বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১১ / ১২৬ · ১১,০০১১১,১০০ / ১২,৬০৫

১১,০০১.
ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তিতে কে শপথনামা (Affidavit) প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তিকারী পক্ষ
  2. উকিল বা তার মুহুরী
  3. ৩য় যেকোনো পক্ষ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-

১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১]
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২]
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]

আদেশ ১২ বিধি ৭ঃ 

কোন ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দেয়া হলে, তদনুসারে কোন স্বীকারোক্তি করা হলে যদি তার প্রমাণ আবশ্যক হয়, তবে উকিল বা তার মুহুরী উক্ত স্বীকারোক্তিতে প্রদত্ত স্বাক্ষরের শপথনামা প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে।
[An affidavit of the pleader or his clerk, of the due signature of any admissions made in pursuance of any notice to admit documents or facts shall be sufficient evidence of such admissions, if evidence thereof is required.]
১১,০০২.
একটি জেলা জজ আদালত নিম্নে কোন বিচারিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. কোন উচ্চতর আদালতের কার্যক্রম
  2. কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
  3. কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
  4. কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal):

মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-

তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা
৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা
৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
১১,০০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি ২ অনুযায়ী- আদালত কার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের সহযোগী
  3. ৩য় কোনো পক্ষের
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।

আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
১১,০০৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ১৩৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১২১ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের শান্তি শৃঙ্খলা  বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনী সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
----------
⇒ Section 141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third. To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or 
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
১১,০০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারার বিধান অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের কপি কোথায় প্রেরণ করবেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং হাইকোর্ট বিভাগের নিকট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১১,০০৬.
'পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়'- এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৩ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারা
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ২৬ – পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়-
কোনো ব্যক্তি যদি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না তা ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি উপস্থিতিতে প্রদান করা হয়।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় “ম্যাজিস্ট্রেট” বলতে কোনো গ্রামের প্রধানকে বোঝানো হয় না, যদি না তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।

Confession by accused while in custody of police not to be proved against him-
No confession made by any person whilst he is in the custody of a police-officer, unless it be made in the immediate presence of a Magistrate, shall be proved as against such person.
Explanation.– In this section "Magistrate" does not include the head of a village discharging magisterial functions unless such headman is a Magistrate exercising the powers of a Magistrate under the Code of Criminal Procedure, 1898.
১১,০০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামে কোন বিষয় নির্ধারণ করা হয়?
  1. অপরাধের শাস্তির পরিমাণ
  2. অপরাধটি জামিনযোগ্য কি না
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কি না
  4. প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট
সঠিক উত্তর:
প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামে নির্ধারণ করা হয় যে, কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে। এটি মামলার প্রকৃতি এবং আদালতের প্রাথমিক পদক্ষেপ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে, যা অপরাধের গুরুত্ব এবং আইনি প্রক্রিয়ার ধরন নির্ধারণে সহায়ক।
অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) অপরাধের শাস্তির পরিমাণ: এটি সপ্তম কলামে উল্লেখ থাকে, চতুর্থ কলামে নয়।
খ) অপরাধটি জামিনযোগ্য কি না: এটি পঞ্চম কলামে উল্লেখ করা হয়।
গ) অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কি না: এটি ষষ্ঠ কলামে উল্লেখ থাকে।
অতএব, চতুর্থ কলামে শুধুমাত্র সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু সম্পর্কিত বিষয় নির্ধারণ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

১১,০০৮.
আদালতের ডিক্রির কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে প্রেরণ করতে হয় একটি
  1. লিখিত দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে
  2. লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
  3. চুক্তি রদের ক্ষেত্রে
  4. সম্পত্তি স্বত্ব ঘোষনার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877, ধারা 39 অনুযায়ী দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত দলিলটি বাতিল মর্মে রায়ের সাথে সাথে দলিলটি আদালতে অর্পণেরও আদেশ দিয়ে থাকেন। দলিলটি The Registration Act, 1908 এর অধীনে রেজিস্ট্রি হয়ে থাকলে যে অফিসে এটি রেজিস্ট্রি হয়েছে সে অফিসে (রেজিস্ট্রি অফিসে) রায়ের একটি কপি প্রেরণ করবেন যেন সংশ্লিষ্ট অফিসার উক্ত দলিলের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

♦The Specific Relief Act, 1877, ৩৯  ধারাটি হলঃ যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করাযেতে পারেঃ যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তবে তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসেবে ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
♦যদি দলিল রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সেই অফিসারের নিকট প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং তেমন অফিসার তার বইতে দলিলের নকলে উহার বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন।
১১,০০৯.
চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় কত বছরের মধ্যে
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦সিডিউল ১, আর্টিকেল ১১৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ১২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে  চুক্তির মেয়াদ হতে বা চুক্তির মেয়াদ না থাকলে চুক্তির সম্পাদন অস্বীকার করার বিষয়ে জানার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে। পূর্বে এই মেয়াদ ৩ বছর ছিলো যা ২০০৪ সালে সংশোধন করা হয়।
১১,০১০.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে,বিধি অনুযায়ী আদালত কি আদেশ দিতে পারে?
  1. উক্ত পক্ষকে ১০০০ টাকা জরিমানা
  2. উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা
  3. মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আদালত কর্তৃক অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ এবং দাখিল না করার ফলাফল:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment] করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

• প্রতিকার:

১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো আপীলযোগ্য আদেশ তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
১১,০১১.
কয়টি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়-
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা মতে ২টি ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়।
(i) নিজের অথবা অন্য কারোর দেহ বা শরীরের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার (ধারা: ১০০-১০২);
(ii)স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার (ধারা: ১০৩-১০৫)।
১১,০১২.
'উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না' The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৮ক ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ২২ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৩২খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক [When oral admissions as to contents of digital records are relevant]:

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
১১,০১৩.
দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুসারে 'অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা' বলতে কী বোঝায়?
  1. সাধারণ মিথ্যা বলা
  2. অন্যের স্বাক্ষর জাল করা
  3. নিজের আসল পরিচয় গোপন করা
  4. অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য ব্যক্তি বা কাল্পনিক ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৬ অনুযায়ী, অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা মানে হলো—কোন ব্যক্তি নিজের আসল পরিচয় গোপন করে অন্য কোনো ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে বা অন্য কাউকে অন্য কারো পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা। এতে যে ব্যক্তি যার রূপ ধারণ করা হয়েছে, সে প্রকৃত ব্যক্তি হোক বা কাল্পনিক, তার সঙ্গে অপরাধটি সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, অন্য কারো নাম বা পরিচয়ে ভুয়া কথা বলার মাধ্যমে কারো বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণা করা এই ধারার আওতাভুক্ত।
এজন্য সাধারণ মিথ্যা বলা, নিজের পরিচয় গোপন করা বা স্বাক্ষর জাল করা আলাদা অপরাধ হলেও, ধারা ৪১৬ শুধু অন্য কারো রূপ ধারণ করে প্রতারণার জন্য প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-416. Cheating by personation:
A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation. -The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
১১,০১৪.
দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় করতে হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
 ♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৭ মতে- দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডাদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল ধরণের ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে দায়রা জজের নিকট।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারার বিধান দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে শাস্তিপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেন, যিনি স্বয়ং উক্ত আপীলের শুনানী গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করতে পারেন বা কোন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আপীলটি নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে পারেন, এবং ঐভাবে প্রেরিত আপীল প্রত্যাহার করে নিতে পারেন।
১১,০১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১ক ধারার অধীনে ফৌজদারি মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ নিচের কোন ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
  3. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করতে
সঠিক উত্তর:
মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।
- একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
-------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
১১,০১৬.
নিম্নের কোনটি প্লিডিংসে উল্লেখ থাকবে?
  1. আইন [Law]
  2. গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
  3. সাক্ষ্য [evidence]
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts]
ব্যাখ্যা
• প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts] উল্লেখ থাকবে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]

• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• প্লিডিংস সম্পর্কে নিয়ম:
প্লিডিংসে শুধুমাত্র ঘটনা [Material Facts] উল্লেখ করতে হবে, আইন [Law] বা সাক্ষ্য [evidence] উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। প্লিডিংসে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি [Material Facts] উল্লেখ থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। যেমন- মোকদ্দমার কারণ ইত্যাদি।

Order 6 rule 2: Pleading to state material facts and not evidence-
Every pleading shall contain, and contain only, a statement in a concise form of the material facts on which the party pleading relies for his claim or defence, as the case may be, but not the evidence by which they are to be proved, and shall, when necessary, be divided into paragraphs, numbered consecutively. Dates, sums and numbers shall be expressed in figures. 
১১,০১৭.
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ১৬৭ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৩ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-৬৭ তে বিনা পরোয়ানা গ্রেফতার (Arrest Without warrent) সংক্রান্ত বিধি-বিধান আছে।
ধারা ৬২ অনুযায়ী, পুলিশ গ্রেফতার সম্পর্কে অর্থাৎ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দিবেন এবং মহানগর এলাকায় হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে, অন্যান্য এলাকায় হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিবেন।

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

Section 63: Discharge of person apprehended
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
১১,০১৮.
লিখিত জবাবের সাথে দাখিলকৃত দলিলাদি আদালত কখন ফেরত প্রদান করতে পারে?
  1. ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কপি আদালতে দাখিল করলে
  2. উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে
  3. ক এবং খ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ৮ বিধি (১)-

১) ৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।

২) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার দখলীয় কিংবা ক্ষমতায় রক্ষিত দলিলসমূহের উপর তার আত্মপক্ষ সমর্থনের বা দাবী সমন্বয় করার দাবীর সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে নির্ভর করেন, সেক্ষেত্রে তিনি লিখিত বিবৃতি পেশ করার সময় তা আদালতে উপস্থাপন করবে এবং তখনই দলিলসমূহ লিখিত বিবৃতির সাথে নথিভুক্ত করার জন্য দিবে ।

৩) শুনানির সময় বা আদালত তলব করলে তখনই দাখিল করার অঙ্গীকার প্রদান করে ঐ সকল দলিলের ফটোস্ট্যাট কিংবা উকিল কর্তৃক সত্যায়িত প্রতিলিপি প্রতিস্থাপিত হওয়ার পর প্রতিলিপি আদালতে দাখিল করলে আদালত এরূপ দলিলাদি ফেরত প্রদান করতে পারে।

৪) যেক্ষেত্রে বিবাদি তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বা পাল্টা দাবীর অধিকার সমর্থনে তার দখলে ব ক্ষমতায় না থাকা অন্য প্রকার দলিলাদির উপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে সে লিখিত বিবৃতির সঙ্গে সংযোজন কিংবা যুক্ত করার জন্য একটি তালিকায় অনুরূপ দলিলাদি অন্তর্ভুক্ত করবে এবং ঐ দলিলাদি কার দখলে বা ক্ষমতায় আছে তা বর্ণনা করবে।

৫) যে দলিল বিবাদি কর্তৃক লিখিত বিবৃতি দাখিলের সময় উপস্থাপন করা কোন তালিকায় লিপিবদ্ধ করে লিখিত বিবৃতির সাথে সংবর্ধিত কিংবা যুক্ত করা উচিত ছিল এবং যা তদনুসারে হাজির বা তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়নি, তা আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে মোকদ্দমা শুনানিকালে তার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে নাঃ তবে শর্ত থাকে যে, আদালত ব্যতিক্রমধর্মী অবস্থা ব্যতিরেকে উক্তরূপ অনুমতি প্রদান করবে না।

৬) বাদির সাক্ষীদের জেরা করার জন্য কিংবা বাদির মাধ্যমে উত্থাপিত কোন বিষয়ের জবাবে কিংবা কোন সাক্ষীর স্মৃতিশক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য যে সকল দলিল তার হাতে দেয়া হয়, (৫) উপ-বিধির কোন বিধানই ঐ দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১১,০১৯.
ক্ষতিপূরণ মামলার ক্ষেত্রে কখন থেকে মামলার তামাদির মেয়াদ শুরু হয়?
  1. যখন ক্ষতি সাধিত হয়
  2. যখন মামলা করার কারণ উদ্ভব হয়
  3. ক্ষতিকর কাজটি যখন করা হয়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারায় বলা আছে- কোন ক্ষতি সাধিত না হলে বা কোন মামলা করার কারণ উদ্ভব হবার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।
- তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
--------------------------
Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.
১১,০২০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত আদেশের কত বিধি অনুযায়ী প্লিডিংস কর্তন (Striking Out of Pleadings) এর আবেদন করতে হয়?
  1. Order VII, Rule XVII
  2. Order VI, Rule XVI
  3. Order VI, Rule XVII
  4. Order VI, Rule XV
সঠিক উত্তর:
Order VI, Rule XVI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order VI, Rule XVI
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের বিধানসমূহ রয়েছে।

প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায় [Pleadings shall mean plaint or written statement]। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• আদেশ-৬, বিধি-১৬: প্লিডিংস কর্তন (Strike out of pleadings)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে  প্লিডিংস কর্তনের (Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।

• আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
⇒ অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
⇒ কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
⇒ বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice, embarras or delay fair trial of the suit)
১১,০২১.
কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে উক্ত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে, তাহলে তাকে কী অপরাধে দণ্ডিত করা হবে?
  1. চুরি
  2. ক্ষতি
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তি পরিচালনার দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করে, অথবা যে নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল, তা ভঙ্গ করে এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত চুক্তি বা নির্দেশনার বিপরীতে গিয়ে সম্পত্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসাধু আচরণ করে, অথবা তা অন্যভাবে বিতরণ করে, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে তা করার সুযোগ প্রদান করে, তবে সেই ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ" (Criminal Breach of Trust) এর অপরাধ করেছে।
১১,০২২.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'Extinguishment of right to property' এর বিধান আছে?
  1. ২৬ ধারার
  2. ২৭ ধারার
  3. ২৮ ধারার
  4. ২৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement)
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।
ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
--------------------
Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
১১,০২৩.
কাজল ১২ মাসের মধ্যে ৯ টি ল্যাপটপ ছিনতাই করে এবং ছিনতাইকৃত ল্যাপটপসমূহ খলিল এর নিকট গচ্ছিত রাখে এবং খলিল সেগুলোর ৫ টি রহমান এর কাছে এবং ৪ টি জিতু এর কাছে বিক্রয় করে।খলিল, রহমান এবং জিতু জানতো যে সেগুলো ছিনতাইকৃত ল্যাপটপ। এক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক।
  1. কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
  2. কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর পৃথকভাবে বিচার হবে।
  3. শুধুমাত্র কাজল ও খলিল এর একত্রে বিচার হবে।
  4. শুধুমাত্র রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
সঠিক উত্তর:
কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজল, খলিল, রহমান এবং জিতু এর একত্রে বিচার হবে।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-২৩৯ মোতাবেক-
• নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণকে একত্রে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবেঃ
ক) একই ব্যাপারে কৃত একই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
খ) কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত অপরাধে সহায়তা দেয়া বা উক্ত অপরাধ করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
গ) বারো মাস সময়ের মধ্যে কত ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ;
ঘ) একই ব্যাপারে কৃত বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ
ঙ) চুরি, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় বা অপরাধজনক আত্মসাৎ সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং এরূপ সম্পত্তি গ্রহণ বা রাখা বা গোপন করা বা হস্তান্তর করার সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ। যে সম্পত্তির দখল প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণ উক্ত অপরাধ দ্বারা হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা, শেষোক্ত কোন অপরাধ করার জন্য সহায়তা দিয়াছে বা অপরাধের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চ) দণ্ডবিধির- ৪১১ ও ৪১৪ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ অথবা এমন চোরাইমাল সম্পর্কে উক্ত ধারা দুইটির যেকোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ। যে চোরাই মালের দখল একটি অপরাধ দ্বারা হস্তান্তরিত হয়েছে; এবং
ছ) জাল মুদ্র সম্পর্কে দ্বাদশ অধ্যায়ের কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত মুদ্রা সম্পর্কে উক্ত অধ্যায়ের অন্য কোন অপরাধ বা অপরাধের সহায়তা বা অপরাধের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।
১১,০২৪.
দণ্ডিত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া যায় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৭
  2. ৪৯৮
  3. ৪৯৯
  4. ৪২৬
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]
♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]
♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]
♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]
♦ অর্থাৎ দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে আপিল আদালত দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারেন এবং তাঁকে জেল হতে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে পারেন।
১১,০২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় রায়, ডিক্রী বা আদেশ সংশোধন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৮ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫২ ধারায় বলা হয়েছে যে, রায়, ডিক্রী ও আদেশের করণিক বা গাণিতিক ভূল অথবা কোন আকষ্মিক ভ্রান্তির কারনে কোন ভুল হলে যে কোন সময় আদালত নিজ উদ্যোগে বা কোন পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা সংশোধন করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
---------
⇒ CPC Section: 152. Amendment of judgments, decrees or orders:
-Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১১,০২৬.
রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তির সময় কবে থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. রিভিশন দায়েরের তারিখ থেকে
  2. পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
  3. রিভিশনের প্রথম শুনানির তারিখ থেকে
  4. রায় প্রদানকারী আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ প্রদান করার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪২ক- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১১,০২৭.
জমি থেকে বেদখল হওয়ার পর কত দিনের মধ্যে স্বত্ব দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ অনুচ্ছেদ ১৪২-

যখন বাদী স্থাবর সম্পত্তির দখলে, তখন বাদী বেদখল হলে অথবা বাদী তার দখল ত্যাগ করলে সেই সম্পত্তির দখল লাভের জন্য দখলের তারিখ হতে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
১১,০২৮.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আহত ব্যক্তি কত দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২০ দিন।
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোনো চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোনো কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোনো অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.- Emasculation.
Secondly.- Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.- Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.- Privation of any member or joint.
Fifthly.- Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.- Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.- Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.- Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
১১,০২৯.
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার (Refreshing memory) সুবিধা নেয়া যায় সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ১৫০ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ১৫৮ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দলিল দেখে উত্তর দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সাক্ষী তার নিজের লেখা, অন্যের লেখা বা দলিলের নকল দেখেও উত্তর দিতে পারেন। এটাই হল Refreshing memory। সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারায় স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করন বা Refreshing memory এর বিধান রয়েছে। এছাড়াও সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ থেকে ১৬১ ধারায় এ সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-

i) সাক্ষ্য আইনের ১৫৯ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কেস ডায়েরী দেখতে পারবেন। এভাবে ১৫৯ ধারার অধীন একজন বিশেষজ্ঞ তার পেশা সম্পর্কিত পুস্তক দেখিয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।

ii) সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তার মামলা তদন্তকালে কেস ডায়েরীতে লিপিবদ্ধকৃত বিষয়াবলী সম্পর্কে আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

iii) সাক্ষ্য আইনের ১৬১ ধারা অনুসারে কোন মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সাক্ষ্য আইনের ১৬০ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় বিবাদী পক্ষ জেরা করতে পারবেন। অর্থাৎ স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কোন সাক্ষী কর্তৃক যে লিখিত বিবৃতি ব্যবহার করা হয়েছে, বিরোধী পক্ষ উক্ত লিখিত বিবৃতি দেখতে চাইতে পারে, উক্ত সাক্ষীকে জেরা করতে পারে বা উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে
১১,০৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮ ধারা এবং ৯ ধারা
  2. ৯ ধারা এবং ১০ ধারা
  3. ১০ ধারা এবং ১১ ধারা
  4. ১১ ধারা এবং ১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা এবং ১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারা এবং ১১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারা এবং ১১ ধারায় 'Res sub judice' এবং 'Res judicata' নীতি আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

এই নীতিগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো—
- আদালতের সময় ও সম্পদের সাশ্রয়: একই বিষয়ে বারবার মামলা দায়ের বন্ধ করে আদালতের মূল্যবান সময় ও সম্পদ রক্ষা করা।
- বিচারব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও সম্মান বজায় রাখা: একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন রায় এড়িয়ে ন্যায়বিচারের মর্যাদা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা।
- বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি: একই বিষয়ে একাধিক মামলা হলে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা প্রতিরোধ করা।
- পক্ষগুলোর অপ্রয়োজনীয় হয়রানি রোধ: বিরোধী পক্ষকে একই বিষয়ে বারবার মামলা লড়ার চাপ ও হয়রানি থেকে মুক্ত রাখা। 
১১,০৩১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে আদালত জরিমানার টাকা ব্যয় করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার বিচারকার্যের ব্যয় মেটানোর
  2. অপরাধের ফলে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে
  3. সরল বিশ্বাসে চোরাইমাল ক্রেতার ক্ষতিপূরণ দেওয়া যাবে।
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৫ ধারার বিধান-জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,
(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,
(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোৱাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উত্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-545: Power of Court to pay expenses or compensation out of fine:
(1) Wherever under any law in force for the time being a Criminal Court imposes a fine or confirms in appeal, revision or otherwise a sentence of fine, or a sentence of which fine forms a part, the Court may, when passing judgment, order the whole or any part of the fine recovered to be applied– 
(a) in defraying expossess properly incurred in the prosecution; 
(b) in the payment to any person of compensation for any loss or injury caused by the offence, when substantial compensation is, in the opinion of the Court, recoverable by such person in a Civil Court; 
(c) when any person is convicted of any offence which includes theft, criminal misappropriation, criminal breach of trust, or cheating, or of having dishonestly received or retained, or of having voluntarily assisted in disposing of, stolen property knowing or having reason to believe the same to be stolen, in compensating any bona fide purchaser, of such property for the loss of the same if such property is restored to the possession of the person entitled thereto.

(2) If the fine is imposed in a case which is subject to appeal, no such payment shall be made before the period allowed for presenting the appeal has elapsed, or, if an appeal be presented, before the decision of the appeal.
১১,০৩২.
একজন সিভিল জজের আপিল অযোগ্য আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করতে হয় -
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা

রিভিশন (Revision)
রিভিশন হলো উচ্চতর আদালতের পুনর্বিবেচনামূলক প্রতিকার। উচ্চতর আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত নিম্নতর আদালতের উপর তদারকি ক্ষমতা হলো রিভিশন। দেওয়ানী ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচারকার্যে রিভিশন প্রযোজ্য। রিভিশনের ক্ষমতাকে তদারকি ক্ষমতা বা ন্যায়বিচার সম্পন্ন করার ক্ষমতা বা নথিপত্র তলব করার ক্ষমতাও বলে।


দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় রিভিশনের বিধান রয়েছে।
১১৫ ধারার বিধান মোতাবেক হাইকোর্ট ও জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে-
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
২) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন ডিক্রির বিরুদ্ধে- হাইকোর্ট বিভাগে
৩) যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক আপিলঅযোগ্য কোন আদেশের বিরুদ্ধে - জেলা জজ আদালতে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর জারি করা Civil Courts (Amendment) Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে ‘সহকারী জজ’ ও ‘সিনিয়র সহকারী জজ’ পদবি বাতিল করে যথাক্রমে ‘সিভিল জজ’ এবং ‘সিনিয়র সিভিল জজ’ নামকরণ করা হয়েছে।

১১,০৩৩.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ৩৫ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
- দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
- দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
- এই আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
১১,০৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান আনুসারে ফৌজদারি মামলায় একজন দোভাষী সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে ব্যাখা করতে বাধ্য?
  1. ৫৪০
  2. ৫৪৩
  3. ৫৪৪
  4. ৫৪৫
সঠিক উত্তর:
৫৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারা অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
-কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
---------------------------
⇒ Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
১১,০৩৫.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী সর্বনিম্ন কত জনের অংশগ্রহণে বেআইনী সমাবেশ সংঘটিত হয়?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দন্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।

♦ দন্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনী সমাবেশ বলে গণ্য হবে। যথা-

i) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান।
ii) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
iii) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
iv) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত।
v) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

♦ বেআইনী সমাবেশ হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৫ জন ব্যক্তি এবং ১৪১ ধারায় উল্লেখিত ৫ ধরনের সাধারণ উদ্দেশ্যের (common object) যে কোন একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই থাকতে হবে।
১১,০৩৬.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কত নং আইন হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. ১ নং
  2. ৩ নং
  3. ৫ নং
  4. ৭ নং
সঠিক উত্তর:
৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)

- সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়।
- বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।
- দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
- এই আইনে দেওয়ানি আদালত এবং মামলার পক্ষগুলোর জন্য যেসব নিয়ম মানতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কিভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কিভাবে দিতে হয়।
- কিভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কিভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কিভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ এটি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
১১,০৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
১১,০৩৮.
'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন-
  1. করার প্রয়োজন নেই
  2. দেওয়ানি আদালতে করতে হবে
  3. পারিবারিক আদালতে করতে হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
করার প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করার প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কারণ শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন দায়ের করতে হয়।
১১,০৩৯.
______ ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
  1. উইল
  2. বিক্রয় চুক্তি
  3. দানপত্র
  4. কবলা
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
 যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
 
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৮ অনুযায়ী,
যেসব দলিল আইনের অধীনে সত্যায়ন করা প্রয়োজন, সেগুলোর জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করা বাধ্যতামূলক। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল: উইল ছাড়া অন্য কোনো রেজিস্ট্রি করা দলিল যদি সম্পাদনকারী দ্বারা অস্বীকার করা না হয়, তাহলে সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব করার প্রয়োজন নেই।

উইলের ক্ষেত্রে, যদিও দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, তারপরও অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে আদালতে তলব করা বাধ্যতামূলক। উইলের প্রমাণের জন্য এই বাধ্যবাধকতা রয়েছে, কারণ উইলের ক্ষেত্রে সম্পাদনকারী সাধারণত মৃত থাকেন এবং তার ইচ্ছার যথাযথ প্রমাণের জন্য সত্যায়নকারী সাক্ষীর জবানবন্দী অপরিহার্য বলে ধরা হয়।
১১,০৪০.
কোন পারস্পরিক সহযোগিতাকারী (Reciprocating territory) দেশের কোন উচ্চ আদালতের কোন ডিক্রি বাংলাদেশে জারি করা যায়, যদি উক্ত ডিক্রির সইমোহর (সার্টিফাইড কপি) দাখিল করা হয়-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে 
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজের আদালতে 
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৪ক ধারার বিধান যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন পারস্পরিক সম্বন্ধযুক্ত দেশ দ্বারা প্রদত্ত ডিক্রি জারি:
১) যখন পারস্পরিক সহযোগীতাকারী দেশের কোন ঊর্ধ্বতন আদালতের ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল কোন জেলা আদালতে পেশ করা হয়, তখন উক্ত ডিক্রি বাংলাদেশে এরূপে জারি করা হবে, যেন জেলা আদালত কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছিল।
২) এই সইমোহরকৃত ডিক্রির নকলের সঙ্গে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতের একটি সার্টিফিকেট পেশ করতে হবে, যাতে ডিক্রিতে বর্ণিত দাবির কোন অংশ পরিশোধ বা সমন্বয় করা হলে বা সার্টিফিকেটে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকলে এবং ঐরূপ সার্টিফিকেট এই ধারার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে এরূপ পরিশোধ বা সমন্বয়ের ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রমাণ বলে গণ্য হবে।
৩) এই ধারা অনুসারে ডিক্রি জারিকারক জেলা আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ডিক্রির সহিমোহরকৃত নকল পেশ করার সময় থেকে ৪৭ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে; এবং যদি আদালতের সন্তুষ্টি মোতাবেক প্রমাণ করা যায় যে, ডিক্রিটি ১৩ ধারার (ক) থেকে (চ) দফা পর্যন্ত ব্যতিক্রমের কোন একটির অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে জেলা আদালত এরূপ কোন ডিক্রি জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবেন।
ব্যাখ্যা ২:-“পারস্পরিক সহযোগিতাকারী দেশ" বলতে এই ধারার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতাকারী বলে সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশ বা রাজ্যকে বুঝায় ও অনুরূপ কোন রাজ্য সম্পর্কে 'ঊর্ধ্বতন আদালত' বলতে উক্তরূপ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অনুরূপ আদালতসমূহকে বুঝায়।
ব্যাখ্যা ৩:- ঊর্ধ্বতন আদালত প্রসঙ্গে "ডিক্রি" বলতে কর বা একই ধরণের অন্যান্য দায় সম্পর্কিত বা অন্য শাস্তি সম্পর্কিত প্রদানযোগ্য অর্থ নয়, এরূপ প্রদানযোগ্য অর্থের জন্য নির্দেশকারী ঐরূপ আদালতের ডিক্রি বা রায়কে বুঝানো হয়; এবং

খ) ডিক্রি কিংবা রায় হিসাবে যদিও কার্যকরী হয় তথাপি সালিশের রোয়েদাদকে কোন ক্ষেত্রেই অন্তর্ভুক্ত করে না।
১১,০৪১.
দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা অনুসারে, অপহরণে কী উপাদান থাকা প্রয়োজন?
  1. জোরপূর্বক বাধ্য করা
  2. প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করা
  3. ক বা খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারা- অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

Section 362- Abduction:
Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.
১১,০৪২.
Continuing breaches and wrong তামাদি আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

Continuing breaches and wrong তামাদি আইনের ২৩ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

তামাদি আইন ১৯০৮,ধারা ২৩,অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় করা: যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতিমুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।

The Limitation Act 1908,Section 23, Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

১১,০৪৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের বিধান আছে?
  1. ৩৭৮
  2. ৪০৩
  3. ৪০৫
  4. ৪১৫
সঠিক উত্তর:
৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১১,০৪৪.
The burden of proof as to ownership under the Evidence Act lies on:
  1. The owner
  2. The tenant
  3. The person in possession
  4. The person who claims the possessor is not the owner
সঠিক উত্তর:
The person who claims the possessor is not the owner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The person who claims the possessor is not the owner
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
১১,০৪৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী Plea of Alibi অন্যত্র থাকার অজুহাত বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৯ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১১ ধারা
  4. ১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় অন্যত্র থাকার অজুহাতের বিষয়ে বলা হয়েছে অর্থাৎ যাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে সে ঐ ঘটনার সময় অন্যত্র ছিল বলে দাবী করা হলে সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা অনুযায়ী তা প্রমাণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১১,০৪৬.
দেওয়ানি মোকদ্দমার ডিক্রিতে কোন করণিক বা গাণিতিক ভুল থাকলে, আদালত উক্ত ডিক্রি-
  1. শুধুমাত্র আবেদনকারীর অনুরোধে সংশোধন করতে পারে
  2. শুধুমাত্র নিজস্ব উদ্যোগে সংশোধন করতে পারে
  3. নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
  4. কোনোভাবেই সংশোধন করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১১,০৪৭.
মোকদ্দমার আরজিতে (plaint) তথ্য প্রমাণের জন্য শপথপত্রের প্রয়োজনীয়তা কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬(১)
  2. ধারা ২৬(২)
  3. আদেশ ৭, বিধি ১
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬(২)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) সরাসরি নির্দেশ করে যে, "প্রতিটি আরজির তথ্য শপথপত্র দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে" (In every plaint, facts shall be proved by affidavit)। এটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া।

অন্যান্য অপশনগুলোর ভূমিকা ভিন্ন:
- ধারা ২৬(১) মোকদ্দমা দায়েরের সাধারণ পদ্ধতি (আরজি দাখিল) বর্ণনা করে।
- আদেশ ৭, বিধি ১ আরজির অন্তর্ভুক্ত বিষয়বস্তু সম্পর্কিত।
- আদেশ ৬, বিধি ১৪ লিখিত বিবৃতির (pleading) সাধারণ নিয়ম সম্পর্কিত।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬- মোকদ্দমা দায়ের করা:
(১) প্রতিটি মোকদ্দমা (suit) আরজি (plaint) দাখিলের দ্বারা দায়ের করতে হবে অথবা সেইভাবে, যা আইনে নির্ধারিত হতে পারে।
(২) প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 26- Institution of Suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

১১,০৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. আদালত তার বিরুদ্ধে অনুমান করতে পারবে
  2. মামলার যেকোনো পক্ষ সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে
  3. আদালত তার বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করবে
  4. মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো পক্ষ সে বিষয়ে মন্তব্য করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
১১,০৪৯.
ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হয় তাহলে ডিক্রি জারির জন্য __________ প্রেরণ করবেন।
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. সেই জেলার এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে
  3. সেই জেলার জেলা আদালতে
  4. সেই জেলার পলিশ কমিশনারের নিকট
সঠিক উত্তর:
সেই জেলার জেলা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেই জেলার জেলা আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২১, বিধি-৫: স্থানান্তরের পদ্ধতি (Mode of transfer): ডিক্রিদানকারী আদালত এবং ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরিত হবে সে আদালত যদি একই জেলায় অবস্থিত হয় তবে ডিক্রি সরাসরি শেষোক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন কিন্তু ভিন্ন জেলায় অবস্থিত হলে, ডিক্রিদানকারী আদালত তা সেই জেলার জেলা আদালতে প্রেরণ করবেন।
------------------------
⇒ Order-21 Rule-5.(Mode of transfer):  Where the Court to which a decree is to be sent for execution is situate within the same district as the Court which passed such decree, such Court shall send the same directly to the former Court. But, where the Court to which the decree is to be sent for execution is situate in a different district, the Court which passed it shall send it to the District Court of the district in which the decree is to be executed. 
১১,০৫০.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-২৫ অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তবে কী করা হবে?
  1. সমন জারি করা হবে না।
  2. স্থানীয় আদালতে সমন পাঠাতে হবে।
  3. তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
  4. শুধু সাক্ষীদের কাছে সমন পাঠাতে হবে।
সঠিক উত্তর:
তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বিদেশি ঠিকানায় সমন পাঠাতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৫, বিধি ২৫: বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করলে এবং বাংলাদেশে সমন গ্রহণের কোনো এজেন্ট না থাকলে, সমন বিবাদীর বিদেশস্থ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ-৫, বিধি-২৫: যেখানে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং কোনো এজেন্ট নেই:
(১) যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করেন এবং বাংলাদেশে তার সমন গ্রহণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো এজেন্ট না থাকে, তবে তার বসবাসস্থল অনুযায়ী সমন তার ঠিকানায় পাঠাতে হবে। এটি ডাকযোগে বা আদেশ-৫, বিধি-৯ এর উপবিধি (৪) অনুযায়ী কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে, যদি আদালতের স্থানের সাথে তার বসবাসস্থলের মধ্যে ডাকযোগাযোগ ব্যবস্থা থাকে।
(২) আদালত, উপবিধি (১)-এর অধীনে সমন প্রেরণের পাশাপাশি, বাদীর আবেদনক্রমে বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সমন ইস্যু করতে নির্দেশ দিতে পারে। এই ক্ষেত্রে, বাদী তার নিজের খরচে ফ্যাক্স মেসেজ বা ইলেকট্রনিক মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে সমন প্রেরণ করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5, Rule- 25. Service where the defendant resides out of Bangladesh and has no agent:
(1)Where the defendant resides out of Bangladesh and has no agent in Bangladesh empowered to accept service, the summons shall be addressed to the defendant at the place where he is residing and sent to him by post or through courier service as mentioned in sub-rule (4) of rule 9, if there is postal communication between such place and the place where the Court is situated.
(2) The Court may, in addition to the service of summons under sub-rule (1), on the application of the plaintiff for the issue of a summons for the appearance of the defendant, also direct the summons to be served by means of transmission of documents through fax massage or electronic mail service by the plaintiff at his own cost.
১১,০৫১.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩(৪) ধারার আওতায় "counterparts of documents"  গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে কাদের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক? 
  1. যারা দলিলটি লিখেছে।
  2. যারা দলিলটির সাক্ষী।
  3. যারা দলিলটি সম্পাদন করেছে।
  4. যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৩(৪) অনুসারে, "counterparts of documents" (দলিলের প্রতিলিপি বা প্রতিরূপ) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) হিসেবে গণ্য হবে শুধুমাত্র সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যারা দলিলটি সম্পাদন (execute) করেনি।
- সুতরাং, ধারা ৬৩(৪) বিশেষভাবে দলিলটি সম্পাদন করেনি এমন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) বলতে বোঝায় এমনসব তথ্য বা কপি, যা মূল দলিল উপস্থিত না থাকলে তার বিকল্প হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে।
-সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-
১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।
২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ। 
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
- Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

১১,০৫২.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
  1. ৫ ধারা
  2. ২৫ ধারা
  3. ৩৫ ধারা
  4. ৪৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
১১,০৫৩.
'ক' এর কাছে পর্যাপ্ত খাবার থাকা সত্ত্বেও সে একজন ক্ষুধার্ত ভিক্ষুককে কোনো খাবার না দেওয়ায় ভিক্ষুকটি না খেতে পেয়ে মারা গেল। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধটি করেছে?
  1. হত্যাচেষ্টা
  2. অবহেলাজনিত হত্যা
  3. হত্যা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ Actus reas and Mens rea:
 ⇒ 'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒  “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind).
⇒  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

উল্লিখিত ঘটনায় যেহেতু অপরাধের কোন শর্ত পূরণ হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হবে কোন অপরাধ করেনি।
১১,০৫৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৩৫(১) অনুযায়ী, কে দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী
  2. আইনজীবী
  3. বিচারক
  4. ডিক্রিদায়ক
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮- ধারা ১৩৫: দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি:
(১) কোনো বিচারক, মেজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচারিক কর্মকর্তা তার আদালতে যাওয়া, আদালত পরিচালনা করা অথবা আদালত থেকে ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারযোগ্য হবেন না।

(২) যেখানে কোনো বিষয় যে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, বা ভাল বিশ্বাসে বিশ্বাস করা হয় যে ঐ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার আছে, সেই বিষয় সংক্রান্ত পক্ষসমূহ, তাদের আইনজীবী, মুক্তার, রাজস্ব এজেন্ট, স্বীকৃত প্রতিনিধি এবং তারা যারা সমন অনুযায়ী সাক্ষ্য দিতে যান, তারা ঐ ট্রাইব্যুনালে যাওয়া বা হাজিরা দেওয়া এবং ফিরে আসার সময় দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি পাবেন; তবে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আদালত অবমাননার প্রসঙ্গে জারি করা প্রক্রিয়া ব্যতীত।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দাবি করার অধিকার বিচারপতি-ঋণগ্রহীতার (judgment-debtor) থাকবে না যদি তা তৎক্ষণাৎ কার্যকরী আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার জন্য গ্রেপ্তারের আদেশ হয়, অথবা যখন তিনি কারাগারে পাঠানোর বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য হাজির হন।
১১,০৫৫.
নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে FIR দায়ের হয়
  2. আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করা যায়
  3. আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি আবশ্যক
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি আবশ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি আবশ্যক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে। অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি অনাবশ্যক।
 
• অন্যদিকে, পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন। ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -
১. Non-Gr (Non-Registered) Case;
২. Non-FIR Case;
৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত।
 
আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
১১,০৫৬.
তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. ৬ ধারার
  2. ৭ ধারার
  3. ৮ ধারার
  4. ৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।
- এই ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলায় তামাদির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বৈধ অপারগতা বা অক্ষমতা (যেমন কোনো কারণে মামলা দায়ের করা সম্ভব না হওয়া) গণনা করা হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের ৬ অথবা ৭ ধারার বিধান এই ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়, এবং অপারগতার সময় পরবর্তী ৩ বছর ছাড়া মেয়াদ বাড়ানো যাবে না।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
১১,০৫৭.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি দায় স্বীকার করে লিখিত স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ের পূর্বে স্বাক্ষরিত হয়, তাহলে—
  1. পূর্ববর্তী সময়সীমা কার্যকর থাকে
  2. মামলার গ্রহণযোগ্যতা বাতিল হয়
  3. মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়
  4. নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হয়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৯ অনুযায়ী, যদি তামাদি সময়সীমার মধ্যে দায় স্বীকার করে লিখিত ও স্বাক্ষরযুক্ত স্বীকারোক্তি প্রদান করা হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তির তারিখ থেকেই নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।
(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।
ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।
ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-19. Effect of acknowledgement in writing:
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
১১,০৫৮.
মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত দিনে কোন পক্ষ প্রনোজনীয় সাক্ষ্য কোন কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে আদালত
  1. রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. শুনানি মুলতুবি রাখতে পারে
  3. মামলা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ১৬ বিধি ২০ অনুযায়ী যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে,সেই ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।
১১,০৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, নিচের কোনটি সংক্ষিপ্ত বিচারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া
  2. সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড
  3. লঘু শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য প্রযোজ্য
  4. জটিল ও গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
জটিল ও গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল ও গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) জটিল ও গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ তে সংক্ষিপ্ত বিচারের (Summary Trials) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই অধ্যায়ে ধারা ২৬০ থেকে ২৬৫ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি এবং শর্তাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।
- সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে লঘু শাস্তির অপরাধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়, যেখানে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে।
- গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় পড়ে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি লঘু শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য প্রযোজ্য এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তবে এটি জটিল ও গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য নয়।
- গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণ, এর আওতায় আসে না, কারণ সেগুলোর জন্য একটি বিস্তারিত বিচার প্রক্রিয়া প্রয়োজন।

সংক্ষিপ্ত বিচারের বৈশিষ্ট্য হলো:
- দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া।
- সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
- লঘু শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য প্রযোজ্য, যেমন আঘাত, চুরি, ইভটিজিং ইত্যাদি।
এভাবে, সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি গুরুতর অপরাধের জন্য প্রযোজ্য নয়।
১১,০৬০.
কত প্রকার দেওয়ানি আদালত আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।

১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত।
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত।
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে।
১১,০৬১.
আদালত ৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ গঠন করে। কিন্তু মামলার শুনানী শেষে আদালত ৪ জনকে খালাস প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাকী ৪ জনকে-
  1. ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  2. দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  3. ডাকাতি বা দস্যুতা উভয়ের জন্য দণ্ডিত করতে পারে
  4. চুরির জন্য দণ্ডিত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতার জন্য দণ্ডিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধিরধারা ৩৯০ মতে- ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ জনকে দণ্ডিত করতে হয়। যেহেতু ৪ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত তাদেরকে ডাকাতির জন্য দণ্ডিত করতে পারে না কিন্তু দস্যুতার জন্য দণ্ডিত পারে।
১১,০৬২.
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ কে জারি কররেন? 
  1. ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান
  2. ট্রাইব্যুনালের সচিব
  3. সরকার 
  4. বিচারক
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের সচিব
ব্যাখ্যা

বিধি-৪৯ অনুযায়ী পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
-----
49. The Secretary of the Bar Council shall be ex- officio Secretary of the Tribunal and shall be responsible for service of notices issued by Tribunal and for compliance with rules in this Chapter.

১১,০৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে কোনো সম্পত্তির-
  1. বাজার দর নির্ধারন করতে
  2. অন্তবর্তীকালীন মুনাফা নির্ধারনের জন্য
  3. বার্ষিক ক্ষতি বা মূল লাভ নির্ধারন করতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি ৯ অনুযায়ী স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন ইস্যু করতে পারে।
⇒ মোকদ্দমার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির-
১) বাজার মূল্য বা
২) অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা (Mesne Profits )
৩) ক্ষতিপূরণ বা
৪) বাৎসরিক নীট মুনাফা নির্ণয় করা।
⇒ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
⇒ তবে স্থানীয় তদন্তে সম্পত্তির দখলকার আছে তা নির্ধারন হয় না।
------------------
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ আদেশের ৯ বিধির অধীন আদালত সরেজমিনে তদন্তের [Local Investigation] কমিশন ইস্যু করাতে পারে মামলার বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য বা কোন সম্পত্তির বাজার দর, মধ্যবর্তী মুনাফা [Mesne Profit] ক্ষতিপূরণের টাকা, বাৎসরিক প্রকৃত মুনাফা নির্ণয় করার জন্য।
- আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় তদন্তের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

আদেশ-২৬ বিধি-৯: স্থানীয় তদন্তের জন্য কমিশন: যেকোনো মামলায় বিরোধীয় কোন বিষয় ব্যাখ্যা করা বা কোন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা কোন পরিমাণ বা কোন অন্তবর্তীকালীন মুনাফা বা খেসারত বা বাৎসরিক খাটি মুনাফা নির্ণয় করার উদ্দেশ্যে আদলত স্থানীয় তদন্ত আবশ্যক বা উপযুক্ত মনে করলে আদলত যাকে উপযুক্ত মনে করবেন, সেই ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরণ করে বিষয়টি সম্পর্কে অনুরূপ তদন্ত করতে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনধিক তিন মাস সময়ের মধ্যে উহার উপর প্রতিবেদন প্রদান করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনের আবেদনক্রমে এবং যথেষ্ট কারণ দর্শানো হয়ে সময় বর্ধিত করতে পারেন।
-------------
CPC Order-26 Rule-9.Commissions to make local investigations:
- In any suit in which the Court deems a local investigation to be requisite or proper for the purpose of elucidating any matter in dispute, or of ascertaining the market-value of any property, or the amount or any mesne profits or damages or annual net profits, the Court may issue a commission to such person as it thinks fit directing him to make such investigation and to report thereon to the Court within such time not exceeding three months as may be fixed by the Court.
Provided that the Court may, on the prayer of the Commissioner and on sufficient cause being shown, extend the time.
১১,০৬৪.
Which one is primary evidence?
  1. Daily newspaper
  2. Attested copy
  3. Photograph of a materials
  4. Photocopy
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

⇒ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার বিধান প্রাথমিক/মূখ্য সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য  কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য (each is primary evidence of the contents of the rest), কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল (copies of a common original), সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

--------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(i) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(ii) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(iii) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(iv) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(v) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

⇒ উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
১১,০৬৫.
সর্বোচ্চ_________ জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে The Penal Code, 1860 অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটিত হতে পারে।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।
♦দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
♦দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
♦অর্থাৎ দস্যুতার সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন।
১১,০৬৬.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় আমল অযোগ্য মামলার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৫
  2. ১৫৪
  3. ১৫৬
  4. ১৫১
সঠিক উত্তর:
১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৫
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারায় আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্তঃ আমল অযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।

(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
১১,০৬৭.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" শব্দের মধ্যে কোন উদ্দেশ্য অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নাশকতা বা দখল করা
  2. শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
  3. কোনো আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ করা
  4. সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার অনুযায়ী, "বেআইনি সমাবেশ" এমন একটি সমাবেশ যেখানে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হয়ে কিছু অবৈধ উদ্দেশ্য অর্জনের চেষ্টা করে। এর মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আইনগতভাবে অনুমোদিত। তবে নাশকতা, আইন বাস্তবায়নে প্রতিরোধ, সরকারি কর্মকর্তা বা সংসদ সদস্যকে বাধা দেওয়া এগুলি "বেআইনি সমাবেশ" এর উদ্দেশ্য হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
১১,০৬৮.
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে
  2. 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
  3. 'ক' ক্ষতিপূরণ 'খ' কে ফেরত দিবে
  4. ক্ষতিপূরণের মােকদ্দমার রায় বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- প্রতিকারের পথে ব্যক্তি বাধাসমূহ: চুক্তির সুনির্দিষ্ট এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
ক) যে চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
খ) যে নিজ চুক্তির কোন প্রয়ােজনীয় শর্ত অমান্য করে বা শর্ত পালনে ব্যর্থ হয় এবং যদ্বরুণ তার নিজের অংশেরই কার্যসম্পাদন বাকী থাকে;
গ) যে ইতিমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি অমান্যের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।

উপধারা-গ এর-
‘ক’ ‘খ’-এর কাছে একটি বাড়ি সুনির্দিষ্ট শর্তে এবং ভাড়ায় ভাড়া প্রদানে চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' চুক্তির কার্যসম্পাদনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। 'ক' ইহার পর 'খ'-এর চুক্তি অমান্যের ক্ষতিপূরণের জন্য মােকদ্দমা রুজু করে এবং ক্ষতিপূরণ লাভ করে। 'ক' চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কার্যকরী করার অধিকারী হবে না।
১১,০৬৯.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী, কোন ধরনের প্রশ্ন আদালত নিষিদ্ধ করতে পারে?
  1. যেগুলি অপরাধ সংক্রান্ত
  2. যেগুলি অবান্তর বা সস্তা
  3. যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
  4. যেগুলি মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি মূলক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অনুযায়ী, আদালত এমন কোন প্রশ্ন বা অনুসন্ধান নিষিদ্ধ করতে পারে যা অশালীন বা কুকীর্তি মূলক মনে করা হয়। যদিও এসব প্রশ্ন মামলার বিষয়বস্তু বা প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও যদি সেগুলি অশালীন বা কুকীর্তি (scandalous) হয়ে থাকে, তখন আদালত সেগুলিকে নিষিদ্ধ করার অধিকার রাখে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৫১ অশালীন এবং কুকীর্তি মূলক প্রশ্ন :
- আদালত যেকোনো প্রশ্ন বা অনুসন্ধান নিষিদ্ধ করতে পারে, যেগুলি আদালত অশালীন বা কুকীর্তি মূলক মনে করে, যদিও এসব প্রশ্ন বা অনুসন্ধান আদালতের সামনে থাকা প্রশ্নগুলির সাথে কিছুটা সম্পর্কিত হতে পারে, তবুও এগুলি নিষিদ্ধ হবে যদি তা মূল বিষয় বা যেসব তথ্য প্রয়োজনীয়, সেগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত না হয়।

⇒ The Evidence Act, 1872 Section- 151. Indecent and scandalous questions:
The Court may forbid any questions or inquiries which it regards as indecent or scandalous, although such questions or inquiries may have some bearing on the questions before the Court, unless they relate to facts in issue, or to matters necessary to be known in order to determine whether or not the facts in issue existed.
১১,০৭০.
'অস্থাবর সম্পত্তি সমর্পণ (delivery) সম্ভব না হলে, বিকল্প অর্থমূল্য ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ২০ বিধি-১০
  2. আদেশ ২০ বিধি-১১
  3. আদেশ ২০ বিধি-১৩
  4. আদেশ ২০ বিধি-১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

১১,০৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের মুচলেকা বাতিল করতে পারেন?
  1. দণ্ডিত মুচলেকা
  2. সাক্ষী মুচলেকা
  3. আইন অমান্য করার মুচলেকা
  4. শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা
সঠিক উত্তর:
শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 125. Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
- The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
১১,০৭২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে কিশোর বলা হয়েছে।
  1. ১৬
  2. ১৫
  3. ২১
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারাঃ ২৯খ মতে কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার (Jurisdiction in the case of juveniles): মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতীত অন্য কোন অপরাধে অপরাধীর বয়স ১৫ বছরের কম হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারেন ।
[নোট: শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ ও ১৫ক অনুসারে শিশুর বিচার করার একমাত্র এখতিয়ার শিশু আদালতের। সুতরাং এই ধারার বর্তমানে কার্যকারীতা নেই।]
১১,০৭৩.
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অনুযায়ী খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কোনটি?
  1. ১০ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধান খুনের সাজা :- কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অনুযায়ী খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি-যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

-----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 302. Punishment for murder:-Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১১,০৭৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান রয়েছে?
  1. জেল সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. সরকারি সমন
  4. প্রাতিষ্ঠানিক সমন
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় "Service of foreign summonses" উল্লেখ আছে। বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত আদালতের সমন কোন পদ্ধতিতে দেশের ভেতর জারি করা হবে, সেই পদ্ধতি দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতি শুধুমাত্র দেওয়ানি সমনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ধারা ২৯- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons-
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.
১১,০৭৫.
আইনজীবীর সাথে পেশাগত বার্তার গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা কোন আইন অনুযায়ী নির্ধারিত?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১২৬ (Professional communications):
কোনো আইনজীবীকে কখনোই অনুমতি দেওয়া হবে না- যতক্ষণ না তার মক্কেল স্পষ্টভাবে অনুমতি দেন- সে তার মক্কেলের পক্ষ থেকে বা মক্কেলের পক্ষে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময়, এবং সেই উদ্দেশ্যে করা যেকোনো কথোপকথন (communication) প্রকাশ করতে পারবেন না। তেমনকি কোনো দলিলপত্র (document) সম্পর্কে যা তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জেনেছেন, তার বিষয়বস্তু বা অবস্থা তিনি প্রকাশ করতে পারবেন না। তদ্ব্যতীত, তিনি মক্কেলকে যে পরামর্শ দিয়েছেন তাও প্রকাশ করতে পারবেন না।

এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা করে না:
(১) যদি মক্কেল অবৈধ উদ্দেশ্যে কোনো যোগাযোগ করে, তাহলে তা গোপন রাখা যাবে না।
(২) যদি আইনজীবী পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এমন কিছু দেখেন বা জানেন, যা থেকে স্পষ্ট হয় যে কোনো অপরাধ বা জালিয়াতি (fraud) সংঘটিত হয়েছে, এবং তা তার নিযুক্তির পর থেকে ঘটেছে— তবে তা গোপন রাখা যাবে না।

ব্যাখ্যা: এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা (obligation) আইনজীবীর নিযুক্তি শেষ হওয়ার পরেও বহাল থাকে।
১১,০৭৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আদেশ ও নোটিশ লিখিতভাবে প্রদানের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৪২
  3. ধারা ১০৭
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালতের যে কোনো আদেশ বা নোটিশ লিখিতভাবে প্রদান করতে হয়। এই বিধান নিশ্চিত করে যে আদালতের সমস্ত আদেশ ও নোটিশ স্পষ্টভাবে লিখিত থাকবে, যাতে পরবর্তীতে তা আইনগতভাবে প্রয়োগযোগ্য হয় এবং ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ না থাকে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, এই বিধির অধীনে যে কোনো আদেশ বা নোটিশ লিখিতভাবে প্রদান করতে হবে। এই বিধান আদালতের আদেশ ও নোটিশকে স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আইনগতভাবে প্রয়োগযোগ্য করে তোলে।
সুতরাং, আদালতের আদেশ ও নোটিশ লিখিতভাবে প্রদানের বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪২ ধারায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 142. Orders and notices to be in writing.
- All orders and notices served on or given to any person under the provisions of this Code shall be in writing.
১১,০৭৭.
কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ ও ২) হাইকোর্ট বিভাগ

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে যুগ্ম জেলা জজ আদালতের রিভিশন ক্ষমতা নেই।
 
- দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন । রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা। রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
-এখতিয়ারে আদালত ঘটনার প্রশ্ন (question of fact) বিবেচনা করে না। 
- যেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্নে (question of law) ভুল ও ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটে, সেক্ষেত্রে আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
অর্থাৎ শুধুমাত্র আইনগত ভুলের কারণে ন্যায় বিচার বিঘ্ন ঘটলেই আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
রিভিশন হল সম্পূর্ণ বিবেচনামূলক প্রতিকার এবং রিভিশনকে অধিকার হিসাবে দাবী করা যায় না । আপিলের ন্যায় রিভিশন বিচারকার্যের চলমান অবস্থা নয়।
১১,০৭৮.
When the property is a negotiable instrument not deposited in a Court or in custody of a public officer, how is attachment made?
  1. By notice
  2. By actual seizure
  3. By the judge’s order only
  4. Without any permission
সঠিক উত্তর:
By actual seizure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By actual seizure
ব্যাখ্যা
⇒According to Order-21, Rule-51 of the Code of Civil Procedure, when the property is a negotiable instrument (like a promissory note, bill of exchange, etc.) and it is not deposited in a court or not in the custody of a public officer, then the attachment is made by actual seizure of the instrument. After seizure, it must be brought before the court and held subject to further orders.
So, the correct option is: খ) By actual seizure. 

⇒The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21, Rule-51. Attachment of negotiable instruments:
-Where the property is a negotiable instrument not deposited in a Court, nor in the custody of a public officer, the attachment shall be made by actual seizure, and the instrument shall be brought into Court and held subject to further orders of the Court.

⇒দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ - আদেশ-২১, বিধি-৫১: হস্তান্তরযোগ্য দলিল (Negotiable Instruments) ক্রোক (Attachment):
যেখানে সম্পত্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল (negotiable instrument), যা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি বা কোনো সরকারি কর্মকর্তার হেফাজতে নেই, সেখানে উক্ত দলিল ক্রোকের (attachment) কার্যক্রম প্রকৃত দখলের (actual seizure) মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, এবং দলিলটি আদালতে নিয়ে আসা হবে এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের অধীন রাখা হবে।
১১,০৭৯.
আদেশ-১১ এর বিধি-২৩ অনুসারে নিম্নের কারা এই আদেশের আওতাভুক্ত?
  1. কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক বাদী ও বিবাদী
  2. কেবলমাত্র নাবালক বাদী ও বিবাদী
  3. শুধুমাত্র আদালতের আদেশ অনুযায়ী নিযুক্ত প্রতিনিধি
  4. নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
সঠিক উত্তর:
নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাবালক বাদী ও বিবাদী এবং অক্ষম ব্যক্তিদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রকাশ (Discovery) অর্থ হলো এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষকে তার দখলে বা এখতিয়ারে যে বিষয় রয়েছে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা। বিরোধী পক্ষের দখলে আছে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় সম্পর্কিত এমন কোন দলিল বা বিষয় বিরোধী পক্ষকে প্রকাশ করতে মোকদ্দমার কোন পক্ষ ১১ আদেশ অনুসারে আবেদন করতে পারে।

প্রকাশ [Discovery] ২ (দুই) প্রকার-
১. প্রশ্ন দ্বারা কোন ঘটনা বা বিষয় প্রকাশ করা[Discovery by Interrogatories]
২. কোন দলিল প্রকাশ করা [Discovery of Documents]

• ১১নং আদেশে উদঘাটন এবং পরিদর্শন সম্পর্কে যাবতীয় বিধি-বিধান রয়েছে। সেই সাথে উক্ত আদেশের বিধি ২৩ এ বলা হয়েছে-
এই আদেশ নাবালক বাদী এবং বিবাদীগণের ক্ষেত্রে এবং অক্ষম ব্যক্তিদের মোকদ্দমার জন্য তাদের আসন্ন বন্ধু ও অভিভাবকগণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
[This order shall apply to minor plaintiffs and defendants, and to the next friends and guardians for the suit of persons under disability.]
১১,০৮০.
What is the offence described in Section 170 of the Penal Code, 1860?
  1. Stealing government documents
  2. Pretending to be a public servant
  3. Bribing a government official
  4. Refusing government orders
সঠিক উত্তর:
Pretending to be a public servant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pretending to be a public servant
ব্যাখ্যা
Section 170- Personating a public servant:
Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১১,০৮১.
'Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.' এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ২২৩ ধারা
  2. ২২৫ ধারা
  3. ২২৭ ধারা
  4. ২২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

- ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
১১,০৮২.
বৈরী সাক্ষীকে জেরা করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. উপস্থিতি নিশ্চিত করা
  2. বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করা
  3. বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
  4. সাক্ষ্য আরও সুস্পষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে- নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) সাক্ষীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা;
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খণ্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে; এবং
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দেশ্য।

• সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
১১,০৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-Examination) কোন পক্ষ কর্তৃক পরিচালিত হয়?
  1. সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ
  2. বিরুদ্ধ পক্ষ
  3. আদালত
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধ পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৭ অনুযায়ী, জেরা (Cross-Examination) হলো সেই পর্যায় যেখানে বিরুদ্ধ পক্ষ (adverse party) সাক্ষীকে প্রশ্ন করে।
যে পক্ষ আদালতে একজন সাক্ষীকে হাজির করে, সেই পক্ষের জবানবন্দি গ্রহণের পরেই বিরুদ্ধ পক্ষ (অপর পক্ষ) যদি চায়, তবে সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে পারে। এই প্রশ্ন করাকে জেরা (Cross-Examination) বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
⇒ The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
১১,০৮৪.
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করা হলে,মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে-
  1. অস্বীকারকারী পক্ষ
  2. আদালত যাকে নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমায় যার বিপক্ষে রায় হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন এবং 
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
১১,০৮৫.
Section 110 of The Evidence Act, 1872 applies when-
  1. There is a criminal accusation
  2. Ownership of an item is disputed
  3. The possessor voluntarily gives up the item
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ownership of an item is disputed
ব্যাখ্যা
Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.

সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।
১১,০৮৬.
ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশ দেওয়া যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মামলা পরিচালনায় বিবিধ খরচের ক্ষেত্রে
  2. মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
  3. মধ্যবর্তী বিষয়ে বিলম্বে দরখাস্ত দাখিল করলে
  4. উপরিউক্ত সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচঃ মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
♦৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
♦৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
♦৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
♦৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।
১১,০৮৭.
নিম্নের কোন উপায়ে একজন সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়?
  1. সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে
  2. সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্যের অসামঞ্জস্যতা প্রমান দ্বারা
  3. সাক্ষীর ঘুষের প্রস্তাবে রাজী হওয়ার প্রমান দ্বারা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন (সংশোধন), ২০২২ এর ১৫৫ ধারা অনুযায়ী বর্তমানে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ করা যায় তিনটি উপায়ে। যথা:-
(i) সাক্ষী যে বিশ্বাসের অযোগ্য তা ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দ্বারা;
(ii) সাক্ষীকে যে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সাক্ষী যে ঘুষের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে, অথবা অন্যকোন দুর্নীতিমূলক প্রলোভনের প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে তা প্রমাণ করে;
(iii) বর্তমান সাক্ষের সাথে পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষের অসামঞ্জসতা প্রমাণ করে।
---------------
⇒ Impeaching credit of witness
Section 155. The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
১১,০৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন না হলে, কী করা হবে?
  1. নতুন মামলা দায়ের করা হবে
  2. মামলা মুলতবি করা হবে
  3. আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
  4. আসামিকে দণ্ডিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে জামিনে মুক্তি দেয়া করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
১১,০৮৯.
A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of _________
  1. Section 414
  2. Section 415
  3. Section 416
  4. Section 417
সঠিক উত্তর:
Section 415
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 415
ব্যাখ্যা
Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

 দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান- প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
 
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
১১,০৯০.
'Affidavits' দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের বিষয়বস্তু?
  1. আদেশ ১৯
  2. আদেশ ২৯
  3. আদেশ ২৮
  4. আদেশ ৩৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৯
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৯: Affidavits- এই আদেশটিতে শপথপূর্বক নিবন্ধন বা Affidavits সংক্রান্ত সকল বিষয়াবলী আলোচিত হয়েছে। যেমন:

শপথপূর্বক নিবন্ধন বা অ্যাফিডেভিট হল এমন একটি শপথসম্পন্ন বিবৃতি যা ঘটনা ও পরিস্থিতিগুলো সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত হয়। এই বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে 'ডিপোনেন্ট' বলা হয়। ডিপোনেন্ট নিশ্চিত করেন যে বিবৃতির বিষয়বস্তু তার জ্ঞানমতে সঠিক এবং কোন তথ্য গোপন করা হয়নি। স্বাক্ষরিত হওয়ার পর, অ্যাফিডেভিটটি আইনগত ভাবে নিযুক্ত ওয়াথ কমিশনার বা নোটারি কর্তৃক প্রত্যায়িত হওয়া আবশ্যক।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
I. আদালত আদেশ দিতে পারে যে কোনো ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণিত হবে। সাধারণভাবে ঘটনা মৌখিক প্রমাণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়।
II. দেওয়ানি কার্যবিধিতে অ্যাফিডেভিটের সংজ্ঞা উল্লেখ নেই। তবে যদি যথেষ্ট কারণ থাকে, তাহলে অ্যাফিডেভিটকে আদেশ ১৯ এর আওতায় প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
III. নিয়ম ১ একটি ধরনের ব্যতিক্রম এবং আদালতকে কোন নির্দিষ্ট ঘটনা অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে প্রমাণের অনুমতি দেয়, তবে বিপরীত পক্ষের ডিপোনেন্টকে বাক্য-প্রতিবাক্য করার অধিকার থাকে।
IV. অ্যাফিডেভিটকে শুধু সেই ঘটনাগুলো উল্লেখ করা উচিত যা ডিপোনেন্ট ব্যক্তিগতভাবে জানেন, তবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলোতে তার বিশ্বাসের বিবৃতি গৃহীত হতে পারে (নিয়ম ৩)।
V. যদি অ্যাফিডেভিটগুলো যথাযথভাবে সত্যায়িত এবং নিয়মানুগ না হয়, তবে আদালত তা বাতিল করবে। তবে বাতিল না করে আদালত দল কে সঠিক অ্যাফিডেভিট দাখিলের সুযোগ দিতে পারে।
VI. সাধারণভাবে আন্তঃকালীন আবেদনগুলো যেমন অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার নিয়োগ ইত্যাদি অ্যাফিডেভিটের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা যায়।
১১,০৯১.
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের সর্বোচ্চ আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. ৫০ হাজার
  2. ২৫ হাজার
  3. ৬০ হাজার
  4. ৪০ হাজার
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• স্বল্প মূল্যমানের বিরোধ সমূহের জন্য The Small Cause Courts Act, 1887 অনুসারে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত স্থাপন করা হয়েছে। ত্বরিত বিচার ও দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার হবে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় নির্ধারণ, সাক্ষ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া বিচারকদের অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই।

The Small Cause Courts Act, 1887 এর ১৫ ধারায় বলা হয়েছে-
২৫ হাজার টাকার অধিক নয় এমন যেকোনো মূল্যমানের মামলার বিচার করবে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত সমূহ। তবে সরকার চাইলে লিখিত আদেশ দ্বারা পরিমাণ ৩০,০০০ টাকা করতে পারে। Small Cause Courts কর্তৃক বিচার্য মামলা অন্য কোন এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত বিচার করতে পারবে না। ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালত জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন এবং হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে থাকবে। নিষেধাজ্ঞা, স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ, ডিক্রি সম্পাদন সহ নানা ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র বিষয়ের আদালতের কোন এখতিয়ার থাকবে না।

Section 15- Cognizance of suits by Courts of Small Causes:
(1) A Court of Small Causes shall not take cognizance of the suits specified in the second schedule as suits excepted from the cognizance of a Court of Small Causes. 
 
(2) Subject to the exceptions specified in that schedule and to the provisions of any enactment for the time being in force, all suits of a civil nature of which the value does not exceed twenty five thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes. 
 
(3) Subject as aforesaid, the Government may, by order in writing, direct that all suits of a civil nature of which the value does not exceed thirty thousand Taka shall be cognizable by a Court of Small Causes mentioned in the order.
১১,০৯২.
Abetment under Section 107 of the Penal Code can be constituted-
  1. Instigation
  2. Conspiracy
  3. Intentional Aid
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
- দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে  (instigation)
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে  (engagement  in any conspiracy)
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে  (aiding)
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 107. Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who
Firstly.-Instigates any person to do that thing; or 
Secondly.-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or 
Thirdly.-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing. 
 
Explanation 1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation 2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১১,০৯৩.
তামাদির মেয়াদ সম্পর্কে তামাদি আইনের তফসিলে কোন বিধান না থাকলে তখন মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
১১,০৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১২ অনুযায়ী দোষ স্বীকার করার পরও কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যেতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতে সরাসরি আপিল করা যাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে আপিল করা যাবে
  3. দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
  4. পৃথকভাবে কারাদণ্ডের সাজার উল্লেখ না থাকলে করা যাবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই: এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।
- সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

- ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

- ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414.No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding two hundred Taka only.
১১,০৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষী পুলিশ কর্মকর্তার প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়?
  1. যখন সে মামলার বাদী নয়
  2. যখন সে সরকারি কর্মচারী
  3. যখন সে মামলার বিবরণ জানে না
  4. যখন উত্তর দেওয়া তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যখন উত্তর দেওয়া তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উত্তর দেওয়া তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান সাক্ষীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তবে সে উত্তর দিতে বাধ্য নয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা,
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
========
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case.
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture.
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১১,০৯৬.
জেলা জজ আদালত সর্বোচ্চ কত টাকার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন?
  1. ৫০ লাখ টাকা
  2. ১ কোটি টাকা
  3. ৫ কোটি টাকা
  4. ১০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। ২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
১১,০৯৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীনে দায়েরকৃত মামলার বিরুদ্ধে কোনটি করা যাবে?
  1. আপিল
  2. পুনর্বিবেচনা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:

যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
১১,০৯৮.
দেওয়ানি মামলায় ২০ জন বিবাদী আছে। ১৯ জন লিখিতভাবে ১ জনকে ক্ষমতা দিল যে সে তাদের পক্ষে সব কার্য করবে। এটা দেওয়ানি কার্যবিধির Order-1 এর কোন Rule এ সমর্থিত?
  1. Rule-8
  2. Rule-10
  3. Rule-11
  4. Rule-12
সঠিক উত্তর:
Rule-12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rule-12
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ১, রুল ১২ বিশেষভাবে একাধিক বাদী বা বিবাদীর মধ্যে প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিধি অনুসারে, যখন কোনো মামলায় একাধিক বাদী বা বিবাদী থাকে, তখন তারা তাদের মধ্য থেকে কোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে লিখিতভাবে ক্ষমতা দিতে পারে যাতে সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ সকলের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হতে, যুক্তিতর্ক প্রদান করতে এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
- প্রশ্নে উল্লিখিত পরিস্থিতিতে ২০ জন বিবাদীর মধ্যে ১৯ জন বিবাদী তাদের একজনকে লিখিতভাবে সকলের পক্ষে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দিয়েছে। এটি সরাসরি রুল ১২(১) এর অধীনে পড়ে, যা স্পষ্টভাবে বলে যে "Where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding"।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১২ অনুযায়ী-
১) কোন মোকদ্দমায় অধিক সংখ্যক বাদি বিদ্যমান থাকলে তন্মধ্যে যেকোন এক ব্যক্তিকে অথবা একাধিক ব্যক্তিকে সকলে তাদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারবে,
অনুরূপভাবে কোন মোকদ্দমার অধিক সংখ্যক বিবাদি বিদ্যমান থাকলে, তন্মধ্যে যেকোন একজনকে বা একাধিক জনকে অপর সকলে তাদের পক্ষে আদালতে হাজির হয়ে মোকদ্দমাকেন্দ্রিক অভিযোগাদির উত্তর দিতে বা কার্য করতে তথা তদারক করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবে।
২) ক্ষমতা প্রদানকারী পক্ষের স্বাক্ষরে ক্ষমতা অর্পণ লিখিতভাবে করতে হবে এবং তা আদালতে দাখিল করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-12: Appearance of one of several plaintiffs or defendants for others-
(1) Where there are more plaintiffs than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceedings; and in like manner, where there are more defendants than one, any one or more of them may be authorized by any other of them to appear, plead or act for such other in any proceeding.
(2) The authority shall be in writing signed by the party giving it and shall be filed in Court. 

১১,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫০২
  3. ধারা ৫০৩
  4. ধারা ৫০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৩-এ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যদি কোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করা সম্ভব নয় বা এতে বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন তারা ওই সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন নিয়োগ করতে পারেন। কমিশনটি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত, যার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে সাক্ষী বসবাস করেন, তাকে দেওয়া হবে। এছাড়া, যদি সাক্ষী বিদেশে থাকেন, তবে সরকারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত বা বিচারককে কমিশন দেওয়া হতে পারে।
১১,১০০.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার অধীন প্রদত্ত বিবৃতি কয়টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী-
কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).