বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৭০ / ১২৬ · ৬,৯০১৭,০০০ / ১২,৬০৫

৬,৯০১.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. 'চ' নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  2. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  3. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'গ' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে।
 
• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
 
• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

উক্ত ব্যতিক্রমের কারণে অপশন (খ) উত্তর হবে না, কারণ অবৈধ দখল করলেও তিনি বাড়ি বানিয়ে অর্থাৎ সম্পত্তির উন্নয়ন করে উক্ত মুনাফা লাভ করেছেন। তাই তা মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
৬,৯০২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশঙ্কাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
---------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৬,৯০৩.
The Evidence : Act, 1872 অনুযায়ী নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মানচিত্র একটি দলিল
  2. মুদ্রিত বই একটি দলিল
  3. ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
  4. বে-সরকারি দপ্তরের হিসাব বই একটি দলিল
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গচিত্র দলিল নয়।
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence : Act, 1872 এরে ধারা ৩ মতে দলিল (Document)- দলিল বা Document বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
♦ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়। মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents)।
♦ কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
৬,৯০৪.
আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০ অনুযায়ী, আদালত চূড়ান্ত শ্রবণের জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করতে পারবে। এর মধ্যে ২টি "পার্ট-হিয়ার্ড" (অংশিক শুনানী করা) মোকদ্দমা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এটি আদালতের কার্যক্রমে একটি সীমাবদ্ধতা তৈরি করে যাতে আদালত কার্যক্রমে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং প্রতিটি মামলার শুনানি যথাযথভাবে পরিচালিত হতে পারে।

⇒ আদেশ-১৮ বিধি-২০:-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
-The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
৬,৯০৫.
_____________ রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে না।
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. তথ্য প্রমাণ যথেষ্ট না হলে
  3. তদন্ত কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ছাড়া
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারা: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য:
কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যেই মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, সেই মত দিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

অর্থাৎ, রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।

Section 123- Evidence as to affairs of State:
No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৬,৯০৬.
দণ্ডবিধির ৪৪ ধারার অধীনে "ক্ষতি" বলতে কী বোঝায়?
  1. শারীরিক ক্ষতি
  2. মানসিক ক্ষতি
  3. সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি:
যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

Section 44-“Injury”:
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
৬,৯০৭.
গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা রুজুর জন্য কার অনুমতি লাগে?
  1. প্রধান বিচারপতির
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. এটর্নি জেনারেলের
  4. প্রধানমন্ত্রীর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
⇒বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
৬,৯০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারা অনুসারে চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালত কোন বিষয়ে অনুমান করে?
  1. চুক্তির তারিখ
  2. সাক্ষীদের সংখ্যা
  3. পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
  4. পক্ষসমূহের আর্থিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষসমূহের অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার শিরোনাম ও বিষয়বস্তুই হলো "পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান" (Presumption as to intent of parties)।
- ধারাটিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে: লিখিত চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য (অভিপ্রায়) ছিল একটি সুষম ও সুবিচারমূলক (equitable and conscientious) চুক্তি সম্পাদন করা।
সুতরাং, আদালত চুক্তি সংশোধন করার সময় পক্ষগুলোর মূল অভিপ্রায় কী ছিল তা যাচাই করে, চুক্তির তারিখ, সাক্ষীর সংখ্যা বা পক্ষগুলোর আর্থিক অবস্থা নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.

৬,৯০৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ আদেশের অধীনে কোন মোকদ্দমা খারিজ হলে, উক্ত আদেশের বিধি ৯ অনুসারে একই কার্যকারণে-
  1. আবেদন ছাড়াই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  2. কোনো ভাবেই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
  3. বাদীর আবেদনক্রমে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
  4. বিবাদীর আবেদনক্রমে নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে
সঠিক উত্তর:
কোনো ভাবেই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ভাবেই নতুন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি ৯: বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

২) বাদী কিংবা মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবীদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদীর ক্ষেত্রে স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।

৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।

Rule.-9: Effect of abatement or dismissal-
1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.

2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is proved that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as tocosts or otherwise as it thinks fit.

3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shallapply to application under sub-rule (2).
৬,৯১০.
বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে কত নং আইন?
  1. ১ নং
  2. ৫ নং
  3. ৯ নং
  4. ৪৫ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন।
-ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়।
-পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন।

এছাড়াও,
-দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সালের ৫নং আইন)
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সালের ১নং আইন)
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন)
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সালের ১নং আইন)
- তামাদি আইন, ১৯০৮ (১৯০৮ সালের ৯নং আইন)
৬,৯১১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে?
  1. জবানবন্দী গ্রহণকালে
  2. লিখিত সাক্ষ্য গ্রহণকালে
  3. পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে
  4. জেরা কালে
সঠিক উত্তর:
জেরা কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরা কালে
ব্যাখ্যা
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
- সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান- জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।

- সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-140. Witnesses to character:
Witnesses to character may be cross-examined and re-examined.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section- 141.Leading questions:
 Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-142.When they must not be asked
 Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court. 
 
The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-143.  When they may be asked:
-Leading questions may be asked in cross-examination.
৬,৯১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশ অনুযায়ী, মুলতবির জন্য খরচ কত হতে পারে?
  1. সর্বনিম্ন ৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা
  2. সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা
  4. সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের অধীনে মুলতবি বা Adjournment সম্পর্কিত কিছু নিয়ম রয়েছে। যখন কোনো পক্ষ শুনানিতে উপস্থিত না হতে পারে বা অন্য কোনো কারণে শুনানি স্থগিত করতে চায়, তখন আদালত মুলতবি বা Adjournment মঞ্জুর করতে পারে।

→ মুলতবির আবেদন করার জন্য আদালত খরচ নির্ধারণ করে। এই খরচের পরিমাণ, আইন অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

- এই খরচ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং তা মুলতবি মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে এক ধরনের শাস্তি বা প্রেরণা হিসেবে কাজ করে, যাতে পক্ষগুলি মাত্রাতিরিক্ত সময়ের জন্য মামলার শুনানি স্থগিত না করে।
৬,৯১৩.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ নিম্নের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  4. উল্লিখিত সবগুলোয়
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোয়
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ হলো ৬০ বছর এবং সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ হলো ৭দিন। সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ১৪৭- রেহেন উদ্ধারের অধিকার নাশ [Foreclosure] বা বিক্রয়ের [Sale] জন্য রেহেন গ্রহীতা কর্তৃক মামলা দায়েরের সময়সীমা,
রেহেন ঋণ যখন পরিশোধযোগ্য হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৮-বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা, যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।

অনুচ্ছেদ ১৪৯-সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলার তামাদি-৬০ বছর।

৬,৯১৪.
রফিক একজন মুদি দোকানি। সে জেনে-বুঝে এমন একটি পাল্লা ব্যবহার করে যা কম ওজন দেখায়, যাতে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করা যায়। এক্ষেত্রে রফিক দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

৬,৯১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ কী বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আপিল
  2. পুনরুদ্ধার
  3. সাধারণ খরচ
  4. সহজাত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৫১ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা যা আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power of the Court) সংক্রান্ত।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি আইনের অন্যান্য কোনো নির্দিষ্ট বিধান না থাকে, তবুও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এবং আদালতের কার্যপ্রণালির অপব্যবহার রোধ করতে আদালত যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে।
- ধারা ১৫১ এর বিধান: “এই বিধিতে কিছুই এমন নেই যা আদালতের সহজাত ক্ষমতা সীমিত করে বা প্রভাবিত করে; আদালত ন্যায়ের স্বার্থে অথবা আদালতের পরোয়ানার অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে।”

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
৬,৯১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, “bailable offence” বলতে কী বোঝায়?
  1. যে অপরাধে শুধু আদালত জামিন দেয়
  2. যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়
  3. যে অপরাধে সর্বোচ্চ ৭ বছর সাজা হয়
  4. যে অপরাধে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করা যায়
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) যে অপরাধে জামিন পাওয়া যায়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪(১)(b) অনুযায়ী—
“bailable offence” বলতে বোঝায় সেইসব অপরাধ যা:
- দ্বিতীয় তফসিলে (Second Schedule) “bailable” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে,
- অথবা অন্য কোনো প্রচলিত আইনের মাধ্যমে “bailable” হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
- (b) "bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force; and "non-bailable offence" means any other offence:

- অর্থাৎ, bailable offence এমন অপরাধ, যেখানে আসামি আইনগতভাবে জামিন পাওয়ার অধিকার রাখে এবং পুলিশ বা আদালত জামিন দিতে বাধ্য থাকে।
৬,৯১৭.
A, Z-এর বিরুদ্ধে একটি মানহানিকর মিথ্যা অভিযোগ (libel) প্রকাশ করার হুমকি দেয়, যদি না Z তাকে টাকা দেয়। এইভাবে A, Z-কে টাকা দিতে বাধ্য করে। A-এর এই আচরণটি _______ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. জালিয়াতি
  2. বলপূর্বক আদায়
  3. ডাকাতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ-
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৬,৯১৮.
What is the maximum imprisonment term that a Joint Sessions Judge can impose?
  1. 3 years
  2. 5 years
  3. 7 years
  4. 10 years
সঠিক উত্তর:
10 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 years
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
- অর্থাৎ  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছররের  কারাদণ্ড দিতে পারবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31. Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৬,৯১৯.
বার কাউন্সিল কাদের জন্য দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে?
  1. জনসাধারনের জন্য
  2. বিচার বিভাগীয় সকল কর্মচারীদের জন্য
  3. আইজীবীদের জন্য
  4. অভিযুক্তদের জন্য
সঠিক উত্তর:
আইজীবীদের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজীবীদের জন্য
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।
-----------
Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.

৬,৯২০.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. রিভিউ-এর ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ The Limitation Act, 1908 এর ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎউদ্দেশ্যে কার্যধারায় যেই সময় গণনাহইতে বাদ দিতে হইবেঃ
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, বাদী কোনো আদিম বা আপিল আদালতে বিবাদীর বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানী কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাইতে থাকে। তবে সেইক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যেই আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করিবার ক্ষমতা সম্পন্ন নহে, সেই আদালতে যদি সদবিশ্বাসে উহা দায়ের করা হইয়া থাকে, তবে শেষোক্ত কার্যক্রমে যেই সময় ব্যয়িত হয়, প্রথমোক্ত মামলার মেয়াদ গণনা হইতে তাহা বাদ দিতে হইবে।
যথাযথ সতর্কতা ও সচেষ্ট প্রয়োগ সত্বেও একজন যুক্তিবান ও পরিণামদর্শী মানুষের পক্ষে যেইধরনের ভুল হওয়া স্বাভাবিক, শুধুমাত্র ঐ ধরনের ভুলের ব্যাপারে জড়িত মামলার ক্ষেত্রেই এইধারার বিধান অনুসারে সুবিধাদান করা যাইতে পারে। নিম্নতর আপিল আদালত যেইক্ষেত্রে যথাযথভাবে অত্র ধারার আওতায় উহার স্ববিচার ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেইক্ষেত্রে হাইকোর্ট উহাতে হস্তক্ষেপ করিয়া থাকে না।
আপিলের জন্য সময় গণনাকালে অত্র ধারাটি প্রয়োগ ঘটে না। তবে ইহার যুক্তিযুক্ত মূলনীতি এবং এই ধারায় ভাবিত পরিস্থিতি যথাসময়ে আপিল উপস্থাপন করিবার জন্য ৫ ধারার অর্থ অনুসারে পর্যাপ্ত কারণ হিসাবে সাধারণত গ্রাহ্য হইতে পারে।
♦ তামাদি আইনের ১৪ ধারা মোকদ্দমার (Suit) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বা যেকোন আবেদনের (Any: application) মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কিন্তু আপীল, রিভিশন, বা রিভিউ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়ের করলে এবং উক্ত এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় বাদ দিয়ে আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে ১৪ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না। এখতিয়ারবিহীন আদালতে আপীল দায়েরের কারণে ব্যয়িত সময় মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা যেতে পারে।
৬,৯২১.
'A', 'B'-এর নিকট ৫০ শতক জমি বিক্রি করার নিমিত্তে চুক্তিপত্র করে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ১৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে অসমর্থ হয়, এক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. সম্পাদন করা যাবে
  2. সম্পাদন করা যাবে না
  3. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে না
  4. সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে
সঠিক উত্তর:
সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদন করা যাবে কিন্তু অসম্পাদিত অংশের ক্ষতিপূরণ পাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
-কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে।

- এখানে চুক্তির ৫০ শতক জমির মধ্যে সম্পাদিত অংশ ৩৫ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ১৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
----------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-14.Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
 
Illustrations
(a) A contracts to sell B a piece of land consisting of 100 bighas. It turns out that 98 bighas of the land belong to A, and the two remaining bighas to a stranger, who refuses to part with them. The two bighas are not necessary for the use or enjoyment of the 98 bighas, nor so important for such use of enjoyment that the loss of them may not be made good in money. A may be directed at the suit of B to convey to B the 98 bighas and to make compensation to him for not conveying the two remaining bighas; or B may be directed, at the suit of A, to pay to A, on receiving the conveyance and possession of the land, the stipulated purchase-money less a sum awarded as compensation for the deficiency.
 
(b) In a contract for the sale and purchase of a house and lands for two lakhs of Taka, it is agreed that part of the furniture should be taken at a valuation. The court may direct specific performance of the contract notwithstanding the parties are unable to agree as to the valuation of the furniture, and may either have the furniture valued in the suit and include it in the decree for specific performance, or may confine its decree to the house.
৬,৯২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ অনুযায়ী কোন শর্তে বিদেশী শত্রু (Alien enemy) বাংলাদেশে মামলা দায়ের করতে পারবে?
  1. স্থানীয় থানার অনুমতিতে
  2. আদালতের বিশেষ আদেশে
  3. জাতিসংঘের অনুমোদন নিয়ে
  4. বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী, বিদেশী শত্রু (alien enemy) যদি বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশে বসবাস করেন, তবে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকের মতই আদালতে মামলা করতে পারবেন।
- ধারা ৮৩ (১) অনুযায়ী বলা হয়েছে: "Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh as if they were citizens of Bangladesh."
অর্থাৎ, সরকারি অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশী শত্রু মামলা দায়ের করতে পারবেন না।

→ সুতরাং বিদেশী শত্রু যদি বাংলাদেশে সরকারের অনুমতি নিয়ে বসবাস করেন, তাহলে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর: ঘ) বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৩ - কখন বিদেশি ব্যক্তি মামলা করতে পারে:
(১) সরকারের অনুমতিক্রমে বিদেশি শক্রগণ এবং বিদেশি বন্ধুগণ বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে তারা বাংলাদেশের নাগরিকের মতই বাংলাদেশের আদালতে মামলা করতে পারবেন।
(২) এরূপ অনুমতি ব্যতীত বিদেশি শত্রু বাংলাদেশে বসবাস করতে থাকলে বা বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাস করলে অনুরূপ কোন আদালতে মামলা করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা: যে সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সরকার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বা সামরিক অভিমানে জড়িত, সেই সকল দেশে বসবাসরত এবং বাংলাদেশ সরকারের একন সচিবের সহিযুক্ত অনুমতি ব্যতীত ঐ সকল দেশে ব্যবসা চালাইতে থাকলে (২) উপধারার উদ্দেশ্যে উক্তরূপ বিদেশি রাষ্ট্রে বসবাসরত প্রত্যেক ব্যক্তি বিদেশি শত্রু বলে গণ্য হবে।

⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 83. When aliens may sue:
(1) Alien enemies residing in Bangladesh with the permission of the Government, and alien friends, may sue in the Courts in Bangladesh, as if they were citizens of Bangladesh.
(2) No alien enemy residing in Bangladesh without such permission, or residing in a foreign country, shall sue in any of such Courts. 
Explanation.-Every person residing in a foreign country the Government of which is at war with, or engaged in military operations against, Bangladesh, and carrying on business in that country without a license in that behalf under the hand of a Secretary to the Government shall, for the purpose of sub-section (2), be deemed to be an alien enemy residing in a foreign country.
৬,৯২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের কোন কলামে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধের উল্লেখ আছে?
  1. ৩য়
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ।
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি 
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৬,৯২৪.
হাইকোর্ট বিভাগে আইনপেশা চর্চার যোগ্যতা সম্পর্কে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বিধান আছে?
  1. ২০ অনুচ্ছেদে
  2. ২১ অনুচ্ছেদে
  3. ২২ অনুচ্ছেদে
  4. ২৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২১: 
(১) এই আদেশ ঘোষণা হইবার পূর্বে হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার উদ্দেশ্যে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যতিরেকে, কোনো এডভোকেটকেই হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার অনুমতিপ্রাপ্ত হইবেন না, যদি না তিনি-
(a) বাংলাদেশের যেকোনো অধঃস্তন আদালতে তিনি ২ (দুই) বছর ধরে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন ;

(b) তিনি আইন বিষয়ে অনার্স এবং সরকার কতৃর্ক সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন কতৃর্ক নির্ধারিত বাংলাদেশের বাইরের কোনো হাইকোর্টে এডভোকেট হিসেবে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন;

(c) তাকে, তার আইনগত প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার জন্য, বার কাউন্সিল উপরে বর্ণিত দফাসমূহের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা হইতে অব্যাহতি দিয়াছেন।

(২) হাইকোর্টে আইন পেশা চর্চার লক্ষ্যে বার কাউন্সিল অনুমতি দিয়াছেন ইহা প্রমাণ সাপেক্ষে অনুচ্ছেদ—২২ এ নির্ধারিত ফি দেওয়া হইয়াছে এবং ক্লজ—১ এ বর্ণিত সংশ্লিষ্ট শর্তাদি সন্তোষজনকভাবে পূরণ করা হইয়াছে।

৬,৯২৫.
দলিল সংশোধনের বিষয়ে বলা আছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর কত ধারায়?
  1. ৩০
  2. ৩১
  3. ৩৫
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ৩১ ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান আছে
৬,৯২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮, বিধি-১ অনুসারে বিবাদীকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য প্রথমে কত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২১ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।"
অর্থাৎ, বিবাদীকে প্রথমে ৩০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয় লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮,বিধি-১: লিখিত জবাব (written Statement):
১) বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।
২) বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।
৩) সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:
Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:
Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

৬,৯২৭.
কোনো সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হইতেছে-
  1. তাহার ব্যক্তিত্বে ধরণ পরীক্ষা,
  2. বিভিন্ন দাবি প্রতিষ্টা কর,
  3. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
  4. তাহার মর্যাদা পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্কিত বিষয়ে সত্য উদ্‌ঘাটন,
ব্যাখ্যা
⇒ জেরা (Cross examination): সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৮ অনুযায়ী, কোন পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ পরীক্ষা করলে তাকে জেরা বলে। মামলার কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে পরীক্ষার মাধ্যমে জবানবন্দি সম্পন্ন করে। এরপর বিরুদ্ধ পক্ষ এসে উক্ত সাক্ষীকে পরীক্ষা করে, এটিই জেরা। জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ জবানবন্দির বক্তব্য খন্ডন করে। এছাড়া জেরার মাধ্যমে বিরুদ্ধ পক্ষ তার বক্তব্য উপস্থাপন করে।

জেরার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:

⇒ কাজী মাহবুবউদ্দিন আহমেদ ওরফে মাহবুব বনাম রাষ্ট্র ৩৮২ এই মামলা অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় জেরা হলো একজন ব্যক্তির দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা পরীক্ষা করার অন্যতম দুর্দান্ত আধুনিক অস্ত্র। সাক্ষীদের জেরা করে সত্যতা আবিষ্কারের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ আইনি ইঞ্জিন। সত্য বা মিথ্যা বের করে আনার জন্য এটি সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এক পক্ষের সাক্ষী যে বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছে, সেসব বিষয় স্পষ্ট করে সত্য প্রকাশের মাধ্যমে নিজ বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেরা করা হয়। এজন্য একে আক্রমণের তরবারি এবং নিজপক্ষের সমর্থনের ঢাল দুটোই বলা হয় (both a sword of attack & a shield of defence)।

জেরার উদ্দেশ্য নিচে দেয়া হল-

⇒ সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে সন্দেহ তৈরি করা

⇒ অপর পক্ষের মামলা নিয়ন্ত্রণ করা

⇒ অপর পক্ষের মামলা দুর্বল করে নষ্ট করা

⇒ অপর পক্ষের মামলার অসামঞ্জস্যতা শনাক্ত করে প্রকাশ করা

⇒ নিজ পক্ষের মামলা প্রতিষ্ঠা করা

⇒ আদালতের সামনে মিথ্যাচার থামানো

⇒ সত্য উন্মোচন করা বা তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
৬,৯২৮.
ফৌজদারী আইনে অন্য কিছু বলা না থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট বলতে বােঝাবে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪ক এর বিধান নির্দেশাবলীর অর্থঃ এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপঃ
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------

♦ Section 4A. Constuction of reference: (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference-
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
৬,৯২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২ লাখ
  2. ৩ লাখ
  3. ৫ লাখ
  4. ১০ লাখ
সঠিক উত্তর:
৩ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুসারে, একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এর জরিমানা করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা হলো ৩ লক্ষ টাকা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল খ) ৩ লাখ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত; 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।

৬,৯৩০.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ২ টি
  2. ৭ টি
  3. ৬ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
৬,৯৩১.
Without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a(n)
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Cognizance Magistrate
  4. District Magistrate
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা
♦ Construction of references.
Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference- 
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ:
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
৬,৯৩২.
ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত প্রমাণের জন্য বিশেষ বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
৬,৯৩৩.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংঘটনের জন্য সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির অংশগ্রহণ প্রয়োজন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (Criminal Conspiracy) গঠনের জন্য ন্যূনতম দুইজন ব্যক্তির প্রয়োজন। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে বা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হন, তখন তাদের সম্মতিকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন হতে হবে, এবং তারা একসাথে ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে যদি কোনও অবৈধ কাজ সংঘটিত করার জন্য সম্মত হন, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section, 120A. Definition of criminal conspiracy.
When two or more persons agree to do, or cause to be done,-
(1) an illegal act, or
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy:
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.
৬,৯৩৪.
কোন অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে?
  1. বিদেশে চলে গেলে
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে
  3. বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯ অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো অবস্থায় নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণ করা যেতে পারে:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে।
বিবাদীর সঙ্গে স্বার্থের সংঘর্ষ থাকলে: - যদি নেকস্ট ফ্রেন্ড এমন কোনো বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় যার স্বার্থ নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী, তবে তার দ্বারা ন্যায্যভাবে নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশে বসবাস করা বন্ধ করে দিলে / বিদেশে চলে গেলে: - যদি মামলা বিচারাধীন অবস্থায় সে বাংলাদেশে আর না থাকে, তবে সেটিও অপসারণের বৈধ কারণ।
- তাই উপরের সবগুলো অবস্থাতেই আদালত উল্লেখযোগ্য ও যুক্তিসঙ্গত কারণ মনে করলে নেকস্ট ফ্রেন্ডকে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারে এবং মামলার খরচ সম্পর্কেও আদেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৯: নেকষ্ট ফেণ্ডের অসারণ:
(১) যখন কোন নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ডের স্বার্থে ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে বা যখন সে এমন বিবাদীর সাথে সংশ্লিষ্ট, যার স্বার্থ ঐ নাবালকের স্বার্থের প্রতিকূলে যার দরুণ তার দ্বারা উক্ত নাবালকের স্বার্থ যথার্থভাবে সংরক্ষণ সম্ভব নহে, অথবা যখন সে তার কর্তব্য পালন করে না বা মামলা বিচারাধীন থাকাকারে বাংলাদেশে বসবাস করা শেষ করে অথবা অন্য কোন যথেষ্ট কারণে নাবালকের তরফ হতে বা বিবাদী কর্তৃক তার অপসারণের জন্য আবেদন করা যাবে এবং আদালত যদি প্রদর্শিত কারণের যথার্থতা সম্পর্কে পরিতুষ্ট হন, তবে নেকষ্ট ফ্রেণ্ডকে তদানুসারে অপসারণের নির্দেশ দিতে পারেন এবং খরচা সম্পর্কে অন্য কোন উপযুক্ত আদেশ দিতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন নেকষ্ট ফ্রেণ্ড বা অভিভাবক এতদুদ্দেশ্যে কোন উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিযুক্ত বা ঘোষিত হয়নি এবং উক্ত মতে নিযুক্ত বা ঘোষিত কোন অভিভাবক নেকষ্ট ফ্ৰেণ্ডের স্থলে নিজেই নিযুক্ত হতে ইচ্ছা পোষণ করে আবেদন লিপিবদ্ধ করে মনে করেন যে, উক্ত অভিভাবককে নাবালকের নেকষ্ট ফ্রেণ্ড নিয়োগ করা উচি নহে, এবং আবেদনকারীকে তার স্থলে আদালতের বিবেচনা মত মামলায় যে খরচ হয়েছে তৎসম্পর্কে শর্তাদি সাপেক্ষে নেকষ্ট ফ্রেণ্ড হিসাবে নিয়োগ করবেন।
৬,৯৩৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ ধারা ৪১০ মতে চোরাই সম্পত্তি :- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------
⇒ Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৬,৯৩৬.
যদি ডাকাতির সময় কেবল একজন খুন করে, তবে বাকিদের বিচার কীভাবে হবে?
  1. কেবল ডাকাতির জন্য দণ্ডিত হবে
  2. খুনের অভিযোগ থেকে মুক্ত হবে
  3. তাদের বিচার আলাদা হবে
  4. সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা অনুযায়ী যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে ডাকাতি করার সময় তাদের মধ্যে কেউ খুন করে, তাহলে সকল ব্যক্তি দণ্ডনীয় হবে। এই অপরাধের জন্য আদালত নিম্নলিখিত শাস্তি প্রদান করতে পারে:
- মৃত্যুদণ্ড, অথবা
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা
- ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৬,৯৩৭.
কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে কি করা হয়?
  1. ব্যভিচার
  2. মানহানি
  3. প্রতারণা
  4. অশ্লীলতা
সঠিক উত্তর:
মানহানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানহানি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
৬,৯৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩২ মূলত কোন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম নির্ধারণ করে না?
  1. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  2. দাম্পত্য অধিকার
  3. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৩২ (Order XXI, Rule 32) মূলত তিনটি ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম নির্ধারণ করে:
১) সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি
২) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ডিক্রি
৩) নিষেধাজ্ঞামূলক (injunction) ডিক্রি
- এই বিধি অনুযায়ী, যদি উক্ত ডিক্রির অধীনে দায়িক ইচ্ছাকৃতভাবে আদেশ না মানে, তবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করা যেতে পারে।
- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি কারাগারে আটক, সম্পত্তি ক্রোক, অথবা উভয় পদ্ধতিতে কার্যকর করা যেতে পারে।
- কিন্তু “অর্থ পরিশোধের ডিক্রি” আদেশ ২১, বিধি ৩২ এর আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ আদেশ-২১, বিধি-৩২ অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি কার্যকরের বিধান দেয় না। এটি দাম্পত্য অধিকার, নিষেধাজ্ঞা, এবং সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন—এই তিন ধরনের ডিক্রি কার্যকর করার নিয়ম বলে।
- সঠিক উত্তর: ক) অর্থ পরিশোধের ডিক্রি

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।
যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
(2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.
৬,৯৩৯.
একজন অ্যাডভোকেট কখনই পেশাগতভাবে এমন পরামর্শ দেবেন না, যা—
  1. ক্লায়েন্টের স্বার্থ রক্ষা করে
  2. মামলা জেতার সম্ভাবনা বাড়ায়
  3. আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
  4. আদালতে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়।
⇒ একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব হলো আইন মেনে ও নৈতিকতা বজায় রেখে তার ক্লায়েন্টকে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা। তিনি কখনোই এমন পরামর্শ দিতে পারেন না, যা আইন লঙ্ঘন করে বা অন্যায় কাজে সহায়তা করে।

→ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ বিধি, ১৯৬৯-এর Chapter II, Conduct with Regard to Clients-এর ৮ নম্বর নীতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে:
"An Advocate in his professional capacity shall not advise the violation of any law. This rule shall not apply to advice given in good faith, that a law is invalid."
অর্থাৎ, একজন অ্যাডভোকেট কোনো আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দিতে পারবেন না।
তবে, যদি তিনি ন্যায়সঙ্গত কারণে বিশ্বাস করেন যে কোনো আইন অবৈধ বা অসাংবিধানিক, তাহলে তিনি সেক্ষেত্রে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেন।

⇒ সুতরাং, একজন অ্যাডভোকেটকে অবশ্যই তার ক্লায়েন্টের পক্ষে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে মামলা পরিচালনা করতে হবে, তবে তিনি কখনোই আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দিতে বা অন্যায় কাজে সহায়তা করতে পারেন না।
৬,৯৪০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, কোন অনুপযুক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান কখন মামলার পুনর্বিচারের কারণ হতে পারে না?
  1. যখন সাক্ষ্যটি আদালতের আদেশ অনুযায়ী উপস্থাপিত হয়
  2. যখন সাক্ষ্যটি প্রধান সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হয়
  3. যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
  4. যখন উক্ত সাক্ষ্যের কারণে মামলার রায় পুরোপুরি পরিবর্তিত হতে পারত
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত সাক্ষ্য ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
যদি কোন মামলায় কোন সাক্ষ্য অনুপযুক্তভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা হয়, তবুও শুধুমাত্র এই কারণে মামলাটির পুনরায় বিচার বা কোন সিদ্ধান্ত বাতিল করা যাবে না—যদি আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, যেই সাক্ষ্যকে নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে তা ছাড়াও সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য ছিল, অথবা যে সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল, তা গ্রহণ করা হলেও সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন আসত না।

Section 167⇒ No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
৬,৯৪১.
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যথাযথ চেষ্টা সত্ত্বেও খুঁজে পাওয়া না গেলে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০ অনুযায়ী কার কাছে সমনের কপি দেয়া হবে?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির মনোনীত প্রতিনিধির নিকট
  2. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যর নিকট
  3. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
  4. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বসবাসকৃত এলাকার স্থানীয় থানায়
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০-এ বলা আছে,
যদি কোনো ব্যক্তিকে সমন দেয়ার সময় তাকে খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহলে সমনের একটি কপি তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য-এর কাছে সমন দেয়া যেতে পারে।

[Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.]

৬,৯৪২.
সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা নিম্নের কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. যেখানে কোনো ব্যক্তির ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয়
  2. যেখানে কোনো ব্যক্তির চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
  3. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
  4. যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় নয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

Section 54:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1- This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2- A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

→ এই ধারার অর্থ হলো,
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্তের খারাপ চরিত্র বিচারে গৃহীত হবে না, যদি না তিনি নিজের ভালো চরিত্রের প্রমাণ দেন। যদি তিনি ভালো চরিত্রের দাবি করেন, তাহলে তার খারাপ চরিত্র বিচার্য হবে। 
৬,৯৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৯ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসার কখন পুনরায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যখন অপরাধ জামিনযোগ্য
  2. যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
  3. যখন অপরাধী পলায়নের চেষ্টা করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধী ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

৬,৯৪৪.
দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা অনুযায়ী, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের উদ্দেশ্যে উপাসনালয় ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী যদি কেউ কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতীক ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এমন উদ্দেশ্যে যে, এতে কোনো শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতি আহত হবে, অথবা এমন জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যে এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৬,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৫ ধারায়
  2. ১৬ ধারায়
  3. ১৮ ধারায়
  4. ১৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান বেঞ্চ: চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।
♦ Benches
Section 19. Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের বেঞ্চ এর বিধান রয়েছে।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের বেঞ্চ: (১) সরকার দুই বা ততোধিক সংখ্যক ম্যাজিষ্ট্রেটকে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে কোন স্থানে বেঞ্চ গঠন করে একসাথে বসার নির্দেশ দিতে পারেন এবং আদেশ কর্তৃক এধরণের বেঞ্চের উপর উক্ত কোড অনুসারে প্রথম, দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর অর্পিত বা অর্পণযোগ্য ক্ষমতা ন্যস্ত করতে পারবেন এবং সরকার যেভাবে ঠিক করেন, কেবল সেভাবে সকল মোকদ্দমায় বা সেসব শ্রেণীর মোকদ্দমায় ও সেই স্থানীয় এলাকায় উক্ত বেঞ্চকে সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) বিশেষ নির্দেশ না থাকলে বেঞ্চ যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেনঃ এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ কর্তৃক অন্য কোন ধরণের কোন বিধান করা না হয়ে থাকলে বেঞ্চের বর্তমান কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে সর্বোচ্চ শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটকে এ আইন কর্তৃক যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে, বেঞ্চের নিকট সে ক্ষমতা থাকবে এবং আইনের উদ্দেশ্যে বেঞ্চকে যথাসম্ভব উক্ত শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে অভিহিত করতে হবে।
৬,৯৪৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদে গৃহভৃত্য বা শ্রমিকের মজুরির দাবি সংক্রান্ত মামলা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯
  4. অনুচ্ছেদ ১১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৭-এ গৃহভৃত্য বা শ্রমিকের মজুরির দাবি সংক্রান্ত মামলা উল্লেখ করা হয়েছে।
- এটি অনুসারে, গৃহভৃত্য বা শ্রমিকের মজুরি বকেয়া হওয়ার পর ১ বছরের মধ্যে মজুরির জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী, গৃহভৃত্য বা শ্রমিকের মজুরি সংক্রান্ত মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর, যা মজুরি বকেয়া হওয়ার তারিখ থেকে শুরু হয়।
৬,৯৪৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালত কোন উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারে না?
  1. কোনো ব্যক্তিকে পরীক্ষা করা
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. রায় কার্যকর করা
  4. সম্পত্তি বাটোয়ারা করা
সঠিক উত্তর:
রায় কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় কার্যকর করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ. রায় কার্যকর করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান- কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:

- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

⇒ কিন্তু রায় কার্যকর করা কমিশনের উদ্দেশ্য নয়। এটি আদালতের আদেশ বা ডিক্রির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, কমিশনের মাধ্যমে নয়।

৬,৯৪৮.
ফৌজদারি মামলা প্রমাণের জন্য সর্বনিম্ন কতজন সাক্ষীর প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: "Testes ponderantur, non numerantur"
অর্থ: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
মানে: সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাক্ষীর সংখ্যা নয়, তার বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা ও সাক্ষ্যের যথার্থতা বিবেচনা করা হবে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৪ অনুসারে,
কোনো মামলার প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী থেকেও কোনো ঘটনা প্রমাণ করা যায়, যদি তার সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্য হয়।

৬,৯৪৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৯ অনুসারে কোনো সাক্ষী তাহার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে:
  1. পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
  2. পূর্ববর্তী মৌখিক বিবৃতি ব্যবহার করে 
  3. পূর্ববর্তী লিখিত এবং মৌখিক বিবৃতি ব্যবহার করে 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করে 
ব্যাখ্যা

ধারা ১৫৯: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা:
কোনো সাক্ষী সাক্ষীদানের সময় তাহার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করিবার জন্য যে ঘটনা সম্পর্কে তাহাকে প্রশ্ন করা হইতেছে, সেই ঘটনার সময় অথবা উহার নিকটবর্তী সময় তাহার নিজের লেখা এমন কিছু দেখিয়া লইতে পারে, যাহাতে আদালত মনে করিতে পারেন যে, উহা লিখিবার সময় ঘটনাটি তাহার স্মৃতিতে সম্পূর্ণ জাগ্রত ছিলো।
সাক্ষী অন্যের দ্বারা লিখিত কিছু দেখিবারও তাহার স্মৃতি জাগ্রত করিয়া লইতে পারে, যাহা ঘটনার সময় বা তাহার নিকটবর্তী সময় সে পড়িয়াছিল, যদি উহা এমন হয় যে, পড়ার সময় উহা সত্য বলিয়া সে জানিত।
---------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 159, Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.

৬,৯৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে, একজন আইনজীবী তার মক্কেলের সাথে হওয়া পেশাগত যোগাযোগের বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করতে বাধ্য?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১২৪
  3. ধারা ১২৫
  4. ধারা ১২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তার মক্কেলের পক্ষে কাজ করার সময় এবং উদ্দেশ্যে মক্কেল কর্তৃক বা তার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত কোনো বার্তা, দলিলের বিষয়বস্তু বা প্রদত্ত পরামর্শ মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারবেন না। এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা তাদের নিয়োগ শেষ হওয়ার পরও বহাল থাকে।
তবে এই ধারায় কিছু ব্যতিক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন: কোনো বেআইনি উদ্দেশ্যে সংঘটিত যোগাযোগ বা নিয়োগ শুরুর পরে সংঘটিত কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়নি।


⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
-------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:

Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.

Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.

৬,৯৫১.
কোন ধরনের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১৭ ধারা প্রযোজ্য নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা
  2. বংশগত পদ লাভের মোকদ্দমা
  3. অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবৎ এর মোকদ্দমা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭. মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
-----
Effect of death before right to sue accrues:
Section 17. (1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.

৬,৯৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এর কোন বিধিতে আপিলের রায় ঘোষণা সংক্রান্ত নিয়ম বর্ণিত আছে?
  1. বিধি-২৮
  2. বিধি-৩০
  3. বিধি-৩১
  4. বিধি-৩৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৩০
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-৩০ এর বিধান আপিল আদালতের রায় কখন এবং কোথায় ঘোষিত হয়: আপিল আদালত পক্ষগণ বা তাদের উকিলদের শুনানির পর এবং আপিলের বা যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয়েছে সে আদালতের কার্যধারার কোন অংশ রেফারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হলে সেটা উল্লেখ করে তৎক্ষণাৎ বা পরবর্তী তারিখ সম্পর্কে যার নোটিশে পক্ষগণকে বা উকিলগণকে প্রদান করতে হবে, প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষিত হবে।
- অর্থাৎ,আদেশ ৪১, বিধি ৩০–তে বলা হয়েছে, আপিল আদালত পক্ষসমূহ বা তাদের আইনজীবীকে শুনে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে খোলামেলা আদালতে রায় ঘোষণা করবে, তা তাৎক্ষণিক হোক বা পরে নির্ধারিত কোনো তারিখে হোক।
- ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী বিধি ৩০(২) উপবিধিতে আরও বলা হয়েছে যে, উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলেও বিচারক চাইলে মামলার নথির ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারেন।
- তাই, সঠিক উত্তর: খ) বিধি-৩০।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-30: Judgment in Appeal: 
- Judgment. When and where pronounced: The Appellate Court after hearing the parties or their pleaders and referring to any part of the proceedings, whether on appeal or in the Court from whose decree the appeal is preferred, to which reference may be considered necessary, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day of which notice shall be given to the parties or their pleaders.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-rule (1), if neither party nor his pleader appears when the appeal is called on for hearing, the Appellate Court may, for reasons to be recorded in writing, if considers the materials on record are sufficient to dispose of the appeal on merits, pronounce judgment in open Court immediately or on a date to be fixed by it.
৬,৯৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে অবৈধভাবে দখলচ্যুত করা হয়, তবে-
  1. কেবল চুক্তির ভিত্তিতে মামলা মামলা করতে পারবে
  2. স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
  3. স্বত্ব প্রমাণ করতে পারলেই কেবল মামলা করতে পারবে
  4. জমির মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৬,৯৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার কয়টি ব্যাখ্যা রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে। 
 
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যাখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার ২টি ব্যাখ্যা রয়েছে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed bythe Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৬,৯৫৫.
যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্ব হস্তান্তর হয় এবং তাতে নতুন পক্ষভুক্ত করা হয়, তবে মামলাটি দায়ের হয়েছে ধরা হবে কোন তারিখে?
  1. পক্ষভুক্তির তারিখে
  2. স্বত্ব হস্তান্তরের তারিখে
  3. মূল মামলা দায়েরের তারিখে
  4. আদালতের অনুমতির তারিখে
সঠিক উত্তর:
মূল মামলা দায়েরের তারিখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলা দায়েরের তারিখে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ অনুযায়ী: যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে (যেমন: বিক্রয়, উপহার, উত্তরাধিকার প্রাপ্তি ইত্যাদি) কাউকে বাদী বা বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত করা হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হবে মূল মামলা দায়েরের তারিখ থেকে, নতুন পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে নয়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৬,৯৫৬.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. পদত্যাগ করলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
  3. ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
  4. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসৃত হলে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
>অর্থাৎ ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।

৬,৯৫৭.
একটি মামলায় প্রশ্ন ওঠে যে ‘C’ কবে জন্মগ্রহণ করেছে। ‘C’-এর মৃত ডাক্তারের ডায়েরিতে একটি এন্ট্রি পাওয়া যায়, যেখানে লেখা আছে যে তিনি একটি নির্দিষ্ট দিনে ‘C’-এর মাকে সন্তান প্রসবের জন্য সহায়তা করেছিলেন। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই এন্ট্রি প্রাসঙ্গিক?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(২)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(২) অনুসারে, কোনো মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় লিখিত হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘C’-এর মৃত ডাক্তারের ডায়েরিতে লিখিত এন্ট্রি, যেখানে তিনি ‘C’-এর মাকে সন্তান প্রসবের জন্য সহায়তা করার কথা উল্লেখ করেছেন, তা তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে লিখিত। তাই এই এন্ট্রি ধারা ৩২(২)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- ধারা ৩২(১): মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে, যা ‘C’-এর জন্মতারিখের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ধারা ৩২(৩): মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয় বা তাকে মামলার জন্য দায়ী করতে পারে, তবে তা প্রাসঙ্গিক। এই এন্ট্রি এই শ্রেণিতে পড়ে না।
- ধারা ৩২(৪): জনসাধারণের অধিকার, রীতি বা সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত মৃত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।

⇒The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question. 
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

৬,৯৫৮.
বাদী প্রশ্নমালার উত্তর বা দলিল প্রকাশ ও নিরীক্ষণের আদেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা-
  1. একতরফা নিষ্পত্তি হবে
  2. খারিজ হবে
  3. দো-তরফা নিষ্পত্তি হবে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
• যদি কোন পক্ষ যাকে মামলা সম্পর্কিত কোন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার [to answer Interrogatories) বা কোন দলিল প্রকাশ (discovery of documents) বা দলিল নিরীক্ষণের (inspection of documents) আদেশ দেওয়া হয়েছে, যদি সে বাদী হয় এবং সে যদি উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত তার মামলা খারিজ (Dismissed the suit) করে দিবে এবং যদি সে বিবাদী হয় তাহলে তার আত্মপক্ষ সমর্থন (Right to defence) বাতিল করবে।

আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule-21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
৬,৯৫৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "ক্ষতি বা অনিষ্ট" (Mischief) অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৫
  3. ধারা ৪২৪
  4. ধারা ৪২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুযায়ী, যদি কেউ জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা জেনেও, কোনো সম্পত্তি ধ্বংস বা পরিবর্তন করে, যার ফলে সম্পত্তির মূল্য, কার্যকারিতা বা অবস্থা নষ্ট বা হ্রাস পায়, তাহলে সে ব্যক্তি “ক্ষতি বা অনিষ্ট” (Mischief) করেছে বলে গণ্য হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৪২৫। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৬,৯৬০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. obligatory
  2. imperative
  3. compulsory
  4. discretionary
সঠিক উত্তর:
discretionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
discretionary
ব্যাখ্যা
• যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, তখন এই বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

নিম্নলিখিত ১৩টি ক্ষেত্রে বিশারদের মতামত সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-

(i) বিদেশী আইন;
(ii) বিজ্ঞান;
(iii) শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য;
(iv) ডিজিটাল রেকর্ড;
(v) চারুকলা;
(vi) হস্তলিপি বা হাতের লেখা;
(vii) আঙ্গুলের ছাপ বা টিপসহি;
(viii) পায়ের ছাপ;
(ix) তালুর ছাপ;
(x) চোখের কনীনিকার ছাপ;
(xi) টাইপ রাইটিং;
(xii) ট্রেড বা টেকনিকাল অভিব্যক্তির ব্যবহার;
(xiii) ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচিতি।

⇒ উল্লেখ্য যে,
Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক (discretionary) ক্ষমতা।
৬,৯৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মিথ্যা দাবির ব্যাপারে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দেয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ২০,০০০ টাকা
  3. ৩৫,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মামলায় আরজি বা জবাবে কোনো পক্ষ মিথ্যা কোনো দাবি করলে, সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিধান আছে।

• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-
i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ; এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ।

• ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
৬,৯৬২.
X, Y কে হত্যার উদ্দেশ্যে, তার ছয় বছরের শিশুকে 'A'-কে একটি এমন কাজ করতে প্ররোচিত করে, যা Y-এর মৃত্যু ঘটাবে। 'A' সেই কাজটি করে, কিন্তু X-এর অনুপস্থিতিতে। A-এর কাজের ফলে Y-এর মৃত্যু হয়। এক্ষেত্রে-
  1. শুধু A দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
  2. শুধু X দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
  3. A এবং X উভয়ে মৃত্যুদণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধে দায়ী হবে
  4. A বা X কেউ দায়ী হবে হবে না
সঠিক উত্তর:
শুধু X দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু X দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।

দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

X, Y কে হত্যার উদ্দেশ্যে, A যে ছয় বছরের শিশু তাকে প্ররোচিত করে, এমন একটি কাজ করতে যা Y এর মৃত্যু ঘটায়। A, প্ররোচনার ফলে, X এর অনুপস্থিতিতে কাজটি করে এবং তাতে Y এর মৃত্যু ঘটে। এখানে, যদিও A আইনত অপরাধ করার সক্ষম ছিল না, X আইন অনুযায়ী একইভাবে শাস্তির যোগ্য, যেন A আইনত অপরাধ করার সক্ষম ছিল এবং হত্যা করেছে। তাই, X মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য শাস্তির আওতাধীন।
৬,৯৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় কোন প্রতিকার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে, বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ, যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:

যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

Section 55: Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
৬,৯৬৪.
নিচের কোনটি তামাদি বিলম্ব মওকুফের যথেষ্ট কারণ হতে পারে না?
  1. গুরুতর অসুস্থতা
  2. ইচ্ছাকৃত অবহেলা
  3. আইনের সরল বিশ্বাসে ভুল ব্যাখ্যা
  4. ভুল আদালতে মামলা দায়ের
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃত অবহেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃত অবহেলা
ব্যাখ্যা
তামাদি মওকুফ:
তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা, আপিল বা দরখাস্ত পেশ করতে না পারলে বিলম্বের যথাযথ কারণ দেখিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন করা যায়। আদালত যদি সন্তুষ্ট হয় যে, যথেষ্ট কারণবশত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে আসা সম্ভব ছিল না, তাহলে মওকুফের আদেশ দিতে পারে। অর্থাৎ তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদি মওকুফ মানে সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি।

⇒ বিলম্ব মওকুফের কারণ:
আদালত সাধারণত অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, দারিদ্রতা, কৌসুলীর ভুল, আইনের অজ্ঞতা, বা ভুল আদালতে মামলা দায়ের ইত্যাদিকে যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য করে।

⇒ একজন দরখাস্তকারী বা প্রার্থীকে মওকুফের জন্য সাধারণত আদালতকে যা দেখাতে হয়:
(১) তিনি যথেষ্ট এবং যথোপযুক্ত কারণে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপীল বা দরখাস্ত দাখিল করতে পারে নাই,
(২) তার কোনরূপ অবহেলা বা গাফলতি ছিল না,
(৩) তার তেমন কোন গুরতর ত্রুটি ছিল না এবং
(৪) অবহেলাবশ:ত উক্ত ত্রুটি করেন নাই।

⇒ তামাদি বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করলে, আদালত তখনই সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি দেয় যদি যথেষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য কারণ থাকে। কিন্তু ইচ্ছাকৃত অবহেলা (Deliberate Negligence) কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ নয়।
৬,৯৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে কোন অবস্থায় পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না?
  1. যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
  2. যদি মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
  3. যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়
  4. যদি অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীনে, পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে।
এটি বলছে যে, যখন আদালত একটি নালিশ গ্রহণ করে, তখন সেই নালিশের প্রাথমিক সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করা যাবে না এবং পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না।
এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন মামলাটি দায়রা আদালতে বিচার্য হয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায় বা অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়, তখন পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা সম্ভব এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
তবে, যখন আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে, তখন এই ধারা অনুযায়ী পরোয়ানা স্থগিত রাখা যাবে না এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা সম্ভব নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।
আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: 
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. 
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: 
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৬,৯৬৬.
তামাদি আইন অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
৬,৯৬৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১৫১ ধারায় বর্ণিত আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়?
  1. সহজাত ক্ষমতা
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. সাধারন ক্ষমতা
  4. আপীল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালতের সহজাত ক্ষমতা অর্থাৎ আদালত ন্যায় সংগত ভাবে বিচার কার্য পরিচালনার জন্য • সুনির্দিষ্ট আইনের পাশাপাশি অতিরিক্ত যে ক্ষমতা ব্যবহার করে।
• এই ক্ষমতা কোন আইন থেকে উৎপত্তি হয় নাই। দুটি উদ্দেশ্যে আদালত তার সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
(১) ন্যায় বিচারের স্বার্থে
(২) আদালতের কার্য্যপ্র্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে।
• ফৌঃ কাঃ বিধি ৫৬১ (ক) ধারায় ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগ হয়।
৬,৯৬৮.
আদেশ ১২ বিধি ৯ অনুযায়ী নোটিশে অপ্রয়োজনীয় নথি উল্লেখ থাকলে এর ফলাফল কী?
  1. নথি বাতিল হয়ে যায়
  2. মামলা খারিজ হয়
  3. আদালত নোটিশ অবৈধ ঘোষণা করবে
  4. নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ খরচ বহন করবে
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ খরচ বহন করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানকারী পক্ষ খরচ বহন করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ১২ বিধি ৯- খরচ:
যদি কোনো নোটিশে (নথি স্বীকার বা উপস্থাপনের জন্য প্রদত্ত নোটিশ) এমন নথির উল্লেখ করা হয়, যা অপ্রয়োজনীয় বা মামলার জন্য প্রয়োজনীয় নয়, তাহলে ঐ নোটিশের কারণে যে খরচ সৃষ্টি হবে, তা নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকেই বহন করতে হবে।

৬,৯৬৯.
According to Order 18, Rule 4, who is responsible for ensuring that the witness examination is conducted under personal supervision?
  1. The judge
  2. The plaintiff
  3. The defendant
  4. The lawyer of the witness
সঠিক উত্তর:
The judge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The judge
ব্যাখ্যা
Order 18 Rule 4: Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
৬,৯৭০.
‘ক’ তার জমি ‘খ’-কে বিক্রি করে। ‘গ’ একই জমির সংলগ্ন মালিক এবং অগ্রক্রয়ের অধিকার দাবি করে মামলা করতে চায়। এক্ষেত্রে তামাদির গণনা শুরু হবে-
  1. যখন ‘খ’ ও ‘ক’ বিক্রয়ের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করে
  2. যখন ‘গ’ জমি বিক্রির খবর জানতে পারে
  3. যখন ‘খ’ বিক্রিত জমির দখল গ্রহণ করে
  4. যখন ‘গ’ মামলা করতে চায়
সঠিক উত্তর:
যখন ‘খ’ বিক্রিত জমির দখল গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ‘খ’ বিক্রিত জমির দখল গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০- অগ্রক্রয়ের অধিকার [Right to pre-emtion] বলবৎ এর মামলা:

তামাদি-  ১ বছর।

সময় গণনা শুরু-
যখন ক্রেতা যে বিক্রয়ের‌ বিরুদ্ধে মামলা করা হবে সেই বিক্রিত সমস্ত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে বা যে ক্ষেত্রে বিক্রয়ের বিষয়বস্তু প্রত্যক্ষ দখল স্বীকার করে না, সেক্ষেত্রে বিক্রয় দলিল যখন রেজিস্ট্রিকৃত হয়।
৬,৯৭১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. খুন
  3. খুনের উদ্যোগ
  4. আত্মহত্যার প্ররোচনা
সঠিক উত্তর:
খুনের উদ্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের উদ্যোগ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) খুনের উদ্যোগ।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৭ স্পষ্টভাবে "খুনের উদ্যোগ" (Attempt to murder) এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ এমন কাজ করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সেটি খুন হিসেবে গণ্য হতো, তবে সে ব্যক্তি খুনের উদ্যোগের দায়ে অভিযুক্ত হবে।
সুতরাং, ধারা ৩০৭ এর মূল উদ্দেশ্য হলো, মৃত্যুর উদ্দেশ্যে সংঘটিত কিন্তু মৃত্যুর আগেই আটকানো বা ব্যর্থ হওয়া অপরাধকে শাস্তিযোগ্য করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 307. Attempt to murder Attempts by life-convicts
 Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
- When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৬,৯৭২.
ধারা-৮১ অনুযায়ী আদালত কোন শর্তের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন?
  1. যদি সে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করে
  2. যদি তার অনুপস্থিতি জনসাধারণের ক্ষতি করতে পারে
  3. যদি কর্মচারী চাকরি থেকে অব্যাহতি নেয়
  4. কর্মচারী যদি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি তার অনুপস্থিতি জনসাধারণের ক্ষতি করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তার অনুপস্থিতি জনসাধারণের ক্ষতি করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা-৮১: গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:
পদাধিকারবলে কৃত কার্যের দরুন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-
ক) ডিক্রি জারি ব্যতীত বিবাদিকে গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না; এবং
খ) যদি আদালত মনে করেন যে, উক্ত কর্মচারী তার কর্তব্যকার্যে অনুপস্থিত থাকলে জনসাধারণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি প্রদান করবেন।

Sec 81: Exemption from arrest and personal appearance:
In a suit instituted against ta public officer in respect of any act purporting to be done by him in his official capacity-
a) the defendant shall not be liable to arrest not his property to attachment otherwise than in execution of a decree, and,
b) where the Court is satisfied that the defendant cannot absent himself from his duty without detriment to the public service, it shall exempt him from appearing in person.
৬,৯৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারায় আদালত কার থেকে প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার (equity) দাবি করতে পারেন?
  1. ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ
  2. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  3. চুক্তির সুফল ভোগকারী
  4. চুক্তি রদকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
৬,৯৭৪.
দণ্ডবিধির ১৫৩(ক) ধারা কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. জনশান্তি ভঙ্গ
  2. বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার
  3. বেআইনি সমাবেশে যোগদানে উৎসাহিত বা সহায়তা
  4. মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৫৩ক ধারা: বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 153A- Promoting enmity between classes:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.

Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.

৬,৯৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৫ অনুযায়ী, পুলিশ অফিসারের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কী ধরনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. গ্রহণযোগ্য নয়
  4. গ্রহণযোগ্য প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী: “কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট আসামীর করা স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আসামীকে পুলিশি হেফাজতে চাপ, ভয়ভীতি বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা থেকে রক্ষা করা। এই ধারা বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায় নিশ্চিত করে।
- তাই, পুলিশ অফিসারের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নয় এবং আদালতে তা প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

৬,৯৭৬.
The Code of Civil Procedure,1908 এর Order XVI, Rule 12 অনুসারে যথাযথ কারণ ছাড়া কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত সাক্ষীকে আদালত কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করতে পারেন?
  1. ৫০০
  2. ১৫০০
  3. ৩০০০
  4. ১০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১৬ এ সাক্ষীর প্রতি সমন এবং হাজিরা সম্পর্কিত বিধি-বিধান রয়েছে।

বিধি-১০ অনুসারে, সাক্ষী সমন মান্য করতে ব্যর্থ হলে আদালত তাকে হাজির হওয়ার জন্য হুলিয়া জারি (Proclamation) করতে পারবে। উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে ও সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিতে পারে। সাক্ষী হাজির হলে আদালত সেই ক্রোকাদেশ প্রত্যাহার করতে পারে।

• আর যদি সাক্ষী হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আদেশ ১৬ এর বিধি ১২ মোতাবেক-
› অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা এবং
› তার সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবে।

বিধি ১০ এর অধীন পূর্বেই ক্রোক করা হলে জরিমানা সহ ক্রোকের ব্যয় মেটানোর জন্য নিলাম বিক্রয়ের আদেশ দিতে হবে।

Order 16 Rule 12: Procedure if witness fails to appear-
The Court may, where such person does not appear, or appears but fails so to satisfy the Court, impose upon him such fine not exceeding five hundred Taka as it thinks fit, having regard to his condition in life and all the circumstances of the case, and may order his property, or any part thereof, to be attached and sold or, if already attached under rule 10, to be sold for the purpose of satisfying all costs of such attachment, together with the amount of the said fine, if any:
Provided that, if the person whose attendance is required pays into Court the costs and fine aforesaid, the Court shall order the property to be released from attachment.
৬,৯৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Interpleader Suit দায়ের বিধান রয়েছে।
  1. ৯০
  2. ৮৮
  3. ৯২
  4. ৮২
সঠিক উত্তর:
৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় এবং ৩৫ আদেশে স্বার্থবিহীন মামলা [Interpleader Suit] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির নিকট পাওনা টাকা বা কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট তা দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচার দাবি বাতীত যদি অন্য কোনো দাবিদাওয়া না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকে, তবে সেই সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এবং নিজের খরচার দাবী আদায়ের জন্য উক্তরুপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করা যায় তাহলো স্বার্থবিহীন মামলা  [Interpleader Suit]।
৬,৯৭৮.
বাদী কর্তৃক প্রয়োজনীয় খরচ প্রদান না করার কারণে বিবাদী বরাবর সমন জারি না হলে, আদালত The Code of Civil Procedure,1908 এর কোন বিধান অনুসারে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে?
  1. Order X Rule II
  2. Order X Rule III
  3. Order IX Rule I
  4. Order IX Rule II
সঠিক উত্তর:
Order IX Rule II
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order IX Rule II
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure,1908 এর Order IX Rule II (আদেশ ৯ বিধি-২):

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed:
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
৬,৯৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার থেকে বিশেষ ক্ষমতা না দিলে তিনি পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার অনুমতি দিতে পারবেন না?
  1. মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
→  ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে সরকার থেকে বিশেষ ক্ষমতা না দিলে তিনি পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার অনুমতি দিতে পারবেন না।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.
৬,৯৮০.
The Penal Code, 1860 এর ৩০৪ ধারায় নিচের কোন অপরাধের সাজা বর্ণিত আছে?
  1. খুন
  2. আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া
  3. অপরাধমূলক নরহত্যা, যা খুন নয়
  4. অবহেলাজনিত মৃত্যু
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা, যা খুন নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক নরহত্যা, যা খুন নয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) অপরাধমূলক নরহত্যা, যা খুন নয়।

দণ্ডবিধি ধারা ৩০৪ — খুন না হওয়া অপরাধমূলক নরহত্যার জন্য দণ্ড:
(Section 304 – Punishment for culpable homicide not amounting to murder)
যে ব্যক্তি অপরাধমূলক নরহত্যা করে, যা খুন নয়, সে ব্যক্তিকে নিচের এক বা একাধিক শাস্তিতে দণ্ডিত করা যেতে পারে:

(১) যদি মৃত্যু ঘটানো হয় —
মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা নিয়ে, অথবা
এমন শারীরিক আঘাত দেওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে —
তাহলে তাকে আজীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড-এ দণ্ডিত করা যেতে পারে।

(২) আর যদি কাজটি করা হয় —
এমন জ্ঞানসহ, যে কাজটি মৃত্যু ঘটাতে পারে,
কিন্তু মৃত্যু ঘটানোর কোন ইচ্ছা ছিল না,
তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৬,৯৮১.
'ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত জমির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিনের মধ্যে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ১ বছর 
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit বলে।

- তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে-সকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। সুতরাং প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।

৬,৯৮২.
'A' 'Z' কে নিহত করার উদ্দেশ্যে তার ওপর গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০৩
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুন খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুন অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা: ক)।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 300. Murder:
Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustrations
(a) 'A' shoots 'Z' with the intention of killing him. 'Z' dies in consequence. 'A' commits murder.
৬,৯৮৩.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগ করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান
  3. সরকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৬,৯৮৪.
মামলার ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যায় না-
  1. মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব
  2. একই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে সাধারণত রেওয়াজ কেমন 
  3. মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
  4. ক্ষতিপূরন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কেমন নিশ্চয়তা/ অনিশ্চয়তা বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
ব্যাখ্যা

অধ্যায় ২, বিধি ১০: ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তাহার পরামর্শ ও সেবার জন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করিবেন না। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হইতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হইলে তাহা সহৃদয়তার সহিত বিশেষ ভাবে বিবেচনা করিতে হইবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তাঁহার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হইলে কোনরূপ ফি ব্যতিরেকে তাহাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হইবে।

৬,৯৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪০ অনুসারে, ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির কী অধিকার রয়েছে?
  1. সাক্ষী ছাড়া মামলা পরিচালনার অধিকার
  2. মামলা বাতিলের আবেদন করার অধিকার
  3. কৌঁসুলীর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার
  4. সরাসরি বিচারকের সাথে যোগাযোগ করার অধিকার
সঠিক উত্তর:
কৌঁসুলীর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌঁসুলীর মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০(১) ধারা অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা যার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হয়েছে, তার অধিকার রয়েছে কৌঁসুলীর (Pleader) মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থন করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান:- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।
(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।
(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:
-তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবেনা; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness:
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৬,৯৮৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. প্রতিলিপির সাক্ষ্য
  2. মৌখিক স্বীকারোক্তি
  3. সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা
  4. অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন কোনো দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তার অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করার জন্য বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ, যে দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ, সেই দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা করার জন্য বাহ্যিক তথ্য বা প্রমাণ ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়। দলিলের ভাষায় কোনো ঘাটতি বা অস্পষ্টতা থাকলে, তা সংশোধন করার জন্য আদালত কোনো বাহ্যিক প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
এটি দলিলের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করে, যাতে দলিলের অন্তর্নিহিত ভাষার সাথে কোনো বাইরের তথ্যকে মিলিয়ে অর্থ নির্ধারণ না করা হয়।

→ অতএব, ধারা ৯৩ মূলত "অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল"–এর প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য, যেখানে আদালত বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
-  সঠিক উত্তর: ঘ) অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ ভাষার দলিল

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.
Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.
৬,৯৮৭.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুসারে - 'Admissions are __________ of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.'
  1. final proof
  2. conclusive proof
  3. not conclusive proof
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
not conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
not conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ Section-31- Admissions not conclusive proof, but may stop: 
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.

সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
৬,৯৮৮.
ড্রোন ডেটাকে কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  3. ডিজিটাল রেকর্ড
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৬,৯৮৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্র কী?
  1. মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ফি আদায় নিশ্চিত করা
  2. কেবল আদালতের কার্যধারা নিশ্চিত করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
  4. মামলা স্থানান্তর এবং ফি আদায় নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

৬,৯৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে বিচার বা অনুসন্ধান মুলতবি রাখা যেতে পারে?
  1. অভিযুক্ত অসুস্থ হলে
  2. কমিশন জারি করা হলে
  3. বিচারক অবসর নিলে
  4. সাক্ষী আদালতে হাজির না হলে
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করা হলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) কমিশন জারি করা হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে সেই কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য যথাযথ এবং ন্যায়সংগত সময় পর্যন্ত অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।
- এই ধারা মূলত সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময়সীমা নির্ধারণে আদালতকে আইনি সুযোগ দেয়।
- এটি বিচার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে প্রক্রিয়াটি ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.

৬,৯৯১.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির শাস্তির বিধান আছে?
  1. ২৩৫
  2. ২৩৬
  3. ২৩৭
  4. ২৩৮
সঠিক উত্তর:
২৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:
-মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উল্লেখ্য, দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারায় বাংলাদেশের জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির বিধান আছে। কিন্তু দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারায় শুধু জাল মুদ্রা আমদানি বা রপ্তানির বিধান আছে।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 237: Import or export of counterfeit coin:
- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.
৬,৯৯২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ১ অনুসারে, নাবালকের পক্ষে মামলা কে দায়ের করবেন?
  1. সরকারি কর্মকর্তা
  2. নাবালকের Next Friend
  3. আদালত নিযুক্ত Guardian
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
নাবালকের Next Friend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের Next Friend
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি কীভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কীভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে। 
- অর্থাৎ, নাবালকের পক্ষে মামলা দায়ের করতে হবে নাবালকের Next Friend (বন্ধু বা অভিভাবক)-এর মাধ্যমে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

৬,৯৯৩.
দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে, প্ররোচিত অপরাধ সংঘটিত হলে প্ররোচনাকারীর শাস্তি কী হবে?
  1. প্ররোচনাকারীকে অর্ধেক শাস্তি দেওয়া হবে
  2. প্ররোচনাকারীকে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না
  3. প্ররোচনাকারীকে শুধুমাত্র জরিমানা দেওয়া হবে
  4. প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।

উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে।
৬,৯৯৪.
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় কোন কোন বিষয় প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে?
  1. অভিপ্রায় (Motive)
  2. প্রস্তুতি (Preparation)
  3. পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous & Subsequent Conduct)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৬,৯৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন আইনকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে?
  1. চুক্তি আইন
  2. নিবন্ধন আইন
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
৬,৯৯৬.
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. জালিয়াতি
  3. শারীরিক আক্রমণ
  4. অনধিকার গৃহে প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহে প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিকার গৃহে প্রবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪২ "অনধিকার গৃহে প্রবেশ" (House-trespass) সংক্রান্ত। এ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে অন্যের বাসস্থান, উপাসনালয় বা সম্পত্তি হেফাজতের স্থানে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে, তবে এটি অনধিকার গৃহে প্রবেশের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
- ব্যাখ্যা অংশে বলা হয়েছে: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশ (যেমন: হাত বা পা) প্রবেশ করলেই এই অপরাধ সম্পন্ন হয়।
- অতএব, এটি চুরি, জালিয়াতি বা শারীরিক আক্রমণ নয়, বরং “অপরাধমূলক প্রবেশ”-এর একটি উন্নততর রূপ, যা একটি নির্দিষ্ট গৃহ বা স্থানে ঘটে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: -The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house trespass.
৬,৯৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
  1. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে
  2. যে ব্যভিচার করেছে
  3. যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামী
  4. যে ব্যক্তি ব্যভিচার করেছে তার স্ত্রী (যদি থাকে)
সঠিক উত্তর:
যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে নারীর সাথে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা মোতাবেক 'ব্যভিচার' এর ক্ষেত্রে যে নারীর সাহায্যে ব্যভিচার করা হয়েছে তার স্বামীর আপোসের ক্ষমতা রয়েছে।
৬,৯৯৮.
সাক্ষ্য আইনে যেখানে Shall Presume ব্যবহার করা হয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত-
  1. বিষয়টি প্রমাণিত বলে অনুমান করতে বাধ্য।
  2. বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।
  3. আদালত কোন সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি প্রমাণ করতে অনুমোদন করবে না।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৬,৯৯৯.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 
⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;

⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 
⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৭,০০০.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী দণ্ড কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty),

(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life),

(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple),

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (Forfeiture of property),

(v) অর্থদণ্ড (Fine)।