বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯৯ / ১৪০ · ৯,৮০১৯,৯০০ / ১৪,০৮০

৯,৮০১.
কোন রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে
  2. থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
  3. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
  4. লিউকোমিয়া চিকিৎসায়
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
ব্যাখ্যা
• থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।

- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- এই রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮০২.
উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. ফসফরাস
  4. ম্যাঙ্গানিজ
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন: ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)। 

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮০৩.
ক্ষমতার এস.আই একক কী? 
  1. ও'ম
  2. জুল
  3. ওয়াট
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 

এছাড়া, 
- অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহের একক। 
- ও'ম রোধের একক। 
- জুল শক্তি বা কাজের একক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮০৪.
মানবদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি উৎপন্ন হয়?
  1. C02
  2. H20
  3. ATP
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• মানব শ্বসন:
অক্সিজেন জীবনধারণের অপরিহার্য উপাদান। কোনো প্রাণীই অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারে না। মানবদেহে বাতাসের সাথে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং রক্তের মাধ্যমে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়। দেহকোষে পরিপাক হওয়া খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়া ঘটে, ফলে তাপ এবং শক্তি উৎপন্ন হয়। এই তাপ দেহকে উষ্ণ রাখে এবং প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়। অক্সিজেন এবং খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে বিক্রিয়ার ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। রক্ত উপাদানগুলোকে ফুসফুসে নিয়ে যায়। সেখানে অক্সিজেন শোষিত হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ছেড়ে দেয়। যে প্রক্রিয়া দিয়ে অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করা হয়, তাকে শ্বাসকার্য বলে। যে জৈবিক প্রক্রিয়া জীবকোষের খাদ্যবস্তুকে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে জারিত করে মজুত শক্তিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড নিষ্কাশন করে, তাকে শ্বসন বলে। দেহের ভিতর গ্যাসীয় আদান-প্রদান একবার ফুসফুসে এবং পরে দেহের প্রতিটি কোষে পর্যায়ক্রমে সম্পাদিত হয়। শ্বসনের সরল বিক্রিয়াটি এরকম-

C6H1206 (গ্লুকোজ)  602 (অক্সিজেন)   ⇔   6C02 (কার্বন ডাই-অক্সাইড)  +  6H2O (পানি) +  ATP (শক্তি)

- মানবদেহে শ্বসন প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ও ৬ অণু অক্সিজেনের বিক্রিয়ায় ৬ অণু কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি এবং ATP বা শক্তি     উৎপন্ন হয়।
- প্রশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ এবং নিঃশ্বাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড দেহ থেকে বের করতেই হয়, তা না হলে আমাদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। কারণ তিন-চার মিনিটের বেশি দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বন্ধ থাকলে মৃত্যু অনিবার্য।
- দেহের সচেতন, অচেতন উভয় অবস্থাতেই অবিরাম অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডের নির্গমন চলে। আর সাথে সাথে প্রতিনিয়ত দেহরক্ষার নানাবিধ প্রক্রিয়াও চলতে থাকে, যার ফলে প্রাণী বেঁচে থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৮০৫.
১ ওয়াট-ঘণ্টা সমান কত জুল? 
  1. ৩৬ জুল
  2. ৩৬০ জুল
  3. ৩৬০০ জুল
  4. ৩৬০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
৩৬০০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০০ জুল
ব্যাখ্যা

ওয়াট-ঘন্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা ব্যাপী কাজ করলে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক ওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = এক ওয়াট × এক ঘন্টা 
= এক ওয়াট × 3600 সেকেন্ড 
= 3600 (এক ওয়াট × এক সেকেন্ড) 
= 3600 জুল। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = 3600 জুল। 

তড়িৎ ক্ষমতা হতে তড়িৎ শক্তি: 
- এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে। 
অর্থাৎ, এক ওয়াট = এক জুল/এক সেকেন্ড 
বা, এক জুল = এক ওয়াট × এক সেকেন্ড 
সুতরাং, শক্তি = ক্ষমতা × সময়। 
- যদি এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক সেকেন্ড ব্যাপী কাজ করে তবে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক জুল বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৮০৬.
পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেন কে?
  1. জোনাস সাল্ক
  2. এডওয়ার্ড জেনার
  3. হার্ভে জে অল্টার
  4. ওয়াল্টার রিড
সঠিক উত্তর:
জোনাস সাল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোনাস সাল্ক
ব্যাখ্যা
- জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক প্রথম পোলিও টিকার উদ্ভাবন করেন। এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।
- বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন।
- ১৯৮৯ সালে হার্ভে জে অল্টার হেপাটাইটিস- সি ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
- ওয়াল্টার রিড ১৯০১ সালে সর্বপ্রথম মানবদেহের পীত জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাস আবিষ্কার করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
৯,৮০৭.
‘আয়োডিন’ পাওয়া যায়?
  1. ক) লাইকেনে
  2. খ) মিউকরে
  3. গ) এগারিকাসে
  4. ঘ) শৈবালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
ব্যাখ্যা
- সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
- হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
- তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
৯,৮০৮.
মানবদেহের নাক, কান এবং শ্বাসনালিতে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?
  1. শক্ত হাড়
  2. তরুণাস্থি
  3. টেন্ডন
  4. পেরিটেন্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
ব্যাখ্যা

• টেন্ডন (Tendon): 
- মাংসপেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর ন্যায় শক্ত হয়ে অস্থিগাত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে, এ শক্ত প্রান্তকে টেন্ডন বলে। 
- ঘন শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু দ্বারা টেন্ডন গঠিত। এসব টিস্যু শাখা-প্রশাখাবিহীন, তরঙ্গিত এবং উজ্জ্বল শ্বেততন্তু দ্বারা গঠিত। 
- এরা গুচ্ছাকারে পরস্পর সমান্তরালভাবে বিস্তৃত থাকে। অনেকগুলো তন্তু একত্রে আঁটি বা বান্ডেল তৈরি করে। এদের স্থিতিস্থাপকতা নেই। 
- আঁটিগুলো একত্রে দলবদ্ধ হয়ে আঁটিগুচ্ছ তৈরি করে। আঁটিগুচ্ছগুলো তন্তুময় টিস্যুগুচ্ছ দ্বারা বেষ্টিত হয়ে অধিকতর বড় আঁটিতে শ্রেণিবদ্ধ হয়, একে পেরিটেন্ডিয়াম বলে। 
- টেন্ডন বেশ শক্ত। পেশি বা অস্থির তুলনায় টেন্ডনের ভেঙ্গে বা ছিঁড়ে যাবার সম্ভাবনা অনেক কম। 
- টেন্ডন দেহ কাঠামো গঠন ও দৃঢ়তাদানে, অস্থিবন্ধনী গঠনে সাহায্য করে এবং চাপটানের বিরুদ্ধে যান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। 

• তরুণাস্থি (Cartilage): 
- দেহের অভ্যন্তরের নমনীয়, নরম ও স্থিতিস্থাপক যোজক কলাকে তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ বলে। 
- মানুষের নাক, কান, হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তক, বিভিন্ন অস্থিসন্ধি, শ্বাসনালি, আন্তঃকশেরুকা চাকতি ইত্যাদিতে তরুণাস্থি থাকে। 
- তরুনাস্থির ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন (chondrin) বলে। ইহা অর্ধকঠিন, নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক। 
- এটি মূলত কন্ড্রোসাইট কোষ এবং কোলাজেন/ইলাস্টিন তন্তু দিয়ে গঠিত।
- এটি পেরিকনড্রিয়াম নামক তন্তুময় ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকে।
- এতে রক্তনালী বা স্নায়ু থাকে না, তাই পুষ্টির জন্য আশেপাশের তরলের ওপর নির্ভর করে।
- প্রধানত তিন ধরনের তরুণাস্থি পাওয়া যায়: হায়ালিন, ইলাস্টিক এবং ফাইব্রাস

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮০৯.
ভুট্টা কোন শ্রেনীর উদ্ভিদ?
  1. ক) খাদ্য শস্য
  2. খ) চিনি
  3. গ) আঁশ
  4. ঘ) তেল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) খাদ্য শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাদ্য শস্য
ব্যাখ্যা

আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য উৎপাদন।
বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসব্জি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) বই, প্রঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

৯,৮১০.
HIV ভাইরাস কোন রক্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে?
  1. প্লাজমা
  2. লোহিত রক্ত কোষ 
  3. শ্বেত রক্ত কোষ
  4. অণুচক্রিকা
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কোষ
ব্যাখ্যা

এইডস (Acquired Immune Deficiency Syndrome বা AIDS):
বর্তমান বিশ্বে এইডস একটি মারাত্মক ঘাতক ব্যাধি হিসেবে পরিচিত। 1981 সালে রোগটি আবিষ্কৃত হয়।
Acquired Immune Deficiency Syndrome-এর শব্দগুলোর আদ্যক্ষর দিয়ে এ রোগটির নামকরণ
করা হয়েছে AIDS।
- UNAIDS কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় যে সারা বিশ্বে বর্তমানে প্রায় 40.8 মিলিয়ন মানুষ HIV-এ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রায় 53 শতাংশ হলো নারী।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে HIV/AIDS এর প্রায় সব দেশেই বিস্তার আছে এবং এটি এখনো একটি বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV ভাইরাসের আক্রমণে এইডস হয়।
- HIV ভাইরাস শ্বেত রক্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে (CD4 T-লিম্ফোসাইট নামক শ্বেত রক্তকোষ) এবং এ কোষের এন্টিবডি তৈরিসহ রোগ প্রতিরোধ-সংক্রান্ত কাজে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে শ্বেত রক্ত কোষের সংখ্যা  ও এন্টিবডির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে।
- এই ভাইরাস মানবদেহে সুপ্ত অবস্থায় অনেক দিন থাকতে পারে।
- এই ভাইরাসের আক্রমণে রোগীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যায় বলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে। কারণ এইডস রোগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করার মতো কোনো ঔষধ এখনও আবিষ্কার হয়নি।

• রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহণে অংশ নেয়।
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)।
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে।
- রক্তকোষ তিন ধরনের, যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)।
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহণ করে।
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে।    - অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৮১১.
ইলেকট্রন কী? 
  1. পরমাণুর কেন্দ্রস্থ কণা
  2. একক ধনাত্মক কণা
  3. নিরপেক্ষ বস্তুকণা
  4. একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা
সঠিক উত্তর:
একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- ইলেকট্রনের ভর অতি সামান্য। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা। 
ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 
- ইলেকট্রনের সংকেত e-
- ইলেকট্রনের আসল ভর ৯.১১×১০-২৮ গ্রাম ও প্রকৃত আধান - ১.৬০×১০-১৯ কুলম্ব. 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান - ১ । 

উৎস: রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮১২.
প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) লিপিড
  2. খ) সাইট্রিক অ্যাসিড
  3. গ) অ্যামাইনো এসিড
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা

• অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। আমিষ পরিপাক হওয়ার পর তা অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
দেহগঠনে আমিষ সহায়তা করে থাকে। এ পর্যন্ত আমাদের শরীরে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড ৮টি। এগুলো হলঃ 
- লাইসিন
- ট্রিপেটোফ্যান
- মিথিওনিন
- ভ্যালিন
- লিউসিন
- আইসোলিউসিন
- ফিনাইল অ্যালানিন ও
- থ্রিওনাইন।
সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

৯,৮১৩.
AC কারেন্টকে DC কারেন্টে পরিণত করার কাজটি কোন যন্ত্রের মাধ্যমে করা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেকটিফায়ার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার (Rectifier) হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) বা পরিবর্তী প্রবাহকে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বা একমুখী প্রবাহে রূপান্তরিত করে।

রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮১৪.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ওডোমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ক্রনোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
ব্যাখ্যা

- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

আরোও কিছু গূরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৯,৮১৫.
মানবদেহে লসিকার পরিমাণ কোনটি?
  1. ক) ১-২লিটার
  2. খ) ৩-৪লিটার
  3. গ) ৪-৫লিটার
  4. ঘ) ৫-৬লিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ১-২লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১-২লিটার
ব্যাখ্যা
লসিকা:
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে।
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক।
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে।
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি।
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৮১৬.
পাললিক শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. ল্যাকোলিথ
  2. মার্বেল
  3. চুনাপাথর
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন: বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।

• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks) উদাহরণ- ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।

• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks)উদাহরণ- : মার্বেল, কোয়ার্টজাইট, স্লেট, নিস

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৯,৮১৭.
এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ঢাললে ক্রমান্বয়ে চিনির দানার অনুগুলো গ্লাসের সমস্ত পানিতে ছড়িয়ে পড়ে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. সালোকসংশ্লেষণ
  2. ব্যাপন
  3. প্রস্বেদন
  4. অভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
• ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ করার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত হয়ে ঘনত্বের পার্থক্যে সমতা না আসা পর্যন্ত ব্যাপন চলতে থাকে এবং তারপর বন্ধ হয়ে যায়।
- এক গ্লাস পানিতে এক চামচ চিনি ঢাললে ক্রমান্বয়ে চিনির দানার অনুগুলো গ্লাসের সমস্ত পানিতে ছড়িয়ে পড়ে এই প্রক্রিয়ায়

• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয়বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- উদ্ভিদ তার মূল দিয়ে মাটি হতে পানি শোষণ করে থাকে এবং এ পানিই কান্ড, শাখা-প্রশাখা, পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গে স্থানান্তরিত হয়।

• অভিস্রবণ:
- কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে।
- দুটো দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- অভিস্রবন এক প্রকার ব্যাপন।
- অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।

• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ কোষে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, পরিবেশের বায়ুমণ্ডল থেকে গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মূল দ্বারা শোষিত জলের বিক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যের সংশ্লেষ ঘটে এবং গৃহীত কার্বন ডাইঅক্সাইডের সমপরিমাণ অক্সিজেন প্রকৃতিতে নির্গত হয়, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, Live MCQ লেকচার শীট।
৯,৮১৮.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট তত্ত্ব অনুসারে প্রাচীনকালে পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশ মিলিত হয়ে একটি মহাদেশ গঠন করেছিল, যার নাম ছিল-
  1. গন্ডোয়ানা
  2. ইউরেশিয়া
  3. প্যানজিয়া
  4. অ্যাবাকাস
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা
• টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৮১৯.
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের কোন ধাপে ক্রোমিয়াম ধাতু তরল বর্জ্যে যুক্ত হয়?
  1. ট্যানিং
  2. লাইমিং
  3. সিক্তকরণ
  4. কিউরিং
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যানিং
ব্যাখ্যা
চামড়া শিল্পের দূষকসমূহ: 
- সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী শিল্প কারখানার মধ্যে চামড়া শিল্প অন্যতম। 
- চামড়া শিল্পের বিভিন্ন ধাপে উৎপন্ন দূষক পদার্থ সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো - 

১। সিক্তকরণ (Soaking): 
- এ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন তরল বর্জ্যে প্রচুর পরিমাণ NaCl দ্রবীভূত প্রোটিন, জৈব পদার্থ, ধূলা-বালি, ময়লা, গোবর ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে। 
- এগুলো পঁচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি করে ফলে বায়ু দূষণ ঘটে। 
- অধিকন্তু বর্জ্যে বিদ্যমান NaCl ও রাসায়নিক দ্রব্য পানি ও মাটির দূষণ ঘটায়। 

২। লাইমিং (Liming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে ক্ষার, সালফাইড, CaCO3 প্রোটিন, কতিপয় ধাতব আয়ন উপস্থিত থাকে এবং পানিকে দূষিত করে। 

৩। ডিলাইমিং (Deliming): 
- এ ধাপে বর্জ্যে অ্যামোনিয়াম দ্রবণের আধিক্যের ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৪। ট্যানিং (Tanning): 
- এ ধাপে বর্জ্য অম্লীয় প্রকৃতির হয় এবং Cr এর পরিমান বৃদ্ধি পায় ফলে পানি দূষণ ঘটে। 

৫। রংকরণ (Colouring): 
- এ ধাপে বর্জ্যে বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থ, তৈল, গ্রিজ ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে ফলে মাটি দূষণ ও পানি দূষণ ঘটে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮২০.
নিচের কোনটি আবেশের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দূর প্রান্তে বিপরীতধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
  2. খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
  3. গ) নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর সমধর্মী।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
ব্যাখ্যা
আবেশের বৈশিষ্ট্য:

- স্পর্শ ছাড়া আহিত বস্তুর (আবেশী বস্তু) প্রভাবে আধানহীন বস্তু (আবিষ্ট বস্তু) আহিত হবার ঘটনাকে আবেশ বলে।
- আবেশ প্রক্রিয়ায় আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তুর নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর বিপরীতধর্মী এবং দূর প্রান্তে সমধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তু সরিয়ে নিলে আবিষ্ট বস্তু আধানহীন হয়ে পড়ে।
- আগে আবেশ হয় পরে আকর্ষণ হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮২১.
ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পদার্থকে কতটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পদার্থকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। অপরিবাহী, অর্ধপরিবাহী এবং অন্তরক।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৮২২.
তামাকে উপস্থিত সবচেয়ে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ কোনটি?
  1. মিথানল
  2. নিকোটিন
  3. ইথানল
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
নিকোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোটিন
ব্যাখ্যা

নিকোটিন হলো তামাকে উপস্থিত সবচেয়ে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর পদার্থ।
- এটি একটি শক্তিশালী নিউরোটক্সিন (স্নায়ুবিষ)।
- অত্যন্ত আসক্তিকারক পদার্থ - হেরোইনের চেয়েও বেশি আসক্তি সৃষ্টি করে।
- স্নায়ুতন্ত্রের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে, হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধি করে
রক্তনালী সংকুচিত করে।
- মাত্র ৫০-৬০ মিলিগ্রাম একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে।
- হার্টের সমস্যা, ফুসফুসের ক্যান্সার, স্ট্রোক, এবং অন্যান্য শ্বাসনালী রোগ মূলত নিকোটিনসহ তামাকের রাসায়নিক যৌগগুলো দ্বারা ঘটে।

• ধুমপান:
- ধুমপান হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণ প্রক্রিয়া।
- ধুমপায়ী যে অবস্থায় জলন্ত সিগারেট বা বিড়ি থেকে উদ্ভুত ধোঁয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে টেনে সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করায় তাকে সক্রিয় ধুমপান বলে।
- অপরদিকে ধুমপানের সময় ধোঁয়ার যে অংশ চারপাশের পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনৈচ্ছিকভাবে মানুষের দেহে নিশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে তাকে নিষ্ক্রিয় ধুমপান বলে।
- ধুমপানে সৃষ্ট ধোয়াতে প্রায় ৫০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে।
- তামাকের মধ্যে ক্ষতিকর উপাদানগুলো হলো নিকোটিন, টার ও কার্বন মনো-অক্সাইড।

• ধুমপানের প্রভাব:
১। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত নিকোটিন ও টার ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে; কার্বন মনোক্সাইড শ্বাসনালীতে ব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে।
২। ধুমপানের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আয়তন বেড়ে যায়।
৩। ধোয়ার প্রভাবে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর ফেটে গিয়ে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে ফলে শ্বসনতল কমে গিয়ে গ্যাস বিনিময়ে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করে এ অবস্থাকে এমফাইসিমা বলে।
৪। কার্বন মনোক্সাইড এর বৃদ্ধি ঘটে এবং রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে।

উৎস:
১। প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯,৮২৩.
Plasmodium vivax এর জীবনচক্রেমানবদেহে সংঘটিত চক্রটি হলো-
  1. অযৌন চক্র
  2. যৌন চক্র
  3. সুস্থাবস্থা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অযৌন চক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযৌন চক্র
ব্যাখ্যা

• Plasmodium vivax এর জীবনচক্রেমানবদেহে সংঘটিত চক্রটি হলো- অযৌন চক্র। 

Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে মানবদেহে সংঘটিত চক্র:
- Plasmodium vivax নামক ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র দুটি পোষকে সম্পন্ন হয়—মানবদেহ ও স্ত্রী এনোফিলিস মশা।
- মানবদেহে এই পরজীবী কেবল অযৌনভাবে বংশবিস্তার করে।
- মানবদেহে প্রবেশের পর স্পোরোজয়াইট প্রথমে যকৃতে (লিভার) প্রবেশ করে এবং সেখানে অযৌন বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়।
- পরে এটি রক্তের লোহিত কণিকায় (RBC) প্রবেশ করে এবং পুনরায় অযৌন বিভাজনের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
- এই অযৌন বিভাজনের ফলেই ম্যালেরিয়ার উপসর্গ যেমন—জ্বর, কাঁপুনি, ঘাম ইত্যাদি দেখা যায়।

যৌন চক্র (Sexual Cycle):
- Plasmodium vivax এর যৌন চক্র মানবদেহে সংঘটিত হয় না।
- যৌন চক্র সম্পন্ন হয় স্ত্রী এনোফিলিস মশার দেহে।
- মানবদেহে তৈরি হওয়া গ্যামেটোসাইট মশার দেহে প্রবেশ করার পর সেখানে যৌন প্রজনন ঘটে।

সুস্থাবস্থা:
- সুস্থাবস্থা মানবদেহে Plasmodium vivax এর জীবনচক্রের কোনো ধাপ নয়।
- এটি পরজীবীর জীবনচক্রের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

- সুতরাং, Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে মানবদেহে যে চক্রটি সংঘটিত হয় তা হলো অযৌন চক্র।
- সঠিক উত্তর: ক) অযৌন চক্র। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৯,৮২৪.
ভূপৃষ্ঠে কোন বস্তুর ভর X হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে তার ভর কত হবে?
  1. X
  2. X/6
  3. 6X
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
X
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X
ব্যাখ্যা
• ভর (Mass) এবং ওজন (Weight) -এ দুটি আলাদা জিনিস।

• ভর:
- কোনো বস্তুর মধ্যে মোট পদার্থের পরিমাণকে ভর বলে।
- ভর সর্বদা ধ্রুব (constant) থাকে।
- অর্থাৎ, একটি বস্তুর ভর পৃথিবী, চাঁদ বা মহাকাশ যেখানেই যান না কেন পরিবর্তিত হয় না।
-তাই, যদি ভূপৃষ্ঠে ভর হয় X, তবে চন্দ্রপৃষ্ঠেও ভর হবে ঠিক X।

- ওজন হলো কোনো বস্তুর উপর মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে প্রয়োগকৃত বল।
- ওজন পরিবর্তিত হয়।

- চাঁদে মহাকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় 1/6 অংশ।
- তাই  চাঁদে বস্তুটির ওজন হবে-  X/6।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮২৫.
নিচের কোন ধাতুটি সবচেয়ে দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হবে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) দস্তা
  3. গ) রূপা
  4. ঘ) সোনা
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
ব্যাখ্যা

ধাতু ক্ষয় হওয়ার সাধারণ পদ্ধতি হলো মরিচা পড়া।
কোন ধাতু বা ধাতু সংকর পরিবেশের উপাদান, যেমন অক্সিজেন ও পানির সাথে রাসায়নিক ক্রিয়ায় ক্ষয় হয়।
এই ক্ষয় হওয়ার হার নির্ভর করে ধাতুর সক্রিয়তার উপর।
সাধারণত সক্রিয় ধাতুসমূহ দ্রুত ক্ষয় হয়।

অপশনগুলোতে বিদ্যমান ধাতুগুলোর সক্রিয়তার ক্রম-
অ্যালুমিনিয়াম (Al) >দস্তা (Zn) > লোহা (Fe) > তামা (Cu) >সিলভার (Ag) > সোনা (Au).

• এখানে অ্যালুমিনিয়াম (Al) এর সক্রিয়তা বেশি হওয়া সত্বেও দস্তা বা জিঙ্কের ক্ষয় বেশি হয়। 
কারণ, আলুমিনিয়াম বাতাসের সংস্পর্শে আসলে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে এর উপর অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডের একটি আস্তরণ সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে বাতাসের অক্সিজেন উক্ত আস্তরন ভেদ করে আর অ্যালুমিনিয়াম এর সংস্পর্শে আসতে পারে না। কপারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে।
ফলে, বাতাসের সংস্পর্শে অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে দস্তার ক্ষয় বেশি হয়।

তবে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে অ্যালুমিনিয়াম বিভিন্ন পরিবেশে দস্তার চেয়ে দ্রুত ক্ষয় হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
> ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নোনা জলের পরিবেশে অ্যালুমিনিয়াম দস্তার চেয়ে বেশি দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
> আমেরিকান ওয়াটার ওয়ার্কস অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে পানীয় জলের সিস্টেমে অ্যালুমিনিয়াম জিঙ্কের চেয়ে দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

[যেহেতু প্রশ্নে কোন পরিবেশে ক্ষয়প্রাপ্ত হবে সেটা উল্লেখ নেই, তাই স্বাভাবিকভাবে বাতাসের সংস্পর্শে ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।
সে অনুসারে সঠিক উত্তর হবে দস্তা বা জিঙ্ক।]

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। (২০১৫ শিক্ষাবর্ষ)

৯,৮২৬.
ফোটন কণার প্রথম ধারণা পাওয়া যায় আইনস্টাইনের কোন তত্ত্বে?
  1. ক) স্পেসাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  2. খ) জেনেরাল থিউরি অফ রিলেটিভিটি
  3. গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
  4. ঘ) কোয়ান্টাম থিউরি
সঠিক উত্তর:
গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্ট
ব্যাখ্যা

ফোটন কণার ধারনাটি প্রথম পাওয়া যায় ১৯০৫ সালে যখন আইন্সটাইন ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের ব্যাখ্যা দেন।
সোর্সঃ ব্রিটানিকা।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (HSC Programm), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮২৭.
পানিতে কোনটি কলয়েড তৈরি করবে?
  1. ক) চিনি
  2. খ) অ্যালকোহল
  3. গ) সাবান
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাবান
ব্যাখ্যা
কলয়েড:
- যে ধরনের মিশ্রণে অতি ক্ষুদ্র কোনো বন্তকণা অপর বস্তকণার মাঝে সাসপেন্ডেড বা ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং রেখে দিলে কখনই কোনো তলানি পড়ে না তাকে বলা হয় কলয়েড।
- কলয়েডে বিদ্যমান উপাদানগ্তলো একটি আরেকটিতে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু ছড়িয়ে থাকে।
- কলয়েডে যেটি প্রধান উপদান বা পরিমাণে বেশি থাকে, তাকে বলে অবিচ্ছিন ফেজ বা দশা।
- আর যেটি কম পরিমাণে থাকে বা ছড়িয়ে থাকে, তাকে বলে ডিসপারসড ফেজ বা দশা।
- উদাহরণ: ধোঁয়া, কুয়াশা, মেঘ, দুধ, সাবানের ফেনা, চা, কফি, রক্ত ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৯,৮২৮.
ফরমালিনের জলীয় দ্রবণে মিথান্যালের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ৪০ ভাগ
  2. ৬০ ভাগ
  3. ৭৫ ভাগ
  4. ৯০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪০ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ভাগ
ব্যাখ্যা
ফরমালিন: 
- মিথান্যালের জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 
- পরিমাণ হিসেবে ফরমালিনে ৪০% মিথান্যাল, ৫২% পানি ও ৪% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে। 

রেকটিফাইড স্পিরিট: 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 

মেথিলেটেড স্পিরিট: 
- ইথানলকে পানের অযোগ্য বা অসেবনীয় করার উদ্দেশ্যে রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল মিশ্রিত করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

পাওয়ার অ্যালকোহল: 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে ৩০% ইথানলকে যোগ করে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে পাওয়ার অ্যালকোহন বলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮২৯.
নাইট ভিশন ক্যামেরায় রাতে অন্ধকারে দেখার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
• নাইট ভিশন ক্যামেরা:
- নাইট ভিশন ক্যামেরাগুলি প্রধানত অবলোহিত রশ্মি (Infrared Radiation) ব্যবহার করে অল্প আলো বা সম্পূর্ণ অন্ধকারের মধ্যে ছবি ধারণ করতে পারে।
- এই ক্যামেরাগুলি বিভিন্ন বস্তুর দ্বারা নির্গত তাপ (Heat) সনাক্ত করে এবং সেটিকে দৃশ্যমান চিত্রে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো সাধারণত সামরিক, নিরাপত্তা (Security), এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ (Wildlife Observation) কাজে ব্যবহৃত হয়।
নাইট ভিশন প্রযুক্তি মূলত দুটি উপায়ে কাজ করে—
- আলো বৃদ্ধি (Image Intensification): বিদ্যমান আলো (যেমন চাঁদের আলো বা তারার আলো) বাড়িয়ে একটি পরিষ্কার চিত্র তৈরি করে।
- তাপীয় ইমেজিং (Thermal Imaging): বস্তুগুলোর দ্বারা নির্গত অবলোহিত রশ্মি শনাক্ত করে এবং সম্পূর্ণ অন্ধকারেও দৃশ্যমান ছবি তৈরি করে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পূর্ণ অন্ধকারেও বস্তু বা প্রাণীকে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
-  এছাড়াও টিভি রিমোটে অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: NASA - Infrared Light & Its Uses.লিংক
৯,৮৩০.
'মধুবালা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তরমুজ
  2. মরিচ
  3. তামাক
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
ব্যাখ্যা

- মধুবালা' তরমুজের একটি উচ্চ ফলনশীল জাত:
- তরমুজের জাত:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

অপরদিকে,
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৯,৮৩১.
গাছের শিকড় কেটে ফেলার প্রক্রিয়াটিকে কি বলে?
  1. ক) রুট ট্রেনিং
  2. খ) রুট হার্ডেনিং
  3. গ) রুট প্রুফিং
  4. ঘ) রুট প্রুনিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুট প্রুনিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুট প্রুনিং
ব্যাখ্যা
গাছের শিকড় কেটে ফেলার প্রক্রিয়াটিকে  রুট প্রুনিং বলে। 

সাধারণত গাছের কোন অংশ যেমন ডাল, পাতা, ফুল, ফল, মূল ইত্যাদি কেটে সরিয়ে ফেলাকে প্রুনিং বলে।
প্রুনিং গাছের বিভিন্ন শারীরবৃত্তিক কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে ফল ধারণ ও ফলের মান উন্নত করে।
পুষ্পধারণ, ফলায়ন, ও ফলের গুণগত মান উন্নত করার উদ্দেশ্য নিয়েই প্রুনিং করা হয়।
যদিও সব ধরনের ট্রেনিংকে প্রুনিং বলা হয়, কিন্তু সব ধরনের প্রুনিং ট্রেনিং নয়।

সূত্র- পোর্টল্যান্ড ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৯,৮৩২.
রিবোফ্লাভিনের অভাবজনিত মূল সমস্যা কোনটি? 
  1. রক্তশূন্যতা দেখা দেয়
  2. ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়
  3. ক্ষতস্থান শুকাতে দেরি হয়
  4. অস্থি ও দাঁতের গঠন দুর্বল হয়
সঠিক উত্তর:
ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠোঁটের কোণে ও জিহ্বায় ঘা হয়
ব্যাখ্যা
রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি উৎস: 
- কমলা ও হলুদ বর্ণের শাকসবজি যেমন- মিষ্টি কুমড়া, পাকা পেঁপে, কুমড়োর ফুল, ডিমের কুসুম, দুধ, বাদাম, যকৃত রিবোফ্লাভিনের ভালো উৎস। 

অভাবজনিত অবস্থা: 
- রিবোফ্লাভিন বা ভিটামিন বি এর অভাবে জিহ্বায়, ঠোঁটের কোণায় ও মুখের ভিতরে ঘা দেখা দেয়। 
- ত্বক খসখসে হয়ে যায়। 
- ভিটামিন বি২ অভাবে মুখে ঘা হতে পারে। 

দৈনিক চাহিদা: 
- প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের দৈনিক ১.৭ মিলিগ্রাম ও নারীর ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 
- শিশুদের দৈনিক ০.৮ মিলিগ্রাম এবং কিশোর কিশোরীদের যথাক্রমে ২.০ মিলিগ্রাম ও ১.৩ মিলিগ্রাম প্রয়োজন। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৩৩.
নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
  1. ক) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
  2. খ) নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
  3. গ) গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
  4. ঘ) পাল ব্যবহার করে
সঠিক উত্তর:
ক) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
ব্যাখ্যা
বলের অনুভূমিক উপাংশ নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং উল্লম্ব উপাংশ নৌকাটিকে পাড়ের দিকে টানে। কিন্তু নৌকার হাল দ্বারা উল্লম্ব উপাংশ প্রতিহত করা হয়। গুণ যত লম্বা হয়, নৌকা তত তাড়াতাড়ি নৌকা সামনে এগিয়ে যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮৩৪.
বায়ুমন্ডলে যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়-
  1. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. ট্রাপোস্ফিয়ার
  3. আয়োনোস্ফিয়ার
  4. ওজোন স্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োনোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োনোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• তাপমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।
- এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত।
- এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
- তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল (Ionosphere) নামে পরিচিত।
- আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত।
- আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৩৫.
বায়ুমণ্ডলের আর্গনের শতকরা অংশ কত? 
  1. o.৮০ 
  2. ০.০৩ 
  3. ০.৪১ 
  4. ০.০০০১
সঠিক উত্তর:
o.৮০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
o.৮০ 
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
আর্গন ⇒ o.৮০
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৩৬.
স্টারশিপ রকেটের জন্য কোন মহাকাশ কোম্পানি প্রথমবারের মত "capture on return" মাইলফলক অর্জন করেছে?
  1. NASA
  2. Blue Origin
  3. Virgin Galactic
  4. SpaceX
সঠিক উত্তর:
SpaceX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SpaceX
ব্যাখ্যা
১. SpaceX:
- এটি ইলন মাস্ক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানি।
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৪) স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে তার লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়েছে, যা একটি নতুন মাইলফলক।

২. NASA:
- যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ সংস্থা, কিন্তু তাদের স্টারশিপ রকেটের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- তারা বিভিন্ন মহাকাশ মিশনে কাজ করে, কিন্তু এই বিশেষ মাইলফলকে নেই।

৩. Blue Origin:
- জেফ বেজোস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি মহাকাশ কোম্পানি, যা রকেট উৎক্ষেপণ এবং মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করে।
- তারা এই মাইলফলক অর্জন করেনি, বরং তাদের নিজস্ব প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।

৪. Virgin Galactic:
- রিচার্ড ব্র্যানসনের প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানি, যা মহাকাশ পর্যটন নিয়ে কাজ করছে।
- তাদের লক্ষ্য মহাকাশে পর্যটন সেবা প্রদান করা, কিন্তু তারা স্টারশিপ রকেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।

সারসংক্ষেপ:
- SpaceX একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে যেখানে তাদের স্টারশিপ রকেটের একটি অংশ সফলভাবে লঞ্চ প্যাডে ফেরার সময় ধরা পড়ে। অন্যান্য কোম্পানিগুলি এই অর্জনে ভূমিকা রাখেনি।

সূত্র: BBC [লিংক]
৯,৮৩৭.
দুটি স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য ৯০ ডিগ্রি হলে সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ক) ৪ মিনিট
  2. খ) ৪ ঘন্টা
  3. গ) ৫ ঘন্টা
  4. ঘ) ৬ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। সেজন্যেই বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল)

৯,৮৩৮.
কোন খাদ্য উপাদান পানি শোষণ ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে?
  1. রাফেজ
  2. স্নেহ
  3. খনিজ লবণ
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
রাফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাফেজ
ব্যাখ্যা
খাদ্যের উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বে গঠিত। এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- যেহেতু এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- অধিকাংশ খাদ্যে একাধিক খাদ্য উপাদান থাকে। 
- কোনে খাদ্যে যে উপাদানটি বেশি পরিমাণে থাকে, তাকে সেই উপাদানের খাদ্য হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(১) আমিষ: দেহের বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে। 
(২) শর্করা: দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
(৩) স্নেহ ও চর্বিজাতীয় খাদ্য: দেহে তাপ এবং শক্তি উৎপাদন করে। 
- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
(৪) খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপন যোগায়। 
(৫) খনিজ লবণ: বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
(৬) পানি: দেহে পানি এবং তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি ন জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
(৭) খাদ্য আঁশ (Fibre) বা রাফেজ: রাফেজ পানি শোষণ করে, মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৩৯.
জীবদেহের প্রধান উপাদান-
  1. রাইবোজোম
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. নিউক্লিয়াস
  4. ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোজোম
ব্যাখ্যা

- জীবদেহের প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৮৪০.
ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল-
  1. hλ/c
  2. hc/λ
  3. cλ/h
  4. chλ
সঠিক উত্তর:
hc/λ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hc/λ
ব্যাখ্যা
◉ ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হলো- E = hc/λ 
 
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে। 

• প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ. 
বা, E = hf 
বা, E = h × c/λ 
E = hc/λ 

এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪১.
'Imagination is more important than knowledge' বলেছেন-
  1. ক) উইনস্টন চার্চিল
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) চার্লস ডারউইন
  4. ঘ) এরিস্টোটল
সঠিক উত্তর:
খ) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
জার্মান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন, 'Imagination is more important than knowledge' অর্থাৎ কল্পনাশক্তি জ্ঞান অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। উৎস: আইনস্টাইন বিখ্যাত উক্তি সমূহ।
৯,৮৪২.
কর্নিয়ার পিছনে অস্বচ্ছ আবরণকে কী বলা হয়?
  1. ক) রেটিনা
  2. খ) আইরিশ
  3. গ) রড
  4. ঘ) কোন
সঠিক উত্তর:
খ) আইরিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইরিশ
ব্যাখ্যা
চোখ:

- কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়।
- একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক।
- গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল।
- শ্বেতমন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া।
- শ্বেতমন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল।
- আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়।
- অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে।
- এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৩.
জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা কেমন হয়? 
  1. দেহ কোষের অর্ধেক (n)
  2. দেহ কোষের দ্বিগুণ (2n)
  3. দেহ কোষের তিনগুণ (3n)
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
দেহ কোষের অর্ধেক (n)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহ কোষের অর্ধেক (n)
ব্যাখ্যা

জনন কোষে (শুক্রাণু বা ডিম্বাণু) ক্রোমোসোম সংখ্যা হ্যাপ্লয়েড (n) বলা হয়। হ্যাপ্লয়েড বলতে বোঝায় দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক।
- জীবের দেহকোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা সাধারণত ডিপ্লয়েড বা 2n থাকে। কিন্তু জনন কোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) তৈরির সময় মিয়োসিস (Meiosis) নামক বিশেষ কোষ বিভাজন ঘটে। এই বিভাজনে মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যা হ্রাস পেয়ে অর্ধেক হয়ে যায়। একে হ্যাপ্লয়েড (n) অবস্থা বলে। এর ফলে নিষেকের পর যখন দুটি জনন কোষ মিলিত হয়, তখন জাইগোটে ক্রোমোসোম সংখ্যা পুনরায় নির্দিষ্ট (n + n = 2n) থাকে।

• কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান। তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন "Cell"। 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

• কোষের প্রকারভেদ: 
(ক) অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) দেহ কোষ এবং (ii) জনন কোষ। 
(i) দেহ কোষ: 
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
যেমন- পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি। 
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে। তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড (2n) কোষ বলা হয়। 

(ii) জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
যেমন- শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক। তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ বলা হয়। 

(খ) নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) আদি কোষ এবং (ii) প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৪৪.
আলোর প্রতিসরণ কী? 
  1. আলো প্রতিফলিত হয়
  2. আলো সবসময় সরলরেখায় চলে
  3. আলো শুধুমাত্র ঘন মাধ্যমের ভেতর দিক পরিবর্তন করে
  4. আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গেলে দিক পরিবর্তন করে
ব্যাখ্যা
আলোর প্রতিসরণ: 
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি তার গতিপথের দিক পরিবর্তন করে, আলোক রশ্মির এই দিক পরিবর্তনকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- একটি নির্দিষ্ট স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরল রেখায় চলে, কিন্তু অন্য মাধ্যমে প্রবেশের সাথে সাথেই এটি মাধ্যমের অলোকীয় বৈশিষ্ট্য অনুসারে দিক পরিবর্তন করে। 
উল্লেখ্য যে, 
- লম্বভাবে আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় এর গতিপথের কোনো দিক পরিবর্তন হয় না। 

আলোর প্রতিসরণের নিয়ম: 
- আলোক রশ্মি যখন হালকা মাধ্যমে থেকে ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্বের দিকে সরে আসে। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ আপেক্ষা বড় হয়। 
- আলোকরশ্মি প্রথমে একটি মাধ্যম থেকে (যেমন বায়ু) অন্য মাধ্যমে (কাঁচ) প্রতিসরিত হওয়ার পর পুনরায় একই মাধ্যমে (বায়ু) নির্গত হলে আপতন কোণ ও নির্গমন কোণ সমান হয়। 
- আপতিত রশ্মি, প্রতিসরিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে। 
- এছাড়াও আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ অপেক্ষা ছোট হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন অভিলম্ব বরাবর আপতিত হয় তখন আপতন কোণ, প্রতিসরণ কোণ ও নির্গত কোণের মান শূন্য হয়। এক্ষেত্রে আপতিত রশ্মির দিক পরিবর্তন হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৮৪৫.
নিচের কোনটি একটি আদর্শ ফুল?
  1. ক) লাউ
  2. খ) কুমড়া
  3. গ) ধুতুরা
  4. ঘ) শসা
সঠিক উত্তর:
গ) ধুতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধুতুরা
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।

এবং এর যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৮৪৬.
গ্যাসীয় পদার্থ নয় কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. অক্সিজেন
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৪৭.
নিচের কোন পরিবেশে লোহার ক্ষয় সবচেয়ে দ্রুত হয়?
  1. শুষ্ক বায়ু
  2. আর্দ্র বায়ু
  3. তেলের আবরণ
  4. নিষ্ক্রিয় গ্যাসে
সঠিক উত্তর:
আর্দ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দ্র বায়ু
ব্যাখ্যা
• লোহার মরিচা ধরা একটি ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল করোশন প্রক্রিয়া। 
- লোহা (iron) যখন আর্দ্র বায়ু বা আর্দ্র পরিবেশে থাকে, তখন তার ক্ষয় (corrosion) সবচেয়ে দ্রুত হয়। এই প্রক্রিয়াকে মরিচা বা জং ধরা বলা হয়।
- আর্দ্র বায়ুতে পানি ও অক্সিজেন উপস্থিত থাকে, যা লোহার সাথে প্রতিক্রিয়া করে লোহা অক্সাইড (Fe₂O₃·xH₂O) বা জং তৈরি করে।
- আর্দ্রতা বা পানি উপস্থিত থাকলে, লোহা দ্রুত অক্সিডাইজড হয়, যার ফলে ক্ষয় আরও দ্রুত হয়।


ধাতুর ক্ষয়রোধের পদ্ধতি: 
- অ্যানোডিক সুরক্ষা: জিংক প্রলেপ (গ্যালভানাইজিং)।
- ক্যাথোডিক সুরক্ষা: বিদ্যুৎপ্রবাহ প্রয়োগ। 
- অ্যালয় গঠন: স্টেইনলেস স্টিল (Cr + Ni মিশ্রণ)। 

অন্যদিকে, 
শুষ্ক বায়ু: এখানে আর্দ্রতা নেই, তাই ক্ষয় কম হয়।

তেলের আবরণ: তেল লোহার উপর একটি আবরণ সৃষ্টি করে, যা লোহাকে বাতাস এবং আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে।

নিষ্ক্রিয় গ্যাসে: এখানে কোনো প্রতিক্রিয়া না হওয়ায় লোহা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।


তথ্যসূত্র:
- রসায়ন,  নবম-দশম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী। 
৯,৮৪৮.
শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ কী?
  1. বস্তুর প্রসারণ
  2. বস্তুর কম্পন
  3. মাধ্যমের সংকোচন
  4. মাধ্যমের প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
ব্যাখ্যা

• শব্দের উৎপত্তির মূল কারণ হলো বস্তুর কম্পন।

• শব্দ (Sound):
- যা শোনা যায় তাই শব্দ।
- শব্দ এক প্রকার শক্তি।
- শব্দ আমাদের শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে শোনার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- শব্দ শক্তি তরঙ্গাকারে এক স্থান বা বিন্দু থেকে অন্য স্থান বা বিন্দুতে সঞ্চারিত হয়।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• শব্দের উৎপত্তি:
- কোনো বস্তুকে আঘাত করলে তা কম্পিত হয়।
- এই কম্পনের ফলেই শব্দ উৎপন্ন হয়।
- একটি ধাতব পাত্রে আঘাত করলে “ঝন্-ঝন্” শব্দ শোনা যায়।
- কিছুক্ষণ পরে কম্পন বন্ধ হলে শব্দও থেমে যায়।
- পাতলা কাগজের সামনে জোরে ফুঁ দিলে কাগজ কাঁপে এবং শব্দ হয়।
- ফুঁ দেওয়া বন্ধ করলে কাগজের কম্পন ও শব্দ উভয়ই বন্ধ হয়।
- পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে বস্তুর কম্পন থেকেই শব্দের সৃষ্টি হয়।

• শব্দের সঞ্চালন প্রক্রিয়া:
- কোনো মাধ্যমে কোনো বিন্দুতে কম্পন সৃষ্টি হলে মাধ্যমের কণাগুলি আন্দোলিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়।
- তরঙ্গ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়।
- পার্শ্ববর্তী কণাগুলিও পর্যায়ক্রমে আন্দোলিত হয়।
- এভাবে শব্দ তরঙ্গ আমাদের কানে পৌঁছে।
- কানের ভেতরে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয়।
- আমরা তখন শব্দ শুনতে পাই।

• শব্দ সঞ্চালনের শর্ত:
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন।
- মাধ্যম না থাকলে শব্দ সঞ্চালিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৪৯.
অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে নিচের কোন রোগটি হয়? 
  1. স্কার্ভি
  2. রিকেটস
  3. ডায়াবেটিস
  4. কোয়াশিয়রকর
সঠিক উত্তর:
ডায়াবেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াবেটিস
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৫০.
নিচের কোন শক্তি তৈরি করতে বেশি সময় লাগে কিন্তু তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. বায়োগ্যাস
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
- 'প্রাকৃতিক গ্যাস' শক্তি তৈরি করতে বেশি সময় লাগে কিন্তু তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়। 

শক্তির উৎস: 

- বিভিন্ন শক্তির উৎস থেকে শক্তি পাওয়া যায়। 
- এসব শক্তির উৎস দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য। 

নবায়নযোগ্য শক্তি: 
- নবায়নযোগ্য নাম থেকে বুঝা যাচ্ছে যা কিছু নবায়ন করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো জিনিস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে পুনরায় ঐ জিনিসটি দ্বারা আবার শক্তি উৎপাদন করা যায়। 
অর্থাৎ, যে শক্তির উৎসকে বারবার ব্যবহার করা যায় সেই শক্তিকে বলা হয় নবায়নযোগ্য শক্তি। 
যেমন- সূর্যরশ্মি, বায়োগ্যাস, পানি, বায়ুপ্রবাহ, পানির জোয়ারভাটা ইত্যাদি। 
- বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শক্তির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই শক্তি এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। 
- এই শক্তি দূষণমুক্ত পরিবেশের সহায়ক হয়। 
- মূলত নবায়নযোগ্য শক্তির প্রধান সুবিধা হলো এটি নবায়নযোগ্য, এটি কখনো শেষ হয়ে যাবে না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি সাধারণত পরিবেশবান্ধব, কারণ এরা সাধারনত বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বাড়ায় না। 

অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য মানেই হলো যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। 
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে এদের তৈরি করতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে ব্যয়িত হয়। 
যেমন- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি। 
- বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বা যানবাহন অনবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চলে, এদের নবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চালাতে অনেক বেশি খরচ লাগে। 
যেমন: সাধারণ বা প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেলে কম খরচে যানবাহন বা যন্ত্রপাতি চলে। অপরপক্ষে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যেমন- সৌরশক্তি দ্বারা কোনো যানবাহন চালানো কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানি সস্তা, এদের অল্প পরিমাণ থেকে বেশি শক্তি পাওয়া যায় যেমন- পারমানবিক চুল্লিতে অল্প ইউরেনিয়াম থেকে অনেক বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯,৮৫১.
ইথার সম্বন্ধে কোনটি মিথ্যা?
  1. এটি একটি রাসায়নিক তরল পদার্থ
  2. এটি একটি কাল্পনিক মাধ্যম যা মহাবিশ্বে সর্বত্র বিরাজমান ছিল
  3. এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
  4. এ কাল্পনিক মাধ্যমটির স্থিতিস্থাপক ধর্ম ছিলো
সঠিক উত্তর:
এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ মাধ্যম ছাড়া তাড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা

• অপশন বিশ্লেষণ: 
ক) সত্য: ইথার একটি রাসায়নিক তরল পদার্থ। (Chemistry).
- ডাই-ইথাইল ইথার (C4H10O) একটি বাস্তব রাসায়নিক যৌগ।
- এটি অতীতে চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যানেস্থেটিক (চেতনানাশক) হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- এটি একটি উড়নশীল (volatile), দাহ্য (flammable) তরল দ্রাবক।
 
খ) সত্য: ইথার ছিল একটি কাল্পনিক মাধ্যম যা মহাবিশ্বে সর্বত্র বিদ্যমান বলে ধরা হতো। (Physics).
- ১৯ শতকে বিজ্ঞানীরা "লুমিনিফেরাস ইথার" নামক ধারণা দেন।
- তারা বিশ্বাস করতেন এটি সমগ্র মহাবিশ্বে বিরাজমান।
- ধারণা করা হতো আলো ও তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য এটি অপরিহার্য।
 
ঘ) সত্য: কাল্পনিক মাধ্যমে স্থিতিস্থাপক ধর্ম ছিল বলে মনে করা হতো। (Physics).
- বিজ্ঞানীরা তত্ত্ব দিয়েছিলেন যে ইথারের স্থিতিস্থাপক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- এর ফলে তরঙ্গ সঞ্চালিত হতে পারত।
- যেমন শব্দ তরঙ্গ চলাচলের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যম (বায়ু) প্রয়োজন হয়।
 
গ) মিথ্যা: এ মাধ্যম ছাড়া তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালন সম্ভব নয়। (Physics).

• কেন মিথ্যা?

• ঐতিহাসিক প্রমাণ:
- মাইকেলসন–মর্লে পরীক্ষা (১৮৮৭) ইথারের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।
- এতে প্রমাণিত হয় যে ইথার বাস্তবে নেই।
- এই পরীক্ষাই পরবর্তীকালে বড় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের পথ তৈরি করে।

• আধুনিক বৈজ্ঞানিক ধারণা:
- ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ প্রমাণ করে যে তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ শূন্যতায়ও চলতে পারে।
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদ (১৯০৫) ইথারের প্রয়োজনীয়তা বাতিল করে দেয়।
- তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ হলো বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের স্ব-প্রসারিত বিচ্যুতি।

• পরীক্ষামূলক প্রমাণ:
- নক্ষত্র থেকে আলো শূন্য মহাশূন্য পেরিয়ে পৃথিবীতে পৌঁছায়।
- মহাকাশযানের সঙ্গে রেডিও যোগাযোগ শূন্য মহাশূন্যে সম্ভব।
- সব ধরনের তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ (রেডিও, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড, দৃশ্যমান, আল্ট্রাভায়োলেট, এক্স-রে, গামা) শূন্যতায় ভ্রমণ করতে সক্ষম।

• বিস্তারিত আলোচনা: 
- তড়িৎচৌম্বক (EM) তরঙ্গ, যেমন দৃশ্যমান আলো, শূন্য মহাশূন্যের মধ্য দিয়েই চলতে পারে এবং এদের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন নেই।

• ইথার ধারণা:
- ১৯শ শতকে পদার্থবিদরা মনে করতেন যে সব তরঙ্গের জন্য একটি মাধ্যম দরকার। যেমন শব্দ তরঙ্গের জন্য বায়ু ও জলতরঙ্গের জন্য পানি লাগে, তেমনি তারা ধারণা করেন যে আলোও শূন্যতায় ছড়াতে হলে কোনো এক বিশেষ মাধ্যম লাগবে। এই কাল্পনিক, অদৃশ্য ও সর্বব্যাপী মাধ্যমকে বলা হয় লুমিনিফেরাস ইথার।

• ইথার তত্ত্বের পতন:
- মাইকেলসন–মর্লে পরীক্ষা (১৮৮৭): তাঁরা পৃথিবীর গতির কারণে "ইথার বায়ু" (aether wind) শনাক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
- ফল: কোনো দিকেই আলোর গতির পার্থক্য পাওয়া যায়নি। এটি ছিল ইথারের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রথম শক্ত প্রমাণ।
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা (১৯০৫): এ তত্ত্ব প্রমাণ করে যে শূন্যতায় আলোর গতি সব পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং কোনো মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল নয়। ফলে ইথার ধারণা অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়।

সূত্র:
- NASA. [link]
- Britannica. [link]
- European Journal of Applied Physics. [link]

৯,৮৫২.
বিবর্তন শব্দটি এসেছে -
  1. ক) Evolveri থেকে
  2. খ) Evolver থেকে
  3. গ) Evolvers থেকে
  4. ঘ) Evolution থেকে
সঠিক উত্তর:
ক) Evolveri থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Evolveri থেকে
ব্যাখ্যা
- সময়ের সাথে কোন জীবের পরিবর্তনের ফলে নতুন কোন প্রজাতি সৃষ্টি হলে তাকে জৈব বিবর্তন বলে। 
- ইংরেজ দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ হার্বার্ট স্পেন্সার প্রথম ইভোলিউশন কথাটি ব্যবহার করেন।
- Evolution অর্থ বিবর্তন বা অভিব্যক্তি। 
 -বিবর্তন শব্দটি এসেছে Evolveri থেকে।

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৯,৮৫৩.
মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?
  1. ক) হিমোগ্লোবিন
  2. খ) মেলানিন
  3. গ) থায়ামিন
  4. ঘ) ক্যারোটিন
সঠিক উত্তর:
খ) মেলানিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেলানিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের ত্বকে উপস্থিত মেলানোসাইট নামক কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উৎপন্ন করে যা গায়ের রঙ ফর্সা বা কালো হওয়ার জন্য দায়ী। 
- পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নামক রাসায়নিক উৎপন্ন হতে পারে যা ঘুমের উপর প্রভাব বিস্তার করে। 
- মেলানিনের অনুপস্থিতিতে চামড়ায় কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ফলে চামড়া সাদা হয়। এটাই অ্যালবিনিজম নামে পরিচিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৯,৮৫৪.
নিচের কোন রোগটির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে?
  1. ক) দাদ
  2. খ) আমাশয়
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. ঘ) এইডস
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা

- দাদ, আমাশয়, এইডস ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন প্রচলিত নেই।
- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, হাম, রুবেলা, জলবসন্ত, পীতজ্বর, যক্ষ্মা, পোলিও ইত্যাদি রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন প্রচলিত আছে৷
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯,৮৫৫.
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে কত পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে?
  1. ক) ৮০° - ১১০°
  2. খ) ৯০° - ৯৫°
  3. গ) ৬৫° - ৮৫°
  4. ঘ) ৯৫° - ১১০°
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৫° - ১১০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৫° - ১১০°
ব্যাখ্যা
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫° - ১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৮৫৬.
সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. মোসলে 
  2. রাদারফোর্ড 
  3. থমসন
  4. চ্যাডউইক 
সঠিক উত্তর:
মোসলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোসলে 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের অবস্থান। 
- কোনো একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যত সংখ্যক প্রোটন থাকে, প্রোটনের সেই সর্বমোট সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে। 
- একে 'Z' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী মোসলে সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। 
- অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা, Z = ৮। 
সুতরাং, অক্সিজেন নিউক্লিয়াসে ৮টি প্রোটন আছে। 
- পারমাণবিক সংখ্যা প্রোটন সংখ্যার সমান।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৫৭.
আপেলে কোন ধরনের শর্করা বিদ্যমান?
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) ফ্রুক্টোজ
  3. গ) সুক্রোজ
  4. ঘ) মলটোজ
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রুক্টোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রুক্টোজ
ব্যাখ্যা
আপেলে ফ্রুক্টোজ  ধরনের শর্করা বিদ্যমান।

- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট হলো-মানবদেহের কর্মশক্তি ও তাপশক্তির প্রধান উৎস।
- মানুষের প্রধান খাদ্য শর্করা। কার্বন (C) হাইড্রোজেন (Hz) ও অক্সিজেন (O2) নিয়ে শর্করার যৌগ গঠিত হয়।
- এটি মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং গন্ধ ও বর্ণহীন।

শর্করার উৎস- 
কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা প্রাণি এবং উদ্ভিদ উভয় ধরনের উৎস থেকেই পাওয়া যায়। উদ্ভিদ হতে প্রাপ্ত শর্করাগুলো হলো চিনি, মধু, মিষ্টি ফল (আম, আঙ্গুর, কলা, কাঠাল, খেজুর ইত্যাদি), আখের রস, গুড়, খেজুরের রস, চাল, গম, ভুট্টা, আলু, কচু ইত্যাদি । প্রাণি হতে প্রাপ্ত শর্করার ভালো উৎস হলো- দুধের শর্করা, প্রাণিদেহের যকৃত ও পেশিকোষের শর্করা।

শর্করার প্রকারভেদ- 
গঠন অনুসারে শর্করা তিন প্রকার যথা : এক শর্করা (মনোস্যাকারাইড), দ্বি-শর্করা (ডাইস্যাকারাইড) ও বহু শর্করা (পলিস্যাকারাইড)।
১। এক শর্করা : এক শর্করাগুলো হলো- গ্লুকোজ, ফ্রক্টোজ ও গ্যালাক্টোজ
ক) গগ্লুকোজ-চিনি, মিষ্টি ফল ইত্যাদি
খ) ফ্রুক্টোজ-মধু আঙ্গুর, বেদানা, আপেল, পাকা আম, পাকা কলা ইত্যাদি গ) গ্যালাক্টোজ-দুধের শর্করা ল্যাক্টোজ ভেঙ্গে গ্যালাক্টোজ ও গ্লুকোজ পাওয়া যায়।

২। দ্বি-শর্করা : দ্বি-শর্করাগুলো হলো- সুক্রোজ, মলটোজ ও ল্যাক্টেজ
ক) সুক্রোজ-আখের চিনি, গুড়, খেজুর রস
খ) মলটোজ-চালের শর্করা (দু'টি গ্লুকোজের অণু একত্রে)
গ) ল্যাক্টোজ-দুধের শর্করা।

৩। বহু শর্করা : বহু শর্করাগুলো হলো- শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন ও সেলুলোজ
ক) শ্বেতসার-চাল, গম, আলু, কচু
খ) সেলুলোজ-ফল ও শাক পাতার আঁশ, আঁশযুক্ত ফল, শস্যের খোসা
গ) গ্লাইকোজেন-প্রাণিদেহের যকৃত ও পেশিতে পাওয়া যায়।

সূত্র: ৮ পৃষ্ঠা, বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৫৮.
মৌমাছি কোন ধরনের পোকা? 
  1. একাকী পোকা
  2. ছত্রাক জাতীয় পোকা
  3. পরজীবী পোকা
  4. সামাজিক পোকা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক পোকা
ব্যাখ্যা
এপিকালচার (Apiculture): 
- অনেক পোকা আছে যা আমাদের প্রভৃত উপকার করে থাকে যার মধ্যে মৌমাছি অন্যতম। কারণ মধু ও মোমের জন্য মৌমাছি সকলের নিকট খুবই প্রিয়। 
- এছাড়াও এরা ফসলের পরাগায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়। 
- মধু ও মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন করার বিদ্যাকে মৌমাছি পালনবিদ্যা (Apiculture) বলা হয়। 
- সাধারণতঃ প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে মৌমাছি সংগ্রহ করে এনে মৌবাক্সে মৌচাকের উপযোগী কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন করাকে মৌমাছি চাষ বলা হয়। 
- মৌমাছি একটি সামাজিক পোকা। 
- এরা কলোনী তৈরি করে একসাথে বসবাস করে। 
- এই পোকার মধ্যে শ্রমবিভাজন দেখা যায়। 
- শ্রমবিভাজন অনুসারে এই পোকাদের ৩টি শ্রেণি বা কাস্টে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) রাণী মৌমাছি (২) কর্মী বা শ্রমিক মৌমাছি (৩) পুরুষ মৌমাছি। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৫৯.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. বিআর ৫
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৫১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯,৮৬০.
নিউটনের তৃতীয় সূত্র কোন বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করে? 
  1. শক্তির রূপান্তর 
  2. সময়ের সাথে বেগ পরিবর্তন 
  3. একটি বস্তুর ভর 
  4. দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ 
ব্যাখ্যা

নিউটনের তৃতীয় সূত্র ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া বল: 
- নিউটনের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র একটি বস্তুর গতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে কিন্তু নিউটনের তৃতীয় সূত্র দুটি বস্তুর পারস্পরিক সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনা প্রদান করে। 
- নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে- " প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে"। 
যেমন- 
১। মাটির উপর দাঁড়ানো: 
- মাটির উপর দাঁড়িয়ে থাকলে মানুষটি স্থির থাকে। কারণ, মানুষটির ওজনের সমান একটি বল নীচের দিকে মাটির উপর ক্রিয়া করে। নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, মাটিও নীচ হতে মানুষটির উপর বল প্রয়োগ করে। এখানে, মানুষটির ওজন ও মাটি দ্বারা প্রযুক্ত প্রতিক্রিয়া বল পরস্পর সমান ও বিপরীত হওয়ায় সাম্যের সৃষ্টি করে। মানুষ দ্বারা মাটির উপর প্রযুক্ত বল ক্রিয়া বল এবং মাটি মানুষটির উপর যে বল প্রয়োগ করে তা প্রতিক্রিয়া বল। 

২। আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে যা হয়: 
- আরোহী নৌকা হতে লাফিয়ে তীরে নামলে, নৌকাটি পেছনে চলে যায়। কারণ আরোহী লাফ দেবার সময় নৌকার উপর বল প্রয়োগ করে ফলে নৌকাটি পিছনে সরে যায়। 
- নৌকাটি নিউটনের তৃতীয় সূত্রানুসারে, আরোহীর উপর একটি সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে যা আরোহীকে সামনের তীরের দিকে লাফিয়ে পড়তে সাহায্য করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৬১.
বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো-
  1. ক) ৫০ হার্জ
  2. খ) ২২০ হার্জ
  3. গ) ২০০ হার্জ
  4. ঘ) ১০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ ফ্রিকোয়েন্সিঃ ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।
Source: desco.org.bd
৯,৮৬২.
ভুমিকম্পের উৎসস্থল কে কি বলা হয়?
  1. ক) ফাটল
  2. খ) ভুকম্পন তরঙ্গ
  3. গ) উপকেন্দ্র
  4. ঘ) কম্পকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
ভূ-আলোড়নের সময়ে বা অন্যকোন কারণে ভূপৃষ্ঠের কিছু অংশ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে উঠলে, তখন তাকে ভূ-কম্পন বলে।
ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলে। 
কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে, তাকে উপকেন্দ্র বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৮৬৩.
উদ্ভিদের পাতা হলদে হয় কিসের অভাবে?
  1. পটাশিয়াম
  2. বোরন
  3. নাইট্রোজেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেনের অভাবজনিত লক্ষণ:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

অন্যদিকে,
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৬৪.
নিচের কোনটি কাপড় কাচার সোডা হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সোডিয়াম বাই কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট
  3. গ) সোডিয়াম কার্বনেট
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

- সোডিয়াম বাই কার্বনেট অর্থাৎ সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা।
- সোডিয়াম কার্বনেট হলো কাপড় কাচার সোডা
- সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ হলো বেকিং পাউডার।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯,৮৬৫.
একটি আদর্শ ফুলের স্ত্রীস্তবক কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
ব্যাখ্যা

আদর্শ ফুলের স্ত্রীস্তবক তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা- গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড।

স্ত্রীস্তবক-
১. এটি ফুলের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।
২. এটি এক বা একাধিক গর্ভপত্র নিয়ে গঠিত হয়।
৩. এক একটি গর্ভপত্র গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড এই তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
৪. স্ত্রীস্তবকের গর্ভপত্রগুলো সম্পূর্ণরূপে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে, আবার আলাদাও থাকতে পারে।
৫. স্ত্রীস্তবকের গর্ভাশয়ের ভেতরে এক বা একাধিক ডিম্বক বিশেষ নিয়মে সজ্জিত থাকে।
৬. ডিম্বকের মধ্যে স্ত্রী প্রজননকোষ বা ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
৭. স্ত্রীস্তবকের ডিম্বাণু সরাসরি জননকাজে অংশগ্রহণ করে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 

৯,৮৬৬.
আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ-
  1. কমে যায়
  2. বেড়ে যায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় সূর্য থেকে যে আলোকরশ্মি (তাপ ও আলো) বিকিরণ আকারে আসে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য হয় বেশ ছোট, এ কারণে তা খুব সহজেই বর্ষার মেঘ ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে চলে আসতে পারে।
- এই বিকিরণ ভূপৃষ্ঠে সহজে আসতে পারলেও প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে চলে যেতে পারে না, কারণ প্রতিফলন হবার সময়ে এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড় হয়ে যায় ফলে তখন আর সহজে মেঘ ভেদ করতে পারে না।
- সেগুলি মেঘের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মাটির দিকে ফিরে আসে, এ কারণে মেঘলা দিনে/রাতে ভূপৃষ্ট থেকে বির্কীর্ণ তাপের একটা অংশ মেঘ ও মাটির মধ্যেকার বায়ুমন্ডলে আটকে পড়ার ফলে মাটি এবং তার লাগোয়া বাতাসের স্তর ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং বেশ গরম হয়েই থাকে। এতে আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে যায় বলেই গরমটা বেশি লাগে।
- ফলে আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি এর অর্থ বাতাসে পানির পরিমাণ বেশি।
- বাতাস আর্দ্র থাকার কারণে আমাদের গরম লাগে যেটাকে সাধারণ ভ্যাপসা গরম বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৬৭.
What is the primary method by which the sun transmits heat to the earth?
  1. Radiation
  2. Conduction
  3. Convection
  4. Absorption
  5. Refraction
সঠিক উত্তর:
Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radiation
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ (Radiation) পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৬৮.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়?
  1. ক্যালিফোর্নিয়াম
  2. কুরিয়াম
  3. ফ্র্যান্সিয়াম
  4. জিরকোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
জিরকোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিরকোনিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।
……………….
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকেরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।

কয়েকটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ হল:
- রেডন (Rn) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৬),
- ফ্র্যান্সিয়াম (Fr) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৭),
- রেডিয়াম (Ra) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮),
- থোরিয়াম (Th) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯০),
- ইউরেনিয়াম (U) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯২),
- কুরিয়াম (Cm) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৬) - মেরি কুরি ও পিয়েরে কুরির নাম অনুযায়ী নামকরণ
- ক্যালিফোর্নিয়াম (Cf) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৮) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জিরকোনিয়াম (Zr) এর পারমাণবিক সংখ্যা ৪০ যা ৮২ থেকে কম তাই এটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
(১) তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা । তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
(২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
(৩) তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
(৪) উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৬৯.
নিউটনের প্রথম সূত্রের প্রচলিত নাম কী?
  1. মহাকর্ষ সূত্র
  2. বলের সূত্র
  3. কর্ম-প্রতিক্রিয়া সূত্র
  4. জড়তার সূত্র
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
ব্যাখ্যা

• নিউটনের প্রথম সূত্রকে সাধারণভাবে জড়তার সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, একটি বস্তু যদি বিশ্রামে থাকে, তাহলে তা বিশ্রামে থাকবে এবং যদি কোনো গতিতে চলে, তাহলে তা সমমিত গতিতে চলতে থাকবে যতক্ষণ না বাহ্যিক কোনো বল তার উপর প্রয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, বাহ্যিক বল ছাড়া কোনো বস্তু তার গতির অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে না। এই ধারণা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সহজে দেখা যায়, যেমন গাড়ি হঠাৎ থামালে যাত্রী সামনে ঝোঁকানো। নিউটনের এই প্রথম সূত্র বস্তু এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক বোঝার জন্য মৌলিক ভিত্তি তৈরি করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"

• এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• জড়তা:
- জড়তা হলো বস্তুর একটি ধর্ম, যা দ্বারা বস্তু তার বর্তমান গতি বা স্থির অবস্থা বজায় রাখতে চায়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 
• মহাকর্ষ সূত্র হলো মহাবিশ্বের ভর যুক্ত বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল সম্পর্কিত সূত্র। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 

৯,৮৭০.
রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল অনুসন্ধান করার যন্ত্র-
  1. গাইগার মুলার কাউন্টার
  2. ম্যানোমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. ওডোমিটার
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা
- Geiger কাউন্টার, যা  Geiger-Muller কাউন্টার নামেও পরিচিত, একটি  বহনযোগ্য ডিভাইস যা আয়নাইজিং বিকিরণ সনাক্ত এবং পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশ শতকের গোড়ার দিকে হ্যান্স গেইগার এবং ওয়ালথার মুলার দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল।
- গিগার কাউন্টারগুলি পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা, ওষুধ, রেডিওলজি, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Geiger কাউন্টারগুলি বিকিরণ সনাক্তকরণে কার্যকর হলেও, তারা বিকিরণের ধরণ বা এর শক্তি স্তর সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে না। আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য, অন্যান্য যন্ত্র যেমন সিন্টিলেশন ডিটেক্টর বা স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করা যেতে পারে গিগার কাউন্টারের সাথে।

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
- ম্যানোমিটার হল গ্যাস বা তরল পদার্থের চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৮৭১.
মানবদেহে কয় স্তরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে? 
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা
ইম্যুনাইজেশন: 
- মানুষের শরীরের সংক্রামক রোগের প্রতিরোধক তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইম্যুনাইজেশন বলে। 
- মানবদেহে রোগজীবাণুর আক্রমণের বিরুদ্ধে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রতিরোধব্যবস্থা বিদ্যমান। 
যথা- 
১. প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর: 
- প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রথম স্তর হলো প্যাথোজেনকে (রোগজীবাণুকে) দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) ত্বক, (ii) মিউকাস মেমব্রেন, (iii) শ্বসনতন্ত্রের সিলিয়া, (iv) পাকস্থলীর অ্যাসিড এবং (v) চোখের আবরণ ও অশ্রু। 

২. দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর অতিক্রম করে কোনো রোগজীবাণু দেহাভ্যন্তরে প্রবেশ করতে গেলে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত হয়। 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) ব্যাথাদায়ক সাড়া, (ii) ফ্যাগোসাইটসমূহ, (iii) কমপ্লিমেন্ট, (iv) ইন্টারফেরন এবং (v) ন্যাচারাল কিলার সেল। 

৩. তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) লিম্ফোসাইট, (ii) MHC অণু এবং (ii) ক্লোনাল সিলেকশন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৯,৮৭২.
কলের পানিতে সাধারণত কোন রাসায়নিক উপাদান থাকে?
  1. ক) ব্রোমিন
  2. খ) আয়োডিন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

সাধারণত কলের পানিতে বিভিন্ন ধাতুর লবণ আয়নিত অবস্থায় থাকে।
যেমন- সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, কোবাল্ট, ক্লোরাইড ইত্যাদি।
যেহেতু ক্লোরাইড আয়ন ক্লোরিন থেকে সৃষ্টি, তাই বলা যায় কলের পানিতে ক্লোরিন থাকে।

৯,৮৭৩.
তরল অবস্থায় সোডিয়ামের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. কম সক্রিয়
  2. কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
  3. সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়
  4. পানি শোষণ করে না
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
ব্যাখ্যা

তরল অবস্থায় সোডিয়াম কঠিন অবস্থার চেয়ে বেশি সক্রিয় এবং প্রায় ১২৫°C (২৫৭°F) তাপমাত্রায় এটি জ্বলে উঠতে পারে।

সোডিয়াম:
- সোডিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু।
- সোডিয়াম পানির সঙ্গে দ্রুত বিক্রিয়া করে তাপ উৎপন্ন করে এবং হাইড্রোজেন গ্যাস নির্গত করে।
- এই বিক্রিয়াটি এতটাই দ্রুত হয় যে নির্গত হাইড্রোজেন গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে জ্বলে ওঠে।
- সোডিয়াম স্বাভাবিকভাবে বাতাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, বাতাসের জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে এটি দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
 - সাধারণ বাতাসে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) এর একটি আস্তরণ তৈরি হয়, যা বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে সোডিয়াম বাইকার্বোনেটে (NaHCO3) পরিণত হয়।
- সোডিয়ামকে সাধারণত কেরোসিন বা ন্যাপথার মতো inert তরলে ডুবিয়ে রাখা হয়, কারণ এটি নাইট্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না।
 - তরল অবস্থায় সোডিয়াম কঠিন অবস্থার চেয়ে বেশি সক্রিয় এবং প্রায় ১২৫° C (২৫৭° F) তাপমাত্রায় এটি জ্বলে উঠতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯,৮৭৪.
কোনটি অদিক রাশির উদাহরণ? 
  1. ওজন
  2. ত্বরণ
  3. সরণ
  4. তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
ভেক্টর: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি, 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭৫.
বাতাসের অক্সিজেনের শতকরা হার কত?
  1. ৭৬%
  2. 8%
  3. .০০২%
  4. ২১%
সঠিক উত্তর:
২১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ, 
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ (প্রায় ২১%)
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৭৬.
ছত্রাকে কোন প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজন হয়ে থাকে?
  1. ক্যারিওকাইনেসিস
  2. মায়োসিস
  3. মাইটোসিস
  4. অ্যামাইটোসিস
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইটোসিস
ব্যাখ্যা
জীবজগতে তিন প্রকারের কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথা- 
ক) অ্যামাইটোসিস বা প্ৰত্যক্ষ কোষ বিভাজন,
(খ) মাইটোসিস বা সমীকরণিক কোষ বিভাজন 
(গ) মায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন ।

অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন:
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
- এ ধরনের কোষ বিভাজন ব্যাকটেরিয়া, ইস্ট, ছত্রাক, এককোষী জীবে হয়ে থাকে। 

মাইটোসিস কোষ বিভাজন:
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়েই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- দেহকোষে মাইটোসিসি বিভাজন হয়ে থাকে।

মায়োসিস কোষ বিভাজন:
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র একবার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু'বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা (n) মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার (2n) অর্ধেক হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- জনন কোষে মিয়োসিসি বিভাজন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৭৭.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের প্রভাব বা ফলাফল নয়?
  1. তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  2. ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি
  3. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  4. নদীর গতিপথ পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ শক্তির কারণে সৃষ্ট হয় এবং এটি বিভিন্ন ধরনের প্রভাব ফেলে। ভূমিকম্পের ফলে মাটিতে ফাটল ও চ্যুতি সৃষ্টি হয়, যা ভবন ধ্বংস, রাস্তা ভাঙন ইত্যাদি ঘটায়। এছাড়া, সমুদ্রতলে পরিবর্তন হয়ে সুনামি সৃষ্টি হতে পারে এবং নদীর গতিপথও পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, ভূমিকম্পের কারণে সরাসরি তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে না। তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে ভূমিকম্পের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই উল্লিখিত বিকল্পগুলোর মধ্যে “ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি” ভূমিকম্পের একটি প্রভাব বা ফলাফল নয়।

• ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব (Results and Effects of Earthquake):
• ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়, যাকে স্রস্ত উপত্যকা (Rift Valley) বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।

• সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
যেমন- ১৯২১ সালের ভূমিকম্পের ফলে টোকিও উপসাগরের তলদেশ ৬০ মিটার উঁচু হয়।
- এছাড়া সমুদ্রগর্ভ হতে হিমালয় পর্বত উত্থিত হয়েছে।
- অপরদিকে ১৮৯৯ সালে ভারতে কচ্ছ উপসাগরের ৫০০০ বর্গকিলোমিটার স্থান সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়।

• নদীর গতিপথ পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়, নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
যেমন- ১৯৫০ সালে আসামের ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়।
- এছাড়া ১৭৮৭ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে যে ভূমিকম্প হয় তার ফলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়।
- এজন্য ব্রহ্মপুত্র নদীটি তার গতিপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনা খাত দিয়ে প্রবাহিত হয়।

আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ফলাফল হলো:
- ভূমির উত্থান ও অবনমন;
- ভাঁজের সৃষ্টি;
- ভূ-পাত;
- বন্যার সৃষ্টি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৭৮.
কাচের গ্লাসে গরম পানি ঢাললে কাচের গ্লাসের কী হবে?
  1. ক) ফেটে যাবে
  2. খ) গলে যাবে
  3. গ) পুড়ে যাবে
  4. ঘ) উড়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
ক) ফেটে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেটে যাবে
ব্যাখ্যা
কাচের গ্লাসে গরম পানি ঢাললে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে কোথাও প্রসারণ বেশি, কোথাও কম হওয়ার কারণে গ্লাস ফেটে যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৮৭৯.
ই-মেইল আবিষ্কারের পেছনে কাকে পাইওনিয়ার বা পুরোধা ব্যক্তি বলে ধারণা করা হয়?
  1. বিল গেটস
  2. স্টিভ জবস
  3. রে টমলিনসন
  4. ইলন মাস্ক
সঠিক উত্তর:
রে টমলিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
- রে টমলিনসনকে ই-মেইল আবিষ্কারের পেছনে যে অ্যামেরিকানকে পাইওনিয়ার বা পুরোধা ব্যক্তি বলে ধারণা করা হয়। 
- তিনি ইলেকট্রনিক মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রথম চালু করেন ১৯৭১ সালে ।
- সেসময় তিনি কাজ করতেন বোস্টনে, একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে।
- ইমেইলের ঠিকানায় আমরা যে অ্যাট (@) চিহ্নটা ব্যবহার করি তারও প্রচলন করেছিলেন এই রে টমলিনসন।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৯,৮৮০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কতটি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। 
যেমন: 
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা। 
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৮১.
নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে সর্বপ্রথম ধারণা দেন-
  1. ক) বোর
  2. খ) ডাল্টন
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়েছে বলে এ মডেলটিকে সােলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। আবার, এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়। রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৮৮২.
সালফারের অভাবে উদ্ভিদের কোন রোগটি হতে দেখা যায়? 
  1. ব্লাইট 
  2. ডাইব্যাক
  3. লিগুলেটিভ ডিফলিয়েন্সি 
  4. ফ্লোরোসিস 
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা

সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। - পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৮৮৩.
ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে? 
  1. ইলিয়ামে
  2. মলাশয়ে
  3. জেজুনামে
  4. ডিওডেনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা- 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৮৪.
"Octet rule" অনুসরণ করে না কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাস?
  1. জেনন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাসঃ
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) ও ওগানেসন (Og)।
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে।
- হিলিয়াম "Octet rule" অনুসরণ করে না।

- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ধর্মসমূহ- 
১. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে এক পরমাণুক গ্যাস।
২. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর কোন বর্ণ, স্বাদ বা গন্ধ নেই।
৩. প্রতি লিটার পানিতে নিস্ক্রিয় গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেক কম।
৪. গ্যাসের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত কম।
৫. নিস্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে দুর্বল আকর্ষণ বল থাকার কারণে এদের গলনতাপ ও বাষ্পীয়ভবন তাপ কম।
৬. নিস্ক্রিয় গ্যাসের আয়নিকরণ শক্তি সবচেয়ে বেশি।

সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৯,৮৮৫.
কতটি অ্যামাইনো এসিড নিয়ে ইনসুলিন গঠিত হয়?
  1. ২১ টি
  2. ৩০ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৬২ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের ‘আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস’ এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৮৮৬.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে কয়টি ক্রোমোসোম থাকে?
  1. ২৩ জোড়া
  2. ২২ জোড়া
  3. ১ জোড়া
  4. ১১ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
ব্যাখ্যা
মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ: 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে। 
- এর মধ্যে একজোড়া ক্রোমোসোম লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী। 
- এই ক্রোমোসোমগুলোকে লিঙ্গ নির্ধারক বা সেক্স ক্রোমোসোম বলে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোসোম গুলোকে আখ্যায়িত করা হয় X এবং Y ক্রোমোসোম নামে। 
- এক জোড়া লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোসোম ছাড়া বাকি ক্রোমোসোমগুলোকে অটোসোম বলা হয়। 
- মানুষের ক্ষেত্রে মহিলাদের দেহকোষে ডিপ্লয়েড অবস্থায় XX সেক্স ক্রোমোসোম থাকে এবং পুরুষের দেহকোষে ডিপ্লয়েড অবস্থায় XY ক্রোমোসোম থাকে। 
- এ জন্য মানুষ এবং অন্যান্য জীবে সূচক বর্ণের দ্বারা ক্রোমোসোমকে দেখানো হয় যেমন 44+XY পুরুষের এবং 44+XX মহিলার ক্ষেত্রে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৮৭.
মরিচা প্রতিরোধের উপায় কোনটি?
  1. তৈল বা গ্রীজ ব্যবহার
  2. সাবান ব্যবহার
  3. ভলকানাইজিং
  4. আয়োনাইজিং
সঠিক উত্তর:
তৈল বা গ্রীজ ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈল বা গ্রীজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা

লোহা ও ইস্পাতের মরিচা: 
- লোহা ও ইস্পাতের জিনিস অনেকদিন খোলা বাতাসে রেখে দিলে এর গায়ে কালচে বাদামী রংয়ের আবরণ পড়ে। একেই মরিচা বলে।
- স্থানীয় ভাষায় এর নাম জং।
- এই মরিচার ফলে লোহা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং পরিশেষে লোহা নষ্ট হয়ে যায়।

মরিচা প্রতিরোধের উপায়: 
বিভিন্ন উপায়ে মরিচা প্রতিরোধ করা যায়-
১. রং-এর প্রলেপ দিয়ে: লোহা বা ইস্পাতের উপরে রং, বার্ণিশ ইত্যাদির প্রলেপ দিয়ে মরিচা রোধ করা যায়।

২. তৈল বা গ্রীজ ব্যবহার করে: মেশিনের ঘূর্ণনশীল অংশে তৈল বা গ্রীজ লাগিয়ে মরিচা রোধ করা যায়।

৩. গ্যালভানাইজিং করে: লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়। ঘরের টিনে সহজে মরিচা পড়তে পারে না। গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরকার খাবার নষ্ট হয় না। এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেয়াকেই গ্যালভানাইজিং বলে।

৪. ইলেক্ট্রোপ্লেটিং করা: লোহা বা ইস্পাত সামগ্রীর উপর তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে এক ধরনের প্রলেপ দেয়া হয়। একে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বলে। ইলেক্ট্রোপ্লেটিং পদ্ধতিতে লোহার উপর নিকেল, ক্রোমিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম এমনকি সোনা এবং প্লাটিনামের প্রলেপও দেয়া দেয়া হয়। এতে লোহা বা ইস্পাতের উপর মরিচা পড়ে না।

৫. ইস্পাতের সঙ্গে ক্রোমিয়াম ও নিকেল মিশিয়ে যে বিশেষ ইস্পাত তৈরি হয় তাকে স্টেইনলেস স্টিল বলে। এতে মরিচা পড়ে না।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৮৮৮.
ভিটামিন সি এর অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. স্বার্ভি
  2. রাতকানা
  3. বেরিবেরি
  4. রিকেটস
সঠিক উত্তর:
স্বার্ভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্ভি
ব্যাখ্যা

ভিটামিন সি:
- ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
- ভিটামিন সি এর অপর নাম এসকরবিক এসিড।
- ভিটামিন সি মানুষকে রোগ জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে এবং ক্ষতস্থান গুকাতে সাহায্য করে।
- আমলকি, কমলালেবু, লেবু আনারস প্রভৃতি ভিটামিন সি এর উৎস।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
ভিটামিন A: রাতকানা (Night Blindness) রোগের জন্য দায়ী।
ভিটামিন B: বিভিন্ন B-ভিটামিনের অভাবে বেরিবেরি, পেলাগ্রা, ওয়ার্নিকি সিনড্রোম ইত্যাদি হতে পারে।
ভিটামিন D: রিকেটস (Rickets) এবং অস্টিওমালাসিয়া (Osteomalacia) রোগের জন্য দায়ী।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৮৮৯.
মানবদেহের তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট হলে, সেলসিয়াস স্কেলে কত ডিগ্রী?
  1. ৩৭
  2. ৩৭.৬৭
  3. ৩৬.৬৭
  4. ৩৮.৬৭
সঠিক উত্তর:
৩৬.৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬.৬৭
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্কঃ
C/5 = (F - 32)/9
বা, C/5 = (98 - 32)/9
বা, C/5= 66/9
বা, C = (66 × 5)/9
বা, C = 330/9
∴ C = 36.67

∴ মানবদেহের তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ৩৬.৬৭ ডিগ্রী হবে। 
৯,৮৯০.
বোসন কোন ধরনের কণা? 
  1. দুর্বল কণা
  2. জটিল কণা
  3. যৌগিক কণা
  4. মৌলিক কণা
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
ব্যাখ্যা
কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 

বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা: 
১। গেজ বোসন ও 
২। হিগস বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯১.
মাটির বায়ু কোন স্তরে অবস্থান করে?
  1. ক) মাটির কণার ফাঁকে
  2. খ) মাটির কণার চারপাশে
  3. গ) মাটিতে মিশ্রিত অবস্থায়
  4. ঘ) জৈব পদার্থের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ক) মাটির কণার ফাঁকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাটির কণার ফাঁকে
ব্যাখ্যা
মাটির কণার ফাঁকে ফাঁকে বায়ু অবস্থান করে। 

মাটির পানি ও বায়ু মাটির রন্ধ্র পরিসরে অবস্থান করে। স্বাভাবিক অবস্থায় স্থূল রন্ধ্রে বায়ু এবং সূক্ষ্মরন্ধ্রে পানি থাকে। কোন একটি মাটিকে কৃষি কাজের জন্য উত্তম তখনই বলা হয় যখন এর রন্ধ্র পরিসর সমান অনুপাতে পানি ও বায়ু দ্বারা পূর্ণ থাকে।

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় বস্ত্তর সমন্বয়ে গঠিত মাটি একটি তিন দশা বিশিষ্ট সিস্টেম। কঠিন দশা জৈব ও অজৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত। অন্যদিকে তরল ও গ্যাসীয় দশাকে যথাক্রমে মৃত্তিকা পানি ও মৃত্তিকা বায়ু বলা হয়। মাটির জৈবপদার্থের মধ্যে গাছপালা, প্রাণী ও অণুজীবসমূহ এবং এদের মৃত দেহের অবশিষ্টাংশ অন্তর্ভুক্ত। 

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৯,৮৯২.
‘পার্কার সোলার প্রোব’ কী?
  1. নৌযান
  2. মহাকাশযান
  3. নতুন আবিষ্কৃত গ্রহ
  4. নতুন আবিষ্কৃত উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
মহাকাশযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকাশযান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------
→ ‘পার্কার সোলার প্রোব’ এক প্রকার মহাকাশযান।


পার্কার সোলার প্রোব:
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার তৈরি ‘পার্কার সোলার প্রোব’ নামের এই মহাকাশযান সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
- ২০১৮ সালে সৌরজগতের কেন্দ্রভাগ লক্ষ্য করে মহাকাশযানটি ওড়ানো হয়।
- এটি ঘণ্টায় ৪ লাখ ৩০ হাজার মাইল গতিতে চলতে পারে।
- ইতিমধ্যে এটি ২১ বার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় এর আরও নিকটবর্তী হয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, নাসার মহাকাশযান ‘পার্কার সোলার প্রোব’ সফলভাবে সূর্যের কাছে পৌঁছেছে, যা পূর্বে কোনো মহাকাশযান করতে পারেনি।
- প্রোবটি সূর্যের প্রায় ৩৮ লাখ মাইল কাছাকাছি পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
- এটি গত ২৪ ডিসেম্বর সূর্যের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং ৯৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সহ্য করেছে।
- মহাকাশযানটি সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর একটি আলোক সংকেত পাঠিয়েছে, যা তার নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের সাফল্যের সংকেত।
- ১ জানুয়ারি ২০২৫-এ এটি সূর্যের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাঠাবে।
- এর মাধ্যমে সূর্যের চারপাশের অতি উত্তপ্ত অঞ্চল এবং সৌরবায়ুর উৎস সম্পর্কে নতুন তথ্য জানা যাবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৯,৮৯৩.
STP-তে গ্যাসের মোলার আয়তন কত লিটার?
  1. 22.414 Lmol- 1
  2. 19.210 Lmol- 1
  3. 27.502 Lmol- 1
  4. 24.112 Lmol- 1
সঠিক উত্তর:
22.414 Lmol- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22.414 Lmol- 1
ব্যাখ্যা
• মোলার আয়তন:
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে। যথা:
১. STP পদ্ধতি:
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure.
- এ পদ্ধতিতে আদর্শ তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও আদর্শ চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়।
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol- 1.

২. SATP পদ্ধতি:
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure.
- Ambient শব্দের অর্থ হলো পারিপার্শ্বিক বা আবহমণ্ডল বা কক্ষ।
- এ পদ্ধতিতে বিশ্বব্যাপি গ্যাসের কক্ষ তাপমাত্রা 25°C বা 298 K (কেলভিন) এবং বায়ুমণ্ডল চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়।
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, Vθm = 24.789 Lmol- 1 ধরা হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ড. হাজারী ও নাগ।
৯,৮৯৪.
শ্বেত বামন কি?
  1. মৃততারা
  2. একটি উপন্যাস
  3. একটি পাহাড়ের নাম
  4. একটি উপজাতির নাম
সঠিক উত্তর:
মৃততারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃততারা
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন:
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
- শ্বেত বামনের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয়, যা আমাদের মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সের চেয়েও বেশি।
- শ্বেত বামন এর জীবনকাল শেষে কৃষ্ণ বামনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
৯,৮৯৫.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক নয়?
  1. অক্ষাংশ
  2. বনভূমি
  3. বারিপাত
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
বারিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারিপাত
ব্যাখ্যা
- বারিপাত জলবায়ুর নিয়ামক নয়।

জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
- অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯৬.
সিরকা হিসেবে বেশ পরিচিত কোনটি?
  1. ক) সাইট্রিক এসিড
  2. খ) অ্যাসিটিক এসিড
  3. গ) ল্যাকটিক এসিড
  4. ঘ) ম্যালিক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যা
ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে।  
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
- তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। 
যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
১. মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
২. যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
৩. ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
৪. পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
৫. দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৮৯৭.
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়।
- এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন, যথা-
• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব।
• সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা - 

• প্রথম স্বীকার্য
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে ।
• দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৮৯৮.
রিকেটস রোগের ফলে শরীরের কোনটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়?
  1. ক) যকৃত
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) কিডনি
সঠিক উত্তর:
গ) হাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাড়
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rickets)
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রােগ হয়। অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শােষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়ােজন।
- সুতরাং, রিকেটস্‌ রোগের ফলে হাড়ের গঠন ব্যাহত হয়।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
৯,৮৯৯.
দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে কোন বিষয়টির প্রয়োজন?
  1. শারীরিক বৃদ্ধি
  2. শারীরিক সুস্থতা
  3. নিয়মিত ব্যায়াম
  4. লেখাপড়া
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক সুস্থতা
ব্যাখ্যা
⇒ শারীরিক উন্নয়ন, মানসিক বিকাশ সাধন, আবেগের নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনই হলো শারীরিক শিক্ষা।

⇒ শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। শারীরিক সুস্থতা অর্জন।
২। মানসিক বিকাশ সাধন।
৩। চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন।
৪। সামাজিক গুণাবলি অর্জন।

⇒ শারীরিক সুস্থতা অর্জন:
ক. সুস্বাস্থ্য গঠনে আগ্রহী করে তোলা।
খ. স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বয় সাধনমূলক কর্মকান্ড দ্বারা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা অর্থাৎ দেহের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলো সুষ্ঠুভাবে কর্মক্ষম করা।
গ. দেহ ও মনের সুষম উন্নতি সাধন করা।
ঘ. কঠোর পরিশ্রম ও অনুশীলনের মাধ্যমে কাঙ্খিত ফল লাভ করা।
ঙ. নিয়মকানুন মেনে ভালো করে খেলতে পারা।
চ.  শারীরিক নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করা।
ছ. দক্ষতার সাথে অঙ্গ সঞ্চালন ও নিয়ন্ত্রণের কলাকৌশল রপ্ত করা।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯০০.
নিচের কোনটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়? 
  1. পানির নিচে বিস্ফোরণ
  2. হিমবাহ গলন
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

অন্যদিকে, 
- হিমবাহ গলন মূলত ধীরগতির একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং তা সরাসরি সুনামির মতো আকস্মিক ও বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে না। তাই এটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।