উত্তর
ব্যাখ্যা
• এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
• এ ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর (তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ) ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৮ / ১২৬ · ৩,৭০১–৩,৮০০ / ১২,৬০৫
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ১৫(১) অনুসারে বার কাউন্সিল, প্রয়োজনে, দুস্থ এডভোকেট বা তাহার পরিবার ও নির্ভরশীলকে অথবা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বা প্রাকৃতিক দূযোর্গ বা অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো বার এসোসিয়েশনকে সহায়তা প্রদান করিবার উদ্দেশ্যে ত্রাণ তহবিল গঠন করিতে পারিবে।
(২) দফা (১) এর অধীন ত্রাণ তহবিল নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ সমন্বয়ে গঠিত হইবে-
বার কাউন্সিলের অন্য যে কোনো তহবিল হইতে স্থানান্তরিত অর্থ; (ক)
(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(গ) এডভোকেটগণ হইতে প্রাপ্ত চাঁদা; এবং
(ঘ) জনগণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস হইতে প্রাপ্ত দান।
----------------
15. (1) A Bar Council may, whenever necessary, constitute a relief fund for the help of any distressed advocate or his family and dependents or for assistance to bar associations affected by war damage or natural calamities or other extraordinary causes.
(2) The relief fund constituted under clause (1) may consist of-
(a) amounts transferred from any other fund of the Bar Council;
(b) grants made by the Government;
(c) contributions received from the advocates; and
(d) donations received from the public, local authorities or other sources.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক(৪) ধারা অনুযায়ী, যখন আদালত মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার জন্য পাঠায় বা উল্লেখ (refer) করে, তখন পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে হবে যে তারা কাকে মধ্যস্থতাকারী (mediator) হিসেবে নিয়োগ করেছেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।
- যদি পক্ষগণ এই ১০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। এরপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত নিজ উদ্যোগে বা পক্ষগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে সময় আরও ৩০ দিন পর্যন্ত বাড়ায়।
[⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court], as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.]
ধারা ৪৩৯ক – দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মামলার রেকর্ড দায়রা জজ নিজে তলব করলে, বা অন্য কোনোভাবে তাঁর জ্ঞাত হলে, তিনি ধারা ৪৩৯-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ যে ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, সেই সমস্ত বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
অর্থাৎ, রিভিশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে দায়রা জজ হাইকোর্ট বিভাগের মতোই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ দায়রা জজের নিকট রিভিশনের জন্য আবেদন করে, তাহলে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত (final) বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত রিভিশন আবেদনে দায়রা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর রিভিশন করা যাবে না।
(৩) কোনো মামলাকে দায়রা জজ যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তর করলে, সেই অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge) এই অধ্যায়ের অধীনে দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২০ ধারা অনুসারে, চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ থাকলেও, চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার উপযুক্ত হলে তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক হয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.
Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৫টি পৃথক পদ্ধতিতে প্রদান করা যায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
⇒ সাক্ষ্য আইনে বৈরী সাক্ষীর কোন সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। তবে সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বিধান মতে স্বীয় সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষের মত জেরা করার বিধান আছে। আদালতের প্রচলিত ভাষায় স্বীয় সাক্ষীকে জেরা করার পূর্বে শত্রু বা বৈরী সাক্ষী বলা হয়। বৈরী সাক্ষীকে জেরা করতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। সাক্ষীকে জেরা করতে দেওয়ার অধিকার আদলতের বিবেচনার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী- আদালত, তার বিবেচনায়, অনুমতি দিলে যে কোনো পক্ষ তার নিজ ডাকা সাক্ষীকে প্রতিকূল (hostile) হিসেবে ঘোষণা করে জেরা (cross-examine) করতে পারে।
-------------------------------
The Evidence Act 1872, Section154, Question by party to his own witness: The Court may, in its discretion, permit the person who calls a witness to put any questions to him which might be put in cross-examination by the adverse party.
পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী বিজ্ঞাপন করতে পারবেন না।
"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ১ এর বিধি ২ এ উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।
-----------------------------------
Rule 2: An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.
Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property:
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১টি।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের বিষয়ে পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। যদি পক্ষগণ এই সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation:
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where the defendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা-
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-
(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।
(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 222.Particulars as to time, place and person:
(1) The charge shall contain such particulars as to the time and place of the alleged offence, and the person (if any) against whom, or the thing (if any) in respect of which, it was committed, as are reasonably sufficient to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(2) When the accused is charged with criminal breach of trust or dishonest misappropriation of money, it shall be sufficient to specify the gross sum in respect of which the offence is alleged to have been committed and the dates between which the offence is alleged to have been committed, without specifying particular items or exact dates, and the charge so framed shall be deemed to be a charge of one offence within the meaning of section 234:
ধারা-২৪: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যেই কাজের জন্য মামলা করা যায় না, তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা: যেই কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোনো মামলার কারণ উদ্ভুত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
-------------
Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage: In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results there from, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১-এর শিরোনামই হলো "বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলা" (Suits on foreign contracts)। এই ধারা বিশেষভাবে সেই সকল চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় যেগুলো বিদেশে সম্পাদিত হয়েছে কিন্তু সেগুলোর ভিত্তিতে মামলা বাংলাদেশে দায়ের করা হয়েছে।
ধারা ১১-এর মূল বিধানসমূহ:
১. উপ-ধারা (১): বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশে দায়েরকৃত সকল মামলা এই তামাদি আইনে বর্ণিত সীমাবদ্ধতার নিয়মের অধীন হবে।
২. উপ-ধারা (২): সাধারণ নিয়ম হলো, বাংলাদেশে দায়েরকৃত এমন মামলায় কোনো বিদেশী তামাদি বিধি প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গৃহীত হবে না।
ব্যতিক্রম: কেবলমাত্র তখনই বিদেশী বিধি গ্রহণযোগ্য হবে যদি প্রমাণিত হয় যে: সেই বিদেশী বিধি চুক্তিটিকেই বিলুপ্ত (extinguished) করেছে, এবং চুক্তির উভয় পক্ষই সেই বিদেশী বিধিতে নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত ঐ দেশের স্থায়ী বাসিন্দা (domiciled) ছিল।
অতএব, ধারা ১১ স্পষ্টভাবে বৈদেশিক চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট। অন্যান্য বিকল্প যেমন নাবালকের চুক্তি, বাতিলযোগ্য চুক্তি বা ক্ষতিপূরণমূলক চুক্তির জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
----------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
Order 41 Rule 17: Dismissal of appeal for appellant's Default-
1) Where on the day fixed, or on any other day to which the hearing may be adjourned, the appellant does not appear when the appeal is called on for hearing, the Court may an order that the appeal be dismissed.
2) Hearing appeal ex parte: Where the appellant appears and the respondent does not appear, the appeal shall be heard ex parte.
আদেশ ৪১ বিধি-১৭: আপিলকারীর বরখেলাপের জন্য আপিল খারিজ করা:
১) যেক্ষেত্রে নির্ধারিত দিনে অথবা অন্য যে দিনের জন্য শুনানি মূলতবী হতে পারে ঐ দিনে আপিল শুনানির জন্য ডাক পড়লে আপিলকারী অনুপস্থিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত আপিল খারিজের আদেশ দিতে পারবে।
২) একতরফাভাবে আপিল শুনানিঃ যেক্ষেত্রে আপিলকারী হাজির হয়, কিন্তু রেসপন্ডেন্ট উপস্থিত হয় না, সেক্ষেত্রে একতরফাভাবে আপিলের শুনানি হবে।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২এর ধারা ১৩৮ : সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম:
- সাক্ষীদের প্রথমে মূল জবানবন্দি (Examination-in-chief) গ্রহণ করা হবে,
- তারপর (যদি প্রতিপক্ষ পক্ষ ইচ্ছা করে) জেরা (Cross-examination) করা হবে,
- এরপর (যদি সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ ইচ্ছা করে) পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) করা হবে।
⇒ জবানবন্দি ও জেরা উভয়ই প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে।
তবে জেরা (Cross-examination) কেবলমাত্র মূল জবানবন্দিতে (Examination-in-chief) প্রদত্ত তথ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।
আদেশ ৩৯ বিধি ১: অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা যে ক্ষেত্রে প্রদান করা যেতে পারে:
কোনো মামলায় এফিডেভিট বা অন্য কোনো উপায়ে যদি প্রমাণিত হয় যে-
(ক) মামলার যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, তা মামলার কোনো পক্ষের দ্বারা অপচয় হওয়ার, নষ্ট হওয়ার, হস্তান্তর (alienated) হওয়ার, অথবা কোনো ডিক্রির জোরে বেআইনিভাবে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, অথবা
(খ) বিবাদী (defendant) তার সম্পত্তি সরিয়ে ফেলতে চায়, কিংবা হস্তান্তর বা বিক্রি করতে চায় এমন উদ্দেশ্যে যাতে তার ঋণদাতাদের (creditors) ঠকানো যায়, তাহলে আদালত আদেশের মাধ্যমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (temporary injunction) দিতে পারে, যাতে উল্লিখিত কাজগুলো করা না যায়।
এ ছাড়া আদালত চাইলে এমন অন্য কোনো আদেশও দিতে পারে যা- সম্পত্তির অপচয়, ক্ষতি, হস্তান্তর, বিক্রি, সরিয়ে ফেলা, বা বেপরোয়া ব্যবহার রোধ করতে সহায়তা করে, এবং এই আদেশ কার্যকর থাকবে- মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আদালতের আগাম কোনো পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫২৩ ধারা জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাই মালের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করলে তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এই সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।
- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.
-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.