ব্যাখ্যা
উক্ত ব্যতিক্রমের কারণে অপশন (খ) উত্তর হবে না, কারণ অবৈধ দখল করলেও তিনি বাড়ি বানিয়ে অর্থাৎ সম্পত্তির উন্নয়ন করে উক্ত মুনাফা লাভ করেছেন। তাই তা মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে না।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭০ / ১২৬ · ৬,৯০১–৭,০০০ / ১২,৬০৫
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার শিরোনাম ও বিষয়বস্তুই হলো "পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান" (Presumption as to intent of parties)।
- ধারাটিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে: লিখিত চুক্তি সংশোধনের জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য (অভিপ্রায়) ছিল একটি সুষম ও সুবিচারমূলক (equitable and conscientious) চুক্তি সম্পাদন করা।
সুতরাং, আদালত চুক্তি সংশোধন করার সময় পক্ষগুলোর মূল অভিপ্রায় কী ছিল তা যাচাই করে, চুক্তির তারিখ, সাক্ষীর সংখ্যা বা পক্ষগুলোর আর্থিক অবস্থা নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
- লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
- For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ হলো ৬০ বছর এবং সর্বনিম্ন তামাদির মেয়াদ হলো ৭দিন। সর্বোচ্চ তামাদির মেয়াদ ১৪৭ থেকে ১৪৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
অনুচ্ছেদ ১৪৭- রেহেন উদ্ধারের অধিকার নাশ [Foreclosure] বা বিক্রয়ের [Sale] জন্য রেহেন গ্রহীতা কর্তৃক মামলা দায়েরের সময়সীমা,
রেহেন ঋণ যখন পরিশোধযোগ্য হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।
অনুচ্ছেদ ১৪৮-বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময়সীমা, যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৬০ বছর।
অনুচ্ছেদ ১৪৯-সুপ্রীম কোর্টের মূল এখতিয়ারাধীন মামলা ব্যতীত সরকার কর্তৃক সরকারের পক্ষে দায়েরকৃত কোন মামলার তামাদি-৬০ বছর।
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।
-----------
Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২১:
(১) এই আদেশ ঘোষণা হইবার পূর্বে হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার উদ্দেশ্যে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যতিরেকে, কোনো এডভোকেটকেই হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার অনুমতিপ্রাপ্ত হইবেন না, যদি না তিনি-
(a) বাংলাদেশের যেকোনো অধঃস্তন আদালতে তিনি ২ (দুই) বছর ধরে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন ;
(b) তিনি আইন বিষয়ে অনার্স এবং সরকার কতৃর্ক সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন কতৃর্ক নির্ধারিত বাংলাদেশের বাইরের কোনো হাইকোর্টে এডভোকেট হিসেবে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন;
(c) তাকে, তার আইনগত প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার জন্য, বার কাউন্সিল উপরে বর্ণিত দফাসমূহের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা হইতে অব্যাহতি দিয়াছেন।
(২) হাইকোর্টে আইন পেশা চর্চার লক্ষ্যে বার কাউন্সিল অনুমতি দিয়াছেন ইহা প্রমাণ সাপেক্ষে অনুচ্ছেদ—২২ এ নির্ধারিত ফি দেওয়া হইয়াছে এবং ক্লজ—১ এ বর্ণিত সংশ্লিষ্ট শর্তাদি সন্তোষজনকভাবে পূরণ করা হইয়াছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।"
অর্থাৎ, বিবাদীকে প্রথমে ৩০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয় লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য।
⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮,বিধি-১: লিখিত জবাব (written Statement):
১) বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।
২) বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।
৩) সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:
Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:
Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুসারে, একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এর জরিমানা করার সর্বোচ্চ ক্ষমতা হলো ৩ লক্ষ টাকা।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হল খ) ৩ লাখ।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতসমূহ নিম্নোক্ত দণ্ডাদেশসমূহ প্রদান করতে পারেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক তিন বছর মেয়াদের জন্য, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
জরিমানা: অনধিক তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত;
(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
কারাদণ্ড: অনধিক দুই বছর মেয়াদের জন্য;
জরিমানা: অনধিক দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো দণ্ডাদেশের সমন্বয়ে একটি বৈধ দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারেন।
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০-এ বলা আছে,
যদি কোনো ব্যক্তিকে সমন দেয়ার সময় তাকে খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহলে সমনের একটি কপি তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য-এর কাছে সমন দেয়া যেতে পারে।
[Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.]
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
২) এরূপ ব্যক্তিকে ৫৪ ধারার বিধানের আওতাভুক্ত বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমলঅযোগ্য অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকার করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার কারণ ঘটে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধানানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে বলে বিশ্বাস করার মত যথেষ্ট কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৯৫ অনুযায়ী যদি কেউ কোনো উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতীক ধ্বংস, ক্ষতিসাধন বা অপবিত্র করে, এমন উদ্দেশ্যে যে, এতে কোনো শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতি আহত হবে, অথবা এমন জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যে এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো দুই বছরের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারা- কোন শ্রেণী বিশেষের ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসানালয়ের স্থান বিনষ্ট বা অপবিত্র করা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন উপাসনা স্থান বিনস্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপব্রিত করে অথবা জনসাধারণের কোন শ্রেণী দ্বারা পবিত্র বলে গণ্য কোন বস্তু বিনষ্ট করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে বা অপবিত্র করে, এবং জনসাধারণের কোন শ্রেণীর ধর্মকে অপদস্থ করার মানসেই তা করে অথবা অনুরূপ বিনষ্টকরণ, ক্ষতিসাধন বা অবপবিত্রকরণকে একশ্রেণীর জনসাধারণ তাদের ধর্মের প্রতি অবমাননা বলে বিবেচনা করবে জানা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 295, Injuring or defiling place of worship, with intent to insult the religion of any class:
Whoever destroys, damages or defiles any place of worship, or any object held sacred by any class of persons with the intention of thereby insulting the religion of any class of persons or with the knowledge that any class of persons is likely to consider such destruction, damage or defilement as an insult to their religion, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
সঠিক উত্তর - গ. রায় কার্যকর করা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ৭৫ এর বিধান- কমিশন প্রেরণের জন্য আদালতের ক্ষমতা:
- নির্ধারিত শর্তাবলি ও সীমা সাপেক্ষে আদালত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কমিশন ইস্যু করতে পারবেন-
ক) কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করতে;
খ) স্থানীয় তদন্ত পরিচালনার জন্য;
গ) হিসাব পরীক্ষা বা সমন্বয় করার জন্য;
ঘ) সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।
⇒ কিন্তু রায় কার্যকর করা কমিশনের উদ্দেশ্য নয়। এটি আদালতের আদেশ বা ডিক্রির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, কমিশনের মাধ্যমে নয়।
ল্যাটিন নীতি: "Testes ponderantur, non numerantur"
অর্থ: "সাক্ষীদের গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়, সংখ্যা নয়।"
মানে: সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সাক্ষীর সংখ্যা নয়, তার বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা ও সাক্ষ্যের যথার্থতা বিবেচনা করা হবে।
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৪ অনুসারে,
কোনো মামলার প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী থেকেও কোনো ঘটনা প্রমাণ করা যায়, যদি তার সাক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্য হয়।
ধারা ১৫৯: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা:
কোনো সাক্ষী সাক্ষীদানের সময় তাহার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করিবার জন্য যে ঘটনা সম্পর্কে তাহাকে প্রশ্ন করা হইতেছে, সেই ঘটনার সময় অথবা উহার নিকটবর্তী সময় তাহার নিজের লেখা এমন কিছু দেখিয়া লইতে পারে, যাহাতে আদালত মনে করিতে পারেন যে, উহা লিখিবার সময় ঘটনাটি তাহার স্মৃতিতে সম্পূর্ণ জাগ্রত ছিলো।
সাক্ষী অন্যের দ্বারা লিখিত কিছু দেখিবারও তাহার স্মৃতি জাগ্রত করিয়া লইতে পারে, যাহা ঘটনার সময় বা তাহার নিকটবর্তী সময় সে পড়িয়াছিল, যদি উহা এমন হয় যে, পড়ার সময় উহা সত্য বলিয়া সে জানিত।
---------------------------------------
The Evidence Act 1872, Section 159, Refreshing memory:
A witness may, while under examination, refresh his memory by referring to any writing made by himself at the time of the transaction concerning which he is questioned, or so soon afterwards that the Court considers it likely that the transaction was at that time fresh in his memory.
The witness may also refer to any such writing made by any other person, and read by the witness within the time aforesaid, if when he read it he knew it to be correct.
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুসারে, একজন ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল তার মক্কেলের পক্ষে কাজ করার সময় এবং উদ্দেশ্যে মক্কেল কর্তৃক বা তার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত কোনো বার্তা, দলিলের বিষয়বস্তু বা প্রদত্ত পরামর্শ মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করতে পারবেন না। এই গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা তাদের নিয়োগ শেষ হওয়ার পরও বহাল থাকে।
তবে এই ধারায় কিছু ব্যতিক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন: কোনো বেআইনি উদ্দেশ্যে সংঘটিত যোগাযোগ বা নিয়োগ শুরুর পরে সংঘটিত কোনো অপরাধ বা প্রতারণা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ থেকে সুরক্ষা দেওয়া হয়নি।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশা সম্পর্কিত বার্তা: ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মক্কেলের ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল হিসাবে কাজ করিবার সময় এবং উদ্দেশ্যে উক্ত মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে তাহার নিকট প্রদত্ত কোন বার্তার বিষয় মক্কেলের অনুমতি ব্যতীত প্রকাশ করিতে অনুমতি পাইবেন না। অথবা বৃত্তিগত কার্য সম্পাদনকালে এবং প্রসঙ্গে মক্কেলের যেই সকল দলিলের সহিত তিনি পরিচিত হইয়াছিলেন, সেইগুলির বিষয়বস্তু বা অবস্থার কোন বিবৃতি দিতে পারিবেন না অথবা তাহার কার্যকালে ও উদ্দেশ্যে মক্কেলকে তিনি যে পরামর্শ দিয়াছেন, তাহা প্রকাশ করিতে পারিবেন না।
তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি প্রকাশ হইতে এই ধারার কিছু অব্যাহতি দিবেন না।
(১) বেআইনি উদ্দেশ্যে সাধনকল্পে যে সংবাদ আদান- প্রদান করা হইয়াছে,
(২) ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল পেশাগত কার্যে নিযুক্ত থাকবার সময় তৎকর্তৃক লক্ষিত বিষয় যদ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, তাহার নিযুক্তির পরে কোন অপরাধ বা প্রতারণা সংঘটিত হইয়াছে অনুরূপ ঘটনার প্রতি উক্ত ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি বা উকিল মনোযোগ তাহার মক্কেল কর্তৃক বা মক্কেলের পক্ষ হইতে আকৃষ্ট করা হইয়াছিল কিনা তাহা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার বর্ণিত বাধ্যবাধকতা নিযুক্তির অবসান ঘটিবার পরও অব্যাহত থাকে।
-------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 126 Professional communications:
- No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.
Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
ধারা-১৭. মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
-----
Effect of death before right to sue accrues:
Section 17. (1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
>অর্থাৎ ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(২) অনুসারে, কোনো মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় লিখিত হয়, তবে তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘C’-এর মৃত ডাক্তারের ডায়েরিতে লিখিত এন্ট্রি, যেখানে তিনি ‘C’-এর মাকে সন্তান প্রসবের জন্য সহায়তা করার কথা উল্লেখ করেছেন, তা তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে লিখিত। তাই এই এন্ট্রি ধারা ৩২(২)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- ধারা ৩২(১): মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বা সংশ্লিষ্ট ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত বক্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে, যা ‘C’-এর জন্মতারিখের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- ধারা ৩২(৩): মৃত ব্যক্তির বক্তব্য যদি তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে হয় বা তাকে মামলার জন্য দায়ী করতে পারে, তবে তা প্রাসঙ্গিক। এই এন্ট্রি এই শ্রেণিতে পড়ে না।
- ধারা ৩২(৪): জনসাধারণের অধিকার, রীতি বা সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত মৃত ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
⇒The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant
- Statements, written or verbal, of relevant facts made by a person who is dead, or who cannot be found, or who has become incapable of giving evidence, or whose attendance cannot be procured without an amount of delay or expense which under the circumstances of the case appears to the Court unreasonable, are themselves relevant facts in the following cases:–
When it relates to cause of death;
(1) When the statement is made by person as to the cause of his death, or as to any of the circumstances of the transaction which resulted in his death, in cases in which the cause of that person's death comes into question.
Such statements are relevant whether the person who made them was or was not, at the time when they were made, under expectation of death, and whatever may be the nature of the proceeding in which the cause of his death comes into question.
or is made in course of business;
(2) When the statement was made by such person in the ordinary course of business, and in particular when it consists of any entry or memorandum made by him in books kept in the ordinary course of business, or in the discharge of professional duty; or of an acknowledge-ment written or signed by him of the receipt of money, goods, securities or property of any kind; or of a document used in commerce written or signed by him; or of the date of a letter or other document usually dated, written or signed by him.
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question
আদেশ ১২ বিধি ৯- খরচ:
যদি কোনো নোটিশে (নথি স্বীকার বা উপস্থাপনের জন্য প্রদত্ত নোটিশ) এমন নথির উল্লেখ করা হয়, যা অপ্রয়োজনীয় বা মামলার জন্য প্রয়োজনীয় নয়, তাহলে ঐ নোটিশের কারণে যে খরচ সৃষ্টি হবে, তা নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকেই বহন করতে হবে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৫৩ক ধারা: বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 153A- Promoting enmity between classes:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী: “কোনো পুলিশ অফিসারের নিকট আসামীর করা স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।”
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আসামীকে পুলিশি হেফাজতে চাপ, ভয়ভীতি বা নির্যাতনের মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা থেকে রক্ষা করা। এই ধারা বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায় নিশ্চিত করে।
- তাই, পুলিশ অফিসারের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নয় এবং আদালতে তা প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, পুলিশ অফিসারের কাছে কোনো আসামী যে স্বীকারোক্তি করে, তা তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধারা বাস্তবিকভাবে পুলিশকে সন্ত্রাস বা চাপের মাধ্যমে আসামীর স্বীকারোক্তি নেয়ার প্রচেষ্টা থেকে বিরত রাখে। এর উদ্দেশ্য হলো আসামীর উপর অযাচিত চাপ না দেওয়া এবং স্বীকারোক্তি সঠিক ও স্বতঃস্ফূর্ত হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 25. Confession to police-officer not to be proved:
- No confession made to a police-officer shall be proved as against a person accused of any offence.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Suit বলে।
- তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে-সকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। সুতরাং প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
অধ্যায় ২, বিধি ১০: ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তাহার পরামর্শ ও সেবার জন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করিবেন না। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হইতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হইলে তাহা সহৃদয়তার সহিত বিশেষ ভাবে বিবেচনা করিতে হইবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তাঁহার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হইলে কোনরূপ ফি ব্যতিরেকে তাহাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হইবে।
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
সঠিক উত্তর: খ) কমিশন জারি করা হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে সেই কমিশন কার্যকর ও ফেরত দেওয়ার জন্য যথাযথ এবং ন্যায়সংগত সময় পর্যন্ত অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।
- এই ধারা মূলত সাক্ষীর উপস্থিতি ব্যতীত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময়সীমা নির্ধারণে আদালতকে আইনি সুযোগ দেয়।
- এটি বিচার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে প্রক্রিয়াটি ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি করে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ আদেশে নাবালক এবং বিকৃত মস্তিষ্ক সম্পন্ন ব্যক্তি কীভাবে মামলা করবে বা তার পক্ষে কীভাবে মামলা দায়ের করা যায় তা আলোচনা করা হয়েছে। নাবালক কর্তৃক প্রত্যেক মামলা তার নামে আসন্ন/পরবর্তী বন্ধু [Next friend) কর্তৃক দায়ের করতে হবে।
- অর্থাৎ, নাবালকের পক্ষে মামলা দায়ের করতে হবে নাবালকের Next Friend (বন্ধু বা অভিভাবক)-এর মাধ্যমে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২ বিধি-১ এর বিধান- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.