বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন২৭,৩৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৬ / ২৭২ · ৬,৫০১৬,৬০০ / ২৭,৩৪৭

৬,৫০১.
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ৪০%
  3. গ) ৫০%
  4. ঘ) ৬০%
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০%
ব্যাখ্যা
জলবায়ু তহবিল নিয়ে যত কথা - ডয়েচেভেলে
৬,৫০২.
ওমানের বর্তমান সুলতানের নাম -
  1. ক) হাইতাম বিন তারিক আল-সাইদ
  2. খ) কাবুস বিন সাইদ আল সাইদ
  3. গ) সাইদ বিন তাইমুর
  4. ঘ) নতুন সুলতান এখনও ঠিক হয়নি
সঠিক উত্তর:
ক) হাইতাম বিন তারিক আল-সাইদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইতাম বিন তারিক আল-সাইদ
৬,৫০৩.
কে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছেন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. বাশার আল-আসাদ
  2. হাফিজ আল-আসাদ
  3. রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান
  4. আহমেদ আল-শারা
সঠিক উত্তর:
আহমেদ আল-শারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমেদ আল-শারা
ব্যাখ্যা
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট: 
- সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছেন বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএসের নেতা আহমেদ আল-শারা। 
- আবু মোহাম্মদ আল-গোলানি ছদ্মনামেও পরিচিত তিনি। 
- আহমেদ আল-শারা জানিয়েছেন, শক্তিশালী সরকার গঠনই তার মূল লক্ষ্য।
- ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সিরিয়ার একনায়ক বাশার আল-আসাদকে উৎখাত করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এ সময় দৃশ্যপটে আসেন গোলানি।
- নিজের ছদ্মনাম ত্যাগ করে শারা নামেই নিজের পরিচয় দিতে শুরু করেন তিনি।
- খুব অল্প সময়ের মধ্যে একজন শক্তিশালী রাজনীতিবিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি।

উৎস: The Daily Star বাংলা (জানুয়ারি ৩১, ২০২৫)।
৬,৫০৪.
দ্রৌপদী মুর্মু ভারতের কততম রাষ্ট্রপতি?
  1. ক) চতুর্দশ
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) ষোড়শ
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু:

- দ্রৌপদী মুর্মু ভারতের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি।
- রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৫ জুলাই ২০২২ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু।
- সাঁওতাল নারী হিসেবে, সবচেয়ে কম বয়সে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু।
- ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন হওয়া প্রথম আদিবাসী নারী এবং দেশটির সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। 
- দ্রৌপদীর পারিবারিক পদবি ছিল টুডু। স্কুল-কলেজেও তিনি এই পদবি ব্যবহার করতেন। বিয়ের পর পদবি বদলে রাখেন মুর্মু।
- দ্রৌপদী মুর্মুই ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, যাঁর জন্ম ভারতের স্বাধীনতার পর।
- ভারতের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ভোট পেয়েছেন দ্রৌপদী। আশ্চর্যজনকভাবে বিরোধী দলের ১৭ জন এমপি এবং ১২৫ জন এমএলএ বা বিধায়কের ভোট পেয়েছেন তিনি।
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ভারতের ওডিশার ময়ুরভঞ্জ জেলার উপারবেদা গ্রামে জন্ম নেন দ্রৌপদী মুর্মু। স্থানীয় স্কুলেই প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক পড়ালেখা করেন। পরে রাম দেবী মহিলা কলেজ থেকে লেখাপড়ার পাট চুকান। ওডিশার সচিবালয়ে কেরানি হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তার কিছুদিন পরই বিয়ে করেন ব্যাংক কর্মকর্তা শ্যামচরণ মুর্মুকে।

[ভারতের ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ পর পর দু’বার (১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালে) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। সেকারণে ১৬তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলেও দ্রৌপদী মুর্মু দেশটির ১৫তম রাষ্ট্রপতি।]

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২২।
৬,৫০৫.
সম্রাট দারিয়ুস কোন সভ্যতার শাসক ছিলেন?
  1. হিব্রু
  2. সিন্ধু
  3. পারস্য
  4. ফিনিশীয়
সঠিক উত্তর:
পারস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য
ব্যাখ্যা
পারস্য প্রশাসন
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- শক্তভাবে সাম্রাজ্য শাসনের জন্য সম্রাটের হাতে রাখা হয় অনেক ক্ষমতা।
- তিনি একাধারে সামরিক, বেসামরিক ও বিচার বিভাগের প্রধান ছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য পুরো সাম্রাজ্যকে চার ভাগে বিভক্ত করে চারটা রাজধানী গড়ে তোলেন।
- এগুলো হলো- সুসা, একবাটানা, ব্যাবিলন ও পার্সেপলিস।
- এছাড়া পারস্য সাম্রাজ্যকে ২১টি প্রদেশে ভাগ করা হয়। বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হয় রাস্তাঘাট।
- দারিয়ুসের সময় একটি শক্তিশালী নৌবাহিনীও গঠিত হয়। 

বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অবদান
- বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারসীয়দের বিরাট অবদান রয়েছে।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- মিশরীয় চিকিৎসা বিদ্যালয়কে তিনি সংস্কার করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- বিখ্যাত ক্যালডীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী 'নেবুরিমানু'কে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা দেন।
- এছাড়া ক্যালডীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী 'কিদিন'ও পারস্য সম্রাটের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।

লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার
- পারসীয়গণ দুটি ভাষায় লিখতে জানত।
- একটি হলো এ্যাসিরীয় আর অন্যটি প্রাচীন পারসীয়।
- প্রথম দিকে পারসীয়রা এ্যাসিরীয় কিউনিফর্ম লিপিতেই লিখত।
- এরা ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত। ধীরে ধীরে পারসীয়দের একটি নিজস্ব লিখন রীতি তৈরি হয়।

শিল্পকলা
- পারসীয়রা শিল্পকলার ক্ষেত্রে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয় নি। তবে 'পাসারগাদিয়া' ও 'পার্সেপালিসে' সম্রাট কাইরাস ও দারিয়ুস এর প্রাসাদ স্থাপত্যের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতার প্রমাণ বহন করছে।
- প্রাসাদের ছাদ ছিল কাঠের তৈরি। উজ্জ্বল রঙের ইট দিয়ে দেয়াল সাজানো হয়েছিল। রাজা ও ভৃত্যের ছবি আঁকা হতো দেয়ালে।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র। 
৬,৫০৬.
NATO-এর অনুচ্ছেদ-৫ প্রথম কবে কার্যকর করা হয়?
  1. কোরিয়া যুদ্ধে
  2. ইউক্রেন যুদ্ধে
  3. কসোভো যুদ্ধে
  4. ৯/১১ হামলার পর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ হামলার পর
ব্যাখ্যা

NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে। নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর Operation Eagle Assist-এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে NATO-এর প্রথম অ-ইউরোপীয় অভিযান শুরু হয়, যা পরে ISAF (ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফোর্স) মিশনে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬,৫০৭.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কত বছরের জন্য ILO পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ILO পরিচালনা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত: 

- বাংলাদেশ আগামী ২০২৪-২৭ মেয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডির পূর্ণ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংস্থাটির গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত হয়।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ ও নীতি নির্ধারণী ফোরাম গভর্নিং বডিতে সদস্য দেশগুলোর সরকারের জন্য ২৮টি সদস্যপদ রয়েছে।
- যার মধ্যে ১০ টি উচ্চ শিল্পগুরুত্বসম্পন্ন দেশের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- অবশিষ্ট ১৮ টি সরকারি সদস্যপদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ১৭৭ টি দেশ প্রতিদ্বন্দিতা করে থাকে।
- দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার সাতটি দেশের জন্য একটিমাত্র সদস্যপদ বরাদ্দ থাকায় এ অঞ্চলের সদস্য নির্বাচনে সাধারণত তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা হয়ে থাকে।
- ইতোপূর্বে বাংলাদেশ ১৯৯৬-৯৯ ও ২০০৮-১১ মেয়াদে সংস্থাটির গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল।

সূত্র- ILO ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৫০৮.
সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক ফিউশন চুল্লি চালু করে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইনন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বড় পারমাণবিক ফিউশন চুল্লি:
→ বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক ফিউশন চুল্লি চালু করে – জাপান।
→ জাপানের রাজধানী টোকিওর উত্তরে অবস্থিত নাকা শহরে এই চুল্লি বা রিয়্যাক্টরটি চালু করা হয়।
→ এই নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।
→ নতুন এই পারমাণবিক চুল্লিটির নাম জেটি-৬০ এসএ।
→ মূলত ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিরাপদে কার্বনমুক্ত উপায়ে মানবজাতির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদা নিশ্চিত করা সম্ভব কিনা তা যাচাই করতেই এই পারমাণবিক চুল্লি চালু করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: The Guardian (১ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
৬,৫০৯.
কোন নেতাকে আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়?
  1. ক) কেনেথ কাউন্ডা
  2. খ) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  3. গ) মুয়াম্মার গাদ্দাফি
  4. ঘ) নেলসন ম্যান্ডেলা
সঠিক উত্তর:
ক) কেনেথ কাউন্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেনেথ কাউন্ডা
ব্যাখ্যা

- জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডা'কে আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়। তিনি আফ্রিকার এই দেশটিকে ২৭ বছর শাসন করেছেন।

- নেলসন ম্যান্ডেলাকে দক্ষিণ আফ্রিকার গান্ধী বলা হয়।

উৎস: টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং ডয়েচ-ভেলে

৬,৫১০.
ভেনিজুয়েলা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) এশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

South American countries are:
- Argentina
- Bolivia
- Brazil
- Chile
- Colombia
- Ecuador
- Paraguay
- Peru
- Uruguay
- Venezuela

Source: britannica.

৬,৫১১.
আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
AfDB:

- আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (AfDB) গ্রুপের প্রধান উদ্দেশ্য হল এর আঞ্চলিক সদস্য দেশগুলিতে (RMCs) টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতি উৎসাহিত করা, এইভাবে দারিদ্র্য হ্রাসে অবদান রাখা।
- সংগঠনটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর আইভরিকোস্টে অবস্থিত।
- সংগঠনটির আঞ্চলিক সদস্য ৫৪টি দেশ।

তথ্যসূত্র - AfDB এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫১২.
'V-20' গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. কৃষি উন্নয়ন
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ওজোন স্তর রক্ষা
  4. দারিদ্র বিমোচন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 :
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP-এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable-20 ওয়েবসাইট।
৬,৫১৩.
COMECON-এর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন 
  2. পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সামরিক জোট তৈরি করা
  3. কূটনৈতিক সংঘর্ষ সৃষ্টি করা
  4. মার্কিন অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন 
ব্যাখ্যা

• COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ Council for Mutual Economic Assistance.
- কমিকন (COMECON) প্রতিষ্ঠিত হয় জানুয়ারি ১৯৪৯ সালে।
- এটি ছিল সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য দেশ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- পরবর্তীতে আলবেনিয়া, পূর্ব জার্মানি, মঙ্গোলিয়ান গণপ্রজাতন্ত্র, যুগোস্লাভিয়া, কিউবা ও ভিয়েতনাম এতে যোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে কমিকন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও ঋণ চুক্তি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দেয়।
- ১৯৮৯–৯০ সালে পূর্ব ইউরোপে কমিউনিস্ট সরকারগুলোর পতন ঘটে।
- এর ফলে কমিকনের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা হ্রাস পায়।
- পরিণামে সংস্থার নাম পরিবর্তন হয় এবং শেষ পর্যন্ত কমিকন ভেঙে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা

৬,৫১৪.
এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে -
  1. লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
  2. ভূমধ্যসাগর ও জিব্রাল্টার
  3. আরব সাগর ও সুয়েজ খাল
  4. লোহিত সাগর ও বসফরাস
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা
- এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল। 

লোহিত সাগর:

- রেড সি (লোহিত সাগর) হল এক সংকীর্ণ জলপ্রবাহ যা মিশরের সুয়েজ (Suez) থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রায় ১,২০০ মাইল (১,৯৩০ কিমি) বিস্তৃত হয়ে বাব এল-মানদেব প্রণালী পর্যন্ত গিয়েছে।
- বাব এল-মানদেব প্রণালী আডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে সুয়েজ ও আকাবা উপসাগর (Elat) রেড সি-এর উত্তরাংশের সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- লোহিত সাগর এর অবস্থান: পশ্চিমে রয়েছে: মিশর, সুদান, ও ইরিত্রিয়া, পূর্বে রয়েছে: সৌদি আরব ও ইয়েমেন। 
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১৯০ মাইল
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ৯,৯৭৪ ফুট (৩,০৪০ মিটার)
- মোট আয়তন: প্রায় ১,৭৪,০০০ বর্গমাইল (৪,৫০,০০০ বর্গকিমি)

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল হল একটি সমুদ্র-পৃষ্ঠ বরাবর খনন করা জলপথ, যা মিশরের সুয়েজ ভূখণ্ডের (Isthmus of Suez) উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণমুখী পথে চলে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ভূমধ্যসাগর ও রেড সি (লোহিত সাগর)-কে সংযুক্ত করেছে।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে আলাদা করেছে।
- এটি ইউরোপ ও ভারত ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সমুদ্রপথ সরবরাহ করে।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত জাহাজ চলাচলের পথগুলোর একটি।
- খালটির দৈর্ঘ্য ও পথ:
- মোট দৈর্ঘ্য: ১৯৩ কিমি (১২০ মাইল)
- উত্তর প্রান্তে এবং দক্ষিণ প্রান্তে ড্রেজ করা অ্যাপ্রোচ চ্যানেল রয়েছে, যা খালটিকে দুই প্রান্তের সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
৬,৫১৫.
যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশে 'No Fly Zone' ঘোষণা করেছিল?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. আফগানিস্তান
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
No Fly Zone:
- আকাশসীমার কোনো অঞ্চলকে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণার অর্থ হলো সেখানে কোনো উড়োজাহাজ উড়তে পারবে না।
- সংবেদনশীল এলাকা যেমন রাজপ্রাসাদ রক্ষা করতে কিংবা কোনো খেলার আয়োজনে অথবা বড় সমাবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
- ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়াও,
⇒ পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকটি ‘নো ফ্লাই জোন’:
- উত্তর কোরিয়া,
- কিউবা,
- মক্কা, সৌদি আরব,
- প্যারিস, ফ্রান্স,
- ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- পার্থেনন, গ্রীস,
- ডিজনি পার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- বাকিংহাম প্যালেস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল, যুক্তরাজ্য।

উৎস: i) De Gruyter ওয়েবসাইট।
ii) Worldatlas.
৬,৫১৬.
'মোসাদ' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ক) ভারত
  2. খ) ভিয়েতনাম
  3. গ) ইসরায়েল
  4. ঘ) মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
'মোসাদ' ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা।

• মোসাদ:

- বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ (MOSSAD)।
- এটি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা, যা দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি পরিচালিত হয়ে থাকে।
- মোসাদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর।
- মোসাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এমএসএস, এফএসবি, হিজবুল্লাহ এবং হামাস।
- প্রতিষ্ঠাতা- ডেবিড বেনগুরিয়ন।
- সদর দপ্তর- তেল আবিব, ইসরাইল।

উৎস:- মোসাদ ওয়েবসাইট।
৬,৫১৭.
বিশ্বের বৃহত্তম অফিস ভবন কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম অফিস ভবন:

- বিশ্বের বৃহত্তম অফিস ভবন ভারতের গুজরাটের সুরাটে অবস্থিত।
- এটি তৈরি করতে জমি লেগেছে ৩৫ দশমিক ৫৪ একর।
- ব্যয় হয়েছে ৩৪ হাজার কোটি রুপি।
- নতুন করপোরেট ভবনটির নাম রাখা হয়েছে ‘সুরাট ডায়মন্ড বার্স’।
- দেশ-বিদেশের হীরার ব্যবসা হবে এই ভবন থেকে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩।
৬,৫১৮.
'বাসেল কনভেনশন'-এর বর্তমান সদস্য দেশ -
  1. ১৮৯টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯৩টি
  4. ১৯৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১টি
ব্যাখ্যা
 বাসেল কনভেনশন:
- জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) বিপজ্জনক বা বিষাক্ত বর্জ্য এবং এটির আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বাসেল কনভেনশন নামে একটি কনভেনশন গ্রহণ করে।
- এটি গৃহীত হয়: ২২শে মার্চ, ১৯৮৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যকরী হয়: ৫ মে, ১৯৯২।
- সদস্য: ১৯১টি।
- স্বাক্ষরকারী: ৫৩টি।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বাসেল কনভেনশন বলে।
- বাসেল কনভেনশন এর উদ্দেশ্য: উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত দেশে বিপজ্জনক বর্জ্য স্থানান্তর রোধ করা।

উল্লেখ্য,
-  বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন কার্যকর করে ১৯৯৩ সালের ৩০ জুন।

উৎস: UN Basel Convention  ওয়েবসাইট।
৬,৫১৯.
কোন দেশটি BENELUX এর সদস্য নয়?
  1. লিচেনস্টাইন
  2. লুক্সেমবার্গ
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
লিচেনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিচেনস্টাইন
ব্যাখ্যা
BENELUX এর সদস্য নয় - লিচেনস্টাইন
 
• বেনেলাক্স: 
- পশ্চিম ইউরোপের ৩ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগীতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- এর পূর্ণনাম - ‘Benelux Economic Union’।    
- প্রতিষ্ঠা:- চুক্তি স্বাক্ষর - ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল (The Treaty of the Benelux Economic Union)।
- চুক্তি কার্যকর:- ১৯৬০ সাল।
- সদস্য সংখ্যা:- ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)। 
- সদরদপ্তর:- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫২০.
নিম্নোক্ত কোন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
  2. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
  3. আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি
ব্যাখ্যা

Red Cross:
- সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরি ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি সর্বোচ্চ মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ১ বার ১৯৭৭ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কোনো নোবেল পায়নি।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।

৬,৫২১.
Greenback was a currency of -
  1. USA
  2. UK
  3. Soviet Union
  4. France
সঠিক উত্তর:
USA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
USA
ব্যাখ্যা
গ্রিনব্যাক:
- মার্কিন ডলারকে অতীতে গ্রিনব্যাক বলা হতো।
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এ কাগজি মুদ্রার প্রচলন ছিলো।
- মুদ্রায় সবুজ রঙের ছাপা থাকার কারণে এ রকম নামে জনপ্রিয় হয়েছিলো।

উৎস: The U.S. Currency Education Program (.gov) ওয়েবসাইট।
৬,৫২২.
'World Trade Organization' কত সালে প্ৰতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

WTO:
প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে
•  বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৬৪ টি ।
• বাংলাদেশের যোগদান তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য)।
• সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica. 

৬,৫২৩.
ADB এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? [ এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৫৬টি
  2. ৬৬টি
  3. ৬৯টি
  4. ৭৮টি
সঠিক উত্তর:
৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৯টি
ব্যাখ্যা
• Asian Development Bank (ADB):
- ১৯৬৬ সালের ২২ আগস্ট সনদ কার্যকরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর ১৯৬৬ থেকে।
- সদরদপ্তর: ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
- বর্তমান মোট সদস্য সংখ্যা: ৬৯টি।[ এপ্রিল, ২০২৫]
- এর মধ্যে ৪৯টি সদস্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের এবং ২০টি অন্যান্য অঞ্চলের।[ এপ্রিল, ২০২৫]
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৩১টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবি'র সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ADB ওয়েবসাইট।
৬,৫২৪.
Islamic Development Bank (IsDB) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেদ্দা
  2. আবুধাবি
  3. তেহরান
  4. দুবাই
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেদ্দা
ব্যাখ্যা
Islamic Development Bank (IsDB):
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর IsDB আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- IsDB এর বর্তমান সদস্য ৫৭টি। (নভেম্বর, ২০২৪)
- Islamic Development Bank (IsDB) এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১২ আগস্ট IsDB তে যোগ দেয়।
- IsDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।
- IsDB এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট সৌদি আরবের Dr. Muhammad Sulaiman Al Jasser. (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - IDB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫২৫.
“টয়োটা” মটর গাড়ী উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) জার্মানী
  2. খ) জাপান
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপান
ব্যাখ্যা

জাপানের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে - টয়োটা, হোন্ডা, নিসান, মিতসুবিশি।
জার্মানির বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে - ভোকসওয়াগন, মার্সিডিজ, অডি। 

৬,৫২৬.
WHO এর বর্তমান মহাপরিচালক -
  1. ইব্রাহিম তাহা
  2. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  3. টেড্রোস আধানম
  4. ফিলিপ্পো গ্রান্ডি
সঠিক উত্তর:
টেড্রোস আধানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেড্রোস আধানম
ব্যাখ্যা
WHO (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)
- পূর্ণরূপ - World Health Organization.
- প্রতিষ্ঠা - ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

- বর্তমান মহাপরিচালক - টেড্রোস আধানম (ইথিওপিয়া)।
- সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ - ১৯৭২ সাল।

তথ্যসূত্র - WHO ওয়েবসাইট।
৬,৫২৭.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কার্যক্রম শুরু করে -
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট:
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন। এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- শুরুর সময় ১৯৭৭ সাল।
- শুরুর স্থান নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৬,৫২৮.
নিচের কোন দেশটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থার মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ অন্যতম। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত। এটিকে জাতিসংঘের সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা বিবেচনা করা হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- রাশিয়া
- চীন
- যুক্তরাজ্য
- ফ্রান্স।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬,৫২৯.
নোমাড পাসপোর্ট সূচক ২০২৫–এ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে কোন দেশ? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. নেদারল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. দুবাই
  4. আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
নোমাড পাসপোর্ট সূচক ২০২৫: 
- আন্তর্জাতিক ট্যাক্স ও অভিবাসন পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নোমাড ক্যাপিটালিস্টের প্রকাশিত নোমাড পাসপোর্ট সূচক ২০২৫–এ বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড।

- এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৮২তম।
- সে হিসেবে দেশের পাসপোর্টের অবস্থান এক ধাপ এগিয়েছে।
- দুবাইভিত্তিক বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নোমাড ক্যাপিটালিস্ট গতকাল শুক্রবার পাসপোর্টের এই বৈশ্বিক সূচক প্রকাশ করা হয়েছে।
- তালিকায় শীর্ষে থাকা আয়ারল্যান্ডের স্কোর ১০৯। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৭৬টি দেশে ভিসা ছাড়া কিংবা অন–অ্যারাইভাল ভিসার মাধ্যমে ভ্রমণ করতে পারেন।
- নোমাডের তালিকায় বাংলাদেশের স্কোর ৩৮। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া কিংবা অন–অ্যারাইভাল ভিসায় ৫০টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।

উৎস: প্রথম আলো (৫ এপ্রিল ২০২৫)
৬,৫৩০.
২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে?
  1. ক) নেদারল্যান্ডস
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – জাপান থেকে।
- বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে – IDA থেকে।
উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
৬,৫৩১.
সাম্প্রতিক কাতার সংকটের সময় কোন দেশটি কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে নাই?
  1. বাহরাইন
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. মিশর
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
কুয়েত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

৫ জুন ২০১৭ কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে ছয়টি দেশ।
- এই দেশগুলো হলো: সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন, লিবিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন।
- তখন মধ্যপ্রাচ্যে যে নতুন রাজনৈতিক সংকটের শুরু হয় সেখানে কুয়েত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BBC.
৬,৫৩২.
জাতিসংঘে প্যালেস্টাইনের অবস্থান কী?
  1. ক) অরাষ্ট্রীয় পর্যবেক্ষক
  2. খ) রাষ্ট্রীয় পর্যবেক্ষক
  3. গ) নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য
  4. ঘ) সাধারন সদস্য
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রীয় পর্যবেক্ষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রীয় পর্যবেক্ষক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে প্যালেস্টাইন অবজারভার বা পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের স্ট্যাটাস প্রাপ্ত।
Source: worldatlas.com
৬,৫৩৩.
কাজাখস্তানের মুদ্রার নাম কী?
  1. সোম
  2. তেঙ্গে
  3. সোমোনি
  4. মানাত
সঠিক উত্তর:
তেঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেঙ্গে
ব্যাখ্যা
• কাজাখস্তান-
- রাজধানী- আস্তানা,
- মুদ্রা- তেঙ্গে।

• তুর্কমেনিস্তান :
- রাজধানী- আশাখাবাদ,
- মুদ্রা : মানাত,

• তাজিকিস্তান,
 - রাজধানী- দুশানবে,
- মুদ্রা : সোমোনি,

• কিরগিজিস্তান
- রাজধানী- বিশকেক,
- মুদ্রা: সোম।

উৎস: britannica.
৬,৫৩৪.
বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত?
  1. ক) $১৮২৭
  2. খ) $১৯০৭
  3. গ) $১৬১৭
  4. ঘ) $১৭৫১
  5. ঙ) $১৯০৯
সঠিক উত্তর:
ঙ) $১৯০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) $১৯০৯
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৯০৯ মার্কিন ডলার যা আগের অর্থবছরে ছিল ১৭৫১ মার্কিন ডলার। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৬,৫৩৫.
এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. মাদাগাস্কার
  3. বোর্নিও
  4. সিসিলি
সঠিক উত্তর:
বোর্নিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোর্নিও
ব্যাখ্যা
এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ:

• 'বোর্নিও' এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ। 
• বোর্নিও পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
• কেবল নিউগিনি এবং গ্রিনল্যান্ড এর চেয়ে বড়।


Image Source: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

অপরদিকে, 
• পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ হলো গ্রিনল্যান্ড।
• এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
• গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন।
• গ্রিনল্যান্ডের মোট আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার।
• গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ বরফাচ্ছাদিত।
• মাদাগাস্কার আফ্রিকার বৃহত্তম দ্বীপ।
• ইতালির সিসিলি দ্বীপটি ভুমধ্যসাগরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫৩৬.
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (WFP) তাদের প্রথম উন্নয়ন কর্মসূচী চালু করেছিল -
  1. সুদান
  2. বেনিন প্রজাতন্ত্র
  3. আইভরি কোস্ট
  4. ঘানা
সঠিক উত্তর:
সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান
ব্যাখ্যা
WFP:
- WFP-এর পূর্ণরূপ: World Food Programme অথবা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী। 
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সহায়তা সংস্থা।
- সংস্থাটি জাতিসংঘ (UN) দ্বারা বিশ্ব ক্ষুধা দূরীকরণে সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: সিন্ডি ম্যাককেইন।

উল্লেখ্য,
- প্রথম উন্নয়ন কর্মসূচী চালু করেছিল ১৯৬৩ সালে সুদানে। 

⇒ বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে করার অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০২০ সালে লাভ করে।

উৎস: World Food Programm ওয়েবসাইট।
৬,৫৩৭.
'UNCTAD' এর সদস্য দেশ কতটি?
  1. ১৯৬টি
  2. ১৯৫টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯৩টি
সঠিক উত্তর:
১৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫টি
ব্যাখ্যা
• UNCTAD:
- UNCTAD হচ্ছে জাতিসংঘের উন্নয়নশীল বিশ্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ সংস্থা।
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ- United Nations Conference on Trade and Development.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি।
- UNCTAD শীর্ষ সম্মেলন প্রতি (৪) চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- UNCTAD এর প্রথম কনফারেন্স ১৯৬৪ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNCTAD এর সদস্য পায়। 

উৎস:- UNCTAD এর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬,৫৩৮.
মাদার তেরেসা পরিচালিত দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির নাম কী?
  1. চ্যারিটি অব মিশনারিজ
  2. মিশনারিজ অব মাদার তেরেসা
  3. চ্যারিটি অব মাদার তেরেসা
  4. মিশনারিজ অব চ্যারিটি
সঠিক উত্তর:
মিশনারিজ অব চ্যারিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশনারিজ অব চ্যারিটি
ব্যাখ্যা
• মাদার তেরেসা:
- তিনি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯১০ সালে।
- তিনি  ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।
- মাদার তেরেসা নামে অধিক পরিচিত হলেও তার আসল নাম মেরি টেরিজা বোজাঝিউ।
- ১৯৫০ সালে কলকাতায় ‘দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ (দাতব্য ধর্মপ্রচারক সংঘ) নামে একটি খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারণাসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই ধর্মপ্রচারণা কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাকে 'সন্ত' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায়  মাদার তেরেসায় ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ হিসেবে আখ্যায়িত হন।
- ১৯৭৯ সালে মাদার তেরেসা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫৩৯.
২১তম বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ফ্রান্সে
  2. খ) ব্রাজিলে
  3. গ) রাশিয়ায়
  4. ঘ) ইংল্যান্ডে
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়ায়
ব্যাখ্যা
• ২১তম বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়- রাশিয়ায়। 

• ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার ২২তম আসর। 
- ২১ তম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় রাশিয়ায়।
- ২০১৮ সালে রাশিয়ায় ২১ তম বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়। 
- ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় ফ্রান্স। 

সূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট।
৬,৫৪০.
ইন্টারপোল (Interpol) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯২৬ সালে
  4. ১৯২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা

ইন্টারপোল (Interpol):
- এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ সালে (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি। [ডিসেম্বর, ২০২৫]
- সর্বশেষ সদস্য: পালাউ।

• বাংলাদেশ ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে ইন্টারপোলের সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।

৬,৫৪১.
IMF কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যমতে মাথাপিছু আয়ে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) লুক্সেমবার্গ
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
ক) লুক্সেমবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু জিডিপি:
- প্রকাশকাল: ২৬শে মার্চ ২০২৩ইং।
- প্রকাশক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)।
- শিরোনাম: ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট।
- আর্ন্তভুক্ত: দেশ ১২৩টি।
- শীর্ষ দেশ: লুক্সেমবার্গ।
- সর্বনিম্ন দেশ: বুরুন্ডি।
- বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৮৭ মার্কিন ডলার।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৬,৫৪২.
ব্রেক্সিট এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসেছে কোন দেশ?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ব্রেক্সিট (Brexit):
- ব্রেক্সিট হলো "British Exit" শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে প্রস্থানের প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- ২০১৬ সালের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত একটি গণভোটে যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত দেন।
- ৩১ জানুয়ারি ২০২০: যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০২১: একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ব্রেক্সিট প্রক্রিয়াটি তিনটি প্রধান প্রধানমন্ত্রী: ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, এবং বরিস জনসনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
- ইইউ থেকে প্রস্থান করার পরেও যুক্তরাজ্য এখনও ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

উৎস: BBC
European Parliament
Gov.uk
৬,৫৪৩.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনাল ২০১৯ সালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ কে হয়েছিলেন?
  1. Kane Williamson
  2. Ben Stokes
  3. Jos Buttler
  4. Virat Kohli
সঠিক উত্তর:
Ben Stokes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ben Stokes
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনাল ২০১৯ সালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন - বেন স্টোকস।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩:
- স্বাগতিক দেশ: ভারত।
- মোট অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- যথা- অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- মোট ভেন্যু: ১০টি।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠান: ৫ অক্টোবর, ২০২৩।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩ এর মাস্কট এর নাম ব্লেজ ও টঙ্ক।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- সর্বাধিক রান: বিরাট কোহলি (ভারত), ৭৬৫ রান (১০ ম্যাচ)।
- সর্বাধিক উইকেট: মো. সামি (ভারত) ২৪টি (৭ ম্যাচ)।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: বিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্য ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।

তথ্যসূত্র - আইসিসি ওয়েবসাইট।
৬,৫৪৪.
For which of the following disciplines Nobel Prize is awarded?
  1. ক) Physics and Chemistry
  2. খ) Physiology or medicine
  3. গ) Literature, Peace and Economics
  4. ঘ) All of these
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of these
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
• নোবল পুরস্কার:
- ১৯০১ সাল থেকে চিকিৎসা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, সাহিত্য ও শান্তি এই পাঁচটি বিষয়ের উপর নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
- ১৯৬৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। 
- ১৯৬৯ সাল থেকে ৬টি বিষয়ে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

সূত্র: nobleprize.org
৬,৫৪৫.
দালাইলামা হলো ______ সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু।
  1. তিব্বতের
  2. নেপালের
  3. ভুটানের
  4. ভারতের
সঠিক উত্তর:
তিব্বতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিব্বতের
ব্যাখ্যা
দালাইলামা:
- দালাইলামা তিব্বতের ধর্মীয় নেতা।
- তিনি তিব্বতি বৌদ্ধধর্মের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা।
- বর্তমান দালাই লামার নাম তেনজিন গিয়াৎসো। তিব্বতীয় বৌদ্ধ বিশ্বাস অনুযায়ী, তিনি দালাই লামার চতুর্দশ পুনর্জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৯ সালে তিব্বতের রাজধানী লাসায় চীনা সেনারা এক বিদ্রোহ দমন করার পর দালাই লামা এবং হাজার হাজার তিব্বতি ভারতে চলে যান। সেখানেই তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
- চীন দালাই লামাকে একজন ‘বিদ্রোহী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে বিবেচনা করে থাকে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই ধর্মীয় নেতা নিজেকে একজন ‘সাধারণ বৌদ্ধভিক্ষু’ হিসেবে পরিচয় দেন।
- নির্বাসিত অনেক তিব্বতির আশঙ্কা, দালাই লামার মৃত্যুর পর চীন নিজেই একজন উত্তরসূরি নিয়োগ দিতে পারে। আর এর মধ্য দিয়ে ১৯৫০ সালে সেনা পাঠিয়ে দখলে নেওয়া তিব্বতের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে পারে চীন।
- ২ মে, ২০২৫ তারিখে দালাই লামা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, পঞ্চদশ দালাই লামাকে শনাক্ত করার দায়িত্ব শুধু ভারতভিত্তিক গাদেন ফোদরাং ট্রাস্টের হাতে থাকবে। এটি দালাই লামার দপ্তর।
- ২০১১ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার তিব্বতির ভোটে নির্বাচিত একটি নির্বাসিত সরকারের হাতে দালাই লামা রাজনৈতিক কর্তৃত্ব হস্তান্তর করেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Britannica.
৬,৫৪৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পিরামিড আছে কোন দেশে?
  1. মিশর
  2. সুদান
  3. মেক্সিকো
  4. সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান
ব্যাখ্যা
• সর্বাধিক পিরামিডের মালিক দেশটির নাম সুদান।
- মিশরে পিরামিডের সংখ্যা ১৩৮, সেখানে সুদানে পিরামিডের সংখ্যা ২৫৫।
- সুদানের পিরামিডগুলো তৈরি হয়েছে খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার ৭০ থেকে ৩৫০ অব্দে, কুশ নামের রাজাদের শাসনামলে।
- তবে এগুলো তৈরি হয়েছে মিশরে পিরামিড তৈরি হওয়ার রেওয়াজ চালু হওয়ার ৫০০ বছর পরে।
- মিশরের শ্রেষ্ঠত্ব উচ্চতায়ও। কুশি পিরামিডগুলোর উচ্চতা ছয় থেকে ৩০ মিটার (২০ থেকে ৯৮ ফুট) পর্যন্ত।
- যেখানে মিশরের পিরামিডগুলোর গড় উচ্চতা ১৩৮ মিটার বা ৪৫৩ ফুট। 

সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
৬,৫৪৭.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে,
• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- সেই সময় সুদান জাতিসংঘের সদস্য ছিলো না, তাই স্বাক্ষর করেনি।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়। 
⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৬,৫৪৮.
মোট কতটি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

৬,৫৪৯.
ফিয়াট গাড়ির নির্মাতা কোন দেশ?
  1. জার্মানি
  2. ইতালি
  3. সুইডেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
ফিয়াট গাড়ি:
- F.I.A.T. এর পূর্ণরূপ: Fabbrica Italiana Automobili Torino.
- ফিয়াট অটোমোবাইলস এস.পি.এ. একটি ইতালীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
- বৃহত্তম ইতালীয় অটোমোবাইল কর্পোরেশন।
- এর সদর দপ্তর তুরিনে।
- এটি গাড়ি, স্পোর্টস কার, ট্রাক, বিভিন্ন শিল্প ও কৃষি যন্ত্রপাতি উত্পাদন করে।
- কোম্পানিটি ১৮৯৯ সালে একদল বিনিয়োগকারী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: Fiat ওয়েবসাইট। 
৬,৫৫০.
সম্প্রতি ‘স্পাইকোমেলাস আফার’ নামের ডাইনোসরের কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া গেছে কোন দেশে?
  1. পর্তুগাল
  2. ফ্রান্স
  3. আর্জেন্টিনা
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরক্কো
ব্যাখ্যা

স্পাইকোমেলাস আফার:
সম্প্রতি মরক্কোর বোউলেমান শহরে অদ্ভুত এক ডাইনোসরের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই ডাইনোসরের ঘাড়ের কাছে ছিল লম্বা কাঁটা—দৈর্ঘ্যে এক মিটারের মতো।
- ডাইনোসরগুলো ১৬ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে পৃথিবীর বুকে চলেফিরে বেড়াত।
- শরীরে বর্ম থাকা ডাইনোসরের প্রজাতি অ্যানকিলোসরাসের সবচেয়ে পুরোনো উদাহরণ কাঁটাওয়ালা এই প্রাণী।

- যে ডাইনোসরটির কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া গেছে, সেটির বৈজ্ঞানিক নাম স্পাইকোমেলাস আফার।
- এর সন্ধান পাওয়া গেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোয়।
- এই আবিষ্কার বর্মধারী ডাইনোসরের বিবর্তন নিয়ে নতুন করে ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।
- যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড বাটলার বলেন, এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হওয়া সবচেয়ে অদ্ভুত ডাইনোসরগুলোর একটি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৬,৫৫১.
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) এর আঞ্চলিক কমিশন কতটি? 
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি 
  4. ১০ টি 
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):  

• সদস্য দেশ: ৫৪ টি। 
• প্রতি তিন বছরে এক তৃতীয়াংশ সদস্য (১৮ জন) অবসর গ্রহণ করে।
• বাংলাদেশ ২০১০ - ২০১২ মেয়াদের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়।
• বছরে কমপক্ষে দুবার নিউইয়র্ক অথবা জেনেভায় এর অধিবেশন বসে। 
• দপ্তর: জাতিসংঘের কনফারেন্স বিল্ডিং, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

• আঞ্চলিক কমিশন ৫ টি। এগুলো হলো- 

১) United Nations Economic Commission for Europe (ECE); 
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
২) United Nations Economic Commission for Africa (ECA);  
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া। 
৩) United Nations Economic Commission for Latin America and the Caribbean (ECLAC); 
- সদর দপ্তর: সান্টিয়াগো, চিলি। 
8) Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP); 
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
৫) Economic and Social Commission for Western Asia (ESCWA); 
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন। 

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬,৫৫২.
BRI পরিকল্পনার উদ্যোক্তা কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

- Belt and Road Initiative (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা। ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই পরিকল্পনার ঘোষণা করেন।
- এটি ‘নিউসিল্ক রোড’ বা ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ নামেও পরিচিত।
- এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের দেশসমূহের মধ্যে কানেক্টিভিটি ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।
- বর্তমানে এই প্রকল্পের সাথে বিশ্বের ৭১টি দেশ, ৬০ শতাংশ জনগোষ্ঠী এবং ৪০ শতাংশ উৎপাদন জড়িত। এই পরিকল্পনার আওতায় স্থল, নৌ, রেল ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে কানেকটিভিটি গড়ে তোলা হবে।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও পশ্চিমাবিশ্ব চীনের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে আসছে।
- সাম্প্রতিক জি-৭ সম্মেলনে বিআরআই প্রকল্পে বিপরীতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্যে একটি নতুন মহাপরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)

৬,৫৫৩.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিব মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  2. পেরেজ দ্য কুয়েলার
  3. ট্রাইগভে লাই
  4. কফি আনান
সঠিক উত্তর:
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক লাভ করে।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৫৪.
'কালাপানি' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
কালাপানি:
- কালাপানি হলো ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি সীমান্ত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

⇒ নেপাল দাবি করে যে কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নেপালের অংশ, যেহেতু সেখান দিয়ে মাহাকালী নদীর উৎস বইছে।
- ভারত বলে এটি তাদের ভূখণ্ড এবং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় প্রশাসনের অধীনে।

উল্লেখ্য,
- ১৮১৫ সালের সুগৌলি চুক্তি (Sugauli Treaty) অনুযায়ী ব্রিটিশরা নেপাল থেকে কিছু ভূখণ্ড নিয়েছিল।
- নেপাল দাবি করে ১৮১৫ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে চুক্তি অনুযায়ী কালি নদীর পূর্বাঞ্চল তাদের, কিন্তু ভারত সবসময় কালি নদীর উৎস এবং তার নদীর প্রবাহ বদলে যাওয়াসহ এই অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার নিয়ে নানা প্রমাণ হাজির করেছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।  তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম। নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত। যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: i) BBC.
ii) Institute Of Peace & Conflict Studies.
৬,৫৫৫.
‘ডমিনো তত্ত্ব’ মূলত কোন অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য ছিল? 
  1. ইউরোপ
  2. মধ্যপ্রাচ্য
  3. ল্যাটিন আমেরিকা
  4. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা

- ডমিনো তত্ত্ব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব।
- এ তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি অ-সাম্যবাদী রাষ্ট্র কমিউনিজমের কাছে “পতিত” হলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর অ-সাম্যবাদী সরকারও পর্যায়ক্রমে পতিত হবে।
- তত্ত্বটি প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান-এর নীতিগত প্রস্তাবনার সাথে যুক্ত হয়ে গুরুত্ব পায়।
- - ১৯৪০-এর দশকে গ্রিস ও তুরস্কে সামরিক সহায়তা পাঠানোর যৌক্তিকতা প্রমাণে ট্রুম্যান প্রশাসন এ ধারণা ব্যবহার করে।
- ১৯৫০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার-এর আমলে তত্ত্বটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- আইজেনহাওয়ার এটি বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে দক্ষিণ ভিয়েতনামে প্রয়োগ করেন।
- ১৯৬০-এর দশকে কেনেডি ও লিন্ডন বি. জনসন প্রশাসন আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পৃক্ততার যৌক্তিকতা দেখাতে ডমিনো তত্ত্ব ব্যবহার করে।
- বিশেষত ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এ মার্কিন হস্তক্ষেপের পক্ষে এটি ছিল অন্যতম প্রধান নীতিগত যুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৫৫৬.
জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর নবগঠিত সংগঠনের মহাসচিব হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. ক) ট্রিগভে লাই
  2. খ) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
  3. গ) গ্লাডউইন জেব
  4. ঘ) আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ
সঠিক উত্তর:
গ) গ্লাডউইন জেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্লাডউইন জেব
ব্যাখ্যা
 জাতিসংঘের মহাসচিব (UN Secretary General)
- ১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসাবে নির্বাচিত হন নরওয়ের নাগরিক- ট্রিগভে লী।
- তার আগে জাতিসংঘ গঠনের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন ব্রিটিশ কূটনীতিক গ্লাডউইন জেব (১৯৪৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত)।
- উল্লেখ্য, জাতিসংঘের মহাসচিব - নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘ মহাসচিবের বর্তমান মেয়াদ - ৫ বছর। একজন ব্যক্তি দুই মেয়াদে নির্বাচিত হতে পারেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট
৬,৫৫৭.
২০২৪ সালে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  3. মেক্সিকো
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
২০২৪ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ:
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে ২০২৪ সালে।
- আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলবে ৪ জুন, ২০২৪- ৩০ জুন, ২০২৪।
- ১০টি ভেন্যুতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস:ICC ওয়েবসাইট।
৬,৫৫৮.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন:
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
- স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
- কার্যকর ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৬,৫৫৯.
ওয়ারশ প্যাক্ট কী ধরনের চুক্তি?
  1. ক) সামরিক
  2. খ) পরিবেশ
  3. গ) মুক্ত বাণিজ্য
  4. ঘ) রাজনৈতিক
সঠিক উত্তর:
ক) সামরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সামরিক
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৬,৫৬০.
হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের স্মৃতিবিজড়িত প্রত্নতাত্তিক স্থান তক্ষশীলা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) নেপাল
  3. গ) চীন
  4. ঘ) পাকিস্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্থান
ব্যাখ্যা
তক্ষশীলা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত শহর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। 
- প্রাচীন তক্ষশীলা নগরী ছিল হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বর্তমান সময়েও উক্ত ধর্মদুটির ঐতিহ্যে এ স্থানটির একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। ১৯৮০ সালে বেশকিছু এলাকাসহ তক্ষশীলাকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- গার্ডিয়ান পত্রিকা ২০০৬ সালে এটিকে পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যটন স্থান হিসেবে নির্বাচিত করে।
- কথিত আছে, কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্র এই নগরেই রচনা করেছিলেন ।

উৎস: Britannica.
৬,৫৬১.
’এফবিআই’(FBI) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য 
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

এফবিআই(FBI):
-পূর্ণরূপ: FBI-এর পূর্ণরূপ হলো Federal Bureau of Investigation.
- এটি একটি গোয়েন্দা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সালে।
- এফবিআই যুক্তরাষ্ট্র দেশের গোয়েন্দা সংস্থা।
- বর্তমান পরিচালক হলেন ক্রিস্টোফার রে।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, ডি.সি.।
- এর উদ্দেশ্য হলো সবচেয়ে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলা করা।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।

৬,৫৬২.
'ফিফা' এর সদর দপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. জুরিখ
  2. জেনেভা
  3. রিও ডি জেনেরিও
  4. ব্রাসেলস
সঠিক উত্তর:
জুরিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুরিখ
ব্যাখ্যা
• FIFA:
- FIFA (The Fédération Internationale de Football Association)
- এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মে, ১৯০৪।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদরদপ্তর: জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।[মে, ২০২৫]
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফা'র সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ফিফা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৬৩.
‘ইন্ডিকা’ নামক গ্রন্থে কোন সাম্রাজ্যের শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে বর্ণনা পাওয়া যায়?
  1. ক) গুপ্ত সাম্রাজ্য
  2. খ) মৌর্য সাম্রাজ্যে
  3. গ) পাল সাম্রাজ্য
  4. ঘ) সাতবাহন সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) মৌর্য সাম্রাজ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌর্য সাম্রাজ্যে
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। চন্দ্রগুপ্ত গ্রিকদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদেরকে ভারত থেকে বিতাড়িত করে এক বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামানুসারে ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মৌর্য সাম্রাজ্য নামে পরিচিত। চাণক্য ছিলেন তাঁর প্রধানমন্ত্রী। চাণক্য কৌটিল্য ছদ্মনামে ‘অর্থশাস্ত্র’ নামে এক বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন। রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতি কৌশলের সারসংক্ষেপ হচ্ছে এই গ্রন্থ। চন্দ্রগুপ্তের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন।
[সূত্রঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত)]
৬,৫৬৪.
নিম্নের কোন দেশটি G-7-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয়? 
  1. কানাডা
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. ইতালি 
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

- G-7-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় কানাডা। 

G-7:

• G-7 (Group of 7) - বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭ টি দেশের সরকার প্রধানের জোট।
• জি- ৭ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে।   
• পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
• তবে, ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

•  জি- ৭ -এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ছয়টি দেশ - ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  
• জি- ৭ এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি – কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
• এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ জাপান।

উৎস: জি- ৭ -এর ওয়েবসাইট।

৬,৫৬৫.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কোন সংস্থার উত্তরসূরি?
  1. UNCTAD
  2. GATT
  3. ITC
  4. IMF
সঠিক উত্তর:
GATT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GATT
ব্যাখ্যা

WTO ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি বা General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)-এর উত্তরসূরি হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে।

WTO: 
- WTO (World Trade Organisation) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর বর্তমানে ১৬৬ জন সদস্য [আগস্ট - ২০২৫] রাষ্ট্র রয়েছে এবং এর সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নও সদস্য। সর্বশেষ সদস্য হিসেবে কমোরস এবং পূর্ব তিমুর লেস্তে যোগ দিয়েছে।
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।
- WTO এর সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- WTO এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

সূত্র: WTO ওয়েবসাইট ও Britannica.

৬,৫৬৬.
'M-19' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) ফিলিপাইন
  3. গ) কলম্বিয়া
  4. ঘ) ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
গ) কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
'M-19' কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন। অপরদিকে Force-17 ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৫৬৭.
এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাণিজ্যিক জোট (APEC) এর উদ্যোক্তা ছিলেন -
  1. লি কুয়ান ইউ
  2. বব হক
  3. মিখাইল গরবাচেভ
  4. রোনাল্ড রিগান
সঠিক উত্তর:
বব হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বব হক
ব্যাখ্যা

APEC:
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- APEC এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- গঠিত হয়: ১৯৮৯ সালে।
- অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বব হক APEC -এর উদ্যোক্তা ছিলেন।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- বর্তমান সদস্য: ২১টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।

তথ্যসূত্র - APEC -এর ওয়েবসাইট।

৬,৫৬৮.
কোন শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. পঞ্চদশ
  2. ষোড়শ
  3. সপ্তদশ
  4. অষ্টাদশ
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ
ব্যাখ্যা
ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব:
- অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: Britannica.
৬,৫৬৯.
Which of the following revolution took place in 1989?
  1. Islamic Revolution in Iran
  2. Czechoslovakia's Velvet Revolution
  3. Rose revolution in Georgia
  4. The Jasmine Revolution in Tunisia
  5. American Revolution
সঠিক উত্তর:
Czechoslovakia's Velvet Revolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Czechoslovakia's Velvet Revolution
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
⇒ আমেরিকান বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।

⇒ ফরাসি বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।

⇒ রুশ বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।

⇒ সাংস্কৃতিক বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় চীনে ১৯৬৬- ১৯৭৬ সালে।

⇒ ইসলামিক বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।

⇒ ভেলভেট বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় চেকোগ্লোভাকিয়ায় ১৯৮৯ সালে।

⇒ রোজ বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।

⇒ অরেঞ্জ বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।

⇒ টিউলিপ বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।

⇒ নীল বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় মিসরে ২০১১ সালে।

⇒ জেসমিন বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

⇒ ইউরোমেইডেন বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় উক্রেনে ২০১৩ সালে।

উৎস: Britannica.
৬,৫৭০.
এঞ্জেল জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. আর্জেন্টিনা 
  4. ভেনিজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
এঞ্জেল জলপ্রপাত:
- অবস্থান: বলিভার রাজ্য, ভেলিজুয়েলা। 
- উচ্চতা: পৃথিবীর সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, ৩,২১২ ফুট (৯৭৯ মিটার) উচ্চতা।
- প্রশস্ততা: ৫০০ ফুট (১৫০ মিটার) প্রস্থ।
- ভেনেজুয়েলার রিও কারোনি নদীর উপর অবস্থিত । 
 - বিশেষত্ব: পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত।
- আমেরিকান অভিযাত্রিক জেমস অ্যাঞ্জেল ১৯৩০ সালে বহিরাগত হিসেবে এটি প্রথম দেখতে পান।
- নতুন নাম: ২০০৯ সালে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ আদিবাসী ভাষায় "কেরেপাকুপাই মেরু" নামকরণের প্রস্তাব দেন।
- অবস্থান: কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬,৫৭১.
১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস এ গণনারীতি কাদের?
  1. ক) আরবীয়দের
  2. খ) মিশরীয়দের
  3. গ) দারিয়ুসের
  4. ঘ) ক্যাম্বসেসের
সঠিক উত্তর:
গ) দারিয়ুসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দারিয়ুসের
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারসীয়দের বিরাট অবদান রয়েছে।
সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
মিশরীয় চিকিৎসা বিদ্যালয়কে তিনি সংস্কার করেন।
জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
বিখ্যাত ক্যালেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ‘নেবুরিমানু’কে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেন।
এছাড়া ক্যালেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞানী কিদিনু’ও পারস্য সম্রাট এর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি রচনা করেন।
উৎসঃ ইতিহাস, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

৬,৫৭২.
কত খ্রিস্টাব্দ থেকে 'হিজরি সন' গণনা শুরু হয়?
  1. ৬২২ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৬২৩ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৬২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৬২২ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২২ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• হিজরি সন:
- হিজরি সন (ইসলামিক বর্ষপঞ্জি) গণনা করা হয় চন্দ্র মাস অনুসারে। 
 - এটি শুরু হয়েছে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে।
- যেদিন হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন।
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামিক ক্যালেন্ডারের সূচনা হয়, যাকে বলা হয় "হিজরি সন"।
- এক বছর = ১২টি চন্দ্র মাস
- প্রতি মাসে থাকে ২৯ বা ৩০ দিন, কারণ চাঁদের একটিমাত্র আবর্তন চক্র। 
- এক হিজরি বছর = প্রায় ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিন
- তাই এটি গ্রেগোরিয়ান বর্ষপঞ্জির (৩৬৫/৩৬৬ দিন) চেয়ে প্রায় ১০-১১ দিন কম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫৭৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯১২ সালে
  2. খ) ১৯১৩ সালে
  3. গ) ১৯১৪ সালে
  4. ঘ) ১৯১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।

• এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৬,৫৭৪.
নিউ ডিল নীতি কে প্রবর্তন করেছিলেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজবেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. ফ্র্যাঙ্কলিন পিয়ার্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজবেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজবেল্ট
ব্যাখ্যা

নয়া নীতি বা New Deal:
 -মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন রুজভেন্ট ১৯২৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বব্যাপী যে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দেয় তা মোকাবেলা করতে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে  শিল্প, কৃষি, অর্থ, জলবিদ্যুৎ, শ্রম এবং আবাসন ক্ষেত্রে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন  । ইতিহাসে তা  নয়া নীতি বা New Deal ।
- তার এ পরিকল্পনার এ দিন গুলো -  ”প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা” হিসেবে পরিচিত।
- নিউ-ডিল এর আওতায় মার্কিন কংগ্রেস জরুরি ব্যাংক সংস্কার আইনটি পাস করেন।
- ১৯৩৫ সালে বেকার লোকেদের কর্মসংস্থানের জন্যে Work Progress Administration বিল টি পাস করেন।

এছাড়াও:
- নিউ- ডিলের আওতায় অনেক গুলো বড় বিল পাশ হয়:
১. Agriculturre Adjustment Act.
2. The Tennessee Valley Authrity Act.
3. The National Industrial Recovery Act.
4. The Glass-steagall Act.

উৎস: britannica.

৬,৫৭৫.
IJSG এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. International Jute Sales Group
  2. International Jute Study Group
  3. International Jute Sourcing Group
  4. International Jute Study and Research Group
সঠিক উত্তর:
International Jute Study Group
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Jute Study Group
ব্যাখ্যা
- IJSG এর পুর্ণরূপ International Jute Study Group এবং এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকাতে অবস্থিত।

বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- CIRDAP, 
- BIMSTEC, 
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট
৬,৫৭৬.
চীন-জাপান যুদ্ধে জাপান তাইওয়ান দখল করে নিয়েছিল কত সালে?
  1. ১৮৯১ সালে
  2. ১৮৯৫ সালে
  3. ১৮৯৩ সালে
  4. ১৮৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ:
- প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ (১৮৯৪-১৮৯৫) চীনের কিং রাজবংশ এবং জাপানের মেইজি সরকারের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধ কোরিয়ায় আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াইয়ের ফলাফল ছিল।
- সময়কাল: ১৮৯৪ সালের ১ আগস্ট - ১৮৯৫ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৮৯৪ সালের ১ আগস্ট জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- যুদ্ধের স্থান: কোরিয়া, মাঞ্চুরিয়া, তাইওয়ান, হলুদ সাগর।
- এই যুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল কোরিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা, যা দীর্ঘদিন ধরে চীনের প্রভাবাধীন ছিল। কিন্তু জাপান এই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে আগ্রহী ছিল এবং তারা কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে। কোরিয়া ছিল চীন ও জাপানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেখানে উভয় দেশই নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল। 

⇒ ১৮৯৪ সালের ২৫ জুলাই ফেংদাওয়ের নৌযুদ্ধে জাপান চীনের নৌবাহিনীকে পরাজিত করে।
- জাপান কোরিয়ার সিওংহ্বান, পিয়ংইয়ং, এবং মাঞ্চুরিয়ার লিয়াওডং উপদ্বীপ দখল করে।
- ১৮৯৫ সালে জাপান তাইওয়ান ও পেঙ্ঘু দ্বীপপুঞ্জ দখল করে।

⇒ ১৭ এপ্রিল, ১৮৯৫ তারিখে শিমোনোসেকি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে এবং এই যুদ্ধে জাপান বিজয়ী হয়।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমে কোরিয়ার উপর চীনের প্রভাব শেষ হয়।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমে জাপানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং তারা একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করে। 

উৎস: Britannica.
৬,৫৭৭.
২০২৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন হয় -
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. কুয়েত
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

১৪তম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভারতকে চ্যাম্পিয়নশিপের ১৪তম সংস্করণের আয়োজক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ভারতের বেঙ্গালুরুতে ২১ জুন থেকে ৪ জুলাই, ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- আয়োজক: South Asian Football Federation (SAFF).
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ভারত।
- রানার্স আপ: কুয়েত।

উৎস: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
৬,৫৭৮.
International Trade Centre কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১৯৬৪
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৪
ব্যাখ্যা
• International Trade Centre  প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৬৪ সালে।
- এর সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত। 
- ITC উন্নয়নশীল দেশগুলিতে বাণিজ্য-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধিকে তার কাজের কেন্দ্রে রাখে।
- বর্তমান মহাপরিচালকের নাম - Pamela Coke-Hamilton.

তথ্যসূত্রঃ ITC অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৭৯.
APEC কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সিডনি
  2. ক্যানবেরা
  3. টোকিও
  4. সিউল
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা

• APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

⇒ প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বব হক APEC -এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

⇒ ১৯৮৯ সালের ৩১ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বব হক কোরিয়ার সিউলে একটি বক্তৃতার সময়  APEC-এর প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন।
- ১৯৮৯ সালের নভেম্বরে, ১২টি দেশ মিলে এপেক প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল: অস্ট্রেলিয়া; ব্রুনাই দারুসসালাম; কানাডা; ইন্দোনেশিয়া; জাপান; দক্ষিণ কোরিয়া; মালয়েশিয়া; নিউজিল্যান্ড; ফিলিপাইন; সিঙ্গাপুর; থাইল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এপেকের মূল লক্ষ্য ছিল এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং মুক্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা।
- এই অঞ্চলটি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২১টি দেশের মধ্যে বিস্তৃত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: APEC ওয়েবসাইট।

৬,৫৮০.
হার্টল্যান্ড তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. নিকোলাস স্পাইকম্যান
  2. আলফ্রেড মাহান
  3. হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার
  4. ফ্রিডরিখ র‍্যাটজেল
সঠিক উত্তর:
হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার
ব্যাখ্যা

হার্টল্যান্ড তত্ত্ব (Heartland Theory):
- হার্টল্যান্ড তত্ত্বের প্রবক্তা ব্রিটিশ ভূগোলবিদ ও ভূ-রাজনীতিবিদ স্যার হ্যালফোর্ড জন ম্যাকিন্ডার।
- তিনি ১৯০৪ সালে রয়েল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটিতে 'The Geographical Pivot of History' নামক গবেষণাপত্রে এই বিখ্যাত ভূ-রাজনৈতিক মতবাদটি উপস্থাপন করেছিলেন। 
- তিনি ইউরেশিয়ার কেন্দ্রভাগকে যা মূলত রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার অংশ 'হার্টল্যান্ড' বা 'পিভট এরিয়া' (Pivot Area) হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- তাঁর মতে, "যে পূর্ব ইউরোপকে শাসন করবে, সে হার্টল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করবে; যে হার্টল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ করবে, সে বিশ্ব-দ্বীপকে (ইউরেশিয়া ও আফ্রিকা) শাসন করবে; এবং যে বিশ্ব-দ্বীপ শাসন করবে, সে বিশ্বকে শাসন করবে"।
- এই তত্ত্বটি স্থল শক্তিকে সমুদ্র শক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরে। 

উৎস: Britannica.

৬,৫৮১.
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO) এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৯২ টি
  2. খ) ১৯৩ টি
  3. গ) ১৯৪ টি
  4. ঘ) ১৯৫ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪ টি
ব্যাখ্যা
• UNESCO:
– জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO)
– UNESCO- এর পূর্ণরুপ – United Nations Educational Scientific and Cultural Organization 
– এর প্রধান কাজ হলো – বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
– ইউনেস্কোর সংবিধান গৃহীত হয় - ১৯৪৫ সালে।
– কার্যক্রম শুরু করে – ১৯৪৬ সালে।
– প্রতিষ্ঠার স্থান – লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

– সদর দপ্তর – প্যারিস, ফ্রান্স।
– সদস্য সংখ্যা – ১৯৪ টি  এবং সহযোগী সদস্য – ১২ টি।
– UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা – ১১৫৭ টি।
– বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে – ১৯৭২ সালে।
– UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য – ৩ টি।

তথ্যসূত্র: Official website, (UNESCO) [Link]
৬,৫৮২.
'এককেন্দ্রিক সরকার' বলতে কী বোঝায়?
  1. যেখানে সরকারের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত থাকে
  2. যেখানে প্রতিটি প্রদেশের আলাদা সরকার থাকে
  3. যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
  4. যেখানে শাসন ব্যবস্থা একাধিক সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার:

এককেন্দ্রিক সরকার:
যে শাসন ব্যবস্থায় সাংবিধানিকভাবে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং একটি কেন্দ্র থেকে সকল ক্ষমতা পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। যেমন: ফ্রান্স, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি ইত্যাদি।

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার:
যখন কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্র পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হয়ে পারস্পারিক চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার একটি দ্বৈত সরকার। একসাথে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার বিদ্যমান। যেমন: ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
৬,৫৮৩.
টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন-
  1. ক) বৈদ্যুতিক বাতি
  2. খ) ফনোগ্রাফ
  3. গ) সিনেমা প্রজেক্টর
  4. ঘ) উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

টমাস আলভা এডিসন (ফেব্রুয়ারি ১১, ১৮৪৭ - অক্টোবর ১৮, ১৯৩১) ছিলেন মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী। তিনি গ্রামোফোন, ফনোগ্রাফ, সিনেমা প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) সহ বহু যন্ত্র তৈরি করেছিলেন যা বিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
Verified From: Encyclopaedia Britannica.

৬,৫৮৪.
নিচের কোন চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি?
  1. ক) সিটিবিটি চুক্তি
  2. খ) এনপিটি চুক্তি
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) অটোয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিটিবিটি চুক্তি
ব্যাখ্যা
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty) চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি। চু্ক্তিটি ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকরের জন্যে চুক্তির অ্যানেক্স-২ অংশে উল্লিখিত ৪৪টি দেশের প্রত্যেকটির অনুমোদন আবশ্যক।
- কিন্তু অ্যানেক্স-২ অংশের ৮টি দেশ এখনো চুক্তিটি অনুমোদন করেনি। দেশগুলো হলো:
- ভারত
- পাকিস্তান
- উত্তর কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- চীন
- ইসরাইল
- মিশর
- ইরান।
এর ম্যধ্যে প্রথম তিনটি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরও করেনি।
- বর্তমান পর্যন্ত ১৮৫টি দেশ CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর CTBT চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ২০০০ সালের ৮ মার্চ চুক্তিটি অনুমোদন করে।
অন্যদিকে,
- এনপিটি চুক্তি কার্যকর হয় : ৫ মার্চ ১৯৭০
- অটোয়া চুক্তি কার্যকর হয় : ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০
- বাসেল কনভেনশন কার্যকর হয় : ৫ মে ১৯৯২।
(সূত্রঃ সিটিবিটিও এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬,৫৮৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৩,৩০,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,৩০,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৪,৩০,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা - ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা। 
• এনবিআর কর্তৃক রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা - ৩,৩০,০০০ কোটি টাকা। 
• মোট সরকারি ব্যয় - ৫,৯৩,৫০০ কোটি টাকা।  

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৬,৫৮৬.
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ (১৮৬১-১৮৬৫) এর প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. দাসপ্রথা
  2. অর্থনৈতিক বৈষম্য
  3. ধর্মীয় বিভেদ
  4. অঙ্গরাজ্যের অধিকার
সঠিক উত্তর:
দাসপ্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাসপ্রথা
ব্যাখ্যা

আমেরিকার গৃহযুদ্ধের মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা। শিল্পোন্নত উত্তরাঞ্চল দাসপ্রথার বিরোধী ছিল, অন্যদিকে কৃষিনির্ভর দক্ষিণাঞ্চল তাদের অর্থনীতির জন্য দাসপ্রথার উপর নির্ভরশীল ছিল, এটা গৃহযুদ্ধ জন্ম দেয়।  

​​আমেরিকার গৃহযুদ্ধ: 
​- আমেরিকার গৃহযুদ্ধ (১৮৬১–১৮৬৫) ছিল উত্তরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কনফেডারেট রাজ্যগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ।
- মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা ও নতুন রাজ্যে তার সম্প্রসারণ নিয়ে বিরোধ।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের নির্বাচনের পর দক্ষিণের ১১টি রাজ্য ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যুদ্ধ শুরু করে।
- ১৮৬৫ সালে ইউনিয়নের বিজয়ের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথার অবসান এবং জাতীয় ঐক্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে।

​সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৬,৫৮৭.
নাগোয়া প্রটোকল কোন কনভেনশনের অধীন গৃহীত?
  1. UNFCCC
  2. Ramsar Convention
  3. Convention on Biological Diversity (CBD)
  4. Basel Convention
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Convention on Biological Diversity (CBD)
ব্যাখ্যা

নাগোয়া প্রটোকল:
- এর পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing.
- নাগোয়া প্রটোকল (ABS) হলো জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD)-এর অধীন একটি সম্পূরক চুক্তি।
- এর উদ্দেশ্য জেনেটিক সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং সেগুলোর ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুফলের ন্যায্য ও সমান বণ্টন নিশ্চিত করা।
- এটি গৃহীত হয় ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকরের তারিখ ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৬,৫৮৮.
’ট্রাফালগার স্কয়ার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার হলো ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
- একটি ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থান।
- ব্রিটিশ সামরিক ইতিহাস, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এবং বিশ্ব পর্যটনে লন্ডনের পরিচিত প্রতীক।
 - ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায়, লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।
- নির্মাণকাল: ১৮৩০-এর দশক; ১৮৪৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত।
- নামকরণ: "ট্রাফালগার" নামটি এসেছে ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধ থেকে,
- যেখানে ব্রিটিশ নৌবাহিনী ফরাসি ও স্প্যানিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।

উল্লেখ্য, 
- ট্রাফালগার স্কয়ার যুক্তরাজ্যের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও জাতীয় ইতিহাসের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫৮৯.
Multilateral Investment Guarantee Agency কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
MIGA:
- MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ MIGA এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮২টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- MIGA বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
৬,৫৯০.
'স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ' কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. ক) আরব সাগর
  2. খ) পারস্য উপসাগর
  3. গ) ভূমধ্যসাগর
  4. ঘ) দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত দক্ষিণ চীন সাগরে।
- এটি নিয়ে চীন, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬,৫৯১.
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত 
  3. ইংল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত 
ব্যাখ্যা

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ- ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ।
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে ২০টি দল।
- এরই মধ্যে ১৫টি দল নিশ্চিত।
- বাকি ৫টি দল আসবে বাছাইপর্ব থেকে- আফ্রিকা থেকে ২টি এবং এশিয়া ও পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর থেকে ৩টি। 
- ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে পাঁচটি করে দল।
- প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সুপার এইট পর্বে যাবে।
- সেখানে আবারও আটটি দলকে চারটি করে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে।
- সুপার এইটে প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।

৬,৫৯২.
ঐতিহাসিক স্থাপনা 'কলোসিয়াম' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. গ্রিস
  2. ইতালি 
  3. মিশর 
  4. মরক্কো
সঠিক উত্তর:
ইতালি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি 
ব্যাখ্যা

কলোসিয়াম:
- ঐতিহাসিক স্থাপনা 'কলোসিয়াম' ইতালিতে অবস্থিত। 
- কলোসিয়াম প্রাচীন রোমান সভ্যতায় গড়ে ওঠে। 

⇒ কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
- কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন। পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
- কলোসিয়ামটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই এবং অন্যান্য জনসমক্ষে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলোর জন্য ব্যবহৃত হতো। 
- এর প্রাথমিক নাম ছিল ফ্ল্যাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার। 
- এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
- ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: Britannica.

৬,৫৯৩.
জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট‌?
  1. ক) ৪৫ তম
  2. খ) ৪৬ তম
  3. গ) ৪৭ তম
  4. ঘ) ৪৪ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৬ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৬ তম
ব্যাখ্যা
- ৩ নভেম্বর ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫৯ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- এই নির্বাচনে জো বাইডেন ৩০৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। 
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২১ সালে শপথ গ্রহণ করেন।

উৎসঃ ফক্স নিউজ।
৬,৫৯৪.
AUKUS কয়টি দেশের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
AUKUS চুক্তি:
- AUKUS চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
৬,৫৯৫.
সর্বাপেক্ষা বেশি চা উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন করে চীন।
দ্বিতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। 

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস

৬,৫৯৬.
চীনের কোন রাজবংশের আমলে সিল্ক রোড গড়ে উঠেছিল?
  1. সং
  2. মিং
  3. চৌ
  4. হান
সঠিক উত্তর:
হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হান
ব্যাখ্যা
সিল্ক রোড:
- ‘সিল্ক রোড’ হলো চীনের চালু করা বাণিজ্য পথ।
- প্রাচীনকালে সিল্ক রোড বলতে চীনের সাথে পশ্চিমাঞ্চলের সংযোগ বোঝাতো। 
- চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া তথা ইউরোপে আর উত্তর আফ্রিকায় চীনের রেশম আর রেশমী কাপড় পাঠানো হয়েছিল বলে এ পথ ‘সিল্ক রোড (Silk Road)’ বা ‘সিল্ক রুট (Silk Rute)’ নামে সুপরিচিত ।
- সিল্ক রোড গড়ে উঠেছিল খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে চীনের হান রাজবংশের আমলে।

⇒ সিল্ক রোড চীনের সিল্ক, মশলা, মূল্যবান রত্ন এবং অন্যান্য পণ্য পশ্চিমে পৌঁছানোর প্রধান পথ ছিল।
- এটি দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, এবং ইউরোপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- দশম শতাব্দীতে চীনের সং রাজবংশের আমলে 'সিল্ক রোড' বাণিজ্যের মাল পরিবহনের পথ হিসেবে ব্যবহার বন্ধ হয়।

উৎস: Britannica.
৬,৫৯৭.
বর্তমানে বাংলাদেশ ILO এর কতটি কনভেনশন কার্যকর করেছে?
  1. ক) ৩৫
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) একটিও না
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০
ব্যাখ্যা

১৯১৯ সালে ILO প্রতিষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। লীগ অব নেশনস এর একটি অঙ্গসংগঠন হিসেবে ২৮ জুন ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ILO। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৪৬ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে। শ্রমিক অধিকার রক্ষার জন্য লীগ অব নেশনস এর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ILO ২০১৯ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করে। প্রতিষ্ঠাঃ ভার্সাই চুক্তির আওতায় ২৮ জুন ১৯১৯
প্রধানের পদবীঃ মহাপরিচালক
নোবেল পুরস্কার লাভঃ ১৯৬৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ILO।
বাংলাদেশ বর্তমান পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) ৩৫টি কনভেনশন অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে বর্তমানে কার্যকর আছে ৩০টি।
কনভেনশন সমূহের মধ্যে:
- মৌলিক কনভেনশন : ৭টি
- গভর্ন্যান্স সম্পর্কিত : ২টি এবং
- টেকনিক্যাল কনভেনশন : ২৬টি।
(উৎস: ILO এবং UNSystems ওয়েবসাইট)

৬,৫৯৮.
Name of the best player of SAFF women championship 2024 is-
  1. Rupna Chakma
  2. Rituparna Chakma
  3. Monika Chakm
  4. Sabina Khatun
সঠিক উত্তর:
Rituparna Chakma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rituparna Chakma
ব্যাখ্যা
SAFF women championship 2024:
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উৎস: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
৬,৫৯৯.
জাতিসংঘের সনদের কত নম্বর ধারায় ‘ভেটো’ (Veto) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ৪৮
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ:

• জাতিসংঘ সনদ অনুসারে বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব পালন করে থাকে। জাতিসংঘ সনদের পঞ্চম অধ্যায় (২৩ - ৩২ নং অনুচ্ছেদ) - এ নিরাপত্তা পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।
• সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫ টি। তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছরের মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
• সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে। স্থায়ী ৫ সদস্যের রয়েছে ভেটো (Veto - আমি মানি না) প্রদান করার ক্ষমতা।
• জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
• সনদের ২৪ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের কাজ, দায়িত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সনদের ২৭ নং অনুচ্ছেদে পরিষদের ভোটিং পদ্ধতি ও ২৮নং অনুচ্ছেদে এর কাজের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

Beyond permanency itself, the veto power is probably the UN Charter’s most significant distinction between permanent and non-permanent members. Article 27 (3) of the Charter establishes that all substantive decisions of the Council must be made with “the concurring votes of the permanent members”. The veto has been addressed regularly during the annual working methods debates and is among the topics most frequently raised in the context of almost all discussions of Council working methods.

• ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
• নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের নতুন সদস্য গ্রহনের জন্য, জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের জন্য এবং কোন দেশের অবস্থা বিবেচনা করে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করে থাকে যা সাধারণ পরিষদে ন্যূনতম দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
• নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব সদস্য দেশগুলোর নামের আদ্যাক্ষর অনুসারে পরিবর্তিত হয়। সভাপতিত্বের মেয়াদ - ১ মাস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬,৬০০.
USMCA চুক্তির পূর্বসূরী চুক্তি কোনটি?
  1. AFTA
  2. NAFTA
  3. APTA
  4. EFTA
সঠিক উত্তর:
NAFTA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAFTA
ব্যাখ্যা
NAFTA:
- NAFTA-এর পূর্ণরূপ: The North American Free Trade Agreement.
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- সদস্য: ৩টি।
- ৩টি সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯২।
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর NAFTA চুক্তির স্থলে USMCA (The United States-Mexico-Canada Agreement) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- USMCA চুক্তিটি কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২০।
- যার কারণে NAFTA চুক্তি বর্তমানে অস্তিত্বশীল নয়।

উৎস: United States Trade Representative (.gov) ওয়েবসাইট।