বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৯৬ / ১২৬ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ১২,৬০৫

৯,৫০১.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে বেআইনি সমাবেশ গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির প্রয়োজন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনি সমাবেশ গঠনের ন্যূনতম শর্ত। তাই ৫ জনের কম হলে তা এই ধারার অধীনে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়া কালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৯,৫০২.
তামাদি আইনের কোন ধারায় Adverse Possession বা জবর দখলের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৯,৫০৩.
দেহের আত্মরক্ষার অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বজায় থাকে?
  1. যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
  2. পুলিশ আসা পর্যন্ত
  3. আঘাত বা আক্রমণ শেষ হওয়ার পরেও
  4. অপরাধীকে শনাক্ত করা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে

Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
৯,৫০৪.
FIR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. First Investigation Report
  2. First Information Report
  3. Final Information Report
  4. Formal Investigation Report
সঠিক উত্তর:
First Information Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
First Information Report
ব্যাখ্যা
⇒ FIR এর পূর্ণরূপ হল "First Information Report" (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট)। এটি পুলিশে একটি লিখিত বা মৌখিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম তথ্য, যা পুলিশের কাছে একটি অপরাধ ঘটানোর সংবাদ প্রদান করা হয়। FIR একটি অপরাধের সূত্রপাত এবং সেটি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য প্রদান করে। এই রিপোর্টে সাধারণত অভিযুক্তের নাম, অপরাধের বিবরণ এবং ঘটনার সময় বা স্থান সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- এটি অপরাধের প্রাথমিক চিহ্ন হিসেবে কাজ করে এবং তদন্ত শুরু করার জন্য একটি আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। FIR প্রাথমিকভাবে থানায় পুলিশের দায়িত্বে জমা পড়ে এবং এটি ভবিষ্যতে তদন্তের জন্য অপরিহার্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, অন্য যে অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে যেমন First Investigation Report, Final Information Report, এবং Formal Investigation Report, এগুলো ভুল। FIR মূলত "First Information Report" নামেই পরিচিত।
৯,৫০৫.
‘Y’, ‘Z’ কে খুন করেছে জ্ঞাত থেকে 'X', 'Y' কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে মৃত দেহটি গোপন করার জন্য 'Y' কে সাহায্য করে। 'X' এর শাস্তি হতে পারে ___________।
  1. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  2. অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. যেকোনো বর্ণনার অনধিক ৫ বছরের কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ২০১ অনুযায়ী- যেহেতু সংঘটিত অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ এবং Y কে শাস্তি থেকে বাঁচানোর জন্য X মৃত দেহটি গোপন করতে Y কে সহায়তা করেছে, তাই X, ২০১ ধারায় সাক্ষ্য অদৃশ্য করে ফেলার জন্য ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ অর্থাৎ X যে কোন বর্ণনার সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং  অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৯,৫০৬.
ডিক্রির তারিখ থেকে কত বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।

• The Code of Civil Procedure,1908 এর আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases):

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।

তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।
৯,৫০৭.
The examination of a witness by the adverse party shall be called-
  1. Examination in Chief
  2. Re-examination
  3. Cross Examination
  4. Further examination
সঠিক উত্তর:
Cross Examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross Examination
ব্যাখ্যা

ধারা ১৩৭: জবানবন্দি [Examination-in-chief]: যে পক্ষ
কোনো সাক্ষীকে হাজির করিয়াছে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তখন তাহাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা বলা হয় [The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.]

জেরা [Cross-examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তখন তাহাকে জেরা করা বলা হয় [The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.]

পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি পুনরায় তাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করে,
তবে তাহাকে পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা বলা হয় [The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.]

৯,৫০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 অনুযায়ী আপিল কতবার পুনর্বিচার করা যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. অসংখ্যবার
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XLI, Rule 21 এ সংশোধনের পর যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন proviso যা নির্দেশ করে যে, একই আপিল বিষয়ে পুনর্বিচার (re-hearing) শুধুমাত্র একবারই করা যাবে।
অর্থাৎ, একই বিষয়ে দ্বিতীয়বার বা তার বেশি পুনর্বিচার করার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রিতা ও অপচয় রোধ করা হয় এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৪১ বিধি-২১ আনুযায়ী আপিল একতরফাভাবে নিষ্পত্তি করা হলে এবং রায় ঘোষণা করা হলে আপিলটি পুনঃশুনানির জন্য প্রতিবাদী (Respondent) যদি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করে যে নোটিশটি যথারীতি জারি হয়নি বা যথেষ্ট কারণে উপস্থিত হতে পারেনি তাহলে আদালত আপিলটি পুনরায় শ্রবণ করবেন। 
- তবে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা এই বিধির সংশোধন এনে বলা হয়েছে:
"Provided that no Appeal shall be re-heard more than once under this rule."
অর্থাৎ, একবারের বেশি আপিল পুনর্বিচার করা যাবে না। পূর্বে একাধিকবার পুনর্বিচারের সুযোগ থাকলেও এই সংশোধনীর মাধ্যমে তা সীমিত করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ১ বার।
৯,৫০৯.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কোন ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৪৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী মোকদ্দমায় ১৫৩ ধারার বিধান অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত সংশোধনের আবেদন করতে হয়।

⇒ ১৫৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আদেশ ৬ রুল ১৭ অনুসারে আরজি ও লিখিত বর্ণনা সংশোধনের বিধান আছে। অন্যান্য দরখাস্ত ১৫৩ ধারার ক্ষমতাবলে সংশোধন করা যায়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৯,৫১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ XXIII, বিধি ১ অনুযাযী, বাদী কখন মামলা প্রত্যাহার করতে বা তার দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র মামলা দায়ের সময়
  2. বিবাদীর সম্মতি নিয়ে
  3. মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, মামলা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী তার মামলা প্রত্যাহার করতে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

৯,৫১১.
যাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে, যদি সে পুনরায় খুনের উদ্যোগ নেয় এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অতিরিক্ত ২০ বছরের কারাদণ্ড
  4. অতিরিক্ত ১৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা- খুনের উদ্যোগ:
কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৯,৫১২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেপরোয়াভাবে নৌযান চালানোর শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৭৫ ধারায়
  2. ২৭৬ ধারায়
  3. ২৮০ ধারায়
  4. ২৮১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় বেপরোয়া নৌযান চালানোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

- দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবেহলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

- Section 280. Rash navigation of vessel:- Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯,৫১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান অনুযায়ী বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৭ দিনের
  4. ১৫ দিনের
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান মতে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

- প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-11 Rule-1: Discovery by interrogatories:
In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may [, within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons in required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral crossexamination of a witness.
৯,৫১৪.
The obligation of true interpretation under section 543 applies when interpreting:
  1. Evidence only
  2. Statements only
  3. Foreign documents
  4. Both evidence and statements
সঠিক উত্তর:
Both evidence and statements
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both evidence and statements
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৯,৫১৫.
ফৌজদারি মামলায় G.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. নালিশের মাধ্যমে দায়ের করা মামলা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. সরাসরি আদালতে দায়েরকৃত মামলা
  4. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, বাংলাদেশে অপরাধমূলক মামলাগুলোর দুটি প্রধান ধারা রয়েছে – জি.আর (General Register Case) ও সি.আর (Complaint Register Case)।

জি.আর মামলা:
থানায় দায়ের করা সাধারণ মামলা, যা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়।

জি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
১৫৪ ধারায় এফআইআর দায়ের: কোনো ব্যক্তি থানায় অভিযোগ জানালে তা FIR (First Information Report) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
১৫৬ ধারার অধীনে তদন্ত: পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে (প্রয়োজনে)।
চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিল: তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
বিচার শুরু: আদালত চার্জ গঠন করে ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সি.আর মামলা:
সি.আর মামলা হলো কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (Complaint Register) কেস বা নালিশী মামলা। আদালতে সরাসরি দায়ের করা মামলা, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করেন ও তদন্তের নির্দেশ দেন।

সি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
অভিযোগ দাখিল: বাদী আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এটি পর্যালোচনা করেন।
২০০ ধারামতে জবানবন্দী গ্রহণ: অভিযোগকারীকে হলফনামার মাধ্যমে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হয়।
২০২ ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ: যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে তদন্ত প্রয়োজন, তবে পুলিশ বা অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৭৩ ধারার অধীনে তদন্ত রিপোর্ট: তদন্ত সংস্থা তাদের রিপোর্ট দাখিল করে।
২০৩ ধারায় মামলা খারিজ বা স্বীকৃতি: ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগের ভিত্তি নেই, তবে মামলা খারিজ হতে পারে।
অন্যথায়, আদালত চার্জ গঠন করেন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

৯,৫১৬.
গ্রেফতারকারী অফিসার যদি সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী তিনি কী করতে বাধ্য?
  1. অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দিতে
  2.  থানায় মৌখিকভাবে তথ্য জানাতে
  3. গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
  4. আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

৯,৫১৭.
'Y' এর কর্মচারী 'X' জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় একটি আংটি কুড়িয়ে পেয়ে নিয়ে যায়। 'X' এর অপরাধ-
  1. চুরি
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তি অপসারণ
  3. চাকর বা কেরানী কর্তৃক চুরি
  4. অপরাধমূলক তসরূপ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক তসরূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক তসরূপ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপরাধমূলক তসরূপ করেছে বলে গণ্য হবে। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

⇒ ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৩ মতে- এখানে 'X’ আংটি ঘটনাক্রমে পেয়েছে। 'X'সেটার মালিককে আবিষ্কার না করে সে অসাধুভাবে আংটিটি নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে। তাই 'X' অসাধুভাবে আংটিটি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে।
‘X’ 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের জন্য দোষী হতো যদি সে আংটি অন্যকোন ব্যক্তির নিকট হতে বিশ্বাসভরে গ্রহণ করতো এবং উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বিক্রি করে দিতো।
৯,৫১৮.
নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে-
  1. ১৭১ক
  2. ১৭১খ
  3. ১৭১গ
  4. ১৭১ঘ
সঠিক উত্তর:
১৭১ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১ঘ
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৭১(ঘ) ধারায় নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের বিধান রয়েছে। নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় প্রদান বলে গণ্য হবে-
(i) যদি কোন লোক কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে;
(ii) অন্য কোন জীবিত বা মৃত লোকের নামে ভোটদান করে;
(iii) কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে; অথবা
(iv) কোন নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায়, সেক্ষেত্রে সেই লোক নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
৯,৫১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২২ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ৬ মাস পর
  2. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ১ বছর পর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১ বছর পর ডিক্রি জারি করা হলে
  4. ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-22: Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made−
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years] from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
(2) Nothing in the foregoing sub-rule shall be deemed to preclude the Court from issuing any process in execution of a decree without issuing the notice thereby prescribed, if, for reasons to be recorded, it considers that the issue of such notice would cause unreasonable delay or would defeat the ends of justice.
(3) No order of execution of the decree shall be invalid by reason of the omission to issue a notice under sub-rule (1) or to record reasons in a case where notice is dispensed with under sub-rule (2) unless the judgment-debtor has sustained substantial injury by reason of such omission.
৯,৫২০.
যদি একজন ব্যক্তি তামাদি মেয়াদ শুরু হওয়ার আগেই উন্মাদ হন, তবে সময় গণনা কবে থেকে শুরু হবে?
  1. আদালত আদেশ দিলে
  2. উন্মাদ হওয়ার তারিখ থেকে
  3. যখন উন্মাদতা অবসান হবে
  4. যখন সেই ব্যক্তি মৃত্যু বরণ করবেন
সঠিক উত্তর:
যখন উন্মাদতা অবসান হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উন্মাদতা অবসান হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) যখন উন্মাদতা অবসান হবে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী:
- যদি তামাদি মেয়াদ শুরু হওয়ার সময় (Cause of Action সৃষ্টির সময়) কোনো ব্যক্তি উন্মাদ, নাবালক বা চরম বুদ্ধিহীন অবস্থায় থাকেন, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- তার অপারগতা অবসানের তারিখ (উন্মাদতা কাটলে/নাবালক প্রাপ্তবয়স্ক হলে) থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৯,৫২১.
'Misconduct in public by a drunken person' দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৫০১
  2. ৫১০
  3. ৫১১
  4. ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
৫১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১০
ব্যাখ্যা
⇒ Section of Penal Code- 510. Misconduct in public by a drunken person:
- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৯,৫২২.
দণ্ডবিধির কত ধারার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড?
  1. দণ্ডবিধি ৩০২ ধারার
  2. দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধি ৩০৭ ধারার
  4. দণ্ডবিধি ৩৭৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 
------------
⇒ Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
৯,৫২৩.
আদেশ ৯ বিধি ১৩ এর অধীন- এক তরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল দায়ের করতে পারে
  2. নতুন আবেদন দাখিল করতে হবে
  3. নতুন মামলার আবেদন করতে হবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে, আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
৯,৫২৪.
'দোবারা সাজা নীতি'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২৬ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪৩ ধারায়
  4. ৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy (দোবারা সাজা নীতি)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান: দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক:
যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৯,৫২৫.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের একাধিক অপরাধ কত সময়ের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে বিচার করা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয়

আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

৯,৫২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  2. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  3. স্মল কজ আদালত অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
ব্যাখ্যা
Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
৯,৫২৭.
বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের শাস্তি-
  1. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ৩৭৪ ধারা মতে বেআইনি শ্রমে বাধ্য করা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের ২ ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে।
(i) কোন ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রমদান করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভদণ্ড।
(ii) কোন যুদ্ধবন্ধী বা অন্য কোন আশ্রিত লোককে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করার শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড।
৯,৫২৮.
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে তা জারির কত দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক হলে প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে কর্তনের (striking out) আবেদন করতে হয়।

• আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির ১১নং আদেশে এই সংক্রান্ত বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১১ বিধি-৭ঃ প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন-
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে—এ অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, কিংবা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন আবেদন করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের মধ্যে পেশ করা যেতে পারে।

Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories-
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.
৯,৫২৯.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-34:
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
৯,৫৩০.
Z কে খুন করার জন্য C কে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্য A,B কে প্ররোচিত করে। সেই অনুসারে Z কে খুন করার জন্য B,C কে প্ররোচিত করে এবং B এর প্ররোচনার ফলে C উক্ত অপরাধ অনুষ্ঠান করে। এখানে A,B এবং C এর শাস্তি কি?
  1. তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
  2. B ও C খুনের জন্য দায়ী হবে
  3. শুধুমাত্র A দায়ী হবে
  4. B ও C, A-এর অর্ধেক শাস্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা সবাই সমানভাবে দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
♦অপরাধে সহায়তা অপরাধরূপে গণ্য। সুতরাং অনুরূপ দুষ্কর্মের সহায়তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সুতরাং সবাই সমানভাবে দায়ী হবে।
৯,৫৩১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৪১৫ ধারা
  2. ৪৪১ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৯,৫৩২.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কী ব্যবস্থা নিতে পারেন?
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রিভিউ
  4. উচ্চতর আদালতে মামলা দায়ের।
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি রিভিশন দায়ের করতে পারেন।
৯,৫৩৩.
গৌণ সাক্ষ্যের সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৬৩
  2. ধারা ৬৫
  3. ধারা ৬২
  4. ধারা ৬১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) বলতে বোঝায় এমনসব তথ্য বা কপি, যা মূল দলিল উপস্থিত না থাকলে তার বিকল্প হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে।
-সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-
১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।
২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ। 
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
- Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

৯,৫৩৪.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপস ডিক্রির কারণে কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে, তার প্রতিকার নিম্নের কোনটি?
  1. জেলা জজ আদালতে আপিল
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
-------------------
- CPC Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৯,৫৩৫.
'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।'- Canons of Professional Conduct and Etiquette এর কোন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
  4. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা:
- আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়:
- মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি:
- বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ:
- বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব:
- আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
- বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ:
- রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
- আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান:
- নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৯,৫৩৬.
কোনো ব্যক্তি কোনো যুদ্ধবন্দীকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কাজ করতে বাধ্য করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. কোনো শাস্তি পাবে না
  2. অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড দুটোই পাবে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোনো যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:

(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৯,৫৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার অধীনে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন সম্ভব নয়, তাহলে কী করা হবে?
  1. দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
  2. নতুন করে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে
  3. মামলাটি হাইকোর্টে পাঠানো হবে
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে—
অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে গুরুতর ভুল ছিল, এবং মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত দণ্ডাদেশ বাতিল বা রদ (quash) করতে পারে।

অর্থাৎ, যদি আদালত নিশ্চিত হয় যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগভাবে কোনো অভিযোগ টেকসই নয়, তবে তাকে সাজা দেওয়া যাবে না, এবং আদালত দণ্ডাদেশ রদ করে তাকে অব্যাহতি দেবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
--------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit.
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
৯,৫৩৮.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই?
  1. দরখাস্ত
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের কোথাও রিভিশনের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
৯,৫৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা “Equity sees that as done which ought to be done” – maxim টির  সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৬ ধারা 
  2. ৮ ধারা 
  3. ৯ ধারা 
  4. ১২ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত এমনভাবে বিবেচনা করে যে যা করা উচিত তা ইতোমধ্যে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ধারা ১২ এর প্রধান বিষয়।
⇒ ধারা ১২ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি পক্ষ চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে।
- এই ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে বাধ্য এবং যা করা উচিত তা পূরণ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বিক্রেতা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এই ক্ষেত্রে এই ম্যাক্সিম অনুসরণ করে চুক্তিটি পূরণ করা উচিত বলে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতাকে তা পালনে বাধ্য করে।
- ধারা ১২ এর উপ-ধারাগুলো (১২(খ), ১২(গ), ১২(ঘ)) এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তির আংশিক পালন বা ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, যেখানে “equity looks to the substance of the contract” এর নীতি প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ৬ ধারা: Preventive relief (Injunction) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫ এর clause (c) অনুযায়ী যে প্রতিকার দেওয়া হয়, তাকে ধারা ৬-এ তাকে “Preventive Relief” (নিবারণমূলক প্রতিকার) বলা হয়েছে।
খ) ৮ ধারা: এই ধারাটি স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ হলে দখল ফিরিয়ে পেতে পারে। এটি সুনির্দিষ্ট পালন বা এই ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
গ) ৯ ধারা: এই ধারাটি বলে যে সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করা যাবে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।

⇒ বাংলাদেশে, ধারা ১২ এর অধীনে এই ম্যাক্সিমটি বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়, ইজারা চুক্তি, বা অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার নয়।
অর্থাৎ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত, কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালন নিশ্চিত করার জন্য ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে। এই ধারাটি বাংলাদেশের আদালতে চুক্তি সম্পর্কিত বিরোধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৯,৫৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে, মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ হতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ৩০,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।
(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।
(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

৯,৫৪১.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ৫ নং
  2. ২৫ নং
  3. ৪৫ নং
  4. ৬০ নং
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন হিসেবে প্রণীত হয়।

• ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানী হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন। ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যা নিম্নরুপ:-
i) সভাপতি- লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলয়েড।
iii) সদস্য- মি. এন্ডারসন।
iv) সদস্য- মি. মিলেট।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি। এটি একটি মৌলিক আইন হিসেবে পরিচিত, যেখানে অপরাধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে। 
৯,৫৪২.
প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালতের বিচারক হন
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন

♦ অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
৯,৫৪৩.
রিনা এবং অমিত একটি ভূমি লিজ চুক্তি করেন। রিনা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেন, যা আদালত খারিজ করে দেন। ধারা ২৯ অনুসারে, রিনা কি করতে পারবেন না?
  1. লিজ চুক্তির শর্ত পরিবর্তন
  2. নতুন লিজ চুক্তি সম্পাদন
  3. চুক্তি সংশোধনের মামলা
  4. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
৯,৫৪৪.
ধারা ৩৫২-এর অধীনে সর্বসাধারণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির আদালতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. আদালতের কর্মচারী
  4. সরকারি কৌঁসুলি
সঠিক উত্তর:
বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

৯,৫৪৫.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে।দণ্ডবিধির ধারা ৪১৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৯,৫৪৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সঠিক হেফাজত হতে ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল আদালতে দাখিল করা হলে, দলিল সম্পর্কে আদালতের অনুমানের প্রকৃতি কী হবে?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
May presume
উত্তর
সঠিক উত্তর:
May presume
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।
⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 
 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।
⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-
১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 90: Presumption as to documents thirty years old:
-Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81.
৯,৫৪৭.
ধারা ৩৫৯-এর অধীনে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার নেই-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. দায়রা জজের
  3. আইনজীবীর
  4. উল্লিখিত কারো নেই
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
৯,৫৪৮.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা কতভাবে হতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুসারে, প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা তিনটি প্রধান উপায়ে হতে পারে:
১) Instigation (প্ররোচনা): কাউকে কোনো অপরাধ করতে উদ্দীপিত করা বা প্ররোচিত করা।
২) Engagement in Conspiracy (ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ): কাউকে বা অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করা।
৩) Aiding (সহায়তা): অপরাধ সংঘটন করতে ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করা, যা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে হতে পারে।
- এই তিনটি উপায়ে একজন ব্যক্তি অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা দিতে পারে এবং এসব ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিরও অপরাধের জন্য দায়িত্ব জড়িত থাকে।

⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন জোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়।
-দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 107: Abetment of a thing: A person abets the doing of a thing, who
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1: A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
৯,৫৪৯.
'ক' মামলার বাদী এবং 'গ' মামলার বিবাদী। 'ক' 'গ' এর বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা করতে চায়। চুক্তিভঙ্গের তারিখ হতে বিবাদী 'গ' উন্মাদ হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. মামলার তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে
  2. 'ক' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
  3. 'গ' সুস্থ হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
'ক' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' কে তামাদিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করতে হবে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা মতে যেহেতু 'গ' মামলায় বিবাদী তাই তামাদির আইনের ৬ ধারা 'গ' এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না এবং এই ক্ষেত্রে 'ক'-কে অবশ্যই ১ বৎসরের মধ্যে মামলা করতে হবে। কারণ ৬ ধারায় শুধুমাত্র বাদী সুবিধা পেতে পারে বা বাদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

• ধারা ৬- আইনগত অপারগতা (Legal Disability)

আইনগত অপারগতা হচ্ছে-
১। নাবালকত্ব (Minor),
২। উন্মাদ (Insane),
৩। জড়বুদ্ধি বা হতবুদ্ধি (Idiot)।

> মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।

> যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

> যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
৯,৫৫০.
X, Y-এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করে এবং শুনানির জন্য মামলাটি ডাকা হলে কোনো পক্ষই আদালতে উপস্থিত হয়নি। আদালত Order 9, Rule 3 অনুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দেয়। এক্ষেত্রে 'X'-
  1. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে
  2. খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে
  3. (ক) বা (খ)
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(ক) বা (খ)
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

আদেশ ৯ বিধি ৪: বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে কিংবা আদালত কোন মোকদ্দমা পুনরায় চালু করতে পারবে:
উপরোক্ত ২ অথবা ৩ বিধি অনুযায়ী মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে; কিংবা খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারবে; উক্ত ক্ষেত্রে বাদী যদি আদালতের সন্তুষ্টিক্রমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি কিংবা সমন জারির ডাক মাশুল (যদি লাগে) দিতে না পারার বা উপস্থিত হতে না পারার যথেষ্ট কারণ দর্শাতে পারে, তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ রদের আদেশ দান করবে এবং মোকদ্দমার কার্যপদ্ধতি পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

Order 9 Rule 4: Plaintiff may bring fresh suit or Court may restore suit to file:
Where a suit is dismissed under rule 2 or rule 3, the plaintiff may (subject to the law of limitation) bring a fresh suit or he may apply for an order to set the dismissal aside, and if he satisfies the Court that there was sufficient cause for his not paying the court-fee and postal charges (if any) required within the time fixed before the issue of the summons, or for his non- appearance, as the case may be, the Court shall make an order setting aside the dismissal and shall appoint a day for proceeding with the suit.
৯,৫৫১.
আদালত যে সকল বিষয় 'Judicial Notice' এ নিতে পারেন তা The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ৫৭
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
• জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে- আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।[Facts of which Court must take judicial notice]

৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহ;
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা;
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৯,৫৫২.
সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার প্রদত্ত হয়েছে এমন কোন বেঞ্চকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন?
  1. ৩৬
  2. ২৬১
  3. ৩৩
  4. ২৬০
সঠিক উত্তর:
২৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬১ ধারার বিধান কম ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের উপর ক্ষমতা অর্পণঃ সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট-বেঞ্চকে নিম্নে বর্ণিত অপরাধসমূহের সবকয়টির বা যে কোনটির বিচার সংক্ষিপ্ত প্রণালীতে করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেনঃ–

(ক) দণ্ডবিধির ধারা-২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২, ৪২৬, ৪৪৭ এবং ৫০৪ এর অধীন অপরাধসমূহ;
(খ) পৌরসভা আইন ও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ, যাহা শুধুমাত্র জরি- মানাযোগ্য অথবা জরিমানাসহ বা জরিমানা ব্যতীত ১(এক) মাসের অনধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয়; (গ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোনটির সংঘটনে সহায়তা করা;
(ঘ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোন একটি করার প্রচেষ্টা করা, যেখানে এরূপ প্রচেষ্টা অপরাধ বলে পরিগণিত হয় ।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬০ ধারার বিধান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা হলো মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
৯,৫৫৩.
কোন মামলার এবেটের আদেশ রদের জন্য মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি সরাসরি দরখাস্ত করতে পারে-
  1. ১৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
৯,৫৫৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করবে কোন আদালত?
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ অনুযায়ী: "If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life."
 - অর্থাৎ, যদি কোনো নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং দেখা যায় তিনি গর্ভবতী, তাহলে: হাইকোর্ট বিভাগ অবশ্যই তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার নির্দেশ দিবে; এবং চাইলে, দণ্ডটি আজীবন কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।
 অতএব, ধারা ৩৮২ অনুযায়ী এই ক্ষমতা কেবল হাইকোর্ট বিভাগের।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো নারী যদি গর্ভবতী হিসেবে প্রমাণিত হন, তাহলে: হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিবে; এবং চাইলে, সেই মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 382. Postponement of capital sentence on pregnant woman:
- If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৯,৫৫৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে পদাধিকারবলে কৃত কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তা গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. ৭৭
  2. ৭৯
  3. ৮১
  4. ৮৩
সঠিক উত্তর:
৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮১ ধারার বিধান: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি:
-পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না। আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।
----------------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-81. Exemption from arrest and personal appearance:
-In a suit instituted against a public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity- 
(a) the defendant shall not be liable to arrest nor his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and, 
(b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৯,৫৫৬.
জামিনদার যদি জামিননামাটি বাতিল করার আবেদন করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদক্ষেপ নেবেন?
  1. জামিনদারকে শাস্তি দেবেন
  2. জামিননামাটি বাতিল করবেন
  3. আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দেবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
৯,৫৫৭.
আদালত একটি বিক্রয় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করেছে, কিন্তু ক্রেতা মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৩৫ ধারায়-
  1. চুক্তি রদ করবেন
  2. ক্ষতিপূরণ আদায় করবেন
  3. চুক্তি বৈধ ঘোষণা করতে পারবে
  4. বিক্রয় সম্পন্ন করার জন্য ডিক্রি প্রদান করবেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

⇒ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।

উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
৯,৫৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রম নিচের কোন কারণে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না?
  1. তদন্তে গাফিলতির জন্য
  2. তদন্ত অসম্পূর্ণ থাকার জন্য
  3. তদন্তে পক্ষপাতিত্বের জন্য
  4. কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারার উপ-ধারা (২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "No proceeding of a police-officer in any such case shall at any stage be called in question on the ground that the case was one which such officer was not empowered under this section to investigate." অর্থাৎ, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রম শুধুমাত্র এই যুক্তিতে কোনো পর্যায়েই চ্যালেঞ্জ বা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্ত করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত (Empowered) ছিলেন না।
- অন্যগুলোর (গাফিলতি, অসম্পূর্ণতা, পক্ষপাতিত্ব) জন্য তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ বা চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৬: আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases)
(১) কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন, যা সেই থানার এলাকার মধ্যে ঘটে এবং যার বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতের রয়েছে (চ্যাপ্টার XV অনুযায়ী)।
(২) তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রমকে এই যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্তে অধিকারী ছিলেন না।
(৩) ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও উক্ত ধরনের অপরাধে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 156. Investigation into cognizable cases:
(1) Any officer in charge of a police-station may, without the order of a Magistrate, investigate any cognizable case which a Court having jurisdiction over the local area within the limits of such station would have power to inquire into or try under the provisions of Chapter XV relating to the place of inquiry or trial. 
(2) No proceeding of a police-officer in any such case shall at any stage be called in question on the ground that the case was one which such officer was not empowered under this section to investigate. 
(3) Any Magistrate empowered under section 190 may order such and investigation as above mentioned.

৯,৫৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী "দাবী-সমন্বয় (Set-off)" বলতে কী বোঝায়?
  1. বিবাদীর নতুন মামলা দায়ের
  2. আদালতের রায় পরিবর্তন
  3. মামলা স্থগিত করার আবেদন
  4. বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর নিজস্ব দাবি উত্থাপন।

⇒ দাবী-সমন্বয় (Set-off) হলো দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর Order VIII, Rule 6-এ বর্ণিত একটি আইনি প্রক্রিয়া, যেখানে:
বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদী তার নিজস্ব আইনগতভাবে প্রাপ্য দাবি উত্থাপন করতে পারে।
এটি একই মামলায় উভয় পক্ষের আর্থিক দাবির সমন্বয় করে, যাতে আদালত একই রায়ে উভয় দাবি নিষ্পত্তি করতে পারে।

প্রয়োজনীয় শর্তাবলী:
- দাবী নির্দিষ্ট ও পরিশোধযোগ্য (ascertained money) হতে হবে।
- উভয় পক্ষের দাবি একই বৈশিষ্ট্যের হতে হবে ।
- দাবীর পরিমাণ আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের মধ্যে থাকতে হবে।
উদাহরণ:
বাদী বিবাদীর কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা দাবি করলে, বিবাদী যদি বাদীর কাছ থেকে ৩০,০০০ টাকা পাওনা থাকে, তাহলে সে দাবী-সমন্বয় করে মাত্র ২০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হতে পারে।

- দাবী-সমন্বয় হলো বিবাদীর জন্য একটি সুযোগ, যাতে সে বাদীর দাবি খণ্ডন করার পাশাপাশি নিজের দাবিও আদায় করতে পারে।
৯,৫৬০.
যদি ধর্ষিত নারী ১২ বছরের কম বয়স্কা হয় এবং ধর্ষণকারীর স্ত্রী হয়, তাহলে ধর্ষণকারী__________দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
  2. অর্থদণ্ডসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে
  3. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী কোন পুরুষ কর্তৃক তার স্ত্রীর সাথে যৌন সহবাস ধর্ষণ বলে গণ্য হবে না যদি স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের নিচে না হয়। ৩৭৬ ধারায় বলা হয়েছে ধর্ষিত নারী নিজের স্ত্রী হলে এবং তার বয়স ১২ বছরের নিচে হয় ধর্ষকের শাস্তি হবে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
৯,৫৬১.
কালেক্টরকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতকে কোন শর্ত পালন করতে হবে?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
  3. সরকারকে কর প্রদান করতে হবে
  4. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরের সম্মতি থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি ৫: যখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমি বা উক্ত ভূমির রাজস্ব হস্তান্তরিত বা মুক্ত করা হয়ে থাকে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, কালেক্টর কর্তৃক ব্যবস্থপনা চালিত হলে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ রক্ষা হবে, সেক্ষেত্রে আদালত কালেক্টরের সম্মতিক্রমে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
৯,৫৬২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না?
  1. বাদীর দখলে বাধা সৃষ্টি না করার জন্য
  2. বাদীর নিজ পদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করার জন্য
  3. বাদীর চলাচলের রাস্তায় বাধা সৃষ্টি না করার জন্য
  4. লীজের মেয়াদ অতিক্রান্তের পরও বাদী দখলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করার জন্য
সঠিক উত্তর:
লীজের মেয়াদ অতিক্রান্তের পরও বাদী দখলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লীজের মেয়াদ অতিক্রান্তের পরও বাদী দখলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করার জন্য
ব্যাখ্যা
• কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। 

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

দেওয়ানি কার্যবিধি আদেশ ৩৯, রুল ১ এবং The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী- মোকদ্দমা বিচারাধীন অবস্থায় যেকোনো সময় আদালত Temporary Injunction প্রদান করতে পারেন, যা পরবর্তী আদেশ বা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি না হওয়া অবধি কার্যকর থাকে।।

• উল্লিখিত 'ক' এবং 'খ' অপশনে বাদীর দখলে বাধা সৃষ্টি না করার জন্য অর্থাৎ, দখলের অধিকার এবং বাদীর নিজ পদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করার জন্য অর্থাৎ, নিজের পদের দায়িত্ব পালনের অধিকারের ক্ষেত্রে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে।

এছাড়া বাদীর চলাচলের রাস্তায় বাধা সৃষ্টি না করার জন্য অর্থাৎ, রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে বাঁধা না পাওয়ার অধিকার। উল্লেখিত ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা [Discretionary Power] প্রয়োগ করে ৪২ ধারায় স্বত্ব ঘোষণার সাথে অতিরিক্ত প্রতিকার হিসেবে Temporary Injunction দিতে পারেন; যাতে বাদীর অধিকার প্রয়োগে বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়।

অপরদিকে,
লীজের মেয়াদ অতিক্রান্তের পরও বাদীর দখলে বিঘ্ন সৃষ্টি না করার জন্য আদালত কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে না।
৯,৫৬৩.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কালেক্টরকে সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে?
  1. যখন সম্পত্তিটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন
  2. যখন সম্পত্তিটি অব্যবহৃত থাকে
  3. যখন সম্পত্তিটির মূল্যমান অত্যাধিক হয়
  4. যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫-
যখন সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি, অথবা এমন জমি যার রাজস্ব বরাদ্দ বা মুক্ত করা হয়েছে, এবং আদালত মনে করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ কালেক্টরের ব্যবস্থাপনায় উন্নত হবে, তখন আদালত কালেক্টরের সম্মতিতে তাকে সেই সম্পত্তির রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারে।

Order 40 Rule 5- When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
৯,৫৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার শর্ত কি?
  1. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে দিতে হবে
  2. উচ্চতর আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৬ (অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা)- হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-

১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে নিম্নলিখিত বিষয়ে-

i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে বা
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়। অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।

শর্ত থাকে যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।

Section 436 (Power to order inquiry)-
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged: 
 
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
৯,৫৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের Preventive relief এর বিধান আছে কত ধারায়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধ বা নিরোধক প্রতিকারের সংজ্ঞা বর্নিত হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার: ৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 6- Preventive relief: Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
৯,৫৬৬.
A উচ্চ বেতনের চাকরি দিয়ে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে B-কে ৫ লক্ষ টাকা দিতে প্রলব্ধ করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত A, B কে বিদেশ পাঠায় না এবং টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে। A কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণার অপরাধ
  2. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. ক্ষতি সাধন
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦এখানে A, দণ্ডবিধির ৪২০ ধারার অধীনে প্রতারণার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে। ৪২০ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি, প্রতারণা করে এবং তা দ্বারা প্রতারিত ব্যক্তিকে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট কোন সম্পত্তি সমর্পণ করতে অথবা কোন মূল্যবান জামানত কিংবা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরিত হওয়ার যোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরকৃত বস্তু প্রস্তুত, পরিবর্তন অথবা সমুদয় অংশ বা অংশবিশেষ বিনাশ করার জন্য অসাধুভাবে প্ররোচিত করে, তাহলে সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার কারাদন্ডে যার মেয়াদ ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে এবং অর্থদন্ডে দণ্ডনীয় হবে।
৯,৫৬৭.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি ও শিষ্টাচার অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. আসামিকে দোষী প্রমাণ করা
  2. সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা
  3. সরকারি স্বার্থ রক্ষা করা
  4. উপযুক্ত সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন না করা 
সঠিক উত্তর:
সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণবিধি ও শিষ্টাচার অনুযায়ী রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,Rule 5 অনুসারে কেবলমাত্র আসামিকে দোষী প্রমাণ করাই রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীর উদ্দেশ্য নয় বরং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা হলো প্রাথমিক দায়িত্ব।
---------------------------------------------------------
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, Chapter-3,Rule: The primary duty of an Advocate engaged in public prosecution is not to convict, but to see that the justice is done. The suppression of facts or the concealing of witnesses capable of establishing the innocence of the accused is highly reprehensible.

৯,৫৬৮.
কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে কত জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60- "No Advocate shall take more than four pupils at a time without the permission of the Bar Council."

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
- শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
৯,৫৬৯.
আদালতের অনুমতি ছাড়া বাদী কোন ক্ষেত্রে আরজির সাথে দাখিল না করা দলিল পরবর্তীতে দাখিল করতে পারবেন?
  1. যেসব দলিল বিবাদীর সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয়
  2. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোনো বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য দলিল
  3. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোনো সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়
  4. উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒  বাদী আরজির সাথে কি কি কাগজপত্র বা দলিল দাখিল করবে তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১৪ থেকে ১৭ বিধি পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
- বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা দাখিলকরণ : বাদী যেসব দলিলের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করে, তা আরজির সাথে দাখিল করতে হবে।বাদী তার দাবির সমর্থন পূর্বক প্রমাণ হিসেবে অন্য কোন দলিলের উপর নির্ভর করলে এবং তা তার হস্তগত বা আওতাধীনে না থাকলে, সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিলসমূহের একটি তালিকা প্রস্তুত করবে এবং উক্ত দলিল করি দখলে বা হস্তগত তা উল্লেখ করে আরজির সাথে যুক্ত করবে। (বিধি ১৪,১৫)

- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ নং আদেশের বিধি-১৮ তে আরজি দাখিলের সময় যে সকল দলিল দাখিল করা হয়নি, তার অগ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলা হয়েছে যে-
আরজির সাথে বাদী যে সকল দলিল দাখিল করেনি, আদালত সে সকল দলিল পরবর্তীতে দাখিলের অনুমতি দিবেনা। বিশেষ প্রেক্ষাপটে আদালত এমন দলিল দাখিলের অনুমতি দিতে পারে।তবে, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বাদী আদালতের অনুমতি ছাড়া দলিলসমূহ দাখিল করতে পারবে-
১. যেসব দলিল বিবাদির সাক্ষীকে জেরা করার জন্য দাখিল করা হয় বা
২. বিবাদী কর্তৃক উত্থাপিত কোন বিষয়ের উত্তর প্রদানের জন্য যে সব দলিল আদালতে হাজির করা
৩. যেসব দলিল কেবলমাত্র কোন সাক্ষীকে তার স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দাখিল করা হয়।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 7 Rule 18: Inadmissibility of document not produced when plaint filed-
(1) A document which ought to be produced in Court by the plaintiff when the plaint is presented, or to be entered in the list to be added or annexed to the plaint, and which is not produced or entered accordingly, shall not, without the leave of the Court, be received in evidence on his behalf at the hearing of the suit
Provided that the Court shall not grant such leave save in exceptional circumstances.
(2) Nothing in this rule applies to documents produced for cross-examination of the defendant's witnesses, or in answer to any case set up by the defendant or handed to a witness merely to refresh his memory.
৯,৫৭০.
২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী, দেওয়ানি কারাগারে আটক জজমেন্ট-ডেবটরকে মুক্তি দেওয়া হবে যদি তিনি ডিক্রিকৃত অর্থের কমপক্ষে _______  জমা দেন এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে প্রদানের জন্য বন্ড দেন।
  1. ১০ শতাংশ
  2. ২৫ শতাংশ
  3. ৫০ শতাংশ
  4. ৭৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XXI, Rule 30A(4) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনী দ্বারা সন্নিবেশিত বিধান মতে, যদি কোনো বিচারিক দেনাদার (জজমেন্ট-ডেবটর) দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকাকালীন ডিক্রিকৃত অর্থের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ আদালতে জমা দেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে বাধ্য থাকবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ২৫ শতাংশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৩০ক বিধিতে নতুন সন্নিবেশিত হয়েছে। অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য বিশেষ বিধান (Special provisions for execution of decree for money):
(১) এই কোডে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, ডিক্রিধারীর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত রায় দেনাদারকে সম্পূর্ণ বা অপরিশোধিত ডিক্রিকৃত অর্থের কোনো অংশের জন্য অনূর্ধ্ব ছয় মাসের জন্য অথবা অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটবে, দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারেন।
(২) এই কোডের অধীনে দেওয়ানি কারাগারে আটক রায় দেনাদারের ভরণপোষণের জন্য ব্যয় সরকার বহন করবে।
(৩) দেওয়ানি কারাগারে আটকের বিধান কোনো নাবালক বা বিকৃতমস্তিষ্ক রায় দেনাদারের ক্ষেত্রে অথবা যিনি কোনো উপযুক্ত আদালত দ্বারা দেউলিয়া (insolvent) ঘোষিত হয়েছেন অথবা যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে মূল রায় দেনাদারের উত্তরাধিকারী হিসাবে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যদি দেওয়ানি কারাগারে থাকা রায় দেনাদার ৬০ দিনের মধ্যে বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য একটি মুচলেকা (bond) সহ ডিক্রিকৃত অর্থের অনূ্যন ২৫% জমা দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবেন এবং যদি রায় দেনাদার মুচলেকাতে বর্ণিত শর্ত অনুযায়ী বাকি ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার এবং আরও ছয় মাস পর্যন্ত দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার জন্য দায়ী হবেন।
(৫) যদি কোনো রায় দেনাদার উপ-বিধি (১) বা (৪) এর অধীনে দেওয়ানি কারাগারে সম্পূর্ণ মেয়াদের জন্য আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই জারি কার্যধারায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো জারি কার্যধারায় পুনরায় গ্রেপ্তার বা দেওয়ানি কারাগারে আটক করা যাবে না।
(৬) যদি কোনো রায় দেনাদার এই বিধির অধীনে দেওয়ানি আটকের সম্পূর্ণ বা আংশিক মেয়াদের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তিনি ডিক্রির অপরিশোধিত অর্থ পরিশোধ করা থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

৯,৫৭১.
শিক্ষক রেজাল্টসিটে অভিবাবকের স্বাক্ষর নিয়ে জমা দিতে বললে, ইমরান তার বাবার স্বাক্ষর নিজে করে স্কলে রেজাল্টসিট জমা দেয়। ইমরান এর কাজটি দণ্ডবিধি অনুযায়ী-
  1. নকল
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-

(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;

(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;

(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:

(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা

(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

অর্থাৎ ইমরান তার বাবার স্বাক্ষর নিজে করে স্কলে রেজাল্টসিট জমা দেয় কাজটি জালিয়াতি।
৯,৫৭২.
মনুষ্য হরণ বা অপহরণ (Kidnapping) কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৯,৫৭৩.
দেওয়ানি কার্যধারার কোনো ত্রুটি সংশোধনের জন্য আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করেন The Code of Civil Procedure, 1908 এর-
  1. ১৫১ ধারায়
  2. ১৫২ ধারায়
  3. ১৫৩ ধারায়
  4. ১১৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা: আদালত যে - কোন সময় এবং খরচ সম্পর্কে উপযুক্ত যেকোন শর্ত দিয়ে সংশোধন করতে পারেন, এবং প্রয়োজনীয় যাবতীয় কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যেকোন ভুল ত্রুটি সংশোধন মোকদ্দমার সংশ্লিষ্ট প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের উদ্দেশ্যে করা হবে।

অর্থাৎ আদালত যেকোনো সময় (At any stage), যেকোনো শর্তে, প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, কোন মোকদ্দমার কার্যক্রম সংক্রান্ত যে কোন ভুলত্রুটি সংশোধন করতে পারেন।
----------------
⇒ CPC Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৯,৫৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করতে না চাইলে
  3. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য হলে
  4. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা- গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।

(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।

(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
৯,৫৭৫.
বাদী তার মামলার আরজিতে দীর্ঘ ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করেছেন, যা মামলার বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে পারে। এক্ষেত্রে, দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬ এর অধীন আদালতের করণীয় কী?
  1. বাদীর বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য করবেন
  2. বাদীর মামলা খারিজ করবেন
  3. বাদীকে নতুনভাবে আরজি দাখিল করতে বলবেন
  4. অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রয়োজনীয় অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
৯,৫৭৬.
আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হয়েছে
  2. কোনো পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে, তা কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. পক্ষদ্বয় আবেদন করলে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে,এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit,after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
৯,৫৭৭.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৭ ধারার
  4. ৪৩৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৯,৫৭৮.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী, কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকরে আটক বা গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. বাটোয়ারার ডিক্রি
  2. নিলাম বিক্রির ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  4. দখল হস্তান্তরের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬- অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যপান করানো নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.]

৯,৫৭৯.
একজন শ্রমিক ১লা জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে তার মজুরী পায়নি। বকেয়া মজুরীর জন্য তাকে কত দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭ অনুসারে,
গৃহ-ভৃত্য, কারিগর বা শ্রমিকের মজুরী বকেয়া হলে তার মামলা করার সময়সীমা হলো ১ বছর। অর্থাৎ শ্রমিকের মজুরী যে তারিখে বকেয়া হবে সে তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে তাকে মামলা করতে হবে।

এক্ষেত্রে তাহলে, তার মজুরীর জন্য মামলা করার তামাদি মেয়াদ শুরু হবে ১লা জানুয়ারি, ২০২৩ থেকে। অর্থাৎ তাকে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখের মধ্যে মামলা করতে হবে। যদি সে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত মামলা না করে, তাহলে তার মামলা করার অধিকার বাতিল হয়ে যাবে।
৯,৫৮০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুসারে, কোনটি রায় পূর্বে ক্রোকের আওতাভুক্ত নয়?
  1. কৃষকের কৃষিপণ্য
  2. শিল্পকারখানা
  3. বাড়িঘর
  4. গাড়ি
সঠিক উত্তর:
কৃষকের কৃষিপণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষকের কৃষিপণ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে (অর্থাৎ বিচার শেষ হওয়ার আগেই) কৃষক বা কৃষিজাত মালিকের মালিকানাধীন কৃষি উৎপাদন (agricultural produce) ক্রোক করা যাবে না। অর্থাৎ, কৃষকের দখলে থাকা কোনো কৃষিপণ্য (agricultural produce) রায় পূর্বে ক্রোকের আওতাভুক্ত নয়।
অন্যদিকে, খ) শিল্পকারখানা, গ) বাড়িঘর, ঘ) গাড়ি - অন্য শর্ত পূরণ করলে রায়ের পূর্বেও ক্রোকের আওতায় আসতে পারে। কিন্তু কৃষকের কৃষিপণ্য রায়ের পূর্বে ক্রোক করা নিষিদ্ধ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-12: Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.

৯,৫৮১.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে (আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য) মোট কতটি বিধি আছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

• Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

৯,৫৮২.
আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্ট্রার জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো-
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৬ ধারা মতে  আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্ট্রার জাল করার শাস্তি হলো অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
• দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারায় সরকারি রেজিস্ট্রার বা public register বলতে কোন জন্ম রেজিস্ট্রার, খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান (baptism), বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের (burial) রেজিস্ট্রার অথবা কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্ট্রার বোঝাবে।
৯,৫৮৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুসারে, রায়ের পূর্বে কোনটি ক্রোক করা যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. কৃষি উৎপাদন
  4. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
সঠিক উত্তর:
কৃষি উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি উৎপাদন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, রায়ের পূর্বে (অর্থাৎ বিচার শেষ হওয়ার আগেই) কৃষক বা কৃষিজাত মালিকের মালিকানাধীন কৃষি উৎপাদন (agricultural produce) ক্রোক করা যাবে না। এই বিধানটি কৃষকদের অধিকার সুরক্ষার জন্য এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থাবর (immovable) বা অস্থাবর (movable) সম্পত্তি, বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অন্য শর্ত পূরণ করলে রায়ের পূর্বেও ক্রোকের আওতায় আসতে পারে। কিন্তু কৃষি উৎপাদনকে রায়ের পূর্বে ক্রোক করা নিষিদ্ধ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদীকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-38 Rule-12.Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
৯,৫৮৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ডাদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৬ সপ্তাহ
  3. ৩ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮, বিধি ৪ অনুযায়ী:
যদি বিবাদীকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তাহলে আদালত নিম্নোক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারবেন:
১. যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকার বেশি হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।
২. আর যদি জামানতের পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার কম হয়, তাহলে বিবাদীকে সর্বোচ্চ ৬ সপ্তাহের জন্য দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হবে।

এই বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো বিবাদীকে জামানত প্রদানে বাধ্য করা, যাতে তিনি মামলা থেকে পালিয়ে না যেতে পারেন। দেওয়ানি কারাগারে আটক থাকার মাধ্যমে জামানত প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।
৯,৫৮৫.
পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ২১ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৮৯ক অনুযায়ী, যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত মামলাটি মধ্যস্থতার জন্য পাঠান এবং পক্ষগণ ১০ (দশ) দিনের মধ্যে কোনো মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন।

- অর্থাৎ পক্ষগণ যদি মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে না পারে, তাহলে আদালত বাধ্যতামূলকভাবে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section: 89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
৯,৫৮৬.
The Evidence Act 1872 এর কত ধারা অনুযায়ী মিথ্যা সাক্ষী দিলে সাক্ষ্যদানকারীকে দন্ডবিধিতে শাস্তি দেওয়া যায়?
  1. ১৫১ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৪৮ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৫৩ ধারার বিধান মতে সাক্ষীর সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন করা যায়। তবে কেউ যদি মিথ্যা সাক্ষী দেয় তাহলে তাকে দন্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে।
৯,৫৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও গ্রেপ্তার করলে, কত ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন।"
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ এই ধারা ৪৬ক সন্নিবেশিত করা হয়েছে, যা গ্রেপ্তারের পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য নির্ধারণ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর ১২ ঘণ্টা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৯,৫৮৮.
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, কিন্তু বিচার কার্যক্রম বুঝতে না পারে সেক্ষেত্রে আদালত বিচার কার্যক্রম-
  1. স্থগিত করবে
  2. বন্ধ করে দিবে
  3. চালিয়ে যেতে পারবে
  4. সাময়িক মুলতবি ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারা- আসামি কার্যক্রম না বুঝলে বিচার পদ্ধতি:
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, তবে বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম হয়, তাহলেও আদালত তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে, যদি হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোনো আদালত বিচার করে এবং এতে আসামি দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে সেই বিচার কার্যক্রমের সব নথিপত্র এবং মামলার পরিস্থিতির রিপোর্টসহ মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনে পাঠাতে হবে। এরপর হাইকোর্ট ডিভিশন যেভাবে যথোপযুক্ত মনে করবে, সেই অনুযায়ী আদেশ দেবে।
৯,৫৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪৪ ধারায় আদালত সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে-
  1. নিজ উদ্যোগে
  2. পুলিশের আবেদনমতে
  3. সরকারের নির্দেশমতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ অনুসারে
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

৯,৫৯০.
দণ্ডবিধি অনুসারে সাধারণ জালিয়াতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড 
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৬ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ২ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী ,কোন ব্যক্তি জালিয়াতি
(Forgery) করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;

১. কোনো ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোনো ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোনো লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।

ধারা ৪৬৫- জালিয়াতির শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি জালিয়াতি (Forgery) সংঘটিত করে, তাকে নিম্নলিখিত শাস্তি দেওয়া যেতে পারে:
-কারাদণ্ড (Imprisonment) – আইন অনুযায়ী যে কোনো রূপের কারাদণ্ড (rigorous বা simple) হতে পারে, এবং কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে; বা
- অর্থদণ্ড (Fine); বা
- উভয়ই (Both) – কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড উভয়ই প্রযোজ্য হতে পারে।

৯,৫৯১.
তামাদি আইন নিম্নের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
  1. ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে
  2. এজাহার দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. ফৌজদারি আপিল এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলায় নয়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আপিল এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আপিল এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

অর্থাৎ, তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
৯,৫৯২.
সম্পূরক চার্জ শীট দেয়া হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ফরিয়াদির আবেদনক্রমে
  2. অভিযুক্তের আবেদনক্রমে
  3. অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation]। ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
 
অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
৯,৫৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে খালাস দিতে পারে?
  1. ধারা ৩৭৪
  2. ধারা ৩৭৭
  3. ধারা ৩৭৬
  4. ধারা ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
আসামিকে খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376 (Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction)-
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৯,৫৯৪.
যদি কেউ কাল্পনিক ব্যক্তির রূপ ধারণ করে অন্যদের প্রতারণা করে, তবে তা দণ্ডবিধির ধারা _______ অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. ৪১৪
  2. ৪১৬
  3. ৪২০
  4. ৪২১
সঠিক উত্তর:
৪১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা- অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
৯,৫৯৫.
যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে (তা যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ সংঘটন করে তার বিচার হতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুসারে যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে (তা যেখানে থাকুক না কেন) কোন অপরাধ সংঘটন করে, তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংগঠন করেছে হিসাবে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
৯,৫৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, আদালত কোন পরিস্থিতিতে আরজি ফেরত দিতে পারে?
  1. আদালত যদি মামলার খরচ বেশি মনে করে
  2. আদালত যদি মামলার তথ্য অপ্রতুল মনে করে
  3. আদালত যদি মামলার প্রমাণ অসম্পূর্ণ মনে করে
  4. আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০ অনুযায়ী, "আদালত যদি মনে করে যে মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার নেই" তখন আরজি ফেরত দিতে পারে।
- অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
- আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-১০- যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।
(২) যখন আরজি ফেরত দেওয়া হয়, বিচারক তার ওপর আরজির দাখিলের এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, দাখিলকারী পক্ষের নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিখবেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-7, Rule-10. Return of plaint:
(1) The plaint shall at any stage of the suit be returned to be presented to the Court in which the suit should have been instituted.
-(2) Procedure on returning plaint:
 On returning a plaint the Judge shall endorse thereon the date of its presentation and return, the name of the party presenting it, and a brief statement of the reasons for returning it.
৯,৫৯৭.
A, Z-এর পকেট কাটার সময় কয়েকজন সঙ্গীকে আশেপাশে দাঁড় করায়, যেন Z টের পেলে তারা তাকে ধরে রাখতে বা বাধা দিতে পারে।  A কত ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছে?
  1. ধারা ৩৮১
  2. ধারা ৩৮২
  3. ধারা ৩৮৩
  4. ধারা ৩৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮২
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860)-এর ধারা ৩৮২– চুরি করার পূর্বে মৃত্যু, আঘাত বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করে চুরি করা:
যে ব্যক্তি চুরি করে, এবং চুরি করার আগে এমন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার মাধ্যমে- কারো মৃত্যু, আঘাত (hurt), আটক (restraint), অথবা
এই বিষয়গুলির ভয় প্রদর্শন করা যায়- এই উদ্দেশ্যে যে চুরি করা সহজ হবে, বা চুরি শেষে পালাতে সুবিধা হবে, বা চুরি করা সম্পত্তি ধরে রাখা যাবে- তাহলে সে ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

এই অপরাধের শাস্তি হলো-
১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) এবং অর্থদণ্ড (fine)।

Illustrations (উদাহরণ):
(a) A, Z-এর সম্পত্তি চুরি করে। চুরির সময় A-এর পোশাকের নিচে একটি লোডেড পিস্তল ছিল, যা সে প্রস্তুত রেখেছিল যেন Z বাধা দিলে তাকে ভয় দেখাতে বা আঘাত করতে পারে। A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

(b) A, Z-এর পকেট কাটার সময় কয়েকজন সঙ্গীকে আশেপাশে দাঁড় করায় যেন Z টের পেলে তারা তাকে ধরে রাখতে বা বাধা দিতে পারে।  A ধারা ৩৮২ অনুযায়ী অপরাধ করেছে।

৯,৫৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন?
  1. দশ লাখ
  2. পাঁচ লাখ
  3. তিন লাখ
  4. দুই লাখ
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ধারা ৩২(১)(খ) এর অধীনে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত  সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস-সহ, সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
- সুতরাং, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যে-কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যে-কোনো আইনসংগত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely :-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five lac taka;.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding three lac taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two lac taka.
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

৯,৫৯৯.
সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়লে কোনো ব্যক্তির কৃত অপরাধ –এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. দোষী সাব্যস্ত হলেও শাস্তি হবে না
  2. সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
  3. খালাস পাবে না, তবে সর্বনিম্ন শাস্তি প্রদান করা হবে
  4. ক+গ সঠিক।
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
♦যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
♦পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
৯,৬০০.
অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি দেখা যায় একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলমান, এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উক্ত কার্যক্রম বাতিল করবেন
  2. উক্ত কার্যক্রম স্থগিত করবেন
  3. তদন্ত কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-

⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ধারা ২০৫ঘ : একটি অপরাধের বিষয়ে একই সাথে নালিশী মামলা ও পুলিশী তদন্ত চলতে থাকলে অনুসরণীয় পদ্ধতি:

(১) পুলিশ প্রতিবেদন ব্যতিরেকে অন্য কোন উপায়ে দায়েরকৃত মামলার (অতঃপর নালিশী মামলা মর্মে বর্ণিত হবে) তদন্ত বা বিচার চালাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাঁর আদালতে তদন্ত বা বিচারাধীন অপরাধটি সম্পর্কে একটি পুলিশী তদন্ত চলতেছে মর্মে প্রতীয়মান হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর দ্বারা পরিচালিত তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবেদন চাবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ধারা-৭৩ এর বিধানসাপেক্ষে প্রতিবেদন পেশ করেন এবং এরূপ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তি নালিশী মোকদ্দমার আসামী তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলা এবং পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার একই সাথে তদন্ত বা বিচার করতে পারবেন যাতে উভয় মামলাই পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়ের হয়েছে।
 
(৩) পুলিশ প্রতিবেদনে নালিশী মামলার কোন আসামী জড়িত না হলে, অথবা পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধ আমলে গ্রহণ না করলে তিনি যে তদন্ত বা বিচার স্থগিত রেখেছিলেন এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে সেই তদন্ত বা বিচারকার্যে অগ্রসর হবেন।