বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

মোট প্রশ্ন৩১৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩১৬

২০১.
ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড কোনটি?
  1. কালাপানি
  2. ইম্ফল
  3. লাদাখ
  4. সিয়েচেন হিমবাহ
সঠিক উত্তর:
কালাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাপানি
ব্যাখ্যা
• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- বর্তমানে যেসব স্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে সেগুলো হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ ও সুস্তা।
- ২ নভেম্বর ২০১৯ সালে ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে।
- উক্ত মানচিত্রে বিতর্কিত ভূমি কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।

অন্যদিকে:
- সিয়েচেন হিমবাহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল,
- লাদাখ ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, এবং
- ইম্ফল ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 
২০২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট কোনটি?
  1. ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
  2. খ) রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন
  3. গ) জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম
  4. ঘ) জার্মানি, রাশিয়া, জাপান
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা
•  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান। 
২০৩.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

উৎসঃ ফিলিস্তিন সরকারের ওয়েবসাইট।
২০৪.
কসোভো কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আলবেনিয়ায়
  2. খ) সার্বিয়ায়
  3. গ) রুমানিয়ায়
  4. ঘ) গ্রিসে
সঠিক উত্তর:
খ) সার্বিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্বিয়ায়
ব্যাখ্যা
- কসোভো ইউরোপের বলকান অঞ্চলের একটি রাষ্ট্র;
- যা আগে সার্বিয়ার প্রদেশ ছিল।
- ১৯৯৯ সাল থেকে প্রদেশটি রাষ্ট্রপুঞ্জের তত্ত্বাবধানে ছিল।
- ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ শতাধিক দেশ ইতিমধ্যে কসোভোকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- রিপাবলিক অব কসোভোকে বিশ্বের ১১৪তম দেশ হিসেবে এবং
- ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স) এর ৩৭তম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।
উৎস: আনন্দবাজার পত্রিকা।
২০৫.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  2. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
  3.  শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  4. ক+গ
সঠিক উত্তর:
ক+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+গ
ব্যাখ্যা

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
- আবু মুসা দ্বীপ ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই দাবি করে।
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

২০৬.
'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় কোথায়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• 'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় লিবিয়ায়। 

Operation Odyssey Dawn: 
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত (১৯৭৩) বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত।
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো অংশ নিয়েছিল বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ইতালি, হল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, রোম, আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের বিমান বাহিনী।
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২০৭.
বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আন্দামান সাগর
  2. পারস্য উপসাগর
  3. পীতসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন। এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica. 
ii) BBC.

২০৮.
বিশ্বের কোন নগরটি দু'টি মহাদেশে অবস্থিত?
  1. Cairo
  2. Casablanca
  3. Istanbul
  4. Paris
সঠিক উত্তর:
Istanbul
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Istanbul
ব্যাখ্যা

 ইস্তানবুল
- ইস্তানবুল তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমভাগে অবস্থিত।
- নগরীটি দেশটির বৃহত্তম শহর, প্রধান সমুদ্রবন্দর, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক কেন্দ্র।
- দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী হচ্ছে তুরস্কের ইস্তানবুল।
- নগরীটি ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথককারী।
- কৃষ্ণ সাগর ও মার্মারা সাগরকে সংযুক্তকারী সরু বসফরাস প্রণালীটির পূর্ব ও পশ্চিম অংশ জুড়ে অবস্থিত।
- ইস্তানবুল হচ্ছে সবচেয়ে জনবহুল ইউরোপীয় শহর এবং বিশ্বের ১৫তম বৃহত্তম শহর।
- এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল।
 -এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামেও পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

২০৯.
কোন দেশ দুটির মধ্যকার সংঘাত ইতিহাসে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' নামে পরিচিত?
  1. ক) ইসরায়েল ও মিসর
  2. খ) মিসর ও ফিলিস্তিন
  3. গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
  4. ঘ) ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিলিস্তিন ও জর্ডান
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন ও জর্ডানের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ হয় ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে, যা ইতিহাসে আইলুল আল-আসওয়াদ বা  ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত।
১০ দিনের এই যুদ্ধে পিএলও এর বহু নেতাকর্মী নিহত হয় এবং জর্ডান থেকে বহু ফিলিস্তিনিদেকে উচ্ছেদ করা হয়।
এর প্রতিবাদস্বরূপ ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামক গেরিলা সংগঠনটির উদ্ভব হয়।
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর কোন স্বাধীনতাকামী সংগঠন নয়, মূলত একটি গেরিলা সংগঠন।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট। 
২১০.
‘বুবি ট্র্যাপ’ কী?
  1. গোপন তথ্য
  2. বিস্ফোরক ফাঁদ
  3. সাইবার আক্রমণ
  4. গ্যাস লিংক
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক ফাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ফোরক ফাঁদ
ব্যাখ্যা
• ‘বুবি ট্র্যাপ’ হলো- বিস্ফোরক ফাঁদ। 

• ‘বুবি ট্র্যাপ’:
- ‘বুবি ট্র্যাপ’ হলো একটি ডিভাইস বা তৈরি করা ফাঁদ, মানুষ বা অন্য প্রাণীকে হত্যা বা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- সম্প্রতি, লেবাননের সীমান্ত এলাকাজুড়ে ছোট কৌশলগত ইউনিট দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ইসরায়েলের বিশেষ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে।
- হিজবুল্লাহর অবকাঠামো খুঁজে পেতে ও ধ্বংস করতে তারা ৭০টির বেশি তল্লাশি চালিয়েছে।

সূত্র:
- ব্রিটানিকা, প্রথম আলো।
২১১.
নাগর্নো-কারাবাখ কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. জর্জিয়া ও আর্মেনিয়া
  2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. রাশিয়া ও তুরস্ক
  4. আর্মেনিয়া ও জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

২১২.
নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে চলমান সংঘাত নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে -
  1. কাতার
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

নাগার্নো-কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান-এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ সম্প্রতি ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
- চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশ সব ধরনের যুদ্ধ চিরতরে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ভ্রমণ, ব্যবসা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্মুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের পূর্বে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল অঞ্চল নিয়ে চলমান সংঘাত নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে রাশিয়া।

উৎস: i) Britannica.
ii) Reuters.

২১৩.
'দিয়াগো গার্সিয়া' কোন দেশের অধীনে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল ।

উল্লেখ্য,
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপটি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রনে হলেও দ্বীপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লিজ দেয়া হয়েছে।
- এর মেয়াদ ২০৩৬ সাল পর্যন্ত। 
- এখানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি সামরিক ঘাটি।
- চীন ও ভারতের মধ্যে ভারত মহাসহাগর ও বঙ্গোপসাগর কেন্দ্রিক আধিপত্য লড়াইয়ের প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এ দ্বীপ।
- ২০১৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের ইন্টারন্যশনাল কোর্ট অব জাস্টিস রায় দেয় ব্রিটেনকে অবশ্যই দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লিখিত বিবৃতিতে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্র বা ব্রিটেন কারোর তরফ থেকেই সেখানে সামরিক ঘাটি ব্যবহার বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই।

উৎস: Britannica.
২১৪.
চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কোন দ্বীপ নিয়ে বিরোধ চলছে?
  1. পেরেজিল দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. কুরিল দ্বীপ
  4. স্প্রাটলি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সেনকাকু: 
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
- সেনকাকু দ্বীপ : চীন – জাপান। 
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত। 
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন। 
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান। 
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা। 
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ। 
২১৫.
সুয়েজ খালকে ঘিরে কত সালে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যকার যুদ্ধ শুরু হয়?
  1. ক) ১৯৫৮
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৬০
  4. ঘ) ১৯৬৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের সুয়েজ খাল সংকট
যুদ্ধ সংঘটনকাল :অক্টোবর, ১৯৫৬ - মার্চ, ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত৷
বিবাদমান পক্ষসমূহ: মিশর এবং ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
ফলাফল: মিশর পরাজিত। 

১৯৫৬ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের সুয়েজখাল জাতীয়করণের ঘোষণা দিলে ইসরায়েল ১৯৫৬ সালের ২৯ অক্টোবর মিশর আক্রমণ করে। তারা সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা সহ সুয়েজখালের পূর্বদিকের অনেক অঞ্চল দখল করে নেয়। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগকারী জলপথটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। তাদের ভয় ছিলো যে মিশর এই খালের মাধ্যমে ইউরোপে পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজ আটকে দিতে পারে। ফলেও তারাও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং ইসরায়েলকে পূর্ণ সমর্থন দেয়।
ইসরায়েল সুয়েজ খালসহ সিনাই উপদ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র মিশরে সোভিয়েত উপস্থিতি ও প্রভাব বৃদ্ধি পাবে – এই আশঙ্কা - থেকে মিশরকে সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৯৫৬ সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সৈন্য প্রত্যাহার করে। কিন্তু ইসরায়েল তাদের দখলদারিত্ব বজায় রাখে। পরবর্তী ১৯৫৭ সালের মার্চে সৈন্য প্রত্যাহার করে।
জাতিসংঘ এই সংকটকে কেন্দ্র করে সিনাই উপদ্বীপে শান্তিরক্ষী মিশন প্রেরণ করে। ১৯৫৭ সালের মার্চে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, হিস্ট্রি ওয়েবসাইট।
২১৬.
নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. রাশিয়া ও আজারবাইজান
  2. আজারবাইজান ও তুরস্ক
  3. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  4. জর্জিয়া ও আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

২১৭.
১৯৯০ সালের কোন তারিখে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি পুনরায় একটি রাষ্ট্র গঠন করে?
  1. ক) ২ অক্টোবর (সকালে)
  2. খ) ২ অক্টোবর (মাঝরাতে)
  3. গ) ১ অক্টোবর (দুপুরে)
  4. ঘ) ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিকে দুভাগে ভাগ করে পশ্চিম জার্মানিতে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এবং পূর্ব জার্মানিতে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ থেকে ১৯৬১ সময়ে পূর্ব জার্মানি থেকে ২.৫ মিলিয়ন মানুষ পশ্চিম জার্মানিতে পালিয়ে যায় যার মধ্যে প্রচুর সংখ্যক পেশাজীবী ও দক্ষ জনশক্তি ছিলো।
- এতে করে পূর্ব জার্মানি সরকার শঙ্কিত হয়ে ১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণ শুরু করে।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর পূর্ব জার্মানি সরকার তার জনগণকে পশ্চিম জার্মানিতে অবাধে যাওয়ার ঘোষণা প্রদান করলে জার্মানির জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে বার্লিন দেয়াল ভাঙতে শুরু করে।
- বার্লিন দেওয়াল স্নায়ুযুদ্ধের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত।
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি পুনরায় একত্র হয়।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোর ডটকম)
২১৮.
যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ ভূখন্ডটির নাম কী?
  1. গুয়ানতানামো বে
  2. রোবেন দ্বীপ
  3. সুবিক বে
  4. সিসিলি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গুয়ানতানামো বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুয়ানতানামো বে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ ভূখন্ডটির নাম গুয়ানতানামো বে।

গুয়ানতানামো বে:
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- আমেরিকান আইন-কানুন এবং মানবাধিকারের ধারাগুলোকে ফাঁকি দিতে স্বদেশভূমির বাইরে ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার গুয়ানতানামো বে প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিতে এই কারাগারটি স্থাপন করা হয়।
- ১৯০৩ সালের হাভানা চুক্তির আওতায় কিউবা থেকে ইজারা নিয়ে ওই দ্বীপ এলাকায় মার্কিন এই সামরিক ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল।
- এই কারাগার বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন হলো কিউবায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের একটি সুরক্ষিত ও গোপনীয় বন্দি শিবির।
- ‘নাইন-ইলেভেন’ হামলার পর ২০০২ সালের ১১ জানুয়ারি কিউবায় কারাগারটি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
- কিউবার মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।

অন্যদিকে,
- সুবিক বে: প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। ১৯৯২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের কাছে হস্তান্তর করে।
- সিসিলি দ্বীপ: ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত ইতালির মালিকানা বর্তমানে।

উৎস: Britannica.
২১৯.
বিরোধপূর্ণ দ্বীপ 'প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ' কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ চীন সাগর
  2. লোহিত সাগর
  3. জাপান সাগর
  4. পূর্ব চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি প্রায় ১৩০টি প্রবাল দ্বীপ ও প্রাচীর নিয়ে গঠিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন।
- এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২২০.
কোন আন্দোলনের সাথে 'পঞ্চশীলা' নীতির সর্ম্পক রয়েছে?
  1. ক) জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
  2. খ) অসহযোগ আন্দোলন
  3. গ) নকশাল আন্দোলন
  4. ঘ) ফরায়েজি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ক) জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• 'পঞ্চশীলা' নীতি:
 ১৯৫৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারত-চীন সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য পাঁচটি নীতি গৃহীত হয়েছিল। এই পাঁচটি নীতি 'পঞ্চশীলা' নামে পরিচিত। 'পঞ্চশীলা" নীতি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথকে আরোও ত্বরান্বিত করেছিল।

• এই পাঁচটি নীতি হলো:
[১] শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান;
[২] ভূঅখণ্ডতা এবং সার্বভৌমিকতা সম্পর্কে পারস্পরিক শ্রদ্ধা; 
[৩] অনাগ্রাসন; 
[8] অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা;
[৫] সমতা ও পারস্পরিক সুবিধা।

• এই ‘পঞ্চশীল নীতির ওপর ভিত্তি করেই জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। তবে বান্দুং সম্মেলন ও কায়রো সম্মেলনে জোট গঠনের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা এবং নেতা ছিলেন ভারতের পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার মার্শাল টিটো, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ন, মিশরের নাসের এবং ঘানার নক্রমা।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২২১.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ক) ইসরাইল ও জর্ডান
  2. খ) ভারত ও পাকিস্তান
  3. গ) চীন ও তাইওয়ান
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- লাইন অব কন্ট্রোল : ভারত ও পাকিস্তান
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল : ভারত ও চীন
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(সূত্র: ব্রিটানিকা)
২২২.
'দোনেৎস্ক' ও 'লুহানস্ক' অঞ্চল কোন দেশের অংশ?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. বেলারুশ
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক:
- ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত।
- পূর্ব ইউক্রেনের এই অঞ্চলটি কয়লা ও ভারী শিল্পে সমৃদ্ধ।
- ২০১৪ সাল থেকে দনবাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে রাশিয়া।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে মস্কো।
- তখন দনবাসের বেশির ভাগ এলাকা দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।
- বর্তমানে দনবাসের প্রায় ১৭ হাজার ৯৮০ বর্গমাইল বা প্রায় ৮৮ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে।
- এর মধ্যে লুহানস্কের প্রায় পুরোটা ও দোনেৎস্কের চার ভাগের তিন ভাগ রুশ বাহিনীর দখলে রেখেছে।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে পূর্বাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল দনবাসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে দেওয়ার কথা বলেন। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২২৩.
সম্প্রতি আফগানিস্তান-পাকিস্তান সংঘর্ষের জন্য দায়ী সংগঠন কোনটি? 
  1. তেহরিক-ই পাকিস্তান 
  2. তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান
  3. লস্কর–ই–তাইয়েবা
  4. বালুচ লিবারেশন আর্মি
সঠিক উত্তর:
তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষ:
- ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষের মূল কারণ হিসেবে পাকিস্তান সরকার “তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (TTP)” নামের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে।
- পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, TTP-এর সন্ত্রাসীরা আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয় নিচ্ছে এবং সেখান থেকে পাকিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে।

- পাকিস্তান সরকার আফগান তালেবান প্রশাসনের ওপর অভিযোগ তোলে যে তারা TTP-কে দমন না করে বরং নীরবে সহায়তা দিচ্ছে।
- এর ফলে সীমান্তের তোরখাম, চামান ও কুর্রাম এলাকায় তীব্র গোলাগুলি, বিমান হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে।

- আফগান পক্ষ পাল্টা অভিযোগ করে যে পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে এবং বেসামরিক এলাকায় হামলা চালাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এবিসি নিউজ।

২২৪.
মায়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৮
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২
ব্যাখ্যা
- রোহিঙ্গা শব্দটি সাধারণত মায়ানমার এর রাখাইন (আরাকান) রাজ্যে কেন্দ্রীভূত মুসলমানদের একটি সম্প্রদায়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- তারা বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিবেচিত হয়। 
- একবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, রাখাইন রাজ্যের জনসংখ্যার আনুমানিক এক-তৃতীয়াংশ রোহিঙ্গা ছিল।
- মায়ানমারের প্রায় সব রোহিঙ্গাই রাষ্ট্রহীন, মিয়ানমারে "জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব" পেতে অক্ষম.
-  কারণ ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গাদের ১৩৫টি স্বীকৃত জাতীয় জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। 
- আইনটি ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত জাতিগত জাতীয়তার তালিকার মধ্যে কঠোরভাবে পড়েনি এমন রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে নির্বিচারে প্রয়োগ করা হয়েছিল। 
- ২০১২ সাল থেকে, প্রস্তাবিত আইন প্রণয়ন ব্যবস্থার (যার মধ্যে কয়েকটি মিয়ানমারের পার্লামেন্টে পাস হয়েছিল) সহ অন্যান্য উন্নয়নের ফলে রোহিঙ্গাদের সীমিত অধিকারের উপর আরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

উৎস: Britannica
২২৫.
বার্লিন দেয়ালের পতন হয় -
  1. ক) ১৯৮8 সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• জার্মান একত্রীকরণ:
- ১৯৪৯ সালের ৭ অক্টোবর জন্ম পূর্ব জার্মানির।
- আর ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল তৈরি করে কৃত্রিমভাবে জার্মা-নিকে বিভক্ত করে রাখা হয়েছিল।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন হয়। জার্মান একত্রীকরণের পথ এতে করে ত্বরান্বিত হয়। 
- দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯০ সালের ১৬ মে।
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানির অবলুপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

• আর ২ ডিসেম্বর (১৯৯০) যুক্ত জার্মানির প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই জার্মানির একত্রীকরণ ছিল বিংশ শতাব্দীর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময় বিশ্ব দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল।
- একভাগে ছিল মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব, অন্যদিকে ছিল সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ।
- এই বিভক্তিই জার্মানিকে বিভক্ত করে রেখেছিল।
- পশ্চিম জার্মানিতে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছিল।
- আর পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২২৬.
কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. সেনকাকু
  2. হোক্কাইডো
  3. স্প্রাটলি
  4. মালভিনাস
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
ব্যাখ্যা
সেনকাকু:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ।
২২৭.
বার্লিনের দেওয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৪৬
  2. খ) ১৯৪৮
  3. গ) ১৯৬১
  4. ঘ) ১৯৬২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬১
ব্যাখ্যা
১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলে মিত্রশক্তি জার্মানিকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।
এতে পশ্চিম জার্মানি মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে এবং পূর্ব জার্মানি সােভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- এই বিভাজনের অংশ হিসেবে ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল নির্মিত হয়।
- তবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় ১৯৮৯ সালের ১ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানি পুনরায় একত্র হয়।

উৎসঃ history.com
২২৮.
দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা দাবিকারী দেশগুলির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জাপান
  2. চীন 
  3. ফিলিপাইন
  4. ভিয়েতনাম 
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

- জাপান দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা দাবিকারী দেশগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

• দক্ষিণ চীন সাগর: 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- যা ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত কারণে আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ,
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।

• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি।

২২৯.
কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চিরস্থায়ী নাম-
  1. ক) কাশাভুবু
  2. খ) প্যাট্রিক লুমুম্বা
  3. গ) শোম্বে
  4. ঘ) মবুতু
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাট্রিক লুমুম্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাট্রিক লুমুম্বা
ব্যাখ্যা
কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ের চিরস্থায়ী নাম প্যাট্রিক লুমুম্বা।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। সংক্ষেপে ডিআরসি অথবা ডিআর কঙ্গো।
রাজধানী কিনসাসা। ১
৯৬০ সালে ডিআর কঙ্গো ৭৫ বছরের বেলজিয়াম উপনিবেশ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎসঃ www.history.com
২৩০.
Ukraine is located on the shore of -
  1. ক) Mediterranean Sea
  2. খ) Baltic Sea
  3. গ) Aegean Sea
  4. ঘ) Black Sea
সঠিক উত্তর:
ঘ) Black Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Black Sea
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।
ডনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২৩১.
গোবি মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. মঙ্গোলিয়া ও চীন
  2. মঙ্গোলিয়া ও কাজাখস্তান
  3. চীন ও রাশিয়া
  4. নেপাল ও চীন
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
• গোবি মরুভূমি:
- গোবি মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- গোবি মরুভূমি দৈর্ঘ্য - ১০০০ মাইল (১৬০০ কিমি) এবং প্রস্থ - ৩০০ থেকে ৬০০ মাইল (৫০০ থেকে ১০০০ কিমি)।
- এই মরুভূমির আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

এছাড়াও,
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র।
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা।

উৎস: Britannica.com.
২৩২.
শাত-ইল-আরব জলপথ নিয়ে সীমান্ত বিরোধ ছিল কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ইরান ও কুয়েত
  2. ইরান ও ইরাক
  3. ইরান ও সৌদি আরব
  4. ইরাক ও সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
ব্যাখ্যা
- শাত-ইল-আরব (Shatt al-Arab) জলপথ ছিল ইরান ও ইরাক এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু।

শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক - ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

সূত্র: Britannica.
২৩৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট লাতিন আমেরিকার কন্ট্রা বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সহায়তা করেছিলেন?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রোনাল্ড রেগান
  4. বারাক ওবামা 
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রেগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রেগান
ব্যাখ্যা

রোনাল্ড রেগান:
-  রোনাল্ড রেগান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট (১৯৮১–১৯৮৯)।
- তিনি পেশায় একজন হলিউড অভিনেতা ছিলেন।
- ১৯৮০ এর দশকে লেবাননে ইসলামিক গোষ্ঠীগুলির দ্বারা আটক মার্কিন জিম্মিদের মুক্তির জন্য ইরানকে গোপনে উন্নত মানের অস্ত্র বিক্রি করা হয়েছিল।
- ক্ষমতায় থাকাকালীন রোনাল্ড রেগান ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে যে অর্থ আয় হত সেই অর্থ দিয়েই নিকারাগুয়ার “কন্ট্রা” নামক বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করতেন।
- নিকারাগুয়ায় মার্ক্সবাদী স্যান্ডিনিস্টা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত ছিলো কন্টা বিদ্রোহীরা যাদেরকে রেগান গোপনে অর্থায়ন করত।
- আইনগত দিক থেকে, ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি এবং কন্টাদের সামরিক সহায়তা উভয়ই বেআইনি ছিল।
- এই ঘটনা ইতিহাসে পরিচিত “ইরান-কন্ট্রা কেলেঙ্কারি (Iran-Contra Affair)” নামে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল।
--------------------- 
অন্যদিকে, 
- জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট (১৭৮৯-১৭৯৭)। 
- আব্রাহাম লিংকন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট (১৮৬১-১৮৬৫)। 
- বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট (২০০৯-২০১৭)। 

উৎস: Britannica.

২৩৪.
‘প্রেয়া ভিহিয়ার' ও 'তা মুয়েন থম' মন্দির নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে?  
  1. ভারত ও নেপাল
  2. ভারত ও চীন  
  3. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  4. থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

- ‘প্রেয়া ভিহিয়ার ও তা মুয়েন থম মন্দির’ নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। 

• প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দির ও তা মুয়েন থম মন্দির: 
- এগুলো প্রাচীন হিন্দু মন্দির , যা ১১ম এবং ১২ম শতাব্দীতে খমের সাম্রাজ্যের সময় নির্মিত। 
- এটি কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের ডাঙ্গরেক পর্বতমালায় অবস্থিত। 
- উভয়ই ছিল শিব মন্দির। পরে বৌদ্ধ মঠ হিসেবে পরিণত হয়।
- ২০০৮ সালে প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যা পরবর্তী দ্বন্দ্বের একটি কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 
- ১৯৬২ এবং ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক আদালত এই স্থাপত্যটির ওপর কম্বোডিয়ার অধিকার রয়েছে বলে রায় দেয়।
- কিন্তু তা মানতে নারাজ থাইল্যান্ড। 
- তাদের অভিযোগ, ১১ শতকে নির্মিত প্রেয়াহ বিহার মন্দির কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে পড়েছে, যা ঠিক হয়নি।
- এই বিরোধও এখন পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি।  

অন্যদিকে, 
- তা মুয়েন থম মন্দির এটি প্রেয়া ভিহিয়ার মন্দিরের মতোই সীমান্ত দ্বন্দ্বের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৯০৪-১৯০৭ সালের  ফ্রাঙ্কো-সিয়ামিজ চুক্তিতে সীমান্ত নির্ধারণ করা হয়, যাতে "Annex I Map" অনুসারে মন্দিরটি কম্বোডিয়ান অংশে পড়ে। 
- কিন্তু থাইল্যান্ড দাবি করে যে সীমান্ত প্রাকৃতিক ওয়াটারশেড লাইন অনুসরণ করা উচিত, যা মন্দিরকে থাই অংশে নিয়ে যায়। 
- থাইল্যান্ডের অধীনে থাকলেও কম্বোডিয়া এর দখল চেয়েছে অনেকবার।  



উল্লেখ্য, 
- বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ২৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে সামরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়।
- ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের পাশাপাশি চীনা কূটনীতিক ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় ২৯ জুলাই থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া প্রাথমিকভাবে অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়।
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ (রোববার) শান্তিচুক্তির একটি যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করে।
- পরবর্তীতে  ১০ নভেম্বর, ২০২৫ সালে সীমান্তের কাছে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিজেদের দুই সেনা আহত হওয়ার ঘটনায় কম্বোডিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে থাইল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: 
i) Britannica 
ii) The Guardian (Link) 
 iii) UNESCO World Heritage Centre (Link)
iv) Samakal (Link) 

২৩৫.
সংঘাতপূর্ণ দোনেস্ক অঞ্চলটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. রাশিয়া
  3. কলম্বিয়া
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
- দোনেস্ক হলো ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলীয় প্রদেশ।
- ২০১৪ সালে রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর থেকে দোনেস্ক ও তার পার্শবর্তী লুহাস্ক অঞ্চলে রুশ সমর্থিত মিলিশিয়ারা স্বশাসন ঘোষণা করে অঞ্চলটির উপর নিজেদের নিয়্ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ২০১৫ সালে মিনস্ক চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সম্প্রতি অঞ্চলটিতে পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন সীমান্তে ব্যাপক রণ প্রস্তুতি পরিস্থিতিকে ক্রমেই জটিল করে তুলছে। পশ্চিমাবিশ্ব ও ন্যাটো জোট রাশিয়ার ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে)
২৩৬.
‘গ্রান্ড ক্যানিয়ন’ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. এশিয়া
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- গ্রান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
 
উৎস: Britannica.com
২৩৭.
স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত কোন প্রণালী?
  1. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগরকে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
- প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।

• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবং মালয়েশিয়া পৃথক করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৩৮.
দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল মিলে কোন ভূখণ্ড গঠিত?
  1. ক্রিমিয়া
  2. দনবাস
  3. ওডেসা
  4. বেলগোরোদ
সঠিক উত্তর:
দনবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দনবাস
ব্যাখ্যা

দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক:
- ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল নিয়ে দনবাস গঠিত।
- পূর্ব ইউক্রেনের এই অঞ্চলটি কয়লা ও ভারী শিল্পে সমৃদ্ধ।
- ২০১৪ সাল থেকে দনবাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে রাশিয়া।
- ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে মস্কো।
- তখন দনবাসের বেশির ভাগ এলাকা দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।
- বর্তমানে দনবাসের প্রায় ১৭ হাজার ৯৮০ বর্গমাইল বা প্রায় ৮৮ শতাংশ ভূখণ্ড রাশিয়ার দখলে।
- এর মধ্যে লুহানস্কের প্রায় পুরোটা ও দোনেৎস্কের চার ভাগের তিন ভাগ রুশ বাহিনীর দখলে রেখেছে।

সম্প্রতি,
- যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে পূর্বাঞ্চলের শিল্পাঞ্চল দনবাসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে দেওয়ার কথা বলেন। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৩৯.
'ট্রুম্যান ডাকট্রিন' ঘোষণা করা হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন: 
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডাকট্রিনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- এই প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এসেছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের রক্ষা করা।
- ট্রুম্যানের নীতির কারণেই ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- ১৯৫২ সালে গ্রিস ও তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেয়।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে, ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে, যা মার্শাল প্লান নামে পরিচিত। কিন্তু পূর্ব ইউরোপ মার্শাল প্ল্যান পরিত্যাগ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট-এর নামেই মার্শাল প্লান নামকরণ হয়েছিল ।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২৪০.
কোন দ্বীপটি 'নর্দান টেরিটরি' হিসেবে পরিচিত? 
  1. ক) দিয়াগো গার্সিয়া
  2. খ) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  3. গ) গ্রেট বেরিয়ার দ্বীপপুঞ্জ
  4. ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ: 

- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের 'নর্দান টেরিটরি' হিসাবে অভিহিত করে।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।
 
অপরদিকে,
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- জাপান-চীন-তাইওয়ান মধ্যে বিরোধ রয়েছে সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে যা পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস।
২৪১.
কালাপানি অঞ্চলটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও নেপাল
  3. ভারত ও চীন
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা

◉ কালাপানি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত হলেও নেপাল তাদের মানচিত্রে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে।

• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- এই দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধের প্রধান ক্ষেত্রগুলি হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ এবং সুস্তা।
- ২০১৯ সালের ২ নভেম্বর, ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে বিতর্কিত ভূখণ্ডগুলির মধ্যে কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্র প্রকাশের পর, নেপাল এটি নিয়ে আপত্তি জানায়।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

২৪২.
চীনের সাথে ভারত ও ভুটানের বিরোধপূর্ণ স্থান কোনটি?
  1. সিয়াচেন হিমবাহ
  2. লাদাখ
  3. ইম্ফল
  4. ডোকলাম
সঠিক উত্তর:
ডোকলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোকলাম
ব্যাখ্যা

ডোকলাম (Doklam)
- ভারত, চীন ও ভুটান -এই তিন দেশের জংশন হিসেবে বিবেচিত ডোকলাম মালভূমি।
- ভুটান, চীন ও ভারত সীমান্তে অবস্থিত ডোকলাম।
- ডোকলাম (Doklam) নিয়ে চীনের সাথে ভারত ও ভুটানের বিরোধ রয়েছে।
- দোকলাম সংকট আসলে শুধু ভারত-চীন উত্তেজনা নয়; বরং চীন-ভুটান সীমান্তবিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস এর মূলে রয়েছে।
- ভুটান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুবই সতর্ক রাষ্ট্র, কারণ চীন-ভারতের বিরোধে সরাসরি একপক্ষ নেওয়া তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
- ভারতের প্রধান উদ্বেগ- যদি চীন দোকলামে স্থায়ীভাবে রুট তৈরি করে, তবে সিলিগুড়ি করিডর হুমকির মুখে পড়বে।

অন্যদিকে,
- সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

২৪৩.
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ পুঞ্জের রাজধানী কোনটি?
  1. পোর্ট ব্লেয়ার
  2. সিকিম
  3. পুদুচেরি
  4. দাদরা
সঠিক উত্তর:
পোর্ট ব্লেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোর্ট ব্লেয়ার
ব্যাখ্যা
রাজধানী:
- পোর্ট ব্লেয়ার ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী

এছাড়াও,
- সিকিমের রাজধানী : গ্যাংটক।
- দাদরা ও নগর হাভেলির রাজধানী- দামান।
- পুদুচেরির রাজধানী- পুদুচেরি।

উৎস: knowindia.india.gov.in ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা
২৪৪.
সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. ভারত ও নেপাল 
  2. নেপাল ও ভুটান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

অন্যদিকে,
• ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
• ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২৪৫.
নাগাসাকি নগরীতে বিস্ফোরিত পারমাণবিক বােমার নাম কী ছিল?
  1. ক) Little Boy
  2. খ) Fat Man
  3. গ) Agni
  4. ঘ) Tomahawk
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয় এবং নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান
৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানে পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
২৪৬.
সিয়াচেন হিমবাহ কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও চীন 
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। 
- সিয়াচেন হিমবাহ অ-মেরু অঞ্চলের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম হিমবাহ।
- এটি হিমালয়ের কারাকোরাম পর্বতমালার অন্তর্গত এবং বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে অবস্থিত।
- হিমবাহটি ইন্দিরা কর্নেল থেকে শুরু হয়ে প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৭৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত, যা চীন-ভারত সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শুরু করে প্রায় ৫,৭৫৩ মিটার থেকে নেমে এসে ৩,৬২০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তরে একটি বিশাল নিষ্কাশন বিভাজন দ্বারা ঘেরা, যা ভারতীয় উপমহাদেশ ও কারাকোরাম অঞ্চলের ইউরেশীয় প্লেটকে পৃথক করে।
- ভারত এই সমগ্র হিমবাহ অঞ্চলকে কেন্দ্রশাসিত লাদাখ অঞ্চলের অংশ হিসেবে পরিচালনা করে।
- তবে পাকিস্তানও এই অঞ্চলটির দাবি করে এবং হিমবাহের পশ্চিমাংশে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
- এই হিমবাহ কেবল ভৌগোলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঞ্চল।

উৎস: World Atlas.
২৪৭.
বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সীমান্ত কোনটি ?
  1. ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
  2. খ) ভারত - পাকিস্তান সীমান্ত
  3. গ) পাকিস্তান - চীন সীমান্ত
  4. ঘ) মিয়ানমার - থাইল্যান্ড সীমান্ত
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশ-ভারত মোট সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।
source: dlrs.gov.bd
২৪৮.
'কালাপানি' কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ এলাকা? 
  1. ভারত ও ভুটান
  2. ভারত ও নেপাল
  3. ভারত ও চীন
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা

• কালাপানি:
- কালাপানি হলো ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি সীমান্ত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

⇒ নেপাল দাবি করে যে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নেপালের অংশ, যেহেতু সেখান দিয়ে মাহাকালী নদীর উৎস বইছে।
- ভারত বলে এটি তাদের ভূখণ্ড এবং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় প্রশাসনের অধীনে।

উল্লেখ্য,
- ১৮১৫ সালের সুগৌলি চুক্তি (Sugauli Treaty) অনুযায়ী ব্রিটিশরা নেপাল থেকে কিছু ভূখণ্ড নিয়েছিল।
- নেপাল দাবি করে ১৮১৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী কালি নদীর পূর্বাঞ্চল তাদের, কিন্তু ভারত সবসময় কালি নদীর উৎস এবং তার নদীর প্রবাহ বদলে যাওয়াসহ এই অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার নিয়ে নানা প্রমাণ হাজির করেছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।  
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত। যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।

তথ্যসূত্র:
i) BBC.
ii) Institute Of Peace & Conflict Studies.

২৪৯.
শ্রীলংকার 'হাম্বানটোটা' বন্দরটি কোন দেশ ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়েছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দর টি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার। এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত। কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
২৫০.
জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  2. খ) ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
  3. গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ঘ) ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল। তাই এর বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই।
তবুও উত্তরটা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর - ২৬ জুলাই, ১৯৯৪।
২৫১.
নিচের কোন দেশে 'ইদলিব' শহর অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
দেশ:
 - ইদলিব উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একটি শহর এবং প্রাদেশিক রাজধানী।
- এটি আলেপ্পো এবং লাতাকিয়ার মাঝপথে একটি উর্বর অববাহিকায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
- ইদলিব একটি গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল কেন্দ্র এবং সিরিয়ার উন্নত কৃষি জেলার একটি বাজার।
- প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে তুলা, জলপাই, ডুমুর, আঙ্গুর, টমেটো, তিল এবং বাদাম।
- স্থানীয় শিল্পের মধ্যে রয়েছে স্পিনিং এবং অলিভ অয়েল প্রেসিং।
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময়, শহরটির গুরুত্ব বেড়ে যায় যখন পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ২০১৮ সালে সিরিয়ার বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর শক্তিশালী  ঘাঁটিতে পরিণত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৫২.
কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. স্প্রাটলি
  2. পেরেজিল
  3. সেনকাকু
  4. ফকল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনকাকু
ব্যাখ্যা

সেনকাকু:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
- এই বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ এবং চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ‘ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট’-এর মাধ্যমে দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- তবে ১৯৭০-এর দশকে দ্বীপপুঞ্জের তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনা দেখা দিলে চীন এটির মালিকানা দাবি করতে শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে চীন এই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ সাল থেকে চীন নিয়মিত জাপানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
​- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ : যুক্তরাজ্য – আর্জেন্টিনা।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।
- পেরেজিল দ্বীপ : মরক্কো – স্পেন।
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া – ভিয়েতনাম।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা নিউজ।

২৫৩.
ইউরোপে অবাধ চলাচল সংক্রান্ত 'শেনজেন চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. বেলজিয়ামে
  2. হাঙ্গেরিতে
  3. ডেনমার্কে
  4. লুক্সেমবার্গে
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুক্সেমবার্গে
ব্যাখ্যা
শেনজেন চুক্তি:
- শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি যা ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৯৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচটি দেশ- ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস এবং লুক্সেমবার্গ-এর মধ্যে একটি আন্তঃসরকারি প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল এবং ধীরে ধীরে বিশ্বের বৃহত্তম বিনামূল্যে ভ্রমণ এলাকায় পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে ইউরোপের ২৯টি দেশ শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: শেনজেন ভিসা ইনফো ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
২৫৪.
শারম-আল-শেখ নিম্নের কোন দুটি জায়গার মধ্যে অবস্থিত?
  1. সিনাই উপদ্বীপের মরুভূমি এবং লোহিত সাগরের মধ্যে
  2. ইসরাইল ও পূর্ব গাজা উপত্যকা-এর মধ্যে
  3. সিরিয়া এবং সুদান এর মধ্যে
  4. লিবিয়া এবং ইসরাইলের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপের মরুভূমি এবং লোহিত সাগরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপের মরুভূমি এবং লোহিত সাগরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
শারম-আল-শেখ:
- সিনাই উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি শারম এল-শায়েখ, সলোমনের বে নামেও পরিচিত।
- এটি ১৯৬৭ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলিদের দখলে ছিল।
- প্রবেশদ্বারটি তিরান প্রণালীতে শারম আল-শেখ উপসাগরের ১৪  মাইল (২৩ কিমি) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- ক্যাম্প ডেভিড অ্যাকর্ডস শান্তি চুক্তির পরিপূর্ণতায় ১৯৮০ এর দশকের ইসরায়েলি বাহিনীকে সিনাই উপদ্বীপ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
২৫৫.
‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট' এর আয়তন কত?
  1. ৩২০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  2. ৩৩০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  3. ৩৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার
  4. ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ভিক্টোরিয়া মরুভূমি (Great Victoria Desert):
- ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত; একে বলা হয় Great Victoria Desert।
- এটি ১৮৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান অনুসন্ধানকারী Ernest Giles একে মহারানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে Great Victoria Desert নামকরণ করেন।
- এর আয়তন - ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার
- এটি বিশ্বের ৭ম বৃহৎ ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।

কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা,
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান,
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া,
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিক।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২৫৬.
BIMSTEC এর কোন দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত?
  1. ক) আফগানিস্তান ও ভুটান
  2. খ) থাইল্যান্ড ও নেপাল
  3. গ) আফগানিস্তান ও নেপাল
  4. ঘ) ভুটান ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুটান ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুটান ও নেপাল
ব্যাখ্যা
বিমসটেক (BIMSTEC- Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-Operation) বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি এবং বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড (প্রথম ৪টি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য), মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান। সর্বশেষ সদস্য দেশ নেপাল ও ভুটান। এর মধ্যে ভুটান ও নেপাল স্থলবেষ্টিত দুটি দেশ।
উৎসঃ বিমসটেকের ওয়েবসাইট।
২৫৭.
ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের কয়টি বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চলকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ:
- ইউক্রেন কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো’তে যোগদানের সম্ভাবনা।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মুক্ত বাণিজ্য এলাকার অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য ইউক্রেনের আবেদন।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেনের নিকট স্বল্প মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি স্থগিতকরণ এবং ‘নর্ড স্ট্রিম ২' পাইপলাইন নির্মাণ।
- ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ সালে ইউক্রেনের অন্তত ৭০টি সরকারি ওয়েবসাইটে রাশিয়া হামলা চালায় বলে দাবি করে ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্ব।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে রাশিয়া-মার্কিন নিরাপত্তা চুক্তি এবং মস্কো ও ন্যাটোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হয়। এতে ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোটে ঢুকতে না দেয়ার দাবি জানায় রাশিয়া, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা নাকচ করে দেয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে ভ্লাদিমির পুতিন ও জো বাইডেনের মধ্যে এক ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় নেতাই ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কূটনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- এমন সময়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যখন ইউক্রেন সীমান্ত সংলগ্ন রুশ ভূখণ্ডে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে ইউক্রেনে হামলার আশঙ্কা জোরদার করছে রাশিয়া। এই ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সম্প্রতি অস্থিরতা তৈরি হয়।
- পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুই অঞ্চল 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের সূচনা হয় অক্টোবর ২০২১ সালে।
- 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক' ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চল।
- ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের রুশপন্থি বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা চাইছে।

উৎস: সাম্প্রতিক পত্রিকা রিপোর্ট (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক)।

২৫৮.
নিচের কোনটি ইউরোপীয় রেনেসাঁসের ফলাফল?
  1. ক) সমাজতন্ত্রের উদ্ভব
  2. খ) জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব
  3. গ) পোপের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা লাভ
  4. ঘ) ধর্মতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রসার
সঠিক উত্তর:
খ) জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব
ব্যাখ্যা
- রেনেসাঁস মানে হলো নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞান কে জানার গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টিই ‘রেনেসাঁস’ নামে পরিচিত।
- পঞ্চদশ শতকে ১৪৫৩ সালে তুর্কিদের হাতে বাইজান্টিয়াম সাম্রাজ্যের পতন রেনেসাঁসকে তরান্বিত করে।
- রেনেসাঁসের ফলে মধ্যযুগের ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে এবং জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উদ্ভব ঘটে। মানবতাবাদ, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ প্রভৃতি গুরুত্ব লাভ করে।
- রেনেসাঁসকে ইউরোপের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২৫৯.
সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন কোনটি?
  1. গোলান মালভূমি
  2. পশ্চিম তীর
  3. সিনাই উপদ্বীপ
  4. গাজা উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
গোলান মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলান মালভূমি
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এলাকাটি ইসরায়েলের উত্তর-পূর্বাঞ্চল স্পর্শ করেছে।
- গোলান বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- কিন্তু দামেস্কে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলানসহ আরও কয়েকটি এলাকা দখল করে নিয়েছে।
- বাশার আল-আসাদের পতনের পর গোলান মালভূমির দখল করা অঞ্চল থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছে সিরিয়ার নতুন প্রশাসন।
- গত ৮ ডিসেম্বর বাশার আল-আসাদের পতনের দিনই এই বাফার জোন পুরোপুরি দখল করে নেয় ইসরায়েল।
- ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে ইসরায়েল।
- এরপর ১৯৭৪ সালে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণ রেখা প্রতিষ্ঠার চুক্তি করা হয়।
- নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পাশে বাফার জোন তৈরি করা হয়, যাতে টহল দিত জাতিসংঘের সেনারা।
- ইসরায়েলের এই বাফার জোন দখলকে ১৯৭৪ সালের চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে জাতিসংঘ।

উৎস: The Daily Star বাংলা (জানুয়ারি ২৯, ২০২৫)
BBC NEWS বাংলা (১৩ ডিসেম্বর ২০২৪)

২৬০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির কোন দেশটি সর্বপ্রথম আত্মসমর্পণ করে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ইতালি
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির ইতালি সর্বপ্রথম মিত্রবাহিনীর নিকট শর্তসাপেক্ষে আত্মসমর্পণ করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২৬১.
নীল নদের পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব কোন দুই দেশের?
  1. মিশর ও ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া ও মিশর
  3. কেনিয়া ও তানজানিয়া 
  4. লিবিয়া ও উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর ও ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ নীল নদের পানি নিয়ে মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- মিশরের পানি সরবরাহের প্রধান উৎস। কিন্তু ইথিওপিয়া নদের উত্স অঞ্চলে বাঁধ নির্মাণ করছে, যা মিশরের পানি প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে। এ কারণে উভয় দেশের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সংঘাত এবং আলোচনা চলছে।

নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com

২৬২.
পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ক) চীন ও জাপান
  2. খ) স্পেন ও মরক্কো
  3. গ) রাশিয়া ও জাপান
  4. ঘ) ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
খ) স্পেন ও মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্পেন ও মরক্কো
ব্যাখ্যা
পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
▪ চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
▪ রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
▪ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
▪ স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২৬৩.
'উইঘুর' হলো-
  1. চীনের একটি খাবারের নাম
  2. চীনের একটি ধর্মীয় স্থানের নাম
  3. চীনের একটি শহরের নাম
  4. চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
সঠিক উত্তর:
চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম
ব্যাখ্যা
• 'উইঘুর' হলো- চীনের একটি সম্প্রদায়ের নাম। 

---------------------------- 
• 'জিনজিয়াং ও উইঘুর':
- চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় একটি প্রদেশের নাম “জিনজিয়াং”।
- জিনজিয়াং এর রাজধানী হলো উরুমকি।
- উইঘুর এবং হানা সম্প্রদায়ের বসবাস হলো জিনজিয়াং প্রদেশে।
- ১৯৪৯ সালের পূর্বে এই জিনজিয়াং স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল এবং তার নাম ছিল পূর্ব তুর্কিস্থান।
- ১৯৪৯ সালে স্বাধীনতা হারানোর পর থেকে চীনা কমিউনিস্ট সরকার দ্বারা নির্মমভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এখানকার মুসলিমরা।
- বলা যায় রোহিঙ্গাদের পরে সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী হলো উইঘুর। 
- পুনঃশিক্ষা কার্যক্রমের নামে ১২ লক্ষ উইঘুর মুসলিমকে প্রকাণ্ড বন্দিশিবিরে আটকে রেখেছে চীন।
- তাই জিনজিয়াং পৃথিবীর বৃহত্তম কারাগার নামে পরিচিত।  

তথ্যসূত্র: Amnesty International, Human Rights Watch, ব্রিটানিকা, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন ওয়েবসাইট ও ইন্টারনেট। 
২৬৪.
"শাত-ইল-আরব" কে কেন্দ্র করে কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে? 
  1. ইরান এবং সৌদি আরব
  2. ইরাক এবং কুয়েত
  3. ইরান এবং ইরাক
  4. সিরিয়া এবং মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরান এবং ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান এবং ইরাক
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- শাত-ইল-আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- এই জলপথের অধিকার নিয়ে ইরাক এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘকালীন বিরোধ রয়েছে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের মালিকানা ইরাক ও ইরানের মধ্যে মূলত ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত যুদ্ধের কারণ ছিল।
- এর আগে, ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তিতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন। চুক্তির পাঁচ বছর পর, ১৯৮০ সালে ইরাক এবং ইরান আবারও শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ শুরু করে। বর্তমানে, শাত-ইল-আরব জলপথটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস: Britannica.
২৬৫.
'ব্লু লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা?
  1. ক) মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) লেবানন ও ইসরাইল
  3. গ) সিরিয়া ও ইসরাইল
  4. ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন ও ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন ও ইসরাইল
ব্যাখ্যা
'ব্লু লাইন' লেবানন ও ইসরাইল এর সীমান্তবর্তী রেখা। এছাড়া, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখার নাম সনোরা লাইন ; সিরিয়া ও ইসরাইল এর সীমান্তরেখা গ্রিন লাইন ; ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখা হচ্ছে লাইন অব কন্ট্রোল।
২৬৬.
নিচের কোনটি জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ?
  1. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  3. শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
  4. দিয়াগো গার্সিয়া
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ শাখালিন।
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং এতে রাশিয়ার নৌঘাঁটি রয়েছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ আরেকটি দ্বীপ হচ্ছে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা।
২৬৭.
চীনের 'দ্বৈত অর্থনীতির' ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?
  1. ক) বাজার অর্থনীতিকে গ্রহণযোগ্য করা
  2. খ) মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন
  3. গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
  4. ঘ) তাইওয়ানকে চীনের অন্তর্ভুক্তকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
ব্যাখ্যা
- চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ - কে নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে হংকং এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগালের কাছ থেকে ম্যাকাও - কে ৫০ বছরের জন্য নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়।
উল্লেখ্য, এশিয়ায় ম্যাকাও উপনিবেশবাদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া সর্বশেষ অঞ্চল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৬৮.
কোন রাষ্ট্রটি বিরােধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ফিলিপাইন
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) কম্বােডিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্বােডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্বােডিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত স্প্রাটলি দ্বীপুঞ্জ ও এর জলসীমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই  প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে চীনের বিরোধ সংঘটিত হয়ে আসছে।
- চীনের পাশাপাশি মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান ও ফিলিপাইন - এই দ্বীপ ও দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমা দাবি করে আসছে।
- অপশনে উল্লিখিত কম্বোডিয়া বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৬৯.
আফ্রিদি উপজাতি কোন দেশে বাস করে?
  1. আফগানিস্তান
  2. পাকিস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. তাজিকিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
উপজাতি 
- আফ্রিদি পাকিস্তান অঞ্চলের বসবাসকারী উপজাতি।
- আফ্রিদি এবং ভারতের মুঘল রাজবংশের সৈন্যদের মধ্যে ১৬ এবং ১৭ শতকে প্রায়শই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- আফ্রিদিদের সাথে ব্রিটিশদের মুখোমুখি প্রথম অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধের (১৮৩৯-৪২) সময় শুরু হয়েছিল, বিশেষত যখন জেনারেল জর্জ পোলক কাবুলে যাত্রা করার সময় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।
- ১৮৯৩ সালে খাইবার অঞ্চলের আফ্রিদিরা ডুরান্ড লাইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণে আসে, যা আফগানিস্তান এবং ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে উপজাতীয় অঞ্চলকে বিভক্ত করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
২৭০.
ওয়াটার’লু যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি ছিলেন-
  1. ক) রডারিক ফার্দিনান্ড
  2. খ) সিন ফ্রে
  3. গ) আর্থার ওয়েলেসলি
  4. ঘ) অ্যাডমিরাল নেলসন
সঠিক উত্তর:
গ) আর্থার ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্থার ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটার লু নামক স্থানে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ ‘ওয়াটারলু যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
এই যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলি ফ্রান্সের সম্রাট নেপােলিয়ান বােনাপোর্টকে পরাজিত করেন।
পরবর্তীতে নেপােলিয়ানকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। এই দ্বীপেই ১৮২১ সালে নেপােলিয়ান মারা যান।
উৎসঃ history.com
২৭১.
'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন হয়েছিলো কোন দেশে?
  1. ভুটান
  2. থাইল্যান্ড
  3. কম্বোডিয়া
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন: 

• 'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন থাইল্যান্ডে হয়েছিল।
• ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে, হলুদ শার্ট পরিধানকারী ব্যক্তিরা সামাক সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে।
• ২০০৯ সালের শুরু দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তা রেড শার্ট বা লাল শার্ট নামে পরিচিত।
• আন্দোলনকারীরা লাল শার্ট পরিধান করতেন।
• তাই এই আন্দোলন রেড শার্ট আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পায়।
• ২০০২ সালের নির্বাচনে থাকসিন সিনাওয়াত্রা ও তার দল 'থাই রক থাই' পার্টি বিজয়ী হয়েছিল।
• ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সেখানে সেনা অভ্যুত্থান হয়।
• লাল শার্ট আন্দোলনকারীরা United Front for Democracy Against Dictatorship এর ব্যানারে সংগঠিত হয়েছে।
• ২০০৯-১০ সালে তারা বড় আন্দোলন গড়ে তোলে।
• ২০১১ সালের জুলাই মাসে সেখানে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: "আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ"; তারেক শামসুর রেহমান এবং ব্রিটানিকা (https://www.britannica.com/place/Thailand/Yellow-shirts-and-red-shirts)।
২৭২.
ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম কী?
  1. আয়রন ডোম
  2. ডেভিড’স স্লিং
  3. অ্যারো
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা:
- ইসরায়েলের তিন স্তর বিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়রন ডোম স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করে।
- ডেভিড’স স্লিং ঠেকায় মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।
- অ্যারো ব্যবস্থা দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- ইরানের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ ঠেকিয়েছে ইসরায়েল—একটি এপ্রিল মাসে ও অন্যটি অক্টোবরে। – সর্বশেষ হামলায় ইরান ১৮০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে টার্মিনাল হাই অ্যাল্টিচুড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানোর মাধ্যমে সহায়তা করতে পারে।

উৎস: i) ডেইলি ইনকিলাব।
ii)প্রথম আলো।
২৭৩.
কোন জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরানের মধ্যে যুদ্ধ হয়?
  1. ক) শাত-ইল-আরব
  2. খ) পারস্য উপসাগর
  3. গ) ওমান উপসাগর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) শাত-ইল-আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব

- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ দ্বারা গঠিত। এটি ১২০ মাইল দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় এবং পারস্য উপসাগরে পতিত হওয়ার আগে ইরাকি বন্দর বসরা এবং ইরানের আবাদান বন্দর অতিক্রম করে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলে।
- এর পূর্বে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ৬ মার্চ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে মোহাম্মদ রেজা পাহলভির এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৭৪.
‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ অঞ্চল কোন দুই দেশের মধ্যকার দ্বন্দ্বপূর্ণ স্থান?
  1. চীন এবং তাইওয়ান
  2. যুক্তরাষ্ট্র- মেক্সিকো
  3. থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া
  4. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল:
- "এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল" হলো একটি বনভূমি ও পাহাড়ি অঞ্চল যা কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস- এই তিন দেশের সীমান্ত এলাকায় বিস্তৃত।
- এটি "Mom Bei" (কম্বোডিয়ান নাম) অথবা থাইল্যান্ডে "Chong Bok" নামে পরিচিত।
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে এই অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শত বছরের বেশি সময় ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
- এই অঞ্চলে রয়েছে প্রচুর মূল্যবান কাঠ, ভেষজ উদ্ভিদ, এবং সম্ভবত খনিজ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ।
- ফলে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড দুই দেশই এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী।

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আবারো সংঘাত শুরু হয়।
- সংঘাতে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৭০,০০০-এর বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
- মালয়েশিয়ার মধ্যস্ততায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দুই দেশই ২৮ জুলাই থেকে ‘তাৎক্ষণিক ও শর্তহীন’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২৭৫.
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. মার্তুনি
  2. শাহুমিয়ান
  3. নাগার্নো কারাবাখ
  4. মার্তাকার্ট
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

২৭৬.
নর্ডস্ট্রিম (Nord Stream) গ্যাস পাইপলাইনটি কোন সাগরের নিচে দিয়ে গেছে?
  1. বাল্টিক সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. কাম্পিয়ান সাগর
  4. ভূ-মধ্যসাগর
সঠিক উত্তর:
বাল্টিক সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্টিক সাগর
ব্যাখ্যা
• নর্ড স্ট্রিম (Nord Stream) পাইপ লাইন: 
 - রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম। 
- এই পাইপ লাইনের মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

- রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছ থেকে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে এটি গিয়ে পৌঁছেছে উত্তর-পূর্ব জার্মানিতে।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়। এর মাধ্যমে রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।
 
উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট ও Nord Stream ওয়েবসাইট।
২৭৭.
চীন প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৪
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৯৬৬
  4. ঘ) ১৯৬৭
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৪
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালের ১৬ই অক্টোবর চীন প্রথম পারমাণবিক বোমার সফল বিস্ফোরন ঘটায়। সেই দিন বিকেল তিনটায় এই পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয় পশ্চিম চীনের মরুভূমিতে।
- চীনে প্রথম হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা কার্যকর করা হয় ১৯৬৭ সালে।
- চীন পঞ্চম পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র। 

উৎস:- CTBTO Official Website. 
২৭৮.
'Shuttle Diplomacy' ধারণাটি নিম্নের কোন প্রেক্ষিতে প্রথম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নাগর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ
  2. খ) ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. গ) আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
  4. ঘ) সোভিয়েত–আফগান যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- 'Shuttle Diplomacy' হল এমন একটি ধারণা যেখানে তৃতীয় পক্ষ দুই বিবাদমান পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর হেনরি কিসিঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে শান্তি চুক্তি আলোচনায় বিভিন্ন কূটনীতিক তৎপরতা চালান যা  'Shuttle Diplomacy' নামে পরিচিত। 
- ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের সময়কালে আরব-ইসরায়েল সংঘাত নিরসনে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এর নেওয়া পদক্ষেপসমূহ 'Shuttle Diplomacy' হিসেবে পরিচিত। 

(তথ্যসূত্র: history.state.gov)
২৭৯.
শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের কোন অঞ্চলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ স্থাপন করে?
  1. পশ্চিম ও পূর্ব ভারতের মধ্যে
  2. দক্ষিণ ও উত্তর ভারতের মধ্যে
  3. ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মূল ভূখণ্ডের মধ্যে
  4. ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মূল ভূখণ্ডের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং মূল ভূখণ্ডের মধ্যে
ব্যাখ্যা
শিলিগুড়ি করিডোর:
- শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ড।
- এই করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
- এই করিডোর অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে, তা ‘চিকেনস নেক' নামেও পরিচিত।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ প্রায় ২১-৪০ কিমি।
- এটি ভারতের একমাত্র অংশ, যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- এর দুপাশে নেপাল, বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভুটান করিডোরের উত্তর দিকে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লির পক্ষে উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।
২৮০.
কোন দুটি দেশের মধ্যে 'চাগোস দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে বিরোধ রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  2. ফিলিপাইন ও ভিয়েতনাম
  3. মালদ্বীপ ও ভারত
  4. মরিশাস ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
মরিশাস ও যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিশাস ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দ্বীপপুঞ্জ:
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জ।
- অতীতে এটি মরিশাসের অংশ ছিলো।
- ১৯৬৫ সালে মরিশাসের স্বাধীনতার বিনিময়ে যুক্তরাজ্য এটি জোরপূর্বক নিয়ে নেয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের বিধিতে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের অংশ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
- চাগোস দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটোরির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
- এখানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দিয়াগো গার্সিয়া’ নৌঘাটি অবস্থিত।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২৮১.
ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখলকে কেন্দ্র করে কত সালে রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব শুরু হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে 
  3. ২০১৬ সালে 
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে 
ব্যাখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব:
- রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব ২০১৪ সালে শুরু হয়।

- ২০১৪ রাশিয়া ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে এবং ইউক্রেনের ডোনবাস অঞ্চলে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তৈরি করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক' কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা শুরু করে রাশিয়া, এটি ইউক্রেন যুদ্ধ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ইউক্রেনকে ন্যাটো সদস্য হওয়া থেকে বিরত রাখতে এবং তার রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চায়। ইউক্রেনের শহরগুলোতে ব্যাপক ধ্বংস এবং হাজার হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পশ্চিমা দেশগুলি ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানায়। যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

২৮২.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. ভারত ও নেপাল 
  2. ভুটান ও ভারত
  3. বাংলাদেশ ও ভারত
  4. পাকিস্তান ও চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল 
ব্যাখ্যা

'কালাপানি' ভারত ও নেপালের মধ্যকার অমীমাংসিত ভূখণ্ড।

কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: ১৯ মে ২০২০, BBC।

২৮৩.
নাগোর্নো-কারাবাখ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. জর্জিয়া ও তুরস্ক
  4. রাশিয়া ও জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

২৮৪.
'বেলফোর ঘোষণা' করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯১৭ সালের ১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯১৮ সালের ১ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯১৮ সালের ২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২৮৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি জোট -
  1. ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
  2. খ) রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন
  3. গ) জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম
  4. ঘ) খ+গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ+গ
ব্যাখ্যা
•  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান। 
২৮৬.
বসনিয়ায় যুদ্ধ বিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
  1. ক) বিল ক্লিনটন
  2. খ) জিমি কার্টার
  3. গ) নিক্সন
  4. ঘ) রিগান
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina। বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।

- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।

তথ্যসূত্রঃ হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

২৮৭.
কোন দেশে 'জাপোরোজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র' অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. তুরস্ক
  3. রাশিয়া
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- জাপারোজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জাপোরোজিয়া শহরে অবস্থিত।
- সোভিয়েত আমলে ১৯৮০ সালের দিকে এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ছয়টি নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর রয়েছে। এটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬ হাজার মেগাওয়াট।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন রয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে জাপারোজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একাধিকবার হামলার শিকার হয়। এতে করে এটিতে পারমাণবিক দুর্ঘটনার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস : আল জাজিরা পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮৮.
নিচের কোন অঞ্চলটি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. লিপুলেখ
  2. গালওয়ান ভ্যালি
  3. সালতোরা পর্বতশ্রেণী
  4. বিলোনিয়া
সঠিক উত্তর:
সালতোরা পর্বতশ্রেণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালতোরা পর্বতশ্রেণী
ব্যাখ্যা

উৎসঃ ব্রিটানিকা ও Live MCQ Content (Upcoming)
২৮৯.
বিরোধপূর্ণ ‘তাইগ্রে’ অঞ্চলের অবস্থান কোন দেশে?
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. ইথিওপিয়া
  3. রাশিয়া
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
বিরোধপূর্ণ তাইগ্রে অঞ্চল ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
সম্প্রতি অঞ্চলটিতে ইথিওপিয়ার ফেডারেল বাহিনী ও স্থানীয় টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ নিহত হয়। এছাড়া সহস্রাধিক মানুষ পার্শ্ববর্তী সুদানে আশ্রয় নিয়েছে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
২৯০.
'আবু মুসা দ্বীপ' বর্তমানে কোন দেশের মালিকানায় রয়েছে? 
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. ওমান
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
আবু মুসা দ্বীপ:
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে।
- ১৯৭১ সালে শারজাহ চুক্তির মাধ্যমে ইরান এর অধিকাংশ এলাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ইরান এই দ্বীপকে একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে এবং হরমুজ প্রণালীর উপর নজর রাখে।

উৎস: ব্রিটানিকা ডট কম।
২৯১.
সিনাই উপদ্বীপ কাদের দখলে রয়েছে?
  1. ক) মিশর
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ক) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মিশর
ব্যাখ্যা
সিনাই উপদ্বীপ

- সিনাই উপদ্বীপ মিশরে অবস্থিত ত্রিভুজ আকৃতির একটি উপদ্বীপ।
- ইসরাইল ১৯৫৬ সালের সুয়েজ সংকটের সময় এবং ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় এ এলাকায় আগ্রাসন চালায় এবং সিনাই উপদ্বীপ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালের ৬ অক্টোবর এই উপদ্বীপকে মুক্ত করার জন্য মিশর অক্টোবর যুদ্ধ শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ১৯৮২ সালে ঐ চুক্তির আওতায় ইসরাইল সিনাই উপদ্বীপ থেকে তার বাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেয়


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৯২.
সম্প্রতি (৯ জুন, ২০২৪) কোন দেশ গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার উপর জাতিসংঘে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. তুরষ্ক
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার উপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করে।

জো বাইডেনের গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় এর আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমর্থন চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার খসড়া ওই পরিকল্পনার ওপর নিরাপত্তা পরিষদে ভোট আয়োজনের অনুরোধ করেছে দেশটি।
৯ জুন, ২০২৪; রোববার মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয় বলে জানায় এএফপি।
গত ৩১ মে বাইডেন প্রশাসন নতুন একটি গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ঘোষণা করে। বাইডেন নিজে এ পরিকল্পনার রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন।

তিন স্তরের এ পরিকল্পনায় ,
১.গাজায় চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরিসমাপ্তি,
২.সেখানে পুরোদমে ত্রাণ সরবরাহ শুরু,
৩.হামাসের হাতে বন্দি জিম্মিদের মুক্তি,
৪.এ উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও
৫.হামাসমুক্ত ফিলিস্তিন ভূখণ্ড পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে।

সূত্র-প্রথম আলো, ১০ জুন ২০২৪।
২৯৩.
দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত 'প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে কোন কোন দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. চীন ও জাপান
  2. চীন ও ভিয়েতনাম
  3. ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া
  4. ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।

⇒ প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ১৩০টি প্রবাল দ্বীপ ও প্রাচীর নিয়ে গঠিত।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন।
- এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২৯৪.
১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় যে দুটি দেশের মধ্যে-
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য
  3. গ) ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ (Treaty of Paris - 1783)
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা/বিপ্লবী যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে ব্রিটিশদের সাথে বিবাদমান পক্ষ সমূহের যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাকে প্যারিস চুক্তি - ১৭৮৩ বলে।
⤇ ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিবাদমান পক্ষগুলোর (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন ও নেদারল্যান্ডস্‌) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
⤇ ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের Continental Congress - এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন - জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স। ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
⤇ যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় - ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।
এই সময় মোট ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎসঃ হিস্টরি.কম

২৯৫.
'অরেঞ্জ অর্ডার' কোন দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সাইপ্রাস
  2. নিকারাগুয়া
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ অর্ডার:
- 'অরেঞ্জ অর্ডার' আয়ারল্যান্ডের সাথে সম্পর্কিত। এটি আইরিশ রাজনৈতিক সমাজ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- অরেঞ্জ অর্ডার রাজনৈতিক সমাজ, অরেঞ্জের প্রোটেস্ট্যান্ট উইলিয়ামের জন্য নামকরণ করা হয়েছিল।
- যিনি গ্রেট ব্রিটেনের রাজা উইলিয়াম তৃতীয় হিসাবে রোমান ক্যাথলিক রাজা জেমস দ্বিতীয়কে পরাজিত করেছিলেন।
- আয়ারল্যান্ডে প্রোটেস্ট্যান্টদের উচ্চতা বজায় রাখার জন্য ১৭৯৫ সালে সমাজটি গঠিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।[link]
২৯৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অ্যাডলফ হিটলার প্রথম আক্রমণ করে কোন দেশে?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) ব্রিটেন
  3. গ) সার্বিয়া
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর অ্যাডলফ হিটলারের জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু করেন।
- এর দুদিন পরেই ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯৪০ সালের মে মাসে হিটলার ফ্রান্স আক্রমণ করেন এবং মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে ফ্রান্স দখল করে নেন।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো দুভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল।
- জার্মানি, জাপান, ইতালির সমন্বয়ে গঠিত  অক্ষশক্তির  প্রধান প্রতিপক্ষ ছিল রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তি। 
- যুদ্ধে একের পর এক জার্মানির পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে জার্মানি ও ইতালি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। হিটলার আত্মহত্যা করেন, আর মুসোলিনিকে গ্রেফতার করে হত্যা করা হয়।
- ১৪ আগস্ট (১৯৪৫) জাপান শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ করে।  

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২৯৭.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে যে দুটি দেশের মাঝে -
  1. রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  2. রাশিয়া ও জাপান
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভিয়েতনাম ও তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও জাপান
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে রাশিয়া ও জাপানের মাঝে।

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৯৮.
‘অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট’ কোন দেশের প্রধান মানব সম্পদ এজেন্সি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নেপাল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
মানব সম্পদ এজেন্সি:
- ‘Office of Personnel Management (OPM)’ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মানব সম্পদ এজেন্সি।
- এটি ১৯৭৮ সালের সিভিল সার্ভিস কমিশন সংস্কার আইনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ১৯৭৮ সালে মার্কিন ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন তিনটি সংস্থা বিকেন্দ্রীকরণ হলে ‘অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট’ এর সৃষ্টি হয়।
• অপর দুটি বিভাগ হলো:
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।

সূত্র: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
২৯৯.
আমাজন বনভূমি কয়টি দেশের অংশ রয়েছে-
  1. ৮ টি
  2. ৯ টি
  3. ১১টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ টি
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি ৯টি দেশের অংশ রয়েছে।

• আমাজন বনভূমি:
- আমাজন রেইনফরেস্ট দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ট্রপিক্যাল বনভূমি।
- যার মধ্যে রয়েছে:  ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম এবং ফরাসি গায়ানা।
- প্রায় ১০০,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে।
- আমাজন নদী বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর অববাহিকায় প্রায় ১,১০০ উপনদী রয়েছে।
- পৃথিবীর অক্সিজেনের প্রায় ২০% উৎপন্ন করে।

• কয়েকটি বিখ্যাত বনভূমি:
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।
- কঙ্গো বন আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রপিক্যাল রেইনফরেস্ট।
- ফোস্টার রেইনফরেস্ট নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: Amazon rainforest ওয়েবসাইট।
৩০০.
নিম্নের কোন দেশটি 'গোলান হাইটস্‌' বিরোধের একটি পক্ষ?
  1. লেবানন
  2. জর্ডান
  3. সিরিয়া
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা

◉ সিরিয়া 'গোলান হাইটস্‌' বিরোধের একটি পক্ষ।

গোলান মালভূমি:
- গোলান মালভূমি সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি। 
- সিরিয়া ও ইসরায়েলের মাঝখানে বাফার জোন (সংঘাতমুক্ত বিশেষ অঞ্চল) বলা হতো গোলান মালভূমিকে।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

⇒ ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত গোলান মালভূমি সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের সময় গোলান মালভূমিজুড়ে ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায় সিরিয়া। কিন্তু ইসরায়েল পাল্টা প্রতিরোধ নেয় এবং গোলানের ১২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬০ বর্গমাইল) এলাকা দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কিপুর যুদ্ধ নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে। চুক্তির শর্ত মেনে দুই পক্ষকেই মালভূমির ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি লম্বালম্বি এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ বাহিনীকে সরিয়ে নিতে হয়। এই এলাকাটি পরিচিত 'এরিয়া অব সেপারেশন' নামে। এরপর সেখানে জাতিসংঘ নিয়োজিত 'ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স' মোতায়েন করা হয় অস্ত্রবিরতির বিষয়টিতে নজর রাখার জন্য।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে  গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

এছাড়াও,
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.