বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬৪ / ১২৬ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ১২,৬০৫

৬,৩০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে "Trustee" বলে অন্তর্ভুক্ত হবে কোন ধরনের ব্যক্তি?
  1. শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কিত ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র ব্যবসায়িক সম্পর্কিত ব্যক্তি
  3. আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
  4. শুধুমাত্র ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র ধারণকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারা অনুসারে "ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।
----------------
The Specific Relief Act,1877, Section 3, Interpretation clause: "trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.

৬,৩০২.
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের (malicious prosecution/false imprisonment) জন্য ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৯ এর বিধান অনুযায়ী, মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ হলো ১ (এক) বছর।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:
- এই ১ বছর সময় গণনা শুরু হয় কারাদণ্ড শেষ হওয়ার তারিখ থেকে।
- অর্থাৎ, কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে হবে।
- যদি এই সময়সীমার মধ্যে মামলা দায়ের না করা হয়, তবে মামলা তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যাবে।

৬,৩০৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে?
  1. ৭৫
  2. ৮৬
  3. ৮৬ক
  4. ৮৮
সঠিক উত্তর:
৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় স্বার্থ বিহীন মামলার বিধান আছে। 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আরজি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজস বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-৫। প্রতিনিধি বা প্রজাগণ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৬,৩০৪.
মিথ্যা দলিল প্রস্তুতকরণের কয়টি উপায়ের কথা The Penal Code, 1860 এ বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
জালিয়াতি অথবা জালিয়াতি করে অপরকে ঠকানোর লক্ষ্যে মিথ্যা ও জাল দলিল সৃষ্টি মূলত একই ধরনের অপরাধ; তবে শুধুমাত্র দলিলটি লিখলে বা মুদ্রণ করলেই হবে না, দলিলটি অবশ্যই সই, স্বাক্ষরিত ও সম্পাদিত হতে হবে। দন্ডবিধির ৪৬৪ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি উপায়ে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়। যথা-

• প্রথমত: সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মানোর উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উক্ত দলিল বা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বোঝানোর জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা

• দ্বিতীয়ত: কোন দলিল সঠিকভাবে সম্পাদিত হওয়ার পরে উক্ত দলিল অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলকভাবে বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়; অথবা

• তৃতীয়ত: যদি কোন লোক অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত, সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে লোক মানসিক অপ্রকৃতিস্থতার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে; এভাবে মিথ্যা বা জাল দলিল প্রস্তুত করা যায়।
৬,৩০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দ্রুত ক্ষয়শীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫-এ দ্রুত ক্ষয়শীল বা ধ্বংসশীল চোরাই মাল বিক্রির বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি মালিক অনুপস্থিত বা অপরিচিত থাকে এবং মাল দ্রুত ক্ষয়শীল হয় অথবা মাল বিক্রি করলে মালিকের জন্য কল্যাণকর হয়, ম্যাজিস্ট্রেট যে কোনো সময় সেই মাল বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৬,৩০৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ৩০ এর মাধ্যমে কোন প্রকার ডিক্রি কার্যকর করা হয়?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন ডিক্রি
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
৬,৩০৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ ধারার অধীন অধীন এক দেওয়ানি আদালত কর্তৃক অন্য আদালতে 'Precept' পাঠানোর উদ্দেশ্য কী?
  1. সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা
  2. মোকদ্দমা পুনরায় শুরু করা
  3. ডিক্রি বাতিল করার অনুরোধ করা
  4. ডিক্রি কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি কার্যকর করার জন্য অনুরোধ করা
ব্যাখ্যা
বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি [Precept]:
Precept অর্থ হলো বিচারকের আদেশপত্র বা নির্দেশাজ্ঞা বা অনুরোধলিপি। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় Precept সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে, অন্য কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রিটি জারি করার অনুরোধ করতে পারে এবং এইরুপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে। যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে সম্পত্তি ক্রোক করবে।

ডিক্রি প্রদানকারী আদালত সময় বাড়িয়ে না দিলে, অথবা যে-আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সেই আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর না করা হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে বিচারকের আদেশপত্র বা অনুরোধলিপি-অনুসারে কোনো ক্রোক ২ (দুই) মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।
৬,৩০৮.
নিচের কোনটি প্লিডিংসের সত্যতা প্রতিপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নয়?
  1. সত্যতা প্রতিপাদনকারীর স্বাক্ষর
  2. আদালতের সার্টিফিকেশন
  3. সত্যতা প্রতিপাদনের তারিখ ও স্থান
  4. ব্যক্তিগত জ্ঞান ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিপাদিত অনুচ্ছেদগুলির উল্লেখ
সঠিক উত্তর:
আদালতের সার্টিফিকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের সার্টিফিকেশন
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- অনুযায়ী প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে "আদালতের সার্টিফিকেশন" প্রয়োজনীয় নেই। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.
৬,৩০৯.
আদালত কর্তৃক বিক্রয়ের ঘোষণা আদালত প্রাঙ্গনে লটকিয়ে দেওয়ার সর্বনিম্ন কত দিনের মধ্যে দায়িকের অনুমতি ছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান বিক্রয়ের সময় (Time of sale): বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে-  স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৬৮ এর বিধান: বিক্রয়ের সময়। ৪৩ বিধির শর্তে বর্ণিতরূপ সম্পত্তির ক্ষেত্র ব্যতীত নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল সংযুক্ত দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ত্রিশ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে পনের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতিরেকে এ আইনের অধীনে কোন নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
--------
⇒ Order 21 Rule.-68: Time of sale. --Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of moveable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
৬,৩১০.
'Power to award compensation in certain cases' এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১৮ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
SR Act Section-19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
 
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
--------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান: কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
- কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
-যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
 
- ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
৬,৩১১.
বোবা ব্যক্তি আদালতে কীভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. লিখে
  2. ইশারায়
  3. সাক্ষী হিসেবে অযোগ্য হবেন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:

লিখিত সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।

ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য:
বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
৬,৩১২.
দেওয়ানি মামলায় কোনটি রক্ষনীয়?
  1. বিবাদী বাদীর দত্তক নয় মর্মে ঘোষণা
  2. বাদী বিবাদীর দত্তক পুত্র মর্মে ঘোষণা
  3. বাদী বিবাদীর পালক পিতা মর্মে ঘোষণা
  4. উপরের সবগুলো ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦সব গুলা অপশন এর মূলত বিষয়টি হলো আইনগত পরিচয়ের ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের। এই কারণে প্রশ্নে উল্লেখিত সকল ঘোষণামূলক মামলাটি রক্ষণীয়।

♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে । অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree )বলে।

♦আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্ত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
৬,৩১৩.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যায়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, বিদেশে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করা যেতে পারে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশী নাগরিক বা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যিনি বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যেতে পারেন, তার বিরুদ্ধে বিদেশে সংঘটিত কোনো অপরাধে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে যদি সেই অপরাধ বাংলাদেশে দণ্ডনীয় হয় বা যদি অপরাধী বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অবস্থান করে।

- এটি বিদেশে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া বাংলাদেশের আইন অনুসারে পরিচালনার অধিকার প্রদান করে।
৬,৩১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা-তে "আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ" (Summary Dismissal of Appeal) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু:
- আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০ অনুযায়ী দাখিলকৃত আপিলপত্র এবং তার অনুলিপি পর্যালোচনা করার পর যদি মনে করেন যে, আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারেন।
- তবে, ধারা ৪১৯-এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে।
- আদালত চাইলে মামলার নথি তলব করতে পারেন, কিন্তু এটি বাধ্যতামূলক নয়।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারা স্পষ্টভাবে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করার বিধান উল্লেখ করে।
৬,৩১৫.
বেনামি চিঠি বা যোগাযোগের [anonymous communication] মাধ্যমে কোনো অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত রয়েছে?
  1. ৫০৩ ধারায়
  2. ৫০৫ ধারায়
  3. ৫০৭ ধারায়
  4. ৫০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ধারা ৫০৭- অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন:
যে ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয় দ্বারা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে, বা যে ব্যক্তি হুমকি প্রদানের জন্য যার নাম বা অবস্থান গোপন রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাকে দুই বছরের পর্যন্ত যেকোন ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এছাড়া, এই অপরাধের জন্য পূর্ববর্তী ধারায় প্রদত্ত শাস্তিও তাকে প্রদান করা হবে।

Criminal intimidation by an anonymous communication:
Whoever commits the offence of criminal intimidation by an anonymous communication, or having taken precaution to conceal the name or abode of the person from whom the threat comes, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, in addition to the punishment provided for the offence by the last preceding section.

৬,৩১৬.
A রাস্তায় কিছু টাকা পেল। A জানতো না যে কে ঐ টাকার মালিক। প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা না করেই A উক্ত টাকা নিজে খরচ করে ফেললো। A এর উক্ত কাজটি-
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  2. অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
  3. চুরি
  4. লোভ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। 

♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না;
কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

♦ যেহেতু A টাকা নিজ ব্যবহারে পরিণত করেছে, তাই সে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে। তাই সে ৪০৩ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৬,৩১৭.
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রির ক্ষেত্রে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বা ক্রোকের কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩১ এর বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি: ডিক্রিটি কোন সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির জন্য প্রদত্ত হলে, উক্ত অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে এবং যে পক্ষের অনুকূলে রায় দেয়া হয়েছে সেই পক্ষকে অর্পণ করে অথবা ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা উভয় প্রকারেই এটি জারি করা যাবে।
- যেক্ষেত্রে কোন ক্রোক ৬ মাস বলবৎ রয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রি দায়িক যদি ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার যদি ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং উক্ত বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে ডিক্রিদারকে দেওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন।
-------
⇒ Order-21 Rule-31. Decree for specific movable property:
(1) Where the decree is for any specific movable, or for any share in a specific movable, it may be executed by the seizure, if practicable, of the moveable or share, and by the delivery thereof to the party to whom it has been adjudged, or to such person as he appoints to receive delivery on his behalf, or by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment of his property, or by both.

(2) Where any attachment under sub-rule (1) has remained in force for six months, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold, and out of the proceeds the Court may award to the decreeholder, in cases where any amount has been fixed by the decree to be paid as an alternative to delivery of movable property, such amount, and, in other cases, such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.  

(3) Where the judgment-debtor has obeyed the decree and paid all costs of executing the same which he is bound to pay, or where, at the end of six months from the date of the attachment, no application to have the property sold has been made, or, if made, has been refused, the attachment shall cease.
৬,৩১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে দলিলাদি দাখিলের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ২
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ১৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১৪-এ দলিলাদি দাখিলের বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, মামলা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় আদালত মামলার যেকোনো পক্ষকে তাদের আয়ত্তাধীন এবং মামলার বিতর্কিত বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত দলিলাদি শপথমূলে দাখিল করার আদেশ দিতে পারে। আদালত এই দলিলগুলো ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১ বিধি ১৪ দলিলাদি দাখিল —
-কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

- It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]

৬,৩১৯.
বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে নিলে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে যদি-
  1. বিবাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি দেয় 
  2. বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  3. আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
  4. বিবাদীর অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে অথবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবেন না।
⇒ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ কোন মোকদ্দমায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে। কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে কোন একজনকে আদালত মামলাটির দাবী প্রত্যাহারের অনুমতি দিতে পারে- অন্য বাদীদের সম্মতিতে।

⇒ বাদী আদালতের অনুমতি না নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে সে একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না, এবং খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৩ বিধি-২ এর বিধান প্রথম মোকদ্দমা দ্বারা তামাদি আইন প্রভাবিত হয় না:- পূর্ববর্তী বিধির অধীনে আদালতের অনুমতিক্রমে যদি নূতনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করা হয়, তবে প্রথম মোকদ্দমাটি রুজু করা না হলে বাদি তামাদি আইন দ্বারা যেরূপ বাধ্য হত, ঠিক একই পদ্ধতিতে বাধ্য হবে।

⇒ Order 23 Rule.-2: Limitation law not affected by first suit:- In any fresh suit instituted on permission granted under the last preceding rule, the plaintiff shall be bound by the law of limitation in the same manner as if the first suit had not been instituted.
৬,৩২০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে আদালত আক্রমণাত্মক প্রশ্ন করতে নিষিদ্ধ করবে?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত এমন কোনো প্রশ্ন করতে নিষেধ করবে, যা তার দৃষ্টিতে কাউকে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, অথবা যা প্রশ্ন হিসাবে যথাযথ হলেও, তার ভাষা বা উপস্থাপন অপ্রয়োজনীয়ভাবে আক্রমণাত্মক বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৬,৩২১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাবলে একজন স্বাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. ১৫২ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৫৬ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

- The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

যেমনঃ মামলার অভিযোগকারী পক্ষ A -কে সাক্ষী হিসাবে তলব করলো। সাধারণত A অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। কিন্তু A ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযোগকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করলো। এই ক্ষেত্রে A -কে বৈরী সাক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করা যেতে পারে।

- অর্থাৎ The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা বৈরী সাক্ষী সম্পর্কিত বিধান আছে।
৬,৩২২.
দণ্ডবিধি অনুসারে জাল ব্যাংক নোট খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৮৯-খ ধারার বিধান জাল বা মেকি মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট নকল বা মেকি বলে জানা সত্ত্বেও বা উহা তদ্রূপ বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, কোন নকল বা মেকি পত্রমুদ্রা বা ব্যাংক নোট অপর কোন ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করে বা অপর কোন ব্যক্তির নিকট থেকে ক্রয় বা গ্রহণ করে কিংবা অপর কোনোভাবে উহাকে খাটি বলে ব্যবহার করে বা লেনদেন করে, তবে-উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-----------------
Section-489B: Using as genuine a forged document: Whoever sells to, or buys or receives from, any other person, or otherwise traffics in or uses as genuine, any forged or counterfeit currency-note or bank-note, knowing or having reason to believe the same to be forged or counterfeit, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall be liable to fine.
৬,৩২৩.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে
  2. শুধুমাত্র জেলা জজ আদালতে
  3. অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
  4. উল্লিখিত কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায়
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.
৬,৩২৪.
জারিকারক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরে ফৌজদারি সমন কার মাধ্যমে জারী করা হবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. উক্ত এলাকার পুলিশ কমিশনার
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারধীন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৩ ধারার বিধান- স্থানীয় সীমার বাহিরে সমন জারী:
যেক্ষেত্রে কোন আদালত উক্ত আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সমন উক্ত আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার বাইরের কোন স্থানে জারী করতে চান, সেক্ষেত্রে সমনকৃত ব্যক্তি যে ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে থাকে বা বাস করে, উক্ত আদালত সাধারণ অবস্থায় দুই কপি সমন সেই ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাবেন এবং সেখানে উক্ত সমন জারী হবে।

Section: 73: Service of summons outside local limits:
When a Court desires that a summons issued by it shall be served at any place outside the local limits of its jurisdiction, it shall ordinarily send such summons in duplicate to a Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the person summoned resides or is, to be there served.
৬,৩২৫.
'ক' দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়ের সময় ছিল ৬ মাস। 'ক' ১২ মাস পর মামলা দায়ের করেছে। বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. মামলা খারিজ করবে
  4. বিবাদীর আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।
৬,৩২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারে প্রদত্ত _________বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না।
  1. অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  2. অনধিক ৫,০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
  3. অনধিক ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ডের
  4. অনধিক ৫,০০০ টাকা অর্থ দণ্ডের
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেইঃ এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।

- সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
-ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

-ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

-ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414.No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding two hundred Taka only.
৬,৩২৭.
পেনাল কোডে বর্ণিত অপরাধগুলির মধ্যে সর্বনিম্ন সাজা-
  1. ২৪ ঘণ্টার বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা জরিমানা
  2. ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  3. ১ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
  4. ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারায় দণ্ডবিধির সর্বনিম্ন শাস্তি উল্লেখ আছে।

দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510- Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৬,৩২৮.
'A', a police-officer, tortures 'Z' in order to induce 'Z' to confess that he committed a crime. 'A' is guilty of an offence under section ________ of The Penal Code, 1860.
  1. 326
  2. 330
  3. 335
  4. 338
সঠিক উত্তর:
330
উত্তর
সঠিক উত্তর:
330
ব্যাখ্যা
Section 330- Voluntarily causing hurt to extort confession, or to compel restoration of property:
Whoever voluntarily causes hurt, for the purpose of extorting from the sufferer or any person interested in the sufferer, any confession or any information which may lead to the detection of an offence or misconduct, or for the purpose of constraining the sufferer or any person interested in the sufferer to restore or to cause the restoration of any property or valuable security or to satisfy any claim or demand, or to give information which may lead to the restoration of any property or valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
 
Illustrations:
(a) A, a police-officer, tortures Z in order to induce Z to confess that he committed a crime. A is guilty of an offence under this section.
(a) A, a police-officer, tortures B to induce him to point out where certain stolen property is deposited. A is guilty of an offence under this section.
(b) A, a revenue officer, tortures Z in order to compel him to pay certain arrears of revenue due from Z. A is guilty of an offence under this section.
(c) A, a zamindar, tortures a raiyat in order to compel him to pay his rent. A is guilty of an offence under this section.

দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারার বিধান: ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি আদায় বা সম্পত্তি প্রত্যর্পণ করতে বাধ্য করার জন্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি, কোন ব্যক্তির বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণ সম্পর্কে সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কারো নিকট থেকে যে স্বীকারোক্তির বা তথ্যদানের ফলে কোন অপরাধ বা অসদাচরণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে, সে স্বীকারোক্তি বা তথ্য আদায় করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে ব্যক্তিকে বা সে ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি বা জামানত প্রত্যর্পণ করতে বা প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করে দিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, অথবা কোন দাবী পূরণে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা যে তথ্য দানের ফলে কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানত পুনরুদ্ধার হতে পারে সে তথ্যদানে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে উক্ত ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে, তবে উক্ত আঘাতকারী সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(অ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। সে চ-কে কোন অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করার জন্য পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে। 
(আ) ক জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা। কোন জায়গায় অপহৃত দ্রব্য লুকিয়ে রাখা হয়েছে সে তথ্যদানে বাধ্য করার জন্য সে চ-কে পীড়ন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।
৬,৩২৯.
A warehouse-keeper entrusted with goods sells them without the owner's consent. He is liable under ___________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 403
  2. Section 405
  3. Section 407
  4. Section 420
সঠিক উত্তর:
Section 407
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 407
ব্যাখ্যা
Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
৬,৩৩০.
'ক' একজন মুদি দোকানদার। তার দোকানের পাশেই 'খ' এর গুদামঘর আছে। উক্ত গুদামে 'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী
'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।

• ধারা ৫৯ -

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৬,৩৩১.
কোন অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের পরিমাণ বেশি?
  1. স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
  2. অনিষ্ট
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. বেআইনী সমাবেশ
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাকৃত আঘাত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ৩৪১ - অবৈধ বাধাদানের শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি কোন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, তবে সে ব্যক্তি একমাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ধারা ১৪৩ - বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

ধারা ৪২৬ - অনিষ্টের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৬,৩৩২.
পুলিশের নিকট প্রদত্ত কোন বিবৃতি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে তা সাক্ষীর কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. জেরায়
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজবানবন্দি
  4. ক এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
♦১৬১ ধারায় পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর লিপিবদ্ধকৃত বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারায় জেরায় [Cross examination] এবং পুনঃজবানবন্দিতে [re-examination] ব্যবহার করা যেতে পারে। শর্ত হলো ১৬১ ধারায় লিপিবিদ্ধকৃত বক্তব্যটি যথাযথভাবে প্রমাণিত হতে হবে।
৬,৩৩৩.
‘ক’ একটি জমির মালিক। ‘খ’ উক্ত জমির কিছু গাছের মালিক। 'খ' জমির কোন ক্ষতি না করে কিছু গাছ কেটে নেয়। কিন্তু পরে গাছ কাটার কারণে জমির কিছু অংশ ধ্বসে পড়ে। এক্ষেত্রে ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে -
  1. ‘খ’-যেদিন গাছ কাটতে শুরু করেছে সেই দিন থেকে
  2. যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
  3. ‘খ’-যেদিন ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে সেই দিন থেকে
  4. যেদিন আদালতে অভিযোগ দাখিল হয়েছে সেই দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে
ব্যাখ্যা

এই ক্ষেত্রে, ‘ক’ কতৃর্ক ‘খ’- এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে - যেদিন জমি ধ্বসে পড়েছে সেই দিন থেকে।

তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, 
যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।


Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৬,৩৩৪.
যদি ডিক্রি কার্যকর করার সময় দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে সম্পত্তি দখলের ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করা হয়, তাহলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য তাকে কারাগারে রাখতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো দেনাদার বা তার পক্ষ থেকে ডিক্রি কার্যকর করার সময় স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় এবং সেই বাধা ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হয়, তখন আদালত আবেদনকারী ডিক্রিধারীর (বা ক্রেতার) অনুরোধে সেই দেনাদার বা বাধাদানকারী ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেল-এ আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারে। পাশাপাশি, আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে, ডিক্রিধারী বা ক্রেতাকে সম্পত্তির দখল প্রদান করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৪ ধারার বিধান যখন স্থাবর সম্পত্তি দখলের জন্য ডিক্রিদার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত স্থাবর সম্পত্তির ক্রয়কারী, দেনাদার বা তার পক্ষে কোন ব্যক্তির মাধ্যমে সম্পত্তির দখল লাভ করতে বাধা বা প্রতিবন্ধকতা প্রাপ্ত হয়েছে বলে এবং অনুরূপ বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত সৃষ্টি হয়েছিল বলে আদালত সন্তুষ্ট হয় তখন ডিক্রিদার বা ক্রেতার আবেদনক্রমে আদালত দেনাদার বা অন্য ব্যক্তিকে ৩০ দিন অবধি দেওয়ানি জেলে আটক রাখার আদেশ দান দিতে পারে এবং আরো নির্দেশ দান করতে পারে যে, ডিক্রিদার বা ক্রয়কারীকে সম্পত্তির দখল প্রদান করা হোক।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান: স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান: ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সংগত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 74: Resistance to execution:
Where the Court is satisfied that the holder of a decree for the possession of immovable property or that the purchaser of immovable property sold in execution of a decree has been registered or obstructed in obtaining possession of the property by the judgment-debtor or some person on his behalf and that such resistance or obstruction was without any just cause, the Court may, at the instance of the decree-holder or purchaser, order the judgment-debtor or such other person to be detained in the civil prison for a term which may extend to thirty days and may further direct that the decree-holder or purchaser be put into possession of the property.
৬,৩৩৫.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, বিচারকের সাথে অ্যাডভোকেটের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?
  1. বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করা
  2. মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা করা
  3. পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
  4. ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলার সুবিধা আদায়
সঠিক উত্তর:
পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৪ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের উচিত বিচারকের সাথে পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ করা। বিচারকের সাথে গোপন আলোচনা বা ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা উচিত নয়। আদালত এবং বিচারকের মর্যাদা রক্ষায় অ্যাডভোকেটের আচরণ হওয়া উচিত শ্রদ্ধাশীল এবং পেশাদার।

এছাড়া, বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা (ক), মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা (খ), এবং ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলা আদায় (ঘ) — এসব অ্যাডভোকেটের পেশাদারিত্বের পরিপন্থী এবং অনুমোদিত নয়।

4. Marked attention and unusual hospitality on the part of an Advocate to a judge or judicial officer not called for by the personal relations of the parties, subject both the judge and the Advocate to misconstructions of motive and should be avoided. An Advocate should not communicate or argue privately with the judge as to the merits of a pending cause and he deserves rebuke and denunciation for any device or attempt to gain from a judge special consideration or favour. A self-respecting independence in the discharge of professional duty, without denial or diminution of courtesy and respect due to the Judge's station, is the only proper foundation for cordial personal and official relations between the Bench and the Bar.
৬,৩৩৬.
ক ৩০,০০,০০০/- টাকা দিয়ে একটি জমি খরিদ করার পর দলিলে ত্রুটি ধরা পড়ায় দলিল সংশোধনের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ-এর আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে? এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোন আদেশটি আইনগত ভাবে সঠিক?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. মোকদ্দমা স্থানান্তর
  4. আরজি খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। কথিত দলিলের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা হওয়ায় এই মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচার্য। কিন্তু এটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করায় আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে তা উপযুক্ত আদালতে অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করার জন্য ফেরত দিতে হবে। ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা আরজি প্রত্যাখ্যানের সুযোগ নেই। আর মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা শুধু জেলা জজ-এর আছে।
♦The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 
৬,৩৩৭.
কোনো ব্যক্তির একটি জমি যদি দুটি ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে সেই জমির বিরুদ্ধে যেকোনো মামলা -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে
  2. বিবাদীর বাসস্থানের কাছাকাছি আদালতে দায়ের করতে হবে
  3. যে এলাকা বড় সেই এলাকার আদালতে দায়ের করতে হবে
  4. উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত দুটি আদালতের যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

সুতরাং দেখা যাচ্ছে,
স্থাবর সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারাধীন হয়, তাহলে তার সম্পর্কিত মামলা কোনো একটি আদালতে করা যেতে পারে।
৬,৩৩৮.
According to Evidence Act 1872,Evidence may be given of-
  1. any fact
  2. relevant fact
  3. facts in issue
  4. Both B and C
সঠিক উত্তর:
Both B and C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both B and C
ব্যাখ্যা

According to Section 5 of the  Evidence Act 1872,Evidence may be given of-facts in issue and relevant fact.

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২,ধারা ৫: বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে : কোনো দেওয়ানি মামলা বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক ঘটনার এবং এই আইনে অতঃপর যেই সকল ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক বলিয়া গণ্য করা হইয়াছে তাহার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে, এবং ইহা ভিন্ন অন্য কোনো ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
উদাহরণসমূহ:
(ক) খ-এর মৃত্যু ঘটাইবার ইচ্ছা লইয়া লাঠি দ্বারা পিটাইয়া তাহাকে হত্যা করিবার অপরাধে ক অভিযুক্ত হইল।
ক-কর্তৃক খ-কে লাঠি দ্বারা প্রহার;
উক্তরূপ প্রহারের ফলে ক কর্তৃক খ-এর মৃত্যু ঘটানো;
ক কর্তৃক খ-এর মৃত্যু ঘটাইবার ইচ্ছা।
(খ) দেওয়ানি মামলার বাদী যে মুচলেকার উপর নির্ভর করে, তাহা সে সঙ্গে লইয়া আসে নাই, তবে মামলার প্রথম শুনানিতে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য তাহার নিকট প্রস্তুতি রাখিয়াছে। উহা উপস্থাপন করা সম্পর্কে দেওয়ানি কার্যবিধিতে যেইরূপ বিধান আছে, তাহা ভিন্ন অন্য কোনো পন্থায় সেই মামলার পরবর্তী কোনো পর্যায়ে উক্ত মুচলেকা উপস্থাপন বা উহাতে উল্লিখিত বিষয় প্রমাণ করিতে পারিবে না।
------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 5,Evidence may be given of facts in issue and relevant fact: Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
Illustrations
(a) A is tried for the murder of B by beating him with a club with the intention of causing his death.
At A's trial the following facts are in issue:-
A's beating B with the club;
A's causing B's death by such beating;
A's intention to cause B's death.
(b) A suitor does not bring with him, and have in readiness for production at the first hearing of the case, a bond on which he relies. This section does not enable him to produce the bond or prove its contents at a subsequent stage of the proceedings, otherwise than in accordance with the conditions prescribed by the Code of Civil Procedure.

৬,৩৩৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় আদালত কাকে ক্ষতিপূরণের সুবিধা প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. ৩য় পক্ষকে
  4. ক ও খ উভয়পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারা- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন। এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যাঃ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।

⇒ এই ধারা অনুসারে,
যখন একটি চুক্তিভঙ্গের ঘটনায় বাদী সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের দাবি আদায় করেন এবং আদালত তা মঞ্জুর করে, তখন আদালতের বিবেচনায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে। এক্ষেত্রে আদালত নিজস্ব বিচারবুদ্ধি অনুযায়ী যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে পারবে।
এই নিয়মটির প্রধান উদ্দেশ্য হল চুক্তিবদ্ধ পক্ষকে চুক্তিভঙ্গের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তার প্রতিকার দেওয়া। কারণ কেবল সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দিলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি অনুসন্ধিত থাকবে। তাই আদালত উভয় দাবিই বিবেচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেবে।
৬,৩৪০.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ১৬৯ ধারা
  2. ১৭০ ধারা
  3. ১৭১ ধারা
  4. ১৭২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,৩৪১.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে তার নিজস্ব কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২১
  3. ধারা ১১৮
  4. ধারা ১২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২১
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২১ ধারা অনুযায়ী, জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে তাদের নিজস্ব বিচারিক কার্য সম্পর্কে বা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে জানা কোনো তথ্য সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যায় না, যদি না আদালতের বিশেষ আদেশ থাকে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২১ ধারার বিধান: জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ [Judges and Magistrates]:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেট যোগ্য সাক্ষী এবং তারা ইচ্ছা করলে সাক্ষ্য দিতে পারে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট এবং জজ হিসাবে সম্পাদন করেছে এমন কোন কার্যসম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে তাদের বাধ্য করা যাবে না। কারণ ১২১ ধারায় জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ১২১ ধারা অনুযায়ী জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে আদালতের অধীন, সেই আদালতের বিশেষ আদেশ ব্যতীত নিম্নলিখিত ২টি বিষয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে তাকে বাধ্য করা যাবে নাঃ
১. জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে উক্ত আদালতে তার নিজস্ব কোনো কার্য সম্পর্কে; বা
২. যে কোনো কিছু যা বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে সে আদালতে জানতে পারে।

⇒ যে ক্ষেত্রে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যায়:
জজ এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে আদালতে তার নিজস্ব কার্য ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যেতে পারে বা উক্ত পদের কর্তব্য পালনের সময় যে সব ঘটনা তার উপস্থিতিতে ঘটেছে, সেই গুলি সম্পর্কে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন আদালতে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে খুন সংঘটিত হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত খুন সম্পর্কে যেকোন প্রশ্নের উত্তর দিতে উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধ্য করা যেতে পারে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-121. Judges and Magistrates:
No Judge or Magistrate shall, except upon the special order of some Court to which he is subordinate, be compelled to answer any questions as to his own conduct in Court as such Judge and Magistrate, or as to anything which came to his knowledge in Court as such Judge or Magistrate: but he may be examined as to other matters which occurred in his presence whilst he was so acting.

Illustrations:
(a) A, on his trial before the Court of Session, says that a deposition was improperly taken by B, the Magistrate. B cannot be compelled to answer questions as to this, except upon the special order of a superior Court.
(b) A is accused before the Court of Session of having given false evidence before B, a Magistrate. B cannot be asked what A said, except upon the special order of the superior Court.
(c) A is accused before the Court of Session of attempting to murder a police-officer whilst on his trail before B, a Sessions Judge. B may be examined as to what occurred.

৬,৩৪২.
তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুসারে, কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে ___________________।
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে
  3. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  4. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৬,৩৪৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে 'Adulteration of drugs' অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ২৭৪ - ওষুধের ভেজাল [Adulteration of drugs]:
যে ব্যক্তি কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা প্রস্তুতিকে এমনভাবে ভেজাল দেয়, যাতে সেই ওষুধ বা চিকিৎসা প্রস্তুতির কার্যকারিতা কমে যায় অথবা তার কার্যক্রম পরিবর্তিত হয়, বা এটি ক্ষতিকর হয়, এবং যদি তার উদ্দেশ্য থাকে যে এটি বিক্রি বা ব্যবহার করা হবে অথবা জানে যে এটি বিক্রি বা ব্যবহার করা হবে, এমনভাবে যে এটি মনে হবে যে এটি ভেজাল মুক্ত, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেয়া হবে।

[Whoever adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medicinal purpose, as if it had not undergone such adulteration, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৬,৩৪৪.
The Evidence Act 1872 এর ১৩৭ ধারা অনুযায়ী কোনটি প্রথমে হয়?
  1. জেরা
  2. পূনঃ জবানবন্দী
  3. জবানবন্দী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দী
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৩৭ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দী, জেরা, পূনঃ জবানবন্দী এই ক্রম অনুসারে হয়।
- যে পক্ষ সাক্ষী হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে তখন তা জবানবন্দী হিসেবে গণ্য হয়, বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তা জেরা হিসেবে গণ্য হয়।
- কোন সাক্ষীকে জেরা করার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যখন নিজের সাক্ষীকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করে তখন তা পূনঃ জবানবন্দী হিসেবে গণ্য হয়।
৬,৩৪৫.
'ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়'- এই সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার ব্যাখ্যায় দেওয়া আছে?
  1. ৫০ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৪ ধারায়
  4. ৫৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৫: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে চরিত্রের প্রাসঙ্গিকতা:
দেওয়ানি মামলায়, কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন হতে পারে যা তার প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণকে প্রভাবিত করতে পারে, এবং এ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যা: ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪ ও ৫৫-এ "চরিত্র" বলতে খ্যাতি (reputation) ও স্বভাব (disposition) উভয়কেই বোঝায়। তবে, ৫৪ ধারায় নির্দিষ্ট যে ব্যতিক্রম রয়েছে তা ছাড়া, শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতি ও সাধারণ স্বভাব সম্পর্কিত সাক্ষ্য দেওয়া যাবে, বিশেষ কোনো কার্য বা আচরণের মাধ্যমে প্রমাণিত খ্যাতি বা স্বভাবের সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
৬,৩৪৬.
Which of the following is the examination of a witness by the adverse party?
  1. Cross-examination
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Preliminary examination
সঠিক উত্তর:
Cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross-examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
→ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
⇒জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
→ পুন: জবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
-------------------------
The Evidence Act, 1872 section 137:
→ Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
→ Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
→ Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৬,৩৪৭.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষণের অপরাধ তদন্ত করার ক্ষেত্রে-
  1. আদালত কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
  2. পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না
  3. পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর তদন্ত করতে পারবে
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক আদেশপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তি তদন্ত করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৬,৩৪৮.
বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি ________ বছর।
  1. ১২
  2. ২০
  3. ৩০
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাদী সরকার হলে সম্পত্তি দখল উদ্ধারের মামলা করার তামাদি মেয়াদ ৬০ বছর
৬,৩৪৯.
হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৬২ এর বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়ের পুনরীক্ষণের [Review] জন্য দরখাস্ত তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশের তারিখ হতে ২০ দিন।
৬,৩৫০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, কোনো পিতা-মাতা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগের উদ্দেশ্যে ফেলে রেখে যায়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ অনুসারে, যদি কোনো পিতা-মাতা বা কোনো ব্যক্তি যার কাছে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুর দায়িত্ব রয়েছে, সে শিশুটিকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে কোনো স্থানে রেখে আসে বা প্রকাশ্যে ফেলে যায়, তবে অপরাধীটি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। এছাড়াও তাকে জরিমানাও দেওয়া হতে পারে।

এই ধারাটির উদ্দেশ্য হল নিষ্পাপ শিশুদের পরিত্যাগ ও অবহেলার হাত থেকে রক্ষা করা। তবে উল্লেখ্য, যদি এই পরিত্যাগের ফলে শিশুটির মৃত্যু ঘটে, তবে অপরাধীকে খুন (Murder) বা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide) এর মামলায়ও বিচার করা যেতে পারে (ধারা ৩১৭ এর Explanation অনুযায়ী)।
 ⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা : যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা - অর্থদণ্ড, অথবা - উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒The Penal Code, 1860-Section 317. Exposure and abandonment of child under twelve years by parent or person having care of it.
Whoever being the father or mother of a child under the age of twelve years, or having the care of such child, shall expose or leave such child in any place with the intention of wholly abandoning such child, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both. 
 
Explanation: This section is not intended to prevent the trial of the offender for murder or culpable homicide, as the case may be, if the child die in consequence of the exposure.

৬,৩৫১.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে ৩০৭ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বৎসর কারাদণ্ড
  4. ৭ বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
---------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section- 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
-Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৬,৩৫২.
'ক' একজন ১৪ বছরের কিশোর। চুরি করতে গিয়ে 'ক' ধরা পড়ে এবং আদালত তাকে দণ্ডাদেশ দেয়। এক্ষেত্রে 'ক' কে আদালত-
  1. ফৌজদারি কারাগারে বন্দি করার আদেশ দিবেন
  2. তার এলাকার কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  3. সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. দণ্ডাদেশ এর বদলে জরিমানার আদেশ দিবেন
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৯৯: 

কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।


Section 399- Confinement of youthful offenders in reformatories

(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৬,৩৫৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, মধ্যস্থতার আদেশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয়কে আদালতকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়ে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারি করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারি করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৬,৩৫৪.
‘ক’ দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারার অধীন গুরুতর আঘাত করার অপরাধে অভিযুক্ত হলো। 'ক' আদালতে প্রমাণ করলো যে, সে মারাত্মক ও আকস্মিক উস্কানিতে উক্ত আঘাত করেছিল। এক্ষেত্রে তাকে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দণ্ডিত করা যেতে পারে?
  1. ৩৩৪ ধারা 
  2. ৩৩৫ ধারা
  3. ৩৩৬ ধারা
  4. উত্তেজনাবশত হওয়ায় তাকে দণ্ডিত করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
৩৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ৩৩৫ ধারা। 

দণ্ডবিধির
ধারা ৩৩৫: উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় দেওয়া গুরুতর আঘাত-
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করবে, যদি সে এই আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে বা তার জানা না থাকে যে, সে অন্য কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করতে পারে, যিনি উসকানি দিয়েছেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ চার বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

৬,৩৫৫.
The Penal Code, 1860 এর ৫১১ ধারায় কোন ধরনের অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা দেয়া হয়?
  1. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  3. কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:

কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থদণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।

Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both. 
 
Illustration
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 

(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.
৬,৩৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ না থাকে, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কী হবে?
  1. তাকে জরিমানা করা হবে
  2. তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হবে
  4. তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released."
- অর্থাৎ, যদি কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কাউকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে তদন্তে দেখা যায় যে তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটনের যথেষ্ট কারণ নেই, তবে পুলিশ সেই ব্যক্তিকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station.
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him.
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
৬,৩৫৭.
প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে-
  1. ০৩ বছরের মধ্যে
  2. ০৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
♦প্রাথমিক ডিক্রি প্রাপ্তির পর কোন পক্ষ চূড়ান্ত ডিক্রির জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে- যে কোন সময়।
৬,৩৫৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
- রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে । কিন্তু ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে যুগ্ম দায়রা জজের  রিভিশনের ক্ষমতা নেই। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  
- রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
- অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
৬,৩৫৯.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব কার?
  1. ফরিয়াদির
  2. পুলিশের
  3. সাক্ষীর
  4. আসামির
সঠিক উত্তর:
আসামির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির
ব্যাখ্যা
যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তখন সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে অপরাধের সময় অন্য কোথাও উপস্থিত ছিল এবং সুতরাং অপরাধে জড়িত থাকতে পারে না। 'Plea of alibi' হল একটি আইনগত জবাব, যা কোনো অপরাধীকে নিজেকে দোষমুক্ত প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হল "অন্যত্র উপস্থিতি"। এটি হল একটি বিশেষ প্রকৃতির অপরাধমুক্তির প্রমাণ যেখানে প্রসিকিউটরদের দাবিকৃত অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণিত হয়। সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১ অনুসারে, অপরাধের স্থান ও সময়ে অপরাধীর অনুপস্থিতি প্রমাণ করা হলে, তা ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কাউকে খুনের অভিযোগ আনা হয়, তাহলে সে Plea of alibi দিয়ে দাবি করতে পারে যে সে খুনের সময় অন্য কোথাও ছিল এবং তার অনুপস্থিতির প্রমাণ দেখাতে পারে। এটি তাকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ, অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৬,৩৬০.
প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
  1. সরকারি কর্মকর্তার নিকট
  2. আইনজীবীর নিকট
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট
  4. আদালতের নিকট
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

♦ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।
৬,৩৬১.
ক ও খ আনন্দ করার জন্য পরস্পর অসি খেলার জন্য একমত হয়। অসি খেলা চলাকালে ক এর কারনে খ আঘাত পায় এবং খ এর পা ভেঙ্গে যায়। ক এর অপরাধ?
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. গুরুতর জখমের চেষ্টা
  3. গুরুতর জখম
  4. সাধারণ জখম
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা ৮৭ এর উদাহরণ অনুযায়ী- মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর এতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
৬,৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকরতার জন্য মোকদ্দমা করেন এবং চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর না হয়, তাহলে বাদী কি করতে পারেন?
  1. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারেন
  2. চুক্তির পুনঃনিরীক্ষণ করতে পারেন
  3. চুক্তির মূল্য বৃদ্ধি করার দাবি করতে পারেন
  4. চুক্তি রদ করার আবেদন করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার আবেদন করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ করার আবেদন করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৬,৩৬৩.
আপোষ মূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার পাওয়া যায়-
  1. আপীলে
  2. রিভিউ-এ।
  3. রিভিশনে
  4. রেফারেন্সে
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশনে
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, আদালত পক্ষদ্বয়ের সম্মতিতে আপোষমূলক বা সোলে ডিক্রি [Compromise Decree] দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
♦ অন্যদিকে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে মূল মোকদ্দমায় বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না, সেই সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়। যেহেতু আপোষমূলক ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করা যায় না তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারায় রিভিশন দায়ের করা যায় ।
৬,৩৬৪.
দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. ঘটনার প্রশ্ন
  4. অধিকারের প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
• আদালতে বিচারাধীন প্রত্যেকটি মামলা বিচারকালে দু’ধরনের প্রশ্ন জড়িত থাকে। এগুলি হচ্ছে আইনগত প্রশ্ন ও তথ্যঘটিত প্রশ্ন। যে সকল বিষয় এককভাবে আইন দ্বারা নির্ধারণ করা যায় সেগুলিকে আইনগত প্রশ্ন বলে এবং যে সকল বিষয় ঘটনা বা তথ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সেগুলিকে তথ্যগত প্রশ্ন বলা হয়।

কোনো ঘটনা নিরঙ্কুশ আইনের সংজ্ঞাধীন হলে তা আইনের প্রশ্ন বলে বিবেচিত হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন, দরখাস্ত, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে পরেও আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে/যুক্তিসংগত কারণ দেখাতে পারলে যাওয়ার তা গৃহীত হতে পারে। এই গৃহীত হওয়ার বিষয়টি হলো ঘটনার প্রশ্ন (ধারা ৫)।

তামাদি আইনের ধারা-৩ এ বলা হয়েছে তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপীল বা আবেদন রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হয়, তাহলে বিবাদী পক্ষ তামাদির প্রশ্ন উপস্থাপন না করলেও উক্ত মোকদ্দমা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ মর্মে পরিগণিত হবে। এই খারিজ হওয়ার বিষয়টি হলো আইনগত প্রশ্ন।

তাই বলা হয়, দেওয়ানী মামলায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৬,৩৬৫.
'অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।'- দণ্ডবিধির কোন ধারার সাথে উক্ত বিধান সাদৃশ্যপূর্ণ?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৮
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮: অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কার্য সংঘটনে নিয়োজিত কিংবা জড়িত হন, সেক্ষেত্রে তারা উক্ত কাজের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন।

উদাহরণ:
‘ক’ এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ‘চ’ কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমনে ‘চ’ নিহত হইলে তাহা শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশ হইবে, যাহা খুন বলিয়া গণ্য হইবে না।

'চ' এর প্রতি 'খ' এর বিদ্বেষ থাকায় এবং 'চ' কে হত্যা করিবার জন্য 'খ' এর অভিপ্রায় থাকায়, 'খ' বিনা প্ররোচনায় 'চ' কে হত্যার কার্যে 'ক' কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে 'ক' ও 'খ' উভয়েই 'চ' কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, 'খ' খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে কারন অভিপ্রয় ছিল এবং 'ক' কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৬,৩৬৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে কোন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আপীলের
  2. রিভিশনের
  3. মামলা স্থানান্তর করার
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
মামলা স্থানান্তর করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা স্থানান্তর করার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কে মামলা স্থানান্তর এর ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা স্থানান্তর করতে পারবেন বা স্বয়ং এর বিচার করতে পারবেন (High Cour Division may transfer case or itself try it)

♦ হাইকোর্ট কোন মামলা বা আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন ফৌজদারী স্বয়ং হাইকোর্ট বা দায়রা আদালতে হস্থান্তর বা প্রেরণের নির্দেশ দিতে পারে।[ধারা- ৫২৬(১)]

♦ নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ এরূপ আদেশ দিতে পারে; যথা-

১) ন্যায়সংগত ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান বা বিচার পাওয়া যাবে না, অথবা
২) কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা আছে, অথবা
৩) যে স্থানে বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। 
৪) পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগণের সাধারণভাবে সুবিধা হবে।
৫) ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে [ধারা- ৫২৬(১)]
৬,৩৬৭.
তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য কত বছর উক্ত সম্পত্তি বাধা-বিপত্তীহীন ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী, বেসরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জনের জন্য ২০ বছর সম্পত্তির মাঝে বাধা-বিপত্তীহীন ও  শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করতে।
- তবে সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সসীমা ৬০ বছর।


⇒ ধারা-২৬। সুখাধিকারসমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
উপধারা-(১) যেক্ষেত্রে কোনো দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হয়েছে এবং যেইক্ষেত্রে কোনো পথ বা জলস্রোত অথবা কোনো পানির ব্যবহার অথবা অন্য যেই কোনো সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাহাই হোক না কেন) কোনো ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করেছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোনো সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে। যদি কোনো মামলায় উক্তরূপ কোনো অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বছর বলতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহতি পূর্ববর্তী দুই বছরের মধ্যে সমাপ্ত বছর বুঝাবে।
উপধারা-(২) যেই সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তা যদি সরকারের সম্পত্তি হয়, তবে উক্ত উপধারায় 'বিশ বছর' কথাগুলির স্থলে 'ষাট বছর' কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোনো কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোনো লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগ প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বড় অতিবাহিত হয়।
---------------------
⇒ The Limitation Act 1908, Section 26, Acquisition of Ownership By Possession:(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years,
and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years,
the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words "twenty years" the words "sixty years" were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
Illustrations:
(a) A suit is brought in 1911 for obstructing a right of way. The defendant admits the obstruction, but denies the right of way. The plaintiff proves that the right was peaceably and openly enjoyed by him, claiming title thereto as an easement and as of right, without interruption from 1st January, 1890 to 1st January, 1910. The plaintiff is entitled to judgment.
(b) In a like suit the plaintiff shows that the right was peaceably and openly enjoyed by him for twenty years. The defendant proves that the plaintiff, on one occasion during the twenty years, had asked his leave to enjoy the right. The suit shall be dismissed.

৬,৩৬৮.
সহায়ক হিসেবে কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ডায়েরি তলব করা যায়?
  1. আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানে
  2. আদালত কর্তৃক তদন্তে
  3. আদালত কর্তৃক বিচারের ক্ষেত্রে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা গ
ব্যাখ্যা
•  পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী । ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

• পুলিশ ডায়েরীতে পুলিশ যে সকল বিষয় লিপিবদ্ধ করে [ধারা ১৭২(১)]:

ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭২ ধারায় বলা হয়েছে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবে এবং কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন,কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

• কখন কিভাবে পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার করা হয়? [ধারা ১৭২(২)]

যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• এখানে উল্লেখ্য যে, আসামী বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
৬,৩৬৯.
একজন পরিবহনকারী (carrier) তার কাছে গ্রাহকের জমা দেওয়া মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করলে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒  পরিবহনকারী (carrier), গুদামদার (warehouse-keeper) বা ঘাটের মালিক (wharfinger) হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি তার কাছে জমা দেওয়া মালামাল/সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করে, তবে তা দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এর অধীন বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ (Criminal breach of trust by carrier, etc.) হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং, পরিবহনকারীর এই কাজের জন্য দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এ মামলা দায়ের করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

⇒ The Penal Code- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৬,৩৭০.
বিবাদী কত দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

৬,৩৭১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতা (discretion) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুঁত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপিল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদির উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
ii. বিবাদির প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.

৬,৩৭২.
বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভূক্তির ফি কত?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ১৫০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬৮: অ্যাডভোকেটদের প্রদেয় ফি:

একজন অ্যাডভোকেটকে নিচের ফি প্রদান করতে হবে:
(ক) এন্ট্রোলমেন্ট ফি: ১,৫০০.০০ টাকা।
(খ) বার্ষিক ফি: ২০০.০০ টাকা, যা এন্ট্রোলমেন্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রথম বছর বা আংশিক বছরের জন্য প্রদান করতে হবে, পরবর্তীতে প্রতি বছরের ফি আগের বছরের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।

শর্ত: যদি কোনো অ্যাডভোকেট নির্ধারিত সময় (৩১ ডিসেম্বর) এর মধ্যে বার্ষিক ফি দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি বিনা বিলম্ব ফি-তে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ফি প্রদান করতে পারবেন (Rule 69 অনুযায়ী)।
আরও শর্ত: যদি পরবর্তী ধারায় বর্ণিত হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য ফি প্রদান করা হয়ে থাকে, তাহলে বার্ষিক ফি আর দিতে হবে না।

(গ) হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের জন্য অনুমতির ফি: ৫,০০০.০০ টাকা (যা Article 21 অনুযায়ী প্রযোজ্য)

সনদ ও রসিদ প্রদান:
অ্যাডভোকেট হিসেবে যে কেউ নিম্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের সামনে প্র্যাকটিসের জন্য এন্ট্রোলমেন্ট করলে তাকে Form B অনুযায়ী একটি সনদপত্র দেওয়া হবে।
যেসব অ্যাডভোকেট হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান, তাদেরকে Form D অনুযায়ী সনদ দেওয়া হবে।
বার্ষিক ফি বা অন্য কোনো ফি প্রদান করলে Form C অনুযায়ী রসিদ প্রদান করা হবে।
৬,৩৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কী করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. মৃত্যুর কারণ গোপন রাখতে
  2. মৃতদেহ দাফন করতে বাধা দিতে
  3. পুলিশের তদন্ত বাতিল করতে
  4. সমাধি থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করতে
সঠিক উত্তর:
সমাধি থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাধি থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৬(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "যখন এইরূপ কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিবেচনায় কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ আবিষ্কারের জন্য ইতিমধ্যে দাফনকৃত মৃতদেহ পরীক্ষা করা প্রয়োজনীয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত দেহ সমাধি থেকে উত্তোলন (disinter) ও পরীক্ষা করার আদেশ দিতে পারবেন।"
- সুতরাং, মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেট দাফনকৃত মৃতদেহ উত্তোলনের (exhume) আইনগত ক্ষমতা রাখেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকোয়ারি:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
(2) Power to disinter corpses: Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.

৬,৩৭৪.
কোন অপরাধ সংঘটনে সহায়তা [Abetment of an offence] করা
  1. সর্বদা একটি অপরাধ
  2. প্রেক্ষাপটের উপর ভিত্তি করে অপরাধ হতে পারে কিন্তু সর্বদা অপরাধ না
  3. কোন অপরাধ না
  4. প্ররোচিত অপরাধটি সংঘটিত হলে শুধুমাত্র তখন অপরাধ হবে
সঠিক উত্তর:
সর্বদা একটি অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বদা একটি অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে, তা সংঘটিত হোক বা না হোক, প্ররোচনা [Abetment] প্রমাণিত হলে, সেটা একটি অপরাধ হবে এবং দুষ্কর্মের সহয়তাকারী দোষী হয়।
৬,৩৭৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রজোয্য হবে না?
  1. Complaint এর মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  2. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. FIR এর মাধ্যমে থানায় মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে ফৌজদারী আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আর্পিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।
৬,৩৭৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে চুরি হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী দান করল
  2. কেউ রাস্তায় পড়ে থাকা রিং তুলে নিল
  3. বই ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্ধুর লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিল
  4. কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল
সঠিক উত্তর:
কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য তিনটি মূল উপাদান থাকতে হয়:
অস্থাবর সম্পত্তি (movable property) হতে হবে,
তা কারো দখলে থাকতে হবে,
এবং সেই দখলদারের সম্মতি ব্যতীত অসাধুভাবে গ্রহণ বা স্থানান্তর করতে হবে।

এখন অপশনগুলো বিশ্লেষণ করি:
ক) স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী দান করল:
→ এটি চুরি নয়। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান করার ক্ষেত্রে যদি স্ত্রী বিশ্বাস করে যে তিনি অনুমতিসম্পন্ন, তবে এটি চুরি হবে না। এখানে dishonest intention বা অসাধু মনোভাব স্পষ্ট নয়।

খ) কেউ রাস্তায় পড়ে থাকা রিং তুলে নিল:
→ এটা চুরি নয় কারণ রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু কারো দখলে নেই। তবে যদি ব্যক্তি তা আত্মসাৎ করে নেয়, তাহলে criminal misappropriation হতে পারে।

গ) বই ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্ধুর লাইব্রেরি থেকে বই ধার নিল:
→ এখানে যদি ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে বন্ধুর পরোক্ষ সম্মতি রয়েছে, তাহলে এটা চুরি নয়। Explanation 5 অনুযায়ী, পরোক্ষ সম্মতির ভিত্তিতে তা বৈধ হতে পারে।

ঘ) কেউ গাছ কেটে মালিকের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে গেল:
→ এখানেই চুরি হয়েছে।
Explanation 1 ও 2 অনুসারে, গাছ যতক্ষণ মাটির সাথে যুক্ত থাকে ততক্ষণ তা চুরির বস্তু নয়। কিন্তু যখনই তা কেটে মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং dishonestly নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তা চুরি হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৬,৩৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার আদেশে ম্যাজিস্ট্রেট কোন বিষয়টি বিবেচনা করেন না?
  1. শান্তি রক্ষা
  2. প্রকৃত দখলকারী
  3. মালিকানা নির্ধারণ
  4. দখলের বৈধতা
সঠিক উত্তর:
মালিকানা নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিকানা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা-
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace-
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute. 
৬,৩৭৮.
কোন রাষ্ট্র বা সার্বভৌম শক্তির কর্তৃত্ববলে সীলমোহরকৃত ও ইস্যুকৃত ধাতু, যাহা অর্থ হিসাবে ব্যবহৃত-তাহাকে বলা হয়-
  1. বাংলাদেশী মুদ্রা (Bangladesh coin)
  2. মুদ্রা (Coin)
  3. টাকা
  4. বাংলাদেশী নোট
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা (Coin)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা (Coin)
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

---------------------
♦ “Coin” defined Bangladesh coin:
- Section 230. Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations 
 
(a) Cowries are not coin. 
 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৬,৩৭৯.
‘Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended’ – বিষয়টি সম্পর্কে দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩০০
  2. ধারা ৩০১
  3. ধারা ৩০৪
  4. ধারা ২৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০১
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৩০১।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারা-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একজনের মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে কিন্তু ভুলবশত অন্য কারো মৃত্যু ঘটায়, তাহলে অপরাধীকে সেই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানোর মতোই শাস্তি দেওয়া হবে যার মৃত্যু ঘটানোর ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য ছিল।
- এই ধারাটি 'Doctrine of Transfer of Malice' বা 'দুষ্ট অভিপ্রায়ের হস্তান্তর' নীতিকে প্রতিষ্ঠা করে। অর্থাৎ, অপরাধীর দুষ্ট অভিপ্রায় আসল লক্ষ্য থেকে ভুল লক্ষ্যে স্থানান্তরিত হলেও অপরাধের দায় একই থাকে।

উদাহরণ: যদি কেউ 'ক' কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে কিন্তু 'খ' মারা যায়, তাহলে অপরাধীকে 'ক' কে হত্যার চেষ্টার মতোই শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৬,৩৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী ১৫ বছরের কম বয়সী আসামির অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ছাড়া) বিচার করতে পারেন-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপরোক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী হন এবং তার অপরাধটি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে তার বিচার করতে পারেন:
১) চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM)
২) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM)
৩) অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
- তাই সঠিক উত্তর ঘ)উপরোক্ত সবাই । 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ অনুসারে, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ (যদি তা মৃত্যুদণ্ড বা আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৯খ (Section 29B, CrPC) অনুযায়ী বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আদালতে হাজির হওয়ার সময় ১৫ বছরের কম বয়সী, এবং তিনি যদি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তার বিচার করতে পারেন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM), চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM), অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি শিশু অপরাধ সংক্রান্ত আইনের অধীনে বিচার করার ক্ষমতা রাখেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 29B. Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate] or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law] providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.

৬,৩৮১.
এস্টোপেলের বা Estoppel নীতি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ১১০
  2. ১১১
  3. ১১৫
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
এস্টোপেল বিষয়ে ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরস্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি

সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।
৬,৩৮২.
'ক'-এর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলে ২০,০০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। উহা কোন আদালতে বিচার্য?
  1. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. গ্রাম্য আদালত
সঠিক উত্তর:
গ্রাম্য আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাম্য আদালত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। 

গ্রাম আদালত গঠন- 
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট পাঁচজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হয়। তবে প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হয়।

এখতিয়ার-
গ্রাম আদালত ‘গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬’ এর তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে।
১। দন্ডবিধির ধারা ৩২৩ বা ৪২৬ বা ৪৪৭ মোতাবেক কোন অপরাধ সংঘটন করা, বে-আইনী জনসমাবেশ সাধারন উদ্দেশ্যে হইলে এবং উক্ত বে - আইনী জনসমাবেশে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা দশের অধিক না হইলে দন্ডবিধির ১৪৩ ও ১৪৭ ধারা, ১৪১ ধারা এর তৃতীয় বা চতুর্থ দফার সহিত পঠিতব্য;
২। দন্ডবিধির ধারা ১৬০, ৩৩৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮, ৫০৪, ৫০৬ (প্রথম অংশ) ৫০৮, ৫০৯ এবং ৫১০;
৩। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাধিপশু সংক্রান্ত হয় এবং গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৪। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাদিপশু ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি সংক্রান্ত হয় এবং উক্ত সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৫। দন্ডবিধির ধারা ৪০৩, ৪০৬, ৪১৭ ও ৪২০ যখন অপরাধ সংশ্লিষ্টি অর্থের পরিমান অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৬। দন্ডবিধির ধারা ৪২৭, যখন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৭। দন্ডবিধির ধারা  ৪২৮ ও ৪২৯ যখন গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৮। Cattle-Trespass Act, 1871 (Act I of 1871) এর  section 24, 26, 27;
৯। উপরিউক্ত যে কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা উহা সংঘটনের সহায়তা প্রদান।

প্রশ্নে উল্লিখিত মামলা দন্ডবিধির ধারা ৪১৭ এর অধীন এবং মূল্যমান ২০,০০০ টাকা হওয়ায়, উক্ত মামলা গ্রাম্য আদালতে বিচার্য।
৬,৩৮৩.
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করার তামাদির মেয়াদ কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৬
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৯
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৮
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮

বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বৎসর
৬,৩৮৪.
'ক' মৃত্যু হবে জেনেও 'খ' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন কিন্তু ঐ গুলিতে 'গ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছেন?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০২
সঠিক উত্তর:
৩০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

⇒ অর্থাৎ 'ক' মৃত্যু হবে জেনেও 'খ' এর মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে গুলি ছোঁড়েন কিন্তু ঐ গুলিতে 'গ' এর মৃত্যু হয়। 'ক' এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার অধীনে খুনের অপরাধ করেছেন।
---------------
⇒ Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:-
- If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৬,৩৮৫.
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার অধীনে নিম্নের কোনটি শাস্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. নির্বাসন
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
সঠিক উত্তর:
নির্বাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাসন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার অধীনে নির্বাসন (Exile) শাস্তির অন্তর্ভুক্ত নয়।

দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৬,৩৮৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস অনুসারে জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের প্রতি সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. কেবলমাত্র নির্দেশমূলক
  2. ব্যক্তিগত সমালোচনামূলক
  3. সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
  4. উদাসীন এবং প্রতিযোগিতামূলক
সঠিক উত্তর:
সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ১-এর ধারা ১০-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Junior and younger members should always be respectful to senior and older members. The latter are expected to be not only courteous but also helpful to their junior and younger brethren at the Bar."
(জুনিয়র ও কম বয়সী সদস্যদের সর্বদা সিনিয়র ও বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। সিনিয়রদের কাছ থেকে আশা করা হয় যে তারা শুধুমাত্র শিষ্টাচারপূর্ণই নন, বরং বারেতে তাদের জুনিয়র ও কম বয়সী সহকর্মীদের প্রতি সহায়তামূলকও হবেন।)

⇒এই ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের দায়িত্ব হলো:
- জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের সাথে সৌজন্যপূর্ণ (courteous) আচরণ করা।
- তাদের পেশাগত বিকাশে সহায়ক (helpful) ভূমিকা পালন করা।
- জুনিয়রদেরকে নির্দেশনা, পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে উৎসাহিত করা।
সুতরাং, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক আচরণই ক্যাননসসম্মত।

৬,৩৮৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২-এর অধীনে বিচারযোগ্য ব্যক্তি হতে পারেন:
  1. শুধুমাত্র বাংলাদেশি নাগরিক
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা
  3. শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিক
  4. বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশি এবং বিদেশি নাগরিক উভয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভিতরে সংঘটিত অপরাধসমূহের শাস্তি (ধারা ২):
দণ্ডবিধির ২ ধারায় দণ্ডবিধির Intraterritorial Application বা রাষ্ট্রের ভিতরে প্রয়োগ এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ২ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ভিতরে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত যেকোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের আছে।

২ ধারা অনুযায়ী,
বাংলাদেশের ভিতরে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক বা অন্য যে কোন দেশের নাগরিক হোক না কেন, সে যদি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত কোন অপরাধ করে, তাহলে তার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে এবং তার বিচার ও শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে।

Section 2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.
৬,৩৮৮.
To be liable under Section 143, a person must-
  1. Use force in the assembly
  2. Commit an offence during the assembly
  3. Be a member of an unlawful assembly
  4. Organize the unlawful assembly
সঠিক উত্তর:
Be a member of an unlawful assembly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Be a member of an unlawful assembly
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. Be a member of an unlawful assembly

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে শাস্তিযোগ্য হতে হলে তার অপরাধটি শুধু একটি—সে যেন বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:
- ব্যক্তিকে বলপ্রয়োগ করতে হবে না;
- তাকে অপরাধ সংঘটন করতেই হবে না;
- সমাবেশটি সে আয়োজন করেছে কিনা, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ শুধুমাত্র বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়াই এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৬,৩৮৯.
'ক' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে রকিব আহত হয় এবং 'খ' নামক আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে মারা যায়। রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে?
  1. 'খ' নামক আদলতে
  2. 'ক' নামক আদালতে
  3. 'ক' এবং 'খ' নামক আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' নামক আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ অপরাধ যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয় সেই আদালতে অথবা যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অপরাধের পরিণাম দেখা দিয়েছে সেই সেই আদালতে উক্ত অপরাধের বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

♦ অর্থাৎ রকিবের নিন্দনীয় নরহত্যা অপরাধের বিচার করতে পারে 'ক' বা 'খ' নামক আদালতে।
৬,৩৯০.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারায় সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে না?
  1. জমির খতিয়ান
  2. ব্যক্তিগত ডায়েরি
  3. জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেকর্ড
  4. জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরি
ব্যাখ্যা
সরকারি বা ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা (সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৫):
যেকোনো সরকারি বা অন্যান্য অফিসিয়াল বই, রেজিস্টার, রেকর্ড বা ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত তথ্য, যা সরকারি কর্মচারী তার দায়িত্ব পালনকালে অথবা আইন দ্বারা নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ব্যক্তি লিপিবদ্ধ করেছেন, তা প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে গণ্য হবে।

সহজ ভাষায়:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী, সরকারি বা ডিজিটাল রেকর্ড তখনই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে যখন তা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তাঁর দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়।

প্রাসঙ্গিক রেকর্ড:
- জমির খতিয়ান (সরকারি রেকর্ড)।
- জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেকর্ড (সরকারি রেকর্ড)।
- জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য (সরকারি সংরক্ষিত তথ্য)।

অপ্রাসঙ্গিক:
ব্যক্তিগত ডায়েরি (এটি ব্যক্তিগত নথি এবং কোনো সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ নয়, তাই এটি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য নয়)।
৬,৩৯১.
যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারায় কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. দলিল পুরোপুরি বাতিল করে দিবেন
  2. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় বহাল রাখবেন
  3. ঋণের চুক্তি এবং জমির মালিকানা উভয় অবৈধ ঘোষনা করবেন
  4. ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
সঠিক উত্তর:
ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে, মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন
ব্যাখ্যা
• যদি একটি দলিলে একটি জমির মালিকানা ও ঋণের চুক্তি একসাথে লিপিবদ্ধ থাকে এবং আদালত প্রমাণ পায় যে ঋণের চুক্তি জালিয়াতি করা হয়েছে, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারার অধীন ঋণের চুক্তির অংশটি বিলুপ্ত করে জমির মালিকানার অংশটি বহাল রাখতে পারেন।

• ধারা ৪০: যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য-
যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।

উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।

Section 40- What instruments may be partially cancelled: 
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 

Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
৬,৩৯২.
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ২০২ ধারার অধীন কে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারেন?
  1. আমলে নেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ব্যক্তি
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন,অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন ।

• ধারা ২০২:পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। 
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৬,৩৯৩.
অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেলে ওসি প্রথমে কী করবেন?
  1. ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত করবেন
  2. ইনকোয়েস্ট করবেন
  3. ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
  4. মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

৬,৩৯৪.
বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করেও কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে বিচারের আওতায় আনা যাবে?
  1. যদি সে বাংলাদেশি নাগরিক হয়
  2. যদি বাংলাদেশের কোনো জাহাজ বা বিমানে অপরাধ হয়
  3. যদি বাংলাদেশি আইনে সেই অপরাধের বিচারের বিধান থাকে
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩ ও ৪ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বাংলাদেশে বিচার করা যায়:
ক) বাংলাদেশের নাগরিক দ্বারা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে (ধারা ৪(১))।
খ) বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন, সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে (ধারা ৪(৪))।
গ) বাংলাদেশি কোনো আইনে যদি বিধান থাকে যে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কোন অপরাধ বাংলাদেশে বিচার্য হবে (ধারা ৩)।
সুতরাং, উল্লিখিত সবগুলো শর্তই সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা-৩: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কিন্তু আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের মধ্যে বিচারযোগ্য অপরাধের শাস্তি:
যে কোনো ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের কোনো আইন অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত কোনো অপরাধের জন্য বিচারের সম্মুখীন হওয়ার দায়ে দায়বদ্ধ হন, তাহলে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত সেই কাজের জন্য এই দণ্ডবিধির বিধান অনুযায়ী তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা হবে যেন সেই কাজটি বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান রাষ্ট্রের সীমানার বাহিরে সংঘটিত অপরাধ সমূহের ক্ষেত্রে প্রতিবিধির আওতা সম্প্রসারণ:
নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক,
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
ব্যাখ্যা: এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার অপরাধ কথাটির আওতাভুক্ত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-2: Punishment of offences committed within Bangladesh:
-Every person shall be liable to punishment under this Code and not otherwise for every act or omission contrary to the provisions thereof, of which he shall be guilty within Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 3: Punishment of offences committed beyond, but which by law may be tried within Bangladesh:
- Any person liable, by any Bangladesh Law, to be tried for an offence committed beyond Bangladesh shall be dealt with according to the provisions of this Code for any act committed beyond Bangladesh in the same manner as if such act had been committed within Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-4: Extension of Code to extra-territorial offences:
-The provisions of this Code apply also to any offence committed by- 
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh; 
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be. 
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found. 

৬,৩৯৫.
ধারা ২৭৪ কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খাদ্যে ভেজাল দেয়া
  2. ওষুধে ভেজাল দেয়া
  3. ক্ষতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা
  4. জাল দলিল সৃষ্টি করা
সঠিক উত্তর:
ওষুধে ভেজাল দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওষুধে ভেজাল দেয়া
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৪ – ওষুধ ভেজালকরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা-প্রস্তুতিতে এমনভাবে ভেজাল মেশান যাতে ওই ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়, তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়, কিংবা সেটি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বা বিষাক্ত হয়ে ওঠে, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ভেজাল মেশানোর উদ্দেশ্য থাকতে পারে—ওষুধটি যেন ভেজালযুক্ত না বলে ধরে নিয়ে বিক্রি হয় বা চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়; কিংবা ভেজাল থাকার পরও সেটি চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা ব্যক্তি জানেন। অর্থাৎ, ভেজাল যুক্ত থাকা সত্ত্বেও ওষুধকে বিশুদ্ধ পণ্য হিসেবে ব্যবহার বা বিক্রির অভিপ্রায় থাকলে এই ধারা প্রযোজ্য হয়।

এই অপরাধে দোষী হলে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। ধারা ২৭৪ মূলত জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রণীত, কারণ ওষুধে ভেজাল মেশানো মানুষের জীবন ও চিকিৎসার উপর গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

৬,৩৯৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ অনুযায়ী, আদালত কোন কোন ক্ষেত্রে বাদীর অভিযোগ (Plaint) ফেরত দিতে বা খারিজ করতে পারে?
  1. যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়
  2. যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা উল্লেখ না থাকে
  3. যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908) এর আদেশ ৭ (Order VII) অনুসারে, বাদীর দায়ের করা অভিযোগ বা Plaint ফেরত (Return) বা খারিজ (Rejection) করার বিভিন্ন পরিস্থিতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিচে প্রতিটি অপশন ব্যাখ্যা করা হলো: 
ক) যদি মামলাটি ভুল আদালতে দায়ের করা হয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১০ অনুযায়ী, যদি Plaint এমন আদালতে দায়ের করা হয় যার বিচারিক ক্ষমতা (jurisdiction) নেই, তাহলে আদালত Plaint ফেরত (Return) দিতে পারে যেন বাদী তা সঠিক আদালতে পুনরায় দায়ের করতে পারে। এটি খারিজ নয়, বরং ফেরত দেওয়া।
 খ) যদি অভিযোগে মামলা দায়েরের কারণ বা কারণ গঠনকারী ঘটনা (Cause of Action) উল্লেখ না থাকে:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(ক) অনুযায়ী, যদি Plaint-এ মামলা দায়েরের কারণ (cause of action) স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত Plaint খারিজ (Reject) করতে পারে।
গ) যদি বাদী আদালতের নির্দেশিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ ফি বা স্ট্যাম্প জমা না দেয়:
→ আদেশ ৭, বিধি ১১(গ) অনুযায়ী, যদি Plaint অপর্যাপ্ত আদালত ফি বা স্ট্যাম্পে লেখা হয় এবং আদালত নির্দেশিত সময় (সাধারণত ২১ দিন) এর মধ্যে তা পরিশোধ করা না হয়, তাহলে Plaint খারিজ (Reject) করা হবে।

উল্লেখ্য, 
→ ফেরত (Return): এটি মূলত তখন হয় যখন বিচারিক এখতিয়ার নেই বা স্থান ভুল।
→ খারিজ (Rejection): এটি তখন হয় যখন Plaint-এর ভিতরেই গুরুতর ত্রুটি থাকে।

অর্থাৎ প্রশ্নে বর্ণিত তিনটি পরিস্থিতিই সঠিক। Plaint ফেরত বা খারিজ—উভয় ক্ষেত্রেই আদেশ ৭ প্রযোজ্য হয়।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে।
৬,৩৯৭.
According to The Code of Civil Procedure,1908, The Court of Small Causes is subordinate to which of the following courts?
  1. Supreme Court and District Court
  2. High Court Division and Civil Court
  3. High Court Division and District Court
  4. District Court only
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Section-3: Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান- আদালতের পর্যায়ক্রমা:
-এই কোড-এর উদ্দেশ্যে জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানী আদালত এবং সকল স্মল কজ কোট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধঃস্তন।
৬,৩৯৮.
একই কার্যের অংশ হিসেবে থাকা ঘটনাসমূহের প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬-এ "একই কার্যক্রমের অংশ" (part of same transaction) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, যে সব ঘটনা সরাসরি বিচার্য বিষয় নয়, কিন্তু এগুলি বিচার্য বিষয়ের সাথে এমনভাবে জড়িত, যে দুটি ঘটনাই একত্রে একই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে, সেগুলি প্রাসঙ্গিক হবে।
অর্থাৎ, যদি দুটি ঘটনা একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হয় এবং একে অপরের ধারাবাহিকতা বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা হিসেবে ঘটিত হয়, তবে সেগুলি Res Gestae নীতির আওতায় প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে। এটি ঘটতে পারে একই সময়ে বা বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন স্থানে, তবুও সেগুলি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত থাকে।
- এই ধারা Res Gestae বা 'একই কার্যক্রমের অংশ' নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং আইনের অনুসারে, এসব সম্পর্কিত ঘটনা প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬ অনুযায়ী, যে সমস্ত ঘটনা মূল ঘটনার অংশ হিসেবে ঘটেছে, তবে সেগুলো সরাসরি মামলা বা বিতর্কের বিষয় না হলেও, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি এমন ঘটনা যা একটি বৃহত্তর ঘটনার অংশ, এবং এটি মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, যদিও সেই ঘটনা তৎকালীন বিতর্কের প্রধান বিষয় নয়।
------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 6. Relevancy of facts forming part of same transaction:
Facts which, though not in issue, are so connected with a fact in issue as to form part of the same transaction, are relevant, whether they occurred at the same time and place or at different times and places.
৬,৩৯৯.
তামাদি আইনের ধারা ১৪(১) অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে তামাদি সময় বাদ দেওয়া হবে?
  1. বাদীর অসুস্থতার সময়
  2. মামলা স্থগিত থাকাকালীন সময়
  3. আদালতের সাধারণ ছুটির সময়
  4. ভুল এখতিয়ারের আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে মামলা পরিচালনার সময়
সঠিক উত্তর:
ভুল এখতিয়ারের আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে মামলা পরিচালনার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুল এখতিয়ারের আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে মামলা পরিচালনার সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪(১) অনুযায়ী, যদি কোনো বাদী ভুলবশত এমন একটি আদালতে মামলা করেন যার এখতিয়ার নেই, এবং তিনি যদি সৎ উদ্দেশ্যে (good faith) ও যথাযথ যত্নসহকারে (due diligence) মামলা পরিচালনা করেন, তাহলে তিনি যে সময়টুকু ঐ আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেছেন তা তামাদির গণনা থেকে বাদ যাবে।
 এই ধারা শুধুমাত্র তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন—
- মামলাটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয় (same cause of action)
- সৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়
- আদালত এখতিয়ারের অভাবে মামলা গ্রহণে অক্ষম হয়

⇒ তামাদি আইনের ধারা ১৪: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে কার্যক্রমের সময় বাদ দেওয়া:
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, বাদী যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে অন্য একজন বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি একই কারণে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এবং সৎ উদ্দেশ্যে সেই আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

(২) কোনো আবেদনটির জন্য নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ গণনা করতে গেলে, আবেদনকারী যদি একই পক্ষের বিরুদ্ধে একই ক্ষতিপূরণের জন্য অন্য একটি দেওয়ানি কার্যক্রমে যথাযথ যত্নসহকারে মামলা চালিয়ে থাকেন—এটি প্রথম আদালতে হোক বা আপিল আদালতে—তাহলে সেই সময় বাদ দেওয়া হবে, যদি উক্ত কার্যক্রমটি সৎ উদ্দেশ্যে এমন একটি আদালতে পরিচালিত হয়ে থাকে, যা এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ অন্য কারণে মামলা গ্রহণ করতে অক্ষম।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-14: Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it.

Explanation I - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted.
Explanation II - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.
Explanation III - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.
৬,৪০০.
'A' স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে তার ভাই ও তাদের সন্তানদের নির্দিষ্ট কিছু সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তবে পরবর্তীতে তিনি সেই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের সঙ্গে বিক্রয়ের চুক্তিতে আবদ্ধ হন। এক্ষেত্রে বিক্রয় চুক্তি-
  1. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
  2. আদালতের সিদ্ধান্তে বাস্তবায়নযোগ্য হবে
  3. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য
  4. 'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
সঠিক উত্তর:
'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' কর্তৃক সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য না
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ২৫ (The Specific Relief Act, 1877) অনুযায়ী, একজন বিক্রেতার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না, যদি—
- তিনি জেনে-শুনে এমন একটি সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি করেন, যার উপর তার কোনো অধিকার নেই।
- চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে তিনি মূল্যবান প্রতিফল ছাড়া চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার অন্যদের কাছে সমর্পণ করে থাকেন।
এই ক্ষেত্রে, 'A' স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে তার ভাই ও তাদের সন্তানদের কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন, যা একটি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হস্তান্তর (voluntary settlement)। এরপর, তিনি একই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের কাছে বিক্রির চুক্তিতে আবদ্ধ হন।
- ধারা ২৫(গ) অনুসারে, যদি বিক্রেতা চুক্তির পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়া সম্পত্তি হস্তান্তর করে থাকেন, তবে তিনি সেই সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা দাবি করতে পারবেন না। কারণ—
- পূর্ববর্তী হস্তান্তর স্বেচ্ছায় করা হয়েছে এবং এটি আইনত বৈধ।
- যদি নতুন চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা অনুমোদন করা হয়, তাহলে আগের হস্তান্তর বাতিল হয়ে যাবে, যা পূর্ববর্তী হস্তান্তারিত ব্যক্তিদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করবে।
প্রাসঙ্গিক উদাহরণ (Illustration from the Act):
⇒ একই পরিস্থিতি The Specific Relief Act, 1877-এর Illustration (d) এ উল্লেখ আছে—
"A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it."
এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, 'A' পূর্বে স্নেহ ও ভালোবাসার কারণে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন, যা একটি আইনি সমর্পণ। সুতরাং, পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি ৩য় পক্ষের কাছে বিক্রয় চুক্তি করলে, সেটি 'A' কর্তৃক নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।

ধারা ২৫- একজন বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার পক্ষে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া প্রদানের চুক্তি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে না যদি-
(ক) জেনে-শুনে নিজের অধিকারহীন এমন সম্পত্তির বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন;
(খ) চুক্তি করার সময় যদিও বিশ্বাস করতেন যে তিনি সেই সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার রাখেন, কিন্তু পক্ষদ্বয়ের বা আদালতের নির্ধারিত সময়ে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে যৌক্তিক সন্দেহাতীতভাবে স্বত্বাধিকার প্রদান করতে অক্ষম হন;
(গ) চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে কোনো মূল্যবান প্রতিফল ছাড়াই চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর নিজের অধিকার সমর্পণ করে থাকেন।

⇒ (গ) এর শর্তমতে, এই চুক্তিটি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। কারণ তা হলে তার পূর্বতন সমর্পণটি বাতিল হয়ে যাবে এবং যাদের উপর সেই সম্পত্তি সমর্পিত হয়েছিল তাদের স্বার্থগুলি ক্ষুণ্ণ হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে A নিজের পূর্বতন কৃত কাজকে বাতিল করে, নতুন চুক্তিটিকে নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 25. Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler:
A contracts for the sale or letting of property, whether moveable or immoveable, cannot be specifically enforced in favour of a vendor or lessor- 
(a) who, knowing himself not to have any title to the property, has contracted to sell or let the same; 
(b) who, though he entered into the contract believing that he had a good title to the property, cannot, at the time fixed by the parties or by the Court for the completion of the sale or letting, give the purchaser or lessee a title free from reasonable doubt; 
(c) who, previous to entering into the contract, has made a settlement (though not founded on any valuable consideration) of the subject-matter of the contract. 

Illustrations:
(a) A, without C's authority, contracts to sell to B an estate which A knows to belong to C. A cannot enforce specific performance of this contract, even though C is willing to confirm it. 
(b) A bequeaths his land to trustees, declaring that they may sell it with the consent in writing of B. B gives a general prospective assent in writing to any sale which the trustees may make. The trustees then enter into a contract with C to sell him the land. C refuses to carry out the contract. The trustees cannot specifically enforce this contract, as, in the absence of B's consent to the particular sale to C, the title which they can give C is, as the law stands not free from reasonable doubt. 
(c) A, being in possession of certain land, contracts to sell it to Z. On inquiry it turns out that A claims the land as heir of B, who left the country several years before, and is generally believed to be dead, but of whose death there is no sufficient proof. A cannot compel Z specifically to perform the contract. 

(d) A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.