বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯৬ / ১৪০ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ১৪,০৮০

৯,৫০১.
জীবদেহের অকেজো কোষকে কোন প্রক্রিয়ায় লাইসোসোম ধ্বংস করে?
  1. ক) ফ্যাগোসাইটোসিস
  2. খ) অটোফ্যাগি
  3. গ) অটোলাইসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) অটোলাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অটোলাইসিস
ব্যাখ্যা

জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস বা, স্ববিগলন প্রক্রিয়ায় লাইসোসোম ধ্বংস করে।
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণুকে লাইসোসোম ধ্বংস করে।
জীবে তীব্র খাদ্য অভাব দেখা দিলে কোষের উপাদান ও অঙ্গানুকে বিগলিত করে অটোফ্যাগি প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করবার মাধ্যমে জীবকে টিকে থাকতে সহায়তা করে লাইসোসোম।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,৫০২.
রক্ত প্রধানত কোন দুটি উপাদানে গঠিত?
  1. প্রোটিন ও চর্বি
  2. হিমোগ্লোবিন ও অক্সিজেন
  3. যোজক কলা ও পেশি কলা 
  4. রক্তরস ও রক্তকণিকা
সঠিক উত্তর:
রক্তরস ও রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তরস ও রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা

রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

অন্যদিকে, 
- প্রোটিন ও চর্বি: এগুলো রক্তরসের মধ্যে দ্রবীভূত পুষ্টি উপাদান মাত্র, রক্তের প্রধান গাঠনিক অংশ নয়।
- হিমোগ্লোবিন ও অক্সিজেন: হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকার একটি উপাদান এবং অক্সিজেন রক্ত দ্বারা পরিবাহিত একটি গ্যাস।
- যোজক কলা ও পেশি কলা: রক্ত নিজেই একটি তরল যোজক কলা; তবে পেশি কলা রক্তের অংশ নয়, এটি শরীরের অন্য একটি টিস্যু তন্ত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫০৩.
পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ নয় কোনটি?
  1. মেডুলা অবলংগাটা
  2. সেরেবেলাম
  3. থ্যালামাস
  4. পনস
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
থ্যালামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালামাস
ব্যাখ্যা
⇒ 'থ্যালামাস' অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।

পশ্চাৎ মস্তিষ্ক:
- এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
(ক) সেরেবেলাম,
(খ) মেডুলা অবলংগাটা এবং
(গ) পনস।

• সেরেবেলাম:
- পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেরেবেলাম যা সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
- দুটি কুণ্ডলীকৃত সমগোলার্ধ নিয়ে গঠিত যারা ভার্নিস নামে একটি ক্ষুদ্র যোজকের সাহায্যে যুক্ত।
- এটি বাইরের দিকে কর্টেক্স এবং ভেতরের দিকে মেডুলা নিয়ে গঠিত।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।

• মেডুলা অবলংগাটা:
- এটি পনস ও সুষুম্মাকাণ্ডের মধ্যবর্তী অনেকটা ত্রিকোণাকার পুরু গঠন বিশেষ।
- এটি সুষুম্মাকাণ্ড ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে।
- এটি পৌষ্টিক নালির পেরিস্টালসিস, রক্তনালির সংকোচন- শ্লথন, হৃদস্পন্দন, ফুসফুসের সংকোচন-প্রসারণ, লালাগ্রন্থির ক্ষরণ, মলমূত্র ত্যাগ, বমি ইত্যাদি শরীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

• পনস:
- এটি সেরেবেলামের অঙ্কভাগে মেডুলার সামনের দিকে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি পিণ্ডাকার গঠন।
- এটি সেরেবেলাম ও মেডুলাকে মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে।
- স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৪.
ব্যাটারিতে শক্তির রূপান্তর কীভাবে ঘটে? 
  1. আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  2. গতি শক্তি → তাপ শক্তি
  3. তাপ শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করে থাকে। 
রাসায়নিক শক্তি → তড়িৎ শক্তি
- মহাবিশ্বে শক্তির রূপান্তরের ঘটনা ক্রমাগত চলতে থাকে, যা প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম পর্যায়ে ঘটে। 
- শক্তি এক রূপ থেকে একাধিক রূপে রূপান্তরিত হতে পারে, তবে মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ কখনোই পরিবর্তিত হয় না। 
- এক রূপের শক্তি অন্য রূপে রূপান্তরিত হওয়াকে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 
- এর মাধ্যমে শক্তির ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের কার্য সম্পাদিত হয়, যেমন যান্ত্রিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি, গতি শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি ইত্যাদি। 

রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন- তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারী কাজ করা হয়। 
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৫.
লসিকায় সাধারণত কী অনুপস্থিত থাকে? 
  1. প্রোটিন
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. লোহিত রক্ত কণিকা
  4. অ্যান্টিবডি
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
লসিকাতন্ত্র: 
- মানব দেহে রক্ত একটি অন্যতম পরিবহন মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন কোষ কলায় (Tissue) পৌঁছে এবং বিভিন্ন বিপাকীয় পদার্থ রেচনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গে বাহিত হয়। 
- অন্যদিকে দেহের সমস্ত কলা (Tissue) রক্তপূর্ণ কৈশিক জালিকায় বেষ্টিত থাকে। 
- রক্তের কিছু উপাদান কৈশিক জালির প্রাচীর ভেদ করে কোষের চারপাশে অবস্থান করে, এ উপাদানগুলোকে লসিকা (Lymph) বলে। 
- কৈশিক জালিকা ছাড়াও কিছু পরিমাণ কলারস এক ধরনের বদ্ধ নালি দিয়ে গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে ফিরে আসে, এ সব নালিকে "লসিকা নালি" (Lymph vessels) বলে। অতএব লসিকা, লসিকানালি ও লসিকাগ্রন্থি সমন্বয়ে গঠিত অন্ত্রকে "লসিকাতন্ত্র” বলে। 

লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৬.
নিচের কোনটি মস্তিস্কজনিত রোগ?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) এপিলেপসি
  3. গ) করোনা
  4. ঘ) জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) এপিলেপসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপিলেপসি
ব্যাখ্যা
এপিলেপসি একটি মস্তিষ্কজনিত রোগ। 

- এক ধরণের স্নায়বিক ব্যাধি যা একজন ব্যক্তির বারবার খিঁচুনি ঘটায়।
- মস্তিষ্কে হঠাৎ অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক ক্রিয়াকলাপের কারণে এই খিঁচুনি ঘটে যা মস্তিষ্কের কোষগুলির মধ্যে মেসেজিং সিস্টেমে একটি অস্থায়ী ব্যাঘাত ঘটায়।
- এ রোগটি যেকোন বয়সেই হতে পারে। 
- আগুন, পানির সাথে এ রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। 

সূত্র- ২২৫ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫০৭.
প্রকৃতিতে কত ধরনের মৌলিক বল আছে?
  1. ৪ 
  2. ২ 
  3. ৫ 
সঠিক উত্তর:
৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ 
ব্যাখ্যা

বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

১। মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে। 

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়। 
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 

৪। সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫০৮.
বেকিং সোডা ব্যবহার করে তাপ দিলে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয় যা কেক বা পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে? 
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

প্রাত্যহিক জীবনে এসিডের ব্যবহার: 
- বোলতা বা বিচ্ছু হুল ফুটালে প্রচণ্ড জ্বালা করে কারণ বোলতা এবং বিচ্ছুর হুলে থাকে হিস্টামিন (Histamine) নামে এক ধরনের ক্ষারক পদার্থ। তাই এসব ক্ষেত্রে জ্বালা নিবারণের জন্য এসিড কিংবা এসিডজাতীয় মলম ব্যবহার করা হয়, যাতে থাকে ভিনেগার অথবা বেকিং সোডা।  এসিড কিংবা এসিডজাতীয় ঐ ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে, ফলে জ্বালা আর থাকে না। 
- সাধারণত মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর খাবার হজম করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয় পান করা হয়, কারণ পাকস্থলীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিডের প্রয়োজন হয়। এই মাত্রার হেরফের হলে পরিপাকে অসুবিধা হয়। কোমল পানীয়গুলো অল্পমাত্রায় এসিডিক, তাই গুরুপাক খাবার পর কোমল পানীয় পরিপাকে সাহায্য করে। 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি নানা রকম ফলের মাঝে আছে নানা রকমের জৈব এসিড যেগুলো খুবই প্রয়োজনীয় এবং রোগ প্রতিরোধ করে। যেমন- ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড। ভিটামিন সি ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক হিসেবে কাজ করে এবং শরীরে এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়। 
- আম, জলপাই ইত্যাদি নানা রকম আচার সংরক্ষণে ভিনেগার বা এসিটিক এসিড (CH3COOH) ব্যবহার করা হয়। 
- বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড হজমে সহায়তা করে। 

- বেকিং সোডা ব্যবহার করে তাপ দিলে বেকিং সোডা ভেঙে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা কেক, বিস্কুট বা পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে। 
- টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য যেসব পরিষ্কারক ব্যবহার করা হয় তার মূল উপাদান হলো শক্তিশালী এসিড, যেমন- HCl, HNO3 কিংবা H2SO4 । 
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য বা বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য এবং গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। সার হিসেবে যেগুলো ব্যবহার করা হয় তার অন্যতম উপাদান হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম সালফেট (NH4)2SO4 ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট (NH4)3PO4 । সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এবং ফসফরিক এসিড (H3PO4) দিয়ে। 
- এসিড কাপড়ে লাগলে কাপড় পুড়ে যায় কিংবা ছিদ্র হয়ে যায়। একইভাবে ধাতব পদার্থসমূহ এসিডের সংস্পর্শে এলে তাও ক্ষয় হয়ে যায়। অতএব এসিডের ব্যবহারে খুবই সাবধান হতে হবে। কোনো কারণে গায়ে এসিড পড়লে সাথে সাথে প্রচুর পানি দিয়ে সেই জায়গাটা ধুয়ে ফেলতে হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫০৯.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ভূ-কেন্দ্রে
  2. খ) মাটির নিচে
  3. গ) ভূপৃষ্ঠে
  4. ঘ) পাহাড়ের উপরে
সঠিক উত্তর:
গ) ভূপৃষ্ঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূপৃষ্ঠে
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত অপশনে,  অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি।

- তবে, মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।

Source: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
৯,৫১০.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কোন যন্ত্র তৈরি করা হয়? 
  1. বৈদ্যুতিক হিটার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ডায়োড
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

তাড়িতচৌম্বক আবেশ (Electromagnetic Induction) হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে কোনো পরিবাহীতে তড়িৎ চালক শক্তি বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- ট্রান্সফরমার এই নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি স্থির যন্ত্র, যা পারস্পরিক আবেশের মাধ্যমে এক কুন্ডলী থেকে অন্য কুন্ডলীতে শক্তি স্থানান্তর করে এবং ভোল্টেজ পরিবর্তন করে।

• তাড়িতচৌম্বক আবেশ: 
- একটি তারের কুণ্ডিলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুন্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। 
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় বৈদ্যুতিক মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি। 

• ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫১১.
বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা কত?
  1. ৮০%
  2. ৭৫.৫%
  3. ৭৮.১%
  4. ৭১%
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের শতকরা পরিমাণ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১২.
নিচের কোন পরমাণুতে নিউট্রন অনুপস্থিত? 
  1. হিলিয়াম 
  2. অক্সিজেন 
  3. হাইড্রোজেন 
  4. নাইট্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

পরমাণুর মূল কণিকা: 
- ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের।
যেমন- 
স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫১৩.
ক্রোমোসোমে শতকরা কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ৪৫
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৬৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৫
ব্যাখ্যা

প্রোটিন হল ক্রোমোসোমের মূল কাঠামো গঠনকারী রাসয়নিক উপাদান। এ কাঠামোতে নিউক্লিক অ্যাসিডগুলো বিন্যাস্ত থাকে। ক্রোমোজমে প্রোটিনের পরিমাণ শতকরা ৫৫ ভাগ। এছাড়াও ক্রোমোজমে দুই ধরনের প্রোটিন পাওয়া যায়। যথা- হিস্টোন এবং নন-হিস্টোন।
নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত নিউক্লিওপ্রোটিনে গঠিত যেসব তন্তুর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয় তাকে ক্রোমোজোম বলে। একটি নিউক্লিয়াসে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। এর প্রধান উপাদান DNA।
ক্রোমোজোমের কাজ-
১. DNA তথা জিন অণু ধারণ করে।
২. প্রজাতির বৈশিষ্ট্যকে বংশপরম্পরায় বহন করে।
৩. প্রাণীর লিঙ্গ নির্ধারণে এর ভূমিকা সর্ববিদিত।
৪. কোষের সংশ্লেষ কাজের সঙ্গে এর পরোক্ষ সম্পর্ক আছে।
৫. জীবের সব বিপাকীয় কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা রয়েছে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯,৫১৪.
কোন পদ্ধতিতে কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়?
  1. ঘনত্ব মাপার মাধ্যমে
  2. গলনাঙ্কের মাধ্যমে
  3. স্ফুটনাঙ্কের মাধ্যমে 
  4. আয়ন সংখ্যা নির্ণয়ের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্কের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্কের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

গলনাঙ্ক: 
- কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা গলনাঙ্কের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়। 
- যে তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলতে আরম্ভ করে সে তাপমাত্রাকে গলনাঙ্ক বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের সাথে যদি কোন অপদ্রব্য মিশ্রিত অবস্থায় থাকে তাহলে বুঝতে হবে কঠিন পদার্থটি যে তাপমাত্রায় গলার কথা সে তাপমাত্রায় গলবে না। 

অন্যদিকে, 
- তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫১৫.
সেমিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত?
  1. ক) ০.১ মোল
  2. খ) ০.৫ মোল
  3. গ) ০.০১ মোল
  4. ঘ) ০.০০১ মোল
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৫ মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৫ মোল
ব্যাখ্যা
মোলার দ্রবণ: 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার। 
- একে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি। 


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১৬.
'কসমিক রে' আবিষ্কার করে হেস কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩৬ সালে
  3. গ) ১৯৪২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৬ সালে
ব্যাখ্যা

- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমুহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি বলে।
- বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস 'কসমিক রে' আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

৯,৫১৭.
Cycas-এর পাতায় বিশেষ কোন টিস্যু পাওয়া যায়?
  1. কোলেনকাইমা টিস্যু
  2. প্যারেনকাইমা টিস্যু 
  3. ট্রান্সফিউশন টিস্যু 
  4. এয়ারেনকাইমা টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফিউশন টিস্যু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফিউশন টিস্যু 
ব্যাখ্যা

নগ্নবীজী উদ্ভিদ বা জিমনোস্পার্ম (Gymnosperms): 
- বীজ উৎপাদনকারী ভাস্কুলার উদ্ভিদ গোষ্ঠীকে বলা হয় সবীজ উদ্ভিদ বা স্পার্মাটোফাইটা (Spermatophyta)। 
- এ গোষ্ঠীটি দুটি উপগোষ্ঠীতে বিভক্ত। যথা- ব্যক্তবীজী বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperms) এবং গুপ্তবীজী বা আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Angiosperms)। 
- Gymnosperm উদ্ভিদের বাংলা প্রতিশব্দ করা হয়েছে নগ্নবীজী উদ্ভিদ। 
- গ্রিক Gymnos অর্থ হলো naked = নগ্ন এবং spermos অর্থ হলো seed = বীজ। 
- জিমনোস্পার্ম শব্দের অর্থ হলো naked seed বা নগ্নবীজী। 
- উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক থিওফ্রাস্টাস তাঁর Enquiry into Plants নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম Gymnosperm শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- যেসব সবীজী উদ্ভিদে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না এবং বীজ নগ্ন অবস্থায় জন্মে তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে। 
- বাংলাদেশে প্রায় ৪০০০ প্রজাতির আবৃতবীজী উদ্ভিদ থাকলেও মাত্র কয়েক প্রজাতির নগ্নবীজী উদ্ভিদ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে থাকে। 
যেমন- Cycas pectinata যা চট্টগ্রামের বাড়িয়াডালা পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়; 

Cycas (সাইকাস): 
- Cycas উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য- 
১। Cycas উদ্ভিদ স্পোরোফাইট। দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
২। উদ্ভিদ খাড়া পাম জাতীয়। 
৩। পাতা বৃহৎ, পক্ষল যৌগিক, কাণ্ডের মাথার দিকে সর্পিলাকারে সজ্জিত। 
৪। কচি পাতার ভার্নেশন সারসিনেট (কুগুলিত)। 
৫। Cycas-এর পাতায় ট্রান্সফিউশন টিস্যু বিদ্যমান। 
৬। গৌন অস্থানিক কোরালয়েড মূল বিদ্যমান। 
৭। গর্ভাশয় না থাকায় এদের ফল সৃষ্টি হয় না, বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
৮। পুংরেণুপত্রগুলো একত্রিত হয়ে স্ট্রোবিলাস গঠন করে কিন্তু স্ত্রীরেণুপত্র সত্যিকার স্ট্রোবিলাস গঠন করে না। 
১। হেটারোস্পোরিক অর্থাৎ যৌন জননে মেগা ও মাইক্রোস্পোর সৃষ্টি হয়। 
১০। Cycas উদ্ভিদে বাতাসের মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটে। 
১১। Cycas-এর শুক্রাণু উদ্ভিদকূলে সর্ববৃহৎ, লাটিমের মতো, সচল ও বহু ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৯,৫১৮.
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে কিন্তু সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ১৯৮৫ সালে। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৫১৯.
পানিতে কোন কোন মৌল থাকে?
  1. হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন
  3. সোডিয়াম ও অক্সিজেন
  4. সোডিয়াম ও ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
- পানির অনুর সংকেত H2O
- ভর : ১৮
- হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত: ২ : ১।
- পানি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমযোজী বন্ধনে গঠিত একটি যৌগ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
৯,৫২০.
বাংলাদেশে ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সালফার
  2. রক ফসফেট
  3. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস আমরা নানা কাজে ব্যবহার করি।
- এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইউরিয়া সার উৎপাদন।
- শতকরা প্রায় ২১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- আমাদের দেশে বেশির ভাগ বিদ্যুৎও উৎপন্ন করা হয় প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে।
- শতকরা প্রায় ৫১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় শতকরা ২২ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয় শিল্পকারখানায়, ১১ ভাগ বাসাবাড়িতে এবং ১১ ভাগ জ্বালানি হিসেবে।
- এছাড়া প্রায় শতকরা ১ ভাগ প্রাকৃতিক গ্যাস বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত হয়।
- বাকি শতকরা ৫ ভাগ অপচয় (System Loss) হয়।
- আমাদের দেশে ২০০৩ সাল থেকে যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা শুরু হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯,৫২১.
নিম্নের কোন খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ বেশি?
  1. ক) ঘি
  2. খ) গরুর দুধ
  3. গ) খাসির মাংস
  4. ঘ) ইলিশ মাছ
সঠিক উত্তর:
ক) ঘি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঘি
ব্যাখ্যা

100 গ্রাম ঘি এ মোট 900 কিলোক্যালরি শক্তি আছে।
অন্যদিকে, 100 গ্রাম গরুর দুধ, খাসির মাংস, ইলিশ মাছ এ শক্তি আছে যথাক্রমে 67 কিলোক্যালরি 194 কিলোক্যালরি এবং 273 কিলোক্যালরি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫২২.
গাড়ির হেডলাইটে কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহার করা?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) উভউত্তল
  4. ঘ) উভঅবতল
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
ব্যাখ্যা

কিছু গাইড বইতে ভুল দেয়া থাকতে পারে।
গাড়ির হেডলাইটে উত্তর লেন্স এবং অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, উত্তল লেন্সের ব্যবহার গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররেও হয়।

অবতল দর্পণের ফোকাসে একটি বাল্ব রাখা থাকে। বাল্বটি জ্বললে উৎপন্ন অপসারী আলােকরশ্মি অবতল দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল আলােকরশ্মি গুচ্ছ পরিণত হয় এবং অনেক দূর পর্যন্ত যায়। এর ফলে চালক রাতের অন্ধকারে অনেক দূরের বস্তু কে দেখতে পায়।

নিচের ডায়াগ্রাম দেখুন -

৯,৫২৩.
পেট্রোলিয়াম বিশোধন করা হয় কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) পাতন
  2. খ) আংশিক পাতন
  3. গ) কেলাসন
  4. ঘ) উর্ধ্বপাতন
সঠিক উত্তর:
খ) আংশিক পাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আংশিক পাতন
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক তরল মিশ্রণ যার উপাদান তরলের স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য 40° সে. বা তার বেশি হলে সাধারণ পাতন প্রক্রিয়ায় এদেরকে পৃথক করা যায়। 
- কিন্তু যদি মিশ্রণের উপাদানগুলোর স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্য খুব কম হয় তখন সাধারণ পাতন প্রণালিতে এদের পৃথক করা যায় না। 
- এক্ষেত্রে পাতন ফ্লাস্কের এবং শীতকের মধ্যে ‘অংশ কলাম' ব্যবহার করে পাতন প্রক্রিয়ায় মিশ্রিত তরলের উপাদানগুলো পৃথক করা হয়। 
- ‘অংশ কলাম’ ব্যবহার করে পাতন প্রক্রিয়ায় মিশ্রণের তরল উপাদানসমূহকে পৃথক করার প্রক্রিয়াকে আংশিক পাতন বলে।
 
বর্তমানে আংশিক পাতন প্রক্রিয়ায় পেট্রোলিয়াম বিশোধন, আলকাতরার অংশ পাতন, রেকটিফাইড স্পিরিট উৎপাদনসহ অসংখ্য পৃথকীকরণ করা হয়।
 
উৎস : রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৫২৪.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
• অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে।

- অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যা স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি বা স্থির বৈদ্যুতিক চার্জের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এই প্রক্রিয়াটি মূলত জেরোগ্রাফি (Xerography) নামে পরিচিত।
• ফটোকপি মেশিনের কাজের পদ্ধতি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে:
- প্রাথমিক চার্জিং (Charging): একটি ড্রাম বা বেলন যন্ত্র একটি উচ্চ ভোল্টেজের দ্বারা সমানভাবে চার্জ করা হয়।
- ইমেজিং (Imaging): মূল ডকুমেন্টের ছবি একটি শক্তিশালী আলোর উৎস দ্বারা ড্রামে প্রক্ষেপিত হয়। যেখানে আলো ড্রামে পড়ে, সেখানে চার্জ মুক্ত হয়ে যায় এবং যেখানে আলো পড়ে না, সেখানে চার্জ থাকে। এভাবে ড্রামে একটি লুকানো বা ল্যাটেন্ট ইমেজ তৈরি হয়।
- ডেভেলপিং (Developing): ড্রামটি টোনার (এক ধরনের কালো পাউডার) দ্বারা আবৃত হয়, যা চার্জ করা অংশে আটকে যায়। এতে ড্রামে একটি দৃশ্যমান ইমেজ তৈরি হয়।
- ট্রান্সফারিং (Transferring): ড্রাম থেকে টোনার কাগজে স্থানান্তরিত করা হয়। কাগজটি একটি উচ্চ চার্জযুক্ত রোলার বা বেলন দ্বারা আকর্ষিত হয়, ফলে টোনার কাগজের উপর স্থানান্তরিত হয়।
- ফিউজিং (Fusing): কাগজটি একটি উত্তপ্ত রোলারের মাধ্যমে পাস হয়, যা টোনারকে গলিয়ে কাগজের সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করে।
- ক্লিনিং (Cleaning): ড্রামের বাকি টোনার অপসারণ করা হয় এবং ড্রামটি পুনরায় চার্জিংয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. [xerox]
৯,৫২৫.
নিচের কোনটি বায়ু পরাগায়িত উদ্ভিদ? 
  1. কদম 
  2. জবা 
  3. ধান 
  4. শিমুল 
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

- বায়ু পরাগী উদ্ভিদ হচ্ছে ধান। 

পরাগায়নের মাধ্যম: 

- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 

বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 

পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 

প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫২৬.
ধাতুর যে ধর্মের কারণে পিটিয়ে পাত (Sheet) এ পরিণত করা যায় তা হলো
  1. Ductility
  2. Brittleness
  3. Malleability
  4. Toughness
সঠিক উত্তর:
Malleability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Malleability
ব্যাখ্যা
ধাতব ধর্ম:
১. ধাতুসমূহ ঘাতসহনশীল। এদের যে কোন আকার দেওয়া যায়। [ঘাতসহনশীলতাকে Malleability বলে]
২.ধাতু নমনীয়। একে পিটিয়ে সরু তারে পরিণত করা যায়।
৩. ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
৪. আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়।
৫. ধাতুর গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক উচ্চ হয়।
৬. ধাতুসমূহের ঘনত্ব অধাতুর তুলনায় অনেক বেশি।
৭. বিশুদ্ধ ধাতুকে ছুরি দিয়ে কাটা যায়।

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, রসায়ন ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫২৭.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিথেন
ব্যাখ্যা
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৫২৮.
ইনসুলিন কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. ক) পিত্তাশয়ে
  2. খ) পাকস্থলীতে
  3. গ) ইন্টারফেরনে
  4. ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্ন্যাশয়ে
ব্যাখ্যা
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- অগ্ন্যাশয়ের ইংরেজি হচ্ছে প্যানক্রিয়াস।
- প্যানক্রিয়াস(pancrea) হল মানুষের একটি অংগ যা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। পাকস্থলী যেখানে শেষ হয়, ডিওডেনাম সেখানে শুরু হয়। আর ডিওডেনামের পিছনেই এটির অবস্থান।
 
এটা মূলত দুই ধরনের কাজ করে: 
১) খাদ্য হজমের জন্য পাচক রস বা ডাইজেস্টিভ জুস তৈরি করে পাকস্থলীতে সরবরাহ করে।
২) ইন্সুলিন ও গ্লুকাগন নিঃসরণ করে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
 


উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৫২৯.
মধুতে খুব বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) কপার
  2. খ) ম্যাঙ্গানিজ
  3. গ) লৌহ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মধু ভালো শক্তি প্রদানকারী খাদ্য। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
- মধুতে যে শর্করা থাকে তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।
- মধু ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 
- ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
- রক্তশূন্যতা কমাতে মধু সহায়ক। মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
- হাঁপানি রোধে এবং ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে সহায়তাকারী।
- মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুমে কাজ করে।
 
উৎস : কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট
৯,৫৩০.
ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান -
  1. ক) আরএনএ
  2. খ) ডিএনএ
  3. গ) ডিএনএ ও হ্যালিক্স
  4. ঘ) আরএনএ ও হ্যালিক্স
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিক এসিড ২ ধরনের। যথা - DNA এবং RNA।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান- DNA।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- DNA এর পূর্ণনাম- Deoxyribonucleic acid.
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর ডাবল হেলিক্সের বর্ণনা দেন।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।
৯,৫৩১.
পর্যায় সারণির একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে গেলে পরমাণুর আকার- 
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায় 
  3. হঠাৎ কমে যায়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
পরমাণুর আকার বা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ: 
- পরমাণুর আকার তথা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- যেকোনো একটি পর্যায়ের যতই বামদিক থেকে ডান দিকে যাওয়া যায় পরমাণুর আকার বা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ তত কমতে থাকে এবং যেকোনো একটি গ্রুপের যতই উপর দিক থেকে নিচের দিকে যাওয়া যায় পরমাণুর আকার বা পারমাণবিক ব্যাসার্ধ তত বাড়তে থাকে। 
- একই পর্যায়ের বাম দিক থেকে যত ডান দিকে যাওয়া যায় পারমাণবিক সংখ্যা তত বাড়তে থাকে কিন্তু প্রধান শক্তিস্তরের সংখ্যা বাড়ে না। 
- পারমাণবিক সংখ্যা বাড়লে নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং ইলেকট্রন সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। 
- নিউক্লিয়াসের অধিক প্রোটন সংখ্যা এবং নিউক্লিয়াসের বাইরের অধিক ইলেকট্রন সংখ্যার মধ্যে আকর্ষণ বেশি হয় ফলে ইলেকট্রনগুলোর শক্তিস্তর নিউক্লিয়াসের কাছে চলে আসে, ফলে পরমাণুর আকার ছোট হয়ে যায়। 

- আবার, একই গ্রুপে যতই উপর থেকে নিচের দিকে যাওয়া যায় ততই বাইরের দিকে একটি করে নতুন শক্তিস্তর যুক্ত হয়, একটি করে নতুন শক্তিস্তর যুক্ত হলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায়। 
- একই গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে গেলে নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা এবং বাইরের কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আকর্ষণ বৃদ্ধি হয়ে পরমাণুর আকার যতটুকু হ্রাস পায়, নতুন একটি শক্তিস্তর যোগ হওয়ার কারণে পরমাণুর আকার তার চেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়। যে কারণে উপরের মৌলের চেয়ে নিচের মৌলের আকার বড় হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৩২.
নিচের কোনটিতে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে?
  1. ক) বাতাসে
  2. খ) পানিতে
  3. গ) পারদে
  4. ঘ) কাঠে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাঠে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি।

কঠিন পদার্থের ঘনত্ব তরল ও বায়বীয় পদার্থের থেকে বেশি হয়ে থাকে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কাঠে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে।

পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৩৩.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১ লিটার পানিতে কমপক্ষে কতটুকু অক্সিজেন থাকা দরকার?
  1. ক) ১০ মিলিগ্রাম
  2. খ) ৫ মিলিগ্রাম
  3. গ) ৮ ডেসিগ্রাম
  4. ঘ) ৪ পিকোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা

কোনো কারণে যদি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে যায়, তাহলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে।
যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাঁচতেই পারে না। জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১ লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার।
সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯,৫৩৪.
কোনটি আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব এসেছে? 
  1. অসিলেটর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. রেজিস্টর
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৩৫.
বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা কত ভাগ?
  1. ০.০১ ভাগ
  2. ০.০৮ ভাগ
  3. ০.৪১ ভাগ
  4. ০.০৩ ভাগ
সঠিক উত্তর:
০.৪১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৪১ ভাগ
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১,
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩,
• ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১,
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯,
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৩৬.
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় কেন?
  1. ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
  2. খ) দুইখণ্ড মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  3. গ) মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষের সৃষ্টি হলে
  4. ঘ) মেঘের মধ্যদিয়ে বাতাস প্রবাহিত হলে
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা

মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য মেঘের ভেতর বড় স্পার্ক হয় যেটাকে আমরা বিদ্যুৎ চমকানাে বলি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই

৯,৫৩৭.
নিচের কোনটির প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন? 
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

• আইসোটোপ: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 

• আইসোবার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। 

• আইসোটোন: 
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়।

• আইসোমার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫৩৮.
বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে -
  1. ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. খ) অনেকগুলো ছোট দাঁতের দাগ
  3. গ) ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্ষপাত হতে থাকে
  4. ঘ) ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে
সঠিক উত্তর:
ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
ব্যাখ্যা
বিষধর সাপে কাটলে শরীরে বিষক্রিয়ার কিছু লক্ষণ দেখা যায়:
- ক্ষতস্থানে বিষদাঁতের দুটি দংশনের চিহ্নের উপস্থিতি,
- ক্ষতস্থান থেকে অনবরত রক্তপাত ও ক্ষতস্থান অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা,
- কখনো কখনো সারা শরীর ফুলে যাওয়া, খাবার ও ঢোক গিলতে অসুবিধা, শ্বাসকষ্ট, চোখে ঝাপসা দেখা ও চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা
উৎস: প্রথম আলো
৯,৫৩৯.
ছত্রাকের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. নিউক্লিয়াস সুগঠিত
  2. কোষপ্রাচীর কাইটিন নির্মিত
  3. কোনো কোনো প্রজাতিতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে
  4. কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া উপস্থিত
সঠিক উত্তর:
কোনো কোনো প্রজাতিতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো কোনো প্রজাতিতে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে
ব্যাখ্যা

অধিকাংশ ছত্রাকই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।
- দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত।
- এগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত। কোষপ্রাচীর কাইটিন নামক বস্তু দিয়ে গঠিত।
- কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। সুকেন্দ্রিক হওয়ায় এদের কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া উপস্থিত থাকে।
- তবে Trichomonas, Monocercomonoides ইত্যাদি প্রোটোজোয়া সুকেন্দ্রিক কোষ হলেও এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া নেই।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯,৫৪০.
ক্ষমতার এস. আই একক কোনটি?
  1. জুল
  2. নিউটন
  3. ওয়াট
  4. ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

অন্যদিকে, 
- শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। তাই, ১ ক্যালরি = ৪.২ জুল। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে 'বজ্রপাত' সৃষ্টি হয়?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) ট্রপোমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। যথা- ট্রপোমন্ডল, স্টার স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল। ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমন্ডল। আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৪২.
উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য যেকল উপাদান খুব অল্প পরিমাণে লাগে তাদের কী বলে?
  1. ম্যাক্রোমৌল
  2. মাইক্রোমৌল
  3. অ্যাক্টিভ মৌল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোমৌল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোমৌল
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে, তবে এই ৬০টি উপাদানের মধ্যে মাত্র ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।
- এ ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (essential elements) বলা হয়।
- ১৬টি উপাদানের মধ্যে ১০টি ম্যাক্রোমৌল এবং ৬ টি মাইক্রো মৌল।

• ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
৯,৫৪৩.
কার্বোহাইড্রেট এ C : H : O হলো—
  1. ক) 1 : 1 : 2
  2. খ) 1 : 2 : 1
  3. গ) 2 : 1 : 1
  4. ঘ) 1 : 3 : 1
সঠিক উত্তর:
খ) 1 : 2 : 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 1 : 2 : 1
ব্যাখ্যা
• কার্বোহাইড্রেট এ C : H : O হলো 1 : 2 : 1.

কার্বোহাইড্রেট:
- উদ্ভিদের সবুজ অংশে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয় কার্বোহাইড্রেট।
- জীবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ গাঠনিক ও সঞ্চয়ী উপাদান হলো কার্বোহাইড্রেট।
- আমাদের খাদ্য তালিকার প্রধান উপাদানও কার্বোহাইড্রেট।
- কার্বোহাইড্রেটকে হাইড্রেট্স অব কার্বন থেকে নামকরণ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো কার্বনের জলায়ন।
- কার্বোহাইড্রেটের প্রতি অণু কার্বনের সাথে দু 'অণু হাইড্রোজেন ও এক অণু অক্সিজেন থাকে।
- কাজেই কার্বোহাইড্রেট হলো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ যেখানে এদের অনুপাত ১ঃ২ঃ১।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৫৪৪.
অবাত শ্বসন কোষের কোন অংশে ঘটে?
  1. ক) রাইবোসোম
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) সাইটোপ্লাজম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাইটোপ্লাজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা
শ্বসন : যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। শ্বসন একটি তাপমোচী প্রক্রিয়া।

• শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে, দিন ও রাত্রির সর্বসময়ে, ঘটে।
• কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইট্রোকনড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়।
• অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে
• সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত ATP হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য ATP কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয় ।
• সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকনড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ ATP তে রুপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৫৪৫.
পরমাণুর M কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ৩২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
পরমাণুর ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ কক্ষপথ গুলোকে যথাক্রমে K, L, M, N কক্ষপথ বলে।
পরমাণুর যে কোন কক্ষপথে 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে।
এখানে, n = কক্ষপথের সংখ্যা।

তাহলে, M তথা ৩য় কক্ষপথে থাকবে = ২ × ৩ = ২ × ৯ = ১৮টি ইলেকট্রন।

উৎস:  অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৯,৫৪৬.
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ কোন কণিকা দ্বারা গঠিত?
  1. ক) ফার্মিওন
  2. খ) বোসন
  3. গ) গ্রাভিটন
  4. ঘ) সাবিট্রন
সঠিক উত্তর:
ক) ফার্মিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফার্মিওন
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সকল পদার্থ ফার্মিওন কণিকা দ্বারা গঠিত। 

- এ ধরণের কণা কখনোই একটি পরমাণুতে দুইটি ভিন্ন কণার সকল বৈশিষ্ট্য এক হতে পারে না। 
- এদের প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন কণা আছে। 
- ফার্মিওন  কণা আবার দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা- Quark, Lepton. 

সূত্র- ৪২২ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪৭.
p-n জাংশনের যে অঞ্চলটিতে কোনো মুক্ত আধান বাহক থাকে না, তাকে কী বলে? 
  1. প্যাসিভ স্তর
  2. পরিবাহী স্তর
  3. ডিপ্লেশন স্তর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লেশন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লেশন স্তর
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী ডায়োড বা জাংশন ডায়োড: 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশন বা জাংশন ডায়োড বলে। 
- দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দুটি অর্ধপরিবাহীকে জোড়া লাগিয়ে ডায়োড তৈরি করা হয় না। 
- বাস্তবে একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অর্ধাংশে ত্রিযোজী অপদ্রব্য এবং অপর অর্ধাংশে পঞ্চযোজী অপদ্রব্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর অভ্যন্তরে বহুসংখ্যক হোল ও অতি অল্প সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে। 
- একইভাবে একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে বহুসংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন এবং অতি অল্পসংখ্যক হোল বর্তমান থাকে। 

- p-n জাংশন তৈরির সাথে সাথে p-অঞ্চলের হোলের সংখ্যা n-অঞ্চলের হোলের সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি বলে ব্যাপনের নিয়ম অনুযায়ী p-অঞ্চলের হোলগুলো n-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে যাতে p ও n অঞ্চলের সর্বত্র হোলের ঘনত্ব সমান হয়। 
- অনুরূপভাবে n-অঞ্চল থেকে কিছু ইলেকট্রন p-অঞ্চলে যেতে চেষ্টা করে। 
- যখন p-অঞ্চল হতে কিছুসংখ্যক হোল n-অঞ্চলে প্রবেশ করে মুক্ত ইলেকট্রনের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয়, তখন n-অঞ্চলে সমসংখ্যক ধনাত্মক দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়। আবার n-অঞ্চল হতে একই প্রক্রিয়ায় মুক্ত ইলেকট্রনগুলো যখন p-অঞ্চলে প্রবেশ করে হোলের সাথে মিলিত হয়ে তড়িৎ নিরপেক্ষ হয় তখন p-অঞ্চলে সমসংখ্যক ঋণাত্মক গ্রাহক আয়ন উন্মুক্ত হয়। 
- ফলে জাংশনের সন্নিকটে p-অঞ্চলে কিছু ঋণাত্মক আয়ন এবং n-অঞ্চলে কিছু ধনাত্মক আয়নের উদ্ভব ঘটে। এভাবে যখন যথেষ্ট সংখ্যক গ্রাহক ও দাতা আয়ন উন্মুক্ত হয়, তখন ব্যাপন প্রক্রিয়া বাঁধাগ্রস্ত হবে। 
- p-n জাংশনের বিভব বাঁধা অংশে n-অঞ্চলে ধনাত্মক আয়ন এবং p-অঞ্চলে ঋণাত্মক আয়ন উন্মুক্ত হয়। 
- এ অঞ্চলে কোনো মুক্ত আধান বাহক থাকে না, এ অংশকে নিঃশেষিত স্তর বা ডিপ্লেশন স্তর (Depletion layer) বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪৮.
পানির ঘনত্ব সর্বাধিক কোন তাপমাত্রায়?
  1. 0°C
  2. 4°C
  3. 25°C
  4. 100°C
সঠিক উত্তর:
4°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4°C
ব্যাখ্যা

• পানির ঘনত্ব: সাধারণভাবে, পদার্থের ঘনত্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে কমে যায়, কারণ তাপের প্রভাবে পদার্থ প্রসারিত হয়।

পানির ব্যতিক্রম:
- 0°C এ পানি বরফে রূপান্তরিত হয় এবং বরফের ঘনত্ব পানি থেকে কম।
- পানি 4°C এ সর্বাধিক ঘন হয়।
- 4°C এর উপরে তাপমাত্রা বাড়লে পানি প্রসারিত হয় এবং ঘনত্ব কমতে থাকে।
- এটি পানির অস্বাভাবিক সম্প্রসারণ নামে পরিচিত।
- তাই পানির ঘনত্ব সর্বাধিক হয় 4°C তাপমাত্রায়, যা জীবজগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেমন হ্রদ বা নদীর জল বরফের তলায় তরল থাকে।

সুতরাং, পানির ঘনত্ব সর্বাধিক 4°C তাপমাত্রায়।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।   

৯,৫৪৯.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পরিমিত তাপমাত্রা কত?
  1. ২০-২৫° সেলসিয়াস
  2. ২০-৩০° সেলসিয়াস
  3. ২২-৩৫° সেলসিয়াস
  4. ৩০-৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২২-৩৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২-৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- আলো এবং ক্লোরোফিল ছাড়াও সালোকসংশ্লেষণ আরও কতগুলো প্রভাবক দিয়ে প্রভাবিত হয়। 
- প্রভাবকগুলো কিছু বাহ্যিক এবং কিছু অভ্যন্তরীণ। 
- প্রভাবকের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি, পরিমাণে কম-বেশি সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণও কম-বেশি করে থাকে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রকিয়ায় তাপমাত্রা বিশেষ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। 
- সাধারণত অতি নিম্ন তাপমাত্রা (০° সেলসিয়াসের কাছাকাছি) এবং অতি উচ্চ তাপমাত্রয় (45° সেলসিয়াসের উপরে) এ প্রক্রিয়া চলতে পারে না। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পরিমিত (Optimum) তাপমাত্রা হলো ২২° সেলসিয়াস থেকে ৩৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত। 
- তাপমাত্রা ২২° সেলসিয়াসের কম বা ৩৫° সেলসিয়াসের বেশি হলে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যাবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫০.
নিচের কোন ক্ষেত্রে অতিবেগুনি রশ্মির (UV) কালি ব্যবহার করা হয়? 
  1. পাসপোর্টে
  2. ট্রাভেলারস চেকে
  3. ক্রেডিট কার্ডে
  4. উপরোক্ত সবকটিতে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবকটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবকটিতে
ব্যাখ্যা
জাল পাসপোর্ট/টাকা শনাক্তকরণে অতিবেগুনি রশ্মির (UV) ব্যবহার: 
- বিগত শতাব্দী ধরে প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে টাকা তৈরির নিরাপত্তা অপেক্ষাকৃত সুনিশ্চিত হওয়ার ফলে জাল নোট তৈরিকারকদের জন্য টাকা তৈরি করা ক্রমেই দুরূহ হয়ে পড়ছে। 
- জাল নোট তৈরিতে বাধা প্রদান করার একটা পদ্ধতি হচ্ছে UV ফ্লুরোসেন্ট বস্তু টাকা প্রস্তুতকারী কাগজে সংযোজন করা। 
- জাল নোট শনাক্তকারী UV মেশিনে সাধারণত টাকার কাগজের বিশেষ কালি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যে দৃষ্টিগোচর হয়। 
- একটি জাতির প্রচলিত মুদ্রা UV নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য কৃতকার্যতার সাথে প্রয়োগ একটি দুই স্তরবিশিষ্ট পদ্ধতি। 
- প্রথম ধাপ হচ্ছে কাগজের নোটে অতিবেগুনি (ultraviolet) কালি প্রয়োগ। 
- UV ফ্লুরোসেন্ট ফসফরাসযুক্ত নোট যখন UV রশ্মিতে স্থাপন করা হয় তখন এটি বিক্রিয়া দেখায় যা সাধারণ আলোয় দেখা যায় না। 
- যখন UV রশ্মিতে অনাবৃত করা হয় তখন UV কালির পরিবর্তন সংঘটিত করে এবং বিশেষ নিরাপত্তা চিহ্নগুলো মানুষের চোখে দৃশ্যমান হয়। 
- এর অর্থ হচ্ছে সাধারণ আলোতে UV কালি দ্বারা ছাপাকৃত নিরাপত্তা নকশা প্রতীয়মান হয় না। 
- UV আলো প্রয়োগ করলে এ পরিবর্তন পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান হয়, যা ফ্লুরোসেন্ট আলো সৃষ্টি করে। 
উল্লেখ্য যে,
- কাগজের মুদ্রা ছাড়া এই UV রশ্মির কালি পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড, ট্রাভেলারস চেক, সোসাল সিকিউরিটি কার্ড ইত্যাদিতে ব্যবহার করে একইভাবে জাল প্রতিরোধ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৫১.
মহাকর্ষ বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্রাভিটন
  2. ফোটন
  3. গ্লুয়ন
  4. হিগস বোসন
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
ব্যাখ্যা

• মৌলিক বল:
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
- এই মৌলিক বলগুলো হলো-
১। মহাকর্ষ বল,
২। তাড়িতচৌম্বক বল,
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল।

- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন (Graviton)।
অন্যদিকে,
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুয়ন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।

৯,৫৫২.
কোভিড-১৯ কোন ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে?
  1. SARS-CoV-1
  2. SARS-CoV-2
  3. MERS-CoV
  4. Influenza A
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
ব্যাখ্যা
কোভিড-১৯ রোগটি নভেল করোনা ভাইরাস বা SARS-CoV-2 (Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2) এর সংক্রমনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 

• এটি ২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয়।
- এটি SARS-CoV-1 (২০০৩ সালের SARS ভাইরাস) এর সাথে জেনেটিকভাবে সম্পর্কিত, তাই এর নামকরণ করা হয় SARS-CoV-2।
- ICTV (International Committee on Taxonomy of Viruses) কর্তৃক ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামকরণ করা হয় ।

• রোগের লক্ষণসমূহ:
(i)  জ্বর। 
(ii) শুকনো কাশি । 
(iii) শ্বাসকষ্ট। 
(iv) এ ছাড়া সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, দুর্বলবোধ, পাতলা পায়খানা, এমন কি মাংশপেশিতে ব্যথা।
(iv) শেষ পর্যন্ত নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

• করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে (ক্ষেত্র বিশেষে ২৭ দিনের মধ্যে) রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এজন্য সন্দেহভাজন (যার লক্ষণ প্রকাশিত হয় নাই কিন্তু আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে) ব্যক্তিকে ১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে রাখতে হয়।
- কোয়ারেনটাইন হলো নিজেকে একটি ঘরে সম্পূর্ণভাবে আবদ্ধ করে রাখা। এ সময় কারো সাথে দেখা সাক্ষাৎ, মেলামেশা না করা। এ অবস্থায় বাড়িতে থাকলে বলা হয় হোম কোয়ারেনটাইন।
- হাসপাতাল বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে থাকলে তাকে বলা হয় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইন।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৯,৫৫৩.
নিচের কোনটি একটি ম্যাক্রো উপাদান? 
  1. সালফার (S)
  2. তামা (Cu)
  3. দস্তা (Zn)
  4. মোলিবডেনাম (Mo)
সঠিক উত্তর:
সালফার (S)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার (S)
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন: ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ৯ টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) এবং সালফার (S)। 

মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৭ টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), লৌহ (Fe) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫৪.
কোন রাজ্যের জীবগুলোর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না? 
  1. মনেরা
  2. প্রোটিস্টা
  3. প্লান্টি
  4. ফানজাই
সঠিক উত্তর:
মনেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনেরা
ব্যাখ্যা
জীবের শ্রেণিকরণ: 
- বিজ্ঞানীগণ পৃথিবীর সমস্ত জীবকে তাদের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধকরণের চেষ্টা করেছেন। 
- ১৯৬৯ খ্রি. বিজ্ঞানী হুইটেকার পঞ্চরাজ্য শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- ১৯৭৪ খ্রি. বিজ্ঞানী মাগিউলিস (Margulis) উক্ত শ্রেণিবিন্যাসকে পুনর্বিন্যাস করে জীবজগতের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস প্রবর্তন করেন। 
- আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসটি নিম্নরূপ পাঁচটি রাজ্যে ভাগ করেছেন- 
যেমন-
রাজ্য-১: মনেরা: 
- এ রাজ্যের অধীনে বিন্যস্ত জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- জীবটি এককোষী এবং এর কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না; এরা খুবই ক্ষুদ্র এবং অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া এদের দেখা যায় না। 
উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, স্পাইরোগাইরা ইত্যাদি। 

রাজ্য-২: প্রোটিস্টা: 
- এর অধীনে ঐ সকল জীবকে বিন্যস্ত করা হয়, যাদের কোষ সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত, এরা এককোষী বা বহুকোষী ক্লোরোফিল যুক্ত একক বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে। 
উদাহরণ: ইউগ্লেনা, অ্যামিবা ইত্যাদি। 

রাজ্য-৩: ফানজাই বা ছত্রাক: 
- এদের দেহে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে। এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী হয়। দেহে ক্লোরোফিল নেই, তাই এরা পরভোজী। 
উদাহরণ- ইস্ট, পেনিসিলিয়াম, মাশরুম ইত্যাদি। 

রাজ্য- ৪: প্লান্টি (উদ্ভিদজগৎ): 
- অধিকাংশ উদ্ভিদ নিজেই নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। এদের দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত। এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান। উদ্ভিদে সবুজ কণিকা বা ক্লোরোফিল থাকে, তাই এরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

রাজ্য-৫: এ্যানিমেলিয়া (প্রাণিজগৎ): 
- এসব জীবের কোষে সেলুলোজ নির্মিত কোষপ্রাচীর থাকে না। সাধারণত এ কোষগুলোতে প্লাস্টিডও থাকে না। তাই খাদ্যের জন্য এরা উদ্ভিদের উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। 
উদাহরণ- মাছ, পাখি, গরু, মানুষ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৯,৫৫৫.
একটি Alternator -এ 0.6 Pf (lagging) -এ 300KW লোড সরবরাহ করছে। যদি Power factor উন্নীত হয়ে Unity হয়, তাহলে একই KVA loading-এ Alternator টি অতিরিক্ত কত KW সরবরাহ করতে পারবে?
  1. 50 KW
  2. 100 KW
  3. 200 KW
  4. 250 KW
সঠিক উত্তর:
200 KW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200 KW
ব্যাখ্যা
Apparent power = 300/0.6
= 500 KVA

যদি Power factor উন্নীত হয়ে Unity হয়,
Real power = 500 × 1
= 500 KW
 
অতিরিক্ত সরবরাহ করতে পারবে = 500 - 300
= 200 KW
৯,৫৫৬.
মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম কী?
  1. ক) থাইরয়েড
  2. খ) পিটুইটারি
  3. গ) প্যারাথাইরয়েড
  4. ঘ) থাইমাস
সঠিক উত্তর:
খ) পিটুইটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পিটুইটারি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থির নাম হচ্ছে পিটুইটারি গ্রন্থি।  

- পিটুইটারি গ্রন্থি হলো একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
- এই গ্রন্থিটি মস্তিষ্কের পাদদেশে অবস্থিত মটর দানার মতো দেখতে।
- মানব শরীরে পিটুইটারি গ্রন্থির ওজন ০.৫ গ্রাম।
- পিটুইটারি গ্রন্থির ৩টি অংশ আছে। 
যথাঃ– (১) সম্মুখ অংশ (Anterior Lobe) (২) মধ্য অংশ (Intermediate lobe) (৩) পশ্চাৎ অংশ ( Posterior lobe)।

পিটুইটারি গ্রন্থির কাজসমূহ- 
১. বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ।
২. জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কার্য নিয়ন্ত্রণ।
৩. মাতৃদেহে দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫৭.
নিচের কোনটির মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. হিমবাহ
  3. অগ্ন্যূৎপাত
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ
ব্যাখ্যা
- যে সমস্ত কার্যাবলীর দ্বরা প্রাকৃতিকভাবে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয় তা ভূপ্রক্রিয়া নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন আকস্মিক ও ধীর দুভাবে সংঘটিত হয়।
আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- ভূমিকম্প
- আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যূৎপাত
- সুনামি প্রভৃতি।
ধীর পরিবর্তন প্রক্রিয়াসমূহ:
- হিমবাহ
- বৃষ্টিপাত
- বায়ুপ্রবাহ
- সূর্যতাপ
- নদী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৯,৫৫৮.
পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত-
  1. 1 : 2
  2. 2 : 1
  3. 1 : 1
  4. 2 : 3
সঠিক উত্তর:
2 : 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 : 1
ব্যাখ্যা
• পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 2 : 1। 

যৌগিক পদার্থ:

- যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের অধিক মৌল পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগের মধ্যে মৌলসমূহের সংখ্যার অনুপাত সব সময় একই থাকে।
যেমন - যেখান থেকেই পানির নমুনা সংগ্রহ করা হোক না কেন রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে।
অর্থাৎ পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 2 : 1 । 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৫৯.
নিচের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে কোনটির অঙ্গজ প্রজনন পাতার মাধ্যমে হয়? 
  1. পিঁয়াজ
  2. আদা
  3. কচুরিপানা
  4. পাথরকুচি
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক অঙ্গজ জনন: 
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে স্বাভাবিক নিয়মেই এ ধরনের অঙ্গজ জনন দেখা যায়। 
যেমন- 
১. দেহের খণ্ডায়ন: 
- সাধারণত নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে এ ধরনের জনন দেখা যায়। Spirogyra, Mucor ইত্যাদি উদ্ভিদের দেহ কোনো কারণে খণ্ডিত হলে প্রতিটি খণ্ড একটি স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে। 

২. মূলের মাধ্যমে: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। যেমন-পটল, সেগুন ইত্যাদি। 
- কোনো কোনো মূল খাদ্য সঞ্চয়ের মাধ্যমে বেশ মোটা ও রসাল হয়। এর গায়ে কুঁড়ি সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে নতুন উদ্ভিদ গজায়। যেমন- মিষ্টি আলু। 

৩. রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যমে: 
- উদ্ভিদের কোন অংশকে কাণ্ড বলে তা দেখলে বুঝা যায়, তবে কিছু কাণ্ডের অবস্থান ও বাইরের চেহারা দেখে তাকে কাণ্ড বলে মনেই হয় না, এরা পরিবর্তিত কাণ্ড। বিভিন্ন প্রতিকূলতায়, খাদ্য সঞ্চয়ে অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। 
- এদের বিভিন্ন রূপ নিম্নে দেওয়া হলো- 
(ক) টিউবার: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে। আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু। 
(খ) রাইজোম: 
- এরা মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থান করে। কাণ্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট। পর্বসন্ধিতে শঙ্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। এরাও খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসাল হয়। অনুকূল পরিবেশে এসব মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে, যেমন- আদা। 
(গ) কন্দ (বাল্ব): 
- এরা অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড। এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন-পিয়াজ, রসুন ইত্যাদি। 
(ঘ) স্টোলন: 
- কচুর লতি হলো কচুর শাখা কাণ্ড। এগুলো জননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। এভাবে স্টোলন উদ্ভিদের জননে সাহায্য করে, যেমন- কচু, পুদিনা। 
(ঙ) অফসেট: 
- কচুরিপানা, টোপাপানা ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদে শাখা কাণ্ড বৃদ্ধি পেয়ে একটি নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। কিছুদিন পর মাতৃউদ্ভিদ থেকে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদে পরিণত হয়, যেমন- কচুরিপানা। 
(চ) বুলবিল: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিন্ডের মতো আকার ধারণ করে। এদের বুলবিল বলে। এসব বুলবিল কিছুদিন পর গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছের জন্ম দেয়, যেমন- চুপড়ি আলু। 

৪. পাতার মাধ্যমে: 
- কখনো কখনো পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়ে নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, যেমন- পাথরকুচি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৫৬০.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি. এ-
  1. ৫ কি.মি.
  2. ১০ কি.মি.
  3. ২৭ কি.গ্রাম
  4. ১০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন। 
- গড় সমুদ্রপৃষ্ঠীয় চাপ হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ। 
- পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলের শীর্ষ পর্যন্ত গড়ে ১ বর্গ সেন্টিমিটার প্রস্থচ্ছেদের বায়ুর কলামের ভর ১.০৩ কিলোগ্রাম এবং এটি ১০.১ নিউটন ওজন প্রয়োগ করে। যার ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে ১০.১নিউটন চাপের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ওয়েবসাইট।
৯,৫৬১.
কোষের প্রাণশক্তি বলা হয়-
  1. নিউক্লিয়াসকে
  2. মাইটোকন্ড্রিয়াকে
  3. রাইবোজোমকে
  4. লাইসোজোমকে
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াসকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াসকে
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস অব সেল বলা হয়।
- জীবদেহের প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
- লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫৬২.
মানুষের অগ্ন্যাশয় রসে কোন ধরনের এনজাইম থাকে?
  1. অ্যামাইলেজ
  2. লাইপেজ
  3. ট্রিপসিন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয় (Pancreas): 

• অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি।
• এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে।
• অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে।
• অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়।
• অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক বা এনজাইম থাকে।
• এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে।
• তাছাড়াও অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন: গ্লুকাগন ও ইনস্যুলিন নিঃসরণ করে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপরদিকে, 
- লালা রসে থাকে টায়ালিন ও মলটেজ নামক এনজাইম। 
- পাকস্থলি রসে শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
- আন্ত্রিক রসে থাকে অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ নামক এনজাইম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৯,৫৬৩.
ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান কোনটি?
  1. ক্লোরোহেক্সিডিন গ্লুকোনেট
  2. আইসোপ্রোপানল
  3. ক্লোরোজাইলিনল
  4. পাইন অয়েল
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোজাইলিনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোজাইলিনল
ব্যাখ্যা

- ডেটলের প্রধান সক্রিয় উপাদান হলো ক্লোরোজাইলিনল (Chloroxylenol)। এই রাসায়নিক যৌগটির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা জীবাণু মেরে ফেলতে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

ডেটল (Dettol): 
- ডেটল একটি জনপ্রিয় এন্টিসেপটিক এবং জীবাণুনাশক হলুদ বর্ণের তরল মিশ্রণ। 
- ডেটল কতগুলো রাসায়নিক পদার্থে তৈরি একটি প্রতিরোধক যা সজীব কোষ-কলার উপর জীবাণুর জন্ম ও বৃদ্ধি রোধ করে। 
- ডেটলের প্রধান কার্যকরী উপাদান ক্লোরোজাইলিনল (C8H9CIO) যা ডেটলে সর্বোচ্চ ৪.৮% থাকে। 
- ডেটলের অন্যান্য উপাদানগুলো হলো- আইসো প্রোপানল, পাইন অয়েল, ক্যাস্টার অয়েল, সাবান এবং পানি। 

ডেটলের ব্যবহার: 
- স্যাভলনের ন্যায় ডেটল পানির সাথে মিশিয়ে কাটা, ছেঁড়া, পোকায় আক্রান্ত স্থানে তুলার সাহায্যে লাগালে জীবাণু সংক্রমণ রোধ হয়। 
- ডেটল এবং স্যাভলন উভয়কেই অ্যান্টিসেপটিক রূপে ব্যবহার করা হলেও এদেরগঠন উপাদান ভিন্ন। 
- স্যাভলন হলো ক্লোরোহেক্সিডিন গ্লুকোনেট ও সেট্রিমাইড দ্রবণের মিশ্রণ। 
- এছাড়া পরিচ্ছন্নতার কাজে যেমন- গোসলের সময়, ধোয়া-মোছার কাজে, প্রসূতি, শিশু ও রোগীর ব্যবহৃত পোশাক ও অন্যান্য কাপড়, বিছানাপত্র, ঘরের মেঝে, বাথরুম ইত্যাদি পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখতে ডেটল ব্যবহার করা হয়।
- ডেটল পানির সাথে না মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিৎ নয় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিৎ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৬৪.
অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে কী বলে?
  1. ক) গলন
  2. খ) নিঃসরণ
  3. গ) ঊর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 

নিঃসরণ: 

- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নি:সরণ বলা হয়। 

গলন

- কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়। 

ঊর্ধ্বপাতন
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৬৫.
পানিবিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস কী?
  1. রাসায়নিক শক্তি
  2. সৌর শক্তি
  3. পানির বিভব শক্তি
  4. পানির গতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা

• পানিবিদ্যুৎ:
- পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনে সাধারণত বাঁধের মাধ্যমে পানি উঁচু স্থানে সঞ্চিত রাখা হয়।
- এই উঁচু স্থানে থাকা পানির মধ্যে বিভব শক্তি থাকে।
- যখন পানি নিচের দিকে প্রবাহিত হয়, তখন এই বিভব শক্তি প্রথমে গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- সেই গতিশক্তি টারবাইন ঘোরায় এবং জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• তাই পানিবিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস হলো পানির বিভব শক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯,৫৬৬.
নাসার চাঁদে প্রেরণকৃত প্রথম বাণিজ্যিক নভোযানের নাম কী? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ব্লু ঘোস্ট
  2. চন্দ্রযান-৩
  3. স্পেসশিপ ২
  4. অ্যাপোলো ১১
সঠিক উত্তর:
ব্লু ঘোস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু ঘোস্ট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
নাসার বাণিজ্যিক নভোযান: 
- নাসার চাঁদে প্রেরণকৃত প্রথম বাণিজ্যিক নভোযানের নাম "ল্যান্ডার ব্লু ঘোস্ট"।
- এটি ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেস দ্বারা তৈরি এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি নাসার CLPS প্রকল্পের অংশ হিসেবে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে।
- উৎক্ষেপণ স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে হবে এবং কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে শুরু হবে।
- মিশনটি ৪৫ দিন পর চাঁদে অবতরণ করবে এবং ১০টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা করবে।
- গবেষণাগুলি চাঁদের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে।
- মিশনটি চন্দ্র ভূপৃষ্ঠে ড্রিলিং, স্যাম্পল কালেকশন এবং চন্দ্র ধুলা নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করবে।

তথ্যসূত্র: নাসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৯,৫৬৭.
এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তুলনায়- 
  1. সমান 
  2. অনেক ছোট 
  3. অনেক বড় 
  4. আলোর চেয়ে দ্বিগুণ 
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনেক ছোট 
ব্যাখ্যা

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরের ধর্মগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো- 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 m/s বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৫৬৮.
আমাদের দেশে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির প্রায় গড় ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন-
  1. ২৫০০ ক্যালরি
  2. ২০০০ ক্যালরি
  3. ১৫০০ ক্যালরি
  4. ১০০০ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
কিলোক্যালরি: 
- খাদ্যের মধ্যে নিহিত শক্তিকে খাদ্য ক্যালরি বা কিলোক্যালরি হিসেবে মাপা হয়। 
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক। 
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে। 
- এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° (ডিগ্রি) সেলসিয়াস বৃদ্ধি করার জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সে পরিমাণ তাপশক্তি হচ্ছে এক ক্যালরি। 
- এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলোক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)। 
- একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বোঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 
৯,৫৬৯.
বিটা কণিকার ভর নিচের কোনটি?
  1. 9.1×10-19 kg
  2. 9.1×10-31 kg
  3. 9.8×11-28 kg
  4. 9.8×10-19 kg
সঠিক উত্তর:
9.1×10-31 kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.1×10-31 kg
ব্যাখ্যা
বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:

- বিটা কণিকা খুব হালকা।
- এর ভর 9.1×10-31 kg।
- এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 কুলম্ব ।
- তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়।
- এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম ।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশী ।
- জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়।
- আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশী বিক্ষিপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭০.
স্ফিগমোম্যানোমিটার কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) রাসায়নিক বিক্রিয়া
  2. খ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  3. গ) রক্তচাপ
  4. ঘ) স্নায়ুচাপ
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
৯,৫৭১.
স্বল্পমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব কোনটি?
  1. NaCl
  2. KCI
  3. NaNO3
  4. AgBr
সঠিক উত্তর:
AgBr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AgBr
ব্যাখ্যা
• স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 0-01 molL-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
- যেমন- সিলভার ক্লোরাইড (AgCl), সিলভার ব্রোমাইড (AgBr), সিলভার আয়োডাইড (Agl), সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3), ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), ক্যালসিয়াম অক্সালেট (CaCO4), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, লেড ক্লোরাইড (PbCl2 ) ইত্যাদি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব।

• অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
- যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭২.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকে বুঝায়
  2. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  4. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
মিশ্র পদার্থ: 
- যে মিশ্রণে একের অধিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় মিশ্র পদার্থ। 
- বায়ু এক ধরনের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। 
- বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরনের পদার্থ রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯,৫৭৩.
সময় নির্ণায়ক যন্ত্র -
  1. ক্রনোমিটার
  2. অ্যাটমোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. পাইরোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
ব্যাখ্যা
নির্ণায়ক যন্ত্র:
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রনোমিটার। বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল ।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপার যন্ত্র হাইড্রোমিটার।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।
- শ্রাব্যতা মাপার যন্ত্র মাপার যন্ত্র অডিওমিটার।
- তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ মাপার যন্ত্র ক্যালোরিমিটার।
- দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব মাপার যন্ত্র ল্যাক্টোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- রক্ত চাপ মাপার যন্ত্র স্ফিগমোম্যানোমিটার।

উৎস: Britannica.
৯,৫৭৪.
কোনটিকে কোষের প্রাণশক্তি বলা হয়?
  1. ক) প্রোটোপ্লাজম
  2. খ) ক্রোমোজোম
  3. গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক, প্রাণকেন্দ্র বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
যদিও, মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। এটি কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে। কিন্তু, কোষে সংগঠিত সকল ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয় নিউক্লিয়াস দ্বারা। তাই, নিউক্লিয়াসকে কোষের প্রাণশক্তি বলা যায়।
এছাড়াও,
রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।

৯,৫৭৫.
অ্যান্টিবডি (Antibody) কোন শ্রেণীর জৈব অণুর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Carbohydrate
  2. Lipid
  3. Protein
  4. Nucleic acid
সঠিক উত্তর:
Protein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protein
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবডি হলো বিশেষ ধরনের গ্লাইকোপ্রোটিন, যাকে ইমিউনোগ্লোবুলিন (Immunoglobulin, Ig) বলা হয়।

অ্যান্টিবডি (Antibody): 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে। 
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু। 
- দেহের সব অ্যান্টিবডি গামা-গ্লোবিউলিন (γ-globulin) নামে পরিচিত। আর যেহেতু অ্যান্টিবডিসমূহ দেহের সুরক্ষার কাজ করে তাই এদেরকে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (Immunoglobulin, সংক্ষেপে-Ig) বলা হয়। 
- এদের আণবিক ওজন ১,৫০,০০০-৯,০০,০০০/- ডাল্টনের মধ্যে সীমিত। 
- প্লাজমা প্রোটিনের প্রায় ২০% ইমিউনোগ্লোবিউলিন। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৭৬.
নিচের কোনটি ভাজক টিস্যুর কাজ?
  1. ক) খাদ্য প্রস্তুত করা
  2. খ) খাদ্য পরিবহন করা
  3. গ) নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করা
  4. ঘ) উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
গ) নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা
নতুন কোষ ও টিস্যু সৃষ্টি করা হচ্ছে ভাজক টিস্যুর কাজ। 

ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
(১) কোষগুলো জীবিত, অপেক্ষাকৃত ছোট এবং সমব্যাসীয়।
(২) ভাজক টিস্যুর কোষগুলো সর্বদাই বিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন।
(৩) ভাজক টিস্যুর কোষগুলো সাধারণত আয়তকার, ডিম্বাকার, পঞ্চভুজ বা ষড়ভুজ আকৃতির হয়।
(৪) এই টিস্যুর কোষগুলো সেলুলোজ নির্মিত প্রাচীর বিশিষ্ট হয়।
(৫) কোষের নিউক্লিয়াস অপেক্ষাকৃত বড় আকারের এবং দানাদার ঘন সাইটোপ্লাজমে পূর্ণ থাকে।
(৬) ভাজক টিস্যুর কোষে সাধারণত কোষ গহবর থাকে না।
(৭) কোষ গুলো ঘন সন্নিবিষ্ট হওয়ায় এদের মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না।
(৮) এই টিস্যুর কোষগুলোর বিপাকীয় হার বেশি এবং সর্বদায় সক্রিয় বিপাকীয় অবস্থায় থাকে।
(৯) কোষে কোন প্রকার সঞ্চিত খাদ্য, ক্ষরিত বস্তু বা বর্জ্র পদার্থ থাকে না।
(১০) কোষগুলো আকারে সাধারণত ছোট এবং দৈর্ঘ্য প্রস্থে প্রায় সমান।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই। 
৯,৫৭৭.
প্রাণি জগতের বৃহত্তম পর্ব কোনটি?
  1. Arthropoda
  2. Porifera
  3. Annelida
  4. Mollusca
সঠিক উত্তর:
Arthropoda
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthropoda
ব্যাখ্যা

• প্রাণিজগতের বৃহত্তম পর্ব হলো Arthropoda (আর্থ্রোপোডা)। 

প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস:
- সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।

- প্রাণীজগৎ এ মুুুখ্য পর্ব মোট ৯টি।এগুলো হল:

১.পরিফেরা - (Porifera)
২. নিডারিয়া - (Nidaria)
৩. প্লাটিহেলমিনথেস - (Platyhelminthes)
৪. নেমাটোডা - (Nematoda)
৫. অ্যানেলিডা - (Annelida)
৬. আর্থ্রোপোডা - (Arthropoda)
৭. মলাস্কা - (Mollusca)
৮. একাইনোডারমাটা - (Echinodermata)
৯. কর্ডাটা - (Chordata)    

উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

৯,৫৭৮.
বাতাসে শব্দের গতি ঘন্টায় কত মাইল?
  1. ক) ৭৫৭ মাইল
  2. খ) ১১৫৭মাইল
  3. গ) ৩৮৫৭মাইল
  4. ঘ) ২০৫৭মাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৫৭ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭৫৭ মাইল
ব্যাখ্যা
বাতাসে শব্দের বেগ ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড। বাতাসে শব্দের গতি ঘণ্টায় ৭৫৭ মাইল।
উৎসঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণী।
৯,৫৭৯.
কোন খাদ্য উপাদান থেকে শরীরে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. ভিটামিন
  2. শর্করা
  3. আমিষ
  4. চর্বি
সঠিক উত্তর:
চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্বি
ব্যাখ্যা

খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। যেমন: 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উল্লেখ্য,
- ১ গ্রাম শর্করা থেকে ৪ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
- ১ গ্রাম আমিষ থেকে ৪ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
- ১ গ্রাম চর্বি থেকে ৯ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
সুতরাং চর্বি থেকে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৫৮০.
নিচের কোনটি Non-communicable disease নয়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. হার্ট ডিজিস
  3. Covid-19
  4. উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর:
Covid-19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Covid-19
ব্যাখ্যা
- অসংক্রামক রোগ (NCDs), যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ হিসাবেও পরিচিত, এমন চিকিৎসা অবস্থা যা সংক্রামক নয় বা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রমণযোগ্য নয়।
- এই রোগগুলি একটি বর্ধিত সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে বিকাশের প্রবণতা থাকে এবং প্রায়শই এটি দীর্ঘায়িত হয়।
- এনসিডিগুলি তাদের ব্যাপকতা, স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উপর তাদের চাপের কারণে একটি উল্লেখযোগ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে অসংক্রামক রোগের কিছু সাধারণ উদাহরণ তুলে ধরা হল:
• Cardiovascular Diseases (CVDs):
- কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলিকে প্রভাবিত করে।
- সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ), স্ট্রোক, হার্ট ফেইলিউর এবং পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ।

• Cancer
• Chronic Respiratory Diseases
Diabetes
• Chronic Kidney Disease (CKD) ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, Covid-19 একটি সংক্রামক রোগ।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯,৫৮১.
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কে?
  1. থিওফ্রাস্টাস
  2. রবার্ট হুক
  3. উইলিয়াম হার্ভে
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি (Blood circulatory system):

- রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্ভে। 
- ১৬২৮ সালে তিনি রক্তের সঞ্চালন আবিষ্কার করেন।
- ইংল্যান্ডের ফোকস্টোন শহরে ১৫৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন উইলিয়াম হার্ভে। 
- ১৬২৮ সালে ৫০ বছর বয়সে হার্ভে প্রকাশ করলেন তাঁর অবিস্মরণীয় গ্রন্থ ‘Exercitatio Anatomica de Moto Cordis er Sanguinis in Animalibus’। 
- শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তশিরা পথে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়, এটা সর্বপ্রথম হার্ভেই বলেছিলেন।


অপরদিকে, 
- গ্রিক বিজ্ঞানী এরিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- কোষবিদ্যার জনক রবার্ট হুক।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
৯,৫৮২.
কচুরিপানা পানিতে সহজে ভাসতে পারে, কারণ-
  1. ক) এদের শিকড় শক্ত হয়
  2. খ) এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
  3. গ) এদের পাতা হালকা থাকে
  4. ঘ) এরা পানিতে জন্মে
সঠিক উত্তর:
খ) এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
ব্যাখ্যা
• কচুরিপানা পানিতে সহজে ভাসতে পারে, কারণ এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
- কচুরিপানা সহ অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কান্ড ফাঁপা।
- এদের কান্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে। তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে।
- এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯,৫৮৩.
পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে আবর্তন করে?
  1. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  2. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আবর্তন:
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে দিনে একবার নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। 
​- পৃথিবীর এই আবর্তন গতিই দৈনিক গতি বা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
​- নিজ অক্ষের চারদিকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন। এটিকে সৌর দিন বলে।

⇒ পৃথিবীর আহ্নিক গতি একেক জায়গায় একেক রকম হয়।
- পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়।
- সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়।
- নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি।
- এ জন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগও সবচেয়ে বেশি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৮৪.
Which bone is the longest and strongest in the human body?
  1. Patella
  2. Pelvis
  3. Rib
  4. Mandible
  5. Femur
সঠিক উত্তর:
Femur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Femur
ব্যাখ্যা
• ফিমার: 
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান। 
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। 
- এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি। 
- এর ঊর্ধ্ব প্রান্তে একটি গােল মস্তক, গ্রীবা ও ছােট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত। 
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কল্ডাইল বিশিষ্ট। 
- ফিমারের মস্তক শ্রেণিচক্র অ্যাসিটামুলামের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এর প্রান্তে Patella নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড় অস্থি থাকে। 
- তারপরে রয়েছে পর্যায়ক্রমে টিবিয়া, ফিবুলা, হিউমেরাস, আলনা, রেডিয়াস। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৫৮৫.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫৪ সালে
  2. ১৮৫৫ সালে
  3. ১৮৫৬ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

মালনীছড়া চা-বাগান:
- সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত মালনীছড়া চা-বাগান।
- ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ইংরেজ ভদ্রলোক লর্ড হার্ডসন বাগানটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- চা-বাগানটির মোট আয়তন ২ হাজার ৫০০ একর। 

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আসাম ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারস, সিলেট-এ বলা হয়, সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে। 
- চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে প্রথম চা উৎপাদিত হয় ১৮৪৩ সালে।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
         ii) বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৯,৫৮৬.
কিউরিং করে খাদ্য সংরক্ষন পদ্ধতিতে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) তেল 
  2. খ) চিনি 
  3. গ) ভিনেগার
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লবণ
ব্যাখ্যা
- কিউরিং করে খাদ্য সংরক্ষন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হয় লবণ।

প্রিজারভেটিভস:
- প্রিজারভেটিভসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
- প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল ফুড প্রিজারভেটিভস এবং কৃত্রিম বা রাসায়নিক ফুড প্রিজারভেটিভস ।
- প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল ফুড প্রিজারভেটিভস - খাদ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত যেসব পদার্থ ব্যবহৃত হয় তাদেরকে প্রাকৃতিক বা ন্যাচারাল ফুড প্রিজারভেটিভস বলে। যেমন - অ্যালকোহল, ভিনেগার, লবণ, চিনি প্রভৃতি। এগুলোকে বাসাবাড়িতে জ্যাম, জেলি, আচার, সস, জুস ইত্যাদির সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও হিমায়ন, তাপ প্রয়োগ, ধোঁয়া প্রদান এবং সল্টিংকে প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- কৃত্রিম বা রাসায়নিক ফুড প্রিজারভেটিভস - খাদ্য সংরক্ষণে যেসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হয় তাদেরকে কৃত্রিম বা রাসায়নিক ফুড প্রিজারভেটিভস বলে। খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে এদের চাহিদা ও ব্যাপকতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। কারণ এরা খাদ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে খাদ্য সংরক্ষণের আয়ুষ্কাল বাড়িয়ে দেয় এবং খাদ্যের অণুজীব কার্যকরীভাবে ধ্বংস করে ফেলে। কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে সোডিয়াম বেনজোয়েট ও বেনজোয়িক এসিড, সোডিয়াম নাইট্রাইট, সরবেট প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষক তিন ধরনের রয়েছে। যথা - এন্টিঅক্সিডেন্ট এজেন্ট,এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট এবং কিলেটিং এজেন্ট।

তথ্যসূত্র - রসায়ন,প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮৭.
মানুষের শরীরে করোটিক নার্ভের মোট সংখ্যা কত?
  1. ২৪ টি
  2. ২৩ টি
  3. ৪৬ টি
  4. ৩১ টি
সঠিক উত্তর:
২৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ টি
ব্যাখ্যা

• মানবদেহে করোটিড নার্ভ (Carotid nerves) মূলত সিম্প্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের অংশ এবং তারা কারোটিড শিরা ও আর্টারি অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই নার্ভগুলি মূলত রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সাধারণভাবে, মানুষের শরীরে প্রত্যেক পাশে ১২টি করে করোটিড নার্ভ থাকে, যার মানে মোট ২৪টি হয়। এই নার্ভগুলো উভয় পাশে সমানভাবে থাকে এবং মূলত হরমোন নিঃসরণ ও রক্তচাপ সংক্রান্ত সংকেত পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) ২৪ টি।
 
• করোটিক স্নায়ু:
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে।
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।

• নিম্নে করোটিক স্নায়ু গুলোর নাম ও কাজ উল্লেখ করা হলো:
- অলফ্যাক্টরি - ঘ্রাণ অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
- অপটিক - দর্শন অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
- অকুলোমোটর - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (মধ্যমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশে অবস্থান)
- ট্রকলিয়ার - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (মধ্যমস্তিষ্কের পৃষ্ঠ-পার্শ্বদেশে অবস্থান)
- ট্রাইজেমিনাল - সংশ্লিষ্ট অঙ্গ থেকে সংবেদ মস্তিষ্কে প্রেরণ।
- অ্যাবডুসেন্স - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (পনস ও মেডুলার সংযোগস্থলের অঙ্কীয়দেশে অবস্থান)
- ফ্যাসিয়াল - স্বাদ গহণ, চর্বন, গ্রীবা সঞ্চালন।
- অডিটরি (অ্যাকাউস্টিক) - শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষা।
- গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল - স্বাদ গ্রহণ, জিহ্বা ও গলবিলের সঞ্চালন।
- ভেগাস (নিউমোগ্যাস্ট্রিক) - সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ।
- স্পাইনাল অ্যাক্সেসরি - মাথা ও কাঁধের সঞ্চালন।
- হাইপোগ্লোসাল - জিহ্বার সঞ্চালন।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া বা ৬২টি সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।
- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৮৮.
কানের কোন অংশটি দেহের ভারসাম্য রক্ষার কাজ করে? 
  1. ম্যালিয়াস
  2. ককলিয়ার
  3. ইউট্রিকুলাস
  4. ইউস্টেশিয়ান টিউব
সঠিক উত্তর:
ইউট্রিকুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউট্রিকুলাস
ব্যাখ্যা
সংবেদি অঙ্গ: 
- দেহের চালক হচ্ছে মস্তিষ্ক। 
- মস্তিষ্ককে মগজ বলা হয়, দেহের সব কাজই চলছে মস্তিষ্কের হুকুমে। 
- মস্তিষ্ক থাকে মাথার খুলির মধ্যে, খুলির মাঝখানে বসেই দেহের বাইরের ও ভিতরের কাজকর্ম চালায়। 
- চোখ, কান, নাক, ত্বক ও জিহ্বা বাইরের সকল খবরা-খবর জোগাড় করে মস্তিষ্ককে জানিয়ে দেয়। 

কান বা কর্ণ: 
- কান না থাকলে মানুষ শুনতে পেত না, কারণ কথা বলা শিখতে হয় শুনে শুনে। 
- মাথার দুই পাশে দুটো কান বা কর্ণ আছে। 
- কর্ণ বা কান শুনতে ও দেহের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান অঙ্গ হিসেবেও কাজ করে। 
- কান তিনটি অংশে বিভক্ত। 
যথা- 
১। বহিঃকর্ণ: 
- পিনা, কর্ণকুহর ও কর্ণপটহ নিয়ে বহিঃকর্ণ গঠিত। 
(ক) পিনা: 
- এটি কানের বাইরের অংশ, মাংস ও কোমলাস্থি দিয়ে গঠিত। 
- শব্দ কর্ণকুহরে পাঠানো এর প্রধান কাজ। 
(খ) কর্ণকুহর: 
- পিনা একটি নালির সাথে যুক্ত, এ নালিটিকে কর্ণকুহর বলে। 
(গ) কর্ণপটহ: 
- কর্ণকুহর শেষ হয়েছে একটা পর্দায়, এ পর্দাটির নাম কর্ণপটহ বা টিমপেনিক পর্দা। 
- কর্ণপটহ বহিঃকর্ণের শেষ অংশ। 

২। মধ্যকর্ণ: 
- বহিঃকর্ণ ও অন্তঃকর্ণের মাঝখানে মধ্যকর্ণ অবস্থিত। 
- এটা একটা বায়ুপূর্ণ থলি যার মধ্যে ম্যালিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস নামে তিনটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড় বা অস্থি রয়েছে। 
- অস্থিসমূহের মাধ্যমে শব্দ তরঙ্গ বা ঢেউ অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়। 
- কানের সাথে গলার সংযোগের জন্য ইউস্টেশিয়ান টিউব নামে একটি নল আছে, এ নলটির কাজ হলো কর্ণপটহের বাইরের ও ভেতরের বায়ুর চাপ সমান রাখা। 

৩। অন্তঃকর্ণ: 
- এটি অডিটরি ক্যাপসুল অস্থির মধ্যে অবস্থিত। অন্তঃকর্ণ দুটি প্রধান প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। 
(ক) ইউট্রিকুলাস: 
- অন্তঃকর্ণের এ প্রকোষ্ঠটি তিনটি অর্ধবৃত্তাকার নালি দিয়ে গঠিত। 
- এদের ভিতরে আছে খুব সূক্ষ্ম লোমের মতো স্নায়ু ও রস। 
- নালির ভিতরের এ রস যখন নড়ে বা আন্দোলিত হয়, তখনই স্নায়ুগুলো উদ্দীপ্ত হয়, আর তখনই সে উদ্দীপনা মস্তিষ্কে পৌঁছায়। 
এই অংশ দেহের ভারসাম্য রক্ষার কাজ করে। 

(খ) স্যাকুলাস: 
- অন্তঃকর্ণের এই প্রকোষ্ঠের চেহারা অনেকটা শামুকের মতো প্যাঁচানো নালিকার মতো, একে ককলিয়া বলে। 
- ককলিয়ার ভেতরে শ্রবণ সংবেদি কোষ থাকে। 
- প্যাঁচানো নালিকা এক ধরনের রসে পূর্ণ থাকে। 
- এই অংশ শ্রবণের কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৯,৫৮৯.
নিচের কোনটি বীরুৎ উদ্ভিদের উদাহরণ?
  1. আম
  2. ধান
  3. গোলাপ
  4. জবা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

বীরুৎ উদ্ভিদের একটি উদাহরণ হচ্ছে ধান।

• বীরুৎ:
- বীরুৎ ছোট ও নরম কাণ্ডবিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদ।
যেমন: ধান, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।
বীরুৎ বর্ষজীবী থেকে বহুবর্ষজীবী।

• গুল্ম:
গুল্ম হলো মাঝারি আকারের কাষ্ঠল উদ্ভিদ।
- এদের শাখা-প্রশাখা মাটির কাছাকাছি থেকে বের হয়।
যেমন: জবা, রঙ্গন, গোলাপ ইত্যাদি।

• উপগুল্ম:
উপগুল্ম গুল্মের চেয়ে ছোট হয়, তবে এতে কিছুটা কাষ্ঠল ভাব থাকতে পারে।
যেমন: কালকাসুন্দা, দাদমর্দন।

 • বৃক্ষ:
- বৃক্ষ হলো বিশাল, কাষ্ঠল এবং সাধারণত একটি প্রধান কাণ্ড বিশিষ্ট উদ্ভিদ।
যেমন: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৯,৫৯০.
p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ কোন দিকে চলে? 
  1. সম্মুখী ঝোঁকে 
  2. বিপরীত ঝোঁকে 
  3. উভয় ঝোঁকে সমানভাবে 
  4. কোনো ঝোঁকেই নয় 
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে 
ব্যাখ্যা

p-n জাংশন বা ডায়োড: 
- p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলে সম্মুখী ঝোঁকে। 
- একটি p- টাইপ এবং একটি n- টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করলে সংযোগ পৃষ্ঠকে p-n জাংশন বলে। 
- একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অংশ p- বা n- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য এবং অপর অংশে যথাক্রমে n- বা p- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- p-n জাংশন মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র একধরনের আধান বাহক অনায়েসে প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু বিপরীতধর্মী বাহক প্রবাহিত হতে পারেনা। 
- p-n জাংশনকে জাংশন ডায়োড বলে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ একমুখীকরণে এবং অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯১.
মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে কোন উদ্ভিদে? 
  1. Volvariella
  2. Diatom
  3. Sago palm
  4. Riccia
সঠিক উত্তর:
Riccia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Riccia
ব্যাখ্যা
মস: 
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কান্ড ও পাতা রয়েছে।
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই।
- মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। 
- এরা সবুজ ও স্বভোজী।
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়।
উদাহারণ- Riccia, Antheceros, Semibarbula ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- Volvariella হচ্ছে এক প্রকার ছত্রাক।
- Diatom হচ্ছে শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ।
- Sago palm হচ্ছে সাইকাস জাতীয় উদ্ভিদ।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৯,৫৯২.
সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?
  1. ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- Although there are no fires on the surface of the Sun, the photosphere seethes and roils, displaying the effects of the underlying convection.
- Photons flowing from below, trapped by the underlying layers, finally escape.
- This produces a dramatic drop in temperature and density.
- The temperature at the visible surface is about 5,800 K but drops to a minimum about 4,000 K at approximately 500 kilometres above the photosphere.
- The density, about 10−7 gram per cubic centimetre (g/cm3), drops a factor of 2.7 every 150 kilometres.
- The solar atmosphere is actually a vacuum by most standards; the total density above any square centimetre is about 1 gram, about 1,000 times less than the comparable mass in the atmosphere of Earth.
- One can see through the atmosphere of Earth but not through that of the Sun because the former is shallow, and the molecules absorb only radiation that lies outside of the visible spectrum.

Source: Britannica

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড সথিক উত্তর।
৯,৫৯৩.
‘এনডব্লিউএ ১৫৯১৫ (NWA 15915)’ কী?
  1. অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান
  2. বিরল উল্কাপিণ্ড
  3. সামরিক গোয়েন্দা ড্রোন
  4. দুর্লভ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী
সঠিক উত্তর:
বিরল উল্কাপিণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরল উল্কাপিণ্ড
ব্যাখ্যা
‘এনডব্লিউএ ১৫৯১৫':
- বিরল উল্কাপিণ্ডটির পুরো নাম নর্থওয়েস্ট আফ্রিকা ১৫৯১৫।
- উল্কাপিণ্ডটি পাথুরে অ্যাকনড্রাইট দিয়ে তৈরি, যা অন্য কোনো উল্কাপিণ্ড বা গ্রহের মধ্যে দেখা যায়নি।
- ২০২৩ সালে আলজেরিয়ায় আবিষ্কৃত উল্কাপিণ্ডটির বিভিন্ন উপাদান বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২.৮৪ কিলোগ্রাম ওজনের এই শিলা সম্ভবত অন্য কোনো গ্রহের অংশ ছিল। 
- বিজ্ঞানীদের ধারণা, এনডব্লিউএ ১৫৯১৫ নামের উল্কাপিণ্ডটি সম্ভবত বুধ গ্রহের মতো অন্য কোনো গ্রহ থেকে এসেছে।
- এই বিরল উল্কাপিণ্ডটি সৌরজগতের প্রাথমিক সময়কার বিশৃঙ্খল অবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৯,৫৯৪.
What is the value of absolute zero temperature on the Celsius scale?
  1. 0°C
  2. - 100°C
  3. - 273.15°C
  4. - 459.67°C
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 273.15°C
ব্যাখ্যা

• পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো সেই তাপমাত্রা যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি সর্বনিম্ন বা শূন্য হয়ে যায়। এটি মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভব তাপমাত্রা। সেলসিয়াস স্কেলে এর মান - 273.15°C এবং কেলভিন স্কেলে এটি 0 K।
- যদি ফারেনহাইট স্কেলে জানতে চাওয়া হতো, তবে এর মান হতো - 459.67°F।

• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- চার্লসের সূত্রানুসারে, স্থির চাপে গাণিতিকভাবে যে তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।

• পরমশূন্য তাপমাত্রার মান হলো -273.15° সেলসিয়াস বা 0 কেলভিন (K)। 
- এই তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের আয়তন তত্ত্বীয়ভাবে শূন্য হয়। 

• এই তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বলে।
- লর্ড কেলভিন এই স্কেলের ধারণা দেন বলে একে কেলভিন স্কেলও বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯৫.
একজন স্বাভাবিক মানুষের দেহে কতটি হাড় থাকে?
  1. ১০৪ টি
  2. ২০০ টি
  3. ২০১টি
  4. ২০৬ টি
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
ব্যাখ্যা
• মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- একজন মানুষের দেহে ২০৬ টুকরা হাড় থাকে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল।
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল।

• অক্ষীয় কঙ্কাল:
- কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থির সংখ্যা ৮০টি।
যথা:
- করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
- বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
- মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।

• উপাঙ্গীয় কঙ্কাল:
- উপাঙ্গীয় অস্থির সংখ্যা ১২৬টি।
যথা:
- বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি।
- বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি।
- শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৯৬.
সৌরজগতে গ্রহের সংখ্যা -
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ:
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে।
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।
- সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে।
- মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট গতিতে, নির্দিষ্ট দূরত্বে, একই সমতলে একইদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ঘূনর্ণরত সকল গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধুমকেতু ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে সৌরজগত গঠিত হয়েছে।
- সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ।
- যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।

উল্লেখ্য,
- প্লুটো গ্রহকে বর্তমানে গ্রহ হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ প্লুটো গ্রহের সাথে গ্রহের বৈশিষ্ট্যের মিল নেই।

উৎস: i) NASA (.gov).
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫৯৭.
লবণ কোন ধরনের পদার্থ?
  1. ক) বেসিক
  2. খ) নিরপেক্ষ
  3. গ) ক্ষারীয়
  4. ঘ) অম্লীয়
সঠিক উত্তর:
খ) নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
লবণ নিরপেক্ষ পদার্থ। তবে কিছু কিছু লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় বা ক্ষারীয় হতে পারে। বেকিং সোডার জলীয় দ্রবণ এসিডিক, সোডিয়াম কার্বনেটের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৯,৫৯৮.
রেডিও টেলিস্কোপ যে তরঙ্গ সনাক্ত ও পরিমাপ করে -
  1. এক্স রশ্মি
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতার তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
রেডিও টেলিস্কোপ : 
যে যন্ত্রের সাহায্যে তারকা, গ্যালাক্সি, কোয়াসার এবং অন্যান্য নভোমন্ডলীয় বস্তু থেকে
প্রাকৃতিকভাবে নির্গত তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (রেডিও তরঙ্গ) সনাক্ত ও পরিমাপ করে ঐ সব বস্তু সম্পর্কে অনুসন্ধান
চালানো হয় তাকে রেডিও টেলিস্কোপ বলে।
 
উৎস:  পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৫৯৯.
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করে-
  1. পূর্বে - দক্ষিণে
  2. উত্তর - দক্ষিণে
  3. পূর্ব-পশ্চিমে
  4. পশ্চিম-দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
উত্তর - দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর - দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
• অক্ষরেখা (Latitude)
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে।
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে।
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
- একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে
- উত্তর নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে।
- এই নিরক্ষরেখাকে ০° ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা মেকরেখা হয়।
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখাগুলো নিক্ষ পশ্চিম পূর্ব রয়েছে সেগুলো হলো অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাগুলো আসলে কল্পনা রেখ করা হয়েছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৯,৬০০.
নবায়নযোগ্য শক্তি কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) জিওথার্মাল
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) পেট্রোলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) জিওথার্মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
অনবায়নযোগ্য নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy): যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় অর্থাৎ যা ফুরিয়ে যাবার কোনো আশঙ্কা নেই। তাকে নবায়নযোগ্য (Renewable Energy) শক্তি বলা হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- সৌরশক্তি (Solar Energy)
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower)
- বায়ু শক্তি (Wind Energy)
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal)
- জৈবিকভর (Biomass)
- জিওথার্মাল

অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non Renewable Energy): অনবায়নযোগ্য মানে হলো, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

 
পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা ইউরেনিয়ামের উপর নির্ভর করে। ইউরেনিয়ামের পরিমাণ সীমিত। তাই এই শক্তি নবায়নযোগ্য নয়।

সূত্র- www.eia.gov ও পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।