বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭২ / ১২৬ · ৭,১০১৭,২০০ / ১২,৬০৫

৭,১০১.
বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে ?
  1. যে জেলায় বাদী বাস করে
  2. যে জেলায় বিবাদী বাস করে
  3. তৃতীয় জেলায়
  4. দুটি জেলার যে কোনটিতে
সঠিক উত্তর:
দুটি জেলার যে কোনটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি জেলার যে কোনটিতে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধান বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পপত্তি সম্পর্কিত মামলাঃ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত বা উহাতে অনিষ্টের কারণে আনীত মামলার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে উক্ত সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ার অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যেতেপারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মামলার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবীটিই এরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারেন।
৭,১০২.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, ধারা ১৬৬ কোন বিষয়ে সম্পর্কিত?
  1. জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
  2. আদালতের সাক্ষ্য রেকর্ড করার পদ্ধতি
  3. আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন
  4. সাক্ষী সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জুরি বা অ্যাসেসরের প্রশ্ন করার ক্ষমতা।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬৬ বলছে, যখন কোনো মামলা জুরি (jury) বা অ্যাসেসরদের (assessors) উপস্থিতিতে বিচারাধীন থাকে, তখন তারা সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।
তবে এই প্রশ্নগুলো করতে হবে—
- বিচারকের মাধ্যমে বা তাঁর অনুমতি নিয়ে (through or by leave of the Judge),
- প্রশ্ন হতে হবে এমন, যা বিচারক নিজেও করতে পারতেন, এবং
- বিচারক যদি মনে করেন প্রশ্নটি উপযুক্ত, তখনই তা করা যাবে।

 উদাহরণস্বরূপ:
একটি ফৌজদারি মামলায় যদি জুরি বোর্ড থাকে এবং কোনো সাক্ষীর জবানবন্দিতে দ্ব্যর্থতা থাকে, তাহলে জুরি সদস্যরা বিচারকের অনুমতি নিয়ে সেই বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।

মূল উদ্দেশ্য: এই ধারা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়ক, কারণ এতে জুরি বা অ্যাসেসরদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং তারা বিচার প্রক্রিয়ার সত্য উদঘাটনে ভূমিকা রাখতে পারেন।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 166. Power of jury or assessors to put questions:
- In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.

৭,১০৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮৫খ অনুসারে কোন ক্ষেত্রে আদালতের মনে হতে পারে যে, দলিলে সংযুক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি স্বাক্ষরকারীর ইচ্ছাকৃত ছিল?
  1. অস্বাক্ষরিত দলিল
  2. অজানা উৎসের দলিল
  3. সাধারণ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  4. সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫B(২)(ক) অনুযায়ী, যদি কোনো Secure Digital Signature (সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর) কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে: "The Court shall presume, unless the contrary is proved, that (a) the secure digital signature is affixed by the subscriber with the intention of signing or approving the digital record."
অর্থাৎ, আদালত ধারণা (Presume) করবে যে: স্বাক্ষরকারী নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষর করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন।
- অর্থাৎ ধারা ৮৫খ (2)(a) অনুসারে, যদি এটি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর হয়, তবে আদালত ধরে নেবে যে স্বাক্ষরকারী তা নিজের ইচ্ছায় যুক্ত করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫খ : ডিজিটাল রেকর্ড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কিত অনুমান:
(১) কোনো কার্যক্রমে যদি একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, অনুমান করবে যে সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ডটি যে সময় থেকে সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল, তারপর থেকে তাতে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
(২) কোনো কার্যক্রমে যদি সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষর জড়িত থাকে, তবে আদালত, বিপরীত প্রমাণিত না হলে, নিম্নলিখিতগুলি অনুমান করবে যে:
(ক) ডিজিটাল রেকর্ডে স্বাক্ষরকারী (subscriber) কর্তৃক স্বাক্ষরের বা অনুমোদনের অভিপ্রায়ে সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত করা হয়েছে;
(খ) একটি সুরক্ষিত ডিজিটাল রেকর্ড বা সুরক্ষিত ডিজিটাল স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে ব্যতীত, এই ধারার কোনো কিছুই ডিজিটাল রেকর্ড বা কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা এবং অখণ্ডতা সম্পর্কিত কোনো অনুমান তৈরি করবে না।
--------
⇒ The Evidence Act,1872: Section- 85B. Presumption as to digital record and digital signatures:
(1) In any proceedings involving a secure digital record, the Court shall presume unless contrary is proved, that the secure digital record has not been altered since the point of time to which the secure status relates.
(2) In any proceedings, involving secure digital signature, the Court shall presume unless the contrary is proved that-
(a) the secure digital signature is affixed by subscriber with the intention of signing or approving the digital record;
(b) except in the case of a secure digital record or a secure digital signature, nothing in this section shall create any presumption relating to authenticity and integrity of the digital record or any digital signature.

৭,১০৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযােজ্য হবে?
  1. ফৌজদারি মামলার এফ,আই,আর দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. ফৌজদারি মামলার নালিশ দায়েরের ক্ষেত্রে
  3. ফৌজদারি মামলার আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. ফৌজদারি মূল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
৭,১০৫.
কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা দলিল তৈরি করে কাউকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করে, তবে এটি দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় তা কোন অপরাধের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চুরি
  2. দুর্নীতি
  3. প্রতারণা
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান- জালিয়াতি:
 কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Section 463- Forgery: 
Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৭,১০৬.
''Small Cause Courts'' এর রায়ে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৪ অনুসারে, স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে নির্ধারণের বিষয়সমূহ এবং উহার উপর সিদ্ধান্ত থাকবে এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ, নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ, ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত এবং অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে।

অর্থাৎ স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-
⇒ নির্ধারণের বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

এবং অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-
⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৭,১০৭.
সাক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃতি কোন অর্থে ব্যবহার করা যায়?
  1. Estoppel
  2. Evidence
  3. Confession
  4. Conclusive Proof
সঠিক উত্তর:
Estoppel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Estoppel
ব্যাখ্যা
• স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৭,১০৮.
দণ্ডবিধি আনুসারে ঠগ (Thug) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে।  খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------
⇒ Section 310: Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ Section  311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৭,১০৯.
'ক' গুরতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং তার চিকিৎসকে জানায় এই আঘাত 'খ' দিয়েছে। ৩ দিন পর 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর বিবৃতি মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে-
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য নয়
  3. পুলিশের কাছে দিলে গ্রহণযোগ্য হতো
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 

- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'ক' এর বক্তব্য ৩২ ধারায় বর্ণিত শর্ত অনুসারে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
৭,১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীনে পুলিশ কোন ধরনের রিপোর্ট দাখিল করতে পারে?
  1. First Investigation Report
  2. Further Investigation Report
  3. Final Investigation Report
  4. Complete Investigation Report
সঠিক উত্তর:
Further Investigation Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Further Investigation Report
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৭৩ (৩খ) ধারা অনুসারে, পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট (১৭৩(১) ধারার অধীনে দাখিলকৃত) জমা দেওয়ার পরও অপরাধের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করতে পারে। এই অধিকতর তদন্তের সময় যদি পুলিশ নতুন মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য পায়, তবে তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet) দাখিল করতে পারে। এই রিপোর্টটি "Further Investigation Report" নামে পরিচিত, কারণ এটি প্রাথমিক তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে সংগৃহীত অতিরিক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
৭,১১১.
দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না?
  1. ৩০২ ধারা
  2. ৩০৩ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের জন্য, ৩০৩ ধারায় যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের জন্য এবং ৩৯৬ ধারায় ডাকাতির সময় খুনের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।
♦ কিন্তু ৩০৪ ধারায় খুন বলে গণ্য নয় এমন নিন্দনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড । অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদন্ড হবে না।
৭,১১২.
The Evidence Act, 1872 এর ৫১ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণযোগ্য
  2. সাধারণ সাক্ষীদের মতামত আদালতে গৃহীত হবে
  3. শুধুমাত্র পুলিশ কর্মকর্তার মতামত গ্রহণযোগ্য
  4. বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তি বা কারণও আদালতে প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৫১ ধারা- মতামতের ভিত্তি, কখন প্রাসঙ্গিক:
যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়, তখন সেই মতামতের ভিত্তি বা কারণও প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণ:
একজন বিশেষজ্ঞ (Expert) তার মতামত গঠনের জন্য যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, তা আদালতে ব্যাখ্যা করতে পারেন।
৭,১১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে তাকে আদালত বাদ দিতে পারে?
  1. আদেশ-১, বিধি-৩
  2. আদেশ-১, বিধি-৮
  3. আদেশ-১, বিধি-১০
  4. আদেশ-১, বিধি-১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-১০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী—
- মামলার যেকোন পর্যায়ে আদালত, পক্ষসমূহের আবেদনে বা স্বপ্রণোদিতভাবে, এমন কোন পক্ষকে বাদ দিতে পারেন যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
- একইসাথে, যদি আদালত মনে করে যে, কোন ব্যক্তির উপস্থিতি মামলার কার্যকর ও পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন, তাহলে তাকেও যুক্ত করতে পারেন।

বিধি ১০(২) স্পষ্টভাবে বলে:
"...the Court may at any stage of the proceedings, either upon or without the application of either party, and on such terms as may appear to the Court to be just, order that the name of any party improperly joined, whether as plaintiff or defendant, be struck out..."

→ যাকে অনুচিতভাবে বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে, তাকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের রয়েছে আদেশ ১, বিধি ১০ অনুযায়ী।
৭,১১৪.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public Document) হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  2. পারিবারিক চিঠিপত্র
  3. দুই বন্ধুর মধ্যে চুক্তিপত্র
  4. আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি বা আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, আদালতের আদেশ বা ডিক্রি সরকারি দলিলের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এগুলো বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের অংশ এবং সরকারি রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৭,১১৫.
'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৮১ ধারা
  2. ৮৭ ধারা
  3. ৯১ ধারা
  4. ৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারা
ব্যাখ্যা
Doctrine of Alternative Danger অর্থ হলো- বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া। 'Doctrine of alternative danger' দণ্ডবিধির ৮১ ধারার সাথে সম্পর্কিত।
দণ্ডবিধির ধারা ৮১ অনুসারে, বৃহত্তর ক্ষতি এড়ানোর জন্য ক্ষুদ্রতর ক্ষতি মেনে নেওয়া বৈধ হতে পারে। যদি কোনো সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কাজ সৎ উদ্দেশ্যে, শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

উদাহরণ:
ধরা যাক, একটি জ্বলন্ত বাড়ির পাশে আরেকটি বাড়িতে বিস্ফোরক পদার্থ রয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী যদি পাশের বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে ফেলে, তবে তা ধারা ৮১-এর অধীনে বৈধ বলে গণ্য হবে, কারণ এটি বৃহত্তর ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির  ৮১ ধারা- সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কার্য, কিন্তু অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া এবং অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত:
 কোন কাজ শুধু ক্ষতিসাধন করতে পারে এইরূপ জানা সত্ত্বেও উহা করার ফলেই অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে না যদি কাজটি ক্ষতিসাধন করার জন্য কোনরূপ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সম্পাদিত না হয়ে থাকে এবং উহা শরীরের বা সম্পত্তির অপর কোনরূপ ক্ষতি নিবারণ বা প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সরল বিশ্বাসে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা: যে ক্ষতিটি নিবারণ বা প্রতিরোধ করতে হবে, উহা এতই আসন্ন বা প্রকট ছিল কিনা এবং উহা এমন প্রকৃতির ছিল কিনা যার ফলে, সম্পাদিত কাজটি ক্ষতি করতে পারে জানা সত্ত্বেও উহা করা বা করার মাধ্যমে ঝুঁকি গ্রহণ মার্জনীয় হবে, বাস্তব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এই প্রশ্নটির মীমাংসা করতে হবে।

Section 81- Act likely to cause harm, but done without criminal intent and to prevent other harm:
Nothing is an offence merely by reason of its being done with the knowledge that it is likely to cause harm, if it be done without any criminal intention to cause harm, and in good faith for the purpose of preventing or avoiding other harm to person or property. 
 
Explanation.-It is a question of fact in such a case whether the harm to be prevented or avoided was of such a nature and so imminent as to justify or excuse the risk of doing the act with the knowledge that it was likely to cause harm.
৭,১১৬.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত এক পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ কত সেট প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে?
  1. ৩ সেট
  2. ২ সেট
  3. ১ সেট
  4. সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
১ সেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেট
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।

বিধি ১: প্রশ্নাবলী দ্বারা আবিষ্কার-
কোন মোকদ্দমায় বাদি কিংবা বিবাদিপক্ষ অপর পক্ষসমূহকে অথবা তাদের মধ্যে একজন বা একাধিক জনকে পরীক্ষা করার জন্য আদালতের অনুমতিক্রমে, বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে লিখিতরূপে প্রশ্নমালা প্রদান করতে পারে এবং অনুরূপ প্রশ্নমালা প্রদান করা হলে এর মধ্যে কোন কোন প্রশ্নের উত্তর অনুরূপ ব্যক্তির কাউকে প্রদান করতে হবে তা প্রশ্নমালার পাদটিকায় লিখিত থাকবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন পক্ষ অপর পক্ষকে আদালতের আদেশ ব্যতিরেকে এক প্রস্থের অধিক প্রশ্নমালা প্রদান করবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার সাথে কোনভাবেই সম্পর্কীত নয়, এরূপ প্রশ্নমালা সাক্ষীর মৌখিক জেরায় জিজ্ঞাসা করা চললেও এক্ষেত্রে তা অবান্তর বলে গণ্য হবে।
৭,১১৭.
According to Section 410 of the Penal Code, 1860, Stolen property includes property that has been transferred by:
  1. Donation or charity
  2. Inheritance or gift
  3. Misrepresentation or error
  4. Theft, extortion, or robbery
সঠিক উত্তর:
Theft, extortion, or robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Theft, extortion, or robbery
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে।
-দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860-Section-410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৭,১১৮.
'A' একজন সৈনিক হিসেবে সুপিরিয়র অফিসারের আদেশে জনতার উপর গুলি চালায়। আইন অনুসরণে করা এই কাজটি অপরাধ নয়। এটি দণ্ডবিধির কত নং ধারার উদাহরণ?
  1. ধারা ৭৬
  2. ধারা ৭৭
  3. ধারা ৭৮
  4. ধারা ৭৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা বাধ্য হয়, অথবা সদুদ্দেশ্যে তথ্যের ভুলের কারণে নিজেকে আইন দ্বারা বাধ্য বলে বিশ্বাস করে কোনো কাজ করে, তবে তা অপ্রাধ নয়।
- উল্লিখিত উদাহরণে, 'A' একজন সৈনিক হিসেবে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশে এবং আইনানুসমর্থনে কাজ করেছে। এটি ধারা ৭৬ এর একটি সরাসরি উদাহরণ, যা "আইন দ্বারা বাধ্য" হওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

⇒  দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত: বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনত: বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
---------
⇒The Penal Code, 1860-Section 76: Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.
Illustrations:
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.

৭,১১৯.
একজন ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী guilty plead করায় ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের হলে নিম্নের কোনটি হতে পারে?
  1. আপিলটি শুনানীর জন্য গ্রহণ করা হবে
  2. আপিলটি দায়রা জজ আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া হবে
  3. আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
  4. রিভিশশন দায়েরের জন্য ফেরত দেয়া হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য নয় বিধায় আপিলটি না-মঞ্জুর হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]

অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 

২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে আসামী দোষ স্বীকার করেছে এবং সেই সাথে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। ধারা ৪১২ এবং ৪১৩ এর অধীন দণ্ডাদেশ আপীলযোগ্য নয়, তাই আপীলটি না-মঞ্জুর হবে।
৭,১২০.
যদি আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশমতো বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কী হবে?
  1. বাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. আদালত আরজি ফেরত দিবে
  3. বিবাদীকে প্রতিকার নির্ধারণের সুযোগ দেওয়া হবে
  4. আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি- ১১: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-
ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;
খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;
গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়।

তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।
৭,১২১.
Section 409 of the Code of Criminal Procedure, 1898 deals with the appeal hearing procedure of which court?
  1. Court of Session
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. Chief Judicial Magistrate
সঠিক উত্তর:
Court of Session
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Session
ব্যাখ্যা

Section 409- Appeals to Court of Session how heard:
An appeal to the Court of Session or Sessions Judge shall be heard by the Sessions Judge or by an Additional Sessions Judge: Provided that an Additional Sessions Judge shall hear only such appeals as the Government may by general or special order, direct or as the Sessions Judge of the Division may make over to him.

ধারা ৪০৯- দায়রা আদালতে আপীলের শুনানীর পদ্ধতি-
দায়রা আদালতে বা দায়রা জজ বরাবর দাখিলকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলই শ্রবণ করবেন, যেগুলোর বিষয়ে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ প্রদান করবেন বা দায়রা জজ যেগুলো তাঁর বরাবর অর্পণ করেন।

৭,১২২.
The Penal Code,1860 অনুসারে কোন ব্যক্তিকে তার ইচ্ছানুসারে নির্দিষ্ট কোন পথ গমনের ক্ষেত্রে বাধা দিলে কী অপরাধ হবে?
  1. Kidnapping
  2. Criminal force
  3. Wrongful restraint
  4. Wrongful confinement
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।
--------
Wrongful restraint:
Section 339. Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person. 

Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section. 
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৭,১২৩.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ১০০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ১০০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিধির অধীন সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৬
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ৭, বিধি ৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না;
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
৭,১২৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুরি বা এসেসগণ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার ক্ষমতা সর্ম্পকে বলা হয়েছে?
  1. ১৬৫ ধারা
  2. ১৬৭ ধারা
  3. ১৬৮ ধারা
  4. ১৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৬ ধারায় জুরি বা এসেসর সম্পর্কে বলা আছে। ১৬৬ ধারার অধীন জুরি কোনো সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে।

⇒ বর্তমানে জুরি বা এসেসর সিস্টেম বিলুপ্ত।
-------------------
⇒ Power of jury or assessors to put questions
Section 166. In cases tried by jury or with assessors, the jury or assessors may put any questions to the witnesses, through or by leave of the Judge, which the Judge himself might put and which he considers proper.
৭,১২৫.
Affray এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ১৫৩ ধারায়
  2. ১৫৯ ধারায়
  3. ১৫৫ ধারায়
  4. ১৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় মারামারির (Affray) সংজ্ঞা রয়েছে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে (public place) ঝগড়া করে গণশান্তি (public peace) ভঙ্গ করলে তা মারামারি বা affray বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, ২ বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে কলহ বা ঝগড়া করার ফলে গণশাস্তি বিঘ্নিত হলে তারা মারামারি করেছে বলে গণ্য হবে।
♦ প্রকাশ্য স্থান (public place) বলতে পথ-ঘাট, হাট বাজার অর্থাৎ যেখানে জনসাধারণ সচরাচর যাতায়াত করতে পারে।
৭,১২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারা অনুযায়ী জেলা জজ এক আদালত হতে অন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা স্থানান্তর করেন?
  1. ১৭
  2. ২৪
  3. ৯৪
  4. ১৫১
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা:

(১) মামলার যে কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকলপক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন স্তরে -

ক) তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং ইহা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা

খ) তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মামলা, আপীল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
১. ইহার বিচার বা নিস্পত্তি করতে পারেন, অথবা
২. ইহার বিচার বা নিম্পত্তি করার উপযুক্ত কোন আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্যে স্থানান্তর করতে পারেন, অথবা
৩. যে আদালত হতে উহা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিস্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
৭,১২৭.
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যকার যোগাযোগ কোন ক্ষেত্রে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  2. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দেওয়ানি মামলায়
  3. একজনের বিরুদ্ধে অপরজনের ফৌজদারি মামলায়
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোনো ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৭,১২৮.
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার অধীনে নিম্নের কোনটি জালিয়াতির উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না?
  1. অবৈধ সুবিধা লাভের জন্য দলিল তৈরি করা
  2. কাউকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে দলিল তৈরি করা
  3. জনসাধারণের ক্ষতি করার জন্য দলিল তৈরি করা
  4. আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

কিন্তু আইনগত প্রমাণ হিসেবে সঠিক দলিল তৈরি করা জালিয়াতির উদ্দেশ্য হিসেবে বিবেচিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
৭,১২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে আদালত ব্যয়ের উপর কত শতাংশ পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৭%
  4. ৮%
সঠিক উত্তর:
৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬%
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure, 1908) ধারা ৩৫(৩) অনুযায়ী, আদালত ব্যয়ের উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হার পর্যন্ত সুদ নির্ধারণ করতে পারে।

- ধারা ৩৫(৩) এর মূল বক্তব্য:
"The Court may give interest on costs at any rate not exceeding six per cent. per annum, and such interest shall be added to the costs and shall be recoverable as such."
অর্থাৎ, আদালত যদি ব্যয়ের উপর সুদ নির্ধারণ করে, তবে তা সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক হারে হতে পারে এবং উক্ত সুদ ব্যয়ের অংশ হিসেবে আদায়যোগ্য হবে।
৭,১৩০.
দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ৫ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1.  ভিকটিম যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়
  2. ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে
  3. ভিকটিম বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষা করলে
  4. হত্যাকারীর ভুলবশত মৃত্যু ঘটালে
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: B. ভিকটিম স্বেচ্ছায় মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করলে।

দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান- খুন:

⇒ ব্যতিক্রম ১:
যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না-
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।
উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।
ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

⇒ ব্যতিক্রম ২:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

⇒ ব্যতিক্রম ৩:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

⇒ ব্যতিক্রম ৪:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ ব্যতিক্রম ৫:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

৭,১৩১.
ডিজিটাল স্বাক্ষর আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৭,১৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ১২ অনুযায়ী স্বীকারোক্তী ৩ প্রকার
১) আরজি/জবাবের মাধ্যমে স্বীকারোক্তী।
২) দলিল স্বীকারের নোটিশ ।
৩) ঘটনা স্বীকার করতে নোটিশ।
আদেশ ১২ বিধি ২ অনুযায়ী দলিল স্বীকারের জন্য নোটিশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে দলিল স্বীকার করার জন্য আহবান করা যায়।
⇒ আর বিধি ৪ অনুযায়ী শুনানীর ৯ দিন পূর্বে ঘটনার স্বীকারের নোটিশ দিবেন।
৭,১৩৩.
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করার পর ৩৬৯ ধারার অধীন কখন তা পরিবর্তন করতে পারবে?
  1. আপিলের জন্য
  2. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য
  3. পুরানো রায় পুনরায় পর্যালোচনার জন্য
  4. শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র করণিক ভুল সংশোধনের জন্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৯ অনুসারে,
আদালত একবার রায়ে স্বাক্ষর করলে পরিবর্তন বা রিভিউ করতে পারবে না কিন্তু করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে।

Section 369: Court not to alter judgment-
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force,no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৭,১৩৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. দলিল বাতিল মোকদ্দমা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  3. দলিল সংশোধন মোকদ্দমা
  4. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:

১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

আদালত ২টি ক্ষেত্রে Discretionary Power প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
৭,১৩৫.
'The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court.'- দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ১৫ বিধি ১
  2. আদেশ ২০ বিধি ১
  3. আদেশ ২০ বিধি ৩
  4. আদেশ ২০ বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি ১
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

⇒ মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
৭,১৩৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমতের প্রাসঙ্গিকতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৫০
  4. ধারা ৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।
উদাহরণ: কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
Illustration: The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section. 

৭,১৩৭.
প্রাচীন ভারতের বিচার ও প্রশাসনব্যবস্থায় ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) আদালতের ভাষা কী ছিল?
  1. পালি
  2. প্রাকৃত
  3. সংস্কৃত
  4. অপভ্রংশ
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা

⇒ ধননন্দের সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে) প্রাচীন ভারতের বিচারব্যবস্থায় আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত। এই সময়ে সংস্কৃত ছিল শাস্ত্রীয় ও প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রধান ভাষা, এবং আদালতের রায় ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য সংস্কৃতে পরিচালিত হতো। তবে, প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষাও ব্যবহৃত হতো, কারণ প্রাকৃত ছিল সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রচলিত ভাষা। বিচারকগণ বহুভাষী ছিলেন এবং সংস্কৃত, প্রাকৃত ও জনভাষায় পারদর্শী ছিলেন, যা তাদের বিচার প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে সহায়তা করত।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ক) পালি: পালি প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ও তৎসংক্রান্ত সাহিত্যে ব্যবহৃত হতো। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না। পালির প্রভাব পরবর্তীকালে, বিশেষ করে অশোকের সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারের সাথে বৃদ্ধি পায়।
খ) প্রাকৃত: প্রাকৃত ছিল জনসাধারণের মুখের ভাষা এবং প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য আদালতে ব্যবহৃত হতো। তবে, আদালতের আনুষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে সংস্কৃতই প্রাধান্য পেত।
ঘ) অপভ্রংশ: অপভ্রংশ পরবর্তীকালে (প্রায় খ্রিস্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দীর পর) ভারতীয় উপমহাদেশে সাহিত্য ও স্থানীয় ভাষা হিসেবে বিকশিত হয়। ধননন্দের সময়ে এটি আদালতের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না।

প্রেক্ষাপট: ধননন্দের সময়ে বিচারব্যবস্থা ধর্মশাস্ত্র, স্মৃতি এবং সদাচারের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতো। বিচারকগণ শাস্ত্রজ্ঞ এবং বহুভাষী হওয়ায় তারা সংস্কৃতের পাশাপাশি প্রাকৃত ভাষায় উপস্থাপিত প্রমাণ বুঝতে পারতেন। আদালতের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম, যেমন রায় ঘোষণা এবং রাজকীয় আদেশ (যা ভূর্জপত্র বা তালপত্রে লিখিত হতো), সংস্কৃত ভাষায় সম্পন্ন হতো। এই সময়ে বিচার প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সত্য উদঘাটন, এবং সংস্কৃত ছিল এই প্রক্রিয়ার মর্যাদাপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক ভাষা।

অর্থাৎ ধননন্দের সময়ে আদালতের প্রধান ভাষা ছিল সংস্কৃত, যা বিচারকার্যের আনুষ্ঠানিকতা ও শাস্ত্রীয় মর্যাদা বজায় রাখত। প্রাকৃত ভাষা প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হলেও, সংস্কৃতই ছিল আদালতের মূল ভাষা।

তথ্যসূত্র: ভারতীয় বিচারব্যবস্থা ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ, “সাহিত্য সম্রাট জার্নাল”।(লিঙ্ক)

৭,১৩৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত চুক্তি 
  2. লিখিত দলিল
  3. মৌখিক চুক্তি
  4. ক এবং খ 
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
-------------------
According to section 31 of the Specific Relief act, When instrument may be rectified-
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

৭,১৩৯.
যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র প্রথম অংশ
  2. শুধুমাত্র শেষ অংশ
  3. প্রতিটি অংশ
  4. কোনো অংশই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, তবে প্রত্যেকটি অংশই প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ, প্রমাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি অংশ নিজস্বভাবে সেই দলিলের একটি মূল অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৬২ (ব্যাখ্যা ১) অনুসারে:
"যখন একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত হয়, প্রতিটি অংশই দলিলটির প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।"

- এটি সাধারণত সেইসব দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে একই দলিলের একাধিক কপি বিভিন্ন পক্ষের কাছে রাখার জন্য তৈরি করা হয় (যেমন: লিজ ডিড, চুক্তিপত্র)।
- প্রতিটি কপিই মূলের সমতুল্য এবং স্বতন্ত্রভাবে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬২-এ প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) সম্পর্কে বলা আছে:
"Primary evidence means the document itself produced for the inspection of the Court."
এরপরে "Explanation 1" এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Where a document is executed in several parts, each part is primary evidence of the document."

- অর্থাৎ, যদি একটি দলিল একাধিক অংশে সম্পাদিত (executed) হয়, তবে প্রতিটি অংশ সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এর কারণ হলো, প্রতিটি অংশই দলিলের একটি অংশ হিসেবে সমানভাবে বৈধ এবং মূল দলিলের প্রতিনিধিত্ব করে।
৭,১৪০.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ অনুসারে একজন বোবা সাক্ষী কীভাবে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কেবল অন্যের মাধ্যমে
  2. লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
  3. ভিডিও কলের মাধ্যমে
  4. তার আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখে বা ইশারার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১৯ অনুযায়ী- যদি কোনো সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম হন (যেমন বোবা ব্যক্তি), তাহলে তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন এমন কোনো পদ্ধতিতে যাতে তার বক্তব্য বোধ্য হয়।
- এই পদ্ধতিগুলো হতে পারে:  লেখার মাধ্যমে, অথবা  ইশারা বা সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে।
তবে শর্ত হলো, এই লিখিত বা ইঙ্গিতভিত্তিক সাক্ষ্য অবশ্যই আদালতের উন্মুক্ত কক্ষে (Open Court) প্রদর্শিত হতে হবে, যেন বিচারক এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ তা বুঝতে পারেন।
- এই ধরণের সাক্ষ্যকে “মৌখিক সাক্ষ্য” (Oral Evidence) হিসেবেই গণ্য করা হয়, যদিও সাক্ষী কথায় তা প্রকাশ করতে অক্ষম।

উদাহরণ:
যদি একজন বোবা ব্যক্তি আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে ইশারায় বা লিখে জানান যে তিনি কী দেখেছেন বা জানেন — তা তখন সম্পূর্ণ বৈধ ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

অর্থা ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৭,১৪১.
দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার কখন থেকে শুরু হয়?
  1. প্রকৃত শারীরিক আঘাত ঘটলে
  2. অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হলে
  3. পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে
  4. যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা দেখা দেয়। অর্থাৎ, অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হওয়ার আগেই যদি কোনো ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করেন যে তার শরীরে আঘাত আসন্ন, তখন থেকেই তিনি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। এই অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত বহাল থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের আশঙ্কা দেখা দিলে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.

৭,১৪২.
তামাদি আইনের ৮ ধারা কোন ধারা দুটির ব্যতিক্রম?
  1. ধারা ৩ ও ৪
  2. ধারা ৪ ও ৫
  3. ধারা ৫ ও ৬
  4. ধারা ৬ ও ৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬ ও ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬ ও ৭
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৭,১৪৩.
মারামারি (Affray) সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজনের অংশগ্রহণ আবশ্যক?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ১৫৯ ধারায় মারামারির বিধান রয়েছে। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা “মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦দন্ডবিধির ১৬০ ধারায় মারামারির শাস্তি বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ মারামারি (Affray) সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন দুইজনের অংশগ্রহণ আবশ্যক।
৭,১৪৪.
Adverse Possession (বিরুদ্ধ দখল) বিষয়ে তামাদি আইনের কোথায় বলা আছে?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
ব্যাখ্যা
♣♣  
• তামাদি আইনের ২৮ ধারা মতে বিবাদী যদি ১২ বছর যাবত স্থাবর সম্পত্তিতে নীরবচ্ছিন্ন ও বাধাহীনভাবে দখলে থাকে;
• এবং বাদী ১২ বছরের মধ্যে দখল উদ্ধারের কোন আইনগত কার্যক্রম না করে;
• তখন উক্ত সম্পত্তিতে বিবাদীর Adverse Possession হয়। 
৭,১৪৫.
খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা- খুন বলিয়া গণ্য নহে এইরূপ অপরাধজনক নরহত্যার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি খুন নয় এমন শাস্তি যোগ্য নরহত্যা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে, ,যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, অথবা এমন দৈহিক জখম করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়, যে দৈহিক জখমের দরুণ মৃত্যু ঘটতে পারে,
অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি সম্পাদনের দরুণ মৃত্যু অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা থাকে, অথচ কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হয় নাই যে দৈহিক জখম করার কারণে মৃত্যু ঘটতে পারে।
৭,১৪৬.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী ব্যক্তি বেঁচে গেলে ঐ ঘোষণা কী হবে?
  1. সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হবে
  3. জীবিতকালীন ঘোষণা বলে গণ্য হবে
  4. আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ এর ধারা ৩২(১) এর অধীন মৃত্যুকালীন ঘোষনা দেয়ার পর ঐ ব্যক্তির মৃত্যুবরণ করতে হবে।

⇒ Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)- সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ মৃত্যুকালীন ঘোষণা [Dying Declaration); কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর পূর্বে তার  মৃত্যুর কারণ,  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা যে সকল ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কিত লিখিত বা মৌখিক ঘোষণা/বিবৃতি প্রদান করে, তাকেই মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলে।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয়ক্ষেত্রেই।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

⇒মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। 
৭,১৪৭.
যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী
  1. ১ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  2. অসদাচরণের জন্য দোষী হবে
  3. ২ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৬০(৩) অনুযায়ী কোন প্রার্থী তার তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছেকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে  ৫ বছরের জন্য অ্যাডভোকেট হিসেবে নিবন্ধিত হবার অযোগ্য হবে।
♦অর্থাৎ যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী ৫ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে।
৭,১৪৮.
আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিলে, তা গ্রহণের কারণ কে লিপিবদ্ধ করবে?
  1. আদালত
  2. আপিলকারীর আইনজীবী
  3. মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়
  4. লিপিবদ্ধ করার বিধান নেই
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা
খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
৭,১৪৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 20 Rule 6 অনুযায়ী, কোনটির সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে?
  1. আরজি
  2. রায়
  3. সমন
  4. লিখিত জবাব
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
৭,১৫০.
বাংলাদেশে বলবৎ দণ্ডবিধি প্রণয়নের মূল দায়িত্বে কোন কমিশন ছিল?
  1. সাইমন কমিশন
  2. ম্যাকুলে কমিশন
  3. রাওলাট কমিশন
  4. লিনলিথগো কমিশন
সঠিক উত্তর:
ম্যাকুলে কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকুলে কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের শাসনভার গ্রহণের পর প্রথম আইন কমিশন গঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে। এই কমিশনের মূল দায়িত্ব ছিল ভারতবর্ষের জন্য একটি সুসংগঠিত দণ্ডবিধি প্রণয়ন করা। তারা ১৮৩৭ সালে দণ্ডবিধির খসড়া প্রস্তুত করে পেশ করে, যা পরবর্তীতে সংশোধন-নিরীক্ষণের মাধ্যমে ১৮৬০ সালে আইন হিসেবে প্রণয়িত হয় (আইন নং ৪৫)। এটি বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশে বর্তমান দণ্ডবিধির ভিত্তি।
অর্থাৎ বাংলাদেশে বলবৎ দণ্ডবিধি প্রণয়নের মূল দায়িত্বে ছিল লর্ড ম্যাকুলে-এর নেতৃত্বাধীন আইন কমিশন, যা ইতিহাসে "ম্যাকুলে কমিশন" নামে পরিচিত। এই কমিশন ১৮৩৭ সালের ১৪ অক্টোবর দণ্ডবিধির প্রথম খসড়া প্রণয়ন করে এবং তা তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করে।
- ম্যাকুলে কমিশন-এর গঠন ও সদস্য:
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মিঃ ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।

৭,১৫১.
আদালত কখন আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী পক্ষগণের সহযোগীর কোন ধরনের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. লিখিত জবানবন্দি
  2. মৌখিক জবানবন্দি
  3. মৌখিক এবং লিখিত উভয় জবানবন্দি
  4. সাক্ষীর ইচ্ছানুযায়ী নির্ধারন হবে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১০ বিধি ২- পক্ষ বা পক্ষগণের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2: Oral examination of party or companion of party-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৭,১৫২.
'A' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। উক্ত কাজের জন্য 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত হবেন?
  1. ১৭৩ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৫ ধারায়
  4. ১৭৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

Illustrations:
(a) A, being legally bound to appear before the Supreme Court of Bangladesh in obedience to a subpoena issuing from that Court, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
(b) A, being legally bound to appear before a Zila Judge, as a witness, in obedience to a summons issued by that Zila Judge, intentionally omits to appear. A has committed the offence defined in this section.
৭,১৫৩.
'A', গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে 'Z'-এর দিকে পিস্তল থেকে গুলি চালায়, কিন্তু 'Z' মারা যায় না। এই পরিস্থিতিতে 'A'-এর অপরাধ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য হবে?
  1. ৩০৭ ধারা
  2. ৩০৮ ধারা
  3. ৩০৪ ধারা
  4. ৩০০ ধারা 
সঠিক উত্তর:
৩০৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনাটি সরাসরি দণ্ডবিধির ৩০৮ ধারার উদাহরণ (Illustration)-এর সাথে মিলে যায়। ঘটনায় উল্লেখ রয়েছে:
১. 'A' গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার (grave and sudden provocation) বশবর্তী হয়েছে।
২. সে 'Z'-এর দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়েছে।
৩. গুলি লাগলেও 'Z' মারা যায়নি (অর্থাৎ, মৃত্যু ঘটেনি, কিন্তু কাজটি ছিল মৃত্যু ঘটাবার সম্ভাবনাযুক্ত)।
৪. উল্লিখিত পরিস্থিতিতে, যদি মৃত্যু ঘটত, তাহলে 'A' খুন (murder)-এর দায়ে দোষী হত না; বরং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (culpable homicide not amounting to murder) হত। কারণ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার প্রথম ব্যতিক্রম (Exception 1) অনুযায়ী, গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনার ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মৃত্যু ঘটালে তা খুন নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হয়।

- যেহেতু এখানে মৃত্যু ঘটেনি, কিন্তু মৃত্যু ঘটানোর মতো কাজ (Act) করা হয়েছে, তাই এটি "শাস্তিযোগ্য নরহত্যার চেষ্টা (Attempt to commit culpable homicide)"-এর আওতায় পড়ে। আর এই অপরাধটিই ধারা ৩০৮ দ্বারা বিচার্য।

অন্যান্য অপশনগুলি এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়:
ক) ৩০৭ ধারা: এটি খুনের চেষ্টা (Attempt to murder)-এর জন্য প্রযোজ্য। এখানে পরিস্থিতি খুনের নয়, বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার (ব্যতিক্রমের কারণে)।
গ) ৩০৪ ধারা: এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide not amounting to murder)-এর জন্য প্রযোজ্য, যখন প্রকৃতপক্ষে মৃত্যু ঘটে। এখানে মৃত্যু ঘটেনি।
ঘ) ৩০০ ধারা: এটি খুন (Murder)-এর সংজ্ঞা ও শর্ত বর্ণনা করে। এখানে অপরাধটি খুনের আওতায় পড়ে না।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ৩০৮ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩০৮: শাস্তিযোগ্য নরহত্যার চেষ্টা (Attempt to commit culpable homicide):
যে ব্যক্তি এমন অভিপ্রায় বা জ্ঞান সহকারে এবং এমন পরিস্থিতিতে কোন কাজ করে যে, যদি সে সেই কাজ দ্বারা মৃত্যু ঘটাত, তাহলে সে খুন নয় বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধে দোষী হতো, তাহলে তাকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে; এবং, যদি এই কাজ দ্বারা কোন ব্যক্তির আঘাত (hurt) সৃষ্টি হয়, তাহলে অপরাধীকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। 
উদাহরণ:
'A', গুরুতর ও হঠাৎ উত্তেজনায় (grave and sudden provocation), 'Z' এর দিকে একটি পিস্তল দিয়ে গুলি করে, এমন পরিস্থিতিতে যে, যদি সে এর দ্বারা মৃত্যু ঘটাত, তাহলে সে খুন নয় বরং শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধে দোষী হতো। 'A' এই ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধটি করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, section-308. Attempt to commit culpable homicide
Whoever does any act with such intention or knowledge and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of culpable homicide not amounting to murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both; and, if hurt is caused to any person by such act, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.
Illustration:
A, on grave and sudden provocation, fires a pistol at Z, under such circumstances that if he thereby caused death he would be guilty of culpable homicide not amounting to murder. A has committed the offence defined in this section.

৭,১৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. অনধিক এক বছর
  2. অনধিক দুই বছর
  3. অনধিক তিন বছর
  4. অনধিক পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বছর
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।

⇒  গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials: 
(1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned.
→ Limit of imprisonment:
(2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
৭,১৫৫.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, 'Interpleader-suit' এর আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বাদীর ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্য
  2. মোকদ্দমার খরচের বিবরণ
  3. বাদী এবং বিবাদীগণের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. বাদীর ও বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধের অস্তিত্ব
সঠিক উত্তর:
বাদী এবং বিবাদীগণের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী এবং বিবাদীগণের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
৭,১৫৬.
আদালত কোন পরিস্থিতিতে পক্ষগণকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. বাদী চাইলে
  2. বিবাদী চাইলে
  3. পক্ষগণ পারস্পরিক চুক্তি করলে
  4. আদালত যদি প্রয়োজন মনে করেন
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি প্রয়োজন মনে করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যদি প্রয়োজন মনে করেন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
৭,১৫৭.
'ক' ও 'খ' কর্তৃক দায়েরকৃত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মামলায় পরবর্তীতে 'গ' কে পক্ষভুক্ত করা হলে 'গ' এর তামাদির মেয়াদ কখন শুরু হবে?
  1. 'ক' যখন আরজি দাখিল করেছিল তখন থেকে
  2. 'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
  3. বিচার্য বিষয় গঠনের সময় থেকে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের পর থেকে
সঠিক উত্তর:
'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'গ' কে যখন পক্ষভুক্ত করা হয়েছে তখন থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ২২ (নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল)-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবী থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৭,১৫৮.
The Army Act, 1952 এর অধীন বিচার-প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য কিনা?
  1. প্রযোজ্য
  2. প্রযোজ্য নয়
  3. আংশিক প্রযোজ্য
  4. শুধুমাত্র বিশেষ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা
• ধারা ১: সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৭,১৫৯.
নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৭,১৬০.
Under Section 32, if the Court is not satisfied with the intent of the parties, what can happen?
  1. The contract is automatically void
  2. The contract cannot be rectified
  3. The contract can still be enforced
  4. The contract must be renegotiated
সঠিক উত্তর:
The contract cannot be rectified
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The contract cannot be rectified
ব্যাখ্যা
Section 32- Presumption as to intent of parties:
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
৭,১৬১.
আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীন আরোপিত সম্পত্তি ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

৭,১৬২.
In executing a decree transferred to the Collector under ___________ the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
  1. section 65
  2. section 68
  3. section 72
  4. section 71
সঠিক উত্তর:
section 68
উত্তর
সঠিক উত্তর:
section 68
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য: উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।
-------------------
CPC Section 71: Collector deemed to be acting judicially: In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
৭,১৬৩.
Public nuisance এর বিধান রয়েছে কত ধারায়?
  1. ২৫৮ ধারায়
  2. ২৬০ ধারায়
  3. ২৬৮ ধারায়
  4. ২৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
৭,১৬৪.
বাদীর মোকদ্দমাটি ব্যর্থ হলে এবং মোকদ্দমাটির যুক্তিসঙ্গত কারণ না থাকলে, বিবাদী দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারামতে ক্ষতিপূরণের দাবি করে আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. ৯২ ধারা
  2. ৯৩ ধারা
  3. ৯৪ ধারা
  4. ৯৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৫: অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তির জন্য ক্ষতিপূরণ:
(১): যে কোনো মোকদ্দমায় যেখানে পূর্ববর্তী ধারার অধীনে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর করা হয়েছে বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়েছে,-
(ক) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা
(খ) বাদীর মোকদ্দমা ব্যর্থ হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মোকদ্দমা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না,
তাহলে বিবাদী আদালতের নিকট আবেদন করতে পারে, এবং আদালত উক্ত আবেদনের ভিত্তিতে তার আদেশ দ্বারা বাদীর বিরুদ্ধে এমন পরিমাণ অর্থ, যা দশ হাজার টাকার অধিক হবে না, বিবাদীর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ হিসেবে মঞ্জুর করতে পারে:
শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করে এমন কোনো পরিমাণ মঞ্জুর করবে না।

(২): এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তিকারী আদেশ উক্ত গ্রেফতার, সংযুক্তি বা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণের জন্য কোনো মোকদ্দমা বারিত করবে।

৭,১৬৫.
'A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.' ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৮৫ ধারার
  2. ৮০ ধারার
  3. ৮৮ ধারার
  4. ৮২ ধারার
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা- গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
 
Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৭,১৬৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে মামলার জন্য কোন দুটি বিষয় প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব এবং সম্মতি
  2. দখল এবং বেদখল
  3. মালিকানা এবং দখল
  4. সম্মতি এবং আইনি পন্থা
সঠিক উত্তর:
দখল এবং বেদখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল এবং বেদখল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ অনুসারে মামলার ক্ষেত্রে বাদীকে কেবলমাত্র দুইটি বিষয় প্রমাণ করতে হয়:
১. তিনি ওই স্থাবর সম্পত্তির দখলে ছিলেন, এবং
২. তাকে আইনগত পন্থা ছাড়া ও তার সম্মতি ব্যতীত উচ্ছেদ (বেদখল) করা হয়েছে।

- স্বত্ব (ownership) এই মামলার জন্য অপ্রাসঙ্গিক। ধারা ৯-এর মূল উদ্দেশ্য হলো— আইনবহির্ভূতভাবে কাউকে তার দখল থেকে উচ্ছেদ করা হলে তাকে দ্রুত প্রতিকার দেওয়া।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৭,১৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় জুডিসিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৭ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৭,১৬৮.
The Evidence Act, 1872 এর ________ ধারায় অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারার বিধান বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায়, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্যসমূহ (Motive, preparation and previous or subsequent conduct)- যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
৭,১৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার অনুসারে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণের উপর একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার আগে কী প্রয়োজন?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষের অনুমতি
  2. পুলিশের অনুমোদন
  3. আদালতের অনুমতি
  4. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:-
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত, কোনও সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সাক্ষ্য দিতে পারবে না, যদি না তার প্রতিবেদন, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী, সমস্ত পক্ষকে সরবরাহ করা হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে হতে হবে এবং যে পক্ষের পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হচ্ছে তার উদ্দেশ্যে নয়। বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব হবে আদালতকে সহায়তা করা।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার অনুসারে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণের উপর একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।
------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence: 
 (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৭,১৭০.
'ক' এর ইউরোপের ভিসা পাওয়ার কথা শুনে ইচ্ছাকৃত ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে 'খ' তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা করে, যার ফলে 'ক' এর ইউরোপ যাওয়া বাতিল হয়ে যায়। 'খ' এর কৃত কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ২০৯ ধারায়
  2. ২১১ ধারায়
  3. ২১২ ধারায়
  4. ২১৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা মতে ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তির বিধান রয়েছে। অহেতুক কোন ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হলে ২১১ ধারা মতে দুই ধরনের শাস্তি হতে পারে।

(i)  ক্ষতি সাধনের জন্য অহেতুক কোন ফৌজাদারি মামলা দায়ের করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড 

(ii) যদি উক্তরূপ ফৌজদারি মামলা মৃত্যদণ্ড বা যাবজ্জীবন করাদণ্ড বা ৭ বছর বা তদুর্ধ্ব কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য হয় তাহলে দোষী ব্যাক্তি অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৭,১৭১.
বাদী হিসাবে ‘ক’ ঢাকার আদালতে ‘খ’ এর বিরুদ্ধে স্বত্ব ঘোষনা পূর্বক খাস দখলের প্রার্থনার মামলা করে যে, কিছুদিন পূর্বে বিবাদী ‘খ’ এর লোকজন জোরপূর্বক ‘ক’ কে ভূমি থেকে বেদখল করে। মামলা চূড়ান্ত শুনানীর দিন ‘খ’ অসুস্থ থাকায় কোন পদক্ষেপ নেয় নাই ফলে একতরফা সূত্রে ‘ক’ ডিক্রী পায়। এক তরফা ডিক্রী বাতিলের জন্য আপনি ‘খ’ এর আইনজীবী হিসেবে কি পদক্ষেপ নিবেন?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
  2. আপীল দায়ের
  3. ৯০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে এক তরফা ডিক্রী রদের আবেদন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৯ বিধি ১৩ অনুযায়ী বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি একতরফা ডিক্রী দেওয়া হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রী রদের আবেদন করার বিষয় বলা আছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে , যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি।
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারেনি।
⇒বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
১) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
২) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।
⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।

৭,১৭২.
A একজন মক্কেল, অ্যার্টনী B কে বলে যে, ‘আমি জাল দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে চাই যে জন্যে আপনাকে মামলা করতে অনুরোধ করছি’। অ্যার্টনীর সাথে মক্কেলের এমন যোগাযোগ কোন বেআইনি
  1. ১২৬ ধারায় প্রকাশ করা হতে সুরক্ষিত
  2. অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
  3. অ্যাটর্নী এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে না
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট এমন যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦The Evidence Act, 1872 এর ১২৬ ধারা মতে কোন বেআইনি উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে কোন তথ্য প্রকাশ করা হলে এডভোকেট এমন তথ্য প্রকাশ করতে পারে এবং তা গোপন রাখতে বাধ্য না।
৭,১৭৩.
X, Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় X অপরাধ করেছে?
  1. ৩২৩
  2. ৩২৪
  3. ৩২৫
  4. ৩২৬
সঠিক উত্তর:
৩২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২৫
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ধারা-৩২২ তে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের সংজ্ঞা (voluntarily causing grievous hurt) - কাউকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে (intentionally) জেনে গুরুতর আঘাত প্রদান করা হয়, তাহলে তাকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দান বলা হয়

♦ যদি কোন লোক প্রকৃতপক্ষে গুরুতর আঘাত দেয় এবং গুরুতর আঘাত দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে অথবা গুরুতর আঘাত দিতে পারে বলে জানে, তবে সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে। অন্যথায় সে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দিয়েছে বলে গণ্য হবে না

দন্ডবিধির ৩২৫ ধারায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি হল অনধিক ৭ বৎসর কারাদন্ড এবং অর্থদন্ড।

♦ X, Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code, 1860 এর ৩২৫ ধারায় X অপরাধ করেছে

♦ দন্ডবিধির ৩২৫ ধারার একটি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র হল ৩৩৪ ধারা; অন্যদিকে ৩২৬ ধারার ব্যতিক্রম হল ৩৩৫ ধারা
৭,১৭৪.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা মতে আদালত ১১টি বিষয় অবশ্যই দৃষ্টি গোচরে নিবেন?
  1. ৫৬ ধারা
  2. ৫৭ ধারা
  3. ৫৮ ধারা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয় আদালত অবশ্যই বিবেচনা করতে বাধ্য। এই গুলো প্রমাণ করতে হয় না।
৭,১৭৫.
‘রহিম’, ‘করিম’-এর কাছে ৫ কাঠা জমি বিক্রি করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। করিম নির্ধারিত তারিখে মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় এবং চুক্তি পালন করতে অস্বীকৃতি জানায়। রহিম এরপর চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ পায়। এক্ষেত্রে, রহিম ক্ষতিপূরণ আদায় করার পর-
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে না
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি কার্যকর করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন চাইতে পারবে না
ব্যাখ্যা

এখন রহিম আর Specific Performance (জমি হস্তান্তরের আদেশ) চাইতে পারবে না, কারণ সে ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণকে প্রতিকার হিসেবে বেছে নিয়েছে।

ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।

৭,১৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী কয়টি আদালত ডিক্রী জারী করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রকিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১) যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২) যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
⇒ Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৭,১৭৭.
'Suits on foreign contracts'- তামাদি আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৯ ধারার
  2. ১৩ ধারার
  3. ১১ ধারার
  4. ১০ ধারার
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।

⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

Section 11: Suits on foreign contracts
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৭,১৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর কোনো আদালতে লিখিত অনুমতি ছাড়া হাজির হতে পারেন?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৪ ধারা
  3. ৪৯৩ ধারা
  4. ৪৯২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) তাঁর দায়িত্বে থাকা মামলায় লিখিত অনুমতি ছাড়াই আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করতে পারেন।
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলার দায়িত্ব পাবলিক প্রসিকিউটরের ওপর থাকে, তাহলে তিনি সংশ্লিষ্ট যেকোনো আদালতে তদন্ত, বিচার বা আপিল চলাকালীন সময়ে স্বয়ং হাজির হয়ে মামলাটি পরিচালনা করতে পারবেন এবং কোনো রকম লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
৭,১৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে বিকল্প প্রতিকার কী?
  1. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক
  2. দায়িকের সম্পত্তি বিক্রয়
  3. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21: Rule-30- Decree for payment of money:
- Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৭,১৮০.
আদেশ ১৮, বিধি ১৭ এর অধীনে আদালত কখন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে পারে?
  1. আপিলের সময়
  2. রায় ঘোষণার পরে
  3. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র প্রথম শুনানির দিন
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি-১৭: আদালত সাক্ষীকে পুনঃআহ্বান ও জবানবন্দি নিতে পারে:
যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।

Order 18 Rule 17: Court may recall and examine witness:
The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.
৭,১৮১.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী বোবা ব্যক্তি আদালতে কীভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ইশারায়
  2. প্রকাশ্যে লিখে
  3. 'ক' অথবা 'খ'
  4. সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য হবেন
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোকা সাক্ষী:
একজন সাক্ষী যিনি কথা বলতে অক্ষম, তিনি যে কোনও অন্য উপায়ে তার সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন যা দ্বারা তিনি তা বোঝানো সম্ভব, যেমন লেখা বা চিহ্নের মাধ্যমে; তবে সেই লেখা আদালতে উন্মুক্তভাবে লেখা উচিত এবং চিহ্নগুলি আদালতে তৈরি করা উচিত। এভাবে প্রদত্ত সাক্ষ্য মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:

লিখিত সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।

ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section- 119.Dumb witnesses:
-A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible,  as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৭,১৮২.
নিচের কোনটি বার কাউন্সিলের দায়িত্ব?
  1. বিচারক নিয়োগ
  2. আইন পাস করা
  3. সুপ্রিম কোর্টের বাজেট তৈরি
  4. আইন শিক্ষার উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষার উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষার উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৭,১৮৩.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতির
  4. কারা কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কমিয়ে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ডে রূপান্তর করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারের আছে, এবং এজন্য অপরাধীর সম্মতি প্রয়োজন হয় না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৭,১৮৪.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৯ কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. মৌখিক স্বীকারোক্তি
  2. লিখিত স্বীকারোক্তি
  3. আদালতের আদেশ
  4. ক এবং খ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
লিখিত স্বীকারোক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত স্বীকারোক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।

ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।

ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

৭,১৮৫.
আদেশ ২১ বিধি-৫৫ এর অধীন কোন পরিস্থিতিতে ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে বিবেচিত হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রি করা হলে
  2. সম্পত্তির মালিক আদালতে উপস্থিত হলে
  3. ডিক্রির টাকা আদালতে জমা করা হলে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির টাকা আদালতে জমা করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির টাকা আদালতে জমা করা হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৫৫: ডিক্রি মিটানোর পর ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে-
ক) ডিক্রির টাকা মোকদ্দমার খরচ এবং সকল দায়সমূহ এবং সম্পত্তি ক্রোকের খরচা আদালতে জমা করা হয়; অথবা
খ) অন্য উপায়ে আদালতের মাধ্যমে ডিক্রি মিটানো হয় বা আদালতে প্রত্যয়ন করা হয়; অথবা
গ) ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়, সেক্ষেত্রে ক্রোক প্রত্যাহার হয়েছে বলে বিবেচিত হবে এবং স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে দায়িক ইচ্ছা আলে তার খরচায় ঐ প্রত্যাহারের বিষয় ঘোষণা করা হবে এবং ঘোষণা পত্রের এক প্রন্থ নকল পূবর্তী বিধির নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংযুক্ত করা হবে।

Rule.-55: Removal of attachment after satisfaction of decree:
Where-
a) the amount decreed with costs and all charges and expenses resu-ltingfrom the attachment of any property are paid into Court, or
b) satisfaction of the decree is otherwise made through the Court or certified to the Court, or
c) the decree is set aside or reversed, the attachment shall be deemed to be withdrawn, and, in the case of immovable property, the with drowe shall, if the judgment-debtor so desires, be proclaimed at his expense, and a copy of the proclamation shall be affixed inthe manner prescribed by the last preceding rule.
৭,১৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী শব্দ ও অভিব্যক্তি দণ্ডবিধির অর্থ বহন করবে?
  1. ধারা-১
  2. ধারা-২
  3. ধারা-৩
  4. ধারা-৪
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ৪(২)-এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে বলা আছে:
- Words to have same meaning as in Penal Code: "all words and expressions used herein and defined in the Penal Code, and not hereinbefore defined, shall be deemed to have the meanings respectively attributed to them by that Code."
অর্থাৎ, "এই সংহিতায় ব্যবহৃত সমস্ত শব্দ ও অভিব্যক্তি, যা দণ্ডবিধিতে সংজ্ঞায়িত হয়েছে এবং এখানে পূর্বে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি, সেগুলি সেই কোড দ্বারা নির্ধারিত অর্থ বহন করবে বলে গণ্য হবে।"

সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধিতে ব্যবহৃত শব্দ ও অভিব্যক্তির জন্য দণ্ডবিধির সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে তা ধারা-৪ এই নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(2)Words referring to acts:
- Words which refer to acts done, extend also to illegal omissions; and

⇒ Words to have same meaning as in Penal Code:
- all words and expressions used herein and defined in the Penal Code, and not hereinbefore defined, shall be deemed to have the meanings respectively attributed to them by that Code.

৭,১৮৭.
আদেশ ৩৫ বিধি-১ অনুসারে, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিষয়বস্তুতে বাদীর ব্যক্তিগত স্বার্থ
  2. বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
  3. বাদী ও কোন বিবাদীগণের বিরোধ
  4. বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
সঠিক উত্তর:
বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- বিষয়বস্তুতে বাদীর স্বার্থবিহীন অবস্থান।

আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:

স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

৭,১৮৮.
ফৌজদারি রিভিশনে দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
  4. দায়রা আদালতে ২য় বার রিভিশনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ;
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে, দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে,
দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision-
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439.

(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final.

(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
৭,১৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬(৬) অনুযায়ী স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে কারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে?
  1. সকল সিভিল সার্ভিস কর্মকর্তা
  2. জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ কমিশনার
  3. সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
ধারা ১০- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট:
(১) সরকার যে সংখ্যক উপযুক্ত মনে করবেন, প্রত্যেক জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায়, সেই সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগ করবে এবং তন্মধ্যে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করবে।

(২) সরকার কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ করতে পারবে এবং এইরূপ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্দেশানুসারে এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন অনুযায়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর সকল ক্ষমতা অথবা যে কোন ক্ষমতা অনুশীলন করতে পারবেন।

(৩) যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হওয়ার পরে কোন অফিসার অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের প্রধান নির্বাহীর স্থলাভিষিক্ত হলে সরকারের আদেশ সাপেক্ষে তিনি এই আইনের অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা প্রয়ােগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

(৪) সরকার বা সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ দ্বারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্থানীয় কর্ম নির্ধারণ করে দিতে পারবেন, যে ক্ষমতা এই কার্যবিধি দ্বারা অর্পিত হয়েছে এবং যা উপরিউক্ত চিহ্নিতকরণে অন্যভাবে বর্ণিত হয়েছে তা ব্যতীত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতাসমূহ সমগ্র জেলাব্যাপী বিস্তৃত হবে।

(৫) সরকার যদি উপযুক্ত ও প্রয়ােজন মনে করেন তবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) এ নিয়ােজিত যে কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিয়ােগ দিতে পারেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

(৬) উপধারা (৪) এর অধীনে স্থানীয় এলাকার সংজ্ঞা সাপেক্ষে, সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে নিযুক্ত ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণ্য হবেন এবং তাদের স্ব-স্ব স্থানীয় এলাকার মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়ােগ করবে।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকার কর্তৃক কোন মেট্রোপলিটন এলাকায় বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের অধীনে, কোন পুলিশ কমিশনারকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সকল বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণে বাধা প্রদান করবে না।
৭,১৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ডাদেশ বহাল রাখার আদেশ দিলে সর্বনিম্ন কত জন বিচারক তা স্বাক্ষর করবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান-দণ্ডাদেশ বহাল ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে:
-৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ডাদেশ বহাল রেখে বা নতুন যে শাস্তি বা অন্য যে আদেশ দিবে তা সর্বনিম্ন ২ জন বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges:
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
৭,১৯১.
যদি কোন ব্যক্তি 'অবৈধ বাধার অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যায়?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার অধীনে অবৈধ বাধা দানের বিধান আছে। কোন ব্যক্তিকে তার যে দিকে গমনের অধিকার রয়েছে সেই দিকে গমনে বাধা প্রদান করলে তাকে অবৈধ বাধা বলে। কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধ এলাকার বাহিরে গমনে বাধা প্রদান করাকে অবৈধ আটক বা অবরোধ বলে।
⇒ কিন্তু কোন সংরক্ষিত স্থান বা বেসরকারি স্থান বা জলপথে যেতে বাধা প্রদানের ক্ষেত্রে ৩৩৯ ধারার অবৈধ বাধা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।
⇒  Punishment for wrongful confinement:
Section 342. Whoever wrongfully confines any person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৭,১৯২.
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে - এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ধারা ৩৫৩
  2. ধারা ৩৫৫
  3. ধারা ৩৫৭
  4. ধারা ৩৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৩ - সাক্ষ্য গ্রহণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে করা:
যদি অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কোনো বিধান না থাকে, তাহলে প্রথম অধ্যায়, অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে গৃহীত সকল প্রমাণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে। তবে, যদি আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করে, সে ক্ষেত্রে তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে।

[Except as otherwise expressly provided, all evidence taken under Chapters XX,  XXII and XXIII shall be taken in the presence of the accused, or, when his personal attendance is dispensed with, in presence of his pleader.]
৭,১৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে, কালেক্টর যখন ধারা ৬৮ এর অধীনে হস্তান্তরকৃত ডিক্রি এক্সিকিউট করেন তখন তাকে কীভাবে গণ্য করা হয়?
  1. বিচারক হিসেবে
  2. রেভিনিউ কর্মকর্তা হিসেবে
  3. এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে
  4. প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে
সঠিক উত্তর:
বিচারক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক হিসেবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭১ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, ধারা ৬৮-এর অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত কোনো ডিক্রি কার্যকর করার সময় কালেক্টর এবং তার অধস্তন কর্মকর্তারা বিচারক হিসেবে (acting judicially) কার্যরত বলে গণ্য হবেন।
- এই বিধানের মাধ্যমে আইনগত স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যে, ডিক্রি কার্যকর করার এই প্রক্রিয়াটি একটি বিচারিক কার্যক্রম, যা কালেক্টর তাঁর প্রশাসনিক দায়িত্ব হিসেবে নয় বরং একটি বিচারিক কর্তৃত্ব (judicial authority) প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য: 
- উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 71: Collector deemed to be acting judicially:
- In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.

৭,১৯৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে শুনানি শেষে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

৭,১৯৫.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী 
  2. 'খ' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. 'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. ক বা খ যে কোন একটি।
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়। লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:

(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়; 
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;

(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

⇒  অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ (ক) দ্রষ্টব্য। 

⇒ Section 35 When rescission may be adjudged:- Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 

In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations 
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.
৭,১৯৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় খোরপোষ ভাতার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ১৪৯ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।
• খোরপোষ ভাতা নির্ধারন করবেন সরকার (গোত্র, পদমর্যাদা, জাতীয়তা বিবেচনায় খোরপোষ ভাতা নির্ধারন হবে।
• তবে যার আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউকে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয় তাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।
৭,১৯৭.
ক” একটি জমির দখলে আছে। খ” দাবি করে ক” উক্ত জমির মালিক না। এখানে ক” যে উক্ত জমির মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. ক” এর উপর
  2. খ” এর উপর
  3. দখলকারীর উপর
  4. মালিকের উপর
সঠিক উত্তর:
খ” এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ” এর উপর
ব্যাখ্যা
♦যে ব্যক্তির দখলে কিছু আছে বলে দেখানো আছে, সেই ব্যক্তি উক্ত জিনিসের মালিক কিনা এই প্রশ্ন উঠলে, দখলকারী ব্যক্তি যে মালিক না তা প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর বর্তায়, যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সেই জিনিসের মালিক না। যেহেতু খ” দাবি করে যে, ক” উক্ত জমকির মালিক না, তাই তা প্রমাণের দায়িত্ব খ” এর উপর বর্তায়।
৭,১৯৮.
যদি দস্যুতা রাতে রাজপথে সংঘটিত হয়, তাহলে সর্বোচ্চ কত বছরের সাজা হতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
৭,১৯৯.
Order 13, Rule 7 অনুযায়ী কোন নথি মামলার রেকর্ডের অংশ হবে?
  1. শুধু মূল নথি
  2. আদালতে উপস্থাপিত সব নথি
  3. আদালত যেগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে
  4. আদালত যেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে
সঠিক উত্তর:
আদালত যেগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যেগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে
ব্যাখ্যা

Order 13, Rule 7: গ্রহণযোগ্য (admitted) নথি রেকর্ডে যুক্ত হওয়া:
(১) যে কোনো নথি আদালত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছে (admitted in evidence), অথবা নিয়ম ৫ অনুযায়ী মূল নথির পরিবর্তে যদি কোনো প্রতিলিপি (copy) গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই নথি বা নথির কপি মামলার রেকর্ডের অংশ হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা সব নথিই রেকর্ডে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে।

(২): যে কোনো নথি আদালত প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনি (not admitted in evidence)-
- তা মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না,
- এবং সেই নথি যিনি জমা দিয়েছিলেন তাকে ফেরত দেওয়া হবে।

৭,২০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্তের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০০
  2. ধারা ২০২
  3. ধারা ২০৪
  4. ধারা ২০৫ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০২
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ২০২।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী, কোনো অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে তিনি নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য নিজে অনুসন্ধান করতে পারেন বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, তার অধীনস্থ অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি পরোয়ানা ইস্যুর পূর্ববর্তী পর্যায়ে অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষত তখন, যখন ম্যাজিস্ট্রেট নিশ্চিত হতে চান যে অভিযোগটি যথাযথ ও গ্রহণযোগ্য কিনা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।