বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন১২,৬০৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস - এর Common আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ১১৩ / ১২৬ · ১১,২০১১১,৩০০ / ১২,৬০৫

১১,২০১.
যদি অপরাধীর উদ্দেশ্য থাকে ‘ক’ ব্যক্তিকে হত্যা করা কিন্তু ভুলবশত ‘খ’ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তবে দণ্ডবিধির কোন ধারায় এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০ 
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০৪ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১-এর শিরোনামই হল "যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন"। এই ধারাটি বিশেষভাবে "স্থানান্তরিত দূষিত অভিপ্রায়" (Doctrine of Transferred Malice) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি 'ক' কে হত্যার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান নিয়ে কোনো কাজ করে, কিন্তু সেই কাজের ফলে ভুলবশত 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তখন অপরাধটি ধারা ৩০১-এর অধীনে গণ্য হবে। এই ক্ষেত্রে অপরাধী 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' এর মৃত্যু ঘটাত। অর্থাৎ, শাস্তির মাত্রা অপরাধীর মূল উদ্দেশ্য (যে ব্যক্তিকে হত্যা করতে চেয়েছিল) অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, যে ব্যক্তির প্রকৃত মৃত্যু হয়েছে তার পরিচয় অনুযায়ী নয়।
- অর্থাৎ ধারা ৩০১ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি যার মৃত্যু ঘটাতে সে ইচ্ছুক ছিল, তার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কারো মৃত্যু ঘটে, তবে তার অপরাধও যেমন হত যদি সে উদ্দেশ্যপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে হত্যা করত, ঠিক সেই রকম শাস্তিযোগ্য হবে।
অর্থাৎ, ভুলবশত বা অন্য কারো মৃত্যু ঘটলেও অপরাধের ধরন অপরিবর্তিত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

১১,২০২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০ অনুযায়ী, যদি নিলাম বিক্রয় রদের আবেদনকারী প্রমাণ করতে না পারে যে তার স্বার্থ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাহলে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. নিলাম বিক্রয় স্থগিত রাখবে।
  2. আবেদনটি খারিজ করবে।
  3. আবেদনকারীকে জরিমানা করবেন
  4. নিলাম বিক্রয় রদ করে দেবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০ অনুযায়ী, নিলাম বিক্রয়ের রদে আবেদন করতে হলে আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, নিলাম বিক্রয়ের ফলে তার স্বার্থ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি আবেদনকারী তার ক্ষতির প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত আবেদনটি খারিজ করে দিবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৯০- অনিয়মতা কিংবা প্রতারণার কারণে নিলাম বিক্রয় রদের আবেদন:
যেক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি ডিক্রি জারিতে নিলাম বিক্রয় হয়েছে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিদার কিংবা সম্পত্তির বণ্টনে আনুপাতিক অংশের অধিকারী কোন ব্যক্তি অথবা উক্ত নিলাম বিক্রয়ের ফলে যার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় ঐ ব্যক্তি নিলাম বিক্রয় রদের জন্য সেটা প্রচার বা পরিচালনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অনিয়ম বা প্রতারণার অজুহাতে আদালতে আবেদন করতে পারে-
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ অনিয়ম বা তঞ্চকতার কারণে কোন নিলাম বিক্রয় রদ হবে না, যদি না প্রমাণিত তথ্যসমূহের উপর আদালত এ মর্মে পরিতুষ্ট হয় যে, আবেদনকারী উক্ত অনিয়মতা বা তঞ্চকতার অজুহাতে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

⇒ আইনগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, নিলাম বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা রকম অনিয়ম বা প্রতারণা হতে পারে। এসব অনিয়ম বা প্রতারণার ফলে যাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তারা নিলাম বিক্রয় রদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মূল শর্ত হল - আবেদনকারীর স্বার্থ প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তা পরিষ্কার প্রমাণ দিয়ে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

অর্থাৎ, আদালত শুধু দাবি শোনা নিয়ে নিলাম বিক্রয় রদ করবে না। নিলাম বিক্রয়ে প্রকৃত অনিয়ম বা প্রতারণার কারণে যে আবেদনকারীর যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে, সেটা প্রমাণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন পড়বে নথিপত্র, প্রমাণাদি ইত্যাদি। শুধু দাবি করলেই চলবে না। আদালতকে প্রমাণে সন্তুষ্ট করাটাই প্রাথমিক শর্ত হবে।
১১,২০৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ভুল বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
  1. পারস্পরিক ভুল
  2. দলিল প্রস্তুত করতে ভুল
  3. দ্বিপক্ষীয় ভুল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ৩টি কারনে দলিল সংশোধন করা যায়।
যথা-
- পারস্পরিক ভুল,
- দলিল প্রস্তুত করতে ভুল,
- দ্বিপক্ষীয় ভুল।

• দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি বিষয় ভুল থাকতে হবে।
১১,২০৪.
রিভিউর (Review) ক্ষমতা কোন আদালতের?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের,
  2. অধস্তন আদালতের,
  3. উচ্চ আদালতের,
  4. ডিক্রি দানকারী আদালতের,
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিউ (Review)- আদালত কর্তৃক কিছু নির্দিষ্ট এবং নির্দেশিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার পুনঃনিরীক্ষণকে রিভিউ বলে। বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক অঙ্গে রিভিউ সম্ভব। আবেদনকৃত রিভিউ সেই আদালত পর্যালোচনা করবে যে আদালত উক্ত মামলার রায় বা ডিক্রি প্রদান করেছে।
অর্থাৎ যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছে, সেই আদালত কর্তৃক উক্ত ডিক্রি পুনরায় দেখা বা বিচারিক পর্যালোচনাকে রিভিউ বলে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ নং আদেশে রিভিউ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ আদালতের ডিক্রি বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে রিভিউ আবেদন করতে পারে। কখন রিভিউ আবেদন করা যায়: দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে রিভিউ আবেদন করা যায়-

i) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা চলে কিন্তু আপিল করা হয় নাই;
ii) যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলেনা; এবং
iii) ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে রেফারেন্স প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে রিভিউ আবেদন করা যায়।

⇒ রিভিউ আবেদনের শর্তসমূহ: দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৭ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৩টি Ground-এ রিভিউ আবেদন করা যায়-
ⅰ) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় আবিষ্কার হলে;
ii) মামলার নথিতে ভুল বা স্পষ্টত কোন ভ্রান্তি থাকলে; 
iii) অন্য কোন পর্যাপ্ত কারণে রিভিউ আবেদন করা যায়।
১১,২০৫.
'Solatium' অর্থ কী?
  1. অর্থদণ্ড
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. জরিমানা
  4. কোর্ট ফি
ব্যাখ্যা
Solatium শব্দটির অর্থ হল ক্ষতিপূরণ বা প্রতিকারস্বরূপ প্রদত্ত অর্থ। আইনগত অর্থে, solatium হল একটি অর্থপ্রদান যা আদালত কোনো অপরাধ বা দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে মানসিক যন্ত্রণা, দুঃখ-কষ্ট বা অসুবিধার জন্য প্রতিকারস্বরূপ মঞ্জুর করে থাকে। এটি শারীরিক ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের পরিপূরক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সুতরাং, solatium হল বিচারিক ক্ষমতার আওতায় প্রদত্ত এক ধরণের আর্থিক প্রতিকার যা অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত হিসাবে মানসিক যন্ত্রণা ও দুঃখ-কষ্টের প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২২ ধারায় আদালত তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) প্রদান করতে পারবে।
১১,২০৬.
কোন আদালত স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষণের অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬১- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট -

(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।

Section 561: Special provisions with respect to offence of rape by a husband

(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.

(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
১১,২০৭.
দেওয়ানি আদালত কয়টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১১,২০৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৫১ ধারা আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-
  1. আপিল ক্ষমতা
  2. সাধারণ ক্ষমতা
  3. বিশেষ ক্ষমতা
  4. সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা রক্ষণের বিধান রয়েছে। ১৫১ ধারামতে দেওয়ানী আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।

- ন্যায়বিচারের জন্য অথবা আদালতের পরোয়ানার অবমাননা প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দানের ব্যাপারে আদালতের যে অনন্তর্নিহিত ক্ষমতা রয়েছে, এই বিধির কোন বিধান দ্বারা তা সীমাবদ্ধ বা কোনভাবে প্রভাবিত হবে না।

- ১৫১ ধারার ক্ষমতা বলে দেওয়ানী আদালত অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা inherent power প্রয়োগ করতে পারেন।

- এই ধারা আদালতকে একটি বিপুল ক্ষমতা দিয়েছে। ন্যায়বিচার করার জন্য বা আদালতের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্য আদালত তার সহজাত ক্ষমতাবলে যেকোন আদেশ দেওয়ার অধিকার রাখেন। আইন সমস্ত পরিস্থিতির মোকবেলা করার পূর্ণ বিধান দিতে পারে না। আইন যে সময় প্রণীত হয় সেই সময়ের পরিস্থিতি আইন প্রয়োগ হওয়ার সময় বদলে যেতে পারে; আইন প্রয়োগ হওয়ার পরে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, যা আইনপ্রণেতাগণ আইন প্রণয়নের সময় ভাবতেও পারেন নাই; এই সমস্ত কারণে এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় সবিচারের জন্য যেকোন আদেশ দিতে পারেন।
-----------
⇒ CPC Section: 151. Saving of inherent powers of Court:
- Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
১১,২০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির প্রদত্ত সংজ্ঞানুযায়ী "অপরাধ" এর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধ
  2. শুধুমাত্র আইনের অধীনে যেকোনো শাস্তিযোগ্য কাজ করা
  3. আইনের অধীনে যেকোনো শাস্তিযোগ্য কাজ বা কাজ না করা
  4. শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তা দ্বারা সংঘটিত কাজ
ব্যাখ্যা
• Section 4(o)-

"Offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force.
"অপরাধ" বলতে বর্তমানে প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য কোন কাজ বা কাজ না করাকে বোঝায়।
১১,২১০.
ক এমনভাবে খ এর দিকে মুষ্টি পাকায় যাতে খ এর বিশ্বাস করার কারণ জন্মায় যে ক তাকে মারতে উদ্যত হয়েছে। ক কোন অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে?
  1. বল প্রয়োগ
  2. আক্রমণ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦দন্ডবিধির ৩৫১ ধারা মতে যখন কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয় না তখন তাকে আক্রমণ বলে।
১১,২১১.
চোরাই মাল জানার পরেও 'ক' একটি টিভি অসাধুভাবে গ্রহণ করে, 'ক' সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য দণ্ডিত হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
১১,২১২.
ধারা ৯৯খ অনুযায়ী কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা যেতে পারে?
  1. বাজেয়াপ্তির আদেশ
  2. জরিমানার আদেশ
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  4. মুচলেকার আদেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুযায়ী,
যে কোনো ব্যক্তি যার কোনো পত্রিকা, বই বা অন্য কোনো নথিপত্রে স্বার্থ রয়েছে এবং যার বিরুদ্ধে ধারা ৯৯ক অনুযায়ী বাজেয়াপ্তির আদেশ জারি করা হয়েছে, তিনি উক্ত আদেশের তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করতে পারবেন। এই আবেদন উক্ত আদেশ বাতিল করার জন্য করা যাবে এই মর্মে যে, যে পত্রিকার সংখ্যা, বই বা নথিপত্রের জন্য আদেশটি জারি করা হয়েছে, তাতে ধারা ৯৯এর (১) উপধারায় উল্লেখিত কোনো বিষয়বস্তু, শব্দ বা দৃশ্যমান উপস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
১১,২১৩.
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য কার সাথে পরামর্শ করা হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. প্রধান বিচারপ্রতি
  3. আইন কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১১(৪) ধারার বিধান হল: এই ধারায় যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বাদি পালন করার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ নির্ধারিত মেয়াদকালে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বসমূহ পালন করবেন না।

♦ অর্থাৎ সরকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে থাকেন।

-----------------------------------------------
♦ Section 11(4)- Notwithstanding anything contained in this section, the Government may require any Executive Magistrate to perform the functions of a Judicial Magistrate for a period to be determined in consultation with the High Court Division and during such period, the Magistrate shall not perform the functions of an Executive Magistrate.
১১,২১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলবের ক্ষমতা 
  2. পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বীকারোক্তি গ্রহণ
  4. আমলযোগ্য মামলার তদন্তের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
-১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারী অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
-----------------
⇒ CrPC-Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১১,২১৫.
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে,আদালত উক্ত সাক্ষীকে অনধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩৫০ টাকা
  3. ২৫০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১১,২১৬.
ফৌজদারী মামলায় আপীলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারেন কে?
  1. নালিশকারী
  2. এজাহার দায়েরকারী
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. নালিশকারী এবং পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান খালাসের ক্ষেত্রে আপীলঃ (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না ।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না ।

♦খালাসের ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ-

১. যেকোন ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর (P.P) মূল মামলা ও আপিলে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অর্থাৎ (P.P) কর্তৃক খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে ।
২. Complaint Registered Case এর ক্ষেত্রে শুধু মূল মামলায় দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে অভিযোগকারী (Complainant)। অর্থাৎ Complaint Registered Case হলে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে না।

♦ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(3)]
♦খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদি আইন, ১৯০৮]

♦ সহজ ভাবে বলা যায় যে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে খালাস দিলে সেই খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর ৪১৭(১) (খ) ধারায় দায়রা জজ কোর্টে আপীল দায়ের করতে পারে। উক্ত দায়রা জজ আপীল শুনানী করে যদি আসামীকে খালাস দেয়, তাহলে উক্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পাবলিক প্রসিকিউটর হাইকোর্টে পুনরায় দ্বিতীয় আপীল দায়ের করতে পারবে। কারণ একমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর মূল মামলায় ও আপীলে উভয়ক্ষেত্রে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে।
১১,২১৭.
'ক' নাবালক থাকাবস্থায় স্বত্বের মামলা করার অধিকারী হয়। এর ১১ বছর পর 'ক' সাবালক হয়। এই ক্ষেত্রে 'ক' অতিরিক্ত কত বছর সময় পাবে?
  1. ২ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮ অনুসারে- যে মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তা কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করেছে বলে গণ্য হবে না।
♦ সাধারণত স্বত্বের মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর,  যেহেতু ক ১১ বছর পর সাবালক হয়েছে ও মামলা করার অধিকারী হয়েছে। আইনগত ভাবে মামলা করার শুধু মাত্র এক বছর সময় বাকি থাকে।
♦ কিন্তু তামাদি আইনের ৮ ধারার বিশেষ ব্যতিক্রম অনুযায়ী আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর মামলা করার জন্য তিন বছর সময় পাবে । অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পরে ক মামলা করার জন্য মোট  তিন বছর সময় পাবে। এক্ষেত্রে ক তার স্বত্বের অধিকারের মামলার এক বছর মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত  দুই বছর সময় বেশি পাবে ।

বি:দ্র: ৮ ধারার উদাহরণ: (ক)
⇒ 'ক' নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্ৰ অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে৷
১১,২১৮.
কোন ক্ষেত্রে রেস সাবজুডিস নীতির ব্যতিক্রম আছে?
  1. মোকদ্দমাটি অর্থ আদায় সংক্রান্ত হলে
  2. বিচারাধীন আদালত বিচার করতে দেরি করলে
  3. বিদেশের কোনো আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন থাকলে
  4. আদালত একই বিষয়ের উপর আরেকটি মোকদ্দমা দায়েরের আদেশ দিলে
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Subjudice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Subjudice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানী মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

ব্যতিক্রম ⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না।
১১,২১৯.
What is the maximum additional punishment for wrongful confinement in secret under Section 346?
  1. Six months of imprisonment
  2. One year of imprisonment
  3. Two years of imprisonment
  4. Three years of imprisonment
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860 Section 346. Wrongful confinement in secret:
-Whoever wrongfully confines any person in such manner as to indicate an intention that the confinement of such person may not be known to any person interested in the person so confined, or to any public servant, or that the place of such confinement may not be known to or discovered by any such person or public servant as hereinbefore mentioned, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years in addition to any other punishment to which he may be liable for such wrongful confinement.
-------------------- 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৬ ধারার বিধান- গোপনে অবৈধ অবরোধ:
- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে অবৈধভাবে বন্দি রাখে, তাতে এইরূপ একটি উদ্দেশ্য সূচিত হয় যে, বন্দি ব্যক্তিকে আটক করে রাখার ব্যাপারটি বন্দি ব্যক্তির সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বা কোন সরকারী কর্মচারীর গোচরীভূত হবে না, অথবা যে স্থানে অনুরূপ বন্দি করে রাখা হয়েছে সে স্থানটি উপযুক্তরূপ কোন ব্যক্তি বা সরকারী কর্মচারী দ্বারা জ্ঞাত বা আবিষ্কৃত হবে না, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ অবৈধভাবে বন্দি করে রাখার জন্য অপর যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তদতিরিক্ত আরও দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

১১,২২০.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালের, কত নম্বর আইন?
  1. ১৯০৯ সালের ৫নং আইন
  2. ১৮০৮ সালের ৬ নং আইন
  3. ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
  4. ১৮০৯ সালের ৪ নং আইন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি  ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। 
১১,২২১.
বর্তমানে বলবৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কত সালের?
  1. ১৮৭০ সালের
  2. ১৮৭৭ সালের
  3. ১৮৮৭ সালের
  4. ১৭৮৭ সালের
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭; (১নং আইন)
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
১১,২২২.
পাওনা অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা দাখিলের তামাদি কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
 ♦ তামাদি আইনের ৫৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  পাওনা অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা দাখিলের তামাদি হল ৩ বছর।
১১,২২৩.
দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসারে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ৭৫ ধারা
  2. ৭৬ ধারা
  3. ৭৭ ধারা
  4. ৭৮ ধারা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতের আদেশ অনুসরণ করে করা কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
- Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
১১,২২৪.
"Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes" - এই বিধানটি পাওয়া যায় কোন আদেশ ও বিধিতে?
  1. আদেশ-২০, বিধি-৮২
  2. আদেশ-২২, বিধি-৮০
  3. আদেশ-২১, বিধি-৮০
  4. আদেশ-২১, বিধি-৮২
ব্যাখ্যা

⇒ According to Order-21, Rule-82 of the Code of Civil Procedure, 1908,
“Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.”
This means all courts — except the Court of Small Causes — have the authority to order the sale of immovable property when executing a decree.

Sale of Immoveable Property:
⇒ Order XXI, Rule 82 – Code of Civil Procedure, 1908- What Courts may order sales:
- Sales of immoveable property in execution of decrees may be ordered by any Court other than a Court of Small Causes.

অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ-২১, বিধি-৮২ – যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে:
ডিক্রি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের আদেশ Court of Small Causes আদালত ব্যতীত যেকোনো আদালত দিতে পারে।

১১,২২৫.
The Evidence Act 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী জুরি/এসেসর কর্তৃক প্রশ্ন করার ক্ষমতা বিষয়ে উল্লেখ আছে?
  1. ১৫৬ ধারা
  2. ১০৬ ধারা
  3. ১২৬ ধারা
  4. ১৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬৬ ধারা মতে জুরি/এসেসর বলতে এমন একটি শপথ প্রাপ্ত লোকদের সংস্থা বোঝায় যা নিরপেক্ষ রায় প্রদানের জন্য আহ্বান করা হয়। বিচারক যে প্রশ্ন করতে পারবেন, তারাও একই  প্রশ্ন করতে পারবেন।
১১,২২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারায় কোন ধারাগুলোর অধীনে চুক্তির আংশিক কার্যসম্পাদন সম্ভব?
  1. ধারা ১০, ১১, ১২
  2. ধারা ১৪, ১৫, ১৬
  3. ধারা ১৭, ১৮, ১৯
  4. ধারা ৫২, ৫৩, ৫৪
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে,
এই ধারার পূর্ববর্তী তিনটি ধারা (ধারা ১৪, ১৫ ও ১৬) ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ প্রদান করবেন না।

✓ সুতরাং, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৭ ধারা অনুযায়ী শুধুমাত্র ১৪, ১৫, ১৬ ধারার অধীন চুক্তির আংশিক কার্য সম্পাদন সম্ভব।

Section 17- Bar in other cases of specific performance of part of contract:
The Court shall not direct the specific performance of a part of a contract except in cases coming under one or other of the three last preceding sections.
১১,২২৭.
যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ড কী বলে গণ্য হবে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ডই সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি খণ্ডই মূল দলিলের অংশ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি খণ্ড আদালতে উপস্থাপন করা হলে তা প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হল দলিলের মূল অথবা অগ্রিম প্রস্তুতকৃত প্রতিলিপি, যা বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রকৃত তথ্য সরবরাহ করে।
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী সর্বোত্তম সাক্ষ্য (Best Evidence) হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence). সাক্ষ্য আইনের ৬০ এবং ৬৪ ধারায় Best Evidence নীতির উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। আদালতের পরিদর্শনের জন্য যখন সংশ্লিষ্ট দলিলটি স্বয়ং আদালতে উপস্থাপন করা হয় তখন তাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। কোন দলিল যদি কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হয় তাহলে প্রত্যেক খন্ডই এই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য। কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বা (Direct Evidence): প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বলতে বোঝায় কোন দলিল বা সাক্ষীর যে সমস্ত বিবৃতি মামলার বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতা সম্পর্কে সরাসরি সমর্থণ যোগায়।
⇒ মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বিচার্য বা তদন্তাধীন বিষযয়ে সাক্ষীকে যে সমস্ত বিবৃতি প্রদান করার অনুমতি আদালত দেয় বা সাক্ষীদের যেসব বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়, সেসব বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।
১১,২২৮.
'অনিল ও রাজু একটি জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের আগেই সেই জমি নদী ভাংগনের দরুন বিলুপ্ত হয়ে যায়। এই চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য নয়।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধানের সাথে উক্ত ঘটনা সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৬ ধারা
  3. ২১ ধারা
  4. ১৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)-

চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে; অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।
১১,২২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ অনুযায়ী পুলিশ কতটি ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪(১) অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই মোট ৯টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে:
৯টি ক্ষেত্র যেখানে পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে:
১) যদি কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable Offence) করে বা তাতে জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ থাকে।
২) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট আইনসংগত কারণ ছাড়া ঘরভাঙার সরঞ্জাম (Implement of House Breaking) পাওয়া যায়।
৩) যদি কোনো ব্যক্তিকে আদালত বা সরকার "Proclaimed Offender" হিসাবে ঘোষণা করে।
৪) যদি কোনো ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (Stolen Property) পাওয়া যায় বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে যুক্তিযুক্ত সন্দেহ হয়।
৫) যদি কোনো ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনসংগত হেফাজত (Lawful Custody) থেকে পলায়ন করে বা পলায়নের চেষ্টা করে।
৬) যদি কোনো ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলায়নকারী (Deserter) হয়।
৭) যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে এমন কোনো কাজ করে যা বাংলাদেশে অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে এবং যার জন্য তাকে বন্দি বা গ্রেফতার করা যেতে পারে।
৮) যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি (Released Convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারার অধীনে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯) যদি কোনো পুলিশ অফিসার অন্য কোনো পুলিশ অফিসারের অনুরোধে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে, তবে শর্ত থাকে যে অনুরোধে গ্রেফতারযোগ্য অপরাধের উল্লেখ থাকতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly, any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of housebreaking;
thirdly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh ;
seventhly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
১১,২৩০.
A তার স্ত্রী B কে হত্যার জন্য অভিযুক্ত। B কিভাবে মৃত্যুবরণ করেছে তা প্রমানের বাধ্যবাধকতা সাক্ষ্য আইনের ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী কার উপর বর্তায়-
  1. অভিযোগকারী পক্ষের
  2. রাষ্ট্রপক্ষের 
  3. A এর উপর 
  4. যে ব্যক্তি হত্যাকাণ্ড দেখেছে তার উপর 
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে ব্যাখ্যা করতে হয় কিভাবে তার স্ত্রী মারা গেল। কারণ কিভাবে কোন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলো সেটা স্বামী বা স্ত্রীর বিশেষ অবগতির মধ্যে থাকে।

ধারা ১০৬: যে ঘটনা বিশেষভাবে কাহারও জানা থাকে তাহা প্রমাণের দায়িত্ব: কোনো ঘটনা যখন বিশেষ করিয়া কোনো লোকের জানার মধ্যে থাকে তখন সেই ঘটনা প্রমাণ করিবার দায়িত্ব সেই লোকের উপরই ন্যস্ত থাকে।
------------------
The Evidence Act, Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge: When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

১১,২৩১.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৬ কোন ধরনের চুক্তির জন্য প্রযোজ্য?
  1. মৌখিক চুক্তি
  2. লিখিত চুক্তি
  3. মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তি
  4. কেবলমাত্র জিম্মা চুক্তি
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।

Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

১১,২৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে না-
  1. মৌখিক ভাবে
  2. আরজি মাধ্যমে
  3. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  4. লিখিত অন্য কোনো উপায়ে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করলে তা আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে অর্থাৎ ৩ ভাবে স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে। যথা-
i) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি দিয়ে;
ii) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে; এবং
iii) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি দিয়ে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) 'মৌখিক ভাবে' হতে পারে না।

আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ- 
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party. 
১১,২৩৩.
ফৌজদারি অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "A" জামিন পায়। বিচারের পর "A" এর চার মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'A' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. চার মাস ভোগ করতে হবে
  2. এক মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'A'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি চার মাস থেকে তিন মাস বাদ দিয়ে বাকি এক মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 

(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
১১,২৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVIII, Rule 4A অনুসারে, শপথনামার কপি কাকে আগে দিতে হবে?
  1. আদালতকে
  2. সাক্ষীকে
  3. আইনজীবীকে
  4. অপর পক্ষকে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর অর্ডার XVIII – রুল 4A: শপথনামার মাধ্যমে প্রধান পরীক্ষা এবং দস্তাবেজের গ্রহণযোগ্যতা:
এই কোড অথবা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (অ্যাক্ট নং ১ অব ১৮৭২)–এর অন্য কোনো বিধান সত্ত্বেও—
বাদী বা বিবাদীর দ্বারা বিবৃত বা অস্বীকৃত করার জন্য প্লেইন্ট (plaint) বা লিখিত বিবৃতিতে (written statement) বর্ণিত তথ্যসমূহ মৌখিকভাবে বলা বা অস্বীকার করার প্রয়োজন হবে না। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দী (Examination-in-chief) শপথনামার (affidavit) মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে তাকে জেরা (cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা (re-examination) করা যেতে পারবে।

শর্তাবলি:
১। এ ধরনের শপথনামার একটি অনুলিপি অপর পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, আদালতে জমা দেওয়ার পূর্বে।
২। যদি শপথনামার সঙ্গে কোনো দস্তাবেজ দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই দস্তাবেজের উপর নির্ভর করে, তবে সেই দস্তাবেজের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশাধীন হবে।

১১,২৩৫.
'চ' একজন চিকিৎসক এবং 'ছ' একটি গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগী। 'চ' জানত যে, 'ছ' এর অপারেশন করলে তার মৃত্যু হতে পারে, তবে 'চ' তার মঙ্গলের জন্য এবং সরল বিশ্বাসে অপারেশনটি করে। এর ফলে 'ছ' মারা যায়। এই পরিস্থিতিতে, 'চ' এর দ্বারা কৃত কাজ -
  1. খুন
  2. নরহত্যা
  3. নিন্দনীয় নরহত্যা
  4. কোন অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারানুযায়ী মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য ব্যতিত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপকারে সরল বিশ্বাসে সম্মতিক্রমে কোন কাজ করলে তা অপরাধ নয়।
→ দণ্ডবিধির ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি একজন ব্যক্তি অন্যকে উপকার করতে গিয়ে তার সম্মতিতে কোনো কার্য সম্পাদন করেন, এবং কাজটি এমনভাবে করা হয় যে এতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে, তবে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি:
- কাজটি করার সময় তার সদিচ্ছা এবং সরল বিশ্বাস ছিল যে এটি ওই ব্যক্তির উপকারে আসবে।
- কাজটি করার উদ্দেশ্য ছিল না কারো মৃত্যু ঘটানো।
- কাজটি সম্পাদনের পর যদি কোনো ক্ষতি হয়, তবে তা এই কারণে যে, সেই ব্যক্তি জানত যে এ ধরনের ক্ষতি হতে পারে, তাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি এটি আঘাত বা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে না করা হয়।

-দণ্ডবিধির ৮৮ ধারার বিধান মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:
যে ব্যক্তির উপাকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
-------------
- Section 88. Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
১১,২৩৬.
একটি বিক্রয় চুক্তিতে জমির ৯ কাঠা হস্তান্তর সম্ভব, কিন্তু বাকি ১ কাঠা হস্তান্তর সম্ভব নয়। ওই ১ কাঠার মূল্য অর্থের মাধ্যমে নির্ধারণযোগ্য। আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. পুরো চুক্তি বাতিল
  2. শুধু ৯ কাঠা হস্তান্তর
  3. শুধু ১ কাঠা হস্তান্তর
  4. পুরো চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন
ব্যাখ্যা

এটি The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ১৪–এর সরাসরি প্রয়োগ।

ধারা ১৪ অনুযায়ী- 
যদি চুক্তির দুটি অংশ থাকে (একটি বৃহত্তর, একটি ক্ষুদ্রতর), এবং বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনযোগ্য হয়, আর ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তবে আদালত বৃহত্তর অংশটির সুনির্দিষ্ট সম্পাদন আদেশ দিতে পারে এবং ক্ষুদ্রতর অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করতে পারে।

এখানে-
৯ কাঠা = বৃহত্তর অংশ (হস্তান্তর সম্ভব);
১ কাঠা = ক্ষুদ্রতর অংশ (হস্তান্তর অসম্ভব কিন্তু ক্ষতিপূরণযোগ্য)।

তাই আদালত ৯ কাঠা জমি হস্তান্তরের আদেশ দেবে (এবং ১ কাঠার জন্য ক্ষতিপূরণ ধার্য করতে পারে)।

১১,২৩৭.
According to Section 26(2) of the Code of Civil Procedure, 1908, facts shall be proved by ___________ in every plaint.
  1. evidence
  2. affidavit
  3. witness
  4. statement
ব্যাখ্যা
Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
১১,২৩৮.
দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুসারে, কোন কাজ অপরাধ নয় যদি তা করা হয়—
  1. পুলিশের নির্দেশে
  2. আইনজীবীর পরামর্শ ছাড়া
  3. ব্যক্তিগত শত্রুতার ভিত্তিতে
  4. আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ধারা ৭৮ অনুযায়ী, কোনো কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না যদি তা আদালতের রায় বা আদেশ অনুসারে করা হয়, এবং আদেশটি বলবৎ থাকাকালীন সময়ে করা হয়, এমনকি আদালতের সেই আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার না থাকলেও, যদি কাজটি করা ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে (Good Faith) মনে করে যে আদালতের এখতিয়ার আছে।

⇒দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান- আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:
কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

⇒The Penal Code, 1860 Section 78: Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
১১,২৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে পারেন না?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার উপ-ধারা (১) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারা অনুসারে কোনো বিবৃতি বা স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন না। ধারাটি শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
- সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
এবং এটা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে যে, এই ম্যাজিস্ট্রেটগণ তখনই বিবৃতি বা স্বীকারোক্তি রেকর্ড করতে পারবেন যখন তিনি পুলিশ অফিসার না হন ("if he is not a police-officer")।
অতএব, পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে ধারা ১৬৪ অনুসারে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা নিষিদ্ধ।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় উল্লেখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ যেকোনো বিবৃতি (Statement) বা দোষস্বীকারোক্তি (Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন। দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট স্বীকারকারীকে অবশ্যই বুঝিয়ে দিবেন যে; তিনি স্বীকারোক্তি করতে বাধ্য নয় এবং তিনি যদি স্বীকারোক্তি করে তাহলে উহা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।
- যে সকল ম্যাজিস্ট্রেট দোষস্বীকারোক্তি [Confession] রেকর্ড করতে পারে-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
৩. সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট

- যখন বিবৃতি বা দোষস্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করতে পারে-
তদন্তের যেকোন পর্যায়ে;
তদন্তের পরে কিন্তু অনুসন্ধান বা বিচার শুরুর পূর্বে।

⇒ ধারা ১৬৪(২) অনুযায়ী এইরূপ স্বীকারোক্তি ৩৬৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী লিপিবদ্ধ বা স্বাক্ষরিত হতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 164: Power to record statements and confessions:
(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may, if he is not a police-officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterwards before the commencement of the inquiry or trial. 
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried. 
(3) A Magistrate shall, before recording any such confession, explain to the person making it that he is not bound to make a confession and that if he does so it may be used as evidence against him and no Magistrate shall record any such confession unless, upon questioning the person making it, he has reason to believe that it was made voluntarily; and, when he records any confession, he shall make a memorandum at the foot of such record to the following effect:- 
"I have explained to (name) that he is not bound to make a confession and that, if he does so, any confession he may make may be used as evidence against him and I believe that this confession was voluntarily made. It was taken in my presence and hearing, and was read over to the person making it and admitted by him to be correct, and it contains a full and true account of the statement made by him. - (Signed) A.B. Magistrate."

Explanation-It is not necessary that the Magistrate receiving and recording a confession or statement should be a Magistrate having jurisdiction in the case.

১১,২৪০.
অপর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণ করা হলে, আদালত-
  1. জামিনদারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারবেন
  2. জামিনদারকে জরিমানা করবেন
  3. জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার নির্দেশ দিবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০১- প্রথম জামিনদার অপর্যাপ্ত হলে পর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা

ভুল বশত, প্রবঞ্চনাবশতঃ বা অন্য কোনভাবে অপর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণ করা হলে, বা তারা পরে অপর্যাপ্ত হয়ে পড়লে জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারবেন এবং পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহের আদেশ প্রদান করতে এবং সংগ্রহ করতে না পারলে তাকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন। 

Section 501- Power to order sufficient bail when that first taken is insufficient
If, through mistake, fraud or otherwise, insufficient sureties have been accepted, or if they afterwards become insufficient, the Court may issue a warrant of arrest directing that the person released on bail be brought before it and may order him to find sufficient sureties, and, on his failing so to do, may commit him to jail.
১১,২৪১.
'ক' কোন একটি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে। অপরাধটি সংঘটিত হওয়ার অব্যবহিত পর 'ক' তার গৃহ থেকে ফেরারী হল। এটি কোন ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।

⇒ এই প্রশ্নের ঘটনাটি ৮ ধারা অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ের পরবর্তী আচরণ ও বিচার্য ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত।

----------------
⇒ Motive, preparation and previous or subsequent conduct:
Section 8. Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
 
The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.
১১,২৪২.
১৯০(১) ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. অভিযোগ দায়েরের ভিত্তিতে
  2. পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  3. অন্য কোনো মাধ্যমে থেকে প্রাপ্ত সংবাদ প্রাপ্তির ভিত্তিতে
  4. উপরে বর্ণিত যে কোনো ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১) ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ১। complaint এর ভিত্তিতে ২। পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে ৩। পুলিশ ব্যতীত অন কোনো ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে বা নিজের জ্ঞান থেকে বা সন্দেহের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।
১১,২৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪৬(২) অনুযায়ী, প্রিসেপ্টের অধীনে বাজেয়াপ্তকরণ সর্বোচ্চ কত দিন স্থায়ী হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪৬ (২) অনুসারে বলা হয়েছে: “তবে শর্ত থাকে যে, অনুরোধপত্রের (precept) ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না, যদি না ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বাড়ায়, অথবা ক্রোক কার্যকরকারী আদালতের কাছে ডিক্রি স্থানান্তর করা হয় এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন করেন।”

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান ডিক্রি জারির অনুরোধ:-

১) ডিক্রিদারের আবেদন অনুযায়ী ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ন্যায়সঙ্গত মনে করলে অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত ডিক্রি জারি করতে এবং অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন।
২) যে আদালতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, সে আদালত ডিক্রি জারির ব্যাপারে সম্পত্তি ক্রোকের নির্ধারিত পদ্ধতি মোতাবেক সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ডিক্রিপ্রদানকারী আদালত ক্রোকের সময় বৃদ্ধি না করা পর্যন্ত অথবা এরূপ ক্রোক নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে যে আদালত কর্তৃক ক্রোক করা হয়েছে, ঐ আদালতের নিকট ডিক্রি হস্তান্তর করা না হলে এবং ডিক্রিদার সম্পত্তি বিক্রয়ের আবেদন না করলে অনুরোধলিপি অনুসারে কোন ক্রোক দুই মাসের অধিককাল কার্যকর থাকবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section 46. Precepts:
(1) Upon the application of the decree-holder the Court which passed the decree may, whenever it thinks fit, issue a precept to any other Court which would be competent to execute such decree to attach any property belonging to the judgment-debtor and specified in the precept.
(2) The Court to which a precept is sent shall proceed to attach the property in the manner prescribed in regard to the attachment of property in execution of a decree:
Provided that no attachment under a precept shall continue for more than two months unless the period of attachment is extended by an order of the Court which passed the decree or unless before the determination of such attachment the decree has been transferred to the Court by which the attachment has been made and the decree-holder has applied for an order for the sale of such property.

১১,২৪৪.
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice- এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোথায় আছে?
  1. ৫১৬ ধারায়
  2. ৩৩৯ক ধারায়
  3. ৫৬১ক ধারায়
  4. ৫৬৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে। একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
১১,২৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১০৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৮ ধারা
  4. ১০৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারার বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে।
-তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণত রিভিশন ক্ষমতাবলে ১০৬ ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

- যে দণ্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দত্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে । আদালত যে কোনো পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমাণ পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে তবে কোনোভাবেই অত্যধিক হবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
১১,২৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারাটি উল্লেখিত আছে?
  1. ২২ ধারা
  2. ২৪ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ৩২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৩ ধারায় উল্লেখিত "সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২" এর ২৪ ধারা।
অর্থাৎ  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারায় সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা উল্লেখিত আছে।
→ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৩ ধারায় বলা হয়েছে:
(১) কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যক্তি বা আসামির কাছে এমন কোনো প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না যা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ২৪ অনুসারে অবৈধ।
(২) তবে, কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য কেউ কোনো সতর্কতা বা অন্য কোনো মাধ্যমে কাউকে এমন কোনো বিবৃতি দিতে বাধা প্রদান করতে পারবে না যা সে নিজের ইচ্ছায় তদন্তের সময় দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
-----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 163. No inducement to be offered:
(1) No police officer or other person in authority shall offer or make, or cause to be offered or made, any such inducement, threat or promise as is mentioned in the Evidence Act, 1872, section 24. 
(2) But no police officer or other person shall prevent, by any caution or otherwise, any person from making in the course of any investigation under this Chapter any statement which he may be disposed to make of his own free will.
১১,২৪৭.
নিচের কোনটি Pleadings এর উপাদান নয়?
  1. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
  2. সত্যতা প্রতিপাদন
  3. স্বাক্ষর
  4. গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১ নং বিধিতে প্লিডিংসের সংজ্ঞা রয়েছে। প্লিডিংস (Pleadings) বলতে আরজি অথবা লিখিত জবাবকে বোঝায়। বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

Pleadings এর উপাদানগুলো সাধারণত এইরকম হয়:
ক) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য।
খ) সত্যতা প্রতিপাদন: মামলায় উত্থাপিত দাবীর সত্যতা প্রতিপাদন করা।
গ) স্বাক্ষর: Pleading-এর আইনগত স্বীকৃতি এবং আইনি মান্যতার জন্য পক্ষের স্বাক্ষর।

আদেশ ৬ বিধি-২ঃ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি আরজি জবাবে বিবৃত করতে হবে কিন্তু সাক্ষ্য নয়-
প্রত্যেক আরজি জবাব শুধুমাত্র যেসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে দরখাস্তকারী (আবেদনকারী) তার দাবী উত্থাপন বা আত্মপক্ষ সমর্থন, করে, সেসব তথ্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দান করতে হবে, এতদসম্বন্ধীয় প্রমাণাদি দরখাস্তে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। আরজি জবাব প্রয়োজন মাফিক বিভিন্ন পংক্তিতে বিভক্ত হবে এবং পংক্তিগুলোতে ক্রমিক নম্বর দেয়া হবে। তারিখ, টাকার পরিমাণ ও সংখ্যা অংকে প্রকাশিত হবে

ঘ) গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য- হচ্ছে Trial (বিচার) পর্যায়ে ব্যবহৃত উপাদান, যা Pleadings-এর অংশ নয়।
১১,২৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের-
  1. অবশ্যই পক্ষ থাকতে হবে
  2. একজন সাক্ষী হতে হবে
  3. পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
  4. পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে থাকতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিলের প্রতিকার শুধুমাত্র দলিলের পক্ষসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। অর্থাৎ একমাত্র দলিলের পক্ষরা যে দলিল বাতিলের মামলা করতে পারবে তা না বরং যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সে দলিলটি বাতিলের জন্য ৩৯ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
১. দলিলের পক্ষ
২. যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য বা
৩. যে ব্যক্তি উক্ত বাতিল এবং বাতিলযোগ্য দলিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সে যদি প্রমাণ করতে পারে যে বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিলটির কারণে সে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাহলে সে মামলা দায়েরের অধিকারী।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার বিধান যখন বিলুপ্তির আদেশ প্রদানযোগ্য: – যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

⇒ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারার অধীনে যে কোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে এবং তা গুরুতর ক্ষতির কারণ হলে, উক্ত দলিল বাতিলের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারে। সুতরাং দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের পক্ষ হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই।
১১,২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার অধীন আদালত কোথা থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারেন?
  1. অভিযুক্ত থেকে
  2. সরকারী তহবিল থেকে
  3. আদালতের ফান্ড থেকে
  4. অভিযুক্তের প্রতিনিধি থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪ (ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়)-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন

Section 544- Expenses of complainants and witnesses
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১১,২৫০.
দণ্ডবিধিতে মানহানির কয়টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১১,২৫১.
আদালতের রায়ের প্রতিবেদন কোন ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে?
  1. যদি এটি কোনো সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়
  2. যদি এটি কোনো আইনজীবীর ব্যাখ্যা সম্বলিত হয়
  3. যদি এটি কোনো অনুমোদিত বইতে প্রকাশিত হয়
  4. যদি এটি কেবলমাত্র কোনো ব্যক্তির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তৈরি হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮ - আইনগ্রন্থে থাকা কোনো আইনের বিবৃতি কতটা প্রাসঙ্গিক:
যখন কোনো আদালতকে কোনো দেশের আইনের বিষয়ে মতামত গঠন করতে হয়, তখন সেই দেশের সরকারের অনুমোদনে মুদ্রিত বা প্রকাশিত কোনো আইনগ্রন্থে উক্ত আইন সম্পর্কিত বিবৃতি থাকলে তা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
সেই দেশের আদালতের কোনো রায়ের প্রতিবেদন যদি এমন কোনো গ্রন্থে থাকে যা আদালতের রায়ের প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তবে সেটিও প্রাসঙ্গিক বিবেচিত হবে।
১১,২৫২.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে আবেদনকারীকে কমপক্ষে কত দিন শিক্ষানবীশ থাকতে হয়?
  1. ২ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

- শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
১১,২৫৩.
৯৯ক ধারার অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান:

৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
১১,২৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায় আটককারী অফিসারকে _________ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
  1. ক্রোককৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  2. অপরাধজনক অস্ত্র আটক
  3. আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ
  4. সন্দেহজনক ব্যক্তিকে আটক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায় আটককারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।
 
Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
১১,২৫৫.
কোন মোকদ্দমায় আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হলে,আদালত-
  1. আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয় একত্রে নিষ্পত্তি করবেন
  2. প্রথমে আইনগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. আইনগত বিচার্য বিষয়ের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, ঘটনাগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি স্থগিত রাখতে পারবেন
  4. 'খ' ও 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৪ বিধি ২-
যেক্ষেত্রে একই মোকদ্দমায় আইন ও ঘটনা উভয়ের বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করে যে, শুধুমাত্র আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমাটি বা উহার কোন অংশ নিষ্পত্তি করা যেতে পারে,
সেক্ষেত্রে আদালত প্রথমে সেই বিচার্য বিষয় সম্পর্কে বিচার করবে এবং ঐ উদ্দেশ্যে আদালত যথার্থ মত দিলে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় নির্ণীত না হওয়া অবধি ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ের নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে।

[Where issues both of law and of fact arise in the same suit, and the Court is of opinion that the case or any part thereof may be disposed of on the issues of law only, it shall try those issues first, and for that purpose may, if it thinks fit, postpone the settlement of the issues of fact until after the issues of law have been determined.]
১১,২৫৬.
কোন মামলা প্রমাণের জন্য কত জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রয়োজন?
  1. অন্যূন ২ জন
  2. অন্যূন ৪ জন
  3. অন্যূন ৩ জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
• Section 134- Number of witnesses:

No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
১১,২৫৭.
কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মওকুফ হবে না?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. স্বত্ব ঘোষণা
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধিকরণ শিরোনামে ৫ ধারায় ৫টি ক্ষেত্রের কথা বলা হয়েছে। শুধু এ ৫ ক্ষেত্রেই এ ধারার বিধান প্রয়োগযোগ্য। ৫ ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রেই এ ধারা প্রয়োগ হবে না।  ৫ ধারার মূল বিধান হচ্ছে- যথেষ্ট কারণ প্রমাণ  সাপেক্ষে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতায় ৫ ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করতে পারে।
♦৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয়
১. আপিল [ Appeal ]
২. আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত [Leave to Appeal]
৩. রিভিউ [Review]
৪. রিভিশন [ Revision ]
৫. অন্য যেকোনো দরখাস্তে;
♦৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয় না: যেমন-স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অধিকার ঘোষণা (সম্পত্তিতে)।
♦অর্থাৎ ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। এটিকে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে। ৫ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। যথেষ্ট কারণ থাকা সত্ত্বেও আদালত বিলম্ব মওকুফের আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। তাই কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফ করে সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারবে না।
১১,২৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অনুসারে মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটন এর জন্য কবর থেকে লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৫
  2. ১৭৬
  3. ১৭৫(২)
  4. ১৭৬(২)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৬(২) মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটন এর জন্য লাশ পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন মনে করেন তা হলে তিনি লাশটি কবর থেকে তোলার এবং তা পরীক্ষা করে দেখার ব্যবস্থা করতে পারেন।
--------------------------
CrPC Section 176: Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

Power to disinter corpses:
(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১১,২৫৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতার বিধান রয়েছে?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
১১,২৬০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মনুষ্য হরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১২ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

⇒ The Penal Code, 1860, Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১১,২৬১.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না-
  1. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিনষ্ট হয়
  2. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয় 
  3. দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ২২ক: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু  হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।

⇒ সাধারণভাবে ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু মৌখিক স্বীকৃতি দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। তবে ডিজিটাল রেকর্ডটি জাল বা কৃত্রিম কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক [When oral admissions as to contents of digital records are relevant]:

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না [Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].
১১,২৬২.
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক তে কিসের কার্যপদ্ধতি দেয়া আছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা স্থগিত হলে কার্যপদ্ধতি
  2. নাবালক ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  3. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি
  4. নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা সফল হলে কার্যপদ্ধতি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি বাদির বা অন্য কোন ব্যক্তির, যিনি সহ-বাদি হিসাবে যুক্ত হয়েছিলেন, তার মারা যাওয়ার কারণে বাতিল হয় সেক্ষেত্রে আদালত এ মর্মে আদেশ প্রদান করবে যে, বাদি নিঃস্ব হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি বাদির সম্পত্তি হতে সরকার কর্তৃক আদায়যোগ্য হবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
১১,২৬৩.
'Plea of alibi' প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. আসামীর
  2. সাক্ষী
  3. পুলিশের
  4. ফরিয়াদীর
ব্যাখ্যা
♦যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

♦সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।

- বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু আলোচ্য ঘটনার অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতাকে সম্ভব বা অসম্মান করে তোলে এমন ঘটনা প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে।

ত সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় উদাহরণের মাধ্যমে অপরাধের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র থাকার অজুহাতকে প্রাসঙ্গিক বলা হয়েছে।

যখন কোন ব্যক্তি কোন ঘটনা সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত হয় এবং সে যদি আদালতে উপস্থাপন করে যে সে অপরাধ সংঘটনের সময় অন্য কোথাও বা অন্যত্র ছিল তখন সে অজুহাতকে Plea of Alibi (Elsewhere) বলে।

Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
১১,২৬৪.
যদি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোন মামলা বিচার করতে না পারেন, তবে ধারা ৩৪৬ এর বিধান অনুযায়ী তিনি-
  1. মামলাটি বাতিল করবেন
  2. আসামিকে খালাস দিবেন
  3. বিচার স্থগিত করবেন
  4. আসামিকে জামিনে মুক্তি দিবেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৬ এর বিধান অনুযায়ী:
(১) যদি কোনো জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোন তদন্ত বা বিচার চলাকালে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, বিষয়টি এমন একটি মামলা যা অন্য কোনো চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারাধীন হওয়া উচিত, তাহলে তিনি বিচার কার্যক্রম স্থগিত করে মামলা সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনসহ মামলাটি তার অধীনস্থ অন্য কোনো চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অথবা জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) যেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা প্রেরিত হয়েছে, তিনি যদি সেই ক্ষমতা অর্জন করেন, তাহলে তিনি নিজে মামলাটি বিচার করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠিয়ে দিতে পারেন, অথবা আসামিকে বিচারের জন্য পাঠাতে পারেন।
১১,২৬৫.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দের আগে কত ঘন্টা পর্যন্ত পুলিশের হেফাযতে রাখা যায়?
  1. ৪৮ ঘন্টা
  2. ৭২ ঘন্টা
  3. ২৪ ঘন্টা
  4. ৩০ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
♦বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।
১১,২৬৬.
তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদে কোন আইন সংশ্লিষ্ট আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. বিশেষ ক্ষমতা আইন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে আপিল তামাদি আইনের ১৫২ এবং ১৫৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী করতে হয়।

অনুচ্ছেদ- ১৫২:
১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল:
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।

অনুচ্ছেদ- ১৫৬:
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন, ১৫১ ও ১৫৩ অনুচ্ছেদে যে সকল মোকদ্দমা সম্পর্কে বিধান আছে সেগুলি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল:
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে।
১১,২৬৭.
দলিলের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. দলিলটি আদালতের সমনের আওতায় থাকলে
  2. দলিলটি সরকারি দপ্তরে সংরক্ষিত থাকলে
  3. দলিলটি কোনো বিশেষ আইন দ্বারা রক্ষিত থাকলে
  4. দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, তার দখলে থাকলে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৫ - যে সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

(ক) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে, মূল দলিলটি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে, অথবা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা এখতিয়ারের বাইরে কোন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে আছে বলে যদি দেখানো হয় বা প্রতীয়মান হয়, অথবা যদি এমন ব্যক্তির দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে তা থাকে, যে ব্যক্তি তা হাজির করতে আইনত বাধ্য, কিন্তু ৬৬ ধারায় উল্লেখিত নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও সে ব্যক্তি যদি তা হাজির না করে।

(খ) দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা হবে, সে ব্যক্তি বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে স্বীকার করেছে বলে যখন প্রমাণ করা হয়।

(গ) মূল দলিল যেক্ষেত্রে বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে, অথবা যেক্ষেত্রে মূল দলিলে বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তার নিজের ত্রুটি বা অবহেলা ছাড়া অপর কোন কারণে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা হাজির করতে পারে না।

(ঘ) মূল দলিলটির প্রকৃতি যেক্ষেত্রে এরূপ যে সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।

(ঙ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারায় বর্ণিত সর্বসাধারণের দলিলের আওতাভুক্ত।

(চ) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, এ আইন বা বাংলাদেশে কার্যকরী অন্য কোন আইনে তার জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার বিধান আছে।

(ছ) কোন মূল দলিলে যখন অপরাপর এমন বহু সংখ্যক দলিলের বিবরণ থাকে যেগুলি আদালতের পরীক্ষা করে দেখা সুবিধাজনক নয়, এবং যে ঘটনা প্রমাণ করতে হবে, তা ঐ সকল দলিলের সাধারণ ফলস্বরূপ।

উপরোক্ত (ক), (গ) ও (ঘ) উদাহরণের ক্ষেত্রে দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে যে কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে।
উপরোক্ত (খ) উদাহরণের ক্ষেত্রে উল্লিখিত স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য হবে।
(ঙ) অথবা (চ) উদাহরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলিলের জাবেদা নকল মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, কিন্তু অন্য কোন মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
(ছ) উদাহরণের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দলিলগুলি পরীক্ষা করে দেখেছে এবং অনুরূপ দলিল পরীক্ষা করে দেখার ব্যাপারে যে পারদর্শী, দলিলগুলির সাধারণ ফল সম্পর্কে তার দ্বারা সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
১১,২৬৮.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
  2. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
  3. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  4. মক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
ব্যাখ্যা
⇒ Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
- Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।

- সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।

- বিধি-৭: মোকদ্দমাকারী মক্কেল, আইনজীবী নহেন। মক্কেলগনের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ত সম্পর্ক আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করিবে না, এমনকি প্রতিপক্ষের মক্কেলের প্রতিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলিবে না। আইনজীবীদেরকে পারস্পরিক সংঘাত এড়াইয়া চলিতে হইবে। মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে এক পক্ষের আইনজীবী অপর পক্ষের আইনজীবীর ব্যক্তিগত স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের প্রতি বিদ্রূপাত্মক কোন ইঙ্গিত করিতে পারিবেন না। মামলা দীর্ঘায়িত করিতে পারে কিংবা অশোভনীয় কলহের সৃষ্টি করিতে পারে এমন ধরনের কথোপকথন আইনজীবীদের অবশ্যই সতর্কতার সহিত পরিহার করিতে হইবে।
----------------------------
- Rule-7: Clients, not Advocates, are the litigants. Whatever may be the ill feeling existing between clients, it should not be allowed to influence Advocates in their conduct and demeanour toward each other or toward the parties in the case. All personal clashes between Advocates should be scrupulously avoided, in the trial of a cause it is indecent to allude to the personal history or the personal peculiarities and idiosyncrasies of Advocates appearing on the other side. Personal colloquies between Advocates which cause delay and promote unseemly wrangling should be carefully avoided.
১১,২৬৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 11 rule 21 অনুসারে আদালত কোনো আদেশ প্রচার করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির প্রতিকার-
  1. Order 9 অনুসারে ছানি মামলা করা
  2. Section 115 এর বিধান অনুসারে রিভিশন দায়ের করা
  3. Order 43 rule 1 অনুসারে বিবিধ আপীল করা
  4. Section 96 এর বিধান অনুসারে আপীল দায়ের করা
ব্যাখ্যা
• The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী,
প্রশ্নকারীপক্ষ অথবা দলিলসমূহ উদ্‌ঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী আদালতে আবেদন করলে, আদালত অপরপক্ষকে নিম্নোক্ত আদেশ দিবেন-

• প্রশ্নমালার উত্তরদান (answer to interrogatories)- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ প্রকাশ/উদঘাটন [discovery of documents]- এর আদেশ, বা
> দলিলসমূহ পরিদর্শন [inspection of documents]- এর আদেশ।

সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপরিউক্ত আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে বা অমান্য করলে (তার ফলাফল)-
> বাদীর ব্যর্থ হলে- বাদীর মোকদ্দমা খারিজ আদেশ দিবে এবং
> বিবাদী ব্যর্থ হলে- আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিল (To strike out defence) আদেশ দিবে।

প্রতিকার: The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৪৩ আদেশে যেসকল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে, সে সম্পর্কে বলা আছে। আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, আদালত কোনো আদেশ দিলে তা আপিলযোগ্য আদেশ বলে গণ্য হবে। Order 43 rule 1(f) এর অধীন এই আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ আপিল করতে পারবে।
১১,২৭০.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুসারে "অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking" হওয়ার জন্য কয়টি উপায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪টি উপায়
  2. ৫টি উপায়
  3. ৬টি উপায়
  4. ৮টি উপায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

১১,২৭১.
Limitation under Article 120 of First Schedule begins-
  1. From the date of filing
  2. From the date of notice
  3. From the date of decree
  4. When the right to sue accrues
ব্যাখ্যা

Article 120 – First Schedule (Limitation Act, 1908)
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues. 

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

১১,২৭২.
মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান বা স্বাক্ষর করলে তার শাস্তি দণ্ডবিধির কত ধারায়?
  1. ১৯৯ ধারায়
  2. ১৯৬ ধারায়
  3. ১৯৭ ধারায়
  4. ১৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
 
----------------------------------
♦ Issuing or signing false certificate:
Section 197. Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
১১,২৭৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ________ আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
  1. গ্রাম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

উক্ত ধারার বিধান অনুযায়ী রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ সাধারণভাবে প্রযোজ্য হবে না, কেবল যে যে বিষয়ে যে যে শর্তে নির্দেশিত হয় সেই সেই বিষয়ে সেভাবে প্রযোজ্য হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(২) ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) বলতে- কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা, রাজস্ব বা মুনাফা সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝানো হয়েছে।

Section 5: Application of the Code to Revenue Courts-
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe. 
 
(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts  ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
১১,২৭৪.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বলা আছে যে, ৯ বছরের নিচের শিশুর কাজ অপরাধ নয়?
  1. ৮১ ধারা
  2. ৮২ ধারা
  3. ৮৩ ধারা
  4. ৮৪ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ৮২ ধারাতে বলা হয়েছে যে, ৯ বছরের নিচে কোনো শিশুর দ্বারা সংঘটিত কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- আইনটি ধরে নেয় যে এত ছোট বয়সে শিশুর মানসিক পরিপক্কতা অপরাধের প্রকৃতি বা পরিণতি বোঝার মতো নয়।
- তাই তাদের কাজকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। 
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 82. Act of a child under nine years of age:
 Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

১১,২৭৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১২ অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং মুনাফা (mesne profits) আদায়ের মামলায় আদালত কত বছর পর্যন্ত মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্ত করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১২(১)(গ) (Order XX Rule 12(1)(c)), স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং মুনাফা (mesne profits) আদায়ের মামলায় আদালত মামলা দায়েরের তারিখ থেকে শুরু করে নিম্নলিখিত দুটি ঘটনার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই পর্যন্ত মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্তের আদেশ দিতে পারেন: 
১. ডিক্রিধারীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া।
২. ডিক্রি তারিখ থেকে ৩ বছর অতিক্রান্ত হওয়া।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি ১২(১) অনুসারে, স্থাবর সম্পত্তির দখল এবং ভাড়া বা মুনাফা (Mesne Profits) আদায়ের জন্য মামলায়, আদালত ডিক্রিতে নিম্নলিখিত বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারে:
- সম্পত্তির দখল প্রদান;
- মামলা দায়েরের আগের সময়ের ভাড়া বা মুনাফার জন্য তদন্ত;
- মামলা দায়ের থেকে নিম্নলিখিত যেকোনো ঘটনা পর্যন্ত ভাড়া বা মুনাফার তদন্ত:
- ডিক্রিধারীকে দখল হস্তান্তর;
- ঋণগ্রহীতা আদালতের মাধ্যমে ডিক্রিধারীকে নোটিশ দিয়ে দখল ত্যাগ;
- অথবা ডিক্রির তারিখ থেকে তিন বছর অতিবাহিত হওয়া, যেটি আগে ঘটে।
অতএব, মুনাফা নির্ধারণের জন্য তদন্ত সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত করা যায়।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-20, Rule-12.Decree for possession and mesne profits:
(1) Where a suit is for the recovery of possession of immoveable property and for rent or mesne profits, the Court may pass a decree
(a) for the possession of the property;
(b) for the rent or mesne profits which have accrued on the property during a period prior to the institution of the suit or directing an inquiry as to such rent or mesne profits;
(c) directing an inquiry as to rent or mesne profits from the institution of the suit until
(i) the delivery of possession to the decree-holder, 
(ii) the relinquishment of possession by the judgmentdebtor with notice to the decree-holder through the Court, or
(iii) the expiration of three years from the date of the decree, whichever event first occurs.
(2) Where an inquiry is directed under clause (b) or clause (c), a final decree in respect of the rent or mesne profits shall be passed in accordance with the result of such inquiry.

১১,২৭৬.
আদালত কাউকে নিঃস্ব নয় ঘোষণা করতে হলে কতদিনের নোটিশ দিতে হয়?
  1. ৫ দিনের
  2. ৭ দিনের
  3. ১৫ দিনের
  4. ৩০ দিনের
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৩৩ বিধি-৯ এর বিধান নিঃস্ব হতে মুক্তি (Dispaupering): আদালত বাদীকে কমপক্ষে ৭ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে নিঃস্ব ব্যাক্তি নয় মর্মে আদেশ দিতে পারেন যদি-
মোকদ্দমা চলাকালে বাদী বিরক্তিকর বা অসঙ্গত আচরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়, বা  তার এরূপ আর্থিক সংস্থান রয়েছে যাতে তার নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করা উচিত নয়, বা
- সে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে এমন কোন চুক্তি করেছে যাতে অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত বিষয়বস্তুতে স্বার্থ লাভ করেছে। 
১১,২৭৭.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী এবং 'খ' তার স্ত্রী। 'খ' স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকরির সংস্থান করার উদ্দেশ্যে উপহার গ্রহণ করেছেন, যা একটি অপরাধ। 'খ' দণ্ডবিধির কোন ধারায় দণ্ডিত হবেন?
  1. ১৬২
  2. ১৬৩
  3. ১৬৪
  4. ১৬৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারী কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারী কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

- দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা:- যে সরকারী কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারী কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

-অর্থাৎ ১৬৩ ধারায় সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগকারী ব্যক্তি এবং ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী দণ্ডিত হবেন।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section -63.Taking gratification, for exercise of personal influence with public servant:
-Whoever accepts or obtains, or agrees to accept or attempts to obtain, from any person, for himself or for any other person, any gratification whatever, as a motive or reward for inducing, by the exercise of personal influence, any public servant to do or to forbear to do any official act, or in the exercise of the official functions of such public servant to show favour or disfavour to any person, or to render or attempt to render any service or disservice to any person with the Government or Legislature, or with any public servant, as such, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

⇒ The Penal Code, 1860- Section-164: Punishment for abetment by public servant of offences defined in section 162 or 163:
-Whoever, being a public servant, in respect of whom either of the offences defined in the last two preceding sections is committed, abets the offence, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

Illustration:
A is a public servant. B, A's wife, receives a present as a motive for soliciting A to give an office to a particular person. A abets her doing so. B is punishable with imprisonment for a term not exceeding one year, or with fine, or with both. A is punishable with imprisonment for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
১১,২৭৮.
According to Section 350 of The Penal Code, what is necessary for a person to be considered to have used criminal force?
  1. The person must cause physical injury
  2. The person must intend to cause only minor annoyance
  3. The person must use force intentionally without consent
  4. The person must use force with the consent of the other party
ব্যাখ্যা
Answer: (C) The person must use force intentionally without consent.
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 
১১,২৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) প্রদত্ত ক্ষমতা কে প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. সরকার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১(২) অনুসারে, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা তিনিই নিজেই প্রত্যাহার করতে পারেন। একইভাবে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাও তিনিই প্রত্যাহার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যাহৃত  হতে পারবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.

১১,২৮০.
ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণের
  2. পক্ষগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের
  3. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।

Section 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.

১১,২৮১.
আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করলে, সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত ব্যয় আরোপ করা যায়?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৫খ: অন্তর্বর্তীকালীন (interlocutory) বিষয়সমূহে দেরিতে আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিলের কারণে ব্যয়:
(১) যদি মামলার কোনো পর্যায়ে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো পক্ষ তার আবেদন বা লিখিত আপত্তি দাখিল না করে, তাহলে ওই আবেদন বা লিখিত আপত্তি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না, যতক্ষণ না উক্ত পক্ষ অপর পক্ষকে আদালত নির্ধারিত সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

(২) যদি লিখিত বিবৃতি (Written Statement) দাখিলের পর কোনো পক্ষ এমন কোনো আবেদন করে, যা আদালতের মতে এর আগেই করা উচিত এবং সম্ভব ছিল, এবং যা মামলার মূল কার্যক্রমকে বিলম্বিত করার সম্ভাবনা রাখে, তাহলে আদালত আবেদনটি গ্রহণ করতে পারে; কিন্তু আবেদনটির শুনানি বা নিষ্পত্তি করবে না, যতক্ষণ না আবেদনকারী পক্ষ অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় পরিশোধ করে।

আর যদি ব্যয় পরিশোধ না করা হয়, তাহলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ (rejected) হিসেবে গণ্য হবে।

১১,২৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে প্রমাণ করতে হবে-
  1. শুধু দখল
  2. শুধু স্বত্ব
  3. দখল এবং স্বত্ব
  4. সম্পত্তি হতে আইনগত পন্থা ছাড়া বেদখল
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে।

- ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধিকারী।

Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
১১,২৮৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় নির্জন কারাবাসের বিধান আছে?
  1. ৫৩
  2. ৬৩
  3. ৭৩
  4. ৭৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান: নির্জন কারাবাস:
-
যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত। 
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-73: Solitary confinement:
-Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.
১১,২৮৪.
বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে এটি কোথায় বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬ (১)
  3. অনুচ্ছেদ ৬ (ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন
১১,২৮৫.
When does Order 20 Rule 10 apply?
  1. When the suit is for movable property
  2. When the suit is for immovable property
  3. When the suit involves financial compensation
  4. None of above
ব্যাখ্যা
Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।
১১,২৮৬.
'Mesne profit' বলতে কী বুঝায়?
  1. চুক্তি মোতাবেক দখল থেকে মুনাফা লাভ
  2. অস্থায়ী কোন সময়ের জন্য দখল করে লাভ
  3. বেআইনিভাবে দখল করে লাভ
  4. আইনগতভাবে দখল করে লাভ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো,সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from,together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
১১,২৮৭.
আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি-
  1. আপিলযোগ্য ডিক্রি
  2. আপিলঅযোগ্য আদেশ
  3. আপিলযোগ্য আদেশ
  4. আপিলঅযোগ্য ডিক্রি
ব্যাখ্যা
• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১১,২৮৮.
বে-আইনি শ্রমে বাধ্য করা- দণ্ডবিধির কত ধারার অপরাধ?
  1. দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৩৭৩ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারার বিধান বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা :- (১) কোন ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোন ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
----------------
Unlawful compulsory labour
Section 374. (1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both. 
 
(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year. 
 
Explanation. In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949,
১১,২৮৯.
'অর্থ পরিশোধের ডিক্রির কার্যকরিতে কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী নারীকে গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না'- দেওয়ানি কার্যিবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৮
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬– অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যনির্বাহে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.]
১১,২৯০.
The Specific Relief Act, 1877 এর ২২ ধারায় বিধান মতে কয়টি বিশেষ ক্ষেত্র বিবেচনায় আদালত Solatium এর আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
♦Solatium অর্থ হলো সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি প্রমাণিত হলেও বিক্রেতার কাষ্টলাঘবের জন্য ক্রেতাকে সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে চুক্তি বলবৎ অগ্রাহ্য করা যায়।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ |solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
১১,২৯১.
তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুসারে কোন ধরনের সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে?
  1. সরকারী কার্যের অংশ হিসেবে বিবাদী যে সময় দেশের বাইরে থাকে 
  2. এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় 
  3. আইনগত কার্যধারায় ব্যয়িত সময়
  4. যথেষ্ট কারণে ব্যয়িত সময়
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
---------
Exclusion of time in legal proceedings:
12. (1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded.
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded.
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded.
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.

১১,২৯২.
'ক' এক মামলায় 'গ' কে নিজের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। আদালত 'গ' কে 'ক' এর স্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দেয়। পরবর্তীতে 'চ' নামক এক ব্যক্তি দাবি করেন যে, 'গ' তার স্ত্রী এবং তিনি 'ক' এর বিরুদ্ধে 'গ' কে ফিরিয়ে আনার জন্য মামলা করে। এক্ষেত্রে পূর্ববর্তী রায়-
  1. বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. 'চ' এর উপর কার্যকর হবে
  4. 'চ' এর উপর কার্যকর হবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।

এক্ষেত্রে,
'ক' ও 'গ' এর মামলার রায় চ'র উপর বাধ্যকর নয়। কারণ 'চ' সেই মামলার পক্ষ ছিলেন না। সুতরাং তার দাবি আদালতে নতুন করে বিচার করা হবে এবং পূর্বের রায় তার উপর প্রযোজ্য হবে না।
১১,২৯৩.
কিসের উপর ভিত্তি করে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন?
  1. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে
  2. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. স্বপ্রনোদিত হয়ে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা-৫২৬ এ হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-

১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-

১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
১১,২৯৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে সরকার কোন ব্যক্তির উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. ধারা ৪২
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৪০
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১ (শিরোনাম: Withdrawal of powers) অনুযায়ী, সরকার যে কোন ব্যক্তি বা কর্মকর্তার উপর অর্পিত ক্ষমতা, তা সে সরকার নিজে প্রদান করুক বা অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রদান করুক, তা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে প্রত্যাহার করতে পারে।
এছাড়াও, যদি কোনো ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের পরামর্শে প্রদান করা হয়ে থাকে, তবে তা প্রত্যাহারেও হাইকোর্ট বিভাগের পরামর্শ নিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 41: Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১১,২৯৫.
আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে বাদী-
  1. নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে না
  2. নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে
  3. আরজি সংশোধন করতে পারবে না
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর ১১ বিধিতে উল্লেখিত যে কোন কারণে আরজি প্রত্যাখ্যাত করা হলে, বাদী পরবর্তীতে একই মোকদ্দমার কারণ সমন্ধে নতুন আরজি দাখিল করতে পারবে।  

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখানের কারণগুলো দেয়া রয়েছে।দেওয়ানী আদালত ৪টি কারণে আরজি প্রত্যাখান করতে পারে। যথা-

(ক) আরজিতে মামলার কারণ (cause of action) উল্লেখ না করলে।
(খ) আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম করে উল্লেখ করা হলে এবং আদালতের নির্দেশমত নির্ধারিত সময় বা সর্বাধিক ২১ দিনের মধ্যে মোকদ্দমায় মূল্যমান সংশোধন এবং অতিরিক্ত কোর্ট ফি প্রদান করতে ব্যর্থ হলে।
(গ) অপর্যাপ্ত স্টাম্প পেপারে লিখলে এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে।
(ঘ) মামলাটি কোনো আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা বারিত হলে। যেমন- তামাদি আইনে বারিত হলে, আদালত আরজি প্রত্যাখান করতে পারে।

• বিধি-১৩ঃ যেক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যাত হলে নতুন আরজি দাখিলে বাধা নেই-
পূর্বে উল্লেখিত যে কোন কারণে আরজি প্রত্যাখ্যাত করা হলে স্বীয় প্রভাবে একই মোকদ্দমার কারণ সমন্ধে নতুন আরজি দাখিলে বাদীকে বাধা প্রদান করবে না।

Where rejection of plaint does not preclude presentation of fresh plaint-
The rejection of the plaint on any of the grounds hereinbefore mentioned shall not of its own force preclude the plaintiff from presenting a fresh plaint in respect of the same cause of action.
১১,২৯৬.
যখন একটি অপরাধ কিছুটা আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং বাকি কিছুটা আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, তখন এর বিচার কীভাবে হবে?
  1. শুধু প্রথম এলাকার আদালতে
  2. শুধু দ্বিতীয় এলাকার আদালতে
  3. উচ্চ আদালতের অনুমতি নিয়ে
  4. যেকোনো একটি এলাকার আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮২ অনুসারে, অপরাধটি যখন আংশিকভাবে এক স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য এলাকায় সংঘটিত হয়, তখন যেকোনো একটি এলাকার আদালতে অনুসন্ধান বা বিচার করা যাবে, যেখানে সেই এলাকার বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন স্থানে বা এলাকায় অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা অনিশ্চিত থাকে অথবা আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অপর একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়, সেক্ষেত্রে যেকোনো একটি এলাকা যে আদালতের অধিক্ষেত্রভুক্ত সেই আদালতে উক্ত অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার করা যাবে - এতে কোনো বাধা নেই।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ১৮২: অপরাধের স্থান অনিশ্চিত বা একাধিক জেলার মধ্যে অথবা অপরাধ চলমান হলে বা একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হলে অনুসন্ধান বা বিচার কোথায় হবে:
যখন এটি অনিশ্চিত যে, কোন একাধিক এলাকার মধ্যে কোথায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা
যখন অপরাধটি এক এলাকার একটি অংশে এবং অন্য একটি এলাকায় তার অন্য অংশে সংঘটিত হয়, অথবা
যখন অপরাধটি চলমান এবং একাধিক এলাকায় সংঘটিত হচ্ছে, অথবা
যখন অপরাধটি একাধিক কাজের সমন্বয়ে সংঘটিত হয় যা বিভিন্ন এলাকায় করা হয়েছে,
তাহলে এই ধরনের অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার যে কোনো একটি এলাকার আদালতে করা যেতে পারে, যেখানে সেই এলাকার বিচারিক এখতিয়ার রয়েছে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-182: Place of inquiry or trial where the scene of offence is uncertain or not in one district only or where the offence is continuing or consists of several acts:
When it is uncertain in which of several local areas an offence was committed, or
where an offence is committed partly in one local area and partly in another, or
where an offence is a continuing one, and continues to be committed in more local areas than one, or
where it consists of several acts done in different local areas,
it may be inquired into or tried by a Court having jurisdiction over any of such local areas.

১১,২৯৭.
কত বছরের শিশুকে পরিত্যাগ করলে পিতা বা মাতার ৭ বছরের কারাদন্ডহবে-
  1. ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  2. ৯ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  3. ৩ মাসের নিম্ন বয়স্ক শিশু
  4. ১ মাসের নিম্ন বয়স্ক শিশু
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩১৭ ধারা অনুযায়ী, পিতা বা মাতা কিংবা শিশুর দায়িত্বেরত কোন ব্যক্তি যদি ১২ বছরের নিম্ন বয়স্ক শিশুকে পরিত্যাগ করে তাহলে তার শাস্তি হতে পারে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
১১,২৯৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ঘোষণামূলক মোকদ্দমার বিধান আছে?
  1. ৩২ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৩৮ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
 
⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
--------------
⇒ SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১১,২৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধানানুযায়ী কোন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর থেকে লাশ তোলা হয়?
  1. ১৭৫ ধারা
  2. ১৭৩ ধারা
  3. ১৭৪ ধারা
  4. ১৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারায় কবর থেকে লাশ তোলার বিধান রয়েছে। কবর থেকে লাশ তোলার এবং তা পরীক্ষা করার ক্ষমতা ম্যাজিস্ট্রেটের। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারামতে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনের জন্য মৃতদেহ কবর থেকে তুলতে পারেন।

- ধারা-১৭৬(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতাঃ যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতোপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
---------
The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 176. Inquiry by Magistrate into cause of death:
(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence. The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.

⇒ Power to disinter corpses:

(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১১,৩০০.
নাবালক বাদী কর্তৃক প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার __________ দ্বারা দায়ের করতে হবে।
  1. আইনি প্রতিনিধি
  2. আসন্ন বন্ধু
  3. অভিভাবক
  4. নিকট আত্মীয়
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ৩২, বিধি-১ এ বলা হয়েছে every suit by minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor. নাবালকের পক্ষে তার হিতৈষী এমন আত্মীয় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
⇒ বিধি-১ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়: নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।

⇒ বিধি-২ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু' ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।
----------
CPC Order-32 Rule-1. Minor to sue by next friend:
- Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

CPC Order-32 Rule-2. Where suit is instituted without next friend, plaint to be taken off the file:
(1) Where a suit is instituted by or on behalf of a minor without a next friend, the defendant may apply to have the plaint taken off the file, with costs to be paid by the pleader or other person by whom it was presented.

(2) Notice of such application shall be given to such person, and the Court, after hearing his objections (if any), may make such order in the matter as it thinks fit.