বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

মোট প্রশ্ন৭২৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইন্টারনেট সংক্রান্ত বিষয়

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৭২৩

.
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল কোন কাজটি করে?
  1. প্রতিটি প্রয়োজনীয় ফাইল নিরাপদ স্থানে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে।
  2. কোনো একটি মেসেজ বা ডকুমেন্টকে থার্ড পার্টি দ্বারা সত্যায়িত করে।
  3. ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
  4. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রদান করে।
ব্যাখ্যা

ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ এক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে ফায়ারওয়াল।
- এটি অথরাইজ এক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে এক্সেস করার অনুমোদন দেয়। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- সহজভাবে বলা যায়, কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- তবে ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য কোন প্রটোকলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. POP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP. TCP/IP হলো দুটি মূল প্রটোকলের সমন্বয়, যেখানে TCP (Transmission Control Protocol) ডেটার সঠিক এবং নিরাপদ স্থানান্তর নিশ্চিত করে, আর IP (Internet Protocol) ডেটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। এই প্রটোকল ইন্টারনেটের মৌলিক ভিত্তি, যা ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফারসহ সকল নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য। অন্য প্রটোকল যেমন SMTP ইমেইল পাঠানোর জন্য, POP ও IMAP ইমেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল TCP/IP।
সঠিক উত্তর: ক) TCP/IP

• অন্য প্রটোকলগুলি:
- IMAP (Internet Message Access Protocol): এটি ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- POP (Post Office Protocol): এটি ইমেইল পেতে এবং মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): এটি ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে TCP/IP হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল।

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
What is the name for an Internet with emphasis on social networking and content generated by users, and cloud computing?
  1. ক) The Social Internet
  2. খ) Internet 2.0
  3. গ) Web 3.0
  4. ঘ) Web 2.0
ব্যাখ্যা
Web 2.0 is the name for an Internet with emphasis on social networking and content generated by users, and cloud computing.
 
Source: Britannica
.
'Dial-Up System' কী?
  1. ভিডিও কলিং ফিচার
  2. ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি
  3. টেলিফোন ব্যবস্থা
  4. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax) ইত্যাদি।

• ডায়াল আপ সিস্টেম:
- এ ধরনের পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটার মডেমের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- তবে ডায়াল আপ পদ্ধতিটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টারনেটের আদি অবস্থা ARPANET - এ কোন ভাইরাসটি চিহ্নিত হয়েছিলো?
  1. ব্রেইন
  2. ক্রিপার
  3. নিমডা
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা

সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থা ARPANET - এ ক্রিপার ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
[ICT, অষ্টম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৪০ ও ৪১]
.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Google
  2. Bing
  3. Yahoo
  4. Instagram
ব্যাখ্যা
• সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য বা ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে সাহায্য করে। Google, Bing, এবং Yahoo সবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন বিষয়ে দ্রুত এবং সহজে তথ্য খুঁজে দিতে সক্ষম। কিন্তু Instagram একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যা মূলত ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সরাসরি ওয়েবসাইট বা তথ্য খোঁজার জন্য ডিজাইন করা হয়নি, বরং ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি, গল্প, এবং ভিডিও আপলোড করে অন্যদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। তাই Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়। সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে Instagram সার্চ ইঞ্জিন নয়।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
.
ইন্টারনেট হলো এক ধরণের ___
  1. সার্কিট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  2. ম্যাসেজ সুইচিং নেটওয়ার্ক
  3. প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
The Internet is a packet-switched network, in which information is broken down into small packets, sent individually over many different routes at the same time, and then reassembled at the receiving end. 

Source: Britannica
.
৫-জি ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে কোন দেশ?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) উত্তর কোরিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ৫ জি হবে চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট ৪জি এর তুলনায় ৪০ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন।
.
HTTPS কী নিশ্চিত করে?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. ত্বরিত ইন্টারনেট গতি
  3. বিজ্ঞাপন ব্লক করা
  4. সংক্রমণ রোধ
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন—লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- এটি SSL/TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ (হ্যাকার, ISP বা অন্যান্য অনুপ্রবেশকারী) এই তথ্য চুরি বা পড়তে না পারে।

 HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০.
H.323 প্রোটোকল সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. Email
  2. Web browsing
  3. VoIP
  4. File Compression
ব্যাখ্যা

H.323 হলো একটি ITU-T স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল, যা VoIP (Voice over Internet Protocol) যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।

VoIP:
- Voice over IP বা VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।
- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Firefox
  2. Chrome
  3. Wikipedia
  4. Opera
ব্যাখ্যা

উইকিপিডিয়া হল একটি বিনামূল্যের অনলাইন বিশ্বকোষ,

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):

- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
 
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. স্যাটেলাইট যোগাযোগ
  2. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  3. ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ডের মূল লক্ষ্য হল ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং (Wireless Personal Area Networking)। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা ব্যক্তিগত বা ছোট এলাকা, যেমন ব্যক্তির চারপাশের সীমিত পরিসর, এর মধ্যে ডিভাইসগুলোকে ওয়্যারলেসভাবে সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই স্ট্যান্ডার্ড বিশেষ করে ব্লুটুথ, জিগবি ইত্যাদির মতো প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। IEEE 802.15 ডিভাইসগুলো কম শক্তি ব্যবহার করে, দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম এবং স্বল্প পরিসরে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করে। এর মাধ্যমে পোর্টেবল ডিভাইস, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত গ্যাজেটগুলোর মধ্যে সহজে তথ্য বিনিময় সম্ভব হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং।


• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

এছাড়াও,
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
WWW - এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) World Wide Work
  2. খ) World Way Work
  3. গ) Work Wait Web
  4. ঘ) World Wide Web
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরূপ World Wide Web।
টিম বার্নার্স লি কে এটির প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
এটি ইন্টারনেটের একটি অংশ।
এর সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের সকল তথ্য উপাত্ত খোঁজা হয়।
www এর প্রথম ডেভেলপমেন্ট সুইজারল্যান্ড এ হয়।
১৪.
ইন্টারনেট সংযোগে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. ক) আইএসপি
  2. খ) কম্পিউটার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।
- ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হলেও প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPanet) চালু করে।
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেটের কার্যক্রম শুরু হলেও ১৯৯৪ সালের পূর্বে তাকে এই নামে ডাকা হত না।
- ১৯৯৪ সালেই ইন্টারনেট শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১৫.
What is the TCP/IP?
  1. ক) The practice of long-distance networking
  2. খ) A set of guidelines for making the Internet accessible to the publc
  3. গ) A system that separates information into smaller “packets” of data
  4. ঘ) A set of guidelines for data transfer using packet switching
ব্যাখ্যা
Vinton Cerf  and Bob Kahn developed a set of guidelines for data transfer using packet switching in 1980, calling those guidelines TCP/IP, or Transmission Control Protocol and Internet Protocol.
 
Source: Britannica
১৬.
সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট চালু হয় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে?
  1. Oxford
  2. UCLA
  3. Cambridge
  4. Harvard
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেটের ইতিহাস:
- সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট চালু হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেস (UCLA)-এ, ১৯৬৯ সালে।
- এটি ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network) নামক প্রকল্পের অংশ, যা মার্কিন সরকারের ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স এর অধীনে গবেষণা উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল।
- ARPANET ছিল ইন্টারনেটের পূর্বসূরি এবং এটি প্রথমবারের মতো কম্পিউটারগুলির মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।
- ১৯৬৯ সালে, UCLA-এ প্রথমবারের মতো দুটি কম্পিউটারের মধ্যে ARPANET ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের ধারণা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে গ্লোবাল কম্পিউটার নেটওয়ার্কে পরিণত হয়।
- ARPANET এর মাধ্যমে প্রথম যোগাযোগটি ছিল একটি সিস্টেমে লগ ইন করার প্রচেষ্টা, যেখানে 'L' এবং 'O' অক্ষর সফলভাবে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে সিস্টেম ক্র্যাশ হয়ে গিয়েছিল। তবে এটি ইতিহাসে প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সংযোগ হিসেবে গণ্য হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, ইন্টারনেট সোসাইটি।
১৭.
IPv4 এড্রেসগুলো কী ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. শুধু বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. হেক্সা
  4. ডটেড ডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• IPv4 ঠিকানাগুলি সাধারণত ডটেড ডেসিমেল (dotted decimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ৩২-বিটের ঠিকানাকে চারটি অংশে ভাগ করে, যেখানে প্রতিটি অংশ ৮-বিট বা ১ বাইটের সমান। প্রতিটি অংশকে দশমিক সংখ্যা (0 থেকে 255) আকারে প্রকাশ করা হয় এবং অংশগুলির মধ্যে ডট (.) ব্যবহার করে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 192.168.1.1 একটি IPv4 ঠিকানা। যদিও কম্পিউটারে এগুলো মূলত বাইনারি আকারে সংরক্ষিত থাকে, ব্যবহারকারীদের জন্য পড়া ও লিখা সহজ করার জন্য ডটেড ডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য ফরম্যাট যেমন অক্টাল বা হেক্সাডেসিমেল খুব কমই ব্যবহার হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ডটেড ডেসিমেল।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation):
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation):
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation):
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
নিচের কোনটি "একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম"?
  1. Computer Programming Language
  2. World Wide Web
  3. Search Engine
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এ
- সব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেখা বা খোঁজাকে ব্রাউজ করা বলা হয়, একে ইন্টারনেট ব্রাউজিংও বলা হয়।
- কোন তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে।
- সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে ব্যবহারকারী যা লিখে এন্টার চাপলে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হয় ।
বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন, Yahoo, Google, AltaVista, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
কাকে GIS এর জনক বলা হয়?
  1. ক) আলবার্ট শাকলিন
  2. খ) ডাস্টিন মস্কোভিটজ
  3. গ) রোজার টমলিনসন
  4. ঘ) এডওয়ার্ড সেভারিন
ব্যাখ্যা
GIS হচ্ছে এমন এক ব্যবস্থা যা ভৌগোলিক বা পারিসরিক তথ্য সমন্বয়, সংরক্ষণ, সম্পাদনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্নভাবে তা উপস্থাপন করার কাজ করে থাকে। রোজার টমলিনসন সর্বপ্রথম ১৯৬৮ সালে Geographic Information Systemকথাটি ব্যবহার করেন। এইজন্য রোজার টমলিনসনকে GIS ব্যবস্থার জনক বলা হয়।
২০.
নিচের কোনটি স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট–সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান?
  1. অ্যামাজন
  2. স্টারলিংক
  3. আলিবাবা
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
স্টারলিংক: 
- স্টারলিংক ইন্টারনেট–সেবা দেয় স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে।
- স্টারলিংকের মূল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তথ্য অনুযায়ী, তাদের ইন্টারনেট-সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার ওপর থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি সমষ্টি হচ্ছে স্টারলিংক, যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট–সেবা দিতে পারে।
- ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাবে, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে।
- এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৪২ মাইল (৫৫০ কিলোমিটার) ওপরে কক্ষপথে ঘুরছে।
- স্পেসএক্সের স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- স্টারলিংকের ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)।
- তবে বেশির ভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পান। স্টারলিংকে আপলোড গতি সাধারণত ৫ থেকে ২০ এমবিপিএসের মধ্যে থাকে।
- স্টারলিংক কিট এ থাকে একটি রিসিভার বা অ্যানটেনা, কিকস্ট্যান্ড, রাউটার, তার ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা বা পাওয়ার সাপ্লাই, যার মূল্য ৩৪৯ থেকে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত (৪৩ থেকে ৭৪ হাজার টাকা)।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
২১.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য কোন প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTTP
  2. FTP
  3. SMTP
  4. TCP/IP
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে। নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

২২.
কোন মাধ্যমটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘকাল ধরে জনপ্রিয়?
  1. E-mail
  2. Telnet
  3. IRC
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• রিয়েল টাইমে যোগাযোগের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো IRC (Internet Relay Chat)। এটি একটি চ্যাট প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে লাইভ চ্যাট করার সুযোগ দেয়। IRC-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন চ্যানেল বা রুমে যোগ দিয়ে একে অপরের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে লেখা বার্তা বিনিময় করতে পারে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং গোষ্ঠীভিত্তিক আলাপচারিতা। যদিও ই-মেইল, টেলনেট বা FTP বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ, তবে সেগুলি রিয়েল টাইম চ্যাটের জন্য নয়। ই-মেইল ধীরে ধীরে বার্তা পৌঁছে দেয়, টেলনেট মূলত দূরবর্তী কম্পিউটার ব্যবস্থাপনার জন্য এবং FTP ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দীর্ঘকাল ধরে সরাসরি অনলাইনে কথোপকথনের জন্য IRC সবচেয়ে জনপ্রিয়।
 
• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট (Internet Relay Chat-IRC):

- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
যদি IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান ১২৮ থেকে ১৯১ এর মধ্যে থাকে, তবে এটি কোন ক্লাসের IP?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
ব্যাখ্যা

◉ IPv4 এর প্রথম কোয়াড্রেটের মান 128 থেকে 191 এর মধ্যে থাকলে এটি B ক্লাসের আইপি।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

২৪.
আমাজনের ই-বুক রিডার কোনটি
  1. Bing
  2. Mobi
  3. B&N Nook
  4. Kindle
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক হচ্ছে প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ যা কম্পিউটার অথবা ই-বুক রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত বইয়ের মতই ই-বুক টেক্সট ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি হয় যা আসলে মূল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ।
- আমাজনের ই-বুক রিডার Kindle।
- দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-

১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
- Amozon এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে।
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়।
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে। 
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক দুই ধরণের ফরম্যাটে হয়ে থাকে। যথা- মবি (mobi) এবং ইপাব (epub)।
- Kindle ডিভাইসে মবি ফরম্যাট ব্যবহৃত হয় এবং ইপাব সাধারণত Apple, Android ও অন্যান্য যে কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।

২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book):
- এই ধরণের ই-বুকের সমস্ত কন্টেন্ট অপরিবর্তনশীল ও স্থায়ী।
- স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী এই ধরণের ই-বুক সমন্বিত হয় না এবং এর অক্ষর কিংবা অক্ষরের আকারও পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
- এই ফরম্যাটের ই-বুক Kindle ডিভাইসে পড়া সম্ভব নয়।
- Barnes & Noble's Nook (B&N Nook) এবং Apple এর ipad এ এই ফরম্যাটের ই-বুক খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
এন্টি-এজিং ক্রিম তৈরিতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ন্যানাে-প্রযুক্তি
  2. খ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
  3. গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যানােটেকনােলজি (Nanotechnology): 10-9 মিটারকে ন্যানােমিটার বলে এবং বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1 থেকে 100 ন্যানােমিটার আকৃতির কোনাে কিছু তৈরি করা এবং ব্যবহার করাকে ন্যানােটেকনােলজি বলে।
প্রসাধনী শিল্পে : প্রসাধনীতে জিংক অক্সাইড-এর ন্যানাে পার্টিকেল যুক্ত হওয়ায় ত্বকের ক্যান্সাররােধ সম্ভব হয়েছে।
সেই সাথে সানস্ক্রিন ও ময়েশ্চারাইজার তৈরির কাজে ব্যবহার্য রাসায়নিক পদার্থ তৈরির ক্ষেত্রে এবং এন্টি-এজিং ক্রিম তৈরিতেও ন্যানাে-টেকনােলজি ব্যবহৃত হয়।
২৬.
প্রথম ইন্টারনেট এ কতটি কম্পিউটার যুক্ত ছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ARPANET(Advanced Research Project Agency Network)নামক প্রোজেক্টর মাধ্যমে ইন্টারনেট এর পতন হয়।

১৯৬৯ সালে প্রথম ইন্টারনেট এ মাত্র চারটি কম্পিউটার যুক্ত ছিল কিন্তু বর্তমানে কোটি কোটি কম্পিউটার যুক্ত আছে

আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf) কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ হচ্ছে চীন ।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশের তালিকায় নবম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( ষষ্ঠ শ্রেণি )

২৭.
Bikroy.com কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) কম্পিউটার ক্রয়-বিক্রয় স্থান
  2. খ) ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যাংক
  3. গ) খোলা বাজার
  4. ঘ) ইন্টারনেট ভিত্তিক দোকান
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রায় সকল দেশের মধ্যে বিস্তৃত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা কেনা-বেচা বা লেনদেন করা বা সুযোগ সৃষ্টি করাকে ই-কমার্স বা ইলেকট্রনিক কমার্স বলে।
আধুনিক ডেটা প্রসেসিং বিক্রয়, ডেলিভারি, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি সকল কিছুই ই-কমার্স এর অর্ন্তভুক্ত।
Daraz, alibaba.com, amazon.com, ebay.com, bikroy.com ইত্যাদি হলো জনপ্রিয় কিছু ই-কমার্সের উদাহরণ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি৷

২৮.
নিচের কোনটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা?
  1. ক) Gmail
  2. খ) Yahoo
  3. গ) Outlook
  4. ঘ) Foxmail
ব্যাখ্যা
ই-মেইল এর জন্য ব্যবহৃত সাধারণ সফটওয়্যারসমূহ
- ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল এর বাইরে ই-মেইলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যায়।
- এদের কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায় আবার কিছু কিনে ব্যবহার করতে হয়।
- মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা হলো- আউটলুক (Outlook)।  

ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে-
• জি-মেইল (Gmail)
• ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail)
• মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird)
• ইএম ক্লায়েন্ট (eM Clent)
• ক্লজ মেইল (Claws Mail)
• ফক্সমেইল (Foxmail) 
• অপেরা এমটু মেইল ক্লায়েন্ট (Opera M2 Mail Client) 
• পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail)
• ইনক্রেডিমেইল (Incredimail) 
• মালবেরি (Mulberry)
• ড্রিম মেইল (Dream Mail) 
• সিলফিড (SyIpheed) ইত্যাদি। 
আউটলুক (Outlook)
• জিমব্রা (Zimbra)
• পোস্টবক্স (Portbox) ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৯.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট সংযোগ এর সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. Wi-Fi
  2. 4G
  3. Scanner
  4. 3G
ব্যাখ্যা
- Scanner ছাড়া বাকি সবগুলো ইন্টারনেট সংযোগ এর সাথে সম্পৃক্ত। 
- Wi-Fi প্রযুক্তিটি বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যেটা উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারসহ কম্পিউটারের লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে ডেটা আদান- প্রদান করে থাকে।
- 3G ও 4G হলো মোবাইল ইন্টারনেট প্রযুক্তি। 
৩০.
VSAT ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) একটি স্যাটেলাইট থেকে অন্য স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য
  2. খ) ভূ-পৃষ্টের একস্থান থেকে অন্যস্থানে টেলিফোনের ম্যধ্যমে যোগাযোগ সহজ করার জন্য
  3. গ) ভূ-পৃষ্ট হতে স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য
  4. ঘ) এক ধরণের আবহাওয়াজ্ঞাপক ভূ-উপগ্রহ
ব্যাখ্যা
উত্তর ১০০% সঠিক আছে। কিছু বইতে 'ভূ-পৃষ্টের একস্থান থেকে অন্যস্থানে টেলিফোনের ম্যধ্যমে যোগাযোগ সহজ করার জন্য' এটা দেয়া। VSAT এর সাথে এই ধরণের কোন কিছুর সম্পর্ক নেই।
ভি-স্যাট (VSAT= Very Small Aperture Service) হলো খুব ছোট আকারের সংযোগ যন্ত্র যা দ্বিমুখী ভূ-উপগ্রহকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। দুর্গম এলাকায় স্যাটেলাইটের সাথে যোগাযোগের জন্য এটা ব্যবহৃত হয়।
৩১.
IRC-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internet Relay Chat
  2. Internet Real Communication
  3. Internet Remote Communication
  4. Internet Real Connection
ব্যাখ্যা

IRC-এর পূর্ণরূপ  হচ্ছে Internet Relay Chat।

ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC)
- ইন্টারনেট রিলে চ্যাট (IRC) হল ইন্টারনেটের একটি পরিষেবা।
- এটি একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীদের মধ্যে রিয়েল-টাইম টেক্সট মেসেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- ১৯৮৮ সালে ফিনল্যান্ডের প্রোগ্রামার জার্কো ওইকারিনেন IRC চালু করেন।
- এটি চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার উভয় সফটওয়্যারই প্রয়োজন। 
- IRC ক্লায়েন্ট একটি অনলাইন সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে, যা ব্যবহারকারীদের একটি চ্যানেল নির্বাচন করতে সক্ষম করে, যেখানে তারা অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। 
- আধুনিক চ্যাট রুমগুলোও এই নীতি অনুসরণ করে। 
- অনেক চ্যাট রুমে ব্যবহারকারীদের লগ-ইন তথ্যের প্রয়োজন হয়, কিন্তু অন্যদের সাথে যোগাযোগের সময় তারা ছদ্মনাম ব্যবহারের সুযোগ পায়। 
- মাঝে মাঝে, ব্যবহারকারীদের চ্যাট রুম ব্যবহার করার জন্য একটি সফটওয়্যার ক্লায়েন্ট ডাউনলোড করতে বলা হয়। 
- চ্যাট রুমগুলো সাধারণত ব্যক্তিগত মেসেজিং, থিমযুক্ত রুম এবং কাস্টমাইজেশনের মতো অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩২.
IPv6 ঠিকানার bit-length কত?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ২৫৬ বিট
  4. ১২৮ বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের নতুন সংস্করণ, যা IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। IPv4 ঠিকানার দৈর্ঘ্য ছিল ৩২ বিট, যা বিশ্বব্যাপী ডিভাইসের জন্য যথেষ্ট নয়। IPv6 ঠিকানার bit-length ১২৮ বিট, যা প্রায় অসীম সংখ্যক অনন্য ঠিকানা তৈরি করতে সক্ষম। এটি বড় ঠিকানা স্থান সরবরাহ করার মাধ্যমে IoT ডিভাইস, মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের দ্রুত বৃদ্ধি সামলাতে সাহায্য করে। ১২৮ বিট ঠিকানার ফলে প্রতিটি ডিভাইসের জন্য অনন্য ঠিকানা নিশ্চিত করা যায় এবং নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ও রাউটিং আরও কার্যকর হয়। তাই IPv6 ঠিকানার সঠিক দৈর্ঘ্য হলো ১২৮ বিট।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ১২৮ বিট। 

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩.
ওয়েব্যাক মেশিন হলো -
  1. ক) একটি সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) একটি ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) একটি কম্পিউটার মেশিন
  4. ঘ) একটি টেলিগ্রাফ মেশিন
ব্যাখ্যা

আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়। যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩৪.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে টপোলজি কয় ধরনের হয়?
  1. ক) ৪ ধরনের
  2. খ) ৫ ধরনের
  3. গ) ৩ ধরনের
  4. ঘ) ৭ ধরনের
ব্যাখ্যা
টপোলজি মূলত ৫ ধরনের।
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি
৪। ট্রি টপোলজি
৫। মেশ টপোলজি
এর বাইরে কয়েকটা টপোলজি একসঙ্গে করে ‘হাইব্রিড টপোলজি’ নামে একটা টপোলজি আছে।
৩৫.
নিচের কোনটি ওয়েবসাইট পাবলিশিংয়ের জন্য আবশ্যক নয়?
  1. ক) ওয়েব পেইজ ডিজাইন
  2. খ) ওয়েব প্রোগ্রামিং
  3. গ) ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশন
  4. ঘ) ওয়েব হোস্টিং
ব্যাখ্যা
ওয়েব প্রোগ্রামিং ছাড়াও Static ওয়েবপেজ তৈরি করে সেটা ওয়েবসাইট হিসেবে পাবলিশ করা যায়।
৩৬.
HTTP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. High Text Transmission Protocol
  2. High Transfer Text Protocol
  3. Hyper Text Transfer Protocol
  4. Hyper Transfer Text Protocol
ব্যাখ্যা
• HTTP:
• HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
   - এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে স্যার টিমোথি জন 'টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৩৭.
ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের লিংক যা ওয়েবপেজের মধ্যে ব্যবহারকারীদেরকে অন্য পেজে নিয়ে যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Rel Link
  2. Nofollow Link
  3. JavaScript Link
  4. Hyperlink
ব্যাখ্যা
ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW): 
- ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW - World Wide Web)। 
- এটিকে সংক্ষেপে ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ওয়েব বলতে একটি বৃহৎ সিস্টেমকে বুঝানো হয় যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 
- এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোনো ফরমেটের ডেটা। 
- এ সকল তথ্য ব্যবহার করতে হলে ইউজারকে একটি ক্লায়েন্ট বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যা ব্রাউজার (Browser) নামে পরিচিত। 
- ওয়েবে তথ্য মূলত সংরক্ষিত হয়ে থাকে পেইজ (Page) বা পৃষ্ঠার আকারে। 
- প্রতিটি পেইজে শুধু তথ্যই থাকে না, বরং এখান থেকে অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক (Link) প্রদান করা হয়। ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের এই লিংককে বলা হয় হাইপারলিংক (Hyperlink)। 
- ওয়েবে হাইপারলিংক ব্যবহার করে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় চলাচল করতে পারা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৮.
IoT মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. কেবল ইন্টারনেট ব্রাউজিং
  2. কম্পিউটারে গেম খেলা
  3. ডেটা সংরক্ষণ ও প্রসেসিং
  4. ডেটা স্থানান্তর ও বিনিময় 
ব্যাখ্যা

- IoT মূলত ডেটা স্থানান্তর ও বিনিময় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things -IoT): 

- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে। 
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়। 
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে। 
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা। 
যেমন- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট), ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার) এবং শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT) ইত্যাদি IoT এর উদাহরণ। 

উৎস: ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]। 

৩৯.
HTTPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. HyperText Transfer Protocol Service
  2. High-speed Text Transfer Protocol Secure
  3. HyperText Transfer Protocol Secure
  4. HyperText Transmission Protocol Secure
ব্যাখ্যা

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪০.
Wi-Fi এর সম্পূর্ণ রূপ কীভাবে লেখা হয়?
  1. Wireless Fidelity
  2. Wireless Frequency
  3. Wide Fidelity
  4. পূর্ণরূপ নেই
ব্যাখ্যা

•  Wi-Fi এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Wireless Fidelity. এটি একটি প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলোকে তারের ছাড়া ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করতে সক্ষম করে। Wi-Fi মূলত রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সমিট করে, যার মাধ্যমে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেটসহ অন্যান্য ডিভাইসগুলো অনলাইনে সংযোগ স্থাপন করতে পারে। Wireless Fidelity মানে ডেটা সংযোগের নির্ভরযোগ্যতা এবং দ্রুততার একটি মান। বর্তমানে Wi-Fi আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ, কারণ এটি অফিস, স্কুল, বাড়ি এবং পাবলিক স্পেসে ইন্টারনেট ব্যবহার সহজ ও সুবিধাজনক করে তোলে। সঠিক উত্তর: ক) Wireless Fidelity.

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর ওয়্যারলেস একসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।
- Wi-Fi এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো এমন একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে।
- সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (GHz) অথবা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- Wi-Fi একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- Wi-Fi মূলত Wireless LAN (WLAN) এর জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি। অর্থাৎ Wi-Fi ব্যবহার করে একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায় যা তার ছাড়া কাজ করে।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৪১.
স্টাইল অ্যাট্রিবিউটে font-family প্রোপার্টির ব্যবহার নিচের কোনটি?
  1. ক) ফন্ট নির্ধারণ করা
  2. খ) ফন্টের আকার নির্ধারণ করা
  3. গ) উপাদানের রং নির্ধারণ করা
  4. ঘ) অন্যান্য উপাদান থেকে দূরত্ব নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা
স্টাইল অ্যাট্রিবিউট (style attribute)
- স্টাইল অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করে ওয়েব পেইজের বিভিন্ন এলিমেন্টের রং, ফন্টসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বা প্রোপার্টি (property) উল্লেখ করে দেওয়া যায়।
- স্টাইল অ্যাট্রিবিউটের ভেতরে বিভিন্ন স্টাইলিং নির্দেশনা দেওয়া যায়। যেমন- এর আগের অংশে দেখানো হয়েছে কীভাবে স্টাইল অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করে লাল রঙে লেখা যায়। এজন্য color প্রোপার্টি ব্যবহার করা হয়েছে।
- বিভিন্ন এইচটিএমএল এলিমেন্টের বিভিন্ন প্রোপার্টি আছে।
- একাধিক প্রোপার্টির মান বলে দিতে চাইলে তাদের মধ্যে সেমিকোলন চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪২.
ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Integrated Modem Output
  2. Maximum Input Minimum Output
  3. Multiple Input Multiple Output
  4. Mixed Internet Multi Operation
ব্যাখ্যা

• ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO-এর পূর্ণরূপ হলো Multiple Input Multiple Output। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে একাধিক ডেটা স্ট্রিম প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। MIMO-এর মাধ্যমে ওয়্যারলেস সিগন্যালের ক্ষমতা ও গতি বৃদ্ধি করা সম্ভব, কারণ এটি সংকেতের বহুবিন্যস্ত পথ (multipath propagation) ব্যবহার করে আরও বেশি ডেটা একসাথে পাঠাতে পারে। ফলে সংযোগের গুণগত মান, ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের দক্ষতা এবং সার্ভিসের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। আধুনিক ওয়াইফাই (Wi-Fi) এবং 4G/5G নেটওয়ার্কে MIMO প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) Multiple Input Multiple Output।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৪৩.
URL এর অংশ নয় কোনটি?
  1. প্রোটোকল নেইম
  2. ডাটাবেজ নেইম
  3. হোস্টনেইম
  4. ফাইল নেইম
ব্যাখ্যা
♦ URL: 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator .
- একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পুর্ণাঙ্গ অ্যাড্রেসকে URL বলে। যেমন: http://www.xyz.com. 

• একটি URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা- 
১. প্রোটোকল নেইম,
২. হোস্টনেইম এবং
৩. ফাইল নেইম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪.
WWW মূলত কী?
  1. ক) একটি সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) একটি ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) হাইপারটেক্সটভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম
ব্যাখ্যা
WWW মূলত হাইপারটেক্সটভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এ
- সব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেখা বা খোঁজাকে ব্রাউজ করা বলা হয়, একে ইন্টারনেট ব্রাউজিংও বলা হয়।
- কোন তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে।
- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে।
- সার্চ ইঞ্জিনের ফাইন্ড বক্সে ব্যবহারকারী যা লিখে এন্টার চাপলে সে সম্পর্কিত বিভিন্ন ওয়েবপেজের লিংকের তালিকা প্রদর্শিত হয় ।
বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন, Yahoo, Google, AltaVista, ইত্যাদি।

সূত্র: ৩১৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৫.
IPv4 এ প্রত্যেকটি আইপি এড্রেস কত বিটের হয়ে থাকে?
  1. ১৬ বিট
  2. ৩২ বিট
  3. ৬৪ বিট
  4. ১২৮ বিট
ব্যাখ্যা
আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

IPv4 ও IPv6:
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4X8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কোন আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে?
  1. Event-Driven Architecture
  2. Layered Architecture
  3. Peer-to-Peer (P2P) Architecture
  4. Client-server architecture
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে: 
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
সিগন্যাল পুনরায় শক্তিশালী করা এবং অধিক দূরত্বে প্রেরণ করার জন্য কোন ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. গেটওয়ে
  2. সুইচ
  3. রিপিটার
  4. ব্রিজ
ব্যাখ্যা
রিপিটার (Repeater):
নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত কম্পিউটারের দূরত্ব বেশি হলে কিংবা নেটওয়ার্কের বিস্তার বেশি হলে ক্যাবলের (Cable) ভিতর দিয়ে প্রবাহিত সিগন্যাল বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। একারণে প্রবাহিত সিগন্যালকে পুনরায় শক্তিশালী এবং সিগন্যালকে আরও অধিক দূরত্বে অতিক্রম করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়। রিপিটার সত্যিকারের ভৌত সংকেত নিয়ে কাজ করে এবং কখনও যে ডেটা প্রেরণ করা হচ্ছে তা অনুবাদ করে না।

রিপিটারের সুবিধা -
১. বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগের ক্ষেত্রে দূরত্ব বাড়ানোর জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়।
২. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক বৃদ্ধি না করে ডেটা অ্যামপ্লিফাই বা শক্তিশালী করা যায় এবং সামনের দিকে প্রেরণ করা যায়।
৩. বিভিন্ন কমিউনিকেশন মিডিয়ামকে সংযোগ করে ।

রিপিটারের অসুবিধা -
১. ডেটার কলিশন সম্ভাবনা বাড়ে।
২. সীমিত সংখ্যক কম্পিউটার যুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
নিচের কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন?
  1. গুগুল ক্রোম
  2. মজিলা ফায়ারফক্স
  3. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
  4. ওয়েব্যাক মেশিন
ব্যাখ্যা
আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়। যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome ইত্যাদি৷

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪৯.
বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির সংগঠন কোনটি?
  1. ISB
  2. ISPBA
  3. ISPAB
  4. IPSC
ব্যাখ্যা
ISPAB (Internet Service Providers Association of Bangladesh):
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির একটি সংগঠন।
- এই সংগঠনটি ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী (ISP) প্রতিষ্ঠানের অধিকার রক্ষা, তাদের সুবিধা উন্নয়ন এবং দেশের ইন্টারনেট সেবার মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।

ISPAB এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ISP প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষা।
- আইনগত সহায়তা।
- ইন্টারনেট সেবা উন্নয়ন।
- প্রযুক্তি এবং নেটওয়ার্কের মান উন্নয়ন।

- এটি নতুন প্রযুক্তি, বিশেষত ফাইবার অপটিক এবং উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবার প্রয়োগের মাধ্যমে সেবার মান বাড়ানোর দিকে কাজ করে।
- ISPAB ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি সাংগঠনিক সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করে এবং তাদের মধ্যে সহযোগিতা নিশ্চিত করে।

উৎস: ISPAB এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫০.
ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি ISDN-এর 'I' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Internal
  2. Interactive
  3. Integrated
  4. Internet
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে?
  1. ক) American Online
  2. খ) Prodigy
  3. গ) CompuServ
  4. ঘ) AIUB
ব্যাখ্যা
AIUB, BUET নিজস্ব কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে।  

বিভিন্ন কম্পিউটার কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা একসাথে যুক্ত থাকলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer network) বলে। মূলত ডেটা আদান-প্রদানের লক্ষ্যে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। 

মালিকানা অনুসারে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা যায় –
Private Network : প্রাইভেট নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেউ এই ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না। এই ধরনের নেটওয়ার্কে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। যেমন- AIUB, BUET নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে থাকে। 

Public Network: পাবলিক নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার এই ধরনের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে। যেমন- Prodigy, American Online (AOL) ইত্যাদি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৫২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) জেরুজালেম
  2. খ) মেলিসা
  3. গ) ভিয়েনা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
VIRUS পুরাে নাম হলাে Vital Information Resources under Seize. প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলাে-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ,
- মেলিসা ইত্যাদি।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৩.
Which of the following was the first web-based email service?
  1. ক) Rediffmail
  2. খ) Yahoo! Mail
  3. গ) HotMaiL
  4. ঘ) MSN
ব্যাখ্যা
- প্রথম ওয়েব ভিত্তিক ইমেইল সার্ভিস হলো HotMaiL 
- ১৯৯৬ সালে এটি চালু হয়। 
- Yahoo! Mail কি চালু হয় ১৯৯৭ সালে। 
- Gmail চালু হয় ২০০৪ সালে। 
 
উৎস: cs.odu.edu
৫৪.
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভুটান
  3. মালদ্বীপ
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়েছে
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হয়।
- স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। 
- ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মঙ্গোলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু রয়েছে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (১০ মার্চ, ২০২৫)।

৫৫.
WWW–তে তথ্য একে অপরের সাথে কোনটির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে?
  1. ডাটাবেস
  2. প্রোটোকল
  3. হাইপারলিংক
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

• ওয়েবপেজগুলো হাইপারলিংকের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।

• WWW (World Wide Web):
- WWW–এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য ব্রাউজ বা অ্যাক্সেস করার একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা।
- WWW মূলত হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজের সমষ্টি, যা হাইপারলিংকের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
 
• World Wide Web–এর কার্যপদ্ধতি :
- ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে WWW–এর তথ্য দেখা ও ব্যবহার করা হয়।
- Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, ইত্যাদি ব্রাউজারের মাধ্যমে WWW–তে থাকা—
- ওয়েবসাইট,
- ফাইল,
- ছবি,
- ভিডিও অ্যাক্সেস করা যায়।
 
• WWW–এর বৈশিষ্ট্য:
- এটি ইন্টারনেটের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য।
- URL, HTTP এবং HTML ব্যবহার করে তথ্য প্রদর্শন ও আদান-প্রদান করে।
 
• WWW–এর গুরুত্ব :
- তথ্য বিনিময়কে সহজ ও দ্রুততর করেছে।
- অনলাইন শিক্ষা, ই-কমার্স, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গবেষণা ও বিনোদনসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও ডেটা শেয়ারিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৫৬.
ওয়েবসাইটের বিকল্প লিঙ্ক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) URL
  2. খ) Hyperlink
  3. গ) Text link
  4. ঘ) Shorten Link
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইটের বিকল্প লিঙ্ক হিসেবে Hyperlink ব্যবহৃত হয়। 


কোন ওয়েব পেজের ভিতরে লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও, ডকুমেন্ট অন্য ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইটের সাথে সংযোগ স্থাপন করাকে হাইপারলিঙ্ক বলে। 

হাইপারলিংকের সুবিধাসমূহ- 
১. অতিদ্রুত যেকোন  ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ দেখা যায়।
২. ব্যবহারকারীর কম সময় লাগে। 
৩. দ্রুত এক পেজ বা ডকুমেন্ট হতে অন্য পেজ বা ডকুমেন্টে যাওয়া যায়।

সূত্র: Computerhope.com Website [লিঙ্ক]
৫৭.
'লামা এআই' কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে?
  1. অ্যাপল
  2. মেটা
  3. ওপেন এআই
  4. আলিবাবা
ব্যাখ্যা
লামা এআই: 
- ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মসূচির নাম লামা (Llama - Large Language Model Meta AI) এআই।
- লামা এআইয়ের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইন ভাঙার অভিযোগ করা হচ্ছে। 
- লামা এআইকে প্রশিক্ষণের সময় ৮২ টেরাবাইট বইপত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করে পাইরেসির অভিযোগ করা হচ্ছে। এ জন্য মেটার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
- মেটা টরেন্টের মাধ্যমে প্রায় ৮১ দশমিক ৭ টেরাবাইট ডেটা ডাউনলোড করেছে বলে মামলার নথিপথে দেখা যায়।
- কপিরাইট আইন এড়িয়ে চলার জন্য মেটা নিজের সম্পৃক্ততা গোপন করেছে বলে জানা গেছে।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
৫৮.
বিশ্বগ্রাম শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. জন অটোহ্যান
  2. মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. ই এফ কড
  4. টিম বার্ণারস লী
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।

- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫৯.
ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬৯
  2. ১৯৮২
  3. ১৯৮৭
  4. ১৯৯২
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬০.
কোন সার্চ ইঞ্জিনটি তার প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক নীতির জন্য পরিচিত?
  1. Yahoo
  2. Ask Jeeves
  3. DuckDuckGo
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) DuckDuckGo.
- DuckDuckGo একটি প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর অনলাইনে তথ্য গোপন রাখার উপর জোর দেয়। এটি ব্যবহারকারীর সার্চ ইতিহাস ট্র্যাক করে না এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা শেয়ার করে না। অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন Google, Yahoo বা Bing প্রায়ই ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপন বা কাস্টমাইজড সার্চ ফলাফলের জন্য। DuckDuckGo ব্যবহারকারীদেরকে গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, যেমন IP ঠিকানা লুকানো এবং কুকি ট্র্যাকিং সীমিত করা। ফলে যারা অনলাইনে নিরাপদ ও ব্যক্তিগতভাবে অনুসন্ধান করতে চান, তাদের জন্য DuckDuckGo একটি নিরাপদ এবং প্রাইভেসি-সচেতন অপশন।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬১.
হাইব্রিড ওয়েবসাইট কাঠামো কোন কোন কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত করা যায়?
  1. ক) নেটওয়ার্ক এবং ট্রি স্ট্রাকচার
  2. খ) লিনিয়ার এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
  3. গ) লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামো
  4. ঘ) হায়ারারকিক্যাল এবং নেটওয়ার্ক কাঠামো
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড বা কম্বিনেশন কাঠামো (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন বা মিক্সড স্ট্রাকচার বলা হয়।
- সাধারণভাবে লিনিয়ার এবং হায়ারারকিক্যাল কাঠামোর মাধ্যমে হাইব্রিড কাঠামো তৈরি করা যায়।
- এ ধরনের কাঠামোতে অনেক দিক থেকে লিংক করা থাকে। ফলে তথ্য খুঁজে পেতে সহজ হয়।
- এ ধরনের কাঠামো ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- মেমোরি স্পেস কমানোর জন্য এ কাঠামো ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করা সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬২.
ওয়াই-ফাই হলো _______ স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
  1. IEEE 802.02
  2. IEEE 802.16
  3. IEEE 802.11
  4. IEEE 802.14
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. যোগাযোগ এনক্রিপ্ট করা
  4. অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• একটি IP ঠিকানার প্রধান উদ্দেশ্য হলো নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা। প্রতিটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল বা যেকোনো নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে IP ঠিকানা ব্যবহৃত হয়। এটি ঠিক এমনভাবে কাজ করে যেমন বাড়ির ঠিকানা ডাকের মাধ্যমে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ডিভাইস ইন্টারনেটে বা স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠায় বা গ্রহণ করে, তখন IP ঠিকানা নিশ্চিত করে যে তথ্যটি সঠিক গন্তব্যে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ডেটা সংরক্ষণ, যোগাযোগ এনক্রিপশন বা অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার কাজ IP ঠিকানার উদ্দেশ্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) নেটওয়ার্কে ডিভাইস শনাক্ত করা।
 
 • আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে কোন নেটওয়ার্ক চালু করে?
  1. NSFNET
  2. BITNET
  3. MILNET
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর ১৯৬৯ সালে Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে, যা ইন্টারনেটের সূচনা হিসেবে বিবেচিত।

• ইন্টারনেট (Internet):
- টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান–প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়।
ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯০ সাল থেকে, তবে এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৯ সালে।
 
• ইন্টারনেটের উদ্ভব ও ইতিহাস:
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর Advanced Research Projects Agency Network (ARPANET) চালু করে।
- ১৯৯০ সালে ইন্টারনেট কার্যক্রম শুরু হলেও,
- ১৯৯৪ সালের আগে এই প্রযুক্তিকে “ইন্টারনেট” নামে ডাকা হতো না।
- ১৯৯৪ সাল থেকে “Internet” শব্দটি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
 
• ইন্টারনেটের গুরুত্ব:
- বর্তমান বিশ্বের কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থায় ইন্টারনেট সবচেয়ে প্রভাবশালী মাধ্যম।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা একই নেটওয়ার্ক বলয়ে যুক্ত হতে পেরেছে।
- এ কারণে ইন্টারনেটকে অনেক সময় “Network of Networks” বলা হয়।
 
• ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ:
- কম্পিউটার,
- মডেম,
- টেলিফোন লাইন বা অন্য কোনো যোগাযোগ লাইন,
- সফটওয়্যার,
- আইএসপি (ISP – Internet Service Provider)।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
ইমেইল সেবা সংক্রান্ত প্রোটোকল নয় কোনটি?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. POP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• HTTP ইমেইল সেবা সংক্রান্ত প্রোটোকল নয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:

- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

• অপশন আলোচনা:
• HTTP:

- HTTP পূর্ণরূপ Hyper Text Transfer Protocol.
- এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি এবং একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:

১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
৬৬.
নিচের কোনটি একটি ভুল IPv4 ঠিকানা?
  1. 256.1.1.1
  2. 100.64.0.1
  3. 198.51.100.23
  4. 172.31.255.255
ব্যাখ্যা

• IPv4 ঠিকানা হলো ৩২-বিটের একটি সংখ্যা, যা সাধারণত চারটি অক্টেটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন 0 থেকে 255 এর মধ্যে চারটি সংখ্যার বিন্যাস। প্রতিটি অক্টেট ৮-বিটের সমান। IPv4 ঠিকানার ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টেটের মান সর্বোচ্চ 255 হতে পারে। তাই যদি কোনো অক্টেটে 255-এর বেশি সংখ্যা থাকে, তবে সেটি একটি অবৈধ ঠিকানা হিসেবে গণ্য হয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, “ক) 256.1.1.1” একটি ভুল IPv4 ঠিকানা, কারণ প্রথম অক্টেটের মান 256, যা 0–255 সীমার বাইরে। অন্য ঠিকানাগুলো—100.64.0.1, 198.51.100.23 এবং 172.31.255.255 - সঠিক সীমার মধ্যে আছে এবং বৈধ IPv4 ঠিকানা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 256.1.1.1

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
কোন প্রযুক্তি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম করে?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. ব্লকচেইন
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৬৮.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোনটির মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে?
  1. SCSI ইন্টারফেস
  2. USB ইন্টারফেস
  3. Parallel ইন্টারফেস
  4. WAN ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI হল প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
-  SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৯.
আন্তর্জাতিক সংস্থার ক্ষেত্রে কোন ডোমেইন ব্যবহার করা হয়?
  1. .int
  2. .mil
  3. .net
  4. .com
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক সংস্থার ক্ষেত্রে .int ডোমেইন ব্যবহার করা হয় ।
যেমন: Wipo.int,m un.int

.mil ডোমেইনটি ব্যবহার করা হয় মিলিটারি /সেনাবাহিনীর জন্য ।
যেমন: usarmy.mil

.net ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সার্ভিস প্রোভাইডার ।
যেমন:bangla.net

.com ব্যবহার করে কমার্শিয়াল অর্থ-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠিত ।
যেমন:microsoft.com

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭০.
IP এর পূর্ণ রূপ কি?
  1. ক) Inheritance Protocol
  2. খ) Integrate Protocol
  3. গ) Ingress Protocol
  4. ঘ) Internet Protocol
ব্যাখ্যা
• IP এর পূর্ণ রূপ Internet Protocol
-  ইন্টারনেট যুক্ত কম্পিউটারে একটি আইডেনটিটি থাকে তাকে IP Address বলে। 
- IP হল এক ধরনের Network Protocol.
- IP Address চার অংশে বিভক্ত। প্রতিটি অংশ ডট (.) দ্বারা বিভক্ত।
- চারটি অংশে গঠিত IP Address IPv4 নামে পরিচিত।
- IPv4 Address ৩২বিট দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৭১.
ইন্টারনেট সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. প্রাথমিক পর্যায়: ARPANET
  2. জনক: ভিনটন জি কার্ফ
  3. সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল: TCP/IP
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৭২.
''https://www.abcd.com/collection/latest'' এখানে হোস্ট নেইম কোনটি?
  1. https
  2. abcd
  3. /collection/latest
  4. .com
ব্যাখ্যা
''https://www.abcd.com/collection/latest''

- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও টেলিকমিউনিকেশনে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত নিয়ম-নীতিকে প্রোটোকল বলে।
- এখানে https: হল ইন্টারনেট প্রোটোকল। 
- ডোমেইনের আওতাভুক্ত কোন কম্পিউটারকে নির্দেশ করার জন্য যে নাম ব্যবহার করা হয় তা হোস্ট নেইম হিসেবে পরিচিত।
- এখানে abcd হলো হোস্ট।
- হোস্ট কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ফাইলের পাথকে ডিরেক্টরী পাথ বলে।
- এখানে /collection/latest হলো ডিরেক্টরী পাথ যা সরাসরি abcd এর latest পেইজে নিয়ে যাবে।
- ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয় আলফানিউমেরিক ঠিকানাকে ডোমেইন নেইম বলে।
- এখানে .com হলো ডোমেইন নেইম যা দ্বারা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বুঝায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩.
কত সালে আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়?
  1. ক) ১৯৫৭
  2. খ) ১৯৬২
  3. গ) ১৯৬৫
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

১৯৫৭ সালে তৎকালীন সােভিয়েত রাশিয়া স্পুটনিক উক্ষেপন করার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করে। এজন্য তারা প্রতিরক্ষা দপ্তরের অভ্যন্তরে গড়ে তােলে একটি প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের নাম রাখা হয় আরপা (ARPA = Advanced Research Projects Agency)। ১৯৬২ সালে ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনােলােজির লিক লিডার (J C R Lick Lider) প্রথম তার গ্যালাকটিক নেটওয়ার্ক কনসেপ্ট বর্ণনা করেন। তাতে বিভিন্ন কম্পিউটারের মধ্যে প্রােগ্রাম ও তথ্যের আদান প্রদানের কথা বলা হয়। তার এই ধারণাই অনেকটা আজকে ইন্টারনেটে রূপলাভ করেছে।
১৯৬৫ সালে থমাস মেরিল (Thomas Merill) এবং লরেন্স রবার্ট (Lorence Robert) প্রথম MIT এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৬৮ সালে বােল্ট (Bolt), বেরানাক (Beranak), নিউম্যান (Newman) (সংক্ষেপে BBN) আরপা-এর সাথে যুক্ত হয়ে প্যাকেট-সুইচিং নেটওয়ার্কের উদ্ভাবন করেন। তখন থেকে এর নাম হয় আরপানেট (ARPAnet)।
১৯৬৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর আরপানেট নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা চুড়ান্ত হয়। প্রাথমিক অবস্থায় এক্ষেত্রে চারটি সংযােগের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেটের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে রে টোমলিনশন (Ray Tomlinson) কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ই-মেইল প্রেরণের জন্য প্রথম সফটওয়্যার তৈরি করেন।
১৯৭৩ সালে Transmission Control Protocol/Internet protocol (TCP/IP) এর উন্নয়ন শুরু হয়।
১৯৭৬ সালে দুইটি নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের উন্নয়ন ঘটে। এর একটি হল জেরক্সের ড. রবার্ট ও জে মেটকালফে ইথারনেট। এই ইথারনেটই পরে লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পথ খুলে দিয়েছিল। অপর সিস্টেসটি ছিল স্যাটনেট (SATNET)।
১৯৮২ সালের দিকে ইন্টারনেট শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই সময় ইন্টারনেটের সংজ্ঞা নিরুপন করে বলা হয় - “ইন্টারনেট হল টিসিপি/আইপি ব্যবহার করে একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করার পদ্ধতি বিশেষ”।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৭৪.
URL-এ ব্যবহৃত https-এর ‘s’ কী নির্দেশনা দেয়?
  1. Structure
  2. Secure
  3. Service
  4. Standard
ব্যাখ্যা

• URL-এ ব্যবহৃত HTTPS-এর ‘S’ নির্দেশ করে Secure, অর্থাৎ নিরাপদ। এটি HTTP (HyperText Transfer Protocol)-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে সংরক্ষণ করে। HTTPS ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সার্ভার এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে পাঠানো তথ্য তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সহজে পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা অনলাইনে ব্যাংকিং, শপিং বা ব্যক্তিগত তথ্য পাঠাই। তাই HTTPS থাকলে ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পান এবং তথ্য চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

সঠিক উত্তর: খ) Secure.

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।

৭৫.
What is the "Internet of Things (IoT)"?
  1. Social media platform integration
  2. Interconnected devices using internet protocols
  3. Virtual private network configuration
  4. Email server management
ব্যাখ্যা

"ইন্টারনেট অফ থিংস" (IoT) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন: গাড়ি, বাড়ির সরঞ্জাম, স্মার্ট সেন্সর ইত্যাদি) ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত করে এবং ডেটা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি করে।

IoT (Internet of Things):
- IoT হলো ভৌত বস্তু বা ডিভাইসের একটি নেটওয়ার্ক, যেগুলোকে সেন্সর, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য প্রযুক্তি দ্বারা সংযুক্ত করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ডিভাইস বা সিস্টেমের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করা।
- IoT প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু যেমন, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স, স্মার্ট স্বাস্থ্য ডিভাইস, স্বচালিত গাড়ি ইত্যাদি স্মার্ট ডিভাইসে রূপান্তরিত হয়।
- এটি মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- এটি ডেটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।
- IoT প্রযুক্তি মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: সেন্সর, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং ডেটা প্রসেসিং সিস্টেম।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭৬.
IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ কী?
  1. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  3. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং
  4. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.16 এর মূল প্রয়োগ হলো ঘ) মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কিং (MAN)। এটি সাধারণত "WiMAX" (Worldwide Interoperability for Microwave Access) নামে পরিচিত। IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি শহর বা বড় এলাকায় উচ্চ-গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য তৈরি। এটি তারবিহীন প্রযুক্তি, যা তারের বিকল্প হিসেবে দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন নিশ্চিত করে। WiMAX এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে ইন্টারনেট সুবিধা পেতে পারে, যা বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল বা যেখানে ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে কার্যকর। তাই IEEE 802.16 মূলত শহর ভিত্তিক বৃহৎ এলাকা কাভারেজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Wi-Max:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- একটি WiMAX বেস স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN).
- নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
- ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
- একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
- সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- নেটওয়ার্কের জন্য পর্যাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল সাপোর্ট থাকতে হয়।
- বিদ্যুৎ ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৭.
" www.example.gov.bd " - এখানে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন কোনটি?
  1. .bd
  2. .gov
  3. .example
  4. .example.gov.bd
ব্যাখ্যা
- একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য দুইটি জিনিসের ধারণা থাকতে হবে, প্রথমটি হলো ডোমেইন নাম এবং দ্বিতীয়টি ওয়েব হোস্টিং।
- ডোমেইন নাম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন- youtube.com, google. com, Wikipedia.org ইত্যাদি।
-  ডোমেইন নাম ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
- প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) অ্যাড্রেস (যেমন- 180.102.434.8) থাকে।
- কিন্তু এধরনের সংখ্যা বা নিউমেরিক ভ্যালু মনে রাখা মানুষের জন্য কষ্টকর বিধায় এই আইপি অ্যাড্রেসকে নির্দিষ্ট ডোমেইন নাম বা ক্যারেক্টার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডোমেইন নাম এর দুইটি অংশ থাকে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং টপ লেভেল ডোমেইন, যেমন- youtube.com-এর youtube হচ্ছে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং .com হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।
- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন .bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে .gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
৭৮.
SWIFT code is usually paired with an -
  1. ক) ESBIC
  2. খ) ISBN
  3. গ) IBIC
  4. ঘ) IBAN
ব্যাখ্যা
- An IBAN, or international bank account number, is a standard international numbering system developed to identify an overseas bank account. - The number starts with a two-digit country code, then two numbers, followed by several more alphanumeric characters.
- SWIFT code is usually paired with an IBAN (International Bank Account Number).
- Once the transfer is completed, the bank that receives the money issues a ‘SWIFT message’, a confirmation that funds were received that contains the full information about the transfer.

Source: investopedia.com
৭৯.
ডিজিটাল কন্টেন্ট হতে পারে-
i. এ্যানিমেশন
ii. ইমেজ
iii. অডিও
  1. i ও ii
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
♦ ডিজিটাল  কনটেন্ট:
- ডিজিটাল ডাটা আকারে বিদ্যমান যে কোন কনটেন্টকে ডিজিটাল কন্টেন্ট বলা হয়।
- এটা ডিজিটাল মিডিয়া নামেও পরিচিত।
- টেক্সট যেমন ডিজিটাল কন্টেন্ট এর আওতায় পড়ে তেমনি অডিও-ভিডিও ফাইল, গ্রাফিক্স, এমনকি ইমেজও এর আওতায় পড়ে।
- কন্টেন্ট শিল্পে নিয়োজিত অনেক বিশেষজ্ঞ এই সংজ্ঞার সাথে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেন।
- তাঁরা মনে করেন, যেকোন তথ্যই ডিজিটাল কন্টেন্ট যদি সেটা ডিজিটাল আকারে পাবলিশ করার পর ডাউনলোড ও বিতরণযোগ্য হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উনুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে কোন ধরনের সিগন্যাল পাঠানো হয়?
  1. বৈদ্যুতিক সিগন্যাল
  2. তড়িৎ সিগন্যাল
  3. আলোক সিগন্যাল
  4. যান্ত্রিক সিগন্যাল
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু এক ধরনের প্লাস্টিক কাচের তন্ত্র।
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলোক সিগন্যাল পাঠানো হয়।
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোক সিগন্যাল অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে প্রথমে আলোক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এরপর আলোক সিগন্যালকে অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- অপরপ্রান্তে আলোক সিগন্যালকে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে পরিণত করা হয়।
- এভাবেই অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে সিগন্যাল পাঠানো সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮১.
একটি IPv6 ঠিকানায় কতগুলো বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. 64 বিট
  2. 96 বিট
  3. 256 বিট
  4. 128 বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন ৬, যা IPv4-এর তুলনায় অনেক বড় ঠিকানার স্থান সরবরাহ করে। একটি IPv6 ঠিকানা মোট ১২৮ বিট লম্বা হয়, যা ৮টি হেক্সাডেসিমাল ব্লক আকারে লেখা হয়। প্রতিটি ব্লকে ১৬ বিট থাকে, ফলে ৮ × ১৬ = ১২৮ বিট হয়। এই দীর্ঘ ঠিকানার কারণে IPv6 ইন্টারনেটে কোটি কোটি ডিভাইসকে স্বতন্ত্রভাবে ঠিকানা দেওয়ার সুযোগ দেয়। IPv4 কেবল ৩২ বিট ব্যবহার করেছিল, তাই ঠিকানার ঘাটতি থাকত, কিন্তু IPv6 ১২৮ বিট ব্যবহার করে এই সমস্যা দূর করেছে।
- সুতরাং, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: ঘ) 128 বিট।

আইপি এড্রেস:
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮২.
কোন সংস্থা বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ICANN
  2. Google
  3. WWW
  4. IBM
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সমস্ত আইপি অ্যাড্রেস এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব একটি নির্দিষ্ট সংস্থার। এটি হল ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)। ICANN একটি আন্তর্জাতিক অ-লাভজনক সংস্থা, যা ইন্টারনেটের ডোমেইন নাম সিস্টেম (DNS) এবং আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি ডোমেইন নাম ইউনিক হয় এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিক ওয়েবসাইটে যেতে পারে। Google, WWW বা IBM এই ধরনের নিয়ন্ত্রণ করে না। Google মূলত সার্চ ইঞ্জিন ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, WWW (World Wide Web) একটি ওয়েব প্রযুক্তি, আর IBM একটি প্রযুক্তি কোম্পানি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ICANN.
 
• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৩.
"www.example.gov.bd" - এখানে থার্ড লেভেল ডোমেইন কোনটি?
  1. .example
  2. .gov
  3. .bd
  4. www
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নেইম:
- আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোনো নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলা হয়।
- যেমন: আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নেম www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা হয়।
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে (DNS-Domain Naming System).
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।
- প্রতিটি ডোমেইনের ৪টি অংশ থাকে। যথা-
১. ওয়েব প্রোটোকল,
২. ওয়েব সার্ভারের নাম,
৩. সার্ভারের ডিরেক্টরি নাম এবং
৪. html ফাইল নাম।

- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন .bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে .gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস:
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
WWW stands for
  1. ক) World Whole Web
  2. খ) World Wide Web
  3. গ) Web World Wide
  4. ঘ) Wide World Web
ব্যাখ্যা
WWW এর পূর্ণরুপ হচ্ছে- World Wide Web বা W3 নামেও পরিচিত
এটি হচ্ছে পাবলিক ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের স্থানীয় কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসে অ্যাক্সেস করতে পারে।
এই সাইটটিতে হাইপারলিঙ্কগুলির মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত যা ব্যবহারকারীরা তথ্যের জন্য ক্লিক করে৷

তথ্যসূত্র: Source: Britannica
৮৫.
লাইন বোল্ড করার জন্য কোন ট্যাগ ব্যবহার করা হয়?
  1. < u >
  2. < ul >
  3. < br >
  4. < b >
ব্যাখ্যা
< b >  - লাইন বোল্ড করার জন্য ব্যবহার করা হয় ,
< br > - লাইন ব্রেকের জন্য ব্যবহার করা হয়,
< u > - লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়,
< ul >  - কোন তালিকাকে আন অর্ডার লিস্ট আকারে প্রকাশ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৬.
ECRN-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৮৯
  4. ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- World Wide Web World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার, মজিলা ফায়ারফক্স, নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে ECRN (The European Center for Nuclear Research)-এ।
- ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে MOSAIC নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বহুল প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  2. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
  3. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  4. সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৮.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার?
  1. Aliweb
  2. Nexus
  3. Mosaic
  4. Archie
ব্যাখ্যা
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.
------------
- Archie হলো প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।
- Mosaic একটি ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৯.
ওয়েব ব্রাউজিং এর জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Microsoft Word
  2. Adobe Photoshop
  3. Google Chrome
  4. Numbers
ব্যাখ্যা

◉ ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার, যা HTTP/HTTPS প্রোটোকলের মাধ্যমে ওয়েবপেজ লোড ও প্রদর্শন করে।
Google Chrome হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যা দ্রুত ও নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Browser:
- ব্রাউজার হলো একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন, যেটি ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেটে সক্রিয় ওয়েবসাইট গুলোর ওয়েব সার্ভার এর সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো ওয়েবপেইজ, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অথবা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে অবস্থিত কোনো ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি এবং অন্যান্য তথ্যের অনুসন্ধান করতে পারে, দেখতে পারে।

কিছু উল্লেখযোগ্য ব্রাউজার হল:
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Microsoft Edge,
- Apple Safari,
- Opera,
- Tor Browser,
- UC Browser,
- Waterfox,
- DuckDuckGo Browser (Known for its privacy features, it automatically blocks hidden third-party trackers.)

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Microsoft Word: এটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Adobe Photoshop: এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন ও ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার।
Excel: এটি স্প্রেডশিট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, যা ডাটা অ্যানালাইসিস ও হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯০.
যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) হায়ারারকিক্যাল
  2. খ) নেটওয়ার্ক
  3. গ) লিনিয়ার
  4. ঘ) হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure)
২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure)
৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure)
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure)

১. হায়ারারকিক্যাল বা ট্রি (Hierarchical or Tree structure):
- যে ওয়েবসাইটের পেইজগুলো শাখা-প্রশাখায় সাজানো থাকে তাকে ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল কাঠামো বলা হয়।

২. নেটওয়ার্ক বা ওয়েব লিংকড (Network or Web Linked structure):
- যে ওয়েবসাইটের কাঠামোতে সবগুলো পেইজ থেকে একটি অপরটির সাথে লিংক থাকে তাকে নেটওয়ার্ক কাঠামো বলা হয়।

৩. লিনিয়ার বা সিকুয়েন্স (Linear or Sequence structure):
- কোন ওয়েবসাইটের পেইজগুলো ক্রমানুসারে করার স্ট্রাকচার বা কাঠামোকে লিনিয়ার স্ট্রাকচার বলা হয়।

৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Hybrid or Combination structure):
- একাধিক কাঠামো ব্যবহার করে ডিজাইন করা ওয়েবসাইটকে হাইব্রিড বা কম্বিনেশন স্ট্রাকচার বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯১.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার প্রক্রিয়ায় কোন প্রোটোকল কাজ করে?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার সময় মূলত HTTP (HyperText Transfer Protocol) প্রোটোকল কাজ করে। যখন আপনি ব্রাউজারে কোনো ওয়েবসাইটের URL লিখেন, তখন ব্রাউজারটি HTTP ব্যবহার করে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। এই প্রোটোকলটি ক্লায়েন্ট (আপনার ব্রাউজার) এবং সার্ভার (ওয়েবসাইটের সার্ভার) এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ব্রাউজার HTTP অনুরোধ পাঠায় এবং সার্ভার HTTP রেসপন্সে ওয়েবপেজের HTML, CSS, JavaScript ইত্যাদি ফাইল পাঠায়। অন্য প্রোটোকল যেমন TCP/IP নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য, SMTP ইমেইলের জন্য, আর FTP ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং ওয়েবপেজ দেখার ক্ষেত্রে সঠিক প্রোটোকল হলো HTTP.

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৯২.
নিচের কোনটি ১২৮-বিটের এড্রেস?
  1. IPv4
  2. IPv6
  3. MAC Address
  4. Subnet Mask
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ১২৮-বিটের এড্রেস।

• IP Address:
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

• আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. IPv4 (Internet Protocol Version 4),
২. IPv6 (Internet Protocol Version 6)।

• IPv4:
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

• IPv6:
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান,
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
Which protocol is mainly used for communication over the Internet?
  1. TCP/IP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে যোগাযোগের জন্য প্রধানত TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• Internet:
- Internet হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত (interconnected) কম্পিউটারগুলোর একটি নেটওয়ার্ক।
- এর মাধ্যমে তথ্য, ডেটা ও বিভিন্ন সেবা আদান-প্রদান করা হয়।
- ইন্টারনেট কাজ করে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা protocol অনুসারে।

• TCP/IP (Transmission Control Protocol / Internet Protocol):
- ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের মূল ভিত্তি (core protocol).
- TCP ডেটাকে ছোট ছোট packet-এ ভাগ করে সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করে।
- IP প্রতিটি packet-এর address ও routing নির্ধারণ করে।
- ইন্টারনেটে সব ধরনের যোগাযোগ (web browsing, email, file transfer ইত্যাদি) TCP/IP-এর উপর নির্ভর করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- SMTP → Email পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
1) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
2) Britannica.
3) Computer Hope [Link].

৯৪.
কোনও ই-মেইলে CC এর অর্থ কী?
  1. Carbon copy
  2. Contact Centre
  3. Close circuit
  4. Close contact
ব্যাখ্যা
ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

- Bcc এর মাধ্যমে মেইল একাধিক ব্যাক্তির নিকট পাঠালে সবাই মেইল পাবে, কিন্তু কেউ কারও মেইল এড্রেস দেখতে পাবে না।
- Cc এর মাধ্যমে পাঠালে সবাই মেইল এড্রেস দেখতে পাবে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৯৫.
কোনটি IPv4 এর তুলনায় IPv6 সম্পর্কে সঠিক?
  1. IPv6 ব্যবহার করে 32 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 128 বিট
  2. IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট
  3.  IPv6 কম সংখ্যক ডিভাইস সমর্থন করে IPv4-এর তুলনায় 
  4. IPv6 কেবলমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: খ) IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট।

IPv4 এবং IPv6 হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের দুটি সংস্করণ। IPv4 32-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক ঠিকানা তৈরি করা যায়। এটি বর্তমানে ইন্টারনেটের প্রাথমিক ঠিকানা পদ্ধতি হলেও, ডিভাইসের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় IPv4 ঠিকানার অভাব দেখা দিয়েছে। IPv6 এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে 128-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যা প্রায় অসীম সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা প্রদান করে এবং ভবিষ্যতে ডিভাইসের দ্রুত বৃদ্ধি মেটাতে সক্ষম। এছাড়া IPv6 উন্নত সিকিউরিটি এবং নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন সুবিধাও প্রদান করে। IPv6 শুধুমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য নয়, এটি ইন্টারনেটের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv6 আইপি অ্যাড্রেস ১২৮-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত। 

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

৯৬.
কত সালে ARPANET এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭০
  2. খ) ১৯৮৯
  3. গ) ১৯৮১
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যাবহারের সুযোগ হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৯৭.
WWW এর আবিষ্কারক কে?
  1. বিল গেটস
  2. টিম বার্নার্স-লি
  3. মার্ক জুকারবার্গ
  4. ল্যারি পেইজ
ব্যাখ্যা

◉ WWW (World Wide Web) এর আবিষ্কারক হলেন Sir Tim Berners-Lee.

WWW:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- WWW বলতে আমরা বুঝি, এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নাস লী WWW- এর জনক নামে পরিচিত। 
- তিনি ১৯৮৯ সালে CERN (European Organization for Nuclear Research)-এ কাজ করার সময় প্রথমবারের মতো ওয়েবের ধারণা উপস্থাপন করেন। এরপর তিনি HTML (HyperText Markup Language), HTTP (HyperText Transfer Protocol) এবং URL (Uniform Resource Locator) তৈরি করেন, যা বর্তমানে ইন্টারনেটের ভিত্তি।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) বিল গেটস - তিনি Microsoft Corporation-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
গ) মার্ক জুকারবার্গ - তিনি Facebook-এর প্রতিষ্ঠাতা (বর্তমানে Meta)।
ঘ) ল্যারি পেইজ - তিনি Google-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: 
১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বি এড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। CERN Official Website. 

৯৮.
DNS সার্ভার কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের স্পিড দেখা
  2. ইন্টারনেট ট্রাফিক লুকানো
  3. ইন্টারনেটে ফাইল রাখা
  4. ডোমেইন নাম আইপিতে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

• DNS (Domain Name System) সার্ভারের মূল কাজ হলো ডোমেইন নামকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করা। 

DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

৯৯.
IPv4-এর তুলনায় IPv6 ঠিকানায় কতটি বিট ব্যবহার করা হয়?
  1. IPv6, IPv4-এর চেয়ে কম বিট ব্যবহার করে
  2. IPv6 এবং IPv4 একই সংখ্যক বিট ব্যবহার করে
  3. IPv6, IPv4-এর চেয়ে ২ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে
  4. IPv6, IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• IPv4 এবং IPv6 হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের দুটি সংস্করণ, যা ডিভাইসের জন্য ইউনিক অ্যাড্রেস নির্ধারণ করে। IPv4 ঠিকানায় ৩২ বিট ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক ঠিকানা তৈরি সম্ভব। অন্যদিকে, IPv6 ঠিকানায় ১২৮ বিট ব্যবহৃত হয়, যা অনেক বেশি সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা তৈরি করতে সক্ষম। এটি IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে। IPv6-এর এই দীর্ঘ ঠিকানা স্পেস ভবিষ্যতের ইন্টারনেট ডিভাইস বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) IPv6, IPv4-এর চেয়ে ৪ গুণ বেশি বিট ব্যবহার করে।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০০.
ল্যাংগুয়েজ ফাইল বলতে কোনটিকে বোঝায়?
  1. ক) .js
  2. খ) .php
  3. গ) .html
  4. ঘ) .css
ব্যাখ্যা
ল্যাংগুয়েজ ফাইল বলতে .html কে বোঝায়। 

জাভাস্ক্রিপট বলতে .js কে বোঝায়।
.css এক ধরনের ডেভেলপমেন্টাল টুল। 
.php বলে পিএইচপি ফাইলে বোঝায়। 

HTML এর পূর্ণরুপ হল হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজকে (Hyper text markup language) সংক্ষিপ্ত নাম HTML।
HTML হল একটি কম্পিউটার ভাষা যা একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এবং এটিকে রঙ দিতে বা একে আরো সুন্দরভাবে সাজাতে CSS ব্যবহার করা হয়। 

HTML ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেজ তৈরি করা খুবই সহজ, এর জন্য আপনার দুটি জিনিসের প্রয়োজন – প্রথমটি হল নোটপ্যাডের মতো একটি সাধারণ Text Editor যাতে এইচটিএমএল কোড লেখা যায় এবং দ্বিতীয়টি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স ইত্যাদি বা তাদের মত একটি ব্রাউজার।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।