PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কর্মধারয় সমাস
কর্মধারয় সমাস
PrepBank · পাতা ৭ / ৭ · ৬০১–৬১৩ / ৬১৭
উত্তর
ব্যাখ্যা
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে তাকে বলা হয় রূপক কর্মধারয় সমাস।
- এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে ‘রূপ’ অথবা ‘ই’ যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।
- যেমন:
- মন রূপ মাঝি= মনমাঝি,
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু,
- ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল,
- মন রূপ বাউল = মনবাউল,
- দিল রূপ দরিয়া= দিলদরিয়া,
- ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল ইত্যাদি।
• উপমিত কর্মধারয়:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম;
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি;
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ;
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
[এই সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য হয়।]
• উপমান কর্মধারয় সমাস:
যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে;
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত;
- কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল।
[এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।]
উৎস: বাংলা প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয়এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম নীলপদ্ম।
- শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
- কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।
• কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়:
১. দুটি বিশেষণ পদে একটি বিশেষ্যকে বোঝালে। যেমন- যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর।
২. দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে। যেমন- যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব
।৩. কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুটি কৃতন্ত বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন- আগে ধোয়া পরে মোছা = ধোয়ামোছা।
৪. পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষ বাচক হয়। যেমন- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা, মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।
৫. বিশেষণবাচক মহান বা মহৎ শব্দ পূর্বপদ হলে, 'মহৎ' ও 'মহান' স্থানে 'মহা' হয়। যেমন- মহৎ যে জ্ঞান = মহাজ্ঞান, মহান যে নবি = মহানবি।
৬. পূর্বপদে 'কু' বিশেষণ থাকলে এবং পরপদের প্রথমে স্বরধ্বনি থাকলে 'কু' স্থানে 'কৎ' হয়। যেমন - কু যে অর্থ = কদর্থ, কু যে আচার = কদাচার।
৭. পরপদে 'রাজা' শব্দ থাকলে কর্মধারয় সমাসে 'রাজ' হয়। যেমন- মহান যে রাজা = মহারাজ।
৮. বিশেষণ ও বিশেষ্য পদে কর্মধারয় সমাস হলে কখনো কখনো বিশেষণ পরে আসে, বিশেষ্য আগে যায়। যেমন- সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ, অধম যে নর = নরাধম।
অন্যদিকে,
- অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্যপদ বুঝায়।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থ প্রাধান্য পায়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়।যথা:
১. দুটি বিশেষণ পদে একটি বিশেষ্যকে বোঝালে।
যেমন:
- যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর।
২. দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে।
যেমন:
- যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব।
৩. কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুটি কৃতন্ত বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়।
যেমন- আগে ধোয়া পরে মোছা = ধোয়ামোছা।
৪. পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষ বাচক হয়।
যেমন:
- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা;
- মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।
৫. বিশেষণবাচক মহান বা মহৎ শব্দ পূর্বপদ হলে, 'মহৎ' ও 'মহান' স্থানে 'মহা' হয়।
যেমন:
- মহৎ যে জ্ঞান = মহাজ্ঞান;
- মহান যে নবি = মহানবি।
৬. পূর্বপদে 'কু' বিশেষণ থাকলে এবং পরপদের প্রথমে স্বরধ্বনি থাকলে 'কু' স্থানে 'কৎ' হয়।
যেমন:
- কু যে অর্থ = কদর্থ;
- কু যে আচার = কদাচার।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয় পদের সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসের দুটো পদই বিশেষ্য হয়।
যেমন:
- পুরুষ সিংহের ন্যায়= সিংহপুরুষ।
- আঁখি পদ্মের ন্যায়= পদ্মআঁখি।
- মুখ চন্দ্রের ন্যায়= চন্দ্রমুখ।
- অধর পল্লবের ন্যায় = অধরপল্লব।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
• কবিদের গুরু = কবিগুরু (ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস)।
কিন্তু অপশনে তৎপুরুষ নেই। সেক্ষেত্রে আমাদের অপশনগুলোর মধ্যে থেকে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
তাই আমরা প্রতিটি অপশনের সংজ্ঞা ও শর্ত বিশ্লেষণ করে সবচেয়ে কাছাকাছি বা গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে কর্মধারয় উত্তর হিসেবে গ্রহণ করেছি।
----------------------------
অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) দ্বন্দ্ব সমাস
• যে সমাসে দুই বা ততোধিক পদের মিলন হয় এবং যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
• 'কবিগুরু' শব্দে 'কবি' এবং 'গুরু' শব্দ দুটি একত্রিত হয়েছে, কিন্তু এখানে তারা সমান গুরুত্ব বহন করছে না এবং একটি সমষ্টিগত অর্থ তৈরি করছে না। বরং এটি একটি ব্যক্তি বিশেষকে নির্দেশ করছে যিনি 'কবিদের গুরু'।
খ) কর্মধারয় সমাস
• যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
• কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়। যেমন:
১. দুটি বিশেষণ পদে একটি বিশেষ্যকে বোঝালে। যেমন- যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর।
২. দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে। যেমন – যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজসাহেব।
একইভাবে এখানে দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে:
যিনি কবি, তিনিই গুরু।
অর্থাৎ, 'কবি' এবং 'গুরু' উভয়ই একই ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য। এটি কর্মধারয় সমাসের উল্লিখিত দ্বিতীয় প্রকারভেদে পড়ে, যেখানে দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বোঝানো হয়।
গ) অব্যয়ীভাব সমাস
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
'কবিগুরু' শব্দে কোনো অব্যয় পদ নেই। 'কবি' এবং 'গুরু' উভয়ই নামপদ। তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাস নয়।
ঘ) বহুব্রীহি সমাস
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
'কবিগুরু' শব্দটি নিজেই সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে যিনি 'কবিদের গুরু'। এটি অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে না বরং সরাসরি সেই ব্যক্তিকেই বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস নয়।
ঙ) দ্বিগু সমাস:
যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে সমাহার বোঝায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাস নিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
'কবিগুরু' শব্দে কোনো সংখ্যাবাচক বা পরিমাণসূচক শব্দ নেই। তাই এটি দ্বিগু সমাস নয়।
---------------------------
অতএব, অপশনগুলোর মধ্যে থেকে সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর: কর্মধারয় সমাস।
[নোট: মূল প্রশ্নে তৎপুরুষ সমাস অপশনে না থাকায়, আমরা অপশনগুলোর মধ্যে থেকে সেরা উপযুক্ত সমাধান নির্বাচন করেছি।]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• উপমিত কর্মধারয় সমাস:
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন,
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = মুখচন্দ্র।
অন্যদিকে,
• উপমান কর্মধারয় সমাস:
- উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু।
- প্রত্যক্ষ কেনো বস্তুও সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুও তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে - তাকে বলে উপমান।
- উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে।
যেমন: ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ = ভ্রমরকৃষ্ণকেশ।
- এখানে ভ্রমর উপমান এবং কেশ উপমেয়। কৃষ্ণত্ব হলো সাধারণ ধর্ম।
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
- যে কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়কে অভিন্ন কল্পনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় বা উপমিত পদে সমাস হয় তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন:
কমল রূপ মুখ = কমলমুখ,
বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদ-সিন্ধু,
মন রূপ মাঝি = মনমাঝি,
জ্ঞান রূপ বৃক্ষ = জ্ঞানবৃক্ষ
• মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ হয়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে। যথা:
সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা
সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ, ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা,
- দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন,
- মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাসবাক্য- ছায়া দানকারী তরু
মধ্যপদলােপী কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ হয়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা-
সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা
সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ।
মন রূপ মাঝি= মনমাঝি হলো রূপক কর্মধারয় সমাস।
পুরুষ সিংহের ন্যায়= সিংহপুরুষ; উপমিত কর্মধারয় সমাস।
মুখ চন্দ্রের ন্যায়= চন্দ্রমুখ; উপমিত কর্মধারয় সমাস।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ) এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
যেমনঃ
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- জয় সূচক ধ্বনি = জয়ধ্বনি,
- হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ,
- বৌ পরিবেশিত ভাত = বৌভাত,
- স্ব লিখিত অক্ষর = স্বাক্ষর।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন -
নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।
যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজ সাহেব।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
[সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী]
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী