বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বুদ্ধদেববসু ও অন্যান্য পঞ্চপাণ্ডব কবি

মোট প্রশ্ন২৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বুদ্ধদেববসু ও অন্যান্য পঞ্চপাণ্ডব কবি

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ২৩৯

.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. কঙ্কাবতী
  2. পরিক্রমা
  3. কালো হাওয়া
  4. তিথিডোর
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালে ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের,
- একদিন চিরদিন।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
'সাহিত্যের ভবিষ্যৎ' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. বিষ্ণু দে
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• 'সাহিত্যের ভবিষ্যৎ' গ্রন্থটি  বিষ্ণু দে রচনা করেছেন।
বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিস্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'হাওয়া বদল' গল্পটি কার লেখা?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু
- বুদ্ধদেব বসু একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- রবীন্দ্রনাথের মত তিনিও সব্যাসাচী লেখক।

- "প্রগতি" ও "কবিতা" নামে তিনি দুটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- বুদ্ধদেব বসুর রচিত "হঠাৎ আলোর ঝলকানি” একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।

- বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প -
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

- উপন্যাস -
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. উত্তর ফাল্গুনী
  2. উত্তর বসন্ত
  3. উত্তরের খেপ
  4. উত্তম পুরুষ
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ - উত্তর ফাল্গুনী
- এটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তর ফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

অন্যদিকে,
• আবদুল কাদির রচিত কাব্যগ্রন্থ - উত্তর বসন্ত।
• শওকত আলী রচিত উপন্যাস - উত্তরের খেপ।
• রশীদ করিম রচিত উপন্যাস - উত্তম পুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
  1. বিষ্ণু দে
  2. স্বর্ণকুমারী দেবী
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন অমিয় চক্রবর্তী।
- 'বাংলাদেশ' কবিতাটি আমিয় চক্রবর্তী রচিত 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তীর ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
"যবনিকা পতন” উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ইব্রাহীম খাঁ
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. আবু জাফর শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
"যবনিকা পতন” উপন্যাস: 
- বুদ্ধদেব বসুর একটি অন্যতম উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৩১ খ্রীষ্টাব্দে লেখা শুরু হয়।
- ১৯৩২ খ্রীষ্টাব্দে নভেম্বর মাস থেকে উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে "ভারতবর্ষ” পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
"যবনিকা পতন" উপন্যাসটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত। প্রতিটি খণ্ডের আলাদা নামকরণ আছে।
- প্রথম খণ্ড দুই বন্ধু
- দ্বিতীয় খণ্ডঃ অঞ্জলী বসুর প্রেমোপাখ্যান।
- তৃতীয় খণ্ডঃ অতি-পুরাতন বিরহ-মিলন কথা।
------------------- 
বুদ্ধদেব বসু:
- একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প:
- ‘অভিনয়, অভিনয় নয়',
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, নর্থ বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি প্রকাশনা।
.
'মায়া মালঞ্চ' বুদ্ধদেব বসু রচিত- 
  1. উপন্যাস 
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক‌
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• মায়া মালঞ্চ বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক।
• বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন?
  1. তন্বী
  2. অর্কেষ্ট্রা
  3. ক্রন্দসী
  4. কুলায় ও কালপুরুষ
ব্যাখ্যা

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন। 
• এ কাব্যগ্রন্থের উৎসর্গ পত্রে লিখা ছিলো - 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রীচরনে অর্ঘ্য। ঋণশোধের জন্য নয়, ঋণস্বীকারের জন্য।" 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  ‘আকাশ-প্রদীপ’ কাব্যগ্রন্থটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তকে উৎসর্গ করেন। 
 
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
-  ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 
» তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তর ফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।
 
তাঁর দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।
 
তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।
 
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপের প্রবর্তক কে?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তর ফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

তাঁর দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস?
  1. হাওয়া বদল
  2. কালো বরফ
  3. হাওয়ার গান
  4. কালো হাওয়া
ব্যাখ্যা
• ‘কালো হাওয়া’ বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে।

অন্যদিকে,
- মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস হচ্ছে 'কালো বরফ'।

---------------------------
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প গ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• হাওয়ার গান বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কবিতা।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্য, অষ্টম শ্রেণি।
১১.
'তিথিডোর' উপন্যাসটির লেখক কে?
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• 'তিথিডোর' উপন্যাস: 
- বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস- তিথিডোর।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৯। 
- উপন্যাসটি প্রথম শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান এই তিনখন্ডে বিভক্ত। 
- বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর নারীর জীবন যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত। 
- প্রধান চরিত্র: স্বাতী, রাজেনবাবু, সত্যেন।
- কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা। 

• বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালে ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

» তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের,
- একদিন চিরদিন।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া ও তিথিডোর উপন্যাস।

১২.
’শেষ পাণ্ডুলিপি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• ’শেষ পাণ্ডুলিপি’ উপন্যাসের রচয়িতা- বুদ্ধদেব বসু।
-------------------------------
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা,
- ’শেষ পাণ্ডুলিপি’ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• তাঁর রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৩.
'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. সিকান্দার আবু জাফর
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত' 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
- 'কল্লোল', 'কালিকলম', 'পরিচয়'- এর নাম একসঙ্গে উচ্চারণের দাবি রাখে।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:

- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
পঞ্চকবিদের কে কলকাতার পটলডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে 'পরিচয়' পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে 'সাহিত্যপত্র'।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিস্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

অন্যদিকে,
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক। ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- জীবনানন্দ দাশ কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
‘পঞ্চপাণ্ডব’ কবিদের অন্তর্ভুক্ত নন কে?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. বিষ্ণু দে
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা

‘পঞ্চপাণ্ডব’ কবিদের অন্তর্ভুক্ত নন-  সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

• পঞ্চপাণ্ডব:

- তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন।
- তাদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হত।
- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন।
- পঞ্চপাণ্ডবের অন্তর্ভুক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।

• আধুনিকতাবাদী পঞ্চপাণ্ডব লেখক হচ্ছেন-
- জীবনানন্দ দাশ,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- বুদ্ধদেব বসু,
- বিষ্ণু দে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'সাহিত্যপত্র' পত্রিকা প্রকাশের কৃতিত্ব কার?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।

- ১৯২৩ সালে 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশের ফলে যে নতুন সাহিত্য উদ্যম ও ব্যতিক্রমী শিল্প চেতনার সৃষ্টি হয়, বিষ্ণু দে ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা। কিন্তু ১৯৩০ সালে কল্লোল পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেলে তিনি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের 'পরিচয়' (১৯৩১) পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৪৭ পর্যন্ত এর সম্পাদক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

- ১৯৪৮ সালে তিনি চঞ্চলকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় 'সাহিত্যপত্র' প্রকাশ করেন। তিনি নিজেও নিরুক্ত নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। বিষ্ণু দে কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে তাঁর সাহিত্য জীবন শুরু করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন-
  1. মুনির চৌধুরী
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• 'পরিচয়' পত্রিকা:
-  সুধীন্দ্রনাথ দত্তের সম্পাদনায় ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক হিসেবে পরিচয় পত্রিকা কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে। 
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতার আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।  
- 'কল্লোল' পত্রিকা বন্ধ হওয়ার পর বিষ্ণু দে-ও এ পত্রিকায় যোগ দেন।  

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত: 
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:  
- তন্বী, 
- অর্কেস্ট্রা, 
- ক্রন্দসী, 
- উত্তরফাল্গুনী, 
- সংবর্ত, 
- দশমী।  

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গদ্যগ্রন্থ: 
- স্বগত, 
- কুলায় ও কালপুরুষ। 

• তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
বুদ্ধদেব বসু কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. কুমিল্লা
  2. বিক্রমপুর
  3. ফরিদপুর
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক। রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
অভিনয়, অভিনয় নয়, রেখাচিত্র, হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• উপন্যাস:
তিথিডোর, সাড়া, সানন্দা, লালমেঘ, পরিক্রমা, কালো হাওয়া, নির্জন স্বাক্ষর, নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• কাব্যগ্রন্থ:
কঙ্কাবতী, দময়ন্তী, মর্মবাণী, যে আঁধার আলোর অধিক।

• নাটক:
মায়া মালঞ্চ,  তপস্বী ও তরঙ্গিনী, কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
‘সাড়া’ বুদ্ধদেব বসু রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. নাটক
  2. কাব্য
  3. উপন্যাস
  4. কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘সাড়া’ উপন্যাস:
- ‘সাড়া’ বুদ্ধদেব বসু রচিত প্রথম উপন্যাস।
- ‘সাড়া’ আংশিকরূপে প্রগতি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ‘প্রগতি’ পত্রিকা পিছিয়ে পড়ায় পুরোটা প্রকাশ সম্ভব হয়নি।
- পরবর্তীতে ১৯৩০ সালে উপন্যাসটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- তখনকার সময়ে উপন্যাসটির প্রথম সংস্করণের ‍মূল্য ছিল দুই টাকা।
---------------------------
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প গ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• হাওয়ার গান বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কবিতা।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘সাড়া’ উপন্যাসের ভূমিকা।
২০.
'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ ১২ বছর নিযুক্ত ছিলেন কোন পঞ্চপাণ্ডব?
  1. বিষ্ণু দে
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য। 'কল্লোল', 'কালিকলম', 'পরিচয়'- এর নাম একসঙ্গে উচ্চারণের দাবি রাখে।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- বুদ্ধদেব বসু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
কোন সাহিত্যিক কখনও উপন্যাস রচনা করেননি?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. জসীম উদ্‌দীন
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• 'সুধীন্দ্রনাথ দত্ত' - কখনও উপন্যাস লেখেননি।
অপশনের অন্য সাহিত্যিকদের উপন্যাস রয়েছে।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ১৯০১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহন করেন।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন একাধারে ১২ বছর।

• সুধীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ :
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তর ফাল্গুনী,
- দশমী,

• তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থ :
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

• তাঁর অনুবাদগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

অন্যদিকে,
• বুদ্ধদেব বসু রচিত কয়েকটি উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত উপন্যাস:
- বোবা কাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২২.
অমিয় চক্রবর্তীকে বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ডি.লিট.
  2. পদ্মভূষণ
  3. দেশিকোত্তম
  4. নাইটহুড
ব্যাখ্যা
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।
- উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে 'দেশিকোত্তম' (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার 'পদ্মভূষণ' (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৩.
বুদ্ধদেব বসু কোন দশকের কবি হিসেবে পরিচিত?
  1. চল্লিশের দশক
  2. তিরিশের দশক
  3. বিশের দশক
  4. ষাটের দশক
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বন্দীর বন্দনা 
  2. পঞ্চশর 
  3. উত্তর ফাল্গুনী
  4. প্রথমা 
ব্যাখ্যা

- বন্দীর বন্দনা বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ ।

 অন্যদিকে, 
- 'প্রথমা' কাব্যগ্রন্থ প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত এবং 'পঞ্চশর' তার রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- 'উত্তর ফাল্গুনী' সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্য। 

• বুদ্ধদেব বসু:

-  তিনি ছিলেন কবি, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
- তিনি ৩০ নবেম্বর ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে। 
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম। 
- কবিতা বিষয়ক 'কবিতা' পত্রিকাটি তখন সাহিত্যিক মহলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করে; রবীন্দ্রোত্তর কবিতা-আন্দোলনেও এর ভূমিকা স্বীকৃত।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
 
» তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ সমূহ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধি,
- একদিন চিরদি,
- স্বাগত বিদা ইত্যাদি। 
 
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

২৫.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস?
  1. কঙ্কাবতী
  2. দময়ন্তী
  3. তিথিডোর
  4. মায়া মালঞ্চ
ব্যাখ্যা
• ‘তিথিডোর’ উপন্যাস:
- বুদ্ধদেব বসুর ঔপন্যাসিক-প্রতিভার এক উজ্জ্বল প্রকাশ ‘তিথিডোর’ (১৯৪৯) উপন্যাস।
- বিষয়াংশ, মৌল-জীবনার্থ এবং প্রকরণ-স্বাতন্ত্র্যের দৃষ্টিকোণে তিথিডোর বাংলা উপন্যাসের ধারায় প্রকৃত অর্থেই এক স্মরণীয় নির্মাণ। - আলোচ্য উপন্যাসে আমরা বুদ্ধদেব বসুর বাস্তব-জীবনপ্রীতি ও পরিবার-সংলগ্নতার পরিচয় পাই।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পরিবর্তমুখী সমাজমানসের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে এ-উপন্যাস।
- সত্যেন ও স্বাতীর প্রেম-আখ্যানের অন্তরালে এখানে প্রতিভাসিত হয়েছে চল্লিশের দশকের বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজজীবনের নানামাত্রিক চিত্র।
- বুদ্ধবেদ বসু মূলত চরিত্রের অন্তঃবাস্তবতার রূপকার; কিন্তু তিথিডোর উপন্যাসে, অন্তঃবাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গে তিনি জীবনের বহিরঙ্গ রূপকেও শিল্পিত করেছেন।
-----------------

•  বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
‘সাত ভাই চম্পা’ কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা

• ‘সাত ভাই চম্পা’ বিষ্ণু দে রচিত - কাব্যগ্রন্থ

বিষ্ণু দে:
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’ (১৯৪৮)।
- ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সাত ভাই চম্পা,
- সেই অন্ধকার চাই,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৭.
কোনটি জীবনানন্দ দাশের উপাধি?
  1. তিমির হননের কবি
  2. রূপসী বাংলার কবি
  3. ধুসরতার কবি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ - ধুসরতার কবিতিমির হননের কবিরূপসী বাংলার কবি

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। নমাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৮.
ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন -
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. বিষ্ণু দে
  3. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
বিষ্ণু দে:
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’ (১৯৪৮)।
- ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সাত ভাই চম্পা,
- সেই অন্ধকার চাই,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২৯.
বুদ্ধদেব বসুর জন্মস্থান-
  1. কুমিল্লা
  2. কলকাতা
  3. বিক্রমপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩০.
বুদ্ধদেব বসু কোন গ্রন্থের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান?
  1. মর্মবাণী
  2. তপস্বী ও তরঙ্গিণী
  3. কঙ্কাবতী
  4. স্বাগত বিদায়
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশ দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের গান,
- একদিন চিরদিন,
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
৩১.
'বন্দীর বন্দনা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'বন্দীর বন্দনা' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:

- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
'বাংলাদেশ' কবিতার রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ' কবিতাটি আমিয় চক্রবর্তী রচিত 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।

• অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
'তিথিডোর' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস 'তিথিডোর'।

•'তিথিডোর' উপন্যাস: 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮। 
- উপন্যাসটি প্রথম শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান এই তিনখন্ডে বিভক্ত। 
- বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর নারীর জীবন যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত। 
- কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা। 

বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ১৯০৮ সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধদেব বসুকে 'সব্যসাচী' লেখক বলা হয়।
- হুমায়ুন কবিরের সাথে তাঁর সম্পাদিত ত্রৈমাসিক পত্রিকা 'চতুরঙ্গ'

• বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা- 
প্রগতি (১৯২৭-১৯)
কবিতা (১৩৪২-৪৭)  

•তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী
- বন্দীর বন্দনা
- কঙ্কাবতী
- যে আধাঁর আলোর অধিক
- মরচেপড়া পেরেকের গান
- একদিন চিরদিন
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি। 
 
বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- মৌলিনাথ,
- নীলাঞ্জনের খাতা,
- রাত ভরে বৃষ্টি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়ামালঞ্চ
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী 
- কলকাতার ইলেক্ট্রা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

৩৪.
'তিথিডোর' বুদ্ধদেব বসু রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক 
  3. প্রবন্ধ
  4. কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• 'তিথিডোর' উপন্যাস:
 - বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস 'তিথিডোর'। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮।
- উপন্যাসটি প্রথম শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান এই তিনখন্ডে বিভক্ত।
- বাঙালি মধ্যবিত্ত শিল্পিত স্বভাব নর নারীর জীবন যাপনের মনোরম ও মধুর কাহিনি এ উপন্যাসে বর্ণিত।
- কাহিনির মূল উপজীব্য প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।
- এ কাহিনির গীতল ভাষা ও কাব্যময়তা এবং এর শেষাংশে প্রযুক্ত 'চৈতন্যপ্রবাহ'-ধর্মী বর্ননাভঙ্গির দেখা পাওয়া যায়।

-----------------
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে 'প্রগতি' কী ধরনের সাহিত্য পত্রিকা হিসাবে প্রকাশিত হয়?
  1. অর্ধ-সাপ্তাহিক 
  2. সাময়িক 
  3. সাপ্তাহিক 
  4. মাসিক 
ব্যাখ্যা

• 'প্রগতি' পত্রিকা:
- 'প্রগতি' ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় মাসিকপত্র 'প্রগতি'।
- সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, 'প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ। কল্লোল- কালিকলম-প্রগতি একই সঙ্গে উচ্চারিত হওয়ার যোগ্য তিনটি নাম। বাংলাদেশে আধুনিক সাহিত্যের বিকাশে এ পত্রিকার অবদান কম নয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৬.
'কুলায় ও কালপুরুষ' সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কোন ধরণের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. কবিতা
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. নাটক
ব্যাখ্যা
• ‘কুলায় ও কালপুরুষ’ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'কুলায় কালস্রোত' উপন্যাসের রচয়িতা শওকত আলী।

-----------------
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:

- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০) ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।
- সুধীন্দ্রনাথ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেছেন। আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
কাব্যগ্রন্থ:
• তন্বী,
• অর্কেস্ট্রা,
• ক্রন্দসী,
• উত্তরফাল্গুনী,
• সংবর্ত,
• দশমী।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
• স্বগত ,
• কুলায় ও কালপুরুষ।

• এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদগ্রন্থও আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
৩৭.
বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. মহাপৃথিবী
  2. মর্মবাণী
  3. তন্বী
  4. অর্কেষ্ট্রা
ব্যাখ্যা

• বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালে ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের,
- একদিন চিরদিন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ- মহাপৃথিবী।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ- - তন্বী, অর্কেষ্ট্রা,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৮.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ‘তন্বী’ কাব্যগ্রন্থটি কাকে উৎসর্গ করেছেন?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা

- ‘তন্বী’ কাব্যটি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচনা করেন। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩০ সালে।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তন্বী কাব্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছেন।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

• তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৩৯.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. কঙ্কাবতী
  2. পরিক্রমা
  3. সানন্দা
  4. তিথিডোর
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালে ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের,
- একদিন চিরদিন।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪০.
’অমরাবতী’ কাব্যগ্রন্থ কে লিখেছেন?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. আল মাহমুদ
  3. বিষ্ণু দে
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
- ’অমরাবতী’ কাব্যগ্রন্থ কে লিখেছেন- অমিয় চক্রবর্তী।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- তাঁর জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।
- আধুনিক কবিতায় ভাব, দর্শন ও রসের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সংযোজন ঘটিয়েছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের:
- খসড়া,
- এক মুঠো ,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার ,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা,
- চলো যাই ,
- সাম্প্রতিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগ্ননাথ হলের ছাত্র অবস্থায় বুদ্ধদেব বসু কোন পত্রিকা প্রকাশের সাথে যুক্ত ছিলেন?
  1. প্রগতি
  2. কবিতা
  3. বাসন্তিকা
  4. সাহিত্যপত্র
ব্যাখ্যা

• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন ত্রিশ দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগ্ননাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকা প্রকাশের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের গান,
- একদিন চিরদিন,
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪২.
স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ 'আমার ছেলেবেলা' রচনা করেন কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জগদীশচন্দ্র বসু
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ 'আমার ছেলেবেলা' রচনা করেন - বুদ্ধদেব বসু।

উল্লেখ্য,
- আমার ছেলেবেলা- হুমায়ুন আহমেদ এর আত্মজীবনী এবং অন্যান্য অনেক লেখক ই 'আমার ছেলেবেলা' নামে গ্রন্থ রচনা করেছেন।
- 'জীবনস্মৃতি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনী।

বুদ্ধদেব বসু:

- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।

তাঁর রচিত নাটক:
- মায়ামালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- আমার ছেলেবেলা,
- আমার যৌবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৩.
‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তী রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. অনিঃশেষ
  2. উপহার
  3. পুষ্পিত ইমেজ 
  4. হারানো অর্কিড 
ব্যাখ্যা
- ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তী রচিত ‘অনিঃশেষ’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ 
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
 
৪৪.
পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যেকার স্বাতন্ত্র্য ছিলেন কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যেকার স্বাতন্ত্র্য ছিলেন- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ।
- অন্যচার জনের সঙ্গে তাঁর পার্থক্য হলো, তিনি ক্লাসিক ভাষারীতির সঙ্গে পাশ্চত্য কাব্যরীতির সংমিশ্রণে কবিতায় বিশিষ্টতা এনেছেন।

• পঞ্চপাণ্ডব:
- তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন। 
- তাদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হত। 
- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। 
- পঞ্চপাণ্ডবের অন্তর্ভুক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।

• আধুনিকতাবাদী পঞ্চপাণ্ডব লেখক হচ্ছেন -
- জীবনানন্দ দাশ,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- বুদ্ধদেব বসু,
- বিষ্ণু দে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ।

৪৫.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. এক মুঠো
  2. খসড়া
  3. অনিঃশেষ
  4. কবিতাবলী
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ' কবিতা:
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বিখ্যাত 'বাংলাদেশ' কবিতাটি 'অনিঃশেষ' (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

-------------------
• অমিয় চক্রবর্তী:
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- কবিতাবলী, 
- উপহার,
- অনিঃশেষ
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৬.
জীবনানন্দ দাশকে ‘প্রকৃতির কবি’ উপাধি কে দিয়েছিলেন?  
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশকে ‘প্রকৃতির কবি’ উপাধি দিয়েছিলেন - বুদ্ধদেব বসু।
-----------------------------------
বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু  (১৯০৮–১৯৭৪) ছিলেন পঞ্চপাণ্ডব এর একজন।
- তিনি কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, অনুবাদক ও সম্পাদক হিসেবে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
- বুদ্ধদেব বসু ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনাগুলোর মধ্যে ‘আমার ছেলেবেলা’, ‘আমার যৌবন’ এবং ‘আমাদের কবিতাভবন’ উল্লেখযোগ্য।
- তিনি ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর বাংলা সাহিত্যের এক সব্যসাচী প্রতিভা।
----------------------------------------------
জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দাশ দুজনেই সাহিত্যচর্চার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- তাঁকে বলা হয় ‘রূপসী বাংলার কবি’, কারণ তাঁর কাব্যে বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ ও স্মৃতিমগ্ন সৌন্দর্য গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে।   
- এছাড়াও তাঁকে বলা হয়:
• ‘ধূসরতার কবি’,
• ‘নিঃসঙ্গতার কবি’,
• ‘তিমির-হননের কবি’,
• পরাবাস্তবতার কবি,
• বিপন্ন মানবতার নীলকন্ঠ কবি,
• শুদ্ধতম কবি, 
এবং বুদ্ধদেব বসু তাঁকে উপাধি দিয়েছিলেন ‘প্রকৃতির কবি’।

• তার উপন্যাসগুলো হলো : 
- কল্লাণী,
- মাল্যবান,
- বিভা,
- সুতীর্থ ,
- চারজন।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বনলতা সেন’,
- ‘রূপসী বাংলা’,
- ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’,
- ‘ঝরাপালক’,
- ‘সাতটি তারার তিমির’,
- বেলা অবেলা কালবেলা,
- রূপসী বাংলা।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ - কবিতার কথা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৪৭.
'নীলাঞ্জনের খাতা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. বিষ্ণু দে
  4. মাহমুদুল হক
ব্যাখ্যা

নীলাঞ্জনার খাতা উপন্যাসের রচয়িতা বুদ্ধদেব বসু।
• বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৮.
বিষ্ণু দে রচিত 'চোরাবালি' কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রবন্ধ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. অনুবাদ গ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে 'পরিচয়' পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে 'সাহিত্যপত্র' (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সাত ভাই চম্পা,
- সেই অন্ধকার চাই,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. কঙ্কাবতী
  2. দময়ন্তী
  3. এক মুঠো
  4. মর্মবাণী
ব্যাখ্যা
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ - এক মুঠো।
----------------------------------
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম ১৯০১ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে অমিয় চক্রবর্তীর কবিতা, বাংলাদেশ।
- ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি অনিঃশেষ’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। 

• অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- কবিতাবলী
- উপহার,
- অনিঃশেষ
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৫০.
বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ-
  1. মায়া মালঞ্চ
  2. নির্জন স্বাক্ষর
  3. যে আঁধার আলোর অধিক
  4. রেখাচিত্র
ব্যাখ্যা
• 'যে আঁধার আলোর অধিক' বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

---------------
•  বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫১.
অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম প্রকাশিত সাহিত্যকর্মের নাম কী?
  1. হারানো অর্কিড 
  2. কবিতাবলী
  3. অমরাবতী 
  4. অভিজ্ঞান বসন্ত
ব্যাখ্যা

• অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী' (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।
- তিনি 'বাংলাদেশ' কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচনা করেন।
- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

» তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- অমরাবতী,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।
 
তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

৫২.
মার্কসবাদী চিন্তাধারায় প্রভাবিত ছিলেন কোন বাংলা কবি?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বিষ্ণু দে
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে 'পরিচয়' পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে 'সাহিত্যপত্র'।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিস্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।


তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৩.
সুধীন্দ্রনাথ দত্তের রচনা নয় কোনটি? 
  1. উত্তরফাল্গুনী
  2. কুলায় ও কালপুরুষ
  3. তন্বী
  4. চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া 
ব্যাখ্যা
• 'চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া'  রফিক আজাদের কাব্যগ্রন্থ।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন -
  1. 'অর্কেষ্ট্রা' কাব্যগ্রন্থ
  2. 'কুলায় ও কালপুরুষ' প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ
  4. 'প্রতিধ্বনি' অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন - 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ
- উৎসর্গপত্রে লিখেছেন: 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রীচরণে অর্ঘ্য। ঋণশোধের জন্য নয়, ঋণস্বীকারের জন্য।'

উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘আকাশ-প্রদীপ’ কাব্যগ্রন্থটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তকে উৎসর্গ করেন।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তর ফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

তাঁর দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
কোন সাহিত্যিক কখনো উপন্যাস রচনা করেননি?
  1. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 
  3. বিষ্ণু দে
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা

• কখনো উপন্যাস রচনা করেননি বিষ্ণু দে।

• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।
 
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।
 
• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।
 
• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

অন্যদিকে,
• বুদ্ধদেব বসু রচিত কয়েকটি উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা।

• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস-
- তৃণখণ্ড,
- জঙ্গম,
- অগ্নি,
- স্থাবর,
- পঞ্চপর্ব,
- নবদিগন্ত।

•  সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগ্রন্থ:
- কণ্ঠমালা, 
- মাধবীলতা, 
- জলপ্রতাপ চাঁদ ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৫৬.
বিষ্ণু দে রচিত অনুবাদ সাহিত্য কোনটি?
  1. চোরাবালি
  2. রুচি ও প্রগতি
  3. এলিয়টের কবিতা
  4. উর্বশী ও আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৫৭.
কবিতার জন্য কোন কবিকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় 'দেশিকোত্তম' উপাধিতে ভূষিত করে?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫। তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী' (১৯২৪-২৫)।
- তিনি 'বাংলাদেশ' কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচনা করেন।

- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে 'দেশিকোত্তম' (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার 'পদ্মভূষণ' (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

• তাঁর গদ্যরচনাগুলো হলো:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
"নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
• "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস:
- "নির্জন স্বাক্ষর" বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি উপন্যাস। কেউ কেউ কবি জীবনানন্দ দাশকে খুঁজে পেয়েছেন বুদ্ধদেব বসুর এই উপন্যাসে।

- অন্তর্গত বিস্ময়কে জীবিত রেখে হারিয়ে যাওয়া একজন মানুষের গল্প। উপন্যাসের প্রান্তর জুড়ে নির্জনতম এক কবিকে খুঁজে ফিরবে পাঠকের মন।

- নির্জন স্বাক্ষর নামে জীবনানন্দ দাশের একটি মায়াবী কবিতাও আছে। বুদ্ধদেব বসু শুধুমাত্র নামটিই নয়, উপন্যাসটির বিষয়বস্তুও জীবনানন্দের কাছ থেকে ধার করেছেন। উপন্যাসটির বিষয়বস্তু তিনি নিয়েছেন জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতা থেকে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র সোমেন, যিনি মূলত একজন লেখক। সোমেন প্রথমে অধ্যাপক হিশেবে কলকাতার একটি কলেজে চাকরি নেয়; কিন্তু ঐ চাকরির টাকায় সংসার চালাতে ব্যর্থ হয়ে সে একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে চাকরি নেয়। ফলে সোমেন লেখা বাদ দিয়ে প্রথাগত জীবনে ঢুকে পড়ে। এভাবেই সোমেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে প্রথাগত জীবন চালাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। চারদিকের জীবন যখন সমুদ্র-স্রোতের মতো ফুলে ফুলে উঠছিলো, সোমেনের জীবন তখন ক্লান্ত হয়ে ভেঙে পড়ছিলো।

সোমেনের এক বন্ধু ঢাকায় থাকতো। সে মারা যাওয়ায়, তার স্ত্রী ও তার দুই সন্তান দেশ-ভাগের সময় ঢাকা ছেড়ে কলকাতা চলে আসে। তারা কলকাতায় আসায় সোমেন তাদের দেখতে যায়। সোমেনের ক্লান্ত, অসহায়, ভেঙে পড়া জীবন যখন আর চলছিলো না, তখন মালতি সেনের শ্রাবস্তীর কারুকার্যময় মুখটি তাকে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিলো। সোমেন একবার নয়, কয়েকবার গিয়েছিলো দু-দন্ড শান্তি পেতে, কিন্তু প্রতিবারই সে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলো দুঃখের গাঁথা মালা এক বিশাল নদী। অবশেষে, প্রতিদিনের টুকরো টুকরো মৃত্যুর বদলে সোমেন গ্রহন করলো এক মুহূর্তের পরম দুঃখ। 

উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সব পাখি ঘরে আসে, সব নদী ফুরায় এ জীবনের লেনদেনে; থাকে শুধু অন্ধকার মুখোমুখি বসিবার মালতি সেন।
- এ কেমন, কেমন ভালোবাসা-তাও বাঁচতে দিলো না, বা বাঁচাতে পারলো না!

উৎস: "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস।
৫৯.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. দশমী
  2. সংবর্ত
  3. প্রতিধ্বনি
  4. অর্কেষ্ট্রা
ব্যাখ্যা

- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ - প্রতিধ্বনি।
- এটি ইউরোপের বিভিন্ন কবির কবিতার অনুবাদ ।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:

- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৬০.
'হঠাৎ আলোর ঝলকানি' বুদ্ধদেব বসু রচিত -
  1. প্রবন্ধ গ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. কাব্য
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু
- বুদ্ধদেব বসু একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- রবীন্দ্রনাথের মত তিনিও সব্যাসাচী লেখক।

- "প্রগতি" ও "কবিতা" নামে তিনি দুটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
- বুদ্ধদেব বসুর রচিত "হঠাৎ আলোর ঝলকানি” একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প: 
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• তাঁর উপন্যাস:  
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬১.
’অমিয় চক্রবর্তী’ কোন দশকের কবিদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিশের দশক
  2. ত্রিশের দশক 
  3. চল্লিশের দশক
  4. পঞ্চাশের দশক
ব্যাখ্যা

• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। ।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- ত্রিশের দশকে পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো:
- খসড়া, 
- এক মুঠো, 
- মাটির দেয়াল, 
- অভিজ্ঞান বসন্ত, 
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গদ্যরচনাগুলো হলো:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৬২.
'রুচি ও প্রগতি' প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. বিষ্ণু দে
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• 'রুচি ও প্রগতি' বিষ্ণু দে রচিত একটি প্রবন্ধ।
- এটি আর্ট, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ক প্রবন্ধ।

---------------
• বিষ্ণু দে:

- বিষ্ণু দে ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী। ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে 'পরিচয়' পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে 'সাহিত্যপত্র'।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
পঞ্চপাণ্ডবদের মধ্যে কোন সাহিত্যিক 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছেন?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. বুদ্ধদেব বসু 
  3. বিষ্ণু দে
  4. অমীয় চক্রবর্তী 
ব্যাখ্যা

পঞ্চপান্ডবের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে-  তন্বী। 

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
-  সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- তিনি পঞ্চপান্ডবদের একজন। 
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
-  সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। 
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যধারার প্রভাব তার কবিতায় দেখা যায়।
- তার কবিতায় মূলত ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ফুটে উঠে। 
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বহুসংখ্যক কাব্যগ্রন্থ রচনা করলেও কোন উপন্যাস রচনা করেননি। 
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপের প্রবর্তক হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৬০ সালের ২৫ জুন কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে: 
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- দশমী।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গদ্যগ্রন্থ হচ্ছে: 
- স্বগত,
- কুলায়,
- কালপুরুষ।
• তাঁর অনুবাদগ্রন্থ হচ্ছে: প্রতিধ্বনি। 

অন্যদিকে, 
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার। 
• বিষ্ণু দে রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ-
- উর্বশী ও আর্টেমিস;
- চোরাবালি ইত্যাদি। 
• অমীয় চক্রবর্তী রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ- অনিঃশেষ। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৬৪.
‘পরিক্রমা ও সানন্দা’ উপন্যাসদ্বয়ের রচয়িতা কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বিষ্ণু দে
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• হাওয়ার গান বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কবিতা।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘তিথিডোর’ উপন্যাসের ভূমিকা।
৬৫.
বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. মর্মবাণী
  2. কঙ্কাবতী
  3. মায়া-মালঞ্চ
  4. দময়ন্তী
ব্যাখ্যা

• 'মায়া-মালঞ্চ' বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক।
- এটি লেখকের 'কালো হাওয়া' উপন্যাস অবলম্বনে তিন অঙ্কে সমাপ্ত নাটক।

-------------------------
• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৬৬.
'রেখাচিত্র' বুদ্ধদেব বসু রচিত-
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. কবিতা
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'রেখাচিত্র' বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থ।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
'রেখাচিত্র' আত্মজীবনী লিখেছেন আবুল ফজল।

• বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:

- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৭.
'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে একাধারে ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন কোন কবি?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. বিষ্ণু দে
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
- 'কল্লোল', 'কালিকলম', 'পরিচয়'- এর নাম একসঙ্গে উচ্চারণের দাবি রাখে।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
• 'কবিতা' বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৮.
টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে কোন কবির রচনায়?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. বিষ্ণু দে
  3. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস -
  1. সাড়া
  2. তিথিডোর
  3. লালমেঘ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প:
- ‘অভিনয়, অভিনয় নয়',
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭০.
'বন্দীর বন্দনা' কোন জাতীয় রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. নাটক
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের গান,
- একদিন চিরদিন,
- স্বাগত বিদায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৭১.
কোনটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রবন্ধগ্রন্থ?
  1. তন্বী
  2. সংবর্ত
  3. স্বগত
  4. উত্তরফাল্গুনী
ব্যাখ্যা
• ‘স্বগত’ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
• ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।
• সুধীন্দ্রনাথ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেছেন। আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
কাব্যগ্রন্থ:
তন্বী,
• প্রতিদিন,
• অর্কেস্ট্রা,
• ক্রন্দসী,
উত্তরফাল্গুনী,
সংবর্ত,
• দশমী।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
স্বগত,
• কুলায় ও কালপুরুষ।

এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদগ্রন্থও আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
৭২.
বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক কোনটি?
  1. পরিক্রমা
  2. তপস্বী ও তরঙ্গিনী
  3. লালমেঘ
  4. সানন্দা
ব্যাখ্যা

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক - তপস্বী ও তরঙ্গিনী।

• বুদ্ধদেব বসু:

- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।
- বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা-প্রগতি (১৯২৭-১৯), কবিতা (১৩৪২-৪৭)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- হুমায়ুন কবিরের সাথে তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা 'চতুরঙ্গ'।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭৩.
তিরিশের দশকের কবি ছিলেন কে?
  1. অতুলপ্রসাদ সেন
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। জন্ম ১০ এপ্রিল, ১৯০১ শ্রীরামপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ।

- পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রি লাভ (১৯২৬) করেন। পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন এবং তাঁর সাথে বহু দেশ ভ্রমণ koren।

- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে। আধুনিক কবিতায় ভাব, দর্শন ও রসের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সংযোজন ঘটিয়েছেন।

- অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫; তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)।

তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
কোনটি বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থ?
  1. রেখাচিত্র
  2. সানন্দা
  3. পরিক্রমা
  4. তপস্বী ও তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা

• রেখাচিত্র” বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি গল্পএই। 
- এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- “রেখাচিত্র” নামে আবুল ফজল রচিত একটি দিনলিপি আছে। “রেখাচিত্র” দিনলিপিটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে।

--------------------
• বুদ্ধদেব বসু:

- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৫.
বুদ্ধদেব বসু কোন দশকের কবি হিসেবে খ্যাত?
  1. চল্লিশ দশকের
  2. পঞ্চাশ দশকের
  3. ষাট দশকের
  4. ত্রিশ দশকের
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক ও সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. বনলতা সেন
  2. ধূসর পাণ্ডুলিপি
  3. ঝরা পালক
  4. মহাপৃথিবী
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশ:
-জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর মাতা কুসুমকুমারী দাশ ও ছিলেন একজন কবি।
- জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালক।

• তার অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সতীর্থ।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন কবির প্রতীকী কাব্যাদর্শ অনুসরণ করেন?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. টি. এস. এলিয়ট
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. মালার্মে
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম। ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান। 

----------------
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ১৯৩১ সাল থেকে দীর্ঘ বারো বছর তিনি পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্রের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।
- সুধীন্দ্রনাথ কর্মজীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাও করেছেন। আধুনিক মনন ও বৈশ্বিক চেতনার কারণে তিনি বাংলা কাব্যে স্বতন্ত্র স্থান লাভকরেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
• কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- প্রতিদিন,
- অর্কেস্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- দশমী।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

• এছাড়া প্রতিধ্বনি (১৯৫৪) নামে তাঁর একটি অনুবাদগ্রন্থও আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা সৌমিত্র শেখর।
৭৮.
'বাংলাদেশ' কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মাটির দেওয়াল
  2. এক মুঠো
  3. অনিঃশেষ
  4. খসড়া
ব্যাখ্যা

• 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অনিঃশেষ' অমিয় চক্রবর্তী রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৩৪৫ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর বিখ্যাত 'বাংলাদেশ' কবিতাটি 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে কবিতাটি।

-----------------------
অমিয় চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো-
- কবিতাবলী (প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ),
- উপহার,
- অনিঃশেষ,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেওয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৯.
“নির্জন স্বাক্ষর” বুদ্ধদেব বসু রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

- "নির্জন স্বাক্ষর" বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি উপন্যাস। 

• "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস:

- উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র সোমেন, যিনি মূলত একজন লেখক।
- সোমেন প্রথমে অধ্যাপক হিশেবে কলকাতার একটি কলেজে চাকরি নেয়; কিন্তু ঐ চাকরির টাকায় সংসার চালাতে ব্যর্থ হয়ে সে একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে চাকরি নেয়।
- ফলে সোমেন লেখা বাদ দিয়ে প্রথাগত জীবনে ঢুকে পড়ে।
- এভাবেই সোমেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে প্রথাগত জীবন চালাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
- নির্জন স্বাক্ষর নামে জীবনানন্দ দাশের একটি মায়াবী কবিতাও আছে।
- বুদ্ধদেব বসু শুধুমাত্র নামটিই নয়, উপন্যাসটির বিষয়বস্তুও জীবনানন্দের কাছ থেকে ধার করেছেন।
- উপন্যাসটির বিষয়বস্তু তিনি নিয়েছেন জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতা থেকে।

• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

গল্পগ্রন্থ:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

 উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

 কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৮০.
বুদ্ধদেব বসুর জন্মস্থান-
  1. কুমিল্লা 
  2. বর্ধমান 
  3. চব্বিশ পরগণা 
  4. সিরাজগঞ্জ 
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- হুমায়ুন কবিরের সাথে তাঁর যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকা 'চতুরঙ্গ'।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প:
- 'অভিনয়, অভিনয় নয়',
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮১.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ কাকে উৎসর্গ করেন?
  1. জীবনানন্দ দাশকে
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
  3. বুদ্ধদেব বসুকে
  4. কাজী নজরুল ইসলামকে
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. তপস্বী ও তরঙ্গিণী
  2. নীলাঞ্জনার খাতা
  3. কালো হাওয়া
  4. পরিক্রমা
ব্যাখ্যা
• ‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’ নাটক:
• ‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’ চার অঙ্কে বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি নাটক।
• “তপস্বী ও তরঙ্গিণী” 'দেশ' পত্রিকার এপ্রিল, ১৯৬৬-র পাঁচটি সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো।
• 'দেশ'-এ প্রকাশের পরে একাধিক পাঠক একটি আপত্তি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। তাঁদের মতে ঋষ্যশৃঙ্গের উপাখ্যান ত্রেতা যুগের, আর সত্যবতী, কুন্তী ও দ্রৌপদীর কাল পরবর্তী দ্বাপর যুগ; অতএব অংশুমান ও রাজপুরোহিতের মুখে সত্যবতী ইত্যাদির উল্লেখ বসিয়ে আমি বুদ্ধদেব বসু ভুল করেছেন।

এ বিষয়ে বুদ্ধদেব বসু বলেন-
'ত্রেতা' ও 'দ্বাপর' যুগের ঐতিহাসিক যাথার্থ্য কতখানি, সে-বিষয়ে আলোচনা বাহুল্য; তবে পণ্ডিতমহলে এ-কথা স্বীকৃত যে ঋষ্যশৃঙ্গ-উপাখ্যান ইন্দো-য়োরোপীয় জাতিসমূহের একটি প্রাচীনতম পুরাণ; তাই আমার মানতে বাধে না যে তথ্যের দিক থেকে পূর্বোক্ত পত্রলেখকেরা ভ্রান্ত নন।

-------------------------
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প গ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• হাওয়ার গান বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি কবিতা।

• বুদ্ধদেবের উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক‌:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘তপস্বী ও তরঙ্গিণী’ নাটক।
৮৩.
বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক কোনটি?
  1. হাওয়া বদল
  2. তিথিডোর
  3. তপস্বী ও তরঙ্গিনী
  4. পরিক্রমা
ব্যাখ্যা
'তপস্বী ও তরঙ্গিনী' বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক।

• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- একদা তুমি প্রিয়ে,
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৪.
নিচের কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ?
  1. রায়তের কথা
  2. বীরবলের হালখাতা
  3. তেল-নুন-লকড়ি
  4. চার-ইয়ারি কথা
ব্যাখ্যা
• 'চার-ইয়ারি কথা' প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ।

• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত একজন প্রাবন্ধিক।
- প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত পত্রিকা -সবুজপত্র।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।

- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লকড়ি।

- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৫.
'কঙ্কাবতী' কাব্যগ্রন্থের প্রধান বিষয়বস্তু কী?
  1. যুদ্ধ-বিগ্রহ 
  2. প্রেম
  3. সামাজিক কুসংস্কার
  4. দেশভাগ
ব্যাখ্যা
‘কঙ্কাবতী’ কাব্যগ্রন্থ:
- এটি বুদ্ধদেব বসুর তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের কবিতাগুলির রচনাকাল ১৯২৯-৩৪ এবং প্রধান বিষয় প্রেম
- সংগীতময় ভাষা এবং উচ্চারণের সংক্ষেপের জন্য কাব্যগ্রন্থটি সমকালে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়ামালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
বিষ্ণু দে রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. চোরাবালি
  2. সাত ভাই চম্পা
  3. রুচি ও প্রগতি
  4. উর্বশী ও আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
• ‘রুচি ও প্রগতি’ বিষ্ণু দে রচিত একটি প্রবন্ধ।
- এটি আর্ট, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিষয়ক প্রবন্ধ।

-----------------------
• বিষ্ণু দে:

- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৮৭.
বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. তিথিডোর
  2. মর্মবাণী
  3. দময়ন্তী
  4. কঙ্কাবতী
ব্যাখ্যা
বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৮.
বুদ্ধদেব বসু সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সত্য নয়?
  1. ১৯০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
  2. বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবদের একজন।
  3. তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক।
  4. বিক্রমপুরের মালখানগরে জন্মগ্রহণ করেন।
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্প:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

• বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৯.
"পালাবদল ও অভিজ্ঞান বসন্ত" - পঞ্চকবিদের মধ্যে কার রচিত?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
• "পালাবদল ও অভিজ্ঞান বসন্ত" অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ। 
- অভিজ্ঞান বসন্ত কাব্যগ্রন্থ ১৯৪৩ সালে এবং পালাবদল কাব্যগ্রন্থ ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়। 

-------------------
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬) ছিলেন একজন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন। তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন। অন্য চারজন হলেন জীবনানন্দ দাশ, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু ও বিষ্ণু দে।
- আধুনিক কবিতায় ভাব, দর্শন ও রসের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ সংযোজন ঘটিয়েছেন।অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)।

তাঁর অন্যান্য গ্রন্থগুলো হলো:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা,
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক।

• কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯০.
"নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যের লেখক কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. বিষ্ণু দে
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিস্যৎ,
- সেই অন্ধকার চাই,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ, ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯১.
'পঞ্চপান্ডব' বলা হয় –
  1. তিরিশের কবিদের
  2. চল্লিশের কবিদের
  3. পঞ্চাশের কবিদের
  4. রবীন্দ্রযুগের কবিদের
ব্যাখ্যা

• পঞ্চপাণ্ডব:
- তিরিশের দশকে বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনে প্রধান পাঁচজন কবি ছিলেন, তাদের পঞ্চপাণ্ডব বলা হতো।
- তাঁরা কাব্যচর্চায় রবীন্দ্র বলয় থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন।
- পঞ্চপাণ্ডবের অন্তর্ভুক্ত কবিরা রবীন্দ্র কাব্য-ধারার বিরোধী ছিলেন।

আধুনিকতাবাদী পঞ্চপাণ্ডব লেখক হচ্ছেন:
- জীবনানন্দ দাশ,
- অমিয় চক্রবর্তী,
- বুদ্ধদেব বসু,
- বিষ্ণু দে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯২.
বুদ্ধদেব বসুর জন্ম কবে?
  1. ১৯০৫ সালের ৩০ জুন
  2. ১৯০৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর
  3. ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর
  4. ১৯১০ সালের ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
•  বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু ছিলেন তিরিশের দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম। তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- শুধু কবিতা নয়, বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বুদ্ধদেবের স্বচ্ছন্দ বিচরণ ছিল।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডদের একজন বুদ্ধদেব বসু।

বুদ্ধদেব বসু রচিত গল্পগ্রন্থগুলো হলো:
- অভিনয়, অভিনয় নয়,
- রেখাচিত্র,
- হাওয়া বদল ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- কঙ্কাবতী,
- দময়ন্তী,
- মর্মবাণী,
- যে আঁধার আলোর অধিক।

বুদ্ধদেব বসু রচিত নাটক:
- মায়া মালঞ্চ,
- তপস্বী ও তরঙ্গিনী,
- কলকাতার ইলেক্টা ও সত্যসন্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৩.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্য নয় কোনটি?
  1. মাটির দেয়াল
  2. অভিজ্ঞান বসন্ত
  3. উত্তরফাল্গুনী
  4. খসড়া
ব্যাখ্যা
• 'উত্তরফাল্গুনী' ১৯৪০ সালে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

------------------
অমিয় চক্রবর্তী:

• অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
• অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
• তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
• তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
• তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।
• উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার। বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
'তিথিডোর' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

'তিথিডোর' উপন্যাস:
- 'তিথিডোর' বুদ্ধদেব বসু রচিত উপন্যাস।
- প্রকাশকাল: ১৯৪৯।
- খণ্ড: শ্রাবণ, করুণ রঙিন পথ, যবনিকা কম্পমান।
- উপজীব্য: বাঙালি মধ্যবিত্ত নারীর জীবন, প্রেম ও যৌবনের বন্দনা।

উল্লেখ্য,
- বুদ্ধদেব বসুর জন্ম: ৩০ নভেম্বর ১৯০৮, কুমিল্লা।
- আদি নিবাস: বিক্রমপুর, মালখানগর।
- পেশা: সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের একজন।
- কাব্যগ্রন্থ: মর্মবাণী, বন্দীর বন্দনা, কঙ্কাবতী, যে আঁধার আলোর অধিক, মরচেপড়া পেরেকের, একদিন চিরদিন।
- উপন্যাস: তিথিডোর, সাড়া, সানন্দা, লালমেঘ, পরিক্রমা, কালো হাওয়া, নির্জন স্বাক্ষর, নীলাঞ্জনার খাতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৯৫.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. খসড়া
  2. মাটির দেয়াল
  3. অভিজ্ঞান বসন্ত
  4. অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা
অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী কাব্যগ্রন্থ - অনল প্রবাহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৯৬.
নিচের কোনটি অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. এক মুঠো
  2. চলো যাই
  3. পুরবাসী
  4. পথ অন্তহীন
ব্যাখ্যা

• 'এক মুঠো' কাব্যগ্রন্থ:
- অমিয় চক্রবর্তীর 'এক মুঠো' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে।
- বিশ শতকের বিজ্ঞানের যুগে ব্যবহারিক জীবনে যেমন জটিলতা বাড়ছে, মানুষের মনেও তেমনি চিন্তার জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক চেতনায় যুগধর্মের এই বৈশিষ্ট্য খুব উজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে এই কাব্যে।
- কবি এখানে সময়কে বিবেচনায় এনে এই সময়হত মানব-মানবীর অন্তর্গত সুখ ও সমস্যা ধারার চেষ্টা করেছেন।

​--------------------
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী (১৯০১-১৯৮৬): পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গদ্যরচনাগুলো হলো:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
নিচের কোন সাহিত্যিক কখনো উপন্যাস লিখেন নাই?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কখনো উপন্যাস লিখেন নাই।

• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

• তাঁর দুটি প্রবন্ধগ্রন্থ:
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

• তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
বিখ্যাত সাহিত্যপত্রিকা 'কবিতা' এর সম্পাদক কে?
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• 'কবিতা' পত্রিকা:
- কবিতা’ পত্রিকা বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যপত্র।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে এবং ১৯৬১ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- সূচনা পর্বে পত্রিকার সম্পাদনায় বুদ্ধদেব বসু ছাড়াও প্রেমেন্দ্র মিত্র এবং সমর সেন ছিলেন যুক্ত।
- শুধুমাত্র কবিতা এবং কবিতা-সংক্রান্ত আলোচনার জন্য নিবেদিত এ পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অক্ষয়কুমার দত্ত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম 'লাঙ্গল', 'ধুমকেতু' ও 'নবযুগ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৯.
বিখ্যাত 'বাংলাদেশ' কবিতা কে রচনা করেছেন?
  1. শামসুর রাহমান
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. মুনির চৌধুরী
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ' কবিতা:
- কবিতাটির রচয়িতা অমিয় চক্রবর্তী।
- এটি তাঁর 'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থভুক্ত কবিতা। 
- কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী' (১৯২৪-২৫)।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।
 
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গদ্যরচনা:
- চলো যাই,
- সাম্প্রতিক,
- পুরবাসী,
- পথ অন্তহীন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০০.
বিষ্ণু দে কোন বিখ্যাত ইংরেজি কবির দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন?
  1. উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
  2. টি.এস. এলিয়ট
  3. জন কিটস
  4. রবার্ট ফ্রস্ট
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই  কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।