বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিদর্শন ও স্থানসমূহ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৫৮৮

.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

.
'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভটি কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভ:
- 'চেতনায় নজরুল' স্মৃতিস্তম্ভটি কুমিল্লায় অবস্থিত।

⇒ ১৯২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো কুমিল্লায় এসেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি কুমিল্লায় এসেছেন। এখানে বসেই সৃষ্টিশীল নানা গান, কবিতা লিখেছেন। তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা লিখে কুমিল্লাতেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এভাবেই কুমিল্লার সঙ্গে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল জাতীয় কবির।
- কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির সামনে নির্মিত হয় ‘চেতনায় নজরুল’ স্মৃতিস্তম্ভ।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে গবেষণা ও চর্চার করতে প্রতিষ্ঠিত হয় কবি নজরুল ইন্সটিটিউট কেন্দ্র, কুমিল্লা। 

উৎস: প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো:
• চারুকলা বিভাগ,
• নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ,
• সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ,
• গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ,
• প্রশিক্ষণ বিভাগ,
• প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।

- একাডেমির সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
.
বিজিবির সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. টুঙ্গিপাড়া
  2. পিলখানা
  3. কাশিমপুর
  4. মিরপুর
সঠিক উত্তর:
পিলখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিলখানা
ব্যাখ্যা
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ 
- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বীরত্ব ও ঐতিহ্যের গৌরবমন্ডিত এক সুশৃঙ্খল আধা-সামরিক বাহিনী।
- বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, নারী ও শিশু এবং মাদক পাচার প্রতিরোধসহ অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বিজিবি 'অতন্দ্র প্রহরী'র দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
- বিজিবির সদর দপ্তর পিলখানায়। 
- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটেছিল বিডিআর বিদ্রোহ।
-  ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।
- দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা। 
- বিডিআরের দরবার হল থেকে সূচনা হওয়া ওই বিদ্রোহের ইতি ঘটে নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে পরদিন।
- সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও।
- এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।  
.
’গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. নোয়াখালী
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
গান্ধী আশ্রম:
- বাংলাদেশের একমাত্র গান্ধী আশ্রম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা জয়াগ গ্রামে অবস্থিত।
- এটি একটি জনহিতকর ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৪৬ সাল থেকে শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির গান্ধীয় দর্শনের ওপর কাজ করছে।
- নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার চারটি উপজেলার ১০২টি গ্রাম এবং নোয়াখালী ও চাটখিল পৌরসভা এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

⇒ ভারত ছাড় আন্দোলন-এর শেষদিকে ১৯৪৬ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার সর্বত্র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।
- মহাত্মা গান্ধী ‘শান্তি মিশনে’ দ্রুত নোয়াখালী ছুটে যান। ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশনে অবতরণ করেন। 
- তিনি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে যান এবং জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করতে থাকেন। অহিংসা এবং নৈতিকতা, সত্য ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের নীতি তার মিশনকে সফল করে তোলে।
- তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারী তিনি জয়াগ গ্রামে পদার্পন করেন এবং ৩০ জানুয়ারী সেখানে উদ্ধোধন করেন একটি বুনিয়াদী বিদ্যালয় যা বর্তমানে ‘’গান্ধী মেমোরিয়াল টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউট’’ নামে পরিচিত।

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালে ‘’অম্বিকা কালীগঙ্গা চেরিটেবল ট্রাষ্ট’’ ভেঙ্গে ‘’গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট’’ সৃষ্টি করে।
- মহাত্মা গান্ধীর অহিংস সমাজ ব্যবস্থার ধারণা সবার কাছে পৌঁছে দিতে ২০০০ সালের ২ অক্টোবর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গান্ধী আশ্রমের মূল ভবনে যাত্রা শুরু করে ‘গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’।
- এ জাদুঘরে গান্ধীর বিভিন্ন দুর্লভ ছবি, বই, ব্যবহার্য জিনিস এবং তার বৈচিত্র্যময় কর্মজীবন যে কারো মনোজগৎ নাড়িয়ে দিতে যথেষ্ঠ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া 
.
ভাসুবিহার এর অবস্থান কোথায়?
  1. কুমিল্লার কোটবাড়ি
  2. নওগাঁর পাহাড়পুর
  3. নওগাঁর ধামইরহাট
  4. বগুড়ার শিবগঞ্জ
  5. দিনাজপুরের নওয়াবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বগুড়ার শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়ার শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- আট শতকে পাল সম্রাট ধর্মপাল প্রায় বর্গাকার এ বিহারটি নির্মাণ করেছিলেন। 
- পাহাড়পুর বিহারের পাশাপাশি নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত জগদল মহাবিহারের কথা বলা যেতে পারে। 
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড়ের পশ্চিমে অবস্থিত এ বিহারে প্রায় ২৬টি ভিক্ষুকক্ষ রয়েছে যার নির্মাণ-উপাদান হিসেবে ইট ও মর্টার হিসেবে কাদা-মাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- এর বাইরে দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ থানায় অবস্থিত সীতাকোট বিহার, বিহার ধাপ তথা তোতারাম পণ্ডিতের বাড়ি, লোহানীপাড়া গ্রামের চাপড়াকোট বিহার, বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার আড়োলা গ্রামের শালিবাহন রাজার বাড়ি, ঢাকা জেলার সাভার থানায় অবস্থিত হরিশচন্দ্র রাজার প্রাসাদের কথা বলা যেতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও মর্যাদা পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ মসজিদ
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড় ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নয়। 

- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)
- সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

এর মধ্যে,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

.
'শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের' স্থপতি কে?
  1. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  2. শামীম শিকদার
  3. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ হত্যাযজ্ঞ চলে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। 
- বিজয় লাভের পর অনেক বুদ্ধিজীবীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে।
- সমগ্র স্থানটি ৩.৫১ একর আয়তনবিশিষ্ট। এটি ১৫.২৪ মিটার বর্গাকার একটি গ্রিড দ্বারা বিভক্ত হয়েছে।
- মূল বেদিটি রাস্তা থেকে ২.৪৪ মিটার উঁচু। স্মৃতিসৌধের প্রধান অংশটি ১৭.৬৮ মি উঁচু, ০.৯১ মি পুরু ও ১১৫.৮২ মি দীর্ঘ একটি ইটের তৈরি বাঁকানো দেয়াল।
- নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭২ সালে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণকবর, বুদ্ধিজীবীদের কবর আর স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে এই স্মৃতিসৌধের ব্যাপ্তি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক কালের কণ্ঠ, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮।
.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভোলাগঞ্জ
  4. আমতলী
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া।
- নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ৫৪তম নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১০.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. চাঁদপুর
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
 
- অবস্থানঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে¦ মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

ইতিহাসঃ

- ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
- ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
”আলোকিত মানুষ চাই” কিসের স্লোগান?
  1. জাতীয় নাগরিক কমিটি
  2. নজরুল ইনস্টিটিউট
  3. বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
  4. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: আব্দুলা আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।
১২.
কার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও পৃষ্ঠপোষকতায় কান্তজিউ মন্দিরটি নির্মাণ শুরু হয়?
  1. রাজা গোপাল
  2. মহারাজা প্রাণনাথ
  3. মহারাজা ধর্মপাল
  4. মহারাজা রামনাথ
সঠিক উত্তর:
মহারাজা প্রাণনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহারাজা প্রাণনাথ
ব্যাখ্যা
• কান্তজিউ মন্দির: 
- কান্তজিউ মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের শ্যামগড় এলাকায়, ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ইন্দো-পারস্য স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত একটি অসাধারণ টেরাকোটা অলঙ্কৃত মন্দির।
- টেরাকোটার বৈচিত্র্যময় কারুকাজ এবং নিপুণ নির্মাণশৈলীর জন্য মন্দিরটি বিখ্যাত।
- মন্দিরটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে, দিনাজপুরের রাজা মহারাজা প্রাণনাথের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।
- প্রাণনাথের মৃত্যুর (১৭২২ খ্রিঃ) পর তাঁর দত্তক পুত্র রাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।

উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট লিংক
১৩.
শালবন বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লার কোটবাড়ি-সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত শালবন বিহার বাংলাদেশের বিহার স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন।
- রাজা ভবদেব আনুমানিক সাত শতকের শেষভাগে ১১৫টি কক্ষবিশিষ্ট এই বিহার নির্মাণ করেছিলেন।
- আনন্দবিহারের অবস্থান কুমিল্লার শালবন বিহার থেকে দুই মাইল উত্তরে।
- আট শতকের প্রথমদিকে বাংলাদেশে আবিষ্কৃত দ্বিতীয় বৃহত্তম এ বিহার নির্মাণ করেছিলেন আনন্দ দেব।
- এখানেও বিহারের খোলা আঙিনার মাঝখানে একটি বিরাট ক্রুশাকার মন্দির রয়েছে।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত পাহাড়পুর বিহার তথা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে আবিষ্কৃত অন্য বিহারের মধ্যে ভাসুবিহার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বোর্ড বই। 
১৪.
ঢাকার আসাদ গেটের পুরাতন নাম কী ছিল?
  1. সোহরাওয়ার্দী গেট
  2. আইয়ুব গেট
  3. জিন্নাহ গেট
  4. ইস্পাহানী গেট
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব গেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব গেট
ব্যাখ্যা

• শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫.
‘ষাটগম্বুজ মসজিদ’-এর নির্মাতা কে?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  2. খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
  3. মির্জা আবু তালিব
  4. মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খান আল-আজম উলুগ খান জাহান
ব্যাখ্যা

• ষাটগম্বুজ মসজিদ:

- ষাটগম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন।
- খান আল-আজম উলুগ খান জাহান, যিনি দক্ষিণ বাংলার এক বৃহৎ অংশ জয় করে তৎকালীন সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) সম্মানে বিজিত অঞ্চলের নামকরণ করেন খলিফাতাবাদ।
- তিনিই  ষাটগম্বজ মসজিদের নির্মাতা। 
- ১৪৫৯ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত খান জাহান হাভেলি-খলিফাতাবাদ থেকে উক্ত অঞ্চল শাসন করেন। 
- তাঁর শাসনকৃত অঞ্চলটিকে বর্তমান বাগেরহাটের সাথে অভিন্ন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
- সময়ের ব্যবধানে এরূপ অসাধারণ একটি ভবন ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। 
- ব্রিটিশ সরকার এর সংস্কার ও মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীসময়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
- বিশ শতকের আশির দশকের শুরুতে ইউনেসকো-র (UNESCO) উদ্যোগে এই ঐতিহাসিক পুরাকীর্তিটির রক্ষণাবেক্ষণে এক কার্যকরী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় এবং তা বর্তমানে শেষের পর্যায়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্তম্ভগুলো দ্বারা কোন সময়কালকে প্রতীকায়িত করা হয়েছে?
  1. ১৯৪৭-১৯৭১
  2. ১৯৫২-১৯৭১
  3. ১৯৫০-১৯৭১
  4. ১৯৬২-১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৯৫২-১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২-১৯৭১
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
​- ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কি. মি. দূরে সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
​- বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
​- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
​- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
​- জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল কাঠামোর নকশা তৈরি করেন স্থপতি মইনুল হোসেন।
​- কংক্রিট নির্মিত ৭ টি ত্রিভূজাকৃতির স্তম্ভ দিয়ে মূল সৌধ গঠিত।
​- ১৯৫২’র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬ শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯’র গণ-অভ্যূত্থান এবং সর্বশেষ ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ- এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।

​উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক এর ডিজাইনার কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. আবদুর রউফ
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে, 
- বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
Where is the sculpture 'Shikha Anirban' located?
  1. Dhaka Cantonment
  2. Shahbagh
  3. Suhrawardy Udyan
  4. National Memorial, Savar
সঠিক উত্তর:
Dhaka Cantonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dhaka Cantonment
ব্যাখ্যা

• শিখা অনির্বাণ: 
- শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভেসার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয় ৷
ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি স্থাপিত

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ৷

১৯.
সোমপুর মহাবিহার কোন সাম্রাজ্যের শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল 
  4. সেন
সঠিক উত্তর:
পাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল 
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার
- পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২০.
ষাট গম্বুজ মসজিদটি কোন আমলে নির্মিত?
  1. মোঘল আমল
  2. সুলতানি আমল
  3. নবাবী আমল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুলতানি আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানি আমল
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এই বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

২১.
বাংলাদেশে আইএমএফ(IMF)-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. মতিঝিল, ঢাকা
  2. আগারগাঁও, ঢাকা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4.  কাওরান বাজার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা

IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

২২.
টাইম ম্যাগাজিনের ‘The World's Greatest Places of 2025’- তালিকায় বাংলাদেশের কোন মসজিদ স্থান পেয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. বায়তুল মোকাররম মসজিদ
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেবুন নেসা মসজিদ
ব্যাখ্যা
জেবুন নেসা মসজিদ: 
- ১৩ মার্চ, ২০২৫ সালে প্রকাশিত হলো টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এর ১০০ স্থাপনার তালিকা।
- টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস অব ২০২৫’–এ স্থান পেল আশুলিয়ার জেবুন নেসা মসজিদ। 
- এটি স্থপতি সায়কা ইকবালের নকশা করা। 
- সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকায় অবস্থিত জেবুন নেসা মসজিদ।
- প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি স্থাপনা স্থান পেল টাইম ম্যাগাজিনের ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট প্লেসেস’–এ।
- জেবুন নেসা মসজিদে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রবেশাধিকার আছে।
- নারীদের নামাজ আদায়ের জন্য আছে আলাদা স্থান।

তথ্যসূত্র: টাইম ম্যাগাজিন।
২৩.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- ভাস্কর্যটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে অবস্থিত।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ভাস্কর্যটি স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২৪.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থান গড়
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
মহাস্থান গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থান গড়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র — মহাস্থান গড়। 

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান হলো মহাস্থানগড়। 
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- ১৯৬০ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
-------------------- 
• সোনারগাঁও: 
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী। 
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। 

• পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
২৫.
ছোট সোনা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯)
কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৬.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা'-র স্থপতি -----।
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. শামীম শিকদার
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।

⇒ ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুরে
  2. মহাস্থানগড়ে
  3. ময়নামতিতে
  4. সোনারগাঁওতে
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. ১৫শ শতাব্দীতে
  2. ১৩শ শতাব্দীতে
  3. ১৪শ শতাব্দীতে
  4. ১৭শ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫শ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখে ধারণা করা হয় খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
- পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯.
Recently, Dhaka Central Jail has been shifted to ______.
  1. Keraniganj
  2. Tangi
  3. Utttara
  4. Gazipur
সঠিক উত্তর:
Keraniganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keraniganj
ব্যাখ্যা
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার:
- ২৯ জুলা্‌ ২০১৬ সালে রাতন ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডস্থ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বন্দি ও স্টাফ নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরাণীগঞ্জে স্থানান্তর হয়।
- ১০ এপ্রিল, ২০১৬ সালে কেরাণীগঞ্জে নতুন কারাগার উদ্বোধন করা হয়।
- কেরাণীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মোট জমির পরিমান ১৯৪.৪১ একর।
- অনুমোদিত মোট জনবল: ৯৩৩ জন।
- বন্দীর মোট ধারণক্ষমতা: ৪৫৯০ জন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ওয়েবসাইট।
৩০.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. সাভার
  3. সেগুনবাগিচা
  4. শাহবাগ
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- ক্যাডার ও নন-ক্যাডারভুক্ত সকল সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- তাঁর পদবী রেক্টর।

উৎস : বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ওয়েব সাইট। 

৩১.
দোয়েল চত্বর-এর স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মোস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. আজিজুল জলিল পাশা
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
দোয়েল চত্বর:
- দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দোয়েল চত্বর।
- এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা দেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।
- দোয়েল চত্বরের স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩২.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার? 
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় — ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ — ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে — ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ৮ বর্গ কিলোমিটার।

- পরীক্ষায় যদি — ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৩৩.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। 
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বিবিসি বাংলা।

৩৪.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫
  2. ১৯৬০
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৭
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি:
 - বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৩৫.
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS):
- এটি গঠিত হয়: ৩১ মার্চ, ১৯৭৩।
- সদর দপ্তর: বড় মগবাজার, ঢাকা।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল ইসলাম। 

⇒ বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটি ১৯৭৩ সালের ৩১ মার্চ রাষ্ট্রপতির ২৬ নং আদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়, যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে পূর্ববর্তী প্রভাবের সাথে সাথে কার্যকর হয়।
- সোসাইটি ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে আইসিআরসি (ICRC) কর্তৃক স্বীকৃত হয় এবং ২ নভেম্বর, ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৮৮ সালের ৪ এপ্রিল, ১৯৮৮ সালে ২৫ নং আইনের মাধ্যমে নাম এবং প্রতীক রেড ক্রস থেকে রেড ক্রিসেন্টে পরিবর্তন করা হয়।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকারবলে সোসাইটির সভাপতি। সভাপতি সোসাইটির চেয়ারম্যানকে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ করেন, যিনি পরপর দুই মেয়াদে এই পদে থাকতে পারবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট কর্তৃক বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ ১৯৭৩ সনের ২৬ নং)-এর ৯ (১) বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে আগামী ৬ মাস পর্যন্ত সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

উৎস: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) ওয়েবসাইট।
৩৬.
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক ড. আহমদ হাসান দানী
  3. অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
  4. অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

৩৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১ জুলাই ১৯২২
  2. ১ জুলাই ১৯২০
  3. ১ জানুয়ারি ১৯২১
  4. ১ জুলাই ১৯২১
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯২১
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম শুরু: ১ জুলাই ১৯২১।
- অবস্থান: রমনা, ঢাকা (প্রায় ৬০০ একর জমি)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অনুষদ: ৩টি (কলা, বিজ্ঞান ও আইন)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ: ১২টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সংখ্যা: ৬০ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষার্থী সংখ্যা: ৮৪৭ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন আবাসিক হল: ৩টি।
- প্রথম উপাচার্য: ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- প্রথম বাঙালি উপাচার্য: স্যার এ.এফ রহমান।
- শতবর্ষ পূর্তি: ২০২১ সাল।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩৮.
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁ
  3. ঢাকা
  4. হুগলী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের — বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল — বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী — ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম — 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

• ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।

• কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন কে?
  1. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর এম.এ জলিল
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ। 

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:

- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪০.
'বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন' কোথায় অবস্থিত?  
  1. সোনারগাঁও  
  2. সাভার 
  3. ত্রিশাল 
  4. ময়নামতি 
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও  
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন: 
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও- এ অবস্থিত। 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যা সোনারগাঁও জাদুঘর নামেও পরিচিত।
-  লোক ও কারুশিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা, পৃষ্ঠপোষকতা, উৎসাহদান প্রভৃতির মাধ্যমে লোক ও কারুশিল্পের পুনর্জাগরণ এ ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ভবন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 

৪১.
ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৮৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৮৬৪ সালে।

• ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৪২.
’স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির স্থাপিত কে?
  1. মৃণাল হক
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান
  4. কুসুম শিকদার
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৯ : ৫
  2. ১১ : ৭
  3. ১০ : ৬
  4. ৮ : ৬
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
ব্যাখ্যা
• পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে,
- জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
অর্থাৎ,
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫ : ৩।
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

• জাতীয় পতাকা:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪.
দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NAEM
  2. BANSDOC
  3. UGC
  4. DPE
সঠিক উত্তর:
NAEM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAEM
ব্যাখ্যা
নায়েম:
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management. 
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নায়েম।
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- অবস্থান: ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

⇒ জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকল্পনা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নায়েম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রুপান্তর করা হয়।

অন্যদিকে,
- DPE (Directorate of Primary Education) হলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
- BANSDOC হলো বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি তথ্য নথিকরণ কেন্দ্র।
- UGC (University Grant Commission) হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

উৎস: NAEMওয়েবসাইট।
৪৫.
‘ধ্রুব ৭২’ ভাস্কর্যের রূপকার কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. সৌমিত্র শেখর
  3. মৃণাল হক
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
সঠিক উত্তর:
সৌমিত্র শেখর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌমিত্র শেখর
ব্যাখ্যা
‘ধ্রুব ’৭২’:
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালের সংবিধানকেন্দ্রিক দেশের প্রথম ভাস্কর্য-স্থাপনা ‘ধ্রুব ৭২’।
- ভাস্কর্যটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ভাস্কর্য-স্থাপনাটির রূপকার উপাচার্য সৌমিত্র শেখর।
- এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি সুউচ্চ স্তম্ভে উৎকীর্ণ আছে।
- ‘ধ্রুব ’৭২’ স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের প্লাজায়, যা ‘সংবিধান আঙিনা’ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩।
৪৬.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর।

৪৭.
'১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর:
- ১৯৭১: গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর খুলনায় অবস্থিত।
- এখানে আছে বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্বের অসংখ্য নিদর্শন।
- সেগুলোর সামনে দাঁড়ালে দর্শনার্থীর চোখে ভেসে ওঠে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মমুহূর্তের যন্ত্রণার দিনগুলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উৎসাহে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় এই জাদুঘর যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরের ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের দ্বিতল একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সংস্কারের পর ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ সেই বাড়িতে স্থানান্তর হয় জাদুঘরটি।
- ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

উৎস: প্রথম আলো।
৪৮.
চলন বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী জেলায়
  2. রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায়
  3. পাবনা ও নাটোর জেলায়
  4. নাটোর ও নওগাঁ জেলায়
সঠিক উত্তর:
পাবনা ও নাটোর জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা ও নাটোর জেলায়
ব্যাখ্যা
• চলন বিলের অবস্থান - পাবনা ও নাটোর জেলায়।

• চলন বিল: 
→ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল। ৩টি জেলা জুড়ে এর বিস্তৃতি।
→ নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিস্তৃত অংশ জুড়ে যে জলভূমি, বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সেটাই বিখ্যাত চলনবিল।
→ ব্রহ্মপুত্র নদ যখন তার প্রবাহপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনায় রূপ নেয়, সে সময়েই চলনবিলের সৃষ্টি।
→ গঠিত হওয়ার সময় চলনবিলের আয়তন ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৮ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে এর আয়তন অনেক কমে এসেছে।

উৎস: নাটোর জেলার ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
'শাপলা চত্ত্বর' এর স্থপতি কে?
  1. মৃণাল কান্তি দাস
  2. মাইনুল হাসান
  3. আজিজুল জলিল পাশা
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা

•শাপলা চত্ত্বর:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা।

- বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)।
- ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
- আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'।
- এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত কমনওয়েলথ সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. খুলনা
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বর্তমান মিয়ানমারে সংঘটিত যুদ্ধে প্রায় ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন।
- তাদের জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে ৯টি সমাধিক্ষেত্র স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে দুটি সমাধিক্ষেত্র রয়েছে: কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম।
- কুমিল্লার ময়নামতির কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রিটি ১৯৪৬ সালে নির্মাণ করা হয়।
- এখানে অবিভক্ত ভারত, জাপান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের শহীদ সৈনিকের সমাধি আছে।
- মোট সমাধির সংখ্যা ৭৩৬টি।
- চট্টগ্রাম ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন চট্টগ্রামের ১৩ জন শহীদ।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন ৭ জন।

উৎস: i) ৯ নভেম্বর, ২০১৯, প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫১.
'বাংলাদেশ স্কয়ার' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. হাইতি
  2. সোমালিয়া
  3. কঙ্গো
  4. লাইবেরিয়া
সঠিক উত্তর:
লাইবেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ স্কয়ার:
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত। 
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা। 
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ। 
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র। 
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫২.
রামসাগর কার কীর্তি?
  1. ধর্মপাল
  2. গোপাল
  3. রামনাথ
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
রামনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামনাথ
ব্যাখ্যা
• রামসাগর কার রামনাথের কীর্তি।
• রামসাগর: 
- অবস্থান: দিনাজপুরে।
- বিখ্যাত রাজা রামনাথ, আলীবর্দী খানের সময়ে ১৭৫০থেকে ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীঘিটি খনন করেন। 
- আয়তন মোট ১৪৭ একর।
- রামসাগরের গভীরতা প্রায় ৩০ ফুট।
- এই সুগভীর দীঘির জল কোনদিনই শুকায় না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত? 
  1. সিলেটের বনভূমি
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি:
- উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। 
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। 
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি শাল বা গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র।
- এজন্য এটি গজারী বা শালবৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৪.
'ঢাকেশ্বরী মন্দির' কোন শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মুঘল
  4. সুলতানি
সঠিক উত্তর:
সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার।
- সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• চারণ ভূমি:
- বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
- অতীতে দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাথান ‍ভূমির আয়তন প্রায় ১,২০০ (বারশো) একর।
- বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত দুগ্ধশিল্প গড়ে উঠেছে শাহজাদপুরে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুগ্ধপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা 'মিল্ক ভিটা'।
- আর এর মূলে রয়েছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী বাথানভূমির আবদান

উৎস: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ মি.
ব্যাখ্যা
• জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট — (৪৫.৭২ মি.) যা প্রায় ৪৬ মিটার।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৭.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

৫৮.
সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক  
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুণ্ডু
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি ছিলেন নিতুন কুণ্ডু। 
- নিতুন কুণ্ডু (১৯৩৫-২০০৬) একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর ও শিল্পপতি ছিলেন।
- সাবাস বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্য।
-  ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- এই ভাস্কর্যটি স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও ত্যাগের প্রতীক।
- ভাস্কর্যটির ভিত্তিপ্রস্তরের ফলকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের "দুর্মর" কবিতার অংশ খোদাই করা আছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

৫৯.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬০.
নিম্নের কোনটি পূর্বে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সীতাকোট বিহার
  2. ময়নামতি
  3. সোমপুর মহাবিহার
  4. মহামুনি বিহার
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নামতি
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

⇒ ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৬১.
ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ কত শতকে নির্মিত হয়? 
  1. পনেরো শতকে
  2. সতেরো শতকে
  3. চোদ্দ শতকে
  4. ষোল শতকে
সঠিক উত্তর:
পনেরো শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পনেরো শতকে
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পনেরো শতকে নির্মিত হয়।

• ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি।;
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬২.
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান কোনটি? 
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান:
• বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
- এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (৩২২তম, ১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম, ১৯৮৫)
- সুন্দরবন (৭৯৮তম, ১৯৯৭)।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান সুন্দরবন।


উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

৬৩.
চেতনা-৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান কোথায়?
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  4. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা

‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৬৪.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. টাঙ্গাইল
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৬৫.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া

  2. গাজীপুর

  3. নারায়ণগঞ্জ

  4. ঢাকা

সঠিক উত্তর:
ঢাকা

উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সংক্ষেপে: বিপিএটিসি) একটি সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠান যা সরকারি, বেসরকারি ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
- এটি ঢাকা জেলার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত।
- এছাড়া এর প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সদর দপ্তরে চারটি আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২৮ এপ্রিল, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অধ্যাদেশ ১৯৮৪ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত।
- ১৯৮৪ সালের ২৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় লোকপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি সমন্বিত জাতীয় সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- পদবী রেক্টর। রেক্টরের অধীনে পাঁচটি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব পর্যায়ে রয়েছে পাঁচজন এমডিএস।
- বিভাগগুলো হলো: ব্যবস্থাপনা ও লোকপ্রশাসন, কর্মসূচি প্রণয়ন ও পর্যবেক্ষণ, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিষয়াদি, গবেষণা ও নির্দেশনা এবং প্রকল্প প্রণয়ন।
- একজন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১২-সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরস প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ নীতিমালা নির্ধারণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

৬৬.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার পাওয়া গেছে-
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. পাহাড়পুরে
  3. ময়নামতিতে
  4. সীতাকোট বিহারে
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়: 
- মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
- মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
- সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
- স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি ( ৮ মাইল ) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা  ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন। 
- ময়নামতি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি ।  

উৎস:  ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬৭.
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৮.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নরসিংদী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৯.
Who built the famous Ahsan Manzil of Dhaka?
  1. Nawab Abdul Ghani
  2. Qutb-ud-Din Aibak
  3. Nawab Abdul Latif
  4. Isha Khan
  5. Nawab Hafizur Rahman
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Ghani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Ghani
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।
- তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে।
- এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।
- আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এখন পর্যন্ত সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭০.
ধর্মসাগর দীঘি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধর্মসাগর:
- ধর্মসাগর মূলত একটি প্রাচীন দীঘি।
- দীঘিটি কুমিল্লা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
- এই দীঘির আয়তন ২৩.১৮ একর।
- ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য এই দীঘিটি খনন করেন।
- তারই নামানুসারে দিঘিটির নামকরণ করা হয় ‘ধর্মসাগর’।
- ১৪৫৮ সালে দীঘিটি খনন করা হয়।
- 'রাজমালা' গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)।
- কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য দীঘিটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র - কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট।
৭১.
বাংলাদেশে কয়টি ওয়ার সিমেট্রি রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশে ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার একটি কুমিল্লায় এবং অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

⇒ ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। ময়নামতি রণ সমাধিক্ষেত্র মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯০৩-১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। এটি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের খুব কাছেই এই যুদ্ধ সমাধির অবস্থান। এই সমাধিক্ষেত্রটি Commonwealth War Graves Commission (CWGC) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ও তারাই এ সমাধিক্ষেত্র পরিচালনা করেন। প্রতি বছর নভেম্বর মাসে সকল ধর্মের ধর্মগুরুদের সমন্বয়ে এখানে একটি বার্ষিক প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাধিক্ষেত্রটিতে ৭৩৬টি কবর আছে। এর মধ্যে অধিকাংশ কবর হল সে সময়কার হাসপাতালের মৃত সৈনিকগণের। তাছাড়াও যুদ্ধের পর বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু লাশ স্থানান্তর করেও এখানে সমাহিত করা হয়। সর্বমোট ৭২৩ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

⇒ চট্টগ্রাম রণ সমাধিক্ষেত্র ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রামে তৎকালীন সময়ে ছিল অনেক বড় হাসপাতাল। এছাড়া চট্টগ্রাম ছিল যুদ্ধ-সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্র, গভীর সমুদ্র বন্দর যেখান থেকে মিত্র বাহিনী আরাকান এলাকায় তাঁদের সামরিক অভিযান পরিচালনা করতো। ব্রিটিশ সেনাবাহিনী দ্বারা নির্মিত এই সমাধিক্ষেত্রে প্রথম দিকে ৪০০টি কবর ছিল। বর্তমানেএই সমাধিক্ষেত্রের ৭৫৫টি কবর আছে। সর্বমোট ৭৩৮ জন নিহতের পরিচয় জানা সম্ভব হয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২.
বাগেরহাট খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট?
  1. চৌষট্টি
  2. ষাট
  3. একাশি
  4. আশি
সঠিক উত্তর:
একাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাশি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
• ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে ঘোড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। এটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী।
• ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
• খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে।
• মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৭৩.
’মুক্ত বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুষ্টিয়া
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
‘মুক্ত বাংলা’:
- কুষ্টিয়া জেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অবস্থিত স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্ত বাংলা’।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই ডানে তাকালে চোখে পড়বে দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যটি। 
- ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইনাম উল হক স্মারক ভাস্কর্য মুক্ত বাংলার উদ্বোধন করেন।
- খ্যাতিমান স্থপতি রশিদ আহমেদের নকশার ভিত্তিতে স্থাপিত হয় অপরূপ শিল্পকর্মটি।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
৭৪.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. ভোলা
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৫.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি:
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এর উদ্দেশ্য দেশের শিশুদের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে সহায়তা করা।
- ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, দোয়েল চত্বর সড়ক, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০ কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) দেশ রুপান্তর।
৭৬.
BTRC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Transport Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecom Research Centre
  3. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telecommunication Resource Council
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

৭৭.
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. গুরুদাসপুর, নাটোর
  2. লাকসাম, কুমিল্লা
  3. পুঠিয়া, রাজশাহী
  4. বদলগাছী, নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
লাকসাম, কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাকসাম, কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর:
- নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ১৮৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ভারত ও এশিয়ার প্রথম নারী নবাব।
- শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান।
- ১৮৯৪ সালে তিনি লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ নওয়াব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নান্দনিক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের দোতলা প্রাসাদের রয়েছে একটি সুন্দর প্রবেশদ্বার, একতলা বৈঠকখানা, টালির ঘাটসহ পুকুর, মসজিদ,কবরস্থান ও ঈদগাহ।

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শাখা হিসেবে কুমিল্লার লাকসামে ০৬/১১/২০২৩ তারিখ নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ী জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৭৮.
কোন বৌদ্ধ বিহারটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত?
  1. ভাসু বিহার
  2. শালবন বিহার
  3. সীতাকোট বিহার
  4. আনন্দ বিহার
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- ১৯৬৮ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে আবিষ্কৃত হয়েছিল এ বৌদ্ধ বিহারটি।
- নির্মাণশৈলী দেখে গবেষকরা অনুমান করেন, এ বিহার পঞ্চম শতাব্দী বা এর কিছু আগে নির্মিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায় না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সাথে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহারের অনেক মিল রয়েছে।
- ব্রোঞ্জনির্মিত একটি বোধিসত্ত্ব পদ্মপাণি এবং বোধিসত্ত্ব মঞ্জুশ্রী মূর্তি সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন।

উল্লেখ্য,
- শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহার কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- ভাসু বিহার বগুড়া জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৭৯.
পাহাড়পুরের ’বৌদ্ধ বিহার’ নির্মাণ করেছেন কে? 
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, 
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

৮০.
'এগারসিন্ধুর গ্রাম'- এর নামকরণের কারণ হলো, পূর্বে সেখানে-
  1. এগারটি দূর্গ ছিল
  2. ঈসা খানের ১১ কক্ষবিশিষ্ট দালানবাড়ী ছিল
  3. এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
  4. এগারটি দীঘি ছিল
সঠিক উত্তর:
এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারটি নদীর সংযোগস্থল ছিল
ব্যাখ্যা
• এগারসিন্ধুর একটি ঐতিহ্যমন্ডিত গ্রাম।
- গ্রামটি কিশোরগঞ্জ জেলায়, ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব তীরে এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা সদর থেকে সাড়ে নয় মাইল পশ্চিমে অবস্থিত।
- আবুল ফজলের আকবরনামা গ্রন্থে ’এগারসিন্ধুর’ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। স্থানটির নামকরণ নিয়ে মতভেদ আছে।
- ১১টি নদীর মোহনায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে উঁচু শক্ত এঁটেল লাল মাটির এলাকা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসবাসের স্থান হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় গঞ্জের হাট নামে প্রসিদ্ধ ছিল।
- গঞ্জের হাট ১১টি নদীর সংযোগস্থলে বিধায় তখনকার জ্ঞানী-গুণীজন ঐ ১১টি নদীকে সিন্দু নদ নামে আখ্যায়িত করে স্থানটির নামকরণ করা হয় 'এগারসিন্দুর'।
- এটি ইতিহাস সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
৮১.
সৈয়দপুর বিমানবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. নীলফামারী
  3. সিলেট
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা
সৈয়দপুর বিমানবন্দর:
অবস্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী জেলা, রংপুর বিভাগ
আয়তন: ১৩৬.৫৯ একর
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ২৪ এপ্রিল, ১৯৭৮
উদ্বোধন: ২১ জুলাই, ১৯৭৯
রানওয়ের দৈর্ঘ্য: ৬০০০ ফুট

উল্লেখ্য, 
- নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
- এ জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
- বরাদ্দ পেলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে এটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত হবে।
- ভারত, নেপাল, ভুটানের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগে আসবে নতুন গতি।
- উত্তরাঞ্চলের একমাত্র বিমানবন্দরটি দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাব হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যসূত্র: নীলফামারী জেলা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]ও সমকাল নিউজ।
৮২.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।

৮৩.
"মোদের গরব" ভাস্কর্যটির নির্মাতা কে?
  1. রাফিকুল ইসলাম
  2. অখিল পাল 
  3. নূরুল ইসলাম
  4. নিতুন কুন্ড
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অখিল পাল 
ব্যাখ্যা

 মোদের গরব: 
- "মোদের গর্ব" স্থপতি অখিল পাল তৈরি করা একটি খ্যাতিমান ভাস্কর্য। 
- ‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি ঢাকার বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত।
- এটি ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হয়েছে এবং
- ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলায় উদ্বোধন করা হয়।
- ভাস্কর্যটিতে ভাষা আন্দোলনের পাঁচ শহিদ রফিক, শফিউর, সালাম, বরকত এবং জব্বারের ধাতব অবয়ব রয়েছে।
- এর পেছনে একটি উঁচু দেয়াল এবং দেয়ালের নিচে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাগুলো চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দেয়ালের দুই পাশে রয়েছে টেরাকোটার নকশা, যা ভাস্কর্যটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন করেছে।  

উৎস: বাংলা একাডেমি ও প্রথম আলো।

৮৪.
'গণহত্যা জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
গণহত্যা জাদুঘর:
- এটি খুলনায় অবস্থিত।
- ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনা শহরে এই জাদুঘরের যাত্রা শুরু হয়।
- বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জাদুঘর ট্রাস্টকে নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে একখণ্ড জমি ও একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সেটি সংস্কার করে নিজস্ব ভবনে গণহত্যা জাদুঘরের নবযাত্রা শুরু হয় ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ।
- খুলনায় স্থাপিত এই জাদুঘরটি বাংলাদেশের এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ২৭ মার্চ ২০২১।
৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. রংপুর সেনানিবাসে
  3. কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. সাভার সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
বিজয় চেতন:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে -এ অবস্থিত।
- সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।
- কোর অব মিলিটারি পুলিশের (সিএমপি) ১৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।

উৎস: প্রথম আলো।
৮৬.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. জহির রায়হান
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৮ সালে।
- এর কার্যালয়: বাংলা মোটর। 
- এটির প্রতিষ্ঠাতা: অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ধরন: সামাজিক সংগঠন।
- এর লক্ষ্য: কিশোর ও যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
• “আলোকিত মানুষ চাই” বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান।

উল্লেখ্য,
- নজরুল ইনস্টিটিউট: সংগীত  ও সাহিত্য কর্মে উৎসাহিত করা।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন: উচ্চাঙ্গ সংগীতের আয়োজক।
- জাতীয় নাগরিক কমিটি: বর্তমান নতুন একটি রাজনৈতিক দল।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র।

৮৭.
'সাগর কন্যা' হিসেবে খ্যাত-
  1. ইনানী
  2. পতেঙ্গা
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্ট মার্টিন
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা যায়।
- সূর্যোদয় গঙ্গামতির বাঁক থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় ও সূর্যাস্ত পশ্চিম সৈকত থেকে উপভোগ্য।
- সৈকতের পাশেই "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত দেড় শতাধিক একরের নারিকেল বাগান।
- দর্শনীয় স্থান ফাতরার বন (ম্যানগ্রোভ বন), সীমা বৌদ্ধ মন্দির (৩৭ মণের বুদ্ধ মূর্তি), কুয়াটারা কুয়া (ঐতিহাসিক কূপ), গঙ্গামতির জঙ্গল, আলীপুর বন্দর (মাছ ব্যবসা কেন্দ্র)।

অন্যদিকে,
- পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং পটুয়াখালী জেলা।
৮৮.
বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা পরিচালনা করে—
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাঃ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের অগ্রগামী ছিলেন।
- ময়মনসিংহের স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনি একটি আর্ট গ্যালারী প্রতিষ্ঠা শুরু করেন,
- এটি ১৫ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এটির উন্নতি করা হয় এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়।
- প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির সম্মানে যাদুঘরের নামকরন করা হয় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা।
- এটি ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৮৯.
BARD -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Administrative and Rural Development
  2. Bureau for Agricultural and Rural Development
  3. Bangladesh Academy for Rural Development
  4. Board of Agriculture and Rural Development
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Academy for Rural Development
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Academy for Rural Development
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড):
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Academy for Rural Development
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে।
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯০.
প্রান্তিক লেক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
প্রান্তিক লেক: 
- প্রান্তিক লেক বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। 
- প্রায় ২৫ একর জায়গাজুড়ে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাশয় ‘প্রান্তিক লেক’ এর জলাভূমির আয়তন ২৫ একর হলেও পুরো কমপ্লেক্সটি আরো অনেক বড়।
- অপূর্ব সুন্দর এ লেকের চারিপাশ নানা প্রজাতির গাছগাছালিতে ভরপুর।
- পিকনিকের জন্য এটি অন্যতম লোভনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে সর্বত্র।
- এটি বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পাশে হলুদিয়া নামক স্থানে অবস্থিত। 
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ‘প্রান্তিক লেক’ এর দুরত্ব ১৪ কিলোমিটার।
- লেকটিতে উম্মুক্ত মাটির মঞ্চ, পিকনিক স্পট, বিশ্রামাগার এবং একটি উঁচু গোল ঘর ইত্যাদি স্থাপনা রয়েছে।
- গোল ঘরে বসে লেকের সৌন্দর্য সহজে উপভোগ করা যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯১.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য "জাগ্রত চৌরঙ্গী" এর ভাস্কর কে?
  1. অখিল পাল
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

• জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ভাস্কর্য শিল্পী আবদুর রাজ্জাক।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।

• জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর: আবদুর রাজ্জাক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৯২.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর-
  1. পেট্রাপোল
  2. কৃষ্ণনগর
  3. ডাউকি
  4. মোহাদিপুর
সঠিক উত্তর:
পেট্রাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রাপোল
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।
- যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের — ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
-----------------
বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৯৩.
নিম্নের কোন প্রাচীন মসজিদের সামনে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি অবস্থিত?
  1. বাঘা মসজিদ
  2. কুসুম্বা মসজিদ 
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. ছোট সোনা মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ।

 ⇒ ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত। 
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনামসজিদ।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ। 

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৪.
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.২৩ কিলোমিটার
  2. ৩.৩২ কিলোমিটার
  3. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩.৩২ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
         iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৯৫.
খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
খোদার পাথর ভিটা: 
- খোদার পাথর ভিটা বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে (পুন্ড্রনগর) অবস্থিত একটি টিলা বা ঢিবি।
- ঢিবিটির উপরিভাগে প্রাপ্ত গ্রানাইট পাথরের প্রকান্ড একটি চৌকাঠ (২.৮৪ মি × ০.৭১ মি × ০.৭৪ মি) থেকেই স্থানীয় জনগণ ঢিবিটির এ অদ্ভুত নামকরণ করেছে।
- এ প্রকান্ড চৌকাঠটিতে রয়েছে দরজার হুড়কো লাগাবার দুটি ছিদ্র, উপরের দিকে ফোকর এবং উদ্গত ফুলের নকশা।
- ১৯৭০ সালে এ ঢিবিতে (৪৬.৯৪ মি × ৪০.৮৪ মি × ২.৪৪ মি) খননকার্যের ফলে একটি মন্দির এবং ছোটখাটো কিছু প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে।
- মন্দিরটি পূর্বাভিমুখী একটি আয়তাকার বৌদ্ধ মন্দির।
- প্রত্নস্থল ও এর আশেপাশে বহুসংখ্যক ইট ও পাথরের টুকরা ছড়িয়ে রয়েছে।
- এ ঢিবির ধ্বংসাবশেষ পাল আমলের প্রথম দিকের (আনু. খ্রিস্টীয় আট শতক) বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৯৬.
ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে  
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে 
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার- সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
- সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষ ভাগে বা নবম শতকের শুরুতে এই মহাবিহার নির্মাণ শুরু করেন।
- ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপত্যকীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের নালন্দা মহাবিহার-এর সঙ্গে তুলনীয়।
- অনেকের মতে, এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া। 

৯৭.
বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম কী নিয়ে গবেষণা করে?
  1. উদ্ভিদ
  2. প্রাণী
  3. জলবায়ু
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্ভিদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম:
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম (বিএনএইচ) দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির উপর মাঠ পর্যায়ে পরিচালিত জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্তসহ শুষ্ক উদ্ভিদ নমুনা সংরক্ষণ এবং শ্রেণীবিদ্যা বিষয়ক গবেষণার একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। 
- ন্যাশনাল হারবেরিয়াম পুঙ্খাণুপুঙ্খ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে ফুল-ফল সমেত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির নমুনা, উহাদের প্রাচুর্য, প্রাপ্তিস্থান, প্রচলিত ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করে সংরক্ষণ করে থাকে।
- ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইস্ট পাকিস্তান’’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম এর প্রাথমিক কাঠামো বিনির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
-  ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই থেকে ইহা ‘‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম’’ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্বাহী আদেশে ১ জুলাই ১৯৯৪ থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম জনবলসহ কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে স্থানান্তরিত হয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই থেকে জনবলসহ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরিত করা হয় এবং ২০০৪ সালে ১৬ অক্টোবর হারবেরিয়ামকে পরিদপ্তর হিসেবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের  সংযুক্ত দপ্তর (Attached Department) ঘোষণা করা হয়।
-  ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ তারিখে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের আর্থিক সহায়তায় মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান প্রাঙ্গনে ১.২৪ একর জমির উপর নির্মিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করেন। 

 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৮.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন।
- এটি রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে ১৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমিত ব্যয় ধরে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- সমস্ত সুবিধাদিসহ ৩২ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তিত ব্যয়ে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
- কমপ্লেক্সটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে মূল সংসদ ভবন, সংসদ সদস্য, মিনিস্টার ও সেক্রেটারিদের হোস্টেল, অর্থিতি ভবন ও কমিউনিটি বিল্ডিং।
- মাটির উপরে কাঠামোটির উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার। মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
৯৯.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম ভাস্কর্য 'সাবাস বাংলাদেশ'।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: নিতুন কুণ্ডু।
- নির্মাণকাজ শেষ হলে ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কংক্রিটে তৈরি ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন জাহানারা ইমাম।
- মূল ভাস্কর্যটি ৪০ বর্গফুট মাপের একটি বেদির ওপর অবস্থিত।

⇒ ভাস্কর্যটিতে রাইফেল হাতে দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়। দুজনকেই খালি গায়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন লুঙ্গি পরা এবং মাথায় গামছা বাঁধা গ্রামীণ যুবা–কৃষকসমাজের প্রতিনিধি। তার এক হাতে রাইফেল ধরা। মুষ্টিবদ্ধ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অন্য হাতটি ওপরে উত্থিত।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।

১০০.
বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মোহাম্মদ আইউব খান
  2. আখতার হামিদ খান
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD):
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।
- বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট।