বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৮২ / ১২৬ · ৮,১০১৮,২০০ / ১২,৬০৫

৮,১০১.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক বা অসুবিধাজনক হতে পারে, এমন ব্যক্তি বা শ্রেণীর গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. আদালতের
  3. ডিক্রি-প্রাপকের
  4. গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(২) [Section 55(2)] এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: (2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.“
- অর্থাৎ, যে ব্যক্তি বা শ্রেণীর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করলে জনসাধারণের জন্য বিপদ বা অসুবিধা হতে পারে বলে মনে হয়, তাদের ডিক্রি এক্সিকিউশনে গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দেওয়া বা বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারের (Government) রয়েছে। সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) সরকারের। 

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:
Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:
Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

৮,১০২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় 'ডিক্রি দানকারী আদালত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৭
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৩৭-এর শিরোনামই হল "Definition of Court which passed a decree" বা "ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা"।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section 37. Definition of Court which passed a decree:
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- 
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.

৮,১০৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 342 ধারা মতে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোনটি সঠিক?
  1. তাকে শপথ করাতে হবে
  2. তাকে শপথ করাতে হবে না
  3. সে উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা- আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:
(১) কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের যেকোনো পর্যায়ে, যদি কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতি উঠে আসে, তবে আদালত আসামিকে তা ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিতে পারে। এজন্য আদালত পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারবে এবং প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর ও আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

(২) আসামি যদি এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তবে শুধু এই কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে আদালত তার এই আচরণ থেকে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত টানতে পারবে।

(৩) আসামির দেওয়া উত্তর বিচার বা তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারে তার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

(৪) আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় তাকে কোনো শপথ (Oath) করানো যাবে না।
৮,১০৪.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ।
  4. অ্যাবেটমেন্ট ।
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ।
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ ক অনুযায়ী- দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যদি -একটি বেআইনী কাজ; অথবা যে কার্যটি বেআইনী নয় এমন একটি কার্য বেআইনী উপায়ে করার জন্য কিংবা কার্যটি যাতে সম্পন্ন হয় তজ্জন্য সম্মত বা একমত হয় তবে- অনুরূপ সম্মতি বা ঐকমত্যকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলে।

♦ তবে শর্ত থাকে যে, একটি অপরাধ সংঘটনের জন্য উপনীত সম্মতি ছাড়াই অপর কোনরূপ সম্মতি অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলে পরিগণিত হবে না, যদি না উপযুক্ত সম্মতি অনুযায়ী সম্মতিটির সাথে জড়িত এক বা একাধিক ব্যক্তি দ্বারা সম্মতিটির বহির্ভূত কোন কার্য সম্পন্ন হয়।
৮,১০৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শাস্তিমূলক আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের কাছে
  4. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

৮,১০৬.
দণ্ডবিধি অনুসারে একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যায়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
-নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
--------------------------
⇒ Section 74: Limit of solitary confinement:
-In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৮,১০৭.
ক এর অনুকূলে মোকদ্দমা করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার কিছুদিন পর ক পাগল হয়ে যায় এবং ২ বছর যাবত পাগল থাকে এবং ইতোমধ্যে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। এই ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক যতদিন পাগল থাকবে ততোদিন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে।
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে না
  3. ক সর্বোচ্চ ৩ বছর তামাদির সুযোগ পাবে
  4. বিলম্ব মওকুফের দরখাস্ত দিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ থাকবে না
ব্যাখ্যা
♦ ৯ ধারার বিধান মোতাবেক তামাদির মেয়াদ গণনা একবার শুরু হুলে তা পরবর্তী অপারগতার কারণে তামাদির গণনা বন্ধ থাকবে না। আইনগত অপারগতা প্রযোজ্য হবে যদি তা শুরু হওয়ার কালে মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়।
৮,১০৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503.Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation. 
 
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506.Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
৮,১০৯.
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে কতটি আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়?
  1. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী সংখ্যক
  2. যতজন বাদী থাকে ততো সংখ্যক
  3. যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
  4. পেশ না করলেও হয়
সঠিক উত্তর:
যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা দায়েরের সময় আরজির সাথে যতজন বিবাদী থাকে ততো সংখ্যক আরজির অবিকল নকল (true copies) পেশ করতে হয়।

আদেশ ৪ বিধি ১ঃ মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে-
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

Order 4 Rule 1: Suit to be commenced by plaint-
(1) Every suit shall be instituted by presenting a plaint to the Court or such officer as it appoints in this behalf a plaint together with as many true copies of the plaint as there are defendants for service of summons upon such defendants.
(1a) The Court fees chargeable for service of summons shall be paid in the case of suits when the plaint is filed, and in the case of all other proceedings when process is applied for.
(1b) A plaintiff shall file, along with the plaint, for each defendant a copy of the summons along with a pre-paid registered acknowledgement due cover with complete and correct address of the defendant written on it.

(2) Every plaint shall comply with the rules contained in Orders VI and VII, so far as they are applicable.
৮,১১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত যদি আপিলের স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে তাঁকে-
  1. আপিল বাতিল করতে হবে
  2. মামলাটি পুনরায় শুনানি করতে হবে
  3. প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যানের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
৮,১১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৮৭
  2. ধারা ১৮৯
  3. ধারা ১৮৮
  4. ধারা ১৮১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৮ তে বাংলাদেশের বাইরে কৃত অপরাধের দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে বলা আছে

• এই ধারা অনুসারে, যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমানার বাইরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে;অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে টা যেখানেই থাকুক না কেন, কোন অপরাধ করে ;তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে পাওয়া যাবে সেই স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধরে নিয়ে সেই মোতাবেক বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

• এই সকল অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা এবং দন্ডবিধির ৪ ধারা একত্রে মিলিয়ে পড়তে হয়। দন্ডবিধির ৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে দন্ডবিধির ব্যপ্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৮,১১২.
নিচের কোন উপায়ে প্ররোচনা (Abetment) এর অপরাধ হতে পারে?
  1. কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
  2. ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
  3. কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

⇒ দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে

⇒ (i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
⇒ (ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement)
⇒ (iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
--------------------
Section 107. Abetment of a thing:
 A person abets the doing of a thing, who
Firstly.-Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing. 
 
Illustration 
A, a public officer, is authorized by a warrant from a Court of Justice to apprehend Z. B, knowing that fact and also that C is not Z, wilfully represents to A that C is Z, and thereby intentionally causes A to apprehend C. Here B abets by instigation the apprehension of C. 
 
Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
৮,১১৩.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতাবলে-
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
ব্যাখ্যা
• ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি রিভাইজ করে বিভিশনের সময় হাইকোর্ট আসামীর শাস্তি বাড়াতে পারে তবে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে-

১. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারবে না এবং
২. ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজের আদেশের ক্ষেত্রে রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না [ধারা ৪৩৯ (৪)]। কারণ দায়রা জজ কর্তৃক রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনে খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না কারণ খালাসের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করার সুযোগ নেই বরং আপীল করতে হয়।
৮,১১৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ‘আঘাত’ (Hurt) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. 305
  2. 319
  3. 320
  4. 321
সঠিক উত্তর:
319
উত্তর
সঠিক উত্তর:
319
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৯ অনুযায়ী: "যে ব্যক্তি অন্য কোনও ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, সে ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে গণ্য হবে।"
⇒ এখানে তিনটি মূল উপাদানকে “আঘাত” হিসেবে গণ্য করা হয়:
- দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain)
- ব্যাধি (disease)
- অপারগতা (infirmity)
অতএব, ধারা ৩১৯-ই ‘Hurt’ বা ‘আঘাত’-এর মূল ও প্রাথমিক সংজ্ঞা প্রদান করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
৮,১১৫.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী আদালত কোন ধরনের প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে?
  1. আইনগত প্রশ্ন
  2. চরিত্র সম্পর্কিত প্রশ্ন
  3. অশ্লীল বা কুৎসাজনক প্রশ্ন
  4. অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত এমন কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করবে, যা তার দৃষ্টিতে কাউকে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, অথবা যা প্রশ্ন হিসাবে যথাযথ হলেও, তার ভাষা বা উপস্থাপন অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

৮,১১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় একজন অভিযুক্তকে আদালত কখন জিজ্ঞাসা করে যে, সে অপরাধটি করেছে কিনা?
  1. তদন্তের সময়
  2. চার্জ গঠনের সময়
  3. সাক্ষ্য শোনার সময়
  4. রায় দেয়ার ঠিক আগে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের সময়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: চার্জ গঠনের সময়। 

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।

Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
৮,১১৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০০-এর ব্যতিক্রম ১ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. যদি ভুক্তভোগী স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণে সম্মতি প্রদান করে
  2. যদি হত্যাকারী প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে হত্যা করে
  3. যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
  4. যদি হত্যাকারী একজন সরকারী কর্মচারী হন এবং আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেন
সঠিক উত্তর:
যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি হত্যাকারী আকস্মিক প্ররোচনার ফলে আত্ম-সংযম হারিয়ে ফেলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ-

শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:-
 শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৮,১১৮.
লিমিটেশন এ্যাক্ট-১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউ-র ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান  এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে-

(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।

(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যা ১- যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।

ব্যাখ্যা ২- এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।

ব্যাখ্যা ৩- এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।

♦অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দিতে হবে। ১৪ ধারা শুধুমাত্র মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আপীল বা রিভিশ বা রিভিউ এর ক্ষেত্রে ১৪ ধারা প্রযোজ্য না। 
৮,১১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে কে?
  1. পার্লামেন্ট
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. পার্লামেন্ট ও সুপ্রীম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্ট ও সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্লামেন্ট ও সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারাসমূহ শুধুমাত্র জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে।
⇒ প্রথম তফসিলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট উভয় সংশোধন করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ সকল আইন প্রণয়ন ও সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
⇒ অন্যদিকে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১২২ ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়নসহ বিধিসমূহ বাতিল, পরিবর্তন বা সংযোজন করতে পারে।
⇒১২২ ধারায় সুপ্রীম কোর্টকে দেওয়ানী কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন ও সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলেও, সংবিধানে জাতীয় সংসদকে আইন প্রণয়ন ও সংশোধন করার যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেটাকে খর্ব করা হয়নি।
⇒কারণ সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। জাতীয় সংসদ যে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদেশ ও বিধিসমূহ সংশোধন করতে পারে তার বড় উদাহরণ হলো ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির সংশোধন।
⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2012 এর মাধ্যমে জাতীয় সংসদ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ এর ১(১) বিধি, ৯ বিধি ও ৯ক বিধি প্রতিস্থাপন করে।
⇒আবার আদেশ ৮ এর ১(১) বিধি সংশোধন করে লিখিত জবাব দাখিলের মেয়াদ সমন জারি হতে ৩০ কার্যদিবস নির্ধারণ করে।
⇒ আবার ৯ আদেশের ৫ বিধি সংশোধন করে ৩ মাসের পরিবর্তে ১ মাস নির্ধারণ করে।
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর প্রথম তফসীলে উল্লেখিত আদেশ এবং বিধিসমূহ সুপ্রিম কোর্ট সংশোধন করতে পারলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কখনো এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি।
----------
CPC-Section-122. Power of the Supreme Court to make rules:
The Supreme Court may, from time to time after previous publication, make rules regulating the procedure of each Division of the Supreme Court and the procedure of Civil Courts subject to its Superintendence and may by such rules annul, alter or add to all or any of the rules in the First Schedule.
৮,১২০.
`No new trial for improper admission or rejection of evidence'- এই বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?   
  1. ১৬৪ ধারা
  2. ১৬৫ ধারা
  3. ১৬৬ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২, ধারা ১৬৭: অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইলে তজ্জন্য নতুন করিয়া বিচার হইবে না: অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য কিংবা অগ্রাহ্য করা হইয়া থাকিলে যে আদালতে উহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়, সেই আদালত যদি মনে করেন যে, যে সাক্ষ্য গ্রাহ্য করা হইয়াছে, এবং তাহার বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হইয়াছে, সেই সাক্ষ্য ব্যতীতও এমন সাক্ষ্য প্রমাণ আছে যদ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, কিংবা, যে সাক্ষ্য অগ্রাহ্য করা হইয়াছে, তাহা গ্রাহ্য করা হইলেও আদালতের সিদ্ধান্তের কোনো তারতম্য হইত না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোনো সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করিবার অজুহাতেই কোনো মোকদ্দমার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাইবে না।
-------------------------------------------
The Evidence Act 1872,Section167: No new trial for improper admission or rejection of evidence: The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.

৮,১২১.
A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তি-
  1. শুধুমাত্র A এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  2. B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
  3. B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩০ ধারা:
"When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the court may take into consideration such confession as against such other person as well as against the person who makes such confession."

অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য একসাথে বিচার করা হয় এবং তাদের একজন যে স্বীকারোক্তি দেয়, সেখানে তিনি নিজের সাথে অন্য কাউকে যদি জড়িয়ে ফেলেন, তাহলে আদালত সেই স্বীকারোক্তিকে সেই অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে। যেমন, স্বীকারোক্তিটিকে অন্য প্রমাণাদি দ্বারা সমর্থন করতে হবে ইত্যাদি।

A, B এবং C একটি ডাকাতির ঘটনায় যৌথভাবে অভিযুক্ত এবং তাদের একসাথে বিচার করা হচ্ছে। বিচারের সময় A তার স্বীকারোক্তিতে নিজের দোষ স্বীকার করার পাশাপাশি বলে যে, B ও C ও ডাকাতিতে অংশগ্রহণ করেছে। A এর এই স্বীকারোক্তিতে B ও C এর নাম উল্লেখ থাকায়, সেটি B ও C এর বিরুদ্ধেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে B বা C এর বিরুদ্ধে শুধুমাত্র A এর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। A এর স্বীকারোক্তির সত্যতা যাচাই করতে আরও অন্যান্য প্রমাণাদির সমর্থন প্রয়োজন।
যেমন, ডাকাতির স্থান থেকে B ও C এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া, B ও C এর কাছ থেকে চুরিকৃত মালামাল উদ্ধার ইত্যাদি। এরকম অতিরিক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই A এর স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করে B ও C এর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব।
৮,১২২.
যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা ছিল তার মৃত্যু না ঘটিয়ে, অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মাধ্যমে অপরাধজনক নরহত্যা ঘটালে তার শাস্তি বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০৪খ
সঠিক উত্তর:
৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৮,১২৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জোরপূর্বক বা প্রতারণামূলকভাবে কাউকে স্থানান্তর করাকে "অপহরণ" (Abduction) বলা হয়?
  1. ধারা ৩৬০
  2. ধারা ৩৬১
  3. ধারা ৩৬২
  4. ধারা ৩৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬২
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬২ অনুযায়ী, "অপহরণ" (Abduction)-এর সংজ্ঞা হলো: "যদি কোনো ব্যক্তি জোরপ্রয়োগ করে বা প্রতারণামূলক উপায়ে কোনো ব্যক্তিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বাধ্য করে, তাহলে তাকে অপহরণ বলে গণ্য করা হবে।"

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 362. Abduction:- Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
৮,১২৪.
'ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮' কবে কার্যকর হয়েছিল?
  1. ১৮৯৮ সালের ১লা জানুয়ারি
  2. ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
  3. ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ
  4. ১৮৯৮ সালের ১লা এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই।
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) ১৮৯৮ সালের ২২শে মার্চ প্রণীত হয়,
- তবে এটি কার্যকর (effective) হয় ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই থেকে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি একটি আইনি পদ্ধতি যা ফৌজদারি মামলা প্রক্রিয়া এবং বিচার সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধি-বিধান নির্ধারণ করে, যেমন তদন্ত, বিচার, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, এবং রায় প্রদান ইত্যাদি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারি কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারি কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
৮,১২৫.
জামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে জামিনের আবেদন করে। এই পরিস্থিতিতে, আদালত কী করতে বাধ্য?
  1. জামিন দিবে
  2. কারাগারে প্রেরণ করবে
  3. খালাস দিবে
  4. জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখবে
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন দিবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৬- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:

৪৯৬ ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন ব্যক্তি জামিনযোগ্য অপরাধে আটক হয় অথবা তাকে ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়, তাহলে তাকে পুলিশ বা যে আদালতে হাজির করা হবে সেই পুলিশ বা আদালত উক্ত আটক ব্যক্তিকে জামিন দিবে (Shall be released on bail)

৪৯৬ ধারায় Shall শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির অধিকার।
৮,১২৬.
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. খারিজ করবে
  2. স্থগিত রাখবে
  3. ফেরত পাঠাবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ফেরত পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরত পাঠাবে
ব্যাখ্যা
এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৮,১২৭.
কোন অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনার জন্য কোন শাস্তির উল্লেখ না থাকলে, অপরাধমূলক কাজে সহায়তাকারীর শান্তি দিবে-
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধটি হয়েছে তার জন্য নির্ধারিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ অনুযায়ী ভিন্ন কোন শাস্তির বিধান উল্লেখ না থাকলে প্ররোচনাকারী এবং অপরাধকারী সমান শাস্তি পাবে।
♦দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহায়তার ফলে সহায়তাকৃত কাজটি সম্পাদিত হইবার ক্ষেত্রে এবং উহার শাস্তি বিধানার্থে কোন স্পষ্ট বিধান না থাকিবার ক্ষেত্রে দুষ্কর্মে সহায়তার শাস্তিঃ
♦যে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করা হয়েছে। সহায়তার দরুণ যদি সে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয় এবং এই আইনে অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য যদি কোন স্পষ্ট বিধান না করা হয়ে থাকে, তবে অনুরূপ সহায়তাকারী যে অপরাধটি সংঘটনে সহায়তা করেছে সে অপরাধের জন্য যে দণ্ডের বিধান করা হয়েছে, অপরাধটি সংঘটনে সহায়তার জন্য তাকেও সে দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
♦ব্যাখ্যা (Explanation):-
কোন কাজ বা অপরাধ সহায়তার ফলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তখনই বলা হয় যখন কাজটি বা অপরাধটি যে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা সাহায্য কর্তৃক সহায়তা করা হয়েছে সে প্ররোচনার ফলে বা সে ষড়যন্ত্র অনুযায়ী বা সে সহায়তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়।
৮,১২৮.
ধারা ৪৮-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "সাধারণ প্রথা বা অধিকার" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অধিকারের বিষয়
  2. শুধুমাত্র ঐতিহাসিক অধিকার
  3. শুধুমাত্র আদালতের দ্বারা স্বীকৃত অধিকার
  4. যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর মধ্যে প্রচলিত প্রথা বা অধিকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৮,১২৯.
দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা অনুসারে, অসাধুভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
সাত বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় বলা আছে, যে কেউ প্রতারণা করে কাউকে অসাধুভাবে সম্পত্তি দিতে বাধ্য করলে বা মূল্যবান দলিল তৈরি বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করলে, তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮,১৩০.
একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝার জন্য-
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য দেওয়া যাবে
  2. লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে শুধু
  3. দলিলের পক্ষের মৌখিকভাবে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না
ব্যাখ্যা

Evidence Act, 1872 এর ধারা ৯৩-অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা বা সংশোধনের জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়:
যখন কোনো দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট (ambiguous) বা ত্রুটিপূর্ণ (defective) হয়, তখন এমন কোনো তথ্যের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না, যা সেই অস্পষ্টতার অর্থ স্পষ্ট করে বা ত্রুটি পূরণ করে দিতে পারে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A লিখিতভাবে সম্মত হয়েছে যে, সে একটি ঘোড়া বিক্রি করবে B-কে, মূল্য ১০০০ টাকা বা ১৫০০ টাকা।
→ এখানে দলিলের ভাষাই অস্পষ্ট (দুটি দাম উল্লেখ আছে)। তাই কোন দামে ঘোড়া বিক্রি হবে তা প্রমাণ করার জন্য সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

(খ) একটি দলিলে কিছু ফাঁকা ঘর বা শূন্যস্থান (blanks) রয়েছে। 
→ এই ফাঁকা স্থানগুলো কীভাবে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ছিল, তা বোঝানোর জন্য কোনো সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।

৮,১৩১.
স্বামীর দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ধর্ষণের অভিযোগ গ্রহণ করার ক্ষমতা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নেই?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরে উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
 
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
 
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৮,১৩২.
Which section of the Code of Criminal Procedure is 'further investigation' conducted?
  1. 273(3B)
  2. 173(3A)
  3. 173(3B)
  4. 173(3AA)
সঠিক উত্তর:
173(3B)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
173(3B)
ব্যাখ্যা
-অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
৮,১৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় কীসের পদ্ধতি বর্ণিত আছে?
  1. সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতি
  2. সমন প্রদানের পদ্ধতি
  3. গ্রেফতারের পদ্ধতি
  4. অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান- গ্রেফতারের পদ্ধতি:

(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধঃ এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
৮,১৩৪.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির কয়টি ব্যতিক্রম দেওয়া আছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) ৪টি ব্যাখ্যা আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৮,১৩৫.
'শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়'- এই বিধান নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে
  2. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  3. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৮,১৩৬.
মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন ধরণের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে?
  1. ১ম শ্রেণীর
  2. ২য় শ্রেণীর
  3. ৩য় শ্রেণীর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬(৩) ধারার বিধান: চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথাঃ
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।

(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;

(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;

(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

♦ মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। 
---------------------
Classes of Criminal Courts
Section 6 (3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 

(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
 
(c) Magistrate of the second class; and 
 
(d) Magistrate of the third class.
৮,১৩৭.
আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) এর অধীন মোকদ্দমা পুনর্বহালের আবেদনের ক্ষেত্রে কত টাকা খরচ প্রদান করতে হয়?
  1. ৩০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৭ বিধি ১(৭):
উপ-বিধি (৩) কিংবা (৪) এর অধীন মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তি হলে তা শুনানির নিমিত্তে পুনর্বহাল করা হবে না, যদি না যার অমান্যের কারণে মোকদ্দমাটি খারিজ হয় কিংবা একতরফা নিষ্পত্তি হয়, তিনি খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে তা পুনর্বহালের আবেদনের সঙ্গে আদালতে দুই হাজার টাকা ব্যায়াদির খরচা জমা প্রদান করেন; এবং অনুরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে অন্য কার্যধারা ছাড়িয়ে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করা হবে এবং জমাকৃত খরচা অন্য পক্ষকে দিতে হবে।

⇒ Order-17 Rule-1(7)- A suit dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (3) or (4) shall not be revived for hearing unless the party, for whose noncompliance the suit was dismissed or dispossed of ex parte, makes within thirty days of such dismissal or ex parte, disposal, an application fogether with cost of two thousand taka into Court for such revival; and upon such application being made, the suit shall be revived for bearing without any further proceeding, and cost deposited into Court shall be paid to the other party.
৮,১৩৮.
Which one of the following sections of Criminal Procedure Code,1898 has defined the word 'offence'?
  1. Section 2(1)(f)
  2. Section 4(1)(o)
  3. Section 4(1)(n)
  4. Section 2(1)(p)
সঠিক উত্তর:
Section 4(1)(o)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(1)(o)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)-এ সংজ্ঞা (Definitions) দেওয়া আছে। এখানে "offence" শব্দের সংজ্ঞা clause (o)-এ দেওয়া হয়েছে: (o) "offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force; it also includes any act in respect of which a complaint may be made under section 20 of the Cattle-trespass Act, 1871:

অর্থাৎ, কোনো কাজ বা অবহেলা যা বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য, সেটিই ‘অপরাধ’ বা ‘Offence’। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)(o)-এ ‘Offence’ শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

৮,১৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার উপধারা (১২) অনুযায়ী, পক্ষগণের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে আদালত যে আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করে, তার বিরুদ্ধে -
  1. আপিল ও রিভিশন উভয়ই করা যাবে
  2. আপিল করা যাবে কিন্তু রিভিশন করা যাবে না
  3. রিভিশন করা যাবে কিন্তু আপিল করা যাবে না
  4. আপিল বা রিভিশন কোনোটিই করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আপিল বা রিভিশন কোনোটিই করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বা রিভিশন কোনোটিই করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(১২) (Section 89C(12)) অনুযায়ী, যদি পক্ষগণের মধ্যে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তি হয় এবং সেই ভিত্তিতে আদালত কোনো আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করে, তাহলে সেই আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান: উপধারার-১২: এই ধারা অনুসারে নিস্পত্তির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
--------------
 The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89A(12): No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৮,১৪০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদেশের বিরূদ্ধে আপিল দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ১০০ ধারায়
  2. ১০৭ ধারায়
  3. ১০৪ ধারায়
  4. ১০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।
♦ কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১০৪ ধারায় এবং ৪৩ আদেশে আপীলযোগ্য আদেশ  এর তালিকা উল্লেখ করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ যদি ১০৪ ধারায় বা ৪৩ আদেশে উল্লেখিত কোন আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
৮,১৪১.
According to which Order, no decree to be set aside without notice to opposite party under which of the in the CPC?
  1. Order 9, Rule 10
  2. Order 9, Rule 11
  3. Order 9, Rule 13
  4. Order 9, Rule 14
সঠিক উত্তর:
Order 9, Rule 14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 9, Rule 14
ব্যাখ্যা

Order 9, Rule 14:
No decree shall be set aside on any such application as aforesaid unless notice thereof has been served on the opposite party.

বাংলা অর্থ:
যে কোনো আবেদন অনুযায়ী (যেমন উপরোক্ত প্রসঙ্গে) ফলাফল বাতিল করা হবে না, যতক্ষণ না সেই বিষয়ে নোটিশ/বিজ্ঞপ্তি বিপরীত পক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, আদালত কোনো ডিক্রি (decree) বাতিল করতে পারবেন না যদি বিপরীত পক্ষকে আগে জানানো না হয়।

৮,১৪২.
দণ্ডবিধির বিধান অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
  2. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন ভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
৮,১৪৩.
'ক' একজন সাক্ষী, 'খ' একজন ম্যাজিষ্ট্রেট। 'খ' এর সম্মুখে 'ক' সাক্ষ্যদান কালে 'খ' বলেন যে, তিনি 'ক' এর একটি কথাও বিশ্বাস করেন না। তিনি আরও বলেন যে, 'ক' মিথ্যা শপথ ও সাক্ষ্যদান করিতেছে। ইহাতে 'ক' হঠাৎ উত্তেজিত হইয়া উঠে ও 'খ' কে হত্যা করে। 'ক' Penal Code এর কোন ধারায় অপরাধ করিয়াছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
ব্যাখ্যা
 ⇒ 'ক' Penal Code এর ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধ করিয়াছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১ এর ২য় শর্ত সাপেক্ষে ক খুনের অপরাধ করিয়াছে।

---------------
Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident. 

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.
৮,১৪৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির নিচের কোন বিধান অনুযায়ী দায়িক কর্তৃক ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
-------------------------
⇒ CPC Order-21 Rule-97.Resistance or obstruction to possession of immovable property:
(1) Where the holder of a decree for the possession of immovable property or the purchaser of any such property sold in execution of a decree is resisted or obstructed by any person in obtaining possession of the property, he may make an application to the Court complaining of such resistance or obstruction. 
(2) The Court shall fix a day for investigating the matter and shall summon the party against whom the application is made to appear and answer the same.

⇒ CPC Order-21 Rule-98.Resistance or obstruction by Judgmentdebtor:
Where the Court is satisfied that the resistance or obstruction was occasioned without any just cause by the judgment-debtor or by some other person at his instigation, it shall direct that the applicant be put into possession of the property, and where the applicant is still resisted or obstructed in obtaining possession, the Court may also, at the instance of the applicant, order the judgment-debtor, or any person acting at his instigation, to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days.
৮,১৪৫.
আত্মহত্যা প্রচেষ্টার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ডসহ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের সশ্রম করাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৯ মতে- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং অনুরূপ অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কার্য করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৮,১৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুযায়ী, আদালত যদি পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে তা কোথায় লেখা হবে?
  1. আদালতের রেজিস্টারে
  2. মামলার নথিতে
  3. বিচারকের কেস ডায়েরিতে
  4. কোনো স্থানে লেখা হবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১০ এর ৩ নম্বর বিধি অনুসারে, যদি আদালত পক্ষের জবানবন্দী গ্রহণ করে, তবে সেই জবানবন্দীর সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত অবস্থায় আনতে হবে এবং তা মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, আদালতের রেকর্ড হিসাবে জবানবন্দীটি মামলা সংক্রান্ত নথির অংশ হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-10 rule-3 - Substance of examination to be written.
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record.
৮,১৪৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত কে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়?
  1. পরিবারভুক্ত পক্ষ
  2. পাবলিক কোম্পানির প্রতিনিধি
  3. উত্তরাধিকারী যার চুক্তিতে স্বার্থ আছে
  4. ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী "ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল প্রতিনিধি" সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোনো পক্ষ;
খ) চুক্তির যেকোনো পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, সচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতঃপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।
গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোনো ব্যক্তি;
ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;
ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকার সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাওয়ার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;
চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;
ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নূতন কোম্পানি;
জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়োজনবশত: চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলিতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 23. Who may obtain specific performance:
Except as otherwise provided by this Chapter, the specific performance of a contract may be obtained by- 
(a) any party thereto; 
(b) the representative in interest, or the principal, of any party thereto: provided that, where the learning, skill, solvency or any personal quality of such party is a material ingredient in the contract, or where the contract provides that his interest shall not be assigned, his representative in interest or his principal shall not be entitled to specific performance of the contract, unless where his part thereof has already been performed; 
(c) where the contract is a settlement on marriage, or a compromise of doubtful rights between members of the same family, any person beneficially entitled thereunder; 
(d) where the contract has been entered into by a tenant for life in due exercise of a power, the remainderman; 
(e) a reversioner in possession, where the agreement is a covenant entered into with his predecessor in title and the reversioner is entitled to the benefit of such covenant; 
(f) a reversioner in remainder, where the agreement is such a covenant, and the reversioner is entitled to the benefit thereof and will sustain material injury by reason of its breach; 
(g) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 
(h) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract for the purposes of the company, and such contract is warranted by the terms of the incorporation, the company.
৮,১৪৮.
কোন বিষয় সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বৈধ অপারগ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনা বন্ধ হয় না?
  1. অগ্রক্রয়
  2. চুক্তি প্রবল
  3. স্বত্ব ঘোষণা
  4. দখল পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

Section 8: Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮,১৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় অবলবৎযোগ্য চুক্তির কথা বলা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ১৪
  4. ২১ক
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-

১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে 

৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪)চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 

৫)চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬)বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি

৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮)যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৮,১৫০.
আদেশ ৩৫ বিধি ৩- এ কার বিরুদ্ধের মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. সাক্ষী
  4. ৩য় কোনো পক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-৩: বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করলে কার্যধারা:
যেক্ষেত্রে কোন স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় কোন একজন বিবাদী উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বস্তুত বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করে, সেক্ষেত্রে যে আদালতে বাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা বিচারাধীন আছে, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত কর্তৃক উল্লেখিত আদালতে বিষয়টি অবগত হয়ে, তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমার কার্যধারা স্থগিত রাখবে এবং স্থগিত মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমায় সেটি অন্তর্ভুক্ত করা যাবে; কিন্তু যদি এবং যতদূর সেটি ঐ মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করা না হয়, স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় তার যে খরচাদি হয়েছে, সেটি তাতে যোগ করা যাবে।
৮,১৫১.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে কয়টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ডিক্রি জারির পদ্ধতি- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫১ ধারামতে ৫টি উপায়ে আদালত ডিক্রি জারি বা ডিক্রি কার্যকর করতে পারে। যথা-
i) সম্পত্তি অর্পণ (by delivery);
ii) ক্রোক ও বিক্রয় (attachment and sale);
iii) দেনাদারকে গ্রেফতার ও কারাগারে আটক;
iv) রিসিভার নিয়োগ; এবং
v) প্রতিকারের প্রকৃতি অনুযায়ী অন্য কোন উপায়ে।
----------
⇒ Section 51. Powers of Court to enforce execution.
-Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may, on the application of the decree-holder, order execution of the decree- 
(a) by delivery of any property specifically decreed; 
(b) by attachment and sale or by sale without attachment of any property; 
(c) by arrest and detention in prison; 
(d) by appointing a receiver; or 
(e) in such other manner as the nature of the relief granted may require:
৮,১৫২.
ঘোষণামূলক মামলায় কত টাকা কোর্ট ফী দিতে হয়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• The Specific Relief Act, 1877 ধারা ৪২- ঘোষনামূলক মোকদ্দমা (Declaration suit)  

মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন বিবেচনামূলক ক্ষমতা অথবা আনুষঙ্গিক প্রতিকারের জন্য এই মামলা করা হয়। সহজভাবে বলা যায় যেকোন ব্যক্তির আইন সঙ্গত পরিচয়, মর্যাদা বা কোন সম্পত্তিতে তার কোন অধিকার যদি থাকে, অপর কোন ব্যক্তি তা অস্বীকার করে বা করতে চায়, তখন সেই ব্যক্তি তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই মামলা করতে পারে। আদালত সেই অনুযায়ী প্রতিকার দিবে। এটিই ঘোষনামূলক মোকদ্দমা।

এই মোকদ্দমার জন্য নির্দিষ্ট ৩০০ টাকা কোর্ট ফী দিতে হবে।
⇒ এই মোকদ্দমায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাইতে হয়।
⇒ যখন কোন বাদী আনুষঙ্গিক প্রতিকার না চায়, তাহলে আদালত তার কোনো প্রতিকার মঞ্জুর করে না।
৮,১৫৩.
কোন অপরাধের ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে?
  1. দাঙ্গা
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বেআইনি সমাবেশ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোনো সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
-দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
⇒ দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর (খ)। দস্যুতার ক্ষেত্রে ৫ জনের কম সদস্য থাকে।
৮,১৫৪.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে, অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
৮,১৫৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৭, বিধি ২-এর বিধান কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. সহকারী জজ আদালত
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার সংবিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সহকারী জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
৮,১৫৬.
যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে কার অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. নারী
  3. আদালত
  4. মোকদ্দমার প্রতিপক্ষ
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা

আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদী বা বিবাদীর বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদীর বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেখানে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ডিক্রি স্বামীর বিরুদ্ধেও কার্যকর করা যেতে পারে; এবং যেখানে রায় স্ত্রীর পক্ষে, সেই ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে স্বামীর আবেদনের ভিত্তিতে ডিক্রি কার্যকর করা যেতে পারে, যদি আইন অনুসারে স্বামী ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হয়।

৮,১৫৭.
"কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়া ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে।" উক্ত বিধান-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় আছে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫০ক ধারায় আছে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫১ ধারায় আছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫১:

(১) কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার না হয়ে বা সমন ছাড়াই ফৌজদারি আদালতে উপস্থিত হলেও, সেই আদালত তাকে আটক করতে পারে। এটি সেই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত যেকোনো অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে করা যেতে পারে, যদি প্রমাণাদি থেকে মনে হয় যে সেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমনভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে যেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বা সমন দেওয়া হয়েছে।

(২) যখন বিচার শুরু হওয়ার পর এই ধরনের আটক করা হয়, তখন সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে হবে এবং সাক্ষীদের পুনরায় শুনতে হবে।

Section 351- Detention of offenders attending Court:
(1) Any person attending a Criminal Court, although not under arrest or upon a summons, may be detained by such Court for the purpose of inquiry into or trial of any offence of which such Court can take cognizance and which, from the evidence, may appear to have been committed, and may be proceeded against as though he had been arrested or summoned.
(2) When the detention takes place after a trial has been begun the proceedings in respect of such person shall be commenced afresh, and the witnesses re-heard.
৮,১৫৮.
দণ্ডবিধিতে কয়টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ২য় অংশ বা ব্যতিক্রম (Exception) অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে নাঃ- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।
⇒ ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।
⇒ ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।
⇒ ব্যতিক্রম ৪:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
⇒ ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে ৫টি ব্যতিক্রমের উল্লেখ আছে যখন নিন্দনীয় নরহত্যা খুন বলে বিবেচিত হবে না।
৮,১৫৯.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায়, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পরিবর্তন করার ক্ষমতা কোন কর্তৃপক্ষের?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. পুলিশ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ড এর শাস্তি পরিবর্তন করার ক্ষমতা সরকার এর কাছে রয়েছে। সরকার, কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান হলে, তার সম্মতি ছাড়া ঐ শাস্তি অন্য কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দণ্ডকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোনো স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
----------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 54: Commutation of sentence of death:
- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
৮,১৬০.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।

• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।
অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। অন্যদিকে ৪৪ক ধারায় আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।
৮,১৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ২৬ ধারা অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে চুক্তির পরিবর্তন ছাড়া সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন সম্ভব নয়?
  1. বাদী শর্ত পালন করলে
  2. চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি হলে
  3. চুক্তির শর্ত সঠিক হলে
  4. প্রতারণার কারণে শর্ত ভুল হলে
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার কারণে শর্ত ভুল হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার কারণে শর্ত ভুল হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২৬ নং ধারা অনুসারে, যখন কোন বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করে, এবং প্রতিরোধকারী (defendant) দাবি করে যে চুক্তির শর্তাবলীতে ভুল বা পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে, তখন সেই বাদী শুধুমাত্র ওই পরিবর্তনসহ চুক্তির কার্যকর দাবি করতে পারেন।
- এই ধারা বিশেষভাবে উল্লেখ করে যে, যদি প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্ত এমনভাবে নির্ধারিত হয় যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি করেন, তখন যা ভাবছিলেন তার থেকে ভিন্ন হয়, তাহলে চুক্তির সেই পরিবর্তন ছাড়া সুনির্দিষ্ট কার্যকর সম্ভব নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭-এর ধারা ২৬: পরিবর্তন ছাড়া কার্যকরী করা যাবে না:
যখন কোনো বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চায় এবং প্রতিরোধকারী তা পরিবর্তনের দাবি জানায়, তখন বাদী সেই কার্যসম্পাদন লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সেই পরিবর্তনটি কার্যকর করা হয়, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে:
(ক) যেখানে প্রতারণা বা সত্যের ভুলের কারণে চুক্তির শর্তগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে যা প্রতিরোধকারী যখন চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন তখন তিনি যেভাবে এটি ভাবছিলেন তেমন ছিল না;
(খ) যেখানে প্রতারণা, সত্যের ভুল বা বিস্ময়ের কারণে প্রতিরোধকারী চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, যখন তিনি সঠিকভাবে চুক্তির ফলাফল বোঝেননি এবং বাদীর সঙ্গে চুক্তির সম্পর্কেও ভুল ধারণা করেছিলেন;
(গ) যেখানে প্রতিরোধকারী চুক্তির শর্তগুলো জানতেন এবং তার প্রভাব বুঝতেন, এবং চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন বাদীর কিছু ভুল বিবৃতি বা বাদীর শর্তের ভিত্তিতে যা চুক্তিতে সংযোজন ছিল, কিন্তু বাদী সেই শর্ত পূর্ণ করতে অস্বীকার করেছিলেন;
(ঘ) যেখানে পক্ষদের উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট আইনি ফলাফল অর্জন করা, কিন্তু চুক্তির বর্তমান শর্তগুলো সেই ফলাফল অর্জন করার জন্য উপযুক্ত নয়;
(ঙ) যেখানে পক্ষরা চুক্তি সম্পাদনের পরে চুক্তির শর্তাবলী পরিবর্তন করতে চুক্তি করেছেন।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):- 
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it; 
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff; 
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil; 
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce; 
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
৮,১৬২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির নির্ধারিত সময়-
  1. সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট করা হবে
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. আদালত নির্দিষ্ট করে দিবে
সঠিক উত্তর:
আদালত নির্দিষ্ট করে দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত নির্দিষ্ট করে দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮২ ধারার বিধান: ডিক্রি জারি: সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না। 

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধর ৮২ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির বিধান রয়েছে। আদালত কোন মোকদ্দমায় সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করলে উক্ত ডিক্রি জারি করা যায়-
- সরকার কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করবে তা আদালত ডিক্রিতে নির্দিষ্ট করে দিবে, সরকার যদি আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রিটি নিষ্পত্তি না করে, সেক্ষেত্রে আদালত সরকারকে রিপোর্ট করবে।
- আদালত সরকারকে রিপোর্ট করার ৩ মাস পরও ডিক্রিটি নিষ্পত্তি করা না হলে, এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।
-----------
CPC Section 82. Execution of decree:
(1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.
(2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৮,১৬৩.
'The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.' -This provision is mentioned in:
  1. Section 36 of The Civil Courts Act, 1887
  2. Section 38 of The Code of Civil Procedure, 1908
  3. Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
  4. Section 39 The Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 38 of The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.

(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.

(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.

(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৮,১৬৪.
নিচের কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. উন্মাদ ব্যক্তি
  2. ১৫ বছর বয়সী ব্যক্তি
  3. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে,
নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা যদি আত্মহত্যা করে এবং কেউ তাদেরকে প্ররোচনা বা সহায়তা করে, তবে সেই প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

এই ব্যক্তিরা হলেন:
- ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু/কিশোর
- উন্মাদ (insane) ব্যক্তি
- প্রলাপগ্রস্ত (delirious) ব্যক্তি
- নির্বোধ (idiot/simpleton) ব্যক্তি
- নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি (intoxicated)

অর্থাৎ:
প্রশ্নে উল্লিখিত ক) উন্মাদ, খ) ১৫ বছর বয়সী, গ) নেশাগ্রস্ত — সবাই এই ধারার আওতায় পড়ে। তাদের আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সহায়তা বা প্ররোচনা দিলে ধারা ৩০৫ অনুযায়ী শাস্তি হবে।
৮,১৬৫.
দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, "অনিৎসাধন" (Mischief) এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, যে কেউ অনিষ্টসাধন করলে তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
- Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৮,১৬৬.
'ক' জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সর্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী 'ক' এর শাস্তি হবে?
  1. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৮১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার বিধান মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

-অথবা উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারার উদারনণ: (ক) ক জনৈক জমিদার। সে জানে যে, তার জমিদারীর এলাকার মধ্যে একটি খুনের অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু সে জেলার ম্যাজিস্ট্রেটকে ইচ্ছাপূর্বক এইরূপ ভ্রান্ত খবর দেয় যে, সর্প দংশনের ফলে দুর্ঘটনা-ক্রমেই মৃত্যুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।

------------------
♦ Furnishing false information 
Section 177. Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both; 
 
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

(b) A, a landholder, knowing of the commission of a murder within the limits of his estate, wilfully misinforms the Magistrate of the district that the death has occurred by accident in consequence of the bite of a snake. A is guilty of the offence defined in this section.
৮,১৬৭.
'Right to be defended by a pleader'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
 
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
 
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৮,১৬৮.
রাহুল মিতুকে অপহরণ করে শহরে নিয়ে আসে। রাহুলের উদ্দেশ্য হচ্ছে মিতুকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে (রাহুলকে) বিয়ে করতে বাধ্য করা হবে। রাহুলের এই কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৩৭৬ ধারার
  2. ৩৬৬ ধারার
  3. ৩৫৬ ধারার
  4. ৩৮৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারা- কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;

এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।

Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.

Section 366. Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
৮,১৬৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫খ অনুযায়ী:
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত পেশ না করলে, পরবর্তীতে আদালত কী শর্তে উক্ত দরখাস্ত শুনানির জন্য গ্রহণ করবে?
  1. শুনানির দিন দরখাস্তকারী উপস্থিত থাকলে
  2. উভয় পক্ষের সম্মতি থাকলে
  3. সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
  4. সর্বনিম্ন তিন হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচা প্রদানের সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ধারা-৩৫খ: অন্তর্বর্তী বিষয়গুলো সম্পর্কে আনীত দরখাস্ত, প্রভৃতিতে বিলম্বের নিমিত্তে খরচা:

১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

Section 35B: Cost for delay in making applications, etc., in respect of interlocutory matters:
1) If at any stage of a suit or proceeding an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka.

2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which in the opinion of the Court could and ought to have been made earlier and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit but shall not hear and dispose of the application without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
৮,১৭০.
কোন অপরাধটি পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য নয়?
  1. Assault
  2. Fight
  3. Affray
  4. Criminal Intimidation
সঠিক উত্তর:
Fight
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fight
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ধারা ১৫৯ এর বিধান মারামারিঃ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা “মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৩৫১ এর বিধান আক্রমণঃ কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে ।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৫০৩ এর বিধান অপরাধ ভীতিপ্রদর্শনঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্ৰদৰ্শন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।
♦ তবে Fight পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।
৮,১৭১.
সাক্ষ্য আইনকে কী ধরনের আইন বলা হয়?
  1. Civil Law
  2. Criminal Law
  3. Substantive Law
  4. Procedural Law
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law), যাকে Adjective Law বলেও উল্লেখ করা হয়।
- Procedural Law হলো সেই আইন যা আদালতে মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় কোন তথ্য, কিভাবে ও কখন আদালতে উপস্থাপন করা যাবে, এবং কীভাবে বিচারক বা আদালত সেই তথ্য গ্রহণ ও বিচার করবেন।

→ সাক্ষ্য আইন কোন অধিকার সৃষ্টি করে না, বরং
- আদালতে সত্য প্রমাণ করার নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
- এটি বলে দেয় প্রমাণ কীভাবে উপস্থাপন করতে হবে, কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য, এবং কোনটি অগ্রহণযোগ্য।
- তাই, এটি মূল অধিকারের (Substantive Rights) প্রয়োগে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
→ Substantive Law (সাবস্ট্যানটিভ আইন) হলো সেই আইন যা ব্যক্তির অধিকার ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে, যেমন—দণ্ডবিধি (Penal Code), চুক্তি আইন ইত্যাদি।
- কিন্তু সাক্ষ্য আইন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না, শুধু সত্য উদঘাটনের পথ দেখায়।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইন = Procedural Law, কারণ এটি কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণের নিয়ম নির্ধারণ করে, নতুন কোনো অধিকার সৃষ্টি করে না।
৮,১৭২.
কোন ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত করার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা___________।
  1. মঞ্জুর করতে পারে;
  2. মঞ্জুর করতে পারে না;
  3. ক ও খ;
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মঞ্জুর করতে পারে না;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঞ্জুর করতে পারে না;
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর  ৫৬ ধারামতে আদালত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
 নিম্নেবর্ণিত ১১ টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না-
১. বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
২. অধীনস্থ আদালত ছাড়া অন্য কোন আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য
৩. কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য 
৪. সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশী সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য।
৫. কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৬. যে চুক্তির কার্য সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করা যায় না এমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্য।
৭. উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য ।
৮. এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যেটাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রাদান করেছে
৯. ট্রাস্ট ভঙ্গের মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোন সাধারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমপরিমাণ যথার্থ প্রতিকার নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারী বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন যে, যা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে ।
১১. যেখানে আবেদনকারীর মামলার বিষয়বস্তুতে কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
৮,১৭৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় 'Plea of Alibi' কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ২৪
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে।
 ⇒ নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৮,১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ কী হওয়া উচিত?
  1. পুলিশের প্রয়োজন অনুযায়ী
  2. অপরাধীর আর্থিক অবস্থার উপর নির্ভর করে
  3. অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণে হতে পারে
  4. মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী এবং অত্যধিক না হওয়া উচিত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৮,১৭৫.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code, 1898 provides that "no appeal to lie unless otherwise provided"? 
  1. Section 404
  2. Section 405
  3. Section 406
  4. Section 407
সঠিক উত্তর:
Section 404
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 404
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force."
অর্থাৎ, এই আইনে বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে সরাসরি বিধান না থাকলে, ফৌজদারি আদালতের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
- এটি আপিলের সাধারণ নিষেধাজ্ঞা (general bar on appeals) হিসেবে কাজ করে এবং ধারা ৪০৪-কে "no appeal to lie unless otherwise provided" ধারা হিসেবেই উদ্ধৃত করা হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 404. Unless otherwise provided, no appeal to lie:
- No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

৮,১৭৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করা যায়?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮-এ স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্থাবর সম্পত্তি (জমি, বাড়ি ইত্যাদি) থেকে বেদখল হয়, তাহলে সে দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আদালতে মামলা করে তার স্বত্ব ও দখল উভয়ই পুনরুদ্ধার করতে পারে।

এক্ষেত্রে:
- বাদীকে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
- মামলা বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে (তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪২ অনুসারে)।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ধারা ৮।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.

৮,১৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, কবর থেকে লাশ তোলার ক্ষমতা কার আছে?
  1. পুলিশ সুপারের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা:
যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 176- Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses-
Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
৮,১৭৮.
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারায় বর্ণিত বিধান কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে
  4. উপরের কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ও ২৮ ধারা মূলত ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এগুলো স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্যতা সংক্রান্ত বিধান নির্ধারণ করে, যা সাধারণত অপরাধমূলক কার্যকলাপের স্বীকারোক্তি সংক্রান্ত।

সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হয় এবং তা যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা (পুলিশ বা বিচারক) দ্বারা প্রভাবিত হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

মূল পয়েন্ট:
- যদি আসামি ভয় পান যে স্বীকারোক্তি দিলে ক্ষতি হবে বা না দিলে সুবিধা পাবে, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দেওয়া হয় না।

সাক্ষ্য আইনের ২৮ ধারা:
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো স্বীকারোক্তি প্ররোচনা, ভয় বা প্রতিশ্রুতির ফলে দেওয়া হয় এবং পরে তা স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়, তবে আদালত তা গ্রহণ করতে পারে।

মূল পয়েন্ট:
- যদি কোনো ব্যক্তি প্রথমে ভয় বা প্রতিশ্রুতির কারণে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
- কিন্তু পরে যদি তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বীকারোক্তি দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- এটি শুধুমাত্র ফৌজদারি মামলার জন্য প্রযোজ্য, কারণ দেওয়ানি মামলায় সাধারণত অপরাধমূলক স্বীকারোক্তির প্রশ্ন আসে না।
৮,১৭৯.
নিষেধাজ্ঞায় আদেশ কত প্রকারের হতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
৮,১৮০.
A, B-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার উক্ত পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য B চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে A এর অপরাধ কী?
  1. সত্য লুকিয়েছে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে
  3. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করেছে
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করেছে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।
-------------- 
-Section 192. Fabricating false evidence:
Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations:
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৮,১৮১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় সরকারের সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ১৭
  2. ৩৪
  3. ৪১
সঠিক উত্তর:
১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”: The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
৮,১৮২.
কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. যে-কোনো
  2. যাবজ্জীবন
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।

♦ গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
৮,১৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার কয়টি পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারায় সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়-
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে;
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে;
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
 
Section 155⇒ Impeaching credit of witness:
The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;
 
Explanation.– A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
৮,১৮৪.
কোন ক্ষেত্রে আদালত অ-জামিনযোগ্য অপরাধের অভিযুক্তকে বিশেষভাবে জামিন দিতে পারে?
  1. অভিযুক্ত আর্থিকভাবে দেউলিয়া হলে
  2. অভিযুক্ত নারী হলে
  3. অভিযুক্ত দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে
  4. অভিযুক্ত ১৬ বছরের বেশি বয়সী হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত নারী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত নারী হলে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৯৭ - অ-জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন:
১. সাধারণ বিধান (উপধারা ১):
যে কোনো ব্যক্তি যাকে অ-জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে বা পুলিশি ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়েছে, অথবা আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে, তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু যদি মনে হয় যে সে এমন অপরাধে যুক্ত যা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য, তবে জামিন দেওয়া যাবে না।

আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, যদি অভিযুক্ত ১৬ বছরের কম বয়সী, নারী, বা অসুস্থ/দুর্বল ব্যক্তি হয়, তবে জামিন দেওয়া যেতে পারে, এমনকি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সাজা যোগ্য গুরুতর অপরাধ হলেও।

২. তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচার চলাকালীন জামিন (উপধারা ২):
যদি পুলিশের অফিসার বা আদালত মনে করে না যে অভিযুক্ত নন-জামিনযোগ্য অপরাধ করেছে, কিন্তু অভিযুক্তের দোষ সম্পর্কে আরও অনুসন্ধানের পর্যাপ্ত কারণ আছে, তখন সেই ব্যক্তি অপেক্ষমাণ অবস্থায় জামিন পাবেন, অথবা বন্ডের মাধ্যমে (কোনো গ্যারান্টি ছাড়া) আদালতে হাজির থাকার শর্তে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে।
 
৩. কারণ লিখিতভাবে নথিভুক্ত করা (উপধারা ৩):
যে কোনো পুলিশ অফিসার বা আদালত জামিন দেওয়ার সময় অবশ্যই লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করবেন।
 
৪. বিচারের শেষ পর্যায়ে জামিন (উপধারা ৪):
যদি বিচার শেষের আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের অপরাধে যুক্তি নেই (নিষ্ক্রিয় বা অব্যাহত প্রমাণ নেই), তাহলে অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে, কোনো গ্যারান্টি ছাড়া আদালতে হাজির থাকার শর্তে।
 
৫. উচ্চ আদালত বা সেশন কোর্টের ক্ষমতা (উপধারা ৫):
High Court Division বা Sessions Court, বা যে কোনো আদালত যে কাউকে ধারা ৪৯৭ অনুযায়ী জামিন দিয়েছে, তাকে আবার গ্রেফতার করার ও কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।

৮,১৮৫.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে?
  1. ১০৩
  2. ১১৩
  3. ১১৫
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

অর্থাৎ চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত।
৮,১৮৬.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তুর সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন সাক্ষ্য আইনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন আদালত তা লিখিত আকারে চায়
  2. যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
  3. যখন স্বীকারোক্তি প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে আসে
  4. যখন মৌখিক স্বীকারোক্তি কোনো পুলিশ অফিসার গ্রহণ করেন
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বিতর্কিত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক(Section 22A) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন ওঠে বা তা বিতর্কিত হয়, তখন সেই মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক বা গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ২২ক অনুযায়ী,

"Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question."
অর্থাৎ, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু নিয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়, যতক্ষণ না সেই রেকর্ডের সত্যতা বা প্রামাণ্যতা চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
৮,১৮৭.
'ক' 'খ' কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে, কিন্তু গুলিটি 'খ' এর পরিবর্তে পাশে দাঁড়ানো 'গ' এর উপর লাগে এবং 'গ' মারা যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' এর এই কাজটি কোন ধারার আওতায় অপরাধ?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য বা জ্ঞানসহ কোনো কাজ করে এবং তাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তাহলে অপরাধের ধরন এবং শাস্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে যা হতো তাই হবে। এখানে ‘ক’ ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি করে, কিন্তু ‘গ’-এর মৃত্যু ঘটেছে, তাই এটি ‘খ’-এর হত্যার মতোই অপরাধ (যেমন: যদি উদ্দেশ্য হত্যা হয়, তাহলে এটিও হত্যা হিসেবে গণ্য)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ধারা ৩০১।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৮,১৮৮.
কখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা-এর সময়
  2. জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
  3. লিখিত সাক্ষ্যগ্রহণের সময়
  4. উল্লিখিত যেকোনো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দীর সময়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা- ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না (When they must not be asked) :
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।

৮,১৮৯.
আদেশ ১৩ বিধি-৩ এর অধীন আদালত একটি দলিল অগ্রাহ্য করার সিদ্ধান্ত কোন পর্যায়ে নিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মোকদ্দমার শুরুতে
  2. শুধুমাত্র চূড়ান্ত রায়ের পরে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের সময়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

Order 13 Rule 3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
৮,১৯০.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, নিচের কোনটি অনধিকার গৃহপ্রবেশের উদাহরণ?
  1. কোনো ব্যক্তির বাড়ির সামনে হাঁটা
  2. কোনো ব্যক্তির বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো
  3. কোনো ব্যক্তির বাড়ির বাইরে কথা বলা
  4. কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির বাড়ির জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুসারে, অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলতে বোঝায় অন্যের গৃহ, তাঁবু বা জলযানে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা বা সেখানে অবস্থান করা।
- ব্যাখ্যা অনুসারে, যদি কেউ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে অন্যের গৃহের দরজা, জানালা বা অন্য কোনো পথ দিয়ে তার দেহের কোনো অংশ প্রবেশ করায়, তবে সেটিও অনধিকার গৃহপ্রবেশের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ সুতরাং, "জানালা দিয়ে হাত ঢোকানো" অনধিকার গৃহপ্রবেশের উপযুক্ত উদাহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation:-The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
৮,১৯১.
আদালত কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন?
  1. যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
  2. যখন সরকার পক্ষ আবেদন করে
  3. যখন সরকার এবং অভিযুক্ত উভয়পক্ষ এই মর্মে আবেদন করে
  4. সকল ক্ষেত্রেই মূল অভিযোগ হিসেবে গণ্য করা যাবে
সঠিক উত্তর:
যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী- চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারী বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর যা অনুসন্ধান (inquiry) এবং বিচার (trial) কে পৃথক করে।একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 

অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৮ ধারাতে কখন থেকে পরিবর্তিত চার্জ অনুযায়ী বিচার শুরু হবে সেই সম্পর্কে বলা আছে।
এই ধারা অনুসারে, ২২৭ ধারা অধীন প্রণীত বা পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ (চার্জ) যদি এরূপ হয় যে, আদালতের অভিমত অনুসারে সঙ্গে সঙ্গে বিচার শুরু করার ফলে অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরকার পক্ষের মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাহলে আদালত ইচ্ছা করলে অভিযোগ গঠন, পরিবর্তন বা সংযোজনের পর নতুন বা পরিবর্তিত অভিযোগকে মূল অভিযোগ হিসাবে গণ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন ।
৮,১৯২.
দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুসারে সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে কত দিনের লিখিত নোটিশ দিতে হয়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮০ ধারার বিধান নোটিশ (Notice)-
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়।
- যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না,
- কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

 - সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
------------------
CPC Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- 
 
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and 
 
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. 
 
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: 
 
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
৮,১৯৩.
দণ্ডবিধিতে শাস্তি হিসেবে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. জরিমানা
  3. দেশান্তর
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ (Chapter III, Section 53) অনুযায়ী শাস্তির ধরনগুলো হলো—
১) মৃত্যুদণ্ড
২) আজীবন কারাদণ্ড (rigorous)
৩) কারাদণ্ড – কঠোর শ্রমসহ বা সহজ
৪) সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (forfeiture of property)
৫) জরিমানা (fine)
-  কিন্তু দেশান্তর (transportation) শাস্তি ১৯৫০ সালের আইন দ্বারা বাতিল (omitted) করা হয়েছে।
- সুতরাং, বর্তমানে "দেশান্তর" শাস্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: গ) দেশান্তর

৮,১৯৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে, সমন গ্রহণের পর কুরিয়ার সার্ভিস কত দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে তা পাঠাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ৯ (জারির জন্য সমন অর্জন অথবা প্রেরণ) -
(১) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে, বিবাদী সেটির এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় বসবাস করে বা সমন গ্রহণ করার ক্ষমতা প্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি বিবাদীর পক্ষে যদি এরূপ এলাকার ভিতর বসবাস করে, তবে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ না দিলে হয় উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট স্বয়ং জারি করার লক্ষ্যে বা তাদের অধঃস্তন কোন ব্যক্তি দ্বারা অথবা উপ-ধারা(৪) এর বিধান অনুযায়ী জেলা জজ কর্তৃক তালিকাভুক্ত কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সমন অর্পিত বা প্রেরিত হবে।
(২) উপযুক্ত কর্মকর্তা যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে সেখানকার না হয়ে অন্য কোন আদালতের কর্মকর্তাও হতে পারেন, এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তার নিকট ডাকযোগে বা আদালত যেভাবে নির্দেশ দিতে পারে অনুরূপ অন্য যে কোন উপায়ে প্রেরণ করা যাবে।
(৩) আদালত উপ-বিধি (১) তে বর্ণিত বিধানের অতিরিক্ত হিসেবে বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারে এবং একইসঙ্গে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে বা ইলেক্ট্রনিক মেইল সার্ভিস এর মাধ্যমে নিজ খরচে সমন প্রেরণের নির্দেশ দিবেন।
(৪) জেলা জজ উপ-বিধি(১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন (সময় সময় হালনাগাদসহ) এবং তার প্রশাসনিক অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতসমূহকে তা অবহিত করবেন।
(৫) যখন সমন উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস এর নিকট প্রেরণ করা হয়, তখন তিনি বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত সমন প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে সার্ভিস বা প্রেরণ করবেন এবং আদালতকে এতদবিষয়ে অবহিত করবেন: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উপযুক্ত কর্মকর্তা বা কুরিয়ার সার্ভিস উক্ত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণে ব্যর্থ হন, তাহলে উক্ত কর্মকর্তা অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং কুরিয়ারের ক্ষেত্রে,জেলা জজ প্রস্তুতকৃত তালিকা হতে তা বাদ দিবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-9 Delivery or transmission of summons for service.⎯
(1) Where the defendant resides within the jurisdiction of the Court in which the suit is instituted, or has an agent resident within that jurisdiction who is empowered to accept the service of the summons, the summons shall, unless the Court otherwise directs, be delivered or sent either to the proper officer to be served by him or one of his subordinates or through courier service enlisted by the District Judge under sub-rule (4).
(2) The proper officer may be an officer of a Court other than that in which the suit is instituted, and, where he is such an officer, the summons may be sent to him by post or in such manner as the Court may direct.
(3) The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax massage or electronic mail service by the plaintiff at his own cost.
(4) The District Judge shall prepare a list of courier services (to be updated from time to time) for the purposes of sub-rule (1), and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the list.
(5) When a summons is sent to the proper officer or the courier service, he or it shall serve the summons within thirty days from the date of receipt of summons and shall inform the Court in this regard : Provided that, if the proper officer or the courier service fails to serve the summons within the said period of time, that officer shall be liable for misconduct and in the case of courier service, the District Judge shall exclude it from the list prepared under sub-rule (4).
৮,১৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় যখন-
  1. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  2. যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত
  3. যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করলে যে ক্ষতি হবে তা নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড নাই
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২, যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন কার্যকরযোগ্য: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, যে কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কার্যকর করা যাইবে-
(ক) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিলে প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতি সাধিত হইবে উহা নির্ণয় করিবার কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যখন চুক্তিভুক্ত কাজটি এইরূপ হয় যে, উহা সম্পাদন না করিয়া আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না;
(ঘ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিবার জন্য কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
----------------------------
The Specific Relief Act.1877, Section: 12. Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief;
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

৮,১৯৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি ডিজিটাল রেকর্ডের সংজ্ঞা প্রদান করে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act (Amendment), 2022 দ্বারা ডিজিটাল রেকর্ডকে দলিলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত যে কোন লেখা, সিসিটিভির ভিডিও বা মোবাইলে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিও বা ওয়েবসাইট প্রকাশিত গেজেট ইত্যাদি ডিজিটাল রেকর্ড মর্মে গণ্য হবে এবং এগুলো সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ৩: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
⇒ ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
⇒ অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
⇒ ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
⇒ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৮,১৯৭.
পলাতক আসামীর উপস্থিতির জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হয় ________।
  1. আদালতের নির্দেশ মোতাবেক
  2. দুইটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়
  3. একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
  4. দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামিকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশি অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
৮,১৯৮.
বিচারিক আদালত একজন দন্ডিতকে জামিন দিতে পারে যদি তার কারাদন্ডের মেয়াদ হয় অনধিক-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]

♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]

♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]

♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৬(২ক) মতে কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে।
৮,১৯৯.
অপরাধীর সংখ্যা ছাড়া নিম্নবর্ণিত কোন দুটি অপরাধের উপাদানসমূহ অভিন্ন?
  1. চুরি ও বলপূর্বক আদায়
  2. বলপূর্বক আদায় ও ডাকাতি
  3. বলপূর্বক আদায় ও দস্যুতা
  4. ডাকাতি ও দস্যুতা
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি ও দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি ও দস্যুতা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

♦ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
♦ ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
৮,২০০.
যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামী-
  1. অব্যাহতি পেতে পারে
  2. খালাস পেতে পারে
  3. দন্ড পেতে পারে
  4. মুক্তি পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে প্রমান পাওয়া না গেলে আসামীকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন জমা দেন তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report বলে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করতে বাধ্য নয় ; ম্যাজিষ্ট্রেট Final Report গ্রহণ বা প্রত্যাখান করতে পারে।

♦ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করলে আসামীকে ২০২(২খ) ধারায় অব্যাহতি দিতে পারেন। 

♦কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ না করলে অথবা নারাজী পিটিশন দাখিল করা হলে ম্যাজিষ্ট্রেট পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারেন অথবা ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।