বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯৮ / ১২৬ · ৯,৭০১৯,৮০০ / ১২,৬০৫

৯,৭০১.
The Evidence Act, 1872 অনুযায়ী মোক্তারনামার সম্পাদন বিষয়ে আদালত ___________।
  1. অবশ্যই অনুমান করবে
  2. চূড়ান্ত প্রমাণিত বিবেচনা করবে
  3. কোনো অনুমান করবে না
  4. অনুমান করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই অনুমান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই অনুমান করবে
ব্যাখ্যা
ধারা: ৮৫ মোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান

মোক্তরনামা বলিয়া যাহা বুঝিতে দেওয়া হয় এবং যাহা কোন নোটারী পাবলিক বা কোন আদালত, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট, কন্সাল বা ভাইস-কন্সাল অথবা সরকারের কোন প্রতিনিধির সম্মুখে সম্পাদিত হইয়াচ্ছে এবং তৎকর্তৃক দৃঢ়ীকৃত হইয়াছে বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা অনুরূপভাবে সম্পাদিত ও দৃঢ়ীকৃত হইয়াছে বলিয়া আদালত অবশ্যই ধরিয়া লইবেন।
৯,৭০২.
‘চরিত্র’ শব্দটির ব্যাখ্যা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৩ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

⇒ The Evidence Act,1872, Section 55. Character as affecting damages:
In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant.

Explanation.–
 In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.

৯,৭০৩.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুযায়ী পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে যদি-
  1. সরকারী অফিসে সংরক্ষিত হয়।
  2. এটি অভিযুক্তের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়।
  3. এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
  4. উপরোক্ত কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুযায়ী, ৫ বছর পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের প্রমাণ প্রদান করা হলে, আদালত অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষিত হলে তা বৈধ বলে গণ্য হয়, যদি তা প্রাকৃতিকভাবে সঠিক স্থানে এবং সঠিক ব্যক্তির কাছে থাকে

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার বিধান পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:

- যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

উল্লেখ্য যে, 
- পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
-  ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
- ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
----------
The Evidence Act, 1872 section 90A. Presumption as to digital records five years old:
 Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৯,৭০৪.
বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বহির্ভূত অন্যান্য ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
২- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৩- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

৯,৭০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার বিধান রয়েছে?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24- Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
৯,৭০৬.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক?
  1. সবসময় প্রাসঙ্গিক
  2. যখন পুলিশ অনুমোদন করে
  3. যখন আদালত বিশেষ অনুমতি দেয়
  4. যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক অনুযায়ী, সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, এটি তখনই প্রাসঙ্গিক বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

- মূল প্রমাণের নীতি: সাধারণত কোনো নথিপত্র বা ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য প্রাথমিক প্রমাণ (primary evidence) প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল রেকর্ড নিজেই প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে, মৌখিক স্বীকৃতি নয়।
- গৌণ প্রমাণের ব্যতিক্রম: যদি কোনো পক্ষ আদালতে প্রমাণ করতে চায় যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সত্য নয় বা জাল, তাহলে সেই রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- আদালত যদি মনে করে যে ডিজিটাল রেকর্ডটি সন্দেহজনক বা প্রশ্নবিদ্ধ, তখন মৌখিক স্বীকৃতির মাধ্যমে এর প্রকৃত অবস্থা নির্ণয়ের চেষ্টা করা যেতে পারে।

→ ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে, তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি আদালতে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে।
---------- 
⇒The Evidence Act, 1872, Section-22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৯,৭০৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারার কোন উপ-ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ না পাওয়া যায়, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে (shall be released)?
  1. উপ-ধারা (১)
  2. উপ-ধারা (২)
  3. উপ-ধারা (৪)
  4. উপ-ধারা (৫)
সঠিক উত্তর:
উপ-ধারা (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-ধারা (২)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২)-এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো পর্যায়ে তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকালে আদালত বা কর্মকর্তা মনে করেন যে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, তবে তার বিরুদ্ধে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন থাকলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে — অর্থাৎ "shall be released on bail".
অর্থাৎ, যদি তদন্ত/বিচারের যেকোনো পর্যায়ে মনে হয় যে আসামির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই (not reasonable grounds), তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া বাধ্যতামূলক (shall be released)।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

৯,৭০৮.
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা "খ' কে 'খ' এর পাওনাদারকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করলো। ক এবং খ এর মধ্যে এই মর্মে সম্পাদিত চুক্তিটি  'খ' এর-
  1. রদের অধিকারী হবে
  2. সুনির্দিষ্ট বলবৎ এর অধিকারী
  3. চুক্তিটি সংশোধনের অধিকারী
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রদের অধিকারী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রদের অধিকারী হবে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা-৩৫, ব্যাখ্যা-খ অনুযায়ী, প্রতারণার উদ্দেশ্যে চুক্তিটি সম্পাদন করায় এটা একটি বাতিলযোগ্য চুক্তি।
♦ তাই আদালত চুক্তিটি রদের আদেশ মঞ্জুর করতে পারে।
৯,৭০৯.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্য কী বলে গণ্য হবে?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. বোবার সাক্ষ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য
  4. দালিলিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোবা সাক্ষীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ১১৯ অনুযায়ী- যে সাক্ষী কথা বলতে পারে না, সে যদি লিখে বা ইশারার মাধ্যমে তার বক্তব্য বুঝাতে পারে তাহলে সেই ভাবে সে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারবে।

♦ অর্থাৎ সে যোগ্য সাক্ষী। তবে লিখা বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দেয়ার কাজটি প্রকাশ্যে আদালতের সামনেই করতে হবে। এভাবে বোবার দেয়া সাক্ষী মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
৯,৭১০.
The Penal Code, 1860 অনুসারে অপহরণ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৯,৭১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারা অনুসারে কখন আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্বে যেকোন সময়
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  3. রায় কার্যকরের পূর্বে যেকোন সময়
  4. সাক্ষীদের জবানবন্দী নেয়ার পূর্বে যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন। 

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৯,৭১২.
"No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence" এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
----------
- সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
৯,৭১৩.
দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. দেওয়ানি আইন
  2. ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
  3. বিশেষ অধিকার আইন
  4. আদালত কর্তৃক নির্দেশিত আইন
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.

(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
৯,৭১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৩ কোন আইনের কোন ধারার বিপরীত বিধান দেয়?
  1. চুক্তি আইনের ধারা ৫৬
  2. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৩
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৬
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৩ ধারা বিধান করে যে, চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ৫৬ ধারা (যা চুক্তির অসম্ভবতা বা frustration নিয়ে) সত্ত্বেও, চুক্তির বিষয়বস্তুর কোনো অংশ যদি চুক্তির তারিখে বিদ্যমান থেকে সম্পাদনের সময় অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তাহলে চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয় না। এটি চুক্তির অংশীদারদের অধিকার রক্ষা করে, যাতে আংশিক ক্ষতি চুক্তিকে পুরোপুরি বাতিল না করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭ সালের ১৩ ধারা: চুক্তির বিষয় যেটি আংশিকভাবে বিলীন হয়ে গেছে:
- চুক্তি আইন, ১৯৭২ এর ৫৬ ধারার কোন কিছুই থাকা সত্ত্বেও, যদি চুক্তির কোন একটি অংশ, যা চুক্তি সম্পাদনের সময় বিদ্যমান ছিল, কিন্তু চুক্তির অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তাহলে সেই চুক্তি সম্পূর্ণভাবে অসম্ভব হয়ে যায় না।
উদাহরণ:
(ক) A একটি বাড়ি B-কে এক লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি করে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই একটি ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। B কে ক্রয়মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে তার চুক্তির অংশ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য করা হতে পারে।
(খ) B এর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের বিনিময়ে, A চুক্তি করে যে সে B-কে B-এর জীবনের জন্য একটি annuity প্রদান করবে। চুক্তি সম্পাদনের পরপরই B ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে মারা যায়। B-এর প্রতিনিধি ক্রয়মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হতে পারে।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-13. Contract of which the subject has partially ceased to exist:
Notwithstanding anything contained in section 56 of the Contract Act, a contract is not wholly impossible of performance because a portion of its subject-matter, existing at its date, has ceased to exist at the time of the performance. Illustrations:
(a) A contracts to sell a house to B for a lakh of taka. The day after the contract is made the house is destroyed by a cyclone. B may be compelled to perform his part of the contract by paying the purchase-money.
(b) In consideration of a sum of money payable by B, A contracts to grant an annuity to B for B's life. The day after the contract has been made, B is thrown from his horse and killed. B's representative may be compelled to pay the purchase-money.

৯,৭১৫.
সরকারি কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩২ ধারা: সরকারী কর্মচারীকে কর্তব্য পালনে বাধা দিতে স্বেচ্ছাকৃত আঘাত:
যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সরকারী কর্মচারীকে আঘাত করে, যখন সেই সরকারী কর্মচারী তার সরকারি দায়িত্ব পালন করছেন, অথবা যদি সেই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে বা অন্য কোনো সরকারী কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দিতে বা নিরুৎসাহিত করতে চায়, অথবা যদি সেই কর্মচারী আইনানুগভাবে তার দায়িত্ব পালনের সময় বা তা করার প্রচেষ্টার ফলে তার ওপর আঘাত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

[Whoever voluntarily causes hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.]
৯,৭১৬.
রায় একবার স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, তা সংশোধন করা যাবে-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
  2. রিভিশনের মাধ্যমে
  3. আপিলের মাধ্যমে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারা অনুসারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০ নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• আদেশ ২০ বিধি-৩ঃ 
রায় ঘোষণার করার সময় বিচারক কর্তৃক উহা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনঃরীক্ষণ ব্যতীত উহা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

Order 20 Rule 3: Judgment to be signed- 
The Judgment shall be dated and signed by the Judge in open Court at the time of pronouncing it and when once signed, shall not afterwards be altered or added to,save as provided by section 152 or on review.]

• উল্লেখ্য যে,দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
> করণিক বা গাণিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes) অথবা
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission); কারণে রায়,ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
৯,৭১৭.
আদেশ-৯, বিধি-৮ এর অধীন প্রদত্ত মামলার খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিল করতে চাইলে, কোন বিধির অধীনে আবেদন করতে হবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৮ক
  2. আদেশ ৯, বিধি ৯
  3. আদেশ ৯, বিধি ৯ক
  4. আদেশ ৯, বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯, বিধি ৯ক
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮: শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত:
যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দেবেন।
বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা তার কোনো অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালত সেই অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দেবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দেবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।
৯,৭১৮.
জামিননামায় অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারে-
  1. জামিনদাতা আদালত
  2. জামিনদাতা পুলিশ
  3. দায়রা আদালত
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮ (জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা)-

(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৯,৭১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে কখন নথিভুক্ত করা হবে?
  1. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
  3. বিচারকের অনুমতি দিলে
  4. পুলিশ সুপারের অনুমোদনের পর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

৯,৭২০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোনটি বেসরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. খতিয়ান
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. আদালতের রায়
  4. সরকারি আদেশ
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৫ অনুযায়ী, বেসরকারি দলিল (Private Document) হলো সেইসব দলিল যা সরকারি কর্তৃপক্ষ বা আদালতের কার্যক্রমের অংশ নয়, বরং ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। বিক্রয় চুক্তি একটি বেসরকারি দলিল, কারণ এটি সাধারণত ব্যক্তিগত লেনদেনের জন্য তৈরি হয় এবং এর সাথে কোনো সরকারি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকে না।
অন্যদিকে:
- খতিয়ান (Land Record) এবং আদালতের রায় সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হয়, কারণ এগুলি সরকারি কর্তৃপক্ষ বা আদালতের নথিপত্র হিসেবে রক্ষিত থাকে।
- সরকারি আদেশ (Government Order) একটি সরকারি দলিল, যা সরকারি সংস্থা বা কর্তৃপক্ষের দ্বারা জারি করা হয় এবং এটি সরকারী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
অতএব, বিক্রয় চুক্তি হলো একটি বেসরকারি দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং
২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৯,৭২১.
“Result of execution proceedings to be certified” – এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ "Result of execution proceedings to be certified" বা "কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন করতে হইবে" – এটি সরাসরি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪১-এর শিরোনাম ও বিষয়বস্তু।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-41: Result of execution proceedings to be certified.
- The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.

৯,৭২২.
"The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives." দেওয়ানী কার্যবিধির_______ এর বিধান।
  1. আদেশ-২১ বিধি-১০১
  2. আদেশ-২২ বিধি-১
  3. আদেশ-২২ বিধি-৮
  4. আদেশ-২২ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২ বিধি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২২ বিধি-১
ব্যাখ্যা
"The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives." দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১ এর বিধান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২২ বিধি-১: মোকদ্দমা করার অধিকার উদ্ভব হয়ে থাকলে পক্ষের মৃত্যুতে মোকদ্দমা বিলোপসাধন হয় না:
মোকদ্দমা করার অধিকার যদি উদ্ভব হয়, তাহলে কোন বাদি বা বিবাদির মৃত্যু মোকদ্দমার বিলুপ্তি ঘটায় না।
-----------
⇒ Order-22 Rule-1: No abatement by party's death, if right to sue survives:
The death of a plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate if the right to sue survives.
৯,৭২৩.
বোবা সাক্ষীর ইশারা বা লিখিত ভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্য কী ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. লিখিত সাক্ষ্য
  2. দলিলগত সাক্ষ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য
  4. শারীরিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম (বোবা), তিনি ইশারা বা লিখনের মাধ্যমে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন। তবে তা অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে করতে হবে।
- এইভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে আইন অনুযায়ী "মৌখিক সাক্ষ্য" (Oral Evidence) হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও তা মুখে বলা নয়।
- উদ্দেশ্য হলো বক্তব্যটি প্রত্যক্ষভাবে আদালতের সামনে উপস্থাপন করা, যা মৌখিক সাক্ষ্যের প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৯,৭২৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুসারে স্বীকৃতির প্রেক্ষিতে রায় (Judgment on admissions) এর বিধান কোনটি?
  1. Order-XII, rule- 6
  2. Order-XXI, rule-3
  3. Order-XXII, rule-2
  4. Order-XXIII, rule-3
সঠিক উত্তর:
Order-XII, rule- 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-XII, rule- 6
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে  "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।

⇒ আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

⇒ Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৯,৭২৫.
At what stage of the suit can the court reject irrelevant or inadmissible documents under Order 13 Rule 3?
  1. Only at the initial stage
  2. Only at the final stage
  3. At any stage of the suit
  4. Before evidence is recorded
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the suit
ব্যাখ্যা
Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।
৯,৭২৬.
“The Court may presume that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration” বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. 114 (b)
  2. 114 (c)
  3. 114 (d)
  4. 114 (e)
সঠিক উত্তর:
114 (c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (c)
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১১৪ ধারার অধীন ৯টি ক্ষেত্রে ঘটনার অস্তিত্ব আদালত অনুমান করতে পারে। 114(c) ধারা অনুযায়ী ‘স্বীকৃত বা পৃষ্ঠাংকিত Bill of exchange উপযুক্ত প্রতিদানের বিনিময়ে স্বীকৃত বা পৃষ্ঠাংকিত হয়েছে’ এমন অনুমান আদালত করতে পারে।
৯,৭২৭.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  3. সরকারের আবেদনে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: নিজের ইচ্ছায় বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যে কোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত তারিখের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট ও বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে।
তাদেরকে সাক্ষ্য উপস্থাপন এবং শুনানি গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, যাতে আদেশ দেওয়ার পূর্বে উভয় পক্ষ নিজ নিজ বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(৩) এই আদেশ বা প্রচলিত অন্য কোনো আইনের যাই থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান প্রাথমিক বিষয় নির্ধারণ ও সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা ট্রাইব্যুনালের যেকোনো এক সদস্যকে দিতে পারেন।

(৪) তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত যেকোনো আদেশ দিতে পারে:
- অভিযোগ খারিজ করা; অথবা
- যদি বার কাউন্সিলের আবেদনে ট্রাইব্যুনালে রেফার করা হয়ে থাকে, তাহলে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া; অথবা
- অনুচ্ছেদ ৩২(১)-এ উল্লিখিত শাস্তিগুলোর যেকোনোটি প্রদান করা।

(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে নিষেধাজ্ঞার (suspension) আদেশ দেয়, তবে নিষেধাজ্ঞার সময়কাল নির্ধারণ করতে হবে।
এই সময়কালের জন্য ঐ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির সামনে আইনচর্চা করতে পারবেন না।

(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য ব্যয়ের আদেশ (cost order) দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে পারে, যা ক্ষতিপূরণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে প্রদান করা হবে।

(৭) ব্যয় সংক্রান্ত যেকোনো আদেশ বা জরিমানার আদেশ হাইকোর্টের আদেশের মতো কার্যকরযোগ্য (executable) হবে।

(৮) ট্রাইব্যুনাল চায়, তাহলে নিজে থেকে বা আবেদন প্রাপ্ত হয়ে, ধারা ৩৪(৪) বা ৩৪(৬)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে এবং তা অবিকল রাখতে, পরিবর্তন করতে বা বাতিল করতে পারে।

(৯) যদি কোনো অ্যাডভোকেটকে প্রতিনিধি (reprimanded) বা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (suspended) করা হয়, তবে সেই শাস্তির রেকর্ড তাঁর নামের পাশে রোলে সংযুক্ত করতে হবে।
আর যদি কাউকে আইনচর্চা থেকে অপসারণ (removed) করা হয়, তবে তাঁর নাম রোল থেকে বাতিল করে দিতে হবে এবং তাঁর সনদপত্র প্রত্যাহার (recalled) করতে হবে।
৯,৭২৮.
কোন আইনের বিধান অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ, তার অধিকার এবং কর্তব্য নিয়ন্ত্রিত হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭
  3. তামাদি আইন, ১৯০৮
  4. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
ব্যাখ্যা
⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
 
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলকঃ-প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
-----------------
⇒ SR Act Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৯,৭২৯.
অ্যাডভোকেট হিসেবে এনরোলমেন্টের জন্য বার কাউন্সিলে জমা দেওয়া আবেদনপত্র প্রথমে কোথায় পাঠানো হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. এনরোলমেন্ট কমিটি
সঠিক উত্তর:
এনরোলমেন্ট কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনরোলমেন্ট কমিটি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩০:
(১) বার কাউন্সিলের নিকট অ্যাডভোকেট হিসেবে এনরোলমেন্টের জন্য প্রাপ্ত সকল আবেদন তার এনরোলমেন্ট কমিটির নিকট প্রেরণ করা হবে।

(২) এনরোলমেন্ট কমিটি আবেদনটি: হয় অনুমোদন করতে পারে, অথবা আবেদন গ্রহণ না করার কারণ লিখিতভাবে উল্লেখ করে তা বার কাউন্সিলে ফেরত পাঠাতে পারে।

(৩) যদি কোনো আবেদন এভাবে ফেরত আসে, তাহলে বার কাউন্সিল: এনরোলমেন্ট কমিটির কারণসমূহ বিবেচনা করে, আবেদনটি অনুমোদন বা বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।
৯,৭৩০.
এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে দলিলের সত্যতা স্বীকারের নোটিশ প্রদান করা হলে, কত দিনের মধ্যে অপর পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৯ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
৯,৭৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে নিচের কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা: 
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
CrPC-Section 6: Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- (a) Courts of Sessions ; and (b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৯,৭৩২.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ২৪ ধারায় নিম্নের কোন আদালতকে মোকদ্দমা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. সহকারী জজ আদালত
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা
খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৯,৭৩৩.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের উদাহরণ?
  1. কোনো সাক্ষীর মৌখিক শোনা কথা
  2. কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন
  3. কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
  4. কোনো নথির প্রতিলিপি আদালতে উপস্থাপন
সঠিক উত্তর:
কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি।

⇒ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence) বলতে বোঝায় যে সাক্ষ্য সরাসরি বিচার্য বিষয়ে প্রভাব ফেলে এবং যার মাধ্যমে আদালত কোনো ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ করতে পারে। এটি সাধারণত এমন সাক্ষ্য যা সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখেছে, শুনেছে বা অনুভব করেছে।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৬০ ধারায় প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য অবশ্যই সাক্ষীর ব্যক্তিগত জ্ঞানের ভিত্তিতে হতে হবে এবং গুজব বা শোনা কথা (Hearsay) গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) কোনো সাক্ষীর মৌখিক শোনা কথা:
- এটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য নয়, বরং পরোক্ষ বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি সাক্ষীর নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং অন্য কারও বলা তথ্যের ভিত্তিতে গঠিত। এটি Hearsay Evidence হিসেবে গণ্য হয়, যা সাধারণত আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়।
(খ) কোনো সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন:
- সংবাদপত্রের প্রতিবেদন একটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতি নয়, বরং সাংবাদিক বা প্রতিবেদকের তৈরি একটি ডকুমেন্ট, যা বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত হতে পারে।
(ঘ) কোনো নথির প্রতিলিপি আদালতে উপস্থাপন:
- কোনো নথির প্রতিলিপি প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়, বরং মাধ্যমিক সাক্ষ্য। কারণ, এটি মূল দলিল নয়, বরং তার অনুলিপি, যা প্রাথমিক সাক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে ব্যবহৃত হথা

⇒ অর্থাৎ কোনো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তি যদি সরাসরি আদালতে তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন, তবে সেটিই প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য।
তাই সঠিক উত্তর: (গ) কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষদর্শীর সরাসরি বিবৃতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬০ অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ,
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা দেখা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি দেখেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে এটি শুনেছে;
যদি এটি এমন একটি বিষয় সম্পর্কে হয় যা অন্য কোনো অনুভূতি বা পদ্ধতিতে অনুভব করা যেতে পারে, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি বলবে সে সেই অনুভূতির মাধ্যমে এটি অনুভব করেছে;
যদি এটি কোনো মতামত বা সেই মতামতের ভিত্তি সম্পর্কে হয়, তবে সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে যে ব্যক্তি ওই মতামতটি ধারণ করেছে এবং তার ভিত্তি জানে।
এছাড়া, বিশেষজ্ঞদের মতামত যে কোনো বইয়ে প্রকাশিত থাকে, সেটি যদি সাধারণভাবে বিক্রয়ের জন্য পাওয়া যায় এবং সেই লেখক মৃত অথবা পাওয়া না যায়, অথবা সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়, বা সাক্ষীকে ডাকার জন্য সময় ও খরচ অধিক হয়, তাহলে আদালত সেই বইটির উত্থাপন করার মাধ্যমে সেই মতামত প্রমাণ করতে পারে।
এছাড়া, যদি মৌখিক সাক্ষ্য কোনো পদার্থের অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে হয়, যা একটি দলিল ছাড়া অন্য কোনো বস্তু, তবে আদালত, যদি তা প্রযোজ্য মনে করে, তখন সেই বস্তুটির পরিদর্শনের জন্য উত্থাপন করতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section-60: Oral evidence must be direct:
- Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say-
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it;
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner;
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds:
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable:
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৯,৭৩৪.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Assault
  2. hurt
  3. Criminal force
  4. Assault with intent to outrage modesty
সঠিক উত্তর:
Criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।

(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section-350. Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.

(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৯,৭৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. ঘোষণার কারণ
  2. ঘোষণার ফলাফল 
  3. ঘোষণার শর্ত 
  4. ঘোষণার বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার ফলাফল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণার ফলাফল 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
-----------------
Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

৯,৭৩৬.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার প্রাপ্তির বিষয়টি--------
  1. একচ্ছত্র অধিকার
  2. আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
  3. সাংবিধানিক অধিকার
  4. দেওয়ানিঅধিকার
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ যে সকল কার্য সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কার্যসম্পাদন পুরোপুরি বা আংশিক একটি আছি / জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়।
(খ) কার্যসম্পাদন না করলে যে ক্ষতি হবে তার পরিমাণ নির্ণয়ের কোন মানদন্ড না থাকলে ।
(গ) কার্যসম্পাদন না করলে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না ।
(ঘ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।

♦ এই ধারায় প্রতিকার প্রদান আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৯,৭৩৭.
'B' সরাসরি 'A'-কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে। 'B' আদালতে সাক্ষ্য দিতে না এসে 'C'-কে এই ঘটনা বলে। এখন 'C' আদালতে এসে বলছে যে, "'B' আমাকে বলেছে যে সে 'A'-কে অপরাধ করতে দেখেছে।" 'C'-এর এই সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন অনুসারে কী হবে?
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  3. গ্রহণযোগ্যতা আদালতের বিবেচনাধীন
  4. শুধুমাত্র মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ অনুসারে, 'C'-এর এই সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয় কারণ এটি পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (Hearsay Evidence)।
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে।
-অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 60. Oral evidence must be direct:
Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;

৯,৭৩৮.
Under Section 304A of The Penal Code, a person can be punished if they cause death due to:
  1. Self-defense
  2. Intentional action
  3. Rash or negligent act
  4. Accident without negligence
সঠিক উত্তর:
Rash or negligent act
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rash or negligent act
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 304A: Causing death by negligence:
 Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
৯,৭৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে তা নির্দেশ করা হয়?
  1. ১ম কলাম
  2. ৩য় কলাম
  3. ৪র্থ কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৩য় কলাম-এ পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা (অর্থাৎ, কোন অপরাধে পুলিশ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য) নির্দেশ করা হয়।
- দ্বিতীয় তফসিল মূলত পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারাসমূহ, সংশ্লিষ্ট অপরাধ, এবং তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংবলিত। এর মধ্যে ৩য় কলামটি স্পষ্ট করে দেয় পুলিশ কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়া (বিনা ওয়ারেন্টে) গ্রেফতার করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে পারবে না।
- অর্থাৎ, এই কলামটি “অমলযোগ্য” (cognizable) এবং “অমল-অযোগ্য” (non-cognizable) অপরাধের পার্থক্য নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
৯,৭৪০.
অভিযোগের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায়, নির্ধারিত তারিখে অভিযোগকারী উপস্থিত না হলে কী হবে?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭: অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং যে দিনে অভিযুক্তের হাজিরা দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বা তার পরবর্তী যে কোনো মুলতবি তারিখে অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দেবেন।

তবে, যদি কোনো কারণে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে শুনানিটি অন্য আরেকটি তারিখে মুলতবি করা উচিত, তিনি তা করতে পারবেন।

শর্ত (Proviso):
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন এবং তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মামলার জন্য আবশ্যক না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অনুপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।

৯,৭৪১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭০ অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী দলিল স্বীকার করলে, সাক্ষী না থাকলেও তা-
  1. গ্রহণযোগ্য নয়
  2. বাতিল বলে বিবেচিত হবে
  3. প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৭০: স্বাক্ষরিত দলিলের সম্পাদন স্বীকারোক্তি:
"যে ব্যক্তি কোন সাক্ষীকৃত দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে নিজে দলিলটি সম্পাদন করেছেন তা যদি স্বীকার করেন, তবে এটি তার বিরুদ্ধে দলিলটির সম্পাদনের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে—যদিও আইন অনুযায়ী দলিলটিতে সাক্ষী থাকা আবশ্যক।"

[The admission of a party to an attested document of its execution by himself shall be sufficient proof of its execution as against him, though it be a document required by law to be attested.]
৯,৭৪২.
দণ্ডবিধির ৩১২ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটালে এবং তা মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য না হলে, সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩১২ অনুযায়ী বলা হয়েছে:
“যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এমন কোনো কার্য করেন, যার ফলে গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য “সৎ বিশ্বাসে” (good faith) করা না হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।”
এছাড়াও, যদি ঐ নারী “quick with child” অর্থাৎ গর্ভধারণের পর নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছে থাকেন (সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিক বোঝানো হয়), তাহলে শাস্তি আরও বেশি হয় – সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
তবে প্রশ্নে গর্ভপাতের সাধারণ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই: সঠিক উত্তর: ৩ বছর কারাদণ্ড — ধারা ৩১২ অনুসারে, যদি গর্ভপাত মায়ের জীবন বাঁচানোর উদ্দেশ্যে না করা হয়।

ধারা ৩১২: গর্ভপাত ঘটানো (Causing miscarriage)
"যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত ঘটায়, এবং যদি তা মায়ের জীবন রক্ষার জন্য সৎ বিশ্বাসে (good faith) করা না হয়, তবে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (simple বা rigorous imprisonment) দণ্ডিত হবেন, অথবা জরিমানা দিতে হবে, কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আর যদি নারী “quick with child” অবস্থায় থাকেন, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকার কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান থাকবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অধীনে এমনকি যদি কোনো নারী নিজেই নিজের গর্ভপাত ঘটান, তাহলে তিনিও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 312. Causing miscarriage:
Whoever voluntarily causes a woman with child to miscarry, shall, if such miscarriage be not caused in good faith for the purpose of saving the life of the woman, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and,
if the woman be quick with child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
Explanation.-A woman who causes herself to miscarry, is within the meaning of this section.

৯,৭৪৩.
আদালতের অভিমত গ্রহণের উদ্দেশ্যে মোকদ্দমার বিবৃতি কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. মৌখিকভাবে
  2. লিখিতভাবে
  3. ই-মেইলের মাধ্যমে
  4. সাক্ষীর উপস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে
ব্যাখ্যা
ধারা-৯০: আদালতের অভিমতের জন্য মোকদ্দমায় বিবৃতি প্রদানের ক্ষমতা:
যখন কোন ব্যক্তিবর্গ আদালতের অভিমত গ্রহণের নিমিত্তে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ সম্পর্কে লিখিতভাবে বিবৃতি প্রদানে সম্মত থাকে, তখন আদালত নির্ধারিত পদ্ধতিতে ঐ মোকদ্দমার বিচার নিষ্পত্তি করবেন।

Sec.-90: Power to state case for opinion of Court:
Where any persons agree in writing to state a case for the opinion of the Court, then the Court shall try and determine the same in the manner prescribed.
৯,৭৪৪.
'Against whom Contracts cannot be specifically enforced' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৭ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারণা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারণার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
 
⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে নাঃ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে নাঃ
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
 
⇒ Section 28 What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
৯,৭৪৫.
দণ্ডবিধির ৭৩ ধারা অনুসারে কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে, নির্জন কারাবাস সর্বোচ্চ কত দিনের হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে:
-কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত;
কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 73: Solitary confinement:
Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say:-
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months: 
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
৯,৭৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায়, কোন শর্তে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে?
  1. যখন কোনো যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড প্রদান করেন
  2. যখন কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচার করেন
  3. যখন কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হন
  4. উল্লিখিত সব শর্ত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮-এ উল্লিখিত শর্তে, যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচারে দণ্ডিত করেন, তবে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৯,৭৪৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপিল আদালতের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং পুনর্বিচার
  3. কেবলমাত্র অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ এবং বিচার্য বিষয় গঠন
  4. চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, পুনর্বিচার, বিচার্য বিষয় গঠন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
৯,৭৪৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২) অনুযায়ী কে এই ধারার অধীনে পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.”
- অর্থাৎ, ধারা ৪৯১ এর অধীনে habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ জারি করার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম বা বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের কাছে ন্যস্ত।
- এটি আদালতের স্বাধীনতা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধান ও আইনের আলোকে বেআইনীভাবে আটক ব্যক্তিদের দ্রুত ন্যায়বিচার দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
৯,৭৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫৬-এর অধীনে সিভিল কারাগারে আটকের নিষেধাজ্ঞা কার জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. বৃদ্ধ মহিলার জন্য
  2. অসুস্থ মহিলার জন্য
  3. গর্ভবতী মহিলার জন্য
  4. সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
সঠিক উত্তর:
সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ যুবতী মহিলার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬ অনুসারে, অর্থের ডিক্রির কার্যকরে শুধুমাত্র বৃদ্ধ, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের গ্রেপ্তার বা সিভিল কারাগারে আটকের আদেশ দেয়া নিষিদ্ধ। সাধারণ যুবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়, যদি না তারা উপরোক্ত ধরনের মধ্যে পড়ে।
অর্থাৎ কোনো নারীকে টাকার রায় বাস্তবায়নে গ্রেপ্তার করা যাবে না, যদি তিনি বুড়ো, অসুস্থ, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী হন। 

⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section- 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money: Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.

৯,৭৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়রা আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে
  2. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড কমাতে পারে
  3. আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে পারে
  4. অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
- অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে (যদি প্রয়োজন মনে করে)।
- মামলার রেকর্ড পর্যালোচনা করে নতুন সাক্ষ্য বা প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে।
- এটি বিশেষভাবে আপিল চলাকালীন প্রযোজ্য, যখন আদালত মনে করে যে অতিরিক্ত তদন্ত বা সাক্ষ্য প্রয়োজন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।

-ধারা ৩৭৫-
কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
৯,৭৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারার অধীনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কোন কর্মকর্তার বিশেষ আদেশ প্রয়োজন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
 
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
৯,৭৫২.
অভিযোগ বিষয়ে শুনানিকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত বিতর্কিত দলিলাদি বিবেচনা করা যাবে কিনা?
  1. হ্যাঁ
  2. এটি আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
  3. না
  4. মূল দলিল দাখিল সাপেক্ষে বিবেচনা করা যাবে
সঠিক উত্তর:
না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়। শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
৯,৭৫৩.
সাক্ষ্য আইন কোন সালের কত নম্বর আইন?
  1. ১৮৭২ সালের ৫নং আইন
  2. ১৯৭২ সালের ১নং আইন
  3. ১৮৭২ সালের ১নং আইন
  4. ১৮৭৩ সালের ৫নং আইন
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালের ১নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালের ১নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৫০ সালে সর্ব প্রথম স্যার হেনরি সামার মেইন সাক্ষ্য আইনের খসড়া বিল তৈরি করলেও তা ভারতে ব্যবহারের অনুপযোগী ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৮৭১ সালে স্যার জেমস স্টিফেনকে (Fitz-James Stephen) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয় এবং স্যার জেমস স্টিফেন ১৮৭১ সালে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রণয়ন করেন। সুতরাং সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুতকারী হলো স্যার জেমস স্টিফেন।

 ⇒ স্যার জেমস স্টিফেনকে সাক্ষ্য আইনের জনক বলা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১নং আইন। The Evidence Act, 1872 ( ACT NO. I OF 1872 )

⇒ ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনটি ১১টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ১৬৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনে ৩টি ভাগ (Part) রয়েছে।
৯,৭৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা মতে, আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার ________ বলে পরিগণিত হবেন।
  1. অযোগ্য ব্যক্তি
  2. উপযুক্ত ব্যক্তি
  3. অনুপযুক্ত ব্যক্তি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯,৭৫৫.
দণ্ডবিধি অনুসারে বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-142: Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৯,৭৫৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানমতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ সরাসরি রদ করার আবেদন করা যায়?
  1. আদেশ ৯ এর ৯ বিধিমতে
  2. আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
  3. আদেশ ৯ এর ১৩ বিধিমতে
  4. আদেশ ৯ এর ১৩ক বিধিমতে
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯ এর ৯ক বিধিমতে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )-
বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
- খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
- অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
- সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
৯,৭৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি-
  1. Civil law
  2. Procedural law
  3. Substantive law
  4. Substantive criminal law
সঠিক উত্তর:
Procedural law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural law
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law. সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
৯,৭৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ অনুযায়ী, যদি আসামি দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হয়, তাহলে আপীল করা যাবে-
  1. মামলার সব বিষয়ে
  2. শুধুমাত্র জামিনের জন্য
  3. দোষের প্রমাণ না থাকলে
  4. শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ (Section 412 of the CrPC, 1898) অনুযায়ী বলা হয়েছে—
"যেখানে একজন আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) তাকে দণ্ডিত করে, সেখানে সেই আসামি শুধুমাত্র আপীল করতে পারবেন দণ্ডের 'পরিমাণ বা বৈধতা' (extent or legality of the sentence) বিষয়ে।"
অর্থাৎ: যদি আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেন, তাহলে তিনি আর মামলা বা দোষের বিষয়ে আপীল করতে পারবেন না,
- তবে তিনি দণ্ডটা বেশি হয়েছে বা আইনসঙ্গত হয়নি – এই মর্মে আপীল করতে পারবেন।

-সঠিক উত্তর: ঘ) শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
৯,৭৫৯.
সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি করবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
৯,৭৬০.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন কে বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) ঘোষণা করেন?
  1. সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
  2. আদালতের বিচারক
  3. আসামী পক্ষের অ্যাডভোকেট
  4. সাক্ষী নিজেই
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার সাক্ষীকে পরীক্ষা করলে তা জবানবন্দি বলে গণ্য হয়। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ সেই সাক্ষীকে জেরা করে। তবে ১৫৪ ধারার অধীন যদি সাক্ষী আনয়নকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেরা করা শুরু করে তখন সেই সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী বলে। বৈরী সাক্ষী যে সাক্ষ্য দেয় সেটা হল বৈরী সাক্ষ্য।

⇒  বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒  সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒  যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒  এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৯,৭৬১.
সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়ার শাস্তি-
  1. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  4. শুধুমাত্র জরিমানা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি- ১৬৮ ধারা মতে সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে ব্যবসায় লিপ্ত হওয়ার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৯,৭৬২.
''যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারেন''-দেওয়ানী কার্যবিধির কত বিধানের অধীন?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৬ বিধি ১
  3. আদেশ ১৫ বিধি ১
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৯,৭৬৩.
অভিযুক্তের অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় নিম্নের কোন দলিল বিবেচনায় নেয়া যায় না ?
  1. অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী
  3. প্রাথমিক তথ্য বিবরণী
  4. ডাক্তারের সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র তার অব্যাহতি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য হবে না।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

> অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
> প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং
> প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
৯,৭৬৪.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা বাদীর ক্ষতিপূরণের মামলা করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে?
  1. ধারা ২৯
  2. ধারা ৩৯
  3. ধারা ৪১
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৯
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৯,৭৬৫.
'Admissibility of Digital Records' - সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ধারা ৬৫
  2. ধারা ৬৫ক
  3. ধারা ৬৫খ
  4. ধারা ৬৫গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৫খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৫খ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৫খ- ডিজিটাল রেকর্ডের গ্রহণযোগ্যতা (Admissibility of Digital Records):
(১) এই আইনে অন্য কোনো বিধান থাকলেও, যদি কোনো তথ্য ডিজিটাল রেকর্ডে (Digital Record) থাকে—
এবং সেই তথ্য যদি কাগজে প্রিন্ট করা হয়, অথবা অপটিক্যাল (CD, DVD ইত্যাদি) বা ম্যাগনেটিক মিডিয়া (Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি) তে সংরক্ষিত, রেকর্ডকৃত বা কপি করা হয়, তাহলে সেটি “কম্পিউটার আউটপুট (computer output)” হিসেবে গণ্য হবে, এবং নির্দিষ্ট শর্তগুলো পূরণ হলে, সেটিকে আদালতে মূল প্রমাণ (primary evidence) হিসেবে গ্রহণ করা যাবে - মূল ডকুমেন্ট হাজির করার প্রয়োজন হবে না।

(২) শর্তাবলি (Conditions):
একটি কম্পিউটার আউটপুট আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে হলে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে —
(a) কম্পিউটারটি নিয়মিত ব্যবহৃত হত সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা, যারা আইনগতভাবে কম্পিউটার ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
(b) সংশ্লিষ্ট সময়কালে, তথ্যগুলো নিয়মিতভাবে ওই কম্পিউটারে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত করা হত।
(c) সেই সময়কালে কম্পিউটারটি ঠিকভাবে কাজ করছিল; যদি কোনো সময় ঠিকভাবে না চলে, তবে তা যেন রেকর্ডের যথার্থতায় প্রভাব না ফেলে।
(d) ডিজিটাল রেকর্ডে যে তথ্য আছে, তা কম্পিউটারে সংরক্ষিত তথ্যের সঠিক পুনরুৎপাদন (reproduction) বা তার থেকেই উদ্ভূত (derived)।

(৩) যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াজাতকরণ একাধিক কম্পিউটার দ্বারা বা ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন কম্পিউটারে সম্পন্ন হয়,
তাহলে সেই সব কম্পিউটারগুলোকে একত্রে একটি কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হবে।

(৪) সার্টিফিকেট (Certificate):
যখন আদালতে ডিজিটাল প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে, তখন একটি সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে যাতে উল্লেখ থাকবে —
(a) কোন ডিজিটাল রেকর্ডে তথ্যটি আছে এবং কীভাবে তা তৈরি হয়েছে;
(b) রেকর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্র বা ডিভাইসের বিবরণ;
(c) উপরের (২) নং উপধারার শর্তগুলো পূরণের প্রমাণ;
এবং এটি এমন ব্যক্তির স্বাক্ষরে হতে হবে যিনি দায়িত্বশীল অফিসিয়াল পদে অধিষ্ঠিত।

এই সার্টিফিকেটটি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে, যদি তা দায়িত্বশীলভাবে এবং সৎ বিশ্বাসে প্রদান করা হয়।

(৫) সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা:
(a) কোনো তথ্য কম্পিউটারে সরবরাহ করা হয়েছে বলা হবে, যদি তা সরাসরি বা যেকোনো উপযুক্ত যন্ত্রের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

(b) কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহারের জন্য অন্য কারও কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ করা হলেও, সেটি ঐ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

(c) কোনো কম্পিউটার আউটপুট কম্পিউটার দ্বারা উৎপন্ন বলে গণ্য হবে, তা সরাসরি হোক বা অন্য কোনো ডিভাইসের সহায়তায় (মানব হস্তক্ষেপ থাকুক বা না থাকুক)।

৯,৭৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Rescission for mistake' এর বিধান আছে?
  1. ৩৫ ধারায়
  2. ৩৬ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
৯,৭৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করা
  2. আদালতের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলা
  3. সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
  4. নিজ মত অনুযায়ী তথ্য উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ বলছে, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যা করার জন্য দোভাষীর সেবা গ্রহণ করেন, তখন সেই দোভাষী বাধ্য থাকেন সত্য ও সঠিক ব্যাখ্যা দিতে। আদালতের বিচার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য, দোভাষীর নিরপেক্ষ ও প্রকৃত অনুবাদ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা দোভাষীকে সত্য ব্যাখ্যা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুসারে দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব হলো, সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। তাই সঠিক উত্তর: গ) সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৯,৭৬৮.
দণ্ডবিধির ২৮৩ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের পথে বা নৌপথে কোন বিপদ সৃষ্টি করে, তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২৮৩ অনুযায়ী:
“যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কাজ করে বা তার দায়িত্বে থাকা কোনো সম্পত্তি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিয়ে জনসাধারণের চলাচলের পথ বা নৌপথে বিপদ, প্রতিবন্ধকতা বা ক্ষতি সৃষ্টি করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা করা যেতে পারে।”

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ২৮৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জনসাধারণের পথে বা নৌপথে কোন বিপদ, প্রতিবন্ধকতা বা ক্ষতির সৃষ্টি করেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা জরিমানা করা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: খ) ২০০ টাকা। 

⇒ The Penal Code, 1860- Section 283. Danger or obstruction in public way or line of navigation:
 Whoever, by doing any act, or by omitting to take order with any property in his possession or under his charge, causes danger, obstruction or injury to any person in any public way or public line of navigation, shall be punished with fine which may extend to two hundred taka.
৯,৭৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে কী থাকা বাধ্যতামূলক?
  1. সাক্ষীদের নাম ও ঠিকানা
  2. পুলিশ প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ
  3. মামলার সম্ভাব্য শাস্তির পরিমাণ
  4. আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
সঠিক উত্তর:
আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১(১) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged."
- "এই কোড অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে।"
- এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান। চার্জে অবশ্যই অভিযোগের স্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে যাতে আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে এবং আত্মপক্ষ সমর্থন প্রস্তুত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে:
(১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।
(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণ: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।
(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কীভাবে উল্লেখ করতে হবে: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।
(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।
(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়: কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যে-সব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।
(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজিতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।
(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবে: আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 221:
(1) Charge to state offence-
- Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.
(2 )Specific name of offence sufficient description-
- If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.
(3) How stated where offence has no specific name-
- If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.
(5) What implied in charge-
- The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.
(6) Language of charge- The charge shall be written either in English or in the language of the Court.
(7) Previous conviction when to be set out-
- If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.

৯,৭৭০.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান অপ্রযোজ্য?
  1. আপিল
  2. ডিক্রি জারি
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৯,৭৭১.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৫, বিধি ৩(১) অনুযায়ী, আদালত কখন সরাসরি রায় দিতে পারেন?
  1. প্রমাণের অভাবে হলে
  2. যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
  3. পক্ষগণ অনুপস্থিত হলে
  4. আপিল করা হলে
সঠিক উত্তর:
যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৫, বিধি ৩(১) অনুযায়ী, যদি মামলার পক্ষগণ কোনো প্রশ্নে (আইনি বা প্রকৃত ঘটনা সংক্রান্ত) মতবিরোধে থাকেন এবং সেই বিষয়ে ইস্যু নির্ধারিত হয়ে থাকে, তখন আদালত নিচের দুটি শর্ত পূরণ হলে সরাসরি রায় দিতে পারেন:
১. মামলার নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় যে প্রমাণ বা যুক্তি আছে, তা পক্ষগণ সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থাপন করতে সক্ষম এবং তার বাইরে আর কিছু দরকার নেই।
২. এভাবে তাৎক্ষণিকভাবে রায় দিলে কোনো পক্ষের প্রতি অবিচার হবে না।

এই দুই শর্ত পূরণ হলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় প্রদান করতে পারেন, এমনকি যদি মামলার জন্য সমন শুধু "ইস্যু নির্ধারণের" জন্যই জারি হয়ে থাকে, তবুও—যদি পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবী উপস্থিত থাকে এবং কেউ আপত্তি না করে।
-অতএব, “যুক্তি-প্রমাণ যথেষ্ট হলে” আদালত রায় দিতে পারেন — এটিই সঠিক উত্তর।

Order XV, Rule 3 — Parties at Issue:
(1) Where the parties are at issue on some question of law or of fact, and issues have been framed by the Court as hereinbefore provided, if the Court is satisfied that no further argument or evidence than the parties can at once adduce is required upon such of the issues as may be sufficient for the decision of the suit, and that no injustice will result from proceeding with the suit forthwith, the Court may proceed to determine such issues, and, if the finding thereon is sufficient for the decision, may pronounce judgment accordingly, whether the summons has been issued for the settlement of issues only or for the final disposal of the suit:
Provided that, where the summons has been issued for the settlement of issues only, the parties or their pleaders are present and none of them objects.
(2) Where the finding is not sufficient for the decision, the Court shall postpone the further hearing of the suit, and shall fix a day for the production of such further evidence, or for such further argument as the case requires.
৯,৭৭২.
"Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies."- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
Section 12- Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

ধারা ১২- পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা:
কোনো বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
৯,৭৭৩.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ১ মাসের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  2. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ৫০ টাকা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  3. কেবল অর্থদন্ডাদেশ দিলে উক্ত অর্থ অনাদায়ে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  4. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দন্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।  
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
৯,৭৭৪.
একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. মক্কেলের পছন্দ অনুযায়ী
  2. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী
  3. সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  4. জুনিয়র অ্যাডভোকেট
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) সিনিয়র অ্যাডভোকেট।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
৯,৭৭৫.
Under Section 125 of The Code of Criminal Procedure, 1898, who has the power to cancel a bond for keeping the peace or good behaviour?
  1. High Court
  2. Sessions Judge
  3. District Magistrate
  4. Superintendent of Police
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.

ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।
৯,৭৭৬.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  3. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
  4. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

♦ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

 ♦ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
৯,৭৭৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. উল্লিখিত সকলের 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৪৩ অনুসারে, ঘোষণামূলক ডিক্রি নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের উপর বাধ্যকর হবে:
১. মোকদ্দমার পক্ষগণ
২. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ
৩. পক্ষগণের জিম্মাদার (যেমন: ট্রাস্টি)
- এই বিধান অনুযায়ী, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র সরাসরি পক্ষগণের উপরই নয়, বরং তাদের উত্তরাধিকারী, বৈধ দাবিদার এবং ট্রাস্টিগণের জন্যও বাধ্যতামূলক।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

৯,৭৭৮.
'ক' এর প্ররোচনায় 'খ' খুন করার উদ্দেশ্যে 'গ' কে ছুরিকাঘাত করে। 'গ' চিকিৎসাস্ত্রে সুস্থ হইয়া উঠে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করিয়াছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. 'গ' সুস্থ হওয়ায় কোন অপরাধ হয় নাই।
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন করার প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা ২ অনুযায়ী 'ক' খুন করার প্ররোচনার অপরাধ করিয়াছে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।


---------------
⇒ Culpable homicide

Section 299. Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.

Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৯,৭৭৯.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩২
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ:
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-
১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নির্ধারিত পন্থায় বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
৯,৭৮০.
আসামীর মৃত্যু হলে কোন আপিল পণ্ড বা বাতিল হবে?
  1. সকল আপিল
  2. জরিমানা বা অর্থদণ্ডের আপিল
  3. ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
  4. কোনো আপিলই বাতিল হবে না
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ, জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
৯,৭৮১.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. ১৭ ধারা- প্রতারণার ফলাফল
  2. ১৮ ধারা- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল
  3. ১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
  4. ২০ ধারা- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ এর ফলাফল
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন তৃতীয় অধ্যায় - তামাদির সময় /মেয়াদ গণনা-
ধারা ১২- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে
ধারা ১৩- বাংলাদেশ ও অনান্য কয়েকটি এলাকা থেকে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীন সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।
ধারা ১৪- এখতিয়ারবিহীন আদালতের সুউদ্দেশ্যমূলক কার্যক্রমে যে সময় গণনা হতে বাদ দিতে হয়।
ধারা ১৫- কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৬- ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মূলতবী থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
ধারা-১৭- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল।
ধারা-১৮- প্রতারণার ফলাফল।
ধারা-১৯- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
ধারা ২০- উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল।

ধারা ২১- অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি।
ধারা-২২- নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারো স্থলাভিষিক্ত কিংবা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল।
ধারা-২৩- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ অথবা অন্যায় করা।
ধারা-২৪- বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা।
ধারা-২৫- দলিলের উল্লিখিত সময়ের হিসাব।
৯,৭৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির আদেশে
  2. সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশে
  4. জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত সাধারণ নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়।সুতরাং সঠিক উত্তর হবে: খ) সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.

৯,৭৮৩.
A, B-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা হতে বিরত করার উদ্দেশ্যে B-এর ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। A এর অপরাধ কি?
  1. ঘরে আগুন দেওয়া
  2. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
  3. অনিষ্ট সাধন উত্তর
  4. ভয় দেখানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি (injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।
♦ যেমন- ক, খ-কে একটি দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এখানে ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
♦ ভীতি প্রদর্শিত লোকের স্বার্থ নিহিত রয়েছে এমন কোন মৃত লোকের সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শনও ৫০৩ ধারার অপরাধ বলে গণ্য হবে। যেমন- কামাল, রফিককে একটি কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য রফিকের মৃত বাবার নামে কুৎসা রটানের হুমকি প্রদান করে। এখানে কামাল অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে ।
৯,৭৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তবে কে তাকে মুক্তি দেবে?
  1. জামিনদাতা।
  2. পুলিশ কর্মকর্তা।
  3. আদালতের বিচারক।
  4. জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তখন আদালত ওই ব্যক্তির মুক্তির জন্য জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একটি আদেশ প্রদান করে। সেই কর্মকর্তা আদেশটি গ্রহণ করার পর ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেন।
- এখানে আদালত জামিনের আদেশ জারি করলেও, মুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নটি জেলের কর্মকর্তার মাধ্যমে হয়, কারণ তারা সরাসরি বন্দির মুক্তির দায়িত্বে থাকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫০০:
(১) যেহেতু বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, যাদের উপস্থিতির জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, তাদের মুক্তি প্রদান করা হবে; এবং, যদি তারা জেলে থাকে, তবে আদালত জামিন মঞ্জুরকারী আদালত মুক্তির জন্য আদেশ জারি করবে জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, এবং ঐ কর্মকর্তা আদেশ গ্রহণের পর তাকে মুক্তি দিবে।
(২) এই ধারা, ধারা ৪৯৬ বা ধারা ৪৯৭ এর কোন কিছু এমনভাবে বিবেচিত হবে না যা কোনো ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বাধ্য করে যদি তাকে অন্য কোনো কারণে আটক রাখা হয়, যার সঙ্গে বন্ড সম্পাদিত বিষয় সম্পর্কিত নয়।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৯,৭৮৫.
রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. সরকারের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒ Section-123. Evidence as to affairs of State: No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৯,৭৮৬.
আদি এখতিয়ার দ্বারা হাইকোর্ট ডিভিশনের দেয়া কোন রায় ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সুপ্রিম কোর্টে
  3. আপিল বিভাগে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ CPC Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
৯,৭৮৭.
ধারা ৪১ অনুযায়ী আদালত কাকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. সরকারকে
  2. দলিলের উভয় পক্ষকে
  3. দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
  4. কেউকে নয়
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রাপ্ত পক্ষকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১:
দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 41:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৯,৭৮৮.
সরকারী দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণের জন্য জাবেদা নকল (certified copy) দাখিল করা যেতে পারে-
  1. ৬৪ ধারায়
  2. ৭৫ ধারায়
  3. ৬৬ ধারায়
  4. ৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারার বিধানঃ প্রত্যায়িত অনুলিপি উপস্থিত করে দলিল প্রমাণঃ অনুরূপ প্রত্যায়িত অনুলিপি যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বা যে সরকারী দলিলের অংশবিশেষের অনুলিপি বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, সেই দলিলের বা তাহার অংশ বিশেষের বিষয় বস্তু প্রমানস্বরুপ ইহা দাখিল করা যাইতে পারে।

♦সাক্ষ্য আইনের  ৭৭ ধারা জাবেদার নকল উপস্থাপন করে দলিল প্রমাণ (Proof of documents by production of certified copies):
জোবেদা নকল যে সরকারী দলিলের অনুলিপি বলে বুঝানো হয়, সেই দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণে তা দাখিল করা যেতে পারে।
♦যেসব ব্যক্তিগত দলিল সরকারি দলিল হিসেবে বিবেচিত সেসব দলিলও জাবেদা নকলের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়।
৯,৭৮৯.
'Subsequent pleadings' বলতে কী বোঝায়?
  1. প্লিডিংয়ের সাথে দলিলপত্র যুক্ত করা
  2. প্লিডিংয়ের সাথে ফিরিস্তি ফরম যুক্ত করা
  3. আপিল আদালতে রেসপন্ডেন্ট কর্তৃক ক্রস অবেজকশনের দাবি তোলা
  4. দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - (ঘ) দাবি সমন্বয়ের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কর্তৃক তলবকৃত প্লিডিং।

“Subsequent Pleadings” বলতে বোঝায় মূল লিখিত জবাব (Written Statement) দাখিলের পর, আদালতের অনুমতিক্রমে বা বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন দাবি-সমন্বয় / Counter-claim) অতিরিক্ত বা পরবর্তী প্লিডিং (Additional Pleading) দাখিল করা।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

৯,৭৯০.
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার অধীনে, কোন দলিল যদি কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে—
  1. কেবল এক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  2. প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  3. শুধু প্রধান খণ্ড প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
  4. খণ্ডিত দলিল সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেক খণ্ডই প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) বিধান রয়েছে।

প্রাথমিক সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্যের মানে সংশ্লিষ্ট দলিলটিই আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হইলে প্রত্যেক খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।
কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয়, এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন মাত্র কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি উহার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল একই পদ্ধতিতে প্রস্তুত হয়, যথা মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হইয়া থাকে, সেইক্ষেত্রে উহার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য কিন্তু যেক্ষেত্রে সেইগুলি একই মূল দলিলের নকল সেই ক্ষেত্রে ঐগুলি মূল দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য হইবে না।

Section 62⇒ Primary evidence:
Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court. 
 
Explanation 1.- Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document. 
Where a document is executed in counterpart, each counterpart being executed by one or some of the parties only, each counterpart is primary evidence as against the parties executing it. 
 
Explanation 2.- Where a number of documents are all made by one uniform process, as in the case of printing, lithography or photography, each is primary evidence of the contents of the rest; but, where they are all copies of a common original, they are not primary evidence of the contents of the original.
৯,৭৯১.
তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় X অপরাধ করেছে?
  1. ৩০৭
  2. ৩২৫
  3. ৩০২
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
৩০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪
ব্যাখ্যা
♦ The Penal Code, 1860 এর  ৩০৪ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার জন্য ২ ধরণের শাস্তি রয়েছে। যথা- মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড মৃত্যুর অভিপ্রায় নিয়ে নিন্দনীয় নরহত্যা হলে শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক ১০ বছর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।

♦ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে X, Y কে গুরুতর আঘাত করলে তিনদিন পর Y মারা যায়। X মৃত্যুর অভিপ্রায় ব্যতীত নিন্দনীয় নরহত্যা করেছে তাই তার অপরাধ  The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারার বিধান অনুযায়ী গণ্য হবে বা শাস্তি হবে। 
৯,৭৯২.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯-এর ১ম অধ্যায়ের কোন বিধিতে অ্যাডভোকেটদের পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. বিধি-৪
  2. বিধি-৩
  3. বিধি-২
  4. বিধি-১
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-২ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য মাধ্যম দ্বারা পেশাগত চাকরি বা কেস তালাশ করতে পারবেন না। তবে, সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়, যেখানে শুধুমাত্র পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং সরকারি পদ উল্লেখ করা হয়।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত চাকরি/কেস তালাশ করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।

2. An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.
৯,৭৯৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্মলিখিত কোন পন্থায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে না ?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
  2. সম্পত্তির দখল দাবীদারকে অর্পণের মাধ্যমে
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
  4. যে কাজ করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে তা করার আদেশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা 
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
♦যদিও ৫ এর ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
৯,৭৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৪৯ কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. ডিক্রি জারি
  2. ডিক্রি হস্তান্তর
  3. ডিক্রি বাতিল
  4. ডিক্রি সংশোধন
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির, ১৯০৮ এর ধারা ৪৯ (Section 49) হলো "Transferee" অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তর সম্পর্কিত বিধান।
- এই ধারায় বলা হয়েছে "Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder."
- অর্থাৎ, যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) সেই ডিক্রিটি তেমনিভাবেই গ্রহণ করবেন, যেভাবে মূল ডিক্রি-ধারী (Original Decree-holder) তা ভোগ করতেন।
- ডিক্রি-দেনাদার (Judgment-debtor) যে প্রতিরক্ষা বা অধিকার মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারতেন, তা হস্তান্তরিত ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধেও প্রযোজ্য হবে।
- কোনো অতিরিক্ত সুবিধা বা অধিকারের দাবী Transferee করতে পারবেন না।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৪৯ মূলত ডিক্রির হস্তান্তর (Transfer of Decree) ও হস্তান্তরিত ব্যক্তির অধিকার সীমাবদ্ধতা নির্ধারণ করে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.
৯,৭৯৫.
'ক' একজন অতি ন্যায়বান, নিরীহ এবং ধার্মিক মানুষ। 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আদালতে উঠেছে। সেখানে তার আইনজীবী সাক্ষ্য শুনানীর সময় 'ক' এর সচ্চরিত্রের পরিচয় বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইলে এর পরিণতি হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
  2. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে আদালত বাধা প্রদান করবে
  3. সচ্চরিত্র তুলে ধরতে বিপক্ষ আইনজীবী তাকে বাধা প্রদান করবে
  4. কোনটি সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে সচ্চরিত্র তুলে ধরতে কোনো বাধা নেই
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার- ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক:
ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।

Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী,
ফৌজদারি মামলায় আসামি তার সচ্চরিত্র আদালতে পেশ করতে পারেন। অর্থাৎ, আসামি চাইলে তার সচ্চরিত্র আদালতে তুলে ধরতে পারেন, এতে আদালত বা বিপক্ষ আইনজীবীর সরাসরি বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বিপক্ষ আইনজীবী তখন তার চরিত্রের বিরুদ্ধেও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবে।
৯,৭৯৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬১ অনুযায়ী, কোন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
৯,৭৯৭.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী- মামলা, আপীল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার সময় কোন দিনটি বাদ যাবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. মামলা দায়েরের দিন
  3. যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
  4. ডিক্রী কার্যকর হওয়ার দিন
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

৯,৭৯৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১২৭ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য কে হুকুম দিতে পারেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জন সমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
৯,৭৯৯.
‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করে, যা সাধারণত মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে 'E' এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ৪৩৫
  2. ধারা ৪৩৬
  3. ধারা ৪৩৩
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৩৬ অনুসারে, যে কেউ আগুন বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ক্ষতিসাধন (Mischief) করে, এবং এর মাধ্যমে এমন কোনো ভবন ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বা জেনে যে ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা সাধারণত উপাসনালয়, মানুষের বাসস্থান, বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে, যা মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ধারা ৪৩৬ প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৪৩৬-এর অধীনে বাড়ি ধ্বংসে আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৪৩৬।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৩৬ ধারা- আগুন বা বিস্ফোরক দ্বারা ক্ষতি:
যে ব্যক্তি আগুন বা কোনো বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি করে যা সাধারণত উপাসনাগৃহ, মানববাসস্থান বা সম্পত্তির সুরক্ষার জায়গারূপে ব্যবহৃত হয়, এবং তার উদ্দেশ্য থাকে বা সে জানে যে এইভাবে ওই স্থানের ধ্বংস সাধিত হতে পারে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 436- Mischief by fire or explosive substance with intent to destroy house, etc.:
Whoever commits mischief by fire or any explosive substance, intending to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, the destruction of any building which is ordinarily used as a place of worship or as a human dwelling or as a place for the custody of property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৯,৮০০.
দণ্ডবিধি কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
  2. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
  3. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬১
  4. ২০ অক্টোবর, ১৮৬০
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
- প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
- প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন , i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে। ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড। iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন। iv) সদস্য-মি: মিলার।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒  অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।