বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৫৯ / ১২৬ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ১২,৬০৫

৫,৮০১.
ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?
  1. মামলা খারিজ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. আরজি নাকচ
  4. সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরৎ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা ফেরত দিতে হবে।
♦দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি- ১০ অনুযায়ী আরজি ফেরত: (১) মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা উচিত, ঐ আদালতে  আরজি পেশ করার জন্য সেটা ফেরত প্রদান করা যাবে।
♦(২) আরজি ফেরত প্রদানের পদ্ধতিঃ আরজি ফেরত দেয়ার সময় বিচারক এর উপর দাখিলের ও ফেরত দেয়ার তারিখ,দাখিলকারী পক্ষের নাম, এবং তা ফেরত দেয়ার কারণসম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি লিপিবদ্ধ করবেন।
♦এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে। 
৫,৮০২.
দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে কোন ধরনের নিরাপত্তা দেয়?
  1. বিচারককে কারাদণ্ড থেকে রক্ষা করে
  2. বিচারককে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করতে সহায়তা করে
  3. বিচারককে আইন লঙ্ঘনের জন্য সুরক্ষা দেয়
  4. বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
সঠিক উত্তর:
বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারা বিচারককে আইনি ক্ষমতার মধ্যে কাজ করতে সহায়তা করে।

→ দণ্ডবিধির ৭৭ ধারার বিধান বিচার সংক্রান্ত কাজ সম্পাদনকালে বিচারক দ্বারা কৃতকার্য:
-বিচার কাজ পরিচালনাকালে অর্থাৎ বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনাকালে বিচারক দ্বারা তাকে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা বা যে ক্ষমতা তাঁকে আইনে প্রদত্ত হয়েছে তিনি সরল মনে বিশ্বাস করেন সে ক্ষমতানুসারে কৃত কোন কাজ অপরাধ হবে না।
--------------------------------
→ The Penal Code,1860- Section 77: Act of Judge when acting judicially:-
- Nothing is an offence which is done by a Judge when acting judicially in the exercise of any power which is, or which in good faith he believes to be, given to him by law.
৫,৮০৩.
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারানুযায়ী কি কি ভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে?
  1. ঘোষণা দ্বারা,
  2. কর্মের দ্বারা,
  3. কর্ম বিরতি দ্বারা,
  4. 'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' এবং 'গ'-এ বর্ণিত যেকোন ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর উপাদান: এস্টপেল কার্যকরী হতে হলে নিম্নলিখিত উপাদান থাকতে হবে-
ⅰ) যার বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধক কার্যকরী করতে চাওয়া হচ্ছে তিনি বা তার প্রতিনিধি কোন ঘোষনা বা কর্ম বিরতি করেছিলেন।
ii) কিন্তু পরে ঐ ব্যক্তি কিংবা তার প্রতিনিধি এমন কোন দাবী উত্থাপন করলেন যা তার পূর্ব বর্ণিত ঘোষনা বা কর্ম বিরতি প্রভৃতির পরিপন্থি।
iii) মূল ঘোষনা প্রভৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পূর্বের অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছু কাজ করেছিলেন।
iv) মূল ঘোষণা প্রভৃতির দ্বারা প্রতিবন্ধক উত্থাপনকারী পক্ষ কিছু করতে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
ⅳ) মূল ঘোষনা প্রভৃতি দ্বিতীয় ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধির নিকট করা হয়েছিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি দেওয়ানি মামলায় প্রযোজ্য, কিন্তু ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। 
⇒ এস্টপেল আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা বিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য নয়। এস্টপেল সুস্পষ্ট হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

⇒ আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

⇒ অর্থাৎ ঘোষণা টি কোন আইন সম্পর্কে হতে পারে না।
৫,৮০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের বিধি ৯ অনুসারে, স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য ।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৬, বিধি-৯ : স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন : যে-কোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-26 Rule-9. Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.

৫,৮০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮- এর ধারা ৩৯৯ কোন বয়স‑সীমার অপরাধীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ১৮ বছরের বেশি
  2. ১৫ বছরের কম
  3. ২১ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের বেশি
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
৫,৮০৬.
দেওয়ানি আদালত ধারা ৭৫ অনুযায়ী নিম্নের কোন কাজের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারেন?
  1. নতুন আইন প্রণয়ন
  2. স্থানীয় তদন্ত করা
  3. কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান
  4. পুলিশকে গ্রেফতারের আদেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় তদন্ত করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, আদালতের কমিশন প্রেরণের চারটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য আছে। তার মধ্যে একটি হলো: "স্থানীয় তদন্ত করা"- মানে কোনো ঘটনার বা সম্পত্তির বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য আদালত কমিশন নিয়োগ করতে পারেন।
- অর্থাৎ “স্থানীয় তদন্ত করা” ধারা ৭৫ অনুসারে আদালতের কমিশন প্রেরণের একটি বৈধ ও নির্ধারিত উদ্দেশ্য।
- অন্য অপশনগুলো আদালতের কমিশনের মাধ্যমে সম্পাদনের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: খ) স্থানীয় তদন্ত করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা: ৭৫ এর বিধান কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-75: Power of Court to issue commissions.
- Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
৫,৮০৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি ৩২ ধারার বিধান- হাজির না হলে দণ্ড:
- যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Sections- 32: Penalty for default:
-The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may- 
(a) issue a warrant for his arrest; 
(b) attach and sell his property; 
(c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
(d) order him to furnish security for his appearance and in default commit him to the civil prison.
৫,৮০৮.
"A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh". কথাটি উল্লেখ্য আছে-
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৯ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮০ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।

♦ Section 82. Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৫,৮০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারে?
  1. ৩৫৮ ধারার
  2. ৪৫৮ ধারার
  3. ৫৫৮ ধারার
  4. ২৫৮ ধারার
সঠিক উত্তর:
৫৫৮ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৮ ধারার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

• ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৫,৮১০.
“রায়” কীসের ভিত্তি হিসেবে দেওয়া হয়?
  1. মামলার আবেদনের
  2. সাক্ষ্য বা প্রমাণের
  3. ডিক্রি বা আদেশের
  4. আরজি বা লিখিত জবাবের
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বা আদেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি বা আদেশের
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ধারা ২(৯) – “Judgment”:
“রায়” বলতে সেই বিবৃতিকে বোঝায় যা বিচারক ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে প্রদান করেন।
"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:

৫,৮১১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
৫,৮১২.
নালিশী মামলার ক্ষেত্রে কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের উক্ত নালিশ গ্রহণের এখতিয়ার না থাকলে কি করবেন?
  1. ফেরত দিবেন
  2. উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন
  3. খারিজ করবেন
  4. প্রাথমিক তদন্তের জন্য পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
ফেরত দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরত দিবেন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারায় অভিযোগ বা নালিশ ফেরতের (return of complaint) বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০১ ধারামতে নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধটি আমলে নেয়ার ক্ষমতা না থাকলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য নালিশটি (complaint) ফেরত পাঠাবেন। তবে উক্ত অভিযোগ যদি লিখিতভাবে করা না হয়, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদিকে উপযুক্ত আদালতে যেতে নির্দেশ প্রদান করবেন।

তবে GR মামলা ফেরৎযোগ্য নয় ।
৫,৮১৩.
রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার সংক্রান্ত বিধান দণ্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৫ক
  4. ধারা ৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫ক
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক (Section 55A of the Penal Code) এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের অধিকার স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
- ধারা ৫৫ক বলছে:
"Nothing in section fifty-four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment."
অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ ও ৫৫ অনুসারে সরকার দণ্ড রূপান্তর করতে পারলেও, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা, দণ্ড মওকুফ, বিলম্ব বা স্থগিতাদেশ প্রদানের সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকে।

সুতরাং, দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ক-এ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের বিশেষ অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৫৪: শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্যান্য শাস্তিতে রূপান্তরের সরকারি ক্ষমতা।
খ) ধারা ৫৫: আজীবন কারাদণ্ডকে সীমিত মেয়াদে রূপান্তরের বিধান।
ঘ) ধারা ৫৬: বিলুপ্ত ধারা (Transportation শাস্তি সংক্রান্ত)।
৫,৮১৪.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে তা প্রমাণের দায় দাবি কারীর তার উপর বর্তায়?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৯ ধারা
  3. ১০৭ ধারা
  4. ১০৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ০৭ বছর ধরে নিখোঁজ থাকলে যদি উক্ত ব্যক্তিকে কেউ জীবিত দাবী করলে প্রমাণের দায় দাবি কারীর উপর বর্তায়।
৫,৮১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত কোন ধরনের সাক্ষী হতে পারে?
  1. Prosecution witness
  2. Defence witness
  3. both of above
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Defence witness
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Defence witness
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৫,৮১৬.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
  2. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  3. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  4. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

• তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত নাহলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৫,৮১৭.
তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. জড়বুদ্ধতা
  2. নাবালকত্ব
  3. বাকশক্তিহীনতা
  4. অপ্রকৃতিস্থতা
সঠিক উত্তর:
বাকশক্তিহীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকশক্তিহীনতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, জড়বুদ্ধতা বা নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্তু বাকশক্তিহীনতা বৈধ অপারগতা নয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৫,৮১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুসারে, যদি একটি নালিশি মামলার তদন্ত বা বিচার চলাকালীন পুলিশি তদন্ত চলছে বলে প্রতীয়মান হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. মামলাটি বাতিল করবেন
  2. নালিশি মামলাটি অগ্রাধিকার দেবেন
  3. পুলিশি তদন্ত বন্ধ করার নির্দেশ দেবেন
  4. তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং পুলিশ প্রতিবেদন চাইবেন
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং পুলিশ প্রতিবেদন চাইবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং পুলিশ প্রতিবেদন চাইবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ অনুযায়ী, যদি কোনো নালিশি মামলার তদন্ত বা বিচার চলাকালীন একই অপরাধের বিষয়ে পুলিশি তদন্ত চলমান থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেটকে তার তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখতে হয় এবং পুলিশ তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন দাবি করতে হয়। পুলিশের প্রতিবেদন পেলে, যদি সেই প্রতিবেদনে নালিশি মামলার আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ গ্রহণযোগ্য মনে হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি মামলা এবং পুলিশি প্রতিবেদনভিত্তিক মামলাকে একসঙ্গে পরিচালনা করবেন। আর যদি পুলিশ প্রতিবেদন নালিশি মামলার আসামিদের সঙ্গে সম্পর্কিত না হয় বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধ গ্রহণ না করেন, তাহলে স্থগিত রাখা তদন্ত বা বিচার পুনরায় চালু করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫ঘ ধারার বিধান: একটি অপরাধের বিষয়ে একই সাথে নালিশি মামলা ও পুলিশি তদন্ত চলতে থাকলে অনুসরণীয় পদ্ধতি: (১) পুলিশ প্রতিবেদন ব্যতিরেকে অন্য কোন উপায়ে দায়েরকৃত মামলার (অতঃপর নালিশি মামলা মর্মে বর্ণিত হবে) তদন্ত বা বিচার চলাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাঁর আদালতে তদন্ত বা বিচারাধীন অপরাধটি সম্পর্কে একটি পুলিশি তদন্ত চলতেছে মর্মে প্রতীয়মান হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর দ্বারা পরিচালিত তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবেদন চাবেন।
(২) যেক্ষেত্রে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ধারা-৭৩ এর বিধানসাপেক্ষে প্রতিবেদন পেশ করেন এবং এরূপ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তি নালিশি মোকদ্দমার আসামি তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি মামলা এবং পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার একই সাথে তদন্ত বা বিচার করতে পারবেন যাতে উভয় মামলাই পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়ের হয়েছে।
(৩) পুলিশ প্রতিবেদনে নালিশি মামলার কোন আসামি জড়িত না হলে, অথবা পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধ আমলে গ্রহণ না করলে তিনি যে তদন্ত বা বিচার স্থগিত রেখেছিলেন এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে সেই তদন্ত বা বিচারকার্যে অগ্রসর হবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 205D. Procedure to be followed when there is a complaint case and police investigation in respect of the same offence:
(1) When in a case instituted otherwise than on a police report hereinafter referred to as a complaint case, it is made to appear to the Magistrate, during the course of the inquiry or trial held by him, that an investigation by the police is in progress in relation to the offence which is the subject-matter of the inquiry or trial held by him, the Magistrate shall stay the proceedings of such inquiry or trial and call for a report on the matter from the police-officer conducting the investigation.
(2) If a report is made by the investigating police-officer under section 173 and on such report cognizance of any offence is taken by the Magistrate against any person who is an accused in the complaint case, the Magistrate shall inquire into or try together the complaint case and the case arising out of the police report as if both the cases were instituted on a police report.
(3) If the police report does not relate to any accused in the complaint case or if the Magistrate does not take cognizance of any offence on the police report, he shall proceed with the inquiry or trial, which was stayed by him, in accordance with the provisions of this Code.
৫,৮১৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সে পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Witness hearing
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Cross-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief).
- সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন প্রথমবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief) বলা হয়।
- এটি সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম ধাপ যেখানে সাক্ষীর কাছ থেকে তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে সাধারণত সাক্ষীর বক্তব্য বা তথ্য পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে বিরুদ্ধ পক্ষ তখনো তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৫,৮২০.
বাদী ক বিবাদী খ কে নালিশী জমিতে প্রবেশ করে বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানো হতে বারিত করার প্রার্থনায় দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, রুল ১/২ ও ১৫১ ধারা মোতাবেক দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালত বিবাদী খ কে কেন বারিত করা হবে না জানতে চেয়ে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন এবং ততোদিন পর্যন্ত বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আদালতের উক্ত আদেশ-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  4. Interlocutory order
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
♦ আদালতের উক্ত আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
৫,৮২১.
সার্জন ক” জানতো যে খ” কে অপারেশন করলে খ” এর মৃত্যু হতে পারে। কিন্তু খ” এর মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে ক” অপরেশনটি করে। খ” মারা যায়। ক” কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. নিন্দনীয় নরহত্যা
  2. খুন
  3. ভুলবশত খুন
  4. কোন অপরাধ হয়নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা মতে মৃত্যু ঘটানোর জন্য অভিপ্রেত নয় এমন কাজ কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে সরলবিশ্বাসে (Good Faith) সম্মতিসহকারে সম্পাদন করলেও তা অপরাধ নয়।
৫,৮২২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজস্ব জ্ঞান মতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. 190(1)(a)
  2. 190(1)(c)
  3. 190(1)(b)
  4. 190(1)(d)
সঠিক উত্তর:
190(1)(c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
190(1)(c)
ব্যাখ্যা
• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টিউৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-
i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]
• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।
• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
৫,৮২৩.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. বিবাদীর অনুমোদন
  2. আদালতের অনুমতি
  3. বাদীর ২ জন সাক্ষী
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
৫,৮২৪.
ধারা ১৪৪ অনুযায়ী, মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে কত বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে?
  1. ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত
  2. ১ বছর পর্যন্ত
  3. ২ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা মতে মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রয়েছে।

♦ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করা :- কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------------------------
♦ Section 144. Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:- Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫,৮২৫.
সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বেআইনী সমাবেশে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে-
  1. কেবল অপরাধ সংঘটনকারীদের দণ্ডিত করা হবে
  2. সমাবেশের নেতাদের দণ্ডিত করা হবে
  3. সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
  4. কেবল অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারা- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 149- Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.
৫,৮২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুসারে কোন তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. প্রথম তফসিলে
  2. পঞ্চম তফসিলে
  3. সপ্তম তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুযায়ী, “...the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.”
অর্থাৎ, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, পঞ্চম তফসিলে যেসব ফর্ম নির্ধারিত আছে, সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং সেগুলো ব্যবহৃত হলে তা যথেষ্ট বিবেচিত হবে। এই ধারা ধারা ৫৫৪ এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৭ এর ক্ষমতা অনুসারে কার্যকর হয়।
-  এই ধারা ফৌজদারি মামলার বিভিন্ন কার্যধারা সহজতর করতে নির্ধারিত ফর্ম ব্যবহারের বৈধতা দেয়।
সুতরাং, পঞ্চম তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহারের কথা ধারা ৫৫৫-এ বলা হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 555. Forms:
Subject to the power conferred by section 554, and by 549[article 107 of the Constitution of the People's Republic of Bangladesh], the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.
৫,৮২৭.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন?
  1. চুক্তি আইন
  2. তামাদি আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

⇒পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

⇒তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৫,৮২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মূল ডিক্রি হতে আপিলের বিধান আছে-
  1. আদেশ ৪০
  2. আদেশ ৪১
  3. আদেশ ৪৩
  4. আদেশ ৪৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪১ এ মূল ডিক্রী হতে আপিল বিষয়ক বিধান আছে।
⇒ আদেশ ৪১-৪৫ এবং ধারা ৯৬-১১২ পর্যন্ত আপিল সংক্রান্ত বিধান আছে।
 
আপিল(Appeal)- মোকদ্দমার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে, তাকে আপিল বলে।
- আপিল হলো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মামলার রায় অনুমোদনযোগ্য কিনা তা পুনরায় নির্ধারণের জন্য নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালতে প্রেরণের অধিকার।
- অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ থেকে ১১২ ধারা পর্যন্ত দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান উল্লেখ রয়েছে। নিম্নে দেওয়ানী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ আলোচনা করা হলো-
ⅰ) মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-৯৬ থেকে ৯৯, আদেশ-৪১;
ii) আদেশের বিরুদ্ধে আপিল: ধারা-১০৪ থেকে ১০৬, আদেশ-৪৩;
iii) আপীলের সাধারণ বিধানমসূহ: ধারা-১০৭ থেকে ১০৮;
iv) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল: ধারা-১০৯ থেকে ১১২; এবং
v) নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল: আদেশ-৪৪।
৫,৮২৯.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধী সম্পত্তি বিশ্বাসভরে দখলে পেয়ে থাকে 
  2. উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
  3. উভয় ক্ষেত্রে অপরাধের বিষয়বস্তু স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
  4. অপরাধী সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করে 
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ। অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের সংজ্ঞা (Dishonestly misappropriation of property)- স্বাভাবিকভাবে বা দৈবচক্রে কোন সম্পত্তি দখলে আসার পর, প্রকৃত মালিকের খোঁজ খবর না নিয়েই অথবা প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া গেলে তাকে উক্ত সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে নিজে ভোগ করলে তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ হবে।
⇒ প্রাথমিকভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করলেই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ হবে না বরং পরবর্তীতে যখনই সম্পত্তিটি অসাধুভাবে নিজ ব্যবহারে পরিণত করা হয়, তখনই তা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ বলে গণ্য হবে।
⇒ যেমন- 'A' নিজের মনে করে 'X'-এর সম্পত্তি সরল মনে 'X'-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'A' চুরির জন্য দায়ী হবে হবে না: কিন্তু যদি 'A' নিজের ভুল বোঝার পরেও অসাধুভাবে সম্পত্তিটি তার নিজের ব্যবহারের জন্য আত্মসাৎ করে, সেক্ষেত্রে 'A' অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাতের অপরাধে দায়ী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাঙ্করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় না।
- তাই উল্লিখিত প্রশ্নে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করণের ক্ষেত্রে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করা হয় তথ্যটি সঠিক নয়।
৫,৮৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কখন কোনো দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যদি দলিলটি প্রত্যয়িত কপি হয়
  2. যদি দলিলটি মোকদ্দমার শেষে উপস্থাপন করা হয়
  3. যদি দলিলটি পক্ষগণের সম্মতিতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে কোনো দলিলকে অপ্রাসঙ্গিক বা অগ্রহণযোগ্য মনে করলে তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে এবং প্রত্যাখ্যানের কারণ রেকর্ড করবে। এটি নিশ্চিত করে যে মোকদ্দমায় শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য দলিল ব্যবহৃত হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.

৫,৮৩১.
প্ররোচনাকারীর সংজ্ঞা রয়েছে-
  1. দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১০৮ক ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারীর (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ সাধারণত যে ব্যক্তি অপরাধে প্ররোচনা প্রদান করে বা অপরাধের সহায়তা করে তাকে প্ররোচনাকারী বা Abettor বলে।

♦ দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

♦ কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থেকে সহায়তা করা বা প্ররোচনা দান করাও একটি অপরাধ, যদিও প্ররোচনাদাতা স্বয়ং কাজটি করতে বাধ্য নয়।

♦ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় প্ররোচনার (Abetment) বিধান রয়েছে এবং দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী বা প্ররোচনা দাতার (Abettor) সংজ্ঞা রয়েছে।
৫,৮৩২.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারা অনুযায়ী breach of contract-এর জন্য compensation চাওয়া যায়?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৯ এর অধীনে চুক্তি ভঙ্গের (breach of contract) জন্য ক্ষতিপূরণ (compensation) দাবি করার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। এই ধারাটি বলে যে, যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের ফলে একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সেই পক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। এছাড়াও, এই ধারা অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালনের (specific performance) পাশাপাশি বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। আদালত এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এমনকি যদি সুনির্দিষ্ট পালন সম্ভব না হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
-কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 -Section-19: Power to award compensation in certain cases: 
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation:- The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.

৫,৮৩৩.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের করতে হয়?
  1. আপীল;
  2. রীট;
  3. রিভিউ;
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল কিংবা রিভিউ চলবে না।
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১১৫ ধারা অনুযায়ী যেখানে আপীল করা যায় না সেখানে রিভিশন করা যায়।
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারার ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষকে রিভিশন করতে হয়।
৫,৮৩৪.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-

(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------------------------------
♦ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

♦ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
৫,৮৩৫.
যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে কোন আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে
  4. উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
সঠিক উত্তর:
উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত এখতিয়ারের যেকোনো এক আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮ এর বিধান আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে মোকদ্দমা দায়েরের স্থান (Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain): স্থাবর সম্পত্তি দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সেই সম্পর্কে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, যে কোন একটি আদালত অনিশ্চয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করে মোকদ্দমা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন; তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও মূল্য আদালতের এখতিয়ারের বাহিরে হবে না।
→ অর্থাৎ যদি দুই বা ততোধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে কোন স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকে, তাহলে উক্ত যেকোনো এক আদালত মোকদ্দমাটি গ্রহণ করতে পারে।

- আপিল বা রিভিশন আদালতে যদি এই মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, সম্পত্তিটি যে স্থানে অবস্থিত সেই স্থানের আদালত ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করেনি, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত আপত্তিটি মঞ্জুর করবেন না, তবে এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ থাকলে এবং ন্যায় বিচার ব্যর্থ হলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করতে পারে।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮ ধারাতে-
১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যে-রূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকত:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসংগত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
------------
The Code of Civil Procedure, 1908 section- 18. Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain:
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice.
৫,৮৩৬.
একজন পরিবহনকারী তার কর্তব্যাধীন মাল নিয়ে বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। সে দণ্ডবিধির কত ধারার আওতায় দণ্ডিত হবে?
  1. ধারা ৪০৩
  2. ধারা ৪০৫
  3. ধারা ৪০৭
  4. ধারা ৪০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৫,৮৩৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বলপ্রয়োগের উপাদান কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে। 
------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
৫,৮৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ধারায় আদালত সরকারী কর্মকর্তাকে আটক এবং ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
  1. ৮০ ধারায়
  2. ৮১ ধারায়
  3. ৮২ ধারায়
  4. ৮৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮১ ধারা মতে গ্রেফতার ও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি (Exemption from arrest and personal appearance) পদাধিকার বলে কৃত কোন কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে-তাকে ডিক্রি জারি ব্যতীত গ্রেফতার করা বা তার সম্পত্তি ক্রোক করা যাবে না । আদালত তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ পদাধিকারবলে কৃত কোন কাজের জন্য কোন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়ে থাকলে, বিবাদীকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং ডিক্রি জারী ব্যতীত অন্য কোন কারণে তার সম্পত্তি ক্রোক করা চলবে না এবং যেক্ষেত্রে আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, বিবাদী জনসেবার ক্ষতি না করে তার কর্তব্য হতে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত তাকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে।
৫,৮৩৯.
রিসিভারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. রিসিভারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. রিসিভারের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।

৫,৮৪০.
Which type of court can order the sale of immovable property in execution of decrees?
  1. Only District Courts
  2. Court of Small Causes
  3. Only High Court
  4. Any Court except a Court of Small Causes
সঠিক উত্তর:
Any Court except a Court of Small Causes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any Court except a Court of Small Causes
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৮২: কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে:
স্মল কজ আদালত ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

Rule 82: What Courts may order sales-
Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
৫,৮৪১.
What types of injunctions can the Court grant under Section 52?
  1. Only temporary
  2. Only perpetual
  3. Temporary or perpetual
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Temporary or perpetual
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Temporary or perpetual
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে,
স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৫,৮৪২.
সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানের শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ১৮৯ ধারায় সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদানে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
৫,৮৪৩.
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি ১২ক- আপিল মুলতুবি (Adjournment in appeal):
- আপিলের ক্ষেত্রে কোন পক্ষের অনুরোধে আপিল আদালত ৩ বারের অধিক সময় মঞ্জুর করবেন না ।
- ৩ বারের বেশি মুলতবি করলে আদালত সর্বনিম্ন ২০০ টাকা ও অনধিক ১০০০ টাকা খরচ অপর পক্ষকে প্রদানের নির্দেশ দিবেন।
- আপিলকারী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- আপিল খারিজ হবে;
প্রতিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে- একতরফা নিষ্পত্তি হবে।

⇒ একতরফাভাবে কোন আপিল খারিজ বা নিষ্পত্তি করা হলে তা শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত করতে হলে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে এবং নূন্যতম ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ দিতে হবে। তবে খরচ সহ কয়টি মুলতুবি মঞ্জুর করা হবে তা উল্লেখ করা হয়নি।
⇒ কোন পক্ষ আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ একবারই পাবেন।

অর্থাৎ,
যে পক্ষের খরচ প্রদানের ব্যর্থতায় আপিল খারিজ হয়েছে বা একতরফা নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ উক্ত আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করতে পারে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে। আদালত সর্বনিম্ন ২০০ এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদানের শর্তে প্রত্যেক পক্ষে সর্বোচ্চ একবার এরকম আবেদন মঞ্জুর করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-41 Rule-12A-Adjournment in appeal:
(1) The Appellate Court shall not grant more than three adjournments for hearing of an appeal at the instance of either party to the appeal, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay such cost which shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka to the other party as the Court may deem appropriate and determine, non-compliance with which, by the appellant shall render the appeal liable to be dismissed and, by the respondent shall render the appeal liable to be disposed of ex parte.

(2) An appeal dismissed or disposed of ex parte under sub-rule (1) shall not be revived for hearing unless the party, for whose non-compliance the appeal was dismissed or disposed of ex parte, makes, within thirty days of such dismissal or ex parte disposal, an application to the court for such revival; and upon such application being made, the Court shall award such cost as shall not be less than two hundred taka and more than one thousand taka as it may deem appropriate and determine, and the cost being deposited, the appeal shall be revived for hearing without any further proceeding; and the cost deposited in the Court shall be paid by it to the other party:
Provided that no appeal shall be revived more than once at the instance of the same party under this rule.

(3) The Appellate Court shall not, of its own, order any adjournment at the stage of hearing of appeal without recording reasons therefor.
৫,৮৪৪.
দণ্ডবিধি অনুসারে মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৬০ অনুসারে, মারামারির (Affray) অপরাধে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________
⇒ The Penal Code, 1860- Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

৫,৮৪৫.
Which authority has the power to fix the local limits of jurisdiction of the civil courts mentioned in the Civil Courts Act, 1887?
  1. The Government
  2. The High Court Division
  3. The Appellate Division
  4. The High Court Division with consultation of Government
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 Section 13: Power to fix local limits of jurisdiction of Courts-

(1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the local limits of the jurisdiction of any Civil Court under this Act. 
 
(2) If the same local jurisdiction is assigned to two or more Joint District Judges or to two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, the District Judge may assign to each of them such civil business cognizable by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, as, subject to any general or special orders of the High Court Division, he thinks fit. 
 
(3) When civil business arising in any local area is assigned by the District Judge under sub-section (2) to one of two or more Joint District Judges or to one of two or more Senior Assistant Judges or Assistant Judges, a decree or order passed by the Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge shall not be invalid by reason only of the case in which it was made having arisen wholly or in part in a place beyond the local area if that place is within the local limits fixed by the Government under sub-section (I). 
 
(4) A Judge of a Court of Small Causes appointed to be also a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge is a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge, as the case may be, within the meaning of this section. 
 
(5) The present local limits of the jurisdiction of every Civil Court under this Act shall be deemed to have been fixed under this section.
৫,৮৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত?
  1. মুখ্য মহানগর হাকিম
  2. দায়রা জজ
  3. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডিত হবার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন ভবঘুরেকে শান্তিরক্ষার মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
৫,৮৪৭.
যথাযথভাবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিনের মধ্যে বিবাদীর প্রতি সমন ইস্যু করতে হবে?
  1. অব্যবহিত পরেই
  2. ৫ কার্যদিবস
  3. ৭ কার্যদিবস
  4. ১০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
৫,৮৪৮.
কোন আদালত এক তরফা অন্তবর্তীকালীন আদেশ প্রদান করবে না-
  1. বে-সরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে
  2. সরকারের বিরুদ্ধে
  3. বে-সরকারি বিবাদীর বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক বিধান অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না:

- কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

বিধি-৫ অনুসারে কোন কর্পোরেশনের বা অফিসের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলে তা উহার কর্মকর্তাদের উপর বাধ্যতামূলক ভাবে কার্যকর হয়।
বিধি-৫ক ‘তে বলা আছে অতি জরুরি বিষয় ছাড়া সরকারের বিপক্ষে এক-তরফা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না।
----------
Order-39 Rule-5A. No order of ad interim or temporary injunction without hearing the opposite party:
(1) Court shall not, without serving reasonable notice to the Government Pleader and giving him or any Pleader authorised by him in that behalf an opportunity of being heard, pass ex parte any order of ad interim or temporary injunction under any of the aforesaid rules of this Order at the instance of a private party against the Government or any statutory public authority, if such order is likely to prejudice or interfere with any measure designed to implement any development programme, or any development work or otherwise harm public interest.

(2) The Court shall, in all cases where a private party makes an application for ad interim or temporary injunction against another private party, direct notice of the application to the opposite party, unless it appears that the object or granting the injunction would be defeated by the delay.

(3) If any order of ad interim or temporary injunction is passed ex-parte at the instance of a private party against another private party, the Court shall hear and dispose of the matter on merit within seven days of appearance of the opposite party, unless the period is extended further at the instance of the opposite party; and any such order of ad interim or temporary injunction shall stand vacated, if the party at whose instance it was passed, prays for adjournment, or on being called upon by the Court, fails to attend hearing.
৫,৮৪৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী কখন চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) দেয়া যায়?
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. যে কোন সময়ে
  3. ডিক্রির মাধ্যমে
  4. আদেশের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-53:
- Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৫,৮৫০.
খবরের সত্যতা সম্পর্কে ইনকোয়ারী কত ধারায় করা হয়?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৪ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৭ ধারার বিধান: সংবাদের সত্যতা বিষয়ক তদন্ত: (১) যখন আদালতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির নিকট ধারা-১১২ মতে প্রদত্ত আদেশ ধারা-১১৩ মতে পড়ে শুনে শুনানো হয় বা ব্যাখ্যা করে দেয়া হয় বা যখন ধারা-১১৪ মতে প্রদত্ত সমন মান্য করে বা পরোয়ানা নির্বাহে কোন ব্যক্তি কোন ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থিত হন বা কোন ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সমক্ষে আনয়ন করা হয়, তখন, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে সংবাদের উপর ভিত্তি করে ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে সেই সংবাদের সত্যতা বিষয়ে তদন্তানুষ্ঠানে অগ্রসর হবেন, এবং আরও যে সাক্ষ্য নেয়া আবশ্যক বলে প্রতীয়মান হতে পারে তা নিবেন।

----------------
♦ Inquiry as to truth of information
Section 117.(1) When an order under section 112 has been read or explained under section 113 to a person present in Court, or when any person appears or is brought before a Magistrate in compliance with, or in execution of, a summons or warrant, issued under section 114, the Magistrate shall proceed to inquire into the truth of the information upon which action has been taken, and to take such further evidence as may appear necessary.
৫,৮৫১.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ৪৬ নং আদেশ
  2. ৩৬ নং আদেশ
  3. ৫৬ নং আদেশ
  4. ২৬ নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রপতির ৪৬ নম্বর আদেশ, Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 দ্বারা বার কাউন্সিল গঠিত হয়। এই কাউন্সিল আইনজীবীদের পেশার সনদপ্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে, সকল আইনজীবীর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনা করে ইত্যাদি।
৫,৮৫২.
Under Rule 8 of Order 14, The maximum time allowed for fixing the date of final hearing is-
  1. 30 days
  2. 60 days
  3. 90 days
  4. 120 days
সঠিক উত্তর:
120 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
120 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-8. Fixing date for final hearing:
After the issues are framed, the Court shall, within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৪, বিধি-৮: চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ:
ইস্যু নির্ধারণের পর, আদালত একশত বিশ (১২০) দিনের মধ্যে মামলার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।

৫,৮৫৩.
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়,তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. খালাস বলে গণ্য হবে
  2. অব্যাহতি বলে গণ্য হবে
  3. মুক্তি বলে গণ্য হবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়,তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে;যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়,সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

[When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.]
৫,৮৫৪.
ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য কোন বিষয়ে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বাক্ষরের তারিখ
  2. স্বাক্ষরকারীর পরিচয়
  3. সম্পত্তির অবস্থান 
  4. স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।
ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

৫,৮৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার অধীনে কোন ধরনের ঘটনা প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. শুধুমাত্র ঘটনার পূর্ববর্তী ঘটনা
  2. যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
  3. যেসব ঘটনা অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়
  4. যেসব ঘটনা সরাসরি অপরাধ প্রমাণ করে
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা করে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৫,৮৫৬.
Section 75 of the Evidence Act, 1872 deals with:
  1. Primary evidence
  2. Secondary evidence
  3. Public document
  4. Private document
সঠিক উত্তর:
Private document
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Private document
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারায় বেসরকারি দলিল (Private Document) সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী,
প্রাইভেট ডকুমেন্ট (Private Document) হলো সেই সকল নথি বা দলিল যা পাবলিক ডকুমেন্টের অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ, সরকারি কর্তৃপক্ষের দ্বারা সংরক্ষিত বা প্রকাশিত নয় এমন নথি প্রাইভেট ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য হয়।

উদাহরণ: ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, বিক্রয় চুক্তি, উইল, দানপত্র, কবলা দলিল ইত্যাদি।

৫,৮৫৭.
আমানত গ্রহীতা থেকে অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ-
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৫

আমানত গ্রহীতা বা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে‌ আমানতী বা বন্ধকী অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা
তামাদি- ৩০ বছর
সময় গণনা শুরু- আমানত রাখা বা বন্ধক দেওয়ার তারিখ হতে।
৫,৮৫৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন ধারায় Second Revision এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ১১৫(১)
  2. ১১৫(২)
  3. ১১৫(৪)
  4. ১১৫(৫)
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫(৪)
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(৪) এ leave for revision এর বিধান আছে। এটাকে ২য় রিভিশনও বলা হয়। বিভিশন এখতিয়ার প্রয়োগকালে জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজ যে আদেশ প্রদান করে তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫ (৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দিলে গুরুত্বপূর্ণ আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশনের অনুমতি মঞ্জুর করে সেই ক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) অথবা (৩) এর অধীনে প্রদত্ত জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে দরখাস্ত করা যাবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ যেরূপ উপযুক্ত মনে করে মোকদ্দমা বা কার্য প্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
-----------------
Section 115(4) An application to the High Court Division for revision of an order of the District Judge or, Additional District Judge, as the case may be, made under sub-section (2) or (3) shall lie, where the High Court Division grants leave for revision on an error of an important question of law resulting in erroneous decision occasioning failure of justice, and the High Court Division may make such order in the suit or proceeding as it thinks fit.
৫,৮৫৯.
ধারা ৪৮ অনুযায়ী, কোন বিষয়ে আদালত অভিমত গ্রহণ করতে পারে?
  1. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  2. সাধারণ আইন সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত
  3. সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
  4. সাক্ষীর সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।
ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ-
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.
Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration-
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৫,৮৬০.
একতরফা আদেশ সরাসরি রদ-রহিতের ক্ষেত্রে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৪০০০
  3. ১০০০
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
৩০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশের ৬ বিধির ১(ক) অনুযায়ী শুনানীর জন্য নির্ধারিত দিনে বিবাদী হাজির না হলে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি দিতে পারে। উক্ত একতরফা ডিক্রি সরাসরি রদের জন্য ৯ আদেশের ১৩ক বিধির অধীন ৩০ দিনের মধ্যে হলফনামাসহ আবেদন করতে হবে। আদালত বিলম্ব অবসান ও বিচার ত্বরান্বিত করানোর জন্য আদালতকে সন্তুষ্ট করার জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপনের নির্দেশ না দিয়ে, সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ দিতে পারে এবং একই সাথে বিবাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।

 ৯ নং আদেশের ১৩ নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

⇒ ঐ সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
৫,৮৬১.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের অধীনে আদালত বিচার্য বিষয় না থাকলে প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪
  2. আদেশ ১৫
  3. আদেশ ১৬
  4. আদেশ ১৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
৫,৮৬২.
নিচের কোন বিষয়টি Shall presume এর অন্তর্ভূক্ত?
  1. Presumption as to physical or forensic evidence.
  2. Presumption as to digital communication.
  3. Presumption as to Gazettes in digital forms.
  4. Presumption as to telegraphic messages.
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Gazettes in digital forms.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to Gazettes in digital forms.
ব্যাখ্যা
⇒ Section 81A Presumption as to Gazettes in digital forms.- The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.

⇒ Section 89A. Presumption as to physical or forensic evidence.- The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.

⇒ Section 88 Presumption as to telegraphic messages: The Court may presume that a message, forwarded from a telegraph office to the person to whom such message purports to be addressed, corresponds with a message delivered for transmission at the office from which the message purports to be sent; but the Court shall not make any presumption as to the person by whom such message was delivered for transmission.

⇒ Section 88A. Presumption as to digital communication.- The Court may presume that a digital communication forwarded by the originator through a digital communication or message server to the addressee to whom the message purports to be addressed corresponds with the message as fed into his computer or fed into other forms of digital device for transmission; but the Court shall not make any presumption as to the persons by whom such message was sent.

Explanation.- For the purposes of this section, the expressions “addressee” and “originator” shall have the same meanings respectively assigned to them in clauses (22) and (24) of section 2 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৫,৮৬৩.
একটি সমনের কপি আদালতের ভবন এবং বিবাদীর শেষ বাসস্থানে টাঙানো হয়েছে, কিন্তু বিবাদী দাবি করছে যে সে কখনো দেখেনি। আইন অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধির Order 5 Rule 20(2) এর অধীনে এই সমন-
  1. অবৈধ
  2. আংশিক কার্যকর
  3. ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
  4. শুধুমাত্র পরামর্শমূলক
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া সমনের মত কার্যকর
ব্যাখ্যা

Order 5 Rule 20(2) অনুযায়ী- আদালতের আদেশে বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি দেওয়া সমনের সমান কার্যকর। যদিও বিবাদী সমন দেখেনি, তবুও আইন অনুযায়ী সে লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার সমান গণ্য হবে।

• আদেশ ৫, বিধি ২০- বিকল্প/প্রতিস্থাপিত সমন দাখিল:
(১) বিকল্প সমনের কারণ ও পদ্ধতি: যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে- বিবাদী সমন এড়ানোর উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত আছে, অথবা অন্য কোনো কারণে সাধারণ পদ্ধতিতে সমন পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাহলে আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে- সমনের একটি কপি আদালতের প্রধান ভবনের (Court-house) কোনো স্পষ্ট স্থানে টাঙানো হবে, এবং সমনের একটি কপি সেই বাড়ির কোনো স্পষ্ট স্থানে (যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা নিজের উপার্জনের কাজ করেছিল) টাঙানো হবে, অথবা যে কোনো অন্য উপায়ে, যা আদালত যথাযথ মনে করে, সমন প্রদান করা হবে।
 
(১ক) সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া: যদি আদালত উপ-ধারা (1)–এর মাধ্যমে সমন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় - সংবাদপত্রটি অবশ্যই দৈনিক হতে হবে, এবং সেই এলাকার মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে যেখানে বিবাদী শেষবার বাস্তবে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করেছিল, ব্যবসা করেছিল বা কাজ করেছিল।
 
(২) বিকল্প সমনের কার্যকারিতা: আদালতের আদেশ অনুযায়ী বিকল্পভাবে দাখিল করা সমন, ব্যক্তিগতভাবে বিবাদীর কাছে পৌঁছানো সমনের সমান কার্যকর হবে।
 
(৩) উপস্থিতির সময় নির্ধারণ: আদালতের আদেশ অনুযায়ী যদি সমন বিকল্পভাবে দাখিল করা হয়, আদালত বিবাদীর উপস্থিতির সময় নির্ধারণ করবে, যা মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী যথোপযুক্ত হবে।

৫,৮৬৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ অনুযায়ী, রিসিভারকে নিম্নলিখিত কোন ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে?
  1. মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ
  2. সম্পত্তি উদ্ধার, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন
  3. ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ ও প্রয়োগ
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ (Order XL)-এর অধীনে রিসিভার (Receiver) নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
- আদেশ ৪০-এর বিধি অনুযায়ী, আদালত রিসিভারকে সম্পত্তি সংরক্ষণ, উন্নয়ন, মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ এবং সেগুলো ব্যবহারের মতো সমস্ত প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, যা মালিক নিজে করতে পারতেন বা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে। তাই উপরোক্ত সব ক্ষমতা রিসিভারকে দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০ রিসিভার নিয়োগ:
১(১) যদি আদালতের নিকট এটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত আদেশ দ্বারা—
(ক) যে কোনো সম্পত্তির (ডিক্রি প্রদানের পূর্বে বা পরে) রিসিভার নিয়োগ করতে পারে;
(খ) কোনো ব্যক্তিকে ঐ সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করতে পারে;
(গ) উক্ত সম্পত্তি রিসিভারের দখল, হেফাজত বা ব্যবস্থাপনায় দিতে পারে; এবং
(ঘ) রিসিভারকে এমন সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারে—যেমন মামলা দায়ের ও প্রতিরক্ষা গ্রহণ, সম্পত্তি উদ্ধার, ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন, ভাড়া ও মুনাফা সংগ্রহ, সেগুলোর প্রয়োগ ও ব্যয়, এবং দলিল সম্পাদন—যেমন মালিক নিজে করতে পারতেন, অথবা আদালত যেটুকু উপযুক্ত মনে করে সেই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে।
১(২) এই বিধানের কিছুই আদালতকে কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল বা হেফাজত থেকে অপসারণ করার ক্ষমতা প্রদান করে না, যদি না মামলার কোনো পক্ষ সেই ব্যক্তিকে বর্তমানে অপসারণ করার অধিকার রাখে।
২ পারিশ্রমিক: রিসিভারের সেবার জন্য আদালত সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারে।
--------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XL – Appointment of Receivers:
1. Appointment of Receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order—
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property;
(c) commit the same to the possession, custody, or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation, and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

2. Remuneration of Receiver:
The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৫,৮৬৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান কী?
  1. Warrant directed to police-officer
  2. Where warrant may be executed
  3. Notification of substance of warrant
  4. Person arrested to be brought before Court without delay
সঠিক উত্তর:
Where warrant may be executed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Where warrant may be executed
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
⇒ CrPC Section 82: Where warrant may be executed: A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.

-CrPC Section 79: Warrant directed to police-officer:
 A warrant directed to any police-officer may also be executed by any other police-officer whose name is endorsed upon the warrant by the officer to whom it is directed or endorsed.
-CrPC Section 80: Notification of substance of warrant:
 The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall notify the substance thereof to the person to be arrested, and, if so require, shall show him the warrant.
-CrPC Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay:
The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
৫,৮৬৬.
রাতের বেলায় আরিফ তার বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তখন সে দেখতে পায় যে, কিছু লোক তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে। আরিফ সম্পত্তি রক্ষা করতে বাধ্য হয়ে আক্রমণকারীদের বাঁধা দেয় এবং এতে তাদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনা দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. বৈধ
  2. বেআইনি
  3. শাস্তিযোগ্য
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১০৩ : যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা;
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।

Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৫,৮৬৭.
ফৌজদারি মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি
  3. অভিযুক্তকে খালাস
  4. অভিযোগকারীকে শাস্তি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
৫,৮৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় কয় শ্রেণীর লোককে সাক্ষী রূপে আহ্বান করা যায় না তবুও তাদের সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ২ শ্রেণীর
  2. ৩ শ্রেণীর
  3. ৪ শ্রেণীর
  4. ৫ শ্রেণীর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির (মৃত ব্যক্তি, নিখোঁজ ব্যক্তি, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, যে অযৌক্তিক বিলম্ব দ্বারা আদালতে হাজির হয় না) ৮ ধরনের সাক্ষী সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে।
৫,৮৬৯.
ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন কোথায় করতে হবে?
  1. আদেশ প্রদানকারী আদালত অপেক্ষা উচ্চ আদালতে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দিয়েছিল, সেই আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এমর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৫,৮৭০.
গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি রোধের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১৪২ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
- কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লিখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 143. Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
- A District Magistrate or any other Executive Magistrate empowered by the Government or the District Magistrate on this behalf may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
৫,৮৭১.
ফৌজদারি দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কৃত আপিল নিষ্পত্তিতে আদালত-
  1. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারে
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. শাস্তি বহাল রাখতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারি আপিল নিষ্পত্তিতে আপিল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১.  আপিল খারিজ করতে পারে যদি  আপিলের কোন কারণ না থাকে, বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ শাস্তি বাতিল করতে পারে,
অভিযুক্তকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে, 
⇒ পুনরায় অভিযুক্তকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে, 
⇒ শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা কমাতে পারে ইত্যাদি।

৪. দণ্ড বৃদ্ধির আপিলের ক্ষেত্রে-
⇒ শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে,
⇒ তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে,
শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
৫,৮৭২.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা অনুসারে, মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করার শাস্তি কী হবে?
  1. শুধুমাত্র জরিমানা
  2. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  3. প্রতারণার জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
  4. মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্যদানের জন্য যে শাস্তি নির্ধারিত, তাই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারা- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।

Section 197: Issuing or signing false certificate:
Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৫,৮৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (Examination-in-chief) কিভাবে গ্রহণ করা হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

৫,৮৭৪.
"স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৭
  2. ধারা ৫২২
  3. ধারা ৫২৯
  4. ধারা ৫২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২২
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২২- স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন সহযোগে কৃত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, এরুপ বল প্রয়োগ বা শক্তি প্রদর্শন বা অপরাধমুলক ভীতি প্রদর্শন কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে কোন স্থাবর সম্পত্তিতে বেদখল করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে দণ্ডদানকালে বা উক্ত দণ্ডের তারিখ হতে ১ (এক) মাসের মধ্যে যেকোন সময় বেদখল হওয়া ব্যক্তিকে উক্ত সম্পত্তির দখল দেবার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) কোন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলার দ্বারা এরূপ স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে উক্ত আদেশ কর্তৃক তাহা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না ।
(৩) যেকোন আপীল, সাজা অনুমোদন, রেফারেন্স বা রিভিশন আদালত এই উপধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 522- Power to restore possession of immovable property
(1) Whenever a person is convicted of an offence attended by criminal force or show of force or by criminal intimidation and it appears to the Court that by such force or show of force or by criminal intimidation any person has been dispossessed of immovable property, the Court may, if it thinks fit, when convicting such person or at any time within one month from the date of the conviction order any the person dispossessed to be restored to the possession of the same.
(2) No such order shall prejudice any right or interest to or in such immovable property which any person may be able to establish in a civil suit.
(3) An order under this section may be made by any Court of appeal, confirmation, reference or revision.
৫,৮৭৫.
শাস্তি হিসেবে কেবলমাত্র জরিমানা করা হলে এবং তা অনাদায়ে কেউ দণ্ডিত হলে, আাদশের তারিখ হতে আদালত সাধারণত সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে তা পরিশোধের নির্দেশ দেবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৮: কারাদণ্ড কার্যকর স্থগিতকরণ (Suspension of execution of sentence of imprisonment):
(১) যদি কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল জরিমানার দণ্ডে দণ্ডিত হন এবং জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার পরিবর্তে কারাদণ্ড নির্ধারিত থাকে, তাহলে নিম্নবর্ণিত নির্দেশ আদালত দিতে পারে:
(ক) আদালত আদেশ দিতে পারে যে, জরিমানার পুরো অর্থ:
- আদেশের তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করতে হবে, অথবা
- ২ বা ৩ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে, যার প্রথম কিস্তি ৩০ দিনের মধ্যে এবং পরবর্তী কিস্তিগুলো ৩০ দিনের ব্যবধানে দিতে হবে।

(খ) আদালত কারাদণ্ড স্থগিত রাখতে পারে, এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারে, যদি সে একটি মুচলেকা দেয় (যথাসম্ভব জামিনদার সহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে) – যাতে উল্লেখ থাকবে সে নির্ধারিত দিন বা কিস্তির তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হবে এবং অর্থ পরিশোধ করবে। যদি জরিমানার পুরো অর্থ বা কোনো কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না হয়, তাহলে আদালত কারাদণ্ড তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) উপরের উপ-ধারা (১)–এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে এমন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে যেখানে অর্থ প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরিশোধ না হলে কারাদণ্ড হতে পারে। এবং যদি আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি আদালতের চাওয়ার পরও মুচলেকা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারবে।
৫,৮৭৬.
রিয়াদ তার স্ত্রীর জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ করেন, যার ফলে তিনি দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হন। রিয়াদকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা- স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করা:
কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিষয়টি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে

ব্যতিক্রম:
অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। কিংবা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বৎসর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বৎসর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৫,৮৭৭.
আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ হওয়া রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল করার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের তৃতীয় বিভাগ, অনুচ্ছেদ ১৬০:
যদি কোনো রিভিউ (review) দরখাস্ত শুনানির সময় আবেদনকারীর অনুপস্থিতির কারণে খারিজ (rejected) হয়ে যায়, তাহলে সেই খারিজকৃত রিভিউ দরখাস্ত পুনর্বহাল (restore) করার জন্য আবেদনকারীকে খারিজের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দরখাস্ত করতে হবে।

৫,৮৭৮.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১৭২ ধারায়
  2. ১৭৪ ধারায়
  3. ১৭৬ ধারায়
  4. ১৭৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।

(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
৫,৮৭৯.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে আদালতে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা
- এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী 'খ' করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
৫,৮৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৩(১) অনুযায়ী, স্থানীয় এখতিয়ারের বাইরে পরোয়ানা কার্যকর করার জন্য কাকে পাঠানো যায়?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে 
  2. জেলা পুলিশ সুপারকে 
  3. মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে
  4. উল্লিখিত সবাইকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাইকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাইকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৮৩(১) অনুযায়ী, যখন কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের বাইরে কার্যকর করার প্রয়োজন হয়, তখন আদালত পরোয়ানাটি সরাসরি পুলিশ কর্মকর্তার কাছে না পাঠিয়ে নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের কাছে ডাকযোগে বা অন্য কোনো উপায়ে পাঠাতে পারে:
- নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
- জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট, অথবা
- মহানগর এলাকায় পুলিশ কমিশনার।
এই তিনটি কর্তৃপক্ষের যেকোনো একজনের কাছে পরোয়ানা পাঠানো যায়, যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে পরোয়ানাটি কার্যকর করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান- অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-83. Warrant forwarded for execution outside jurisdiction:
(1) When a warrant is to be executed outside the local limits of the jurisdiction of the Court issuing the same, such Court may, instead of directing such warrant to a police-officer, forward the same by post or otherwise to any Executive Magistrate or District Superintendent of police or, the Police Commissioner in a Metropolitan Area within the local limits of whose jurisdiction it is to be executed.
(2) The Magistrate or District Superintendent or Police Commissioner to whom such warrant is so forwarded shall endorse his name thereon and, if practicable, cause it to be executed in manner hereinbefore provided within the local limits of his jurisdiction.

৫,৮৮১.
'ক' তার প্রতিবেশী 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছিল। মামলার শুরুতেই আদালত 'খ' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, অপর্যাপ্ত কারণে এই মামলা করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে 'খ', আবেদন সাপেক্ষে 'ক' এর বিরুদ্ধে অনধিক কত টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ৩০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে, অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds):

(১) যেখানে কোনো মামলায় গ্রেফতার বা আটক করা হয়েছে অথবা পূর্ববর্তী ধারা অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে-

(ক) যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে এরূপ গ্রেফতার, আটক বা নিষেধাজ্ঞা অপর্যাপ্ত কারণে আবেদন করা হয়েছিল, অথবা

(খ) বাদীর মামলা বিফল হয় এবং আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে মামলা দায়ের করার কোনো যুক্তিসংগত বা সম্ভাব্য কারণ ছিল না, তাহলে বিবাদী আদালতে আবেদন করতে পারবেন এবং আদালত এরূপ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদীকে তাঁর ব্যয় বা ক্ষতির জন্য যুক্তিসংগত প্রতিকর হিসেবে বাদীর বিরুদ্ধে তার আদেশে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আদালত তার আর্থিক আধিকারের সীমা অতিক্রম না করে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।

(২) এরূপ কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করে আদেশ করলে সেই আদেশ উক্ত গ্রেফতারী, আটক বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের কোনো মামলা বাধা দিবে।
৫,৮৮২.
Section 25 of the Evidence Act, 1872, deals with confessions made to:
  1. Lawyer
  2. Magistrate
  3. Police officer
  4. Friend
সঠিক উত্তর:
Police officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Police officer
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.

সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী -
কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
৫,৮৮৩.
যে সকল ঘটনা বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম, সে গুলো প্রাসঙ্গিক হবে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় নিম্নলিখিত ঘটনাকে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। যথা-

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের উপলক্ষ্য (Occasion) বা কারণ (Cause)

*যে সকল ঘটনা (Fact), বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রভাব (Effect)

*যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয়

*কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয় [সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭]
৫,৮৮৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাক্ষ্য সংগ্রহের পদ্ধতি
  2. আপিল দায়েরের বিধান
  3. আদালতের বিচারিক এখতিয়ার
  4. মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যধারায় ত্রুটি সংশোধনের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারা-সংশোধন করার সাধারণ ক্ষমতা:
আদালত যে কোনো সময়, এবং তার উপযুক্ত মনে হলে খরচ বা অন্য কোনো শর্ত আরোপ সাপেক্ষে, কোনো মামলার কার্যধারায় যে কোনো ত্রুটি বা ভুল সংশোধন করতে পারে; এবং মামলার কার্যধারার উপর নির্ভরশীল বা উত্থাপিত প্রকৃত প্রশ্ন বা বিষয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সকল প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

Section: 153. General power to amend:
The Court may at any time, and on such terms as to costs or otherwise as it thinks fit, amend any defect or error in any proceeding in a suit; and all necessary amendments shall be made for the purpose of determining the real question or issue raised by or depending on such proceeding.
৫,৮৮৫.
তামাদি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী, তামাদি মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দেওয়া হয়?
  1. নোটিশের সময়কাল
  2. মামলার শুনানির সময়
  3. আদালতের বিবেচনার সময়
  4. ডিক্রি নকল সংগ্রহের সময়
সঠিক উত্তর:
নোটিশের সময়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশের সময়কাল
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ১৫(২) (Section 15(2), Limitation Act, 1908) অনুযায়ী "যেখানে কোনো আইনে (law) কোনো মামলার পূর্বে কোনো নোটিশ দেওয়ার বা কোনো অনুমতি বা সম্মতি (sanction or consent) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এবং বাদী বা আবেদনকারী সেই বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে পালন করে, তখন সেই নোটিশ প্রদানের জন্য নির্ধারিত সময় বা অনুমতি/সন্মতি গ্রহণের জন্য অতিবাহিত সময় তামাদি মেয়াদ গণনায় বাদ যাবে।"

⇒ তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে:
(১) যেই মামলা বা ডিক্রী জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন তা নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেই দিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেই দিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।
(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-15: Exclusion of time during which proceedings are suspended:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit or application for the execution of a decree, the institution or execution of which has been stayed by injunction or order, the time of the continuance of the injunction or order, the day on which it was issued or made, and the day on which it was withdrawn, shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for any suit of which notice has been given in accordance with the requirements of any enactment for the time being in force, the period of such notice shall be excluded.
৫,৮৮৬.
মুন্সেফ 'ক', ব্যাংকার 'খ'-এর পক্ষে একটি মোকদ্দমার সিদ্ধান্ত করার জন্য 'ক'-এর প্রতি পুরস্কারস্বরূপ 'ক'-এর ভাইয়ের জন্য 'খ'-এর ব্যাংকে একটি চাকুরী সংগ্রহ করে। 'ক' দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ করেছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬৩ ধারা
  3. ১৬২ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ লওয়া:

- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
- সরকারি কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা না করে কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে সরকারী কর্মচারী হবে এবং তখন কার্য করে দিবে এইরূপ ভ্রান্ত বিশ্বাস জন্মাইয়া কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি প্রতারণার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে, কিন্তু এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে না।

♦ পারিতোষিক(Gratificaion):- এই ধারায় পারিতোষিক বলতে শুধু আর্থিক পারিতোষিক অথবা অর্থের হিসেবে নির্ণেয় পারিতোষিক বুঝায় না।

♦ আইনসংগত পারিশ্রমিক (Legal remuneration):-
- এই ধারায় আইনসংগত পারিশ্রমিক বলতে কোন সরকারী কর্মচারী আইনসংগতভাবে যে পারিশ্রমিক দাবি করতে পারেন, কেবল তা বুঝায় না, যে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হয়েছেন সে কর্তৃপক্ষ তার যেসব পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে অনুমতি দিয়েছেন সেসব পারিশ্রমিকও বুঝায়।

♦ করার উদ্দেশ্যে অথবা পুরস্কার হিসাবে (A motive or reward for doing):-
- যে ব্যক্তি সে যা করতে ইচ্ছক নয় তা করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে যা করে নাই তা করার পুরস্কার হিসেবে পারিতোষিক গ্রহণ করে সে ব্যক্তিও এই কথাগুলির আওতায় আসবে।

উদাহরণসমূহ - Illustrations
(ক) ক একজন মুন্সেফ। চ জনৈক ব্যাংকার। ক একটি বিষয় চ-এর অনুকূলে নিস্পত্তি করে দেওয়ার পুরস্কারস্বরূপ চ-এর ব্যাংক তার (ক-এর) ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি সংগ্রহ করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে।
৫,৮৮৭.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. আসামীর পরিচয়
  2. বাংলাদেশের সীমা রেখা
  3. উকিলের বক্তব্য
  4. পুলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

⇒ কিন্তু আসামীর পরিচয়, উকিলের বক্তব্য ও পলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণের প্রয়োজন হয়।
৫,৮৮৮.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত জরিমানার সাজা প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকার থাকবে না?
  1. ২০০
  2. ১০০০
  3. ২০০০
  4. ৫০০০
সঠিক উত্তর:
৫০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০
ব্যাখ্যা

ধারা ৪১৪: নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডপ্রাপ্তের আপিল নিষিদ্ধ:
কোনো ব্যক্তিকে যদি ম্যাজিস্ট্রেট (ধারা ২৬০ অনুযায়ী ক্ষমতাসম্পন্ন) সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড দেয়, এবং সেই দণ্ড মাত্র ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হয়, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything herein before contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand taka only.]

৫,৮৮৯.
'When instrument may be rectified'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩০ ধারার
  2. ৩১ ধারার
  3. ৩৫ ধারার
  4. ৩৮ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:
যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

Section 31-  
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৫,৮৯০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় (Joinder of Parties) বলতে কি বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of Plaintiffs or defendants
  4. Joinder of legal representatives of parties
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs or defendants
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মোকদ্দমায় দুই ধরণের পক্ষ থাকে। যথা-
১. বাদী পক্ষ
২. বিবাদী পক্ষ 

আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
৫,৮৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-২১ অনুসারে, আদালত একই সাথে ব্যক্তি ও সম্পত্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করতে-
  1. বাধ্য
  2. অস্বীকার করতে পারে
  3. বাদীকে নির্দেশ দিবে
  4. জারীকারক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার করতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২১ বিধি-২১ এর বিধান- যুগপৎ জারি:
 আদালত উহার ঐচ্ছিক ক্ষমতায় একই সঙ্গে দায়িকের ব্যক্তি ও সম্পত্তির উপর ডিক্রি জারি করতে অস্বীকার করতে পারে

⇒ Order-21 Rule-21- Simultaneous execution: 
The Court may, in its discretion, refuse execution at the same time against the person and property of the judgment debtor. 
৫,৮৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৫(গ) ধারার আওতায়, মামলার স্থানান্তরের সময় ম্যাজিস্ট্রেট কাকে নোটিশ দেবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  2. আসামির আইনজীবীকে
  3. তদন্তকারী অফিসারকে
  4. উল্লিখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫(গ) তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য, সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে। অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
 
⇒ মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
⇒ সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র (যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
৫,৮৯৩.
পূর্বে দণ্ডিত অপরাধী যদি পুনরায় কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তার ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,

তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে। তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
৫,৮৯৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে একটি দেওয়ানি আদালত উহার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা
  4. দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে বোঝায় যে, আদালত আইনত বাধ্য নয় কিন্তু উভয়পক্ষের বিরোধীয় বিষয়ে যুক্তি-প্রমাণে সন্তুষ্ট হয়ে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত প্রদত্ত সিদ্ধান্ত।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।

একটি দেওয়ানি আদালত অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মোকদ্দমায় বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না, কারণ এটি একটি আইনগত অধিকারভিত্তিক মামলা, যেখানে আদালতের ভূমিকা আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রদান করা।
৫,৮৯৫.
‘A’ ‘B’ কে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা পরিচালনা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে তার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। ‘A’ কর্তৃক কী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. অত্যাচার
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অপরাধমূলক আত্মসাৎ
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

♦ এখানে ‘A' দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীনে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করেছে।

♦ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫,৮৯৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন কত দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ২৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৬৭(৫)-এর অধীন, অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটি অপরাধের প্রকারভেদ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত কর্তৃক করা হয়, এবং জামিন না দেওয়া হলে কারণ লিপিবদ্ধ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং
খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-167:
(5) If the investigation is not concluded within one hundred and twenty days from the date of receipt of the information relating to the commission of the offence or the order of the Magistrate for such investigation- 
(a) the Magistrate empowered to take cognizance of such offence or making the order for investigation may, if the offence to which the investigation relates is not punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Magistrate; and 
(b) the Court of Session may, if the offence to which the investigation relates is punishable with death, imprisonment for life or imprisonment exceeding ten years, release the accused on bail to the satisfaction of such Court: 
Provided that if an accused is not released on bail under this subsection, the Magistrate or, as the case may be, the Court of Session shall record the reasons for it: 
Provided further that in cases in which sanction of appropriate authority is required to be obtained under the provisions of the relevant law for pthe rosecution of the accused, the time taken for obtaining such sanction shall be excluded from the period specified in this sub-section.

৫,৮৯৭.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Cheating
  2. Mischief
  3. Criminal trespass
  4. Cheating by personation
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:-
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Penal Code,1860, Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৫,৮৯৮.
চুরির শর্ত নয় কোনটি?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অনুমতি ব্যতীত সম্পত্তি সরানো
  3. সম্পত্তির দখল
  4. স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরুপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:

(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা।

(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।

(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।

(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।

(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।

♦ অর্থাৎ চুরির শর্ত মতে স্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায় না।
৫,৮৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৭ অনুযায়ী অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি কিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মামলা প্রত্যাহারের
  2. কমিশন জারি করার
  3. সাক্ষ্য গোপন রাখার
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন জারি করার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশন ইস্যু করার পরিবর্তে, আদালত অনুরোধপত্র (Letter of Request) পাঠাতে পারে। এটি একটি বিকল্প ব্যবস্থা, যা তখন ব্যবহার করা হয় যখন সাক্ষী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করেন এবং কমিশনের মাধ্যমে তাঁকে পরীক্ষা করা সম্ভব বা সুবিধাজনক নয়।
- ধারা ৭৭ স্পষ্টভাবে বলে: "In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request..."
- অর্থাৎ, "কমিশন ইস্যু করার বিকল্প হিসেবে অনুরোধপত্র ব্যবস্থাটি প্রযোজ্য।"

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৭ ধারা- অনুরোধপত্র:
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নয়, এরূপ যে কোন দেশে বসবাসকারী সাক্ষীর পরীক্ষা করার নিমিত্তে আদালত কমিশন প্রেরণ করার বিপরীতে অনুরোধ পত্র প্রেরণ করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 77: Letter of request:
In lieu of issuing a commission the Court may issue a letter of request to examine a witness residing at any place not within Bangladesh.

৫,৯০০.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার পর শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিয়ে একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন?
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধিতে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান অভিযোগ শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং উহা বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার দিন হতে ২১ দিনের কম হবে না।
- মামলা শুনানীর কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলার নোটিশ ও কাগজপত্রের কপি সংশ্লিষ্ট এডভোকেট এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972: Rule-45: On receipt of reference from the Bar Council, the Chairman of the Tribunal shall fix a date for the hearing of the case not earlier than twenty one days from such receipt and a notice of the fixed date shall be served on the advocate concerned as well as the Attorney-General, along with copies of the record that has been forwarded to the Tribunal, so as to reach the advocate as well as the Attorney-General not less than seven days before the date fixed.

-Notice of the date shall also be served on the complainant in case the complaint is not by a court or by a public officer acting in his official capacity. Notice of the date should also be put up on the notice board of the Bar Council.