উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৩ / ১৮ · ১,২০১–১,৩০০ / ১,৭৯৭
John Backjar আবিষ্কার করেন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN (Formula Translation).
FORTRAN হচ্ছে FORmula TRANslator এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের জন্য লিখিত সর্বপ্রথম উচ্চস্তরের ভাষা।
Jack Kilby আবিষ্কার করেন Integrated Circuits.
Dr. Grass Hopper আবিষ্কার করেন বিজনেস এপ্লিকেশন ল্যাংগুয়েজ COBOL.
Alan Turing দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের কোড ভাঙ্গার সময় একটি ইলেকট্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
• Norton একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোনো ক্ষতিকারক ভাইরাস নয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ILOVEYOU,
- WannaCry,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৪। নরটন (Norton) এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ক্রিপার ভাইরাসকে সাধারণত কম্পিউটার ওয়ার্ম (ঘ) হিসেবে ধরা হয়। এটি ১৯৭১ সালে রবার্ট থমাস দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। ক্রিপারের মূল কাজ ছিল নিজেকে কপি করে অন্য কম্পিউটারে পৌঁছে দেওয়া এবং একটি বার্তা প্রদর্শন করা, যা বলছিল “I’m the creeper, catch me if you can!”। এটি ব্যবহারকারীর ফাইল ক্ষতি বা অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য তৈরি হয়নি, বরং এটি কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের ধারণা প্রদর্শনের একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করেছিল। সুতরাং, ক্রিপারকে কম্পিউটার ওয়ার্মের প্রথম উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।
উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
• HTML-এর সংক্ষিপ্ত রূপের পুরো অর্থ “Hyper Text Markup Language”। এটি একটি মানক মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরি ও প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। HTML-এর মাধ্যমে ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে কোন অংশে শিরোনাম, প্যারাগ্রাফ, তালিকা, ছবি বা লিঙ্ক স্থাপন করতে হবে। “Hyper Text” বলতে বোঝায় এমন টেক্সট যা অন্য ওয়েব পেজের সঙ্গে সংযুক্ত (লিঙ্ক) হতে পারে। “Markup” নির্দেশ করে যে এটি মূল কনটেন্টকে চিহ্নিত ও বিন্যাস করার জন্য ট্যাগ ব্যবহার করে। HTML ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং CSS ও JavaScript-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ ইন্টারেক্টিভ ও দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরি করতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) Hyper Text Markup Language.
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language.
- HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা।
- টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।
• ALU (Arithmetic Logic Unit) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক (Arithmetic) এবং যৌক্তিক (Logical) ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
• Data storage (তথ্য সংরক্ষণ):
- এটি মেমরি বা রেজিস্টারের কাজ, ALU তথ্য সংরক্ষণ করে না।
- ALU শুধুমাত্র প্রক্রিয়াকরণ করে, সংরক্ষণ নয়।
• ALU এর প্রধান কাজ:
- Addition (যোগ): দুই বা ততোধিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করে।
- Subtraction (বিয়োগ): দুই সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বের করে।
- Logical operation (যৌক্তিক ক্রিয়া): AND, OR, XOR, NOT ইত্যাদি যৌক্তিক অপারেশন সম্পন্ন করে।
- Comparison (তুলনা): সংখ্যা একের থেকে বড়, ছোট বা সমান কিনা যাচাই করে।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• উত্তর: গ) 7-Zip.
7-Zip একটি জনপ্রিয় ওপেন-সোর্স ফাইল কম্প্রেশন টুল যা .7z, .zip, .tar, .gzip, .bzip2 এবং আরও অনেক ফরম্যাট সাপোর্ট করে। এটি উচ্চ কম্প্রেশন রেট এবং শক্তিশালী AES-256 এনক্রিপশন প্রদান করে। ব্যবহারকারীরা 7-Zip ব্যবহার করে বড় ফাইল ছোট আকারে রূপান্তর করতে পারে এবং ডেটা সংরক্ষণ ও স্থান সাশ্রয় করতে পারে। এছাড়া, এটি উইন্ডোজ সহ বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য উপলব্ধ এবং সহজ ইন্টারফেসের কারণে নতুন ব্যবহারকারীরাও দ্রুত ফাইল কম্প্রেশন ও এক্সট্র্যাকশন করতে সক্ষম। ওপেন-সোর্স হওয়ায় এটি বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য এবং সম্প্রদায় দ্বারা নিয়মিত আপডেট হয়।
• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা এবং টুল ব্যবহৃত হয়। Java, Python এবং Ruby হলো প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সফটওয়্যার তৈরি, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ডেটা প্রসেসিং এবং অটোমেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডেটা বিশ্লেষণ, হিসাবনিকাশ, চার্ট তৈরি এবং রিপোর্টিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণভাবে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোডিং বা প্রোগ্রামিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে Excel ব্যবহৃত হয় না, যদিও এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট এবং বিশ্লেষণের জন্য সহায়ক।
- উত্তর: ক) Excel.
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
সঠিক উত্তর - ঘ) Malware
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse):
- ট্রোজান হর্স এক প্রকার ম্যালওয়্যার।
- এটি দেখতে বৈধ বা উপকারী মনে হলেও, ব্যবহারকারীর অজান্তে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ক্ষতি করে।
- ট্রোজান হর্স নামটি প্রাচীন গ্রিসের ট্রোজান ঘোড়ার গল্পের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে গ্রিকরা একটি বিশাল কাঠের ঘোড়ার ভিতরে লুকিয়ে ট্রয় নগরীতে প্রবেশ করেছিল।
ট্রোজান হর্সের বৈশিষ্ট্য:
- ব্যবহারকারী যখন কোনো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা ফাইল ডাউনলোড ও ইন্সটল করে, তখন ট্রোজান হর্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারে প্রবেশ করে।
- এটি কম্পিউটারে "ব্যাকডোর" তৈরি করে, যার মাধ্যমে দূরবর্তী কোনো ব্যবহারকারী আক্রান্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।
- ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য চুরি করা, ফাইল মুছে ফেলা, স্প্যাম ছড়ানো, বা পুরো হার্ড ড্রাইভ মুছে ফেলা পর্যন্ত সম্ভব।
- এই ম্যালওয়্যারগুলো প্রায়শই কর্পোরেট গুপ্তচরবৃত্তি, ব্ল্যাকমেইল, জালিয়াতি এবং পরিচয় চুরির মতো অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হয়।
- ট্রোজান হর্স সনাক্ত করা কঠিন, তবে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এবং নিয়মিত সিস্টেম স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে এটি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
- ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যার ডাউনলোডের সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং সন্দেহজনক ফাইল এড়িয়ে চলতে হবে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
• প্রোগ্রাম ডিবাগিং (Programme Debugging)
- Bug অর্থ পোকা।
- Debugging অর্থ পোকা দূর করা।
- কম্পিউটারের প্রোগ্রামে যে ভুল-ত্রুটি থাকে তা দূর করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারে একটি মথ পোকা ঢুকে যাওয়ায় তা অচল হয়ে পড়ে। তখন থেকে Debugging শব্দটির উৎপত্তি।
- প্রোগ্রাম ডিবাগিংয়ের জন্য প্রথমে প্রোগ্রামে কী ধরনের ভুল হয়েছে তা নির্ণয় করে সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় সংশোধন করলেই চলে।
- Syntax Error হলে তা নির্ণয় করা এবং সংশোধন করা সহজ।
- Logical Error শনাক্ত করা কঠিন।
- এক্ষেত্রে কিছু নমুনা ডাটা নিয়ে যার ফলাফল জানা আছে, প্রোগ্রাম পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল ভিন্ন হলে প্রোগ্রামকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের ফলাফল দেখে কোথায় ভুল আছে তা নির্ণয় করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• গুগল শিটস একটি অনলাইন স্প্রেডশীট প্ল্যাটফর্ম, যা মাইক্রোসফট এক্সেল-এর মতো কাজ করে। যখন আপনি কোনো শিটকে এক্সেল আকারে ডাউনলোড করতে চান, তখন গুগল শিটস সেটি মাইক্রোসফট এক্সেল-এর স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাটে রূপান্তর করে। এক্সেল ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো .xlsx, যা এক্সেল ২০০৭ এবং তার পরবর্তী সংস্করণে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, .docx হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফরম্যাট, .csv হলো সাধারণ কমা সেপারেটেড ফাইল, আর .gsheet শুধুমাত্র গুগল শিটসের নিজস্ব অনলাইন ফাইল। তাই এক্সেল আকারে ডাউনলোড করলে ডিফল্ট এক্সটেনশন হবে .xlsx
সঠিক উত্তর: গ) .xlsx
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:
1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.
2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.
3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Macro Virus হলো এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস যা ডকুমেন্ট ফাইল (যেমন .doc, .xls, .ppt ইত্যাদি)-এর মধ্যে লুকিয়ে থাকে। এই ভাইরাসগুলো Microsoft Word, Excel-এর মতো সফটওয়্যারের macro programming language (VBA – Visual Basic for Applications) ব্যবহার করে ছড়ায়। যখন infected ডকুমেন্ট খোলা হয়, তখন ভাইরাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হয়ে অন্য ডকুমেন্টেও ছড়িয়ে যায়।
ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
• কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভার রাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস ,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Unix অপারেটিং সিস্টেমে সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম প্রয়োগ করা হয়।
• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• উত্তর হলো: ঘ) C++
C++ হলো একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত জটিল এবং বড় সফটওয়্যার, যেমন অপারেটিং সিস্টেম, গেম, ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। C++ প্রোগ্রামারদের মেমোরি ম্যানেজমেন্ট নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয় এবং অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) সমর্থন করে।
- অন্যদিকে, MongoDB এবং Redis হলো ডাটাবেস প্রযুক্তি, এবং PostgreSQL হলো রিলেশনাল ডাটাবেস, যেগুলো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। তাই সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোড লেখার জন্য ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের ভাষা হিসেবে C++ ব্যবহৃত হয়।
• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- মেশিন বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
- তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়।
- এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
• উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG ইত্যাদি।
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- PostgreSQL, Redis, MongoDB এগুলো হচ্ছে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• HTML একটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়; এটি মূলত একটি Markup Language (মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ), যা ওয়েব পেজের গঠন বা কাঠামো তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• HTML হলো Hyper Text Markup Language, যা ওয়েব পেজ তৈরি ও গঠন বর্ণনার জন্য ব্যবহৃত একটি markup language।
• HTML (Hyper Text Markup Language):
- HTML এর পূর্ণরূপ Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়; বরং একটি Markup Language।
- HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের গঠন (structure) নির্ধারণ করা হয়।
- HTML বিভিন্ন Markup Tag-এর সমন্বয়ে তৈরি হয়।
- এই Tag গুলো ব্যবহার করে ওয়েব পেজে লেখা, ছবি, টেবিল, তালিকা ইত্যাদি প্রদর্শন করা যায়।
- HTML Tag সাধারণত জোড়ায় ব্যবহৃত হয়।
- একটি HTML Document মূলত দুটি অংশে বিভক্ত: Head Section এবং Body Section।
- Head Section এ সাধারণত title, meta, style ইত্যাদি তথ্য থাকে।
- Body Section এ ওয়েব পেজে প্রদর্শিত মূল কনটেন্ট থাকে।
• অন্যান্য অপশন:
- A web browser → ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন সফটওয়্যার যা HTML ডকুমেন্ট পড়তে ও ওয়েব পেজ প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়; যেমন Chrome, Firefox, Safari।
- A database management system → ডেটাবেজ পরিচালনার সফটওয়্যারকে Database Management System (DBMS) বলা হয়; যেমন MySQL, Oracle।
- A programming language used for operating systems → অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে সাধারণত C, C++, Rust ইত্যাদি programming language ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - গ) Simula
অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা (OOP)
- OOP হলো এমন প্রোগ্রামিং ভাষা যা প্রি-ডিফাইন্ড ইউনিট (objects, classes, subclasses) ব্যবহার করে।
- এটি প্রোগ্রামিংকে দ্রুত, সহজ এবং রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য করে তোলে।
- অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং শুরু হয় Simula ভাষা (1967) দিয়ে, যা ALGOL-এ তথ্য লুকানোর ধারণা যোগ করে।
- আরেকটি প্রভাবশালী অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড ভাষা হলো Smalltalk (1980), যেখানে একটি প্রোগ্রাম বস্তুসমূহের সেট ছিল, যা এক অপরের প্রতি বার্তা পাঠিয়ে যোগাযোগ করত।
• অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড ভাষার উদাহরণ:
- Java,
- C++,
- Visual Basic.
সূত্র: ব্রিটানিকা।
• BIOS বা Basic Input Output System হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত ROM (Read Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে, কারণ ROM-এ সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও মুছে যায় না।
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।
• BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।
উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
◉ মাল্টিকোর প্রসেসর একইসাথে একাধিক টাস্ক (বা থ্রেড) প্রসেস করতে পারে, যা কম্পিউটারের পারফরম্যান্স বৃদ্ধি করে। প্রতিটি কোর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তাই অ্যাপ্লিকেশনগুলো সমান্তরালভাবে (প্যারালালি) চালানো যায়। এটি বিশেষভাবে উপকারী যখন একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চলছে বা একটি প্রোগ্রাম মাল্টিথ্রেডেড অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে ডিজাইন করা হয়েছে।
CPU:
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।
- CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা-
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
• কম্পাইলার ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো প্রোগ্রাম দ্রুত রান করা। কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় বারবার অনুবাদ করতে হয় না। এর ফলে এক্সিকিউশন স্পিড অনেক বেশি হয়। ডিবাগ করা সহজ হওয়া বা কম মেমোরি লাগা সব ক্ষেত্রে কম্পাইলারের প্রধান সুবিধা নয়, কারণ ডিবাগিং তুলনামূলকভাবে ইন্টারপ্রেটারে সহজ হতে পারে এবং মেমোরি ব্যবহারের দিক থেকেও কম্পাইলার সব সময় সুবিধাজনক নয়। এছাড়া কম্পাইলার ব্যবহারে প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি থাকবে না, এমন নিশ্চয়তাও নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো প্রোগ্রাম দ্রুত রান করে।
অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০১ এবং ২০০২ সালে মেলিসা নামক ইন্টারনেট ভাইরাসের আক্রমণে অনেক ওয়েব সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত্র হয়।
- ভাইরাসটি অর্থ বা তথ্য চুরি করার উদ্দেশ্যে ছিল না, তবে এটি প্রচুর বিপর্যয় ঘটিয়েছে।
- বিশ্বব্যাপী ৩০০ টিরও বেশি কর্পোরেশন এবং সরকারী সংস্থার ইমেল সার্ভারগুলি ওভারলোড হয়ে গেছে এবং মাইক্রোসফ্ট সহ কিছুকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হয়েছিল৷
- আনুমানিক এক মিলিয়ন ইমেল অ্যাকাউন্ট ব্যাহত হয়েছে, এবং কিছু স্থানে ইন্টারনেট ট্রাফিক ক্রল করার জন্য ধীর হয়ে গিয়েছিল।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং এফবিআই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
সঠিক উত্তর - গ) Debugging
প্রোগ্রাম ডিবাগিং (Debugging)
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে ভুল হতে পারে। এই ভুলকে বাগ (Bug) বলা হয়।
- প্রোগ্রামের ভুল খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করা হল ডিবাগিং।
- কোনো প্রোগ্রাম ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় না।
- প্রোগ্রামে সাধারণত তিন ধরনের ভুল দেখা যায়:
ডেটা ভুল,
যুক্তিগত ভুল,
সিনট্যাক্স ভুল।
অন্যান্য অনুবাদক প্রোগ্রাম
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা করে দেখে সিনট্যাক্স (Syntax) ঠিক আছে কি না।
- যদি সব ঠিক থাকে, তখন পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়।
- যেহেতু সমস্ত ভুল এক সাথে দেখানো হয়, তাই ভুল শোধরানো কিছুটা জটিল।
- তবে একবার কম্পাইল হওয়ার পর প্রোগ্রামটি খুব দ্রুত চলে।
২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষাগুলিকে মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য সাধারণত কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের ভাষার জন্য আলাদা কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার থাকে।
- যদিও কাজের উদ্দেশ্য একই, তবে কাজের পদ্ধতিতে কিছুটা পার্থক্য থাকে।
৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম একবারে পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্টকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে এবং তা এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, যদি কোনো প্রোগ্রামে ১০টি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্টটি মেশিন কোডে রূপান্তরিত হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয়, তারপর তৃতীয়, এইভাবে সব স্টেটমেন্ট ধাপে ধাপে চলবে।
- এ কারণে ভুল চিহ্নিত করা এবং শোধরানো সহজ।
- তবে এক এক করে স্টেটমেন্ট রূপান্তর হওয়ায় কাজ করার সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সনাক্ত ও অপসারণ করে। তবে, ফাইল কমপ্রেশন (File Compression) বা ফাইল ছোট করে রাখা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের কাজ নয়।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
১. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন,
২. ভাইরাস স্ক্যানিং,
৩. সিগনেচার-ভিত্তিক ডিটেকশন,
৪. হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিস,
৫. অটোমেটিক আপডেট,
৬. ফায়ারওয়াল ইন্টিগ্রেশন, ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• Python-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা। Python-এর কোড লেখা সহজ, পরিষ্কার এবং মানুষের জন্য বোঝা সহজ। এর সিনট্যাক্স অন্য অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার তুলনায় সরল এবং স্বাভাবিক ভাষার মতো হওয়ায় নতুন প্রোগ্রামাররা দ্রুত শিখতে পারে। Python প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ, জটিল মেমরি ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন হয় না এবং কোডকে স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে Python বড় প্রকল্প থেকে শুরু করে ছোট স্ক্রিপ্ট পর্যন্ত ব্যবহারে সুবিধাজনক। কোডের পাঠযোগ্যতা উন্নত হলে সমস্যা শনাক্ত করা, ডিবাগ করা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ হয়। তাই Python-এর সরলতা এবং পাঠযোগ্যতা এর মূল শক্তি।
- সঠিক উত্তর: ঘ) পাঠযোগ্যতা এবং সরলতা।
পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
• সুপারকম্পিউটারের গতি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপের জন্য সাধারণত FLOPS এককটি ব্যবহার করা হয়। FLOPS দ্বারা বোঝায় একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো গাণিতিক হিসাব করতে পারে, বিশেষ করে দশমিক বা ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যার ক্ষেত্রে। কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি জটিল কাজে floating point গণনার প্রয়োজন হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের প্রকৃত ক্ষমতা বোঝাতে এই পরিমাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। FLOPS-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Floating Point Operations Per Second.
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।
উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট।
• প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। ফায়ারওয়াল অনুমোদিত ডেটাকে প্রবেশ করতে দেয় এবং সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ডেটাকে ব্লক করে। এটি হ্যাকার, ভাইরাস বা অন্যান্য অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে। অন্য অপশন যেমন ম্যালওয়্যার বা অ্যাক্সেস পয়েন্ট এই ধরনের সুরক্ষা সরাসরি প্রদান করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Firewall.
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (ইন্ট্রানেট) এবং ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল সাধারণত কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়।
- একটি ফায়ারওয়ালের সাথে সাধারণত রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) যুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল একটি প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে, যা প্রবেশ পথকে নিরাপদ রাখে এবং ডেটার ফিল্টারিং করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং প্রতিরোধে সহায়ক হলেও সবসময় সফলভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
সফট্ওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের।
এর একটি হল - অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software) এবং অপরটি হল - ব্যবহারিক কর্মসূচি বা এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম (Application Programme)।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
তার মধ্যে Dos, MacOS, Windows, Windows Vista এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অর্ন্তগত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)
Norman একটি এন্টিভাইরাস,
অপরপক্ষে, Trojan Horse, Perrin, Irina হল কম্পিউটার ভাইরাসের নাম, যা কম্পিউটারের ক্ষতিসাধন করে থাকে।
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,
- Perrin.exe,
- BUDDY LST.ZIP,
- Boot Sector virus,
- Macro virus,
- Overwriting virus etc.
কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,
- Norton Antivirus,
- IBM antivirus,
- Thunder Byte antivirus,
- Red alert antivirus
- Norman etc.
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
ডাটাবেজ ব্যবহার করে আমাদের দরকারি তথ্যকে প্রয়ােজন অনুযায়ী খুব সহজে সাজানাে যায়।
ডাটাবেজ হল একটি সফটওয়্যার যা দ্বারা আমরা আমাদের প্রয়ােজন অনুযায়ী তথ্যকে সাজিয়ে কাজ সম্পন্ন করতে পারি। ডাটাবেজে তথ্যসমূহ সাজানাে অবস্থায় থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম হলো Microsoft Excel.
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Spreadsheet Package Program :
- Lotus 1-2-3,
- MS Excel,
- Quattro Pro.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - ক) Math solving
প্রোগ্রামিং ভাষা (Programming Language)
- প্রোগ্রামিং ভাষা হলো এমন একটি মাধ্যম, যার মাধ্যমে কোনো সমস্যা তার উপাদানগুলোতে বিভক্ত করা হয়।
- এরপর এই উপাদানগুলো কম্পিউটারকে কার্যকর করার জন্য একটি ক্রমবদ্ধ নির্দেশ তালিকায় রাখা হয়।
- সফটওয়্যার ডেভেলপাররা প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে কোড লিখে, যা কম্পিউটারকে নির্দেশ অনুসরণ করতে এবং কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম করে।
- প্রথম উচ্চ-স্তরের ভাষার মধ্যে দুটি ছিল FORTRAN এবং ALGOL, যা প্রোগ্রামারদের বীজগণিতীয় প্রকাশনা লিখতে এবং বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করত।
- FORTRAN-এর একটি সরল সংস্করণ, BASIC, তৈরি হয় Dartmouth College-এ।
- COBOL তৈরি হয় ব্যবসায়িক প্রোগ্রামিং অ্যাপ্লিকেশন সমর্থনের জন্য।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
◉ ফার্মওয়্যার হলো সেই সফটওয়্যার যা ROM-এ থাকে এবং হার্ডওয়্যার চালাতে সাহায্য করে।
ROM এবং Firmware:
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম Firmware.
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তা কে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ জাতীয় প্রোগ্রাম কেবলমাত্র কম্পিউটারের পর্দায় দেখা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী কর্তৃক এ জাতীয় প্রোগ্রামকে কোন পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
যেমন: কম্পিউটার রান করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের মনিটরে বেশ কিছু তথ্য দেখা যায়। এগুলো ফার্মওয়্যারের আউটপুট।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১সংস্করণ)।