বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৪১ / ১২৬ · ৪,০০১৪,১০০ / ১২,৬০৫

৪,০০১.
নিম্নের কোন ম্যাজিস্ট্রেট ২০২ ধারার অধীনে অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(১) ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: “...তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।”
অর্থাৎ, তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না। শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণির ঊর্ধ্বতন ম্যাজিস্ট্রেটগণ (যেমন প্রথম শ্রেণির, দ্বিতীয় শ্রেণির, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint:
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath:
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৪,০০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০(৫) অনুসারে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত টাকা?
  1. ২৫,০০০ টাকা
  2. ৫০,০০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ এর কয়েকটি উপ-ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (frivolous or vexatious) অভিযোগের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিচে সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (১): সংশোধনীর মাধ্যমে এই উপ-ধারায় "false and either frivolous or vexatious" শব্দগুলির পর "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য জরিমানা আরোপ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (২): এই উপ-ধারায় জরিমানার পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, যদি অভিযোগকারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানার পরিবর্তে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা যাবে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫): এই উপ-ধারায় উল্লেখিত জরিমানার পরিমাণ পূর্বে ৩,০০০ টাকা ছিল, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ১,০০,০০০ টাকা (এক লাখ টাকা) করা হয়েছে। এটিই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
 
অর্থাৎ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫) অনুসারে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ১,০০,০০০ টাকা। এটি সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৫,০০০ টাকা, ২৫,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা) ধারা ২৫০ এর বিভিন্ন উপ-ধারায় উল্লিখিত জরিমানার সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্রশ্নটি সর্বোচ্চ জরিমানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে, তাই উপ-ধারা (৫) এর ১,০০,০০০ টাকাই সঠিক উত্তর।

 ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding one lac taka.

৪,০০৩.
নিম্নের তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৭ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫৬ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৪ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৫৬ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের তামাদির বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল-
তামাদি- ৩০ দিন,
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল-
তামাদি- ৯০ দিন,
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
৪,০০৪.
আগাম জামিন বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝায়?
  1. যুক্তিতর্ক শুনানি পূর্ব জামিন
  2. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  3. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  4. বিচারপূর্ব জামিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮)-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৪,০০৫.
আদালত কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরী বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তিয় এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
  1. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
  2. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  3. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  4. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে। ৪নং বিধির বিধান- একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেনা। উক্তরুপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য। বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতান্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।

♦ ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সার-সংক্ষেপ হলো: আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
৪,০০৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুসারে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় কিভাবে?
  1. ডিক্রীর বা আদেশের মাধ্যমে
  2. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  3. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে
  4. শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
সঠিক উত্তর:
শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানী শেষে মোকদ্দমার গুনাগুনের ভিত্তিতে ডিক্রী আকারে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৩ ধারায় স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে মোকদ্দমার শুনানী পর মোকদ্দমার গুনাগুনের উপর ভিত্তি করে প্রদত্ত ডিক্রী মঞ্জুর করা হয়।
• এটি আরজি দাখিলের মাধ্যমে শুরু হয় এবং ডিক্রী মাধ্যেমে মামলা সমাপ্তি হয়, সারাজীবনের জন্য দেওয়া হয় এবং এর ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
৪,০০৭.
নিম্নের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. আপিল আদালত
  2. রিভিশন আদালত
  3. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  4. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
♦জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

♦ ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

♦ আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

♦ ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।

♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।

♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
৪,০০৮.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী, সম্পত্তির দখলের জন্য মামলা করার তামাদি সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে কী হয়?
  1. সম্পত্তির অধিকার স্থায়ী হয়ে যায়
  2. সম্পত্তি আদালত দ্বারা বিক্রি হয়
  3. সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
  4. সম্পত্তি সরকারের কাছে চলে যায়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের না করেন, তবে তার সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। এটি প্রতিকূল দখল (Adverse Possession) এর ধারণার সাথে সম্পর্কিত, যেখানে কোনো ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে এবং বিনা বাধায় সম্পত্তি দখল করে থাকলে, মূল মালিকের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে দখলকারী ব্যক্তি আইনি মালিকানা অর্জন করতে পারেন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৪,০০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৭১
  2. ১৮৭৭
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৮৭
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় ১৮৭৭ সালে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ একটি তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন যাকে ইংরেজিতে বলে substantive law. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ সালের ১লা মে কার্যকর হয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মোট ধারা ৫৭টি। এটি এমন একটি আইন যা বিশেষভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার সম্পর্কিত বিষয়ে বিবেচনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
৪,০১০.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  3. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,
-অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।

অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
-Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৪,০১১.
মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে স্থলাভিষিক্ত করার আবেদন এর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬:
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৪,০১২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি একত্রিত হলে তাদের সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৪,০১৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898, এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৪৯১
  2. ৫৬১(এ)
  3. ৪৯৪
  4. ৫১৭
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট ( writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।
৪,০১৪.
‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে এবং সেখানে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘Q’ এই মুনাফার দাবি করে। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন ধারায় ‘Q’ এর দাবির বিষয়টি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা 2(8)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(15)
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
ব্যাখ্যা

⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits)" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা অর্জিত হয় বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারতো, সুদসহ তা মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে গণ্য হয়। তবে, বেআইনী দখলদারের উন্নয়নের ফলে অর্জিত মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- এই ক্ষেত্রে, ‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করেছে, তাই ‘Q’ ধারা 2(12)  তে সংজ্ঞায়িত মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবি করতে পারে।

 ⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৪,০১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ২৩২ ধারা
  2. ২৩৩ ধারা
  3. ২৩৪ ধারা
  4. ২৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

উদাহরণ- "ক" একটি ক্ষেত্রে ব্যভিচার এবং অন্য একটি ক্ষেত্রে মানহানির অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে। ব্যভিচার ও মানহানি করার জন্য "ক" এর বিরুদ্ধে অবশ্যই পৃথকভাবে অভিযোগ গঠন করতে হবে এবং তার বিচার পৃথকভাবে করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 233. Separate charges for distinct offences:
For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.

Illustration: A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৪,০১৬.
'Proof of documents by primary evidence' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারার
  2. ৬৪ ধারার
  3. ৬৫ ধারার
  4. ৭০ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারার বিধান প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই মুখ্য সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

-----------------------------
 ⇒ Proof of documents by primary evidence
Section 64. Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

 ⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
প্রাথমিক সাক্ষ্য হল এমন সাক্ষ্য যা কোনও ঘটনা বা বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। প্রাথমিক সাক্ষ্য এক প্রকারের মৌল সাক্ষ্য। কোন বিচার্য বিষয়ে প্রাথমিক সাক্ষ্যের অস্তিত্ব থাকলে সেটাই প্রমাণ করতে হয়। এই ধরনের সাক্ষ্য সাধারণত মৌখিক বা দালিলিক আকারে থাকে।
৪,০১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিম্নের কোন ধারাসমূহকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ১০৬(৫) ও ১০৯(৪)
  2. ১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
  3. ১৪৫(২) ও ১৪৮(৩)
  4. ১৬৪(১) ও ১৬৪(২)
সঠিক উত্তর:
১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।

তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।

এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৪,০১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদীকে কী করতে হবে?
  1. দলিলগুলো নিজের কাছে রাখতে হবে
  2. দলিলগুলো উকিলকে সরবরাহ করবে
  3. দলিলগুলির কপি আদালতের কর্মচারীকে দেবে
  4. দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
সঠিক উত্তর:
দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭, বিধি ৯ অনুযায়ী, যদি আরজির সাথে কোনো দলিল থাকে, তবে বাদী দলিলগুলির একটি তালিকা আরজির সাথে সংযুক্ত করবে।

⇒ দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হলে প্রথমে যে দলিল প্রস্তুত করতে হয়, সেটা হলো আরজি। আরজি দাখিলের মধ্য দিয়ে দেওয়ানি মোকদ্দমা শুরু হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭নং আদেশের ১ থেকে ১৮নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ নং বিধিতে আরজিতে কি কি বিষয় অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা বলা হয়েছে। এই বিধি অনুসারে আরজিতে ৯টি বিষয় উল্লেখ করতে হয়।
এছাড়া আদালতের এখতিয়ার ও কোর্ট ফি নির্ধারণের জন্য আরজিতে মোকদ্দমার মূল্যমান উল্লেখ করতে হয়। অর্থের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে, আরজিতে দাবিকৃত অর্থের যথাযথ পরিমাণ [Precise Amount] উল্লেখ হবে।স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে সম্পত্তি সনাক্ত করার জন্য সম্পত্তির বর্ণনা, সীমানা, বা সেটেলমেন্ট পর্যায় উল্লিখিত নম্বর উল্লেখ করতে হবে।বাদী তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করে, সেক্ষেত্রে আরজিতে বাদী তামাদি হতে অব্যাহতির কারণ [Grounds for exemption] উল্লেখ করবে। [বিধি ২-৬]

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৯ আরজি গ্রহণের পদ্ধতি-
যেসকল দলিল বাদী আরজির সাথে পেশ করে (যদি থাকে), আরজির উপর সেই গুলির একটি তালিকা লিখে বা আরজির সাথে সংযুক্ত করে দিতে হবে। আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল পেশ করবে। বাদী আরজির সাথে যে তালিকা, সংক্ষিপ্ত বিবৃতি, নকল দাখিল করে তা আদালতের প্রধান কেরানী পরীক্ষাপূর্বক সেগুলো সঠিক থাকলে সেইগুলোতে স্বাক্ষর করবে।
----------- 
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Order-7 Rule 9: Procedure of admitting plaint: 
(1) The plaintiff shall endorse on the plaint, or annex thereto, a list of the documents (if any) which he has produced along with it; and, if the plaint is admitted, shall present as many copies on plain paper of the plaint as there are defendants, unless the Court by reason of the length of the plaint or the number of the defendants, or for any other sufficient reason, permits him to present a like number of concise statements of the nature of the claim made, or of the relief claimed in the suit, in which case he shall present such statements.
Concise statements-
(2) Where the plaintiff sues, or the defendant or any of the defendants is sued, in a representative capacity, such statements shall show in what capacity the plaintiff or defendant sues or is sued.
(3) The plaintiff may, by leave of the Court, amend such statements so as to make them correspond with the plaint.
(4) The chief ministerial officer of the Court shall sign such list and copies or statements if, on examination, he finds them to be correct.
৪,০১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩২ অনুসারে দায়িক ডিক্রি মান্য না করলে কোন ক্রোক কতদিন বলবৎ থাকার পর ডিক্রিদারের আবেদনে সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২ এর বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা  চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে।
- কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
------------
Order-21 Rule- 32. Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction:
(1) Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree to the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.

 (2) Where the party against whom a decree for specific performance or for an injunction has been passed is a corporation, the decree may be enforced by the attachment of the property of the corporation or, with the leave of the Court, by the detention in the civil prison of the directors or other principal officers thereof, or by both attachment and detention.

(3) Where any attachment under sub-rule (1) or sub-rule (2) has remained in force for one year, if the judgment-debtor has not obeyed the decree and the decree-holder has applied to have the attached property sold, such property may be sold; and out of the proceeds the Court may award to the decree-holder such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance (if any) to the judgment-debtor on his application.
৪,০২০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫২ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  2. জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত
  4. মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার সময়সীমা সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে দেওয়ানি আপিলের সাধারণ সময়সীমা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫২

১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল - ৩০ দিন - যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৪,০২১.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন কাজ “বলপ্রয়োগ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো সম্পত্তি চুরি করা
  2. কাউকে চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া
  3. কাউকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করা
  4. কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, “বলপ্রয়োগ” বলতে বোঝায়, “যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করেন বা কোনো বস্তুকে এমনভাবে নাড়ান যাতে তা ঐ ব্যক্তির শরীর, তার পরিহিত বা বহনকৃত দ্রব্যের সংস্পর্শে আসে।”
- তাই কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা স্পষ্টভাবে “বলপ্রয়োগ” এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

৪,০২২.
ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কোন আদালত নিতে পারেন?
  1. সেশন জজ
  2. হাইকোর্ট
  3. বিচারিক আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

৪,০২৩.
ক্রোকী সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার জন্য প্রমাণ করতে হবে-
  1. অপুরনীয় ক্ষতি
  2. পলাতক ছিলো না
  3. আত্মগোপন করে নাই
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮৯ ধারা মতে ক্রোকী সম্পত্তি ফেরৎ পাওয়ার জন্য ৮৮(৭) ধারা অনুযায়ী হুলিয়াধীন ব্যক্তি যদি ২ বৎসরের মধ্যে হাজির হয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না বা আত্মগোপন করেন নাই বা হুলিয়ার নোটিশ পান নাই, তাহলে আদালত ক্রোক সম্পর্কিত খরচ কেটে রেখে বাকি সম্পত্তি অবমুক্ত করতে পারেন।
৪,০২৪.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি:
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ সালের ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইনের ২২ ধারায়।

উক্ত আইনের ২২ ধারায় বলা আছে যে,
মামলায় বিবাদী পক্ষ লিখিত বক্তব্য পেশ করার পর আদালত ধারা ২৪-এর বিধানসাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবেন।উক্ত প্রেরিত মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সহিত পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অপর একজন আইনজীবী, যিনি কোন পক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত নয় অথবা কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিযুক্ত করতে পারবে; তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে। মধ্যস্থতার কার্যক্রম গোপনে অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যস্থতার পর মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার বিবরণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।

আদালত, যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, সেই তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কতৃর্ক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়, অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা বা মধ্যস্থতা হয়ে থাকে তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তির শর্তাবলি অন্তর্ভূক্ত করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারী ও আইনজীবীদের তা সত্যায়িত করতে হবে। ঐ সমঝোতা বা মধ্যস্থতার চুক্তির ভিত্তিতে আদালত একটি আদেশ বা ডিক্রী জারী করবেন। এই ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। এই ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আদালত কালেক্টরের নিকট হতে আরজির উপর প্রদত্ত সমুদয় কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে বাদীর অনুকূলে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে এবং ইহার ভিত্তিতে বাদী প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে।
৪,০২৫.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি ধারা ৫০৫ক এর আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ করা
  2. সরকারি নীতির সমালোচনা করা
  3. জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা
  4. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ক- শব্দ ইত্যাদির মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ:

যে কেউ-
(ক) মৌখিক বা লিখিত শব্দের মাধ্যমে, বা সংকেতের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে কিছু করে, অথবা
(খ) এমন কোনো বিবৃতি, গুজব বা প্রতিবেদন তৈরি করে, প্রকাশ করে বা প্রচার করে,
যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থের পক্ষে, অথবা বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে, অথবা সমাজের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বা ক্ষতিকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৪,০২৬.
"Punishment for Rape" দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩৭৪ ধারা
  2. ৩৭৫ ধারা
  3. ৩৭৬ ধারা
  4. ৩৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৪,০২৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধানানুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬
ব্যাখ্যা
- পুলিশ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার আমলযোগ্য অপরাধ আমল নিয়ে (প্রাথমিক তথ্য বিবরনীভুক্ত করে)। ১৫৬ (১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত অপরাধের তদন্ত করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।
৪,০২৮.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

৪,০২৯.
কোনো চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য নিম্নলিখিত কোন তথ্য প্রাসঙ্গিক?
  1. চিঠির বিষয়বস্তু
  2. চিঠি লেখকের নাম
  3. চিঠি লেখার তারিখ
  4. চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৬ অনুসারে, কোনো নির্দিষ্ট কাজ (যেমন চিঠি পাঠানো) করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেই কাজটি স্বাভাবিকভাবে করার ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার (course of business) অস্তিত্ব প্রাসঙ্গিক হয়। সাক্ষ্য আইনের ১৬ ধারার ইলাস্ট্রেশন (illustration) (a)-এ উল্লেখ আছে যে, নির্দিষ্ট চিঠি পাঠানো হয়েছে কিনা তা প্রমাণের জন্য, সেই স্থানে চিঠি রাখার সাধারণ ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া এবং সেই চিঠিটি সেই স্থানে রাখা হয়েছে কিনা—এই তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক।

এখানে "চিঠিটি ডাকবাক্সে রাখা হয়েছিল" তথ্যটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চিঠি পাঠানোর প্রমাণে সাহায্য করে, কারণ ডাকবাক্সে রাখা মানে স্বাভাবিকভাবে এটি ডাকঘরে যাবে এবং পাঠানো হবে। অন্য অপশনগুলো (চিঠির বিষয়বস্তু, লেখকের নাম বা লেখার তারিখ) চিঠির পাঠানোর অস্তিত্ব প্রমাণ করে না, বরং এগুলো চিঠির সত্যতা বা বিষয়বস্তুর সাথে যুক্ত হতে পারে, কিন্তু ধারা ১৬-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section-16.  Existence of course of business when relevant:
When there is a question whether a particular act was done, the existence of any course of business, according to which it naturally would have been done, is a relevant fact.

Illustrations: 
(a) The question is, whether a particular letter was dispatched.
The facts that it was the ordinary course of business for all letters put in a certain place to be carried to the post, and that that particular letter was put in that place are relevant.
(b) The question is, whether particular letter reached A.
The facts that it was posted in due course, and was not returned through the Dead Letter office, are relevant.

৪,০৩০.
Which one is correct?
  1. decree shall follow judgment
  2. judgment shall follow decree
  3. both of above
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decree shall follow judgment
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রি এবং ২(৮) ধারায় রায়ের সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে। "রায়" বলতে ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসাবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তা বুঝায়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে। রায় হল ডিক্রির ভিত্তি তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• ধারা ৩৩ঃ রায় ও ডিক্রি-
মোকদ্দমার শুনানির পর আদালত রায় ঘোষণা করবে এবং এরূপ রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদত্ত হবে।

Section 33: Judgment and decree-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment, and on such judgment a decree shall follow.
৪,০৩১.
দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারায় ____________ নারীদের অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।
  1. বিবাহিতা
  2. অবিবাহিতা
  3. বিধবা
  4. সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- বিবাহিতা নারীকে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা:

যে কেউ কোনো নারীকে, যিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী এবং যাকে সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী, সেই পুরুষ থেকে বা সেই পুরুষের পক্ষে তার দেখাশোনা করছে এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ে যায় বা প্রলুব্ধ করে, যাতে সেই নারী কোনো ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, অথবা এই উদ্দেশ্যে এমন কোনো নারীকে লুকিয়ে রাখে বা আটকে রাখে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৪,০৩২.
আদেশ ৩৮ বিধি-৭ এর অধীন ক্রোক করার পদ্ধতি কীভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. বিবাদির নির্দেশ অনুযায়ী
  2. নোটিশ জারি করার মাধ্যমে
  3. আদালতের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী
  4. ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি জারির জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-৭: ক্রোক করার পদ্ধতি:
অন্যরূপ স্পষ্ট বিধান ব্যতিরেকে, ডিক্রি জারির দরুন সম্পত্তি ক্রোকের পদ্ধতিতে উক্ত ক্রোক করা যাবে।

Rule.-7: Mode of making attachment:
Save as otherwise expresslyprovided, the attachment shall be made in the manner provided for the attachment of property in execution of a decree.
৪,০৩৩.
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. আঘাতের চেষ্টা
  3. আক্রমণ
  4. ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

• উক্ত ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
⇒ কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যাতে অন্য কোনো ব্যক্তির মনে এই ভয় জাগে যে, সে তার উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাহলে এটা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ শুধুমাত্র কথা বলা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে কোনো ব্যক্তির কথার ভাষা এমন হতে পারে যে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতিকে আক্রমণাত্মক অর্থ দিতে পারে। তাহলে সেটা আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ ৩৫১ ধারার বিধান অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

আরো কিছু উদাহরণ-
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
৪,০৩৪.
A disputed handwriting can be proved:
  1. by examining a person acquainted with the handwriting of the writer of the questioned.
  2. by comparison of the two-admitted & disputed handwritings.
  3. by calling an expert.
  4. All the above.
সঠিক উত্তর:
All the above.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All the above.
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার বিধান: হস্তলিপি সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক (Opinion as to handwriting, when relevant): হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তির দ্বারা দলিল লিখিত হয়েছে সে ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ ৪৭ ধারা হাতের লেখা বা হস্তলিপির সাথে পরিচিতি কোন লোকের মতামত প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য করেছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারায় একজন ব্যক্তির অভিমত অন্য ব্যক্তির হস্তলিপি বা হাতের লেখা প্রমাণের ক্ষেত্রে তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন কোন ব্যক্তি-
- অপর ব্যক্তিকে লিখতে দেখেছে
- অপর ব্যক্তির লিখিত কোন দলিল পেয়েছে।
- স্বাভাবিক কাজকর্ম হিসেবে যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির হাতের লেখার সাথে পরিচিত হয়েছে।

------------------
⇒ Opinion as to handwriting, when relevant

Section 47. When the Court has to form an opinion as to the person by whom any document was written or signed, the opinion of any person acquainted with the handwriting of the person by whom it is supposed to be written or signed that it was or was not written or signed by that person, is a relevant fact. 
 
Explanation.–A person is said to be acquainted with the handwriting of another person when he has seen that person write, or when he has received documents purporting to be written by that person in answer to documents written by himself or under his authority and addressed to that person, or when, in the ordinary course of business, documents purporting to be written by that person have been habitually submitted to him.
৪,০৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষীর দায়িত্ব সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪১
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৪৩
  4. ধারা ৫৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩-এ দোভাষীর (Interpreter) দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী: দোভাষীকে অবশ্যই সাক্ষ্য বা বক্তব্য সঠিকভাবে এবং নির্ভুলভাবে অনুবাদ করতে হবে।
- কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ প্রদান করতে হবে।
- দোভাষীকে সত্যনিষ্ঠ হতে হবে এবং সঠিক অনুবাদ দেওয়ার জন্য বাধ্য থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৪,০৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে একটি দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়?
  1. যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়
  2. যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে
  3. যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ এর অধীনে, কোনো দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায় যদি সেই দলিলটি প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা (Misrepresentation), অযাচিত প্রভাব (Undue Influence), বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে সম্পাদিত হয়। ধারা ৩৯ এর উদ্দেশ্য হলো এমন দলিল বাতিল করা যা আইনত অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য (Void or Voidable) এবং যা বাদীর অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

ধারা ৩৯ এর বিধান:
- ধারা ৩৯ এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা, অযাচিত প্রভাব, বা অন্য কোনো অবৈধ কারণে সম্পাদিত হয় এবং তা বাদীর আইনি অধিকারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে আদালত সেই দলিল বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে।

- Mominuddin Howladar and others Vs. Nutu Bibi (1 BLD (HCD) 396) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়, তবে বাদী সেই দলিলের অকার্যকরতা ঘোষণার জন্য এবং বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে, বাদী যদি দলিলের পক্ষভুক্ত হন, তবে তাকে বাতিলের জন্য অতিরিক্ত প্রতিকার (Cancellation) দাবি করতে হবে।

- Sufia Khanam Chowdhury Vs. Faizun Nessa Chowdhury (7 BLD (AD) 55) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, যদি দলিল প্রাথমিকভাবে অকার্যকর (Void) হয়, তবে বাতিল করার প্রয়োজন নাও হতে পারে; কিন্তু যদি দলিল বাতিলযোগ্য (Voidable) হয় (যেমন, প্রতারণার কারণে), তবে বাতিলের জন্য মামলা করা যায়।

- প্রতারণা (Fraud) একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ যার ভিত্তিতে ধারা ৩৯ এর অধীনে দলিল বাতিল করা যায়। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিলযোগ্য হয়, কারণ এটি স্বাভাবিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তির দলিল তৈরি করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ধারা ৩৯ এর অধীনে মামলা দায়ের করে দলিলটি বাতিল করতে পারে।
- এই ধারার অধীনে, বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে এবং এটি তার আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ শুধুমাত্র অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়, তবে তা বাতিল করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
খ) যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ দলিল সরকারের হেফাজতে থাকা ধারা ৩৯ এর অধীনে বাতিলের জন্য কোনো শর্ত নয়। বাতিলের জন্য প্রতারণা বা অন্যান্য অবৈধ কারণ প্রমাণ করতে হবে।
গ) যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মৌখিক চুক্তি বা দলিল এই ধারার আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত নিবন্ধিত বা লিখিত দলিলের বাতিলের জন্য প্রযোজ্য।

- অর্থাৎ ধারা ৩৯ এর অধীনে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়, কারণ এটি বাতিলযোগ্য হয় এবং বাদীর আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। অন্য বিকল্পগুলি (সম্পূর্ণ বৈধ দলিল, সরকারের হেফাজতে থাকা, বা মৌখিক দলিল) এই ধারার আওতায় পড়ে না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

৪,০৩৭.
চুরির অপরাধের বিচার চলাকালে 'ক' ৮ মাস জেল হাজতে থাকে। বিচারের পর 'ক' এর ৪ মাসের কারাদণ্ড এবং ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৪ মাস ভোগ করতে হবে
  2. কোনো সাজা ভোগ করবে না
  3. অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

• ধারা-৩৫ক
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদেণ্ডর মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।

Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৪,০৩৮.
বাংলাদেশের আইনে কীভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. পাথর ছুড়ে
  2. ফাঁসি দিয়ে
  3. গুলি করে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকিবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। তবে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আদালত ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (Special Powers Act, 1974) ৩৪ক ধারামতে ২ ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে। যথা- i) ফাঁসি দিয়ে; অথবা ii) গুলি করে।
৪,০৩৯.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়নি?
  1. নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
  2. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্ষমতা
  3. মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা
  4. মোকদ্দমা পুনর্বিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৭ অনুযায়ী, আপীল আদালতকে চারটি প্রধান ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে:
- মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা (Clause a)
- মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য নিম্ন আদালতে প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause b)
- বিচার্য বিষয় গঠন ও সেগুলো বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা (Clause c)
- অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা এমন সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করার ক্ষমতা (Clause d)
 উপরোক্ত চারটি ক্ষমতার কোনো একটিও "নতুন মামলা গ্রহণ" করার ক্ষমতা নয়।
 "নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা" (Institution of suit) শুধু আদি আদালতের (Court of original jurisdiction) থাকে, আপীল আদালতের নয়।

→ অর্থাৎ আপীল আদালত পূর্বে দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে বিচার ও পর্যালোচনার ক্ষমতা রাখে, কিন্তু নতুন মামলা গ্রহণ করার এখতিয়ার রাখে না।
তাই সঠিক উত্তর: ক) নতুন মামলা গ্রহণ করার ক্ষমতা।

 ⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার; 
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
-------------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৪,০৪০.
A temporary injunction continues until-
  1. The judgment is delivered
  2. The appeal is filed
  3. The plaintiff withdraws the case
  4. A fixed time or further order of the Court
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
ব্যাখ্যা
Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:

Temporary injunctions:
Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
৪,০৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী, রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের জন্য কোন বিধি প্রযোজ্য?
  1. আদেশ-৪০, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-২
  3. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  4. আদেশ-৪০, বিধি-৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪০-এর অধীনে রিসিভারের নিয়োগ ও কর্তব্য নিয়ন্ত্রিত হয়।
- আদেশ ৪০-এর বিধি ১-এ রিসিভার নিয়োগ এবং তার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- আর রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের বিষয়ে স্পষ্ট বিধান আছে আদেশ ৪০-এর বিধি ২-এ।
- এই বিধি অনুসারে, আদালত রিসিভারের সেবার জন্য পারিশ্রমিক সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে পারে।
- অন্য কোনো বিধিতে রিসিভারের পারিশ্রমিক নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো আদেশ-৪০, বিধি-২।

- আদেশ ৪০ বিধি-২: পারিশ্রমিক: আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কার্যের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করতে পারবে।
- Order 40 Rule-2: Remuneration: The Court may by general or special order fix the amount to be paid as remuneration for the services of the receiver.
৪,০৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  2. ৫০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  3. ১০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  4. ৫০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন আটককৃত সম্পত্তি, দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, অথবা মালিক অজানা বা অনুপস্থিত হন, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উত্তম, এবং সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো সময় ঐ সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

এজন্য, ধারা ৫২৫ অনুযায়ী বিক্রির অনুমতি পাওয়া সম্পত্তির মূল্যসীমা নির্ধারিত আছে ১০ টাকা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৪,০৪৩.
কোন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমায় দ্বিতীয় রিভিশন করা যায়?
  1. জেলা জজ।
  2. যুগ্ন জেলা জজ।
  3. সিনিয়র সহকারি জজ।
  4. সহকারি জজ।
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908, ধারা ১১৫(৪) আনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি সাপেক্ষে জেলা জজ কিংবা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত রিভিশনে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়।
৪,০৪৪.
প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. আরজিতে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বাদী
  2. লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করবে মোকদ্দমার বিবাদী
  3. আদালত প্লিডিংস সত্যাখ্যান করবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।
যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।

Order 6 Rule 15: Verification of pleadings-
1) Save as otherwise provided by any law for the time being in force, every pleading shall be verified at the foot by the party or by one of the parties pleading or by some other person proved to the satisfaction of the Court to be acquainted with the facts of the case.
2) The person verifying shall specify, by reference to the numbered paragraphs of the pleading, what he verifies of his own knowledge and what he verifies upon information received and believed to be true.
3) The verification shall be signed by the person making it and shall state the date on which and the place at which it was signed.]
৪,০৪৫.
নিম্নলিখিত কোনটি বিচার বহিভূর্ত দোষ স্বীকারোক্তি [Extra-judicial Confession]?
  1. আদালতের নিকট দোষ স্বীকার
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  3. আদালতের বাহিরে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দোষ স্বীকারোক্তি
  4. ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
সঠিক উত্তর:
ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তির নিকট দোষ স্বীকার
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ফৌজদারী মামলার আসামী তার কৃত অপরাধ স্বীকার করে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাকে বলা হয় স্বীকারোক্তি। ইংরেজিতে এটাকে Confession বলা হয়। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে ২৪, ২৫ ও ২৬ ধারায় তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ স্বীকারোক্তি কত প্রকার:
-কার কাছে স্বীকারোক্তি দেওয়া হচ্ছে সেদিক বিবেচনা করলে-ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে judicial Confession এবং ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কাউকে দেওয়া স্বীকারোক্তিকে Extra-judicial Confession বলা হয়।


⇒ অপরাধ স্বীকারের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে স্বীকারোক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
i) Inculpatory Confessional Statement; ও
ii) Ex-culpatory Confessional Statement.
⇒ আসামি নিজেকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Inculpatory Confessional Statement বলা হয়।
⇒ আর আসামী নিজেকে অপরাধের সাথে না জড়িয়ে অন্য কোন ব্যক্তিকে অপরাধের সাথে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি প্রদান করলে তাকে Ex-culpatory Confessional Statement বলা হয়।

⇒ অপরাধ স্বীকারের পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বীকারোক্তিকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথা-
i) বিচারিক (Judicial) স্বীকারোক্তি;
ii) বিচার বহির্ভূত (Extra-judicial) স্বীকারোক্তি; ও
iii) প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।

⇒ আসামী তার দোষ স্বীকারমূলক বিবৃতি যদি কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রদান করে, তবে তাকে বলা হয় বিচারিক স্বীকারোক্তি।
⇒ আর তা যদি অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রদান করা হয়, তবে তাকে বলা হয় বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি।
⇒ এছাড়া দেখা যায়, আসামী প্রথমে বিচারিক বা বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তি করার পর পরবর্তীতে তার ঐ পূর্বের স্বীকারোক্তি আদালতে অস্বীকার করছে। এটাকে বলা হয় প্রত্যাহৃত স্বীকারোক্তি।
৪,০৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু দখল
  2. শুধু স্বত্ব
  3. দখল এবং স্বত্ব
  4. সম্পত্তি হতে আইনগত পন্থা ছাড়া বেদখল
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল এবং স্বত্ব
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৪,০৪৭.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে উক্ত মামলায় প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ-
  1. অবশ্যই অবৈধ হবে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
  3. অভিযুক্ত আবেদন করলে অবৈধ হবে
  4. ফরিয়াদি আবেদন করলে বৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge

(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৪,০৪৮.
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন সময়ে-
  1. আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  2. আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  3. আপিলকারী বা আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে- ৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপীল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে। ৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
৪,০৪৯.
দণ্ডবিধি প্রণয়নকারী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. মি. ম্যাকলিউড
  2. লর্ড ম্যাকুলে
  3. স্যার বার্নেস পিকক
  4. লর্ড আ্যাকল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
ব্যাখ্যা
→ ১৮০৭ সাল থেকে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামি ফৌজদারি আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিস্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।
→ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
যা নিম্নরূপ :-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।
→ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিল)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ তারিখ আইন, দণ্ডবিধি।
→ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।
৪,০৫০.
বর্তমানে বলবৎ তামাদি আইন ________ সালের ৯নং আইন।
  1. ১৯০৩
  2. ১৯০৮
  3. ১৯০৯
  4. ১৯১১
সঠিক উত্তর:
১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৮
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯নং আইন।
⇒ আইনটি ১৯০৮ সালের ৭ ই আগস্ট প্রণীত হয়।
⇒ এটি কার্যকর হয় ১৯০৯ সালের ১ লা জানুয়ারী।
⇒ এটি একটি পদ্ধতিগত আইন।
⇒ তামাদি আইনের মোট ধারা ৩২ টি , ৩ টি ধারা বাতিল করা হয়েছে এবং বর্তমানে বলবৎ রয়েছে ২৯ টি ধারা।
⇒ মোট তফসিল ৩ টি (২য় ও ৩য় তফসিল বাতিল করা হয়েছে)। বর্তমানে বলবৎ আছে ১টি তফসিল।
⇒ তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৮৩ টি।
৪,০৫১.
"দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে" সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারার বিধান: ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে (Character as affecting damages)- সাক্ষ্য আইনের ৫৫ ধারামতে দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে।

⇒ Character as affecting damages:
Section 55. In civil cases the fact that the character of any person is such as to affect the amount of damages which he ought to receive, is relevant. 
 
Explanation.– In sections 52, 53, 54 and 55, the word "character" includes both reputation and disposition; but, except as provided in section 54, evidence may be given only of general reputation and general disposition, and not of particular acts by which reputation or disposition were shown.
৪,০৫২.
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

[অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।]
৪,০৫৩.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায় কয়টি ক্ষেত্রে?
  1. চারটি ক্ষেত্রে
  2. ছয়টি ক্ষেত্রে
  3. আটটি ক্ষেত্রে
  4. পাঁচটি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ছয়টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
যথা:
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৪,০৫৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদীর নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  3. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ৯ ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
ধারাঃ ৯- স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার  স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস।
-------------------------
SR Act- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
৪,০৫৫.
‘A’ একটি দ্রব্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে ‘Z’-কে বিখ্যাত প্রস্তুতকারক কোম্পানির দ্রব্যে বলে বিশ্বাস করিয়ে ফাঁকি দেওয়ায় এবং ক্রয়ে প্ররোচিত করে, ‘A’ দণ্ডবিধির কত ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ৪০৫
  2. ৪১৫
  3. ৪১৬
  4. ৪০৩
সঠিক উত্তর:
৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

-  ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415.Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৪,০৫৬.
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে?
  1. সম্মতি ব্যতিত
  2. ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায়
  3. ইচ্ছার বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারামতে ৫টি ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে।
যথা
(i) ইচ্ছার বিরুদ্ধে
(ii) সম্মতি ব্যতীত
(iii) মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে
(iv) প্রতারণামূলকভাবে সম্মতিক্রমে (যখন নারীটি পুরুষটিকে নিজের স্বামী বলে বিশ্বাস করে) অথবা
(v) সম্মতিসহ বা ছাড়া ১৪ বছরের কম বয়স্ক নারীর সাথে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ১৬ বছর) অর্থাৎ ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে যৌন সহবাস করলেই তা ধর্ষণ হবে এ ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকা না থাকা অপ্রাসঙ্গিক। ধারা-৩৭৫, ব্যাখ্যা (Explanation)- ধর্ষণের অপরাধের জন্য প্রয়োজনীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবেশ করাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে।
৪,০৫৭.
মৃত্যুর কারন সংবলিত মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রাসঙ্গিক হবে তা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ৩২(২) ধারায়
  2. ৩১(২) ধারায়
  3. ৩১(৩) ধারায়
  4. ৩২(১) ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২(১) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);

ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);

iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);

iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);

v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);

vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);

vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা

viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

-------------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা: যে ব্যক্তি মৃত অথবা যাকে খুঁজে পাওয়া যায় না অথবা যে সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে অথবা যাকে হাজির করা এরূপ সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ যে, সংশ্লিষ্ট মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালতের মতে তা অযৌক্তিক; সেইরূপ ব্যক্তির প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নিজেরাই প্রাসঙ্গিক বিষয়:

(১) যখন এটি মৃত্যুর কারণের সাথে সংশ্লিষ্ট (When it relates to cause of death): যখন মামলায় কোন মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে, তখন সেই মামলায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক তার মৃত্যু সম্পর্কে অথবা যে পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু ঘটেছে তার কোন একটি সম্পর্কে দেওয়া বিবৃতি; এরূপ বিবৃতি দেওয়ার সময় ঐ ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কা করুক বা না করুক এবং যে কার্যক্রমে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রশ্ন উঠে তার প্রকৃতি যাই হোক না কেন উক্ত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক।

(২) সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রদত্ত (Made in course of business) : যখন বিবৃতিটি ঐ ব্যক্তি কর্তৃক কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় (in the ordinary course of business) দেয়া হয়, এবং বিশেষভাবে যখন তা কাজের স্বাভাবিক রীতিতে, বা পেশাগত দায়িত্ব পালনে রক্ষিত বইয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক প্রস্তুত কোনো লিখন (entry) বা স্মারকের (memorandum) অন্তর্ভূক্ত হয়; অথবা যখন তা অর্থ, মালামাল, জামানত বা যে কোনো সম্পত্তি গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত স্বীকারোক্তি (acknowledgment) হয়; অথবা যখন তা ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত বা স্বাক্ষরিত কোন ব্যবসায়িক ব্যবহৃত দলিলে লেখা হয়; অথবা তা সাধারণভাবে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত, স্বাক্ষরিত বা তারিখ প্রদত্ত চিঠি বা অন্য দলিলের তারিখ প্রসঙ্গে লেখা হয়।
৪,০৫৮.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ রাজপথে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে দস্যুতা করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী সাধারণভাবে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
- কিন্তু যদি দস্যুতা রাজপথে এবং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মাঝখানে সংঘটিত হয়, তাহলে এই শাস্তির মেয়াদ চৌদ্দ (১৪) বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- এ কারণে সঠিক উত্তর গ) ১৪ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৪,০৫৯.
৪ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. চুক্তির অধীনে প্রতিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে
  2. চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
  3. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল হস্তান্তরে
  4. চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পাওয়ার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকারের ব্যাপারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:

যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
৪,০৬০.
নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে
  2. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবে
  3. দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
  4. কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী মামলায় কোনো পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
সকল দেওয়ানী মামলায় পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষী হবে। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হবে।

⇒ Section 120 of Evidence Act: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৪,০৬১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) প্রদানের সময়সীমা গণনা শুরু হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. প্রথম শুনানির তারিখ থেকে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  4. উত্তর দাখিলের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।
- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।

প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, [within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
৪,০৬২.
তামাদি আইনের কোন ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে। 

⇒তামাদি আইনের ৫ ধার‍ায় 'Condonation of delay' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।

- তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)

-এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
i. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
ii. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
- ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপিল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
৪,০৬৩.
ফরিয়াদী কর্তৃক আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর ফি প্রদান করা না হলে, আদালত সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩০ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদী কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ: 
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং 
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
------------------
CrPC-Section-546A: Order of payment of certain fees paid by complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant– 
(a) the fee (if any) paid on the petition of compliant or for the examination of the complainant, and 
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused, 
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৪,০৬৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. আপিল
  2. ডিক্রি জারি
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৪,০৬৫.
একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আপিল বিভাগ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
৪,০৬৬.
কোন ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেলে
  3. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

Section 509A: Report of post-mortem examination

Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৪,০৬৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কোন আদালত "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না?
  1. দেওয়ানি আদালত
  2. ভূমি রাজস্ব আদালত
  3. কৃষিজমি সংক্রান্ত আদালত
  4. রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত বিশেষ আদালত
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।l

উল্লিখিত প্রশ্নের "দেওয়ানি আদালত" "রাজস্ব আদালত" হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৪,০৬৮.
'চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, তা প্রয়োজনমত পরিবর্তনসহ উইলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় এই বিধান রয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৩৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩০:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.]

অর্থাৎ,
চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৪,০৬৯.
যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার কার বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. কারোর বিরুদ্ধেই নয়
  2. ডিক্রি-দেনাদারের বন্ধুর বিরুদ্ধে
  3. ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
  4. খ ও গ উভয়ের বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি-দেনাদারের উত্তরাধিকারীর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি ধারা ৫০:

(১) যদি ডিক্রি-দেনাদার সম্পূর্ণ ডিক্রি পরিশোধের পূর্বে মারা যান, তবে ডিক্রিদার আদালতে আবেদন করতে পারেন যা ডিক্রি জারি করেছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর (legal representative) বিরুদ্ধে সেই ডিক্রি কার্যকর করার জন্য।
Where a judgment-debtor dies before the decree has been fully satisfied, the holder of the decree may apply to the Court which passed it to execute the same against the legal representative of the deceased.

(২) যখন ডিক্রি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীর বিরুদ্ধে কার্যকর করা হয়, তখন তিনি শুধুমাত্র সেই সম্পত্তির পরিমাণে দায়বদ্ধ থাকবেন যা মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে তার হাতে এসেছে এবং যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা হয়নি; এবং, এই দায় নির্ধারণের জন্য, ডিক্রি কার্যকরকারী আদালত, নিজ উদ্যোগে বা ডিক্রি ধারকের আবেদনের ভিত্তিতে, ওই উত্তরাধিকারীকে এমন হিসাবপত্র পেশ করার জন্য বাধ্য করতে পারে যা আদালত উপযুক্ত মনে করে।
Where the decree is executed against such legal representative, he shall be liable only to the extent of the property of the deceased which has come to his hands and has not been duly disposed of; and, for the purpose of ascertaining such liability, the Court executing the decree may, of its own motion or on the application of the decree-holder, compel such legal representative to produce such accounts as it thinks fit.
৪,০৭০.
গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হলে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ:
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 358- Assault or criminal force on grave provocation:
Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.
৪,০৭১.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৭
  2. ২৯
  3. ৩২
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
⇒ limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
৪,০৭২.
একজন ব্যক্তির এক অপারগতা শেষ হওয়ার আগেই নতুন অপারগতা তৈরি হলে, মামলার মেয়াদ গণনা কিভাবে হবে?
  1. নতুন অপারগতার শুরুর সময় থেকে
  2. প্রথম অপারগতা শেষ হওয়ার সময় থেকে
  3. উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
  4. মামলার তামাদি মেয়াদ আপনাআপনি ভাবে ১ বছর বৃদ্ধি পাবে
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
 
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
 
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
 
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
 
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
৪,০৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধানসমূহের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
  2. অতিরিক্ত সময়সহ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে
  3. সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
  4. সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation),
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
৪,০৭৪.
The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond. 
 
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto. 
 
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended. 
 
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail. 
 
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
৪,০৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে না?
  1. প্রাথমিক ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. চূড়ান্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
  3. একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে
  4. পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) ধারা ৯৬(৩) অনুযায়ী, যদি কোনো আদালত পক্ষদের সম্মতিতে একটি ডিক্রি প্রদান করে, তবে ওই ডিক্রির বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। এর মানে হলো, যখন পক্ষসমূহ আদালতের কাছে তাদের সম্মতি দিয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় এবং আদালত সেই সম্মতিতে ডিক্রি প্রদান করে, তখন সেই ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ডিক্রি (প্রশ্নের ক) এবং চূড়ান্ত ডিক্রি (প্রশ্নের খ) সম্পর্কিত বিধান অনুসারে, আপিল করা যায়। একতরফা ডিক্রি (প্রশ্নের গ) সম্পর্কেও আপিল করা সম্ভব, যদি ডিক্রি প্রাপ্ত পক্ষের বিরুদ্ধে কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকে।

তবে পক্ষদের সম্মতিতে প্রদত্ত ডিক্রি আপিলের জন্য যোগ্য নয়, কারণ এটি তাদের সম্মতির ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।
৪,০৭৬.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার (Cheating by personation) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৪১৬ ধারা
  2. ৪১৯ ধারা
  3. ৪১১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব‍্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
Cheating by personation:
Section 416. A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 
 
Illustrations 
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation. 
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৪,০৭৭.
The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা
  1. স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেছে
  2. সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি
  3. কোন স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেনি
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হল কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলীঃ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হলো সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি মাত্র এবং এটা কোন স্বতন্ত্র বা মৌলিক অপরাধ সৃষ্টি করেনি।
৪,০৭৮.
'ক' একটি আপিল এখতিয়ারবিহীন আদালতে দায়ের করলো। এখতিয়ার না থাকায় আদালত আপিলটি সঠিক আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দিলো। ইতোমধ্যে আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিকার হিসেবে নিম্নলিখিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  2. আদালত তামাদির মেয়াদ গণনার সময় ব্যয়িত সময় থেকে বাদ দিবে
  3. তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।

• সাধারণ নিয়ম হলো, কোন আপিল, রিভিউ এবং রিভিশন তামাদি আইনে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে দায়ের করতে হয়। আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি নির্ধারিত সময়ে দাখিল করতে না পারলে আদালত ৩ ধারার বিধান অনুযায়ী উক্ত দরখাস্ত খারিজ করে দিতে পারে। বিলম্বে আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা কোন আবেদন করার কারণে যেন উক্ত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদনটি খারিজ না হয়, সেই জন্যে উক্ত আবেদনের সাথে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে বা সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে হবে [application for extension of period]।

তামাদি আইনের ৫ ধারা নিম্নলিখিত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায় বা সময় বৃদ্ধির আবেদন দায়ের করা যায়-
১. আপিল [Appeal];
২. আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত [An application for leave to appeal];
৩. রায় রিভিউ এর আবেদন [An application for review of judgment];
৪. রিভিশনের দরখাস্ত [An application for revision];
৫. অন্য কোন আবেদনের ক্ষেত্রে যেখানে ৫ ধারা প্রযোজ্য করা যায় [Any other application to which this section may be made applicable]।

আপিলকারী বা দরখাস্তকারী যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আপিল দায়ের বা দরখাস্তটি দাখিল না করার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহলেই আদালত বিলম্ব মওকুফের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। 

এক্ষেত্রে 'ক' কে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হলে আপিলের দরখাস্তের সাথে, তামাদি আইনের ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।

• যেক্ষেত্রে ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য না:
তামাদি আইন,১৯০৮ এর ৫ ধারা স্যুটের [Suit] বা মূল মামলা যেমন স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি দায়ের করার মেয়াদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ মূল মামলা বা স্যুট দায়ের করার জন্য নির্ধারিত সময় অতিক্রম হয়ে গেলে উক্ত সময় মওকুফ করার জন্য ৫ ধারায় আবেদন গ্রহণযোগ্য না।
৪,০৭৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান আছে?
  1. ৫২ ধারায়
  2. ৫৮ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. ৫৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।
[বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিক স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৪,০৮০.
'আইনতঃ বাধ্যবলে বা ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত কাজটি করতে বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।'- কোন উদহারনের সাথে এই বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনতঃ বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনতঃ বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76- Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations-
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৪,০৮১.
Who prescribes the form and dimensions of the court seal according to Section 16 of The Civil Courts Act, 1887?
  1. The High Court
  2. The Government
  3. The presiding Judge
  4. The District Judge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16- Seals of Courts:
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.

ধারা ১৬ – আদালতের সীল:
এই আইনের আওতায় প্রতিটি দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার এবং মাত্রার একটি সীল ব্যবহার করবে।

৪,০৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন কারণে দলিল সংশোধন করা যায় না?
  1. পারস্পরিক ভুল
  2. উভয় পক্ষে ভুল
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
  4. দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নে দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল সংশোধন করা যায় না।

 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৪,০৮৩.
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় কার দ্বারা প্রণীত বিধি অনুযায়ী?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৩-এর প্রভিসো অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিধি প্রণয়ন করতে পারেন, এবং সেই বিধি অনুযায়ীই বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।
(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

৪,০৮৪.
ডিক্রি কার্যকর করার জন্য আদেশ ২১, বিধি ১০ অনুসারে কোথায় আবেদন করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. ডিক্রিদানকারী আদালতে
  3. নির্ধারিত অফিসারের নিকট
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-১০: জারির নিমিত্তে আবেদন: 
ডিক্রি জারি করিতে ইচ্ছা করলে ডিক্রিদানকারী আদালতে কিংবা তৎপক্ষে নিয়োগকৃত অফিসারের (যদি কোন) নিকট অথবা ইতোপূর্বে তাতে বর্ণিত বিধানের অধীনে ভিন্ন আদালতে ডিক্রি প্রেরিত হয়ে থাকলে উক্ত আদালত বা উহার উপযুক্ত কর্মকর্তার নিকট আবেদন করবে।

Rule.-10: Application for execution:
Where the holder of a decree desires to execute it, he shall apply to the Court which passed the decree or to the officer (if any) apointed in this behalf, or if the decree has been sent under the provisions hereinbefore contained to another Court then to such Court or to the proper officer thereof.
৪,০৮৫.
যদি একটি পাবলিক কোম্পানি দ্বারা চুক্তি করা হয় এবং পরে সেটি অন্য পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারবে-
  1. পুরনো কোম্পানি
  2. নতুন গঠিত কোম্পানি
  3. কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা
  4. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন গঠিত কোম্পানি
ব্যাখ্যা
ধারা ২৩- সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন যে পেতে পারে:
এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ বিধিবদ্ধ না থাকলে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে-
ক) চুক্তির যেকোন পক্ষ;

খ) চুক্তির যেকোন পক্ষের বা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি; শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে তেমন পক্ষের শিক্ষা, দক্ষতা, স্বচ্ছলতা বা কোন ব্যক্তিগত গুণাগুণ চুক্তির উল্লেখযােগ্য উপাদান হয় বা যেক্ষেত্রে চুক্তিতে বিধান থাকে‌ যে, তার স্বার্থের স্বত্ব নিয়ােগ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি বা তার প্রধান চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারী হবেন না, যদি না চুক্তিতে তার অংশ ইতপূর্বেই সম্পাদিত থাকে।

গ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে একটি বিবাহের ব্যাপারে নিষ্পত্তি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার সন্দেহপূর্ণ অধিকারের আপােষ-মীমাংসা, সেক্ষেত্রে চুক্তি অনুসারে হিতকরভাবে অধিকারী যেকোন ব্যক্তি;

ঘ) যেক্ষেত্রে একজন আজীবন প্রজা তার ক্ষমতার যথাযথ প্রয়ােগপূর্বক চুক্তিবদ্ধ হয়েছে সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ব্যক্তি;

ঙ) যেক্ষেত্রে চুক্তিপত্র এমন যা সম্পন্ন করা হয়েছিল তার পূর্বাধিকারীর সাথে ও যেক্ষেত্রে তেমন চুক্তিপত্রের লাভ উত্তরাধিকারী পাবার অধিকারী, সেক্ষেত্রে অধিকার ভােগের উত্তরাধিকারী;

চ) যেক্ষেত্রে চুক্তি হচ্ছে এমন উত্তরাধিকারী যা থেকে সৃষ্ট মুনাফা লাভের অধিকারী ও তা ভঙ্গহেতু আর্থিক ক্ষতি ভােগ করবে, সেক্ষেত্রে অবশিষ্ট ভাগের উত্তরাধিকারী;

ছ) যেক্ষেত্রে পাবলিক কোম্পানি চুক্তি করে ও তার পর পরই তা অপর একটি পাবলিক কোম্পানির সাথে মিলিত হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে মিলিত হওয়ার কারণে গঠিত নতুন কোম্পানি;

জ) যেক্ষেত্রে একটি পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিগণ কোম্পানি গঠিত হওয়ার আগেই কোম্পানির প্রয়ােজনবশতঃ চুক্তি করে এবং কোম্পানি গঠনের শর্তাবলীতে তেমন চুক্তিকে নির্বিঘ্ন করা হয়, সেক্ষেত্রে কোম্পানি।
৪,০৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় অধীন বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বিকল্প হিসাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে?
  1. ধারা ৩৫
  2. ধারা ৩১
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে রদ প্রার্থনাঃ
প্রার্থনা জানাতে পারে যে, যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা না যায়। তবে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন তবে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

♦চুক্তির রদের মোকদ্দমায় বিকল্প হিসাবে বাদী চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের আবেদন করতে পারেনা। কিন্তু চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মোকদ্দমায় বাদী বিকল্পভাবে চুক্তি রদের আবেদন করতে পারে।
৪,০৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জামিননামা সম্পাদনের পর মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়?
  1. ৪৯৯ ধারা
  2. ৫০০ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ ধারা। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০০ (Section 500 – Discharge from custody) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released…”
অর্থাৎ, যখন জামিননামা (bond) সম্পাদিত হয় - অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার জামিনদার জামিনের শর্ত অনুযায়ী বন্ডে স্বাক্ষর করেন - তখন আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
যদি সেই ব্যক্তি জেলখানায় থাকেন, তাহলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে একটি মুক্তির আদেশ (release order) দেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ পেলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি প্রদান করতে বাধ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৪,০৮৮.
যে ব্যক্তি প্রতারণার কারণে তার অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে, তার বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কবে থেকে?
  1. প্রতারণার বিষয়ে অবগতির দিন থেকে
  2. দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
  3. অপর পক্ষকে দলিল উপস্থাপনে বাধ্য করার দিন থেকে
  4. বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত যেকোনো দিন থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল 
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-

১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৪,০৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে কত বছরের বেশি সময়ব্যাপী চলমান চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১(ছ) অনুযায়ী "যে চুক্তির কার্যকারিতা ৩ (তিন) বছরের অধিক সময় ধরে চলমান থাকে, তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।"
- অর্থাৎ, যদি কোনো চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের বিষয়টি চুক্তির তারিখ থেকে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান থাকে, তাহলে সাধারণভাবে সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।

৪,০৯০.
কোন ধারার বিধানমতে ১৪৪ ধারার অধীন জারিকৃত আদেশ বাতিল করা যায়?
  1. ১৪৬(২)
  2. ১৪৪ (২)
  3. ১৪৪ (৪)
  4. ১৪৪(৬)
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে। 

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
৪,০৯১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারাটি Principle of Res judicata এর বিধান সম্পর্কিত?
  1. ১০ ধারা
  2. ১১ ধারা
  3. ১৫১ ধারা
  4. ১৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১ তে রেস জুডিকাটার (res judicata) বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারা অনুসারে Principle of Res judicata হল আইন ও ঘটনার সম্মিলিত একটি বিষয়।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন বিষয়ে একবার আদালত সিদ্ধান্ত দিলে ঐ বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পুনরায় মামলা করা যায় না ।
- একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
- The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১১ তে Principle of Res judicata আছে। একই ব্যক্তিগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া বিষয় নিয়ে পুনরায় নতুন মামলা করা যায় না। অর্থাৎ মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের মাঝে চূড়ান্তভাবে কোন বিষয় নিষ্পত্তি হলে ঐ একই বিষয় নিয়ে একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে পরবর্তীতে পুনরায় নতুন করে কোন মামলা করা যাবে না। এই নীতিকেই রেস জুডিকাটা বা দোবারা দোষ বলে।
---------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-11. Res Judicata:
No Court shall try any suit or issue in which the matter directly and substantially in issue has been directly and substantially in issue in a former suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim, litigating under the same title, in a court competent to try such subsequent suit or the suit in which such issue has been subsequently raised, and has been heard and finally decided by such Court. 
Explanation I. -The expression "former suit" shall denote a suit which has been decided prior to the suit in question whether or not it was instituted prior thereto. 
Explanation II. -For the purposes of this section, the competence of a Court shall be determined irrespective of any provisions as to a right of appeal from the decision of such Court. 
Explanation III. -The matter above referred to must in the former suit have been alleged by one party and either denied or admitted, expressly or impliedly, by the other. 
Explanation IV. -Any matter which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit. 
Explanation V. -Any relief claimed in the plaint, which is not expressly granted by the decree, shall, for the purposes of this section, be deemed to have been refused. 
Explanation VI.-Where persons litigate bona fide in respect of a public right or of a private right claimed in common for themselves and others, all persons interested in such right shall, for the purposes of this section, be deemed to claim under the persons so litigating.
৪,০৯২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, প্রথম সভা আহ্বান করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  2. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  3. বার কাউন্সিলের ট্রেজারার
  4. বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বানের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের সম্পাদক এর উপর বর্তায়। এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত করতে হবে এবং এই সভা আহ্বানের দায়িত্ব সম্পাদকের।
- সুতরাং, বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করেন, যা সঠিক উত্তর।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
৪,০৯৩.
কোন ধরনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হলে The Penal Code, 1860 এর ৪০৩ ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি
  4. অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩ অনুসারে,
যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৪,০৯৪.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন।
-----------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
৪,০৯৫.
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারায় উল্লিখিত সময়সীমা কত দিন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।
- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার :
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the net proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the net proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying there out all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৪,০৯৬.
কোন ধারার অধীনে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) দায়ের না করেও সন্দেহের ভিত্তিতে আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৫৫ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে। 
- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-157: Procedure where cognizable offence suspected:
(1) If, from information received or otherwise, an officer in charge of a police station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate, he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police report and shall proceed in person, or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf to proceed, to the spot, to investigate the facts and circumstances of the case, and, if necessary, to take measures for the discovery and arrest of the offender:
Where local investigation dispensed with
Provided as follows:-
(a) when any information as to the commission of any such offence is given against any person by name and the case is not of a serious nature, the officer in charge of a police station need not proceed in person or depute a subordinate officer to make an investigation on the spot;
Where police officer in charge sees no sufficient ground for investigation
(b) if it appears to the officer in charge of a police station that there is no sufficient ground for entering on an investigation, he shall not investigate the case.

(2) In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of the proviso to sub-section (1), the officer in charge of the police station shall state in his said report his reasons for not fully complying with the requirements of that sub-section, and, in the case mentioned in clause (b), such officer shall also forthwith notify to the informant, if any, in such manner as may be prescribed by the Government, the fact that he will not investigate the case or cause it to be investigated.
৪,০৯৭.
রফিক একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে ভারত নিয়ে যায়। রফিকের এই অপরাধ কোন ধারার অধীনে পড়বে?
  1. ৩৬০ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬২ ধারা
  4. ৩৬৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৪,০৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কাদের সমন্বয়ে বেঞ্চ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।

Section 19- Benches:
Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
৪,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৪(৪) অনুসারে, যদি বন্ডের জরিমানা পরিশোধ না করা হয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের মাধ্যমে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতের নির্দেশে সিভিল কারাগারে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।
ধারা ৫১৪-এর অধীনে বন্ড ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে জরিমানা আদায়ের জন্য ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে (ধারা ৫১৪(২))।
যদি এই পদ্ধতিতেও জরিমানা আদায় না হয়, তবে ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী সিভিল কারাগারে কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ধারা ৫১৪(৫) অনুসারে, আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে জরিমানার কিছু অংশ মওকুফ করতে পারে এবং আংশিক পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।

৪,১০০.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় নিম্নলিখিত কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. বিবাহের বৈধতা
  2. সন্তানের বৈধতা
  3. দত্তক সন্তানের বৈধতা
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্তানের বৈধতা
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার [Legitimacy of Child] অনুমান সম্পর্কে আলোচন করা হয়েছে। কোন সন্তানের বৈধতার প্রশ্ন উঠলে, তা নির্ধারণের সাক্ষ্যগত দিক ১১২ ধারায় উল্লেখ করাহয়েছে। ১১২ ধারায় আদালত কোন সন্তানকে বৈধ বলে অনুমান করবে যদি সন্তানটি-

১. তার পিতা ও মাতার মধ্যে বৈধ বিবাহ স্থির থাকাকালীন অবস্থায় জন্ম গ্রহণ করে; অথবা
২. পিতা মাতার বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে এবং উক্ত সময়ে তার মাতা অবিবাহিত ছিল।