ব্যাখ্যা
♦কারণ ১৩২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, জেরায় যে সকল প্রশ্ন করা আইনসম্মত এরূপ প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এই অজুহাতে উত্তর দান করা হতে সাক্ষীকে অব্যাহতি দেওয়া যায় না। অর্থাৎ তিনি উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১১৬ / ১২৬ · ১১,৫০১–১১,৬০০ / ১২,৬০৫
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.
Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ তে দায়রা আদালতের চার্জ গঠনের পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই ধারার অধীনে, যদি বিচার শুরুর আগে আদালত মনে করে যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য পর্যাপ্ত সন্দেহের ভিত্তি আছে, তাহলে সে লিখিত চার্জ গঠন করবে এবং তা অভিযুক্তকে পড়ে শোনানো ও ব্যাখ্যা করার পরে তার জবাব গ্রহণ করবে—সে দোষ স্বীকার করে কিনা বা বিচার চায় কিনা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ২৬৫ঘ: চার্জ গঠন করা:
(১) যদি উক্ত পর্যালোচনা এবং শুনানির পর আদালত এই মতামত ব্যক্ত করে যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করার যথেষ্ট কারণ আছে, তবে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত চার্জ গঠন করবে।
(২) যখন আদালত উপধারা (১) অনুযায়ী একটি চার্জ গঠন করে, তখন ওই চার্জটি অভিযুক্তকে পড়া এবং ব্যাখ্যা করা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে অভিযুক্ত অপরাধে দোষী কিনা, অথবা সে বিচার প্রার্থনা করে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused.
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
আদেশ ১১ বিধি ৬: জিজ্ঞাসাবাদের (interrogatories) উত্তরে আপত্তি তোলার বিধান:
কোনো interrogatory (লিখিত প্রশ্ন) এর উত্তর না দেওয়ার জন্য যদি কোনো পক্ষ মনে করে যে- প্রশ্নটি অশালীন / কুরুচিপূর্ণ (scandalous), অথবা অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant), অথবা মামলার স্বার্থে সৎ উদ্দেশ্যে (bona fide) করা হয়নি, অথবা মামলার সেই পর্যায়ে প্রশ্নটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়, অথবা অন্য যে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে উত্তর দেওয়া প্রয়োজন নেই, তাহলে সে পক্ষ তার উত্তর-শপথনামা (affidavit in answer)-এ এই আপত্তিগুলো উল্লেখ করতে পারবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৪৩ অনুযায়ী, একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি (declaratory decree) নিম্নলিখিতদের উপর বাধ্যকর হয়:
ক) মোকদ্দমার পক্ষগণ (parties to the suit)
খ) পক্ষগণের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণ (persons claiming through them respectively)
এবং জিম্মাদার (trustees) থাকলে তাদের ক্ষেত্রে, ঘোষণার তারিখে যারা জীবিত থাকবে তাদের জন্য।
সুতরাং, "ক এবং খ উভয়"ই সঠিক।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল : এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act,1877, Section 43:- Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
Illustration
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে, মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করার পর সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে (Informant) তা পড়ে শোনাতে হবে এবং সংবাদদাতাকেই তা স্বাক্ষর করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তার কাজ হলো সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা ও পড়ে শোনানো, না হয়ে সংবাদদাতার পরিবর্তে নিজে স্বাক্ষর করা নয়। তাই "পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা" সঠিক প্রক্রিয়া নয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শোনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭(১) ধারা অনুযায়ী, গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণত এক বা একাধিক পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হয়। তবে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারিকৃত পরোয়ানা সর্বদা শুধুমাত্র পুলিশ অফিসারের কাছে নির্দেশিত হতে বাধ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে:
(১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।
(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন।
---------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed:
(1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.
Warrants to several persons:
(2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির 265H ধারা (Acquittal) অনুযায়ী, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণ, অভিযুক্তের জেরা এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর যদি আদালতের মতে অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে কোনো প্রমাণ না থাকে, তবে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দেবেন এবং এই মর্মে একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার বিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সিভিল জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made:
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১৩৩-এ বলা হয়েছে: দুষ্কর্মের সহযোগী একজন সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য ব্যক্তি এবং তার অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতেও আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা বেআইনি হবে না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারার বিধান দুষ্কর্মে সহযোগী: দুষ্কর্মের সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলিয়া গণ্য হইবেন। দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামিকে সাজা দেওয়া হইলে কেবল সেই কারণেই উক্ত সাজা বেআইনি হইবে না।
⇒ ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন দুষ্কর্মের সহযোগী অন্যান্য সহযোগী আসামীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য এবং এর উপর ভিত্তি করে শাস্তি দেওয়া হলে বেআইনি হবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-133. Accomplice: An accomplice shall be a competent witness against an accused person, and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
দণ্ডবিধির ধাড়া ৪০৩: সম্পত্তির অসৎ উদ্দেশ্যে আত্মসাৎ (Dishonest Misappropriation):
যে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যের কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) A, Z-এর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি Z-এর দখল থেকে সরিয়ে নেয়, সৎ বিশ্বাসে বিশ্বাস করে যে সেই সম্পত্তি তার নিজের। তখন এটি চুরির অপরাধ নয়। তবে, যদি A পরে তার ভুল বুঝতে পেরে অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
(খ) A, Z-এর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কারণে, Z-এর অনুপস্থিতিতে Z-এর লাইব্রেরি থেকে একটি বই নিয়ে যায়, যা Z-এর স্পষ্ট অনুমতি ছাড়াই। যদি A মনে করে যে Z তাকে পড়ার জন্য বইটি নিতে পরোক্ষ অনুমতি দিয়েছেন, তবে এটি চুরি নয়। কিন্তু, যদি A পরে সেই বইটি বিক্রি করে এবং তার নিজের স্বার্থে অর্থ ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
(গ) A এবং B একটি ঘোড়ার যৌথ মালিক। A, ঘোড়াটি B-এর দখল থেকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। যেহেতু A-এর ঘোড়া ব্যবহারের অধিকার আছে, এটি অসৎ আত্মসাৎ নয়। তবে, যদি A ঘোড়াটি বিক্রি করে এবং পুরো অর্থ নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে এটি এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
Order 20, Rule 19- Decree when set-off is allowed:
(১) Set-off গ্রহণযোগ্য হলে ডিক্রি কীভাবে হবে-
যখন বিবাদীর set-off (বাদীর দাবির বিপরীতে বিবাদীর পাল্টা দাবির সমন্বয়) গ্রহণ করা হয়, তখন আদালতের ডিক্রিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে- বাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য, এবং বিবাদীর প্রতি কত টাকা প্রাপ্য। এবং ডিক্রি হবে যে পক্ষের পাওনা থাকে, সেই পক্ষের পাওনা আদায়ের জন্য।
(২) Set-off সম্পর্কিত ডিক্রির আপিলযোগ্যতা
যে মামলায় set-off দাবি করা হয়েছে, সেই মামলার ডিক্রি একইভাবে আপিলযোগ্য, যেমনটি হতো যদি কোনো set-off দাবি না করা হতো। অর্থাৎ, set-off দাবি করার কারণে ডিক্রির আপিলের অধিকার বদলায় না।
(৩) এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে-set-off Order 8, Rule 6 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হোক বা অন্য কোনো কারণে হোক সবক্ষেত্রেই এই বিধান প্রযোজ্য।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪খ অনুযায়ী, যদি মুচলেকা প্রদানের জন্য অভিযুক্ত নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক) হয়, তবে আদালত তার পরিবর্তে শুধুমাত্র জামিনদার দ্বারা মুচলেকা গ্রহণ করতে পারে।
অর্থাৎ, জামিনদার (surety) এই মুচলেকা বা বন্ডে দস্তখত করবে। আসামি নিজে (নাবালক হওয়ায়) বা তার অভিভাবক সরাসরি এই মুচলেকা দিতে পারবেন না। আদালত নাবালকের সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার বদলে একজন জামিনদারের মাধ্যমে আইনগত নিশ্চয়তা গ্রহণ করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-514B: Bond required from a minor:
When the person required by any Court or officer to execute a bond is a minor, such Court or officer may accept, in lieu thereof, a bond executed by a surety or sureties only.
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৩৩ অনুসারে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমান বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনা কর্তৃক তাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার উপর, তিনি দায়িত্ব পালনকালে, আক্রমণে প্ররোচনার শাস্তি হলো যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং জরিমানাও হতে পারে।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section-133. Abetment of assault by soldier, sailor or airman on his superior officer, when in execution of his office:
Whoever, abets an assault by an officer, soldier, sailor or airman, in the Army, Navy or Air Force of Bangladesh, on any superior officer being in the execution of his office, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৪২-এই স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading Question) কখন জিজ্ঞাসা করা যাবে না তার বিধান রয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারার বিধান ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন যখন অবশ্যই করা যাবে না: বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা যাবে না।
যেসকল বিষয় ভূমিকামূলক অথবা বিতর্কিহীন অথবা যেসব বিষয় পূর্বেই যথেষ্টরূপে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মনে করেন, সে সকল বিষয় সম্পর্কে আদালত অবশ্যই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করার অনুমতি দিবেন।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৩ ধারার বিধান যখন এরূপ প্রশ্ন করা যেতে পারে: জেরাতে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে।
-------------
⇒The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 142. When they must not be asked:
- Leading questions must not, if objected to by the adverse party be asked in an examination-in-chief, or in a re-examination, except with the permission of the Court.
- The Court shall permit leading questions as to matters which are introductory or undisputed, or which have, in its opinion, been already sufficiently proved.
⇒The Evidence Act, 1872- Section 143. When they may be asked:
- Leading questions may be asked in cross-examination.
⇒ Plea of Alibi অর্থ:- "Alibi" একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ "অন্যত্র"। ফৌজদারি মামলায় আসামি যদি দাবি করে যে, অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না, বরং অন্যত্র ছিল, তাহলে সেটিই Plea of Alibi।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১ অনুসারে, যে সকল ঘটনা (ফ্যাক্ট) অন্য কোনোভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হয় যদি: (১) এগুলো কোনো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়, অথবা (২) এগুলো স্বয়ং বা অন্য বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোনো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিক সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।
- এখানে 'ক'-এর Plea of Alibi (অর্থাৎ, ১০ অক্টোবর ঢাকায় ডাকাতির সময় সে চট্টগ্রামে ছিল) অপরাধের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলে, কারণ আসামি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না। এটি ধারা ১১(২)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারার বিধান: যে সকল ঘটনা অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলি যখন প্রাসঙ্গিক হয়: যে সকল বিষয় অন্য কোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, নিম্নবর্ণিত ভাবে সেগুলি প্রাসঙ্গিক-
(১) যদি সেগুলি কোন বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়।
(২) যদি সেগুলি স্বয়ং অথবা অন্যকোন বিষয়ের সাথে যুক্ত হয়ে কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তোলে।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 11. When facts not otherwise relevant become relevant:
- Facts not otherwise relevant are relevant–
(1) If they are inconsistent with any fact in issue or relevant fact;
(2) If by themselves or in connection with other facts they make the existence or non-existence of any fact in issue or relevant fact highly probable or improbable.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৫৭. নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement):
ধারা ৫৬-এর উপধারা (f) সত্ত্বেও, যেখানে কোনো চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য ইতিবাচক (affirmative) চুক্তির পাশাপাশি একটি নেতিবাচক (negative) চুক্তিও থাকে- স্পষ্টভাবে বা পরোক্ষভাবে, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট কাজ না করার অঙ্গীকার থাকে, সেখানে আদালত যদি সেই ইতিবাচক চুক্তির নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (specific performance) করাতে সক্ষম না হয়, তাহলেও আদালত সেই নেতিবাচক চুক্তি কার্যকর করার জন্য নিষেধাজ্ঞা (injunction) জারি করতে পারে;
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী এখন পর্যন্ত তার চুক্তির বাধ্যবাধক অংশ সম্পূর্ণভাবে পালন করতে ব্যর্থ হননি।
উদাহরণসমূহ-
(ঘ) B, A-এর সঙ্গে চুক্তি করে যে সে বারো মাস ধরে বিশ্বস্তভাবে A-এর ক্লার্ক হিসেবে কাজ করবে। A আদালতের মাধ্যমে B-কে কাজ করতে বাধ্য করতে পারবে না, কিন্তু A, B-কে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।