.
কী-বোর্ডে Home এবং End কীগুলিকে কী নামে পরিচিত?
  1. ফাংশন কী
  2. কন্ট্রোল কী
  3. নিউম্যারিক কী
  4. নেভিগেশন কী
সঠিক উত্তর:
নেভিগেশন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা

◉ Home এবং End কী নেভিগেশন কী (Navigation Keys) নামে পরিচিত, কারণ এগুলো লেখার কার্সর বা স্ক্রোলিং নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
Home কী – কার্সরকে লাইন বা পেজের শুরুতে নিয়ে যায়।
End কী – কার্সরকে লাইন বা পেজের শেষে নিয়ে যায়।

কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.

৩২.
হার্ডডিস্ক সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক হিসেবে
  2. ইউজারের নির্দেশনা গ্রহণ এবং কার্যকর করা
  3. তথ্য সংরক্ষণের জন্য
  4. অস্থায়ী ডেটা প্রসেসিং ও চালনা
সঠিক উত্তর:
তথ্য সংরক্ষণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য সংরক্ষণের জন্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) তথ্য সংরক্ষণের জন্য

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

• অন্যান্য অপশন:
ক) কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক:
এ কাজটি করে CPU (Central Processing Unit), যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে কাজ করে।

খ) ইউজারের নির্দেশনা গ্রহণ এবং কার্যকর করা:
এ কাজটি মূলত ইনপুট ডিভাইস ও CPU এর মধ্যে পড়ে।

ঘ) অস্থায়ী ডেটা প্রসেসিং ও চালনা:
এ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় RAM (Random Access Memory), যা অস্থায়ী মেমোরি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৩.
নিচের কোনটি বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে?
  1. OMR
  2. OCR
  3. MICR
  4. Bar Code Reader
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
What does OCR stand for?
  1. Optimal Character Retrieval
  2. Optical Code Retrieval
  3. Optical Character Recognition
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
ব্যাখ্যা
• OCR:
→ OCR- এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition. 
→ এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
→ সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
→ কোনো ছবি থেকে টেক্সটকে আলাদা করার কাজও OCR করে থাকে।
→ এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। 
→ বিভিন্ন ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে OCR ব্যবহৃত হয়।
→ তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার। 
→ OCR এর কার্যপ্রণালি মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
→ এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। 
→ অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে। 
→ ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
What is the full form of OCR?
  1. Optical Character Recognition
  2. Optical Code Reader
  3. Optical Character Recorder
  4. Optical Circuit Reader
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
ব্যাখ্যা
OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition.

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৩৬.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না -
  1. CD
  2. Joystick
  3. Pen Drive
  4. Modem
সঠিক উত্তর:
Joystick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joystick
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
DPI (Dots Per Inch) সাধারণত কোন পেরিফেরাল ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মনিটর
  2. মাউস
  3. কীবোর্ড
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
মাউস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউস
ব্যাখ্যা

◉ DPI হল মাউসের সংবেদনশীলতার একটি পরিমাপ, যা নির্দেশ করে মাউস প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) সনাক্ত করতে পারে। উচ্চ DPI মানে মাউসের কার্সর স্ক্রিনে দ্রুত চলাচল করতে পারে, যা গেমিং বা উচ্চ-নির্ভুলতার কাজের জন্য উপযোগী।

DPI: 
- DPI এর পূর্ণরূপ dots per inch.
- ডিপিআই (প্রতি ইঞ্চি বিন্দু) একটি প্রিন্টার বা ইমেজসেটারের আউটপুট রেজোলিউশনকে বোঝায় এবং পিপিআই (পিক্সেল প্রতি ইঞ্চি) একটি ফটোগ্রাফ বা ছবির ইনপুট রেজোলিউশনকে বোঝায়।
- DPI একটি চিত্রের ভৌত ডট ঘনত্বকে বোঝায় যখন এটি একটি বাস্তব ভৌত সত্তা হিসাবে পুনরুত্থান করা হয়, উদাহরণস্বরূপ কাগজে মুদ্রিত।
- DPI সাধারণত প্রিন্টার, স্ক্যানার বা মাউসের মতো ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে এটি প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) প্রিন্ট, স্ক্যান বা সনাক্ত করা যায় তা নির্দেশ করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Logitech Official Blog.

৩৮.
OCR সাধারণভাবে কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় না?
  1. রসিদ স্ক্যান করা
  2. ভিডিও স্ট্রিমিং
  3. গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া
  4. মুদ্রিত বই ডিজিটাল আকারে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও স্ট্রিমিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা

• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ভিডিও স্ট্রিমিং - হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না। 

ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. OMR
  2. MICR
  3. OCR
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়।

ওসিআর (OCR):

- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
ক্যাবলের চারপাশে "Ferrite beads" রাখা হয় কোন প্রভাব প্রতিরোধ করার জন্য?
  1. Inductance
  2. Capacitance
  3. Resistance
  4. Noise
সঠিক উত্তর:
Noise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noise
ব্যাখ্যা
• ফেরাইট বিডস (Ferrite Beads) ক্যাবল বা তারের চারপাশে ব্যবহৃত হয় "Noise" (শব্দ বা সিগনাল গোলমাল) প্রতিরোধ করার জন্য। 

১. "Noise" বা সিগন্যাল গোলমাল:
- কেবল বা তারের মধ্যে "Noise" মানে হচ্ছে অপ্রত্যাশিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যাল যা সাধারণত অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সিগন্যাল সাধারণত কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, এবং ডিভাইসের মধ্যে তথ্য ট্রান্সমিশন বা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।



২. Ferrite Beads কী করে Noise প্রতিরোধ করে?
- ফেরাইট বিডস হল একটি ছোট এবং শক্ত কঠিন পদার্থ যা সাধারণত ফেরাইট নামক উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়।
- এই উপকরণটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ বা হাই-ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল শোষণ করতে সক্ষম, যা কেবল বা তারের মাধ্যমে যেতে চায়।
- যখন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে নির্গত Noise কেবল বা তারের মাধ্যমে চলে, ফেরাইট বিডস এই সিগনালগুলিকে শোষণ করে এবং সেগুলোকে নিরপেক্ষ (নির্বিঘ্ন) করে তোলে।
- এর ফলে, Noise কেবল বা তারের মধ্যে প্রবাহিত হতে পারে না এবং ডিভাইসের কার্যকারিতা অপরিবর্তিত থাকে।

তাহলে, সঠিক উত্তর হবে: ঘ) Noise
- অর্থাৎ, ফেরাইট বিডস মূলত কেবল বা তারে প্রবাহিত Noise বা বৈদ্যুতিন গোলমাল শোষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এইভাবে, ফেরাইট বিডস কেবল বা তারের মাধ্যমে সিগনাল পরিষ্কার এবং নিখুঁত রাখে।

সূত্র: researchgate [লিংক]
৪১.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics Pad
  3. Image Setter
  4. Plotter
সঠিক উত্তর:
Graphics Pad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphics Pad
ব্যাখ্যা

◉ Graphics Pad (Digitizer/Graphics Tablet): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী হাতে আঁকা ছবি, ডিজাইন বা লেখাকে সরাসরি কম্পিউটারে ইনপুট দিতে পারে। ডিজাইনার ও ইলাস্ট্রেটররা এটি বেশি ব্যবহার করে।

​পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone, ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
নিম্নলিখিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে? 
  1. মাইক্রোফোন
  2. কিবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মডেম
সঠিক উত্তর:
মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডেম
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মডেম (ঘ) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম। মাইক্রোফোন কেবল ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি শব্দকে সিগন্যাল বা ডেটায় রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়। কিবোর্ডও কেবল ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড বা তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। স্পিকার কেবল আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তরিত করে আমাদের শোনায়। অন্যদিকে মডেম ডেটাকে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করে, ফলে এটি কম্পিউটার থেকে ডেটা পাঠাতে (ইনপুট) এবং গ্রহণ করতে (আউটপুট) ব্যবহৃত হয়। তাই মডেমই একমাত্র ডিভাইস যা উভয় কাজ করতে পারে।

• মডেম:
- মডেম হলো একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়।

• মডেম একটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ধরনের ডিভাইস।
- মডেম শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে।
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে (Modulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে। 
- আবার অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (Demodulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ADC নামক চিপ থাকে। 
- ফলে এটি তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ-উভয় কাজই করতে পারে।
- তথ্য প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী উভয় কম্পিউটারে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৩.
নিচের কোনটি QWERTY লেআউট সম্পর্কে সত্য নয়?
  1. এটি টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল
  2. এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়
  3. এটি ১৯শ শতকে তৈরি করা হয়েছিল
  4. এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
সঠিক উত্তর:
এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
ব্যাখ্যা

• QWERTY লেআউট হলো একটি কীবোর্ড বিন্যাস যা মূলত টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল এবং এটি ১৯শ শতকে তৈরি হয়। বর্তমানে এটি সারা বিশ্বে কম্পিউটার ও মোবাইল কীবোর্ডে বহুল ব্যবহৃত। তবে এর অক্ষর বিন্যাস বর্ণানুক্রমে সাজানো নয়; বরং এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে টাইপ করার সময় যান্ত্রিক টাইপরাইটারের চাবি আটকে না যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে "এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো" কথাটি সত্য নয়। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ঘ) এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো।
 
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- ফাংশন কী (F1 থেকে F12)-এর প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিশেষ ধরনের বা পূর্বনির্ধারিত নির্দেশ দেওয়া। যেমন, F1 কী সাধারণত যেকোনো প্রোগ্রামের 'Help' মেনু চালু করে, F5 কী ব্রাউজার রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং Alt+F4 উইন্ডো বন্ধ করে। এদের কাজ প্রোগ্রামভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।

৪৪.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের স্লট নয়?
  1. AGP slot
  2. RAM slot
  3. SATA slot
  4. PCI slot
সঠিক উত্তর:
SATA slot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SATA slot
ব্যাখ্যা

◉ SATA পোর্ট একটি কানেক্টর যা হার্ড ড্রাইভ, SSD বা অপটিক্যাল ড্রাইভের সাথে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্লট নয়, বরং একটি পোর্ট।

মাদারবোর্ড (Motherboard):
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
- AGP slot,
- RAM slot,
- PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
What is the main function of OCR technology?
  1. Enhancing computer graphics
  2. Managing database records
  3. Recognizing printed text
  4. Compressing multimedia files
সঠিক উত্তর:
Recognizing printed text
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Recognizing printed text
ব্যাখ্যা

ওসিআর:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো (Optical Character Reader).
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
Which of the following is not a type of hard disk drive?
  1. PATA
  2. SCSI
  3. SSD
  4. SATA
সঠিক উত্তর:
SSD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSD
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SSD

হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
- কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪৭.
প্যারালাল পোর্টকে আর কী নামে চেনা যায়?
  1. HDMI port
  2. Ethernet port
  3. USB port
  4. Printer port
সঠিক উত্তর:
Printer port
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Printer port
ব্যাখ্যা

• প্যারালাল পোর্টকে সাধারণত প্রিন্টার পোর্ট (Printer Port) হিসেবেও চেনে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পোর্টটি একসাথে একাধিক বিট পাঠাতে সক্ষম, তাই একে “প্যারালাল” বলা হয়। পূর্বে প্রিন্টার সংযোগের জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত পোর্ট ছিল। USB পোর্ট, HDMI পোর্ট বা Ethernet পোর্টের সাথে এটি ভিন্ন, কারণ USB ও HDMI সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়, আর Ethernet মূলত নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, প্যারালাল পোর্টকে সবচেয়ে সঠিকভাবে Printer Port হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
 
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
নিচের কোনটি প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. Laser
  2. Dot Matrix
  3. Ink-Jet
  4. Duel core
সঠিক উত্তর:
Duel core
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Duel core
ব্যাখ্যা
- Duel core প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
কোন ডিভাইসটি ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা দেয়?
  1. মাউস
  2. স্পিকার
  3. স্ক্যানার
  4. টাচস্ক্রিন
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা প্রদান করে। এটি একটি ইন্টারেক্টিভ পর্দা যেখানে ব্যবহারকারী আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে স্পর্শ করে কমান্ড দিতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রতিক্রিয়া বা ফলাফল দেখতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন মাউস শুধুমাত্র ইনপুট দেয়, কিন্তু ফলাফল মনিটরে দেখা হয়। স্পিকার শব্দ আউটপুট করে, ইনপুট নয়। স্ক্যানার কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ফলাফল দেখায় না। তাই, টাচস্ক্রিন একক ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট উভয়ই সরবরাহ করে।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
৫০.
ডকুমেন্টের জন্য কোন OCR ফরম্যাটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. GIF
  2. MP3
  3. JPEG
  4. PDF
সঠিক উত্তর:
PDF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PDF
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্টের জন্য OCR (Optical Character Recognition) ফরম্যাট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় PDF। কারণ PDF ফরম্যাটে লেখা, ছবি ও লেআউট একসাথে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। OCR করা হলে স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ছবি থেকে লেখা শনাক্ত করে সেটিকে সার্চযোগ্য ও এডিটযোগ্য করা সম্ভব হয়, যা PDF ফাইলে খুব কার্যকরভাবে কাজ করে। অফিসিয়াল নথি, বই, রিপোর্ট ও একাডেমিক ডকুমেন্ট সংরক্ষণে PDF সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে GIF ও JPEG মূলত ছবি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং MP3 অডিও ফরম্যাট, যা OCR-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PDF.


• অপশন আলোচনা: 
​ক) GIF – সাধারণত ছবি বা অ্যানিমেশন ফাইলের জন্য ব্যবহৃত।
খ) MP3 – অডিও ফাইল ফরম্যাট।
গ) JPEG – ছবির ফরম্যাট।
ঘ) PDF – সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত OCR ফরম্যাট, কারণ এটি স্ক্যান করা ডকুমেন্ট এবং টেক্সট উভয়কে সাপোর্ট করে।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
কোন হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি দ্বারা ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard Drive
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Mouse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mouse
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে মাউস (Mouse) দ্বারা। মাউস একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ সহজ করে। এটি সাধারণত স্ক্রিনে কার্সরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসে (GUI) বিভিন্ন আইকন, বাটন, মেনু ইত্যাদিতে ক্লিক করে বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী ডান বা বাম বোতাম চেপে, ডাবল ক্লিক বা ড্র্যাগ করে নানা রকম নির্দেশ পাঠাতে পারে। RAM, CPU এবং Hard Drive মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও, মাউস সরাসরি ব্যবহারকারীর ইনপুট প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) Mouse.

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- হার্ডওয়‍্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- মাইক্রোপ্রসেসর,
- মাদারবোর্ড,
- ডিস্ক,
- ডিস্ক ড্রাইভ,
- মনিটর,
- প্রিন্টার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে ৫টি অংশ। যথা:
১. ইনপুট হার্ডওয়্যার (Input Hardware),
২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware),
৩. স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যার (Storage Hardware),
৪. আউটপুট হার্ডওয়্যার (Output Hardware),
৫. কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
লেজার প্রিন্টার কোন ধরনের মুদ্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. তরল কালি স্প্রে
  2. তাপীয় মুদ্রণ
  3. আলোক-স্থির চিত্রায়ন
  4. বিন্দু বিন্যাস
সঠিক উত্তর:
আলোক-স্থির চিত্রায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক-স্থির চিত্রায়ন
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার মূলত Electrophotographic (Photostatic) বা আলোক-স্থির চিত্রায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- এই প্রক্রিয়ায় লেজার বিমের মাধ্যমে একটি photosensitive drum-এ চিত্র আঁকা হয়, এরপর টোনার (powder ink) এর মাধ্যমে সেটি কাগজে স্থানান্তর করা হয় এবং তাপ ও চাপের সাহায্যে সেটিকে স্থায়ী করে তোলা হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

৫৩.
A computer that is built into a larger device to manage its operations is called a -
  1. Personal computer
  2. Embedded computer
  3. Supercomputer
  4. Mainframe computer
সঠিক উত্তর:
Embedded computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Embedded computer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Embedded computer

এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​• ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
কম্পিউটার চালু করার পর BIOS প্রথম কোন কাজটি সম্পন্ন করে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2.  ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করা
  3. হার্ডডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করা
  4. POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
সঠিক উত্তর:
POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
• কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ অন করার পর BIOS (Basic Input/Output System) সর্বপ্রথম যে কাজটি করে তা হলো POST বা Power-On Self-Test। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার তার সাথে যুক্ত সকল হার্ডওয়্যার (যেমন: র‍্যাম, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রসেসর) ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে নেয়। যদি সব হার্ডওয়্যার ঠিক থাকে, তবেই সে অপারেটিং সিস্টেম লোড করার পরবর্তী ধাপে যায়।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- এটি কম্পিউটারের রম (ROM) চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

POST এবং BIOS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়‍্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন করে।
- POST নিশ্চিত করে যে মেমোরি, প্রসেসর এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলো কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
- POST প্রক্রিয়ার সময় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের শব্দ বা 'Beep Code' প্রদান করে। এটি কম্পিউটারের পাওয়ার অন হওয়ার ঠিক পরের এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগের ধাপ।
- আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে আরও উন্নত UEFI ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৫.
উইন্ডোজ ফাইল এক্সপ্লোরার উইন্ডোর কনটেন্ট পুনরায় লোড করতে কোন কী প্রেস করতে হবে?
  1. F5
  2. F3
  3. Esc
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
F5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F5
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ফাইল এক্সপ্লোরারে নতুন কোনো ফাইল তৈরি করেন, মুছে ফেলেন, বা কোনো পরিবর্তন করেন — তখন সেই পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে না-ও দেখা যেতে পারে। এই অবস্থায় F5 চাপলে উইন্ডোটি রিফ্রেশ হয় এবং সবশেষ আপডেট দেখা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- F3 – এটি সার্চ অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- Esc – এটি সাধারণত চলমান কাজ বা লোডিং বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়, রিফ্রেশ করতে নয়।

• সাধারণ কীবোর্ডে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি ফাংশন কী থাকে।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
কোন ইনপুট ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের সহায়তায় কাজ করে?
  1. কীবোর্ড
  2. অ্যামাজন ইকো
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মাউস
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন ইকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাজন ইকো
ব্যাখ্যা
ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম হল একটি বিশেষধরনের ইনপুট প্রযুক্তি যা মানব কণ্ঠস্বরকে শনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং অনুবাদ করে লিখিত টেক্সট বা কমান্ডে রূপান্তর করে।
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
অ্যামাজন ইকো(Amazon Echo) (Alexa)  হলো এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যেটি ভয়েস ইনপুট নিয়ে ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরন করে। 

এটি যেভাবে কাজ করে:
শব্দ সনাক্তকরণ (Speech Detection): AI মডেলগুলো কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।

ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কন্ঠের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বোঝানো হয়। 

বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে। 

মেশিন লার্নিং (Machine Learning): বারবার ব্যবহার ও ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটি আরও স্মার্ট হয়ে ওঠে।

ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত কয়েকটি প্রযুক্তি হলো- 
Siri (Apple) – ভয়েস দিয়ে প্রশ্ন করলে তা বোঝে এবং উত্তর দেয়।
Alexa (Amazon Echo ) – ভয়েস কমান্ডে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
Google Assistant – ভয়েস ব্যবহার করে ফোন কল, মেসেজ প্রেরণ, বা সার্চ করে।

অন্যদিকে,
 কিবোর্ড, টাচস্ক্রিন ও মাউস হলো সাধারণ ইনপুট ডিভাইস। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ-দ্বাদশ ও আলীম শ্রেনী।
- IBM - what is voice recognition.
- Microsoft - Ai and Speech recognition.
৫৭.
OCR মূলত __________ রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  1. অডিও থেকে টেক্সট
  2. ভিডিও থেকে টেক্সট
  3. টেক্সট থেকে ছবি
  4. ছবি থেকে টেক্সট
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
ব্যাখ্যা
⚪ OCR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি, প্রিন্টেড ডকুমেন্ট বা হাতে লেখা লেখার ছবি থেকে লেখা (টেক্সট) চিনে নিয়ে সেটিকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কোনো বইয়ের একটি পৃষ্ঠা স্ক্যান করেন, তাহলে OCR প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই ছবির ভিতরের লেখাগুলোকে চিনে নিয়ে কপি-পেস্ট করার উপযোগী টেক্সটে রূপান্তর করা যায়।

⚪ OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।

- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

⚪ OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
কোন ডিভাইসটিকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Keyboard
  4. Headphone
সঠিক উত্তর:
Keyboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keyboard
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Keyboard একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। 

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে USB ডিভাইস সংযোগ করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করতে পারে?
  1. Store and Forward
  2. Plug and Play
  3. Read and Write
  4. Copy and Paste
সঠিক উত্তর:
Plug and Play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plug and Play
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) Plug and Play

• USB:
- যে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়া কাজ করে, সেগুলো হলো USB Devices (ইউএসবি ডিভাইস)।
- USB মানে হলো Universal Serial Bus, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সহজ করে।
- এটি মূলত 'Plug and Play' বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- নতুন USB ডিভাইস সংযুক্ত করলে, অপারেটিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার লোড করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে কোনো জটিল কনফিগারেশন বা IRQ, I/O পোর্ট ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, SCSI, Parallel এবং Serial Port ডিভাইস সাধারণত ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন প্রয়োজন হয়, যেমন ডিভাইস আইডি, পোর্ট ঠিক করা বা IRQ সেট করা। তাই স্বয়ংক্রিয় Plug-and-Play সুবিধার জন্য USB ডিভাইসকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ধরা হয়।
 
• কয়েকটি USB ডিভাইস হলো: 
- Pendrive.
- USB Keyboard / Mouse.
- USB Printer.
- External Hard Drive.
 
তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals – P.K. Sinha.

৬০.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. বারকোড স্ক্যানিং
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. পাসপোর্ট মুদ্রণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬১.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Headphone
  2. Speaker
  3. Monitor
  4. Keyboard
সঠিক উত্তর:
Keyboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keyboard
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Keyboard একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। কারণ কীবোর্ডের সাহায্যে ব্যবহারকারী অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ও বিভিন্ন কমান্ড টাইপ করে কম্পিউটারে পাঠাতে পারে। অন্যদিকে হেডফোন, স্পিকার এবং মনিটর ইনপুট ডিভাইস নয়; এগুলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। যেমন মনিটরে ছবি ও লেখা দেখা যায়, স্পিকারে শব্দ শোনা যায় এবং হেডফোনও একইভাবে কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো Keyboard, যা ব্যবহারকারীর ইনপুট কম্পিউটারে পাঠায়।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. Plotter
  3. Joystick
  4. Pen Drive
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pen Drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
সিআরটি মনিটরের টিউবের ভেতরের দিকে কোন তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে?
  1. কালো, সবুজ ও লাল
  2. লাল, সবুজ ও আসমানি
  3. সবুজ, হলুদ ও নীল
  4. লাল, হলুদ ও সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও আসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ ও আসমানি
ব্যাখ্যা
♦ (CRT Monitor) Cathod Ray Tube Monitor:
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
OCR শব্দের পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
  1. Optical Card Recognition
  2. Optical Character Recognition
  3. Online Code Recognition
  4. Optical Code Recognition
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
ব্যাখ্যা

• OCR শব্দের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো Optical Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে স্ক্যান করা ছবি, প্রিন্ট করা লেখা বা হাতে লেখা অক্ষরকে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে এবং সেগুলোকে সম্পাদনযোগ্য ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বই বা নথি স্ক্যান করলে OCR সফটওয়্যার সেই ছবির ভেতরের অক্ষরগুলো চিনে নিয়ে টেক্সটে পরিণত করে, যাতে তা সহজে পড়া, কপি করা বা সম্পাদনা করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট ডিজিটাইজেশন, ব্যাংকিং, ডাটা এন্ট্রি এবং আর্কাইভ সংরক্ষণে OCR প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Optical Character Recognition.

• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

৬৫.
ওসিআরে (OCR) ইমেজ ট্রান্সলেশনের জন্য কোন ধরনের কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইবিসিডিক কোড
  2. বিসিডি কোড
  3. অ্যাসকি কোড
  4. ইউনিকোড
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি কোড
ব্যাখ্যা

◉ OCR (Optical Character Recognition) হলো একটি প্রযুক্তি যা ইমেজের টেক্সটকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।
OCR সফটওয়্যার ইমেজে থাকা অক্ষরগুলোকে স্ক্যান করে এবং তাদের ASCII (American Standard Code for Information Interchange) কোডে রূপান্তরিত করে।

ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৬.
নিচের কোনটি Communication Hardware?
  1. ইমেজ সেটার
  2. পাওয়ার সাপ্লাই
  3. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  4. লাইটপেন
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
ব্যাখ্যা

• Communication Hardware - নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড।
• Output Hardware - ইমেজ সেটার।
• Processing Hardware - পাওয়ার সাপ্লাই।
• Input Hardware - লাইটপেন।

• কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware):

- কম্পিউটার শুধু ডেটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করার কাজে নিয়োজিত থাকে না; পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন অবস্থানে অবস্থিত কম্পিউটার বা কম্পিউটারসমূহ অথবা অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস বা ডিভাইসসমূহের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে ইনফরমেশন আদান-প্রদানও করে থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যারকে বলা হয় কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার।

- অর্থাৎ এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটার অথবা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসের যোগাযোগ স্থাপন ও ডেটা আদান-প্রদান, শেয়ার ইত্যাদির জন্য যে সকল ডিভাইস বা হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বলা হয় কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার।

- ডেটা কমিউনিকেশনের কাজে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারগুলো হলো—

১) মডেম (Modem),
২) হাব (Hub),
৩) সুইচ (Switch),
৪) রিপিটার (Repeater),
৫) ব্রিজ (Bridge),
৬) রাউটার (Router),
৭) গেটওয়ে (Gateway),
৮) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (Network Interface Card), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬৭.
OMR শিটের ডেটা পড়তে কোন ডিভাইস প্রয়োজন?
  1. প্রজেক্টর
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. ফটোকপি মেশিন
সঠিক উত্তর:
স্ক্যানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• OMR (Optical Mark Recognition) শিটের ডেটা পড়ার জন্য প্রধান ডিভাইস হলো স্ক্যানার। OMR শিটে শিক্ষার্থীরা উত্তর প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চিহ্ন বা মার্ক করে। এই চিহ্নগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে এবং কম্পিউটারে রূপান্তর করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। প্রজেক্টর কেবল ছবি বা তথ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টার শিট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় এবং ফটোকপি মেশিন কাগজের নকল করার জন্য। কিন্তু OMR শিটের মার্কগুলোকে পড়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করার কাজ স্ক্যানারই করতে সক্ষম, যা পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণে সহায়ক। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্ক্যানার।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। 
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে।
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে।
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬৮.
Where is the BIOS usually located?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard disk
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
Motherboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Motherboard
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Motherboard

BIOS (Basic Input Output System)
- BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার তার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করে।
- যখন পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়া হয়, তখন প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
​- BIOS-এর মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ডের তথ্য ব্যবস্থাপনাও করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা
৬৯.
কোনটি মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে পারে?
  1. OCR
  2. QR Code
  3. OMR
  4. Barcode
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা

• মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে সক্ষম প্রযুক্তি হলো OCR (Optical Character Recognition)। OCR মূলত কাগজে মুদ্রিত লেখা, সংখ্যা বা টাইপ করা তথ্য স্ক্যান করে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। এর মাধ্যমে বই, প্রশ্নপত্র, ফর্ম বা ডকুমেন্টের লেখা কম্পিউটারে সম্পাদনযোগ্য করা যায়। অন্যদিকে QR Code ও Barcode মূলত নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করে, কিন্তু সরাসরি মুদ্রিত লেখা পড়তে পারে না। আবার OMR কেবল নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বুদবুদ পূরণ শনাক্ত করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OCR.

OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
- Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
- OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৭০.
SCSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Small Computer System Interface
  2. Smart Communication Signal Interface.
  3. Simple Code Software Integration.
  4. Standard Computer Software Interface.
সঠিক উত্তর:
Small Computer System Interface
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Small Computer System Interface
ব্যাখ্যা
 SCSI (স্কাজি) এর পূর্ণরূপ হলো Small Computer System Interface.
- এটি হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট/আউটপুট ইন্টারফেস,
- এটি কম্পিউটারকে বিভিন্ন ডিভাইস যেমনঃ হার্ডডিস্ক, স্ক্যানার, প্রিন্টার ইত্যাদির সাথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং একই সাথে একাধিক ডিভাইস সংযোগ করার সুবিধা দেয়।

• এখন SCSI এর ব্যবহার অনেকটাই কমে গেছে এবং SATA বা USB বেশি জনপ্রিয়। 
- তবে অনেক সার্ভার বা বিশেষ হার্ডওয়্যার এখনো SCSI ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭১.
Which shortcut undoes the previous action?
  1. Ctrl + Y
  2. Ctrl + Z
  3. Ctrl + W
  4. Ctrl + O
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Z
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + Z

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৭২.
কাগজে কালি স্প্রে করার জন্য কোন ধরনের প্রিন্টার ব্যবহৃত হয়?
  1. Ink-Jet
  2. Laser
  3. Dot Matrix
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
Ink-Jet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ink-Jet
ব্যাখ্যা
• Ink-Jet প্রিন্টার কাগজে কালি স্প্রে করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে ছোট ছোট ইঙ্ক ড্রপ উচ্চ গতিতে কাগজের উপর ছিটিয়ে ছবি বা লেখা তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কালি ফোঁটা খুবই সূক্ষ্ম ও নিয়ন্ত্রিতভাবে নিক্ষিপ্ত হয়, যার ফলে উচ্চ মানের ও স্পষ্ট প্রিন্ট পাওয়া যায়। Laser প্রিন্টার তাপ ব্যবহার করে কাগজে টোনার লাগায়, আর Dot Matrix প্রিন্টার পিন দিয়ে কাগজে ছাপ দেয়, তাই এরা কালি স্প্রে করে না। সুতরাং, যেসব কাজের জন্য সরাসরি কালি স্প্রে করতে হয়, Ink-Jet প্রিন্টারই সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি ছবি, গ্রাফিক্স ও রঙিন প্রিন্টের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।

• প্রিন্টার: 
- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যকে লিখিত আকারে উপস্থাপন করে। 
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস। 
যেমন- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি। 

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার: 
- এই প্রিন্টার প্রিন্টিং হেডের পিনের মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে, যেখানে একাধিক পিন ব্যবহার করে কালি ফোঁটা আকারে অক্ষর ফুটিয়ে তোলে। 
- সাধারণত ৯, ২৪, বা ৪৮ পিন বিশিষ্ট প্রিন্টিং হেড থাকে, যা পিনের সংখ্যা অনুযায়ী প্রিন্টের গুণগত মান নির্ধারণ করে। 

• লেজার প্রিন্টার: 
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে উন্নত। 
- এটি দ্রুত এবং উচ্চ মানের প্রিন্টিং করতে সক্ষম। 
- লেজার প্রিন্টার "লেজার" (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির মাধ্যমে কাগজে লেখা ফটিয়ে তোলে। 
- এর প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট, এবং টোনার কার্টিজ। 

• ইংকজেট প্রিন্টার: 
- ইংকজেট প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে প্রিন্ট তৈরি করে। 
- এর প্রধান অংশগুলো হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানোর মেকানিজম এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল। 

• থার্মাল প্রিন্টার: 
- থার্মাল প্রিন্টারে কালি বা রিবন ব্যবহার করা হয় না; এর পরিবর্তে রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া বিশেষ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- এতে প্রিন্ট হেডে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু থাকে, যা তাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট তৈরি করে। 
- ছাপার কাগজে রাসায়নিক প্রলেপ থাকায় তাপের প্রভাবে প্রিন্ট তৈরি হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
কোনটি ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Trackball
  2. Headphone
  3. Lightpen
  4. Digitizer
সঠিক উত্তর:
Headphone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Headphone
ব্যাখ্যা

• ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো সেই যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে কম্পিউটারে তথ্য পাঠায়। প্রশ্নে চারটি অপশনের মধ্যে Trackball, Lightpen, Digitizer- এই তিনটি ডিভাইস মূলত ইনপুট ডিভাইস, যা মাউস বা পেনের মতো কম্পিউটারে নির্দেশনা, আঁকা বা ডেটা পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে Headphone একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সাউন্ড বা তথ্য ব্যবহারকারীর কানে পৌঁছে দেয়, ইনপুট দেয় না। তাই, ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় না এমন যন্ত্র হলো Headphone. এটি ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে কোনো তথ্য পাঠায় না, বরং কম্পিউটার থেকে আসা তথ্য শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
নিম্নলিখিত কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়?
  1. Data Bus
  2. Address Bus
  3. Expansion Bus
  4. Control Bus
সঠিক উত্তর:
Expansion Bus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Expansion Bus
ব্যাখ্যা
• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):
- এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus) একটি আলাদা বাস সিস্টেম যা কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত বাহ্যিক ডিভাইসের সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি কম্পিউটারের মূল সিস্টেম বাসের অংশ নয়, বরং এটি মাদারবোর্ডে যুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইসগুলিকে সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদি)।
- এক্সপ্যানশন বাসের মাধ্যমে বাহ্যিক ডিভাইসগুলো CPU বা RAM-এর সাথে যোগাযোগ করে, কিন্তু এটি সিস্টেম বাসের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হয় না।

সিস্টেম বাসে সাধারণত তিনটি প্রধান উপাদান থাকে:
• ডেটা বাস (Data Bus):
- এটি ডেটা স্থানান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ (যেমন CPU, RAM, I/O ডিভাইস)
- এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এই বাসের মাধ্যমে হয়।
- এটি সাধারণত বাইডির মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফার করে এবং এটি দুই দিকেরও হতে পারে (দ্বিমুখী)।

• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus):
- অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট স্থানে তথ্য কোথায় পাঠাতে হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি মূলত RAM বা I/O ডিভাইসের ঠিকানা সরবরাহ করে।
- সাধারণত, অ্যাড্রেস বাস একমুখী হয়, অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র তথ্যের স্থান নির্দেশ করে, কিন্তু ডেটা স্থানান্তর করে না।

• কন্ট্রোল বাস (Control Bus):
- কন্ট্রোল বাস সিস্টেমের বিভিন্ন অংশের মধ্যে নির্দেশনা বা সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন উপাদানকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং ডেটা বা অ্যাড্রেস বাসের কাজকে সঠিকভাবে সিঙ্ক্রোনাইজ করে।
- এটি একমুখী সিগন্যাল প্রেরণ করে যা সিস্টেমের বিভিন্ন অংশের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয় করে।

- Data Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- Control Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- Address Bus: সিস্টেম বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- সঠিক উত্তর D) Expansion Bus, কারণ এটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
What is BIOS?
  1. A permanent software that starts the computer boot
  2. A firmware that resides on the motherboard
  3. A computer memory management software
  4. An input/output interface
সঠিক উত্তর:
A firmware that resides on the motherboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A firmware that resides on the motherboard
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) A firmware that resides on the motherboard

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার, অর্থাৎ মাদারবোর্ডে থাকা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা দেয়।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে, এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) পরিচালনা করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক আছে তা নিশ্চিত হওয়ার পর, BIOS খুঁজে বের করে মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR), যা BIOS-কে নির্দেশ দেয় কিভাবে সিস্টেম “বুট” (শুরু) করতে হবে।
- BIOS কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনা করে।

• BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে,
- কম্পিউটার বুট হওয়ার ক্রম পরিবর্তন করতে পারে,
- এবং একটি মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করতে পারে।
- ২১শ শতকের প্রারম্ভে, BIOS-এর স্থানে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS-এর চেয়ে দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭৬.
কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি কোনটি?
  1. DRAM
  2. Cache memory
  3. ROM
  4. Register
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো রেজিস্টার। 

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রম (Memory Hierarchy):
কম্পিউটারের মেমোরি একটি স্তরক্রমে (Hierarchy) বিন্যস্ত।

স্তরক্রমের ধাপসমূহ:
- স্তরক্রমের শুরু হয় CPU-এর রেজিস্টার থেকে, যা খুব ছোট, অত্যন্ত দ্রুত এবং ব্যয়বহুল।
- এরপর আসে ছোট, দ্রুত ক্যাশ মেমোরি।
- এর পরের স্তর হলো বড় DRAM (প্রাইমারি মেমোরি)।
- এরপর আছে খুব বড় হার্ড ডিস্ক।
- স্তরক্রমের শেষ ধাপ হলো ধীর ও সস্তা ননভোলাটাইল ব্যাকআপ স্টোরেজ।

ভার্চুয়াল মেমোরি:
- আধুনিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম মেমোরি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমের মাধ্যমে, যা প্রোগ্রামগুলোকে বড় অ্যাড্রেস স্পেস সরবরাহ করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয় মেমোরি CPU-এর প্রকৃত RAM-এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

সংক্ষেপে, কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো CPU-এর রেজিস্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৭৭.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Scanner
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Printer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Printer
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ:
• ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো - 
- Keyboard,
- Mouse,
- Trackball,
- Joystick,
- Touch Screen,
- Barcode Reader,
- Point-of-sale,
- OMR,
- OCR,
- Scanner,
- Digitizer,
- Lightpen,
- Graphics pad,
- Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,
- Printer,
- Plotter,
- Speaker,
- Multimedia
- Projector,
- Image setter,
- Film Recorder,
- Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Hard Disk,
- CD/DVD, 
- Touch screen,
- Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
"বার কোড রিডার" - কী ধরনের ডিভাইস?
  1. আউটপুট ডিভাইস
  2. ইনপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
কোন এককের মাধ্যমে প্রিন্টারের রেজোলিউশন মাপা হয়?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
সঠিক উত্তর:
ডিপিআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিপিআই
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় ডিপিআই (DPI) এককের মাধ্যমে। 

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- লিংক
৮০.
Which component is primarily responsible for a computer's boot time?
  1. GPU
  2. SSD 
  3. RAM
  4. Power Supply
সঠিক উত্তর:
SSD 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SSD 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) SSD 
SSD (Solid State Drive) হলো সেই উপাদান যা বুট সময়কে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, কারণ এর ডেটা অ্যাক্সেসের গতি দ্রুত।

Solid-State Device (SSD):
- SSD হলো একটি ধরনের সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা হার্ড ডিস্কের মতো যান্ত্রিক অংশ ব্যবহার না করে তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করে।
- সলিড-স্টেট ডিভাইস এমন একটি যন্ত্র, যেখানে শক্ত সেমিকন্ডাক্টরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়; ট্রানজিস্টর হলো এর প্রধান উপাদান। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি।
- SSD-তে ব্যবহৃত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ ডেটা দ্রুত পড়তে ও লিখতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার দ্রুত অন এবং অফ করা যায়।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় এবং কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
- ২১শ শতকের শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অনেক ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার শুরু হয়েছে।

উৎস: ১। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৮১.
ROM কোন ধরনের মেমোরি
  1. ভোলাটাইল মেমোরি
  2. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
  3. প্রসেসিং মেমোরি
  4. কন্ট্রোল মেমোরি
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) প্রসেসিং মেমোরি

ROM (Read-Only Memory)
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮২.
কোন নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার প্রযুক্তি কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে?
  1. Laser Printer
  2. Inkjet Printer 
  3. Thermal Printer
  4. Dot Matrix Printer
সঠিক উত্তর:
Inkjet Printer 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inkjet Printer 
ব্যাখ্যা

• নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Inkjet Printer) কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে। এই প্রযুক্তিতে সূক্ষ্ম নোজল বা ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে তরল কালি খুব ক্ষুদ্র বিন্দু আকারে কাগজের উপর ছিটানো হয়। কালি বিন্দুগুলি নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিকভাবে বসে লেখার বা ছবির আকার তৈরি করে। এর ফলে প্রিন্টের মান অনেক পরিষ্কার, রঙিন এবং উচ্চ রেজোলিউশনের হয়। যেহেতু এটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রযুক্তি, তাই প্রিন্টিংয়ের সময় শব্দ কম হয়। ইঙ্কজেট প্রিন্টার সাধারণত ঘরোয়া ও অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি কম খরচে উচ্চ মানের প্রিন্ট প্রদান করতে সক্ষম।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

২. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করা যায়?
  1. OCR
  2. OMR
  3. MICR
  4. ICR
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা

◉ OCR (Optical Character Recognition) প্রযুক্তি স্ক্যান করা কাগজের ডকুমেন্ট বা ইমেজের লেখা শনাক্ত করে এডিটেবল ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। যেমন: স্ক্যান করা বইকে PDF থেকে Word ডকুমেন্টে রূপান্তর করা।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​OMR (Optical Mark Recognition): এটি বুদবুদ/চিহ্ন পড়তে ব্যবহৃত হয়, যেমন MCQ উত্তরপত্র স্ক্যান করা।
MICR (Magnetic Ink Character Recognition): এটি ব্যাংক চেকের মতো ডকুমেন্টে বিশেষ কালিতে লেখা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।
ICR (Intelligent Character Recognition): এটি OCR-এর উন্নত সংস্করণ, যা মানুষের হাতের লেখা (Handwriting) শনাক্ত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
“QWERTY” শব্দটি কী বোঝায়?
  1. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  2. এক ধরনের প্রিন্টার
  3. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
সঠিক উত্তর:
একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) একটি কীবোর্ডের বিন্যাস।

QWERTY হল কীবোর্ডের একটি জনপ্রিয় বিন্যাস যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর নাম আসে কীবোর্ডের প্রথম ছয়টি অক্ষর “Q-W-E-R-T-Y” থেকে। এটি মূলত টাইপরাইটারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে সাধারণভাবে ব্যবহৃত অক্ষরগুলো একে অপরের কাছাকাছি না থাকে এবং টাইপিং চলাকালীন কীগুলোর জ্যাম কমানো যায়। আজকের সময়ে কম্পিউটার কীবোর্ডেও এই বিন্যাসটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। QWERTY বিন্যাস শিক্ষার জন্য সহজ এবং দ্রুত টাইপিং করার জন্য মানক ধরা হয়েছে, এবং এটি বিভিন্ন ভাষায় সামান্য পরিবর্তনসহ প্রয়োগ করা হয়।

• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

৮৫.
কিউয়ার্টি কীবোর্ডে 'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি আছে?
  1. Y
  2. U
  3. R
  4. S
সঠিক উত্তর:
Y
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Y
ব্যাখ্যা
• কিউয়ার্টি (QWERTY) কীবোর্ড হলো ইংরেজি টাইপিং কীবোর্ডের একটি প্রচলিত বিন্যাস, যার নামকরণ হয়েছে উপরের সারির প্রথম ছয়টি বর্ণ (Q, W, E, R, T, Y) অনুসারে। এই বিন্যাসে প্রতিটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট স্থানে সাজানো থাকে যেন টাইপ করার সময় আঙুলের গতি দ্রুত হয় ও হাতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকে। এখন, প্রশ্ন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে—'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি অবস্থান করে? যদি কীবোর্ডের উপরের সারি পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে দেখতে পাই যে ‘T’-এর ঠিক ডান পাশে আছে 'Y' বর্ণটি। অর্থাৎ, বাম থেকে ডানে সাজানো বর্ণগুলোর ক্রম হলো: Q, W, E, R, T, Y, U, I, O, P। অতএব, সঠিক উত্তর: ক) Y.

• QWERTY:
- সবচেয়ে প্রচলিত লে-আউট।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়।
- নাম এসেছে প্রথম ছয়টি অক্ষর থেকে: Q-W-E-R-T-Y

• AZERTY:
- এই লেআউট টি ফ্রান্স, বেলজিয়ামে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে A এবং Z দিয়ে শুরু হয়।

• QWERTZ:
- এই লেআউট টি জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে কীবোর্ডে  Y ও Z এর অবস্থান অদলবদল হয়।

তথ্যসূত্র: 
- KeyBoard layout, Microsoft.
- Introduction to Computers by Peter Norton.
৮৬.
Which device is used as both an input and output device?
  1. Modem
  2. Printer
  3. OMR
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Modem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modem
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয় কোন অংশ?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার
  2. সার্জ সাপ্রেসর
  3. প্রধান বিদ্যুৎ উৎস
  4. ব্যাটারি চার্জার
সঠিক উত্তর:
সার্জ সাপ্রেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জ সাপ্রেসর
ব্যাখ্যা

• সার্জ সাপ্রেসর পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে।
- মেইন পাওয়ার থাকাকালে ব্যাটারি চার্জ হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতি চালু রাখা হয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility → প্রধান বিদ্যুৎ উৎস।
- EMI/RFI Filter → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়।
- Surge Suppressor → হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Transfer Switch → মেইন পাওয়ার ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়।
- AVR (Automatic Voltage Regulator) → ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে।
- Battery Charger → ব্যাটারি চার্জ করে রাখে।
- Inverter → ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- IPS (Instant Power Supply)।
- UPS (Uninterrupted Power Supply)।
- EPS (Emergency Power Supply)।
- QPS (Quick Power Supply)।

• অন্যান্য অপশন:
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান বিদ্যুৎ উৎস → এটি বিদ্যুতের মূল সরবরাহ উৎস।
- ব্যাটারি চার্জার → ব্যাটারি চার্জ করে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৮৮.
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাইক্রোফোন কী কাজ করে?
  1. ফাইল সংরক্ষণ করে
  2. ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে
  3. টেক্সট দেখায়
  4. শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
সঠিক উত্তর:
শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ বা আশেপাশের শব্দ গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ইলেকট্রনিক সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গগুলোকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষিত হতে পারে। মাইক্রোফোন সাধারণত ভয়েস রেকর্ডিং, অনলাইন মিটিং, গেম খেলার সময় যোগাযোগ এবং ভয়েস কমান্ড গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করতে মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইনফ্রারেড লাইট বা LED
  2. আল্ট্রাসনিক ওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মেকানিক্যাল বল
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড লাইট বা LED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড লাইট বা LED
ব্যাখ্যা

• একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করার জন্য মূলত ইনফ্রারেড লাইট বা LED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অপটিক্যাল মাউসের তলার দিকে ছোট একটি LED থাকে যা কাজের পৃষ্ঠের ওপর আলো ফেলে। সেই আলো থেকে প্রতিফলিত আলো একটি সেন্সর ক্যাপচার করে। মাউসের গতি অনুযায়ী পৃষ্ঠের বীট বা প্যাটার্ন পরিবর্তিত হয়, এবং সেন্সর সেই পরিবর্তনগুলোকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে। এই সিগনাল কম্পিউটার প্রসেসর মাউসের কার্সরের অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার করে। তাই অপটিক্যাল মাউস মেকানিক্যাল বলের বদলে লাইট বেসড সেন্সর ব্যবহার করে, যা দ্রুত, নির্ভুল এবং ময়লা-প্লে সম্বন্ধে কম সংবেদনশীল। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ইনফ্রারেড লাইট বা LED.
 
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
-  এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

৯০.
OMR কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে?
  1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  2. শব্দ শনাক্তকরণ
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. অপটিক্যাল স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল স্ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• OMR বা Optical Mark Recognition একটি প্রযুক্তি যা ঘনিষ্ঠ বা চিহ্নিত মার্কগুলি শনাক্ত করতে অপটিক্যাল স্ক্যানিং ব্যবহার করে। পরীক্ষার উত্তরপত্র, ভোটার ব্যালট বা সার্ভে ফর্মে যে স্থানে চিহ্নিত করা হয় তা OMR ডিভাইস বা সফটওয়্যার দ্বারা পড়া হয়। এটি পেপারের উপর থাকা কালো বা গাঢ় চিহ্নগুলিকে আলোর প্রতিফলন বা শোষণের মাধ্যমে শনাক্ত করে, ফলে কোন অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়। OMR প্রযুক্তি কোনো রেডিও তরঙ্গ, শব্দ শনাক্তকরণ বা ইনফ্রারেড সিগন্যালের উপর নির্ভর করে না, বরং এটি প্রদত্ত মার্কের অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপটিক্যাল স্ক্যানিং।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস।  
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে। 
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে। 
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৯১.
Which device transforms digital data signals into modulated analog signals?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Bridge
  4. Modem
সঠিক উত্তর:
Modem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modem
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Modem

মডেম (Modem)
- মডেমের পূর্ণরূপ হলো “মডুলেটর/ডিমডুলেটর” (Modulator/Demodulator)।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা ডিজিটাল ডেটা সিগন্যালকে মডুলেটেড অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে, যাতে তা অ্যানালগ টেলিকমিউনিকেশন সার্কিটে প্রেরণ করা যায়।
- মডেম একইভাবে মডুলেটেড সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং ডিমডুলেট করে, যাতে ডিজিটাল সিগন্যাল পুনরায় ডেটা যন্ত্রের ব্যবহারযোগ্য হয়।
- মডেম বিভিন্ন ডেটা যোগাযোগ সহজতর করে, যেমন: ইমেইল, ফ্যাক্স, ফাইল ডাউনলোড।
- প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ মডেম ছিল Bell 103, যা ১৯৬২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়।
- পরবর্তীতে, Bell 212 মডেম ফেজ-শিফট কিিং (PSK) ব্যবহার করে ১,২০০ বিট প্রতি সেকেন্ড ডেটা প্রেরণ করত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৯২.
কোনটি ইনপুট ও আউটপুট ফাংশন দুইই করতে সক্ষম?
  1. Printer
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
ব্যাখ্যা

• যে ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম, তা হলো Touch Screen। একটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে ডিভাইসে সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার সুযোগ দেয়, যেমন লেখা বা কমান্ড দেওয়া, যা ইনপুটের কাজ। পাশাপাশি, এটি ব্যবহারকারীকে ভিজ্যুয়াল বা গ্রাফিকাল আউটপুট দেখায়, যেমন অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারফেস বা ছবি প্রদর্শন করা। অন্যদিকে, প্রিন্টার শুধুমাত্র আউটপুট দেয়, মাইক্রোফোন শুধুমাত্র ইনপুট নেয়, এবং মাউস মূলত ইনপুট ডিভাইস। তাই, টাচ স্ক্রিনই একমাত্র ডিভাইস যা একই সঙ্গে তথ্য গ্রহণ এবং প্রদর্শনের কাজ করতে পারে। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারফেস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
ফাংশন কী গুলো সাধারণত কত পর্যন্ত থাকে?
  1. F1 থেকে F6
  2. F1 থেকে F12
  3. F1 থেকে F24
  4. F1 থেকে F10
সঠিক উত্তর:
F1 থেকে F12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F1 থেকে F12
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী গুলো সাধারণত F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
কোনটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Adobe Photoshop
  2. Tesseract
  3. VLC Media Player
  4. WinRAR
সঠিক উত্তর:
Tesseract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tesseract
ব্যাখ্যা

• অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনিশন (OCR) হলো একটি প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে লেখা বা অক্ষর চিনতে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে সক্ষম। OCR সফটওয়্যার মূলত পিডিএফ, ছবি বা স্ক্যান করা নথি থেকে তথ্য বের করতে ব্যবহৃত হয়, যা পরে সম্পাদনা, অনুসন্ধান বা সংরক্ষণ করা যায়। এই সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো Tesseract, যা একটি ওপেন সোর্স OCR ইঞ্জিন। এটি বিভিন্ন ভাষার লেখা চিনতে পারে এবং টেক্সটকে প্রোগ্রাম্যাটিকভাবে প্রসেস করার সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Adobe Photoshop হলো ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, VLC Media Player ভিডিও প্লেয়ার, আর WinRAR ফাইল কমপ্রেশন টুল; এরা OCR এর কাজ করে না। 
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Tesseract.


​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৯৫.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. বার কোড রিডার
  2. মনিটর
  3. সিডি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
সিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিডি
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। 
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
কোন ডিভাইসটি সফট কপি আউটপুটের উদাহরণ?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. প্লটার
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
মনিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিটর
ব্যাখ্যা

• সফট কপি আউটপুট হলো এমন আউটপুট যা সরাসরি কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইসে দেখা যায়, কিন্তু কাগজে মুদ্রিত হয় না। এটি সাধারণত স্ক্রিন বা মনিটরের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। মনিটর হলো একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের তথ্যকে ভিজ্যুয়াল আকারে ব্যবহারকারীর সামনে দেখায়। এখানে তথ্য কেবলই দৃশ্যমান থাকে এবং তা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয় না। অন্যদিকে, প্রিন্টার বা প্লটার ব্যবহার করলে আউটপুট কাগজে আসে, যা হার্ড কপি হিসেবে পরিচিত।
- তাই সফট কপির উদাহরণ হিসেবে মনিটর সঠিক উত্তর। এটি ব্যবহারকারীকে ইলেকট্রনিকভাবে তথ্য দেখার সুবিধা প্রদান করে।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৯৭.
OCR প্রক্রিয়ার পর সাধারণত কোন ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয়?
  1. .mp3
  2. .jpg
  3. .txt
  4. .mp4 
সঠিক উত্তর:
.txt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.txt
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) হল একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি বা পিডিএফ থেকে লেখা চিহ্নিত করে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো ছবির মধ্যে থাকা অক্ষরগুলোকে এডিটেবল এবং সার্চেবল ফরম্যাটে পরিবর্তন করা। OCR-এর পর সাধারণত যে ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয় তা হলো .txt ফাইল বা, .pdf ফাইল, কারণ এটি কেবল টেক্সট সংরক্ষণ করে এবং সহজেই বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যবহারযোগ্য। অন্য ফরম্যাট যেমন .jpg বা .mp4 মূলত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর .mp3 শুধুমাত্র অডিও সংরক্ষণের জন্য। সুতরাং, OCR-এর আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) .txt

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮.
প্রিন্টারের DPI কী নির্দেশ করে?
  1. ডকুমেন্ট প্রিন্টিং ইনডেক্স
  2. ডটস পার ইঞ্চ
  3. ডিজিটাল প্রিন্টিং ইন্টারফেস
  4. ডিসপ্লে পিক্সেল ইনডেক্স
সঠিক উত্তর:
ডটস পার ইঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডটস পার ইঞ্চ
ব্যাখ্যা

◉ প্রিন্টারের DPI হলো ডটস পার ইঞ্চ (Dots Per Inch)।

পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- DPI দ্বারা নির্দেশ করা হয় প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বিন্দু) প্রিন্ট করা যায়।
- যত বেশি DPI, তত বেশি শার্প এবং ডিটেইলযুক্ত প্রিন্ট আউটপুট পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, 300 DPI মানে প্রতি ইঞ্চিতে 300টি ডট প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
MICR-এর বিস্তারিত রূপ কী?
  1. Magnetic Ink Character Recognition
  2. Multi Ink Character Recognition
  3. Machine Integrated Code Reader
  4. Magnetic Information Code Reader
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা

• MICR-এর পূর্ণরূপ হলো Magnetic Ink Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে চেক, ড্রাফট ও অন্যান্য আর্থিক নথিতে থাকা অক্ষর ও সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। MICR কালি ব্যবহার করে লেখা হয়, যা চৌম্বকীয়ভাবে সক্রিয় এবং বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পড়া যায়। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুত এবং সঠিক করে তোলে, কারণ মানুষের হাতে পড়ার সময় ত্রুটি কম হয়। মূলত ব্যাংকগুলো চেক ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়ায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।

উত্তর: ক) Magnetic Ink Character Recognition.

• MICR:
- MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition/Reader.
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- MICR এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে চেকের বৈধতা যাচাই করা যায়।
- এতে চুম্বকীয় কালি (Magnetic Ink) ব্যবহার করা হয়।
- এই চেক স্ক্যান করার সময় এর চুম্বকীয় ডিজিট, কম্পিউটার নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠ করে এবং ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে।

সকল রিলায়েবল সোর্সেই MICR এর পূর্ণরূপ হিসাবে Magnetic Ink Character Recognition এর কথা বলা হয়েছে।
তবে অপশনে Recognition না থেকে শুধু reader দেওয়া থাকলে উত্তর হিসাবে Magnetic Ink Character Reader দেয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০০.
প্রিন্টারের গতি পরিমাপের একক হলো-
  1. Hertz
  2. DPI
  3. PPM
  4. Flops
সঠিক উত্তর:
PPM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PPM
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।