বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২০ / ১২৬ · ১,৯০১২,০০০ / ১২,৬০৫

১,৯০১.
'একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারামতে- 
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে [specific performance of a contract may be enforced against]-

(a) either party thereto;
ব্যাখ্যা: একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
ব্যাখ্যা: চুক্তির পরবর্তীতে যদি কেউ চুক্তির পক্ষের অধিকার দাবি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে যদি কেউ সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তির বিষয়ে অবগত না থেকে মূল্য প্রদান করে সেই অধিকার অর্জন করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না।

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
ব্যাখ্যা: কখনও কখনও কোনো ব্যক্তি চুক্তির আগে থেকেই কোনো অধিকার দাবি করতে পারেন। যদি এই অধিকার বাদীর জ্ঞাতসারে থাকে এবং বিবাদীর মাধ্যমে এই অধিকার বাতিল করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
ব্যাখ্যা: প্রথম পাবলিক কোম্পানিটি যদি কোনো চুক্তি করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো পাবলিক কোম্পানির সাথে এক্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়, তাহলে সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধেও প্রথম চুক্তিটির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
ব্যাখ্যা: যদি কোনো প্রতিষ্ঠাতারা একটি প্রস্তাবিত পাবলিক কোম্পানির গঠনের আগেই কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হন, তাহলে পরবর্তীতে সেই কোম্পানি গঠিত হলে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেই কোম্পানির দ্বারা সেই চুক্তি অনুমোদন এবং গৃহীত হতে হবে।
১,৯০২.
আইজীবী হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য ১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীর অধীনে কাজ করতে হয়-
  1. ৩ মাস 
  2. ৬ মাস 
  3. ১ বছর 
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস 
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৬ মাস

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০:
- শিক্ষানবিশ অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা     দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
  এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।

১,৯০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) রদ বা কর্তনের আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, যদি কোনো প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, বিরক্তিকর, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক হয়, তবে তা রদ বা কর্তনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে, তবে এই দরখাস্ত প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির  আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.

১,৯০৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুযায়ী, অর্থ আদায়ের ডিক্রি কার্যকর করতে গ্রেফতারের জন্য আবেদন করা হলে আদালত প্রথমে কী করে?
  1. ডিক্রি বাতিল করে
  2. জরিমানা আরোপ করে
  3. রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়
  4. সরাসরি গ্রেফতার পরোয়ানা জারি করে
সঠিক উত্তর:
রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-২১, বিধি-৩৭ অনুযায়ী: যখন অর্থ আদায়ের ডিক্রি (decree for payment of money) জারির জন্য ডিক্রিদার (decree-holder) আদালতে আবেদন করেন যে, রায়সিদ্ধ দেনাদার (judgment-debtor)-কে গ্রেপ্তার করে দেওয়ানি জেলে (civil prison) আটক রাখা হোক, তখন আদালত সাধারণত সরাসরি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন না।
বরং, আদালত প্রথমে একটি নোটিশ জারি করেন, যাতে রায়সিদ্ধ দেনাদার নির্ধারিত দিনে আদালতে উপস্থিত হয়ে “কারণ দেখাতে পারেন যে কেন তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে না”।
- এটি একটি ন্যায়বিচারমূলক সুযোগ (principle of natural justice), যাতে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়।
তবে যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে judgment-debtor পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে (যেমন: শপথনামা বা অন্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়), তাহলে সরাসরি পরোয়ানা জারি করাও সম্ভব, কিন্তু সাধারণ নিয়ম হিসেবে আগে নোটিশ পাঠানোই বাধ্যতামূলক।
 - অতএব, প্রশ্ন অনুযায়ী:“আদালত প্রথমে কী করে?” এর সঠিক ও আইনসম্মত উত্তর হলো “রায়সিদ্ধ দেনাদারকে নোটিশ পাঠায়”

Arrest and Detention in the Civil Prison:
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-37. Discretionary power to permit judgment-debtor to show cause against detention in prison.
(1) Notwithstanding anything in these rules, where an application is for the execution of a decree for the payment of money by arrest and detention in the civil prison of a judgment-debtor who is liable to be arrested in pursuance of the application, the Court shall, instead of issuing a warrant for his arrest, issue a notice calling upon him to appear before the Court on a day to be specified in the notice and show cause why he should not be committed to the civil prison:
Provided that such notice shall not be necessary if the Court is satisfied, by affidavit, or otherwise, that, with the object or effect of delaying the execution of the decree, the judgment-debtor is likely to abscond or leave the local limits of the jurisdiction of the Court.
(2) Where appearance is not made in obedience to the notice, the Court shall, if the decree-holder so requires, issue a warrant for the arrest of the judgment-debtor.
১,৯০৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". এর বিধান আছে?
  1. ৩৫ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৫২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ৪২ ধারায় বলা আছে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
 
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১,৯০৬.
দায়রা আদালতে কয় শ্রেণির বিচারক থাকে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
১,৯০৭.
'ক', 'খ' এর নিকট ১,০০,০০০ টাকায় একটি বাড়ী বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' ক্রয়মূল্য প্রদান করলেও 'ক' বাড়ী বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। 'খ' এ প্রতিকার কি?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

⇒  খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড না থাকলে বা পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না থাকলে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। বিপরীতভাবে বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে ।

কিন্তু যদি চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের হয় যেমন গম বিক্রয়ের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া যায় এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবে না বরং আর্থিক ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে যদি বাদী প্রার্থনা করে।

⇒  সুতরাং বলা যায়, আইনের সাধারণ নীতি হলো স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না। শুধুমাত্র কতিপয় ব্যতিক্রম প্রেক্ষাপটে অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিও সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য হতে পারে।
১,৯০৮.
দণ্ডবিধিতে অনুমোদিত নয় এমন শাস্তি-
  1. বেত্রাঘাত
  2. ব্রাস্ট ফায়ারে মৃত্যু
  3. দ্বীপান্তর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫৩ ধারায় ৫ টি শাস্তির অনুমোদিত বিধান রয়েছে।
(i) মৃত্যুদণ্ড
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
(iii) কারাদণ্ড
(iv) সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি
(v) অর্থদণ্ড
• এগুলো ছাড়া বাকি সব অনুমোদিত নয়।
• একমাত্র বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ৩৪ক ধারায় নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গুলি করিয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান রয়েছে।
১,৯০৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তির বিধান আছে কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৯১ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:- কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

♦ উদাহরণ
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক চ-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং ক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
----------------------------------

♦ Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Section 195. Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

♦ Illustration 
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
১,৯১০.
রাষ্ট্রপক্ষ কর্তৃক খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
- The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
১,৯১১.
ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বাদী ও বিবাদীর মধ্যে কোন বিরোধ থাকে না
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ থাকে না
  4. বিবাদীগণের মধ্যে বিরোধ থাকে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• প্রকৃত অর্থে ইন্টারপ্লিডার মামলা কোন দাবী আদায়ের মামলা নয় বরং প্রকৃত দাবীদার সাব্যস্ত করার জন্য মামলা। যখন একাধিক ব্যক্তি কোন অর্থ বা সম্পত্তি বাদীর নিকট দাবী করে এবং বাদীও তা প্রদান করতে প্রস্তুত থাকে। কিন্তু প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করা যায় না বিধায় বাদী তাদের বিরুদ্ধে এরূপ মামলা করে। এক্ষেত্রে বিবাদ সম্পর্কে বাদীর কোন আগ্রহ থাকে না। বিবাদীরা পরস্পর পরস্পরের বিরুদ্ধে প্লিড করে এবং আদালত যাকে প্রকৃত দাবিদার সাব্যস্ত করেন বাদী তার নিকট সে অর্থ বা সম্পত্তি অর্পন করে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় এ সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে যে,
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবী করে এবং যার নিকট দাবী করা হয় তার যদি উক্ত সম্পত্তির উপর খরচের দাবী ব্যতীত অন্য কোন দাবী দাওয়া না থাকে এবং সে যদি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকে তবে সেই সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য উক্ত রূপ দাবীদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করতে পারবে। তবে উক্ত দাবীদারগণের অধিকার যদ্বারা নির্ধারিত হবে এমন কোন মামলা যদি বিচারাধীন থেকে থাকে সেক্ষেত্রে এরূপ ইন্টারপ্লিডার মামলা দায়ের করা যাবে না।

ইন্টারপ্লিডার মামলার ক্ষেত্রে যে সকল শর্ত থাকতে হবে তা দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ নম্বর আদেশে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই আদেশের ১ নম্বর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিম্নোক্তগুলি আরজিতে উল্লেখ করতে হবে-
ক. মামলাটির বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবী ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নিহিত নেই।
খ. বিবাদীগণ (দুই বা ততোধিক) পৃথকভাবে তাদের দাবী উত্থাপন করেছে এবং এ দাবীগুলি পরস্পর বিরোধী বলে গণ্য হয়।
গ. বাদী ও বিবাদীগণের মধ্যে কোন যোগসাজস নেই।
ঘ. বাদীর নিকট পাওনা অর্থ বা সম্পত্তি আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্দিষ্ট বিবাদীর নিকট প্রদান করার ইচ্ছা থাকতে হবে।

অর্থাৎ 'শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য'- উক্তি সঠিক নয়।
১,৯১২.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারায় সরকারী দলিল সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৭২ ধারা
  2. ৭৩ ধারা
  3. ৭৪ ধারা
  4. ৭৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ৭৪ ধারা অনুযায়ী সরকারী দলিল বিষয়ে বলা হয়েছে (সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের কার্য্য, ট্রাইবুনালের কার্য্য, ভোটার তালিকা, চার্জ শিট ইত্যাদি)। সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারায় বেসরকারী দলিল বিষয়ে বলা হয়েছে।
১,৯১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে মামলার ফলাফল কী হবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
  2. মামলার নথি বাতিল হয়ে যাবে এবং কোনো কার্যক্রম হবে না।
  3. অভিযোগ প্রত্যাহারের পরও আদালত মামলাটি শুনানির মাধ্যমে রায় প্রদান করবেন।
  4. মামলার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে এবং আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সঠিক উত্তর:
মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিয়ে মামলার শুনানি বন্ধ করতে পারেন।
- অর্থাৎ ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
১,৯১৪.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 9, rule 4 অনুযায়ী কোনো মামলা খারিজ হলে বাদী -
  1. নতুন মামলা দায়ের করতে পারবেন
  2. নতুন মামলা দায়েরে বারিত হবেন।
  3. রিভিউ চাইতে পারবেন
  4. ষাট দিনের মধ্যে খারিজাদেশ সরাসরি বাতিল চাইতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা দায়ের করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন মামলা দায়ের করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯ বিধি-৪ মতে বাদী নতুন মোকদ্দমা করতে পারে বা আদালত মোকদ্দমাটি নথিতে পুনর্বহাল করতে পারেন (Plaintiff may bring fresh suit or Court may restore suit to file): কোন মোকদ্দমা ২ বা ৩ বিধির অধীনে খারিজ করা হলে,
বাদী নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে, অথব
খারিজের আদেশ রদ করার আবেদন করতে পারে,
(তামাদি মেয়াদ ৩০দিন, অনুচ্ছেদ: ১৬৩)এবং
 ♦ সে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, কোর্ট ফি বা ডাক মাশুল (Postal charge) দিতে না পারার অথবা উপস্থিত হতে না পারার জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রদের আদেশ দান করবেন এবং মোকদ্দমার কার্যধারা পরিচালনার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।
১,৯১৫.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় সুখাধিকার [Easement] সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ২২ ধারায়
  2. ২৪ ধারায়
  3. ২৬ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জন (Acquisition of right to easements) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সুখাধিকার [Easement] এমন এক ধরনের অধিকার যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির জমি বিশেষ কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। যেমন- আলো বাতাসের অধিকার, চলাচলের অধিকার ইত্যাদি।

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।
১,৯১৬.
কোন আইনের মাধ্যমে দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২ কে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে?
  1. পার্বত্য জেলাসমূহ আইন রহিত ও প্রয়োগ এবং বিশেষ বিধান আইন ১৯৮৯
  2. চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন, ১৮৯৮
  4. General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০
ব্যাখ্যা
'চিটাগাং হিল ট্রাক্টস রেগুলেশন, ১৯০০' নামক আইনের ৪ ধারা ও তফসীল অনুযায়ী 'দ্যা এ্যাভিডেন্স এ্যাক্ট, ১৮৭২'-কে পার্বত্য জেলাসমূহে বলবৎ করা হয়েছে।

বি.দ্র.: আইনটি BJS পরীক্ষার সিলেবাসে নেই, তাই 'The Evidence Act, 1872'-কে কেন্দ্র করেই আলোচ্য প্রশ্নটি করা হয়েছে বলা যায়।
১,৯১৭.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুযায়ী, প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. প্রতারণার ঘটনার দিন থেকে
  2. প্রতারণা জানার দিন থেকে
  3. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা জানার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা জানার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুযায়ী: প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি যখন প্রথমবার প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারে সেই দিন থেকে।
দলিল গোপন করা হলে: যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ শুরু হবে দলিলটি প্রথমবার উপস্থাপন করা বা আদালতে জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার দিন থেকে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) প্রতারণা জানার দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১,৯১৮.
‘ক’ এর দায়ের করা মোকদ্দমায় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করে। পরবর্তীতে প্রমানিত হয় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বিবাদী ক্ষতিপূরন বাবদ পাবে?
  1. অনধিক ২০০০ টাকা
  2. অনধিক ১০০০০ টাকা
  3. অনধিক ৫০০০ টাকা
  4. অনধিক ২০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে যদি অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়, তাহলে যদি প্রমাণিত হয় যে বিবাদীকে অপর্যাপ্ত কারনে এই গুলোর আদেশ দেওয়া হয়েছে তাহালে আবেদনের প্রেক্ষিতে বাদীর বিরুদ্ধে অনধিক ১০০০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিবেন।
১,৯১৯.
তামাদি আইনে উল্লেখ নেই এমন দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হয়?
  1. আদালতের নির্দেশনা থেকে
  2. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  3. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  4. মামলা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী, যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে। অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির জমি দখল বা সম্পত্তি সম্পর্কিত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রম করে যায়, তাহলে দরখাস্তটি তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যেতে পারে।

→ সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
১,৯২০.
ধারা ৬৬ অনুযায়ী, আদালত অর্থদণ্ড না পরিশোধ করার কারণে যে কারাদণ্ড প্রদান করবে তা কিভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. আদালতের পছন্দ অনুযায়ী
  2. মামলার দীর্ঘায়িত সময় অনুযায়ী
  3. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ অনুযায়ী
  4. অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য পূর্বে নির্ধারিত কারাদণ্ডের ধরন অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
১,৯২১.
একজন ব্যবসায়ী প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজনের যন্ত্র ব্যবহার করে অতিরিক্ত পরিমাণে পণ্য বিক্রি করছে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে?
  1. ধারা ২৫৪
  2. ধারা ২৬৪
  3. ধারা ২৭৪
  4. ধারা ২৮৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১,৯২২.
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে 'ক' চারটি অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়েছে এবং উক্ত আদালত আদেশ দিয়েছে- প্রদত্ত কারাদণ্ড একটির পর অপরটি চলবে। এক্ষেত্রে আদালত 'ক' কে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. চারটি অপরাধের মোট শাস্তি যত বছর হয় ততো
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

ধারা ৩২ অনুসারে, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দিতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে বিচারক ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ায় আদালত উক্ত শাস্তির দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি দিতে পারবেন না।
১,৯২৩.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভউ
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিউ
সঠিক উত্তর:
শুধু রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
১,৯২৪.
কোনটি 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. বেআইনি দখলদার
  2. মামলার খরচ
  3. সুদসহ মুনাফা
  4. স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
মামলার খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার খরচ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২(১২) “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” (mesne profits):
সম্পত্তির “অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা” বলতে বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বেআইনি দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে এর ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না

("mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession)

অর্থাৎ, মামলার খরচ 'mesne profits' এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
১,৯২৫.
'A', 'B'- এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ২ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে, চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৩ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ২ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।

Section 14- Specific performance of part of contract where part unperformed is small: 
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
১,৯২৬.
কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
  1. একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
  2. আপিল আদালত
  3. রিভিশন আদালত
  4. যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• জারিকারক আদালত (executing court)- কোন কোন আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন তা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ ধারা থেকে ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে। ৩৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন, সেই আদালত অথবা যে আদালতে ডিক্রিটি জারির জন্য প্রেরিত হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রি জারি করতে পারেন।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত (Trial court) করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই (Trial court) ডিক্রি জারি করবে।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন (Application for execution): ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।

• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি (objection) ডিক্রি জারিকারক আদালতই (executing court) নিষ্পত্তি করবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।

• ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
------
• Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
১,৯২৭.
The Evidence Act, 1872 এর কোন ক্ষেত্রে আদালত কোন বিষয়কে মিথ্যা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য দিতে দিবেন না?
  1. May presume
  2. Shall presume
  3. Conclusive proof
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Conclusive proof
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার মতে অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন। 

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত। করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:-
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত।

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত।

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
১,৯২৮.
বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্যের আইনগত গ্রহণযোগ্যতা কী?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  2. দালিলিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  3. কেবল দেওয়ানি মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
  4. কেবল গৌণ সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী:
যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses:
A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

১,৯২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৫ বিধি-১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজিতে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. বিবাদীদের পৃথক দাবি
  2. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই
  3. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি ১ অনুযায়ী, স্বার্থবিহীন মোকদ্দমার আরজিতে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক—
১. বাদীর বিতর্কিত বিষয়ে কোনো স্বার্থ নেই, ব্যয় ব্যতীত,
২. বিবাদীগণ পৃথকভাবে দাবি করছেন, এবং
৩. বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৫ বিধি-১: স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় আরজি:
স্বার্থবিহীন ব্যবহার মোকদ্দমায় প্রত্যেক মোকদ্দমার আরজিতে, আরজির জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবৃতির অতিরিক্ত নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো বিবৃত করতে হবে-
ক) বাদী মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়বস্তুতে দায়সমূহের বা মোকদ্দমার ব্যয়াদির জন্য ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবী করে না,
খ) বিবাদীগণ কর্তৃক দাবীসমূহ স্বাতন্ত্র্যভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং
গ) যে বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোন বিরোধ নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader-suits-
In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs;
b) the claims made by the defendants severally; and
c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants.
১,৯৩০.
Final Report কখন পেশ করা হয়?
  1. যখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষী পাওয়া যায়
  2. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়
  3. যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায় না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায় না
ব্যাখ্যা
পুলিশ রিপোর্ট:
পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): 
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১,৯৩১.
"When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner."- This provision is laid in ___________ of The Evidence Act, 1872
  1. Section 106
  2. Section 108
  3. Section 110
  4. Section 111
সঠিক উত্তর:
Section 110
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 110
ব্যাখ্যা
Section-110. Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
১,৯৩২.
আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত কোন ক্ষেত্রে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মূল এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে
  3. আপিল বিভাগের নিকট কোনো মোকদ্দমা আপিলযোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, উক্ত মোকদ্দমার রায়ের বিরুদ্ধে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারা: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধান সাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে, তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Section: 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
১,৯৩৩.
In civil cases, character to prove conduct imputed, irrelevant- এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ৫০ ধারা
  2. ৫২ ধারা
  3. ৫৪ ধারা
  4. ৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারা
ব্যাখ্যা

ধারা ৫২: দেওয়ানী মামলায় আচরণ প্রমাণের জন্য চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক (In civil cases, character to prove conduct imputed, irrelevant):
দেওয়ানী মামলায় সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির চরিত্র এমন যে তার প্রতি আরোপিত কোনো আচরণকে সম্ভাব্য বা অসম্ভাব্য বলে মনে হয়, এই বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক, তবে ততটুকু ব্যতীত যতটুকু এই চরিত্র অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থেকে প্রকাশিত হয়।

সহজ ভাষায়:
দেওয়ানী মামলায় কোনো ব্যক্তির চরিত্র কেমন তা দিয়ে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য কিনা তা প্রমাণ করা যাবে না। তবে যদি মামলার অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য থেকে তার চরিত্র সম্পর্কে কিছু জানা যায়, তাহলে সেটি বিবেচনা করা যাবে।

১,৯৩৪.
কোন বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. Fact in issue and relevant fact
  2. Admitted Facts
  3. Important facts only
  4. All facts
সঠিক উত্তর:
Fact in issue and relevant fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fact in issue and relevant fact
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন-এর ৫ ধারায় বলা হয়েছে বিচার্য বিষয় ও এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে। এই দুই ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।
১,৯৩৫.
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে অপরের ক্ষতি সাধনের জন্য মিথ্যা ফৌজদারি অভিযোগ করেন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীন দণ্ডনীয়?
  1. ধারা ২০১
  2. ধারা ২১০
  3. ধারা ২১১
  4. ধারা ২২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১১
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
১,৯৩৬.
'ক' কে গুরুতর জখম করার অপরাধে 'খ' এর সাজা হয়। উক্ত জখমের ফলে কিছুদিন পর ‘ক’ মারা যায়। এই প্রসঙ্গে কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. 'খ' এর পুনঃবিচার করা যাবে না
  2. 'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
  3. 'খ' 'ক' এর মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে না
  4. 'খ' এর ফাঁসির আদেশ বা যাবজ্জীবন সাজা হবে
সঠিক উত্তর:
'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' কে হত্যার জন্য 'খ'-এর পুনঃবিচার হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-

১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে;
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে;
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়; বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়; বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।

যেহেতু 'খ'-কে গুরুতর আঘাতের জন্য 'ক' এর একবার বিচার হয়েছে, তাই একই অপরাধে 'ক' কে পুনরায় গুরুতর আঘাতের অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না কারণ এই ক্ষেত্রে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে। তবে অন্য অপরাধে বিচার করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালত 'খ' এর নরহত্যার অপরাধে 'ক' এর বিচার করতে পারে।
১,৯৩৭.
যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য _______ নিকট সমন পাঠাতে হবে।
  1. সরাসরি বিবাদীর
  2. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  3. বিবাদীর প্রতিনিধির
  4. বিবাদীর পরিবারের সদস্যের
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষেত্রে সমন জারির পদ্ধতি:

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারাধীন এলাকায় বসবাস করে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী যে এলাকায় বসবাস করে, সেই এলাকার এখতিয়ারাধীন যেকোন সমন জারিকারী আদালত সমনটি পাঠাতে পারে এবং উক্ত আদালত তখন সমন জারি করবে [আদেশ ৫, বিধি ২১]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী জেলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি সমন জারির জন্য জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সমন পাঠাতে হবে। [আদেশ ৫, বিধি ২৪]

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোন এজেন্ট নেই, সেই ক্ষেত্রে বিবাদী দেশের বাইরে যেখানে বসবাস করে সেখানে পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৫]। এই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা এমন সমন জারির জন্য প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত কর্তৃক সমনটি জারি করা যেতে পারে [আদেশ ৫ বিধি ২৬]।

⇒ সরকারী কর্মকর্তা বা রেলওয়ে বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তার প্রতি সমন জারির জন্য উক্ত অফিসের প্রধানের বরাবর সমন পাঠাতে হবে (আদেশ ৫ বিধি ২৭]।

⇒ যেক্ষেত্রে বিবাদী একজন সৈনিক, নাবিক, বা বৈমানিক, সেই ক্ষেত্রে সমন জারি করতে উক্ত বাহিনীর কমাণ্ডিং অফিসারের নিকট সমন পাঠাতে হবে [আদেশ ৫ বিধি ২৮]।
১,৯৩৮.
'A' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'B' দাবি করে যে 'B' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'A' উক্ত সম্পত্তি 'B'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'A' এর প্রতিকার-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।

- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
১,৯৩৯.
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কোন ধারার অধীনে প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫(ক)
  2. ধারা ৫(খ)
  3. ধারা ৫(গ)
  4. ধারা ৫(ঘ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫(গ)
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারার অধীনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) প্রদান করা হয়।
⇒ ৫(গ) ধারা অনুযায়ী:
- “কোনো পক্ষকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখা, যা করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।”
⇒ ধারা ৬ অনুযায়ী:
- এই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার-কে "Preventive Relief" বলা হয়। এটি সাধারণত আদালতের আদেশের (Injunction) মাধ্যমে প্রদান করা হয় যাতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

⇒ উদাহরণ:
- কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করতে চায়, আদালত প্রতিরোধমূলক আদেশ জারি করে তাকে তা করতে নিষেধ করতে পারে।
- কোনো সংস্থা যদি অবৈধভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করে, আদালত প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
 Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১,৯৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধানমতে, আদালত কয় ভাবে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৪ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
১,৯৪১.
“He who asserts must prove-  এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৯৯
  2. ধারা ১০০
  3. ধারা ১০১
  4. ধারা ১১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০১
ব্যাখ্যা

“He who asserts must prove” অর্থাৎ যে দাবি করে, সেই প্রমাণ করবে — এই নীতিটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০১ (Section 101: Burden of Proof) এর মূল ভিত্তি।

এই ধারায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আদালতের নিকট কোনো আইনি অধিকার বা দায়বদ্ধতার বিষয়ে রায় প্রত্যাশা করে, তাকে সেই ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করতে হবে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- ধারা ১০১: প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof):
যে ব্যক্তি আদালতের নিকট এমন কোনো আইনি অধিকার (legal right) বা দায়বদ্ধতা (liability)-এর বিষয়ে রায় প্রত্যাশা করে, যার ভিত্তি কিছু নির্দিষ্ট ঘটনার (facts) অস্তিত্বের ওপর নির্ভরশীল,
তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে সেই ঘটনাগুলি সত্য।

যখন কোনো ব্যক্তি কোনো ঘটনার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য, তখন বলা হয় যে প্রমাণের দায়ভার (burden of proof) তার উপর বর্তায়।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) ‘A’ আদালতের নিকট রায় চায় যে ‘B’ অপরাধ করেছে এবং তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এখানে ‘A’-এর ওপর দায়ভার যে সে প্রমাণ করবে ‘B’ অপরাধ করেছে।

(b) ‘A’ আদালতের নিকট দাবি করে যে সে একটি জমির মালিক, যা বর্তমানে ‘B’-এর দখলে আছে, এবং সেই জমির ওপর তার অধিকারের পক্ষে কিছু ঘটনা সত্য বলে দাবি করে, যা ‘B’ অস্বীকার করে।  এখানে ‘A’-এর ওপর দায়ভার যে সে তার দাবিকৃত ঘটনাগুলি সত্য প্রমাণ করবে।

১,৯৪২.
দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫৬ অনুযায়ী, অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক করা যায় না?
  1. শিশু
  2. পুরুষ
  3. মহিলা
  4. সরকারি কর্মচারী
সঠিক উত্তর:
মহিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিলা
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৬ অনুযায়ী: "The Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money."
অর্থাৎ, যদি কারও বিরুদ্ধে অর্থ পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারি হয়, তবে আদালত কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারবে না। এই বিধান নারীদের প্রতি একটি বিশেষ সুরক্ষা প্রদান করে, যাতে অর্থবিষয়ক মামলায় তাদের গ্রেফতার বা আটক না করা হয়।

⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৫৬ হল- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
- আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section 56. Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
 Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১,৯৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-১
  2. আদেশ-১০, বিধি-২
  3. আদেশ-১৬, বিধি-৬
  4. আদেশ-১৮, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮, বিধি-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮, বিধি-৪
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আদেশ-১৮, বিধি-৪।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ৪-এ বলা হয়েছে, আদালতে উপস্থিত সাক্ষীদের জবানবন্দি বিচারকের উপস্থিতিতে, তাঁর ব্যক্তিগত নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৮, বিধি-৪: প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি-
- হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4: Witnesses to be examined in open Court- 
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.

১,৯৪৪.
মোকদ্দমার আপস সংক্রান্ত আদেশ-২৩, বিধি-৩ অনুসারে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি খারিজ করতে পারে
  2. মামলাটি পুনরায় শুনানি করতে পারে
  3. আপস বা চুক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং ডিক্রি দিতে পারে
  4. মামলাটি অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপস বা চুক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং ডিক্রি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপস বা চুক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে এবং ডিক্রি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
আদেশ-২৩ বিধি-৩: মোকদ্দমার আপস:
যেক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সহকারে এটি প্রমাণিত হয় যে, আইনসঙ্গত চুক্তি বা আপসের দ্বারা কোন মোকদ্দমা সামগ্রিক বা আংশিকভাবে সমন্বয়িত হয়েছে কিংবা যদি বিবাদি মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর সামগ্রিক বা কোন অংশের সম্পর্কে বাদিকে মিটিয়ে দেয় সেক্ষেত্রে আদালত উক্ত চুক্তি, আপস বা মিটানোর বিষয়টি লিপিবদ্ধ করার আদেশ দিবে এবং যতদূর মোকদ্দমার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত হয়, ততদূর তদানুসারে একটি ডিক্রি প্রদান করবে।

Order-23 Rule-3- Compromise Suit:
Where it is proved to the satisfaction of the Court that a suit has been adjusted wholly or in part by any lawfull agreement or compromise, or where the defendant satisfies the plaintiff in respect of the whole or any part of the subject-matter of the suit, the Court shall order such agreement, compromise or satisfaction to be recorded, and shall pass a decree in accordance therewith so far as it relates to the suit.
১,৯৪৫.
What does a decree under Order 20 Rule 10 provide for?
  1. Only Delivery of immovable property
  2. Only Delivery of movable property
  3. Only monetary compensation
  4. Both the delivery of property and alternative compensation amount
সঠিক উত্তর:
Both the delivery of property and alternative compensation amount
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both the delivery of property and alternative compensation amount
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।
১,৯৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a __________.
  1. decree
  2. order
  3. decree or order
  4. civil suit
সঠিক উত্তর:
decree or order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decree or order
ব্যাখ্যা
⇒ CPC-Section-2(9) "Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
- 'রায়" (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
অর্থাৎ রায় (Judgment)- ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন, তাকে রায় বলে।
১,৯৪৭.
বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামির-
  1. অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে
  2. তাকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে
  3. নতুন করে কারাবাস শুরু হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ বিচার চলাকালীন সময়ে আসামি যে মেয়াদের কারাবাস ভোগ করেছে তা যদি সে যে দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে তার মেয়াদ অপেক্ষা বেশী হয়, তাহলে আসামিকে কারাবাস থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং অর্থদণ্ড যদি থাকে মওকুফ হবে।
১,৯৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৪ এর ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ (conviction)-
  1. কখনো প্রাসঙ্গিক নয়
  2. সৎ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  3. খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
  4. শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলায় প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:
ফৌজদারি মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।

ব্যাখ্যা ১- যেখানে কোনো ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেখানে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা ২- পূর্বের দোষী সাব্যস্ত খারাপ চরিত্রের প্রমাণ হিসেবে প্রাসঙ্গিক।


⇒ The Evidence Act, 1872, Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1– This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2– A previous conviction is relevant as evidence of bad character.

১,৯৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৫ অনুসারে, আদেশ প্রদান করতে পারেন-
  1. কেবল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. কেবল পুলিশ কমিশনার
  3. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure), ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে করণীয়:

ধারা ১৪৫(১):
যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনো তথ্যের মাধ্যমে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তার এখতিয়ারের আওতাধীন এলাকায় কোনো ভূমি, পানি বা তার সীমানা নিয়ে এমন একটি বিরোধ রয়েছে যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে, তখন তিনি লিখিত আদেশ প্রদান করবেন, যেখানে তিনি তার সন্তুষ্টির কারণসমূহ উল্লেখ করবেন এবং বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে বা আইনজীবীর মাধ্যমে তার আদালতে উপস্থিত হতে এবং বিরোধের বিষয়বস্তুতে আসল দখল সম্পর্কিত তাদের নিজ নিজ দাবি লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দেবেন।

ধারা ১৪৫(২):
এই ধারার উদ্দেশ্যে, “ভূমি বা পানি” শব্দের অন্তর্ভুক্ত হবে-ভবন, বাজার, মাছের ঘের বা মৎস্যচাষ, জমির ফসল বা উৎপাদিত দ্রব্যাদি, এবং উক্ত সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা মুনাফা।

ধারা ১৪৫(৩):
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের একটি অনুলিপি- যাদের প্রতি ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দেন, তাদের নিকট সমন জারির বিধান অনুযায়ী প্রদান করতে হবে; এবং অন্তত একটি অনুলিপি বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির উপর বা নিকটবর্তী কোনো প্রকাশ্য স্থানে টানিয়ে রাখতে হবে,
যাতে তা সাধারণভাবে প্রকাশ পায়।

১,৯৫০.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় কয়টি ব্যাখ্যা আছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒  দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় ৩ টি ব্যাখ্যা (Explanation) আছে।
১,৯৫১.
তামাদি আইনের ২৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয় কোন প্রেক্ষিতে?
  1. দলিলের বৈধতা প্রমাণ করতে
  2. দলিলের মূল্যের হিসাব করতে
  3. দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
  4. দলিলের পক্ষসমূহ নির্ধারণ করতে
সঠিক উত্তর:
দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে।
- তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
১,৯৫২.
দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুসারে সংশোধিত Order-V, Rule-9 অনুযায়ী, এখন কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন পাঠানো যাবে?
  1. Voice Calls
  2. Short Message Service
  3. Instant Messaging Services
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো। 
১,৯৫৩.
আদেশ ৯ বিধি-২ এর অধীন কোন কারণে আদালত মোকদ্দমা খারিজ করতে পারেন?
  1. বিবাদী সময়মতো লিখিত জবাব না দিলে
  2. বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করলে
  3. বিবাদী আদালতে উপস্থিত না হলে
  4. বাদী সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হলে
সঠিক উত্তর:
বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করলে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
১,৯৫৪.
খুনের উদ্যোগ (প্রচেষ্টা) সম্পর্কিত শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ৩০০ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৩০৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা অনুযায়ী খুনের উদ্যোগ বা চেষ্টা | Attempt to murder। শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩০৭ ধারা অনুসারে খুনের উদ্যোগের শাস্তি অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর কারাদণ্ড। কিন্তু খুনের উদ্যোগের কার্যের ফলে যদি জখম হয়, তাহলে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ যেকোনো বর্ণনার ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি খুনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে এবং উক্ত কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি আহত হলে অপরাধী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবে।
⇒ অর্থাৎ, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি আঘাত দিয়ে খুনের চেষ্টা করলে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
-------------
⇒ Attempt to murder Attempts by life-convicts:
Section 307. Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
১,৯৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারায় "নিয়ন্ত্রক" বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
  1. আদালতের কোন প্রযুক্তিবিদ
  2. ডাটাবেজ পরিচালনা কমিটি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ:
যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।
 
ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

Section  73A⇒ Proof as to verification of digital signature:
In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.
 
Explanation- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১,৯৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩১ ধারা অনুযায়ী, ভুল স্থানে বিচার হলে সাধারণত কী হয়?
  1. মামলাটি নতুন করে শুরু করতে হবে
  2. আসামিকে খালাস দেওয়া হবে
  3. আদালতের রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায় বা আদেশ বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, যদি কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা ভুল স্থানে (ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকা) অনুষ্ঠিত হয়, তবুও সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় বা আদেশ বাতিল করবে না, শুধুমাত্র তখনই বাতিল হবে যদি ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়।
অর্থাৎ ৫৩১ ধারার মূল বিধান হলো, কোনো বিচার কার্যধারা ভুল স্থানে (যেমন ভুল জেলায় বা দায়রা বিভাগে) অনুষ্ঠিত হলেও শুধুমাত্র এই কারণে আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ বাতিল করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

১,৯৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কার ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত,
বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে;
যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।ঃ
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা:
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 6. Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
১,৯৫৮.
যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায়, তাহলে নিম্মলিখিত কোন বিষয়টি সত্য-?
  1. ফৌজদারি মামলাটি বাতিল হবে
  2. নতুন করে অভিযোগ দায়ের করতে হবে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি বাতিল করতে পারে
  4. অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু অভিযোগকারী মারা গেলে ফৌজদারী মামলা বাতিল হওয়ার কোন নিয়ম নেই, সেহেতু নতুন করে কোন অভিযোগ দায়ের করার প্রয়োজন নেই কিন্তু দায়েরকৃত অভিযোগটি বিচারাধীন আছে বলে গণ্য হবে এবং নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে।
♦অর্থাৎ যদি অভিযোগকারী বা নালিশকারী মারা যায় অভিযোগটি বিচারাধীন থাকবে।
১,৯৫৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য
  2. রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
  3. শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ক্রোকযোগ্য
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১২ অনুযায়ী, কৃষকের দখলে থাকা কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোক করা যাবে না। এই বিধান অনুযায়ী, কৃষিজ দ্রব্যের প্রতি কোনো ক্রোক বা জব্দের আবেদন করা বা আদালতের আদেশে কৃষিজ দ্রব্য ক্রোক করা যাবে না যতক্ষণ না রায় ঘোষণা করা হয়।

⇒ আদেশ ৩৮ বিধি-১২: কৃষিজ দ্রব্য রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়:
এই আদেশের কোন বিধানই বাদিকে কৃষকের দখলে থাকা কোন কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য আবেদন করার ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বা আদালতকে ক্রোক বা অনুরূপ কৃষিজ দ্রব্য ক্রোকের জন্য হাজির করার আদেশ দানের ক্ষমতা প্রদান করবে বলে গণ্য করা যাবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-12- Agricultural produce not attachable before judgment:
Nothing in this Order shall be deemed to authorise the plaintiff to apply for the attachment of any agricultural produce in the possession of an agriculturist, or to empower the Court to order the attachment or production of such produce.
১,৯৬০.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শাস্তিটি বৈধ নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. নির্জন কারাবাস
  3. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
           ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
           খ) বিনাশ্রম (Simple)
      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
      (v) অর্থদণ্ড (fine)
 ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

-দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও  বিনাশ্রম। 
 Section-53 Explanation.-In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
 অর্থাৎ দণ্ডবিধি অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিনাশ্রম বৈধ শাস্তি নয়।
১,৯৬১.
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
১,৯৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ অনুসারে, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন? 
  1. ২ লাখ
  2. ৩ লাখ
  3. ৫ লাখ
  4. ১০ লাখ
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(ক) অনুসারে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts [of Metropolitan Magistrates and] of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding [five years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [five lac taka];.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding [three years], including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding [three lac taka];
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding [two year]; Fine not exceeding [two lac taka].
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

১,৯৬৩.
'অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না।'- আদেশ ৩৯ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. বিধি ৩ক
  2. বিধি ৪
  3. বিধি ৫ক
  4. বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৫ক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-৫ক এর বিধান- অপর পক্ষের শুনানি ছাড়া অন্তবর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয়া যাবে না (No order of ad interim oг temporary injunction without hearing the opposite party):

⇒ কোন আদালত সরকারি আইনজীবীর উপর বিজ্ঞপ্তি (নোটিশ) জারি না করে এবং তাকে শুনানির সুযোগ প্রদান না করে বেসরকারি পক্ষের অনুরোধে সরকার বা বিধিবদ্ধ সংস্থার বিরুদ্ধে কোন একতরফা অন্তর্বর্তী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করবে না, যদি অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা কোন উন্নয়ন কর্মসূচী বা কর্ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিষ্ট বা হস্তক্ষেপ করার আশু সম্ভাবনা থাকে বা অন্যভাবে জনস্বার্থে অনিষ্টকর হয়।

⇒ কোন বেসরকারি পক্ষ অন্যকোন বেসরকারি পক্ষের বিপক্ষে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করলে আদালত নোটিশ ছাড়া তা মঞ্জুর করবে না, তবে দেরীর কারণে নিষেধাজ্ঞা অনুমোদনের উদ্দেশ্যে ব্যাহত হলে সেক্ষেত্রে নোটিশ ছাড়া অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া যাবে।

⇒ যদি বে-সরকারি পক্ষের অনুরোধ অপর বেসরকারি পক্ষের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদত্ত হয়, তাহলে অপর পক্ষের হাজির হওয়ার তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে হবে।

⇒ যে পক্ষের অনুরোধে অস্থায়ী বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়া হয় সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং দেখা যায় যে এরূপ নিষেধাজ্ঞার জন্য অন্যপক্ষের ক্ষতিসাধন হয়েছে তাহলে আদালত, অন্যপক্ষ যে খরচ পাবে তার অতিরিক্ত অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ অনুমোদন করবেন।
১,৯৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮ অনুসারে, যখন কোনো অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত সম্পন্ন করেন, তখন তিনি তদন্তের ফলাফল কাকে রিপোর্ট করবেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. সরাসরি আদালতকে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  4. পুলিশ বিভাগের প্রধানকে
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৮-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:"যখন কোন অধস্তন পুলিশ-কর্মকর্তা এই অধ্যায়ের অধীন কোন তদন্ত করিয়াছেন, তিনি তদন্তের ফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করিবেন।"
- অর্থাৎ, একজন অধস্তন তদন্তকারী কর্মকর্তা (যেমন: এসআই বা এএসআই) তার তদন্ত শেষে সরাসরি রিপোর্ট জমা দেবেন নিজ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর কাছে। এরপর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মামলাটি কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-168. Report of investigation by subordinate police-officer:
When any subordinate police-officer has made any investigation under this Chapter, he shall report the result of such investigation to the officer in charge of the police-station.

১,৯৬৫.
যখন কোনো আদালতকে জনস্বার্থ সম্পর্কিত কোনো ঘটনার অস্তিত্ব সম্পর্কে মতামত গঠন করতে হয়, তখন নিচের কোনটি সাক্ষ্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক?
  1. সরকারী গেজেটে প্রকাশিত কোন বিজ্ঞপ্তি
  2. যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত কোনো আইনে বর্ণিত বিবৃতি
  3. সংসদ কতৃর্ক পাশ হওয়া কোন আইনের বিধান
  4. উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (ঘ) উল্লিখিত সব প্রাসঙ্গিক।

Evidence Act, 1872-এর ধারা ৩৭ অনুসারে-
যখন আদালতকে জনস্বার্থ বা গণ-প্রকৃতিমূলক (public nature) কোনো ঘটনার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত গঠন করতে হয়, তখন নিম্নলিখিত উৎসে থাকা বিবৃতিগুলো প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য (relevant evidence) হিসেবে গণ্য হয়-
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত কোনো আইনে (Act of Parliament of the United Kingdom) বর্ণিত বিবৃতি।
- বাংলাদেশের সংসদ কর্তৃক পাশকৃত কোনো আইনে (Act of Parliament) থাকা বিবৃতি।
- সরকারি গেজেট বা বিজ্ঞপ্তিতে (Government Notification) থাকা বিবৃতি।

অতএব, এগুলোর কোনোটিই অপ্রাসঙ্গিক নয়, বরং সবকটিই প্রাসঙ্গিক (relevant)।

১,৯৬৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১, বিধি-১ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ কত দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে?
  1. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে
  2. ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
  3. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষরা আদালতের অনুমতি নিয়ে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারে। এর ফলে তথ্য দ্রুত আদান-প্রদান হয় এবং মামলা সঠিকভাবে নিষ্পত্তি হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১ অনুযায়ী, মামলার পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতের অনুমতি নিয়ে, ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিপক্ষের কাছে লিখিত প্রশ্নমালা (Interrogatories) পাঠাতে পারে।

- এর উদ্দেশ্য হলো, পক্ষগুলো পরস্পরকে প্রাসঙ্গিক তথ্য জানতে বাধ্য করতে পারে এবং মামলার বিচার কার্যক্রম সহজতর হয়।
প্রয়োগের মূল শর্ত:
- ১০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হবে ইস্যু নির্ধারণের তারিখ থেকে।
- আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউ একাধিকবার প্রশ্নমালা পাঠাতে পারবে না।
- প্রশ্নমালা মামলার প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মধ্যে থাকতে হবে, তা না হলে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-11 Rule-1: Discovery by Interrogatories:
- In any suit, the plaintiff or defendant, by leave of the Court, may, within ten days from the date of framing of issues, deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories, when delivered, shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons is required to answer:
Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose:
Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral cross-examination of a witness.
১,৯৬৭.
'B' একটি বেআইনী সমাবেশে যোগ দেয়, যেখানে সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য রাস্তায় উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B' একটি বেআইনী সমাবেশে (unlawful assembly) যোগ দিয়েছে।
- এই সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করেছে (বলপ্রয়োগ/সহিংসতা)।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৪৬ অনুযায়ী, এমন সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার (rioting) অপরাধে অপরাধী।
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, দাঙ্গার অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- সুতরাং, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান দাঙ্গা:- কোন বেআইনী সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উক্ত বেআইনী সমাবেশ দ্বারা বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তি কর্তৃক বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান দাঙ্গা করার সাজা :- কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-146. Rioting:- Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.
⇒ The Penal Code, 1860- Section-147:- Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১,৯৬৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১১৯ ধারায় অভিযোগকৃত ব্যক্তির __________ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. গ্রেপ্তার
  2. জরিমানা
  3. অব্যাহতি
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him. 
১,৯৬৯.
তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদি আইন প্রযোজ্য হয়-
  1. মামলা 
  2. আপীল 
  3. আবেদনপত্র 
  4. উপরের সবকটি 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

⇒তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু হলো ৩ টি।যথা:মামলা, আপীল  এবং আবেদনপত্র।

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৩ ধারা, তামাদির মেয়াদ অন্তে দায়েরকৃত মামলা ইত্যাদি খারিজ: আইনের ৪ হইতে ২৫ ধারার উভয় ধারাসহ সাপেক্ষে প্রথম তফসিলে এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু, দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদীপক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে, তারপরও উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

ব্যাখ্যা: সাধারণত উপযুক্ত কর্মচারির নিকট আরজি উপস্থিত করলে বা নিঃস্ব হলে, নিঃস্বভাবে মামলা করিবার অনুমতির জন্য দরখাস্ত করলে এবং আদালত যেখানে কোম্পানি গুটিয়ে ফেলছে; সেখানে কোম্পানির বিরুদ্ধে দাবির ক্ষেত্রে দাবিদার সরকারী অবসায়কের নিকট দাবি প্রেরণ করলে মামলা দায়ের করা হয়।

⇒তামাদি আইনের ৩ ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।তাই পক্ষগণ একমত হয়েও তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি
করতে পারে না। ধারা ৩ অনুযায়ী,নির্ধারিত তামাদির  মেয়াদ শেষ হবার পর মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করা হলে খারিজ হবে।
------------
The Limitation Act, 1908 section- 3. Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation: 
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.
 
Explanation.- A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.

১,৯৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,৯৭১.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৩৭-এর বিধি-১ অনুসারে এই আদেশ কোন আদালতে প্রযোজ্য?
  1. সব ধরনের দেওয়ানি আদালতে
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে
  4. যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও মুনসেফ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒  The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭ (ORDER 37) এর বিধি-১ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কার্যপদ্ধতি শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো নিম্ন বা বিশেষ আদালতের জন্য এই বিশেষ পদ্ধতি প্রযোজ্য নয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৭: হস্তান্তরযোগ্য দলিলের উপর সংক্ষিপ্ত কর্মপদ্ধতি।
বিধি-১: আদেশের প্রয়োগ। এই আদেশ শুধুমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ORDER-37:-SUMMARY PROCEDURE ON NEGOTIABLE INSTRUMENTS:
Rule-1: Application of Order. This Order shall apply only to the High Court Division and to the District Court.

১,৯৭২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না তা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। এই ধারায় মোট ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)
- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

১,৯৭৩.
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করার ক্ষেত্রে কোন সংস্থা সময়ে সময়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৯ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল সম্পর্কিত বিধান সাপেক্ষে, সুপ্রিম কোর্ট নিজেই সময়ে সময়ে আপিলের নিয়মাবলী বা বিধি প্রণয়ন করতে পারে। এটি আপিলের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন হাইকোর্ট বিভাগের রায় বা চূড়ান্ত আদেশ থেকে আপিলের ক্ষেত্রসমূহ। অন্যান্য অপশনগুলো (জাতীয় সংসদ: আইন প্রণয়ন করে; হাইকোর্ট: নিম্নস্তরের আপিল; আইন মন্ত্রণালয়: আইনি পরামর্শ দেয়) এই নির্দিষ্ট ক্ষমতার অধিকারী নয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান: সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে:
দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-
ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে; এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 109. When appeals lie to the Supreme Court.
- Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division.
(a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction; 
(b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and 
(c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.

১,৯৭৪.
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কী হবে?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি নাকচ
  3. মামলা খারিজ
  4. মামলা চলবে
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি নাকচ
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী- আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে আদালত আরিজ নাকচ করবেন। ভুল আদালতে আরজি পেশ করলে আদালত আরজি ফেরত দেয়। আরজি খারিজ ও মামলা খারিজ একই বিষয় নয়। উল্লেখ্য যে, আরজি খারিজ বা নাকচ হলেও নির্দিষ্ট ত্রুটি সংশোধন করে পুনরায় আরজি পেশ করা যায়। শুনানীর দিন পক্ষগণের অনুপস্থিতির কারণে বা সমন জারি না হওয়ার কারণে মামলা খারিজ হতে পারে।
১,৯৭৫.
সাধারণ ফৌজদারী মামলায় আইনগত ভুল (Mistake of law) ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না কিন্তু ঘটনাগত ভুল (Mistake of fact) হতে পারে। উক্তিটি-
  1. আংশিক সত্য
  2. মিথ্যা
  3. সত্য
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য
ব্যাখ্যা
- ৭৬ এবং ৭৯ ধারায় ঘটনাগত অজ্ঞতার ভুল ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির পাওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু আইনের অজ্ঞতা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির কোন অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
- Ignorance of fact is excusable but ignorance of law is not excusable.
১,৯৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারা কোন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. ২৩৪,২৩৫,২৩৭ ও ২৩৯
  2. ২৩৪,২৩৫,২৩৬
  3. ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯
  4. ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৮
সঠিক উত্তর:
২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।

এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।
[For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235,236 and 239.]
১,৯৭৭.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ৩০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারনা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারনার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
 What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
১,৯৭৮.
জি.আর. মামলায় খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপীল না করলে সংবাদদাতার প্রতিকার হচ্ছে-
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।
ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর দুই বার আপিল করতে পারেন। অর্থাৎ, ১ম বার মূল মামলার বিরুদ্ধে, ২য় বার আপিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন।
কিন্তু পাবলিক প্রসিকিউটর/রাষ্ট্রপক্ষ ১ম আপিল না করলে GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা রিভিশন করতে পারে।

- অর্থাৎ GR মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ/পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল না করলে অভিযোগকারী/সংবাদদাতা ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্টে বা ৪৩৯এ ধারায় দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারে।
১,৯৭৯.
'A' এবং 'B' এর মধ্যে একটি চুক্তি অনুযায়ী 'A', 'B' কে কিছু রেলওয়ে শেয়ার বিক্রি করতে সম্মত হয়। 'A' চুক্তি সম্পাদন করতে অস্বীকার করলে 'B' এর কী অধিকার আছে?
  1. চুক্তি বাতিল করা
  2. A কে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা
  3. A কে শেয়ারগুলি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
A কে শেয়ারগুলি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A কে শেয়ারগুলি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে, যদি কোনো চুক্তির লঙ্ঘনের ফলে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হয় এবং চুক্তির বস্তু সীমিত বা অনন্য হয়, তবে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ দিতে পারে।
উক্ত চুক্তির ক্ষেত্রে রেলওয়ে শেয়ার একটি সীমিত এবং বিশেষ ধরনের সম্পত্তি, যা বাজারে সবসময় সহজলভ্য নাও হতে পারে। সেই কারণে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যথেষ্ট প্রতিকার নয়, বরং আদালত 'A' কে শেয়ার হস্তান্তর করতে বাধ্য করতে পারে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২(গ) ধারা:
"যখন চুক্তির লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়, তখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।"

- উদাহরণ (আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী):
একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক রেলওয়ে শেয়ারের চুক্তিতে, 'A' চুক্তি লঙ্ঘন করলে 'B' আদালতের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে, কারণ শেয়ারগুলোর বাজারমূল্য পরিবর্তনশীল এবং সবসময় পাওয়া যায় না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done. 
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
১,৯৮০.
‘D’ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে, জেনে যে সেগুলো চুরি হয়েছে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৩ অনুসারে, যে কেউ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও ক্রয়-বিক্রয় করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘D’ নিয়মিতভাবে চুরি হওয়া সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করেছে, জেনে যে সেগুলো চুরি হয়েছে, যা ধারা ৪১৩-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ধারা ৪১৩ অনুসারে ‘D’-এর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১,৯৮১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৪ ধারার ক্ষমতাবলে আদেশ প্রদান করতে পারেন ________।
  1. জাস্টিস অফ দ্য পিস
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
 ♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
১,৯৮২.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী “Fraudulently” শব্দটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৪
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধিতে “Fraudulently” (প্রতারণাপূর্বক) শব্দটির ব্যাখ্যা ধারা ২৫-এ দেওয়া আছে। ধারা ২৫-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি "প্রতারণাপূর্বক" কোনো কাজ করবে বলে গণ্য হবে, যখন সে সেই কাজটি প্রতারণার অভিপ্রায় (intent to defraud) সহকারে সম্পাদন করে। শুধুমাত্র ক্ষতি বা মিথ্যা বর্ণনা দেওয়া যথেষ্ট নয়; এর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ২৫: "প্রতারণাপূর্বক" (Fraudulently)-
যদি কোন ব্যক্তি কোন কাজ প্রতারণার অভিপ্রায়ে করে, তবে এবং কেবলমাত্র তখনই সেই ব্যক্তি উক্ত কাজটি ‘প্রতারণাপূর্বক’ করেছে বলে গণ্য হবে।
---------
⇒ The penal Code,1860: Section- 25. “Fraudulently":
A person is said to do a thing fraudulently if he does that thing with intent to defraud but not otherwise.

১,৯৮৩.
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) কাকে বলে?
  1. যে সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয় না।
  2. যে সাক্ষী কোনো পক্ষের হয়ে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
  3. যে সাক্ষী তার জবানবন্দিতে নিজের পক্ষের সমর্থনে কথা বলে।
  4. যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়।
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়।
ব্যাখ্যা

→ সঠিক উত্তর: ঘ) যে সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে বা বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়।
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী যাকে কোনো পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য উপস্থাপন করে, কিন্তু সে যদি নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে বা প্রতিপক্ষের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৫৪ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে যদি সাক্ষী বৈরী হয়ে যায়। সাধারণত, জেরা করার অধিকার প্রতিপক্ষের থাকে, তবে যদি আদালত মনে করে যে একজন সাক্ষী ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছে, তবে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষও তাকে জেরা করতে পারে।

 কখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
১) যখন সাক্ষী তার নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়।
২) যখন সাক্ষী প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে।
৩) যখন সাক্ষী তার আগের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে আসে বা বিপরীত কথা বলে।

উদাহরণ:
- একজন সাক্ষী যদি পুলিশের সামনে একরকম বক্তব্য দেয়, কিন্তু আদালতে এসে তার বিপরীত কথা বলে, তাহলে সে বৈরী সাক্ষী বলে গণ্য হতে পারে।

⇒ অর্থাৎ যদি একজন সাক্ষী তার পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলে অথবা প্রতিপক্ষের পক্ষে কথা বলে, তাহলে তাকে বৈরী সাক্ষী বলা হয় এবং সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জেরা করতে পারে।
- এটি আদালতের বিবেচনার বিষয় যে সাক্ষী সত্যিই বৈরী কি না।

১,৯৮৪.
কোন ক্ষেত্রে বাদীপক্ষকে ত্রুটি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে Order-VII, rule-11 এ আরজি প্রত্যাখ্যান করা যায়?
  1. প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যায়ন কম করা হলে
  2. আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
  3. মামলার আরজি কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন না করলে
  4. আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে
ব্যাখ্যা
♦আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে, আদালত আরজি সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। আরজিতে প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান কম করা হলে বা প্রয়োজনের তুলনায় কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হলে বা আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে, আদালত উক্ত ক্ষেত্রে সরাসরি আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিবে না বরং প্রার্থিত প্রতিকারের মূল্যমান সংশোধন করতে, আরজি প্রয়োজনীয় কার্টিজ পেপারে উপস্থাপন করার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য ২১ দিন সময় দিবে। যদি উক্ত ২১ দিনের মধ্যে বাদী এমন আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করবে।

♦আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে। [ধারা-২(২)] ~ আরজি নাকচ / প্রত্যাখ্যানের কারণ ৪টি:

১) মোকদ্দমার কারণ উল্লেখ না করলে (Cause of action)

২) দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেয়া হলে (undervalued)

৩) অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিখা হলে (insufficiency stamped)

৪) মোকদ্দমাটি আইন/তামাদিতে বারিত হলে (Barred by law)

দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে বা অপর্যাপ্ত স্ট্যাম্পের ক্ষেত্রে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ২১ দিন সময় দিতে পারে।
১,৯৮৫.
বর্তমানে তামাদি আইনে কতটি ধারা ও তফসিল বলবৎ আছে?
  1. ২৯টি ধারা এবং ২টি তফসিল
  2. ৩০টি ধারা এবং ১টি তফসিল
  3. ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
  4. ৩১টি ধারা এবং ১টি তফসিল
সঠিক উত্তর:
২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) অনুযায়ী:
- ২৯টি ধারা বলবৎ আছে।
- ১টি তফসিল বলবৎ আছে।
অতএব, বর্তমানে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনে মোট ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে।

আইনের তফসিল (১টি):
এই তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যেখানে তিন ধরনের বিষয়ের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে— 
- মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১-১৪৯।
- আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৫০-১৫৭।
- দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৫৮-১৮৩।
১,৯৮৬.
কোন আদালত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে না?
  1. আপিল বিভাগ
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. স্মল কজ কোর্ট
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মল কজ কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৮২ মতে কোন কোন আদালত বিক্রয় করার আদেশ প্রদান করতে পারে: স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।
- সুতরাং স্মল কজ কোর্ট ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
-------------------
Order-21 Rule-82. What Courts may order sales:
- Sales of immovable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.
১,৯৮৭.
যদি সমন জারি না হয়ে ফেরত আসে, আদেশ-৯, বিধি-৫ অনুযায়ী বাদীকে কত দিনের মধ্যে নতুন সমনের জন্য আবেদন করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ১ মাসের মধ্যে
  4. ৩ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯, বিধি-৫:
(১) বিবাদীকে কিংবা কতিপয় বিবাদীর কোনো একজনের প্রতি সমন দেওয়ার পর যদি তা জারি না হয়ে ফেরত আসে, এবং আদালতের যে কর্মচারী সাধারণত সমন জারির বিষয়ে আদালতের কাছে প্রত্যয়ন করেন, তিনি আদালতে উক্ত সমন জারি না হওয়ার প্রত্যয়নপত্রসহ তা ফেরত দেওয়ার পর এক মাসের মধ্যে বাদী যদি নতুন সমন দেওয়ার জন্য আবেদন না করেন, তাহলে আদালত অনুরূপ বিবাদীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমাটি খারিজের আদেশ দেবে। তবে, যদি উক্ত এক মাসের মধ্যে বাদী নিম্নলিখিত যে কোনো কারণ দর্শিয়ে আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন—

ক) যে বিবাদীর উপর সমন জারি হয়নি, বাদী যথাসাধ্য সকল চেষ্টা করেও সেই বিবাদীর ঠিকানা আবিষ্কার করতে ব্যর্থ হয়েছে; অথবা
খ) উক্ত বিবাদী পরোয়ানা জারি এড়িয়ে চলছেন; অথবা
গ) সময়ের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো যৌক্তিক কারণ রয়েছে, তাহলে আদালত নতুন সমন দেওয়ার আবেদনের সময়ের মেয়াদ উপযুক্ত মনে করে বৃদ্ধি করতে পারবে।

(২) অনুরূপ ক্ষেত্রে বাদী (তামাদি আইন সাপেক্ষে) নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেন।
১,৯৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারার অনুযায়ী সমন অনুযায়ী সাক্ষী হাজির না হলে আদালত সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০০
  2. ২০০
  3. ২৫০
  4. ৫০০
সঠিক উত্তর:
২৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
- সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty.
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১,৯৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় মৃত্যুদণ্ড সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৩৬৮
  2. ৩৬৯
  3. ৩৭১
  4. ৩৭২
সঠিক উত্তর:
৩৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১,৯৯০.
দেওয়ানি আদালতসমূহকে ________ প্রদত্ত নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতির একটি সীলমোহর ব্যবহার করতে হবে।
  1. আইন
  2. সরকার
  3. বিচারক
  4. হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
Section 16 of The Civil Courts Act, 1887-
Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.
⇒ এই আইনের অধীন প্রত্যেক দেওয়ানী আদালতকে সরকার প্রদত্ত নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতির একটি সীলমোহর ব্যবহার করতে হবে।

• এই বিধানটি দেওয়ানী আদালতগুলোর জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সীলমোহর ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশিকা প্রদান করে। এর উদ্দেশ্য হল সকল দেওয়ানী আদালতের জন্য একটি নির্দিষ্ট মানের সীলমোহর ব্যবহারকে বাধ্যতামূলক করা।

"সরকার প্রদত্ত" অংশটি বোঝায় যে, সীলমোহরের আকার ও আকৃতি সরকারের দ্বারা নির্ধারিত হবে। আদালতগুলোকে নিজেদের ইচ্ছামত সীলমোহর ব্যবহার করার অনুমতি থাকবে না।
"নির্দিষ্ট আকার ও আকৃতি" অংশটি বোঝায় যে, সীলমোহরের আকৃতি ও আকার সুনির্দিষ্ট হবে। অর্থাৎ সরকার দ্বারা নির্ধারিত মাপদণ্ড থাকবে যা অনুসরণ করতে হবে।

এই বিধানটি প্রধানত আদালতগুলোর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও স্বীকৃত মানের সীলমোহর ব্যবহারের নিশ্চয়তা প্রদান করে। এটি আনুষ্ঠানিকতাকে বজায় রাখতে এবং আদালতের নথিপত্রগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়।
১,৯৯১.
X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর কি অপরাধ হলো-
  1. ক্ষতি
  2. প্রতারণা
  3. প্রবঞ্চনা
  4. ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
সঠিক উত্তর:
ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণাঃ কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

♦উদাহরণসমূহঃ
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

♦অর্থাৎ প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১,৯৯২.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুযায়ী, কোন বয়সী নাবালিকাকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণের অপরাধের আওতায় আনা হয়?
  1. ১৪ বছরের কম
  2. ১৬ বছরের কম
  3. ১৮ বছরের কম
  4. ২১ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের কম
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৬১ অনুসারে, ষোল বৎসরের কম বয়সী কোনো নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে গেলে তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ হিসেবে গণ্য হবে। ছেলেদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা চৌদ্দ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।
ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person.
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.

১,৯৯৩.
কখন পারস্পরিক দায়শোধের আবেদন করার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন?
  1. মোকদ্দমা দায়েরের আগে
  2. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়
  3. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর পর
  4. মোকদ্দমা সমাপ্তির পর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর পর
ব্যাখ্যা
• পারস্পরিক দায়শোধ [Set off]:
পারস্পরিক দায়শোধ বা দাবী সম্বনয় অর্থ হলো একটি দাবীর বিরুদ্ধে অন্য একটি দাবী উত্থাপন করা। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় এমন অনেক ক্ষেত্র থাকে যেখানে বাদী ও বিবাদী প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অর্থ দাবী করতে পারে বা উভয় পক্ষ একে অপারের নিকট পাওনা দাবী করতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে উভয়ের পাওনা সম্বনয় করার প্রশ্ন ওঠে। দেওয়ানী কার্যবিধিতে ২ ধরণের পারস্পরিক দায়শোধ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
১. আইনানুগ পারস্পরিক দায় শোধ [legal set off];
২. ন্যায়সঙ্গত দাবী সম্বনয় [Equitable set off].

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৬ বিধির অধীন বিবাদী পারস্পরিক দায় শোধের আবেদন করতে পারে। বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে পারস্পরিক দায় শোধের বা সমন্বয়ের আবেদন করতে পারে অর্থের মামলায়। অর্থাৎ বাদী যদি বিবাদীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী লিখিত আবেদন করতে পারে। আদালতের অনুমতি ছাড়া, মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর সময়, বিবাদী যে ঋণের জন্য পারস্পরিক দায়শোধ বা Set off দাবী করছে সেই ঋণের বা পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানীর পরও Set off এর আবেদন করা যাবে।
১,৯৯৪.
ফৌজদারি সমন জারী করার জন্য প্রধান শর্ত কী?
  1. বিচারকের মৌখিক নির্দেশ
  2. স্থানীয় থানার অনুমোদন
  3. মামলার সাক্ষীর স্বাক্ষর
  4. লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত ফরমে বিচারকের স্বাক্ষর এবং সীলমোহর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।

(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
১,৯৯৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-XXVI, Rule-9 অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির Order XXVI, Rule 9 অনুযায়ী, আদালত যদি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন মনে করে (যেমন: সম্পত্তির বাজারমূল্য নির্ধারণ, অন্তবর্তীকালীন মুনাফা, খেসারত ইত্যাদি), তবে আদালত কমিশনের মাধ্যমে একজন কমিশনার নিযুক্ত করতে পারেন।
- এই কমিশনারকে আদালত "অনধিক তিন মাসের মধ্যে" প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে আদালতের বিবেচনায় যদি যথার্থ কারণ থাকে এবং কমিশনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়, তাহলে আদালত সময় বৃদ্ধি করতেও পারেন।

⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-26, Rule-9: Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১,৯৯৬.
কোনটির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি 'চোরাই মাল' হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
চোরাইমাল [Stolen Property]:
৪১০ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৫টি উপায়ে কোন সম্পত্তির দখল হস্তান্তর বা গ্রহণ করা হলে উক্ত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে-
১. চুরি,
২. বলপূর্বক গ্রহণ,
৩. দস্যুতা,
৪. অপরাধমূলক আত্মসাৎ,
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।

প্রতারণা বা ডাকাতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না। যদি চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে, তাহলে উক্ত সম্পত্তি আর চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না।

Section 410- Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
১,৯৯৭.
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারা অনুযায়ী, 'নির্বাচনী অধিকার' বলতে কী বোঝায়?
  1. ভোট দেওয়ার অধিকার
  2. প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানো বা না দাঁড়ানোর অধিকার
  3. ভোট দেওয়া বা ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার (খ) উপধারা অনুযায়ী, "নির্বাচনী অধিকার" বলতে বোঝানো হয়েছে—
- প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর অধিকার
- প্রার্থী না হওয়ার অধিকার
- প্রার্থী হওয়ার পর মনোনয়ন প্রত্যাহারের অধিকার
- ভোট দেওয়ার অধিকার
- ভোটদান থেকে বিরত থাকার অধিকার
→ অতএব, উল্লিখিত প্রশ্নে 'উপরের সবগুলো ' সঠিক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান 'নির্বাচন প্রার্থী' 'নির্বাচনী অধিকার' কথা দুইটির সংজ্ঞা :- এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে- (ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;
(খ) নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।
------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-171A- “Candidate”, “Electoral right” defined:
- For the purposes of this Chapter -
- (a) "candidate" means a person who has been nominated as a candidate at any election and includes a person who, when an election is in contemplation, holds himself out as a prospective candidate thereat; provided that he is subsequently nominated as a candidate at such election;
- (b) "electoral right" means the right of a person to stand, or not to stand as, or to withdraw from being, a candidate or to vote or refrain from voting at an election.
১,৯৯৮.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. মক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
  2. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  3. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
  4. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মেক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
- Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।

- সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।

- বিধি-৭: মোকদ্দমাকারী মক্কেল, আইনজীবী নহেন। মক্কেলগনের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ত সম্পর্ক আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করিবে না, এমনকি প্রতিপক্ষের মক্কেলের প্রতিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলিবে না। আইনজীবীদেরকে পারস্পরিক সংঘাত এড়াইয়া চলিতে হইবে। মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে এক পক্ষের আইনজীবী অপর পক্ষের আইনজীবীর ব্যক্তিগত স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের প্রতি বিদ্রূপাত্মক কোন ইঙ্গিত করিতে পারিবেন না। মামলা দীর্ঘায়িত করিতে পারে কিংবা অশোভনীয় কলহের সৃষ্টি করিতে পারে এমন ধরনের কথোপকথন আইনজীবীদের অবশ্যই সতর্কতার সহিত পরিহার করিতে হইবে।
----------------------------
- Rule-7: Clients, not Advocates, are the litigants. Whatever may be the ill feeling existing between clients, it should not be allowed to influence Advocates in their conduct and demeanour toward each other or toward the parties in the case. All personal clashes between Advocates should be scrupulously avoided, in the trial of a cause it is indecent to allude to the personal history or the personal peculiarities and idiosyncrasies of Advocates appearing on the other side. Personal colloquies between Advocates which cause delay and promote unseemly wrangling should be carefully avoided.
১,৯৯৯.
কোন বেআইনি উদ্দেশ্যে কোন মহিলা অপহৃত হয়েছে বা আটক রয়েছে এমন নালিশের ভিত্তিতে উক্ত মহিলাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন __________।
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. ক এবং খ উভই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভই
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ৫৫২ ধারার বিধান অপহৃতা নারী প্রত্যার্পণে বাধ্য করার ক্ষমতাঃ কোন বে-আইনী উদ্দেশ্যে কোন স্ত্রীলোককে কিংবা ষোল বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বা বে-আইনীভাবে আটক রাখা হয়েছে মর্মে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর শপথ পূর্বক নালিশ করা হলে তিনি সে স্ত্রীলোককে অবিলম্বে মুক্তি দিবার বা উক্ত বালিকাকে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা পিতা, অভিভাবক বা তার আইন সংগত হেফাজতের অধিকারী অন্য কোন ব্যক্তির নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করে এই আদেশ পালনে বাধ্য করতে পারবেন।
২,০০০.
সহকারী জজের ডিক্রীর বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপীল দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২১(২) অনুযায়ী, সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট আপীল দায়ের করতে হয়।
- এতে তামাদির মেয়াদ হিসেবে ৩০ দিন নির্ধারিত রয়েছে, যা তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫২ অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপীলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- তামাদি মেয়াদ: ৩০ দিন।
- সময়সীমা গণনা: যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে, তার তারিখ থেকে গণনা শুরু হবে।

অর্থাৎ সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের আদালতে আপীল করার জন্য তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।