বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১০০ / ১২৬ · ৯,৯০১১০,০০০ / ১২,৬০৫

৯,৯০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকারের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (The Specific Relief Act, 1877) এর ধারা ৬-এ প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।এই ধারা অনুসারে, ধারা ৫(গ) এর অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়, তাকে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞা (Injunction) এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ দেওয়া হয়।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়।
- যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief).

৯,৯০২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, কখন একটি লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা যায়?
  1. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা সমাপ্তিযোগ্য হলে
  2. চুক্তিটি অবৈধ হলে এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে
  3. ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত কয়েকটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একটি লিখিত চুক্তি রদের (Rescission) আদেশ দিতে পারে। সেগুলো হলো—
→ যখন চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (Terminable) হয়:
- যদি চুক্তি বাতিলযোগ্য হয় (যেমন প্রতারণা, বলপ্রয়োগ, প্ররোচনা বা পক্ষের ভুলের কারণে), তাহলে বাদী চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করায়, তাহলে ভুক্তভোগী চুক্তি বাতিলের জন্য আদালতে যেতে পারেন।

→ যখন চুক্তিটি অবৈধ হয়, তবে চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না থাকে:
- যদি চুক্তি বেআইনি কোনো উদ্দেশ্যে করা হয়, কিন্তু তা চুক্তির ভাষায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত চুক্তি রদের রায় দিতে পারে, বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ বাদীর তুলনায় বেশি দোষী হয়।
উদাহরণ: একজন উকিল যদি তার মক্কেলকে প্রতারণার মাধ্যমে এমন চুক্তিতে বাধ্য করে যা মক্কেলের ঋণদাতাদের প্রতারণার জন্য করা হয়েছে, তাহলে এই চুক্তি রদের যোগ্য।

→ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়:
- যদি আদালত কোনো সম্পত্তি বিক্রির (Sale Contract) বা লিজের (Lease) সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেয়, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি একটি সম্পত্তি কেনার জন্য চুক্তি করে এবং আদালত তাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেয়, কিন্তু সে অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে উপরের তিনটি ক্ষেত্রেই চুক্তি রদের জন্য মামলা করা যায়, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবকটি"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
৯,৯০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, অপরাধটি যদি কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীন হয়, তবে সেটি কখন “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
  2. যখন অপরাধের স্থান একই হয়
  3. যখন অভিযোগকারীর নাম এক হয়
  4. যখন অপরাধটি একই দিনে সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪(২) তে বলা আছে:
"Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special or local law."
- অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে একাধিক অপরাধ করে,
- এবং সেই অপরাধগুলো একই ধারা অনুযায়ী একই মাত্রার শাস্তিযোগ্য হয়,
- তাহলে তা “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
৯,৯০৪.
According to Section 138 of The Evidence Act, 1872, what is the correct order of examining a witness?
  1. Cross-examination → Re-examination → Examination-in-chief
  2. Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
  3. Re-examination → Cross-examination → Examination-in-chief
  4. Cross-examination → Examination-in-chief → Re-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief → Cross-examination → Re-examination
ব্যাখ্যা
The Evidence Act, 1872- Section 138: Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined.
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারার বিধান: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুনঃজবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুনঃজবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়। জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা প্রাসঙ্গিক তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে হবে, তবে জেরা কেবল মূল সাক্ষ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
৯,৯০৫.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৯,৯০৬.
নাসিমের মামলা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ায় খারিজ হয়। তিনি খারিজের কত দিনের মধ্যে খারিজ আদেশ বাতিল করার দরখাস্ত দায়ের করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

৯,৯০৭.
What is meant by "Special Law" under The Penal Code,1860?
  1. A law applicable generally
  2. A law applicable only to judges
  3. A law applicable to a particular subject or area
  4. A law applicable to all citizens of the country
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A law applicable to a particular subject or area
ব্যাখ্যা
 - দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।
→ The Penal Code,1860, Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

- দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।
-The Penal Code,1860- Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৯,৯০৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮(২) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যার পক্ষে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা (Representative Suit) দায়ের করা হয়েছে, এরূপ মোকদ্দমায় পক্ষ হওয়ার জন্য-
  1. অন্য মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. মোকদ্দমা দায়েরকারীর কাছে আবেদন করতে পারে
  3. মোকদ্দমা দায়েরকারীর অনুমতি নিতে পারে
  4. আদালতে আবেদন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে আবেদন করতে পারে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৮ এর বিধান: একই ব্যক্তি একই স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলের পক্ষে মামলা করতে বা আত্মপক্ষ সমৰ্থন করতে পারে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ নিহিত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির পক্ষে বা উপকারার্থে এরূপ মামলা করতে বা মামলায় বিবাদী হতে বা অভিযোগের জবাব দিতে পারে। কিন্তু এরূপ ক্ষেত্রে আদালত বাদীর খরচায় অনুরূপ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলা দায়ের সম্পর্কে ব্যক্তিগত জারীর মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করবেন যেক্ষেত্রে লোকের সংখ্যাধিক্যের বা অন্য কোন কারণে এরূপ নোটিশজারী যুক্তিসঙ্গতভাবে উপযোগী না হয়, গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে, প্রত্যেকক্ষেত্রে আদালত যে ভাবেই নির্দেশ দেন।

(২) উপ-বিধি (১) অনুসারে যে কোন ব্যক্তি যাদের পক্ষে বা উপকারার্থ কোন মামলা দায়ের করা হয়েছে বা অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে, এরূপ মামলায় পক্ষ হওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে।

৯,৯০৯.
সম্পত্তি বাটোয়ারা সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৩ এর বিধান স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারার জন্য কমিশন (Commissions to make partition of immovable property): যে ক্ষেত্রে বাটোয়ারার জন্য প্রাথমিক ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ৫৪ ধারার আওতাভুক্ত না হলে, আদালত বাটোয়ারা বা পৃথকীকরণের জন্য কমিশন প্রেরণ করতে পারবেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৬ বিধি-১৪ এর বিধান কমিশনের কার্যপদ্ধতি (Procedure of Commissioner) ১) কমিশনার প্রয়োজন হতে পারে এরূপ তদন্ত অনুষ্ঠানের পর, যে আদেশের অধীনে কমিশন প্রেরিত হয়েছিল সে আদেশে নির্দেশিত অংশ অনুপাতে সম্পত্তিটি ভাগ করবেন এবং উক্ত অংশগুলো পক্ষগণের মধ্যে বণ্টন করবে এবং যদি উপরোক্ত আদেশ দ্বারা ক্ষমতাবান হয়ে থাকে তবে বিভিন্ন অংশের মূল্য সমান করার জন্য যে টাকা পরিশোধ করতে হবে তা বিনিময় করতে পারে।

২) কমিশনার অতঃপর একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে কিংবা কমিশনারগণ (একাধিক ব্যক্তির নিকট কমিশন প্রেরিত হয়ে থাকলে এবং তারা একমত হতে না পারলে) প্রত্যেক পক্ষের অংশ নির্দেশ করে এবং (যদি উক্ত আদেশ দ্বারা নির্দেশিত হয়ে থাকলে) প্রত্যেক অংশের পরিমাণ ও চৌহদ্দি আলাদাপূর্বক পৃথক প্রতিবেদন সমূহ প্রণয়ন এবং অনুস্বাক্ষর করবে। অনুরূপ প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত রে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অনুর্ধ্ব তিন মাস সময়ের মধ্যে আদালতে প্রেরীত হবে; এবং উক্ত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন পক্ষ কোন আপত্তি উত্থাপন করলে তা শুনানির পরে আদালত তা বহাল, পরিবর্তন বা রদ করতে পারে তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কমিশনারের আবেদনক্রমে এবং পর্যাপ্ত কারণ দর্শানো হলে সময় বৃদ্ধি করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে আদালত প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বহাল বা পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে বহাল বা পরিবর্তিত প্রতিবেদন মোতাবেক আদালত একটি ডিক্রি দিবে, কিন্তু আদালত যদি কমিশনের প্রতিবেদন বা প্রতিবেদনসমূহ বাতিল করেন তবে আদালত নতুন কমিশন পাঠাবে কিংবা উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ প্রদান করবে।
৯,৯১০.
দণ্ডবিধির ধারা ৪০২-এর অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান কোনটি?
  1. ডাকাতি সংঘটন করা
  2. ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা
  3. ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
  4. ডাকাতির পরিকল্পনা করা ও ডাকাতি করা
সঠিক উত্তর:
ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৪০২–এ বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তারা অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণের জন্য মূল উপাদান হলো ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া। অর্থাৎ, ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে কিনা বা ডাকাতির সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা, তা অপরাধ প্রমাণের জন্য অপরিহার্য নয়। শুধু ডাকাতির উদ্দেশ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৯,৯১১.
UD Case সাধারণত কোন ধরণের মৃত্যুর জন্য রুজু করা হয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত
  3. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমনঃ আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।

পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
৯,৯১২.
কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৯২ ধারায়
  2. ১৯৩ ধারায়
  3. ১৯৪ ধারায়
  4. ১৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
- ব্যাখ্যা-১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
- ব্যাখ্যা-২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
- ব্যাখ্যা-৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

- উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।
-------------
Section-193: Punishment for false evidence:
-Whoever intentionally gives false evidence in any stage of judicial proceeding, or fabricates false evidence for the purpose of being used in any stage of a judicial proceeding, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and whoever intentionally gives or fabricates false evidence in any other case, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
Explanation-1.-A trial before a Court-martial is a judicial proceeding.
Explanation-2.-An investigation directed by law preliminary to a proceeding before a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Explanation-3.-An investigation directed by a Court of Justice according to law, and conducted under the authority of a Court of Justice, is a stage of a judicial proceeding, though that investigation may not take place before a Court of Justice.
Illustration:
A, in an enquiry before an officer deputed by a Court of Justice to ascertain on the spot the boundaries of land, makes on oath a statement which he knows to be false. As this enquiry is a stage of a judicial proceeding, A has given false evidence.
৯,৯১৩.
প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়ার পরও কোনো নথি উপস্থাপন না করলে, সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী আদালত কি অনুমান করবে?
  1. নথিটি বাতিল
  2. নথিটির বৈধতা নিশ্চিত নয়
  3. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয় নি
  4. নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নথিটি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
• Section 89⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:
The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.

যদি আদালত কোনো নথি দেখতে চায় এবং প্রয়োজনীয় নোটিশ দিয়েও তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত ধরে নেবে যে উক্ত নথিটি আইনগত  প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সাক্ষ্যযুক্ত, মুদ্রাঙ্কিত এবং সম্পাদিত হয়েছিল।

অর্থাৎ, আদালত থেকে নথি দেখার নির্দেশ থাকলেও যদি তা উপস্থাপন না করা হয়, তাহলে আদালত নিজে থেকেই ধরে নেবে যে সেই নথিটি আইনগতভাবে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি গৃহীত ধারণা যা প্রতিপক্ষের উল্টো প্রমাণ না থাকলে বলবৎ থাকবে।
৯,৯১৪.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "গুরুতর আঘাত" হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হাড় বা দাঁতের ভাঙ্গন
  2. আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
  3. মাথা বা মুখের স্থায়ী বিকৃতি
  4. এক কানের শ্রবণ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে হারানো
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ শ্রেণীর জখমকে গুরুতর জখম' হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ শ্রেণির গুরুতর আঘাত হল। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ।
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ।
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ।
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ।
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি।
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা।
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত। 

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি" গুরুতর আঘাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
------------
⇒ The Penal Code Section 320.Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly. -Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly. -Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly. -Privation of any member or joint. 
Fifthly. -Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly. -Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly. -Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly. -Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits. 
৯,৯১৫.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ বছর।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর । চুক্তি সম্পাদনে অস্বীকৃতির বিষয় জানতে পারার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে  সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের জন্য মামলা  করতে হবে।
৯,৯১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার মূল বক্তব্য কী?
  1. সংশোধিত চুক্তি বাতিল করতে হবে
  2. সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
  3. সংশোধনের পর নতুন দলিল তৈরি করতে হবে
  4. সংশোধিত চুক্তি কেবল আপিলে কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, যদি কোনো চুক্তি সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তাহলে প্রথমে তা সংশোধন (rectification) করা যেতে পারে এবং পরে, যদি মামলাকারী (plaintiff) তার মামলার আবেদনে (plaint) চুক্তির বলবৎ (specific enforcement) প্রার্থনা করে এবং আদালত মনে করে যে এটি যুক্তিযুক্ত, তাহলে সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে।
⇒ অর্থাৎ, আদালত চুক্তির ভুল সংশোধন করতে পারেন এবং পরে, যদি এটি প্রয়োজনীয় হয়, তবে সংশোধিত চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের আদেশও দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৩৪ অনুসারে, সংশোধিত চুক্তিকে আদালতের বিবেচনায় প্রয়োজনে বলবৎ করা যেতে পারে, যদি মামলাকারী তা দাবি করে এবং আদালত মনে করে এটি ন্যায়সঙ্গত ও আইনসিদ্ধ।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
৯,৯১৭.
একটি বন্ড মূলে পাওনা টাকা দাবী করে ‘খ’-এর বিরুদ্ধে ‘ক’-একটি মোকদ্দমা দায়ের করে। বন্ডটির সম্পাদন স্বীকৃত। কিন্তু ‘খ’-বলে যে প্রতারণার মাধ্যমে বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে, যা ‘ক’- অস্বীকার করে। প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় কার উপরে ন্যস্ত?
  1. ‘ক’
  2. ‘খ’
  3. আদালত
  4. তৃতীয় কোনো ব্যক্তি যিনি ঘটনাটি দেখেছেন
সঠিক উত্তর:
‘খ’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারার বিধান: প্রমাণের দায়িত্ব যাহার উপর ন্যস্ত থাকে:
মামলায় বা কার্যক্রমে কোন পক্ষ হইতেই সাক্ষ্য দেওয়া না হইলে যে পক্ষ মামলায় ঠকিবে, মামলার বিষয়বস্তু প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই পক্ষের উপর ন্যস্ত।

⇒ প্রতারণার বিষয়টি প্রমাণের দায় ‘খ’-এর ওপর বর্তাবে। কারণ, ‘খ’ এই প্রতারণার দাবি উত্থাপন করেছে, এবং সে তা প্রমাণে ব্যর্থ হলে মামলায় পরাজিত হবে।

 
⇒ উদাহরণ:
(ক) ক একটি জমির জন্য খ-এর বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। জমিটি খ-এর দখলে আছে। ক দাবি করে যে খ-এর পিতা গ উইল করিয়া ঐ জমি ক-কে দিয়া গিয়াছে। এই মামলায় কোন পক্ষ্য সাক্ষ্য না দিলে খ জমির দখল বজায় রাখিবার অধিকারী হইবে। সুতরাং এইক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব ক-এর উপর ন্যস্ত আছে।
৯,৯১৮.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম-১ এর বিধান প্রয়োগ করতে হলে উত্তেজনাটি (Provocation) হতে হবে-
  1. গুরুতর [Grave]
  2. হঠাৎ [Sudden]
  3. গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
  4. অনিচ্ছাপূর্বক [involuntarily]
সঠিক উত্তর:
গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুতর এবং হঠাৎ [Grave and Sudden]
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের যে সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

ব্যতিক্রম ১:- যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-

প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

ব্যতিক্রম ২:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।

ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।

------
⇒  Murder
Section 300. Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or- 
 
Secondly.- If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or – 
 
Thirdly.- If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or – 
 
Fourthly.- If the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.
When culpable homicide is not murder

Exception 1.-Culpable homicide is not murder if the offender, whilst deprived of the power of self-control by grave and sudden provocation, causes the death of the person who gave the provocation or cause the death of any other person by mistake or accident.

The above exception is subject to the following provisos:
Firstly.-That the provocation is not sought or voluntarily provoked by the offender as an excuse for killing or doing harm to any person. 
Secondly.-That the provocation is not given by anything done in obedience to the law, or by a public servant in the lawful exercise of the powers of such public servant. 
Thirdly.-That the provocation is not given by anything done in the lawful exercise of the right of private defence. 
Explanation.- Whether the provocation was grave and sudden enough to prevent the offence from amounting to murder is a question of fact.

Exception 2.- Culpable homicide is not murder if the offender, in the exercise in good faith of the right of private defense of person or property, exceeds the powers given to him by law and causes the death of the person against whom he is exercising such right of defense without premeditation, and without any intention of doing more harm than is necessary for the purpose of such defense.

Exception 3.- Culpable homicide is not murder if the offender, being a public servant or aiding a public servant acting for the advancement of public justice, exceeds the powers given to him by law, and causes death by doing an act which he, in good faith, believes to be lawful and necessary for the due discharge of his duty as such public servant and without ill-will towards the person whose death is caused. 
 
Exception 4.-Culpable homicide is not murder if it is committed without premeditation in a sudden fight in the heat of passion upon a sudden quarrel and without the offender's having taken undue advantage or acted in a cruel or unusual manner. 
Explanation.- It is immaterial in such cases which party offers the provocation or commits the first assault. 
 
Exception 5.- Culpable homicide is not murder when the person whose death is caused, being above the age of eighteen years, suffers death or takes the risk of death with his own consent.
৯,৯১৯.
তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয় -
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা : ১৪ ‘এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে’ 

১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
৯,৯২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা অনুসারে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কাকে অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করে?
  1. বাদীকে
  2. বিবাদীকে
  3. বাদী এবং বিবাদী উভয়কে
  4. ৩য় কোনো পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারা মতে, 

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে বিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়, যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

৯,৯২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারার ব্যাখ্যা-১ অনুযায়ী কে মামলার মাধ্যমে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে?
  1. ভোক্তা
  2. ক্রেতা
  3. জিম্মাদার
  4. বিক্রেতা
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।

ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
৯,৯২২.
বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন কে?
  1. অ্যাটর্নী জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সচিব
  4. ভাইস- চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972:  Rules-55. The Secretary shall be the chief executive officer of the Bar Council.
- 55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Bar Council.
- 55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.
৯,৯২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারার অধীনে যে মহিলারা জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য নন, তারা কী থেকে অব্যাহতি পাবেন?
  1. মামলা দায়ের করা থেকে
  2. মামলায় আসামি হওয়া থেকে
  3. আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
  4. কোন আইনানুগ কার্যক্রম থেকে
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারা: কতিপয় স্ত্রীলোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:

১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল স্ত্রীলোককে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন স্ত্রীলোককে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ স্ত্রীলোক অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লেখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।

Section 132: Exemption of certain women from personal appearance:
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
৯,৯২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ এর মাঝে  বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত তাকে প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা দণ্ড দিতে পারে।
- যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তবে আদালত নির্দেশ না দিলে এগুলো ক্রমিকভাবে (consecutive) চলবে।
- তবে মোট দণ্ডের মেয়াদ কোনোভাবেই ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।
- ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে, তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, তার দ্বিগুণের বেশি মোট শাস্তি দেওয়া যাবে না।
- আপিলের উদ্দেশ্যে, একই বিচারে একাধিক অপরাধে প্রদত্ত ক্রমিক দণ্ডগুলোকে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য করা হবে।
- তাই একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে ধারা ৩৫ এর মাঝে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

৯,৯২৫.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারামতে ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------------
⇒ Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯,৯২৬.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত সার্টিফিকেট ইস্যুর কত দিনের মধ্যে পক্ষগণ কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
- মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত পক্ষগণকে কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার (Refund of court fees) জন্য একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ষাট (৬০) দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবার অধিকারী হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১) কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
----------------
- CPC Section 89A (11) Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
৯,৯২৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'Criminal breach of trust by clerk or servant' এর শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারার বিধান: কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:- কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা কেরানি বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------
Section 408. Criminal breach of trust by clerk or servant:- Whoever, being a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৯,৯২৮.
ফৌজদারি মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. আসামিকে সাজা দেয়া
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত
  3. শুধু আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা
  4. আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করার
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত
ব্যাখ্যা
♦ পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব দায়িত্বই হচ্ছে- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। শুধু আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা নয়। আসামিকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য ঘটনা গোপন রাখা বা সাক্ষীদের লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

♦ অচরণবিধির অধ্যায় ৩, বিধি ৫ঃ ফৌজদারি মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর প্রাথমিক দায়িত্ব সাজা দেয়া নয় বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এজন্য তিনি কোন ঘটনা বা সাক্ষ্য কোনভাবে লুকাবেন না।

♦ The primary duty of an Advocate engaged in public prosecution is not to convict, but to see that the justice is done. The suppression of facts or the concealing of witnesses capable of establishing the innocence of the accused is highly reprehensible.
৯,৯২৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ১৭ ধারায় ___________ সম্পর্কিত মোকদ্দমা সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
  1. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক অস্থাবর সম্পত্তি
  2. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
  3. বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর এবং অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. একই আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত একাধিক স্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা-
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা বা এতে কোন ক্ষতির কারণে আনীত মোকদ্দমার সম্পত্তি যদি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে থাকে, তাহলে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তবে শর্ত থাকে যে, এই প্রকার মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য সম্পর্কে সমগ্র দাবিটিই ঐরূপ আদালত বিচারার্থে গ্রহণ করতে পারে।

Section 17: Suits for immovable property situate within jurisdiction of different Courts-
Where a suit is to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property situate within the jurisdiction of different Courts, the suit may be instituted in any Court within the local limits of whose jurisdiction any portion of the property is situate:
Provided that, in respect of the value of the subject-matter of the suit, the entire claim is cognizable by such Court.
৯,৯৩০.
এক ফৌজদারি মামলায় 'খ' দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে 'খ' উচ্চতর আদালতে আপিলের আবেদন করে। আপিল চলাকালীন 'খ' মারা যায়। এক্ষেত্রে উক্ত আপিল-
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিল হবে না
  3. পণ্ড হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৯,৯৩১.
'ক' সুস্থ থাকতে মামলা করার অধিকার অর্জন করে। পরবর্তীতে সে উন্মাদ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির-
  1. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে 
  2. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
  3. সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় তামাদি গণনা শুরু হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
ব্যাখ্যা

মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মামলা করার অধিকার লাভের সময় আইনগতভাবে সক্ষম থাকে তাহলে পরবর্তীতে সে ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হলেও- তামাদি মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে।
- অর্থাৎ একবার তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হলে, পরবর্তীতে যদি কোনো আইনগত অপারগতা বা অক্ষমতার কারণে তা স্থগিত হবে না।

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯: সময়ের অবিরাম চলন:  অনুযায়ী, একবার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে আরম্ভ হইলে পরবর্তী কোনো অপারগতা বা অক্ষমতার দ্বারা তাহা বন্ধ হইবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ন্যস্ত থাকিবে, ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকিবে।
-----------------------
The Limitation Act 1908,Section 9: Continuous running of time:   Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

৯,৯৩২.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কোন বিভাগে ১৫০ থেকে ১৫৭ অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ এর মধ্যে আপীল সংক্রান্ত তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত থাকায়, এটি দ্বিতীয় বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) দ্বিতীয় বিভাগ।
৯,৯৩৩.
কোন ধরনের মামলায় অভিযুক্তের ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৯,৯৩৪.
১০ বছর বয়সী শিশুর কাজ কখন অপরাধ বলে গণনা হবে না?
  1. অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
  2. কখনো অপরাধ হবে না
  3. খুন ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
  4. নিন্দনীয় নরহত্যা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিণত বোধ সম্পন্ন হলে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৮৩ ধারামতে ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিণত বোধ সম্পন্ন (immature understanding) শিশুর কাজ অপরাধ নয় ।
♦ তবে পরিপক্কতা অর্জন করলে অর্থাৎ কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারলে উক্ত ৯ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৯,৯৩৫.
"Principles of rectification" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের সময় আদালত কর্তৃক অনুসৃত নীতির বিধান রয়েছে। ৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, একটি লিখিত দলিল সংশোধনের সময় দলিল দ্বারা কি বুঝাতে চাওয়া হয়েছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল বিষয়ে পক্ষসমূহের কি অভিপ্রায় ছিল আদালত সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন। শুধুমাত্র দলিলের ভাষা দ্বারা পক্ষসমূহ কি অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে চেয়েছিল আদালত এই বিষয়েই অনুসন্ধান সীমিত রাখবেন না। অর্থাৎ দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে আদালত পক্ষগণের ইচ্ছা কি ছিল তা খুঁজে বের করবেন এবং সে ইচ্ছা কার্যকর করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দলিলের গঠনের দিকে না তাকিয়ে দলিলের মূল বিষয়ের উপর লক্ষ্য দেবেন।
--------------
The Specific Relief Act, 1877- Section 33. Principles of rectification:

 - In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be. 
৯,৯৩৬.
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী যদি বাদীর দাবি স্বীকার করেন, তখন আদালত-
  1. সমন প্রেরণ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবে
  3. সমন প্রেরণ করবে না
  4. মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদীর নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
৯,৯৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) অনুযায়ী, অপহরণ বা কিডন্যাপিং মামলার বিচার কোথায় হতে পারে?
  1. যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে
  3. যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "অপহরণ বা abduction অপরাধের তদন্ত বা বিচার সেই আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্যে করা যেতে পারে, যার এখতিয়ার সীমার মধ্যে ব্যক্তিকে অপহরণ বা abduction করা হয়েছে অথবা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বা লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা আটক রাখা হয়েছে।"
- সুতরাং, অপহরণের মামলা নিম্নলিখিত যেকোনো স্থানের আদালতে বিচারযোগ্য:
ক) যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে (যেখানে ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে)
খ) যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে (যেখানে তাকে conveyance করা হয়েছে)
গ) যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে (যেখানে তাকে conceal বা detain করা হয়েছে)
এজন্য সঠিক উত্তর হল ঘ) উপরোক্ত সবগুলো।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-181.Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody, etc.
(1) The offence of being a thug, of being a thug and committing murder, of dacoity, of dacoity with murder, of having belonged to a gang of dacoits, or of having escaped from custody, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person charged is.
- Criminal misappropriation and criminal breach of trust:
(2) The offence of Criminal misappropriation or of criminal breach of trust may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction any part of the property which is the subject of the offence was received or retained by the accused person, or the offence was committed.
- Theft:
(3) The offence of theft, or any offence which includes theft or the possession of stolen property, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction such offence was committed or the property stolen was possessed by the thief or by any person who received or retained the same knowing or having reason to believe it to be stolen.
- Kidnapping and abduction:
(4) The offence of kidnapping or abduction may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person kidnapped or abducted was kidnapped or abducted or was conveyed or concealed or detained.

৯,৯৩৮.
কোন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক);
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬);
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী- ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
৯,৯৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে শান্তি রক্ষার জামানত না দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের শাস্তি হবে?
  1. জরিমানা
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যেকোন একটি
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে কারাদণ্ডের ধরণ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৫) শান্তি রক্ষার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস সাধারণ (বিনাশ্রম কারাদণ্ড) হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৬) শৃঙ্খলার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস ১০৮ ধারার অধীনে হলে সাধারণ হবে এবং ১০৯ বা ১১০ ধারার অধীনে হলে, আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুসারে কঠোর বা সাধারণ হতে পারে।
------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section:-123: Kind of imprisonment:
-Section:-123(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
-Section:-123(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
৯,৯৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানী মোকদ্দমায় হাইকোর্ট বিভাগের রেফারেন্সের ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ৯৬
  2. ১১৩
  3. ১১৪
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে।
-১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
যে কোন আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 113- Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.
৯,৯৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ-
  1. সমন জারির তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
  2. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  3. সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
  4. আরজি দাখিলের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ১ বিধির অধীন লিখিত জবাব দাখিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ সমন জারির তারিখ হতে ৬০ কার্যদিবস

• বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে যে লিখিত বিবরণ দাখিল করে তাকে লিখিত জবাব বা Written Statement বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশে লিখিত জবাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লিখিত জবাবের সাধারন নিয়মাবলী ৮ নং আদেশের ১ হতে ১০ বিধিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ৮ বিধি (১)-৮০ ধারার (২) উপধারা শর্তাংশে যেরূপ বিধান আছে, তা ব্যতীত বিবাদি তার উপর জারিকৃত সমনের তারিখ হতে ত্রিশ কার্য দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থকপূর্বক একটি লিখিত জবাব পেশ করবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যখন বিবাদী উক্ত ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতীত লিখিত জবাব দিতে ব্যর্থ হবে তখন আদালত কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন দিনে তা দাখিল করার অনুমতি প্রাপ্ত হবে এবং তার কারণ অবশ্যই লিপিবদ্ধ করতে হবে, কিন্তু তা কোন ক্রমেই সমন জারি হওয়ার ৬০ কার্যদিবস অতিক্রম করবে না।

আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি উক্ত ষাট কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে তবে আদালত এক তরফা মোকদ্দমার নিষ্পত্তি করবে।
৯,৯৪২.
বিলম্বিত মোহরের তামাদির সময় গণনা শুরু হবে কখন?
  1. বিয়ের দিন থেকে
  2. পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
  3. মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
  4. মোহর তলব করার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১০৪:
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে 
তামাদির মেয়াদকাল
- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

৯,৯৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
  3. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৯,৯৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির _______ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।
  1. আদেশ ৮, বিধি ৩
  2. আদেশ ১০, বিধি ২ 
  3. আদেশ ১২, বিধি ১
  4. আদেশ ১৪, বিধি ৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২, বিধি ১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ১ অনুসারে, মোকদ্দমার কোনো পক্ষ আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো লিখিত উপায়ে (যেমন চিঠি, নোটিশ ইত্যাদি) অন্য পক্ষের মোকদ্দমার সম্পূর্ণ বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.

৯,৯৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মূলত কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. প্রথাগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. আন্তর্জাতিক আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ না করে বরং ফৌজদারি মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে। যেমন: অভিযোগ দায়ের, গ্রেপ্তার, তদন্ত, জামিন, বিচার, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায় প্রদান ও আপিলের নিয়মাবলী এই আইনে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মৌলিক আইন (Substantive Law): অপরাধ ও শাস্তির সংজ্ঞা দেয় (যেমন: দণ্ডবিধি)।
- প্রথাগত আইন: সমাজের রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আইন।
- আন্তর্জাতিক আইন: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

৯,৯৪৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩ বিধি-১ অনুসারে আদালতে হাজিরা দেওয়ার কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩, বিধি ১ (Order III, Rule 1 of the Code of Civil Procedure, 1908) অনুযায়ী,
- একটি পক্ষ আদালতে হাজিরা দিতে পারে তিনটি উপায়ে:
১. ব্যক্তিগতভাবে (In person)
২. স্বীকৃত এজেন্টের মাধ্যমে (By recognized agent)
৩. আইনজীবীর মাধ্যমে (By pleader)
তবে আদালত চাইলে পক্ষকে নিজে (personally) হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে।

- অতএব: মোট পদ্ধতি: ৩টি → সঠিক অপশন: গ) ৩টি।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩ বিধি ১ (উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে)-
মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 3 Rule 1: Appearances, etc. may be in person, by recognized agent or by pleader-
Any appearance, application or act in or to any Court, required or authorised by law to be made or done by a party in such Court, may, except where otherwise expressly provided by any law for the time being in force, be made or done by the party in person, or by his recognized agent, or by a pleader appearing, applying or acting, as the case may be, on his behalf:
Provided that any such appearance shall, if the Court so directs, be made by the in person.
৯,৯৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারা অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোন শর্তে আপিল করা যাবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ৫০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট ২০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: গ) ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, ধারা ২৬০ এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction]:
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫,০০০ টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414. No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only.
৯,৯৪৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারা দেওয়ানি আদালতের কোন এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. বিশেষ এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"
অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে।
সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 15. Court in which suits to be instituted.
 Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.
৯,৯৪৯.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
- Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
৯,৯৫০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৮ অনুসারে একজন next friend বা guardian for the suit হিসেবে কাজ করতে হলে কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে
  2. তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে
  4. তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে একজন Next Friend বা Guardian for the suit হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলি অপরিহার্য:
- সুস্থ মস্তিষ্কের (sound mind) হতে হবে
- প্রাপ্তবয়স্ক (attained majority) হতে হবে
- নাবালকের স্বার্থের বিরোধী কোন স্বার্থ তার থাকা চলবে না
- Next Friend-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না
- Guardian for the suit-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বাদী হতে পারবেন না
অতএব, "সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া" এই শর্তটি অপরিহার্য।

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে → next friend হলে বিবাদী হওয়া যায় না, আর guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।
খ) তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে → কোথাও এমন শর্ত নেই।
গ) তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে → guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit. 
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit: Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.

৯,৯৫১.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে?
  1. কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ
  2. ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি
  3. ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
  4. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তু নষ্ট বা অপবিত্র করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯৫ ধারায় যে অপরাধের বিধান রয়েছে তা হলো: কোন উপাসনালয় ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা।
- কোন শ্রেণির ব্যক্তিদের কাছে পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করা। এই কাজটি করতে হবে কোন শ্রেণির ধর্মকে insult করার উদ্দেশ্যে অথবা এই জ্ঞান সত্ত্বেও যে, এই কাজটি উক্ত শ্রেণির ধর্মের প্রতি একটি insult হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে,
ক) কবরস্থানে অবৈধ প্রবেশ → এটি ধারা ২৯৭ তে বর্ণিত।
খ) ধর্মীয় উপাসনা চলাকালে বিরক্তি সৃষ্টি → এটি ধারা ২৯৬ তে বর্ণিত।
ঘ) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য শব্দ উচ্চারণ → এটি ধারা ২৯৮ তে বর্ণিত।
সুতরাং, ২৯৫ ধারার মূল বিষয় হলো ধর্মীয় স্থান বা পবিত্র বস্তুকে নষ্ট বা অপবিত্র করা।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯,৯৫২.
According to Section 152 of The Evidence Act, 1872: The Court ______ any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which appears to the Court needlessly offensive in form.
  1. may allow
  2. shall forbid
  3. may forbid
  4. can allow
সঠিক উত্তর:
shall forbid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
shall forbid
ব্যাখ্যা
• Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।
৯,৯৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) কোন ধরনের আইনের অন্তর্গত?
  1. তত্ত্বগত আইন
  2. শাস্তিমূলক আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. প্রশাসনিক আইন
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তত্ত্বগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒  তত্ত্বগত আইন ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং প্রতিকারের বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দেওয়ানি মামলায় বিশেষ প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া বা চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদান করে, যা অধিকার সংরক্ষণের জন্য তত্ত্বগত। পদ্ধতিগত আইন মামলার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে, যা এর থেকে ভিন্ন।
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) হলো তত্ত্বগত আইন (Substantive Law)।
- তত্ত্বগত আইন এমন আইন, যা কোনো ব্যক্তির অধিকার, কর্তব্য বা দায়িত্ব নির্ধারণ করে এবং শাস্তির বিধান দেয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দেওয়ানি মামলায় বিশেষ ধরণের প্রতিকার (যেমন: সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়া, চুক্তি বাস্তবায়ন) প্রদানের জন্য বিধান রয়েছে, যা ব্যক্তির অধিকার সংরক্ষণ করে।

অন্যদিকে, পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law) হলো আইন, যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বা পদ্ধতি নির্ধারণ করে (যেমন: দেওয়ানী কার্যবিধি বা ফৌজদারি কার্যবিধি)।

অতএব, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন হলো তত্ত্বগত আইন, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে এবং প্রতিকার দেয়।

৯,৯৫৪.
দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ কত দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা

→দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-
- অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,
- যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
- অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনূর্ধ্ব  চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
- এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।

অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
উদাহরণ:
ক) একজন ব্যক্তি ৫০ টাকা জরিমানা দিতে অস্বীকার করলে, আদালত সর্বোচ্চ ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
খ) যদি জরিমানার পরিমাণ ১০০ টাকা হয়, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ মাস হতে পারে।
গ) যদি জরিমানা ১০০ টাকার বেশি হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড দেওয়া যাবে।
-------------
→ The Penal Code,1860- Section 67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
 If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.

৯,৯৫৫.
দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি কোন প্রশ্নে আপিল করতে পারেন?
  1. দণ্ড
  2. আইন
  3. এখতিয়ার
  4. কেবল আইন
সঠিক উত্তর:
দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দোষস্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের ক্ষেত্রে ৪১২ ধারা অনুসারে কোন আপীল করা যায় না। কিন্তু ৪১২ ধারা অনুসারে দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার বিষয়ে আপীল করা যায়।
♦অর্থাৎ দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার প্রশ্নে আপিল করতে পারেন।
৯,৯৫৬.
সরকারের বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে যদি আদালত সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করে, তবে রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে উক্ত ডিক্রি কার্যকর করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা-৮২: ডিক্রি জারি:
১) সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্বোক্তরূপ কোন কার্যের দায়ে কোন ডিক্রি প্রদত্ত হলে ঐ ডিক্রির নির্দেশ কত দিনের মধ্যে পালন করতে হবে, ডিক্রিতে তা উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ডিক্রির নির্দেশ পালন করা না হয়, তবে আদালত বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ আদেশের জন্য সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণ করবেন।

২) সরকারের নিকট রিপোর্ট প্রেরণের তারিখ থেকে তিন মাস পর্যন্ত উক্ত ডিক্রির নির্দেশ প্রতিপালিত না হলে এরূপ কোন ডিক্রি জারি করা যাবে না।

Sec.-82: Execution of decree-
1) Where the decree is against the Government or against a public officer in respect of any such act as aforesaid, a time shall be specified in the decree within which it shall be satisfied; and, if the decree is not satisfied within the time so specified, the Court shall report the case for the orders of the Government.

2) Execution shall not be issued on any such decree unless it remains unsatisfied for the period of three months computed from the date of such report.
৯,৯৫৭.
কোনো কাজের Motive সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে প্রাসঙ্গিক ঘটনা?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৮ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮-উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সংঘটনে অভিপ্রায় বা উদ্যোগ যে বিষয়ের দ্বারা সৃষ্টি হয় বা যে বিষয় হইতে দৃষ্ট হয়, তাহা প্রাসঙ্গিক বিষয়।কোন মামলা বা বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে অথবা উহাতে বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় সম্পর্কে উক্ত মামলা বিচার যা কার্যক্রমের কোন পক্ষ বা কোন পক্ষের প্রতিনিধির আচরণ এবং যে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে সংঘটিত কোন অপরাধ কোন ফৌজদারী কার্যক্রমের বিষয়বস্তু, তাহার আচরণ যদি কোন বিচাৰ্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে প্রভাবিত করে বা তদ্দারা প্রভাবিত হয় তরে সেই আচরণ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পূর্ববর্তী হউক বা পরবর্তীই হউক, তাহা প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় ৩টি বিষয়কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে-
(i) অভিপ্রায় (Motive);
(ii) প্রস্তুতি (Preparation);
(iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct).
৯,৯৫৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর কোন ধারা অনুযায়ী আংশিক দলিল বাতিল করা যায়?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৯ ধারা
  4. ৪০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪০ ধারা অনুযায়ী কোন দলিল যদি বিভিন্ন অধিকার/বাধ্যবাধকতার সাক্ষী হয় তাহলে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলায় তা আংশিক ভাবে বিলোপ করতে পারেন এবং বাকী অংশ বহাল রাখতে পারেন।
৯,৯৫৯.
'An appellate court shall have power to take additional evidence or require such evidence to be taken'- বিধানটি The Code of Civil Procedure,1908 এর কোথায় বর্ণিত আছে?
  1. Order XLI rule 27
  2. Order XLI rule 17
  3. Section 107
  4. Section 96
সঠিক উত্তর:
Section 107
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 107
ব্যাখ্যা
Section 107- Powers of Appellate Court:

(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power- 
(a) to determine a case finally; 
(b) to remand a case; 
(c) to frame issues and refer them for trial; 
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken. 
 
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
৯,৯৬০.
১৮৩৪ সালে গঠিত প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন-
  1. G.W. Anderson
  2. F. Millet
  3. J.M. Macleod
  4. Lord Macaulay
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Macaulay
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
⇒ প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)
⇒ প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod।

এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।
৯,৯৬১.
সংবিধানের___________অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ দিয়ে থাকে?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦সংবিধানের  ১১৫ অনুচ্ছদের বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগঃ বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
♦যেহেতু দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হলো বিচার বিভাগীয় পদ। তাই রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ ১১৫ অনুচ্ছদের অধীন দিয়ে থাকে।
৯,৯৬২.
আদালত কর্তৃক কোনো সম্পত্তি বা বস্তু পরিদর্শনের ক্ষমতা বিষয়ে The Code of Civil Procedure, 1908 এর বিধান কোনটি?
  1. Order 26 rule 6
  2. Section 151
  3. Order 18 rule 18
  4. Order 49 rule 1
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

- আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:  
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন। 
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
৯,৯৬৩.
দণ্ডবিধির অনুসারে wrongful confinement এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কেউ তিন দিনের বেশি সময় ধরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে wrongful confinement (অবৈধ অবরোধ) করে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, অথবা জরিমানা বা উভয়টাই হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৩ ধারা- তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ অবরোধ:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তিন বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 343: Wrongful confinement for three or more days:
Whoever wrongfully confines any person for three days or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯,৯৬৪.
'ক' একটা ফার্মের নিকট দেনাগ্রস্ত। চ, ছ এবং জ সেই ফার্মের অংশীদার। চ ও ছ উম্মাদ এবং জ নাবালক। এক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র 'চ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ছ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  3. শুধুমাত্র 'জ" এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  4. 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন ১৯০৭ এর ৭ ধারা অনুসারে 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে

ধারা-৭ (কতিপয় বাদী অথবা দরখাস্তকারীর একজনের অপারগতা: যেইক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার অথবা ডিক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী এবং তাহাদের একজন উপরোক্ত প্রকারের অপারগতা এবং তাহার সম্মতি ছাড়াই দায়মুক্ত করা চলে, সেই ক্ষেত্রে তাহাদের সকলের প্রতিকূলেই তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে থাকিবে। কিন্তু যেইক্ষেত্রে অনুরূপভাবে দায়মুক্ত করিবার যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত অথবা উপরোক্ত অপারগতার অবসান না হওয়া পর্যন্ত তাহাদের কাহারও প্রতিকূলে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইবে না।
----------
Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants: Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

৯,৯৬৫.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর কোন ধারায় 'মুদ্রা'র সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২৫০
  2. ধারা ২৪০
  3. ধারা ২৩০
  4. ধারা ২২০
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.

৯,৯৬৬.
''An accomplice shall be a competent witness against an accused person''. বিধানটি The Evidence Act,1872 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৩২ ধারা 
  2. ১৩৩ ধারা 
  3. ১১৪ ধারা 
  4. ১২০ ধারা 
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩ ধারা 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনে ১৮৭২,ধারা ১৩৩, সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবার উপযুক্ত লোক বলিয়া বিবেচিত হইবে; সহযোগীর সমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে শান্তি দেওয়া হইলে কেবলমাত্র সেই কারণেই উক্ত শাস্তি বেআইনি হইবে না।
---------------------------------
The Evidence Act 1872, Section133, Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

৯,৯৬৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কত ধারার অধীনে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে 'compliance report' জমা দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯১
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৪ক: আদেশ বা ডিক্রি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে:
 আদালত যে কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অন্তর্ভুক্ত, তাদের নির্দেশ দিতে পারে যাতে তারা আদালত কর্তৃক মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সহায়তা করে এবং আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মতি প্রতিবেদন (compliance report) জমা দেয়।

[For the purpose of execution of any decree or order, the Court may direct the executive authorities, including law enforcement agencies, to assist any person designated by it and to submit compliance report within the time specified by it.]

৯,৯৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাটি 'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৭ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত।
এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
৯,৯৬৯.
দেওয়ানি মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোনো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, সাধারণত কতদিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হয়?
  1. ৬ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৪ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-
১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১];
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ [বিধি-২];
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]।

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-
মোকদ্দমার কোনো পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
৯,৯৭০.
৩৪ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে যৌথ দায় বা Joint Liability প্রযোজ্য হয়?
  1. যদি অপরাধের পরিকল্পনা শুধুমাত্র এক ব্যক্তি দ্বারা করা হয়
  2. যদি অপরাধের কোন পূর্ব পরিকল্পনা না থাকে
  3. যদি অপরাধ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ দুই বা ততোধিক ব্যক্তি দ্বারা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান- কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলী:

যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায় (Common Intention) গঠিত হয় না।
৯,৯৭১.
কোন রিভিউ দরখাস্ত না-মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারায় এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ধারা ১১৪ এবং ৪৭ আদেশের ১ বিধির অধীন রিভিউ আবেদন করা যায় যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান নেই বা যে সকল ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান আছে কিন্তু আপীল করে নাই।

♦যে আদালত ডিক্রি বা আদেশ দেয়, সেই আদালতে ডিক্রি বা আদেশটি রিভিউ করার জন্য আবেদন করতে হয়। অর্থাৎ রিভিউযোগ্য কোন ডিক্রি যে আদালত উক্ত ডিক্রিটি প্রদান করে সে আদালতে রিভিউ এর জন্য দায়ের করতে হবে এবং সেই ক্ষেত্রে উক্ত আদালত (ডিক্রি প্রদানকারী আদালত যার নিকট ডিক্রিটি রিভিউ এর জন্য বিবেচনা করার জন্য দাখিল করা হয়েছে) সেই আদালত উক্ত রিভিউ এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

♦ ৪৭ আদেশ ৪ বিধি এর বিধান যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র অগ্রাহ্য হয় (Application where rejected): আদালত যদি মনে করেন রিভিউ এর যথেষ্ট কারণ আছে তাহলে তা মঞ্জুর করতে এবং যদি মনে করেন যথেষ্ট কারণ নেই তাহলে তা না মঞ্জুর করতে পারেন।

♦ ৪৭ আদেশ ৭ বিধি এর বিধান প্রত্যাখ্যানের আদেশ আপিলযোগ্য নয় ; আবেদন মঞ্জুর করার আদেশে আপত্তি (Order of rejection not appealable Objection to order granting application): রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে তবে রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করলে রিভিশন চলবে।

♦ অর্থাৎ রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কিন্তু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর করলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।

♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ আদেশের ৪(১) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন অগ্রাহ্য (না-মঞ্জুর) করতে পারে এবং ৪(২) বিধি অনুযায়ী আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশে বলা হয়েছে, ৪৭ আদেশের ৪ বিধি অনুযায়ী রিভিউর আবেদন মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশ হবে আপীলযোগ্য আদেশ। অর্থাৎ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। কিন্তু রিভিউ আবেদন না মঞ্জুর করে কোন আদেশ দিলে তা আপীলযোগ্য আদেশ নয়। তাই এর বিরুদ্ধে আপীল (আপত্তি) করা যায় না।দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল আদেশ এবং ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল চলে না তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যাবে। সুতরাং যেহেতু রিভিউ আবেদন না-মঞ্জুর কোন আপীলযোগ্য আদেশ নয়, তাই এর বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন দায়ের করা যাবে। 

 রিভিউ সংক্রান্ত অন্যান্য বিধানাবলী-
♦আদালত রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে, তবে রিভিউর আবেদন না মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন চলবে।

♦কোন পক্ষ যদি কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল না করে, তবে সে পক্ষ অন্য পক্ষের আপিল বিচারাধীন থাকা সত্বেও রায় পুনঃনিরীক্ষণ করার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে। কিন্তু যেক্ষেত্রে আপিলের কার্যক্রমের শর্তসমূহ দরখাস্তকারী ও আপিলকারীর জন্য একই বা যেক্ষেত্রে উত্তরদায়ক হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে উক্ত ব্যক্তি স্বীয় বক্তব্য পেশ করতে পারবে, সেক্ষেত্রে রিভিউয়ের দরখাস্ত করা চলবে না।

♦সাধারণত রিভিউ শুধু দেওয়ানী মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও তার রায় বা আদেশ রিভিউ করতে পারবে।

♦৪৭ নং আদেশের ৭(২) বিধিমতে রিভিউ আবেদনকারী রিভিউ শুনানীর সময় আদালতে অনুপস্থিত থাকলে বা হাজির না হলে, আদালত রিভিউ আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।
৯,৯৭২.
'mutatis mutandis' means-
  1. without changes
  2. with necessary changes
  3. mutual relationship
  4. mediation in appeal
সঠিক উত্তর:
with necessary changes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with necessary changes
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ ধারা ৮৯গ (আপিলে মধ্যস্থতা)-

১- আপিল আদালত আপিলের মধ্যস্থতা করবেন বা কোন আপিলের তর্কিত বিষয় বা বিষয়সমূহের নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে আপিলটিকে মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করতে পারেন, যদি আপিলটি আদেশ ৪১ (XLI) এর অধীন এবং আদি মোকদ্দমায় প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন এমন পক্ষসমূহের মধ্যে অথবা এরূপ আদি প্রতিদ্বন্দিতাকারী পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত কোন পক্ষের মধ্যকার আদি আপিল হয়ে থাকে।

২- উপধারা (১) এর অধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (mutatis mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section: 89C- Mediation in Appeal
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৯,৯৭৩.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে হিসাব করে ১ম সভা অনুষ্ঠিত হবে-
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ২ মাসের মধ্যে
  4. ১ মাসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১ মাসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহব্বান করবেন।
৯,৯৭৪.
পেনাল কোড এ বর্ণিত দ্বীপান্তর এর শক্তি স্থলাভিষিক্ত করা হয় যে প্রকারের কারাদন্ড দিয়ে তা হলো-
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. যাবজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
♦ধারা ৫৩ক মতে কারাবাস উল্লেখের ব্যাখ্যা:- (১) (২) উপধারার শর্তাবলী সাপেক্ষে, সাময়িকভাবে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে যেখানে যাবজ্জীবন ‘দ্বীপান্তর'-এর উল্লেখ রয়েছে, সেখানে উহা যাবজ্জীবন কারাবাস' ধরতে হবে।
(২) বর্তমানে প্রচলিত যেকোন আইনে কোন মেয়াদের বা স্বল্প মেয়াদের জন্য যেকোনভাবে হোক না কেন, দ্বীপান্তরের উল্লেখ থাকলে উহা রদ বলে পরিগণিত হবে।
(৩) বর্তমানে প্রচলিত অপর যেকোন আইনে, যেখানে দ্বীপান্তর উলেখ রয়েছে:
(ক) সেখানে উহা যদি যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহাকে যাবজ্জীবন কারাবাস ধরতে
(খ) সেখানে উহা যদি স্বল্পতর মেয়াদের দ্বীপান্তর বুঝায়, তবে উহা রদ হিসেবে গণ্য হবে।

♦অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৫৩ক ধারায় বলা হয়েছে যাবজ্জীবন দীপান্তর (Transportation for Life) কে যাবজ্জীবন কারাবাস (Imprisonment for Life ) বলে গণ্য করতে হবে।
৯,৯৭৫.
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান কী?
  1. Opinion as to handwriting, when relevant
  2. Facts bearing upon opinions of experts
  3. Opinion of experts on physical or forensic evidence
  4. Opinion as to digital signature where relevant
সঠিক উত্তর:
Opinion of experts on physical or forensic evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opinion of experts on physical or forensic evidence
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------
⇒ Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.- ( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৯,৯৭৬.
লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯০৮ এর কোন কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৪ ধারার ক্ষেত্রে
  3. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১০৭ ধারার ক্ষেত্রে
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৫(২) ধারার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৯ ধারার বিধান সংরক্ষণ:

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের (১৮৭২ সালের ৯নং আইনে) ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের বিধান অনুসারে কোনো মামলা, আপিলে বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-

(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হইবে, যেই পরিমাণ উহা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নহে, এবং
(খ) এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(৩) এই আইনের কোনো বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৮৬৯ সালের ৪ নং আইন) অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

(৪) যেই সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতা আপাতত সম্প্রসারিত করা হইবে, সেই সকল এলাকা হইতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত ‘সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।
৯,৯৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০ বিধি-২ অনুযায়ী, আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণের সময় কী বিবেচনা করে?
  1. সাক্ষীর সুপারিশ
  2. উকিলের সুপারিশ
  3. পক্ষগণের সুপারিশ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের সুপারিশ
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১০, বিধি ২ অনুযায়ী, আদালত যখন কোনো পক্ষ বা তার সঙ্গী ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করবে, তখন আদালত চাইলে পক্ষগণের সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
এটি মানে, পক্ষগণ চাইলে আদালতের কাছে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার প্রস্তাব দিতে পারে, তবে আদালত সেটি গ্রহণ করবে কিনা তা তার নিজস্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করবে। তবে সাক্ষী বা কেবলমাত্র উকিলের সুপারিশের ভিত্তিতে আদালত বাধ্য নয় কোনো প্রশ্ন করতে। 

-অর্থাৎ আদালত মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী যে কোনো শুনানিতে। পক্ষগণ আদালতকে নির্দিষ্ট প্রশ্ন করার সুপারিশ করতে পারে।
আদালত চাইলে সেই সুপারিশকৃত প্রশ্ন করতে পারে, তবে এটি আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
৯,৯৭৮.
যদি একজন ব্যক্তি চুক্তি অনুযায়ী তার অংশের কাজ সম্পন্ন না করে, তবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার অধীনে কী ঘটবে?
  1. তাকে চুক্তি থেকে বাদ দেয়া হবে
  2. তাকে চুক্তি পুনরায় করতে হবে
  3. তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে
  4. তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে। যথা-
⇒ যার পক্ষে ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব;
⇒ যে পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে;
⇒ যে চুক্তি পালনে অক্ষম;
⇒ যে চুক্তির বিষয়বস্তু পূর্বেই নিষ্পত্তি হয়েছে।

অর্থাৎ, এই সকল ব্যক্তির পক্ষে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করা যায় না।

Section 24- Personal bars to the relief: Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
৯,৯৭৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ১০৭
  2. ১১৪
  3. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপিল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপিল আদালতের ৪টি ক্ষমতা। 
১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান-
(১) যে-রূপ শর্তাদি ও সীমানা নির্ধারণ করা হয়, সাপেক্ষে কোন আপিল আদালতের নিম্নোক্ত ক্ষমতাগুলি থাকবে:
ক) কোন মামলা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মামলা পুনর্বিচারের জন্য পাঠানো;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলি বিচারের জন্য প্রেরণ এবং
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্যগ্রহণ বা এরূপ সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যে-রূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লিখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
৯,৯৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
৯,৯৮১.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪ অনুসারে, অভিযোগ শুনানির তারিখ নির্ধারণের পর ট্রাইব্যুনাল কাকে নোটিশ প্রদান করবে?
  1. শুধু অ্যাডভোকেটকে
  2. শুধু অ্যাটর্নি জেনারেলকে
  3. বার কাউন্সিলের সকল সদস্যকে
  4. সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যেকোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নির্ধারিত দিনের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে। ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রমাণ উপস্থাপনের (যদি থাকে) ও শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে, তারপরে আদেশ প্রদান করবে।

(৩) এই আদেশ বা বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা-ই বলা থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ট্রাইব্যুনালের কোনো একজন সদস্যকে প্রাথমিক বিষয়গুলো বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত প্রদান এবং সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।

(৪) তদন্ত শেষ হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ খারিজ করতে পারে অথবা যদি ট্রাইব্যুনালে রেফারেন্স বার কাউন্সিলের প্রস্তাবে করা হয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিতে পারে যে মামলাটি ফাইল করে রাখা হবে। অথবা, ট্রাইব্যুনাল অনুচ্ছেদ ৩২ (১) এ বর্ণিত যেকোনো শাস্তির আদেশ দিতে পারে।

(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার আদেশ দেয়, তবে বরখাস্তের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেবে, এবং উক্ত সময়ের জন্য সেই অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষের সামনে আইন পেশা পরিচালনা করতে পারবেন না।

(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে চলমান মামলার খরচ সম্পর্কে যে কোনো আদেশ দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা এবং হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল ওই অভিযোগকারীর উপর সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ (deterrent cost) আরোপ করতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। এই আদেশ অ্যাডভোকেটের অন্য আইনি প্রতিকার ব্যতিরেকেও দেওয়া যেতে পারে।

(৭) ট্রাইব্যুনালের খরচ বা শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত প্রতিটি আদেশ উচ্চ আদালতের আদেশ হিসেবে কার্যকরযোগ্য হবে।

(৮) ট্রাইব্যুনাল নিজে থেকেই অথবা এই মর্মে করা কোনো আবেদনের ভিত্তিতে, ধারা (৪) বা (৬) অনুসারে প্রদত্ত যেকোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারে এবং যেভাবে উপযুক্ত মনে করে তা বহাল, সংশোধন বা বাতিল করতে পারে।

(৯) কোনো অ্যাডভোকেটকে এই আদেশ অনুসারে তিরস্কার (reprimand) বা সাময়িক বরখাস্ত করা হলে, তার নামের পাশে রোলে শাস্তির তথ্য সংযুক্ত করা হবে। আর যদি তাকে আইন পেশা থেকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণ করা হয়, তবে তার নাম রোল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বাদ দেওয়া হবে এবং তার সনদপত্র (certificate) ফিরিয়ে নিতে হবে।
৯,৯৮২.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ্য হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক?
  1. মৃত বা খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি
  2. সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি
  3. অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না
  4. বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে সরিয়ে রাখা ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী ৪ শ্রেণীর ব্যক্তির সাক্ষ্য, সাক্ষ হিসেবে প্রাসঙ্গিক যদিও তাদেরকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে আহ্বান করা যায় না। যথা:-
(i) মৃত ব্যক্তি;
(ii) খুঁজে পাওয়া যায় না এমন ব্যক্তি;
(iii) সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেছে এমন ব্যক্তি; বা
(iv) অযৌক্তিক বিলম্ব বা ব্যয় ছাড়া যে ব্যক্তিকে হাজির করা যায় না।
৯,৯৮৩.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৯,৯৮৪.
তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি বাদ যাবে?
  1. বিবাদীর প্রতি সমন জারির সময়
  2. আরজি প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময়
  3. রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২ ধারামতে, তামাদির মেয়াদ গণনার সময় নিম্নলিখিত দিনগুলো বাদ দিয়ে তামাদি গণনা করতে হবে। যথা-
i) তামাদির মেয়াদ আরম্ভের দিন বা যে তারিখ হতে তামাদি গণনা শুরু হবে (the day from which such period is to be reckoned shall be excluded);

ii) রায় ঘোষণার দিন (the day on which the judgment complained of was pronounced);

iii) রায় বা ডিক্রির নকল (certified copy) পেতে ব্যয়িত সময় (the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded);

iv) রোয়েদাদ নামঞ্জুর করার দরখাস্তের জন্য রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময় (for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded)।

৯,৯৮৫.
৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কোন বিষয়গুলি প্রমাণ করতে হবে?
  1. স্বত্ব ও দখল
  2. সীমানা
  3. দখল ও বেদখল
  4. স্বত্ব
সঠিক উত্তর:
দখল ও বেদখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল ও বেদখল
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত সম্পত্তিতে দখল এবং বিগত ৬ মাসের মধ্যে বেদখল হওয়া প্রমাণ করতে হবে, তবে স্বত্ব প্রমাণ করার কোন প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য যে, ৮ ধারায় দখল প্রমাণের প্রয়োজন নেই তবে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে।
৯,৯৮৬.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারায় কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর সাজা হ্রাস করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. বিচারিক আদালত
  4. আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৯,৯৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের-
  1. এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
৯,৯৮৮.
সাক্ষ্য আইনে ধারা ২৪ অনুযায়ী, স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হতে হবে
  2. স্বীকারোক্তি পুলিশের কাছে করা হতে হবে
  3. স্বীকারোক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে করা হতে হবে
  4. স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উত্তর: ঘ) স্বীকারোক্তি ভীতি, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আদায় করা হতে হবে।

- সাক্ষ্য আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বীকারোক্তি ভীতি প্রদর্শন, প্রলোভন বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাধ্যমে আদায় করা হয়, তাহলে সেই স্বীকারোক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, যদি স্বীকারোক্তি কোনো ধরনের চাপ বা প্রতারণা দ্বারা নেওয়া হয়, তবে তা প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে না। তবে, যদি স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলকভাবে এবং কোনো প্রলোভন বা ভীতি ছাড়া করা হয় এবং তা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বা পুলিশের উপস্থিতিতে হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা - প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা সৃষ্ট স্বীকারোক্তি, যখন ফৌজদারি কার্যবিধিতে অপ্রাসঙ্গিক:
যদি কোনো আসামী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কোনো প্রলোভন, ভীতি বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে স্বীকারোক্তি প্রদান করেন এবং আদালত মনে করেন যে, এই স্বীকারোক্তি কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আসামীকে লাভ বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখানোর জন্য প্রদান করা হয়েছে, তবে সেই স্বীকারোক্তি ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রাসঙ্গিক হবে না।
--------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 24. Confession caused by inducement, threat or promise, when irrelevant in criminal proceeding:
A confession made by an accused person is irrelevant in a criminal proceeding, if the making of the confession appears to the Court to have been caused by any inducement, threat or promise having reference to the charge against the accused person, proceeding from a person in authority and sufficient, in the opinion of the Court, to give the accused person grounds which would appear to him reasonable for supposing that by making it he would gain any advantage or avoid any evil of a temporal nature in reference to the proceedings against him.
৯,৯৮৯.
সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ কি?
  1. Test Identification by Police
  2. Test Identification Parade
  3. Identification Test for Parade
  4. Police Identification Test
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Test Identification Parade
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের অধীন T.I.P অর্থ Test Identification Parade.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts): যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,

২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
৯,৯৯০.
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা প্রদত্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বলা হয়-
  1. প্রশাসন
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সরকার
  4. মন্ত্রীপরিষদ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭ ধারার বিধান 'সরকার' বলতে বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্যনিবাহী সরকার পরিচালনা করবার জন্য আইনবলে ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বুঝাইবে।

- The Penal Code, 1860 Section 17: “Government”:  The word “Government” denotes the person or persons authorized by law to administer executive Government in Bangladesh, or in any part thereof.
৯,৯৯১.
একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল পুনঃশুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২১ক: সরাসরি আপিলে পুনঃশুনানি:
১) বিধি ২১ বা অন্য কোন আইনের যা কিছুই নে থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানো এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করানোর লক্ষ্যে কোন একতরফাভাবে শুনানি করতে আপিল সরাসরি পুনরায় শুনতে পারেন। বিধি ২১ এর অধীন বিবাদিকে কা পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করতে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ না দেয়, তবে আদালত যথোপযুক্ত মনে করে নির্ধারিণ করা সাপেক্ষে অনধিক তিন হাজার টাকার খরচা পরিশোধের নিমিত্তে বিবাদিকে নির্দেশ দিতে পারেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ একতরফা ডিক্রি বিবাদির বিরুদ্ধে যে তারিখে প্রদান করা হয়, সে তারিখে থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি অন্য এফিডেবিট সহযোগে এরূপ আপিল পুনঃশুনানির কোন আবেদন আদালতে দাখিল করা না হয়ে থাকে, তাহলে এই বিধির অধীন কোন আপিলকে পুনরায় শুনা যাবে নাঃ তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীন কোন আপিল একাধিকবার পুনরায় শুনা যাবে না।

২) কোন আপিল পুনঃশুনানির কোন আদেশ উপ-বিধি (১) এর অধীন প্রদানে সঙ্গে সঙ্গে আদালতে বিবাদির খরচায় আপিলকারীর নিকট নোটিশ প্রেরণ করাবেন।
৯,৯৯২.
বাংলাদেশী মুদ্রা জাল বলিয়া জানিয়া দখল করিবার পর উহা হস্তান্তরকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৩৮ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৩৪ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৪০ ধারার বিধান বাংলাদেশের মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও দখলের পর উহা হস্তান্তর করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার কাছে বাংলাদেশের যে জাল মুদ্রা রয়েছে, তা লাভের পর উহা যে বাংলাদেশের মুদ্রার জাল তা জানা সত্ত্বেও, প্রতারণামূলকভাবে বা তদ্বারা প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উহা কোন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে বা কোন ব্যক্তিকে উহা গ্রহণে বাধ্য করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

------------------------
♦ Section 240. Delivery of Bangladesh coin possessed with knowledge that it is counterfeit:- Whoever, having and counterfeit coin, which is a counterfeit of Bangladesh coin, and which at the time when he became possessed of it, he knew to be a counterfeit of Bangladesh coin, fraudulently or with intent that fraud may be committed, delivers the same to any person, or attempts to induce any person to receive it, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯,৯৯৩.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুুমাত্র অর্থদণ্ড, সেক্ষেত্রে ৫০ টাকার কম অর্থদণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ২ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭- অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড:
যদি কোনো অপরাধ শুধুমাত্র অর্থদণ্ডের মাধ্যমে শাস্তিযোগ্য হয় এবং অপরাধী অর্থদণ্ড প্রদান করতে না পারে, তাহলে আদালত তার পরিবর্তে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে। কারাদণ্ড হবে বিনাশ্রম কারাদণ্ড। আদালত অর্থদণ্ডের পরিমাণ অনুযায়ী কারাদণ্ডের মেয়াদ নির্ধারণ করবেন।
পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক দুই মাস।
একশত টাকার বেশি না হলে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক চার মাস।
অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে: কারাদণ্ডের মেয়াদ অনধিক ছয় মাস।
৯,৯৯৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্য যদি অসমর্থিত (un-corroborated) হয়, তবে-
  1. তার সাক্ষ্য বাতিল
  2. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে
  3. তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
  4. তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেয়া বেআইনি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section-133- Accomplice: 

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৯,৯৯৫.
‘ক’ নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। ‘খ’ ঐ সম্পত্তির প্রকৃত মালিক এবং ‘ক’ কর্তৃক উক্ত সম্পত্তিটি তার কাছে অর্পণ করা আবশ্যক মর্মে দাবী করেন। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারামতে মোকদ্দমাটি করতে হবে?
  1. শুধু ৮ ধারা অনুসারে
  2. শুধু ৯ ধারা অনুসারে
  3. শুধু ৪২ ধারা অনুসারে
  4. ৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে 
সঠিক উত্তর:
৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে 
ব্যাখ্যা

উত্তর: ঘ) ৪২ ও ৮ ধারা অনুসারে।

প্রশ্নে বলা হয়েছে - ‘ক’ নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে, ‘খ’ প্রকৃত মালিক, এবং ‘খ’ দাবি করছে যে ‘ক’ উক্ত সম্পত্তি তার কাছে অর্পণ করুক। এখানে দুই ধরনের অধিকার জড়িত:
মালিকানা অধিকার (ownership right) — যেটা ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করতে হবে (ধারা ৪২ অনুসারে),
দখল পুনরুদ্ধার বা অর্পণ (possession or delivery of property) — যেটা দাবি করা হবে (ধারা ৮ অনুসারে)।

ধারা ৮-
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।
(এটি “specific movable property”–এর জন্য প্রযোজ্য হলেও, স্থাবর সম্পত্তিতেও প্রযোজ্য হয় যদি দখল পুনরুদ্ধার চাওয়া হয়।)

ধারা ৪২-
যে কেউ তার আইনি চরিত্র বা কোনো অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকারের আশঙ্কা রয়েছে, সে ঘোষণামূলক ডিক্রি (declaratory decree) চেয়ে মামলা করতে পারেন।

 এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিশ্লেষণঃ
‘খ’ তার মালিকানা ঘোষণা চাচ্ছে → ধারা ৪২ প্রযোজ্য
একই সঙ্গে সম্পত্তি হস্তান্তর বা দখল চাচ্ছে → ধারা ৮ প্রযোজ্য

অতএব, মামলাটি করতে হবে-
নির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪২ ও ৮ উভয়ের অধীনে।

৯,৯৯৬.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে-
  1. চুক্তি ভঙ্গের প্রথম দিন থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার দিন থেকে
  3. চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তি ভঙ্গ প্রমাণিত হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
ব্যাখ্যা

• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৯,৯৯৭.
দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়, তাকে শাস্তি দেওয়া হয়। এই ধারার শাস্তির সর্বোচ্চ মেয়াদ হলো ৫ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই।
- তবে, এটি নরহত্যা বা শক্তিশালী শাস্তির অপরাধের মধ্যে পড়ে না, কারণ এটি অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের কারণে ঘটে, যা কৃতকর্মের পরিণতির ওপর নির্ভর করে।
- এই ধারায়, মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্য থাকা না থাকলেও যদি কোনো ব্যক্তির অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণের ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হল: ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০৪ক (Section 304A) অনুযায়ী: “যে ব্যক্তি, কোনো বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কাজ করে, যার ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, এবং যা দণ্ডনীয় নরহত্যা নয়, সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।”
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 304A. Causing death by negligence
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
৯,৯৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
৯,৯৯৯.
তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে বুঝায়-
  1. চেক ও ব্যংক ড্রাফ্‌ট
  2. ব্যংক ড্রাফ্‌ট ও পে অর্ডার 
  3. চেক ও হুন্ডি
  4.  হুন্ডি ও নগদ অর্থ 
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে -চেক ও হুন্ডী বুঝায়।

⇒The Limitation Act,1908: ধারা ২ সংজ্ঞা (Definitions):
(২) 'বিনিময় পত্র' (Bill of Exchange) বলতে- হুন্ডি এবং চেককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- "bill of exchange" includes- a hundi and a cheque।

১০,০০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে 'যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ২১, বিধি ৭
  2. আদেশ ২১, বিধি ১০
  3. আদেশ ২১, বিধি ১৩
  4. আদেশ ২১, বিধি ১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২১, বিধি ১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ১৫-এর শিরোনামই হল "Application for execution by joint decree-holder" বা "যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির আবেদন"।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-১৫: যৌথ ডিক্রিদার কর্তৃক জারির জন্য আবেদন:
(১) যখন একাধিক ব্যক্তির অনুকূলে যৌথভাবে একটি ডিক্রি পাস করা হয়, তখন তাদের মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তি, যদি ডিক্রিতে বিপরীত কোনো শর্ত আরোপ করা না থাকে, তবে সকলের সুবিধার জন্য সম্পূর্ণ ডিক্রিটি জারির (execution) জন্য আবেদন করতে পারেন। অথবা, যদি তাদের মধ্যে কেউ মারা যান, তবে জীবিতদের এবং মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধিদের সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন।
(২) যখন আদালত এই বিধির অধীনে করা কোনো আবেদন মঞ্জুর করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ দেখতে পান, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় যারা যোগদান করেননি তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আদালত যেরূপ প্রয়োজন মনে করবেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করবেন।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-15. Application for execution by joint decree-holder:
(1) Where a decree has been passed jointly in favour of more persons than one, any one or more of such persons may, unless the decree imposes any condition to the contrary, apply for the execution of the whole decree for the benefit of them all, or, where any of them has died, for the benefit of the survivors and the legal representatives of the deceased.
(2) Where the Court sees sufficient cause for allowing the decree to be executed on an application made under this rule, it shall make such order as it deems necessary for protecting the interests of the persons who have not joined in the application.