বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৫১ / ১২৬ · ৫,০০১৫,১০০ / ১২,৬০৫

৫,০০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কোন পদ্ধতিতে প্রদান করা যায় না?
  1. রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
  2. ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
  3. সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে।
  4. কোনো পক্ষকে তার বাধ্যতামূলক কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ নং ধারা অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাঁচটি পদ্ধতিতে প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান অন্তর্ভুক্ত নয়। এই ধারায় ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত অধিকার নির্ণয় ও ঘোষণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সরাসরি ক্ষতিপূরণ প্রদানের কোনো বিধান নেই।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৫,০০২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৫০(২) ধারানুসারে, ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৪০০০
সঠিক উত্তর:
১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।

তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৫,০০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, অ্যাফিডেভিটে বিশ্বাসের ভিত্তিতে উল্লেখিত তথ্যের ক্ষেত্রে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. সরকারি অনুমোদন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর নাম
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক-এ বলা হয়েছে: "...such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief."
অর্থাৎ অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন, তা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, আর যেসব তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, তার ক্ষেত্রেও সেগুলোর বিশ্বাসের ভিত্তি বা যুক্তিসঙ্গত কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- এটা আদালতকে বুঝতে সাহায্য করে যে, হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং যুক্তিসঙ্গত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
৫,০০৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৭ অনুসারে প্লেইন্ট গৃহীত হলে বাদীকে কতগুলো কপি জমা দিতে হবে?
  1. দুইটি কপি
  2. যত জন বাদী তত কপি
  3. যত জন সাক্ষী তত কপি
  4. যত জন বিবাদী তত কপি
সঠিক উত্তর:
যত জন বিবাদী তত কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যত জন বিবাদী তত কপি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, Order VII, Rule 9(1)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: Procedure of admitting plaint:
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.

অর্থাৎ প্লেইন্ট অ্যাডমিট (গৃহীত) হলে বাদীকে বিবাদীর সংখ্যার সমান প্লেইন্টের সাধারণ কাগজে কপি (অথবা আদালত অনুমতি দিলে concise statement) জমা দিতে হবে।
সুতরাং উত্তর: ঘ) যত জন বিবাদী তত কপি।

- বিবাদী-ভিত্তিক কপি: কপির সংখ্যা নির্ভর করে বিবাদীর সংখ্যা এর উপর। প্রত্যেক বিবাদীর জন্য আলাদা কপি জমা দিতে হয়।
- শর্তসাপেক্ষ ব্যতিক্রম: Rule 9(1)-এ আরও বলা হয়েছে যে, যদি প্লেইন্ট খুব বড় হয় বা বিবাদীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়, তাহলে আদালত বাদীকে সংক্ষিপ্ত দাবির বিবরণ জমা দিতে অনুমতি দিতে পারেন।
- প্রতিটি বিবাদীর কাছে প্লেইন্টের কপি পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই কপিগুলো প্রয়োজন হয়, যাতে বিবাদী বাদীর দাবি সম্পর্কে জানতে পারে এবং তার জবাব দাখিল করতে পারে।

সুতরাং, দেওয়ানি কার্যবিধির Order VII, Rule 9(1) অনুযায়ী প্লেইন্ট গৃহীত হলে বাদীকে যত জন বিবাদী তত কপি জমা দিতে হবে।

৫,০০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৩৪
  2. ধারা ৪৩৫
  3. ধারা ৪৩৬
  4. ধারা ৪৩৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বা দায়রা জজ খারিজ হওয়া নালিশ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত মামলায় আবার তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, তদন্তের আগে অভিযুক্তকে কারণ জানানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
৫,০০৬.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি কীভাবে গণ্য হবে?
  1. এটি অবৈধ বস্তু হিসেবে গণ্য হবে
  2. এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে
  3. সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
  4. এটি কেবলমাত্র ধাতব বস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত এবং স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতব বস্তু যা একসময় অর্থ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, তা অর্থ হিসেবে ব্যবহারের বৈধতা হারালেও "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যদি কোনো মুদ্রা প্রচলন হারায়, তবুও এটি দণ্ডবিধির অধীনে মুদ্রার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ উদাহরণ: পুরাতন "ফতেহাবাদ" টাকা, যা একসময় সরকার অনুমোদিত মুদ্রা ছিল, কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত নয়—তবুও এটি "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৫,০০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতকে শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষী তলবের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৫৩৭ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৫৪৩ ধারায়
  4. ৫৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০- গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540- Power to summon material witness or examine person present
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
৫,০০৮.
নিচের কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে।
  2. রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে।
  3. ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
  4. করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে।
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass) তখনই হয়, যখন কেউ অন্য কারো দখলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে, অথবা ভীতি প্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, অথবা কেউ বৈধভাবে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে অবস্থান করে একই উদ্দেশ্যে (অপরাধ, ভীতি, অপমান বা বিরক্ত করা)।

প্রতিটি অপশন বিশ্লেষণ:
ক) সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ এটি অপরাধ (চুরি) সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ।
খ) রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে অপমান করা।
গ) ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে। → প্রযোজ্য নয় — কারণ এখানে বৈধ অনুমতি রয়েছে, এবং কোনো অপরাধ বা অপমান/ভীতি/বিরক্তির উদ্দেশ্য নেই। এটি স্বাভাবিক ও আইনি প্রবেশ।
ঘ) করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে ভীতি প্রদর্শন।

→ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা "গ" (ফারুকের পরিস্থিতি)-এ প্রযোজ্য নয়, কারণ সেটি আইনসম্মত এবং নির্দোষ প্রবেশ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:
- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৫,০০৯.
‘A’ ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয় যাতে নৌকা ভেসে যায়, এবং এতে ‘Z’ ভয় পায়। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারণ বলপ্রয়োগ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয়, যার ফলে নৌকা ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভয় পায়। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৫,০১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী কোন ধরণের দলিল বাতিল বা অকার্যকর ঘোষণা করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অকার্যকর দলিল
  2. শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য দলিল
  3. শুধুমাত্র অনিবন্ধিত দলিল
  4. বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য বা অকার্যকর দলিল
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

(খ) A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এই জাল দলিলটি বাতিল করার জন্য C মামলা করতে পারেন।

৫,০১১.
বার কাউন্সিল সচিবের অনুপস্থিতিতে সচিব এর স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিল সভাপতি 
  2. বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি 
  3. উপ-সচিব
  4. এ্যাটর্ণী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ৫৫(২) অনুসারে বার কাউন্সিল  সচিব অনুপস্থিত বা ছুটিতে থাকলে উপ সচিব তার স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন।

⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972,
বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব। 
৫৫(১)বার কাউন্সিল সচিব হবেন তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা এবং উপ সচিব হবেন নির্বাহী কর্মকর্তা।
৫৫(২) সচিব অনুপস্থিত বা ছুটিতে থাকলে উপ সচিব তার স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সচিবের সমস্ত কাজ সম্পন্ন করবেন।
----------------------------------------
The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972,
Rules 55:The Secretary shall be the chief executive officer of the Council.
55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Council.
55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.

৫,০১২.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  4. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
৫,০১৩.
এক রাতে "ক" এর বাসায় চুরি হয়।হিসেব করে দেখা যায়, চুরিকৃত মালের মূল্য ২৫ হাজার টাকা।উক্ত চুরির জন্য "খ" কে আটক করা হয়।"খ" এর বিচার কি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে?
  1. যাবে
  2. যাবে না
  3. আদালত চাইলে করা যাবে
  4. "খ" এর ইচ্ছানুযায়ী যাবে
সঠিক উত্তর:
যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবে না
ব্যাখ্যা
•"খ" এর বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না।কারন উক্ত চুরিকৃত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক।

• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

⇒মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ
⇒৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত
⇒৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি,যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা,যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন,৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ
⇒৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উস্কানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ 
⇒১৭১ ও ১৭১(চ) ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ;
এবং উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
৫,০১৪.
সাক্ষ্য আইনের চূড়ান্ত খসড়া কে প্রস্তুত করেন এবং প্রণয়ন করেন?
  1. স্যার বেথুন
  2. লর্ড কার্জন
  3. স্যার হেনরি ডাফিন
  4. স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
সঠিক উত্তর:
স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law), যা আদালতে তথ্য প্রমাণ গ্রহণ ও তার প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণের নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
→ সর্বপ্রথম খসড়া: ১৮৫০ সালে স্যার হেনরি সামার মেইন একটি প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছিলেন, কিন্তু সেটি ছিল ভারতে ব্যবহারের জন্য অনুপযুক্ত।
→ চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুতকারী: পরবর্তীতে ১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন (Sir James Fitzjames Stephen)-কে এই আইনের চূড়ান্ত খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়। তিনি সফলভাবে একটি সুসংহত এবং আদালত-উপযোগী আইন প্রণয়ন করেন। 
→ আইন প্রণয়ন ও কার্যকর:
প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর
এই আইনটি এতটাই কার্যকর ছিল যে, তা উপমহাদেশের তৎকালীন ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এখনো কিছু সংশোধনসহ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

→ তাই সঠিক উত্তর: ঘ) স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন, কারণ তিনিই চূড়ান্তভাবে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করে তা কার্যকর করেন।
৫,০১৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ধারা ৩ অনুযায়ী আদালত কত প্রকার?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৫ প্রকার।
১। জেলা জজ
২। অতিঃ জেলা জজ
৩। যুগ্ন জেলা জজ
৪। সিনিঃ সহঃ জজ
৫। সহঃ জজ আদালত
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ দেওয়ানী আদালত হলো জেলা জজ এবং নিম্ন আদালত হলো সহকারী জজ।
• জেলা ও দায়রা জজ একই ব্যক্তি। দেওয়ানী মামলার বিচারের সময় জেলা জজ এবং ফৌজদারী মামলা বিচারের সময় দায়রা জজ নামে পরিচিত।
৫,০১৬.
কোন দেওয়ানি মামলায় তামাদির বিষয়টি-
  1. ঘটনার প্রশ্ন
  2. আইনের প্রশ্ন
  3. আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
  4. আইন ও অধিকারের মিশ্র প্রশ্ন
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন। আইনে উল্লিখিত কোনো বিষয় দ্বারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হয় বা নির্দিষ্ট হয় তখন তা আইনের প্রশ্ন। আর, আইনে উল্লেখ থাকা বিষয়ের সাথে যখন কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রভাবিত বা নির্দিষ্ট হয় তখন তাকে ঘটনার প্রশ্ন বলে।

যেমন, তামাদি আইনের ৩ ধারায় উল্লেখ আছে যে, নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত ইত্যাদি দায়ের করা হলে তা খারিজ হয়ে যাবে। এই খারিজ হয়ে যাবার বিষয়টি সরাসরি আইনের প্রশ্ন। কিন্তু অন্যদিকে ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পরেও আদালতে তা গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বা দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত আপিল বা দরখাস্ত দাখিল না করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত কারণ ছিল।

অর্থাৎ, আপিলকারী বা দরখাস্তকারী অসুস্থতা, ভ্রান্তি, আইনজীবীর ভুল ইত্যাদি ঘটনাগত কারণে নির্ধারিত সময়ের ভেতরে আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে না পারলে তা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদের পরেও গৃহীত হতে পারে। ফলে, এই ৫ ধারায় একটি ঘটনার প্রশ্ন।
তাই বলা হয়- তামাদির বিষয়টি আইন ও ঘটনার মিশ্র প্রশ্ন।
৫,০১৭.
জীবন রক্ষার ক্ষেত্র ব্যতীত গর্ভবতী নারী ইচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করলে-
  1. কোন অপরাধ হবে না
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন
  4. অবৈধ গর্ভপাত
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গর্ভপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গর্ভপাত
ব্যাখ্যা
• ৩১২ ধারা মতে গর্ভবতী নারী স্বামী বা প্রেমিকের সম্মতিতে বা একক সম্মতিতে ইচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করলে তা অবৈধ গর্ভপাত হিসেবে গণ্য হবে।
৫,০১৮.
আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজের (Summary dismissal) আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
  2. আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
  3. মামলার নথি তলব করতে বাধ্য
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ

(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-

শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

Section 421- Summary dismissal of appeal

(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৫,০১৯.
বেআইনী সমাবেশের (unlawful Assembly) উদ্দেশ্যে ভাড়াকৃত ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় দিলে তার শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫৮ ধারায়
  4. ১৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারার বধান বেআইনী সমাবেশের জন্য ভাড়া করা ব্যক্তিদের আশ্রয়দান :- কোন ব্যক্তি যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করার জন্য কোন ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়েছে বা নিযুক্ত করা হয়েছে অথবা অনুরূপ কোন ব্যক্তি অনুরূপ উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া হতে বা নিযুক্ত হতে যাচ্ছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ ব্যক্তিকে বা অনুরূপ ব্যক্তিদের তার দখলাধীন বা তত্ত্বাবধানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোন গৃহে বা বাড়িতে বা স্থানে আশ্রয়দান করে, গ্রহণ করে বা সমাবিষ্ট করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
৫,০২০.
'নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না।'- এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪৫৬ ধারায়
  2. ৩৫৮ ধারায়
  3. ৫০৬ ধারায়
  4. ৫৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৫৫৬ ধারা অনুসারে,
যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
 
Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested-
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
৫,০২১.
রিভিশন ক্ষমতাবলে অতিরিক্ত জেলা জজ আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে ২য়
  2. সরাসরি জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
  3. অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
  4. অনুমতিসাপেক্ষে জেলা জজ আদালতে ২য় রিভিশন
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,

১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।
৫,০২২.
What does Section 153A prohibit?
  1. Encouraging cultural exchange
  2. Speaking freely about class differences of citizens
  3. Promoting friendship between classes of citizens
  4. Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
সঠিক উত্তর:
Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860-Section-153A. Promoting enmity between classes:
-Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.

Explanation.-It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার বিধান বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন উচ্চারিত বা লিখিত কথা কর্তৃক অথবা চিহ্ন কর্তৃক অথবা দৃশ্যমান প্রতীক কর্তৃক অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতার মনোভাব বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাবপ্রসূত, বিষয়ারার বা যেসব বিষয় অনুরূপ বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে হয়, সেসব বিষয় দূরীকরণের সৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এবং কোনরূপ দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া তৎসমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তা এই ধারার অর্থ অনুযায়ী অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
৫,০২৩.
বর্তমানে তামাদি আইনের কয়টি ধারা বলবৎ আছে?
  1. ৩১ টি
  2. ২৯ টি
  3. ৩২ টি
  4. ২৮ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে তামাদি আইন পাশ করা হয়। এই আইনটি ১৮৬২ সালে কার্যকর করা হয়। সর্বশেষ ১৯০৮ সালে পুনরায় তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয় যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য। এটা ১৯০৮ সালের ৯নং আইন। আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী হতে কার্যকর হয়। 

বর্তমানে তামাদি আইনের ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে। ধারাসমূহে তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি যেমন কোন সময় বাদ দিয়ে এবং কোন সময় যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে, তামাদির জন্য নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল, তামাদির বিলম্ব মওকুফ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং ২৬ থেকে ২৮ ধারা প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
৫,০২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ কি?
  1. এফিডেভিট
  2. আরজি বা জবাব
  3. অভিযোগ
  4. যুক্তিতর্ক
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি বা জবাব
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১-এ বলা হয়েছে “Pleading” shall mean Plaint or written statement.
♦ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে ‘প্লিডিংস' অর্থ হল আরজি বা জবাব।
৫,০২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৯, বিধি-৫ক অনুসারে যদি মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রার্থী পক্ষের বিপক্ষে যায় এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে বিপক্ষ পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  2. ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  3. ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
  4. নিষেধাজ্ঞা প্রার্থী পক্ষকে কারাদণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, বিধি ৫ক(৪) অনুসারে, যদি মামলার রায় সেই পক্ষের বিপক্ষে যায়, যার অনুরোধে আদালত অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা (ad interim or temporary injunction) দিয়েছিল; এবং দেখা যায়, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিপক্ষ পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে;
- তাহলে আদালত, মামলার রায় ঘোষণার সময়, বিপক্ষ পক্ষের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (compensatory cost) আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে।
- এই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পরও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, চাইলে আরও ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে, তবে এই ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ তখনকার চূড়ান্ত হিসাবের সময় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

- Order XXXIX – Rule 5A: (4) If the suit is ultimately decided against the party at whose instance the ad interim or temporary injunction was granted, and it appears that the other party has suffered loss due to such injunction,
→ The Court shall, while deciding the suit, award compensatory costs not exceeding ten thousand taka in favor of that other party, in addition to any other costs he may be entitled to.
৫,০২৬.
আদেশ ৪৮ বিধি ১ এর অধীন কোন প্রক্রিয়া পরিবেশনের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. আদালত
  2. বিবাদী
  3. যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
  4. যে পক্ষের বিপক্ষে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষের পক্ষ থেকে প্রক্রিয়া জারি করা হয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৮ বিধি ১:
(১) এই বিধির অধীনে জারি করা প্রত্যেকটি প্রক্রিয়া- যার পক্ষ থেকে বা যার স্বার্থে এটি জারি করা হয়েছে, সেই পক্ষের ব্যয়ে পরিবেশিত হবে, যদি না আদালত অন্যভাবে নির্দেশ দেয়।

অর্থাৎ, সাধারণ নিয়ম হলো- যে পক্ষ আদালতে কোনো সমন/নোটিস/প্রক্রিয়া জারি করায়, সেই পক্ষকেই এর খরচ বহন করতে হবে,
যদি আদালত বিশেষ কারণে আলাদা নির্দেশ না দেয়।

(২) এ ধরনের প্রক্রিয়া (সমন, নোটিস বা অন্যান্য আদালত কর্তৃক জারি করা প্রক্রিয়া) পরিবেশনের জন্য যে আদালত-ফি প্রযোজ্য,
তা প্রক্রিয়াটি জারি করার আগে, আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

৫,০২৭.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কি বলা হয়?
  1. Plea of immunity
  2. Plea of Credibility
  3. Plea of Alibi
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৫,০২৮.
ক নাবালক থাকাকালে একটি মামলা করার অধিকার লাভ করে। এই অধিকার অর্জনের পর নাবালক থাকাকালেই সে উন্মাদ হয়ে যায়। ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. তার নাবালকত্ব অবসান হওয়ার পর 
  2. উন্মাদনা অবসান হওয়ার পর  
  3. তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর 
ব্যাখ্যা

ক এর মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-তার নাবালকত্ব ও উন্মাদনা উভয় অবসান হওয়ার পর।

⇒ তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে সময়ে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি যদি পতিত হন তবে উভয় অপারগতা শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

তামাদি আইন ১৯০৮, ধারা ৬,বৈধ অপারগতা:
উপধারা-(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা-(৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোনো অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------
The Limitation Act 1908, Section-6, Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil
Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections
(1) and (2) shall apply.

৫,০২৯.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ফাইনাল রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ডিসচার্জ রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৫,০৩০.
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৭ ধারায়
  3. ২৪ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারণা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারণার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
 
⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে নাঃ নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
⇒ Section 28 What parties cannot be compelled to perform:
-Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
৫,০৩১.
“কোন অপরাধে প্রথমে সমন ইস্যু হবে নাকি ওয়ারেন্ট”—এ তথ্য দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে থাকে?
  1. ২য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৬ষ্ঠ কলাম
  4. ৭ম কলাম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কলাম
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৪র্থ কলাম-এ উল্লেখ আছে, কোন অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথমে সমন (Summons) ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট (Warrant) ইস্যু করা হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে 'যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য' তা উল্লেখ আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
-যা নিম্নরূপ-
 -দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ। 
২য় কলাম- অপরাধ। 
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ। 
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা। 
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য। 
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা। 
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

৫,০৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের বিধি ১২ তে জবানবন্দিগ্রহণ কালে আদালতকে কার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. বাদীর
  2. বিবাদীর
  3. সাক্ষীর
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

বলা হয়েছে যে,
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

• আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
৫,০৩৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে, যদি দলিলটি নিবন্ধিত হয়, তবে আদালত কী করবে?
  1. দলিলটি পর্যালোচনা করবে
  2. দলিলটির সঠিকতা যাচাই করবে
  3. দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) দলিলটির বাতিলের ডিক্রি নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে, যদি কোনো দলিল নিবন্ধিত হয়ে থাকে এবং আদালত সেই দলিলটি বাতিলের আদেশ দেয়, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে, যার অফিসে ওই দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল। নিবন্ধন কর্মকর্তা সেই ডিক্রির কপি তার নিবন্ধন বইতে নোট করবেন, যাতে সেই দলিলের বাতিল হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বইয়ে সংরক্ষিত থাকে।
- এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের উদ্দেশ্য, যাতে কোনো অবৈধ বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রতিকার নিশ্চিত করা হয় এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-----------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
৫,০৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া হয়?
  1. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ভুলের কারণে
  3. আসামি অনুপস্থিত থাকলে
  4. চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ (চার্জে কৃত গুরুতর ভুলের ফলাফল)-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. 

(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
৫,০৩৫.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "Conclusive proof" এর ক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. আরো প্রমাণ চাইবে
  2. সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবে
  3. বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে
  4. বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
সঠিক উত্তর:
বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪ অনুসারে, "Conclusive proof" (চূড়ান্ত প্রমাণ) বলতে এমন প্রমাণ বোঝায় যেখানে একটি তথ্য প্রমাণিত হলে আদালত অন্য তথ্যটিকে প্রমাণিত হিসেবে গ্রহণ করবে এবং এর বিপরীতে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দেবে না।
অর্থাৎ, চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত বিপরীত সাক্ষ্য বিবেচনা করবে না।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) আরো প্রমাণ চাইবে: ভুল, কারণ চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আরো প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।
খ) সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবে: ভুল, কারণ চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, স্থগিত করে না।
গ) বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে: ভুল, কারণ ধারা ৪ স্পষ্টভাবে বলে যে চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-4-“Conclusive proof”:
- When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.

৫,০৩৬.
তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ২ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane) এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ ( idiot)।
♦আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয়। কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয়।
৫,০৩৭.
ডিক্রি দানকারী আদালত নিচের কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। কখন রিভিউ আবেদন করা যায়: দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-

i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৫,০৩৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ বা বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩ ধারায় এই আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ বা বিষয়ের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এটি "Interpretation clause" নামে পরিচিত, যেখানে "সাক্ষ্য", "প্রমাণ", "প্রাসঙ্গিক তথ্য" ইত্যাদির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

১. আদালত (Court):
এটি বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত, যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন। তবে সালিস (Arbitrator) আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

২. তথ্য (Fact):
তথ্য বলতে বোঝানো হয়েছে – ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত হতে পারে এমন বস্তু, ঘটনা বা অবস্থা। কোন ব্যক্তির মানসিক অবস্থা, যেমন—ইচ্ছা, বিশ্বাস, প্রতারণা বা সৎ উদ্দেশ্য।

৩. প্রাসঙ্গিক তথ্য (Relevant Fact):
যে তথ্য অন্য তথ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং মামলার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

৪. বিচারাধীন তথ্য (Facts in Issue):
যে তথ্যের সত্যতা বা মিথ্যতা আদালতের সামনে প্রমাণ করতে হয়, যা মামলার ফলাফলে প্রভাব ফেলে।

৫. দলিল (Document):
লেখা, চিত্র, মানচিত্র, খোদাই করা শিলালিপি, কার্টুন ইত্যাদি, যা কোনো বিষয় রেকর্ড করতে ব্যবহৃত হয়।

৬. সাক্ষ্য (Evidence):
মৌখিক সাক্ষ্য: আদালতে সাক্ষীর দেওয়া বক্তব্য।
দলিলগত সাক্ষ্য: আদালতে উপস্থাপিত কাগজপত্র বা নথি।
ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি।

৭. প্রমাণ (Proof):
প্রমাণিত (Proved): যখন আদালত কোনো তথ্যকে সত্য বলে ধরে নেয়।
অপ্রমাণিত (Disproved): যখন আদালত কোনো তথ্যকে মিথ্যা বলে ধরে নেয়।
প্রমাণিত নয় (Not Proved): যখন তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ – কোনো অবস্থাতেই পৌঁছায় না।
৫,০৩৯.
According to Section 105, who has the burden to prove that the case falls under any general or special exception?
  1. The Police
  2. The Court
  3. The Prosecution
  4. The Accused
সঠিক উত্তর:
The Accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Accused
ব্যাখ্যা
 Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৫,০৪০.
আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ধারা ৫৪০
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৫৪০ক
  4. ধারা ৩৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪০ক
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধা বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৫,০৪১.
The Evidence Act,1872 এর ১৪ ধারাটি নিচের কোন মানসিক অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. সদবিশ্বাস (Good faith)
  2. অভিপ্রায় (Intention)
  3. উদ্দেশ্য (Motive)
  4. জ্ঞান (Knowledge)
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য (Motive)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য (Motive)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪ এর আওতায় যেসব মানসিক অবস্থার (state of mind) প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো: অভিপ্রায় (intention), জ্ঞান (knowledge), সদবিশ্বাস (good faith), অবহেলা (negligence), দ্রুততা (rashness), শত্রুতা (ill-will), এবং সৌজন্য (good-will)। এই ধারাটি কোনো মানসিক অবস্থা বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতির অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের বিষয়ে আলোচনা করে, যখন সেটি মামলায় প্রশ্নবিদ্ধ বা প্রাসঙ্গিক হয়।

প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে:
→ সদবিশ্বাস (Good faith): ধারা ১৪ এর মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ f, g, h)।
→ অভিপ্রায় (Intention): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ e, i, j)।
→ জ্ঞান (Knowledge): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ a, b, d)।
→ উদ্দেশ্য (Motive): ধারা ১৪ এর মধ্যে সরাসরি উল্লেখ নেই। উদ্দেশ্য (motive) সাধারণত ধারা ৮ এর আওতায় প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে কোনো কাজের প্রস্তুতি, আচরণ, বা উদ্দেশ্য প্রমাণের জন্য তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়। ধারা ১৪ এর উদাহরণ বা ব্যাখ্যায় উদ্দেশ্য (motive) সরাসরি কোনো মানসিক অবস্থা হিসেবে উল্লেখিত নয়।
সুতরাং, ধারা ১৪ এর সাথে উদ্দেশ্য (motive) সম্পৃক্ত নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা মতে:যেসব ঘটনা হতে ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, উগ্রতা অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি সদিচ্ছা/অসদিচ্ছা (intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person) প্রভৃতি মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়; অথবা কোন শারীরিক অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতির (any state of body or bodily feeling) অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসিক বা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ- ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।
⇒ ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।
⇒ ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৫,০৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারির পর আদালত কী করবে?
  1. মামলাটি বন্ধ করে দেবে
  2. বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
  3. বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে
  4. নতুন ডিক্রি জারি করবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে নোটিশ প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।

(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
৫,০৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন
  2. মামলার নথি তলব করতে পারেন
  3. আপিলকারীর সাজার মেয়াদ বাড়াতে পারেন
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৫,০৪৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতি সাধিত হলে অনিষ্ট (mischief) এর জন্য শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৫
  2. ধারা ৪২৬
  3. ধারা ৪২৭
  4. ধারা ৪২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৪২৭ অনুযায়ী, যদি কেউ অনিষ্ট (mischief) করে এবং এর ফলে ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের ক্ষতি বা লোকসান ঘটে, তাহলে সেই ব্যক্তি দণ্ডনীয় অপরাধ করে।
- এই ধারায় শাস্তির বিধান দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৫,০৪৫.
কোন দলিল রদ (Set aside) বা বাতিল (Cancel) করার জন্য, যে ক্ষেত্রে অন্যকোন বিধান নেই, সেই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ
  1. ২ বৎসর
  2. ১ বৎসর
  3. ৩ বৎসর
  4. ৬ বৎসর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল বা দলিল রদ এর মামলা দায়ের এবং ৪২ ধারায় দলিল জাল বলে ঘোষণার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির তামাদির মেয়াদ ৩ বৎসর। এই তামাদির মেয়াদ ৯১ থেকে ৯৩ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত আলোচনা করা হয়েছে।
৫,০৪৬.
কোন ধরনের মামলায় বাদী মামলার খরচ ছাড়া মামলার বিষয়বস্তুর উপর কোন দাবি থাকে না?
  1. নাবালক কর্তৃক মামলায়
  2. ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
  3. জনস্বার্থ সম্পর্কিত মোকদ্দমায়
  4. নাবালকের নেক্সট ফ্রেন্ড কর্তৃক মামলায়
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার স্যুটে
ব্যাখ্যা
♦ধারা-৮৮ এবং আদেশ ৩৫ তে ইন্টারপ্লিডার স্যুট সম্পর্কে বলা আছে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।
 বিবাদীগণ পৃথক পৃথক ভাবে তাদের দাবী উলে­খ করে, বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ ষড়যন্ত্র থাকবেনা (ধারা-৮৮)
 
♦  তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
♦ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবদাী থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

♦উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে কামাল সাহেব স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits করে প্রকৃত মালিকের কাছে সম্পত্তি বুঝিয়ে দিবেন।  এই মামলায় শুধু মাত্র মামলার খরচ ব্যতীত অন্য কোনো স্বার্থ থাকে না কামাল সাহেবের।
৫,০৪৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে অভিযুক্তের আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তর করা যায়?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ১৯১ ধারা
  3. ১৯২ ধারা
  4. ১৬৪ (২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৯১ ধারার বিধান মতে ধারা ১৯০ (১)(গ) অনুযায়ী কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে গ্রহণ করলে তিনি সাক্ষ্যগ্রহণের আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিহিত করবেন যে সে চাইলে অন্যকোন আদালতের মাধ্যমে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে পারে। অভিযুক্ত সুযোগটি গ্রহণ করলে বা অভিযুক্তের আবেদনক্রমে আমলী আদালত মামলাটি অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বা দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন।
৫,০৪৮.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে নি:স্ব হিসাবে আপিল করার তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫১ অনুচ্ছেদে
  2. ১৭০ অনুচ্ছেদে
  3. ১৮১ অনুচ্ছেদে
  4. ১৮৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০

নি:স্ব হিসাবে আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত [for leave to appeal as pauper]
- ৩০ দিন
- যে ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হবে, সেই তারিখ হতে।
৫,০৪৯.
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধুমাত্র দায়রা আদালতে
  3. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৯: কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা শাস্তি প্রদানকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট জারি করতে পারে।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
৫,০৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে, রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করা হয় কেন?
  1. অপরাধীদের শাস্তি দিতে
  2. সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করতে
  3. পক্ষগুলোর অধিকার নির্ধারণের জন্য
  4. আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য
ব্যাখ্যা
→ উত্তর: ঘ) আদালতের তত্ত্বাবধানে সম্পত্তি পরিচালনার জন্য।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(ঘ) ধারার অধীনে আদালত রিসিভার (Receiver) নিয়োগ করতে পারে।

- রিসিভার কে?
রিসিভার হল আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি, যিনি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি বিতর্কিত বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পত্তি পরিচালনা করেন যতক্ষণ না মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।

- কেন রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
→ বিতর্কিত সম্পত্তির সুরক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য।
→ পক্ষগুলোর মধ্যে স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য।
→ সম্পত্তির অবমূল্যায়ন বা অবৈধ ব্যবহার ঠেকানোর জন্য।
→ আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগ পর্যন্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করার জন্য।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে রিসিভার নিয়োগ আদালতের বিবেচনার বিষয় এবং এর নিয়মাবলি দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উদাহরণ:
- একটি ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব নিয়ে মামলা চলছে, যেখানে একটি কোম্পানির সম্পদ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। আদালত একজন রিসিভার নিয়োগ করতে পারে, যিনি ব্যবসাটি চালিয়ে যাবেন এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
৫,০৫১.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কোনো বই সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. যদি বইটি কোনো ব্যক্তিগত ডায়েরি হয়
  2. যদি এটি শুধুমাত্র সরকারি প্রকাশনা হয়
  3. যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৭: বই, মানচিত্র ও চার্ট সংক্রান্ত অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যে, কোনো বই যা জনস্বার্থ বা সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো প্রকাশিত মানচিত্র বা চার্ট, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য ধারণ করে এবং আদালতের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়—তা উক্ত লেখক বা প্রকাশকের দ্বারা নির্ধারিত সময় ও স্থানে লিখিত বা প্রকাশিত হয়েছে।

[The Court may presume that any book to which it may refer for information on matters of public or general interest, and that any published map or chart, the statements of which are relevant facts and which is produced for its inspection, was written and published by the person and at the time and place, by whom or at which it purports to have been written or published.]
৫,০৫২.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, মিথ্যা দাবির ক্ষেত্রে আদালত কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ আদায়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।
৫,০৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার অনুসারে, যদি বাদী শুধুমাত্র চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তির সম্পাদন আদেশ না দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করে দিতে পারে।
  2. শুধুমাত্র প্রতিপক্ষের পক্ষে রায় দিতে পারে।
  3. বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
  4. বাদীকে পুনরায় মামলা করার নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ দিতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য মামলা করে এবং আদালত চুক্তি সম্পাদন করতে আদেশ না দেয়, তবে আদালত বাদীকে বিকল্প ক্ষতিপূরণের সুযোগ প্রদান করতে পারে।
এখানে আদালত তথ্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন সম্ভব না হয় বা এটি আদায় করা ন্যায়সঙ্গত না মনে হয়, তবে বাদীকে তার ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিতে আদালত বাধ্য। এই ক্ষতিপূরণ চুক্তির ভঙ্গের জন্য দেওয়া হতে পারে এবং এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের পরিবর্তে দেওয়া হবে।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A একটি গৃহ বিক্রয়ের জন্য B-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গৃহটি বিক্রয় করা সম্ভব হয়নি এবং আদালত সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দেয়নি। এক্ষেত্রে, আদালত A-কে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দিতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
৫,০৫৪.
The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে স্পেসিফিক রিলিফ (Specific Relief) কখন দেওয়া যায় না?
  1. যখন চুক্তি ভঙ্গ হয়
  2. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
  3. যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
  4. যখন সম্পত্তির দখল ফেরত দেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-এর অধীনে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো, ক্ষতিপূরণ (Compensation) যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য পর্যাপ্ত সমাধান না হয়, তবে আদালত চুক্তির স্পেসিফিক পারফরম্যান্স (Specific Performance) বা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আদেশ দিতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মূলত তখনই প্রদান করা হয় যখন শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়া সম্ভব নয়। যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয় এবং মামলার পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণে ন্যায়বিচার পেতে পারে, তাহলে স্পেসিফিক রিলিফ বা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দেওয়া হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি চুক্তি লঙ্ঘন করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অর্থের মাধ্যমে যথাযথ প্রতিকার (adequate compensation) পেতে পারে, তাহলে Specific Performance বা Injunction-এর মতো স্পেসিফিক রিলিফ দেওয়া হবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

যদিও ৫ এর (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে। অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
-----------------
⇒ Section 5 Specific relief how given: Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
৫,০৫৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় কয়টি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার প্রতিকার নামঞ্জুর করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায় না তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। ৫৬ ধারা অনুসারে ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রণয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারি দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরণ আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
------------------------
SR Act Section-56. Injunction when refused:- An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
৫,০৫৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 10 অধীন প্রদত্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত আদেশ
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. চূড়ান্ত এবং আপিলঅযোগ্য আদেশ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার:
আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
৫,০৫৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 339C(2) ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
  1. ২৬০
  2. ১৮০
  3. ৩২০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
৫,০৫৮.
কোন ব্যক্তি কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. প্লিডার
  3. অ্যাডভোকেট
  4. সলিসিটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ মোতাবেক- পাবলিক প্রসিকিউটর কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়ায় বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবে।
৫,০৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ৫১ ধারা
  2. ৫২ ধারা
  3. ৫৩ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• অস্থায়ী এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে নিরোধমূলক প্রতিকার দেওয়া হয়।
• এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৫,০৬০.
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে ______________ বলে।
  1. স্বীকৃতি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. Best Evidence
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
ব্যাখ্যা
জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়। ]
৫,০৬১.
ফৌজদারী কার্যবিধি ৪২০ ধারায় অনুযায়ী কারাগারে থাকা অবস্থায় আপিল করার আবেদন কাকে জমা দিতে হবে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. স্থানীয় থানার ইনচার্জ
  3. আদালতের রেজিস্ট্রার
  4. কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে, আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।
---------------------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail: 
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৫,০৬২.
ধারা ৩৭৬ এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগের কী ক্ষমতা আছে?
  1. দণ্ড বহাল রাখা
  2. খালাস দেওয়া
  3. অন্য কোনো দণ্ড প্রদান
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, 
যে কোনো মামলা ধারা ৩৭৪ বা ৪০৫ অনুযায়ী হাইকোর্টে পেশ করা হয়, সেখানে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে:
(ক) দণ্ড বহাল রাখতে পারে, অথবা আইন অনুযায়ী অন্য কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারে।

(খ) দোষ প্রমাণ বাতিল করতে পারে, এবং অভিযুক্তকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে যার জন্য দায়রা আদালত তাকে দণ্ড দিতে পারত, অথবা একই বা সংশোধিত অভিযোগে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে।

(গ) অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দিতে পারে।

শর্ত: এই ধারা অনুযায়ী কোনো দণ্ড বহাল রাখার আদেশ দেওয়া যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত—

আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা

নির্ধারিত সময়ে আপিল করলে সেই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.

৫,০৬৩.
সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বাক্য সঠিক?
  1. মামলার নথির অংশ হবে
  2. ফরিয়াদী কিংবা আসামী চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৫,০৬৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে আদালত কমিশন প্রেরণ করতে পারে?
  1. আদালতের স্বেচ্ছায়
  2. সাক্ষীর শপথপত্রের ভিত্তিতে
  3. মামলার পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ: 
আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীর কমিশন প্রেরণ করা আদেশ প্রদান করতে পারেন।

Order-26 Rule-2. Order for commission:
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
৫,০৬৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো দলিল অগ্রাহ্য করে, তবে তাকে কী করতে হবে?
  1. দলিলটি ফেরত দিতে হবে
  2. দলিলটি ধ্বংস করতে হবে
  3. অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
  4. দলিল গ্রহণের জন্য পক্ষগণের অনুমতি নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৩ বিধি-৩ অনুযায়ী, আদালত যদি মনে করে যে কোনো দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তাহলে সে দলিল অগ্রাহ্য করতে পারে; তবে এই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ডপূর্বক উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: অগ্রাহ্যের কারণ রেকর্ড করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি-৩: অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অগ্রহণযোগ্য দলিলাদি অগ্রাহ্য:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করে যে, কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক কিংবা অন্যভাবে অগ্রহণযোগ্য, তবে অগ্রাহ্যের হেতু রেকর্ডপূর্বক আদালত উক্ত দলিল অগ্রাহ্য করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-3: Rejection of irrelevant or in admissible documents:
The Court may at any stage of the suit reject any document which it considers irrelevant or otherwise inadmissible, recording the grounds of such rejection.
৫,০৬৬.
বিকৃত মস্তিষ্কের কোন ব্যক্তিকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
৫,০৬৭.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী নরহত্যা কখন শাস্তিযোগ্য হয়?
  1. মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে
  2. যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকা সত্ত্বেও করা
  3. দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি:
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজের মাধ্যমে দৈহিক জখম হতে পারে এবং সেই জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজ মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ করে এবং তার ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
৫,০৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

♦ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

------------------------
♦  When search-warrant may be issued:

Section 96.(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৫,০৬৯.
একটি বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য নিচের কোন শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  2. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকর যোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর যোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
-----------------------
⇒SR Act- Section-21A. Unregistered contract for sale not specifically enforceable:
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
৫,০৭০.
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক'-
  1. 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
  2. ৬ মাসের মধ্যে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  3. ক্ষতিপূরণ সহ 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
  4. পরবর্তীতে যেকোনো সময়ে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২ এর বিধি ২ অনুসারে,
মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্বন্ধে বাদী যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে, পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

আদেশ ২ বিধি ২- 
১) সমগ্র দাবী মোকদ্দমার অন্তর্ভুক্ত করতে হবেঃ
যেকোন মোকদ্দমার সারবস্তু সম্বন্ধে বাদি যে পরিমাণ দাবী করার অধিকার রাখে, তা সম্পূর্ণ দাবী করতে হবে। অবশ্য মোকদ্দমাটি কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার দাবী আংশিকভাবে বর্জন করার যদি দরকার হয় তাহলে তা করতে পারবে।

২) দাবীর অংশ পরিত্যাগঃ
বাদী যদি তার দাবীর কোন অংশ উল্লেখ না করে মোকদ্দমা করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে দাবী আংশিক বর্জন করে, তবে পরে ঐ দাবী বা দাবীর সে অংশের জন্য মোকদ্দমা করা চলবে না।

৩) একাধিক প্রতিকারের মধ্যে কোন একটির জন্য মোকদ্দমা করতে বর্জনঃ
কোন ক্ষেত্রে বাদী মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না।

ব্যাখা- উক্ত বিধির উদ্দেশ্যে কোন বাধ্যবাধকতা এবং তা সম্পাদন করার নিমিত্তে প্রদত্ত আনুষঙ্গিক জামানত এবং উক্ত বাধ্যবাধকতা হতে উদ্ভূত আনুক্রমিক দাবীসমূহ ক্রমান্বয়ে একটি মোকদ্দমার কারণই সৃষ্টি করবে।

উদাহরণ-
'ক' বার্ষিক ১২০০ টাকা ভাড়ায় 'খ'-কে একটি বাড়ী ভাড়া দেয়। ১৯০৫, ১৯০৬ এবং ১৯০৭ সালে সম্পূর্ণ ভাড়া বাকি পড়ে। ১৯০৮ সালে 'ক' শুধুমাত্র ১৯০৬ সালে ভাড়ার দাবীতে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করে। ১৯০৫ ও ১৯০৭ সালে ভাড়ার জন্য 'ক' পরে 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারবে না।
৫,০৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী কে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. উক্ত আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
৫,০৭২.
ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার কি?
  1. ফৌজদারী মোকদ্দমা
  2. দেওয়ানি মোকদ্দমা
  3. কোনো প্রতিকার নাই
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার ধরণ:
(i) স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তির অধিকার
(ii) অদৃশ্য সম্পত্তি যথা: কপিরাইট/ট্রেডমার্ক এর স্বত্বের অধিকার
(iii) পদের/মর্যাদার অধিকার
(iv) ভোটের অধিকার 
(v) বাটোয়ারা মোকদ্দমা (Partition Suit)
(vi) অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা (Preemption Suit)
(vii) অর্থ লেনদেনের মোকদ্দমা (Money)

অর্থাৎ ভোট দেওয়ার অধিকার খর্ব হলে সেক্ষেত্রে প্রতিকার হল দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের।
৫,০৭৩.
১৯০(১) ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকারে অপরাধের আমল নিতে পারেন?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ২ ভাবে
  4. অসংখ্যভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure 1898 (CrPC )এর ১৯০(১) ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট তিন ভাবে অপরাধের আমল নিতে পারেনঃ
১। complaint এর ভিত্তিতে
২। পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
৩। পুলিশ ব্যতীত অন কোনো ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে বা নিজের জ্ঞান থেকে বা সন্দেহের ভিত্তিতে কগনিজেন্স নিতে পারেন।
৫,০৭৪.
নিম্মলিখিত কোনটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য না?
  1. আদি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত কোন কপি
  2. মূল কপির সাথে তুলনা করে প্রস্তুতকৃত কপি
  3. কোন দলিল দেখেছে এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল বিষয়ে মৌখিক ব্যই বিবৃতি
  4. আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
ব্যাখ্যা
♦আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিল হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য।
৫,০৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় রিভিউয়ের বিধান রয়েছে?
  1. ১২০
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে। অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
⇒ অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ এর মাঝে রিভিউ বিধান আছে।  এই আদেশ অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত কর্তৃক নিজের ভুল সংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
⇒  আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সে পক্ষ রিভিউ করবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা মতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
----------------------
Section 114. Review:
- Subject as aforesaid, any person considering himself aggrieved-
(a) by a decree or order from which an appeal is allowed by this Code, but from which no appeal has been preferred, 
(b) by a decree or order from which no appeal is allowed by this Code, or 
(c) by a decision on a reference from a Court of Small Causes 
may apply for a view of judgment to the Court which passed the decree or made the order, and the Court may make such order thereon as it thinks fit.
৫,০৭৬.
"Nemo debet bis vexari" is most closely associated with which legal concept?
  1. Right to privacy
  2. Habeas corpus
  3. Double jeopardy
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo debet bis vexari is a Latin legal maxim that means "no one should be vexed (tried or prosecuted) twice for the same cause." This principle is fundamental to the concept of double jeopardy, which prevents a person from being tried again for the same offense after a legitimate acquittal or conviction.

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

⇒ এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

⇒দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

⇒ যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
৫,০৭৭.
পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারন উদ্দেশ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামী হতে হবে-
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ৭ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।
৫,০৭৮.
‘D’ একটি বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যাতে সম্পত্তি রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে। সে অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুযায়ী ‘D’ এর শাস্তি নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৪৫৯
  2. ধারা ৪৬০
  3. ধারা ৪৬১
  4. ধারা ৪৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে এবং সেই পাত্রে সম্পত্তি রয়েছে বা রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে, কিন্তু অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সেই পাত্র ভেঙে ফেলে, তার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এবং অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙেছে, তাই ধারা ৪৬২ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬২-এর অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি-যুক্ত পাত্র অসাধুভাবে ভাঙা হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৪৬২।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section-462.Punishment for same offence when committed by person entrusted with custody:
- Whoever, being entrusted with any closed receptacle which contains or which he believes to contain property, without having authority to open the same, dishonestly, or with intent to commit mischief, breaks open or unfastens that receptacle, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫,০৭৯.
জসিম একটি কল্পিত নাম ব্যবহার করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন। তার শাস্তি হতে পারে:
  1. শুধু জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল
  3. সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারা- নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারা- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 171D- Personation at elections:
Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.

Section 171F- Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৫,০৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুসারে তল্লাশির সময় কতজন সম্মানিত স্থানীয় বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে বলা হয়?
  1. একজন বা তার বেশি
  2. দুইজন বা তার বেশি
  3. তিনজন বা তার বেশি
  4. চারজন বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

৫,০৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯(৩) ধারায়, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নাম ও বাসস্থান প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে -
  1. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হবে
  3. ৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  4. তাকে আটকে রাখা হবে এবং তদন্ত করা হবে
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকেগ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৫,০৮২.
‘K’ তার পকেটে কুকুরের জন্য একটি টোপ রাখে এবং ইহার সাহায্যে ‘Z’-এর কুকুরকে ইহার অনুসরণ করতে প্রলুব্ধ করে। এক্ষেত্রে যদি কুকুরটিকে ‘Z’-এর অধিকার হতে ‘Z’-এর সম্মতি ব্যতিরেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাওয়া 'K' -এর অভিপ্রায় হয়ে থাকে তাহলে ‘Z’-এর কুকুরটি ‘K’ কে অনুসরণ করার সঙ্গে কী ধরণের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অসাধুভাবে বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৭৮ এর উদাহরণ খ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
৫,০৮৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত আসামীকে অব্যাহতি (discharge) দিতে পারেন?
  1. 241A
  2. 245
  3. 265C
  4. 265H
সঠিক উত্তর:
265C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265C
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে,অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
৫,০৮৪.
A এবং B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, A এবং B মিলে বিষ প্রয়োগ করলে C মারা যায়। A এবং B এর দোষ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  3. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
-যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কিছু কাজের মাধ্যমে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়, তখন কেউ যদি ঐ কাজগুলির মধ্যে একটি সম্পাদন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি অপর অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে। এর মানে হল যে, একই অভিপ্রায় না থাকলেও যদি একজন অপরাধীর কাজ অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তবে উভয়েই অপরাধে দায়ী হবে।

উদাহরণ: ক ও খ আলাদাভাবে, ভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ-কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। তাদের দ্বারা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ মারা যায়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করতে সহায়তা করেছে এবং তারা প্রত্যেকে এমন কাজ করেছে যার ফলে মৃত্যু ঘটেছে। তাই, যদিও ক ও খ এর কাজ পৃথক, তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
---------------
→ The Penal Code, 1860 Section- 37: Co-operation by doing one of several Acts constituting an offence:
- When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.
 
Illustrations:
(a) A and B agree to murder Z by severally and at different times giving him small doses of poison. A and B administer the poison according to the agreement with intent to murder Z. Z dies from the effects of the several doses of poison so administered to him. Here A and B intentionally co-operate in the commission of murder and as each of them does an act by which the death is caused, they are both guilty of the offence though their acts are separate. 
 
(b) A and B are joint jailors, and as such, have the charge of Z, a prisoner, alternately for six hours at a time. A and B, intending to cause Z's death, knowingly co-operate in causing that effect by illegally omitting, each during the time of his attendance, to furnish Z with food supplied to them for that purpose. Z dies of hunger. Both A and B are guilty of the murder of Z.
৫,০৮৫.
নিম্নের কোন বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়?
  1. যেকোনো বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  2. শুধুমাত্র বিচার্য বিষয়ের উপরে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  3. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  4. বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।


 স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।

৫,০৮৬.
সাধারণত অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বাদী মোকদ্দমার আরজিতে দাবীকৃত অর্থের-
  1. পরিমাণ উল্লেখ করবে না
  2. আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবে
  3. যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথ পরিমাণ উল্লেখ করবে
ব্যাখ্যা
• আরজি হলো মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয়।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আরজিতে যে যে বিষয়গুলো সাধারণত উল্লেখ থাকে-
⇒ যে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তার নাম;
⇒ বাদী ও বিবাদীর নাম, পরিচয়, বাসস্থান;
⇒ বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা মানসিক বিকারগ্রস্ত হলে, সেই মর্মে বিবৃতি;
⇒ মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হবে;
⇒ কারণ (Cause of action) এবং কারণ উদ্ভবের সময়;
⇒ প্রার্থিত প্রতিকার (relief claimed) ও দাবির কোন অংশ বর্জন করা হলে সেই মর্মে বিবৃতি ইত্যাদি।

• ৭নং আদেশের ২নং বিধিমতে-
অর্থ আদায়ের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমান (precise amount), কিন্তু অমিমাংসীত অর্থ ক্ষেত্রে আনুমানিক অর্থ (approximate) লিখতে হবে।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
৫,০৮৭.
"চোরাই মাল" বলতে বোঝায়-
  1. চুরির ফলে হস্তান্তরিতকৃত সম্পত্তি
  2. দস্যুতার ফলে অর্জিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৫,০৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত হলে আদালত কী প্রদান করে?
  1. সম্পত্তির মালিকানা চুক্তি।
  2. ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
  3. decree-holder এর জন্য আদেশ।
  4. judgment-debtor এর জন্য নোটিশ।
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য একটি সার্টিফিকেট।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৯৪ অনুযায়ী, যখন স্থাবর (অস্থাবর নয়) সম্পত্তির বিক্রয় নিশ্চিত বা চূড়ান্ত (absolute) হয়ে যায়, তখন আদালত একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে। এই সার্টিফিকেটে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন, তার নাম উল্লেখ থাকে। এছাড়া, সার্টিফিকেটে বিক্রয় নিশ্চিত হওয়ার তারিখও উল্লেখ থাকে। এটি ক্রেতার জন্য আইনি স্বীকৃতি হিসেবে কাজ করে। অন্য কোন দলিল বা নোটিশ এ বিধিতে উল্লেখ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি- ৯৪ ক্রেতাকে সনদপত্র:
-যেখানে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চূড়ান্ত (absolute) হয়ে গেছে, সেখানে আদালত একটি সনদপত্র প্রদান করবে যাতে বিক্রিত সম্পত্তির বিবরণ এবং যিনি বিক্রয়ের সময় ক্রেতা হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন তার নাম উল্লেখ থাকবে। সেই সনদপত্রে বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার তারিখও থাকবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-94. Certificate to purchaser:
-Where a sale of immoveable property has become absolute, the Court shall grant a certificate specifying the property sold and the name of the person who at the time of sale is declared to be the purchaser. Such certificate shall bear date the day on which the sale became absolute.
৫,০৮৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্বের বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৪৯ ধারায়
  4. ৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।ঃ
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
----------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৫,০৯০.
একজন আইনজীবির আদালতের বিচারকের সাথে বিশেষ সম্পর্ক…
  1. রাখবে
  2. রাখবে না
  3. আংশিক রাখবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
ব্যাখ্যা
♠ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ৪নং বিধি অনুযায়ী বিচারকের সঙ্গে আইনজীবির বিশেষ সম্পর্ক থাকতে পারে না।
♠ যদি রাখেন তাহলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।  
৫,০৯১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় কোন প্রকার প্রতিকারের বিধান রয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিরোধমূলক
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা হলো কোন কাজ করতে কেউ বাধ্য এমন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করা হতে বিরত রাখতে; যদি কোন নির্দিষ্ট কাজ করাতে বাধ্য করার প্রয়োজন হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করার জন্য আদালতের দেওয়া আদেশ।
৫,০৯২.
একটি দেওয়ানি মামলায় কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন যে কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
  1. ১ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

♦Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৫,০৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ অনুযায়ী, জামিনে মুক্তির পূর্বে অভিযুক্তের বন্ডের অর্থমূল্য কে নির্ধারণ করে?
  1. জামিনদার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
৫,০৯৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সাক্ষীর সংখ্যা সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১২৯ ধারা
  2. ১৩৪ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- অর্থাৎ, আদালতে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে কতজন সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে তা নির্ধারণ করা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৫,০৯৫.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের ২টি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
১) সেশন আদালত (Courts of Sessions);
২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)।

⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের দুটি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
- দায়রা আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে দায়রা জজ আদালত, অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত, এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, এই দুই শ্রেণীর মধ্যে আলাদা বিচারিক কাঠামো এবং দায়িত্ব থাকে, এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নির্ভর করে তাদের শ্রেণী অনুযায়ী।
৫,০৯৬.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
  4. অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী অপশন (ঘ) 'অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ' গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৫,০৯৭.
যদি বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনার তারিখ থেকে
  2. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  3. ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  4. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ যদি ক্রেতা সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, বিক্রয়ের বিষয়বস্তুতে ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে। এই তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
৫,০৯৮.
কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন ?
  1. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
  2. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  3. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৫,০৯৯.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এ সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে প্রযোজ্য হবে_________ অনুচ্ছেদ।
  1. ১৮০
  2. ১৪২
  3. ১২১
  4. ১৮১
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১

দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
৫,১০০.
রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মূল্যবান আংটি ‘ক’ পেয়ে মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রয় করে দেয়। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
  4. 'ক'-এর কাজ কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘ক’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.