ব্যাখ্যা
------------
♦ Section 104. Power to impound document, etc, produced: Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৯২ / ১২৬ · ৯,১০১–৯,২০০ / ১২,৬০৫
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা: যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
------------------
Section 55- Mandatory injunctions: When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩ অনুযায়ী "An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice."
- এখানে “Accomplice” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই ব্যক্তি, যে অপরাধে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সহায়তা করেছে। যদিও সে নিজেও দোষী, তবুও সে আইনত উপযুক্ত (competent) সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দেওয়া আইনসঙ্গত।
- তবে সতর্কতা হিসেবে, আদালত সাধারণত দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের সাথে সমর্থনকারী সাক্ষ্য (corroborative evidence) খোঁজে, যেটা ধারা ১১৪-এর illustration (b) তে উল্লেখ রয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-133- Accomplice:
- An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)
⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
- যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০৭ অনুসারে, আপিল আদালতের ক্ষমতাগুলোর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
ক) বিচার্য বিষয় গঠন করা: ধারা ১০৭(১)(গ) অনুসারে, আপিল আদালত বিচার্য বিষয় গঠন করতে এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ করতে পারে।
গ) মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করা: ধারা ১০৭(১)(খ) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করতে পারে।
ঘ) মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা: ধারা ১০৭(১)(ক) অনুসারে, আপিল আদালত মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে।
কিন্তু খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা ধারা ১০৭-এর অধীনে আপিল আদালতের ক্ষমতার মধ্যে পড়ে না। আপিল আদালতের কাজ হলো নিম্ন আদালতের রায় বা আদেশ পর্যালোচনা করা, পুনর্বিচারে প্রেরণ করা, বিচার্য বিষয় গঠন করা, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা বা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করা। নতুন মামলা দায়েরের আদেশ দেওয়া আপিল আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে নয়, কারণ এটি মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের কাজ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) বাদীকে নতুন মামলার আদেশ করা।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারার বিধান: আপিল আদালতের ক্ষমতা:-
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।
২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section 107. Powers of Appellate Court:
(1) Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, an Appellate Court shall have power-
(a) to determine a case finally;
(b) to remand a case;
(c) to frame issues and refer them for trial;
(d) to take additional evidence or to require such evidence to be taken.
(2) Subject as aforesaid, the appellate Court shall have the same powers and shall perform as nearly as may be the same duties as are conferred and imposed by this Code on Courts of original jurisdiction in respect of suits instituted therein.
আদেশ-৪৭ বিধি-৪ মোতাবেক রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করার আদেশ → আপিলযোগ্য।
আদেশ ৪৩ বিধি-১ (ব) স্পষ্টভাবে বলে:
“রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য।” অর্থাৎ CPC-তে এটিকে সরাসরি appealable order হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
আদেশ ৪৩ বিধি-১- আদেশসমূহ হতে আপিল:
১০৪ ধারা অনুযায়ী নিম্নোক্ত আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিল করা চলবে, যথা-
ক) আদেশ-৭ এর বিধি-১০ মোতাবেক উপযুক্ত আদালতে দাখিল করার জন্য আরজি ফেরত প্রদানের আদেশ;
খ) আদেশ-৮ এর বিধি-১০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায়সহ আদেশ;
গ) আদেশ-৯ এর বিধি-৯ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিল রদ করার জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঘ) আদেশ-৯ এর বিধি-১৩ মোতাবেক একতরফা প্রদত্ত ডিক্রি রদ করতে আদেশের জন্য আবেদন (আপিলযোগ্য মোকদ্দমায়) অগ্রাহ্য করে প্রদত্ত আদেশ;
ঙ) আদেশ-১০ এর বিধি-৪ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় সম্বলিত আদেশ;
চ) আদেশ-১১ এর বিধি-২১ মোতাবেক আদেশ;
ছ) আদেশ-১৬ এর বিধি-১০ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের জন্য প্রদত্ত আদেশ;
জ) আদেশ-১৬ এর বিধি-২০ মোতাবেক কোন পক্ষের বিরুদ্ধে রায় সম্বলিত আদেশ;
১) আদেশ-২১ এর বিধি-৩৪ মোতাবেক কোন দলিলের বা পৃষ্ঠালিপির আরজির বিরুদ্ধে আপত্তি প্রসঙ্গে আদেশ।
২) আদেশ-২১ এর বিধি-৬০ মোতাবেক ক্রোক হতে সম্পত্তি মুক্ত করা;
৩ ) আদেশ-২১ এর বিধি-৬১ মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোকের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা
ঞ) আদেশ-২১ এর বিধি-৭২ বা নিয়ম-৯২ মোতাবেক নিলাম বিক্রয় রদ করে বা রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ট) আদেশ-২২ এর বিধি-৯ মোতাবেক বিলুপ্তিকরণ বা মোকদ্দমা বাতিল রদ করতে অস্বীকার করে আদেশ;
ঠ) আদেশ-২২ এর বিধি-১০ মোতাবেক অনুমতি দিয়ে বা অনুমতি দিতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
ড) আদেশ-২৩ এর বিধি-৩ মোতাবেক কোন চুক্তিপত্র, আপসনামা বা পরিতুষ্টি লিপিবদ্ধ করে বা লিপিবদ্ধ করতে অস্বীকার করে কোন আদেশ;
চ) আদেশ-২৫ এর বিধি-২ মোতাবেক মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ রদ করার জন্য কোন আবেদনপত্র (আপিলের উন্মোক্ত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে) নাকচ করে কোন আদেশ;
ণ) আদেশ-৩৪ এর বিধি-২, ৪ বা ৭ মোতাবেক বন্ধকী অর্থ পরিশোধের সময়সীমা বর্ধিত করা অগ্রাহ্য করে কোন আদেশ;
ত) আদেশ-৩৫ এর বিধি-৩, ৪ বা ৬ মোতাবেক স্বার্থবিহীন মোকদ্দমায় কোন আদেশ;
থ) আদেশ-৩৮ এর বিধি-২ বা বিধি-৬ মোতাবেক কোন আদেশ;
দ) আদেশ-৩৯ এর বিধি-১, ২, ৪ বা ১০ মোতাবেক কোন আদেশ;
ধ) আদেশ-৪০ এর বিধি-১ বা বিধি-৪ মোতাবেক কোন আদেশ;
ন) আদেশ-৪১ এর বিধি-১৯ মোতাবেক পুনঃ গ্রহণ বা আদেশ-৪১ এর বিধি-২১ মোতাবেক কোন আপিলের পুন শুনানি অস্বীকার সম্বলিত কোন আদেশ;
প) যেক্ষেত্রে আপিল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা চলে, সেক্ষেত্রে আদেশ-৪১ এর বিধি-২৩ মোতাবেক মোকদ্দমা পুনঃবিচারের জন্য প্রেরণের আদেশ;
ফ) আদেশ-৪৫ এর বিধি-৬ মোতাবেক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ;
ব) রিভিউ প্রার্থনা মঞ্জুর করে আদেশ-৪৭ এর বিধি-৪ মোতাবেক প্রদত্ত আদেশ।
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১০ এ আদালত কর্তৃক পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ [Examination of Parties by the Court] এর বিধান রয়েছে।
• আদেশ ১০(১) অনুযায়ী, মোকদ্দমা প্রথম শুনানীর সময় মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণ করার জন্য এবং পক্ষগণ বিষয়গুলো স্বীকার করে কি/ করে না তা নির্ধারণ করার জন্য আদালত পক্ষগণের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং ১০ (২) বিধি অনুযায়ী পক্ষগণ বা তাদের সঙ্গীদের মৌখিক জবানবন্দি (oral examination) নিতে পারে।
• আদেশ ১০ বিধি ২ (পক্ষ বা পক্ষের সহযোগীর মৌখিক জবানবন্দি)-
মোকদ্দমার প্রথম শুনানিতে বা পরবর্তী কোন শুনানিতে স্বয়ং হাজির কোন পক্ষ কিংবা আদালতে উপস্থিত কেউ কিংবা পক্ষ বা পক্ষের উকিলের সাথে অবস্থানরত এমন কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা সম্বন্ধে যদি কোন প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে মৌখিকভাবে তার জবানবন্দি আদালত কর্তৃক গ্রহণ করা যাবে, এবং উক্তরূপ জবানবন্দি গ্রহণ করার সময়ে, আদালত যদি সঙ্গত মনে করেন, তাহলে যে কোন পক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
Order 10 Rule 2 (Oral examination or party of companion of party)-
At the first hearing of the suit, or at any subsequent hearing, any party appearing in person or present in Court, or any person able to answer any material questions relating to the suit by whom such party or his pleader is accompanied, may examined orally by the Court; and the Court may, if it thinks fit, put in the course of such examination questions suggested by either party.
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন (First Law Commission) গঠিত হয় ১৮৩৪ সালে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের Charter Act of 1833-এর অধীনে এই কমিশন গঠন করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সংহত ও সংস্কার করা।
- এই কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন লর্ড থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Thomas Babington Macaulay)।
- কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন G.W. Anderson, F. Millet এবং J.M. Macleod।
উল্লেখ্য,
- ১৮৩৪: প্রথম আইন কমিশন গঠন।
- ১৮৩৭: দণ্ডবিধির খসড়া (Penal Code draft) জমা দেওয়া হয়।
- ১৮৬০ (৬ অক্টোবর): দণ্ডবিধি আইন হিসেবে পাস হয়।
- ১৮৬২ (১ জানুয়ারি): দণ্ডবিধি কার্যকর হয়।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law / Adjective Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা দণ্ডবিধি করে), বরং কীভাবে অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ইত্যাদি পরিচালিত হবে – তার পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
- উল্লিখিত প্রশ্নের Order 7 rule 10 আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে।
আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।
প্রতিকার: আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, যদি একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হয়, তবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলাটি পরিচালনা করবেন।
- Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায়ের বিধি-১১ অনুসারে, একই মামলায় একাধিক অ্যাডভোকেট নিযুক্ত হলে, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন।
- এটি পেশাগত শিষ্টাচার এবং নিয়মের অংশ, যেখানে সিনিয়রিটি এবং অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette CHAPTER 1 - CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
- Rule-11. Where more than one Advocate is engaged on any side it is the right of the senior member to lead the case and the junior members to assist him.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ অনুযায়ী অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতা কেবল তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় যখন তার কারণে আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়।
- সুতরাং, শুধুমাত্র ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকলেই তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; এটা তখনই গুরুত্বপূর্ণ হবে যখন দুটি শর্ত একসাথে পূরণ হবে:
১. আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়েছে।
২. এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটেছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
- অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors:
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
সঠিক উত্তর: ঘ) সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২০ অনুসারে, চুক্তিতে লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ (liquidated damages) উল্লেখ থাকলেও, যদি চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরণের (specific performance) উপযুক্ত হয় এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যকরণ প্রদানে কোনো বাধা হয় না। এটি নিশ্চিত করে যে ক্ষতিপূরণের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২০ ধারার বিধান ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা নয়:
যেকোনো চুক্তি, যা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা উপযুক্ত, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘন হলে ক্ষতিপূরণের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা থাকে এবং চুক্তি ভঙ্গকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে ইচ্ছুক।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.
Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৬ অনুসারে —
যে সরকারি কর্মকর্তা কোনো সরকারি দলিলের হেফাজতে আছেন এবং যিনি আইন অনুযায়ী জনগণের অনুরোধে ঐ দলিল প্রদর্শনের অধিকার রাখেন, তিনি ঐ দলিলের প্রত্যয়িত কপি (certified copy) সরবরাহ করতে পারেন।
এই কপি দিতে হলে:
- নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিতে হয়।
- প্রত্যয়িত কপির নিচে লেখা থাকে এটি মূল কাগজের সঠিক অনুলিপি।
- তাতে কর্মকর্তার নাম, পদবি, তারিখ এবং প্রয়োজনে সরকারি সীলমোহর থাকে।
Explanation-এ আরও বলা হয়েছে, যিনি তার দাপ্তরিক দায়িত্বে এসব কপি সরবরাহের ক্ষমতা রাখেন, তাকেই দলিলের হেফাজতকারী হিসেবে গণ্য করা হবে।
- অর্থাৎ প্রত্যয়িত কপি কেবলমাত্র সেই সরকারি কর্মকর্তা দিতে পারেন, যিনি ঐ সরকারি দলিলের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন এবং আইনের অধীনে কপি সরবরাহে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
⇒The Evidence Act, 1872, Section-76. Certified copies of public documents:
Every public officer having the custody of a public document, which any person has a right to inspect, shall give that person on demand a copy of it on payment of the legal fees therefor, together with a certificate written at the foot of such copy that it is a true copy of such document or part thereof, as the case may be, and such certificate shall be dated and subscribed by such officer with his name and his official title, and shall be sealed, whenever such officer is authorized by law to make use of a seal, and such copies so certified shall be called certified copies.
Explanation.-Any officer who, by the ordinary course of official duty, is authorized to deliver such copies, shall be deemed to have the custody of such documents within the meaning of this section.
আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৪: মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তাঁর অধিকারে থাকা সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ-
যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, এই জেনে যে উক্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং এখনো সেই সম্পত্তি কোনো আইনগতভাবে অধিকারে থাকা ব্যক্তির হেফাজতে যায়নি—তাহলে সে ব্যক্তি অনধিক তিন বছর মেয়াদের যেকোনো প্রকার কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে। যদি অপরাধী ঐ মৃত ব্যক্তির চাকর বা কর্মচারী হয়ে থাকে, তাহলে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে।
উদাহরণ:
Z মারা যায় এবং তার মৃত্যুর সময় তার হেফাজতে আসবাবপত্র ও অর্থ ছিল। তার চাকর A, সেই অর্থ এমন অবস্থায় অসৎভাবে আত্মসাৎ করে যখন তা এখনো কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর হেফাজতে যায়নি। এই অবস্থায়, A দণ্ডবিধির ৪০৪ ধারায় অপরাধ করেছে।
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ১(৬) অনুযায়ী -
“মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদী আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে, এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন ও লিপিবদ্ধ করবে না।”
অর্থাৎ, যদি বিবাদী তার লিখিত জবাব দাখিল না করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন না করে, তবে আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) নির্ধারণ করবে না, কারণ তখন বাদীর বক্তব্য একতরফা (ex parte) অবস্থায় থেকে যায় - বিরোধের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৮(২) অনুসারে আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।
সুতরাং, আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.