বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৪ / ১২৬ · ১১,৩০১১১,৪০০ / ১২,৬০৫

১১,৩০১.
দুষ্কর্মে সহয়তা (Abetment) কয়টি উপায়ে সংঘটিত হতে পারে?
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধিতে দুষ্কর্মের সহায়তার (Abetment) সংজ্ঞা রয়েছে -১০৭ ধারায়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে।
(i) কাউকে প্ররোচিত করে
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে

অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
→ যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
→ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
---------
- The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing:
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.
Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১১,৩০২.
The Evidence Act 1872 এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা/ ঘটনা প্রমাণের জন্য কতজন সাক্ষী প্রয়োজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
-  The Evidence Act 1872 এর ১৩৪ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার কোন ঘটনা প্রমাণ করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই।
- দেওয়ানি কিংবা ফৌজদারি মামলা যাই হোক না কেন তা প্রমাণের জন্য কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর সাক্ষ্য আবশ্যক নয়।
১১,৩০৩.
মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করেন কে?
  1. আদালতের অফিসার
  2. আদালত
  3. পেশকার
  4. সেরেস্তাদার
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ১৪, বিধি ১(৫) মতে আদালত- অর্থাৎ বিচারক নিজেই বিচার্য বিষয় গঠন করবেন। আদালতের অফিসার সঠিক উত্তর নয়, কারণ- বিচারক, আইনজীবী ও সেরেস্তাদার- এরা সকলেই আদালতের অফিসার। আদালত অর্থ স্বয়ং বিচারক।
১১,৩০৪.
আদালত কারাবন্দি আসামির বিরুদ্ধে কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করলে, উক্ত দণ্ডাদেশ সংক্রান্ত ওয়ারেন্ট কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ সুপার
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. কারারক্ষক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৩ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যকোনো কারাদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে হবে পরোয়ানা জারির মাধ্যমে। দণ্ডদানকারী আদালত এমন পরোয়ানা জারি করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুসারে-
যখন কয়েদীকে জেলে আটক রাখতে হবে,তখন পরোয়ানাটি কারারক্ষককে (Jailor) কে প্রেরণ করতে হবে।

Section 385: Warrant with whom to be lodged
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
১১,৩০৫.
টাকার ডিক্রি জারির সময় জজমেন্ট-ডেবটর যদি ডিক্রির টাকা ও গ্রেপ্তারের খরচ পরিশোধ করেন, তাহলে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার কী করা উচিত?
  1. তাকে জেলে রাখতে হবে
  2. তাকে আদালতে নিয়ে যেতে হবে
  3. আদালতের অনুমতি লাগবে
  4. তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর Section 55(1)-এর চতুর্থ প্রভিশন (Provided, fourthly) স্পষ্টভাবে বলা আছে: where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.
- অর্থাৎ, গ্রেপ্তারের সময়ই যদি জজমেন্ট-ডেবটর পুরো ডিক্রির টাকা + গ্রেপ্তারের খরচ গ্রেপ্তারকারী অফিসারকে পরিশোধ করে, তাহলে অফিসারকে তৎক্ষণাৎ (at once) তাকে মুক্তি দিতে হবে। আদালতে নেওয়ার বা অনুমতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) তাকে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দিতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:
Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:
Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

১১,৩০৬.
কোনো মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট হলে ম্যাজিস্ট্রেটের কোন আদেশটি সঠিক?
  1. পুনঃতদন্ত
  2. নতুনভাবে তদন্ত
  3. চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ
  4. অধিকতর তদন্ত
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] এবং ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১১,৩০৭.
অভিযোগের জবাব দানের জন্য জামিনে মুক্ত অভিযুক্তকে কোথায় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. হাইকোর্টে
  2. দায়রা আদালতে
  3. অন্য যেকোনো আদালতে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড

(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।
১১,৩০৮.
'ক' এর প্ররোচনায় 'খ' খুন করার উদ্দেশ্যে 'গ' কে ছুরিকাঘাত করে। 'গ' চিকিৎসান্তে সুস্থ হয়ে উঠে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. গুরুতর আঘাতের প্ররোচনা
  2. নরহত্যার প্ররোচনা
  3. খুন করার প্ররোচনা
  4. 'গ' সুস্থ হওয়ার কোন অপরাধ হয়নি
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-

(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।

দণ্ডবিধির ধারা ১০৮ এর ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী-
প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

Section 108- Abettor:
A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1-
The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2-
To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
১১,৩০৯.
যে সকল মোকদ্দমায় জজ কিংবা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে, সে উক্ত মামলার বিচার করতে পারবে না। ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৫৬
  3. ধারা ৫৫২
  4. ধারা ৫৫৭
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৫৬ ধারার বিধান যেসব মামলায় জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকেঃ কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট, তার নিজের আদালতের ঊর্ধ্বতন আপীল আদালতের অনুমতি না নিয়ে যেসব মামলায় তিনি নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল শ্রবণ করবেন না।
১১,৩১০.
'ক' ১৫ বছর বয়সে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হয় কিন্তু এক বছরের মধ্যে সে উন্মাদ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর বিরুদ্ধে কখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. নাবালকত্ব শেষ হওয়ার পর
  2. আইনগত প্রতিনিধি থাকলে তৎক্ষণাৎ
  3. মানসিক ভাবে সুস্থ হওয়ার পর
  4. উভয় অপারগতা শেষ হবার পর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।

যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।

তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।

১১,৩১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী আমলযোগ্য অপরাধের ষড়যন্ত্রের সংবাদ পেলে পুলিশ অফিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫০
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৫০-তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো পুলিশ অফিসার যদি কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র বা পরিকল্পনার সংবাদ পান, তাহলে তিনি তা তাঁর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং যে কোনো অন্য কর্মকর্তাকে (যার দায়িত্ব সেই অপরাধ প্রতিরোধ করা বা তাতে আমল গ্রহণ করা) অবহিত করতে বাধ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ: 
কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য প্রাপ্ত প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা উক্ত তথ্য তার উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে এবং অন্য যেকোনো কর্মকর্তাকে, যার দায়িত্ব হলো এরূপ অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধ করা বা এ বিষয়ে আমল গ্রহণ করা, তাকে জানাতে বাধ্য থাকবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.

১১,৩১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীদের প্রতি সমন জারি করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র সাক্ষ্য দান
  2. সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ
  3. সাক্ষ্য দান, দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল
  4. শুধুমাত্র দলিল পেশ
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• সমনের উদ্দেশ্য- সমন জারি করা হয় বিবাদীকে মোকদ্দমার বিষয়টি অবহিত করে আদালতে বিবাদীর হাজিরা নিশ্চিত করা এবং মোকদম্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার বক্তব্য পেশের সুযোগ দেয়া।

দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ২৭-৩২, ৫ নং আদেশে, ২১ নং আদেশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বিধিতে এবং ১৬ নং আদেশের ৮ নম্বর বিধিতে সমন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৩১ অনুযায়ী,
সাক্ষীদের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল করার জন্য সমনের ক্ষেত্রে ২৭, ২৮ ও ২৯নং ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদীর ক্ষেত্রে সমনের যে বিধানসমূহ প্রযোজ্য, সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

Sec-31: Summons to witness
The provisions in sections 27, 28 and 29 shall apply to summonses to give evidence or to produce documents or other material objects.
১১,৩১৩.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রমাণের দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯৩ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯৬ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৯৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০১ অনুযায়ী- যিনি কোন বিষয়ের অস্তিত্বের দাবি করে এর উপর নির্ভরশীল কোন আইনগত অধিকার বা দায় সম্পর্কে আদালতের রায় কামনা করেন, তিনি সেই বিষয়ের অস্তিত্ব অবশ্যই প্রমাণ করবেন।

⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) - দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।

⇒ কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
১১,৩১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ অনুসারে, শুনানি শেষে আদালত কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

১১,৩১৫.
পেনাল কোড এর ৩২৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপোষ করতে পারে-
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. আসামী
  3. ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ভিকটিম
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী পেনাল কোডের ৩২৪ ধারার মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা বা বিপজ্জনক উপায়ে ইচ্চাকৃত ভাবে আঘাত করা অপরাধের আপোষ মীমাংসা করতে পারেন যাকে আঘাত করা হয়েছে সে।
♦অর্থাৎ পেনাল কোড এর ৩২৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ আপোষ করতে পারে ভিকটিম বা যাকে আঘাত করা হয়েছে সে।
১১,৩১৬.
কয়টি ক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৪টি; [ধারা: ১০৩, দণ্ডবিধি]।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
১১,৩১৭.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র দেওয়ানি আদালতের মামলায়
  2. শুধুমাত্র ফৌজদারি আদালতের মামলায়
  3. শুধুমাত্র পারিবারিক আদালতের মামলায়
  4. দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতের মামলায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারায় আদালত কর্তৃক অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারামতে,
আদালত অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করে থাকলে যে সাক্ষ্যের বিরুদ্ধে আপত্তি উত্থাপন করা হয়েছে, সেই সাক্ষ্য ছাড়াও যদি এমন সাক্ষ্য-প্রমাণ থাকে যা দ্বারা আদালতের সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা প্রতিপন্ন হয়, অথবা যে সাক্ষ্য বর্জন করা হয়েছে, তা গ্রহণ করা হলেও আদালতের সিদ্ধান্তে কোন তারতম্য হতো না, তবে কেবলমাত্র অন্যায়ভাবে কোন সাক্ষ্য গ্রহণ বা বর্জন করার অজুহাতে কোন মামলার পুনর্বিচার বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন দাবি করা যাবে না।

- সাক্ষ্য আইনের ১৬৭ ধারার বিধান দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলাতেই সমভাবে প্রযোজ্য।
-------------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-167: No new trial for improper admission or rejection of evidence:
The improper admission or rejection of evidence shall not be ground of itself for a new trail or reversal of any decision in any case, if it shall appear to the Court before which such objection is raised that, independently of the evidence objected to and admitted, there was sufficient evidence to justify the decision, or that, if the rejected evidence had been received, it ought not to have varied the decision.
১১,৩১৮.
'একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৯৬
  2. ৯৭
  3. ১০৪
  4. ১০৩
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৯৬ ধারা- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

Section 96- Appeal from original decree:
(1) Save where otherwise expressly provided in the body of this Code or by any other law for the time being in force, an appeal shall lie from every decree passed by any Court exercising original jurisdiction to the Court authorised to hear appeals from the decisions of such Court.
(2) An appeal may lie from an original decree passed ex parte.
(3) No appeal shall lie from a decree passed by the Court with the consent of parties.
১১,৩১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার মামলা
  2. স্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মামলা
  3. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলা
  4. অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়ের মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার অধীনে "অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়বিক্রয়" অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৬ ধারা অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, ভাগ বাটোয়ারা, স্থাবর সম্পত্তির বিনা সংক্রান্ত মামলা, সেই আদালতে দায়ের করাতে হবে, যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান- বিষয়বস্তু যেখানে অবস্থিত, মামলা সেখানেই দায়ের করতে হবে:
- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক বা অন্যান্য এখতিয়ার সাপেক্ষ -
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য,
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারা জন্য,
গ) স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক বা দায় (charge) উদ্ধারের অধিকার, হরণ, বিক্রয় বা
ঘ) স্থাবর সম্পত্তির অন্য কোনো প্রকার অধিকার বা স্বার্থ নির্ণয়ের জন্য,
ঙ) স্থাবর সম্পত্তির অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে,
চ) আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য -
আনীত মামলাগুলি যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা, ‘গ’ দফায় বর্ণিত মামলার ক্ষেত্রে যে স্থানে মামলার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়, সেসব আদালতেই দায়ের করতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী কর্তৃক বা তার পক্ষে দাখিলী কোন স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত প্রতিকার বা উহার অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা, প্রার্থতি প্রতিকার যদি সম্পূর্ণরূপে বিবাদির ব্যক্তিগতভাবে আনুগতভাবে আনুগত্যের ফলে লাভ করা যায়, তবে তাহলে যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত, অথবা (ঙ) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রে যে স্থানে পূর্ণ বা আংশিকভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হয়েছে অথবা যে আদালতের স্থানীয় সীমানার মধ্যে প্রকৃত পক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বিবাদী বাস করে বা ব্যবসা-বাণিজ্য চালায় বা ব্যক্তিগতভাবে লাভের জন্য কর্ম করে সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-16. Suits to be instituted where subject-matter situate.
Subject to the pecuniary or other limitations prescribed by any law, suits- 
(a) for the recovery of immovable property with or without rent or profits, 
(b) for the partition of immovable property, 
(c) for foreclosure, sale or redemption in the case of a mortgage of or charge upon immovable property, 
(d) for the determination of any other right to or interest in immovable property, 
(e) for compensation for wrong to immovable property, 
(f) for the recovery of movable property actually under distraint or attachment, 
shall be instituted in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen: 
Provided that a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property held by or on behalf of the defendant may, where the relief sought can be entirely obtained through his personal obedience, be instituted either in the Court within the local limits of whose jurisdiction the property is situate, or, in the case of suits referred to in clause (c), at the place where the cause of action has wholly or partly arisen, or in the Court within the local limits of whose jurisdiction the defendant actually and voluntarily resides, or carries on business, or personally works for gain. 
Explanation.-In this section "property' means property situate in Bangladesh.
১১,৩২০.
“Rectification of Instruments”- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ধারা ৩১–৩৪
  2. ধারা ৩৫–৩৮
  3. ধারা ৩৯-৪১
  4. ধারা ৪২–৪৩
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিষয়বস্তু (Subject matter of Specific Relief Act):
১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি ১০টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৭টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। 

অধ্যায়সমূহ:
⇒ সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (Recovering possession of property)- ধারা (৮-১১);
⇒ চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন (Specific performance of contract)- ধারা (১২-৩০);
⇒ দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments)- ধারা (৩১-৩৪);
⇒ চুক্তি রদ (Rescission of a contract)- ধারা (৩৫-৩৮);
⇒ দলিল বাতিল (Cancellation of instrument)- ধারা (৩৯-৪১);
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree)- ধারা (৪২-৪৩);
⇒ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (Appointment of receiver)- ধারা ৪৪;
⇒ বিলুপ্ত (Omitted)- ধারা (৪৫-৫১);
⇒ সাধারণভাবে নিষেধাজ্ঞা (Injunction generally)- ধারা (৫২-৫৩);
⇒ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunction)- ধারা (৫৪-৫৭)।

১১,৩২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৯ ধারায় সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদঃ

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
১১,৩২২.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির পরে মৃত্যু ঘটলে
  2. অধিকার জন্মের পরে মামলা দায়েরে বিলম্ব হলে
  3. মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির আগেই মৃত্যু ঘটলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান- অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
১১,৩২৩.
দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" কীভাবে গণনা করা হয়?
  1. বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  2. হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  3. ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  4. ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, "year" বা "month" শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ইংরেজি ক্যালেন্ডার (অথবা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করা হবে।
- ইংরেজি ক্যালেন্ডারে এক বছর ৩৬৫ দিন (অথবা লিপ বছরের ক্ষেত্রে ৩৬৬ দিন) এবং এক মাস ৩০ বা ৩১ দিন (ফেব্রুয়ারিতে ২৮ বা ২৯ দিন) হিসেবে গণনা করা হয়।

অর্থাৎ, দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" গণনা করা হয় ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

১১,৩২৪.
দলিলের বিষয়বস্তু  প্রমাণের জন্য মাধ্যমিক সাক্ষ্য কখন গ্রহণযোগ্য?
  1. সবসময় গ্রহণযোগ্য
  2. যখন দলিলের বিষয়বস্তু অপ্রাসঙ্গিক
  3. যখন আদালত বিশেষ অনুমতি না দেয়
  4. যখন মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী, ধারা ৬১–৬৫-এর আলোকে দলিলের বিষয়বস্তু মূলত প্রাথমিক সাক্ষ্য (primary evidence) দ্বারা প্রমাণ করতে হয় (ধারা ৬১–৬৪)।
তবে, ধারা ৬৫ বলছে:
যখন মূল দলিল হারিয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, আদালতের অধিকারভুক্ত নয়, বা যেকোনো উপযুক্ত কারণে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়, তখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য (secondary evidence) গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৬১ (Proof of contents of documents) এ বলা হয়েছে যে, দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়। তবে, ধারা ৬৫ (Cases in which secondary evidence relating to documents may be given) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মাধ্যমিক সাক্ষ্য তখনই গ্রহণযোগ্য হবে যখন মূল দলিল (প্রাথমিক সাক্ষ্য) উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।

ধারা ৬৫-এর শর্তাবলী:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি প্রযোজ্য হতে হবে:
→ মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে: যদি প্রমাণিত হয় যে মূল দলিল হারিয়ে গেছে বা ধ্বংস হয়েছে।
→  মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব নয়: যদি মূল দলিল কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে যিনি এটি দিতে অস্বীকার করেন বা এটি এমন স্থানে আছে যেখান থেকে সহজে আনা সম্ভব নয়।
→  মূল দলিলের অস্তিত্ব স্বীকৃত: যদি বিপক্ষীয় পক্ষ মূল দলিলের অস্তিত্ব বা বিষয়বস্তু স্বীকার করে।
→  অন্যান্য আইনি কারণ: যেমন, মূল দলিল যদি সরকারি রেকর্ড হয় এবং তার প্রতিলিপি দেওয়ার অনুমতি থাকে।

সুতরাং, মাধ্যমিক সাক্ষ্য শুধুমাত্র ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য, এবং এটি সাধারণত মূল দলিল উপস্থাপন করা সম্ভব না হলে প্রযোজ্য হয়।
১১,৩২৫.
রায় ঘোষনার কত দিনের মধ্যে ডিক্রী প্রনয়ন করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর  আদেশ ২০ বিধি ৫ (ক)  অনুযায়ী রায় ঘোষনার তারিখ হতে ০৭ দিনের মধ্যে আদালত ডিক্রী প্রণয়ন করবেন।
আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুযায়ী যে তারিখে রায় ঘোষনা করবে ডিক্রিতে  সে তারিখ উলে­খ থাকবে এবং স্বাক্ষর থাকবে।
১১,৩২৬.
যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিলে, উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপিলকারীর ইচ্ছানুযায়ী আদালতে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল

যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
১১,৩২৭.
মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে, আদালত-
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করবে
  4. নিষেধাজ্ঞা জারি করতে অস্বীকৃতি জানাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারামতে, নিম্নলিখিত ১১টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। যথা-
i) বিচারাধীন কার্যধারা স্থগিত;
ii) অধীনস্ত নয় এরূপ আদালতের কার্যধারা স্থগিত;
iii) আইন প্রনয়নকারী সংস্থার নিকট আবেদনে বাধা;
iv) সরকারী দপ্তর বা বিদেশি সরকারের কার্যে হস্তক্ষেপ;
v) ফৌজদারি কার্যধারা স্থগিত;
vi) অবলবৎযোগ্য চুক্তিভঙ্গ নিরোধের প্রশ্নে;
vii) উৎপাত (nuisance) নয় এমন কাজ নিরোধের জন্য;
viii) বাদীর মৌন সম্মতির প্রশ্নে;
ix) অন্য কোন পদ্ধতিতে একই প্রতিকারের ক্ষেত্রে;
x) বাদীর আচরন আদালতের সাহায্য পেতে বঞ্চিত করলে; অথবা
xi) মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর কোন স্বার্থ না থাকলে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
১১,৩২৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে কোন বিধানানুসারে বিবাদীর প্রতিকার আছে?
  1. Order 7 Rule 11
  2. Order 47 Rule 1
  3. Order 7 Rule 10
  4. Order 39 Rule 1
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ৯(১এ) নং বিধি অমান্য করলে অর্থাৎ আদালত বাদী পক্ষের উপর সমনের সাথে প্রয়োজনীয় আরজির কপি সরবরাহ করার আদেশ প্রদান করলে [ নির্দিষ্ট সময় বেধে দিলে এবং বাদী পক্ষ উহা পালনে ব্যর্থ হলে আদালত আরজি খারিজ করতে পারেন।] এবং বাদী পক্ষ আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উক্ত আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে আরজিটি খারিজ হতে পারে। 

♦ The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরে , আরজি গৃহীত হলে যতজন বিবাদী রয়েছে, সাদা কাগজে আরজির ততসংখ্যক নকল দাখিল করতে হবে। সুতরাং আরজির সাথে প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সমন ও আরজির কপি না দিলে, আদালত প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করার জন্য সময় (অনধিক ২১ দিন) নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় সমন ও আরজির কপি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

♦ উপরে উল্লেখিত কারণে আদালত নিজ উদ্যোগে বা বিবাদী পক্ষ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন করলে, আদালত আরজিটি প্রত্যাখ্যানের আদেশ দিতে পারে।
বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে-রিভিশন করা যাবে।

অর্থাৎ  The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 7 Rule 9(1A) অনুসরণ না করে মোকদ্দমা দায়ের করলে  বিবাদী আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুযায়ী  আরজি প্রত্যাখ্যানের  আবেদন করতে পারবে।
১১,৩২৯.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারার অধীনে জেলা জজ কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ 
  2. শুধু যুগ্ম জেলা জজ
  3. শুধু অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. যুগ্ম ও অতিরিক্ত জেলা জজ উভয়ের নিকট
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

[Power of District Judge to transfer appeals]
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.

(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it. 
 
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

১১,৩৩০.
যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাপূর্বক তাহার বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ বা প্রতিরোধ করে, তবে সেই ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  4. ১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিস জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারী করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথব ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারী কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------ 
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
 Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,  
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order, 
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed, 
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made, 
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both; 
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
১১,৩৩১.
বার কাউন্সিলের সদস্যদের গ্রুপভিত্তিক আসনে নির্বাচনের জন্য সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় বার এসোসিয়েশন সমূহকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৫ ভাগে
  2. ৭ ভাগে
  3. ৮ ভাগে
  4. ১০ ভাগে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৪:
(১) সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে গ্রুপ আসনের ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনসমূহকে তালিকা 'ক' (Schedule A)-তে বর্ণিত অনুযায়ী সাতটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।

(২)
(i) প্রতিটি ব্যালট পেপার তালিকা 'খ' (Schedule B)-তে নির্ধারিত ফরম অনুযায়ী হবে।

(ii) প্রতিটি ব্যালট পেপার দুইটি অংশে বিভক্ত থাকবে—
অংশ-I: সাধারণ আসনের প্রার্থীদের নাম থাকবে।
অংশ-II: প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম থাকবে।

(iii) ব্যালট পেপারের অংশ-I ও অংশ-II এর প্রতিটি গ্রুপে প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার অনুযায়ী বর্ণানুক্রমে সাজানো হবে।

(৩)
(i) প্রতিটি ভোটার সাধারণ আসনের জন্য সাতটি ভোট এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য একটি করে ভোট প্রদান করতে পারবেন;
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ভোটার একজন প্রার্থীর পক্ষে একাধিক ভোট প্রদান করতে পারবেন না।

(ii) ভোট দিতে ইচ্ছুক ভোটার ব্যালট পেপারে তার পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে কলম দিয়ে একটি ক্রস চিহ্ন (×) দিয়ে ভোট প্রদান করবেন।
১১,৩৩২.
বিশেষ আইনের অধীন কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ৯-১৮ ধারা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।
(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন
-বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১১,৩৩৩.
বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা ____________সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
  1. ইশারা
  2. লিখিত
  3. মৌখিক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারার বিধান বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
- অর্থাৎ বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন তা মৌখিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।


⇒The Evidence Act, 1872 এর ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা ব্যক্তি আদালতে প্রকাশ্যে লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারবেন।
এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সাক্ষী বধির বা বোবা হন এবং সে লিখতে বা ইশারা করতে পারেন, তাহলে তাকে লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে দেওয়া যেতে পারে।
সুতরাং, একজন বোবা সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লিখিত সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি তার সাক্ষ্য লিখিতভাবে দিতে পারবেন। তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তর লিখবেন এবং সেই লিখিত উত্তরগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য: বোবা ব্যক্তি ইশারা করে তার সাক্ষ্য দিতে পারবেন। একজন দোভাষী তার ইশারাগুলি অনুবাদ করবেন এবং সেই অনুবাদগুলি আদালতে পাঠ করা হবে।
---------------------------
Section-119. Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.
১১,৩৩৪.
কোন ক্ষেত্রে তামাদির বিধান প্রযোজ্য নয়-
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমায়
  2. যেকোনো ফৌজদারি মামলায়
  3. ফৌজদারি মূল মামলায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী মূল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য না কিন্তু কিছু বিশেষ ফৌজদারী কার্যক্রম যেমন ফৌজদারী আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ মূল ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট সময় নেই।
১১,৩৩৫.
Which of the following must accompany robbery or child-stealing for a person to be considered a "Thug" under Section 310 of The Penal Code, 1860?
  1. Extortion
  2. Murder
  3. Kidnapping
  4. Physical assault
ব্যাখ্যা
Section 310- Thug:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারা- ঠগ:
কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরে কোন সময় খুনের মাধ্যমে বা খুন সহ দস্যুতা সাধন বা শিশু অপহরণের জন্য অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির সাথে অভ্যাসগতভাবে সংশ্লিষ্ট হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি একজন ঠগ।
১১,৩৩৬.
আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না মঞ্জুর করে আদালত কোন আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের ১১ বিধির অধীন মোকদ্দমার বিবাদী পক্ষ আরজি খারিজ করে দেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করতে পারবে ।

♦বিবাদীর আবেদনক্রমে বা আদালত নিজ উদ্যোগে আরজি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। 

♦বিবাদী কর্তৃক আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন নামঞ্জুর হলে-রিভিশন করা যাবে

♦ অর্থাৎ আরজি প্রত্যাখ্যানের আবেদন না-মঞ্জুর করা হলে  রিভিশন করতে হবে।
১১,৩৩৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুসারে, আদালত কয়টি উৎস থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে- বিচার্য বিষয় প্রণয়নের তিনটি উৎস:
- শপথভিত্তিক মৌখিক অভিযোগ;
- আরজি-জবাব ও প্রশ্নমালার লিখিত অভিযোগ;
- দাখিলকৃত দলিলপত্র।

আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]

খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]

গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]

১১,৩৩৮.
রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার এর বিধান আছে-
  1. আদেশ-৩৮, বিধি-৩
  2. আদেশ-৩৮, বিধি-৬
  3. আদেশ-৩৮, বিধি-৯
  4. আদেশ-৩৮, বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৮ আদেশের ৯ বিধি এর বিধান রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার- আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা- ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

-দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ: 
- যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।
-------- 
⇒ CPC Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
- Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
১১,৩৩৯.
অভিযোগে অপরাধের বিবরণে ব্যবহৃত শব্দসমূহ কোন আইন অনুসারে ব্যাখা করা হবে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  2. দণ্ডবিধি অনুসারে
  3. যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুসারে
  4. জেনারেল ক্লজেস এক্ট অনুসারে
ব্যাখ্যা
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়। ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
[In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.]
১১,৩৪০.
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন
  2. সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন
  3. উক্ত ব্যক্তিকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন
  4. উল্লিখিত সকল পদক্ষেপ
ব্যাখ্যা
• কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।

Section 464- Procedure in case of accused being lunatic

(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.

(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.

(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
১১,৩৪১.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপস ডিক্রির কারণে কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে, তার প্রতিকার নিম্নের কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপীল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
১১,৩৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারায়, ক্ষতিপূরণের আদেশের পাশাপাশি কতদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০(৫) অনুসারে, মিথ্যা বা তুচ্ছ অভিযোগের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশের পাশাপাশি, ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি (অভিযোগকারী) কে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে, এই দণ্ড কেবল ক্ষতিপূরণের আদেশের পরিপূরক হিসেবে হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
১১,৩৪৩.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারা অনুসারে বিশেষজ্ঞের মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. ৪৮ ধারা
  2. ৪৯ ধারা
  3. ৫০ ধারা
  4. ৫১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৫১ (Section 51 of the Evidence Act, 1872) অনুযায়ী, “যখন কোনো জীবিত ব্যক্তির মতামত কোনো মামলায় প্রাসঙ্গিক হয়, তখন সেই মতামতের উপর ভিত্তি করে যে কারণ বা ভিত্তি গঠিত হয়েছে, তা-ও প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।”

উদাহরণ হিসেবে, যদি একজন বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দেয় যে তিনি একটি রাসায়নিক পরীক্ষা করে ফলাফল পেয়েছেন, তাহলে তিনি কেবল ফলাফলই বলবেন না, সেই পরীক্ষাটি কীভাবে করেছেন, সেটিও বলতে পারবেন। কারণ তা তার মতামতের ভিত্তি।

- অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৫১ ধারাই নিশ্চিত করে যে, বিশেষজ্ঞ বা প্রাসঙ্গিক মতামতের ভিত্তিগুলোও (Grounds of opinion) আদালতে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।


⇒The Evidence Act, 1872, Section- 51. Grounds of opinion, when relevant:
- Whenever the opinion of any living person is relevant the grounds on which such opinion is based are also relevant.

Illustration:
An expert may give an account of experiments performed by him for the purpose of forming his opinion.
১১,৩৪৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৪০৫ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মূল উপাদান কী?
  1. সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়
  2. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর
  3. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে ব্যবহার
  4. অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হলো যখন কোনো ব্যক্তি, যিনি কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে সেই সম্পত্তি আত্মসাৎ করে, নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, বা আইনি নির্দেশ বা চুক্তি লঙ্ঘন করে সেই সম্পত্তি ব্যবহার বা নিষ্পত্তি করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে তা করতে দেয়। এই অপরাধের মূল উপাদান হলো:
দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া (Entrustment): ব্যক্তিকে সম্পত্তি বা তার উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অসাধুতা (Dishonesty): সম্পত্তি আত্মসাৎ, ব্যবহার বা নিষ্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে করা হয়।
আইন বা চুক্তি লঙ্ঘন: সম্পত্তির ব্যবহার বা নিষ্পত্তি আইনের নির্দেশ বা প্রকাশ্য/অপ্রকাশ্য চুক্তির বিপরীত হতে হবে।
ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে অনুমতি দেওয়া: ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করতে দেওয়াও এই অপরাধের আওতায় পড়ে।
অর্থাৎ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মূল উপাদান হলো অসৎ উদ্দেশ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ব্যবহার করা, যা ধারা ৪০৫-এর সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
------------
⇒The Penal Code, 1860,-Section 405. Criminal breach of trust:
 Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".

১১,৩৪৫.
তামাদি আইন অনুযায়ী, প্রতারণার শিকার ব্যক্তি কখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনার সুবিধা পাবে?
  1. মামলার ফাইল করার দিন থেকে
  2. প্রতারণার বিষয় জানার দিন থেকে
  3. প্রতারণা সংঘটিত হওয়ার দিন থেকে
  4. আদালতে অভিযোগ করার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে তার অধিকার সম্পর্কে জানতে না পারেন অথবা যদি তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় দলিল প্রতারণার মাধ্যমে গোপন রাখা হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে সেদিন থেকে, যেদিন তিনি প্রথম প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন, অথবা যেদিন তিনি গোপন দলিল উপস্থাপন করতে পারেন বা অন্য পক্ষকে বাধ্য করতে পারেন উপস্থাপন করার জন্য।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
১১,৩৪৬.
চুক্তি রদের মামলা করতে হবে ১ বছরের মধ্যে - তামাদি আইনের কোথায় বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৪
  2. অনুচ্ছেদ ১১৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৪ অনুযায়ী যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি রদ করার অধিকার প্রদান করে সেই বিষয়ে বাদী যে দিন থেকে অবগত হয় সে দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা কতে হবে।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা করা হয়।
১১,৩৪৭.
'ক' তার শিশু সন্তানের কল্যাণের জন্য একজন চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার করাতে চায়। চিকিৎসক শিশুর পিতার অনুমতি নিয়ে অস্ত্রোপচার করে এবং শিশুটি মারা যায়। চিকিৎসকের অপরাধ কি?
  1. কোন অপরাধ হয়নি
  2. খুন
  3. নরহত্যা
  4. সরল বিশ্বাসে ক্ষতি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৮৯ ধারামতে অভিভাবক কর্তৃক বা তার সম্মতিক্রমে শিশু বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সরল বিশ্বাসে (Good Faith) কৃত কাজ অপরাধ নয়।

♦ দণ্ডবিধির ৮৯ ধারার বিধান অভিভাবক কর্তৃক বা তাহার সম্মতিক্রমে শিশু বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কার্য:

- বার বৎসরের নিম্ন বয়স্ক কোন ব্যক্তির অথবা অপ্রকৃতিস্থ কোন ব্যক্তির উপকার করার জন্য আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে বা সরল বিশ্বাসে উক্ত ব্যক্তির অভিভাবক দ্বারা সম্পাদিত কার্য কিংবা উক্ত ব্যক্তির অভিভাবকের বা আইনানুগভাবে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে দায়িত্বসম্পন্ন অপর কারো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে কৃত কার্য করার ফলে কোন ক্ষতি হয়ে থাকলে সে ক্ষতির ফলে, কিংবা যিনি কার্যটি করেছিলেন তিনি কাজটির ফলে যে ক্ষতি হবে বলে ইচ্ছা করেছিলেন সে ক্ষতিটি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কার্যটি করেছিলেন তিনি কার্যটি করার ফলে যে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানতেন, সে ক্ষতিটি হওয়ার ফলে-অপরাধ হবে না; এই শর্তে যে-

 প্রথমত: এই ব্যতিক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটাবার অথবা মৃত্যু ঘটাবার চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না,

 দ্বিতীয়ত: এই ব্যতিক্রম যে ব্যক্তি কার্যটি করলেন, সে ব্যক্তি যদি জানতেন যে, কার্যটি করার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে, তবে সম্ভাব্য মৃত্যুরোধ করার উদ্দেশ্য ছাড়াই বা সম্ভাব্য গুরুতর আঘাত এড়াবার উদ্দেশ্য ছাড়াই অথবা কোন মারাৱক রোগ নিরাময় বা অশক্তি নিবারণের উদ্দেশ্য ছাড়াই অপর কোন উদ্দেশ্যে কার্যটি করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

 তৃতীয়ত: এই ব্যতিক্রম মৃত্যু রোধ করার উদ্দেশ্য ছাড়াই বা গুরুতর আঘাত এড়াবার উদেশ্য ছাড়াই অথবা কোন মারাত্মক রোগ নিরাময় বা অশক্তি নিবারণের উদেশ্য ছাড়াই ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করলে বা করার চেষ্টা করলে সে ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না;

 চতুর্থত: এই ব্যতিক্রম যে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য হবে না সে কাজ করতে সহায়তা করার বা যোগসাজশের ক্ষেত্রেও এই ব্যতিক্রমটি প্রয়োগযোগ্য হবে না।
১১,৩৪৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখে নি
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনে নি
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত
ব্যাখ্যা
♦ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence)- সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা মতে মৌখিক সাক্ষ্যকে অবশ্যই প্রতক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct) অর্থাৎ উপস্থিত সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা সে নিজে দেখেছে, শুনেছে বা উপলব্ধি করেছে।

♦ এছাড়া সাক্ষ্যে উল্লেখিত ঘটনা যদি কারো অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই অভিমত পোষণ করে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; তবে, বিশেষজ্ঞের অভিমত সম্পর্কিত গ্রন্থ (treatise) যদি সাধারণভাবে বাজারে বিক্রয় হয়, সেক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর তা প্রতিষ্ঠিত তা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যেতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হয়ে থাকে, অথবা যদি তার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হয়ে থাকেন, অথবা যদি তাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করতে বিলম্ব ও অযৌক্তিক ব্যয় হয়।

♦ এছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তুর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়, তবে আদালত উপযুক্ত মনে করলে সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।
১১,৩৪৯.
আপিল বিভাগের কোনো আদেশ কার্যকর করার পদ্ধতি কী?
  1. যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালত কার্যকর করবে
  3. আপিল বিভাগে আবেদন করা
  4. হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির  ১০৯ থেকে ১১২ ধারা এবং Order XLV - এ আপিল বিভাগে আপিল-সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
♦৪৫ অর্ডারের ১৫ রুলতে বলা হয়েছে:
♦কোনো ব্যক্তি আপিল বিভাগ প্রদত্ত কোনো আদেশ কার্যকর করতে চাইলে, তাকে 
•লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে।
•আপিলে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের সত্যায়িত নকল আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।
•আবেদন সেই আদালতেই করতে হবে; যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছিল (to the court from which the appeal to Appellate Division was preferred)
অর্থাৎ আবেদন আপিল বিভাগে করবে না ,যে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সে আদালত করবে।
১১,৩৫০.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা কার নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন?
  1. পুলিশ কমিশনারের
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।ঃ
--------------------- 
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 130: Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly:
(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
১১,৩৫১.
যদি চলমান মামলায় নতুন বাদী বা বিবাদীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে তাদের জন্য মামলাটি কবে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণের দিন
  2. পক্ষভুক্ত হওয়ার দিন
  3. মামলার মূল দায়েরের তারিখ
  4. আদালতের রায় ঘোষণার দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২(১) অনুযায়ী: "Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party."
অর্থাৎ, যদি চলমান মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী যুক্ত করা হয়, তাহলে সেই নতুন ব্যক্তির জন্য মামলাটি যেদিন তাকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে, সেই দিন থেকেই মামলা দায়ের হয়েছে বলে ধরা হবে।
- তবে একটি ব্যতিক্রম: ধারা ২২(২) বলছে, যদি কাউকে স্বত্ব হস্তান্তর বা উত্তরাধিকারসূত্রে পক্ষভুক্ত করা হয়, তাহলে তার জন্য মামলার মূল দায়েরের তারিখই প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, যখন একটি চলমান মামলায় নতুন কোনো পক্ষ—বাদী বা বিবাদী—স্থলাভিষিক্ত বা অন্তর্ভুক্ত হয়, তখন সেই নতুন পক্ষের দৃষ্টিকোণ থেকে মামলাটি দায়ের হয়েছে বলে ধরা হবে যেদিন তাকে পক্ষভুক্ত করা হয়েছে, অর্থাৎ: "পক্ষভুক্ত হওয়ার দিন" থেকে মামলার তামাদি গণনা শুরু হবে নতুন পক্ষের জন্য।

উদাহরণ:
ধরুন, মামলাটি মূলত ১ জানুয়ারি ২০২০ সালে দায়ের হয়েছে। কিন্তু ১ জুন ২০২৩-এ মামলায় নতুন একজন বিবাদীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 তখন নতুন বিবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে মামলাটি ১ জুন ২০২৩ থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম (ধারা ২২ অনুসারে):
যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্ব হস্তান্তর বা উত্তরাধিকার সূত্রে কেউ পক্ষভুক্ত হয় (যেমন সম্পত্তি ট্রান্সফার হয়েছে), তখন সেই নতুন ব্যক্তির জন্য মামলাটি মূল দায়েরের তারিখ থেকেই ধরে নেওয়া হবে। কিন্তু এটি সাধারণ পক্ষভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ,  সাধারণ পক্ষভুক্তির ক্ষেত্রে → পক্ষভুক্তির দিন থেকে তামাদি গণনা। স্বত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে → মূল দায়েরের দিন থেকে গণনা।
- সঠিক উত্তর: খ) পক্ষভুক্ত হওয়ার দিন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
১১,৩৫২.
Under Order 39 Rule 4, An injunction order may be discharged, varied, or set aside:
  1. Suo moto by the court without any application
  2. Only during final judgment
  3. Only when both parties consent
  4.  On application by a dissatisfied party
ব্যাখ্যা

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.

আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

১১,৩৫৩.
অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যায়-
  1. যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে
  2. আদালতের ভাষায়
  3. ইংরেজী ভাষায়
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪ (অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে)-

(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজী ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
১১,৩৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, কে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. স্থানীয় প্রশাসন
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, সরকার কর্তৃক প্রণীত কোনো বিধির অধীন, ফৌজদারি আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এটি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যাতে আর্থিক অসুবিধা সাক্ষ্য প্রদানে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালতই ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি আদালত। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১১,৩৫৫.
Good faith within the meaning of the Penal Code means-
  1. An act in fact, done honestly.
  2. An act done under Bonafede belief.
  3. An act done with due care and attention.
  4. An actual belief that the act done is not contrary to law.
ব্যাখ্যা
⇒ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

- দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধি অনুযায়ী "Good faith" বা "সদ্বিচার" বলতে বোঝানো হয় এমন কোনো কাজ যা যথাযথ যত্ন ও মনোযোগের সঙ্গে সম্পাদিত হয়, অর্থাৎ আইন অনুসারে সঠিকভাবে কাজ করা।
সঠিক উত্তর হবে: খ) An act done with due care and attention.

- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
১১,৩৫৬.
'ক' এর ৩ শতক জমি খুলনায় ও ৩ শতক জমি যশোরে অবস্থিত। উক্ত ৬ শতক জমির মালিকানা বিষয়ে 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে যশোরে মোকদ্দমা দায়ের করলে 'খ' উক্ত মোকদ্দমা খুলনায় স্থানান্তর করতে চায়। এক্ষেত্রে 'খ' আবেদন করবে-
  1. যশোর জেলা জজ আদালতে
  2. খুলনার জেলা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ কোন মোকদ্দমা একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য হলে, তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। উক্ত ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) অপর একটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে।

• ধারা ২৩ (কোন আদালতে আবেদন করতে হবে)-
১) যখন এখতিয়ারসম্পন্ন একাধিক আদালত একই আপিল আদালতের অধীন হয়, তখন উক্ত আপিল আদালতে ২২ ধারানুযায়ী আবেদন পেশ করতে হবে।
২) যখন অনুরূপ আদালতসমূহ বিভিন্ন আপিল আদালতের আওতাধীনে হয় তখন হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন পেশ করতে হবে।

Sec.-23: To what Court application lies-
1) Where the several Courts having jurisdiction are subordinate to the same Appellate Court, an application under section 22 shall be made to the Appellate Court.
2) Where such Courts are subordinate to different Appellate Courts the application shall be made to the High Court Division.
১১,৩৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ড আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি কারাগার থেকে ফৌজদারি কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারে-
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. কারা কর্তৃপক্ষ
  4. আদেশদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪১: কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা-
(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
 
(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা

(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
১১,৩৫৮.
________ ১২০ দিনের মধ্যে আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবে।
  1. আরজি দাখিলের
  2. বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের
  3. লিখিত জবাব দাখিলের
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-
- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of law)

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে,তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে,  তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
[After the issues are framed,the Court shall within one hundred and twenty days thereof,fix a date for final hearing of the suit.]
১১,৩৫৯.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কী ধরণের দণ্ড দিতে পারেন?
  1. মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
  2. আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের কারাদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।


(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

১১,৩৬০.
A আদালতকে বিশ্বাস করাতে চায় যে, B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। এক্ষেত্রে প্রমাণের দায়____এর।
  1. A
  2. B
  3. C
  4. রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
♦প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) - দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য থাকেন, তখন বলা হয় যে, বিষয়টি প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর ন্যস্ত। তবে এর ব্যতিক্রম আছে, যেমন- যে বিষয় বিরূদ্ধ পক্ষের ভাল জানা আছে তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই ।
♦সাক্ষ্য আইন, ধারা ১০৩ অনুসারে B চুরির কথা C এর নিকট স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তির বিষয়টি যেহেতু A দাবী করেছে সেহেতু স্বীকারোক্তির বিষয়টি A অবগত। সুতরাং স্বীকারোক্তি প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তাবে।
১১,৩৬১.
ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, জরিমানার পরিমাণ সর্বোচ্চ কত পর্যন্ত হলে আপিল করা যাবে না?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলায় আপিল নয়:
এতে পূর্বে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, যে মামলাগুলিতে একটি দায়রা আদালত শুধুমাত্র এক মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড প্রদান করেন, বা যে মামলাগুলিতে একটি দায়রা আদালত বা [চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট] [বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট] বা প্রথম শ্রেণির অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র [পাঁচ হাজার টাকা] এর বেশি নয় এমন জরিমানা প্রদান করেন, সেই মামলাগুলিতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির কোনো আপিল চলবে না।

ব্যাখ্যা: যখন জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের কোনো মূল সাজা (substantive sentence) দেওয়া হয়নি, তখন ওই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল চলবে না।

১১,৩৬২.
সাক্ষ্য আইনে আদালতকে কোন বিষয়কে 'Shall Presume' করতে বললে, আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:
১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)
২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)
৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন
⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।
⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।
⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।
⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
১১,৩৬৩.
একজন সামরিক সদস্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার আদেশে একটি স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এবং সন্দেহভাজন একজন ব্যক্তিকে গুলি করে, পরে জানা যায় যে ব্যক্তি নিরপরাধ ছিল। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অধীনে সামরিক সদস্য কর্তৃক কাজ অপরাধ গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৭৪
  2. ধারা ৭৬
  3. ধারা ৭৭
  4. ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৬ : আইনত বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তিবিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনবলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারণাবশত, আইনের ভুল ধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার নিমিত্তে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ নয়।

উদাহরণহসমূহ [Illustrations]:
ক) সৈনিক ‘ক’ তার উর্ধ্বতন অফিসারের আদেশ অনুযায়ী আইনের নির্দেশ মোতাবেক কোনো জনতার ওপর গুলি চালায়। ‘ক’ কোনো অপরাধ করে নাই।

খ) বিচারালয়ের কোনো এক কর্মকর্তা ‘ক’ উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ‘ম’ কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয় এবং যথাযথ তদন্তের পর ‘খ’ কে ‘ম’ মনে করে ‘খ’ কে গ্রেফতার করেন। ‘ক’ কোনো অপরাধ সংঘটিত করেনি।
১১,৩৬৪.
১) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কতজন সদস্য নির্বাচিত হয়-
  1. ১৪ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন
ব্যাখ্যা
♦ ১৫ জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল গঠিত হবে যাদের মধ্যে পদাধীকার বলে এটর্নি জেনারেল সদস্য হবেন। বাকি ১৪ জন হবেন সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবিদের মাধ্যমে নির্বাচিত। এদের মধ্যে ৭ জন নির্বাচিত হবেন সাধারণ আইনজীবিদের মাধ্যমে এবং ৭ জন নির্বাচিত হবেন অঞ্চলভিত্তিক আইনজীবি সমিতির আইনজীবিগণের মাধ্যমে ।
১১,৩৬৫.
যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধনীতে, দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩ এর বিধান অনুযায়ী কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. আপিলকারী
  2. আপিলকারীর উকিল
  3. আপিলের উভয়পক্ষ
  4. বিচারক বা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।

Order 41 Rule-3: Rejection or amendment of memorandum:
1) Where the memorandum of appeal is not drawn up in the manner hereinbefore prescribed, it may be rejected, or be returned to the appellant for the purpose of being amended within a time to be fixed by the Court or to be amended then and there.
2) Where the Court rejects any memorandum, it shall record the reasons for such rejection.
3) Where a memorandum of appeal is amended, the Judge or such officer as he appoints in this behalf, shall sign or initial the amendment.
১১,৩৬৬.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত তামাদির বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১৪৫
  2. ১৫০
  3. ১৫৫
  4. ১৭৫
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ১৫০ এর বিধান-দায়রা আদালত কর্তৃক অথবা মূল ফৌজদারি এখতিয়ার প্রয়োগকালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে আপিল দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৭ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদে দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত তামাদির বিধান বর্ণিত আছে।
১১,৩৬৭.
নিঃস্ব হিসেবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য আবেদনকারীর সম্পত্তির পরিমাণ কত টাকার বেশি হলে তাকে নিঃস্ব হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩৩ বিধি-১ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হন অথবা তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ও মামলার বিষয়বস্তু ব্যতীত অন্য কোনো সম্পত্তি ৫,০০০ টাকার বেশি না থাকে, তাহলেই তাকে "নিঃস্ব (pauper)" হিসেবে গণ্য করা হয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৩৩ বিধি-১ বিধান মতেঃ নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে (Suits may be instituted in forma pauperis): আদালত কর্তৃক নিঃস্ব ঘোষিত হলে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মোকদ্দমা করা যায়।
- কোনো ব্যক্তি নিঃস্ব (Pauper) বলে গণ্য হবে যদি- মোকদ্দমা দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম হয় বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারিত নয় এবং সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু ও তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-33 Rule-1. Suits may be instituted in forma pauperis: Subject to the following provisions, any suit may be instituted by a pauper.
Explanation−A person is a "pauper" when he is not possessed of sufficient means to enable him to pay the fee prescribed by law for the plaint in such suit, or, where no such fee is prescribed, when he is not entitled to property worth five thousand Taka other than his necessary wearing-apparel and the subject-matter of the suit.
১১,৩৬৮.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী Hindus parties-এর ক্ষেত্রে religious usage বিষয়ে decision কীভাবে হবে?
  1. Common law অনুযায়ী
  2. Muslim law অনুযায়ী
  3. Hindu law অনুযায়ী
  4. International law অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।
এই ক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লিখিত হিন্দু পক্ষগুলোর (Hindu parties) ধর্মীয় প্রথা (Religious Usage) সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য হিন্দু আইন প্রযোজ্য হবে, যদি না সেই আইন কোনো আইনসভার দ্বারা পরিবর্তিত বা বাতিল করা হয়।

- ধারা ৩৭(২) অনুসারে, যদি ধারা ৩৭(১) বা অন্য কোনো প্রচলিত আইন প্রযোজ্য না হয়, তবে আদালত ন্যায়, ইক্যুইটি এবং সৎ বিবেক (Justice, Equity, and Good Conscience) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে হিন্দু আইনই প্রাথমিকভাবে প্রযোজ্য।

⇒ The Civil Courts Act,1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hindu law অনুযায়ী।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

১১,৩৬৯.
নিম্নের কোনটি বলপ্রয়োগের উপায় হিসাবে দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় উল্লিখিত নেই?
  1. নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করা।
  2. বস্তু ব্যবহার করে গতি সৃষ্টি করা।
  3. শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো।
  4. পশুকে চালিত করা বা গতি নিয়ন্ত্রণ করা।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা বলপ্রয়োগ (Force) সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ তখনই বলা হবে যখন কারও গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করার মাধ্যমে তার শরীরের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংযোগ স্থাপন করা হয়।
- ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের তিনটি উপায় উল্লেখ আছে:
১) নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করা → যদি কেউ নিজের হাত, পা বা শরীরের অন্য কোনো অংশ ব্যবহার করে কাউকে ধাক্কা দেয়, টেনে নিয়ে যায় বা বাধা দেয়, তাহলে এটি বলপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে।
২) কোনো বস্তু ব্যবহার করে গতি সৃষ্টি করা বা গতি স্তব্ধ করা → যদি কেউ একটি পাথর নিক্ষেপ করে বা ধাক্কা দিয়ে কাউকে আঘাত করে, তাহলে এটি বলপ্রয়োগ হবে।
৩) পশুকে চালিত করা বা গতি নিয়ন্ত্রণ করা → যদি কেউ একটি পশুকে উত্তেজিত করে বা চালিত করে, যাতে সে গিয়ে অন্য কাউকে আঘাত করে, তাহলে সেটিও বলপ্রয়োগ হিসেবে ধরা হবে।

অর্থাৎ অপশন (গ) শব্দ ব্যবহার করে ভয় দেখানো দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারায় বলপ্রয়োগের উপায় হিসাবে উল্লিখিত নেই।
কারণ, শব্দ বা মৌখিক ভয় প্রদর্শন করলে কোনো গতি সঞ্চার বা পরিবর্তন ঘটে না।
এটি যদি শারীরিক ক্ষতি বা আঘাতের উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে এটি ‘আতঙ্ক সৃষ্টির হুমকি’ (Criminal Intimidation) হিসেবে দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার অধীন বিচার্য হতে পারে, তবে বলপ্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.
১১,৩৭০.
'প্লিডিংস সংশোধন' সংক্রান্ত বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. আদেশ ৬ বিধি ১৫
  2. আদেশ ৬ বিধি ১৬
  3. আদেশ ৬ বিধি ১৭
  4. আদেশ ৬ বিধি ১৪
ব্যাখ্যা
আদেশ ৬ বিধি ১৭: প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of Pleadings)-
⇒ মামলার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে আরজি বা জবাবের ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন।
⇒ বাদী বা বিবাদী উভয় পক্ষের বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর আরজি জবাব সংশোধনের আদেশ নির্ভর করে।
⇒ প্লিডিংস সংশোধনের দরখাস্ত দাখিল করতে হয় বিচারিক আদালতে।
⇒ প্লিডিংস মামলার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিল আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়।
১১,৩৭১.
অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধীকে আশ্রয়দানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান- অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

১১,৩৭২.
দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা কোন ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  4. অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারা সম্পর্কিত সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০৪ক বিশেষভাবে অবহেলা বা বেপরোয়াভাবে কার্য করার ফলে মৃত্যু ঘটানোকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। অপরাধটি অইচ্ছাকৃত কিন্তু অবহেলাজনক বা বেপরোয়া কাজের ফলে সংঘটিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable Homicide)-এর আওতায় পড়ে না।

অর্থাৎ ধারা ৩০৪ক সেইসব পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য, যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃত নয়, বরং বেপরোয়া বা অবহেলাজনক কার্যকলাপের মাধ্যমে অন্যের মৃত্যু ঘটায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৪ক ধারার বিধান অবহেলার ফলে মৃত্যু সংঘটন:- কোন ব্যক্তি যদি বেপরোয়াভাবে বা অবহেলাজনকভাবে কার্য করে কারো মৃত্যু ঘটায় এবং তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা না হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 304A. Causing death by negligence:
Whoever causes the death of any person by doing any rash or negligent act not amounting to culpable homicide shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
১১,৩৭৩.
বার কাউন্সিলের নিরীক্ষা হিসাব কোথায় দাখিল করতে হয়?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট
  2. আপীল বিভাগে
  3. অর্থ মন্ত্রনালয়ে 
  4. পার্লামেন্টের সরকারী হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির নিকট
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ১৬:
(১) বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে হিসাব বহি ও অন্যান্য বহি সংরক্ষণ করিবে।
(২) বার কাউন্সিলের হিসাব একজন নিরীক্ষক কর্তৃক, নির্ধারিত সময় এবং পদ্ধতিতে, নিরীক্ষিত হইতে হইবে, যিনি 'কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)] এর অধীন কোম্পানির নিরীক্ষা করিবার যথাযথ যোগ্য নিরীক্ষকগণের মধ্য হইতে বার কাউন্সিল কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।
(৩) দফা (২) এর অধীন নিরীক্ষিত হিসাব সংসদ সচিবালয়ের মাধ্যমে সংসদের পাবলিক একাউন্টন্স কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে।
-----------------------
Section 16: (1) The Bar Council shall cause to be maintained such books of accounts and other books in such form and in such manner as may be prescribed.
(2) The accounts of the Bar Council shall be audited by an auditor, who shall be appointed by the Bar Council from amongst auditors duly qualified to act as auditors of companies under the 16[Companies Act, 1994 (Act 18 of 1994)], at such time and in such manner as may be prescribed.
(3) The audited accounts of the Bar Council under clause (2) shall be submitted to the Public Accounts Committee of the Parliament through the Parliament Secretariat.

১১,৩৭৪.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী কোনটি বার কাউন্সিলের একটি স্থায়ী কমিটি নয়?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

Article-11(1): The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

১১,৩৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৬-এর মূল বিষয় কী?
  1. আদালতের স্থানীয় এখতিয়ার
  2. দেওয়ানি মামলার ফি নির্ধারণ
  3. দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার
  4. আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৬ মূলত আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) নিয়ে আলোচনা করে।
- এই ধারার ভাষ্য অনুযায়ী, যদি অন্য কোনো আইন বা বিধানে স্পষ্টভাবে কিছু না বলা থাকে, তাহলে কোন আদালত এমন কোন মামলার বিচার করতে পারবে না যার বিষয়বস্তুর মূল্য (amount or value of subject-matter) তার সাধারণ আর্থিক সীমার (ordinary pecuniary jurisdiction) চেয়ে বেশি।
→ অর্থাৎ, প্রতিটি দেওয়ানি আদালতের একটি নির্দিষ্ট আর্থিক সীমা থাকে এবং সেই সীমার বাইরে মামলার বিচার করার এখতিয়ার সেই আদালতের নেই — যদি না অন্য কোনো আইন তাকে সে ক্ষমতা দেয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় আর্থিক এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে:
অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Section- 6: Pecuniary Jurisdiction:-
Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.

১১,৩৭৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা (Mediation) প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

মধ্যস্থতার শুরু: লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত মামলার বিরোধ নিজেই মধ্যস্থতা করতে পারে বা মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ:

- আদালতের আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে।
- যদি না পারেন, পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে আদালত নিয়োগ দিবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ নিশ্চিত হবে।

মীমাংসার সময়সীমা:

- নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করতে হবে।
- প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন বাড়ানো যেতে পারে।
- সর্বাধিক সময়: ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।

পরবর্তী প্রক্রিয়া:

- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবে।
সুতরাং, পুরো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বাধিক ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

- সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন। 

১১,৩৭৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 200(aa) ধারা মতে নালিশকারীকে শপথপূর্বক পরীক্ষা করা _______।
  1. নালিশকারীর ইচ্ছাধীন
  2. আবশ্যক নয়
  3. আবশ্যক
  4. আদালতের স্বেচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা।

- ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে, নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

- যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-
ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]
খ. যেকোনো মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা
গ. সরকারি কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
১১,৩৭৮.
বকেয়া সরকারী রাজস্ব আদায়ের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইজারা বা হস্তান্তর রদ করার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫ অনুযায়ী, বকেয়া সরকারী রাজস্ব আদায়ের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইজারা বা হস্তান্তর রদ করার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ ক্রোক, ইজারা বা হস্তান্তর করার তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
১১,৩৭৯.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা অনুসারে, নিচের কোন মোকদ্দমা এই ধারার আওতায় পড়ে না?
  1. অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা
  2. স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা
  3. বংশগত পদের মোকদ্দমা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।
⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারা অনুসারে, সাধারণত যদি কোনো ব্যক্তি মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকার সৃষ্টির আগেই মারা যায়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে। একইভাবে, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা করা হবে মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে।
তবে এই ধারার কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। নিম্নলিখিত মোকদ্দমাগুলো এই ধারার আওতায় পড়ে না:
ক) অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা
খ) স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা
গ) বংশগত পদের মোকদ্দমা
এই মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনার জন্য ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে না।

→ ১৭ ধারা সাধারণ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
এই ব্যতিক্রমগুলো তামাদি আইনের ১৭ ধারার উপধারা (৩) এ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরের সবকটি।
১১,৩৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ এবং কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে;
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে;
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে;
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-
- দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১১,৩৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুসারে মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত কখন রায় ঘোষণা করবে?
  1. শুনানির পরপরই বা ৭ দিনের মধ্যে
  2. শুনানির পরপরই বা ১৪ দিনের মধ্যে
  3. শুনানির পরপরই বা ২১ দিনের মধ্যে
  4. শুনানির পরপরই বা ৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER-20, Rule-1 অনুযায়ী, আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা ৭ দিনের মধ্যে পক্ষ অথবা তাদের উকিলদের যথাযথ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১- মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 Order-20 Rule-1: Judgment when pronounced-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, [not beyond seven days,] of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.
১১,৩৮২.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর কোন ধারায় “গোপনে অবৈধ অবরোধ”-এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪৩
  2. ধারা ৩৪৫
  3. ধারা ৩৪৬
  4. ধারা ৩৪৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৪৬-এ "গোপনে অবৈধ অবরোধ" (Wrongful Confinement in Secret)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য কাউকে এমনভাবে আটকে রাখে যাতে বন্দী ব্যক্তির সম্পর্কিত কোনো ব্যক্তি বা কোনো সরকারি কর্মচারী এটি জানতে না পারে বা বন্দী ব্যক্তির অবস্থান খুঁজে না পায়, তবে তা এই ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৬ ধারার বিধান- গোপনে অবৈধ অবরোধ:
- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারী কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারী কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 346. Wrongful confinement in secret:
-Whoever wrongfully confines any person in such manner as to indicate an intention that the confinement of such person may not be known to any person interested in the person so confined, or to any public servant, or that the place of such confinement may not be known to or discovered by any such person or public servant as hereinbefore mentioned, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any other punishment to which he may be liable for such wrongful confinement.

১১,৩৮৩.
ইচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া বা এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে দুই চোখের দৃষ্টি নষ্টসহ এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখ, মাথায় গুরুতর জখম করার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছরের কারাদণ্ড
  4. সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারার বিধান: ইচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া বা এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে দুই চোখের দৃষ্টি নষ্টসহ এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখ, মাথায় গুরুতর জখম করার শাস্তি (voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc)- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডএবং অর্থদণ্ড।

⇒ ইচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া বা এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে দুই চোখের দৃষ্টি নষ্টসহ এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখ, মাথায় গুরুতর জখম করার সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ পূর্বে চক্ষু উপড়ে ফেলা দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার অধীন গুরুতর আঘাত বলে গণ্য হতো। কিন্তু ১৯৮৪ সালে পৃথকভাবে ৩২৬-ক ধারায় চক্ষু উৎপাটন কিংবা এসিড দ্বারা চক্ষুসহ মুখমন্ডল বিকৃত করা কিংবা স্থায়ীভাবে অন্ধকরণের জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন বা তৎসহ জরিমানার শাস্তি আরোপ করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া বা এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে দুই চোখের দৃষ্টি নষ্টসহ এসিড জাতীয় পদার্থ দিয়ে মুখ, মাথায় গুরুতর জখম করার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অন্যদিকে সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

⇒ ৩২৬ এবং ৩২৬ক ধারার মধ্যে পার্থক্য- দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারার বিষয়বস্তু হলো মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা গুরুতর জখম যার সাজা যাবজ্জীবন পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে, দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারার বিষয়বস্তু হলো দাহ্য পদার্থ দিয়ে মুখমন্ডল ও চোখের চিরস্থায়ী ক্ষতি সাধন যার সাজা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারার বিধান: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:- যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-

(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা

(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
-------------
Section 326A. Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:- Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-

(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or

(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.
১১,৩৮৪.
প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof) সম্পর্কিত বিধান সাক্ষ্য আইনের নিম্নের কত ধারা থেকে কত ধারা পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত?
  1. ধারা ৯০ থেকে ১০০
  2. ধারা ৭৫ থেকে ৯০
  3. ধারা ১০১ থেকে ১১৪
  4. ধারা ১১৫ থেকে ১২৫
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা থেকে ১১৪ ধারা পর্যন্ত প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব (Burden of proof)-
দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রেই প্রমাণের দায়ভার বা প্রমাণের দায়িত্ব শব্দদ্বয় বিশেষ তাৎপর্য এবং পক্ষগণের আইনগত অধিকার বহন করে। সাধারণ অর্থে প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো প্রমাণ দাখিলের দায় বা দায়িত্ব। প্রমাণের দায়ভার অর্থ হলো মোকদ্দমার কোনো পক্ষ কর্তৃক আদালতের বিচার্য বিষয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বা তথ্যাবলি প্রমাণ করার দায়িত্ব। সুতরাং, প্রমাণের দায়ভার (Burden of proof) কথাটির অর্থ হল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলীর অস্তিত্ব সাক্ষ্যের দ্বারা আদালতের সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রমাণ করে মামলাকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব।
১১,৩৮৫.
একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী একজন-
  1. সরকারী কর্মকর্তা
  2. প্রাপ্ত বয়স্ক
  3. সাক্ষীসহ উপস্থিত 
  4. নারী হলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধা ।

• ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে নালিশকারীকে বা উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন। নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০(ক)]

খ. যেকোন মামলায় যেক্ষেত্রে আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে [ধারা ২২০ (কক)] বা

গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই [ধারা ২০০ (কক)]।
১১,৩৮৬.
According to Section 2(2) of The Code of Civil Procedure, 1908, which of the following is not included in the definition of “decree”?
  1. Rejection of a plaint
  2. Any order of dismissal for default
  3. Determination of question under section 144
  4. Both 'A' & 'B'
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি" এর সংজ্ঞাটি স্পষ্টভাবে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত এবং বাদ দিয়েছে।
- এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে বলে গণ্য করা হয়:
ক) আরজি বাতিল (Rejection of a plaint)
গ) ধারা ১৪৪-এর অধীন কোনো প্রশ্নের নির্ধারণ (Determination of question under section 144)
- এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের কোনো আদেশ (any order of dismissal for default) এটি সরাসরি অপশন খ এর সাথে মিলে যায়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-  আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

⇒ তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না:
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

১১,৩৮৭.
‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া কত টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মোকদ্দমা  দায়ের করতে প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি দিতে অক্ষম বা যে ক্ষেত্রে কোন কোর্ট ফি নির্ধারন থাকে না সেক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয়বস্তু ছাড়া ৫০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে উক্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ নিঃস্ব ব্যক্তি হিসেবে মামলা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।
⇒ তবে আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে যদি আবেদনের ২ মাস পূর্বে প্রতারনামূলক সম্পত্তি হস্তান্তর করে।

অর্থাৎ ‘A’ এর নিকট প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র এবং মামলার বিষয় বস্তু ছাড়া ৫,০০০ টাকার বেশি সম্পত্তি না থাকলে, ‘A’ কে নিঃস্ব ব্যক্তি বলে গণ্য করা হবে।
১১,৩৮৮.
দায়রা আদালত কখন অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে?
  1. অভিযোগ গঠনের পূর্বে
  2. প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়
  4. অভিযোগ গঠনকালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-

যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগিকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়

[At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.]
১১,৩৮৯.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে তার শাস্তি হবে?
  1. ৩৬
  2. ৪১
  3. ৪০
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল অর্ডারের অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে তার শাস্তির বিধান বলা আছে।
- এই ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ছয় মাস।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.
১১,৩৯০.
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী অস্বীকার করবে-
  1. সাধারণভাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে
  3. চাতুরীপূর্ণভাবে
  4. যেকোনো এক ভাবে
ব্যাখ্যা
আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে।

• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-
ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেওয়া হবে।

[Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.]
১১,৩৯১.
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার অধীনে কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. একাধিকবার ভোট প্রদান করা
  2. মৃত ব্যক্তির নামে ভোট প্রদান করা
  3. অন্য ব্যক্তির হয়ে ভোট দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ (Section 171D) ধারার অধীনে নিম্নলিখিত কাজগুলো নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দান হিসেবে অপরাধ গণ্য হবে—
- একাধিকবার ভোট প্রদান করা (একই নির্বাচনে একাধিকবার নিজের নামে ভোট চাওয়া)
- মৃত ব্যক্তির নামে ভোট প্রদান করা
- অন্য ব্যক্তির হয়ে ভোট দেওয়া (জীবিত বা মৃত অন্য কারও নামে ভোট চাওয়া বা দেওয়া)
অতএব, সবগুলোই অপরাধের অন্তর্ভুক্ত, তাই "ঘ) উপরের সবগুলো" সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার বিধান নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860-  Section 171D. Personation at elections:-Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.
১১,৩৯২.
কোন আইনজীবী বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকবেন না একাধারে-
  1. ২ বারের বেশি
  2. ৩ বারের বেশি
  3. ৪ বারের বেশি
  4. ১ বারের বেশি
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৫ক(১) অনুসারে কোনো এডভোকেট একাধারে দুইবারের অধিক বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকিতে পারিবেন না।
(২) এই অনুচ্ছেদ কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে কোনো এডভোকেট বার কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে একাধারে দুইবার নির্বাচিত হইলে তিনি পরবর্তী মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না।
---------------
5A. (1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.
(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.

১১,৩৯৩.
তামাদি আইনের ১৪ ধারা প্রযোজ্য হয়-
  1. মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  3. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৪ ধারার বিধান: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে’ 
১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
১১,৩৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুসারে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে জব্দকৃত জিনিসপত্রের তালিকা প্রস্তুতের সময় কতজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. একজন
  2. কমপক্ষে দুইজন
  3. কমপক্ষে তিনজন
  4. সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫১ এর শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হলে, অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন।
- এখানে "a witness" (একজন সাক্ষী) বলা হয়েছে, "witnesses" (একাধিক সাক্ষী) নয়।
সুতরাং, তালিকা প্রস্তুত করার সময় মাত্র একজন সাক্ষীর উপস্থিতি আবশ্যক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১ - "গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের তল্লাশি" (Search of arrested persons): যখনই কোনো ব্যক্তিকে একজন পুলিশ অফিসার এমন কোনো ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করেন যেখানে জামিনের বিধান আছে কিন্তু গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে পারেন না, এবং যখনই কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হয়, বা কোনো বেসরকারি ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তার করা হয়, এবং আইনত জামিনে মুক্ত হতে পারেন না, অথবা জামিন দিতে অক্ষম হন, তখন গ্রেপ্তারকারী অফিসার অথবা, যখন গ্রেপ্তার কোনো বেসরকারি ব্যক্তি দ্বারা করা হয়, তখন যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ওই ব্যক্তিকে তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছে পাওয়া প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত জিনিসপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারেন ; এবং
যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো জিনিস জব্দ করা হয়, সেখানে অফিসার একজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং সম্ভব হলে তার স্বাক্ষর গ্রহণ করবেন, এবং এর একটি অনুলিপি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 51. Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail, the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him ; and
where any article is seized from the arrested person, the officer shall prepare a list in the presence of a witness and obtain his signature, if practicable, and shall serve a copy thereof to the arrested person or to any person nominated by him.

১১,৩৯৫.
নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে তামাদি আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
’ডিক্রি জারির জন্য কোন সম্পত্তি বিক্রয়’ অর্থাৎ নিলাম বিক্রয় রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা হলে, মামলা যতদিন চলবে সেই সময় নিলাম গ্রহীতার বা যিনি নিলাম কিনেছেন তার উক্ত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মামলা করার প্রয়োজন হলে নিলাম রদ করার মামলায় যে সময় ব্যয় হয়েছে, তা তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
-----------------------------
⇒ Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending:
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
১১,৩৯৬.
আদেশ ২১ বিধি ৭৪(২) অনুসারে, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলাম কখন স্থগিত করা যায়?
  1. যদি নিলামের সময় পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়
  2. যদি আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে নির্দেশ দেন
  3. যদি নিলামে অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত না থাকেন
  4. যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক স্থগিতের আবেদন করেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) অনুযায়ী, কৃষিজাত দ্রব্যের নিলামে যদি ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত না হয় এবং মালিক বা তার প্রতিনিধি নিলাম স্থগিত করার আবেদন করেন, তবে আদালত নিলাম স্থগিত করে পরবর্তী নির্ধারিত দিনে পুনরায় নিলাম পরিচালনা করবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ-২১, বিধি-৭৪(২) এ বলা হয়েছে: 
(২) যখন ফসল বিক্রয়ের জন্য তোলা হবে, তখন−
(ক) যদি বিক্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি মনে করেন যে ন্যায্য মূল্য প্রস্তাবিত হয়নি, এবং
(খ) মালিক বা তার প্রতিনিধির অনুরোধে বিক্রয় পরবর্তী দিন বা বাজারের দিনে স্থগিত করার আবেদন করা হয়,
তাহলে বিক্রয় স্থগিত থাকবে এবং পরবর্তী নির্ধারিত দিনে যে মূল্যই হোক, তা অনুসারে বিক্রয় সম্পন্ন হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-21,Rule-74 (2) Where, on the produce being put up for sale,−
(a) a fair price, in the estimation of the person holding the sale, is not offered for it, and
(b) the owner of the produce or a person authorized to act in his behalf applies to have the sale postponed till the next day or, if a market is held at the place of sale, the next market-day,
the sale shall be postponed accordingly and shall be then completed, whatever price may be offered for the produce.
১১,৩৯৭.
'গ' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। আদালত উক্ত মামলা-
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অভিযোগে আমলে নিতে পারবে
  2. সরকারের অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে
  3. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।

Section 196: Prosecution for offences against the State-
No Court shall take cognizance of any offence punishable under Chapter VI or IXA of the Penal Code (except section 127), or punishable under section 108A, or section 153A, or section 294A, or section 295A or section 505 of the same Code, unless upon complaint made by order of, or under authority from, the Government, or some officer empowered in this behalf by the Government.
১১,৩৯৮.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক বাদী/ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
  1. আদেশ ২১ বিধি ৯৪
  2. আদেশ ২১ বিধি ৯৮
  3. আদেশ ২১ বিধি ৯১
  4. আদেশ ২১ বিধি ৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
 
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
১১,৩৯৯.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুসারে, কোন ধরনের তথ্য প্রমাণ করার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. আইনগত প্রমাণ
  2. দলিলের স্বাক্ষর
  3. দলিলের বিষয়বস্তু
  4. সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া সব ধরনের তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে। অর্থাৎ, মৌখিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে এমন তথ্য যা দলিলের মধ্যে না থাকে, তবে দলিলের বিষয়বস্তু (যেমন: লেখা, স্বাক্ষর, অথবা অন্যান্য ধরণের তথ্য) প্রমাণের জন্য দলিলই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, মৌখিক সাক্ষ্য নয়।
তাহলে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে।
→ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া সকল সত্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা:
কোনো দলিলের বিষয়বস্তু বাদে সকল সত্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 59. Proof of facts by oral evidence: 
 All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
১১,৪০০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় ডিক্রি হস্তান্তরের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪৮ ধারা
  2. ৪৯ ধারা
  3. ৫০ ধারা
  4. ৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, ডিক্রি হস্তান্তর (Transfer of Decree) সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ধারার মূল বক্তব্য হলো—
যদি কোনো ডিক্রি হস্তান্তর করা হয়, তাহলে নতুন ডিক্রি-ধারী সেই ডিক্রিটি সেইসব শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে গ্রহণ করবে, যেসব শর্ত বিচার-দেনাদার (Judgment Debtor) মূল ডিক্রি-ধারীর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করতে পারত।
অর্থাৎ, নতুন ডিক্রি-ধারী (Transferee) কোনো নতুন সুবিধা দাবি করতে পারবে না এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি-ধারীর শর্তেই ডিক্রি কার্যকর করতে পারবে।

⇒ অর্থাৎ ডিক্রি হস্তান্তরের (Transfer of Decree) সুনির্দিষ্ট বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
------
→ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-49. Transferee: 
 Every transferee of a decree shall hold the same subject to the equities (if any) which the judgment-debtor might have enforced against the original decree-holder.