বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা

মোট প্রশ্ন১,২৯৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা

PrepBank · পাতা ১১ / ১৩ · ১,০০১১,১০০ / ১,২৯৫

১,০০১.
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  3. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ:

- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না। 
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০০২.
বঙ্গবন্ধু প্রথম কত সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৫১ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন আওয়ামী মুসলীম লীগ গঠিত হয়।
প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের ‘দ্বিতীয় কাউন্সিলে’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তথন থেকে তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং কারাগারের রোজনামচা)
১,০০৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৫১ নং
  2. ১৫২ নং
  3. ১৫৩ নং
  4. ১৪৫ নং
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে,

১৫২। (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে,


"রাজনৈতিক দল" বলিতে এমন একটি অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি অন্তর্ভুক্ত, যে অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি সংসদের অভ্যন্তরে বা বাহিরে স্বাতন্ত্র্যসূচক কোন নামে কার্য করেন এবং কোন রাজনৈতিক মত প্রচারের বা কোন রাজনৈতিক তৎপরতা পরিচালনার উদ্দেশ্যে অন্যান্য অধিসঙ্ঘ হইতে পৃথক কোন অধিসঙ্ঘ হিসাবে নিজদিগকে প্রকাশ করেন;

• সংবিধানের বিভিন্ন টার্মের ব্যাখ্যা ও সংজ্ঞা দেওয়া আছে ১৫২ নং অনুচ্ছদে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১,০০৪.
মাস্টারদা সূর্যসেনকে বৈপ্লবিক আর্দশে উদ্বুদ্ধ করেন কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
  3. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. সুভাষ চন্দ্র বসু 
সঠিক উত্তর:
সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- মাস্টারদা সূর্যসেন ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
বাবা রাজমনি সেন এবং মা শশীবালা দেবী।
সূর্যসেন ১৯১২ সালে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হন।
সূর্যসেন যখন নোয়াপাড়া উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের ছাত্র তখন বঙ্গভঙ্গকে (১৯০৫) কেন্দ্র করে বাংলায় স্বদেশী আন্দোলন শুরু হয়।
ক্রমে এই আন্দোলন বিশেষ করে চট্টগ্রাম এলাকায় বিপ্লবী আন্দোলনে রূপ নেয়।
১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে বি.এ. শ্রেণিতে পড়াকালীন শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন সূর্যসেন।
সূর্যসেন চট্টগ্রামে ফিরে গিয়ে ব্রিটিশ বিরোধী একটি বিপ্লবী দল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।
একজন গ্রামবাসীর বিশ্বাসঘাতকতায় ১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাস্টারদা গ্রেফতার হন। পরের বছর ১২ ফেব্রুয়ারি তাঁর ফাঁসি হয়। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৫.
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর জন্মস্থান কোথায়?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. নেত্রকোণা
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

মাওলানা হামিদ খান ভাসানী: 
- জন্ম:  সিরাজগঞ্জ জেলার ধানগড়া গ্রামে ।

- মৃত্যু: ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬, ঢাকা ।
- উপাধি: মজলুম জননেতা।
- রাজনৈতিক জীবন শুরু: ১৯১৭ সালে কংগ্রেসে যোগদান।
- প্রথম গ্রেফতার: ১৯৩০ সালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে।
- মুসলিম লীগে যোগ: ১৯৪০ সালে;
- ১৯৪৪ সালে আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত।
- আওয়ামী মুসলিম লীগ: ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ছিলেন প্রথম সভাপতি।
- আওয়ামী লীগ: ১৯৫৫ সালে "মুসলিম" শব্দ বাদ দিয়ে দলটির নাম রাখেন "আওয়ামী লীগ"।
- ভাসানী-সোহরাওয়ার্দী দ্বন্দ্ব: ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইলের কাগমারায় সম্মেলনে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে যান।
- ন্যাপ (ভাসানী): ১৯৫৭ সালে গঠন করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।
- চীনপন্থী রাজনীতি: সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারায় বিশ্বাসী ছিলেন;
- চীনপন্থী রাজনীতির প্রবক্তা সাংবাদিকতা: গণবাণী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- উল্লেখযোগ্য ভাষণ: “আসসালামু আলাইকুম, চীনাবান্ধব” তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,০০৬.
Almond ও Powel চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কত ভাগে ভাগ করেছেন?
  1. ৩ ভাগে
  2. ৭ ভাগে
  3. ৬ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
• যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং
- স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।

Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা-
- The Associational Interest Groups,
- Institutional Interest Groups,
- Anomic Interest Groups and
- Non-Associational Interest Groups.

তথ্যসূত্র: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০০৭.
কোন বছর সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ১৯৫৬-১৯৫৭
  2. ১৯৫৮-১৯৫৯
  3. ১৯৬০-১৯৬১
  4. ১৯৬২-১৯৬৩
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬-১৯৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬-১৯৫৭
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী এক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, যিনি মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রের জন্য নিরলস কাজ করে গেছেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনী:
জন্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৮৯২, মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ।
শিক্ষা: বিলেত থেকে বার-এট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে দেশে ফিরে আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
মৃত্যু: ১৯৬৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

রাজনৈতিক জীবন:
• ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হন।
• হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তিতে (১৯২৩) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
• ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে সহায়তা করেন।
• ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিশেষ অবদান:
• পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিবেদিত প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
• রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ এবং মেধার গুণগত মান বজায় রাখতে আপোস করেননি।
• বাংলাদেশে তাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ নামে আখ্যায়িত করা হয় এবং তার দেশপ্রেম ও মানবকল্যাণের জন্য তিনি একনিষ্ঠ সাধক হিসেবে স্মরণীয়।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দেশপ্রেম, গণতন্ত্র এবং মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে চিরকাল বিরাজমান থাকবেন।

উৎস:
- সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম ও পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৮.
আওয়ামী মুসলীম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন -
  1. সভাপতি
  2. সহ-সভাপতি
  3. সাধারণ সম্পাদক
  4. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
ব্যাখ্যা
• আওয়ামী মুসলীম লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়-১৯৫৫ সালে।

এছাড়াও -
- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ: 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ ছিলেন- সামছুল হক।

- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি- আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু মাওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৯.
কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
গ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী: 
- ১৯৪৯ সালে মাওলানা ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দী প্রচেষ্টায় আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালে ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক।
- ১৯৭৬ সালের ১৬মে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক লংমার্চ পরিচালিত হয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১,০১০.
কাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র‘ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফকে
  2. সৈয়দ আমীর আলীকে
  3. এ কে ফজলুল হককে
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত
- রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও মেধার গুনুত্ব বিবেচনায় তিনি কোন আপোস করেন নি।
- দেশপ্রেম, মানব-কল্যাণ ও গণতন্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী এ দেশের রাজনীতিতে ধ্রুবতারার জ্যোতি নিয়ে বিরাজ করতে থাকবেন।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১১.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা-
  1. একদলীয়
  2. দ্বি-দলীয়
  3. বহুদলীয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয়
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন রূপ: 
- রাজনৈতিক দলকে মোটামুটিভাবে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যথা− একদলীয়, দ্বি-দলীয় এবং বহুদলীয়।

⇒  একদলীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রে একটিমাত্র রাজনৈতিক দল থাকে।
যেমন− ইতালীর ফ্যাসিষ্ট দল এবং জার্মানীর নাৎসী দল।
- এক দলীয় ব্যবস্থায় জনমত প্রকাশের সুবিধা থাকে না। 
- বর্তমানে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে এত সমস্যা থাকে যে, শুধু একটি বা দুটি দল সমস্যার সমাধান করতে পারে না।

⇒  দ্বি-দলীয় ব্যবস্থায় মাত্র দুটি রাজনৈতিক দল থাকে। বৃটেনে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান।

- বহুদলীয় ব্যবস্থায় একটি রাষ্ট্রে বহু দল থাকে। যেমন- বাংলাদেশ।

- গণতন্ত্রকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য বহুদলীয় ব্যবস্থা অত্যন্ত আবশ্যক। 
- অপ্রয়োজনীয় ও জনসমর্থনহীন অসংখ্য রাজনৈতিক দল গড়ে উঠলে তা গণতন্ত্রের জন্য হয় হুমকিস্বরূপ।

উৎস: পৌরনীতি (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১,০১২.
‘Amnesty International’ কি ধরণের সংস্থা?
  1. ক) দুর্নীতি দমন সম্পর্কিত
  2. খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
  3. গ) আইন সম্পর্কিত
  4. ঘ) সুশাসন সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (ইংরেজি: Amnesty International) একটি মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার বিষয়ের উত্তরণ ও মর্যাদা রক্ষায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত সার্বজনীন মানব অধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নে সংস্থাটি একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যে স্থাপিত হয়। এর সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠাতা: পিটার বেনেনসন। সংস্থাটিকে ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ Amnesty International এর ওয়েব সাইট)
১,০১৩.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. বিরোধী দলকে দমন করা
  2. সুশাসন নিশ্চিত করা
  3. সরকার গঠন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ ও সরকার গঠন:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৪.
মাওলানা ভাসানী জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. কুষ্টিয়া
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- মাওলানা ভাসানী জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে।
- তিনি ১৯১৯ সালে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
- পরে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে আসাম শাখার সভাপতি হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করে এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে মুসলিম লীগকে পরাজিত করেন।
- ১৯৫৭ সালে কাগমারির সম্মেলনে নীতিগত দ্বন্দ্বে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সরে দাঁড়ান।
- পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করে রাজনীতি চালিয়ে যান।
- ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে তিনি ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন এবং ঐ বছরের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,০১৫.
'সত্যাগ্রহ আন্দোলন' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
  2. চিত্তরঞ্জন দাস
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. শরৎ বসু
সঠিক উত্তর:
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
ব্যাখ্যা
• মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৬.
কোন রাজনীতিবিদ ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব প্রদান করেন?
  1. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  2. এ.কে. ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- তিনি মওলানা ভাসানী হিসেবে পরিচিত।
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।
- ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

⇒ ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- রাজনৈতিক জীবনে মওলানা ভাসানী ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৪, ১৯৬৫, ১৯৬৮ সালের আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে মওলানা ভাসানী ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি হন।
- ১৯৭২ সালের ২ এপ্রিল ঢাকায় পল্টনের জনসভায় চোরাচালানের বিরুদ্ধে আপসহীন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
- আজীবন শ্রমিক-কৃষক ও মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন মওলানা ভাসানী।
- ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে ঐতিহাসিক লংমার্চ করেও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- এই মিছিল ও সমাবেশ 'ফারাক্কা লংমার্চ' হিসেবে পরিচিত।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: i) Bdnews24.
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,০১৭.
২০২১ সালে SDG অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন পদক লাভ করেন?
  1. ক) এসডিজি অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড
  2. খ) জিরো হাঙ্গার অ্যাওয়ার্ড
  3. গ) এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড
  4. ঘ) এসডিজি স্পেশ্যাল হিউমেনিটেরিয়ান
সঠিক উত্তর:
গ) এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
• অ্যাওয়ার্ড:
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে, SDG অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড' পদক লাভ করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জনের জন্য 'এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলুশান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন), গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ইনস্টিটিউট ও সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেয়।
 
উৎস: প্রথমআলো
১,০১৮.
মানুষের রাজনৈতিক আচরণ, কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে -
  1. ক) নৈতিক মূল্যবোধ
  2. খ) সামাজিক মূল্যবোধ
  3. গ) রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
- রাজনৈতিক মূল্যবোধ, মানুষের রাজনৈতিক আচরণ, কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে।
রাজনৈতিক মূল্যবোধের মধ্যে রয়েছে:
- আইন মেনে চলা
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা 
- রাজনৈতিক শূঙ্খলাবোধ প্রভূতি

অন্যদিকে,
- শ্রমের মর্যাদা  :সামাজিক মূল্যবোধ 
- পরোপকার     :নৈতিক মূল্যবোধ 
- ন্যায়পরায়ণ     : সার্বজনীন মূল্যবোধ 

(উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী প্রথম পত্র)।
১,০১৯.
আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম সংস্থা গড়ে তোলেন কে?
  1. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত
  3. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত: 
- মুসলিম নারীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ, স্বাবলম্বী মনোভাব সৃষ্টি সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বেগম রোকেয়া অবদান রয়েছে।
- ১৯১৬ সালে "আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম" বা মুসলিম মহিলা সমিতি নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থার মাধ্যমে তিনি নারী মুক্তি আন্দোলন শুরু করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠা পুকুর থানার পায়রাবন্দ গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেগম রোেকয়ার জন্ম।
- তাঁর পিতার নাম জহিরুদ্দিন মোহাম্মদ আলী সাবের।
- এবং মাতার নাম রাহাতুন্নেসা চৌধুরাণী।
- প্রায় ১৭ বছর বয়সে ১৮৯৮ সালে ৩৮ বছর বয়স্ক প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব ম্যাজিস্ট্রেট সাখাওয়াত হোসেনের সাথে রোকেয়ার বিয়ে হয়।
- শিক্ষার প্রতি স্ত্রীর অনুরাগ দেখে বিদ্যার্জনে তার স্বামী তাকে নানা ভাবে সহযোগিতা করেন।
- "সুলতানার স্বপ্ন" গ্রন্থটি তার স্বামীর অনুপ্রেরণারই ফসল।

উৎস: সমাজ কল্যাণ ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২০.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
  2. এলান পটার
  3. অধ্যাপক মাইরন উহনার
  4. ফাইনার
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মাইরন উহনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক মাইরন উহনার
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।

অন্যদিকে,
- অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
- এলান পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩ : স্নাতক  শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২১.
কোনটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  2. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  3. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা
  4. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।

পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ-
১. আত্মরক্ষা।
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অধ্যায়, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২২.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. সৈয়দ আমীর আলি
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর নেতৃত্বে ১৯৩৫ সালে কৃষক প্রজা পার্টি গঠিত হয়।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০২৩.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কতটি আসন লাভ করে?
  1. ক) ১৭০ টি
  2. খ) ১৪৩ টি
  3. গ) ২৩০ টি
  4. ঘ) ২২৩ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪৩ টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামীলীগ ও অন্য ৩ টি দল যুক্তফ্রন্ট নামে জোটগতভাবে নির্বাচন করে। এতে মুসলিম ২৩৭ টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩ টি আসন লাভ করে যার মধ্যে আওয়ামীলীগ একাই ১৪৩ টি আসন লাভ করে। এছাড়া কৃষক প্রজা পার্টি ৪৮ টি, নেজামে ইসলাম ১৯ টি এবং গণতন্ত্রী দল ১৩ টি আসন লাভ করে। অমুসলিম ৭২ টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ৭ টি আসন পায়। সর্বমোট আসন পায় ২৩০ টি। (সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম, ০৩ এপ্রিল ২০১৭)
১,০২৪.
‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)’–এর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি কে ছিলেন?
  1. শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. মাহমুদুল হক ওসমানী
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি:
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।

⇒ ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়। 
- এ প্রশ্নে দলের ডানপন্থী নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং বামপন্থী অংশ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- ফলে আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশের উদ্যোগে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ২৪-২৫ জুলাই গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, আবদুল মতিন, ওয়ালি খান প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারি সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০২৫.
Center for Policy Dialogue এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  3. বদিউল আলম মজুমদার
  4. তারেক শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
সিপিডি:
- সিপিডি (CPD)-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- এটি বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা,
- এটি সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও নীতিগত পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- CPD সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির প্রধান লক্ষ্য হলো—বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত ও জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা।
- এছাড়াও, এই সংস্থা তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার ও সমর্থনের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণকে প্রভাবিত করার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

এছাড়াও,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

সূত্র: সিপিডি ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১,০২৬.
National Citizen Party (NCP)-এর আহ্বায়ক কে?
  1. নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী
  2. নাহিদ ইসলাম
  3. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  4. আখতারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
নাহিদ ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাহিদ ইসলাম
ব্যাখ্যা

National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- নাহিদ ইসলামকে দলটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।

১,০২৭.
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমতা
  2. সততা
  3. অসাম্প্রদায়িকতা
  4. দলীয় সমর্থন 
সঠিক উত্তর:
দলীয় সমর্থন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলীয় সমর্থন 
ব্যাখ্যা

⇒ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে দলীয় সমর্থন অন্তর্ভুক্ত নয়।

সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,০২৮.
‘মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. সৈয়দ আমির আলী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা

নওয়াব আবদুল লতিফ:
- নওয়াব আবদুল লতিফ ১৮৬৩ সালে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' বা ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আধুনিক শিক্ষা সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে জনমত তৈরি এবং তাদেরকে পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সচেতন করাই ছিল এ সমিতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ছিল না।
- তবে এর মাধ্যমে মুসলমানদের ন্যায়সংগত দাবি ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সরকারের কাছে তুলে ধরে তা পূরণের চেষ্টা করা হতো।
- ফলে মুসলিম সমাজে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- নওয়াব আবদুল লতিফ ছিলেন মুসলমানদের জাগরণের অন্যতম স্থপতি।
- ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- নওয়াব আবদুল লতিফ ১৮৪৯ সালে ‘ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট' পদে যোগ দেন এবং ১৮৭৭ সালে ‘প্রেসিডেন্সী ম্যাজিস্ট্রেট' হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।
- ১৮৮৪ সালে বিশেষ পেনশন সুবিধাসহ সরকারি চাকরি হতে অবসর নেন।
- তাঁর নিষ্ঠা ও দক্ষতা এবং সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশনজনহিতকর কার্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৬২ সালে তাঁকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য মনোনীত করা হয়। মুসলমানদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ গৌরবের অধিকারী।
- ইংরেজদের প্রতি আনুগত্য এবং মুসলমান সমাজের প্রতি তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার ১৮৭৭ সালে তাঁকে 'খান বাহাদুর’, ১৮৮০ সালে ‘নওয়াব’, ১৮৮৩ সালে সি.আই.ই. এবং ১৮৮৭ সালে উচ্চতর সম্মানের প্রতীক ‘নওয়াব বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে ।
- ১৮৬০ সালে সরকার কর্তৃক 'নীল কমিশন গঠনের পেছনে তাঁর ভূমিকা ছিল।
- ১৮৯৩ সালের ১০ জুলাই নওয়াব আবদুল লতিফ মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২৯.
বেঙ্গল প্যাক্টের রূপকার কে?
  1. পন্ডিত মতিলাল নেহেরু
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. মাওলানা শওকত আলী 
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ:
- সি. আর দাশ নামেও পরিচিত দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কলকাতায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত তেলিরবাগ গ্রামে।
- তাঁর পিতা ভুবনমোহন দাস কলকাতা হাইকোটের সলিসিটার ও ব্রাহ্মসমাজের নেতা ছিলেন।
- ভবানীপুরের লন্ডন মিশনারী সোসাইটি স্কুল থেকে ১৮৮৬ সালে এন্ট্রান্স পাশ করার পর চিত্তরঞ্জন দাশ কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি. এ. ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর উচ্চতর শিক্ষালাভের জন্য তিনি ইংল্যান্ডে গমন করেন এবং ১৮৯৪ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পরীক্ষা পাশ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
----------------------
চিত্তরঞ্জন দাশের সময়ে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে যে সমস্যাটি অত্যন্ত প্রকট ছিল তা হলো হিন্দু-মুসলিম ঐক্য সমস্যা।
তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেন যে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য সমস্যা জিইয়ে রেখে স্বরাজ আন্দোলনের গন্তব্যে পৌঁছানো অনেক কঠিন হবে।
আর তাই ১৯২৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পূর্বে তিনি নিজ প্রদেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন যা ’বেঙ্গল প্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
’বেঙ্গল প্যাক্ট’ এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়। যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩০.
কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্টীর কাজ নয়?
  1. জাতীয় কল্যাণে কাজ করা
  2. সরকারের সিদ্ধান্তে প্রভাবিত করা
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure Group), যারা সরাসরি রাজনৈতিক দল বা সরকার পরিচালনার অংশ না হয়েও নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এ ধরনের গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক, পেশাগত কিংবা আদর্শগত স্বার্থ নিয়ে কাজ করে।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :
- দলীয় সংগঠনবিহীন,
- দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা,
- নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া;
- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
- সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
- সমজাতীয় মনোভাব,
- বেসরকারি সংগঠন ।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩১.
নিচের কোনটি সুশীল সমাজের কাজ?
  1. সরকার থেকে সুবিধা ভোগ
  2. মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া
  3. জনমতে বিতর্ক সৃষ্টি করা
  4. সরকারের বিরোধিতা করা
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া
ব্যাখ্যা
• সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৩২.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ’বিকল্প নীতি’ উত্থাপন করে কে?
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্টী
  2. বিরোধী দল
  3. সরকারি কর্মকর্তা
  4. সরকারি দল
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

• বিকল্প নীতি উত্থাপনঃ
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা। 
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে। 
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৩.
কোন ব্যক্তি ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ জনগণের মাঝে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর জন্য তাঁর সমুদয় সম্পত্তি ওয়াকফ করে যান?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ব্যাখ্যা
• সমাজকল্যাণ ক্ষেত্রে হাজী মুহম্মদ মুহসীনের অবদান: 
শিক্ষাক্ষেত্রে:
- ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ জনগণের মাঝে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর জন্য তাঁর সমুদয় সম্পত্তি ওয়াকফ করে যান।
- ১৮০৬ সালের ২৬ এপ্রিল তাঁর বিশাল সম্পত্তি থেকে ১,৫৬,০০০ টাকা নিয়ে মুহসিন ট্রাষ্ট গঠন করেন। যার আয় থেকে এখনও হাজার হাজার শিক্ষার্থী আর্থিক সহায়তা লাভ করে থাকে। শিক্ষার প্রসারের জন্য নিজ এলাকায় হুগলী কলেজ ও হুগলী মাদ্রাসা স্থাপন করেন।
- ধর্ম শিক্ষার জন্য তিনি বহু মাদ্রাসা, মক্তব ও মসজিদ নির্মাণ ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করেন। অমুসলিম ছাত্রদের জন্য তিনি উদারভাবে দান করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র- এইচএসসি প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৪.
বাংলাদেশের প্রথম জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? 
  1. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  2. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  3. এমএজি ওসমানী
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

 সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- প্রত্যক্ষ বা সরাসরি ভোটে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তিনটি।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
- বাকি দুজন হলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- এই তিনজন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

⇒ ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- তবে এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। সেই নির্বাচনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) যুগান্তর।

১,০৩৫.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা পরিষদ
  3. গ) বিভাগীয় প্রশাসন
  4. ঘ) পৌরসভা
সঠিক উত্তর:
খ) জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটাবার জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
স্থানীয় সরকারের স্তরসমূহ:
- ইউনিয়ন পরিষদ
- উপজেলা প্রশাসন
- জেলা পরিষদ।
এছাড়া, শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও ১২টি শহরে সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি স্থানীয় পার্বত্য জেলা পরিষদ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর হলো জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ ১জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য ও পাঁচজন মহিলা সদস্যসহ মোট ২১জন সদস্য নিয়ে গঠিত।

স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন ও সবচেয়ে কার্যকরি ইউনিট হলো ইউনিয়ন পরিষদ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,০৩৬.
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি কে?
  1. শেখ রেহেনা
  2. ওবায়দুল কাদের
  3. শেখ হাসিনা
  4. সিমিন হোসেন রিমি
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’
- ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন।
- দলটি বর্তমানে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দলটির গোড়াপত্তন।
- ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে পরে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে নাম রাখা হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।
- পরবর্তীতে এটি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নাম ধারণ করে।  
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দলটির সভাপতি।
- ওবায়দুল কাদের দলটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক।
- শেখ রেহেনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহোদর বোন। 
- সিমিন হোসেন রিমি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের মেয়ে। 

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।  
১,০৩৭.
'সতীদাহ প্রথা' বিলুপ্তকরণে মুখ্য ভূমিকা রাখেন -
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. হাজী মুহাম্মদ মুহসীন
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
 • সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন।

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে।
- ১৮৩০ সালে মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন
- তিনি বেদান্ত কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৩৮.
কাগমারী সম্মেলনের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
  1. স্যার সলিমুল্লাহ
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

কাগমারী সম্মেলনের নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দিয়েছিলেন।

আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- তিনি মওলানা ভাসানী হিসেবে পরিচিত।
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।
- ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

⇒ ১৯৫৭ সালে ভাসানী টাঙ্গাইলের কাগমারিতে এক বিশাল আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্মেলন আহ্বান করেন।
- এ সম্মেলন 'কাগমারি সম্মেলন' নামে খ্যাত।
- ঐ সম্মেলনে তিনি সোহরাওয়ার্দীর বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন। এ মতবিরোধের কারণে দলে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐ বছর মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থি দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন। তিনি এ দলের সভাপতি হন এবং এর সেক্রেটারি জেনারেল হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী। এ সময় থেকে মওলানা প্রকাশ্যে বামপন্থি রাজনীতি অনুসরণ করতে থাকেন।

উৎস: i) আমার বাংলা বই, পঞ্চম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০৩৯.
সমাজসেবক হলেও সমাজ সংস্কারক নয় কে?
  1. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. বেগম রোকেয়া
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ব্যাখ্যা
হাজী মুহম্মদ মহসীন:
- সমাজসেবক হলেও সমাজ সংস্কারক নয়।
কারণ:
- তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর প্রভৃতি স্থানে মাদ্রাসার উন্নতি সাধনে প্রচুর অর্থ দান করেন।
- তিনি তাঁর সমুদয় অর্থ শিক্ষা বিস্তার চিকিৎসা এবং দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যয় করেন।
- ১৮০৬ সালে মৃত্যুর ছয় বছর পূর্বে তিনি ‘মহসীন ফান্ড’ নামক একটি ফান্ড গঠন করে তার সমস্ত সম্পত্তি জনহিতকর কাজে দান করেন।
কিন্তু সমাজ পরিবর্তন বা সংস্কারের জন্য তিনি তারঁ উল্লেখযোগ্য অবদান দেখা যায় না।

অন্যদিকে,
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ আই চালুকরণে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। 
- রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। 
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।

উল্লেখ্য,
- হাজী মুহম্মদ মহসীন ১৭৩২ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ছিল মুহম্মদ ফয়জুল্লাহ এবং মায়ের নাম ছিল জয়নাব খানম। তাদের আদি নিবাস ছিল পারস্যে।
- দানশীলতার জন্য ইতিহাসে তিনি ‘দানবীর বা বাংলার হাতেম তাই’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৪০.
রাজনৈতিক দলের নেতা নন-
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) বিরোধী দলীয় নেতা
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) চিফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং চীপ হুইফ রাজনৈতিক দলের নেতা কিন্তু রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক দলের নেতা নয়।
১,০৪১.
‘নাইওর’ কোন চিত্র শিল্পীর বিখ্যাত চিত্রকর্ম?
  1. এস.এম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. রফিকুন নবী
  4. হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
১,০৪২.
'সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. শেখ রেহানা
  3. সিমির হোসেন রিমি
  4. মোনায়েম সরকার
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
• শেখ হাসিনা:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- তিনি ২০০৯ সাল থেকে টানা বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত।
- তার আগে ১৯৯৬ সালে তিনি দেশের ১০ম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।

• মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
১. শেখ মুজিব আমার পিতা,
২. দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা,
৩. ওরা টোকাই কেন?
৪. বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম,
৫. আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম,
৬. আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি,
৭. সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র,
৮. সাদা কালো,
৯. সবুজ মাঠ পেরিয়ে,
১০. Miles to Go,
১১. The Quest for Vision - 2021,

উৎস:
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
- আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
 - প্রথম আলো।
১,০৪৩.
কোন দেশে আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়?
  1. ইতালিতে
  2. ইংল্যান্ডে
  3. জার্মানিতে
  4. গ্রিসে
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের উৎপত্তি ও বিকাশ:
- আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে
- রাণী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে হুইগ  ও টোরি  নামক দুইটি দলের সৃষ্টি হয়। 
- বর্তমানে দলব্যবস্থা হল গণতন্ত্রের প্রাণস্বরূপ। রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত: শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে।
- রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা "Stasiology” নামে পরিচিত।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৪.
'মনপুরা-৭০' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. এস.এম. সুলতান
  2. সফিউদ্দিন আহমেদ
  3. কামরুল হাসান
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৪৫.
রাজনৈতিক দল কীভাবে জনমত গঠন করে?
  1. বল প্রয়োগের মাধ্যমে
  2. বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে
  3. সামরিক শক্তির মাধ্যমে
  4. সরকারের আনুকুল্যে
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকা :

- সরকার গঠন:
- রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ হচ্ছে সরকার গঠন করা। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সেই দলই সরকার গঠন করে।

- জনমত গঠন: 
- দলীয় নীতি ও কর্মসূচির মাধ্যমে 'জনমত গঠন' করা রাজনৈতিক দলের অন্যতম প্রধান কাজ। 
- রাজনৈতিক দল বক্তৃতা-বিবৃতি ও প্রচারের মাধ্যমে জনমত সৃষ্টি এবং প্রচলিত জনমতকে প্রভাবিত করে।

এছাড়াও আরো রয়েছে,
- নেতৃত্ব তৈরি,
- জনমত গঠন,
- রাজনৈতিক শিক্ষাদান,
- গঠনমূলক বিরোধিতা,
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৪৬.
শান্তির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে ’জুলিও কুরী’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
  2. ১৯৭৩ সালের ২৩ জুন
  3. ১৯৭৩ সালের ২৫ জুন
  4. ১৯৭৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ২৩ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ২৩ মে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১,০৪৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূস কোন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
  1. Bangladesh Liberation Forum
  2. Bangladesh Citizens Committee
  3. Friends of Bangladesh
  4. Bangladesh Friends Committee
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Citizens Committee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Citizens Committee
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুহাম্মদ ইউনূস তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জোগাতে বাঙালিদের সংগঠিত করা, তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনসহ জাতিসংঘে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি একটি নাগরিক কমিটি (Bangladesh Citizens Committee) প্রতিষ্ঠা করেন এবং অন্য বাংলাদেশিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

⇒ অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’-এ তিনি এসব উল্লেখ করেছেন।

উৎস: i) Nelson Mandela Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,০৪৮.
'মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি (মুসলিম সাহিত্য সমাজ)'-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. সৈয়দ আমির আলি
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  4. মীর মুহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা

• নওয়াব আবদুল লতিফ:
- তিনি ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- আবদুল লতিফ কোলকাতা মাদ্রাসায় ইংরেজি শিক্ষা লাভ করেন।
- ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ও পরে কোলকাতা মাদ্রাসায় অধ্যাপনা করেন।
- ১৮৪৯ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে যোগদান করেন।
- ১৮৭৭ সালে কোলকাতা প্রেসিডেন্সির ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৮৪ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে কৃতিত্বের জন্য ‘খান বাহাদুর’ ও পরে ‘নওয়াব’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- ১৮৫৩ সালে ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক রচনার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদ্রাসায় অ্যাংলো–পার্সিয়ান বিভাগ চালু হয়।
- হিন্দু কলেজকে প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তরিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, ফলে মুসলমানরা সেখানে পড়ার সুযোগ পায়।
- তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব ১৮৬৩ সালে কোলকাতায় মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি (মুসলিম সাহিত্য সমাজ) প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বোর্ড বই, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৪৯.
মাস্টারদা সূর্য সেনের ফাঁসি কোথায় কার্যকর হয়েছিল?
  1. ব্যারাকপুর
  2. ঢাকা
  3. কলকাতা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৫০.
'ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ' (TIB) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে 
  2. ১৯৯৫ সালে 
  3. ১৯৯৬ সালে 
  4. ১৯৯৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে 
ব্যাখ্যা

→ TIB ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• 'Transparency International Bangladesh (TIB):
- এটি সুশীল সমাজের অংশ।
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রাথমিকভাবে এটি একটি ট্রাস্ট হিসেবে গঠিত হয় এবং পরে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে একটি নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা (NGO) হিসেবে নিবন্ধিত হয় ।
- টিআইবি একটি নির্দলীয়, অলাভজনক এবং স্বাধীন সংস্থা যা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত যেখানে সরকার, রাজনীতি, ব্যবসা, নাগরিক সমাজ এবং দৈনন্দিন জীবন থেকে দুর্নীতি নির্মূল করা হবে।
- টিআইবি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কল্পনা করে।
- এটি সচেতনতা বৃদ্ধি, সততা বৃদ্ধি এবং উন্নত সমাজের জন্য নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি অর্জনের চেষ্টা করে।
- টিআইবি নাগরিকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে, পদক্ষেপ নিতে এবং সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে সক্ষম করার জন্য গবেষণা তথ্য, অ্যাডভোকেসি রিসোর্স এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা ব্যবহার করে।


তথ্যসূত্র: TIB ওয়েবসাইট।

১,০৫১.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১৩টি
  4. ঘ) ১৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩টি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে বাংলাদেশে৷
- বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল হলেন ১৩ তম নির্বাচন কমিশনার ।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এই কমিশনের অধীনে।
- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
১,০৫২.
সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) চিফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিফ হুইপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিফ হুইপ
ব্যাখ্যা
চিপ হুইপ সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্পিকার যথাক্রমে জাতীয় সংসদের নেতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৫৩.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪তম
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। 
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

• বর্তমান নির্বাচন কমিশন:
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার: এ এম এম নাসির উদ্দিন
- নির্বাচন কমিশনার: আব্দুর রহমানেল মাছউদ
- নির্বাচন কমিশনার: বেগম তাহমিদা আহমদ
- নির্বাচন কমিশনার: মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
- নির্বাচন কমিশনার: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত)


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,০৫৪.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিচার বিভাগ
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
আইন ও সালিশ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও সালিশ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।

⇒ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
- বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকার কাঠামোর অংশ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৫.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন -
  1. ৪ ভাগে
  2. ৫ ভাগে
  3. ২ ভাগে
  4. ৩ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
• যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।
• Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা-
- Institutional Interest Groups,
- The Associational Interest Groups,
- Anomic Interest Groups and
- Non-Associational Interest Groups.

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৬.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে?
  1. সাংস্কৃতিক
  2. রাজনৈতিক
  3. সামাজিক
  4. অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৭.
রাষ্ট্র একটি -
  1. ক) পারিবারিক প্রতিষ্ঠান
  2. খ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান
  3. গ) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। 

- পৃথিবীর সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেছেন, ‘কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনই রাষ্ট্র’।
- অধ্যাপক গার্নারের সংঙ্গায় রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত, স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।

রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদান গুলি হল নিম্নরূপ:- 
১) জনসমষ্টি: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো জনসমষ্টি। কারণ জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের কোন অস্তিত্ব থাকে না। তবে জনসমষ্টি কত হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। চীন ও ভারতের মতো বহু জনসমষ্টি ব্রিটিশ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যেমন লক্ষ্য করা যায় তেমনি ভাটিকান সিটির মতো অল্প সংখ্যা বিশিষ্ট রাষ্ট্রেরও উল্লেখ পাওয়া যায়। 

২) নির্দিষ্ট ভূখন্ড:  রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখন্ড। ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা আবদ্ধ একটি অঞ্চল কে নির্দিষ্ট ভূখন্ড বলা হয়। নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছাড়া একটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ইহুদিদের যতদিন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছিলনা, ততদিন পর্যন্ত তারা নিজেদের রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। ভূখন্ড বলতে জল, স্থল ও আকাশ তিনটি সীমাকেই একত্রে বোঝায়।

৩) সরকার: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো সরকার। সরকার হল রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক। কারণ সরকার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনা। আবার মানব শরীরকে যেমন মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। সরকার বলতে বোঝায় শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে। সরকারের বিভিন্ন রূপ হতে পারে। যথা-

ক) গণতান্ত্রিক সরকার, 

খ) প্রজাতান্ত্রিক সরকার, 

গ)সমাজতান্ত্রিক সরকার।

৪) সার্বভৌমিকতা: সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ। সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়। এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন। যাকে আমরা অমান্য করতে পারবোনা। সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।

সূত্র- রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,০৫৮.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি:

- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন।
- বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা দলটির অন্যতম মূলনীতি।
- বিএনপির প্রথম সরকার গঠন করে ১৯৭৯ সালে।

উৎস : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি

১,০৫৯.
মাস্টারদা সূর্যসেন কত সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করেন?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯৩০ সালে
  4. ১৯৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।

মাস্টারদা সূর্য সেন:

- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,০৬০.
'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ২৩ জুন, ১৯৪৭
  2. ২৩ জুন, ১৯৪৮
  3. ২৩ জুন, ১৯৪৯
  4. ২৩ জুন, ১৯৫০
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্যতম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে আওয়ামী লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর প্রস্তাব অনুযায়ী সেই দলের নামকরণ করা হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ'।
- ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরের তৃতীয় কাউন্সিল সভায় ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়।
- ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, যুবক ও মহিলাদের মধ্যে এই দলের অঙ্গ-সংগঠন রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠাকালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- এছাড়াও, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহসভাপতি,  শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি) যুগ্ম-সম্পাদক, খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়।

⇒ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগই ছিল প্রথম বিরোধী দল। 
- পাকিস্তানি শাসনের সূচনালগ্ন থেকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাভাষাকে স্বীকৃতি, এক মানুষ এক ভোট, গণতন্ত্র, শাসনতন্ত্র প্রণয়ন, সংসদীয় সরকার পদ্ধতি, আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন এবং দুই প্রদেশের মধ্যে বৈষম্য দূরীকরণ ইত্যাদি ছিল আওয়ামী লীগের প্রধান দাবি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৬১.
সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২০১২ সালে
  2. খ) ২০১৪ সালে
  3. গ) ২০১৯ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় ১৯৮২ সালে।
১৯৮৫ সালে প্রথম এবং ২০১৯ সালে সর্বশেষ ও ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:
- প্রথম : ১৯৮৫ সালে
- দ্বিতীয় : ১৯৯০ সালে
- তৃতীয় : ২০০৯ সালে
- চতুর্থ : ২০১৪ সালে
- পঞ্চম : ২০১৯ সালে।
(সূত্রঃ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো)
১,০৬২.
নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় -
  1. ধর্মীয় সংগঠন
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. সংসদীয় দল
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
- রাজনৈতিক দল কিছু সংখ্যক মানুষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- রাজনৈতিক দলের সদস্যগণ কম-বেশি একইরূপ আদর্শ ও নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে একত্রিত হয়।
- রাজনৈতিক দল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে।
- জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখে রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন ও প্রচার, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন এবং জয়লাভের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকে।
- রাজনৈতিক দল দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করতে চায়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৩.
কার উদ্যোগে ইংরেজ সরকার নীল কমিশন (Indigo Commission) গঠন করে?
  1. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. মীর নাসির আলী তিতুমীর
  4. সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা

নওয়াব আবদুল লতিফ:
- নওয়াব আবদুল লতিফ উনিশ শতকের বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসেবক। 
- ফরিদপুর জেলার রাজাপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি ১৮২৮ সনে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন ১৮৪৯ সালে। 
- তিনিই প্রথম সরকারি আমলা যিনি নীলকরদের অত্যাচারের হাত থেকে নীল চাষীদের রক্ষায় এগিয়ে আসেন।
- নওয়াব আবদুল লতিফের উদ্যোগে নীলকরদের অত্যাচার বন্ধ করার লক্ষ্যে ১৮৬০ সালে ইংরেজ সরকার নীল কমিশন (Indigo Commission) গঠন করে।
- ভুপালের নবাবের দরবারেও কিছুকাল প্রধানমন্ত্রীর পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- নওয়াব আবদুল লতিফ মুসলমানদের শিক্ষিত করতে ১৮৬৭ সালে মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি স্থাপন করেন।
- বাংলার মুসলিম সমাজে একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তার অবদান গুরুত্বপূণ।
- নওয়াব আবদুল লতিফের জীবনাবসান হয় ১৮৯৩ সালের ১০ জুলাই।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৪.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কতটি ভাগে ভাগ করেছেন?
  1. ৩ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৭ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
• যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং 
- স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।

• Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা-
- The Associational Interest Groups,
- Institutional Interest Groups,
- Anomic Interest Groups and
- Non-Associational Interest Groups.

তথ্যসূত্র: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৫.
সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যানকে শপথ পড়ান-
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান বা সদস্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ইত্যাদি সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,০৬৬.
আদর্শ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় অপরিহার্য উপাদান হিসেবে স্বীকৃত কোনটি?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. সুশীল সমাজ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দল
- গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দল একে অপরের পরিপূরক।
- গণতন্ত্র ছাড়া যেমন রাজনৈতিক দল টিকতে পারে না তেমনি রাজনৈতিক দল না থাকলে গণতন্ত্রও সম্ভব নয়।
- গণতন্ত্র মানে হল রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সকলের অংশগ্রহণ যা কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যদিয়েই সম্ভব।
- রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর সাহায্যে এক ধরনের প্রতিনিধিত্ব সৃষ্টি করে যা বতর্মান প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।
- গণতন্ত্র মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা দিয়ে থাকে।
- ফলে রাজনৈতিক দলগুলো বিকশিত হতে পারে। 

⇒ আদর্শ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অপরিহার্য উপাদান হিসেবে স্বীকৃত।
- দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের উপর যে কোন সরকার ব্যবস্থার সাফল্য নির্ভর করে।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের সাথে কার্যকরী নেতৃত্ব আবশ্যকীয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৭.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা কোনটি?
  1. ক) শিবগঞ্জ
  2. খ) তেঁতুলিয়া
  3. গ) থানচি
  4. ঘ) টেকনাফ
সঠিক উত্তর:
খ) তেঁতুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তেঁতুলিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের - উপজেলা তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
সর্ব পশ্চিমের - উপজেলা শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
সর্ব পূর্বের - উপজেলা থানচি, বান্দরবান এবং
সর্ব দক্ষিণের - উপজেলা টেকনাফ, কক্সবাজার।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১,০৬৮.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ কোন ক্ষেত্রে 'না ভোট' চালু হয়েছে?
  1. জোটগত নির্বাচনে
  2. একক প্রার্থীর আসনে
  3. একাধিক প্রার্থী থাকলে
  4. অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থায়
সঠিক উত্তর:
একক প্রার্থীর আসনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একক প্রার্থীর আসনে
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- এর আগে গত ২৩ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ সংশোধনের গেজেট প্রকাশের পর এবারের জাতীয় নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান।
- সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু হওয়া থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করার মতো নানা বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী মূল পরিবর্তনগুলো হল-আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ড) যুক্ত হয়েছে।
- একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ ফিরছে। সমান ভোট পেলে লটারির বদলে হবে পুনঃভোট।
- জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক।
- এছাড়াও নির্বাচনী জামানত ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হযেছে।
- আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে।
- আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে।
- অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে।
- হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে-এমন বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১,০৬৯.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. বাজেটের অনুমোদন দেয়া
  2. প্রার্থী মনোনয়ন
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
বাজেটের অনুমোদন দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেটের অনুমোদন দেয়া
ব্যাখ্যা
• বাজেটের অনুমোদন দেয়া বিরোধী দলের কাজ নয়।

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭০.
বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  2. খ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
  3. গ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  4. ঘ) জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে। এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ১৪টি। এতে আওয়ামীলীগ সবকটি আসনে (৩০০) প্রার্থী মনোনীত করে এবং ২৯৩টি আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,০৭১.
বাংলাদেশে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পরিচালিত প্রথম নির্বাচন কোনটি?
  1. চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: 
- ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- এটি ছিল প্রথম নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পরিচালিত নির্বাচন। 
- দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রচারণা চালায় এবং দেশের জনগণ বিপুল উৎসাহের সঙ্গে ভোট প্রদান করে।
- সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের অংশ হিসেবে তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি নিরপেক্ষ সরকার গঠিত হয়, যা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করে।
- সাড়ে ছয় কোটি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬০-৭০% ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাদের নিজ নিজ কর্মসূচি এবং লক্ষ্য জনগণের সামনে তুলে ধরে।আওয়ামী লীগ ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনর্বহালের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- বিএনপি উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করে এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালায়।

নির্বাচনী ফলাফল:
- বিএনপি: ১৪০টি আসন
- আওয়ামী লীগ: ৮৪টি আসন
- জাতীয় পার্টি: ৩৫টি আসন
- জামায়াতে ইসলামী: ১৮টি আসন

- কোনও দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলেও, জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ তৎকালীন সময়েই অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং কারচুপির অভিযোগ তোলে।
- ড. কামাল হোসেন এক চিঠিতে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও দুর্বল প্রচারণাকে পরাজয়ের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
- নির্বাচনের পর একটি সংসদীয় সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এই নির্বাচন থেকে স্পষ্ট হয় যে বাংলাদেশে রাজনীতি মূলত দুটি প্রধান শক্তির মধ্যে ভাগ হয়ে যাবে, যা পরবর্তী সময়েও লক্ষ করা গেছে।
- ১৯৯১ সালের নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি মাইলফলক হলেও, এটির ফলাফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৬ নভেম্বর ২০২৩)।
১,০৭২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সুশীল সমাজের উদাহরণ নয়?
  1. ক) Center for Policy Dialogue
  2. খ) সুশাসনের জন্য নাগরিক
  3. গ) দুদক
  4. ঘ) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) দুদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুদক
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে প্রতিনিধিত্বশীল সুশীল সমাজের সংগঠনগুলাের মধ্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), Centre for Policy Dialogue (CPD), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বেলা, পবা অন্যতম।
১,০৭৩.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কখন?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১০ মে
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৭৪.
নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে কোন দলের পতন ঘটে?
  1. জাতীয় পার্টি
  2. আওয়ামী লীগ
  3. বিএনপি
  4. জাসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পার্টি
ব্যাখ্যা
• নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে- জাতীয় পার্টি।
• নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান সূচনা হয় ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ যখন তৎকালীন সেনাপ্রধান লেঃ জেঃ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন ।

----------------------------------
• জাতীয় পার্টি:
- জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল।
- গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১ জানুয়ারি ১৯৮৬ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জাতীয় পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব, ইসলামি আদর্শ ও সকল ধর্মের স্বাধীনতা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র এবং সামাজিক প্রগতি তথা অর্থনৈতিক মুক্তি দলের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় পার্টি ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।
১,০৭৫.
রাজনৈতিক দলের ভূমিকার অন্তর্ভুক্ত নয়- 
  1. সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা
  2. জনমত গঠন
  3. রাজনৈতিক শিক্ষাদান
  4. মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকার অন্তর্ভুক্ত নয়- মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা।

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকা :
- সরকার গঠন
- নেতৃত্ব তৈরি,
- জনমত গঠন,
- রাজনৈতিক শিক্ষাদান,
- গঠনমূলক বিরোধিতা,
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,০৭৬.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় -
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।
- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, মো. মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১,০৭৭.
সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে জোর প্রচারণা চালিয়েছিলেন কোন সংস্কারক?
  1. রাজা রামমোহন রায় 
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. নওয়াব আদুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায় 
ব্যাখ্যা

• সতীদাহ প্রথা: 
- সতীদাহ প্রথা ভারত উপমহাদেশে নিষিদ্ধ করেছিলেন ব্রিটিশ শাসক লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক। 
- রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 
- ১৮২৯ সালে তিনি "রেগুলেশন XVII" আইন পাস করেন, এর মাধ্যমে হিন্দু বিধবা নারীদের জীবন্ত দাহ করা বা সতীদাহ প্রথা বেআইনি ঘোষণা করা হয়।
- এই আইনে ‘সতীদাহ প্রথা বা হিন্দু বিধবা নারীকে জীবন্ত দাহ বা সমাধিস্থ করা বেআইনি’ বলে ঘোষণা করা হয়। 
- লর্ড বেন্টিঙ্ক ছিলেন একজন মানবহিতৈষী সংস্কারপন্থী, এবং তার প্রচেষ্টার ফলে সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,০৭৮.
কোন দেশের সিভিল সার্ভিস Home Civil Service নামে পরিচিত?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) শ্রীলংকা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিস Home Civil Service নামে পরিচিত।
তবে এটির প্রকৃত নাম Her Majesty 's Home Civil Service বা Her Majesty 's Civil Service.
যুক্তরাজ্যের সিভিল সার্ভিস পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন সিভিল সার্ভিস।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার শীট)
১,০৭৯.
বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার কে?
  1. বেগম কবিতা খানম
  2. জেসমিন টুলী
  3. বেগম রাশেদা সুলতানা
  4. বেগম তাহমিদা আহমদ
সঠিক উত্তর:
বেগম কবিতা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম কবিতা খানম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম।
- ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে সাবেক সচিব কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের সদস্য তিনি।
- বেগম কবিতা খানম ১৯৫৭ সালে নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০১৩ সালে তিনি রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- বেগম রাশেদা সুলতানা বাংলাদেশের একজন নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক বিচারক ছিলেন। তিনি ২০২২ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেগম তাহমিদা আহমদ নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ২৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে শপথ গ্রহণপূর্বক নির্বাচন কমিশনারের কার্যভার গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,০৮০.
"দি স্পিরিট অব ইসলাম" গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত।
- ইসলামী ও পাশ্চাত্য জ্ঞানের অধিকারী আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক।
- তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেন।

এসব গ্রন্থের মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে:
(১) দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং, 
(২) এ সর্ট হিস্টরি অব দি স্যারাসিন।
- এ গ্রন্থ দুটি পণ্ডিত হিসেবে আমীর আলীকে অমরত্ব দান করেছে।

- আমীর আলী তাঁর লেখায় ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দান করেছেন।
- মুসলমানদের গৌরবময় অতীতের প্রতি বারংবার অঙ্গুলি নির্দেশ করে মুসলিম সমাজকে আত্মসচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
- তাঁর এ চেষ্টায় হতাশাগ্রস্ত মুসলিম সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮১.
'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. সৈয়দ আমির আলী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
আলীগড় আন্দোলন:
- ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- এ কলেজ প্রতিষ্ঠার পর আলীগড় ভারতীয় মুসলমানদের ধর্মীয়, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে।
- পরবর্তীকালে আলীগড় কলেজ ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক জীবনকেও প্রভাবিত করেছিল।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮২.
নাগরিক সংগঠন 'সুজন' কত সালে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
• সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে: ১২ নভেম্বর, ২০০২ সালে।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।

উৎস: 'সুজন' অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,০৮৩.
Who is the founder of the 'Mohammedan Literary Society'?
  1. Raja Rammohan Roy
  2. Nawab Abdul Latif
  3. Syed Ameer Ali
  4. Syed Ahmed khan
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Latif
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Latif
ব্যাখ্যা
• মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি:
- মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন নওয়াব আবদুল লতিফ
- তিনি ১৮৬৩ সালে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' বা ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' নামে একটি সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আধুনিক শিক্ষা সম্পর্কে মুসলমানদের মধ্যে জনমত তৈরি এবং তাদেরকে পরিবর্তিত অবস্থা সম্পর্কে সচেতন করাই ছিল এ সমিতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ' রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ছিল না।
- তবে এর মাধ্যমে মুসলমানদের ন্যায়সংগত দাবি ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সরকারের কাছে তুলে ধরে তা পূরণের চেষ্টা করা হতো।
- ফলে মুসলিম সমাজে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী গড়ে ওঠে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৪.
বিধবা বিবাহের জন্য সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. আবদুল লতিফ
  4. হাজী মুহাম্মদ মুহসিন
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
⇒ বিধবা বিবাহের জন্য সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

হিন্দু বিধবা বিবাহ:
- হিন্দু বিধবাদের পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বিধবা বিবাহ বলে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য সমাজসংস্কার আন্দোলন সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল পান ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি 'দ্য হিন্দু উইডো'স রিম্যারেজ অ্যাক্ট ১৮৫৬' নামে আইন প্রণয়ন করে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ করেন।
- এ আইন করার লক্ষ্য ছিল কিছু হিন্দু বিধবা শিশু, যারা স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগেই বিধবা হয়ে যেত; এ আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু বিধবা বিবাহের সব বাধা দূরীভূত হয়।
- সে বছরই ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৮৫.
ভারতবর্ষকে 'বিধর্মীর দেশ' বলে ঘোষণা করেন কে?
  1. তিতুমীর
  2. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. বিশ্বনাথ সর্দার
  4. ডিরোজিও
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন: 
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ। 
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার, অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।
- 'ফরায়েজি' শব্দটি আরবি 'ফরজ' (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যারা ফরজ পালন করেন তাঁরাই ফরায়েজি।
- আর বাংলায় যাঁরা হাজী শরীয়তউল্লাহর অনুসারী ছিলেন, ইতিহাসে শুধু তাদেরকেই ফরায়েজি বলা হয়ে থাকে।
-  ইসলাম অননুমোদিত সব বিশ্বাস, আচার-আচরণ ও অনুষ্ঠান ত্যাগ করে ইসলাম ধর্মে যা অবশ্যকরণীয়, তা পালন করার জন্য তিনি মুসলমান সমাজকে আহ্বান জানান।
- তিনি বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে পারেননি।
- তিনি ইংরেজ রাজত্বকে সমালোচনার চোখে দেখতেন।
- তিনি ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' অর্থাৎ 'বিধর্মীর দেশ' বলে ঘোষণা করেন।
- তিনি বিধর্মী-বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য তাঁর অনুসারী মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,০৮৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মোট কত বছর জেল খাটেন?
  1. ক) ৮ বছর
  2. খ) ৯ বছর
  3. গ) ১০ বছর
  4. ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২ বছর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ৫৫ বছরের জীবনে প্রায় ১২ বছর জেলে কাটান। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের মধ্যে ১২ বছরই তিনি জেলে বন্দি ছিলেন। প্রথম ১৯৩৮ সালে তিনি গ্রেফতার হন। সর্বশেষ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার হয়ে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি ছাড়া পান। (সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচার)
১,০৮৭.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৬টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


⇒ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরও ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ২০০৯ সালে তৃতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছর ৪৭৫টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ২০১৪ সালে চতুর্থবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ছয় ধাপে এ নির্বাচন হবে। চার ধাপের তফসিল ঘোষিত হয়েছে।
- ২০১৯ সালে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট হয় পাঁচ ধাপে। সেবার পাঁচ ধাপ মিলিয়ে গড়ে ভোট পড়ে ৪১ শতাংশের বেশি।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১,০৮৮.
অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন-
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবীকে অ্যাটর্নি জেনারেল বলা হয়।
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের কথা উল্লেখ আছে।
- ৬৪(১) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

১,০৮৯.
ইংরেজ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যার জন্য কে বোমা নিক্ষেপ করে?
  1. ক্ষুদিরাম বসু
  2. তিতুমীর
  3. সূর্য সেন
  4. বাঘা যতীন
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদিরাম বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদিরাম বসু
ব্যাখ্যা
ক্ষুদিরাম বসু:
- ক্ষুদিরাম বসু বিপ্লবী ও শহীদ।
- মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুর গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম। 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলন ক্ষুদিরামের মতো স্কুলের ছাত্রদেরও প্রভাবিত করে এবং পরিণামে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে সত্যেন বসুর নেতৃত্বে এক গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন।
- আরও কয়েকজনের সঙ্গে সেখানে তিনি শরীরচর্চার সাথে সাথে নৈতিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা পেতে শুরু করেন।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে উৎপাদিত কাপড় পোড়ানো ও ইংল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত লবণে বোঝাই নৌকা ডোবানোর কাজে ক্ষুদিরাম অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯০৬ সালের মার্চে মেদিনীপুরের এক কৃষি ও শিল্পমেলায় রাজদ্রোহমূলক ইস্তেহার বণ্টনকালে ক্ষুদিরাম প্রথম পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- ১৯০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নারায়ণগড় রেল স্টেশনের কাছে বঙ্গের ছোটলাটের বিশেষ রেলগাড়িতে বোমা আক্রমণের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলনের কর্মীদের প্রয়োজনভিত্তিক কঠোর সাজা ও দমননীতির কারণে কলকাতার প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড বাঙালিদের অত্যন্ত ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
- ১৯০৮ সালে তাঁকে হত্যার দায়িত্ব পড়ে প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরামের উপর।
- কিন্তু কিংসফোর্ডের গাড়ির মতো অন্য একটি গাড়িতে ভুলবশত বোমা মারলে গাড়ির ভেতরে একজন ইংরেজ মহিলা ও তাঁর মেয়ে মারা যান।
- এ ঘটনার পর ক্ষুদিরাম বোমা নিক্ষেপের সমস্ত দায়িত্ব নিজের উপর নিয়ে নেন।
- তাঁকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। 
- মুজফ্ফরপুর কারাগারে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ফাঁসিতে তাঁর মৃত্যৃ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৯০.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো কতটি?
  1. ক) ১৬২টি
  2. খ) ১৬৭টি
  3. গ) ১৬৯টি
  4. ঘ) ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৯টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি।
- এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ৭টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন পেয়ে জয় লাভ করেছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,০৯১.
স্বাধীনতার পর কবে ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশ ত্যাগ করে?
  1. ক) ৯ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. খ) ৫ আগস্ট, ১৯৭২
  3. গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৭ মে, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বিজয় লাভের স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাবর্তন আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসাবে বিবেচিত হয়। 
- সাধারণত দেখা যায় যে, কোন দেশের মুক্তি সংগ্রামে সাহায্যকারী বিদেশি সৈন্য স্বাধীনতার পরেও বছরের পর বছর থেকে যায়। এর ফলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। - আওয়ামী লীগ সরকার এ বিপদ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। 
- ভারত সরকারের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ সকল সৈন্য প্রত্যাহার শেষ হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 
১,০৯২.
কোন জেলায় কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. টাঙ্গাইল
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

◉ কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী নামক স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আয়োজিত একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলন।

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,০৯৩.
ফরায়েজি আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিলো কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• হাজী শরিয়ত উল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০ খ্রি.): 
- বর্তমান শরিয়তপুর জেলার শ্যামাইল গ্রামে ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে শরিয়তউল্লাহর জন্ম হয়।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ হজ্জ করতে মক্কা গমন করেন- ১৭৯৯ সালে
- ১৮১৮ সালে দেশে ফিরে তিনি ফরায়েজি আন্দোলন নামে ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের সূচনা করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল- ফরিদপুর।
- হাজী শরীয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন- তার একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ পরিচালিত ফরায়েজি আন্দোলন ছিল- ধর্ম সংস্কার আন্দোলন।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৪.
জনগণ ও সরকারের মাঝে যোগসূত্রকারী হিসেবে কাজ করে-
  1. আমলাতন্ত্র
  2. রাজনৈতিক দল
  3. পুলিশ বাহিনী
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল সরকার এবং জনগণের মাঝে যোগসূত্রকারী বা সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে জনগণ সরকারের কর্মকাণ্ড অংশগ্রহণ বা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারে।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : মো. মোজাম্মেল হক)
১,০৯৫.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. দলীয় আদর্শ প্রচার করা
  2. রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
  3. সরকারকে চাপ প্রয়োগ
  4. নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

এছাড়াও,
- রাজনৈতিক কিছু কার্যাবলী:
- জনমত গঠন,
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- প্রতিশ্রুতি রক্ষা,
- সমন্বয় সাধন,
- সরকার ও জনগণের মধ্যে সংযোগ সাধন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৬.
'ছায়া মন্ত্রিসভা' গঠন করে -
  1. ক্ষমতাসীন দল
  2. সংরক্ষিত নারী সাংসদবৃন্দ
  3. বিরোধী দল
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,০৯৭.
কোন দু'টি সংসদ নির্বাচন মাত্র দু'বছরের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ম ও ২য়
  2. খ) ২য় ও ৩য়
  3. গ) ৩য় ও ৪র্থ
  4. ঘ) ৭ম ও ৮ম
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় ও ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় ও ৪র্থ
ব্যাখ্যা
- ৩য় ও ৪র্থ সংসদ নির্বাচন মাত্র দু'বছরের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 
- ৩য় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালের ৭ মে । 
- ৪র্থ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ। 
- স্বৈরশাসক এরশাদ যেকোন উপায়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিল। 
- তাই দু বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আবার জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করে।
-  কিন্তু ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশ গ্রহণ ১৯৮৬ সালের নির্বাচন থেকে কম ছিল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৯৮.
কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচন দিতে হবে-
  1. ক) ৩০ দিনের মধ্যে
  2. খ) ৬০ দিনের মধ্যে
  3. গ) ৯০ দিনের মধ্যে
  4. ঘ) ৪৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কোনো কারনে ভেঙ্গে গেলে বা মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১,০৯৯.
যে জনসমষ্টি সরকার গঠনে প্রয়াসী তাদেরকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) সুশীল সমাজ
  2. খ) সরকারি দল
  3. গ) স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী
  4. ঘ) রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
▪ রাজনৈতিক দল জনসমষ্টি, ঐক্যবদ্ধনীতি এবং জাতীয় স্বার্থ অর্জনের জন্য সংঘবদ্ধ।
▪ রাজনৈতিক দল মূলত একটি সংগঠন।
▪ রাজনৈতিক সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে রাজনৈতিক দল ক্ষমতা দখল করতে প্রয়াসী হয়। এছাড়া, পরাধীন দেশের রাজনৈতিক দল জনগণকে স্বাধীনতার প্রেরণা দান করে এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০০.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. আবুল কালাম আজাদ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।