বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ৩৮ / ১২৬ · ৩,৭০১৩,৮০০ / ১২,৬০৫

৩,৭০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারায় কোন বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫৫ ধারা অনুসারে আদালত বিবাদীকে কোন নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
• এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
• এ ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর (তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ) ।
৩,৭০২.
দুর্দশাগ্রস্ত আইনজীবী বা তার পরিবারকে সহায়তা করার জন্য বার কাউন্সিল কেমন তহবিল গঠন করতে পারে? 
  1. যৌথ বীমা তহবিল
  2. কল্যাণ তহবিল 
  3. ত্রাণ তহবিল 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ১৫(১) অনুসারে বার কাউন্সিল, প্রয়োজনে, দুস্থ এডভোকেট বা তাহার পরিবার ও নির্ভরশীলকে অথবা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বা প্রাকৃতিক দূযোর্গ বা অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো বার এসোসিয়েশনকে সহায়তা প্রদান করিবার উদ্দেশ্যে ত্রাণ তহবিল গঠন করিতে পারিবে।
(২) দফা (১) এর অধীন ত্রাণ তহবিল নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ সমন্বয়ে গঠিত হইবে-
বার কাউন্সিলের অন্য যে কোনো তহবিল হইতে স্থানান্তরিত অর্থ; (ক)
(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(গ) এডভোকেটগণ হইতে প্রাপ্ত চাঁদা; এবং
(ঘ) জনগণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস হইতে প্রাপ্ত দান।
----------------
15. (1) A Bar Council may, whenever necessary, constitute a relief fund for the help of any distressed advocate or his family and dependents or for assistance to bar associations affected by war damage or natural calamities or other extraordinary causes.
(2) The relief fund constituted under clause (1) may consist of-
(a) amounts transferred from any other fund of the Bar Council;
(b) grants made by the Government;
(c) contributions received from the advocates; and
(d) donations received from the public, local authorities or other sources.

৩,৭০৩.
যখন আদালত মামলা মধ্যস্থতায় পাঠায়, তখন পক্ষগণ কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে কে mediator হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১০ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(৪) ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার জন্য পাঠায় বা উল্লেখ (refer) করে, তখন পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে যে তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী (mediator) হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

- যদি পক্ষগণ এই ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এরপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে সময় আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ায়।

[⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.]

৩,৭০৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় "Officer in charge of a police station" সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Section 4(f)
  2. Section 4(j)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(q)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
৩,৭০৫.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা
  2. নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
  3. নেক্সট ফ্রেন্ডকে অধিক ক্ষমতা দেওয়া
  4. নাবালকের বিরুদ্ধে মামলা করা সহজ করা
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির  আদেশ ৩২, বিধি ৭ অনুযায়ী, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের স্পষ্ট ও লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো চুক্তি বা আপসে যেতে পারবেন না। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো নাবালক নিজে সম্পূর্ণ বুদ্ধিমান ও প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় সে তার স্বার্থ বুঝে নিজের পক্ষে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। তাই, নাবালকের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারীর আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও অনুমতি নিশ্চিত করা, যেন নাবালকের স্বার্থে অনাকাঙ্ক্ষিত বা ক্ষতিকর চুক্তি বা আপস না হয়।
- এর মাধ্যমে নাবালকের সম্পত্তি বা অধিকার রক্ষা পায় এবং তাকে অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়া হয়।
সুতরাং, আদেশ ৩২, বিধি ৭ এর মূল লক্ষ্য হল নাবালকের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-৭: মোকদ্দমার নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক কর্তৃক চুক্তি বা আপস:
১) মোকদ্দমার কোন নেক্সট ফ্রেন্ড বা অভিভাবক আদালতের কার্যধারায় স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে যে মোকদ্দমায় যে নেক্সট ফ্রেন্ড কিংবা অভিভাবক হিসাবে কার্য করে সে মোকদ্দমা প্রসঙ্গে নাবালকের পক্ষে কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হতে পারবে না।
২) আদালতের অনুরূপ লিপিবদ্ধ অনুমতি ব্যতিরেকে অনুরূপ কোন চুক্তি বা আপসে উপনীত হলে উক্ত নাবালক ব্যতীত অপর সকল পক্ষের বিরুদ্ধে তা বাতিলযোগ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-32 Rule.-7: Agreement or compromise by next friend or guar-dian for the suit-
1) No next friend or guardian for the suit shall, without the leave of the Court, expressly recorded in the proceedings, enter into any agreement or compromise on behalf of a minor with reference to the suit in which he acts as next friend or guardian.
2) Any such agreement or compromise entered into without the leave of the Court so recorded shall be võidable against all parties other than the minor.
৩,৭০৬.
দায়রা জজের নিকট রিভিশন আবেদন করলে, তার সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. পুনঃরিভিশনযোগ্য
  4. রিভিউযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক – দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মামলার রেকর্ড দায়রা জজ নিজে তলব করলে, বা অন্য কোনোভাবে তাঁর জ্ঞাত হলে, তিনি ধারা ৪৩৯-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ যে ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, সেই সমস্ত বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
অর্থাৎ, রিভিশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে দায়রা জজ হাইকোর্ট বিভাগের মতোই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ দায়রা জজের নিকট রিভিশনের জন্য আবেদন করে, তাহলে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত (final) বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত রিভিশন আবেদনে দায়রা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর রিভিশন করা যাবে না।

(৩) কোনো মামলাকে দায়রা জজ যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তর করলে, সেই অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge) এই অধ্যায়ের অধীনে দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৩,৭০৭.
তামাদি আইন অনুসারে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৩,৭০৮.
অভিযুক্তকে হাজির করার জন্য প্রথমে সমন নাকি ওয়ারেন্ট জারি করা হবে- তা আদালত কিভাবে নির্ধারণ করবেন?
  1. নিজের বিবেচনা অনুযায়ী
  2. দণ্ডবিধির তফসিল অনুযায়ী
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
  4. ফরিয়াদির আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে যা নিম্নরূপ-

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

২য় তফসিলের ৪র্থ কলামে উল্লেখ করা আছে কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে এবং কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে আগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা যাবে।
৩,৭০৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুসারে, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকলেও সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২০ ধারা অনুসারে, চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ থাকলেও, চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার উপযুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same. 

Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.

৩,৭১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে
  2. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে
  3. চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২১ অনুযায়ী, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না যদি:
- চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হয়।
- চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়।
- চুক্তিটি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি হয়।
এই সব ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।
----------------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 21 Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৩,৭১১.
Section 224 of The Code of Criminal Procedure, 1898 primarily deals with the interpretation of words in a:
  1. Verdict
  2. Charge
  3. Testimony
  4. Court order
সঠিক উত্তর:
Charge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge
ব্যাখ্যা
Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
৩,৭১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত ভাবে প্রদান করা যায়?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ৫ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৫টি পৃথক পদ্ধতিতে প্রদান করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.

৩,৭১৩.
বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের পদের মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।
 
- অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
৩,৭১৪.
X লাঠি হাতে নিয়ে Y কে বলে, ‘আমি তোমাকে পিটাবো।’ এর দ্বারা X এর কৃত অপরাধ ________
  1. আক্রমণ
  2. আঘাত
  3. বল প্রয়োগ
  4. আঘাতের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৫১ ধারায় আক্রমণের বিধান রয়েছে। যখন কোন প্রকার অঙ্গভঙ্গী বা প্রস্তুতি যা কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয়না তখন তাকে আক্রমণ বলে।

♦ শুধু মুখের কথার মাধ্যমে আক্রমণ হবে না, আক্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কথার সাথে অঙ্গভঙ্গি(Gesture) বা প্রস্তুতি (preparation) থাকতে হবে।

♦ উদাহরণ-৩: ক একটি ছড়ি ঘুরাইতে ঘুরাইতে চ-কে বলল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে শুধুমাত্র ক-এর মুখের কথাগুলো আক্রমণ বলে গণ্য হবেনা, কিন্তু এখানে যেহেতু ক-এর মুখের কথাগুলোর সাথে ছুড়ি ঘুরানোর অঙ্গভঙ্গি রয়েছে, তাই ক-এর মুখের কথাগুলো এবং অঙ্গভঙ্গি মিলে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
৩,৭১৫.
কখন সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. জবানবন্দির সময় 
  2. পুনঃজবানবন্দির সময় 
  3. জেরার সময় 
  4. সাক্ষী বৈরি হলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী বৈরি হলে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পূর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী- আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।
-------------------------------
The Evidence Act 1872, Section154, Question by party to his own witness: The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.

৩,৭১৬.
'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযোগ আমলে নেয়ার সময় দেখতে পান তার কোনো এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে তিনি কী আদেশ দিবেন?
  1. সরাসরি অভিযোগ খারিজ করবেন
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে মুক্তি দিবেন
  3. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
 
ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
 
অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।
 
Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৩,৭১৭.
গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  4. শুধু জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ৩১৪ ধারা মতে গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
৩,৭১৮.
ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ ________ করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
  1. গ্রাহ্য
  2. অস্বীকার
  3. স্বীকার
  4. সম্মতিদান
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকার
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা, (যদি কোন), পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৩,৭১৯.
'ক' চুরির দায়ে 'খ'-কে ফৌজদারীতে সৌপর্দ করে। 'ক' আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'খ' চুরির কথা 'গ' এর নিকট স্বীকার করেছিল। স্বীকৃতির বিষয়টি প্রমাণের দায়ভার কার উপর বর্তায়?
  1. 'খ' এর উপর
  2. আসামী পক্ষের
  3. 'ক' এর উপর
  4. মামলা যে করেছে তার উপরে
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এর উপর
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা-১০৩। কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্বঃ- কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

⇒ উদাহরণ:

⇒ 'খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে।

⇒ আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা তাকে প্রমাণ করতে হবে।
৩,৭২০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার অধীনে পুলিশ সাক্ষীকে পরীক্ষা করে?
  1. ১৫৪
  2. ১৬১
  3. ১৬৪
  4. ২০০
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৩,৭২১.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. স্বীকৃতি
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
৩,৭২২.
পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী নিচের কোন কাজটি করতে পারবেন না ?
  1. পেশাগত কার্ড ব্যবহার
  2. নামফলক ব্যবহার
  3. বিজ্ঞাপন 
  4. প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
ব্যাখ্যা

পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী বিজ্ঞাপন করতে পারবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ১ এর বিধি ২ এ  উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।
-----------------------------------
Rule 2: An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

৩,৭২৩.
According to Order 38 Rule 13 of the Code of Civil Procedure, what is the limitation imposed on a Court of Small Causes?
  1. It cannot execute any decree.
  2. It cannot pass any interim order.
  3. It cannot attach movable property.
  4. It cannot attach immovable property.
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It cannot attach immovable property.
ব্যাখ্যা

Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।

৩,৭২৪.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধিতে ২ প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং খ) বিনাশ্রম (Simple).

 দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

          ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

          খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

    ♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৩,৭২৫.
অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় (Sale of noxious food drink) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৭৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৭৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

---------------------------
♦ Section 273. Sale of noxious food or drink: - Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৩,৭২৬.
'ক' একটি মামলা রুজু করে 'খ'-এর জমির উপর তার পথ চলার অধিকার ঘোষণার আবেদন করে। 'ক' প্রমাণ করে যে, সে ২৫ বছর পর্যন্ত এই অধিকার ভোগ করেছে। 'খ' দেখায় যে, ঐ ২৫ বছরের ভেতর ১০ বছর ঐ জমির উপর এক হিন্দু বিধবার জীবনস্বত্ব বর্তমান ছিল ও বিধবার মৃত্যুর পর 'খ' ঐ জমিতে স্বত্বলাভ করে এবং বিধবার মৃত্যুর পর ২ বছরের ভেতর 'খ', 'ক'-এর দাবির বিরোধিতা করেছে। এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটির ফলাফল হতে পারে-
  1. বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাবে
  2. বিবাদী পক্ষে আদালত রায় দিবে
  3. মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
  4. মোকদ্দমাটি স্থগিত হবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ হবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

ধারা ২৭- পার্শ্ববর্তী এলাকার ভাবী উত্তরাধিকারির পক্ষে বা অনুকূলে সময় বর্জন অব্যাহতি
যেক্ষেত্রে কোন জমি কিংবা পানির সুখাধিকার কোন জীবন স্বত্ব কিংবা তিন বৎসরের বেশি সময়ের জন্য অনুমোদনকৃত স্বত্ববলে প্রাপ্ত হয়েছে, কিংবা ভোগ করা গিয়েছে, সেক্ষেত্রে ঐ স্বত্ব বাতিল হওয়ার পরবর্তী তিন বৎসরের ভেতর যদি স্বত্ব অর্জনের অধিকারি লোক অনুরূপ জমি কিংবা পানি ব্যাপারে উক্তরূপ দাবির বিরোধিতা করে, তবে বিশ বৎসর হিসাব করার সময় উপরোক্ত জীবনস্বত্ব কিংবা মঞ্জুরী বহাল থাকার সময় ব্যবহারস্বত্ব যত দিন ভোগ করা গিয়েছে, বিশ বৎসর থেকে সে সময় বাদ দিয়া হিসাব করতে হবে।

উদাহরণ-
ক একটি মামলা রুজু করে খ-এর জমির উপর তার পথ চলার অধিকার ঘোষণার আবেদন করে। ক প্রমাণ করে যে, সে পঁচিশ বৎসর পর্যন্ত এই অধিকার ভোগ করেছে। খ দেখায় যে, ঐ পঁচিশ বৎসরের ভেতর দশ বৎসর ঐ জমির উপর গ-নামের এক হিন্দু বিধবার জীবনস্বত্ব বর্তমান ছিল ও গ-এর মৃত্যুর পর খ ঐ জমিতে স্বত্বলাভ করে ও গ-এর মৃত্যুর পর দুই বৎসরের ভেতর খ ক-এর দাবির বিরোধিতা করেছে। এইক্ষেত্রে মামলাটি বাতিল হয়ে যাবে। কারণ এই ধারার বিধানাবলী সাপেক্ষে ক মাত্র ১৫ বৎসর স্বত্ব ভোগ করেছে বলে প্রমাণ করেছে।

Section 27- Exclusion in favour of reversioner of servient tenement

Where any land or water upon, over or from which any easement has been enjoyed or derived has been held under or by virtue of any interest for life or any term of years exceeding three years from the granting thereof, the time of the enjoyment of such easement during the continuance of such interest or term shall be excluded in the computation of the period of twenty years in case the claim is, within three years next after the determination of such interest or term, resisted by the person entitled, on such determination, to the said land or water. 
 
Illustration 
A sues for a declaration that he is entitled to a right of way over B's land. A proves that he has enjoyed the right for twenty-five years; but B shows that during ten of these years C, a Hindu widow, had a life interest in the land, that on C's death B became entitled to the land, and that within two years after C's death he contested A's claim to the right. The suit must be dismissed, as A, with reference to the provisions of this section, has only proved enjoyment for fifteen years.
৩,৭২৭.
রাজস্ব অফিসার B একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত করছেন। আদালত তাকে প্রশ্ন করে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন। ধারা ১২৫ অনুযায়ী তিনি কী করবেন?
  1. তথ্য প্রকাশ করবেন
  2. তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
  3. শুধু ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন
  4. অভিযুক্ত ব্যক্তি চাইলে তথ্য প্রকাশ করবেন
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রকাশে বাধ্য নন
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: অপরাধ সংঘটনের তথ্য সম্পর্কে জানানো-
কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি কোথা থেকে অপরাধ সংঘটনের তথ্য পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে। একইভাবে, কোনো রাজস্ব অফিসারকেও বাধ্য করা যাবে না যে, তিনি সরকারি রাজস্ব সংক্রান্ত অপরাধ সম্পর্কে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা জানাতে।

ব্যাখ্যা:
এই ধারায় "রাজস্ব অফিসার" বলতে বোঝানো হয়েছে – এমন কোনো অফিসার যিনি সরকারি রাজস্ব বিভাগের কোনো শাখার কাজে নিযুক্ত।
৩,৭২৮.
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
  3. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  4. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
অর্থাৎ এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৩,৭২৯.
আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ক্ষেত্রে নতুন করে অভিযোগ গঠণের আদেশ দিতে পারে?
  1. নালিশকারী আবেদন করলে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
  3. অভিযুক্তপক্ষ আবেদন করলে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৩,৭৩০.
দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হওয়ার পর পরোয়ানা ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব কার?
  1. বিচারকের
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৩,৭৩১.
“রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ” দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম-ক অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

 ⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১টি।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।

৩,৭৩২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২০ অনুসারে, যেখানে তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নেই, মামলাটি করার সাধারণ মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১২০ বলছে এই তফসিলে যেখানে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারিত হয়নি, অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি এমন সব দেওয়ানি মামলার জন্য
সাধারণ তামাদি সময়সীমা হলো ৬ বছর। এই সময় গণনা শুরু হয় যেদিন থেকে মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ কার্য বা অধিকারের লঙ্ঘন ঘটে সেই দিন থেকে।

- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১২০ "এই তফসিলে যেসব মামলার জন্য বিশেষ তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত নেই, সেগুলোর ক্ষেত্রে ৬ বছর মেয়াদ প্রযোজ্য হবে।"
- এই মেয়াদ মামলা করার অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
৩,৭৩৩.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় না?
  1. ফৌজদারি মামলার শুনানিতে
  2. দেওয়ানি মামলার শুনানিতে
  3. প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মামলায়
  4. সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারকের সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীতে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৩,৭৩৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ অনুযায়ী অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন কখন করা যাবে?
  1. মামলার শুরুতে
  2. মামলার শেষে
  3. জবাব দাখিলের পূর্বে
  4. যে কোন সময়
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন যে কোন সময় করা যাবে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দরখাস্ত করার মাধ্যমে চাইতে হয়।
• এটি নিয়ন্ত্রন হয় CPC আইনের আদেশ ৩৯ অনুসারে।
• অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালতের আদেশ হিসাবে গণ্য হবে।
৩,৭৩৫.
‘A’ এবং ‘B’ একটি মামলায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করে। দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে, ‘A’ এবং ‘B’ মামলার মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের বিষয়ে পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। যদি পক্ষগণ এই সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৩,৭৩৬.
'ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত বিধান'- তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ১৫০ অনুচ্ছেদ
  2. ১৫২ অনুচ্ছেদ
  3. ১৫৫ অনুচ্ছেদ
  4. ১৫৭ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৫৭ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act) এর অনুচ্ছেদ ১৫৭-এ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী,
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে,
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
৩,৭৩৭.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ছয় মাস কারাদণ্ড
  2. এক বৎসর কারাদণ্ড
  3. তিন বৎসর কারাদণ্ড
  4. দুই বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩,৭৩৮.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় কোনটি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Criminal Conspiracy
  2. Common Intention
  3. A & B
  4. none of them
সঠিক উত্তর:
A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।

----------------------
Things said or done by conspirator in reference to common design:
Section 10. Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
৩,৭৩৯.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন করতে হবে-
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, আসুস্থ বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন।
৩,৭৪০.
কোন ক্ষেত্রে ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিলে
  3. সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 
 
• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী-
সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
৩,৭৪১.
দেওয়ানি মোকদ্দমা শুনানির দিনে বাদী অনুপস্থিত কিন্তু বিবাদী হাজির হয়ে দাবীর কিছু অংশ স্বীকার করছে। আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. সম্পূর্ণ মামলার ডিক্রি দেবে
  2. সম্পূর্ণ মামলা খারিজ করবে
  3. নতুন তারিখে শুনানি করবে
  4. স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকৃত অংশ ডিক্রি, অবশিষ্ট খারিজ করবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where the defendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

৩,৭৪২.
ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, কত দিনের মধ্যে ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন। তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।

♦ অর্থাৎ সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে।

--------------------------------
Section 88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
৩,৭৪৩.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. আক্রমণ
  3. অপহরণ
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা "আক্রমণ" (Assault) সম্পর্কিত। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার ফলে উপস্থিত ব্যক্তি মনে করে যে তার ওপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে সেটি আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 351. Assault:
Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৩,৭৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারাটি কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অনিবন্ধিত চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত অনিবন্ধিত চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।

৩,৭৪৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোন বিধানটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত?
  1. Order XXXIX, Rule 1
  2. Order XXXIX, Rule 6
  3. Order XXXIX, Rule 8
  4. Order XXXIX, Rule 9
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX, Rule 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XXXIX, Rule 1
ব্যাখ্যা
♦The Code of Civil Procedure, 1908 এর  আদেশ ৩৯ বিধি-১ঃ যে সকল ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়: যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় শপথপত্র দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে প্রমাণিত হয় যে
ক) কোন মোকদ্দমায় বিরোধীয় কোন সম্পত্তি মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপচয়, ক্ষতিগ্রন্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিতে অন্যায়ভাবে বিক্রয় হওয়ার ঝুকির সম্মুখীন; অথবা
খ) বিবাদি তার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তর করার হুমকি বা ইচ্ছা প্রকাশ করতেছে, সেক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ কার্য রোধ করার জন্য আদেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, অথবা মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পুনরাদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি অপচয়, ক্ষতিগ্রস্থ করণ, হস্তান্তর, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ করতে স্থগিত ও বারণ করার উদ্দেশ্যে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারে।
৩,৭৪৬.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানকাল তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা (Section 13 of the Limitation Act) এ বলা হয়েছে “যদি কোন বিবাদী বাংলাদেশে অবস্থান না করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের অধীন প্রশাসনিক এলাকার বাইরেও থাকেন, তাহলে সেই অনুপস্থিত সময়কাল তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।”
অর্থাৎ, যদি বিবাদী বিদেশে থাকেন এবং তার বিরুদ্ধে মামলা করার সময় বাদী তাকে আইনি নোটিশ পাঠাতে না পারেন বা আদালতে হাজির করাতে না পারেন, তাহলে বিবাদীর অনুপস্থিত সময়টুকু বাদ দিয়ে পরবর্তী সময়ে তামাদি গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

⇒ The Limitation Act:- Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৩,৭৪৭.
Which court has inherent powers under Section 561A?
  1. Lower courts
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৩,৭৪৮.
কোন পরিস্থিতিতে প্রত্যর্পণের দরখাস্ত করা যায়?
  1. যখন আপিল দাখিল করা হয়
  2. যখন বাদী মামলা প্রত্যাহার করে
  3. যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
  4. যখন ডিক্রি অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন ডিক্রি রদ বা পরিবর্তন করা হয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

Section: 144- Application for restitution:
(1) Where and in so far as a decree is varied or reversed, the Court of first instance shall, on the application of any party entitled to any benefit by way of restitution or otherwise, cause such restitution to be made as will, so far as may be, place the parties in the position which they would have occupied but for such decree or such part thereof as has been varied or reversed; and, for this purpose, the Court may make any orders, including orders for the refund of costs and for the payment of interest, damages, compensation and mesne profits, which are properly consequential on such variation or reversal.

(2) No suit shall be instituted for the purpose of obtaining any restitution or other relief which could be obtained by application under sub-section (1).
৩,৭৪৯.
ধারা ৫২ অনুযায়ী, নিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কীভাবে মঞ্জুর করা হয়?
  1. শুধুমাত্র অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  2. স্থায়ী বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
  3. আদালতের বাধ্যতামূলক আদেশের মাধ্যমে
  4. অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
 
আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
৩,৭৫০.
A "_______________" is a law applicable to a particular subject.
  1. Local law
  2. Special law
  3. Subjective Law
  4. Domestic law
সঠিক উত্তর:
Special law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special law
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।

♦ Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

♦ দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।

♦ Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৩,৭৫১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে নিরোধক প্রতিকার আদালতের সুবিবেচনায় নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে মঞ্জুর করা হয়?
  1. ৫ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৭ ধারা
  4. ৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫২ ধারা অনুযায়ী নিরোধক প্রতিকার (Preventive Relief) আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে প্রদান করা হয়, এবং তা হয় অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary or perpetual injunction) এর মাধ্যমে।
- ধারা ৫২-এর মূল ভাষ্য: "Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual."
- অতএব, এই ধারাই নিরোধক প্রতিকারের প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুরের প্রক্রিয়া:- আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
⇒ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief):
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় "প্রতিরোধমূলক প্রতিকার" এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- এছাড়া ৫ ধারার (গ) উপধারা অনুযায়ী, যে প্রতিকার কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় – অর্থাৎ “না করার আদেশ” – সেটিকেই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) বলা হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোন ব্যক্তি যদি অন্যের জমিতে জবরদস্তি প্রবেশ করতে চায়, তখন আদালত তাকে তা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে — এটাই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
৩,৭৫২.
দেওয়ানি আদালতের সহজাত ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. আইনের বিধান অকার্যকর করতে
  2. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
  3. আদালতের কার্যধারা সীমিত করতে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

৩,৭৫৩.
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করতে চায়, তবে তার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. দশ বছরের কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কাউকে প্রাণনাশের ভয়, অথবা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে,
তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
সর্বনিম্ন শাস্তি: ৭ বছর কারাদণ্ড (সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে “shall not be less than seven years”),
এবং সাথে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
- যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
- Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
৩,৭৫৪.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ দায়ের করতে হবে রায়ের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৬০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ দায়েরের স্থান এবং সময়সীমা: 
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৭৩ অনুচ্ছেদের বিধান মতে ডিক্রি বা আদেশ জারির সময় হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে। 
- যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালতেই ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়।
- অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন যে আদালতেই রিভিউ আবেদন করা হোক না কেন, রিভিউ করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন।

উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে ঐ আদালতে রায়ের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ দায়ের করতে হবে।
৩,৭৫৫.
একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য কমপক্ষে কত জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয়?
  1. কমপক্ষে ১ জন
  2. কমপক্ষে ২ জন
  3. আদালত যতজন বলবেন তত জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ Number of witnesses:
Section 134. No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।

⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৩,৭৫৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৬
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৩,৭৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫(১) ধারার অধীনে কোন কর্তৃপক্ষ পোস্টাল বা টেলিগ্রাফ বিভাগকে কোনো ডকুমেন্ট বা পার্সেল সরবরাহ করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs. 
 
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.
৩,৭৫৮.
আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার কখন তদন্ত করতে পারেন?
  1. স্বপ্রণোদিত হয়ে
  2. ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
  4. অভিযোগকারীর আবেদন অনুসারে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
৩,৭৫৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৯২ এর অধীন, অনুপস্থিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারির উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. জামিন বাতিল
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আদালতে উপস্থিত করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
৩,৭৬০.
যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা ____বলেই ধরে নেয়া হবে।
  1. অস্বীকার করেছেন
  2. স্বীকার করেছেন
  3. ক বা খ
  4. বাতিল
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকার করেছেন
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
৩,৭৬১.
The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ Leading Questions করবে?
  1. সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ
  2. বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোন পক্ষই নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী/বিরোধী পক্ষ
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৪৩ ধারার বিধান মতে জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়। যেহেতু জেরা করে বিরোধী পক্ষ সেহেতু বিবাদী বা বিরোধী পক্ষই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করবে।
৩,৭৬২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXII
  2. XXI
  3. XXIX
  4. XXX
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII (২২)অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)- গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির XXII (২২)অধ্যায়ে বা ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ ধারা অনুযায়ী
i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পৌরসভা আইনও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ (offences against Municipal Acts, and the conservancy clauses of Police Acts) অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
৩,৭৬৩.
আবির তার সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যেখানে তাদের মধ্যে লাভ ও ক্ষতির হিসাব অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি আরজিতে কী উল্লেখ করবেন?
  1. নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার দাবি করবেন
  2. মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
  3. কেবল মামলার উদ্দেশ্য উল্লেখ করবেন
  4. কেবল বিবাদীর আর্থিক অবস্থা উল্লেখ করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার আনুমানিক পরিমাণ উল্লেখ করবেন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৭ বিধি-২ টাকার মামলা:
যেক্ষেত্রে বাদী টাকা আদায় করতে চান, সেক্ষেত্রে আরজিতে দাবীর যথাযথ পরিমাণ বর্ণনা করবেন কিন্তু যে ক্ষেত্রে বাদী অন্তবর্তীকালীন মুনাফার জন্য বা বিবাদীর এবং তার মধ্যে অমীমাংসিত হিসাব বাবদ সম্ভাব্য পাওনা টাকার জন্য মামলা করেন, সেক্ষেত্রে যে জন্য মামলা করা হবে, তার আনুমানিক পরিমাণ বর্ণনা করবেন।

Order 7 Rule 2: In money suits-
Where the plaintiff seeks the recovery of money, the plaint shall state the precise amount claimed: But where the plaintiff sues for mesne profits, or for an amount which will be found due to him on taking unsettled accounts between him and the defendant, the plaint shall state approximately the amount sued for.
৩,৭৬৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর আঘাত কত প্রকার?
  1. ৬ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৮ প্রকার
  4. ৯ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৩,৭৬৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. যা সম্পাদন করতে ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  2. যা সম্পাদন করতে ৬ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  3. যা সম্পাদন করতে ১ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
  4. যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সম্পাদন করতে ৩ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:– 
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
৩,৭৬৬.
'ক' একজন আসামিকে আশ্রয় দিয়েছেন, যিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা: অপরাধীকে আশ্রয় দানের বিধান:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও বা দোষী বলে বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেন, তবে নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে—

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে:
যদি অপরাধটি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৩,৭৬৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিচের কোনটি বৈধ অপারগতা (Legal Disability)?
  1. অলসতা
  2. দারিদ্র্যতা
  3. নাবালকতা
  4. অসাবধানতা
সঠিক উত্তর:
নাবালকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালকতা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) নাবালকতা। 
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে "বৈধ অপারগতা" (Legal Disability) হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বৈধ অপারগতা থাকলে নির্ধারিত তামাদি সময়সীমা (limitation period) স্থগিত বা সম্প্রসারিত হতে পারে।
- যে অপারগতাগুলো বৈধ বলে বিবেচিত:
১) নাবালকতা (Minority)
২) উন্মাদতা (Insanity)
৩) জড়বুদ্ধিতা বা মানসিক অক্ষমতা (Idiocy or mental infirmity)
এই অবস্থা থাকলে ব্যক্তি যদি সময়মতো মামলা না করতেও পারেন, আইন তাকে সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও অতিরিক্ত সময় দেয়।

⇒ নাবালকতা একটি বৈধ অপারগতা, কারণ এটি একটি আইনগতভাবে স্বীকৃত শারীরিক বা মানসিক অবস্থা যা ব্যক্তিকে সময়মতো মামলা করতে বাধা দিতে পারে।
তবে অলসতা, দারিদ্র্যতা বা অসাবধানতা – এগুলো আইনগতভাবে অপারগতা হিসেবে স্বীকৃত নয়, এবং এগুলোর কারণে তামাদির সময় গণনায় অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায় না।
৩,৭৬৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার মামলা করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ১২ অনুযায়ী, ৪টি ক্ষেত্রে আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার মাধ্যমে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবি করা যায়। এই চারটি হল:
১. চুক্তিভুক্ত কাজটি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হলে।
২. চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কোনও মানদণ্ড না থাকলে।
৩. আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হলে।
৪. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
- এই চারটি শর্ত বিদ্যমান থাকলে চুক্তির বলবৎকরণ (specific performance) আদালতের মাধ্যমে আদায়যোগ্য হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
৩,৭৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট নিচের কোনটি তদন্ত কর্মকর্তার অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করতে পারেন?
  1. ইচ্ছাকৃত প্রমাণ সংগ্রহে ব্যর্থতা
  2. যাকে আসামি করা উচিত তাকে সাক্ষী করা
  3. যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বাদ দেওয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা-
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।

৩,৭৭০.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক প্রক্রিয়ার বা হাইকোর্ট বিভাগে কার্যপ্রণালীর নোটিশ কে পরিবেশন করতে পারে?
  1. মামলায় নিযুক্ত উকিল
  2. উকিলদের দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি
  3. হাইকোর্টের নির্দেশিত ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবাই পারে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবাই পারে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-৪৯, বিধি-১ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার, বিবাহ সংক্রান্ত, উইল সংক্রান্ত এবং উইল ছাড়া উত্তরাধিকার সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, যেমন নথি উপস্থাপনের নোটিশ, সাক্ষীদের সমন এবং অন্যান্য বিচারিক প্রক্রিয়া পরিবেশন করা যেতে পারে:
১) মামলায় নিযুক্ত উকিল (অ্যাডভোকেট)
২) উকিলদের দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তি
৩) হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশিত অন্য ব্যক্তি
এতএব, উল্লিখিত সবারই (অর্থাৎ উকিল, উকিলের নিযুক্ত ব্যক্তি, এবং হাইকোর্টের নির্দেশিত ব্যক্তি) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক প্রক্রিয়া পরিবেশন করার অধিকার আছে।

HIGH COURT DIVISION
- ORDER XLIX, Rule-1: Who may serve processes of the High Court Division:
Notices to produce documents, summonses to witnesses, and all other judicial processes issued by the High Court Division while exercising its original civil jurisdiction (including matrimonial, testamentary, and intestate jurisdictions)—except for summonses to defendants, writs of execution, and notices to respondents—may be served by: The advocates involved in the suits, Persons employed by those advocates, or Any other persons as directed by the High Court Division through its rules or orders.
৩,৭৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে, চার্জে কোন ধরনের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে?
  1. অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ
  2. সময়, স্থান এবং আসামির নাম
  3. সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
  4. অভিযোগকারী এবং সাক্ষীদের নাম
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-
(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।
(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 222.Particulars as to time, place and person:
(1) The charge shall contain such particulars as to the time and place of the alleged offence, and the person (if any) against whom, or the thing (if any) in respect of which, it was committed, as are reasonably sufficient to give the accused notice of the matter with which he is charged. 
(2) When the accused is charged with criminal breach of trust or dishonest misappropriation of money, it shall be sufficient to specify the gross sum in respect of which the offence is alleged to have been committed and the dates between which the offence is alleged to have been committed, without specifying particular items or exact dates, and the charge so framed shall be deemed to be a charge of one offence within the meaning of section 234:

৩,৭৭২.
তামাদি আইন অনুসারে ক্ষতিপূরণের মামলার ক্ষেত্রে কখন থেকে মামলার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়?
  1. ক্ষতিকর কাজটি যখন করা হয়
  2. যখন ক্ষতি সাধিত হয়
  3. যখন মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়
  4. খ অথবা গ
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ অথবা গ
ব্যাখ্যা

ধারা-২৪: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যেই কাজের জন্য মামলা করা যায় না, তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা: যেই কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোনো মামলার কারণ উদ্ভুত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
-------------
Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage: In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results there from, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

৩,৭৭৩.
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করার তামাদি গণনা করা হবে:
  1. অধিকার সৃষ্টির তারিখ থেকে
  2. প্রতিনিধি নিযুক্ত হওয়ার তারিখ থেকে
  3. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  4. প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধি মামলা করার যোগ্যতা অর্জন করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৩,৭৭৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৫, বিধি ৪ এর অধীনে কোন পরিস্থিতিতে আদালত মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. যদি বাদী অনুপস্থিত থাকে
  2. যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
  3. যদি বাদী এবং বিবাদী উভয়ে অনুপস্থিত থাকে
  4. যদি বিবাদী সময়মতো উত্তর না দেয়
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৫ বিধি-৪: সাক্ষ্য দানে ব্যর্থতা:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন, বা এবং আদালত সঙ্গত মনে করলে উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

Order 15 Rule 4: Failure to produce evidence:
Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment, or may, if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.
৩,৭৭৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে আদালত কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারেন?
  1. আপিলের আগে যেকোনো পর্যায়
  2. প্রাথমিক শুনানির আগে যেকোনো পর্যায়
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. শুধুমাত্র সাক্ষ্যগ্রহণের পর্যায়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings) আদেশ ৬, বিধি-১৭ এবং বিধি-১৮:
- প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) বা লিখিত জবাব (Written Statement) বোঝায়।
- তাই, প্লিডিংস সংশোধন বলতে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনকেই বোঝায়।
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে, মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ এবং ন্যায়বিচারের প্রয়োজনে প্লিডিংস সংশোধন করা যায়। আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়ে, এমনকি আপিলের সময়েও, প্লিডিংস সংশোধনের অনুমতি দিতে পারেন।

→ প্লিডিংস সংশোধনের সময়সীমা: আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে আদালত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। যদি আদালত কোনো নির্দিষ্ট সময় না দেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত যদি সময় বর্ধিত না করেন, তবে আর প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৭: আরজি জবাব সংশোধন: মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-6 Rule-17:Amendment of pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings allow either party to alter or amend his pleadings in such manner and on such terms as may be just, and all such amendments shall
be made as may be necessary for the purpose of determining the real questions in controversy between the parties:
Provided that no application for amendment shall be allowed after the trial has commenced unless the Court is of the opinion that in spite of due diligence, the party could not have raised the matter before the commencement of trial:
Provided further that if an application for amendment is made after the trial has commenced and the Court is of the opinion that the application is made to delay the proceedings, the Court shall make an order for the payment to the objector such cost by way of compensation as it thinks fit.
৩,৭৭৬.
‘A’, ‘C’ কে হত্যা করতে ‘B’ কে প্ররোচিত করে। কিন্তু ‘B’  ‘C’ কে হত্যা করতে রাজি হয় না। ‘A’ কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

-------------------
♦ Abettor:
-Section 108. A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1.-The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2.-To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
৩,৭৭৭.
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to ___________.
  1. the Islamic calendar
  2. the Bangla calendar
  3. the Jewish calendar
  4. the Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
the Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
-The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
৩,৭৭৮.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬১(২)
  3. বিধি-৬০গ
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2): The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৩,৭৭৯.
সাধারণত কে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করেন?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর প্রকৃত মালিক
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর দাবীদার ব্যক্তিসমূহ
  4. যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
৩,৭৮০.
ফৌজদারি মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি
  2. অভিযোগকারীকে শাস্তি
  3. অভিযুক্তকে খালাস
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

- অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248.Withdrawal of complaint:
-If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৩,৭৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. হাসপাতালের রিপোর্ট
  2. ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
  3. চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট
  4. সাধারণ মেডিকেল রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বিষয়ে বিধান রাখে। এই ধারা বলে যে, যখন কোনো ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রমে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু ময়নাতদন্তকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার মারা গেছে, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, অথবা দেশের বাইরে থাকায় তাকে হাজির করা সম্ভব নয় এবং এর জন্য অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে স্বতন্ত্র সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, এই ধারা মূলত ময়নাতদন্ত রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণের শর্তাবলী নির্ধারণ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৩,৭৮২.
Tender of pardon to accomplice অর্থ কী?
  1. রাজসাক্ষীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  2. অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করে দেওয়া
  3. সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
  4. লঘু অপরাধকারী আসামীকে ক্ষমা করে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহযোগী অপরাধীকে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
♦ tendering pardon to accomplice –বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারায় বিধান দেওয়া হয়েছে।

♦ কোনো অপরাধের সহ-অপরাধীকে অপরাধ সংক্রান্তে তাঁর জ্ঞানে থাকা সকল বিষয়ে সাক্ষ্য দিলে তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে – এই প্রক্রিয়াকে tendering pardon to accomplice বলা হয়।
৩,৭৮৩.
X, ইচ্ছাকৃতভাবে Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code,1860 এর ৩২৫ ধারায় X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৩,৭৮৪.
A হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। সে দাবি করে, গুরুতর এবং মারাত্মক উস্কানির কারণে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে, সে খুন করে ফেলে। এটা প্রমানের দায়িত্ব কার?
  1. A এর উপর
  2. রাষ্ট্রের
  3. A এর পরিচিত ব্যক্তির
  4. আসামী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে। তাই A কে প্রমাণ করতে হবে যে, সে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল।
৩,৭৮৫.
'A' contracts to let, and 'B' contracts to take, a house for specified term at a specified rent. 'B' refuses to perform the contract. 'A' thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. According to Section 24, in this scenario-
  1. 'A' can obtain specific performance of the contract.
  2. 'B' must pay a penalty but can still take the house.
  3. 'A' cannot obtain specific performance of the contract.
  4. 'A' can only sue for damages after taking possession of the house.
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' cannot obtain specific performance of the contract.
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
A contracts to let, and B contracts to take, a house for specified term at a specified rent. B refuses to perform the contract. A thereupon sues for, and obtains, compensation for the breach. A cannot obtain specific performance of the contact.

‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। খ চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। ক ইহার পর খ-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। ক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
৩,৭৮৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩০ অনুযায়ী 'Mutatis mutandis' শব্দটির অর্থ কী?
  1. সম্পূর্ণ পরিবর্তন
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়া
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. শুধুমাত্র আইনি পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা
উত্তর: প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ।

→ 'Mutatis Mutandis' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার মানে হলো "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ"। এটি তখন ব্যবহার করা হয়, যখন কোনো আইন বা বিধি অন্য একটি পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হয়, তবে কিছু পরিবর্তন বা সমন্বয় করার প্রয়োজন হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩০ ধারার বিধান:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 30: Application of preceding sections to awards and testamentary directions to execute settlements:
-The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.
৩,৭৮৭.
তামাদি আইনের ধারা ১১ এর আওতায় আসে কোন ধরনের চুক্তি?
  1. বৈদেশিক চুক্তি
  2. নাবালকের চুক্তি
  3. বাতিলযোগ্য চুক্তি
  4. ক্ষতিপূরণমূলক চুক্তি
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১-এর শিরোনামই হলো "বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলা" (Suits on foreign contracts)। এই ধারা বিশেষভাবে সেই সকল চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় যেগুলো বিদেশে সম্পাদিত হয়েছে কিন্তু সেগুলোর ভিত্তিতে মামলা বাংলাদেশে দায়ের করা হয়েছে।

ধারা ১১-এর মূল বিধানসমূহ:
১. উপ-ধারা (১): বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে দায়েরকৃত সকল মামলা এই তামাদি আইনে বর্ণিত সীমাবদ্ধতার নিয়মের অধীন হবে।
২. উপ-ধারা (২): সাধারণ নিয়ম হলো, বাংলাদেশে দায়েরকৃত এমন মামলায় কোনো বিদেশী তামাদি বিধি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গৃহীত হবে না।
ব্যতিক্রম: কেবলমাত্র তখনই বিদেশী বিধি গ্রহণযোগ্য হবে যদি প্রমাণিত হয় যে: সেই বিদেশী বিধি চুক্তিটিকেই বিলুপ্ত (extinguished) করেছে, এবং চুক্তির উভয় পক্ষই সেই বিদেশী বিধিতে নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত ঐ দেশের স্থায়ী বাসিন্দা (domiciled) ছিল।

অতএব, ধারা ১১ স্পষ্টভাবে বৈদেশিক চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট। অন্যান্য বিকল্প যেমন নাবালকের চুক্তি, বাতিলযোগ্য চুক্তি বা ক্ষতিপূরণমূলক চুক্তির জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
----------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৩,৭৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুযায়ী রিভিশন আদালতকে কোন সময়সীমার মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুসারে, রিভিশন আদালতকে পক্ষগণের নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা গণনায় শুধুমাত্র কার্যদিবস (কাজের দিন) গণনা করা হয়, অর্থাৎ সরকারি ছুটি বা সাপ্তাহিক বন্ধ বাদ দেওয়া হয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৩,৭৮৯.
দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুসারে, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বা প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে বাধা দেয় বা প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার শাস্তি হবে ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

- তবে, যদি সমন, নোটিশ বা আদেশটি আদালতে হাজিরা বা দলিল পেশের জন্য হয়, এবং কেউ এতে বাধা দেয়, তবে তার শাস্তি হবে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিশ জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথবা ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order,
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed,
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made,
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৩,৭৯০.
A কর্তৃক নির্মীত বাড়ীর ছাদের প্রান্ত B এর জমির উপর বিস্তৃত হয়েছে। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act,1877 এর অধীন B এর প্রতিকার কী?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. রিসিভার নিয়োগ
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory injunction)
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার Illustration (b) অনুযায়ী, যদি A একটি বাড়ী নির্মাণ করে যার ছাদের প্রান্ত (eaves) B এর জমির উপর ঝুলে পড়ে, তাহলে B আদালতে Mandatory Injunction চাইতে পারেন।
→ এই বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) মাধ্যমে A-কে আদেশ করা হবে, যাতে সে তার ছাদ থেকে যতটুকু অংশ B এর জমির উপর ঝুলে পড়েছে, তা অপসারণ করে।
→ এখানে আদালত ইতিমধ্যে সংঘটিত একটি অবৈধ কাজ (projecting eaves) মুছে দিয়ে B-এর অধিকার পুনরুদ্ধারের আদেশ দেন। তাই, এটি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) নয়, বরং Mandatory Injunction — যেখানে ইতিপূর্বে করা কাজ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55.  Mandatory injunctions
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
Illustrations 
(a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the 10[Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. 
(b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. 
(c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. 
(d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. 
(e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. 
(f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. 
(g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.
৩,৭৯১.
কত দিনের মধ্যে দখল পুনরূদ্ধারের মামলা দায়ের করা না হলে, উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. ৩ বছরের মধ্যে
  2. ৬ বছরের মধ্যে
  3. ১২ বছরের মধ্যে
  4. ২০ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২৮ ধারায় সম্পত্তিতে স্বত্বের বিলুপ্তির (Extinguishment of right to property) বিধান আছে।  ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ২৬ থেকে ২৮ ধারায় দখলবলে মালিকানা স্বত্ব অর্জন সম্পর্কে বলা হয়েছে। যখন কোন ব্যক্তি তার স্বত্ব দখলীয় কোন স্থাবর সম্পত্তি থেকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আইন বহির্ভূতভাবে উচ্ছেদ হন, তখন তাকে বেদখল বা Dispossession বলে। তামাদি আইনের ১৪২ নং অনুচ্ছেদমতে, বেদখল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে দখল ফিরে পাওয়ার মামলা না করলে তামাদি আইনের ২৮ ধারা মোতাবেক উক্ত সম্পত্তিতে মালিকের স্বত্ব বা মালিকানা বিলুপ্ত হবে।

• তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী সম্পত্তির দখল পুনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে তামাদি আইনে যে মেয়াদ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সে সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোন অবৈধ প্রবেশকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে মূল মালিকের বিনা বাধায় এবং জ্ঞাতসারে দখলে থাকলে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হবে এবং কেবল জবর দখলের ভিত্তিতে উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলকারীর স্বত্বের সৃষ্টি হবে।

এভাবে কোন অবৈধ দখলকারী কোন সম্পত্তিতে ১২ বছরের বেশী সময় ধরে দখল থাকার কারণে উক্ত সম্পত্তিতে মূল মালিকের স্বত্বের বিলুপ্তি হয়ে জবর দখলকারীর স্বত্ব বা মালিকানা সৃষ্টি হওয়াকে জবর দখল বা বিরূদ্ধ দখল (Adverse possession) বলে।
৩,৭৯২.
The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তিটি-
  1. আদালত কর্তৃক বাতিল হবে
  2. নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
  3. কার্যকর হবে যদি ক্রেতা তা গ্রহণ করতে সম্মত হয়
  4. প্রথম হস্তান্তর বাতিলের শর্তে বাস্তবায়নযোগ্য
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:  (খ) নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।
- The Specific Relief Act, 1877-এর ধারা ২৫ অনুযায়ী, একজন বিক্রেতা যদি চুক্তি করার আগে সম্পত্তি অন্যদের স্বত্বাধীনে হস্তান্তর করে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তীতে সেই সম্পত্তির বিক্রয়ের চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা (specific performance) দাবি করতে পারবেন না।
- ধারা ২৫(গ): যদি বিক্রেতা চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে বিনা মূল্যবান প্রতিফল (without valuable consideration) চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর তার অধিকার স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে সেই সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি তিনি নির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।
- উদাহরণ (Illustration D) অনুযায়ী:
A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
এটি স্পষ্টভাবে দেখায় যে, যদি একজন ব্যক্তি চুক্তির আগে সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে সেই সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যকারিতা দাবি করা যাবে না।
-------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 25. Contracts to sell property by one who has no title, or who is a voluntary settler:
A contracts for the sale or letting of property, whether moveable or immoveable, cannot be specifically enforced in favour of a vendor or lessor- 
(a) who, knowing himself not to have any title to the property, has contracted to sell or let the same; 
(b) who, though he entered into the contract believing that he had a good title to the property, cannot, at the time fixed by the parties or by the Court for the completion of the sale or letting, give the purchaser or lessee a title free from reasonable doubt; 
(c) who, previous to entering into the contract, has made a settlement (though not founded on any valuable consideration) of the subject matter of the contract. 

Illustrations:
(a) A, without C's authority, contracts to sell to B an estate which A knows to belong to C. A cannot enforce specific performance of this contract, even though C is willing to confirm it. 
(b) A bequeaths his land to trustees, declaring that they may sell it with the consent in writing of B. B gives a general prospective assent in writing to any sale which the trustees may make. The trustees then enter into a contract with C to sell him the land. C refuses to carry out the contract. The trustees cannot specifically enforce this contract, as, in the absence of B's consent to the particular sale to C, the title which they can give C is, as the law stands not free from reasonable doubt. 
(c) A, being in possession of certain land, contracts to sell it to Z. On inquiry it turns out that A claims the land as heir of B, who left the country several years before, and is generally believed to be dead, but of whose death there is no sufficient proof. A cannot compel Z specifically to perform the contract. 

(d) A, out of natural love and affection, makes a settlement of certain property on his brothers and their issue, and afterwards enters into a contract to sell property to a stranger. A cannot enforce specific performance of this contract so as to override the settlement, and thus prejudice the interest of the persons claiming under it.
৩,৭৯৩.
Under Order 41 Rule 17(1), an appeal may be dismissed when-
  1. The respondent does not appear
  2. The appellant does not appear
  3. Both parties are absent
  4. The court decides not to hear the appeal
সঠিক উত্তর:
The appellant does not appear
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The appellant does not appear
ব্যাখ্যা

Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.

2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.

আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।

২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।

৩,৭৯৪.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার অনধিক কত বছরে হ্রাস করতে পারে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৩,৭৯৫.
পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) কার ইচ্ছায় করা যায়?
  1. সাক্ষীর
  2. প্রতিপক্ষ
  3. আদালতের আদেশে
  4. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।

⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

৩,৭৯৬.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  2. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।

অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:

তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৩,৭৯৭.
আদেশ ৩৯ বিধি ১ এর অধীন আদালতের দেওয়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকে?
  1. ৬ মাস
  2. মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত
  3. আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি ১: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা যে ক্ষেত্রে প্রদান করা যেতে পারে:
কোনো মামলায় এফিডেভিট বা অন্য কোনো উপায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে-
(ক) মামলার যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তা মামলার কোনো পক্ষের দ্বারা অপচয় হওয়ার, নষ্ট হওয়ার, হস্তান্তর (alienated) হওয়ার, অথবা কোনো ডিক্রির জোরে বেআইনিভাবে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, অথবা

(খ) বিবাদী (defendant) তার সম্পত্তি সরিয়ে ফেলতে চায়, কিংবা হস্তান্তর বা বিক্রি করতে চায় এমন উদ্দেশ্যে যাতে তার ঋণদাতাদের (creditors) ঠকানো যায়, তাহলে আদালত আদেশের মাধ্যমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary injunction) দিতে পারে, যাতে উল্লিখিত কাজগুলো করা না যায়।

এ ছাড়া আদালত চাইলে এমন অন্য কোনো আদেশও দিতে পারে যা- সম্পত্তির অপচয়, ক্ষতি, হস্তান্তর, বিক্রি, সরিয়ে ফেলা, বা বেপরোয়া ব্যবহার রোধ করতে সহায়তা করে, এবং এই আদেশ কার্যকর থাকবে- মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আদালতের আগাম কোনো পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

৩,৭৯৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  3. আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রি
  4. জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫২৩ ধারা জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাই মালের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করলে তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এই সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.

৩,৭৯৯.
কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্তকে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন গ্রেফতার বা হাজির করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  2. দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
  3. দায়রা আদালত থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫৪৯ অনুসারে, কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের একটি বিবরণসহ অভিযুক্তকে কোর্ট মার্শালে বিচারের উদ্দেশ্যে বাহিনী, কোর, জাহাজ বা উপদলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট অথবা নিকটতম স্থল, নৌ বা বিমান বাহিনী কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন।

কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও হাজির করার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করবেন।

Section 549- Delivery to military authorities of persons liable to the tried by Court-martial
(1) The Government may make rules consistent with this Code and the Army Act, 1952 (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), and the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961), and any similar law for the time being in force as to the cases in which persons subject to military, naval or air force law, shall be tried by a Court to which the Code applies, or by Court martial, and when any person is brought before a Magistrate and charged with an offence for which he is liable to be tried either by a Court to which this Code applies or by a Court-martial such Magistrate shall have regard to such rules, and shall in proper cases deliver him, together with a statement of the offence of which he is accused, to the commanding officer of the regiment, corps, ship or detachment, to which he belongs, or to the commanding officer of the nearest military, naval or air-force station, as the case may be, for the purpose of being tried by Court-martial.

Apprehension of such persons-
(2) Every Magistrate shall, on receiving a written application for that purpose by the commanding officer of any body of soldiers, sailors or airman stationed or employed at any such place, use his utmost endeavours to apprehend and secure any person accused of such offence.
৩,৮০০.
যেক্ষেত্রে শুনানির দিন শুধুমাত্র বিবাদী হাজির হয় এবং বাদীর দাবী অস্বীকার করে, সেক্ষেত্রে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. এক তরফা নিষ্পত্তি
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. পরবর্তী দিন হাজির হওয়ার
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করার
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ-৯, বিধি-৮:
শুনানির দিন বিবাদী উপস্থিত, কিন্তু বাদী অনুপস্থিত- যদি শুনানির দিন বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার কোন অংশ স্বীকার না করলে, আদালত মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন। বিবাদী যদি বাদীর দাবি বা উহার অংশ স্বীকার করে নেয়, তবে আদালতে সে অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দিবেন এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবি সম্পর্কে মামলা খারিজের (dismissal) আদেশ দিবেন।

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকারঃ বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

• ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে,বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।