বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

মোট প্রশ্ন৭২৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৭২৩

১০১.
ফায়ারওয়াল কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা রক্ষায়
  2. ফাইল সংরক্ষণে
  3. ইন্টারনেট গতি বাড়াতে
  4. সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা রক্ষায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা রক্ষায়
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল: 
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়। 
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়। 
- ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়। 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
কোনটির কারণে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্য হতে শুরু করেছে?
  1. ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
  2. মোবাইল নেটওয়ার্ক
  3. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  4. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক  দ্রুতগতির ইন্টারনেট সহজলভ্যতা বানানোর জন্য একটি প্রধান কারণ।
ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক
- উচ্চ ব্যান্ডউইথসম্পন্ন। 
- দ্রুতগতি সংযোগ সরবরাহ করতে সক্ষম একটি প্রযুক্তি। 
- এটি লার্জ ভলিউমের ডেটা ট্রান্সমিশন সাপোর্ট করে।

অন্যদিকে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক  উচ্চ মোবিলিটি এবং সহজ ইন্টারনেট এক্সেস সরবরাহ করে, তবে এদের স্পিড এবং ব্যান্ডউইথ ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের সমান নয়।

এছাড়া, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক  প্রথমক্ষেত্রে স্থানীয় নেটওয়ার্ক কানেকশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০৩.
ওয়েব এ্যাড্রেসকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. ক) HTTP
  2. খ) HTTP
  3. গ) HTML
  4. ঘ) URL
সঠিক উত্তর:
ঘ) URL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) URL
ব্যাখ্যা
ওয়েব এ্যাড্রেসকে সংক্ষেপে URL বলা হয়। 
 
কোন ডকুমেন্ট বা ওয়েব পেজ ওয়েব সাইটে স্থাপন করতে হলে কোন সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রতিটি সার্ভারের একটি ওয়েব লোকেশন বা এ্যাড্রেস থাকে। এই এ্যাড্রেসকে Uniform Resource Locator বা সংক্ষেপে URL বলা হয়। URL -এ অন্তর্ভূক্ত থাকে প্রটোকল, নির্দেশনা, হোস্টনেম, ফোল্ডার নেম এবং ফাইল নেম ।
 
উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০৪.
প্রতিটি ওয়েব পেজকে শনাক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Web Protocol
  2. URL
  3. HTML Tag
  4. IP Address
সঠিক উত্তর:
URL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
URL
ব্যাখ্যা

• URL হলো ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইটের ইউনিক ঠিকানা।

• ওয়েব ডিজাইনের ধারণা:

- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে সংরক্ষিত ফাইলসমূহকে ওয়েব পেজ (Web Page) বলা হয়, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার উপযোগী।

- ওয়েব পেজ সাধারণত HTML (Hyper Text Markup Language) দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে বর্তমানে ওয়েব পেজ তৈরিতে XML, DHTML, STML ইত্যাদিও ব্যবহৃত হচ্ছে।

- প্রতিটি ওয়েব পেজের একটি ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

 
• ওয়েব পেজের বৈশিষ্ট্য:

- ওয়েব পেজে লেখা (Text), অডিও, ভিডিও, ছবি, অ্যানিমেশন, ডাটা ইত্যাদি যুক্ত থাকতে পারে।
- একাধিক ওয়েব পেজ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত সার্ভারে ওয়েব সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করে।
- প্রতিটি ওয়েবসাইটের একটি ইউনিক ওয়েব অ্যাড্রেস (URL) থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৫.
IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে কিভাবে সংক্ষেপে লেখা যায়?
  1. ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
  2. শূন্য হিসেবে রাখা
  3. দুইটি ডট (..) ব্যবহার করে
  4. ড্যাশ (-) ব্যবহার করে
সঠিক উত্তর:
ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

• IPv6 ঠিকানায় একাধিক ধারাবাহিক শূন্যকে সংক্ষেপে লেখার জন্য ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করা হয়। এটি ঠিকানার মধ্যে এক বা একাধিক ধারাবাহিক শূন্য ব্লককে প্রতিস্থাপন করে, ফলে ঠিকানাটি ছোট এবং পাঠযোগ্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2001:0db8:0000:0000:0000:ff00:0042:8329 ঠিকানাটি সংক্ষেপে লেখা যায় 2001:db8::ff00:42:8329 হিসেবে। এখানে ধারাবাহিক শূন্য ব্লকগুলো :: দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে একাধিক :: এক ঠিকানায় ব্যবহার করা যায় না, কারণ এটি ঠিকানার দৈর্ঘ্য নির্ধারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ডাবল কোলন (::) ব্যবহার করে।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০৬.
নিচের কোনটি বৈধ IPv4 ঠিকানা নয়?
  1. 172.16.0.5
  2. 192.168.255.256
  3. 255.255.255.255
  4. 10.0.0.1
সঠিক উত্তর:
192.168.255.256
উত্তর
সঠিক উত্তর:
192.168.255.256
ব্যাখ্যা

◉ একটি IPv4 ঠিকানা চারটি অক্টেট নিয়ে গঠিত (যেমন: A.B.C.D), এবং প্রতিটি অক্টেটের মান হতে পারে 0 থেকে 255 এর মধ্যে। 
​192.168.255.256 → ভুল, কারণ এখানে শেষ অক্টেটের মান 256, যা 0–255 এর বাইরে।


​আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৭.
URL- এর তৃতীয় অংশের নাম কী?
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) পাথ
  3. গ) প্যারামিটার
  4. ঘ) হোস্টনেম
সঠিক উত্তর:
খ) পাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাথ
ব্যাখ্যা
• URL- এর তৃতীয় অংশের নাম পাথ বা ডিরেক্টরি নাম।
ইউআরএল (URL): কোনো ওয়েবপেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। URL (Uniform/ Universal Resource Locator) হলো ওয়েবসাইটের একক ঠিকানা। প্রতিটি URL এ থাকে-
১. ওয়েব প্রোটোকল
২. ওয়েব সার্ভারের নাম
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডারের নাম/ পাথ
৪. HTML ফাইলের নাম
• ওয়েব প্রোটোকল: http (Hypertext Transfer Protocol) প্রটোকল হলো তথ্য বিনিময়ের যোগাযোগের নিয়ম যা ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করার অনুমতি দেয়।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।
• ওয়েব সার্ভার: সুনির্দিষ্ট একটি কম্পিউটার যেটিতে এ ওয়েবসাইটটি আছে।
• সার্ভারের ডিরেক্টরি/ফোল্ডার নাম/ পাথ: সার্ভারের মধ্যে ওয়েবপেজগুলো যে ডিরেক্টরিতে আছে ওয়েব ব্রাউজার এ ডিরেক্টরি থেকে কাঙ্ক্ষিত ফাইল খোলে প্রদর্শন করে।
• HTML ফাইল নাম: html ফাইল হলো নির্দিষ্ট কোনো পেইজ।
- .html হলো ফাইলটির এক্সটেনশন।  
- ব্রাউজারকে নির্দিষ্ট করে যে ফাইলটি তা হলো html।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৮.
আইপি এড্রেসের অংশগুলোকে ডট দ্বারা ভাগ করা প্রতিটি অংশকে কী বলে?
  1. ক) সেল
  2. খ) অকটেট
  3. গ) সেক্টর
  4. ঘ) হোল
সঠিক উত্তর:
খ) অকটেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অকটেট
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারে একটি আইডিন্টিটি থাকে, যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
আইপি হল একধরনের প্রটোকল। বিশ্বে যেমন মানুষকে আলাদা করার জন্য নাম আছে, তেমনি প্রতিটি কম্পিউটার কে শনাক্ত করার জন্য থাকে আইপি এড্রেস।
আইপি এড্রেস ৪ টি অংশে ভাগ থাকে, যা ডট দিয়ে ভাগ করা থাকে, প্রতিটি অংশকে বলা হয় অকটেট। 

আইপি এড্রেসকে তিনভাবে প্রকাশ করা যায়।
১. ডটেড ডেসিমল নোটেশন -  যেমন: 192.165.68.5
২. হেক্সাডেসিমল নোটেশন-যেমন: C0.A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন - যেমন: 11000000.10101000.00001111.00000101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০৯.
পিএসটু পোর্ট (PS/2) কত পিনবিশিষ্ট হয়?
  1. ২৫
  2. ১৫
  3. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে।
- এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। কম্পিউটারে বিভিন্ন পোর্ট ব্যবহৃত হয়। যেমন-

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়‍্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

• পিএসটু পোর্ট (PS/2):
- সাধারণত PS/2 পোর্টে কি-বোর্ড ও মাউস পোর্ট সংযুক্ত করা হয়।
- পোর্ট ৬ পিনবিশিষ্ট হয়।
- পূর্বে মাউস ও কি-বোর্ড PS/2 পোর্টে সংযুক্ত হতো।
- বর্তমানে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে মাউস ও কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহারের কারণঃ
  1. ক) নৌচলাচলের বিপদ সংকেত
  2. খ) জাহাজ চলাচলের সুবিধা
  3. গ) ইন্টারনেট সংযোগ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারনেট সংযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল। এটি টেলিকমিউনিকেশনে এবং ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
১১১.
Which protocol is most widely used for data exchange on the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP 
  4. SMTP
সঠিক উত্তর:
TCP/IP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TCP/IP
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) TCP/IP

• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।


উৎস: 1. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

১১২.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Great Positioning System
  2. খ) Global Pointing System
  3. গ) Global Positioning System
  4. ঘ) Global Publication System
সঠিক উত্তর:
গ) Global Positioning System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Global Positioning System
ব্যাখ্যা
GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
১১৩.
IEEE 802.11 কোন সাধারণ ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NFC
  2. Zigbee
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 একটি সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি মানদণ্ড যা মূলত Wi-Fi এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) তৈরি ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ব্যবহারকারীদেরকে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও ডেটা সংযোগের সুবিধা দেয়। IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) এই মানটি নির্ধারণ করে, যা বিভিন্ন সংস্করণে (যেমন 802.11a/b/g/n/ac/ax) আপডেট হয়েছে উচ্চ গতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। NFC, Zigbee এবং Bluetooth ওয়্যারলেস প্রযুক্তি হলেও, এদের নিজস্ব আলাদা মান রয়েছে, এবং IEEE 802.11 এর আওতাভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর: গ) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
ইন্টারনেটের প্রতিটি কম্পিউটারের একটি বিশেষায়িত ঠিকানা থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. MAC ঠিকানা
  2. ডোমেইন নেম
  3. IP ঠিকানা
  4. URL
সঠিক উত্তর:
IP ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP ঠিকানা
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন। তাই কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের জন্য TCP/IP প্রটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি বিশেষায়িত সংখ্যাত্মক IP ঠিকানা থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে যা ডোমেইন নেম (Domain Name) সিস্টেম ব্যবহার করে।

উৎস :
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।.
২.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৫.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) গুগুল
  2. খ) ইয়াহু
  3. গ) মজিলা
  4. ঘ) বিং
সঠিক উত্তর:
গ) মজিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মজিলা
ব্যাখ্যা
যে সফটওয়্যার এর সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত ওয়েবপেইজগুলো ব্রাউজ করা বা দেখা যায় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
১১৬.
নিচের কোনটি সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের আই.এস.পি (ISP)?
  1. BTRC
  2. BTLC
  3. BTTB
  4. BSCL
সঠিক উত্তর:
BTTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BTTB
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে ৫০-এর অধিক আই.এস.পি রয়েছে।
- আই.এস.পি গুলির মধ্যে কেবলমাত্র বি.টি.টি.বি (Bangladesh Telegraph and Telephone Board - BTTB)-ই সরকারি মালিকানাধীন।
- দেশের অধিকাংশ আই.এস.পি মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক।
- তবে বর্তমানে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, খুলনা, রাজশাহী এবং বগুড়া শহরেও অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা চালু রয়েছে। অনলাইন ইন্টারনেট সুবিধা প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে শিক্ষা, গবেষণা, ব্যবসা ও বিনোদনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। 

সোর্স: বাংলাপিডিয়া
১১৭.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ট্রোজান
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
ব্যাখ্যা

• ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে স্পুফিং বলা হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৮.
বর্তমানে ব্যবহার করা IP এড্রেসের সংস্করণ সংখ্যা কতটি?
  1. দুই
  2. এক
  3. চার
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে দুই ধরনের IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা হলো IPv4 এবং IPv6. IPv4 (Internet Protocol version 4) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সংস্করণ, যা ৩২-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক এড্রেস তৈরি করতে সক্ষম। তবে, ইন্টারনেট ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে IPv4 এড্রেসের অভাব দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য IPv6 তৈরি করা হয়েছে, যা ১২৮-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রচুর সংখ্যক ইউনিক এড্রেস প্রদান করতে পারে। IPv6 ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে ইন্টারনেটের প্রধান এড্রেসিং প্রটোকল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তাই, বর্তমানে দুটি IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) দুই।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৯.
ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Adove Reader
  2. খ) MS Office
  3. গ) Google Chrome
  4. ঘ) Spotify
সঠিক উত্তর:
গ) Google Chrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Google Chrome
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানের জন্য গুগল ক্রোম  ব্যবহৃত হয়। 

- ওয়েব ব্রাউজার হলো ওয়েব থেকে তথ্য খুঁজে বের করা, উপস্থাপন করা এবং সংরক্ষণ করার একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- WWW এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- World Wide Web. 
- গুগল ক্রোম হচ্ছে গুগল প্রতিষ্ঠানের তৈরি একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার। 

সূত্র: Google Chrome Website [লিঙ্ক]
১২০.
কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. dogpile.com
  2. yahoo.com
  3. microsoft.com
  4. google.com
সঠিক উত্তর:
microsoft.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
microsoft.com
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের তথ্যের ভান্ডার হচ্ছে ওয়েব পেজ।
• ওয়েব পেইজে ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য খুঁজতে পারেন।
এরূপ কিছু সার্চ ইঞ্জিন হলো:
- Yahoo.com,
- google.com, 
- altavista.com,
- webcrawler.com, 
- man.com,
- lycos.com, 
- ask.com, 
- dogpile.com.

• মাইক্রোসফট একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। এর নতুন সার্চ ইঞ্জিন bing.com।
১২১.
Which of the following computer language is used for artificial intelligence?
  1. ক) FORTRAN
  2. খ) PROLOG
  3. গ) C
  4. ঘ) COBOL
সঠিক উত্তর:
খ) PROLOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) PROLOG
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (Fifth Generation Programming Language - 5GL) (১৯৮০)
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে আগের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- ফিথ জেনারেশন ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মাহবুবুর রহমান
১২২.
কত সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারণার সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ১৯০০
  2. খ) ১৯১০
  3. গ) ১৯২৯
  4. ঘ) ১৯৩৩
  5. ঙ) ১৯৩০
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১৯৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১৯৩০
ব্যাখ্যা
১৯৩০ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারণার সৃষ্টি হয়।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১২৩.
TCP/IP মডেলে প্যাকেট রাউটিং কোন লেয়ারে সম্পন্ন হয়?
  1. Application Layer
  2. Session Layer
  3. Network Access Layer
  4. Internet Layer
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
ব্যাখ্যা

• TCP/IP মডেলে ইন্টারনেট লেয়ারের প্রধান কাজ হলো আইপি (IP) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেটগুলোকে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ বা রুট নির্ধারণ করা।
- এই লেয়ারে রাউটার কাজ করে যা ডেটা প্যাকেটের গন্তব্য যাচাই করে থাকে।

TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

• অপশন আলোচনা:
- Application Layer: এটি ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত, রাউটিং নির্ধারণ করে না।
- Session Layer: এটি মূলত ওএসআই মডেলের একটি লেয়ার যা সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু টিসিপি/আইপি মডেলে এটি কোনো আলাদা লেয়ার হিসেবে নেই।
- Network Access Layer: এটি ফিজিক্যাল ও ডাটা লিঙ্ক লেয়ার কাজ করে, স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা প্রেরণ করে, রাউটিং নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৪.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম কোন নেটওয়ার্ক দিয়ে শুরু হয়?
  1. TCP/IP 
  2. LAN
  3. Ethernet 
  4. ARPANET
সঠিক উত্তর:
ARPANET
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ARPANET
ব্যাখ্যা

ইন্টারনেট: 
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 

• ইন্টারনেটের ব্যবহার: 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
২. তথ্য সংরক্ষণ করা। 
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। 
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। 
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৫.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কোন দেশ থেকে সূচনা হয়েছে?
  1. United States
  2. Germany
  3. Switzerland
  4. United Kingdom
সঠিক উত্তর:
Switzerland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Switzerland
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের সূচনা হয়েছে Switzerland থেকে। ১৯৮৯ সালে, সার্ভারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য টিম বার্নার্স-লি নামের একজন বিজ্ঞানী সর্নর্নাল ইন্সটিটিউট অফ ফিজিকাল সায়েন্সেসে (CERN) কাজের সময় ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন। এরপর ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন যা তথ্য শেয়ারিং এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এর পথপ্রদর্শক হয়। এই আবিষ্কার ইন্টারনেটের গতি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিপ্লব ঘটায়।
- তাই ওয়েবের সূচনা দেশ হিসেবে সঠিক উত্তর হলো: গ) Switzerland.

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১২৬.
ওয়েব পেইজ অ্যাড্রেসের হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের নামকে কী বলে?
  1. ক) ডকুমেন্ট নেইম
  2. খ) ডিরেক্টরী পাথ
  3. গ) হোস্ট নেইম
  4. ঘ) প্রোটোকল
সঠিক উত্তর:
ক) ডকুমেন্ট নেইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডকুমেন্ট নেইম
ব্যাখ্যা
ওয়েব অ্যাড্রেস:
- প্রতিটি ওয়েব অ্যাড্রেসের পেছনে একটি আইপি অ্যাড্রেস কাজ করে।
- ইন্টারনেটে যখন কোন ওয়েব অ্যাড্রেস লিখে এন্টার প্রেস করা হয় তখন DNS-এর মাধ্যমে তা আইপি অ্যাড্রেসে রূপান্তরিত হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট কম্পিউটারকে খুঁজে পায়।
- মূলত ওয়েব অ্যাড্রেস ডোমেইনের অন্তর্ভূক্ত একটি কম্পিউটারের পরিচয় বহন করে যা ওয়েব সার্ভিস প্রদান করে।
- ওয়েব পেইজ অ্যাড্রেসের বিভিন্ন অংশের নাম ও একটি নমুনা নিচে দেয়া হলো- 
 • প্রোটোকল (Protocol)
• হোস্ট নেইম বা কম্পিউটার নেইম (Host or computer name)
• ডিরেক্টরী পাথ (Directory path)
• ডকুমেন্ট নেইম (Document Name) ও
• এংকর নেইম (Anchor name - reference to a specifice port of a long document)
প্রোটোকল:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রটোকোল বলে।
- এক এক ধরনের অবস্থাকে চিহ্নিত করার জন্য এক এক রকম প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- http:// (hypertext transfer protocol), https://, Ghor://, file://, flp:// mail to, news, telnet:// ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
হোস্ট নেইম বা কম্পিউটার নেইম (Host or computer name):
- ডোমেইন-এর আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত।
- প্রকৃতপক্ষে এ হোস্ট নেইমের একটি অংশ হচ্ছে ডোমেইন নেইম।
- একটি ওয়েব সার্ভারে বিভিন্ন হোস্ট নেইম রিসোর্স ভাগাভাগি করে অবস্থান করে।
ডিরেক্টরী পাথ (Directory path):
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথ।
ডকুমেন্ট নেইম (Document Name):
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের নাম।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১২৭.
ইন্টারনেটকে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক হিসেবে বর্ণনা করা যায়?
  1. Metropolitan Area Network (MAN)
  2. Wide Area Network (WAN)
  3. Local Area Network (LAN)
  4. Personal Area Network (PAN)
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network (WAN)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network (WAN)
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট হলো হাজার হাজার ছোট ছোট নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত, এবং এর ফলে এটি একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network) হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf)
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য-
- PAN (Personal Area Network): এটি খুব ছোট পরিসরের নেটওয়ার্ক, যা সাধারণত একটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে (যেমন ব্লুটুথ ব্যবহার করে মোবাইল ফোন ও হেডফোন)।
- LAN (Local Area Network): এটি একটি ছোট ও সীমিত ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে অবস্থিত কম্পিউটার ও ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে (যেমন একটি অফিস বা বাড়ির মধ্যে)।
- MAN (Metropolitan Area Network): এটি LAN-এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN-এর চেয়ে ছোট, যা একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে বিস্তৃত থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২৮.
GWS  এক ধরনের-
  1. DBMS
  2. Web Server
  3. Web Browser
  4. Protocol
সঠিক উত্তর:
Web Server
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Web Server
ব্যাখ্যা
• ওয়েব সার্ভার:
- ওয়েব সার্ভার বলতে বিশেষ ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে বুঝায় যার সাহায্যে ঐ সার্ভারে রক্ষিত কোন উপাত্ত বা তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকসেস করা যায়।
- ওয়েব সার্ভারের প্রাথমিক কাজ হলো ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত কোন ক্লায়েন্টের অনুরোধে ওয়েব পেজ ক্লায়েন্টের কম্পিউটারে প্রদর্শন করা।

• প্রচলিত কিছু ওয়েব সার্ভার:
• Apache: Apache
• Microsoft: IIS
• Igor Sysoev: nginx
• Google: GWS
• Caucho Technology: Resin

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২৯.
কোন ধরনের ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য IEEE 802.16 ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. Wi-Fi
  2. Zigbee
  3. Bluetooth
  4. WiMAX
সঠিক উত্তর:
WiMAX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WiMAX
ব্যাখ্যা

• IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি বিশেষভাবে WiMAX ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি উচ্চ-দূরত্বের ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও ডেটা সার্ভিস প্রদান করতে সক্ষম। এটি শহর বা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে। Wi-Fi সাধারণত ছোট পরিসরের স্থানীয় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Zigbee ও Bluetooth কম শক্তি ব্যবহার করে সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ডিভাইস সংযোগের জন্য উপযুক্ত। তাই IEEE 802.16 মূলত WiMAX প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

- উত্তর: ঘ) WiMAX.

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16

এছাড়াও,
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩০.
ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি কীভাবে নিশ্চিত করা হয়?
  1. HTTPS ব্যবহার করে
  2. HTTP ব্যবহার করে
  3. HTML ব্যবহার করে
  4. URL ব্যবহার করে
সঠিক উত্তর:
HTTPS ব্যবহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTPS ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

◉ ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে SSL/TLS এনক্রিপশনসহ HTTPS ব্যবহার করা হয়।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৩১.
আইপি ঠিকানা (IP Address) মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করতে
  2. ব্যবহারকারী চিহ্নিত করতে
  3. সফটওয়্যার ইনস্টল করতে
  4. সার্ভিস প্রোভাইডার নিশ্চিত করতে 
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করতে
ব্যাখ্যা

◉ IP Address (Internet Protocol Address) হলো একটি সংখ্যাগত লেবেল, যা প্রতিটি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসকে দেওয়া হয়। এটি মূলত প্রতিটি ডিভাইসকে আলাদা করে শনাক্ত করা ও ডেটা কোন ডিভাইস/নেটওয়ার্কে পৌঁছাবে তা নির্ধারণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

১৩২.
URL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Unique Routing Link
  2. Unified Reference Link
  3. Universal Resource Locator
  4. Uniform Resource Locator
সঠিক উত্তর:
Uniform Resource Locator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uniform Resource Locator
ব্যাখ্যা
URL: 
- একটি ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণাঙ্গ এড্রেসকে URL বলে। 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
যেমন- http://www.shikkha.com; তবে উল্লেখ্য যে, শুধুমাত্র www. shik-kha.com বা shikkha.com কে URL বলা হয় না। 
- URL এর তিনটি অংশ থাকে। 
যথা-
(১) প্রোটোকলের নাম, 
(২) হোস্টনেইম ও 
(৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম। 
যেমন- 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৩.
স্টার টপোলজির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রতিটি ডিভাইস কেন্দ্রীয় হাবের সাথে সংযুক্ত থাকে
  2. এক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে
  3. নেটওয়ার্ক পরিচালনা সহজ
  4. কেন্দ্রিয় হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
এক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়, নোড ব্যর্থ হলে শুধু ওই নোড প্রভাবিত হয়।
- স্টার টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড কেন্দ্রিয় হাব, সুইচ বা রাউটারের সঙ্গে আলাদা আলাদা সংযুক্ত থাকে।
- ডেটা প্রেরণ বা গ্রহণ সবসময় হাবের মাধ্যমে ঘটে।
- প্রতিটি নোডের জন্য আলাদা লিঙ্ক থাকায় সমস্যা নির্ধারণ ও সমাধান সহজ হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- সহজ পরিচালনা ও সমস্যা সমাধান: কোন নোডে সমস্যা হলে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ সহজ: নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করতে হাবের সঙ্গে নতুন লিঙ্ক যোগ করা হয়।
- কেন্দ্রিয় হাবের নির্ভরশীলতা: হাব ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়।
- কিন্তু একটি সাধারণ নোডের ব্যর্থতা কেবলমাত্র সেই নোডকে প্রভাবিত করে, পুরো নেটওয়ার্ককে নয়।

• সীমাবদ্ধতা: 
- কেন্দ্রিয় হাব ব্যর্থ হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- বেশি তারের ব্যবহার ও ব্যয়।
- বড় নেটওয়ার্কে স্কেল করা কঠিন।
- হাবের ব্যাকআপ না থাকলে সমগ্র নেটওয়ার্ক বিপদে।
- একাধিক নোড একসাথে ডেটা পাঠালে হাবের লোড বাড়ে।

উৎস:
- এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩৪.
কোনটি মৌলিক পাসওয়ার্ড?
  1. 123456
  2. AmAR - AchE - water
  3. 645321
  4. iLoveyou
সঠিক উত্তর:
AmAR - AchE - water
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AmAR - AchE - water
ব্যাখ্যা
- মূলত পাসওয়ার্ড বলতে বোঝায় একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা যা বর্ণমালা, সংখ্যাসূচক, বর্ণানুক্রমিক এবং প্রতীকী অক্ষর বা একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি একটি কোড।
- পাসওয়ার্ডকে অ্যাক্সেস কোড, পিন বা গোপন কোডও বলা যেতে পারে। 

পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে- 
- নিজের বা পরিবারের কারাে নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- সংখ্যা, চিহ্ন ও অক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছােটো হাতের ও বড় হাতের দুই ধরনের অক্ষর মিশিয়ে নেয়া ভালাে।
- পাসওয়ার্ডটি বড় আকারের করা।
- পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য নিজের পছন্দমত সংকেত ব্যবহার করা কিন্তু সহজ পাসওয়ার্ড না দেয়া। 

অতএব, AmAR - AchE - water মৌলিক পাসওয়ার্ড। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩৫.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক পথচলা কী দিয়ে আরম্ভ হয়?
  1. GLUNET
  2. DOCNET
  3. ETHARNET
  4. ARPANET
সঠিক উত্তর:
ARPANET
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ARPANET
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের প্রাথমিক পথচলা ARPANET দিয়ে শুরু হয়। ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ARPA (Advanced Research Projects Agency) একটি প্রকল্প শুরু করে, যার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন কম্পিউটারকে সংযুক্ত করে তথ্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে আদান-প্রদান করা। ১৯৬৯ সালে ARPANET বাস্তবায়িত হয় এবং এটি প্রথম এমন নেটওয়ার্ক যা প্যাকেট-সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ARPANET-এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগারের কম্পিউটার সংযুক্ত হয় এবং ধীরে ধীরে এটি ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিকশিত হয়। এই নেটওয়ার্কের উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণের ফলেই আজকের বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সম্ভব হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ARPANET.

• ইন্টারনেট: 
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট। 
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়। 
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়। 
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। 
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। 
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩৬.
TCP/IP মডেল মূলত কোন লেয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে?
  1. Application Layer
  2. Internet Layer
  3. Transport Layer
  4. Network Access Layer
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
ব্যাখ্যা

• TCP/IP মডেল Internet Layer নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে। এই স্তর মূলত ডেটা প্যাকেটকে উৎস থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়ী। এখানে IP (Internet Protocol) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা প্রতিটি প্যাকেটে উৎস এবং গন্তব্যের ঠিকানা যোগ করে। এছাড়াও এই লেয়ারে রাউটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, অর্থাৎ কোন পথে ডেটা গন্তব্যে যাবে তা নির্ধারণ করা হয়। বিভিন্ন রাউটার ও মধ্যবর্তী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সঠিক রুট খুঁজে বের করে প্যাকেটকে পাঠানোই Internet Layer-এর প্রধান কাজ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Internet Layer।

TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

• অপশন আলোচনা:
ক) Application Layer: এটি ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত, রাউটিং নির্ধারণ করে না।
খ) Internet Layer: এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে, যেমন IP প্রোটোকল। 
গ) Transport Layer: এটি এন্ড-টু-এন্ড ডেটা ট্রান্সফার ও পোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, রাউটিং নয়।
ঘ) Network Access Layer: এটি ফিজিক্যাল ও ডাটা লিঙ্ক লেয়ার কাজ করে, স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা প্রেরণ করে, রাউটিং নয়।
সঠিক উত্তর: খ) Internet Layer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৭.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Microsoft Edge
  2. Baidu
  3. Safari
  4. Opera
সঠিক উত্তর:
Baidu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Baidu
ব্যাখ্যা

• Baidu কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়; এটি চীনের সবচাইতে জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine)। এটি অনেকটা গুগল বা বিং-এর মতো কাজ করে।
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon, 
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩৮.
What is the purpose of CSS (Cascading Style Sheets) in web development?
  1. Managing database connections.
  2. Controlling web server configurations.
  3. Handling server-side scripting.
  4. Defining the layout and style of HTML elements.
সঠিক উত্তর:
Defining the layout and style of HTML elements.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Defining the layout and style of HTML elements.
ব্যাখ্যা
HTML:
- HTMLএর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hypertext Markup Language.
- HTML ওয়েবসাইট এবং ওয়েবপেজ তৈরি করার জন্য ব্যবহার হয়।
- এর মাধ্যমে আমরা টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কনটেন্ট সুন্দরভাবে বিন্যাস করতে পারি।

HTML এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
১) HTML ব্যবহার করে টেক্সট প্যারাগ্রাফ, হেডিং, বোল্ড, ইটালিক ফরম্যাটিং করতে সাহায্য করে।
২) HTML ইমেজ এবং মাল্টিমিডিয়া ফাইল প্রদর্শন করতে ব্যবহার করা হয়, যাতে চিত্র, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি ওয়েব পেজে সংযোজন করা যায়।

CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

CSS এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
- ওয়েব পেজটিকে আকর্ষিত করা বা ডিজাইন বা Layout তৈরি করাই হল CSS এর কাজ।
- একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হলে CSS-এর প্রয়োজন।
- CSS এর সাহায্যে HTML পেজ এর টেক্সট গুলিকে নতুন নতুন রং দেয়া যায়।
- এছাড়াও, CSS এর সাহায্যে কোনো টেক্সট এর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার চেঞ্জ করা বা পুরো ওয়েবপেজ এর কালার চেঞ্জ করতে পারা যায়।
- টেক্সট সাইজ বড় ছোট করা ও আকার বদলানো যায় CSS এর দ্বারা।

উৎস:
 ১) banglatech.info
২) ব্রিটানিকা।
১৩৯.
H.323 Protocol সাধারণত কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. File transfer
  2. VolP
  3. Data Security
  4. File download
সঠিক উত্তর:
VolP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VolP
ব্যাখ্যা
- H.323 Protocol সাধারণত VolP-তে ব্যবহৃত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪০.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কে উদ্ভাবন করেছেন?
  1. Bill Gates
  2. Steve Jobs
  3. Tim Berners-Lee 
  4. Mark Zuckerberg
সঠিক উত্তর:
Tim Berners-Lee 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tim Berners-Lee 
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর জনক হলেন Tim Berners-Lee. 

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নার্স লি WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪১.
Baidu কোন দেশ ভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
Baidu হচ্ছে চীন ভিত্তিক কোম্পানি। এর সার্চ ইঞ্জিনের নাম Baidu Search.

Baidu, Inc. engages in the provision of internet search and online marketing solutions. The firm's products and services include Baidu App, Baidu Search, Baidu Feed, Haokan, Quanmin, Baidu Post Bar, Baidu Knows, Baidu Encyclopedia, Baidu Input Method Editor or Baidu IME and Overseas Products. 

Source: forbes.com
১৪২.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Google Chrome
  2. Internet Explorer
  3. Microsoft Bing
  4. সবগুলো ওয়েব ব্রাউজার
সঠিক উত্তর:
Microsoft Bing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Bing
ব্যাখ্যা

Web Browser: The web browser is an example of application software that is developed to retrieve and view the information from web pages or HTML files present on the web servers.
For example, Microsoft’s internet explorer, Google Chrome, Mozilla Firefox, Opera and Apple safari.

Search Engine: A search engine is a kind of website through which users can search the content available on the Internet. Some of the popular ones are: Google, Bing, Yahoo, Duck duck go, Baidu, etc.

Source:geeksforgeeks.org

১৪৩.
https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির ডোমেইন নেম কোনটি?
  1. ক) https
  2. খ) www
  3. গ) home
  4. ঘ) abcd.com
সঠিক উত্তর:
ঘ) abcd.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) abcd.com
ব্যাখ্যা
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home/show প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৪৪.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৪
  3. ১৯৯৬
  4. ২০০০
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালের ৪ জুন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারনেট সেবা চালু হয়।
- এই দিনটিকেই বাংলাদেশের ইন্টারনেট যুগের সূচনা দিবস বলা হয়।
- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল ডায়াল-আপ (Dial-up) পদ্ধতির, যা ফোন লাইন ব্যবহার করে কম গতির সংযোগ দিত।

- শুরুতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হতো ডায়াল-আপ মডেম এর মাধ্যমে, যার গতি ছিল প্রায় ২৮.৮ - ৩৩.৬ kbps।
- সংযোগ পেতে ফোন লাইন ব্যবহার করা হতো এবং এক সময়ে একটি কম্পিউটারই যুক্ত থাকতে পারত।

- ১৯৯৬ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন বোর্ড (BTTB) প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট গেটওয়ে সংযোগের লাইসেন্স প্রদান করে।
- এর আগে শুধুমাত্র কিছু বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন BUET, Dhaka University) পরীক্ষামূলকভাবে ই-মেইল সেবা ব্যবহার করত।

- ২০০০ সালের পর ইন্টারনেট সেবা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
- ২০০৮ সালে মোবাইল ইন্টারনেট (GPRS/EDGE) চালুর মাধ্যমে ইন্টারনেট আরও সহজলভ্য হয়।
- ২০১৩ সালে 3G এবং ২০১৮ সালে 4G চালুর ফলে ব্যবহার আরও বেড়ে যায়।
- বর্তমানে (২০২৫ সালে) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটির বেশি।

উৎস: Bangladesh Computer Samity. [লিংক]

১৪৫.
VPN কোন তথ্যটি লুকাতে সক্ষম?
  1. ডিভাইসের RAM
  2. আইপি ঠিকানা
  3. CPU ব্যবহার
  4. কীবোর্ড ইনপুট
সঠিক উত্তর:
আইপি ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইপি ঠিকানা
ব্যাখ্যা

• VPN (Virtual Private Network) মূলত ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ট্রাফিককে এনক্রিপ্ট করে এবং তা একটি নিরাপদ সার্ভারের মধ্য দিয়ে পাঠায়। এর ফলে বাইরের কেউ বা হ্যাকার ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা সরাসরি দেখতে পারে না, ফলে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা পরিচয় গোপন থাকে। VPN ডিভাইসের RAM, CPU ব্যবহার বা কীবোর্ড ইনপুট লুকাতে সক্ষম নয়; এই তথ্যগুলো ডিভাইসের অভ্যন্তরে থাকে এবং সিস্টেম বা ম্যালওয়্যার দ্বারা এক্সেস করা যায়। সুতরাং VPN মূলত ইন্টারনেট আইডেন্টিটি ও ব্রাউজিং তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করে, কিন্তু ডিভাইসের অভ্যন্তরীণ ডেটা বা টাইপ করা তথ্যকে সুরক্ষা দেয় না।

সঠিক উত্তর: খ) আইপি ঠিকানা।
 
• VPN:
- VPN-এর পূর্ণরূপ: Virtual Private Network.
- পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে যেহেতু পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে।
- যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি তথ্য আদান প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে, তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতি হলো VPN।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরি হয়।
- VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে।
- VPN অতি দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে এ নেটওয়ার্ক আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়, অবস্থান বা ডাটা না দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার একটি উপায় তৈরি করে।
- VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না ।

উৎস: টেলিকমিনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
NPSB stands for -
  1. ক) Nationwide Payment Switch Bangladesh
  2. খ) National Payment Switch Bangladesh
  3. গ) National Payment System Bangladesh
  4. ঘ) Nationwide Payment System Bangladesh
সঠিক উত্তর:
খ) National Payment Switch Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) National Payment Switch Bangladesh
ব্যাখ্যা
National Payment Switch Bangladesh (NPSB) is a domestic ATM sharing network governed by the Bangladesh Bank.
Through this network, NPSB member bank's customers are to perform ATM transactions at other NPSB member banks' ATM terminals using their Debit/Credit/ATM cards.

Source: hsbc.com.bd
১৪৭.
HTML কোড H<sup>2</sup>O এর ফলাফল কি?
  1. ক) H2O
  2. খ) H2O
  3. গ) H2O
  4. ঘ) HO
সঠিক উত্তর:
গ) H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) H2O
ব্যাখ্যা

<sup> Superscript - এই ট্যাগের ভেতরে থাকলে টেক্সট উপরে চলে যাবে।
<sub> Subscript - এই ট্যাগের ভেতরে থাকলে টেক্সট নিচে চলে যাবে।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

১৪৮.
H.323 Protocol সাধারণত কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Data Security
  2. File Download
  3. IP telephony
  4. File transfer
সঠিক উত্তর:
IP telephony
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP telephony
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।
- VoIP (Voice Over Internet Protocol), যাকে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, সাউন্ডকে একটি ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে কাজ করে, যা তারপর একটি ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে পাঠানো হয়।
-ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস :
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
১৪৯.
একটি URL-এ ‘https://’ অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. সার্ভারে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের পথ
  2. ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম
  3. সার্চ ফলাফল দেখানোর করার জন্য এটি ব্যবহৃত
  4. একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
ব্যাখ্যা

• একটি URL-এ ‘https://’ অংশটি আসলে একটি প্রোটোকলকে নির্দেশ করে, যা মূলত ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে “https” মানে হলো HyperText Transfer Protocol Secure। এটি সাধারণ http এর উন্নত সংস্করণ, যেখানে SSL/TLS এনক্রিপশন ব্যবহৃত হয়, যাতে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করার সময় তৃতীয় পক্ষ সহজে তা পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে। ফলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর বা অন্য সংবেদনশীল ডেটা নিরাপদ থাকে। তাই সঠিক উত্তর হলো- ঘ) একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

১৫০.
Web pages are primarily created using-
  1. HTML
  2. C language
  3. Python
  4. Assembly language
সঠিক উত্তর:
HTML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTML
ব্যাখ্যা

• ওয়েব পেজ মূলত HTML দিয়ে তৈরি করা হয়।

• ওয়েব পেজ (Web Page):
- ওয়েব পেজ হলো এমন একটি ফাইল, যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারের মাধ্যমে এই ওয়েব পেজ দেখতে পারে।
• HTML-এর ভূমিকা:
- HTML (Hyper Text Markup Language) হলো ওয়েব পেজ তৈরির প্রধান ও মৌলিক ভাষা।
- HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের কাঠামো (structure) তৈরি করা হয়।
- ওয়েব পেজে লেখা, ছবি, লিংক, টেবিল ইত্যাদি কীভাবে প্রদর্শিত হবে, তা HTML নির্ধারণ করে।

• আধুনিক ওয়েব ডিজাইনে অন্যান্য ভাষা:
- বর্তমানে HTML–এর পাশাপাশি XML, DHTML, STML ইত্যাদিও ওয়েব পেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এসব প্রযুক্তি ওয়েব পেজকে আরও ডায়নামিক ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলে।

• ওয়েব পেজ ও ওয়েবসাইটের সম্পর্ক:
- একাধিক ওয়েব পেজ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে।
- প্রতিটি ওয়েব পেজ ও ওয়েবসাইটের একটি করে ইউনিক URL (Web Address) থাকে।

• অন্যান্য অপশন:
 -C language একটি শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা, যা অপারেটিং সিস্টেম ও সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- Python একটি উচ্চস্তরের (High-level) প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেশিন লার্নিং ও অটোমেশন কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Assembly language একটি নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন সফটওয়্যারটি ওয়েবে ভেসে বেড়ায় ও নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে?
  1. ক) স্পাইডার সফটওয়্যার
  2. খ) কুয়েরি সফটওয়্যার
  3. গ) ইনডেক্স সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডাটাবেজ সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ক) স্পাইডার সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পাইডার সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। যেমন- Google, সার্চ Yahoo, Bing, MSN, পিপীলিকা ইত্যাদি। 
- মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনসমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে। 
- সফটওয়্যারগুলো হলো-
১। ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software)
২। ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software)
৩। কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)
ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software):
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যার এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে (Indexing) রাখে।
- গুগলের ক্রোলার (Crawler) সফটওয়্যারটি “Google Bot” নামে পরিচিত।
- Google Bot নির্বিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়বেসাইট বা নতুন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে।
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যারকে অনেকে “সার্চ বট” বা “ইন্টারনেট বট”ও বলে থাকে।
- স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েবে ভেসে বেড়ায় এবং নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে এবং তা তার নির্দিষ্ট ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৫২.
ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে সাধারণত কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়? 
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা

- HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

» অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১৫৩.
WWW এর সূচনা হয় কোন দেশ থেকে?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ইংল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.
১৫৪.
B2C প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবসা শুরু করে কোন সালে?
  1. ১৯৯১
  2. ১৯৯২
  3. ১৯৯৩
  4. ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২
ব্যাখ্যা
ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer - B2C): 
- 1992 সালে যখন ইন্টারনেট মাত্র জনপ্রিয়তা লাভ করতে শুরু করেছিল, চার্লস এম স্ট্যাক বুক স্ট্যাকস আনলিমিটেড নামে একটি অনলাইন বইয়ের দোকান তৈরি করার ধারণা পেয়েছিলেন। এভাবেই B2C ইকমার্সের জন্ম হয়েছিল। 
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত। 
- ইন্টারনেটে ব্যবসা-সংক্রান্ত কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিজনেস টু কনজিউমার (B2C) সংক্রান্ত ব্যবসা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। 
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা ই-কমার্স সিস্টেমে কোনো ভোক্তা সরাসরি কোনো ব্যবসায়ী বা উৎপাদনকারী থেকে পণ্য ক্রয় করে থাকে। 
- অর্থাৎ ভোক্তাগণ ই-কমার্স সিস্টেমে কোনো পণ্য ক্রয় করলে তা এ জাতীয় লেনদেনের আওতায় পড়ে। 
যেমন: amazon.com.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
১৫৫.
ই-মেইল কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়
  1. ম্যান
  2. ল্যান
  3. ওয়ান
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ান
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়।
- এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়।
- গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
- ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে। যেমন: ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই
  2. WWW হলো নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  3. ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্ক, WWW হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  4. WWW হলো একটি ব্রাউজার, ইন্টারনেট হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্ক, WWW হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্ক, WWW হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট (Internet) হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত নেটওয়ার্ক অব নেটওয়ার্কস, যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার, রাউটার ও ডিভাইস তথ্য আদান-প্রদান করে।
আর, WWW (World Wide Web) হলো ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা, যা ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট, হাইপারলিঙ্ক, ডকুমেন্ট এবং মাল্টিমিডিয়া অ্যাক্সেসের সুযোগ দেয়।
​Internet = Infrastructure (নেটওয়ার্ক অবকাঠামো), 
WWW = Service (ওয়েবসাইট অ্যাক্সেসের সেবা)। 

ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

​​WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে (Tim Berners-Lee) WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: 
​১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৭.
নিচের কোনটি ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা সহজ নয়?
  1. Task bar
  2. Notification area
  3. Menu bar
  4. Web browser
সঠিক উত্তর:
Web browser
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Web browser
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে যা ছাড়া Internet-এ প্রবেশ করা খুব সহজ হয় না। 
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়। 
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser ইত্যাদি। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৫৮.
নিচের কোনটি কোনো সংস্থার ওয়েব ঠিকানা হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. HTML
  2. www
  3. URL
  4. http
সঠিক উত্তর:
URL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
URL
ব্যাখ্যা

• URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৫৯.
The first 4 characters in the SWIFT code refer to -
  1. ক) Country Code
  2. খ) Bank Code
  3. গ) Branch Code
  4. ঘ) Location Code
সঠিক উত্তর:
খ) Bank Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bank Code
ব্যাখ্যা
SWIFT codes can be from 8 to 11 characters in length.
It's structured as follows:
- The first four characters identify the particular institution or bank to which the transfer will be made
- The next two characters specify the country
- The following two identify the location - usually the city
- The final three characters are usually numerical and indicate a particular branch or office
- When the final three characters are not included, the transfer goes to the head office or branch.

Source: sumup.co.uk
১৬০.
কোনটি সঠিক URL?
  1. ক) www.abcd.com\home
  2. খ) www.abcd-com/home
  3. গ) www.abcd.com/home
  4. ঘ) www.abcd-com\home
সঠিক উত্তর:
গ) www.abcd.com/home
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) www.abcd.com/home
ব্যাখ্যা
URL
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬১.
A device that connects to a network without the use of cables is said to be 
  1. ক) distributed
  2. খ) centralized
  3. গ) wifi
  4. ঘ) wireless
সঠিক উত্তর:
ঘ) wireless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) wireless
ব্যাখ্যা
- Wireless communications, System using radio-frequency, infrared, microwave, or other types of electromagnetic or acoustic waves in place of wires, cables, or fibre optics to transmit signals or data.
- Wireless devices include cell phones, two-way radios, remote garage-door openers, television remote controls, and GPS receivers (see Global Positioning System).
- Wireless modems, microwave transmitters, and satellites make it possible to access the Internet from anywhere in the world.
Source: britannica
১৬২.
A network that can only be used by the employees of a company is known as -
  1. ক) Extronet
  2. খ) Internet
  3. গ) Intranet
  4. ঘ) Externet
সঠিক উত্তর:
গ) Intranet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Intranet
ব্যাখ্যা
ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট:
ধরা যাক একটি বৃহৎ কোম্পানি যার অফিস দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং দেশের বাইরেও আরও কয়েকটি দেশব্যাপি বিস্তৃত। এই কোম্পানির প্রতিটি অফিসেই ল্যান রয়েছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে এই ল্যানগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ওয়ান (WAN) বলা যায়।
তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই ওয়ানের একটি অংশ বা রিসাের্স (যেমন : আর্থিক হিসাব, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল ইত্যাদি) অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শুধু কোম্পানির নিজস্ব লােকজন এসব রিসাের্স ব্যবহার করতে পারে।
কোম্পানির সুৱক্ষিত রিসোর্স সংবলিত এই নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয় ইন্ট্রানেট (Intranet)।
ইন্টারনেটের মতােই সম্প্রতি ইন্ট্রানেটও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইট্রানেট হচ্ছে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য, কর্মক্ষম সিস্টেম অথবা কম্পিউটিং সেবা শেয়ার করে।

কোন কোম্পানির ওয়ানের একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর রিসাের্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। এসব উন্মুক্ত রিসাের্সের মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানির প্রােফাইল, প্রজেক্ট এবং প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস, বাৎসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি। কোম্পানির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পাত্রে। ওয়ানের এ ধরনের উক্ত অংশকে বলা হয় এক্সট্রানেট (Extranet)।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১৬৩.
IEEE 802.11 মূলত কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. Zigbee
  4. NFC
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
ব্যাখ্যা

IEEE 802.11 হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড যা মূলত Wi-Fi প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বেতার স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (Wireless Local Area Network বা WLAN) স্থাপনে ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে কিভাবে ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করবে, ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড, সিগন্যাল মডুলেশন, এবং নিরাপত্তা প্রোটোকলসহ। Wi-Fi ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক রিসোর্সে বেতারভাবে সংযোগের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে Bluetooth, Zigbee, এবং NFC ভিন্ন ধরনের সংযোগ বা ডিভাইস কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের আওতাভুক্ত নয়। তাই IEEE 802.11 Wi-Fi-এর জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য।

- সঠিক উত্তর: ক) Wi-Fi.

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।

- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৪.
H.323 ভয়েস, ভিডিও, এবং ডেটা পাঠাতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ?
  1. Hypertext Transfer Protocol (HTTP)
  2. User Datagram Protocol (UDP)
  3. Transmission Control Protocol (TCP)
  4. Real-Time Transport Protocol (RTP)
সঠিক উত্তর:
Real-Time Transport Protocol (RTP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real-Time Transport Protocol (RTP)
ব্যাখ্যা
⚪ H.323 - ভয়েস, ভিডিও, এবং ডেটা পরিবহনের জন্য Real-Time Transport Protocol (RTP) ব্যবহার করে। RTP একটি প্রোটোকল যা রিয়েল-টাইম মিডিয়া, যেমন ভয়েস এবং ভিডিও, লাইভ ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:

B) Transmission Control Protocol (TCP): TCP একটি কনভারজেন্ট প্রোটোকল যা ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে, কিন্তু এটি রিয়েল-টাইম ট্রান্সমিশনের জন্য আদর্শ নয়।

C) User Datagram Protocol (UDP): UDP একটি কনফার্মেশন প্রোটোকল না হলেও এটি রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযুক্ত হতে পারে, তবে RTP এর তুলনায় এটি কম নির্ভরযোগ্য।

D) Hypertext Transfer Protocol (HTTP): HTTP মূলত ওয়েব পেজগুলি ট্রান্সফার করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এটি রিয়েল-টাইম মিডিয়া ট্রান্সমিশনের জন্য উপযুক্ত নয়।

⚪ ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।
- VoIP (Voice Over Internet Protocol), যাকে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, সাউন্ডকে একটি ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে কাজ করে, যা তারপর একটি ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে পাঠানো হয়।
-ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস :
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
১৬৫.
What is Telnet mainly used for?
  1. File compression
  2. Web page design
  3. Email communication
  4. Remote access to another computer
সঠিক উত্তর:
Remote access to another computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remote access to another computer
ব্যাখ্যা

• Telnet: Telnet হলো একটি Internet-based tool, যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটার থেকে অন্য একটি দূরবর্তী কম্পিউটারে প্রবেশ (remote access) করা যায়, যেমন অফিসে বসে অন্য শহরের কম্পিউটারে কাজ করা।
 
• Telnet-এর কাজের ধরন:
- Telnet একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটার ও দূরবর্তী কম্পিউটারের মধ্যে একটি যোগাযোগের জানালা (window) হিসেবে কাজ করে।
- এর ফলে ব্যবহারকারীর কাছে মনে হয়, সে যেন দূরবর্তী কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করছে।
 
• Telnet-এর ব্যবহার (Uses of Telnet):
- লাইব্রেরির ক্যাটালগে Telnet সংযোগ স্থাপন করে বই সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
- Telnet সংযোগ ব্যবহার করে অনলাইন কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করা যায়।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৬.
নিচের কোনটি ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিস নয়?
  1. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
  2. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিস নয়।
এটা একটি ডাটা ট্রান্সমিশন মাধ্যম।

• ইন্টারনেটের সার্ভিসসমূহ:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার একটি বড় নিয়ামক হলো ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট আসলে বিশ্বের কম্পিউটারসমূহের মধ্যস্থিত একটি নেটওয়ার্ক মাত্র।
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্ভিস বা সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানের তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারছি।

• ইন্টারনেটের প্রধান প্রধান সার্ভিস হলো-
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web)
- টেলনেট (Telnet)
- সার্চ ইঞ্জিন (Search Engines)
- ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (File Transfer Protocol -FTP)
- ইলেকট্রনিকস মেইল (Electronic Mail :E-mail)
- ই-কমার্স (E-Commerce)
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৭.
নিচের কোনটি বিশ্বগ্রাম এর উপাদান?
  1. মানুষের সক্ষমতা
  2. সফট্ওয়্যার
  3. হার্ডওয়্যার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা সহজেই বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা-
১। হার্ডওয়্যার (Hardware),
২। সফট্ওয়্যার (Software),
৩। নেটওয়ার্ক সংযুক্ততা বা কানেকটিভিটি (Connectivity),
৪। ডেটা (Data) এবং
৫। মানুষের সক্ষমতা (Capacity)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬৮.
গুগল কী?
  1. ক) সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান
  3. গ) ওয়েব সাইট
  4. ঘ) হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ক) সার্চ ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সার্চ ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
• গুগল হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। 

• সের্গেই ব্রিন এবং ল্যারি পেজ গুগলের প্রতিষ্ঠাতা। 
- ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ইন্টারনেট থেকে যেকোনো বিষয়ে তথ্য, ভিডিও, অডিও, মুভি, সফটওয়্যার, ইমেজ, ডকুমেন্ট সহ সকল সহজে বের করার জন্য এই গুগল সার্চ ইঞ্জিন (google search engine) বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১৬৯.
FTP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. File Transfer Policy
  2. File Transfer Protocol
  3. File Transmission Policy
  4. File Treatment Policy
সঠিক উত্তর:
File Transfer Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
File Transfer Protocol
ব্যাখ্যা
• FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- এটি একটি TCP/IP প্রোটোকল যা দুটো কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের সুযোগ করে দেয়। 
- ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে FTP এর সাহায্যে এক ধরনের কম্পিউটার অন্য আরেক ধরনের কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭০.
কোন IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডে প্রথম MIMO প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. 802.11n
  2. 802.11b
  3. 802.11g
  4. 802.11a
সঠিক উত্তর:
802.11n
উত্তর
সঠিক উত্তর:
802.11n
ব্যাখ্যা

• IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডগুলির মধ্যে প্রথম MIMO (Multiple Input Multiple Output) প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে 802.11n-এ। MIMO হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করতে সক্ষম, যার ফলে ডেটা ট্রান্সফার স্পিড এবং সিগন্যাল স্থায়িত্ব অনেক বৃদ্ধি পায়। 802.11n স্ট্যান্ডার্ডটি 2009 সালে চালু হয় এবং এটি পূর্ববর্তী স্ট্যান্ডার্ডগুলির (যেমন 802.11a, 802.11b, 802.11g) তুলনায় উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং উন্নত কভারেজ প্রদান করে। অন্য স্ট্যান্ডার্ডগুলিতে MIMO প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি, তাই উচ্চ গতির ও নির্ভরযোগ্য ওয়্যারলেস কানেকশনের জন্য 802.11n খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) 802.11n

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

• এছাড়াও,
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16.
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Intel.

১৭১.
SMTP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
  1. প্রোটোকল
  2. প্রোগ্রাম
  3. ভাইরাস
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
• SMTP এবং অন্যান্য প্রটোকল:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- SMTP এক প্রকার প্রটোকল।
- যে সকল মেইল বাহিরে পাঠানো হয় সেগুলোকে বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।

- সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রটোকল হচ্ছে POP3।
- POP এর পূর্ণরূপ হলো- Post Office Protocol.
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
১৭২.
DNS সার্ভারের কাজ হচ্ছে _____ কে _____ address-এ পরিবর্তন করা।
  1. Email, DNS
  2. MAC Address, IP
  3. Domain name, IP
  4. Email, IP
সঠিক উত্তর:
Domain name, IP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Domain name, IP
ব্যাখ্যা
• DNS Server-এর কাজ ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে পরিবর্তন করা।

• ডোমেইন নেম:
- সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস মানুষের পক্ষে মনে রাখা খুবই কষ্টকর। তাই আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য সহজ কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম।
- যেমন: www.google.com এই সাইটটির আইপি অ্যাড্রেস হল 216.58.212.164.

• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৩.
কয়টি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা:

প্রথমত, HTML (Hyper Text Markup Language) যার দ্বারা ওয়েবপেজ তৈরি করা হয়।

দ্বিতীয়ত, HTTP (Hyper Text Transfer Protocol) 

তৃতীয়ত, Web Browser. যে প্রোগ্রাম সার্ভার থেকে ডাটা রিসিভ ও অনুবাদ করে ক্লায়েন্টকে তার ফলাফল প্রদর্শন করে। 

উৎস: Live MCQ lecture
১৭৪.
স্টার টপোলজি কোন ধরনের নেটওয়ার্কের টপোলজি?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
সঠিক উত্তর:
ক) LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) LAN
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত একাধিক কম্পিউটার যখন আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তখন সম্পূর্ণ সিস্টেমকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- দুটি কম্পিউটারকে যখন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় তখন আমরা প্রধান যে সুবিধা পায় তা হলো দুটি কম্পিউটার পরস্পরের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। রিসোর্স বলতে এখানে তথ্য এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসকে বুঝায়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যেকরা হয়ে থাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি। তাই টপোলজিকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN)-এর সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যথা: 
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি ও 
৪। ট্রি টপোলজি ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭৫.
কোনো প্রতিষ্ঠান যখন তার প্রতিষ্ঠানের বাহিরেও সীমিত গ্রাহকের মধ্যে তথ্য শেয়ার করে তখন তাকে কী বলে?
  1. ইন্টারনেট
  2. এক্সট্রানেট
  3. ইন্ট্রানেট
  4. ভিপিএন
সঠিক উত্তর:
এক্সট্রানেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সট্রানেট
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট, ইন্ট্রানেট ও এক্সট্রানেট তিনটি ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক, যা ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও প্রবেশাধিকার অনুযায়ী পৃথক। নিচে তাদের সংজ্ঞা ও পার্থক্য দেওয়া হলো:

১. ইন্টারনেট (Internet):
ইন্টারনেট একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক যা সারা পৃথিবীর বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার, ও ডিভাইসগুলিকে সংযুক্ত করে। এটি একটি পাবলিক নেটওয়ার্ক, যা বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান, ইমেইল, সামাজিক মিডিয়া, ওয়েবসাইট, অনলাইন শপিং, ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী, ওপেন (পাবলিক) নেটওয়ার্ক।
- সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং, ইত্যাদি সেবা পাওয়া যায়।

২. ইন্ট্রানেট (Intranet):
ইন্ট্রানেট একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক, যা শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের (যেমন, অফিস, কলেজ, কোম্পানি) অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি ইন্টারনেটের মতো দেখতে হলেও, ইন্ট্রানেটের মাধ্যমে শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরা (যেমন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা) প্রবেশ করতে পারে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক।
- শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, ফাইল শেয়ারিং, অভ্যন্তরীণ সিস্টেম ও রিসোর্স থাকে।

৩. এক্সট্রানেট (Extranet):
এক্সট্রানেট একটি নেটওয়ার্ক যা ইন্ট্রানেটের সম্প্রসারণ। এটি একটি প্রাইভেট নেটওয়ার্ক হলেও, এর মাধ্যমে কিছু নির্বাচিত বাইরের প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি (যেমন, পার্টনার, সাপ্লায়ার) ইন্ট্রানেটের কিছু অংশে প্রবেশ করতে পারে।
বিশেষত্ব:
- এটি একটি সুরক্ষিত, সীমিত পাবলিক নেটওয়ার্ক।
- এক্সট্রানেটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান তাদের পার্টনার বা ক্লায়েন্টদের সঙ্গে নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বকে সংযুক্ত করে, কিন্তু প্রবেশাধিকার সীমিত থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা, গিটহাব।
১৭৬.
ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত?
  1. ক) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা
  2. খ) সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা
  3. গ) ব্যবহার শেষে একাউন্ট লগ-আউট করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত:
সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করা:
যে কোন ধরনের একাউন্ট হ্যাক হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সহজ পাসওয়ার্ডের ব্যবহার। অনেক ব্যবহারকারীরই পাসওয়ার্ড হিসাবে নিজের নাম, কী বোর্ডের সহজ বিন্যাস (যেমন-abcdef বা ১২৩৪৫৬৭৮) অথবা নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে। ফলে সহজেই একাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। কারণ ই-মেইলের ক্ষেত্রে ই-মেইল একাউন্ট-ই ব্যবহারকারীর নাম, যা প্রায় সবাই জানে। এজন্য পাসওয়ার্ড তৈরির ক্ষেত্রে অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (যেমন-!, @, # ইত্যাদি) ব্যবহার করা উচিত।

নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা: কিছুদিন পর পর নির্ধারিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নতুন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।

দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন: যেসব ক্ষেত্রে দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করা। যেমন- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিমেইল একাউন্টটির নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। এ জন্য জিমেইলের টু-ওয়ে ভেরিফিকেশন অপশনটি ব্যবহার করতে হবে। কেউ এই একাউন্টে অনধিকার প্রবেশ করতে চাইলে তাকে মোবাইল কোডটি পেতে হবে এবং ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু কোডটি একবার মাত্র ব্যবহার করা যাবে সুতরাং কেউ আগের কোডটি জানতে পারলেও একাউন্টটি থাকবে নিরাপদ। একইভাবে ইয়াহু! মেইলেও অনুরুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারের ব্যবহার: সাইবার ক্যাফে বা অনেকেই ব্যবহার করে এমন কোনো কম্পিউটার থেকে ই-মেইলসহ অন্যান্য সাইট ব্যবহার করলে, ব্যবহার শেষে অবশ্যই একাউন্ট থেকে লগ-আউট করে বের হওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করে দেয়া যেতে পারে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৭.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট ব্রাউজার না-
  1. ক) Drupal
  2. খ) Chrome
  3. গ) Netscape navigator
  4. ঘ) Opera
  5. ঙ) Maxthon
সঠিক উত্তর:
ক) Drupal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Drupal
ব্যাখ্যা

বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এই ওয়েবসাইটগুলাে নিজের কম্পিউটার থেকে দেখা বা ব্রাউজ করার জন্য আমরা সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারগুলােকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।
জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome, Maxthon ইত্যাদি৷

Drupal হচ্ছে web content management প্লাটফর্ম। 

১৭৮.
ARPANET কী?
  1. একটি ওয়েবসাইট
  2. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  3. একটি কম্পিউটার
  4. একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ARPANET হল - একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭৯.
কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Yandex
  2. Microsoft Edge
  3. Yahoo
  4. DuckDuckGo
সঠিক উত্তর:
Microsoft Edge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Edge
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

• বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে:
- Google,
- Bing,
- Yahoo,
- Yandex,
- DuckDuckGo,
- Baidu ইত্যাদি।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
- ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
- ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
- কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৮০.
বাংলাদেশে কবে প্রথম অফলাইন ই-মেইল চালু হয়?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৯
  4. ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: 
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়। 
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
অর্থাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৫ সালেত, তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৮১.
HTML ফাইলের প্রধান উপাদান (Element) কি?
  1. ক) এট্রিবিউট
  2. খ) ট্যাগ
  3. গ) ভ্যালু
  4. ঘ) ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাগ
ব্যাখ্যা
টেকনিক্যালি বললে, একটি HTML Element এর ৪টি অংশ থাকতে পারে - a start tag, attributes, end tag, এবং content. তবে, HTML ফাইলের প্রধান অংশই হচ্ছে ট্যাগ। এই ট্যাগগুলোই ওয়েব পেজের কন্টেন্ট কিরকম হবে সেটা নির্ধারণ করে।
১৮২.
ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশটিকে কী বলে?
  1. ক) ডোমেইন নেম
  2. খ) ডোমেইন নেম এলার্ট
  3. গ) ডোমেইন
  4. ঘ) ইউজার নেম
সঠিক উত্তর:
ক) ডোমেইন নেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডোমেইন নেম
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইলের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক মেইল।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে।
- ই-মেইল তথ্য আদান-প্রদানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে থাকে এবং এতে টেক্সট বার্তার সাথে অ্যাটাচমেন্ট আকারে নানা ফাইলও (ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও সহ যে কোনো ডিজিটাল ফাইল) পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য ইউনিক হয়ে থাকে।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে; যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। যেমন: mrahman@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mrahman অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং @ এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
১৮৩.
IP Address কী?
  1. ক) তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস
  2. খ) নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস
  3. গ) ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
  4. ঘ) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তরের অ্যাড্রেস
সঠিক উত্তর:
ক) তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস
ব্যাখ্যা
এটি তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ঠিকানা যার মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন তথ্য যেমন- ইমেইল, ডেটা এবং ছবি ইত্যাদি সুনির্দিষ্টভাবে গ্রাহকের ঠিকানায় প্রেরিত হয়। IPv4 32 বিট ঠিকানা দেয়।
১৮৪.
অলাভজনক প্রতিষ্ঠানসমূহ কোন জেনেরিক ডোমেইন নেম ইউজ করে?
  1. ক) .com
  2. খ) .gov
  3. গ) .org
  4. ঘ) .net
সঠিক উত্তর:
গ) .org
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) .org
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় ডোমেন নামের বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলোঃ
.net - নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রতিষ্ঠান
.com - বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
.edu - শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
.int - আন্তর্জাতিক সংগঠন
.org - অলাভজনক প্রতিষ্ঠান
.gov - রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৮৫.
Google launched its Gmail service in -
  1. ক) 2004
  2. খ) 2006
  3. গ) 2005
  4. ঘ) 2002
সঠিক উত্তর:
ক) 2004
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 2004
ব্যাখ্যা
- গুগলের ইমেইলভিত্তিক সেবার নাম হলো জিমেইল (Gmail)। 
- গুগল জিমেইল সেবা চালু করে - ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল।

উৎস: গুগল ওয়েবসাইট। 
১৮৬.
প্রথম ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন কে?
  1. বিল গেটস
  2. স্টিভ জবস
  3. স্যামুয়েল টমলিনসন
  4. মার্ক জুকারবার্গ
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল টমলিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যামুয়েল টমলিনসন
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ও ই-মেইল: 
- বিশ শতকের ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল (Internet Protocol) ব্যবহার করে আরপানেট (Arpanet) আবিষ্কৃত হয়।
- তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহের মধ্যে আন্তঃসংযোগ বিকশিত হতে শুরু করে।
- আর এ বিকাশের ফলে তৈরি হয় ইন্টারনেট।
- ১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন আমেরিকার প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন (Ramond Samuel Tomlinson)।
- তিনিই প্রথম ই-মেইল পদ্ধতি চালু করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৮৭.
ARPANET এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Automated Research Program and Network
  2. Application Resource Planning and Networking
  3. Active Research and Protocol Analysis Network
  4. Advanced Research Projects Agency Network
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
ব্যাখ্যা

• ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network.

• ARPANET:
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ARPANET দিয়ে।
- ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি প্রকল্প শুরু করে, যার নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)।
- এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ দিয়েছিল।
- ARPANET এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ করত, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে।
- এটি মূলত গবেষণা এবং সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি হলেও, ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে।
- তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের জন্ম ও বিকাশের পথ শুরু হয় ARPANET থেকেই।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮৮.
http://www.mnhs.com/webpages/about.html 
URL-টির ডোমেইন টাইপ কোনটি?
  1. mnhs
  2. webpages
  3. .com
  4. about.html
সঠিক উত্তর:
.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.com
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম। যেমন- www.google.com এই সাইটটির আইপি এড্রেস হল- 216.58.212.164।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System)।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৯.
সাফারি (Safari) হচ্ছে একটি-
  1. ক) অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. খ) গ্রাফিক্স সফটওয়্যার
  3. গ) ব্রাউজিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) এডিটিং সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাউজিং সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রাউজিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ইন্টারনেটে অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। এই ওয়েবসাইটগুলাে নিজের কম্পিউটার থেকে দেখা বা ব্রাউজ করার জন্য আমরা সাধারণত বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারগুলােকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি বিভিন্ন ওয়েব ব্রাউজার রয়েছে। যেমন- মজিলা ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম, সাফারি, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মাইক্রোসফট এজ, অপেরা ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১৯০.
টিসিপি/আইপি কী?
  1. ইমেইল ব্যবস্থাপনার একটি প্রোটোকল
  2. ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল
  3. একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. একটি ফাইল ট্রান্সফার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি):
- ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি) হলো ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল।
- টিসিপি প্রেরক এবং গ্রাহক কম্পিউটার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং নিশ্চিত করে যে, সমস্ত প্যাকেটগুলি একই ক্রম অনুযায়ী তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।
- আইপি প্রত্যেকটি প্যাকেট-এর ইন্টারনেটের অ্যাড্রেসিং স্কিম সরবরাহ করে এবং প্যাকেটগুলির প্রকৃত বিতরণের কাজটি সুনিশ্চিত করে।
- ইন্টারনেটের প্রতিটি হোস্টের জন্য আইপি সফটওয়‍্যার এবং টিসিপি সফটওয়‍্যার উভয়ই প্রয়োজন।
- আইপি সফটওয়‍্যারটি ইন্টারনেট যোগাযোগ করে এবং একটি হোস্টকে অন্য কোনও হোস্টের কাছে ডেটা পাঠাতে সাহায্য করে।
- যখন হোস্টগুলি ইন্টারনেট এর পরিচালনা ক্ষমতার চেয়ে বেশি ডেটা পাঠায় তখন, আইপি সফটওয়‍্যারগুলিতে আগত অতিরিক্ত ডেটা বাতিল করে দেয়। এই সমস্যাটির সমাধান করে টিপিসি সফটওয়‍্যার।
- যে ডেটাগুলি আইপি সফটওয়‍্যারটি থেকে স্বীকৃতি পেতে ব্যর্থ হয় অর্থাৎ বাতিল হয়, টিসিপি তাকে পুনরায় প্রেরণ করে।
- টিসিপি রিসিভারের পথে যানজট সনাক্ত করে এবং ডেটা প্রেরণের হার হ্রাস করে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবস্থা বসে যায় না।
- টিসিপি অ্যালগরিদম পুনঃপ্রেরণ এবং যানজট পরিচালনা করতে দক্ষ। তারা প্রেরক এবং গ্রহণকারীর মধ্যে দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত পথের (Path) সাথে খাপ খাইয়ে নেয় এবং বিলম্বের পরিবর্তনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- টিসিপি এবং আইপি সফটওয়‍্যারগুলি নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একসাথে কাজ করে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১.
ওয়েবপেইজে স্ট্যাটিক কন্টেন্ট দেখাতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) HTML
  2. খ) SQL
  3. গ) PHP
  4. ঘ) C++
সঠিক উত্তর:
ক) HTML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) HTML
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার জন্য বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইলকে Web Page বলে৷ ওয়েবপেইজ সাধারণত HTML দ্বারা তৈরি করা হয়৷ ইন্টারনেটে ব্যবহারযোগ্য সকল ওয়েবপেইজকে HTML ল্যাংগুয়েজ দ্বারা লেখা হয়।
১৯২.
কোন প্রযুক্তির ফলশ্রুতিতে ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দেওয়া সম্ভবপর হয়?
  1. ক) Ethernet
  2. খ) Bluetooth
  3. গ) XML
  4. ঘ) VoIP
সঠিক উত্তর:
ঘ) VoIP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) VoIP
ব্যাখ্যা
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়। 
 
VoIP, in full Voice over Internet Protocol, also calledIP telephony, communications technology for carrying voice telephone traffic over a data network such as the Internet. 
VoIP uses the Internet Protocol (IP)—one half of the Transmission Control Protocol/Internet Protocol (TCP/IP), a global addressing system for sending and receiving packets of data over the Internet.
 
উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৯৩.
ওয়েবপেজের প্রথম পৃষ্ঠা কে কি বলে?
  1. ক) হাইপারলিংক পেজ
  2. খ) হোমপেজ
  3. গ) লিংক পেজ
  4. ঘ) ফাস্ট পেজ
সঠিক উত্তর:
খ) হোমপেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হোমপেজ
ব্যাখ্যা
আভিধানিকভাবে বললে - 'the introductory page of a website, typically serving as a table of contents for the site." সাধারণত আমরা যখন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি তখন প্রথম যে পেজটা আসে তাকেই হোমপেজ বলা হয়ে থাকে।
কোন প্রতিষ্ঠান, কোম্পানির বা ব্যক্তির ওয়েব সাইটের মূল পেইজকে Homepage বলে। এটি সাধারণত Start page এ সেট করা থাকে। ওয়েব সার্ভারে যে Web page টি Start page হিসাবে সেট করা হয় ঐ web page টি ব্যবহারকারীর Homepage. অর্থাৎ ব্রাউজারে ওয়েব অ্যাড্রেস টাইপ করার সাথে সাথে যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় তাই হলাে Homepage.
১৯৪.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার?
  1. ক) MS Office
  2. খ) Mozilla Firefox
  3. গ) Google Drive
  4. ঘ) Windows 11
সঠিক উত্তর:
খ) Mozilla Firefox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mozilla Firefox
ব্যাখ্যা
Mozilla Firefox হচ্ছে একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা দিয়ে আমরা ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান করতে পারি। 

- Google Drive এ আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় ডাটা অনলাইনে সংরক্ষণ করতে পারি। 
- Windows 11 হচ্ছে মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম। 
- MS Office হচ্ছে মাইক্রোসফট এর তৈরি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটি সমন্ধে তথ্য প্রদর্শন করাতে পারে এমন বিশেষ সফটওয়্যার।
- ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 

- কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার- 
গুগল ক্রোম (Google Chrome)
মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox)
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
ওপেরা (Opera)
সাফারি (Safari)

সূত্র: Google Website [লিঙ্ক]
১৯৫.
টেম্পোরারি ফাইল এবং কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. এসএমডি
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. রম
  4. র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
• টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ ক্যাশ মেমোরিতে জমা হয়।

• কুকিজ (Cookies):

- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
ইন্টারনেটের প্রধান সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. টেলনেট
  2. ই-কমার্স
  3. সার্চ ইঞ্জিন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সার্ভিসসমূহ:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের এগিয়ে চলার একটি বড় নিয়ামক হলো ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট আসলে বিশ্বের কম্পিউটারসমূহের মধ্যস্থিত একটি নেটওয়ার্ক মাত্র।
- ইন্টারনেটের বদৌলতে আজকে সমগ্র বিশ্বের সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই বলয়ে আবদ্ধ হতে পারছেন।
- ইন্টারনেটের বিভিন্ন সার্ভিস বা সেবার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানের তথ্য গ্রহণ ও প্রদান করতে পারছি।

• ইন্টারনেটের প্রধান প্রধান সার্ভিস হলো-
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web),
- টেলনেট (Telnet),
- সার্চ ইঞ্জিন (Search Engines),
- ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল (File Transfer Protocol -FTP),
- ইলেকট্রনিকস মেইল (Electronic Mail:E-mail),
- ই-কমার্স (E-Commerce),
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
বর্তমানে যে প্রটোকলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে টেলিফোন করা যায় তার নাম-
  1. পোস্ট অফিস প্রটোকল
  2. ইন্টারনেট টেলিফোন
  3. ব্রিজ
  4. ভয়েস ওভার আইপি
সঠিক উত্তর:
ভয়েস ওভার আইপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস ওভার আইপি
ব্যাখ্যা
[Voice over IP বা VoIP হলো একটি প্রটোকল যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে টেলিফোন কল করার সুবিধা প্রদান করে। এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।]

- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯৮.
ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার হয় কোনটিতে?
  1. ২য় প্রজন্মের ফোনে
  2. ৩য় প্রজন্মের ফোনে
  3. ৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020)
চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলাে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেট
ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। দ্রুত। চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে।

১৯৯.
যদি IPv4 ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ হয়, তাহলে তা কোন শ্রেণির আইপি?
  1. Class E
  2. Class D
  3. Class C
  4. Class B
সঠিক উত্তর:
Class B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Class B
ব্যাখ্যা

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।

• IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।

২০০.
TCP/IP - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Transfer Control Protocol / Internal Process
  2. Transmission Control Program / Internet Process
  3. Transmission Control Protocol / Internet Protocol
  4. Transfer Control Program / Internal Protocol
সঠিক উত্তর:
Transmission Control Protocol / Internet Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transmission Control Protocol / Internet Protocol
ব্যাখ্যা
• TCP/IP-এর পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol / Internet Protocol (গ)। এটি একটি যোগাযোগ প্রোটোকলের সেট যা ইন্টারনেট ও অন্যান্য নেটওয়ার্কে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। TCP/IP মডেলটি চারটি স্তর নিয়ে গঠিত - Network Interface, Internet, Transport ও Application. TCP ডেটাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে এবং সেগুলো নির্ভুলভাবে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তা দেয়। অপরদিকে, IP ঠিকানা নির্ধারণ করে কোন রুট দিয়ে ডেটা পাঠানো হবে তা নির্ধারণ করে। এই প্রোটোকল ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে নিরবিচারে যোগাযোগ করতে পারে। TCP/IP ছাড়া ইন্টারনেট কার্যকর হতো না।

• TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।