বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৪৪ / ১২৬ · ৪,৩০১৪,৪০০ / ১২,৬০৫

৪,৩০১.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
--------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5. (1) The Bar Council shall consist of fifteen members, of whom-
(a) one shall be the Attorney-General for Bangladesh ex-officio;
(b) seven shall be elected in the prescribed manner by the advocates on the roll from amongst their members; and
(c) seven shall be elected by the Advocates who are members of the Local Bar Associations included in each group under clause (2), from amongst themselves.
(2) For the purpose of sub-clause (c) of clause (1), the bar associations shall be divided by the Government, by notification in the official Gazette, into seven groups.
৪,৩০২.
দেওয়ানী কার্যবিধি আইন ১৯০৮ একটি_____?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. ক+খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে l
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ একটি পদ্ধতিগত আইন।
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়।
• বর্তমানে ১৯০৮ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আইন হিসাবে পরিচিত।
• ১৯০৯ সালে ১লা জানুয়ারী এই আইন কার্যকর হয়।
৪,৩০৩.
একজন ব্যক্তি কিসের কারণে সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারেন?
  1. একজন শিশু
  2. একজন শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  3. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
  4. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে যিনি প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম, তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে উপযুক্ত নন। তবে, একজন শিশু, শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি বা মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি, যদি আদালতের মতে তারা প্রশ্ন বুঝতে এবং যৌক্তিক উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে তারা সাক্ষ্য দিতে সক্ষম বা যোগ্য সাক্ষী।
-------------------
⇒ The Evidence Act, Section-118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৪,৩০৪.
কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

-------------------------------------------
♦ Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
৪,৩০৫.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. রিলিজ রিপোর্ট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. ফাইনাল রিপোর্ট
  4. চার্জ শিট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৪,৩০৬.
কোন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর ঋণের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে?
  1. সব সময়
  2. কখনোই নয়
  3. যখন আইনত দায়ী
  4. যখন স্ত্রী অনুমতি দেন
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত দায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনত দায়ী
ব্যাখ্যা
আদেশ ২২ বিধি-৭: মহিলা পক্ষের বিবাহের ফলে কোন মোকদ্দমায় বিলুপ্ত হয় না-
১) কোন মহিলা বাদি বা বিবাদির বিবাহ কোন মোকদ্দমাকে বিলুপ্ত করাবে না, কিন্তু মোকদ্দমাটি এতসত্ত্বেও রায় পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে এবং মহিলা বিবাদির বিরুদ্ধে জারি করা যাবে।

২) যেক্ষেত্রে স্বামী আইনত স্ত্রীর ঋণের জন্য দায়ী, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামীর বিরুদ্ধেও ডিক্রি জারি হতে পারে; এবং স্ত্রীর পক্ষে রায়ের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে স্বামী কর্তৃক আবেদন করা হলে ডিক্রি জারি করা যাতে পারে, অন্যথায় আইনত স্বামীকে ডিক্রির বিষয়বস্তুতে অধিকারী হতে হবে।

Rule.-7: Suit not abated by marriage of female party.-
1) The marriage of a female plaintiff or defendant shall not cause the suit to abate, but the suit may notwithstanding be proceeded with to judgment, and, where the decree is against a female defendant, it may be executed against her alone.

2) Where the husband is by law liable for the debts of his wife, the decree may, with the permission of the Court, be executed against the husband also; and, in the case of judgment for the wife, execution of the decree may, with such permission, be issued upon the application of the husband, where the husband is by law entitled to the subject-matter of the decree.
৪,৩০৭.
পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি কিভাবে গ্রহণ করতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. এডভোকেট কর্তৃক
  3. ৩য় যেকোনো ব্যক্তি কর্তৃক
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ (পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন)-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ গ্রহণ করতে পারবেন।

Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories. 
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
৪,৩০৮.
ধারা ৫৪ প্রযোজ্য হবে না কোন ক্ষেত্রে?
  1. ভালো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  2. খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
  3. সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হলে
  4. ভালো বা খারাপ যেকোনো চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্র বিচার্য বিষয় হলে
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪:
ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির খারাপ চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক, যদি না তার ভালো চরিত্র সম্পর্কে প্রমাণ দেওয়া হয়, যার ফলে তার খারাপ চরিত্র প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

৪,৩০৯.
পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন কে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.

(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
৪,৩১০.
স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য কার পরোয়ানা বা সমন জারির ক্ষমতা (Power to issue summons or warrant for offence committed beyond local jurisdiction) আছে?
  1. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় এবং ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৬ তে দেয়া আছে,
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বাস করেন যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি উক্ত সীমার বাইরে বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে এমন কোন অপরাধ করেছে যা বাংলাদেশে বিচার্য, তখন তিনি অপরাধটি তার স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নিয়ে সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে তার নিকট হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন এবং এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাকে প্রেরণ করতে পারবেন অথবা অপরাধটি জামিনযোগ্য হলে তাকে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন।

• এরূপ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে একাধিক এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে বা হাজির হতে বাধ্য করা হবে তা এই ধারানুসারে কার্যরত ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক করতে না পারলে তিনি উপযুক্ত আদেশের জন্য বিষয়টি হাইকোর্টে প্রেরণ করবেন।
৪,৩১১.
বেশ্যাবৃত্তি (Prostitution) ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের (minor) বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  2. বারো বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড।
  4. তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
Selling minor for purposes of prostitution, etc.
Habitual dealing in slaves 
 Section 372. Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 

Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
৪,৩১২.
ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী-
  1. বাতিল হবে না।
  2. বাতিল হবে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩১ মতে- ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী আদালতের কোন অনুসন্ধান, শাস্তি বা আদেশ বাতিল হবে না।
• কিন্তু এমন ভুল কার্যক্রমের কারণে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়, তাহলে উক্ত কার্যক্রম বাতিল হবে।
৪,৩১৩.
চুরির অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. স্বর্ণালংকার
  3. জমি
  4. আসবাবপত্র
সঠিক উত্তর:
জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী একমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায়। স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি চুরি করা যায় না।
৪,৩১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুসারে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” বলতে কী বোঝায়?
  1. Executive Magistrate
  2. District Magistrate
  3. Judicial Magistrate
  4. Metropolitan Magistrate
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” শব্দটি ব্যবহৃত হলে সেটি Judicial Magistrate বোঝাবে।
- অর্থাৎ, যদি “Executive Magistrate” বা “District Magistrate” এর মতো কোনো বিশেষণ যুক্ত না থাকে, তবে “Magistrate” বলতে সরাসরি বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে বোঝানো হয়।
-  তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: Judicial Magistrate.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "In this Code, unless the context otherwise requires, any reference— (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;"
- অর্থাৎ, কোডে যখন কোনো qualifying word (যেমন Executive, District, Chief ইত্যাদি) ছাড়া শুধু "Magistrate" শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তা Judicial Magistrate কে বোঝাবে।
- এই ধারা (Construction of references) মূলত Judicial Magistrate এবং Executive Magistrate-এর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে।

৪,৩১৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৬ অনুযায়ী, চুক্তি কখন বাতিল করা যাবে না?
  1. যদি চুক্তি অনৈতিক হয়
  2. যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
  3. যদি সরকারি চুক্তি হয়ে থাকে
  4. যদি চুক্তি আদালতে অনুমোদিত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি শুধু সাধারণ ভুল থাকে
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

৪,৩১৬.
Under Section 404, in which situation can an appeal be made against a Criminal Court's decision?
  1. If the police recommend an appeal.
  2. Only if the Code or another law allows it.
  3. If the trial court permits an appeal.
  4. If the accused believes the judgment is unfair.
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
ব্যাখ্যা
Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
৪,৩১৭.
আরজিতে বাদী সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা দেখাতে হবে-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে
  2. সাধারণভাবে
  3. ক বা খ
  4. বাদীর ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি-৭ অনুযায়ী আরজিতে প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করতে হয়। 

• আরজি হল মামলার কারণ সংবলিত বিবরণ যেখানে নালিশের কারণ উল্লেখপূর্বক বাদী প্রতিকার প্রার্থনা করে। অর্থাৎ বাদী মোকদ্দমা দায়েরের সময় আদালতে যে দাবি সংবলিত আবেদন দাখিল করে তাকে আরজি বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা এবং ৪নং আদেশের ১ নং বিধিমতে প্রত্যেক মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হয় (Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint)।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদি সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.
৪,৩১৮.
দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী নিচের কোনটি “Person” শব্দের মধ্যে পড়ে না?
  1. একটি সমিতি
  2. একটি কোম্পানি
  3. সমবায় প্রতিষ্ঠান
  4. একটি প্রাকৃতিক নদী
সঠিক উত্তর:
একটি প্রাকৃতিক নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রাকৃতিক নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১১ (Section 11) অনুযায়ী:
“The word ‘person’ includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.”
- “Person” শব্দটি দ্বারা কোনো কোম্পানি, সংঘ বা ব্যক্তি-সমষ্টি বোঝানো হয়—তা নিবন্ধিত (incorporated) হোক বা না হোক।

তবে, “প্রাকৃতিক নদী”:
- একটি প্রাকৃতিক সত্তা, যার আইনি ব্যক্তিত্ব নেই।
- (যদিও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা আইন অনুযায়ী 'legal person' হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু সেটা দণ্ডবিধির সাধারণ সংজ্ঞায় নয়)।
- এটি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংঘ নয়, সুতরাং দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী "Person" এর মধ্যে পড়ে না।
৪,৩১৯.
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্ত এবং ভাড়ায় ভাড়া দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কাজ সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এইক্ষেত্রে
  1. ‘ক’ সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে।
  2. ক পুনরায় ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে।
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবেনা
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৪ মতে যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার অধিকারী হবে না। যেহেতু 'ক' চুক্তিভঙ্গের জন্য একবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তাই সে পুনরায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করার অধিকারী হবে না।

♦ধারা ২৪ এর বিধান প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতাঃ
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; অথবা
(ঘ) যে চুক্তির পূর্বেই অবগত ছিল যে, উহার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
৪,৩২০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান না থাকলে বা তফসিলে উল্লেখ না থাকলে দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮১ এর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
অর্থাৎ তামাদি আইনে যে দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ সুনির্দিষ্টভাবে বলা নেই তা দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।

- অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, যেখানে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোনও তামাদি বিধান নেই বা তফসিলে উল্লেখ নেই, সেসব ক্ষেত্রে দরখাস্ত করার তামাদি মেয়াদ হলো ৩ বছর, গণনা শুরু হয় দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার সময় থেকে।
৪,৩২১.
যদি দেওয়ানি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তবে আদালত অবশ্যই-
  1. বাদীপক্ষের অনুমতি নিবে
  2. হাইকোর্টের অনুমতি নিবে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের খরচ লিপিবদ্ধ করবে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
৪,৩২২.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ৩০ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
---------------------------
Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:-
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff;
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled;
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced.

৪,৩২৩.
কোন দায়িককে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখলে তার খোরপোষ ভাতার হার কে নির্দিষ্ট করবেন?
  1. দায়িক নিজে
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. জেলখানা কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।
• খোরপোষ ভাতা নির্ধারন করবেন সরকার।
-গোত্র, পদমর্যাদা, জাতীয়তা বিবেচনায় খোরপোষ ভাতা নির্ধারন হবে।

• তবে যার আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউকে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয় তাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৭ ধারার বিধান খোরপোষ ভাতা: সরকার পদপর্যাদা, গোত্র এবং জাতীয়তার ক্রমানুসারে দায়িকের খোরপোষের নিমিত্তে প্রদানযোগ্য মাসিক ভাতার হার নির্দিষ্ট করতে পারবে।
--------------
Section 57: Subsistence allowance. The Government may fix scales, graduated according to rank, race and nationality, of monthly allowances payable for the subsistence of judgment-debtors.
৪,৩২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) অনুযায়ী, ডিক্রি অন্য আদালতে কার্যকরের জন্য প্রেরণের সময় আদালতের কী করতে হবে?
  1. কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
  2. ডিক্রিধারীর অনুমতি নিতে হবে
  3. High Court-এর অনুমোদন নিতে হবে
  4. Judgment-debtor-কে শুনানি দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯(১)(ঘ) যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যদি অন্য যেকোনো কারণেই (which it shall record in writing) মনে করেন যে ডিক্রিটি অন্য আদালত দ্বারা কার্যকর করা উচিত, তাহলে তাঁকে সেই কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এটি একটি বাধ্যতামূলক শর্ত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৯: ডিক্রি স্থানান্ত:
(১) যে আদালত একটি ডিক্রি জারি করেছেন, সেই আদালত ডিক্রিদারের (decree-holder) আবেদনের ভিত্তিতে, ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য অন্য একটি আদালতে প্রেরণ করতে পারেন, যদি—
(ক) যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি পাস করা হয়েছে তিনি প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে বসবাস করেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেন, অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কাজ করেন, অথবা
(খ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে সেই ব্যক্তির পর্যাপ্ত সম্পত্তি না থাকে যা ডিক্রিটি সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু সেই অন্য আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার মধ্যে তার সম্পত্তি থাকে, অথবা
(গ) ডিক্রিটি এমন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা হস্তান্তরের নির্দেশ দেয় যা ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার সীমার বাইরে অবস্থিত, অথবা
(ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোনো কারণে, যা তিনি লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন, মনে করেন যে ডিক্রিটি সেই অন্য আদালত কর্তৃক জারি করা উচিত।
(২) যে আদালত একটি ডিক্রি পাস করেছেন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে (of its own motion) উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন যেকোনো অধস্তন আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section- 39. Transfer of decree:
(1) The Court which passed a decree may, on the application of the decree-holder, send it for execution to another Court,- 
(a) if the person against whom the decree is passed actually and voluntarily resides or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(b) if such person has not property within the local limits of the jurisdiction of the Court which passed the decree sufficient to satisfy such decree and has property within the local limits of the jurisdiction of such other Court, or 
(c) if the decree directs the sale or delivery of immovable property situate outside the local limits of the jurisdiction of the Court which passed it, or 
(d) if the Court which passed the decree considers for any other reason, which it shall record in writing, that the decree should be executed by such other Court. 
(2) The Court which passed a decree may of its own motion send it for execution to any subordinate Court of competent jurisdiction.

৪,৩২৫.
বাদী 'A' একটি জমির উপর তার মালিকানা দাবি করে, কিন্তু সেই জমি বর্তমানে বিবাদী 'B'-এর দখলে রয়েছে। যদি 'A' আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত -
  1. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে
  2. A এর মোকদ্দমা খারিজ করবে
  3. A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
  4. B-এর পক্ষে মালিকানা ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না
ব্যাখ্যা
আনুষঙ্গিক প্রতিকার:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্ত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না। এইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ করবে না কিন্তু দাবীকৃত ঘোষণাও মঞ্জুর করবে না। যেখানে বাদী শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার দাবী করতে পারতো, সেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা না করলে, আদালাত কোনভাবেই ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। 

এক্ষেত্রে, A আদালতে শুধুমাত্র মালিকানা দাবি করে অথচ দখলের দাবি না করে, তাহলে আদালত A-র মালিকানা ঘোষণা মঞ্জুর করবে না। কারণ, B-র দখলে থাকা জমির উপর A-কে অবশ্যই দখল দাবি করতে হবে।

আদালত কোন ঘোষণা মঞ্জুর করবে না, তার কারণ হলো মোকদ্দমার বহুত্ব নিবারণ করার জন্য। যেমন- যেখানে আনুষঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে দখল দাবী করা উচিত ছিল কিন্তু তা দাবী না করে শুধুমাত্র ঘোষণার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করা হলে, যদি আদালত ঘোষণাটি মঞ্জুর করে, তাহলে পুনরায় দখলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অথচ দখল এবং ঘোষণা দুইটি বিষয় কিন্তু একই মোকদ্দমায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব ছিল। তাই আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে না।
৪,৩২৬.
'ক' কে বেআইনিভাবে জমি থেকে দখলচ্যুত করা হয়। এক্ষেত্রে 'ক' দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কত দিনের মধ্যে আদালতে মামলা করতে পারবেন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হয় ছয় মাসের মধ্যে, এবং এই ছয় মাসের সময়সীমা শুরু হয় যেদিন দখলচ্যুতি (dispossession) ঘটে, সেদিন থেকে।

⇒ যে কেউ যদি বেআইনিভাবে কাউকে স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জমি-বাড়ি) থেকে দখলচ্যুত করে, তাহলে দখলচ্যুত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে আদালতে গিয়ে দখল ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন।
৪,৩২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ড প্রদান করা
  2. অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. অভিযোগকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. মামলার রায় প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৪,৩২৮.
সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩৪ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভূক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।

Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.

Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৪,৩২৯.
নিম্নলিখিত কোনটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার অধীনে নিরোধমূলক প্রতিকার প্রদানের পন্থা নয়?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় নিরোধমূলক প্রতিকার শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞা (injunction) আকারে মঞ্জুর করার কথা বলা হয়েছে এবং তা হতে পারে –
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction)
- তবে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) আদেশাত্মক প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ৫২ ধারার পরিসীমার বাইরে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
৪,৩৩০.
পেনাল কোডে কয় ধরনের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
 
(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
 
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
 
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);
 
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
 
(v) অর্থদণ্ড (fine)।
 
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
⇒ এই ধারায়, বেত্রাঘাত শাস্তির কোনো উল্লেখ নেই।
৪,৩৩১.
তামাদি আইনে অনুচ্ছেদ ১৬৯ অনুযায়ী একতরফা শুনানীকৃত আপীল পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৬৯ অনুসারে, যেই ডিক্রির বিরুদ্ধে একতরফা শুনানীকৃত আপীল হয়েছে, সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্ত করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে, গণনা শুরু হয় সংশ্লিষ্ট ডিক্রির তারিখ থেকে।
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৬৯: একতরফা শুনানীকৃত আপীল পুনরায় শুনানীর জন্য দরখাস্তের তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় আদেশের তারিখ থেকে।
৪,৩৩২.
ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কাকে প্রেরণ করবে?
  1. হাইকোর্টকে
  2. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

৪,৩৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে, একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা প্রাপ্তির______ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
  1. ১২০
  2. ১৮০
  3. ৩৬০
  4. ১৫০
সঠিক উত্তর:
১৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 339C: Time for disposal of cases

(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within one hundred and eighty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.
 
(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.
 
(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.
 
(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.
 
(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- 
 
(b) the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
৪,৩৩৪.
ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ১৬-এর শিরোনামই হলো: “Power to frame rules for guidance of Benches”
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চের' (Bench of Magistrates) জন্য নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন:
- বিচারযোগ্য মামলার শ্রেণি। 
- আদালতের বসার সময় ও স্থান। 
- বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বেঞ্চ গঠন। 
- ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতপার্থক্য নিষ্পত্তির পদ্ধতি। 
অতএব, ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ধারা ১৬-এ দেওয়া আছে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16. Power to frame rules for guidance of Benches:
- The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate] may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.

৪,৩৩৫.
অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টায় আক্রমণ করলে দণ্ডবিধির ৩৫৭ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৭: অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় আক্রমণ বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ-
যে কেউ কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় তার প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ করে, তিনি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, in attempting wrongfully to confine that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৪,৩৩৬.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ _____ এ আলোচনা করা হয়েছে।
  1. ১৮
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
• আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ: আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-

১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
৪,৩৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় আদালতের নিম্নোক্ত কোন আদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
  2. দণ্ডাদেশ সম্পূর্ণ বাতিল
  3. মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
৪,৩৩৮.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধিতে Verification of Pleadings সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ-৭ বিধি-১
  2. আদেশ-৯ বিধি-৬
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫- প্লিডিংস সত্যাখ্যান বা সত্যতা প্রতিপাদন [Verification of Pleadings]-
সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে, অন্য কোন ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে, সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে। যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন এবং স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৫ আরজি জবাব সত্যতা প্রতিপাদন:
(১) বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইনে অন্যরূপ যে বিধান আছে, তা ব্যতীত প্রত্যেক আরজি জবাবের নিম্নে পক্ষ বা আরজি জবাব দানকারী পক্ষদের মধ্যে একজন অথবা অপর কোন ব্যক্তি, যিনি মামলার ঘটনাবলীর সাথে পরিচিত বলে আদালতের সন্তুষ্টিতে প্রমাণিত, তৎকর্তৃক আরজি জবাবের সত্যতা প্রতিপাদন করতে হবে।
(২) সত্যতা প্রতিপাদনকারী ব্যক্তি আরজি জবাবের দফার সংখ্যা উল্লেখপূর্বক নির্দিষ্ট করে বলবেন যে কোনগুলি সত্যতা তিনি স্বজ্ঞানে প্রতিপাদন করছেন এবং কোনগুলির সত্যতা তিনি অপরের নিকট হতে প্রাপ্ত ও তার বিশ্বাস মতে সত্য তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিপাদন করেছেন।
(৩) যিনি সত্যতা প্রতিপাদন করবেন, তিনি উহাতে স্বাক্ষর দিবেন এবং যে তারিখে ও স্থানে উহা স্বাক্ষরিত হলো তা উল্লেখ করবেন।
___________

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6, Rule-15. (1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
(2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
(3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.

৪,৩৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলার সম্পত্তি যদি একাধিক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তবে মামলা কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির মূল অংশ পড়ে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির অংশবিশেষ আছে
  4. যে আদালতের এখতিয়ারে সম্পত্তির বেশি অংশ পড়েছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির অংশবিশেষ আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সম্পত্তির অংশবিশেষ আছে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৭- বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.

৪,৩৪০.
Nemo debet bis vexari নীতির সাথে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪৫ ধারা
  4. ৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৪,৩৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
তিনজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনজন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী:
- তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
-----------
⇒ Section 99C. Hearing by Special Bench:
- Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.
৪,৩৪২.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী-
  1. কোনো প্রতিকার পাবে না
  2. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  3. চুক্তিটি রদ করার অধিকারী নয়
  4. 'ক' থেকে ক্ষতিপূরণ লাভের অধিকারী
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-

লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।

Section 35- When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.

In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
৪,৩৪৩.
আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপনের জন্য প্লিডিংসে কোন তথ্য উল্লেখ করবেন?
  1. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
  2. আইনগত প্রমাণ
  3. দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধিতে বলা হয়েছে,
প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্য উল্লেখ করতে হবে, আইন বা সাক্ষ্য উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। ৬ আদেশের ২ বিধিতে আরও বলা হয়েছে, মোকদ্দমার পক্ষগণ তাদের দাবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উপর নির্ভর করে, সেইগুলির সংক্ষিপ্ত একটি বিবরণ প্রত্যেক প্লিডিংসে উল্লেখ করতে হবে, কিন্তু যে সকল সাক্ষ্য দ্বারা এইগুলি প্রমাণ করা হয়, তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না

সুতরাং, দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ২ বিধি অনুসারে প্লিডিংসের উপাদান হলো:
- প্লিডিংসে শুধুমাত্র তথ্যাদি উল্লেখ থাকবে, আইন নয়;
- উল্লিখিত তথ্যাদি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি হতে হবে;
- প্লিডিংসে সাক্ষ্য উল্লেখ থাকবে না; এবং
- উল্লিখিত তথ্যাদি সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করতে হবে।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures.
৪,৩৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিলের কী হবে?
  1. নষ্ট করা হবে
  2. আটক করা হবে
  3. রেকর্ডে রাখা হবে
  4. উপস্থাপনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
উপস্থাপনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থাপনকারীকে ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৩ বিধি ৭(২) অনুসারে, যে দলিলগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি, সেগুলো মোকদ্দমার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং যিনি দলিলটি উৎপাদন করেছেন, (উপস্থাপনকারীকে) তাকে ফেরত দেওয়া হবে। এটি নিশ্চিত করে যে অগ্রহণযোগ্য দলিলগুলো আদালতের রেকর্ডে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংরক্ষিত না হয় এবং উৎপাদনকারীর অধিকার সুরক্ষিত থাকে।
অর্থাৎ, সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়নি এমন দলিল মামলার রেকর্ডের অংশ হবে না এবং সেগুলি যিনি উপস্থাপন করেছেন, তাঁকেই ফেরত দেওয়া হবে।
-----
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-13 Rule-7.Recording of admitted and return of rejected documents:
(1) Every document which has been admitted in evidence, or a copy thereof where a copy has been substituted for the original under rule 5, shall form part of the record of the suit.
(2) Documents not admitted in evidence shall not form part of the record and shall be returned to the persons respectively producing them.

৪,৩৪৫.
পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করলে ২৫ ধারা অনুযায়ী তা সাক্ষ্য হিসেবে _______
  1. গ্রহণযোগ্য হবে
  2. গ্রহণযোগ্য হবে না
  3. আংশিক গ্রহনযোগ্য হবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহণযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী কেউ যদি পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করে  তাহলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না বরং এটি CRPC-১৬১ ধারার সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হবে। কেননা পুলিশের নিকট দোষ স্বীকার করা হয় না বরং CRPC -১৬৪ ধারা মতে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকার করা হয়।
৪,৩৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

৪,৩৪৭.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘন করলে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি ২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা:
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
৪,৩৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ অনুযায়ী, কী তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে?
  1. অপরাধের স্থান
  2. সাক্ষীর যোগ্যতা
  3. সাক্ষীর অসংগতি
  4. অপরাধের সঠিক সময়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অসংগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর অসংগতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ (Section 158 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, যখন ধারা ৩২ বা ৩৩ এর অধীন কোনো বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হিসেবে প্রমাণ করা হয়, তখন—
- নিম্নলিখিত বিষয়গুলো প্রমাণ করা যেতে পারে:
১) উক্ত বিবৃতিকে খণ্ডন (contradict) করার জন্য,
২) উক্ত বিবৃতিকে সমর্থন (corroborate) করার জন্য,
৩) বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করা (impeach) অথবা সমর্থন করা (confirm) —
যা করা যেত যদি সে ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে জেরা চলাকালে উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করত।
অর্থাৎ, ধারা ১৫৮ মূলত যেসব তথ্য সাক্ষীর বক্তব্যের অসঙ্গতি দেখাতে বা তার বক্তব্য সমর্থন করতে সহায়ক, সেগুলো প্রমাণযোগ্য করে তোলে।

উদাহরণস্বরূপ:
- যদি কেউ মৃত্যুশয্যায় দেওয়া কোনো বিবৃতি (ধারা ৩২) প্রমাণ করে, তবে প্রতিপক্ষ চাইলে সেই ব্যক্তির পূর্বের বিপরীত বক্তব্য, অসঙ্গত তথ্য, অথবা তার চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রমাণ দিতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫৮ সাক্ষীর দেওয়া পূর্ব বিবৃতি প্রমাণ করার মাধ্যমে তার বক্তব্যের অসঙ্গতি, খণ্ডন বা সমর্থন করার সুযোগ দেয়।
তাই উত্তর: "সাক্ষীর অসংগতি" (গ) সঠিক, কারণ ধারা ১৫৮ মূলত সে রকম তথ্য প্রমাণের সুযোগ দেয়।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 158. What matters may be proved in connection with proved statement relevant under section 32 or 33: 
Whenever any statement, relevant under section 32 or 33, is proved, all matters may be proved either in order to contradict or to corroborate it, or in order to impeach or confirm the credit of the person by whom it was made, which might have been proved if that person had been called as a witness and had denied upon cross-examination the truth of the matter suggested.
৪,৩৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী সমন ফেরত আসার পর বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমন জারির আবেদন করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5(1) অনুসারে:
- সমন ফেরত আসার (returned unserved) তারিখ থেকে বাদীর ১ মাস সময় আছে নতুন সমন জারির আবেদন করার।
- এই সময়সীমা আদালতের রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক প্রত্যয়নের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- আদালত যথেষ্ট কারণ দেখলে এই সময়সীমা বাড়াতে পারেন (যেমন: বিবাদী অজানা/পলাতক থাকলে)।
কারণের উদাহরণ:
বিবাদীর ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি (Rule 5(1)(a)),
বিবাদী ইচ্ছাকৃতভাবে সমন এড়াচ্ছে (Rule 5(1)(b))।

- ১ মাসের মধ্যে আবেদন না করলে আদালত মামলা খারিজ (dismiss) করবেন (Rule 5(1))।
- তবে বাদী তামাদি সীমার মধ্যে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে (Rule 5(2))।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order IX, Rule 5 অনুসারে, যদি সমন ফেরত আসে এবং বাদী ১ মাসের মধ্যে নতুন সমন জারির জন্য আবেদন না করে, তবে আদালত সেই বিবাদীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দিতে পারে। তবে বাদী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে তার যথাসাধ্য চেষ্টা সত্ত্বেও সমন জারি করা সম্ভব হয়নি, অথবা অন্য কোনো বৈধ কারণ ছিল, তবে আদালত সময় বৃদ্ধি করতে পারে।
৪,৩৫০.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন বা অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
৪,৩৫১.
বিশারদের মতামত আদালতের উপর-
  1. বাধ্যকর
  2. বিবেচনামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু বিশারদের দায়িত্ব হলো মতামত দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা না এবং বিশারদের দায়িত্ব হলো প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত দিয়ে আদালতকে কোন সিদ্ধান্ত উপনীত হতে সক্ষম করে তোলা। এই মতামত আদালতের উপর কোন বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।
৪,৩৫২.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১০৭ ধারায়
  2. ১২০ ধারায়
  3. ১২০ক ধারায়
  4. ১২০খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২০ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা-এ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী:
"যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ কাজ করতে অথবা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হয়, তখন তা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে।"

শর্ত:- অপরাধ ছাড়া অন্যান্য ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে শুধু সম্মতি যথেষ্ট নয়, ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে অন্তত একটি কাজ প্রমাণ করতে হবে।
উদাহরণ: A ও B চুরি করার পরিকল্পনা করে এবং A চাবি কিনলে তা "কাজ" হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অবৈধ কাজটি ষড়যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য হোক বা গৌণ উদ্দেশ্য হোক, তা বিবেচ্য নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৪,৩৫৩.
‘ক’ তার এক পুত্র ‘খ’ এবং বিবাহিত এক মেয়ে ‘গ’ কে রেখে মারা গেছে। ‘ক’ কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমা তার মৃত্যুর পর পরিচালিত হতে পারে?
  1. আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র ‘খ’ কর্তৃক খ) আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র
  2. কর্তৃক
  3. ‘খ’ ‘গ’ এবং ‘গ’ এর স্বামী কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
  4. ‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (১১) বৈধ প্রতিনিধি / আইনানুগ প্রতিনিধি হলো কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যিনি তার সম্পত্তির অধিকারী হবেন কিংবা মোকদ্দমা পরিচালনার অধিকারী হবেন।

• সুতরাং ‘ক’ এর মৃত্যুর পর তার বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে ‘খ’ এবং ‘গ’ মামলা পরিচালনা করিতে পারবেন।
৪,৩৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা দায়রা আদালত বা চীফ ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৭
  2. ধারা ৩৩৮
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
৪,৩৫৫.
‘X’ একটি ঋণ পুনরুদ্ধারের জন্য ‘Y’-এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। তামাদি গণনা শুরু হওয়ার পর ‘Y’ হঠাৎ দেশত্যাগ করে। এক্ষেত্রে—
  1. মামলা যেকোনো সময় করা যাবে
  2. তামাদি গণনা চলতে থাকবে
  3. ‘Y’ ফিরে না আসা পর্যন্ত তামাদি গণনা স্থগিত থাকবে
  4. তামাদি মেয়াদ পুনরায় গণনা শুরু হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদি গণনা চলতে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি গণনা চলতে থাকবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।
তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৪,৩৫৬.
রাহুল অফিসে কাজ করার সময় সহকর্মী রিতার সামনে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে। রাহুলকে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ কী সাজা দেওয়া যাবে?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৪,৩৫৭.
গৃহকর্মী, কারিগর বা শ্রমিকের বকেয়া মজুরি আদায়ের জন্য তামাদি সময়সীমা কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৭:
- গৃহকর্মী, কারিগর অথবা শ্রমিকের মজুরির জন্য মামলা দায়েরের সময়সীমা:
- এক (১) বছর।
- সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন মজুরি পাওয়ার অধিকার সৃষ্টি হয়, সেদিন থেকে।
৪,৩৫৮.
Public Servant এর সংজ্ঞা পেনাল কোড-এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৪
  3. ১৯
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ২১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট কারা কারা হবেন এর দীর্ঘ তালিকা দেওয়া হয়েছে। পেনাল কোডের ২১ ধারায় ১১ শ্রেণীর ব্যক্তিকে সরকারি কর্মচারী বা পাবলিক সার্ভেন্ট বলা হয়েছে।
৪,৩৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার অধীন কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান রয়েছে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৪,৩৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences-এর সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. যেকোনো মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences (ধারাবাহিক কারাদণ্ড)-এর সর্বোচ্চ সীমা ১৪ বছর। অর্থাৎ, বিভিন্ন অপরাধের জন্য পৃথক কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সেগুলোর সমষ্টি ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটিমাত্র বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে আদালত consecutive sentences প্রদান করতে পারে। 
"তিনটি বা তার অধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি একটিমাত্র বিচারে দণ্ডিত হন, তবে আদালত তার বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক সাজা প্রদান করতে পারে। এই সাজাগুলো ধারাবাহিকভাবে চলবে, অর্থাৎ একে অপরের পরে কার্যকর হবে। তবে, এই সাজাগুলোর মোট মেয়াদ একসাথে ১৪ বছর ছাড়িয়ে যাবে না।"

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
৪,৩৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।

• সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
৪,৩৬২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে সর্বমোট কয়টা ধারা আছে?
  1. ৫৫ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯ টি
  4. ৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি প্রতিকারমূলক বা তত্ত্বগত আইন।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন। ১৮৭৭ সালের ১লা মে হতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয়। 
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ৫৭ টি ধারা আছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:
কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো একধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিভাবে প্রতিকার প্রদান করতে হবে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে:
প্রতিকার প্রার্থীকে ৫ ধরনের প্রতিকারের মাধ্যমে প্রতিকার প্রদান করা হয়, যেমন:-
১) ঘোষনা মূলক ডিক্রির মাধ্যমে
২) সম্পত্তি প্রত্যার্পনের মাধ্যমে
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৪) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে
আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়:
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ডি) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরনের রায় ব্যতিত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয়য় ও ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী দত্ত বা শাস্তিমূলক প্রতিকার বা ক্ষতিপূরনের প্রতিকার প্রদান করা যায়না।
৪,৩৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী অধস্তন আদালতের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরির ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী, সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্ট অধস্তন ফৌজদারি আদালতসমূহের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ, এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের চার্টার্ড হাইকোর্ট বিভাগকে দেওয়া হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
অন্য অপশন গুলো যেমন জাতীয় সংসদ, আইন মন্ত্রণালয় বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট - এ ধরনের নিয়ম তৈরির ক্ষমতা রাখে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 554.Power of chartered High Court Division to make rules for inspection of records of subordinate Courts:
(1) With the previous sanction of the Government, the Supreme Court may, from time to time, make rules for the inspection of the records of subordinate Courts.
Power of other High Court Division to make rules for other purposes.
(2) The Supreme Court] may, from time to time, and with the previous sanction of the Government– 
(a) make rules for keeping all books, entries and accounts to be kept in all Criminal Courts subordinate to it, and for the preparation and transmission of any returns or statements to be prepared and submitted by such Courts; 
(b) frame forms for every proceeding in the said Courts for which it thinks that a form should be provided; 
(c) make rules for regulating its own practice and proceedings and the practice and proceedings of all Criminal Courts subordinate to it; and 
(d) make rules for regulating the execution of warrants issued under this Code for the levy of fines: 
Provided that the rules and forms made and framed under this section shall not be inconsistent with this Code or any other law in force for the time being. 
(3) All rules made under this section shall be published in the official Gazette.
৪,৩৬৪.
কোন এ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবীশ নিতে পারবেন-
  1. ২ জনের বেশী নয়
  2. ৩ জনের বেশী নয়
  3. ৪ জনের বেশী নয়
  4. ৫ জনের বেশী নয়
সঠিক উত্তর:
৪ জনের বেশী নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জনের বেশী নয়
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর বিধি-৬০ (৩) এ বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া, কোন এ্যাডভোকেট ৪ জনের বেশি ব্যক্তিকে শিক্ষানবীশ হিসাবে নিতে পারবে না।
৪,৩৬৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে?
  1. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ট্রাইব্যুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন। এই সময়সীমা আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং এর ব্যতিক্রম করা যায় না।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৪,৩৬৬.
যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদে কারাদণ্ড দেন, তাহলে আপিল করতে হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল করতে হবে।
তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৪,৩৬৭.
বিগত _______ বৎসরের মধ্যে যে লোক জীবিত ছিল সে লোককে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
  1. ১২
  2. ৩০
  3. ১৫
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
⇒ অন্যদিকে ১০৮ ধারা অনুযায়ী ৭ বৎসর যাবৎ খবর পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তিকে আদালত মৃত অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবী করে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি জীবিত আছে।
-----------
⇒  Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.
⇒  Section 108 Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years: Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৪,৩৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর শাস্তি বাড়ানো
  2. অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
  3. অপরাধীর জামিন দেয়া
  4. অপরাধের শাস্তি কমানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৭: তদন্ত ও বিচারকার্যের সাধারণ স্থান:
প্রত্যেক অপরাধ সাধারণত সেই আদালত দ্বারা তদন্ত ও বিচারকার্য সম্পন্ন হবে, যার স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

Ordinary place of inquiry and trial-
Every offence shall ordinarily be inquired into and tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction it was committed.
৪,৩৬৯.
আদেশ ৪ বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার জন্য কোর্ট ফি কখন পরিশোধ করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের পর
  2. আরজি দাখিলের সময়
  3. লিখিত জবাব দাখিলের সময়
  4. মামলার প্রথম শুনানির দিন
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের সময়
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:
১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।

১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।


১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।


২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।

৪,৩৭০.
“Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence”- দণ্ডবিধির কোন ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৫
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
 • দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৪,৩৭১.
রায় অনুযায়ী প্রণীত ডিক্রীতে স্বাক্ষর করবেন কে?
  1. প্রশাসনিক কর্মকর্তা
  2. সেরেস্তা সহকারী
  3. বিচারক
  4. সেরেস্তাদার
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি-৭- ডিক্রির তারিখ:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবে।

Order-20 Rule 7: Date of decree:
The decree shall bear date the day on which thejudgment was pronounced, and, when the Judge has satisfied himself that the decree has been drawn up in accordance with the judgment, he shall sign the decree.
৪,৩৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. সিনেমায় অভিনয়ের চুক্তি
  2. গান গাওয়ার চুক্তি
  3. গ্রন্থ সম্পাদনের চুক্তি
  4. সবকটি 
সঠিক উত্তর:
সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা মতে যে সকল চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল সে সকল চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১,যে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করিবার যোগ্য নহে।- নিম্নবর্ণিত চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না-
(ক) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন না করিলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়;
(খ) যে চুক্তি এইরূপ সুক্ষ্ম বা অসংখ্য বিবরণের সমষ্টি অথবা পক্ষগণের ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল অথবা অন্য কোনোভাবে ইহার প্রকৃতি এইরূপ যে, আদালত ইহার উল্লেখযোগ্য শর্তাবলির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন কার্যকর করিতে পারে না;
(গ) যে চুক্তির শর্তাবলি আদালত যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না;
(ঘ) যে চুক্তি উহার প্রকৃতির কারণেই বাতিলযোগ্য;
(ঙ) ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি, যাহা তাহাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত বা ট্রাস্ট ভঙ্গ করিয়া করা হইয়াছে;
(চ) বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির দ্বারা বা পক্ষে অথবা এইরূপ কোম্পানির উদ্যোক্তাগণ কর্তৃক সম্পাদিত ক্ষমতা বহির্ভূত চুক্তি;
(ছ) যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করিতে হইলে কাজ আরম্ভ করিবার তারিখ হইতে ক্রমাগত তিন বৎসরের বেশি সময় ধরিয়া কাজ করিতে হয়;
(জ) যে চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব উভয়পক্ষ বিদ্যমান ধরিয়া লইলেও স্বাক্ষরিত হইবার পূর্বেই উহার বিলুপ্তি ঘটিয়াছে।
--------------
 The Specific Relief Act,1877, Section: 21, Contracts not specifically enforceable . The following contracts cannot be specifically enforced:-
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.

৪,৩৭৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রক্ত, বীর্য, চুল
  2. ডিএনএ, আঙুলের ছাপ
  3. ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
  4. আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুসারে, "ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্য" (Physical or Forensic Evidence) বলতে এমন উপাদান বা বস্তু বোঝায় যা রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, আইরিস ইমপ্রেশন, শরীরের উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ ইত্যাদি, যা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে বা কোনো তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ করে।
- ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (ডিভিডি) একটি ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যা ধারা ৩-এর অধীনে "দলিলি সাক্ষ্য" (Documentary Evidence) হিসেবে গণ্য, কিন্তু ভৌত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) রক্ত, বীর্য, চুল: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
খ) ডিএনএ, আঙুলের ছাপ: এগুলো ফরেনসিক সাক্ষ্যের সুস্পষ্ট উদাহরণ।
ঘ) আইরিস ইমপ্রেশন, পায়ের ছাপ: এগুলোও ফরেনসিক সাক্ষ্যের অংশ, কারণ এগুলো অপরাধী বা অপরাধের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-3(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may- (i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.]

⇒ [“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)]

৪,৩৭৪.
সরকারী সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হয় অব্যাহতভাবে কত বছর ব্যবহার করলে?
  1. ৩০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬ অনুসারে, সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার (Easements) অর্জিত হওয়ার জন্য ৬০ বছর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে ব্যবহার করতে হয়।
ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যেখানে কোনো সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির ওপর দাবি করা হচ্ছে, সেখানে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছর ওই সুখাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও অব্যাহতভাবে ভোগ করতে হবে।
এটি একটি বিশেষ বিধান, যা সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে এটি ২০ বছর থাকে।

উল্লেখযোগ্য শর্ত:
শান্তিপূর্ণ ও অব্যাহত ব্যবহার: অধিকারটি ভোগ করা হয়েছে অব্যাহতভাবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে।
সরকারি সম্পত্তি: সরকারি জমিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে ৬০ বছরের পরিসর অতিক্রম করতে হবে।
- অর্থাৎ সরকারি সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জিত হয় ৬০ বছর অব্যাহতভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ২৬ এ বলা আছে,
যে ক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হয়েছে, এবং কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নেতিবাচক যাই হোক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে তাতে স্বত্ব দাবি করে অব্যাহতভাবে এবং বিশ (২০) বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করেছে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হবে।
উল্লেখ্য যে, সরকারি কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত অধিকার একটানা ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে। সরকারি কোন সম্পত্তি ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তিতে সুখাধিকার অর্জন করতে হলে উক্ত জমি টানা ২০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।

Section 26: Acquisition of right to easements-
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.
৪,৩৭৫.
শুনানির দিন শুধুমাত্র বিবাদী হাজির হয়ে বাদীর দাবীর কোন অংশ স্বীকার করে নিলে, আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  2. বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
  3. সম্পূর্ণ মোকদ্দমা এক তরফা নিষ্পত্তি করতে পারেন
  4. স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর বিরুদ্ধে স্বীকৃত অংশের অনুপাতে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮: শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত-

যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয় কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার কোন অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন। বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতে সে অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৪,৩৭৬.
যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হয়, তবে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৭৩ ধারার অনুযায়ী, যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি না হয়, তবে আদালত সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারে সর্বাধিক এক মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 73: Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ The Penal Code, 1860 Section 74: Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.

৪,৩৭৭.
'অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীকে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।'- The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৯ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
৪,৩৭৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে সাক্ষীকে যে পক্ষ আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে কী বলে?
  1. জেরা
  2. জবানবন্দি
  3. পুনঃজেরা
  4. ক এবং খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৩৭ অনুযায়ী: যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তাকে জবানবন্দি বা Examination-in-chief বলে।
- অন্যদিকে, বিরোধী পক্ষের প্রশ্নকে জেরা (Cross-examination) বলে।
- জেরার পর আবার হাজিরকারী পক্ষের প্রশ্নকে পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

৪,৩৭৯.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করতে হলে কোনটি থাকা আবশ্যক?
  1. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
  2. নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ স্বত্ব
  3. নালিশী জমিতে বাদীর ঘরবাড়ি বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফসল থাকা
  4. নালিশী জমিতে বিবাদীর স্বত্ব না থাকা।
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে বাদীর নিরংকুশ দখল
ব্যাখ্যা
♦ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় প্রধানত বাদীর নিরংকুশ দখল বা exclusive possession প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক। বাদীর স্বত্বের প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ না। prima facie স্বত্ব থাকাই যথেষ্ট হয়।
৪,৩৮০.
যুগ্ম জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদালতে রিভিউ আবেদন করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
  4. রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• রিভিউ (Review)-
আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।

অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। উল্লিখিত ক্ষেত্রে রায় প্রদানকারী যুগ্ম জেলা জজ আদালতেই রিভিউ করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-
i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে;
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
৪,৩৮১.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারায় ‘Thug’-এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

৪,৩৮২.
কৃত অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত-
  1. কার্যক্রম বাতিল করবে
  2. রায় প্রদান স্থগিত রাখবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. বিচার মুলতবি রাখবে
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।
 
Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৪,৩৮৩.
স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' একজন মেয়েকে ইভটিজিং করে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অর্থাৎ, পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।
৪,৩৮৪.
X, Z কে একটি দেওয়ালে ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং Z কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে Z সেখানে দেওয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে বাধগ্রস্থ হয় এবং ১২ দিন পর্যন্ত আটকে থাকে। X এর কৃত কাজের জন্য সে দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪৩ ধারায়
  3. ৩৪৪ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির ৩ ধরনের বিধান আছে।
(i) ৩৪২ ধারায় শুধু অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) ৩৪৩ ধারায় ৩ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(iii) ৩৪৪ ধারায় ১০ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৪,৩৮৫.
অতিরিক্ত দায়রা আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের আপীল শুনতে এবং নিষ্পত্তি করতে পারে?
  1. যে সকল আপীল সরাসরি অতিরিক্ত দায়রা আদালতের নিকট দায়ের করা হয়
  2. যে সকল আপীল দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  3. যে সকল আপীল সরকার বিশেষ আদেশ বলে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৯ মতে- দায়রা আদালতে বা দায়রা জজের নিকট পেশকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
• তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলেই শ্রবণ করবেন, যে গুলি সম্পর্কে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ দেন অথবা দায়রা জজ যেগুলি তার নিকট আপণ করেন।
৪,৩৮৬.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারায় "অনিষ্টসাধন" এর শাস্তির মেয়াদ কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৪,৩৮৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় খুনসহ ডাকাতির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৯০ ধরায়
  2. ৩৯২ ধারা
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. ৩৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতিঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৪,৩৮৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির অনুযায়ী সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমির ক্ষেত্রে আদালত কাকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন?
  1. কালেক্টরকে
  2. ভূমি কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটকে
  4. থানা নির্বাহী অফিসারকে
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ বিধি ৫ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হয় সেই সব ভূমির জন্য কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে। 
⇒ রিসিভার নিয়োগ, অধিকার ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রন হয় দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে।
⇒ আদালত রিসিভারের পারিশ্রমিক কি পরিমাণ নির্ধারন করবে এটা আদালতের ইচ্ছাধীন।
-----------------
CPC Order-40 Rule-5.When Collector may be appointed receiver:
Where the property is land paying revenue to the Government, or land of which the revenue has been assigned or redeemed, and the Court considers that the interest of those concerned will be promoted by the management of the Collector, the Court may, with the consent of the Collector, appoint him to be receiver of such property.
৪,৩৮৯.
ধারা ১৭২(২) অনুযায়ী, পুলিশ ডায়েরী কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
  2. অভিযুক্তকে সাজা দিতে
  3. বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
  4. অভিযোগকারীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করতে
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
ব্যাখ্যা

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
(১) প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যে কোনো তদন্ত পরিচালনা করছেন, প্রতিদিন তার তদন্তের অগ্রগতি একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
- কখন তথ্য বা খবর পৌঁছেছে;
- কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন;
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন;
- তদন্তের মাধ্যমে কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি তিনি শনাক্ত করেছেন তার বিবরণ;

(২) যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার জন্য পুলিশ ডায়েরী চাইতে পারে। ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে নয়, শুধুমাত্র মামলার তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখতে পারবে না, শুধুমাত্র আদালতের উল্লেখের কারণে নয়।
তবে, যদি পুলিশ কর্মকর্তা নিজে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ডায়েরী ব্যবহার করেন, বা আদালত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যকে বিপরীত করতে ডায়েরী ব্যবহার করেন, তাহলে Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।

৪,৩৯০.
“No suit shall be defeated by reason of misjoinder or non-joinder of parties” – এই বিধানটি দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ -এর কোথায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. Order-1 Rule-8
  2. Order-1 Rule-9
  3. Order-1 Rule-10
  4. Order-1 Rule-13
সঠিক উত্তর:
Order-1 Rule-9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order-1 Rule-9
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder:
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।

৪,৩৯১.
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিরক্তিকর অভিযোগ দাখিলের জন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে বিচারিক আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পার?
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  4. মামলা দায়েরের নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন তার নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি বা খালাসের আদেশ দিবেন এবং পাশাপাশি, অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন আসামিকে বা আসামিদের ক্ষতিপূরণ দিবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক বিচারিক আদালত মিথ্যা অভিযোগ দাখিলকারীকে ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তা অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে, জরিমানা আর ক্ষতিপূরণ এক নয়। জরিনামা এক প্রকার দণ্ড যা সরকার পাবে, অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ পাবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ।
৪,৩৯২.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public servant) সংজ্ঞা দেয়া রয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারা সমূহের মাঝে 'সাধারণ ব্যাখ্যা' (General explanations) দেয়া আছে।
• ১৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় কর্মচারী (Servant of The State), ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public Servant), ১১ ধারায় ব্যক্তি (Person) এবং ১২ ধারায় জনসাধারণ (Public) এর সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৪,৩৯৩.
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without-
  1. the consent of the other party.
  2. the order of the Court.
  3. the consent of the other party and the order of the Court.
  4. the consent of the other party or the order of the Court.
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the consent of the other party or the order of the Court.
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
এখানে  অপশন গ তে 'the consent of the other party and the order of the Court.' অপর পক্ষ এবং আদালত দুইজনের অনুমতি নেয়ার কথা বলা হয়নি, যে কোন একজনের অনুমতি থাকলেই হবে।
এই জন্য অপশন ঘ 'the consent of the other party or the order of the Court.' সঠিক।
----------------
The Evidence Act 1872, Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
-When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.

Illustration
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
৪,৩৯৪.
The Evidence Act, 1872 এ Admission সম্পর্কে বলা হয়েছে ______ধারায়?
  1. ১৭ থেকে ৩২
  2. ১৭ থেকে ৩১
  3. ১৭ থেকে ৩৩
  4. ১৬ থেকে ৩১
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ৩১
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।
♦স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।
৪,৩৯৫.
কোনো আরজিতে মোকদ্দমার কারণ ব্যক্ত না করলে, তার ফলাফল কী হতে পারে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. আরজি ফেরত
  3. আরজি নাকচ
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধি অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-
(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে,
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে,
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে,
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

৪,৩৯৬.
আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ কোন আর্টিকেলের মধ্যে উল্লেখ আছে? 
  1. ১–১৪৯
  2. ১৫০–১৫৭
  3. ১৪৮–১৫৮
  4. ১৫৮–১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৫০–১৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০–১৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিল মোট ৩টি বিভাগে বিভক্ত। এই তিনটি বিভাগ অনুযায়ী, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের বিধানগুলি মোকদ্দমা (Suit), আপীল (Appeal), এবং দরখাস্ত (Application/Petition) সংক্রান্ত।
অর্থাৎ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের মোট ৩টি বিভাগ রয়েছে, যেগুলি হল: ১) মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি ২) আপীল দায়েরের তামাদি ৩) দরখাস্ত দায়েরের তামাদি।

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division):
→ মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits)
- এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
→ আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
৩)  তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
→ বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions)
- এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৪,৩৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিচের কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করে না?
  1. ১০৭ ধারার (৪) উপধারা
  2. ১১৭ ধারার (৩) উপধারা
  3. ৪৯৭ ধারা (২) উপধারা
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯৬-এর (শেষ প্রবিধান) অনুযায়ী, এই ধারার বিধান ধারা ১০৭(৪) বা ধারা ১১৭(৩)-এর প্রভাবিত করবে না। অর্থাৎ এই ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে স্বাভাবিক জামিন পাওয়ার যে সাধারণ বিধান আছে, তা ১০৭ ধারার (৪) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে জামিন সম্পর্কিত) এবং ১১৭ ধারার (৩) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে প্রক্রিয়া চলাকালীন সাময়িক আদেশ) এর বিশেষ বিধানগুলোর ওপর প্রাধান্য পাবে না বা সেগুলোকে খর্ব করবে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো—উভয়ই (ক এবং খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).

৪,৩৯৮.
আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১০৪
  2. ধারা ১০৬
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

ধারা ১০৪:
অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

সুতরাং, আদেশ ৪৩ প্রধানত আপীলযোগ্য আদেশগুলোর একটি তালিকা দিয়েছে আর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা ও বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছে। এভাবে আদেশ ৪৩ ও ধারা ১০৪ পরস্পরকে পরিপূরক করে আদালতের আপীলযোগ্য আদেশগুলো সম্পর্কে পুরোপুরি চিত্র দিয়েছে।

উল্লিখিত প্রশ্নেমতে আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর মাঝে উল্লেখ আছে।
৪,৩৯৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির অর্ডার ২৬ এর বিধান অনুযায়ী Commission ইস্যুর আদেশ দেয়া যায় না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির ভাগ বন্টন
  2. নালিশী জমি কোনো নির্দিষ্ট দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  3. কোনো দলিলে বর্ণিত জমি নির্দিষ্ট কোনো দাগভুক্ত কিনা তা নির্ধারণ
  4. নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কিনা তা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।

উল্লেখ্য, আদেশ ৩৯ বিধি ৭ এর অধীনে Local inspection-এর জন্য কমিশন গঠন করা যায়।
আদালতের প্রাথমিক ডিক্রি মোতাবেক সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কিংবা কোনো সম্পত্তির সরেজমিনে তদন্তের জন্য কমিশন নিয়োগ করা হয়ে থাকে।

- কিন্তু বিভিন্ন দলিলাদির উপর নির্ভর করে নালিশী জমিতে কোনো পক্ষের স্বত্ব আছে কি না তা নির্ধারণ করবে আদালত।

-----------
⇒ Section 75. Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission- 
(a) to examine any person; 
(b) to make a local investigation; 
(c) to examine or adjust accounts; or 
(d) to make a partition.
৪,৪০০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৩৮ আদেশের কত বিধি অনুযায়ী বিবাদী কর্তৃক জামানত প্রদান করা হলে, আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. বিধি-৩
  2. বিধি-৯
  3. বিধি-১০
  4. বিধি-১১
সঠিক উত্তর:
বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৯
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.