বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৬১ / ১২৬ · ৬,০০১৬,১০০ / ১২,৬০৫

৬,০০১.
Under Order 9 Rule 3, what may the court do if neither party appears at the hearing?
  1. Adjourn the suit
  2. Dismiss the suit
  3. Pass a decree in favor of the plaintiff
  4. Pass judgment based on the documents
সঠিক উত্তর:
Dismiss the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dismiss the suit
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।
৬,০০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কীসের ভিত্তিতে মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  2. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগ নিজের উদ্যোগে
  4. উল্লিখিত যেকোন একটি কারণের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন একটি কারণের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন একটি কারণের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।
- যার উপর ভিত্তি করে মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-
১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ নিজের উদ্যোগে (Suo motu) এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।
- মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-
১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section:- 526: High Court Division may transfer case or itself try it:
(1) Whenever it is made to appear to the High Court Division- 
(a) that a fair and impartial inquiry or trial cannot be had in any Criminal Court subordinate thereto, or 
(b) that some question of law of unusual difficulty is likely to arise, or 
(c) that a view of the place in or near which any offence has been committed may be required for the satisfactory inquiry into or trial of the same, or 
(d) that an order under this section will tend to the general convenience of the parties or witnesses, or 
(e) that such an order is expedient for the ends of justice, or is required by any provision of this Code; it may order- 
 
(i) that any offence be inquired into or tried by any Court not empowered under sections 177 to 183 (both inclusive), but in other respects competent to inquire into or try such offence; 
(ii) that any particular case or appeal, or class of cases or appeals, be transferred from a Criminal Court subordinate to its authority to any other such Criminal Court of equal or superior jurisdiction; 
(iii) that any particular case or appeal be transferred to and tried before itself; or 
(iv) that an accused person be sent for trial to itself or to a Court of Session. 
(2) When the High Court Division withdraws for trial before itself any case from any Court it shall observe in such trial the same procedure which that Court would have observed if the case had not been so withdrawn. 
(3) The High Court Division may act either on the report of the lower Court, or on the application of a party interested, or on its own initiative: 
Provided that no application shall lie to the High Court Division for transferring a case from one Criminal Court to another Criminal Court in the same sessions division, unless an application for such transfer has been made to the Sessions Judge and rejected by him. 
(4) Every application for the exercise of the power conferred by this section shall be made by motion, which shall, except when the applicant is the Attorney-General, be supported by affidavit or affirmation. 
(5) When an accused person makes an application under this section, the High Court Division may direct him to execute a bond, with or without sureties, conditioned that he will, if so ordered, pay any amount which the High Court Division may under this section award by way of compensation to the person opposing the application.
৬,০০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Solatium' এর বিধান আছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
⇒ Solatium অর্থ হলো সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি প্রমাণিত হলেও বিক্রেতার কাষ্টলাঘবের জন্য ক্রেতাকে সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে চুক্তি বলবৎ অগ্রাহ্য করা যায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
 
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
------------------------------------------
⇒ Section 22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.

⇒ The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
i. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.

ii. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
 
⇒The following is a case in which the Court may properly exercise a discretion to decree specific performance: –
iii. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
৬,০০৪.
বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল কত জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ থেকে ৩৮ এ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠন, এখতিয়ার এবং কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
৬,০০৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. কোনটি না
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
♦কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে হাজির হতে আদালত যদি সমন প্রদান করে এবং উক্ত ব্যক্তি সমন অনুযায়ি হাজির হতে ব্যর্থ হয় এবং আদলত উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তির ক্রোকের আদেশ প্রদান করলে বা গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ৪৩ আদেশের ১(চ) অনুযায়ী আপীল করতে পারে।
♦অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৬ আদেশের ১০ বিধির অধীন আদলতের কোন আদেশের বিরূদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার হল আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর অধীন আপীল?
৬,০০৬.
আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর অধীনে, একটি একতরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের পর, অপরপক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে শুনানি ও নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো একতরফাভাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তাহলে অপরপক্ষ হাজির হওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে আদালতকে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে, যদি অপরপক্ষ চায়, তাহলে আদালত সময় বাড়াতে পারে।
অতএব, সর্বোচ্চ সময়সীমা: ৭ দিন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:
- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।
- কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।
- যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।
- যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
----------
Order-39 Rule-5A.
(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
৬,০০৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় ভিকটিমের সাধারণ _______সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
  1. তার পরিচয় মর্যাদা জানার প্রশ্ন
  2. সত্যবাদিতা পরীক্ষা করার প্রশ্ন
  3. অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
  4. উল্লিখিত কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৪৬ ধারা অনুযায়ী জেরায় তিন ধরনের প্রশ্ন করা বৈধ। যে সকল প্রশ্ন যা দ্বারা সাক্ষীর
   (i)  সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়
   (ii)  তার পরিচয় মর্যাদা জানা যায়
   (iii) তার চরিত্র আঘাত করে বিশ্বাতযোগ্যতা সম্পর্কে দুর্বলতা সৃষ্টি করা যায়

-তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায় ক্লজ(৩) এর অধীন ভিকটিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-146: Questions lawful in cross-examination:
-When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture

Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:

Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.
৬,০০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্যের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  2. ফরিয়াদির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  3. আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
সঠিক উত্তর:
আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কতিপয় ক্ষেত্রে আসামির অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
১) দুই বা ততােধিক আসামি থাকলে এই বিধির অধীনে অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণবশতঃ পরিতুষ্ট হন যে আসামিদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকিতে অসমর্থ, তা হলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক আসামির উকিল হাজির থাকলে আসামিকে উপস্থিতি হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান কিংবা বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে যেতে পারবেন এবং কার্যক্রমের পরবর্তী কোন পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকিবার নির্দেশ দিতে পারবেন।

২) এইরূপ কোন মামলায় আসামির উকিল না থাকলে বা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়ােজন মনে করেন, তা হলে তিনি উপযুক্ত মনে এবং কারণ লিপিবদ্ধপূর্বক অনুসন্ধান বা বিচার মূলতবী রাখতে পারবেন, বা উক্ত আসামির মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৬,০০৯.
নাবালকের পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করবে ________।
  1. পরবর্তী বন্ধু
  2. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক
  3. আইনী অভিভাবক
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বন্ধু
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিক সম্পন্ন ব্যক্তি কিভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কিভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে [৩২ আদেশের বিধি-১]।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.
৬,০১০.
সুরতহাল তদন্তের জন্য কে নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন?
  1. মৃত ব্যক্তির আত্মীয়
  2. স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. এখতিয়ারাধীন আদালতের বিচারক
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-

> আত্মহত্যা করেছে, অথবা
> অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা
> এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে। [ধারা ১৭৪ (১)]

তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।

• তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
৬,০১১.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি কখন সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে?
  1. একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
  2. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধের জন্য বিচার হলে
  3. অভিযুক্তের অনুরোধে
  4. আদালতের অনুমতিতে
সঠিক উত্তর:
একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই অপরাধের জন্য বিচার হলে 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: একই অপরাধের জন্য বিচার হলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হন এবং তাদের বিরুদ্ধে যৌথ বিচার পরিচালিত হয়, তবে যদি কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যদের জড়িয়ে  দোষ-স্বীকারোক্তি দিলে উক্ত দোষ-স্বীকারোক্তি আদালত অন্যান্য অভিযুক্তদেরে বিরুদ্ধে বিবেচনায় নিতে পারেন।
⇒ শর্তসমূহ:
- একাধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।
- তাদের যৌথভাবে বিচার করা হয়।
- একজন অভিযুক্ত নিজের দোষ স্বীকার করে এবং তা অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ৩০: একজন অপরাধী লোকের অপরাধ স্বীকারোক্তি যখন অপর অপরাধী লোকের বিরুদ্ধে প্রমাণ করিবার জন্য ব্যবহার করা যায়: যেইক্ষেত্রে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে বিচার হইতেছে এবং তাহাদের মধ্যে একজনের স্বীকারোক্তি, যাহা দ্বারা সে নিজেকে ও অন্যকে জড়িত করিয়াছে বলিয়া তাহা প্রমাণ করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্ত স্বীকারোক্তিকারী ও অপর লোকের বিরুদ্ধে সেই স্বীকারোক্তি বিবেচনা করিতে পারেন।
-----------------
The Evidence Act, 1872,Section 30: Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence: When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.

৬,০১২.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুসারে, "Grievous Hurt" এর মধ্যে কোনটি ষষ্ঠ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত?
  1. দাঁত ভেঙে যাওয়া
  2. শ্রবণশক্তি হারানো
  3. অঙ্গ বা জোড় নষ্ট হওয়া
  4. মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া
সঠিক উত্তর:
মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩২০ অনুসারে, Grievous Hurt এর ষষ্ঠ শ্রেণী হলো “Permanent disfiguration of the head or face”, অর্থাৎ মাথা বা মুখ স্থায়ীভাবে বিকৃত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৬,০১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কত আদেশে “মামলার খরচের জন্য জামানত” আদালতে জমা দেওয়ার বিধান আছে?
  1. আদেশ ২২ ক
  2. আদেশ ৩২
  3. আদেশ ২৪
  4. আদেশ ২৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২৫ বিধি ১ এর বিধান হলো মামলা খরচের জন্য জামানত জমা দেওয়া বা মোকদ্দমার খরচের জন্য জামানত
⇒ বাদী দেশের বাহিরে অবস্থান করলে এবং বাদীর যদি মোকদ্দমার সম্পত্তি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন স্থাবর সম্পত্তি না থাকে সেই ক্ষেত্রে আদালত বিবাদীর আবেদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মোকদ্দমার দায়েরের বা ব্যয়ের যাবতীয় খরচ এবং বিবাদীর সম্ভাব্য খরচের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
৬,০১৪.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুসারে, কত বছর পুরানো ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা সম্পর্কে আদালত অনুমান করতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) ৫ বছর।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার অনুসারে, পাঁচ বছর পুরনো কোন ডিজিটাল রেকর্ডের ক্ষেত্রে আদালত এটি presume করতে পারে যে, যে ডিজিটাল সিগনেচারটি রেকর্ডে রয়েছে, তা ঐ ব্যক্তির বা তার অনুমোদিত অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৬,০১৫.
A এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য A কে পাঠায়। A তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। A কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  2. চুরি
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।
৬,০১৬.
বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
  2. জনগণের নিকট দোষ স্বীকার
  3. পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা

বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি অর্থ হলো- ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ এবং ৩৬৪ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর যে দোষস্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য লিপিবব্ধ করে তাই বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২,ধারা ২৪: প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রতিশ্রুতির দ্বারা স্বীকারোক্তি আদায় করা হইলে ফৌজদারি মোকদ্দমায় যখন তাহা অপ্রাসঙ্গিক: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার আসামি তাহার বিরুদ্ধে আনীত কোনো অভিযোগ সম্পর্কে কোনো স্বীকারোক্তি করিলে আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের দ্বারা প্রলোভন, ভীতিপ্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দানের ফলে আসামি উক্ত স্বীকারোক্তি করিয়াছে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, উহার ফলে আসামি মোকদ্দমায় পার্থিব কোনো সুবিধা পাইবে বা কোনো অসুবিধা এড়াইতে পারিবে বলিয়া তাহার ধারণা হইবার যথেষ্ট কারণ ঘটিয়াছিল তবে আসামির সেই স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক। 
----------------------------------
The Evidence Act 1872,Section 24,Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding: A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.

৬,০১৭.
A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে একটি অপরাধ করেছেন?
  1. ১৫১
  2. ১৬১
  3. ২৬১
  4. ২৬৩
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ:
যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।

ব্যাখ্যা:
"সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়।
"গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না।
"আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে।
"কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(গ) A একজন সরকারি কর্মচারী, যিনি Z-কে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে, তার (A-এর) সরকারি প্রভাবের মাধ্যমে Z একটি উপাধি অর্জন করেছেন। এই বিশ্বাসের ফলে Z, A-কে এই কাজের জন্য পুরস্কার হিসেবে অর্থ প্রদান করেন। A এই ধারার অধীনে  অপরাধ করেছেন।
৬,০১৮.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আবেদনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. প্রথম ও তৃতীয় বিভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগে বিভিন্ন ধরনের দরখাস্ত ও আবেদন (Applications and Petitions) দায়েরের তামাদি মেয়াদ বর্ণিত আছে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
- মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
- আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
- বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।

৬,০১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে কোনটি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. নির্ধারণের বিষয় উল্লেখ
  2. সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
  4. বিচারকের স্বাক্ষর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর বিধি-৩১ অনুযায়ী, আপিলের রায়ে অবশ্যই থাকতে হবে:
- নির্ধারণের বিষয় (Points for determination)
- সিদ্ধান্তের কারণ (Reasons for the decision)
- বিচারকের স্বাক্ষর (Signature)
কিন্তু বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়, এটি শুধুমাত্র তখন প্রদান করা হয় যখন কোনো বিচারক রায়ে দ্বিমত প্রকাশ করেন। তাই ব্যক্তিগত মতামত রায়ের অপরিহার্য অংশ নয়।

অর্থাৎ আদেশ-৪১, বিধি-৩১ অনুযায়ী, বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত বাধ্যতামূলক নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) বিচারকের ব্যক্তিগত মতামত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি ৩১: আপিল রায়ের বিষয়বস্তু, তারিখ ও স্বাক্ষর:
- আপিল আদালতের রায় লিখিত হতে হবে এবং তাতে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ উল্লেখ করতে হবে:
(ক) বিচার্য বিষয়ের (points for determination) উল্লেখ,
(খ) উক্ত বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত,
(গ) উক্ত সিদ্ধান্তের কারণ,
(ঘ) আপিলকৃত ডিক্রি যদি বাতিল বা পরিবর্তন করা হয়, তবে আপিলকারী কী ধরণের প্রতিকার (relief) পাবে, তার উল্লেখ।
রায়টি ঘোষণার সময় বিচারক বা সম্মত হওয়া বিচারকেরা তা স্বাক্ষর ও তারিখসহ প্রদান করবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-31: Contents, date and signature of Judgment:
- The judgment of the Appellate Court shall be in writing and shall state (a) the points for determination; (b) the decision thereon; (c) the reasons for the decision; and, (d) where the decree appealed from is reversed or varied, the relief to which the appellant is entitled; and shall at the time that it is pronounced be signed and dated by the Judge or by the Judges concurring therein.
৬,০২০.
আদেশ-৯ বিধি-৩ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. কেবল বাদী অনুপস্থিত থাকলে
  2. কেবল বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে
  3. উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয়ই উপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.
৬,০২১.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্যকে কোন সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
  1. দালিলিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য 
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. লিখিত সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য 
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: 
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
৬,০২২.
কোন ব্যক্তি ব্যাংকিং কোম্পানির সাথে প্রতারণা করলে তার শাস্তি-
  1. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬২-খ ধারা অনুযায়ী  কোন ব্যক্তি ব্যাংকিং কোম্পানির সাথে প্রতারণা করলে শাস্তি হলো অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৬,০২৩.
মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন কত টাকা হতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৬,০২৪.
ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, অক্ষম ব্যক্তির পক্ষে কে চুক্তি সম্পাদন করতে পারে?
  1. নেক্সট ফ্রেন্ড
  2. রিসিভার
  3. আদালত
  4. অক্ষম ব্যক্তি নিজে
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেক্সট ফ্রেন্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ১৪৭- অক্ষম ব্যক্তির সম্মতি বা চুক্তি (Consent or agreement by persons under disability):
যে সমস্ত মোকদ্দমায় কোনো অক্ষম ব্যক্তি (যেমন—নাবালক, মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি ইত্যাদি) পক্ষ হিসেবে থাকে, সেই মোকদ্দমার কোনো কার্যপ্রক্রিয়া সম্পর্কিত সম্মতি বা চুক্তি, যদি তা আদালতের সুস্পষ্ট অনুমোদনক্রমে (express leave of the Court) ঐ ব্যক্তির next friend বা guardian for the suit দ্বারা প্রদান বা সম্পাদিত হয়, তবে সেই সম্মতি বা চুক্তি তেমনই কার্যকর এবং বলবৎ হবে, যেমনটি ঐ ব্যক্তি সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় নিজেই প্রদান বা সম্পাদন করতেন।

৬,০২৫.
'Interpleader suit' দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৮৭ ধারা
  2. ৮৮ ধারা
  3. ৯০ ধারা
  4. ৯১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
৬,০২৬.
পেনাল কোড এর অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, তা ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১ম তফসিল, ৮ম কলাম
  2. ২য় তফসিল, ৮ম কলাম
  3. ৩য় তফসিল, ৮ম কলাম
  4. ৪র্থ তফসিল, ৮ম কলাম
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল, ৮ম কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল, ৮ম কলাম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৬,০২৭.
অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে দেয়া ডিক্রি অনুযায়ী যদি অস্থাবর সম্পত্তি সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে আদেশ ২০ বিধি-১০ অনুযায়ী ডিক্রিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিকল্প হিসাবে দণ্ডের পরিমাণ
  2. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
  3. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণ
  4. উক্ত সম্পত্তির পরিবর্তে অন্য সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
৬,০২৮.
একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তবে এটি কোন অপরাধের উদাহরণ?
  1. প্রতারণা
  2. ঘুষ গ্রহণ
  3. অনৈতিক লেনদেন
  4. সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
ব্যাখ্যা
→ একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা, কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তাহলে এটি দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার অধীনে অপরাধ।
উত্তর: ঘ) সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ।

- মূল অপরাধ: সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন মামলাকারীর কাছ থেকে স্বাভাবিক বাজারমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
- দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারা অনুযায়ী: সরকারি কর্মচারী যদি তার অফিসিয়াল কাজের সাথে সংযুক্ত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে বা কম মূল্যে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন, তবে এটি একটি অপরাধ। এই ক্ষেত্রে, কালেক্টর “অপর্যাপ্ত বিনিময়ে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ” করেছেন, যা এই ধারার আওতায় পড়ে।
- কালেক্টর এখানে সরাসরি ঘুষ নেননি, তবে তিনি তার পদমর্যাদার সুযোগ নিয়ে অন্যের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন।
- এটি ঘুষ গ্রহণের মতো সরাসরি আর্থিক লেনদেন না হলেও, তার সরকারি অবস্থানের কারণে তিনি সুবিধাটি পেয়েছেন।
- একে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা গ্রহণ (Undue Advantage) বলে গণ্য করা হয়, যা আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ঘুষ সাধারণত সরাসরি কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ গ্রহণের বিষয়টি বোঝায়। কিন্তু এখানে কালেক্টর সরাসরি কোনো অর্থ নেয়নি, বরং কম ভাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে, যা তাকে অন্যায়ভাবে লাভবান করেছে।
সুতরাং, এটি ‘সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ’ (ঘ) অপশনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বিনা প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ:
যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য বিনা প্রতিদানে বা অপর্যাপ্ত প্রতিদানে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন বা গ্রহণে সম্মত হন বা গ্রহণের চেষ্টা করেন, এবং সেই বস্তুটি এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে আসে—
যার কোনো কার্যক্রম বা মামলা সরকারি কর্মচারীর সামনে চলমান, সম্পন্ন হয়েছে বা ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা
যার অফিসিয়াল দায়িত্বের সাথে কোনোভাবে সংযুক্তি রয়েছে, অথবা
যে ব্যক্তি এমন কারো সাথে সম্পর্কিত বা আগ্রহী, যিনি সরকারি কর্মচারীর কার্যাবলিতে জড়িত,
শাস্তি: এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) A একজন কালেক্টর, তিনি Z-এর একটি বাড়ি ভাড়া নেন, যার মামলা তার আদালতে বিচারাধীন। বাড়িটির প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা হলেও A মাত্র ৫০ টাকা ভাড়া দেন। এটি অপর্যাপ্ত প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণের অপরাধ।
(খ) A একজন বিচারক। তিনি Z-এর কাছ থেকে সরকারি বন্ড কম দামে কেনেন, যখন সেগুলো বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যেহেতু Z-এর মামলা তার আদালতে বিচারাধীন, এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের শামিল।
(গ) Z-এর ভাই মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে A ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হন। A এরপর Z-এর কাছে ব্যাংকের শেয়ার বেশি দামে বিক্রি করেন, যদিও বাজারে সেগুলোর মূল্য কম। এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের অপরাধ।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 165. Public servant obtaining valuable thing, without consideration, from person concerned in proceeding or business transacted by such public servant: 
Whoever, being a public servant, accepts or obtains, or agrees to accept or attempts to obtain, for himself, or for any other person, any valuable thing without consideration, or for a consideration which he knows to be inadequate, 
from any person whom he knows to have been, or to be, or to be likely to be concerned in any proceeding or business transacted or about to be transacted by such public servant, or having any connection with the official functions of himself or of any public servant to whom he is subordinate, 
or from any person whom he knows to be interested in or related to the person so concerned, 
shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both. 
 
Illustrations:
(a) A, a Collector, hires a house of Z, who has a settlement case pending before him. It is agreed that A shall pay fifty taka a month, the house being such that, if the bargain were made in good faith, A would be required to pay two hundred taka a month. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. 
(b) A, a Judge, buys of Z, who has a case pending in A's Court, Government promissory notes at a discount, when they are selling in the market at a premium. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. 
(c) Z's brother is apprehended and taken before A, a Magistrate, on a charge of perjury. A sells to Z shares in a bank at a premium, when they are selling in the market at a discount. Z pays A for the shares accordingly. The money so obtained by A is a valuable thing obtained by him without adequate consideration.
৬,০২৯.
কোন ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস (solitary confinement) প্রদান করা যায়?
  1. বিনাশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  2. সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
  3. অর্থদণ্ড ক্ষেত্রে
  4. অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
শুধুমাত্র সশ্রম কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়। নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।
৬,০৩০.
অভি নিজের সাথে ধারালো অস্ত্র বহন করে একটি বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে। দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, অভির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী ধরনের শাস্তি প্রযোজ্য?
  1. ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,০৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ কীভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে?
  1. সমন জারি করে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে
  4. অভিযুক্তকে মেইল বা চিঠি পাঠিয়ে
সঠিক উত্তর:
সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৩৯(খ):
(১) যদি আদালত বিশ্বাস করে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলায়ন করেছেন বা লুকিয়ে আছেন, যাতে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারকের সামনে হাজির করা সম্ভব নয়, এবং তার গ্রেপ্তারের সরাসরি সম্ভাবনা নেই, তাহলে:

অভিযোগের বিষয় আদালত গ্রহণ করলে, আদালত একটি জাতীয় দৈনিকে (বাংলা সংবাদপত্র) ঘোষণা দিয়ে নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হোক।

যদি অভিযুক্ত সেই নির্দেশ মেনে না চলে, তাহলে তাকে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করা হবে।

শর্ত:
আদালত চাইলে, অভিযুক্তের আদালতে উপস্থিতির জন্য দেওয়া নির্দেশ ডিস্ট্রিক্ট ও সেশনস জজ কোর্ট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ডেপুটি কমিশনার অফিস, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য সরকারি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করতে পারেন, যাতে সাধারণ জনগণ সহজে তা দেখতে পারে।

(২) অভিযুক্তকে হাজির করার পর কিংবা অভিযুক্ত হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

৬,০৩২.
এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর বয়স কত হবে ?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 197 (President's Order No. 46 of 1972) এর ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ২১ বছর বয়স হতে হবে।
৬,০৩৩.
A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করেছে যে, B এর থিয়েটারে ১২ মাস যাবৎ গান গাইবে এবং জনসম্মুখে বিনোদনের জন্য অন্য কোথাও গান গাইবে না। B, A-কে অন্য কোথাও গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে নিম্ন লিখিত কোন মামলাটি করতে পারে?
  1. চুক্তি বলবৎ এর মামলা
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৭ ধারায় নিষেধাজ্ঞার মামলা
  3. ১২ ধারা অনুযায়ী চুক্তি বলবৎ মামলা
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-, ১৮৭৭- এর ৫৪ ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৭ ধারায় নিষেধাজ্ঞার মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৭ ধারায় নিষেধাজ্ঞার মামলা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৬ ধারার নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্য নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।
•এখানে A যেহেতু B এর সঙ্গে চুক্তির সময়টুকু অন্য কোথাও গান না করার বিষয়ে চুক্তি করেছে, তাই A এর বিরুদ্ধে B নেতিবাচক নিষেধাজ্ঞার মামলা করবে যেন B-এর থিয়েটারে গান না করলেও A অন্য কোথাও যেন গান না করতে পারে।
৬,০৩৪.
আদালত দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে কত সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ২ বছর
  4. অনধিক ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারন রিভিশন ক্ষমতাবলেও এই ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দণ্ড বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে। আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোন ভাবেই অত্যধিক হবে না।

Section 106: Security for keeping the peach on conviction-
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of 130[a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
৬,০৩৫.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে পদের অধিকার নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই বিষয়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
  2. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  4. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করবে
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

• ১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।
৬,০৩৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয়, তবে আরজিতে কী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে?
  1. সম্পত্তির মূল্য
  2. সম্পত্তির একটি ছবি
  3. সম্পত্তির মালিকের নাম ও ঠিকানা
  4. সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা
ব্যাখ্যা
→ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা বা সেটেলমেন্ট পর্চায় উল্লেখিত নম্বর ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে।
অর্থাৎ সম্পত্তির সঠিক বর্ণনা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-৩ এর বিধান:
- স্থাবর সম্পত্তি যদি মোকদ্দমার কেন্দ্রবিন্দু হয়, তাহলে আরজিতে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করার উপযুক্ত বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, এবং সীমানা বা সেটেলমেন্ট পরচায় উল্লিখিত নম্বর কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি যেক্ষেত্রে সনাক্ত করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে একইরূপ সীমানা ও নম্বর আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-7 Rule-3: subject-matter of the suit is immovable property:
- Where the subject matter of the suit is immovable property, the plaint shall contain a description of the property sufficient to identify it, and, in case such property can be identified by boundaries or numbers in a record of settlement of survey, the plaint shall specify such boundaries or numbers.
৬,০৩৭.
নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০ এর বিধান নি:স্ব হিসাবে আপীল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper], যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল হবে, তার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে।
৬,০৩৮.
'The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action'- কোন নীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. Res judicata
  2. Res sub-judice
  3. Estoppel
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
Res sub-judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res sub-judice
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না ।
৬,০৩৯.
একজন মক্কেল তার নিযুক্তীর আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণকালে স্বীকার করে যে- সে একটি দখল জাল করেছে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য
  2. উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
  3. উক্ত আইনজীবী সাক্ষ্য দিয়ে স্বীকারোক্তি প্রমাণ করতে পারবে
  4. উক্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণে অন্য সাক্ষীর সমর্থন প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী অ্যাডভোকেট এবং মক্কেলের মধ্যে তথ্যের আদান প্রদান অ্যাডভোকেট প্রকাশ করতে বাধ্য না অথবা অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবে না।

মক্কেল স্বীকার করে যে, সে দলিল জাল করেছে। মক্কেল যেহেতু তার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিষয়টি স্বীকার করেছে, তাই তার এই তথ্য উক্ত আইনজীবী প্রকাশ করতে বাধ্য না বা মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবেনা এবং এমন স্বীকারোক্তি আইনত অগ্রহণযোগ্য। মক্কেল যদি বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে [In furtherance of a criminal purpose) ভবিষৎ এ দলিল জাল করবে এমন কোন কথা বলতো তাহলে সেই তথ্য ১২৬ ধারায় প্রকাশ হতে সুরক্ষা পেত না এবং অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া তা প্রকাশ করতে পারবে।
৬,০৪০.
কোন ক্ষেত্রে আদালতের মনে হতে পারে যে, দলিলে সংযুক্ত ডিজিটাল স্বাক্ষরটি স্বাক্ষরকারীর ইচ্ছাকৃত ছিল?
  1. সাধারণ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  2. নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষর
  3. অস্বাক্ষরিত দলিল
  4. অজানা উৎসের দলিল
সঠিক উত্তর:
নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৮৫B(২)(ক) অনুযায়ী, যদি কোনো Secure Digital Signature (নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষর) কোনো ডিজিটাল রেকর্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে: "The Court shall presume, unless the contrary is proved, that (a) the secure digital signature is affixed by the subscriber with the intention of signing or approving the digital record."
অর্থাৎ, আদালত ধারণা (Presume) করবে যে: স্বাক্ষরকারী নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাক্ষর করেছেন বা অনুমোদন দিয়েছেন।

- অর্থাৎ ধারা ৮৫খ (2)(a) অনুসারে, যদি এটি নিরাপদ ডিজিটাল স্বাক্ষর হয়, তবে আদালত ধরে নেবে যে স্বাক্ষরকারী তা নিজের ইচ্ছায় যুক্ত করেছে।

৬,০৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ______ ধারামতে ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৭
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
৬,০৪২.
'ক', 'ম'- কে একটি দেয়ালঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে 'ম' কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে, 'ম' দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। দণ্ডবিধি অনুযায়ী ক এর অপরাধটি কী নামে অভিহিত হবে?
  1. অবৈধ অবরোধ
  2. অবৈধ অর্পণ
  3. অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
  4. অবৈধ বল প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ অবরোধ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- অবৈধ অবরোধ:
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তির চলাচলে অবৈধভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে যে, উক্ত ব্যক্তি নিৰ্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করতে পারে না, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) ক, চ-কে একটি দেয়াল-ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং সেখানে চ-কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে চ সে দেয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে অসমর্থ হয়। ক চ-কে অবৈধভাবে অবরোধ করেছে।

(খ) ক কোন অট্টালিকার সকল বহির্দ্বারে আগ্নেয়াস্ত্রে-সজ্জিত ব্যক্তিদের মোতায়েন করে চ-কে বলে যে, চ অট্টালিকা হতে নিষ্ক্রমণের চেষ্টা করলে আগ্নেয়াস্ত্র-সজ্জিত ব্যক্তিরা চ-এর প্রতি গুলিবর্ষণ করবে। ক অবৈধভাবে চ-কে অবরোধ করেছে।
৬,০৪৩.
Where once time has begun to run, no subsequent __________ to sue stops it.
  1. inability
  2. disability
  3. disability or inability
  4. Incompetence or Insufficiency
সঠিক উত্তর:
disability or inability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
disability or inability
ব্যাখ্যা
⇒ Section: 9 of The Limitation Act,1908-
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
--------------------
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান: সময়ের অবিরাম চলন:
তামাদির সময় একবার চলতে শুরু করলে কোন অক্ষমতা একে থামাতে পারে না। তবে কোন পাওনাদারের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোন দেনাদারের উপর ন্যস্ত থাকলে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
৬,০৪৪.
According to Section 104(2) of CPC, can an appeal be made against an order passed in appeal under this section?
  1. Yes, with the permission of the court
  2. No, appeal is barred against such orders
  3. Yes, if it involves a substantial question of law
  4. Only if both parties agree to appeal
সঠিক উত্তর:
No, appeal is barred against such orders
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No, appeal is barred against such orders
ব্যাখ্যা
Section-104: Orders from which appeal lies-
(1) An appeal shall lie from the following orders, and save as otherwise expressly provided in the body of this Code or by any law for the time being in force, from no other orders:
(ff) an order under section 35A;
(g) an order under section 95;
(h) an order under any of the provisions of this Code imposing a fine or directing the arrest or detention in the civil prison of any person except where such arrest or detention is in execution of a decree;
(i) any order made under rules from which an appeal is expressly allowed by rules:
Provided that no appeal shall lie against any order specified in clause (ff) save on the ground that no order, or an order for the payment of a less amount, ought to have been made.

(2) No appeal shall lie from any order passed in appeal under this section.

ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।
৬,০৪৫.
আরজি সংশোধনের দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. রেফারেন্স
  2. আপিল
  3. রিভিশন
  4. রিভিউ
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
যদি উক্ত সংশোধনী পক্ষগণের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় হলে মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যেকোন পক্ষকে প্রিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা

তবে বিচার শুরু হওয়ার পর প্লিডিংস সংশোধনের আবেদন করা হলে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে চেষ্টা করার পরও বিচার শুরুর পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেনি।

যদি আদালত দেখে বিচার শুরুর পর বিচারকার্যকে বাধাগ্রস্থ বা বিলম্ব করতে এরূপ করা হয়েছে। তখন আদালত আবেদনকারীকে আদেশ দিবেন যেন আপত্তিকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের বা কর্তনের দরখাস্ত মঞ্জুর বা নামঞ্জুরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়।
৬,০৪৬.
তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুসারে, নিম্নোক্ত কোন ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
  3. আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত
  4. মূল মামলার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মামলার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal);
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision);
iv) রায়ের পুনরীক্ষণের দরখাস্ত (Review);
v) অন্য কোন দরখাস্তে ( Any other application)।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে;
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।
৬,০৪৭.
বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোড-এর ১৪৩ ধারায় এই অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে যা ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
৬,০৪৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর তফসিলে (Schedule) নিম্নলিখিত কোন কার্যক্রমের জন্য নির্ধারিত কোনো তামাদি মেয়াদ উল্লেখ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর তফসিলে তিনটি প্রধান বিভাগে তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা আছে:
১. মোকদ্দমা (অনুচ্ছেদ ১-১৪৯)
২. আপিল (অনুচ্ছেদ ১৫০-১৫৭)
৩. দরখাস্ত (অনুচ্ছেদ ১৫৮-১৮৩)
- তবে রিভিশনের জন্য তামাদি আইনের তফসিলে কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।

৬,০৪৯.
"Trial in absentia"-ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৩৮
  2. ৩৩৯(২)
  3. ৩৩৯(খ)
  4. ৩৪২
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়,তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে,অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে।উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে,উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।

Section 339B: Trial in absentia
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৬,০৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান মতে বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা বাতিল করার জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনের কত জন বিচারপতি নিয়ে স্পেশাল বেঞ্চ গঠিত হবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী: তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 99C: Hearing by Special Bench: Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.  
৬,০৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪(ক) ধারায়
  2. ৪(খ) ধারায়
  3. ৪(চ) ধারায়
  4. ৪(জ) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪(খ) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪(খ) ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪(খ)- জামিনযােগ্য অপরাধ (Bailable offence):
তফসিল-২ এ উল্লেখিত অপরাধ এবং বর্তমানে প্রচলিত আইনে যে সকল অপরাধগুলােকে জামিনযােগ্য করা হয়েছে, এগুলাে ছাড়া বাকি সৰ অপরাধ অজামিনযােগ্য।
"bailable offence" means an offence shown as bailable in the second schedule, or which is made bailable by any other law for the time being in force; and "non-bailable offence" means any other offence:

আইনগত হেফাজত থেকে কোন ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়াকে জামিন বলে। জামিনযােগ্য অপরাধ এমন একটি অপরাধ যেখানে অধিকার বলে (As of right) জামিন দাবি করা যায়।
৬,০৫২.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় "বিচার্য বিষয়" কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৪ নং আদেশের বিধি ১ মতে, বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় ( issues of law)।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।
৬,০৫৩.
দণ্ডবিধির ৭০ ধারা অনুযায়ী, সাধারণত অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী কত বছরের মধ্যে?
  1. তিন বৎসরের মধ্যে
  2. পাঁচ বৎসরের মধ্যে
  3. ছয় বৎসরের মধ্যে
  4. দশ বৎসরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ছয় বৎসরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় বৎসরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৭০-এর প্রথম অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে" এটি সাধারণ নিয়ম। তবে এর একটি ব্যতিক্রম হলো: যদি অপরাধীর কারাদণ্ডের মেয়াদ ৬ বছরের বেশি হয়, তাহলে অর্থদণ্ড আদায় করা যাবে উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860 -Section- 70. Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.

৬,০৫৪.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. রিসিভার নিয়োগের পদ্ধতি The Specific Relief Act, 1877 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
  2. রিসিভার নিয়োগের পদ্ধতি The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
  3. রিসিভার নিয়োগে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেনা
  4. The Specific Relief Act, 1877 এর অধীনে রিসিভার নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের পদ্ধতি The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগের পদ্ধতি The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877  এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন বিষয়ঃ মামলার বিচারাধীন সময় রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের উল্লেখ, তার নিযুক্ত পন্থা এবং তার অধিকার, ক্ষমতা কর্তব্য ও দায়- দায়িত্বসমূহ দেওয়ানী কার্যবিধি আইন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
৬,০৫৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা নাকচের আদেশ যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. দায়রা আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা (Section 406A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী:
"যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১২২ অনুযায়ী জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন বা নাকচ করে দেন, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।"

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।




৬,০৫৬.
দণ্ডবিধিতে মানহানি অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তি কী?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
 
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-
 
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে;
 
শাস্তি:
ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৬,০৫৭.
ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকে?
  1. যে তারিখে ডিক্রি ঘোষণা করা হয়েছে
  2. যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
  3. যে তারিখে রায় প্রস্তুত করা হয়েছে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

অর্থ্যাৎ ডিক্রি হচ্ছে-
> আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত (Formal expression of an adjudication); এবং
> পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারন করে (To determine the Rigths of the parties conclusively)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুসারে-
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ডিক্রিতে ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবেন।
৬,০৫৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে ডিক্রির কার্যকর করার বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩৬
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৬  “Application to orders”  এই ধারায় বলা হয়েছে, ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে বিধানগুলো আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য হয়, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে বলে গণ্য হবে।
- অর্থাৎ, আদেশ (Order) কার্যকর করতে গিয়েও ডিক্রি (Decree) কার্যকর করার নিয়ম অনুসরণ করা যায়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৬ ধারার ধারার বিধান আদেশের ক্ষেত্রে প্রয়োগ: 
- এই বিধিতে ডিক্রি কার্যকর করার জন্য যে সকল বিধান আছে, তা যতটুকু প্রযোজ্য, আদেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও সেই বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে।
------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section: 36. Application to orders:
- The provisions of this Code relating to the execution of decrees shall, so far as they are applicable, be deemed to apply to the execution of orders.

৬,০৫৯.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তিসংগত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৯ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০০ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ মোতাবেক- প্রত্যেকটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং উহা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
৬,০৬০.
At what stage can a Judge or Magistrate conduct a local inspection under Section 539B of The Code of Criminal Procedure?
  1. Only before the trial begins
  2. Only after the trial is concluded
  3. Only during the examination of witnesses
  4. At any stage of an inquiry, trial, or other proceeding
সঠিক উত্তর:
At any stage of an inquiry, trial, or other proceeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of an inquiry, trial, or other proceeding
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৯খ ধারার বিধান: সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-539B: Local inspection:
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৬,০৬১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায়ব মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৪৭
  2. ধারা ৪৪৮
  3. ধারা ৪৪৯
  4. ধারা ৪৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৯ অনুসারে, যে কেউ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ধারা ৩০২) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code,1860-Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৬,০৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় কোন আদালতকে তার অধস্তন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. জেলা জজ আদালত
  4. ক এবং খ উভয়কে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা অভিযুক্তর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

Section 435- Power to call for records of inferior Courts

(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 

Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
৬,০৬৩.
সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করলে, কোন ধারা অনুসারে মামলা করা যাবে?
  1. দণ্ডবিধির ৩১৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৩ ধারা: সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারীকে তার দায়িত্ব পালনকালে স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দেয়, অথবা তাকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে গুরুতর আঘাত করে, অথবা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনকালে কিছু করার পরিণামে গুরুতর আঘাত করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 333- Voluntarily causing grievous hurt to deter public servant from his duty:
Whoever voluntarily causes grievous hurt to any person being a public servant in the discharge of his duty as such public servant, or with intent to prevent or deter that person or any other public servant from discharging his duty as such public servant, or in consequence of anything done or attempted to be done by that person in the lawful discharge of his duty as such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৬,০৬৪.
দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায় কোন অপরাধের কথা বলা হয়েছে?
  1. প্রতারণা
  2. ঘুষ গ্রহণ
  3. মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
  4. সরকারি নথি জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা তথ্য পরিবেশন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারি কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারি কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 177- Furnishing false information:
Whoever, being legally bound to furnish information on any subject to any public servant, as such, furnishes, as true, information on the subject which he knows or has reason to believe to be false, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both;
or, if the information which he is legally bound to give respects the commission of an offence, or is required for the purpose of preventing the commission of an offence, or in order to the apprehension of an offender, with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৬,০৬৫.
কোনো ব্যক্তিকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হলে, কোন আদালত বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেয়ার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. উক্ত অপরাধ বিচারকারী আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২- স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।

(৩) যেকোন আপিল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522- Power to restore possession of immovable property

(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.

(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.

(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
৬,০৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে খালাস দিতে পারে?
  1. ধারা ৩৭৫
  2. ধারা ৩৭৬
  3. ধারা ৩৭৮
  4. ধারা ৩৭৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
---------------------------------------
⇒CrPC-Section 376 Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:-
In any case submitted under section 374 the High Court Division-
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
৬,০৬৭.
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারার অধীনে কোন কাজটি শাস্তিযোগ্য?
  1. দশজনের কম ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটনে বাধ্য করা
  2. একক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্য করা
  3. দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ
  4. জনসাধারণকে কোন উন্নয়নমূলক কাজ থেকে বিরত রাখা
সঠিক উত্তর:
দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা- জনসাধারণ বা দশজনের অধিকসংখ্যক ব্যক্তি দ্বারা অপরাধ সংঘটনে সাহায্যকরণ:
জনসাধারণ দ্বারা অথবা দশজনের অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা ব্যক্তিগোষ্ঠী দ্বারা অপরাধ সংঘটনে কেউ সাহায্য করলে তাকে তিন বৎসর পর্যন্ত কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 117- Abetting commission of offence by the public, or by more than ten persons:
Whoever abets the commission of an offence by the public generally or by any number or class of persons exceeding ten, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৬,০৬৮.
কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের গ্রেফতার কাজে সহায়তা করতে অস্বীকার করলে, তিনি দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কারাদণ্ড পেতে পারে-
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা- সরকারী কর্মচারীকে সহায়তা করতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের অনুরূপ সহায়তা না করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীকে তাঁর সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে সহায়তা করতে বা সহায়তা সংগ্রহ করে দিতে আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও অনুরূপ সহায়তা দিতে ইচ্ছাপূর্বক অন্যথা করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা দুইশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
এবং অনুরূপ সহায়তা যদি কোন আদালত হতে আইনসম্মতভাবে দেওয়া সমনাদি বলবৎ করার জন্য অথবা কোন অপরাধের সংঘটন নিবারণের জন্য, অথবা কোন দাঙ্গা বা কলহ দমনের জন্য অথবা কোন অপরাধে বা আইনসম্মত আটক হতে পলায়নের দায়ে অভিযুক্ত বা অপরাধী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সহায়তা দাবি করতে আইনসম্মত-ভাবে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী দাবি করে থাকেন, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 187- Omission to assist public servant when bound by law to give assistance:
Whoever, being bound by law to render or furnish assistance to any public servant in the execution of his public duty, intentionally omits to give such assistance, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both;
and if such assistance be demanded of him by a public servant legally competent to make such demand for the purposes of executing any process lawfully issued by a Court of Justice, or of preventing the commission of an offence, or of suppressing a riot, or affray, or of apprehending a person charged with or guilty of an offence, or of having escaped from lawful custody, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৬,০৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি (Discharge) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৬২
  3. ধারা ৬৩
  4. ধারা ৬৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩-এ বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি (Discharge) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি কোনো পুলিশ অফিসারের দ্বারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাকে নিজের মুচলেকা বা জামিন বা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।
এটি মূলত এই বিষয়টি নিশ্চিত করে যে, বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির প্রতি সঠিক আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং গ্রেফতারের পর তার মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট শর্ত বা আদেশ থাকতে হবে।
- এই শর্তগুলি হল: নিজের মুচলেকা বা জামিন অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ।
- তাহলে, ধারা ৬৩ সঠিক উত্তর, কারণ এটি বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতির বিধান প্রদান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 63. Discharge of person apprehended
- No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

৬,০৭০.
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক- কে ম্যাজিস্টেট আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ক উক্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করবে-
  1. দায়রা জজ-এর আদালতে
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর আদালতে
  3. স্পেশাল জজ-এর আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদোহের জন্য দন্ড দেয় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট আপিল করতে পারবে।
♦যখন কোন মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ পাঁচ বছরের বেশি সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ দেন তখন সংশ্লিষ্ট বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
♦যখন কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায়) বর্ণিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয় তখন হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৬,০৭১.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
  1. ৮৫ক
  2. ৮৫খ
  3. ৮৫গ
  4. ৮৮ক
সঠিক উত্তর:
৮৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫গ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 85C. Presumption as to Digital Signature Certificates:
- The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৬,০৭২.
'রহিম' নাবালক থাকাকালে একটি মামলা করার অধিকার লাভ করে। এই অধিকার অর্জনের পর নাবালক থাকা কালেই সে উন্মাদ হয়ে যায়। রহিমের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. তার নাবালকত্ব অবসান হওয়ার পর থেকে
  2. উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
  3. তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা অবসানের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬ মোতাবেক- যদি এক আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর ( সময় গণনা শরুর আগে ) সে পুনরায় আর এক আইনগত অপারগতায় পতিত হয়, তখন উভয় আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ শুরু হবে এবং যে মেয়াদের মধ্যে সে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারত সেই মেয়াদের মধ্যে তা করতে পারবে।

♦ যেহেতু 'রহিম' নাবালক থাকাকালে পুনরায় উন্মাদ হয়ে যায়, তাই তার নাবালকত্ব এবং উন্মাদনা উভয় অবসানের তারিখ থেকে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
৬,০৭৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪১, বিধি-২ অনুসারে আপীলের স্মারকলিপিতে উল্লেখ না থাকা কোনো কারণ কখন উত্থাপন করা যাবে?
  1. বিপক্ষ পক্ষের সম্মতিতে
  2. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. আপীলকারীর ইচ্ছানুসারে যেকোনো সময়
  4. কোনো কারণ উত্থাপন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-২ এর বিধান  আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে: আপিলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি এমন কোন বিষয় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে উত্থাপন করা যাবে।
- আদেশ ৪১, বিধি ২ অনুযায়ী, স্মারকলিপিতে উল্লেখ না করা কোনো আপত্তির কারণ শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি পেলে শুনানির সময় উত্থাপন করা যাবে। তবে আদালত সেই কারণের ওপর রায় দেবে না, যদি না বিপক্ষ পক্ষকে সেই কারণের ওপর প্রতিদ্বন্দ্বিতার যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়।

- আদেশ ৪১ বিধি-২ হল আপীলে যে সকল সঙ্গত কারণ গ্রহণ করা যাবে:
আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশ করা হয়নি, আপত্তির এরূপ কারণের সমর্থনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত আপীলকারীর বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বা তাকে শ্রবণ করা যাবে না;
কিন্তু আপীল আদালত আপীল নিষ্পত্তিকালে আপীলের স্মারকলিপিতে প্রকাশিত আপত্তির সঙ্গত কারণসমূহ বা অত্র বিধির অধীনে আদালতের অনুমতি ক্রমে গৃহীত কারণসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবেন না,
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোন কারণের উপর ইহার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন না, যদি না, যে পক্ষ উহা দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই পক্ষ উক্ত কারণের উপর মামলায় প্রতিদ্বন্দিতা করার যথেষ্ট সুযোগ পেয়ে থাকে।
- আপীলের স্মারকলিপিতে বা মেমোতে উল্লেখ করা হয়নি, এরুপ কোন কারণ বা হেতু সম্পর্কে আপীলকারী তার বক্তব্য আদালতের অনুমতি ব্যতীত পেশ করবেনা। অর্থাৎ একমাত্র আপীল আদালতের অনুমতি নিয়ে আপীলকারী এমন হেতুসমূহ [grounds] শুনানীকালে উত্থাপন করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-2. Grounds which may be taken in appeal:
- The appellant shall not, except by leave of the Court, urge or be heard in support of any ground of objection not set forth in the memorandum of appeal; but the Appellate Court, in deciding the appeal, shall not be confined to the grounds of objection set forth in the memorandum of appeal or taken by leave of the Court under this rule: 
- Provided that the Court shall not rest its decision on any other ground unless the party who may be affected thereby has had a sufficient opportunity of contesting the case on that ground.
৬,০৭৪.
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ- সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে। A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে। এক্ষেত্রে আদালত ধরে নিতে পারে যে-
  1. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বহীন
  2. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
  3. অভিযোগ বৈধ থাকবে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাখ্যা

ধারা ২২৫- অভিযোগে ভুলের প্রভাব (Effect of Errors)
অভিযোগে অপরাধের নাম বা অপরাধ সম্পর্কিত বিবরণ উল্লেখ করতে গিয়ে কোনো ভুল (error) হলে, বা কোনো তথ্য বাদ (omission) গেলে, সেই ভুল বা বাদ দেওয়া বিষয়টি মামলার কোনো পর্যায়েই গুরুত্বপূর্ণ (material) বলে গণ্য হবে না —
যতক্ষণ না এটি প্রকৃতপক্ষে অভিযুক্তকে বিভ্রান্ত করেছে (misled) এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

উদাহরণ:
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ — সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে।
A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে, এবং সে আত্মপক্ষ সমর্থনও করেনি।
→ এই অবস্থায় আদালত ধরে নিতে পারে যে, অভিযোগের এই ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ (material error), কারণ এতে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয়েছে।

৬,০৭৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীন সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করার মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
--------------
Section 10 Recovery of specific moveable property:
 A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure. 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled. 
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
৬,০৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারায় কাদের দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারকদের
  2. সরকারী কর্মচারীদের
  3. সংসদ সদস্যদের
  4. বয়স্ক ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যদের
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

৬,০৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালত উন্মুক্ত থাকার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫২
  3. ধারা ৩৫৪
  4. ধারা ৩৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৫২-এর অধীন, অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোনো ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, তা উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত হয় এবং সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার থাকে যতদূর সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়। তবে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ মামলার যেকোনো ধাপে সাধারণ জনগণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন, যদি তা সঠিক মনে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

৬,০৭৮.
গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কারাদণ্ড হতে পারে-
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
৬,০৭৯.
Res subjudice এর অর্থ  কি?
  1. আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত বিষয়
  2. আদালত কর্তৃক খারিজকৃত বিষয়
  3. আদালতের বিচারাধীন বিষয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারাধীন বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারাধীন বিষয়
ব্যাখ্যা
♦রেস সাবজুডিস (Res-Sub Judice) একটি ল্যাটিন শব্দ যেখানে Res এর অর্থ হলো বিষয় এবং Subjudice শব্দটির অর্থ হলো বিচারাধীন। সুতরাং রেস সাবজুডিস মানে আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়। এই নীতিটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ এ আলোচনা করা হয়েছে।
৬,০৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী কে অতিরিক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. থানা ইনচার্জ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগই অতিরিক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে অথবা দায়রা আদালতকে তা করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা:
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
- হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।
 -------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken:
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.

৬,০৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কোন বিষয় বলা আছে?
  1. বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার
  2. সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
  3. মৃত্যুদন্ড হ্রাস করণ
  4. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বাটোয়ারা অথবা অংশ বিভাজন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বিধান সম্পত্তি বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ (Partition of estate or separation of share): সরকারি রাজস্ব প্রদানের প্রয়োজনে কোন অবিভক্ত সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য বা সম্পত্তির কোন অংশের পৃথক দখলের জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হলে, কালেক্টর বা মনোনীত কর্মকর্তা বাটোয়ারা বা অংশ পৃথকীকরণ সম্পন্ন করবেন।
-----------
⇒ Section 54. Partition of estate or separation of share:
- Where the decree is for the partition of an undivided estate assessed to the payment of revenue to the Government, or for the separate possession of a share of such an estate, the partition of the estate or the separation of the share shall be made by the Collector or any gazetted subordinate of the Collector deputed by him in this behalf, in accordance with the law (if any) for the time being in force relating to the partition, or the separate possession of shares, of such estates.
৬,০৮২.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, শিশুর কাজের প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. পর্যাপ্ত অর্থ 
  2. পর্যাপ্ত বয়স
  3. পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা
  4. পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা 
সঠিক উত্তর:
পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সী শিশুর কোনো কাজ অপরাধ হবে না, যদি সেই শিশু সংশ্লিষ্ট কাজের সময় তার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা (sufficient maturity of understanding) লাভ না করে থাকে। অর্থাৎ, শিশুর বুদ্ধিমত্তা এবং সচেতনতা বিবেচনা করে দোষীত্ব নির্ধারণ করা হয়।
সুতরাং, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য দায়ী হতে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা থাকা আবশ্যক। বয়স, অর্থ বা অভিজ্ঞতা নয়। অতএব, সঠিক উত্তর ঘ) পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা।

⇒ দণ্ডবিধির ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.
⇒ The Penal Code, 1860, Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

৬,০৮৩.
আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী প্রশ্নমালার উত্তর দানে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. বিবাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. তার জবাব কর্তন করা হবে
  3. বিবাদীকে নতুন সময় দেওয়া হবে
  4. বিবাদীর মোকদ্দমা স্থগিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
তার জবাব কর্তন করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার জবাব কর্তন করা হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
৬,০৮৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালতের নিকট যে কোনো সত্য যা আদালত স্বীকার করতে পারে, তা প্রমাণ করতে হবে না?
  1. ৫৪ ধারার
  2. ৫৬ ধারার
  3. ৫৭ ধারার
  4. ৫৮ ধারার
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারার
ব্যাখ্যা

→ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত যে সমস্ত তথ্য বিচারিকভাবে অবগত বা স্বীকার করে থাকে, সেই তথ্যগুলো প্রমাণ করতে হবে না। এর মানে হলো, আদালত যে তথ্যগুলি সাধারণভাবে জানে, সেগুলোর জন্য প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা:
- যে কোন সত্য, যা আদালত বিচারিকভাবে অবগত বা স্বীকার করে, তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved

৬,০৮৫.
বাতিলকৃত দলিল যদি Registration Act, 1908 অনুসারে নিবন্ধিত হয়, তাহলে আদালত কী করবে?
  1. বাতিলকৃত দলিলটি সরাসরি ধ্বংস করবে
  2. বাতিলের আদেশের পূর্বে নিবন্ধন অফিসারকে জানাবে
  3. বাতিলকৃত দলিলটি পুনরায় নিবন্ধন করবে
  4. নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন অফিসারকে বাতিলের ডিক্রির অনুলিপি পাঠাবে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে— সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়। আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

৬,০৮৬.
ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের অধীনে নিম্নের কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,
  4. জেলা জজ আদালত,
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক এখতিয়ার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্ন আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা থেকে ৪৪২ক ধারা পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা এবং ৪৩৫ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট ডিভিশনকে এবং ৪৩৯ক ধারা এবং ৪৩৫ ধারা মোতাবেক দায়রা আদালতকে রিভিশনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নিম্ন আদালতের বিচারকার্যের যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায়। এর কারণ হল যে, অধঃস্তন আদালতের রায় বা বিচারকার্যের নির্ভুলতা বা বৈধতা নিশ্চিত করা, কেননা বিচারকার্যের যে কোন ত্রুটি ন্যায়বিচারকে ভুল পথে চালিত করতে পারে।

♦ রিভিশন হচ্ছে আদালতের একটি স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary power)।

ফৌজদারি রিভিশনের বৈশিষ্ট্য-
i) রিভিশনে শুধুমাত্র আইনের প্রশ্ন বিবেচনা করা হয়, কিন্তু ঘটনার প্রশ্ন বিবেচ্য হয় না।
ii) আপিলের মত রিভিশন প্রকৃত বিচার কার্যক্রমের চলমান অবস্থা নয়।
iii) যেক্ষেত্রে আপিলের রায় হয়েছে সেই সকল প্রত্যেক মামলায় রিভিশনের জন্য আবেদন করা যায়।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা আছে ৪৩৯ ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগের এবং ৪৩৯ক ধারার অধীন দায়রা জজ আদালতের।
৬,০৮৭.
অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে কী বলা হয়?
  1. Actus reus
  2. Mens Rea
  3. Guilty act
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mens Rea
ব্যাখ্যা
• কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
(i) অপরাধী মন [Mens Rea]; এবং
(ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus reus]।

“Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন' (guilty mind)। অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.
৬,০৮৮.
জবানবন্দির সারমর্ম কোথায় অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. আপিল রেকর্ডে
  2. মামলার নথিতে
  3. আলাদা রেজিস্টারে
  4. মৌখিক বক্তব্য হিসেবে
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথিতে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

বিধি-৩: জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত হতে হবে-
জবানবন্দির সারমর্ম বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে এবং তা নথির অংশে পরিণত হবে।

[Rule.-3: Substance of examination to be written-
The substance of the examination shall be reduced to writing by the Judge, and shall form part of the record]

৬,০৮৯.
উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা দায়ের করতে পারে?
  1. ৫২
  2. ৫৪
  3. ৫৫
  4. ৫৬
সঠিক উত্তর:
৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

(খ) একজন জিম্মাদার জিম্মা ভঙ্গের হুমকি প্রদান করে। তার সহ-জিম্মাদার যদি থেকে থাকে, অবশ্যই এবং উপকার লাভকারী মালিক চুক্তিভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।

(ঘ) একটি অগ্নি এবং জীবন বীমা কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ নৌ-বিমা করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাদেরকে তা হতে বিরত রাখবার লক্ষ্যে ইনজাংশন জারির জন্য যেকোনো অংশীদারই মামলা দায়ের করতে পারেন।

(ঙ) একজন কার্যনির্বাহী 'ক' অসদাচরণ বা দেউলিয়া অবস্থার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিকে বিপদাপন্ন করে তুলেছে। আদালত তাকে তার আয় পাওয়া থেকে নিবৃত্ত রাখবার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
 
(চ) 'খ' এর জিম্মাদার 'ক' জিম্মা সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশের অযৌক্তিক বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 'খ' বিক্রয় থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা রুজু করতে পারে, যদিও আর্থিক ক্ষতিপূরণ তার পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করে।
 
(ছ) 'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারি করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় হতে বিরত থাকবার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' বা তার যেকোনো সন্তান মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঞ) দু'টি সংলগ্ন বাড়ির মালিক 'ক', 'খ' এর নিকট বাড়ি ভাড়া প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে 'গ' এর নিকট অপর বাড়িটি ভাড়া প্রদান করে। অতঃপর 'ক' ও 'গ', 'গ'-কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির পরিবর্তন আরম্ভ করল, যা 'খ' কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যমূলক উপভোগকে বিঘ্নিত করবে। তাদেরকে তেমন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
৬,০৯০.
নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দানের শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. ১৭১ঘ ধারায়
  2. ১৭১চ ধারায়
  3. ১৭১ছ ধারায়
  4. ১৭১জ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭১চ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১চ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার বিধান নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

♦ দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

--------------------
♦ Section 171D. Personation at elections:-Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.

♦ Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:- Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৬,০৯১.
২০০৭ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে কত প্রকার ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার,
- জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, [ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা৬(২)],

• জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর বিধান ২০০৭ সালে Retrospective effect দিয়ে যুক্ত করা হয়।
৬,০৯২.
নিম্নোক্ত কোন বিষয়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় না?
  1. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য
  2. সাক্ষী ঘুষ গ্রহণ করেছে
  3. সাক্ষী দুশ্চরিত্রা
  4. সাক্ষীর সাক্ষ্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দুশ্চরিত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী দুশ্চরিত্রা
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী বর্তমানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় তিনটি উপায়ে। যথা:-
(i) সাক্ষী যে বিশ্বাসের অযোগ্য তা ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা;
(ii) সাক্ষীকে যে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সাক্ষী যে ঘুষের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, অথবা অন্যকোন দুর্নীতিমূলক প্রলোভনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তা প্রমাণ করে;
(iii) বর্তমান সাক্ষের সাথে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষের অসামঞ্জসতা প্রমাণ করে।

♦অর্থাৎ সাক্ষী দুশ্চরিত্রা এই বিষয়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় না।
৬,০৯৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দেওয়ানি পরোয়ানায় গ্রেফতার ও জেলে আটক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়?
  1. ধারা ১২০ক
  2. ধারা ১৩৫ক
  3. ধারা ১৪০
  4. ধারা ১৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩৫ক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:

১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

Section: 135A- Exemption of members of legislative bodies from arrest and detention under civil process:
(1) No person shall be liable to arrest or detention in prison under civil process-
(a) if he is a member of Parliament during the continuance of any meeting of Parliament;
(b) if he is a member of any committee of Parliament, during the continuance of any meeting of such committee; and during the fourteen days before and after such meeting or sitting.

(2) A person released from detention under sub-section (1) shall, subject to the provisions of the said sub-section, be liable to re-arrest and to the further detention to which he would have been liable if he had not been released under the provisions of sub-section (1).
৬,০৯৪.
ধারা ১৯১ অনুযায়ী, মামলা স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে কে?
  1. পুলিশ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অভিযুক্ত
  4. অভিযোগকারী
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা

ধারা ১৯১ – অভিযুক্তের আবেদন অনুযায়ী মামলা স্থানান্তর:
যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আগের ধারা (১) এর উপধারা (ক) অনুযায়ী কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের আগে অভিযুক্তকে জানানো হবে যে, সে চাইলে মামলাটি অন্য আদালতে বিচার করাতে পারবে। যদি অভিযুক্ত (অথবা একাধিক অভিযুক্ত থাকলে তাদের কেউ) এই ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচার করানোতে আপত্তি জানায়, তবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা না চলিয়ে মামলাটি সেশন আদালতে পাঠানো বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

৬,০৯৫.
W/P&A কী?
  1. Warrant of Production and Arrest
  2. Warrant of Publication and Assessment
  3. Warrant of Proclamation and Attachment
  4. Warrant of Probation and Arrest
সঠিক উত্তর:
Warrant of Proclamation and Attachment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Warrant of Proclamation and Attachment
ব্যাখ্যা
♦ আসামী যদি আদালতে গরহাজির থাকে এবং বিচার প্রক্রিয়া হতে পালিয়ে থাকে এবং তাঁকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা না থাকে তখন আদালত তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার জন্য আদেশ করে হুলিয়া জারি করে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
♦ ফৌজদারি মামলায় আসামীর প্রতি সমন ও ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পরেও অথবা আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার পরে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হলে উক্ত আসামী বা আসামীদেরকে পলাতক বা ফেরারী আসামী (absconder) বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারামতে আদালত কর্তৃক এরূপ পলাতক বা ফেরারী আসামীকে নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে (যা ৩০ দিনের কম নয়) হাজির হওয়ার নির্দেশ সম্বলিত ঘোষনাপত্রকে হুলিয়া বা Proclamation বলে । ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারায় পলাতক ব্যক্তির হুলিয়া (Proclamation) এবং ৮৮ ধারায় পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক  (Attachment of property) সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে।
♦ফৌজদারি  কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই বিধান কে একসাথে W/P&A বা Warrant of Proclamation and Attachment বলে।
৬,০৯৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদালত সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে
  2. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. সাক্ষীর আবেদনক্রমে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ:

আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
Order-26 Rule-2- Order for commission: 
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
৬,০৯৭.
রাহিম আরিফের নিকট ৯০ বিঘা জমি বিক্রয়ের চুক্তি করে। পরবর্তীতে দেখা যায়, রাহিম শুধুমাত্র ৬০ বিঘার মালিক এবং বাকী ৩০ বিঘার মালিক একজন তৃতীয় পক্ষ, যিনি জমি বিক্রয়ে রাজি নন। এক্ষেত্রে আদালত কখন রাহিমকে ৬০ বিঘা জমি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. রাহিমের সম্মতি থাকলে
  2. যখন আরিফ সম্পূর্ণ অংশের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবী করে
  3. যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী করে
  4. যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে
সঠিক উত্তর:
যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আরিফ ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে
ব্যাখ্যা
ধারা-১৫: চুক্তির সম্পাদনযোগ্য অংশটি অসম্পাদনযোগ্য অংশের চেয়ে ছোট হলে (Specific performance of part of contract where part unperformed is large)- 
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর অংশ এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটি পালন করতে সমর্থ না হয় কিংবা ঐ অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য না হয়, তাহলে ঐ পক্ষ চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি লাভের অধিকারী হবে না। তবে চুক্তির বৃহত্তর অংশ সম্পাদনের এবং ক্ষতিপূরণ লাভের সমস্ত অধিকার ত্যাগ করলে আদালত বিবাদীকে ক্ষুদ্রতর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারবে।

সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৫ ধারামতে-
কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ বড় হলে, সাধারণত ঐ চুক্তির সুনিদিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ দেয়া যায় না, তবে বাদী ক্ষতিপূরণের দাবি পরিত্যাগ করলে যতটুকু অংশ সম্পাদনযোগ্য তা সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আরিফ যদি ৬০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি হয় এবং ক্ষতিপূরণ দাবী না করে তাহলে আদালত রাহিমকে ৬০ বিঘা জমি বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে।

আরো এক উদহারণ:
রফিক হাসানের নিকট ২০০ বিঘা জমি বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। পরবর্তীতে প্রকাশ পায় যে, রফিক ৮০ বিঘা জমির মালিক এবং বাকী ১২০ বিঘা জমির মালিক অন্য ব্যক্তি, যিনি ঐ জমি বিক্রয় করতে ইচ্ছুক নন। রফিক হাসানের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না। কিন্তু হাসান যদি প্রতিশ্রুতি মোতাবেক টাকা পরিশোধ করতে রাজি থাকে এবং রফিকের মালিকাধীন ৮০ বিঘা জমি গ্রহণে রাজি থাকে এবং রফিকের অবহেলা বা ত্রুটির কারণে ক্ষতিপূরণের দাবী পরিত্যাগ করে, তাহলে আদালত রফিককে ৮০ বিঘা জমি হাসানের নিকট বিক্রয়ের ডিক্রি প্রদান করতে পারে।
৬,০৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার অধীনে পরোয়ানা জারি করার জন্য কর্তৃপক্ষ কে?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছেন
  4. যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যেই বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট শাস্তি প্রদান করেছেন, বা তার স্থলাভিষিক্ত কোনো ব্যক্তি, তিনি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি শাস্তি প্রদান করেছেন, তারই অধিকার আছে সেই শাস্তি কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৬,০৯৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারা অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. আদালতে
  2. সরকারি ব্যাংকে
  3. ক্রেতার কাছে
  4. বিক্রেতার কাছে
সঠিক উত্তর:
আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ক (Section 21A) স্পষ্টভাবে বলে:
“...no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless—
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908,
and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.”
অর্থাৎ, যদি কেউ কোনো স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, ঘর ইত্যাদি) বিক্রয়ের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে চান, তাহলে:
- চুক্তিটি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে, এবং
- চুক্তির যেটুকু মূল্য বাকি আছে, মামলা দায়েরের সময় তা আদালতে জমা দিতে হবে।
 অতএব, চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য আদালতে জমা না দিলে এই ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৬,১০০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি প্রযোজ্য নয়?
  1. মূল মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারায় বর্ণিত বিলম্ব মওকুফের বিষয়টির আইনগত মূল্য অপরিসীম। এই ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল, রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
- তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবল আপিল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
- মূল মামলার ক্ষেত্রে এ তামাদি আইনের ৫ ধারাটি প্রযোজ্য হবে না। কারণ অধিকাংশ দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর হতে ১২ বৎসর পর্যন্ত সম্প্রসারিত কিন্তু এই ধারার বিধান মতে আপিল এবং আবেদনের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন হতে ৬ মাস। যেহেতু আপিলের সময়সীমা কম সেহেতু যুক্তিসংগত কারণে আপিল দায়ের করতে কিংবা রিভিশন সহ অন্যান্য দরখাস্ত দাখিল করতে বিলম্ব হলে এই ধারামতে উপযুক্ত কারণ সাপেক্ষে সেই বিলম্ব মওকুফ করা যাইতে পারে। তাই মূল মামলায় অনেক সময় পাওয়া যায় বিধায় মূল মামলা ৫ ধারা ব্যবহার যোগ্য নহে।

⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।