বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

মোট প্রশ্ন৩১৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩১৬

.
নিচের কোন দুটি দেশে 'ভূমধ্যসাগরের জলসীমা' নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. গ্রিস ও জর্ডান
  2. তুরস্ক ও লেবানন
  3. গ্রিস ও তুরস্ক
  4. ইরান ও আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:
- ভূমধ্যসাগরে জলসীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে।
- তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের ২০০ কিলোমিটারের সীমান্ত আছে।
- ভূমধ্যসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন নিয়েও দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিরোধ চলে।
- তুরস্ক ও গ্রিস দুটি দেশই ন্যাটোর সদস্য। কিন্তু পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকা থেকে জ্বালানি আহরণের প্রতিযোগিতায় তারা হয়ে উঠেছে পরস্পরের প্রতিপক্ষ।

অন্যদিকে,
- ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য।
- ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
.
কেরেম-শালম ক্রসিং (Kerem Shalom Border Crossing) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজা - ইসরায়েল
  2. গাজা - পশ্চিম তীর
  3. গাজা - মিশর
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
কেরেম-শালম ক্রসিং:
- কেরেম-শালম ক্রসিং গাজার সাথে ইসরায়েল ও মিশরের সীমান্ত নির্দেশ করে।
- এই সীমান্তটি ইসরায়েল বা মিশর থেকে গাজা উপত্যকায় পণ্য বহনকারী গাড়ির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- গাজা উপত্যকার ভেতর থেকে হামাসের রকেট হামলার পর ইসরায়েল গাজায় কেরাম শালোম ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছিল।
- ইসরায়েল বলেছে, এই হামলায় তাদের সৈন্য নিহত এবং আহত হয়েছে।
- হামাসের রকেট হামলায় সেনা নিহত হওয়ায় এটি বন্ধ করার চার দিন পর তা ফের খুলে দেওয়া হলো।

উৎস: BBC.
.
ভারত ও নেপালের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নয় কোনটি?
  1. গিলগিট
  2. লিপুলেখ
  3. লিমপিয়াধুরা
  4. কালাপানি
সঠিক উত্তর:
গিলগিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিলগিট
ব্যাখ্যা
• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- বর্তমানে যেসব স্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে সেগুলো হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ ও সুস্তা।
- ২ নভেম্বর ২০১৯ সালে ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে।
- উক্ত মানচিত্রে বিতর্কিত ভূমি কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।

⇒ বিঃদ্রঃ গিলগিট পাকিস্তানের অঞ্চল। 

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 
.
শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ইরান-ইরাক
  2. ইসরায়েল-ইরান
  3. লেবানন-ইসরায়েল
  4. সিরিয়া-মিশর
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান-ইরাক
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক ইরান বিরোধ রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের
১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

উৎস: Britannica.
.
গ্যালাপের বৈশ্বিক আইনশৃঙ্খলা সূচক অনুসারে সর্বনিম্ন  দেশ কোনটি?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) সিঙ্গাপুর
  3. গ) নেপাল 
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ক) আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
গ্যালাপের বৈশ্বিক আইনশৃঙ্খলা সূচক-২০২২

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ বৈশ্বিক
 আইনশৃঙ্খলা সূচক-২০২২ প্রকাশ করেছে।

সূচক অনুসারে,
• শীর্ষ দেশ - সিঙ্গাপুর
•সর্বনিম্ন দেশ- আফগানিস্তান। 
•বাংলাদেশের স্কোর - ৭৯ তম।

উৎস: লাইভ MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
.
শাখালিন দ্বীপ নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. রাশিয়া-ইউক্রেন
  2. রাশিয়া-জাপান
  3. জাপান-চীন
  4. জাপান-উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া-জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া-জাপান
ব্যাখ্যা

শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ: 
- অবস্থান: রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে; ওখোৎস্ক সাগরের পশ্চিমে এবং জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তরে অবস্থিত।
- শাখালিন দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ  চলছে।
- আয়তন: প্রায় ৭৬,৪০০ বর্গকিলোমিটার ।
- দ্বীপটি পাহাড়ি; পূর্ব ও পশ্চিমে দুটি পর্বতমালা রয়েছে, যার মধ্যে পূর্ব শাখালিন পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট লোপাতিন (১,৬০৯ মিটার) ।
- প্রধান জলসীমা: ওখোৎস্ক সাগর, তাতার প্রণালী (Tatar Strait), এবং লা পেরুজ প্রণালী (La Pérouse Strait) ।
- রুশ ও জাপানি আগমন: ১৮৫৫ সালে রাশিয়া ও জাপান দ্বীপটির যৌথ নিয়ন্ত্রণে সম্মত হয়।
- ১৮৭৫ সালে রাশিয়া কুরিল দ্বীপপুঞ্জের বিনিময়ে শাখালিনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করে ।
- রুশ-জাপান যুদ্ধ ও বিভাজন: ১৯০৫ সালের পোর্টসমাউথ চুক্তির মাধ্যমে দ্বীপটির ৫০তম সমান্তরাল রেখার দক্ষিণাংশ জাপানের অধীনে যায়,
- যা "কারাফুটো" (Karafuto) নামে পরিচিত করে ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. পাকিস্তান ও ভারত
  2. ভুটান ও ভারত
  3. পাকিস্তান ও চীন
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
'কালাপানি' ভারত ও নেপালের মধ্যকার অমীমাংসিত ভূখণ্ড।

কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও BBC।
.
সম্প্রতি বহুল আলোচিত 'ডুরান্ড লাইন' চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. ১৮৬৩ সালে
  2. ১৮৯৩ সালে
  3. ১৮৩৭ সালে
  4. ১৮৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

• ডুরান্ড লাইন:
- ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারতের উত্তর-পশ্চিম অংশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ মজবুত করার জন্য আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রায় ২৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ডুরান্ড লাইনের নামকরণ করা হয়েছিল ব্রিটিশ-শাসিত ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি মর্টিমার ডুরান্ডের নামের অনুকরণে।
- ডুরান্ড লাইনের পশ্চিম প্রান্তটি ইরান সীমান্তের সঙ্গে গিয়ে মেশে এবং পূর্ব প্রান্তটি চীন সীমান্তের সঙ্গে মিলিত হয়।
- এর একদিকে আফগানিস্তানের ১২টি প্রদেশ রয়েছে এবং অন্যদিকে পাকিস্তান খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান এবং গিলগিত-বালতিস্তান।

উৎস: বিবিসি।

.
ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে বাফার স্টেট -
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) স্পেন
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
বাফার স্টেট: 
- দুটি বৃহৎ অথচ বিপরীতমনা রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত কোন ক্ষুদ্র রাষ্ট্র, যা সংঘর্ষে জড়িয়ে যেতে রাষ্ট্র দুটোকে নিবৃত্ত করে তাকে বাফার স্টেট বলে।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১০.
কোন দেশগুলো 'গোল্ডেন  ক্রিসেন্টের' অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
  2. খ) আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান
  3. গ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
  4. ঘ) ভারত, নেপাল, ভুটান
সঠিক উত্তর:
খ) আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট পশ্চিম, মধ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিস্তৃত অবৈধ আফিম বৃদ্ধির মূল ক্ষেত্র।
- এটি আফগানিস্তান, ইরান এবং পাকিস্তানের পর্বতমালা জুড়ে গোল্ডেন ক্রিসেন্ট রয়েছে।
- মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস সীমান্তে মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলকে ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ বলা হয়।

উৎস: worldatlas.
১১.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে কোন দেশের নিয়ন্ত্রণাধীন রয়েছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মোট আয়তন ১০,৫০৩.২ বর্গ কি. মি.।
- দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন।

 সূত্র: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি বাংলা। 
১২.
'গোলান মালভূমি' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. জর্ডান
  3. মিশর
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে। 
- ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত রেখা পার্পল লাইন নামে পরিচিত।
- গোলান মালভূমি পশ্চিমে জর্ডান নদীর উপত্যকা সংলগ্ন একটি পাহাড়ি এলাকা।
- ঐতিহাসিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে এটি ইসরায়েলের সামরিক দখলে আসে।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল এই অঞ্চলের অংশ একতরফাভাবে সংযুক্ত করে। তবে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।

উৎস: Britannica.

১৩.
দিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটিটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

দিয়েগো গার্সিয়া ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (BIOT) একটি দ্বীপ, এটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

​দিয়েগো গার্সিয়া:
- দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ ভারত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপ।
- পর্তুগীজরা এ দ্বীপ আবিষ্কার করে এবং তারাই এ দ্বীপের নামকরণ করে।
- ১৭৯০ সালে ফরাসিরা এখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করে।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানিক যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে প্যারিস ট্রিটি অনুযায়ী ফ্রান্স এ দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করে।
- দেশটি যুক্তরাজ্যের অধীনে একটি দেশ।
- দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ এক সময় মরিশাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল ।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়েগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

সূত্র: Britannica.

১৪.
আরব বসন্তের সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১২
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত (Arab Spring)
▪ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে।
▪ আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
▪ পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” (Arab Spring) আখ্যা দেয়।
▪ ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
▪ আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে। এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি. কম। 
১৫.
মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গঠিত অঞ্চলের নাম?
  1. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  2. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
  3. গোল্ডেন ভিলেজ
  4. গোল্ডেন লাইন
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। 
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে।
অন্যদিকে,
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।
- এই অঞ্চল বাংলাদেশের পশ্চিমে।
- আর গোল্ডেন ওয়েজ হচ্ছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, নেপাল ও ভুটানের কিছু অংশ।
- এই অংশ বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

১৬.
'মংডু' কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল?
  1. ভারত-চীন
  2. বাংলাদেশ-ভারত
  3. ভারত-মিয়ানমার
  4. বাংলাদেশ-মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ-মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মংডু: 
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর।
- মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

সম্প্রতি,
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ শহর মংডু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে দেশটির জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। মিয়ানমারের গণমাধ্যম ইরাবতী জানায়, আরাকান আর্মি এখন দক্ষিণ রাখাইনের গাওয়া, তাউনগুপ ও আন শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছে। ইতিমধ্যে আন শহরে ৩০টি জান্তা ঘাঁটি দখল করেছে তারা।
 
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, পত্রিকা রিপোর্ট।
১৭.
কোন দেশ প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে না?
  1. চীন
  2. তাইওয়ান
  3. ভিয়েতনাম
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত প্রায় ১৩০টি ছোট প্রবাল দ্বীপ এবং প্রাচীরের একটি গোষ্ঠী।
- এগুলি ভিয়েতনামের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৫০ মাইল (৪০০ কিমি) পূর্বে এবং চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে প্রায় ২২০ মাইল (৩৫০ কিমি) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- দ্বীপগুলি নিচু এবং অনুর্বর, প্রতিটির আয়তন ১ বর্গ মাইল (২.৫ বর্গ কিমি) এর কম। 
- দ্বীপে সামুদ্রিক কচ্ছপ, পাখির বাসা এবং গুণো (পাখির বিষ্ঠার) স্তূপ পাওয়া যায়, তবে কোনও স্থায়ী মানব বসতি নেই।
- চীন, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম প্রত্যেকে এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৩৯–৪৫) জাপান কিছু দ্বীপ দখল করেছিল তবে যুদ্ধের পর সেগুলি থেকে সরে দাঁড়ায় এবং ১৯৫১ সালে এই দ্বীপগুলির প্রতি তাদের দাবিও ত্যাগ করে।

উৎস: Britannica.
১৮.
নিচের কোন জোটটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্র বিস্তার রোধের জন্য গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) আনজুস
  2. খ) ওয়ারশ প্যাক্ট
  3. গ) সিয়াটো
  4. ঘ) ন্যাটো
সঠিক উত্তর:
গ) সিয়াটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিয়াটো
ব্যাখ্যা

SEATO - এর পূর্ণরূপ Southeast Asia Treaty Organization।
চীনের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিয়েতনাম ও লাওসে সমাজতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে।
তারা সমাজতন্ত্র যাতে এই অঞ্চলে শক্ত ভিতের উপর দাঁড়াতে না পারে সেই জন্য এশীয় ও পশ্চিমা কয়েকটি দেশ মিলে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করে (১৯৫৪ সাল) এবং এর মাধ্যমে এই জোটের জন্ম হয়।
এটি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত জোট।
বর্তমানে এটি বিলুপ্ত।

ন্যাটো জোটটিও সমাজতন্ত্রের অগ্রযাত্রা রোধ করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছিল; তবে এর কার্যক্ষেত্র ভিন্ন।
আনজুস - যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে গঠিত একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত জোট।

অন্যদিকে, ওয়ারশ প্যাক্ট - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর একটি জোট।

উৎসঃ হিস্টরি ও ব্রিটানিকা.কম

১৯.
সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্ত রেখার নাম কী? 
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন 
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (মিশর, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২০.
কুখ্যাত বাস্তিল কারাদুর্গের পতন ঘটেছিল?
  1. ক) ৫ অক্টোবর, ১৭৮৮ সাল
  2. খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
  3. গ) ২৫আগস্ট, ১৭৮৮ সাল
  4. ঘ) ১০ জুন, ১৭৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনঃ ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল।
বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় যা বিখ্যাত হয়েছে ফরাসি বিপ্লব নামে। দুর্গটি ছিল স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের প্রতীক।
উৎসঃ ইতিহাস ২য় পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(উন্মুক্ত)।
২১.
'নাগার্নো কারাবাখ' কীসের নাম?
  1. বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
  2. অবসর কেন্দ্র
  3. জঙ্গী গোষ্ঠী
  4. গোয়েন্দা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
২২.
'শাত-ইল-আরব' জলপথকে কেন্দ্র করে কোন দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. সৌদি আরব ও ইয়েমেন
  2. ইরান ও ইরাক
  3. কুয়েত ও ইরাক
  4. ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ইরাক
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

২৩.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের নাম কী?
  1. কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
  2. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  3. সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ
  4. স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
কুরিল দ্বীপপুঞ্জ: 
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের নাম কুরিল দ্বীপপুঞ্জ। 

- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার সাখালিন ওবলাস্তে (প্রদেশ) অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উত্তর-পূর্ব কোণে বিস্তৃত।
- দ্বীপপুঞ্জটি ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৫৬টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি প্যাসিফিক মহাসাগরীয় আগ্নেয় চক্রের (Pacific Ring of Fire) অংশ।
- এখানে ১০০টিরও বেশি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৫টি সক্রিয়।
- দ্বীপপুঞ্জে বহু উষ্ণ প্রস্রবণ (Hot Springs) বিদ্যমান, এবং ভূমিকম্প ও সুনামি সাধারণ ঘটনা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে জাপান দক্ষিণ কুরিল দ্বীপগুলির ওপর দাবি করে আসছে।
- জাপান এই দ্বীপগুলোকে "উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড" (Northern Territories) হিসেবে উল্লেখ করে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সামুদ্রিক বাণিজ্য ও সামরিক অবস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এখানে মাছ ধরার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, যা উভয় দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- দ্বীপপুঞ্জের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনা দ্বীপগুলির কৌশলগত মূল্য আরও বৃদ্ধি করেছে।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি অন্যতম প্রধান ইস্যু এবং এখনো এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান হয়নি।

উৎস: Britannica.
২৪.
পৃথিবীর কোন অঞ্চলটি বলকান অঞ্চল নামে পরিচিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
  2. উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ
  4. উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা
বলকান অঞ্চল:
- বলকান পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ ‘বলকান রাষ্ট্র’ নামে পরিচিত।
- এটি  বলকান রাজ্য নামেও পরিচিত।
- বলকান উপদ্বীপ অঞ্চলে বারোটি রাষ্ট্র রয়েছে-আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগেভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, রুমানিয়া এবং স্লোভেনিয়া।
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশ বলকান অঞ্চলে থাকলেও এগুলো বলকান রাষ্ট্র হিসাবে বিবেচিত হয় না। মাল্টা বলকান রাষ্ট্র নয়।

উৎস:- worldatlas ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
২৫.
নরিতা কোন দেশের বিমানবন্দর?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) জাপান
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
ব্যাখ্যা
নারিতা বিমানবন্দরটি জাপানে অবস্থিত৷
Source: World Atlas
২৬.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোন মহাসাগরে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।

উল্লেখ্য, 
- এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।

তথ্যসূত্র: Britannica.

২৭.
সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. ভারত–চীন
  3. চীন–পাকিস্তান
  4. ভারত–নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- সিয়াচেন হিমবাহ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে।

সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ উত্তর কাশ্মীরে অবস্থিত এবং এটি পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
- এই হিমবাহ পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, এটা দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার কারণ হয়ে আছে।
- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়ায়।
- তবে এই দ্বন্দ্বের মূল শেকড় লুকিয়ে আছে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত করাচি ও সিমলা চুক্তির ফাঁকে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও বিবিসি নিউজ।

২৮.
গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা কী নামে পরিচিত?
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (ইজিপ্ট, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
২৯.
‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

স্যার ক্রিক অঞ্চল:
- ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ র‍য়েছে।

উল্লেখ্য,
- সার ক্রিক হলো গুজরাটের কচ্ছ এবং পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মধ্যে অবস্থিত ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক খাঁড়ি। জোয়ারের সময়ে এই খাঁড়িতে জল থাকে, তা ছাড়া জল থাকে না বললেই চলে।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা। পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ কৌশলগত ভাবে এই অঞ্চল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ভারতের সামরিক উপস্থিতি থাকলে, করাচি বন্দরে সরাসরি সমুদ্রপথে প্রবেশা করতে পারবে না কোনও নৌযান। রাচি পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য কেন্দ্র। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও করাচি বন্দর ভারতের অন্যতম সামরিক লক্ষ্য।
- অন্য দিকে সার ক্রিকে পাকিস্তানের সামরিক উপস্থিতি তাদের যুদ্ধের সময়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, রাজস্থান, পাঞ্জাব সীমান্তের পাশাপাশি সার ক্রিক দিয়েও একযোগে আক্রমণ চালানোর সুযোগ করে দেবে। এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ পেলে পাক নৌবাহিনীকে উপকূলরেখা বরাবর রণতরী মোতায়েন করতে পারবে।

উৎস: BBC.

৩০.
'আবু মুসা দ্বীপ' নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. ইরাক - ইরান
  2. ইরান - ওমান
  3. ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইরান ও কাতার
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

• 'আবু মুসা দ্বীপ':
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে 
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে। 
- বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ডট কম।

৩১.
'ক্রিমিয়া উপদ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে
  2. দক্ষিণ চীন সাগর
  3. কৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণে
  4. উত্তর চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া উপদ্বীপটি কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নিয়ে ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়। 
- রাশিয়া "ক্রিমিয়া উপদ্বীপ" দখল করে রাশিয়ার অংশ করে নেয় ২০১৪ সালে।
- ক্রিমিয়ার ৬০ ভাগ অধিবাসী রাশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর।
- কৃষ্ণসাগর কিংবা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেবাস্তাপুল বন্দর যা ক্রিমিয়ায় অবস্থিত।
- এতে রাশিয়া সেখানে একটি গণভোট আয়োজন করে যেখানে অধিকাংশ রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে মত দেয়।
 
উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২.
বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ কত বর্গকিলোমিটার পেয়েছে?
  1. ক) ৬১৩৫ বর্গকিলোমিটার
  2. খ) ১৩১৩৫ বর্গকিলোমিটার
  3. গ) ১৯৪৬৭ বর্গকিলোমিটার
  4. ঘ) ২৫৬০২ বর্গকিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৬৭ বর্গকিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৬৭ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে। ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ এ আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে। এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়। এর আগে ২০১২ সালে ১৪ই মার্চ ITLOS বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমার রায় প্রদান করে। Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি। বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।
(সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট)
৩৩.
আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর তেল অবরোধ করে-
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ (Yom Kippur War)
⤇ যুদ্ধ সংঘটন কাল - ৬ অক্টোবর - ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সাল।
⤇ প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষসমূহ - ইসরায়েল এবং মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বে আরও কয়েকটি আরব দেশ।
⤇ ফলাফল - ইসরায়েল জয়ী।

⤇ মিশর ও সিরিয়া ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে তাদের হারানো অঞ্চল ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে ৬ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে দুই দিক থেকে ইসরায়েল আক্রমণ করে।
প্রথম দিকে ইসরায়েল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হলেও পরে ইসরায়েল ঘুরে দাঁড়ায়। পাল্টা আক্রমণ করে ইসরায়েলি বাহিনী এরিয়েল শেরনের নেতৃত্ব কায়রো ও দামেস্কের কাছাকাছি চলে আসে।
সৌদি আরব, জর্ডান, ইরাক প্রভৃতি রাষ্ট্র সিরিয়া ও মিশরের সাহায্যে সৈন্য প্রেরণ করে।
আরব রাষ্ট্রগুলো এই যুদ্ধের সময় ‘তেল অস্ত্র’ প্রয়োগ করে। তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলো একই সাথে ৫% তেল উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্র সহ কয়েকটি দেশে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।

⤇ ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ইসরায়েল গোলান মালভূমির আরও অঞ্চল নিজেদের দখলে নেয়।
⤇ ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সাথে মিশরের ৩০ বছর ধরে চলা যুদ্ধাবস্থার অবসান হয়।
এর ফলে প্রথম আরব দেশ হিসাবে মিশর ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিনিময়ে সিনাই উপদ্বীপের পুর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।

উৎসঃ হিস্টরি.কম
৩৪.
জাপান ও রাশিয়ার মধ্যে কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে?
  1. আবু মুসা দ্বীপ
  2. কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  3. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  4. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে। 
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা হওয়া শান্তিচুক্তিতেও স্বাক্ষর করেনি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৫.
পিএলও-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে ১৯৮৮ সনে জাতিসংঘ কোথায় রেজুলেশন গ্রহণ করে?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
১৯৮৮ সনে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে (নিউইয়র্কে) পিএলও-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে রেজুলেশন গ্রহণ করে।
(তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে মনে রাখা জরুরি নয়)
৩৬.
নিকারাগুয়ায় যে বিদ্রোহীদের যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে তার নাম-
  1. ক) ইউনিটা
  2. খ) সান্ডিনিস্টা
  3. গ) কন্ট্রা
  4. ঘ) সোয়াপো
সঠিক উত্তর:
গ) কন্ট্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কন্ট্রা
ব্যাখ্যা
কনট্রাগুলি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত ও অনুপ্রেরিত ডানপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী যা ১৯৯৯ থেকে ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে নিকারাগুয়ায় জাতীয় পুনর্গঠন সরকারের সমাজতান্ত্রিক সান্দিনিস্তা জান্তার বিরোধিতা করে সক্রিয় ছিল।

উৎসঃ Encyclopedia Britannica
৩৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বিরোধ হওয়া কোন দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপান ও রাশিয়া এখন পর্যন্ত শান্তি চুক্তিতে পৌছাতে পারেনি?
  1. ক) সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) পেরেজিল দ্বীপপুঞ্জ
  3. গ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
  4. ঘ) স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত  মহাসাগরে অবস্থিত ।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির । 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দার্ন টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে ।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি ।
 
অপরদিকে,
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান।
- জাপান-চীন-তাইওয়ান মধ্যে বিরোধ রয়েছে সেনকাকু দ্বীপ নিয়ে যা পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত ।

উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস। 
৩৮.
সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধমান দেশ-
  1. মরক্কো-স্পেন
  2. জাপান-চীন
  3. রাশিয়া-জাপান
  4. আরব আমিরাত-ইরান
সঠিক উত্তর:
জাপান-চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান-চীন
ব্যাখ্যা
সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ:
- সেনকাকু (দিয়াওয়ু) দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। 

- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ ও চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- ১৯৭২ সালে ওকিনাওয়া রিভার্সন এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক অধিকার জাপানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত চীন সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের উপর জাপানের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপত্তি জানায়নি।
- ১৯৭০-এর দশকে তেল সম্পদ আবিষ্কারের সম্ভাবনায় চীন দাবি করা শুরু করে।
- চীন ১৯৯২ সালে দ্বীপপুঞ্জকে তাদের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৮ থেকে নিয়মিত জাপানের জলসীমায় ঢোকার চেষ্টা করছে।

বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ:
- সেনকাকু দ্বীপ : চীন – জাপান
- আবু মুসা দ্বীপ : ইরান – সংযুক্ত আরব আমিরাত
- পেরেজিল দ্বীপ: মরক্কো – স্পেন
- শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ : চীন– তাইওয়ান – ফিলিপাইন - মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ: যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ : রাশিয়া – জাপান

উৎস: Ministry of Foreign Affairs of Japan
Britannica.
৩৯.
নিম্নের কোন দুটি দেশ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে?
  1. রাশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান ও রাশিয়া
  3. চীন ও জাপান
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান ও রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
জাপান ও রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করে।

কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:

- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।

উল্লেখ্য,
- এটি রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।

উৎস: Britannica.
৪০.
Which two countries are primarily involved in the Siachen Glacier dispute?
  1. India and China
  2. Nepal and Bhutan
  3. China and Pakistan
  4. India and Pakistan
সঠিক উত্তর:
India and Pakistan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
India and Pakistan
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ:

- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিবাদমান অঞ্চল।
- পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত সিয়াচেন হিমবাহ।
- আশির দশকের গোড়া থেকে কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয়।
- লড়াইয়ের কারণ হচ্ছে, এই হিমাবাহের কৌশলগত অবস্থান দুই দেশের সামরিক কৌশল এবং সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৪১.
কোনটি জাপান সাগর ও পীত সাগরের মাঝে অবস্থিত?
  1. ক) বাহরাইন দ্বীপ
  2. খ) জাভা দ্বীপ
  3. গ) কোরিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) সুমাত্রা দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) কোরিয়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোরিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- জাপান সাগর(East Sea) ও পীত সাগরের (Yellow Sea) মধ্যে কোরিয়া উপদ্বীপ অবস্থিত। 
- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়ে কোরিয়া উপদ্বীপ গঠিত। 
 
উৎস : মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট
৪২.
নিচের কোনটি একটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র:
- একটি স্বাধীন দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যদি অন্য কোন স্বাধীন দেশ অবস্থান করে তবে তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে।
- পৃথিবীতে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র ২টি।
- এগুলো হলো ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- স্যানমেরিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালির অধিভুক্ত।
- দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।

অন্যদিকে,
ইতালির অভ্যন্তরে ‘ভ্যাটিকান সিটি’ ও ‘সানম্যারিনো’ রাষ্ট্রদ্বয় অবস্থিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
৪৩.
কোন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়?
  1. ইয়েরেভান
  2. নাগার্নো কারাবাখ
  3. আর্টসাখ প্রজাতন্ত্র
  4. আকসাই অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগার্নো কারাবাখ
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মাঝে সংঘর্ষ হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিবিসি বাংলা।
৪৪.
আলতামিরা গুহা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. স্পেন
  4. কোস্টারিকা
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা
আলতামিরা গুহা:
- আলতামিরা গুহাটি উত্তর স্পেনে অবস্থিত।
- গুহাটি প্রাগৈতিহাসিক চিত্রকর্ম এবং খোদাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
- এটি ক্যান্টাব্রিয়া প্রদেশের বন্দর শহর সান্তান্ডার থেকে ১৯ মাইল (৩০ কিমি) পশ্চিমে অবস্থিত।
- আলতামিরা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট মনোনীত হয়েছিল।
- ১৮৬৮ সালে একজন শিকারী দ্বারা আবিষ্কৃত গুহাটি ১৮৭৬ সালে স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মার্সেলিনো সানজ ডি সাউতুওলা পরিদর্শন করেছিলেন।
- আলতামিরা গুহাটি ৯৭১ ফুট (২৯৬ মিটার) লম্বা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪৫.
বিতর্কিত ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’ কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত–পাকিস্তান
  2. পাকিস্তান–আফগানিস্তান
  3. আফগানিস্তান-ভারত
  4. আর্মেনিয়া–আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত–পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• ‘স্যার ক্রিক অঞ্চল’
- স্যার ক্রিক প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ খাঁড়িবেষ্টিত অঞ্চল।
- এই অঞ্চলের সীমান্ত চিহ্নিতকরণ নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের।
- এই সংকীর্ণ খাঁড়ি আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত। আগে এর নাম ছিল বনগঙ্গা।
- পরে ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে এর নাম বদলে 'স্যার ক্রিক' রাখা হয়।

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে সিন্ধু (বর্তমান পাকিস্তান প্রদেশ) এবং কচ্ছ (ভারতের গুজরাট রাজ্যের অঞ্চল) দুইই বোম্বে প্রেসিডেন্সির অংশ ছিল। কিন্তু স্যার ক্রিক নিয়ে দুই প্রদেশের মধ্যে সেই সময়েও বিরোধ ছিল।

- ১৯১৩-১৪ সালে বোম্বে প্রেসিডেন্সি একটা প্রস্তাব জারি করে। সেখানে বলা হয়েছিল স্যার ক্রিক একটা জলাভূমি। এর মধ্যে দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারে না। তাই এর সীমানা মাঝখান থেকে নয় বরং উপকূল অর্থাৎ পূর্ব তীর থেকে হবে। ফলে স্যার ক্রিকের পুরো অংশ সিন্ধ প্রদেশের দিকে চলে যায়।

-স্বাধীনতার পর পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত মেনে চলতে চাইলেও ভারত রাজি হয়নি। ভারত জানায় সীমান্ত খাঁড়ি অঞ্চলের মাঝখানে অর্থাৎ মিড চ্যানেল-এ হওয়া উচিত।

- যুক্তি হিসাবে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস) এর নীতির কথা উল্লেখ করে। একে থালওয়েগ নীতি বলা হয়।

- এই নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে যদি একটা নদী বা উপসাগর দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত হয়, তবে সাধারণ পরিস্থিতিতে তার মাঝখান দিয়েই সীমানা স্থির করা হবে।
- অন্যদিকে, পাকিস্তানের যুক্তি যেহেতু এই অংশ নাব্য নয়, তাই ওই নীতিটি এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: বিবিসি [লিংক]

৪৬.
ইসরাইল 'গোলান মালভূমি' দখল করে কত সালে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।
 
উৎস: Britannica.
৪৭.
What is the name of the boundary that separated India from Pakistan, set in 1947?
  1. ক) Green Line
  2. খ) McMahon Line
  3. গ) Radcliffe Line
  4. ঘ) None of the above
সঠিক উত্তর:
গ) Radcliffe Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Radcliffe Line
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে র‌্যাডক্লিফ রেখা ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হয়। 
- র‌্যাডক্লিফ ছিলেন ভারতের সীমানা নির্ধারণে গঠিত র‌্যাডক্লিফ কমিশনের প্রধান। 
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন। 
- তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত। 
- তাঁর প্রস্তাবনায় ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৪৮.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. কিরিবাতি
  2. কিউবা
  3. গায়ানা
  4. জিম্বাবুয়ে
সঠিক উত্তর:
কিরিবাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিরিবাতি
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪৯.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫টি
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো:
রাশিয়া
ইউক্রেন
বেলারুশ
মোলদাভিয়া
এস্তোনিয়া
লাটভিয়া
লিথুয়ানিয়া
জর্জিয়া
আর্মেনিয়া
আজারবাইজান
কাজাখস্তান
উজবেকিস্তান
কিরগিজস্তান
তাজিকিস্তান
তুর্কমেনিস্তান।
এর আগে ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫০.
চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে -
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল:
- হংকং বর্তমানে চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল যা এক দেশ দুই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট লিজ দেয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন পুনরায় চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
- হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে গৃহীত এক দেশ দুই নীতির মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- চীনের অপর একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হলো সাবেক পর্তুগিজ কলোনি ম্যাকাও।
-  বর্তমানে চীনে দুটি  বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল  রয়েছে: ম্যাকাও এবং হংকং।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট এবং Investopedia.Com।[লিঙ্ক]
৫১.
সম্প্রতি কোন উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল?
  1. ক) বালাকোট
  2. খ) তিব্বত
  3. গ) গালওয়ান
  4. ঘ) হিমাচল
সঠিক উত্তর:
গ) গালওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গালওয়ান
ব্যাখ্যা
লাদাখের গালওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে ২৪ মে ২০২০ তারিখে চীনা সেনারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়লে লাদাখের লেহ ও কাশ্মীর থেকে সৈন্য প্রেরণ করে ভারত।
লাদাখের গালওয়ানে ২০২০ সালের ১৫ জুন লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল বরাবর ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ভারতের ২০ জন সৈন্য নিহত এবং চীনের ৪৩ জন সৈন্য নিহত হয়।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা।
৫২.
সীমান্ত গান্ধী নামে পরিচিত কে?
  1. ক) রাজীব গান্ধী
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী
  3. গ) আতাউর রহমান
  4. ঘ) আব্দুল গাফফার খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল গাফফার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আব্দুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
সীমান্ত গান্ধী নামে আব্দুল গাফফার খান পরিচিত। 
- খান আব্দুল গাফফার খান মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। 
- ভারতের উত্তর - পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করায় তাকে 'সীমান্ত গান্ধী' উপাধীতে ভূষিত করা হয়

তথ্যসূত্র:- ডেইলি স্টার।
৫৩.
‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. চীন ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও চীন
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ সীমান্তবর্তী স্থান:
- ‘চমন-স্পিন বোল্ডাক’ (Chaman-Spin Boldak) সীমান্তবর্তী স্থানটি আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ডুরান্ড লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং পয়েন্ট।

উল্লেখ্য,
- এখানে আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোল্ডাক এবং পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের চমন শহর একে অপরের সাথে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: Britannica.

৫৪.
১৯৬৯ সালে উসুরী নদীকে কেন্দ্র করে কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্ত সংঘর্ষ দেখা দেয়?
  1. ক) চীন - ভারত
  2. খ) ভারত - পাকিস্তান
  3. গ) সোভিয়েত - চীন
  4. ঘ) নেপাল - ভারত
সঠিক উত্তর:
গ) সোভিয়েত - চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোভিয়েত - চীন
ব্যাখ্যা
- পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম বাঙালি গণহত্যাকে নিন্দা করে। 
- এজন্য মনে করা হয় যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন আগাগোড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। 
- সোভিয়েত নীতির পটভূমিতে বিদ্যমান ছিল সোভিয়েত-চীন বিবাদের অভিজ্ঞতা। 
- ১৯৬৯ সালের মার্চে উসুরী নদী বরাবর সোভিয়েত চীন সীমান্ত সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত-চীন বিবাদ চরম পর্যায়ে পৌছে। 
 
- আর তখন থেকেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চীনকে প্রতিহত করতে সোভিয়েত ইউনিয়ন যে পরিকল্পনা করে তারই অংশ হিসেবে চীন সমর্থিত পাকিস্তানের বিপক্ষ শক্তি ভারতকে সোভিয়েত ইউনিয়ন অধিক নির্ভরশীল মিত্র হিসেবে গ্রহণ করে। 
- আর ভারতের আকাঙ্ক্ষার দিকে লক্ষ রেখেই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অনেকটা শেষপর্যায়ে এসে সমর্থন করে। 
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৫.
'নেভাদার এরিয়া-৫১' কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
'নেভাদার এরিয়া-৫১'
- বিশ্বের গোপন ও কৌতূহলোদ্দীপক স্থান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার এরিয়া-৫১।
- এর মধ্যে রয়েছে ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে কার্যকলাপ ও উন্নত সামরিক প্রযুক্তি পরীক্ষার মতো নানা বিষয়।
- তবে এটি মার্কিন বিমানবাহিনীর কার্যকলাপ চালানোর জন্য অত্যন্ত গোপনীয় স্থান হওয়ায় এখানে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
- এরিয়া ৫১ মূলত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি। যার আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে এবং লাস ভেগাস থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম রেকেল গ্রামের কাছে অবস্থিত।
- এরিয়া ৫১ নামের এই সামরিক ঘাঁটি এতটাই গোপনীয় যে, ২০১৩ সালের আগ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর অস্তিত্ব অবধি স্বীকার করেনি।
- রাশিয়া এরিয়া ৫১ নিয়ে প্রশ্ন তুললে ২০১৩ সালের আগস্টে প্রথমবার আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে, এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব।

সূত্র- বিবিসি পত্রিকা (লিংক)।
৫৬.
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আইসিজেতে মামলা দায়ের করে -
  1. গাম্বিয়া
  2. সেনেগাল
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
গাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
▪ রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত বা (আইসিজে)'তে মামলা দায়ের করে।
▪ আদালত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করে।
▪ এতে গণহত্যা বন্ধ, গণহত্যার ষড়যন্ত্র বা উস্কানি বন্ধ, গণহত্যার আলামত সংরক্ষণ এবং চার মাসের মধ্যে আদেশ পালনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানোর কথা বলা হয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৫৭.
গোলান মালভূমি কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ইসরায়েল ও লেবানন
  2. ইসরায়েল ও জর্ডান
  3. সিরিয়া ও ইসরায়েল  
  4. সিরিয়া ও তুরস্ক 
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরায়েল  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া ও ইসরায়েল  
ব্যাখ্যা

গোলান মালভূমি: 
- গোলান মালভূমি ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি মূলত সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ হলেও ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল এটি দখল করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে ইসরায়েল একতরফাভাবে এই অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- তবে এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি দেয়নি, শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ২০১৯ সালে এটি স্বীকৃতি দেয়।
- অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দুই দেশই নিজেদের বলে দাবি করে।  

সূত্র:  ব্রিটানিকা। 

৫৮.
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে সংঘাত হয়েছিল কোন দুই দেশের মধ্যে?
  1. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  2. স্পেন ও ফ্রান্স
  3. ব্রাজিল ও চিলি
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এর অপর নাম ইসলাস মালভিনাস।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ–শাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪৮০ কিমি দূরে।
- রাজধানী হল স্ট্যানলি।

উল্লেখ্য,
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

৫৯.
ইরাক কর্তৃক কুয়েত দখল হয় -
  1. ক) ১৯৮৯ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক তার প্রতিবেশী দেশ কুয়েতের ওপর দুই দিনব্যাপী "কুয়েত আক্রমণ" অপারেশন পরিচালনা করে।
- এর ফলে দীর্ঘ সাত মাসব্যাপী দেশটি ইরাকের অধীনে ছিল।
- ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে যা ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- ৫ মার্চ ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের শর্ত মেনে ইরাক কুয়েত থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা করে।

উৎস:- History.com
৬০.
বেনগাজি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) এশিয়া
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ক) আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বেনগাজি লিবিয়া,আফ্রিকার একটি অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর৷
Source: Britannica
৬১.
সিয়াচেন হিমবাহ কোথায় অবস্থিত?
  1. হিমাচল
  2. ভুটান
  3. কাশ্মীর
  4. কাঠমান্ডু
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা

• সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ কোথায় অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত সিয়াচেন হিমবাহ।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিবাদমান অঞ্চল।
- কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

৬২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এটলি
  2. খ) চার্চিল
  3. গ) গ্লাডস্টন
  4. ঘ) চেম্বারলেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চেম্বারলেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চেম্বারলেন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪০ সালের মে পর্যন্ত চেম্বারলেন, মাঝের চার্চিল এবং যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত এটলি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৬৩.
"শাত-ইল-আরব জলপথ" কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু ছিল?
  1. ইরাক – ইরান
  2. ইরান – সৌদি আরব
  3. ইরাক – কুয়েত
  4. তুরস্ক – ইরান
সঠিক উত্তর:
ইরাক – ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক – ইরান
ব্যাখ্যা
- শাত-ইল-আরব (Shatt al-Arab) জলপথ ছিল ইরান ও ইরাক এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু।

শাত-ইল-আরব:
- এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক - ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- তার আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: Britannica.
৬৪.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণ -
  1. মরক্কো-আলজেরিয়া সীমান্ত দ্বন্দ্ব নিরসন
  2. আকাবা উপসাগরের নিয়ন্ত্রণ
  3. শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
  4. ফিলিস্তিনে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল আরবকে ঘিরে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব:
‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ  হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

সূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৬৫.
২০২৫ সালে কোন দেশের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. চীন 
  2. রাশিয়া 
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- উদ্দেশ্য: ৩৫ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটানো, ভ্রমণ, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা এবং এশিয়া থেকে ইউরোপে রাশিয়া ও ইরানকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য নতুন ট্রানজিট রুট তৈরি করা। 
- এই চুক্তিটি দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব হ্রাস করে মার্কিন প্রভাব বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের মূল ছিল নাগোরনো-কারাবাখ।
- এটি আজারবাইজানের একটি পার্বত্য এলাকা, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাসিন্দা ছিলেন জাতিগত আর্মেনিয়ান।
- ১৯৮০-এর দশকে এই এলাকা আর্মেনিয়ার সমর্থনে আজারবাইজান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে পুরো অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়, যা ছিল আজারবাইজানের অন্তর্গত হলেও জাতিগত আর্মেনিয়ানদের দ্বারা অধিকৃত।
- চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ককেশাসে দুই দেশের মধ্যে একটি কৌশলগত ট্রানজিট করিডোর স্থাপনের বিশেষ অধিকার পেয়েছে, যা ‘ট্রাম্প রুট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি’ নামে পরিচিত হবে।

উৎস: Reuters.

৬৬.
গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে কোন দ্বীপ নিয়ে বিবাদ রয়েছে?
  1. স্প্রাটলি
  2. সাইপ্রাস
  3. সেনকাকু
  4. সিসিলি
সঠিক উত্তর:
সাইপ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইপ্রাস
ব্যাখ্যা
সাইপ্রাস: 
- সাইপ্রাস নিয়ে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে বিবাদ রয়েছে। 
- ১৯৬০ সালে সাইপ্রাস ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। 
- এটি সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে (যা ১৯২৫ সাল থেকে একটি ব্রিটিশ ক্রাউন কলোনি ছিল)।
- তবে গ্রিক সাইপ্রিয়ট সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং তুর্কি সাইপ্রিয়ট সংখ্যালঘুদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত এবং ১৯৭৪ সালে তুর্কি সেনাদের দ্বীপে আক্রমণের ফলে দ্বীপটি কার্যত বিভক্ত হয়ে যায়।
- এই বিভক্তির ফলস্বরূপ দেশের উত্তর এক-তৃতীয়াংশে ১৯৭৫ সালে একটি ডি ফ্যাক্টো তুর্কি সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৩ সালে তুর্কি সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্র একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং উত্তর সাইপ্রাস তুর্কি প্রজাতন্ত্র (Turkish Republic of Northern Cyprus) নাম গ্রহণ করে।
- তবে এর স্বাধীনতাকে শুধুমাত্র তুরস্ক স্বীকৃতি দিয়েছে; আন্তর্জাতিকভাবে এটি অস্বীকৃত।

উৎস: Britannica.
৬৭.
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল-
  1. ৫ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৮ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৪ বার।
- প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৭-৪৮ সালে।
- দ্বিতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল। এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৩ সালেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম তেল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৬৮.
কোন প্রণালি তাইওয়ান ও চীনকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে?
  1. ক) সুন্দা প্রণালি
  2. খ) মালাক্কা প্রণালি
  3. গ) বেরিং প্রণালি
  4. ঘ) ফরমোজা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরমোজা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা
ফরমোজা প্রণালি চীন ও তাইওয়ানকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে এবং দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
মালাক্কা প্রণালি ইন্দোনেশিয়া থেকে মালয়েশিয়াকে পৃথক করেছে।
সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পরস্পর থেকে পৃথক করেছে।
বেরিং প্রণালি রাশিয়া তথা এশিয়াকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৬৯.
আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে-
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ইসলামিক স্টেট (আইএস) মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গি সংগঠন।
- ২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া, ইরাক ও লিবিয়ার বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দখল করে নিজেদের খিলাফত ঘোষণা করে।
- এর প্রথম খলিফা ছিলেন আবু বকর আল বাগদাদি।
- তিনি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ সিরিয়ার ইদলিব শহরে মার্কিন অভিযানে নিহত হন।
- তার মৃত্যুর পর আবু ইব্রাহিম আল হাশেমি আল কুরাইশি আইএস এর খলিফা নিযুক্ত হন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইএস প্রধানের গোপন আস্তানায় মার্কিন বিশেষ বাহিনী অভিযান চালায়। ওই অভিযানেই ইরাকি নাগরিক আবু ইব্রাহিম আল–কুরায়শি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।

তথ্যসূত্র:- আল জাজিরা এবং প্রথম আলো।
৭০.
কোন জলপথ নিয়ে ইরান ও ইরাকের মধ্যে বিরোধ ছিল?
  1. শাত-ইল-আরব
  2. অ্যাডেন উপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. ওমান উপসাগর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা

- শাত-ইল-আরব এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ ছিল।

• শাত-ইল-আরব:

- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩
- জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস:  হিস্টরি কম এবং ব্রিটানিকা।

৭১.
রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল 'ক্রিমিয়া' একটি-
  1. দ্বীপ
  2. উপদ্বীপ
  3. মরুভূমি
  4. মালভূমি
সঠিক উত্তর:
উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া একটি উপদ্বীপ, যা কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নিয়ে ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- রাশিয়া "ক্রিমিয়া উপদ্বীপ" দখল করে রাশিয়ার অংশ করে নেয় ২০১৪ সালে।
- ক্রিমিয়ার ৬০ ভাগ অধিবাসী রাশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর।
- কৃষ্ণসাগর কিংবা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেবাস্তাপুল বন্দর যা ক্রিমিয়ায় অবস্থিত।
- এতে রাশিয়া সেখানে একটি গণভোট আয়োজন করে যেখানে অধিকাংশ রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে মত দেয়।

উৎস:- হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড পত্রিকা রিপোর্ট।
৭২.
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ -
  1. ফকল্যান্ড দ্বীপ ও সেনকাকু দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ ও ফকল্যান্ড দ্বীপ
  4. কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িল দ্বীপ ও শাখালিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
- রাশিয়া বর্তমানে দ্বীপপুঞ্জ দখল করেছে, কিন্তু জাপান তাদের জাপানি এলাকা হিসেবে দাবি করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপগুলির উপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করেছিল।

অন্যদিকে -
- ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ফকল্যান্ড দ্বীপ।
- চীন, জাপান ও তাইওয়ানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ: সেনকাকু দ্বীপ।

উৎস: Britannica.
৭৩.
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ হয়?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও পর্তুগাল
  4. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি মালভিনাস নামেও পরিচিত। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের স্থান ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ।
- যুদ্ধের যুক্তরাজ্য বিজয়ী হয় এবং ফকল্যান্ডসহ কিছু দ্বীপে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখলে নিলে ব্রিটেন যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৪ জুন আর্জেন্টিনা পরাজিত হলে দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

সূত্র: Britannica.
৭৪.
আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্ত করেছে -
  1. মাকাসার প্রণালী
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা
প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগর (আন্দামান সাগর) কে প্রশান্ত মহাসাগর (দক্ষিণ চীন সাগর) এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ এবং ফানেল আকৃতির, যার প্রস্থ দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) যা উত্তর দিকে বিস্তৃত হয়েছে প্রায় ১৫৫ মাইল (২৫০ কিমি) সুমাত্রার কাছে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী: ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মাকাসার প্রণালী: জাভা (ইন্দো) ও সেলিবিস (ইন্দো.) সাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুন্দা প্রণালী: ভারত মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) এর সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
 
উৎস : World Atlas & Britannica. [link]
৭৫.
আফ্রিকা মহাদেশের কোন রাষ্ট্রে চীন প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে?
  1. ক) নিরক্ষীয় গিনি
  2. খ) রুয়ান্ডা
  3. গ) বেনিন
  4. ঘ) জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকা মহাদেশের জিবুততে চীন প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।
- প্রথমবারের মতো চীন সামরিক ঘাঁটি গড়তে যাচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগরে। 
- মধ্য আফ্রিকার দেশ ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে জিবুতির পর দ্বিতীয় সামরিক ঘাটি।
- এদিকে চীন যদি ইকোয়েটোরিয়াল গিনিতে এই সামরিক ঘাঁটির প্রতিষ্ঠা করে তাহলে চীনা যুদ্ধজাহাজ পুনঃঅস্ত্র গ্রহণ করতে সক্ষম হবে এবং সে সমস্ত অস্ত্র মার্কিন পূর্ব উপকূলের ঠিক বিপরীতে মোতায়েন হবে।

 উৎস: সময় নিউজ এবং প্রথম আলো
৭৬.
ফকল্যান্ড যুদ্ধে জয়লাভ করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ (Falklands War)
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২ এপ্রিল, ১৯৮২ - ১৪ জুন, ১৯৮২ সাল পর্যন্ত।
▪ পক্ষসমূহ: যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা। 
▪ যুদ্ধ সংঘটনের স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপ।  
ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার তৎকালীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়। ব্রিটিশ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।    
▪ সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসমর্পনে সম্মত হয়। এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।    

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭৭.
'ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ' নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- যুক্তরাজ্যের একটি স্বশাসিত ওভারসিজ (overseas) অঞ্চল যা দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এর রাজধানী এবং প্রধান শহর হল স্ট্যানলি, যা ইস্ট ফকল্যান্ডে অবস্থিত;
- দক্ষিণ আমেরিকায় এই দ্বীপগুলো সাধারণভাবে "ইসলাস মালভিনাস" (Islas Malvinas) নামে পরিচিত,
- কারণ ১৭৬৪ সালে ফরাসি বসতিবাসীরা এই দ্বীপগুলোর নাম রেখেছিল মালোইনেস বা মালোভিনেস,
- তাদের মাতৃবন্দর সেন্ট-মালো, ফ্রান্সের নামানুসারে।
- দ্বীপগুলোর মোট আয়তন ৪,৭০০ বর্গমাইল (১২,২০০ বর্গকিমি)
- ফকল্যান্ড আইল্যান্ডসের মূল দুটি দ্বীপ, ইস্ট ফকল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ফকল্যান্ডের উত্তরাংশে পাহাড়ের পর্বতশ্রেণী রয়েছে,
- এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মাঝে বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ২ এপ্রিল আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ফকল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এরই প্রেক্ষিতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১০ সপ্তাহ পর স্ট্যানলিতে ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে আর্জেন্টাইন বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- ব্রিটিশ সৈন্যরা জোরপূর্বক দ্বীপগুলো পুনরায় দখল করে নেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭৮.
নাগার্নো-কারাবাখ যুদ্ধের অবসানে কোন দেশ মধ্যস্থতা করে?
  1. ক) উজবেকিস্তান
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশী দুই দেশ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া‌র মধ্যে দক্ষিণ ককেশাসের বিতর্কিত অঞ্চল নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো।
- বিবাদপূর্ণ নাগার্নো-কারাবাখের মালিকানা ঘিরে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ সালে রাশিয়া, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার 'নাগার্নো-কারাবাখ শান্তি চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়।
- মূলত রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৯.
'এমবেডেড জার্নালিজম' কোন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত?
  1. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. জলবায়ু
  3. শান্তিরক্ষা
  4. যুদ্ধক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
এমবেডেড জার্নালিজম:
- যুদ্ধক্ষেত্রের সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য যে সকল সাংবাদিক সৈনিকদের সাথে যুদ্ধের ময়দানে যায় তাদেরকে এমবেডেড সাংবাদিক বলা হয়।
- এমবেডেডড জার্নালিজম শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয় ২০০৩ সালে।
- এমবেডেড রিপোর্টার এবং ফটোগ্রাফারদের একটি নির্দিষ্ট সামরিক ইউনিটের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পারস্য উপসাগরীয় যুদ্ধের রিপোর্টিং মূলত "পুল সিস্টেম" এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।
- এমবেডেড সাংবাদিকতা মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ দ্বারা চালু করা হয়েছিল ইরাক যুদ্ধ (২০০৩-১১) সময়ে।

উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
৮০.
রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে -
  1. ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  2. ২৪ মার্চ ২০২২
  3. ২৪ জানুয়ারি ২০২২
  4. ২৪ এপ্রিল ২০২২
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ব্যাখ্যা
▪ এই হামলার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে।
▪ ইউক্রেন কর্তৃক ন্যাটোতে যোগদানের তৎপরতার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার তার নিরাপত্তাগত স্বার্থে ইউক্রেনে আক্রমণ করে। এই যুদ্ধ এখনো চলমান রয়েছে।
▪ ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করছে। একইসময়ে রাশিয়ার উপর তেল-গ্যাসসহ বহুমুখী অবরোধ আরোপ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো।
৮১.
'কালাপানি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
কালাপানি:
- কালাপানি হলো ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি সীমান্ত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

⇒ নেপাল দাবি করে যে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নেপালের অংশ, যেহেতু সেখান দিয়ে মাহাকালী নদীর উৎস বইছে।
- ভারত বলে এটি তাদের ভূখণ্ড এবং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় প্রশাসনের অধীনে।

উল্লেখ্য,
- ১৮১৫ সালের সুগৌলি চুক্তি (Sugauli Treaty) অনুযায়ী ব্রিটিশরা নেপাল থেকে কিছু ভূখণ্ড নিয়েছিল।
- নেপাল দাবি করে ১৮১৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী কালি নদীর পূর্বাঞ্চল তাদের, কিন্তু ভারত সবসময় কালি নদীর উৎস এবং তার নদীর প্রবাহ বদলে যাওয়াসহ এই অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার নিয়ে নানা প্রমাণ হাজির করেছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।  তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত। যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: i) BBC.
ii) Institute Of Peace & Conflict Studies.
৮২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯১২ সালে
  2. খ) ১৯১৩ সালে
  3. গ) ১৯১৪ সালে
  4. ঘ) ১৯১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।

• এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৮৩.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে -
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন:
 - ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- পূর্বেকার রাশিয়ান সাম্রাজ্যের সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকগুলোর সমন্বয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে ১৫টি দেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
৮৪.
২০১৫ সালে ইরানের সাথে মােট কয়টি দেশের পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬টি
ব্যাখ্যা
১৪ জুলাই ২০১৫ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সাথে আর ছয়টি দেশের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দেশগুলাে p5 + 1 নামে খ্যাত, তারা হলাে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স এবং জার্মানি। এছাড়া ইউরােপিয়ান ইউনিয়নও ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে নিজেকে ৮ মে ২০১৮ এ চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৮৫.
হলোকাস্টের শিকার হয়েছিল -
  1. ক) শিখ জনগোষ্ঠী
  2. খ) খ্রিস্টান জনগোষ্ঠী
  3. গ) মুসলিম জনগোষ্ঠী
  4. ঘ) ইহুদি জনগোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইহুদি জনগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইহুদি জনগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
হলোকাস্ট (Holocaust):
- জার্মানির নাজি সরকার ১৯৪১-৪৫ সময় সীমায় নিজ দেশের দখলিকৃত অঞ্চলে ইহুদি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হত্যা কনসেনটেশন ক্যাম্পে নিয়ে রাখা, গ্যাস চেম্বারে রেখে হত্যা ইত্যাদি নানা ঘটনা চিহ্নিত হয়ে আছে ‘হলোকাস্ট' হিসেবে।
- হলোকাস্টের ঘটনায় প্রায় ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যা ও ডিপোর্টেশনের জন্য জার্মানরা সারা বিশ্বের কাছে তাদের সম্মান হারিয়েছে। - ইহুদি হত্যার দায়ভার আজও জার্মানি বহন করে চলেছে।
- ওই সময় ইউরোপে যে ইহুদি জনগোষ্ঠী বসবাস করতো, তার তিনভাগের দুই ভাগই হলোকাস্টের শিকার হয়েছিল।
- অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন যেসব অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল, সেইসব জায়গায় 'কনসেনট্রেশন ক্যাম্প' তৈরি করে ইহুদি জনগোষ্ঠীতে সেখানে স্থানান্তর করেছিল।
- যেমন, বলা যেতে পারে Auschwitz, Belzec, Chelmno, Majdanek, Sobibor, Treblinka ক্যাম্পের কথা।
- এইসব স্থাপনাগুলো আজকের পোল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত।
- আজও সেই ক্যাম্পগুলো সেভাবে রেখে দেয়া হয়েছে স্মৃতি চিহ্ন হিসেবে।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৮৬.
আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়া কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. বলকান
  2. মধ্য আফ্রিকা
  3. উত্তর ইউরোপ
  4. ককেশাস
সঠিক উত্তর:
ককেশাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ককেশাস
ব্যাখ্যা
আবখাজিয়া ও দক্ষিণ ওসেটিয়া অঞ্চল:
- আবখাজিয়া ও দক্ষিণ ওসেটিয়া ককেশাস অঞ্চলের দুইটি বিতর্কিত অঞ্চল।
- বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাদের জর্জিয়া রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- অন্য দিকে রাশিয়া, ভেনিজুয়েলা, নিকারাগুয়া, নাউরু ও সিরিয়া তাদের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
- ২০০৮ সালের রুশ ও জর্জীয় যুদ্ধের পরে রাশিয়া কর্তৃক আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়ার স্বাধীনতার প্রাথমিক স্বীকৃতি ঘটে।
- দুটি বিতর্কিত অঞ্চলসহ জর্জিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে।

⇒ ককেশাস অঞ্চল:
- ককেশাস বা ককেসিয়া ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- মূলত কৃষ্ণ সাগর এবং কাস্পিয়ান সাগরের মাঝে এর অবস্থান।
- ককেশাস অঞ্চলে রয়েছে ৪টি দেশ।
- দেশগুলো: রাশিয়া, জর্জিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া।

উৎস: Britannica.
৮৭.
'সিয়াচেন হিমবাহ' কোন দুইটি দেশের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও চীন
  2. চীন ও নেপাল
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

সিয়াচেন হিমবাহ:
- সিয়াচেন হিমবাহ মূলত ভারত ও পাকিস্তান-এর মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এখানে উভয় দেশই নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে। 
- এটি উত্তর কাশ্মীরে অবস্থিত পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৮৮.
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল কত শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তর করবে?
  1. ক) ১২ শতাংশ
  2. খ) ১০ শতাংশ
  3. গ) ১৩ শতাংশ
  4. ঘ) ১১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ফিলিস্তিনের প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাত পবিত্র জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- এর মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
৮৯.
পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র 'সিয়াচেন হিমবাহ' কোথায় অবস্থিত?
  1. হিমাচল
  2. কাশ্মীর
  3. হায়দারাবাদ  
  4. কাঠমান্ডু
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা

• সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ  বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) BBC.

৯০.
'নাগার্নো কারাবাখ' কোন দুটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. আর্মেনিয়া - আজারবাইজান
  2. কাজাখস্তান - আজারবাইজান
  3. উজবেকিস্তান - তাজিকিস্তান
  4. আর্মেনিয়া - কাজাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া - আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া - আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

• নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর নাগার্নো কারাবাখ প্রজাতন্ত্র ১৯৯২ সালের শুরুতে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও এর অধিকাংশ অধিবাসী হলো আর্মেনীয় জাতিসত্ত্বার। ফলে এর নিয়ণন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দেশ দুটির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ১৯৯৪ সাল থেকে আর্মেনিয়া অঞ্চলটির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ২০২০ সালে নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ২০২০ সালে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির ফলে আজারবাইজান নাগার্নো কারাবাখের সাতটি অঞ্চলের পাঁচটির উপর তার নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।

এছাড়াও,
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ২০২০ সালে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে চলমান সংঘাত নিরসনের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি ৯ নভেম্বর, ২০২০ সালে মস্কোতে স্বাক্ষরিত হয় এবং রাশিয়া এতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। চুক্তির ফলে ১০ নভেম্বর, ২০২০ থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এটি দুই দেশের মধ্যে সংঘাত কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica ও বিবিসি বাংলা।

৯১.
কোরিয়ান ডিমিলিটারাইজড জোনে (DMZ) অবস্থিত শান্তিপূর্ণ গ্রামটির নাম কী?
  1. পানমুনজম
  2. গ্যাংনাম
  3. কিমচং
  4. ইনচন
সঠিক উত্তর:
পানমুনজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানমুনজম
ব্যাখ্যা
পানমুনজম গ্রাম: 
- কোরিয়ান ডিমিলিটারাইজড জোনে (DMZ) অবস্থিত শান্তিপূর্ণ গ্রামটির নাম পানমুনজম। 
- এই গ্রামটি উত্তর কোরিয়ার কায়েসোং থেকে প্রায় ৫ মাইল (৮ কিমি) পূর্বে এবং ৩৮ তম সমান্তরাল থেকে ৩ মাইল (৫ কিমি) দক্ষিণে অবস্থিত।
- কোরিয়ান যুদ্ধের সময়, পানমুনজোম ছিল যুদ্ধবিরতি সম্মেলনের স্থান, যেখানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘ, উত্তর কোরিয়া এবং চীনের প্রতিনিধিরা অস্ত্রবিরতির বিষয়ে আলোচনা করে এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এরপর থেকে, পানমুনজোম বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠক ও আলোচনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যা শুধু উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে নয়, বরং উত্তর কোরিয়া এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার স্থান হিসেবেও পরিচিত। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৯২.
অপারেশন ব্লু স্টার পরিচালিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) আফগানিস্তান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
১৯৮৪ সালের ১-৮ জুন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরে অবস্থিত শিখ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র উপাসনালয় স্বর্ণমন্দিরে পরিচালিত অভিযান হলো অপারেশন ব্লু স্টার। ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শিখ অধ্যুষিত এলাকায় খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তৎপর শিখ মিলিশিয়ারা স্বর্ণমন্দিরে অস্ত্র মজুদ ও অবস্থান নেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীদের গুলিতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী মারা যান। (সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে)
৯৩.
‘পানমুনজাম’ গ্রাম কোন দুটি দেশের সীমানায় অবস্থিত?
  1. ভারত ও চীন
  2. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

‘পানমুনজাম’ গ্রাম:
- পানমুনজাম একটি ঐতিহাসিক গ্রাম যা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমানায় অবস্থিত।
- এই গ্রামে মূলত ১৯৫৩ সালে কোরিয়ান যুদ্ধের অস্ত্রবিরতি চুক্তির সাক্ষী হয়েছিল। 
- এটি একটি সম্মিলিত নিরাপত্তা অঞ্চল (Joint Security Area - JSA)-এর অংশ। 

উৎস: Britannica.

৯৪.
‘নেটজারিম করিডোর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ফিলিস্তিন
  3. জর্ডান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা
নেটজারিম করিডোর:
- নেটজারিম করিডোর ফিলিস্তিনের গাজায় অবস্থিত।
- এই করিডোর গাজার উত্তর ও দক্ষিণ অংশের সংযোগকারী প্রধান চেকপয়েন্ট।
- ইসরাইলি বাহিনী এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি ব্যবহার করেই ইসরাইল উত্তর ও দক্ষিণ গাজার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী হামাস যোদ্ধাদের আকস্মিক হামলার পর গাজায় যুদ্ধ শুর করে ইসরাইল।
- দীর্ঘ দেড় বছরের যুদ্ধে ইসরাইলি হামলায় ৪৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। যাদের বেশির ভাগই ছিল নারী ও শিশু।
- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ইসরাইল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়।
- সম্প্রতি,যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, গাজার নেটজারিম করিডোরের পশ্চিম অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে ইসরাইল।
- এই সেনা প্রত্যাহারের উদ্দেশ্য হল বাস্তচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য গাজার উত্তর অংশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৯৫.
এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল কোন কোন দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল?
  1. মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস
  2. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম
  3. কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
  4. মায়ানমার, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, লাওস
ব্যাখ্যা

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল (Emerald Triangle):
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস—এই তিনটি দেশের সীমান্ত সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি ও বনভূমি অঞ্চল। 

⇒ এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গলে মিলিত হয়েছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা। 
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত দ্বন্দ্ব শত বছরের বেশি পুরোনো। সীমান্তে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটি ‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ নামে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে ১১ শতকের মোয়ান থম নামের একটি মন্দির নিয়ে ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড শত্রুতা বাড়ে।
- এরপর বছরের পর বছর ধরে সীমান্ত সংঘাতে দুই দেশে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

উৎস: The Economic Times.

৯৬.
তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কোন সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে?
  1. ক) হুথি
  2. খ) তানজিম আল জিহাদ
  3. গ) পিকেকে
  4. ঘ) লস্কর - ই তৈইব্যা
সঠিক উত্তর:
গ) পিকেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পিকেকে
ব্যাখ্যা
- PKK (Partiya Karkeren Kurdistan) বা কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টি হলো তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কুর্দিদের একটি মিলিশিয়া ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিকেকে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসছে।
- তুরস্ক সরকার পিকেকে গোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে সিরিয়া ও উত্তর ইরাকে সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র:- কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
৯৭.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোথায়?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. উত্তর মহাসাগরে
  3. দক্ষিণ চীন সাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের মোট আয়তন ১০,৫০৩.২ বর্গ কি. মি.।
- দ্বীপপুঞ্জটি বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন।
 
 সূত্র: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি বাংলা। 
৯৮.
'কোঙ্কন উপকূল' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) থাইল্যান্ড
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
- 'কোঙ্কন উপকূল' ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থিত।

 • উপকূল:
- মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় জেলাগুলি নিয়ে গঠিত প্রশাসনিক উপবিভাগকে কোঙ্কণ বলা হয়।
- কোঙ্কণের অধিবাসীদেরকে কোঙ্কণী ডাকা হয়। 
- কোঙ্কনের বন্দরগুলি প্রাচীন গ্রীক ও মিশরীয়দের কাছে এবং আরব ব্যবসায়ীদের কাছে অতি পরিচিত ছিল।
- মশলার ব্যবসা 'কোঙ্কণ' এলাকার প্রাচীন হিন্দু রাজ্যে সমৃদ্ধি এনেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং আনন্দ বাজার পত্রিকা।
৯৯.
প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear) কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  2. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
  3. ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া
  4. মিয়ানমার ও লাওস
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear):
- প্রেয়াহ বিহার একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির যা থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- 'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- থাইল্যান্ডও এর মালিকানা দাবি করায় দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে।
- ১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রায় দেয় যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অধীনে থাকবে।

⇒ ইংল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার অতীত এবং বর্তমানের এই দ্বন্দ্বে মন্দিরটি আর কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটা এখন সম্মানের প্রতীক, ইতিহাসের ছায়া এবং ভূখণ্ডের দাবি।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেলে এসে মিলেছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—এই তিন দেশের সীমানা।
- এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো ১১০০ শতকে তৈরি প্রেয়াহ বিহার মন্দির।
- ১৯০৭ সালে সেই উপনিবেশিক শাসকরাই তৈরি করে একটি মানচিত্র, যেখানে স্পষ্টভাবে প্রেয়াহ বিহারকে দেখানো হয় কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে। কিন্তু পরবর্তীতে থাইল্যান্ড তা মানতে চায়নি। তারা দাবি তোলে, মন্দিরটি তাদের সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে ফের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইউনেস্কো প্রেয়াহ বিহারকে কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

উৎস: i) The Economic Times.
ii) প্রথম আলো।

১০০.
ফিলিস্তিনে রাফাহ শহরকে গাজা থেকে বিচ্ছিন্নকারী সামরিক করিডোরের নাম কী?
  1. মোরাগ করিডোর
  2. আল-রশিদ করিডোর
  3. ফিলাডেলফি করিডোর
  4. নেটজারিম করিডোর
সঠিক উত্তর:
মোরাগ করিডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরাগ করিডোর
ব্যাখ্যা
মোরাগ করিডোর:
- ইসরায়েল ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে একটি নতুন সামরিক করিডোর নির্মাণ করে, যা রাফাহ শহরকে গাজার বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
- এই করিডোরটি "মোরাগ করিডোর" নামে পরিচিত।
- যা পূর্বে রাফাহ ও খান ইউনিসের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত একটি ইসরায়েলি বসতির নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই করিডোর নির্মাণের ঘোষণা দেন।
- ১২ এপ্রিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) করিডোরটি সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেয়।
- ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের মতে, এই করিডোরের মাধ্যমে হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে তাদের প্রস্থান নিশ্চিত করা হবে।
- এই করিডোর নির্মাণের ফলে রাফাহ শহর সম্পূর্ণভাবে ঘিরে ফেলা হয়েছে, যা গাজার বাকি অংশ থেকে শহরটিকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- এর ফলে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন ফিলিস্তিনি সীমিত এলাকায় আটকে পড়েছেন, এবং খাদ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট।