বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৯৪ / ১৪০ · ৯,৩০১৯,৪০০ / ১৪,০৮০

৯,৩০১.
কোনটির মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না?
  1. ক) পোলোনিয়াম
  2. খ) টাইটেনিয়াম
  3. গ) প্লোটোনিয়াম
  4. ঘ) কার্বন - ১৪
সঠিক উত্তর:
খ) টাইটেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাইটেনিয়াম
ব্যাখ্যা
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে- কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪।
এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
কার্বন-১৪ (14) ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।
টাইটেনিয়ামে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
৯,৩০২.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে বৃদ্ধি পায়?
  1. মহাশূন্যের তাপমাত্রা
  2. সূর্যের শক্তি 
  3. মহাশূন্যে CO2-এর পরিমাণ
  4. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের কারণে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

গ্রিন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রিন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রিন-হাউজ ইফেক্টের ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩০৩.
কোনটি এক্সরের ধর্ম নয়?
  1. আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
  2. এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
  3. এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
  4. এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
সঠিক উত্তর:
এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে :
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।

• এক্স-রে এর ধর্ম:
১. এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২. এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩. এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪. এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫. এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৬. আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭. এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮. এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯. এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০. এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১. এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২. এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩. এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩০৪.
জগদীশচন্দ্র বসু রেডিও সংকেত শনাক্তকরণের কাজে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলেন? 
  1. ট্রানজিস্টর 
  2. অর্ধপরিবাহী জাংশন 
  3. ভ্যাকুয়াম টিউব 
  4. ক্যাপাসিটার 
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী জাংশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী জাংশন 
ব্যাখ্যা

জগদীশচন্দ্র বসু: 
- ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
- ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। 
- তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। 
- এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
- জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 

- উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। 
- তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। 
- তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
- ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩০৫.
জেনারেটরে কোন ধরনের চুম্বক ব্যবহার করা হয়?
  1. অস্থায়ী চুম্বক
  2. স্থায়ী চুম্বক
  3. সংকর চুম্বক
  4. সিরামিক চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা

• জেনারেটরে সাধারণত স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয় না। জেনারেটরে মূলত চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে অস্থায়ী চুম্বক বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেট ব্যবহার করা হয়। ইলেক্ট্রোম্যাগনেট তৈরি হয় লোহা বা লৌহকাঠের সলিড কোরের চারপাশে কয়েল ওয়্যার ঘোরানোর মাধ্যমে, যেখানে বৈদ্যুতিক ধারা প্রবাহিত করলে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়। এটি শক্তিশালী এবং নিয়ন্ত্রিত চৌম্বক ক্ষেত্র প্রদান করতে সক্ষম, যা ঘূর্ণমান রটার বা কুণ্ডলীর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। তাই, জেনারেটরে সাধারণভাবে অস্থায়ী চুম্বক (ইলেক্ট্রোম্যাগনেট) ব্যবহার করা হয়, যা চাহিদা অনুযায়ী চালু-বন্দ করতে বা চুম্বকীয় শক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধাজনক।

- সঠিক উত্তর: ক) অস্থায়ী চুম্বক।

কৃত্রিম চুম্বক: কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়।
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক

অস্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

স্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক।
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩০৬.
মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো-
  1. ক) সমুদ্র
  2. খ) মহাসাগর
  3. গ) হ্রদ
  4. ঘ) বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
মৃদু পানির সবচেয়ে বড় উৎস হলো বৃষ্টির পানি। সাগরের পানিতে লবণ থাকে বলে এটি মৃদু বা মিষ্টি পানির উৎস নয়। নদীর পানি ও বিলের পানি মৃদু হলেও এসব মূলত বৃষ্টিপাতের উপরে নির্ভরশীল। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩০৭.
স্তন্যপায়ী প্রাণী নয় কোনটি?
  1. Crocodylus palustris
  2. Balaenoptera musculus
  3. Bos taurus
  4. Loxodonta cyclotis
সঠিক উত্তর:
Crocodylus palustris
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Crocodylus palustris
ব্যাখ্যা
• স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে। 
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়। 
যেমন-
- তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি।

এখানে,
- তিমির বৈজ্ঞানিক নাম = Balaenoptera musculus.
- গরুর বৈজ্ঞানিক নাম = Bos taurus.
- হাতির বৈজ্ঞানিক নাম = Loxodonta cyclotis.

 • সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী: 
-  এরা বুকে ভর দিয়ে চলে, ডিম পাড়ে এবং ডিম ফুটে বাচ্চা হয়। 
যেমন- সাপ, কুমির, ঘড়িয়াল, কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি, ডাইনোসর প্রভৃতি সরীসৃপ শ্রেণির প্রাণী। 

এখানে,
- কুমিরের বৈজ্ঞানিক নাম = Crocodylus palustris.

অতএব, Crocodylus palustris - স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৩০৮.
শৈবাল কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. ক) স্বভোজী
  2. খ) মৃতজীবী
  3. গ) পরভোজী
  4. ঘ) পরাশ্রয়ী
সঠিক উত্তর:
ক) স্বভোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বভোজী
ব্যাখ্যা
শৈবাল হচ্ছে স্বভোজী জাতীয় উদ্ভিদ। 

- শৈবাল (Algae)  ক্লোরোফিলবহনকারী সরল প্রকৃতির স্বভোজী (autotrophic) অতি প্রাচীন এক উদ্ভিদ দল।
- এদের উদ্ভব সমুদ্রের পানিতে, আজ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে।
- সেই আদিমকাল থেকেই শৈবাল prokaryotic থেকে eukaryotic আকৃতিতে রূপ ও বৈচিত্র্য লাভ করেছে।
- প্যালিওজোয়িক যুগের শুরু থেকে অর্থাৎ এখন থেকে প্রায় ৫০০ কোটি বছর পূর্ব পর্যন্ত এরা সমুদ্রে একক আধিপত্য অটুট রেখেছিল।
- সমুদ্রের প্রধান উদ্ভিদ এই শৈবাল।
- এদের দেহ কাঠামো সরল এবং মূল, কান্ড ও পত্রে পৃথকীভূত নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৯,৩০৯.
জেনেটিক্স বলতে কী বোঝায়? 
  1. জনন কোষের উৎপত্তি 
  2. জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন 
  3. জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার 
  4. জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
সঠিক উত্তর:
জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): 
- জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy): 
- জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): 
- জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। 

৪। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৫। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৬। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৭। বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৮। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৯। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

১০। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): 
- জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতা বিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

১১। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১২। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): 
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১৩। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): 
- জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩১০.
নিউটনের গতির প্রথম সূত্র কী নামে পরিচিত?
  1. জড়তার সূত্র
  2. ত্বরণের সূত্র
  3. ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সূত্র
  4. মহাকর্ষের সূত্র
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তার সূত্র
ব্যাখ্যা

◉ নিউটনের প্রথম সূত্র:
“কোনো বস্তুর উপর বাহ্যিক বল প্রয়োগ না হলে, স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং গতি সম্পন্ন বস্তু একই বেগে সরলরেখায় চলতে থাকবে।”
এই সূত্রকে “জড়তার সূত্র (Law of Inertia)” বলা হয়।

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 

সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩১১.
মানুষের হৃদপিণ্ডে অলিন্দ ও নিলয়ের মোট সংখ্যা কতটি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ১টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মানুষের হৃদপিণ্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট।
- এর মধ্যে অলিন্দ আছে ২ টি (ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ) এবং নিলয় আছে দুইটি (ডান নিলয় ও বাম নিলয়)।
- সুতরাং অলিন্দ ও নিলয় মিলিয়ে মোট প্রকোষ্ঠ সংখ্যা ৪। 
সূত্র: মাধমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৯,৩১২.
টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কোন মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়?
  1. লাল, সবুজ, হলুদ
  2. লাল, নীল, সবুজ
  3. নীল, হলুদ, কালো
  4. সবুজ, হলুদ, সাদা
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যা

টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল, সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহার করা হয়।

• রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩১৩.
কোন প্রাণি পানিতে বসবাস করা সত্ত্বেও বাতাসে নিশ্বাস নেয়?
  1. ক) হাঙর
  2. খ) জেলি ফিস
  3. গ) তিমি
  4. ঘ) চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
ব্যাখ্যা
ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য এগুলো মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে।
পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই।

Source: uk.whales.org
৯,৩১৪.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়-
  1.  মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
  2. পাতায়
  3. মূলের অগ্রভাগে
  4. কাণ্ডের অগ্রভাগে
সঠিক উত্তর:
 মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
ব্যাখ্যা
• ভাজক টিস্যু:
- বিভাজনে সক্ষম কোষ দ্বারা গঠিত টিস্যুকে ভাজক টিস্যু বলা হয়।
- ভাজক টিস্যুর কোষগুলোকে ভাজক কোষ বলা হয়।
- ভাজক কোষের বিভাজনের মাধ্যমেই উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং ভাজক টিস্যু থেকেই অন্যান্য স্থায়ী টিস্যুর উৎপত্তি হয়।
- সাধারণত উদ্ভিদ দেহের মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থাকে বৃদ্ধি পায়।

গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে স্থায়ী টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। সরল টিস্যু,
২। জটিল টিস্যু এবং
৩। ক্ষরণকারী টিস্যু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩১৫.
ক্ষমতার এস.আই একক কোনটি?
  1. জুল
  2. নিউটন
  3. ওয়াট
  4. কিলোওয়াট
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট
ব্যাখ্যা

- ক্ষমতা হলো কাজ করার হার বা শক্তি স্থানান্তরের হার। আন্তর্জাতিক একক ব্যবস্থায় (S.I) ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট (W), যা প্রতি সেকেন্ডে এক জুলের (J) সমান (1 W = 1 J/s)

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
• ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, ক্ষমতা = (বল × সরণ)/সময় 
বা, ক্ষমতা = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 হর্স পাওয়ার (H.P) = 746 ওয়াট (W)। 
- ক্ষমতার মাত্রা হচ্ছে ML2T -3

অন্যদিকে, 
- জুল (Joule) কাজ বা শক্তির এস.আই একক। 
- নিউটন (Newton) বলের এস.আই একক। 
- কিলোওয়াট (Kilowatt) ক্ষমতার একটি একক, তবে এটি ওয়াটের চেয়ে বড় একটি প্রায়োগিক একক (১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩১৬.
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. অ্যালটিমিটার
  4. হাইড্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র:
- স্থলভাগের প্রকৃতি যেমন বন্ধুর সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপও তেমন বন্ধুর প্রকৃতির।
- শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।

উল্লেখ্য,
- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র-  অ্যালটিমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার
- রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র - ল্যাকটোমিটার।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম - ক্যালরিমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৩১৭.
পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় কোন বিক্রিয়া ব্যবহার করে?
  1. আয়নিক বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. ফিউশন বিক্রিয়া
  4. ফিশন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিশন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
ফিউশন বিক্রিয়া: 
- দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়াকে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া হাইড্রোজেন বোমা তৈরির ভিত্তি। 

ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩১৮.
নিচের কোনটি ভাইরাস গঠিত রোগ নয়?
  1. ক) কোভিড-১৯
  2. খ) ডেঙ্গু জ্বর
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) মাম্পস
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ:
- এইডস,
- জন্ডিস,
- কোভিড-১৯
- হার্পিস,
- গুটি বসন্ত,
- জল বসন্ত,
- হাম,
- মাম্পস,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- বার্ড ফ্লু,
- সোয়াইন ফ্লু,
- পোলিও,
- জলাতঙ্ক,
- নিপাহ,
- ডেঙ্গু জ্বর,
- ইবোলা,
- জিকা জ্বর ইত্যাদি।

• ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- যক্ষ্মা,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিংকাশি,
- ধনুষ্টংকার,
- নিউমোনিয়া,
- মেনিনজাইটিস,
- কলেরা,
- গনোরিয়া,
- সিফিলিস,
- টাইফয়েড,
- আমাশয়,
- প্লেগ,
- কুষ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: National Institutes of Health (US)

৯,৩১৯.
CNG- শব্দ-সংক্ষেপের পূর্নরূপ-
  1. ক) Compressed Natural Gas
  2. খ) Carbonated Nitrogen Gas
  3. গ) Complete Natural Gas
  4. ঘ) None of above
সঠিক উত্তর:
ক) Compressed Natural Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Compressed Natural Gas
ব্যাখ্যা
CNG - Compressed Natural Gas
৯,৩২০.
0° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) 330m/s
  2. খ) 340m/s
  3. গ) 335m/s
  4. ঘ) 0m/s
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0m/s
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- শব্দ প্রতি একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।

বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ উৎপন্ন হয় কম্পনের ফলে।
- শব্দ একধরনের শক্তি যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি জোগায়।
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে না। চাঁদে বায়ু না থাকায় চাঁদে কথা বললে শোনা যায় না।
- দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।
- ০° তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি/সে। মাধ্যমের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। যেমন: পানিতে শব্দের বেগ ১৮৯৩ মি/সে এবং লোহায় ৫১৩০ মি/সে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই।
৯,৩২১.
ডায়োড সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
  2. খ) AC কারেন্ট কে DC কারেন্টে রূপান্তর করা যায়।
  3. গ) জাংশন ডায়োড তৈরি করা যায়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩২২.
Which of the following disease is not spread by Mosquito?
  1. Zika virus
  2. Chikungunya virus
  3. Yellow virus
  4. Ebola virus
সঠিক উত্তর:
Ebola virus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ebola virus
ব্যাখ্যা
মশাবাহিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো - ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, জিকা ভাইরাস, ইয়োলো ভাইরাস, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ইত্যাদি।
- এবোলা একটি ভাইরাস।
- এতে আক্রান্ত হলে খুব হঠাৎ করে জ্বর দেখা দেয়। খুব দুর্বল লাগে।
- এর পরবর্তী ধাপ হল বমি ও ডাইরিয়া দেখা দেয়। শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তপাত হতে থাকে।
- সরাসরি আক্রান্ত ব্যক্তির কেটে যাওয়া ত্বক, তার মুখ, নাক, বমি, রক্ত, মল বা শরীরের অন্য ধরনের তরল কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হতে পারে।
- মূলত কোনো প্রাণী বা মানুষের রক্ত, বীর্য, যোনিরস বা দেহ নির্গত অন্য কোনো তরলের সংস্পর্শে এ রোগ ছড়ায়৷ বলা বাহুল্য, অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিরাপদ যৌন মিলনেও এ রোগের সংক্রমণ হয়ে থাকে ।
- অর্থাৎ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এইডস রোগের সঙ্গে এবোলার মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে পশ্চিম আফ্রিকায় এবোলা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ উড়ন্ত খ্যাঁকশিয়ালা এই প্রাণীটি ভাইরাসটি বহন করে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে দেয় এমনকি সংক্রমিত প্রাণীটি যখন ফলমূল ও অন্যান্য প্রাণী খায়, তখন সেসব খাদ্যের অবশিষ্ট অংশ থেকেও ছড়িয়ে পড়ে এবোলা৷

উৎস: The National Institute for Occupational Safety and Health (NIOSH)। [লিঙ্ক]
DW বাংলা। [লিঙ্ক]
৯,৩২৩.
নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয়-
  1. ক) ধমনীর ভেতর দিয়ে
  2. খ) শিরার ভেতর দিয়ে
  3. গ) স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
  4. ঘ) ল্যাকটিয়ারের ভেতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনীর ভেতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনীর ভেতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
• নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনীর ভেতর দিয়ে
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিন্ডে থেকে সারা দেহে বাহিত হয়, তাকে ধমনী বলে।
- ধমনীর প্রাচীরের মধ্যস্তর পেশিবহুল ও পুরু।
- এর রক্তের গতির দিক সাধারণত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন দিকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩২৪.
​ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ কোনটি? 
  1. রূপা 
  2. পানি 
  3. লোহা 
  4. অক্সিজেন 
সঠিক উত্তর:
লোহা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা 
ব্যাখ্যা

প্যারাচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, তাদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, টিন ইত্যাদি। 
- প্যারা চৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে।
- এসব দ্বিপোল এক একটি স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করে।
- কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় তাপজনিত কম্পন বেশি হওয়ার ফলে এই দ্বিপোল গুলো এলোমেলোভাবে থাকে।
- ফলস্বরূপ পদার্থের কোন এক দিকে নীট চুম্বকায়ণ থাকে না।

ডায়াচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায, তাদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি।
অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- ডায়া চৌম্বক পদার্থের পরমাণুমূহের কোন স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট থাকে না।
- এসব পরমাণুতে ইলেকট্রনের কক্ষীয় ও স্পিন গতি থেকে চৌম্বক মোমেন্ট উৎপত্তি হয়।
- এক জোড়া ইলেককট্রনের মধ্যে একটির মোমেন্ট অন্যটির সমান ও বিপরীত হলে, এদের নীট মোমেন্ট শূন্য হবে।
- যেহেতু ডায়াচৌম্বক পদার্থের পরমাণুতে এ রকম বহু সংখ্যক জোড়ার সমাহার সেহেতু পদার্থের পরমাণুতে কোনো দ্বিপোল থাকে না এবং কোন নীট মোমেন্টও থাকে না।

ফেরোচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়, তাদেরকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।
- ফেরো চৌম্বক পদার্থের পরমাণু তথা অণুসমূহের প্রত্যেকের নীট্ চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে, কিন্তু দ্বিপোলগুলো স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করে না।
- এই দ্বিপোলগুলো বিভিন্ন ডোমেইন- এ বিভক্ত থাকার ফলে সমষ্টিগতভাবে নীট মোমেন্ট শূন্য হয়।
- ফেরো চৌম্বক পদার্থকে বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে বা চুম্বকের কাছে আনলে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে কিছু কিছু ডোমেইনের আকার এক সময় বৃহৎ ডোমেইন গঠন করে এবং দ্বিপোলগুলো ক্ষেত্রের দিকে পদার্থটির চুম্বকায়ন ঘটে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩২৫.
আলোর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে কত কিলোমিটার?
  1. ক) ২ লক্ষ কিলোমিটার
  2. খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
  3. গ) ৪ লক্ষ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ লক্ষ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লক্ষ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

আলো এক প্রকার শক্তি, যা প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে পারে।
SI এককের সংজ্ঞা অনুসারে আলোর দ্রুতি প্রতি সেকেন্ডে ২৯৯,৭৯২,৪৫৮ মিটার ।
উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই

৯,৩২৬.
বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ ঘটেছিল প্রায় কত বছর আগে?
  1. ৩৭৫.০ কোটি বছর
  2. ১.৩৭৫ ট্রিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ১৩.৭৫ মিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৩২৭.
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড নয় কোনটি? 
  1. অলিয়িক এসিড 
  2. স্টিয়ারিক এসিড 
  3. পামিটিক এসিড 
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অলিয়িক এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলিয়িক এসিড 
ব্যাখ্যা

ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন- 
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড, 
(৩) পামিটিক এসিড।

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) অক্সালিক এসিড, 
(২) অলিয়িক এসিড
(৩) লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

৯,৩২৮.
শব্দের তীব্রতা এবং তরঙ্গের বিস্তার কিভাবে সম্পর্কিত?
  1. তীব্রতা বিস্তারের বিপরীত
  2. তীব্রতা সরাসরি এক ধরনের বিস্তার
  3. তীব্রতা বিস্তারের বর্গমূলের সমানুপাতিক
  4. তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩২৯.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার Optimum তাপমাত্রা কত? 
  1. ১৫-২২° সেলসিয়াস
  2. ২২-৩৫° সেলসিয়াস
  3. ১৮-২৫° সেলসিয়াস
  4. ৩০-৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২২-৩৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২-৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- আলো এবং ক্লোরোফিল ছাড়াও সালোকসংশ্লেষণ আরও কতগুলো প্রভাবক দিয়ে প্রভাবিত হয়।
- প্রভাবকগুলো কিছু বাহ্যিক এবং কিছু অভ্যন্তরীণ।
- প্রভাবকের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি, পরিমাণের কম-বেশি  সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণও কম-বেশি করে থাকে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রকিয়ায় তাপমাত্রা বিশেষ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। 
- সাধারণত অতি নিম্ন তাপমাত্রা (০° সেলসিয়াসের কাছাকাছি) এবং অতি উচ্চ তাপমাত্রয় (45° সেলসিয়াসের উপরে) এ প্রক্রিয়া চলতে পারে না। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পরিমিত (Optimum) তাপমাত্রা হলো ২২° সেলসিয়াস থেকে ৩৫° সেলসিয়াস পর্যন্ত। 
- তাপমাত্রা ২২° সেলসিয়াসের কম বা ৩৫° সেলসিয়াসের বেশি হলে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যাবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৩০.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) এক্স রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) বিটা রশ্মি
  4. ঘ) বেকেরেল রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্স রে
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন।
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়।

এক্স রে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি ব্যবহৃত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৩১.
নিচের কোনটি রক্তরসের জৈব পদার্থ? 
  1. ক্যালসিয়াম
  2. লেসিথিন
  3. আয়োডিন
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
লেসিথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেসিথিন
ব্যাখ্যা
রক্তরস বা প্লাজমা: 
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। 
- রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। 
- অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন, O2, CO2, এবং N2, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ। 
- জৈব পদার্থগুলো হলো- 
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি। 
২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি। 
৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি। 
৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি। 
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন। 
৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ। 

রক্তরসের কাজ: 
- রক্তকোষসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা। 
- টিস্যু থেকে বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে, সেগুলো রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহণ করা। 
- শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহণ করা। 
- রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহণ করা। 
- হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা। 
- রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৩২.
হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পরপর দেখা যায়?
  1. ৭০ বছর
  2. ৭৬ বছর
  3. ৮০ বছর
  4. ৮৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ বছর
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু:
- পরবর্তী হ্যালির ধূমকেতু দেখা যাবে ২০৬২ সালে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে। হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৩৩.
E = mc2 কে কোন সমীকরণ বলা হয়?
  1. তাপগতিবিদ্যার সমীকরণ 
  2. কৃষ্ণ বস্তুর সমীকরণ 
  3. ভর-শক্তির সমীকরণ 
  4. ভর-বেগের সমীকরণ
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ 
ব্যাখ্যা
ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass Energy Relation): 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা। 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে। 
- এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা। 
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়। 
- অর্থাৎ, ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়।

ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- E = mcকে ভর-শক্তির সমীকরণ বলা হয়।
- এটিই আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ। 
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লীয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তির সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
- অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজাগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৩৪.
পৃথিবীর সঙ্গে একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তাকে কী হিসেবে অভিহিত করা হয়? 
  1. পীড়ন
  2. অভিকর্ষ বল
  3. স্থিতিস্থাপকতা
  4. তাড়িতচৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ। 
- কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৩৫.
আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৬০০ থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৫০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০০ থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
• কোনো তরঙ্গের পরপর দুটি, একই দশা সম্পন্ন কণার মধ্যকার দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (Wave length) বলা হয়।
• আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
• সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না।
• যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই।
• ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে। তাই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো।

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৩৬.
কোন বৈশিষ্ট্য এক্সরে-কে অন্য রশ্মি থেকে আলাদা করে? 
  1. এটি আলোর সমবেগে যায় না 
  2. এটি দৃশ্যমান 
  3. এটি আলোর মতো প্রতিসরণ করে না 
  4. এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ 
ব্যাখ্যা

এক্সরের ধর্ম (Properties of X-ray): 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এক্সরে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৩৭.
নিচের কোনটি রক্তের গুরুত্বপূর্ণ কাজ?
  1. খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা
  2. জারক রস বিতরণ করা
  3. হরমোন নিঃসরণ করা
  4. কোষ বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করা
ব্যাখ্যা
• রক্তরসের কাজ:
-
অক্সিজেন পরিবহন করে।
- রক্ত কণিকাসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে।
- বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহন করে।
- শ্বসনের ফলে কোষে সৃষ্ট CO₂ কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহন করে।
- রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহন করে। 
- হরমোন পরিবহন করা।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৩৮.
গ্যাসোলিন কোনটি?
  1. ক) পেট্রোল
  2. খ) ডিজেল
  3. গ) অকটেন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল
ব্যাখ্যা

- পেট্রোল হচ্ছে এক ধরনের হাইড্রোকার্বন।
- এর স্ফুটনাঙ্ক ২১ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- একে গ্যাসোলিনও বলা হয়।
তথ্যসূত্র: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২৬৬।

৯,৩৩৯.
পাহাড়ের উপরে কোন গ্যাসের আধিক্য বেশি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) কার্বনডাই অক্সাইড
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১% ও অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
পাহাড়ের উপরে গ্যাসের অনুপাতের পরিমানে সামান্য তারতম্য হলেও নাইট্রোজেনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

৯,৩৪০.
প্রোটিন সংশ্লেষণ করা কোনটির প্রধান কাজ?
  1. ক) ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. খ) রাইবোসোম
  3. গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাইবোসোম
ব্যাখ্যা
রাইবোসোম:
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে বলা হয় রাইবোসোম।
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন।
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার।
- এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই উপস্থিত থাকে।
- সাধারণত অমসৃণ অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার উভয় দিকে এরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন করা।
-  এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- এটি আমিষ সংশ্লেষণের স্থান নির্ধারণ করে, প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন করে এবং এ সকল কাজে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে।

অন্যদিকে, 
- ক্লোরোপ্লাস্টকে উদ্ভিদের রান্নাঘর বলা হয়।
- মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বলা। হয়।
- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৪১.
যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়- 
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা

◉ যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা (Mass number) সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়, তাদেরকে আইসোবার (Isobar) বলা হয়।

আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

অন্যদিকে, 
আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।

আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৪২.
বায়োটেকনোলজি শব্দটি প্রথম ব্যাবহার করেন কে?
  1. ক) রবার্ট হুক
  2. খ) রবার্ট ব্রাউন
  3. গ) কার্ল এরেকি
  4. ঘ) উইলিয়ামসন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল এরেকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ল এরেকি
ব্যাখ্যা
- বায়োটেকনোলজি শব্দটি হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কার্ল এরেকি ১৯১৯ সালে প্রথম ব্যবহার করেন।

- Biology এবং  Technology এই দুই শব্দের সমন্নয়ে biotechnology শব্দের সৃষ্টি যার অর্থ জীবপ্রযুক্তি।

উৎস:
একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
৯,৩৪৩.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. জলাতঙ্ক রোগের ভাইরাস - র‍্যাবিস ভাইরাস
  2. ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস - ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  3. গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- ভাইরাস হলো এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া , সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করতে পারে। আবার নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বাতাস, মাটি, জল  ইত্যাদি প্রায় সব জড় মাধ্যমে ভাইরাস অবস্থান করে।
- ভাইরাসের আকার সাধারণত ১০ nm থেকে ৩০০ nm পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোগের ভাইরাস:
- জলাতঙ্ক রোগের ভাইরাস - র‍্যাবিস ভাইরাস   
- ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস - ফ্ল্যাভি ভাইরাস
- গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - ভেরিওলা ভাইরাস 
- হাম রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস 
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৪৪.
পতিত জমিতে নিম্নের কোন উপাদান মিথেন উৎপাদন করে?
  1. ক) ন্যাপথালিন
  2. খ) লেবাইল জৈব কার্বন
  3. গ) ইথাইল ব্রোমিন
  4. ঘ) ফার্মামেন্ট
সঠিক উত্তর:
খ) লেবাইল জৈব কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেবাইল জৈব কার্বন
ব্যাখ্যা
- মিথেন হলো কৃষির কারণে নির্গত আরেকটি গ্রিনহাউস গ্যাস। 
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ জমিতে ধানচাষ হয়। 
- ধান চাষাবাদের কারণে একদিকে যেমন গ্রিনহাউস গ্যাস মিথেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রাস অক্সাইড নিঃসরিত হয়, তেমনি ধানগাছ তার শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইড ফর্মে এসব গ্যাস শোষণ করে থাকে। 
- তা ছাড়া ধানের জমি থেকে নিঃসরণকৃত গ্যাস আধুনিক ও ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তার সিংহভাগ প্রশমন করা সম্ভব।
- গবেষণায় দেখা গেছে, ধান চাষাবাদে ধানগাছ মাত্র ৫-১০% মিথেন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে বাকি ৯০-৯৫% মিথেন মাটি থেকে আসে। 
- জলাবদ্ধ জমিতে লেবাইল জৈব কার্বন  (Labile organic carbon) এবং মিথানোজেনিক ব্যাক্টেরিয়া মিথেন উৎপন্ন করে। 
- অতএব, দেখা যায়, ধান চাষের চেয়ে পতিত জমি মিথেন নিঃসরণের জন্য বেশি দায়ী।

উৎস: www.ais.gov.bd
৯,৩৪৫.
শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয় বছরে -
  1. ক) দুইবার
  2. খ) একবার
  3. গ) তিনবার
  4. ঘ) চারবার 
সঠিক উত্তর:
ক) দুইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইবার
ব্যাখ্যা
- ষাটের দশকে ভিটামিন এ-এর অভাবকে জনস্বাস্থ্য সমস্যা বলে অভিহিত করা হয়।
- কিন্তু সে সময় এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব হয়নি।
- স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভিটমিন এ–সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।
- শিশুদের বছরে দুবার ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়ে থাকে।
- এক বছরের কম বয়সী শিশুদের নীল রঙের ও ১ থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুদের লাল ক্যাপসুল দেওয়া হয়।
- তবে ছয় মাসের কম বয়সীদের খাওয়ানো হয় না।
-কেননা মায়ের বুকের দুধের মাধ্যমে তাদের ভিটমিন এ–এর অভাব পূরণ হয়ে যায়।

- পোলিও একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ।
- ব্রিটিশ ডাক্তার মাইকেল আন্ডারউড দ্বারা পোলিওর প্রথম পরিচিত ক্লিনিকাল বিবরণ ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত ছিল না এবং এটি ১৮৪০ সালে জার্মান চিকিৎসক জ্যাকব হাইন দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শর্ত হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

উৎস:- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং প্রথম আলো।
৯,৩৪৬.
কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়?
  1. গেওয়া
  2. কেওড়া
  3. সুন্দরী
  4. শাল
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- শাল ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৯,৩৪৭.
একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায়-
  1. 1840 গুণ ভারী
  2. 1840 গুণ হালকা
  3. 1640 গুণ হালকা
  4. 1640 গুণ ভারী
সঠিক উত্তর:
1840 গুণ হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1840 গুণ হালকা
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- এর ভর অতি সামান্য, একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 
- ইলেকট্রনের সংকেত e-
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10-19 C. 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৪৮.
'শিমের বিচি' কোনটির উৎস?
  1. স্টার্চ
  2. প্রোটিন
  3. ফ্যাট
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
উৎস দিয়ে বিবেচনা করলে আমিষ দুই ধরনের- প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ আমিষ।
প্রাণিজ আমিষের উৎস হলো মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি।
উদ্ভিজ্জ আমিষের উৎস হলো ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম ইত্যাদি।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৪৯.
দুধের ঘনত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ম্যানোমিটার
  2. গ্র্যাভিমিটার
  3. পাইরোমিটার
  4. ল্যাক্টোমিটার
সঠিক উত্তর:
ল্যাক্টোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাক্টোমিটার
ব্যাখ্যা
- দুধের ঘনত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র হলো ল্যাক্টোমিটার। 

অন্যদিকে, 
- চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো ম্যানোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র হলো পাইরোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র হলো গ্রাভিমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯,৩৫০.
বংশগতীয় বৈচিত্র্যের প্রধান কারণ কী? 
  1. পরিবেশগত তাপমাত্রা 
  2. জিনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন 
  3. প্রজাতির মধ্যে ভিন্নতা 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
জিনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন 
ব্যাখ্যা

জীববৈচিত্র্য (Biodiversity): 
- পৃথিবীর পরিবেশ জীব ও জড় উপাদান নিয়ে গঠিত, এখানে রয়েছে বিচিত্র ধরনের জীব ও অজস্র জড় পদার্থ। 
- এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ প্রজাতির বর্ণনা ও নামকরণ পাওয়া গেছে। এর প্রতিটি প্রজাতি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যমণ্ডীত এবং স্বকীয় বৈশিষ্ট্য দিয়ে যে কোনো একটি প্রজাতি অন্য সব প্রজাতি হতে ভিন্ন ও শনাক্তকরণযোগ্য। 
যেমন- আনারস একটি প্রজাতি এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য দিয়ে একে অন্যান্য প্রজাতি থেকে আলাদা করা সম্ভব। 
- জীবদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকার কারণেই জীবজগতকে লক্ষ লক্ষ প্রজাতিতে বিভক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আবার একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মধ্যেও বৈচিত্র্য থাকে। তাই পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য। 

জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ: 
- জীববৈচিত্র্যকে তিন ভাগে বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য: 
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ের ভিন্নতাই হলো প্রজাতিগত বৈচিত্র্য। সাধারণভাবে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বোঝায়। যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা, বৃদ্ধির ধরন ইত্যাদি ভিন্ন হয়। 

২। বংশগতীয় বৈচিত্র্য: 
- এ পৃথিবীতে একই প্রজাতিভুক্ত সদস্যদের মধ্যেও অনেক বিষয়ে পার্থক্য দেখা যায়। এ পার্থক্যগুলো তৈরি হয় তাদের জিন সংগঠনের সামান্য বৈচিত্র্যের কারণে। এ বৈচিত্র্যতার কারণ হচ্ছে জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চালিত হয়। প্রাণিদেহের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য আলাদা আলাদা জীন দায়ী। বিভিন্ন কারণে এ জীনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটায় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। এ বংশানুক্রমিক প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে তাকেই বংশগতীয় বৈচিত্র্য বলা হয়। 

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য: 
- একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান ও জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে। এ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়। এ পরিবর্তনের জন্য যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। যেমন- একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যে সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৫১.
বুদ্ধাঙ্ক (IQ) বের করার সূত্র কোনটি?
  1. ক) (প্রকৃত বয়স / মানসিক বয়স) × 100
  2. খ) (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স) × 100
  3. গ) 2 × (মানসিক বয়স) / প্রকৃত বয়স × 100
  4. ঘ) (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স)2 × 100
সঠিক উত্তর:
খ) (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স) × 100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স) × 100
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
- ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
- কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো
বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০

সাধারণত ১৩০ এর বেশি IQ থাকলে তাকে প্রতিভাবান ধরা হয়।
৯,৩৫২.
কাকে 'ফাদার অব মর্ডান অ্যাস্ট্রোফিজিক্স' বলা হয়?
  1. Angelo Secchi
  2. Carl Sagan
  3. Edwin Hubble
  4. Satyen Sen
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Angelo Secchi
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেলো সেচ্চি(Angelo Secchi):
- তিনি ছিলেন একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
- যিনি প্রথম তারাদের বর্ণালীবৈশিষ্ট্যের (spectral classification) ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করার কাজ করেন।
- এটি ছিল আধুনিক জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার (Astrophysics) ভিত্তিপ্রস্তর।
- এজন্য তাকে "Father of Modern Astrophysics" বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও স্প্রিনজার আর্টিকেল।
৯,৩৫৩.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফাইবার অপটিক্স কিসের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে?
  1. তড়িৎ প্রবাহ
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. আলোক সংকেত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেত
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়, যা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে।

• ফাইবার অপটিক্স এর কাজের প্রক্রিয়া:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে (light signal) রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
৯,৩৫৪.
সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) সালফার
  2. খ) জিপসাম
  3. গ) খনিজ লবণ
  4. ঘ) সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিপসাম
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ ব্যবহার
সিলভার - গহনা ও ধাতব মুদ্রা তৈরিতে।
মাইকা - বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে।
কোয়ার্টজ - কাচ, সিরিচ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে।
জিপসাম - সিমেন্ট ও প্লাস্টার অফ প্যারিস তৈরীর কাঁচামাল।
উৎস: নবম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।

৯,৩৫৫.
প্লাস্টার অফ প্যারিস বলা হয়-
  1. শুষ্ক ক্যালসিয়াম সালফেট
  2. শুষ্ক ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. দুই অণু পানি সহযোগে গঠিত ক্যালসিয়াম সালফেটের অণুকে
  4. দুই অণু পানি সহযোগে গঠিত ক্যালসিয়াম কার্বনেটের অণুকে
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক ক্যালসিয়াম সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক ক্যালসিয়াম সালফেট
ব্যাখ্যা
• প্লাস্টার অফ প্যারিস (Plaster of Paris - POP) হলো শুষ্ক ক্যালসিয়াম সালফেট।
- এটি ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট বা জিপসাম (Gypsum) কে গরম করে পানি মুক্ত করলে তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
- শুষ্ক ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃) → এটি চুনাপাথর (Limestone) বা মার্বেল নামে পরিচিত।
- দুই অণু পানি সহযোগে গঠিত ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO₄·2H₂O) → এটি জিপসাম (Gypsum), যা POP তৈরির মূল উপাদান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৩৫৬.
কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  2. খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম স্টিয়ারেট
  4. ঘ) কপার সালফেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার সালফেট
ব্যাখ্যা
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কপার সালফেট ব্যবহার করা হয়।
- খাবার লবণ হল সোডিয়াম ক্লোরাইড যা সাধারণ লবণ নামেও পরিচিত।
- খাবার লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাদ্যকে খাবার উপযোগী করে তোলে।
- তরি-তরকারি, পাউরুটি, বিস্কুট, আচার ছাড়াও আরও অনেক খাবারে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়।
- জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট নামক লবণ।
- সোডিয়াম কার্বনেট যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত একটি লবণ।
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট নামক লবণ।
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কপার সালফেটকে ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট , অ্যামোনিয়াম ফসফেট, পটাসিয়াম নাইট্রেট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
- শিল্প-কারখানায় লবণ ডিটারজেন্ট তৈরিতে, কাপড় কাঁচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরিতে, চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:- বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৫৭.
১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সমান কত ডিগ্রি ফারেনহাইট?
  1. ৩২.৬
  2. ৩২.৪
  3. ৩২.৮
  4. ৩৩.৮
সঠিক উত্তর:
৩৩.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩.৮
ব্যাখ্যা
• ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস = ৩৩.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

- সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো-
- C/5 = (F-32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]।
এখানে,
1/5 = (F-32)/9
∴ F = 33.8 

উল্লেখ্য,
- -40 ডিগ্রিতে সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ফারেনহাইট তাপমাত্রা সমান।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯,৩৫৮.
অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে কী বলা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. FET
  3. রেকটিফায়ার
  4. অ্যামপ্লিফায়ার 
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার: অর্ধপরিবাহী ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা কেবলমাত্র একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহকে বাধা দেয়।
- এই একমুখী প্রবাহের ধর্মের কারণে ডায়োড AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current) তে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়। তাই, অর্ধপরিবাহী ডায়োডকে রেকটিফায়ার বলা হয়।

ডায়োড সাধারণত দুটি স্তরবিশিষ্ট অর্ধপরিবাহী দ্বারা তৈরি হয়:
- P-type (ধনাত্মক স্তর)
- N-type (ঋণাত্মক স্তর)
- সংযুক্ত অবস্থায় এটি PN জংশন তৈরি করে, যা রেকটিফায়ার ক্রিয়ার জন্য দায়ী।

ট্রানজিস্টর: তিন স্তরের (PNP বা NPN) যন্ত্র, যা প্রবাহ বৃদ্ধি (amplification) বা সুইচিংয়ে ব্যবহৃত হয়।
FET (Field Effect Transistor): এটি একটি বিশেষ ধরণের ট্রানজিস্টর, সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
অ্যামপ্লিফায়ার: এটি সিগন্যাল বৃদ্ধি করে, কিন্তু ডায়োড নয়।

তথ্যসূত্র: NCTB পদার্থবিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

৯,৩৫৯.
রাবার কোন পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করলে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়? 
  1. ওজোন 
  2. পানি 
  3. অ্যামোনিয়া 
  4. মিথেন 
সঠিক উত্তর:
ওজোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন 
ব্যাখ্যা

রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার জন্য যে ইরেজার ব্যবহার কর, সেটি এক ধরনের রাবার। 
- সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবারের তৈরি। 
- পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল এগুলোও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 
- রাবার এবং রাবারজাত পণ্যসামগ্রী জীবনের অনেক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবকে (যেমন-এসিটোন, মিথানল) অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। 
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী, তবে আজকাল বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে। কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়, কারণ রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩৬০.
খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছ কয় প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছের প্রকারভেদ:
- খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছকে প্রধানত তিন প্রকারে ভাগ করা যায়।  
- যথা:
- শাকাশী (Herbivorous),
- মাংসাশী (Carnivorous) এবং
- সর্বভুক (Omnivorous)।  

শাকাশী মাছ:
- শাকাশী মাছ হলো যারা উদ্ভিদজাত খাবার খেয়ে জীবনধারণ করে।  
- তারা প্রচুর পরিমাণে ফাইটোপ্লাঙ্কটন, জলজ উদ্ভিদ বা শেওলা খায়।  
- যেমন: রুই, কাতলা ইত্যাদি।  

মাংসাশী মাছ:
- মাংসাশী মাছ হলো যারা পুকুরের বা নদীর ছোট ছোট মাছ, পোকামাকড়, জুপ্লাঙ্কটন ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে।  
- যেমন: চিতল, বোয়াল ইত্যাদি।  

সর্বভুক মাছ:
- সর্বভুক মাছ হলো যারা উদ্ভিদজাত খাবার এবং প্রাণিজ খাবার দুটোই খায়।  
- যেমন: পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ইত্যাদি।  

- সুতরাং, খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছের সংখ্যা হলো তিন।  
- সঠিক উত্তর: ক) ৩ প্রকার। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৯,৩৬১.
নিচের কোনটি স্ল্যাক লাইম নামে পরিচিত? 
  1. CaO
  2. CaCO3
  3. CaCl2
  4. Ca(OH)2
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
ব্যাখ্যা
- চুনে পানি যোগ করার ফলে, চুন ও পানির মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন হয়। 
CaO + H2O → Ca(OH)2
অর্থাৎ, ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি →  ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড 
- উৎপন্ন Ca(OH)2 স্ল্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত
- এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে।
- স্ল্যাক লাইম বা Ca(OH)2 পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
- আর পানিতে Ca(OH)2 এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৯,৩৬২.
ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়-
  1. আমলকিতে
  2. কমলালেবুতে
  3. তেঁতুলে
  4. আপেলে
সঠিক উত্তর:
আপেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেলে
ব্যাখ্যা
- আপেল, আনারসে ম্যালিক এসিড বেশি মাত্রায় পাওয়া যায়।

অন্যদিকে,
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।

উল্লেখ্য,
- টমেটোতে অক্সালিক এসিড, ম্যালিক এসিড ও সাইট্রিক এসিড পাওয়া যায়।
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৯,৩৬৩.
নিচের কোন প্রাণীকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়? 
  1. নিটাম 
  2. প্লাটিপাস 
  3. হাতি 
  4. শিয়াল 
সঠিক উত্তর:
প্লাটিপাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাটিপাস 
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৩৬৪.
পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?
  1. টারটারিক এসিড
  2. ম্যালিক এসিড
  3. ফরমিক এসিড
  4. এসকরবিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফরমিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমিক এসিড
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন এসিড:
- পিঁপড়ার কামড়ে ফরমিক এসিড থাকে।
- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড।
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৯,৩৬৫.
মাইক্রোওয়েভ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিওতে
  2. খ) টেলিফোনে
  3. গ) রাডারে
  4. ঘ) টেলিস্কোপে
সঠিক উত্তর:
গ) রাডারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাডারে
ব্যাখ্যা
রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যােগাযােগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
৯,৩৬৬.
রক্তের কোন কণিকা মূলত অক্সিজেন পরিবহণের দায়িত্ব পালন করে?
  1. লোহিত রক্তকণিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা 
  3. অণুচক্রিকা
  4. রক্তরস
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা

- রক্তের মধ্যে অক্সিজেন পরিবহণকারী রক্তকণিকা হলো লোহিত রক্তকণিকা (RBC)।
- বৃত্তাকার ও উভয় পাশে গর্তের ন্যায়।
- এর প্রধান উপাদান হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin), যা অক্সিজেনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। 
- রক্তের কণিকা ৩ ধরণের। 
যথা- 
- লোহিত রক্তকণিকা, 
- শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
- অণুচক্রিকা। 

রক্ত কণিকার প্রধাণ কাজ:
- লোহিত রক্তকণিকা: অক্সিজেন পরিবহন করে হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে।
- শ্বেত রক্তকণিকা: যা আমাদের শরীরকে রোগ এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে রক্ষা করে।
- অণুচক্রিকা: রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা এবং রক্তপাত বন্ধ করা। 

তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, Britannica 

৯,৩৬৭.
বর্তমানে পরিবেশ-বান্ধব কোন গ্যাসটি রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
  2. খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
  3. গ) ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেট্রাফ্লুরো ইথেন
ব্যাখ্যা
- ১৯২৭ সালে প্রথম আধুনিক ব্যক্তিগত রেফ্রিজারেটর বাজারে আনে মার্কিন প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক।
- আধুনিক রেফ্রিজারেটরগুলােতে ফ্রেয়ন এর বদলে টেট্রাফ্লুরােইথেন নামে একটি গ্যাস ব্যবহার করা হয়। যেটা পরিবেশ বান্ধব।
- ফ্রেয়ন ওজোন স্তর ধংসের জন্য দায়ী।
৯,৩৬৮.
কোন পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. কঠিন পদার্থ
  2. তরল পদার্থ
  3. গ্যাসীয় পদার্থ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে। 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন অবস্থায় অণুর স্থানান্তর ও আবর্তন গতি প্রায় থাকে না; তবে অণুসমূহের কম্পন গতি থাকে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে। 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- কিন্তু যেহেতু তরল অবস্থাতেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে থাকে; সেহেতু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে। 
- কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে। 
- তবে তরল পদার্থের অণুসমূহ কঠিন পদার্থের তুলনায় কম সুশৃঙ্খল থাকে। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে। 
- তাই গ্যাসীয় অবস্থায় অণুসমূহ সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। 
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে। 
- তখন অণুসমূহ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। 
- তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই। 
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৯,৩৬৯.
লাল টিউলিপের সৌন্দর্য কোন কারণে বৃদ্ধি পায়? 
  1. ফুলে হালকা বৃষ্টি পড়ে 
  2. আলো বেশি পাওয়ার কারণে 
  3. ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে 
  4. ফুলে অতিরিক্ত সার প্রয়োগের কারণে 
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে 
ব্যাখ্যা

- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৭০.
একটি ক্যাপাসিটরের মূল কাজ কী?
  1. বিদ্যুৎ প্রবাহকে বাধা দেওয়া
  2. বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করা
  3. বিদ্যুৎ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করা
  4. বিদ্যুৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করা
ব্যাখ্যা

◉ ধারক (Capacitor) হলো একটি ইলেকট্রনিক উপাদান, যা বৈদ্যুতিক চার্জ (Electric Charge) সংরক্ষণ করতে পারে।

ধারক (Capacitor):
- যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- এটি দুটি পরিবাহী প্লেটের মধ্যে একটি ডাই-ইলেকট্রিক (Non-conductive insulating material) পদার্থ দ্বারা গঠিত হয়।
- যখন ক্যাপাসিটরের দুই প্লেটে ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তখন এটি চার্জ জমা করে এবং প্রয়োজনে সেই চার্জ সরবরাহ করতে পারে।

ধরকের কাজ: 
- এটি চার্জ ধরে রাখতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময়ে চার্জ মুক্ত করতে পারে।
- এটি AC প্রবাহকে পার করতে দেয়, কিন্তু DC প্রবাহকে বাধা দেয়।
- পাওয়ার সার্কিটে সার্কিটের সঠিক ভোল্টেজ বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,৩৭১.
দেহের বিভিন্ন অঙ্গের আবরণী হিসেবে কাজ করে কোন টিস্যু?
  1. ক) স্নায়ু
  2. খ) এপিথেলিয়াল
  3. গ) যোজক
  4. ঘ) পেশী
সঠিক উত্তর:
খ) এপিথেলিয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এপিথেলিয়াল
ব্যাখ্যা

আবরণী টিস্যু দেহের বিভিন্ন অঙ্গের আবরণী হিসেবে কাজ করে।

আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue):
এই টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ হিসেবে কাজ করে। তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী। টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়।
এই টিস্যুর আরও চারটি কাজ: অঙ্গকে আবৃত রাখা, সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা (protection), প্রোটিনসহ বিভিন্ন পদার্থ ক্ষরণ বা নিঃসরণ করা (secretion), বিভিন্ন পদার্থ শোষণ করা (absorption) এবং কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহন (transcellular transport)। আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ঘন সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তিপর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৯,৩৭২.
নিচের কোনটি বেকিং পাউডার হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম বাই কার্বনেট আর আর্দ্র রূপ
  2. সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট এর শুষ্ক রূপ
  3. সোডিয়াম কার্বনেট
  4. সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

- সোডিয়াম বাই কার্বনেট অর্থাৎ সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা।
- সোডিয়াম কার্বনেট হলো কাপড় কাচার সোডা
- সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট ও টারটারিক এসিডের মিশ্রণ হলো বেকিং পাউডার।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৯,৩৭৩.
'DENV' কী ধরণের ভাইরাস?
  1. DNA
  2. RNA
  3. mRNA
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
RNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
- এর ভাইরাসের নাম Dengue virus(DENV)
- ইহা একটি RNA ভাইরাস।
- এর বাহক Aedes aegypti.
তথ্যসূত্র: জীব বিজ্ঞান, প্রথম পত্র - গাজী আজমল , একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
৯,৩৭৪.
________ছাড়া আধুনিক জীবনযাপন অসম্ভব।
  1. ক) গাড়ী
  2. খ) মোবাইল ফোন
  3. গ) বিদ্যুৎ
  4. ঘ) ফ্যাশন
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ ছাড়া আধুনিক জীবনযাপন অসম্ভব।
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটিক্ষেত্রেই বিদ্যুৎ-এর প্রয়োগ দেখা যায়।
- দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি সেটি হচ্ছে চল বিদ্যুৎ।
- বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট আলোকিত করা, কলকারখানা, ট্রাম, ট্রেন, পাখা সবকিছুর জন্য বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন।
- টেলিভিশন, রেডিও, টেলিফোন, টেলিগ্রাফ প্রভৃতি সচল রাখতে বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন।
- এসবক্ষেত্রে বিদ্যুৎকে আলোকশক্তি, তাপশক্তি, যান্ত্রিক শক্তি ইত্যাদিতে রূপান্তর করা হয়।
- সুতরাং বিদ্যুৎ এক প্রকার শক্তি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৭৫.
কোন যৌগটি শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করে?
  1. ক) ইথানল
  2. খ) ইথার
  3. গ) পানি
  4. ঘ) বিউটেন
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
ব্যাখ্যা
পানির অণু, H2O:
- দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর প্রত্যেকে তাদের একটি করে ইলেকট্রন দিয়ে অক্সিজেনের একটি ইলেকট্রন শেয়ার করলে অক্সিজেন পরমাণুটি তার শেষ কক্ষপথে আটটি এবং উভয় হাইড্রোজেন পরমাণু তাদের একমাত্র কক্ষপথে দুটি করে ইলেকট্রন পেয়ে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মত সুস্থিত ইলেকট্রন বিন্যাস (হিলিয়ামের মত) অর্জন করতে পারে। 
- ফলে একটি অক্সিজেন পরামানু দুটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে দুই জোড়া ইলেকট্রন শেয়ার করে দুটি সমযোজী বন্ধন গঠন করে এবং এভাবে H2O অণু সৃষ্টি হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৭৬.
নিচের কোন যৌগটি ভিটামিন ‘সি’?
  1. ক) অ্যাসকরবিক এসিড
  2. খ) সাইট্রিক এসিড
  3. গ) অ্যাসিটিক এসিড
  4. ঘ) অক্সালিড এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাসকরবিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাসকরবিক এসিড
ব্যাখ্যা
- অ্যাসকরবিক এসিড হল ভিটামিন- সি এর অপর নাম। 
- কমলা লেবু, বাতাবি লেবু, পাতিলেবু, আনারস, আম, জাম, মাছ ও মাংস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
- ভিটামিন সি এর অভাবে বিভিন্ন রোগ হয়।
যেমন-স্কার্ভি, শিশুদের মাড়ি ফুলে যাওয়া, দেহের ওজন হ্রাস হওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি রোগ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৯,৩৭৭.
উড়োজাহাজের মডেল তৈরি করেছিলেন কে?
  1. রবার্ট বয়েল
  2. রবার্ট হুক
  3. বিজ্ঞানী হাইগেনস
  4. লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
সঠিক উত্তর:
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
ব্যাখ্যা
- লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ছিলেন মূলত একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী। 
- তিনি উড়োজাহাজের মডেল তৈরি করেছিলেন। 

অন্যদিকে, 
- ডা. গিলবার্ট চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। 
- জার্মানীর বিজ্ঞানী স্নেল প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- বিজ্ঞানী হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। 
- রবার্ট হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- বিজ্ঞানী রবার্ট বয়েল গ্যাসের সূত্র আবিস্কার করেন। 
- রোমার বৃহস্পতির একটি উপগ্রহের গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করে আলোর বেগ পরিমাণ করেন, যা তখনকার বিজ্ঞানীদের নিকট গ্রহণযোগ্য ছিল না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৭৮.
এন্ডোক্রাইনোলজি  হলো-
  1. অঙ্গসংস্থান সম্পর্কিত বিদ্যা
  2. ভ্রূণ সম্পর্কিত বিদ্যা
  3. হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
  4. শারীরতত্ত্ব সম্পর্কিত বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন সম্পর্কিত বিদ্যা
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য শাখা:
• অঙ্গসংস্থানবিদ্যা (Morphology) - এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।

• ভ্রূণবিদ্যা (Embryology) -  ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়। জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology) - জীবদেহে হরমোনের কার্যকারিতা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।


• শারীরবিদ্যা (Physiology) - জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• কোষবিদ্যা (Cytology) - জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• বংশগতিবিদ্যা (Genetics) - মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

• বাস্তুবিদ্যা (Ecology) - জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
৯,৩৭৯.
নিচের কোনটি কৃত্রিম পলিমারের উদাহরণ? 
  1. উল 
  2. সিল্ক 
  3. পলিস্ট্যারিন 
  4. রেশম 
সঠিক উত্তর:
পলিস্ট্যারিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিস্ট্যারিন 
ব্যাখ্যা

পলিমার: 
- পলিমার শব্দটি গ্রিক শব্দ (পলি অর্থ 'বহু বা অনেক' এবং মেরোস অর্থ 'অংশ') থেকে উৎপত্তি হয়েছে। 
অর্থাৎ, পলিমার বলতে একই ধরনের অনেকগুলো ছোট ছোট অংশ যুক্ত হয়ে যে উচ্চ আণবিক ভবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয় তাকে বুঝায়। 
- যে ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি হয় তাকে মনোমার বলা হয়। 
-পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাকৃতিক পলিমার: 
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে প্রাকৃতিক পলিমার বলে। 
যেমন: প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, তুলা, রেশম, পশম, সিল্ক, উল, পাট ইত্যাদি। 
- প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন বিভিন্ন শস্য দানা বিশেষ করে চাল, গম, ভুট্টা, যব, গোল-আলু এ সব স্টার্চ গ্লুকোজের প্রাকৃতিক পলিমার। 
- মাছ, মাংস, ডিম এসব প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডের পলিমার। 

২। কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে বা শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে। 
যেমন: পলিইথিলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), পলিস্ট্যারিন, টেফলন, টেরিলিন, নাইলন ইত্যাদি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৮০.
ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়-
  1. ক) আনারসে
  2. খ) কমলাতে
  3. গ) টমেটোতে
  4. ঘ) স্ট্রবেরিতে
সঠিক উত্তর:
ক) আনারসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আনারসে
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন এসিড:

- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড।
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৯,৩৮১.
মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. সিরাস
  2. নিম্বাস
  3. অল্টোকিউম্যুলাস
  4. স্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউম্যুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অল্টোকিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা

• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। 

৯,৩৮২.
পানি কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে?
  1. ক) ০°C
  2. খ) ৪°C
  3. গ) ৫০°C
  4. ঘ) ১০০°C
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০°C
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়।  আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- পানির স্ফুটনাংক হলো ১০০° সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৮৩.
পৃথিবীর বর্তমান বয়স কত?
  1. ৫.৬ বিলিয়ন বছর
  2. ৩.২ বিলিয়ন বছর
  3. ৪.৬ বিলিয়ন বছর
  4. ২.৩ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
৪.৬ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৬ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

- It is widely accepted by both geologists and astronomers that Earth is roughly 4.6 billion years old.
- This age has been obtained from the isotopic analysis of many meteorites as well as of soil and rock samples from the Moon by such dating methods as rubidium–strontium and uranium–lead.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

এছাড়া মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বইয়ে পৃথিবীর বয়স ৪.৫৪ বিলিয়িন বছর বলা হয়েছে।

৯,৩৮৪.
Which mosquito is the carrier of the Chikungunya virus?
  1. Anopheles
  2. Aedes
  3. Culex
  4. Sand fly
  5. Haemagogus
সঠিক উত্তর:
Aedes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes
ব্যাখ্যা

• চিকুনগুনিয়া ভাইরাস মূলত সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে, এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস (Aedes albopictus) এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য দায়ী প্রধান দুটি প্রজাতি। এই মশাগুলো ডেঙ্গু এবং জিকা ভাইরাসের সুপরিচিত বাহক হিসেবেও পরিচিত।

• চিকনগুনিয়া:
- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়।
- এটি চিকনগুনিয়া ভাইরাস (CHIKV) নামক একটি আরএনএ (RNA) ভাইরাসের কারণে হয়।
-এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়।
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- ২০২৩ সালের শেষের দিকে এফডিএ (FDA) চিকনগুনিয়ার জন্য প্রথম টিকা হিসেবে IXCHIQ অনুমোদন করে।

• চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ:
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‍্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- ব্রিটানিকা। [link]

৯,৩৮৫.
Mangifera indica কোন উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম? 
  1. কলা
  2. আম
  3. পেঁপে
  4. কাঁঠাল
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
• সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
• ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
• মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।
৯,৩৮৬.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে তাপ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়?
  1. মোটর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. ডায়নামো
  4. লাউড স্পিকার
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা
• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়।
- এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়।
- যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়।
- আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

অন্যদিকে,
- মোটর বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- ট্রান্সফরমার বিদ্যুৎ বিভব বাড়ান কমানোর কাজ করে।।
- লাউড স্পিকার বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৮৭.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
  2. খ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী কেপলার।
  3. গ) সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ:

- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।
- অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে।
- অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
- অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না।

মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ।
- এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, অর্থাৎ নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমকপ্রদ বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।

• সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
• গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৮৮.
নিম্নের কোন বৈশিষ্ট্যটি শব্দ তরঙ্গের ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ এবং মাধ্যমে কণার সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়
  2. শব্দ আড় তরঙ্গ এবং কণার উপর-নিচ স্পন্দনের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়
  3. শব্দ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ এবং মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হয়
  4. শব্দ কেবল তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়
সঠিক উত্তর:
শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ এবং মাধ্যমে কণার সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ এবং মাধ্যমে কণার সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়
ব্যাখ্যা

• শব্দ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, যা মাধ্যমে কণার সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

• শব্দ ও শব্দের উৎপত্তি:
- যা শোনা যায় তাই শব্দ।
- শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অনুভূত হয়।
- কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়।
- কম্পন বন্ধ হলে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়।
- শব্দ যান্ত্রিক তরঙ্গ এবং অনুদৈর্ঘ্য প্রকৃতির।

• শব্দ সঞ্চালন প্রক্রিয়া:
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য বস্তুগত মাধ্যম প্রয়োজন।
- কম্পনশীল বস্তু সংলগ্ন মাধ্যমের কণায় সংকোচন ও প্রসারণ সৃষ্টি করে।
- এই সংকোচন-প্রসারণ অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- মাধ্যমের কণাগুলো সামনের-পেছনের দিকে স্পন্দিত হয়, কিন্তু স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয় না।
- শব্দ শূন্য মাধ্যমে সঞ্চালিত হয় না।

• শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- শব্দ যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি, ঘনত্ব, তাপমাত্রা ইত্যাদির উপর নির্ভরশীল।
- শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও অপবর্তন ঘটাতে পারে।
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৮৯.
হৃৎপিণ্ডের সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ কোনটি?
  1. ক) ডান অলিন্দ
  2. খ) ডান নিলয়
  3. গ) বাম অলিন্দ
  4. ঘ) বাম নিলয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাম নিলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাম নিলয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ডান অলিন্দ হলো হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে কম পেশিবহুল অংশ আর বাম নিলয় হলো সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ। ডান অলিন্দ মহাশিরার মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্য সকল অঙ্গ থেকে অক্সিজেনরিক্ত রক্তগ্রহণ করে। বাম নিলয় মহাধমনির মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্যান্য অংশে রক্ত পাম্প করে। দেহের প্রায় সমগ্র অংশে রক্ত পাম্প করতে হয় বলে বাম নিলয় হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে পেশিবহুল অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৯,৩৯০.
বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের হচ্ছে:
  1. NaHCO3
  2. CaCO3
  3. (NH4)2CO3
  4. NH4HCO3
সঠিক উত্তর:
NaHCO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NaHCO3
ব্যাখ্যা

• বেকিং পাউডারের মূল উপাদান হলো NaHCO3 (সোডিয়াম বাইকার্বনেট), অর্থাৎ সঠিক উত্তর ক)। বেকিং পাউডার সাধারণত সোডিয়াম বাইকার্বনেট, একটি অম্লীয় লবণ (যেমন টারটারিক অ্যাসিড) এবং শোষক পদার্থের মিশ্রণ। NaHCO3 উত্তাপ বা অম্লের সংস্পর্শে এলে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে। এই গ্যাসের কারণে কেক, পাউরুটি বা বিস্কুট ফুলে ওঠে ও নরম হয়।

বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 

- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডা বা বেকিং পাউডারের রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের রাসায়নিক সংকেত- CaO, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৯১.
কোন বিজ্ঞানী পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন? 
  1. কেপলার
  2. নিউটন
  3. গ্যালিলিও
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি চমকপ্রদ উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, এর প্রভাবে যেকোনাে বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি গতিশীল হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t. 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৯২.
নিচের কোন রাশির ধারণা নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র থেকে পাওয়া যায়? 
  1. কাজ
  2. শক্তি
  3. জড়তা
  4. ভরবেগ
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
নিউটনের গতি সূত্র: 
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 
- সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৯৩.
একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে কয়টি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় বিগলিত অথবা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে দুটি ধাতব পরিবাহী অথবা গ্রাফাইট দন্ড এমনভাবে রেখে দেয়া হয় যেন একটি দিয়ে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে এবং অন্যটি দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে যায়। 
- এ দুটি ধাতব অথবা গ্রাফাইট পরিবাহীকে তড়িৎদ্বার বলা হয়। 
- তড়িৎদ্বার তড়িৎ রাসায়নিক কোষের ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে কোষ বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের ক্ষেত্রে দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যথা- 
১। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

২। অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্নক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৯৪.
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গুরুবৃত্ত
  3. গোধূলি
  4. ঊষা
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ছায়াবৃত্ত:
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা।
- সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৩৯৫.
মানুষের রক্তে LDL এর মাত্রা কত থাকে?
  1. ক) 60%
  2. খ) 70%
  3. গ) 80%
  4. ঘ) 90%
সঠিক উত্তর:
খ) 70%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 70%
ব্যাখ্যা
মানুষের রক্তে LDL এর মাত্রা থাকে ৭০%। 

LDL পূর্ণরূপ- Low Density Lipoprotein
লিপোপ্রোটিন হল একটি জৈব রাসায়নিক স্নেহ পদার্থ। এর প্রাথমিক কাজ হলো হাইড্রোফোবিক লিপিডকে (ফ্যাট হিসাবে পরিচিত) প্লাজমার মধ্য দিয়ে পরিবহন করা।
Low Density Lipoprotein কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়। কারণ, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
অপরদিকে, High Density Lipoprotein (HDL) কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়। কারণ এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৯,৩৯৬.
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. প্লাঙ্ক
  2. নিউটন
  3. হাইগেন
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্ক
ব্যাখ্যা

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব: ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিয় শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৩৯৭.
শ্বসনে নির্গত হয়-
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
শ্বসন: এটি একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া যখন অক্সিজেনের উপস্থিতিতে গ্লুকোজকে ভেঙ্গে শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় এবং সাথে উপজাত হিসাবে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়।



- শ্বসন প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয় কোষেই ঘটে।
- শ্বসনের জন্য অক্সিজেন আবশ্যক।
- অক্সিজেনের উপস্থিতিতে গ্লুকোজের জারন ঘটে। ফলে শক্তি উৎপন্ন হয় যা জীবদেহ চালনা করে।
- উপজাত হিসাবে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়।

উৎস: মাধ্যমিকের জীববিজ্ঞান বই।
৯,৩৯৮.
মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশ কোনটি?
  1. নাসিকা
  2. গলবিল
  3. শ্বাসনালী
  4. ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিকা
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অংশসমূহের নাম: 
- দেহের যে অঙ্গগুলো শ্বসন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, সেগুলোকে একত্রে শ্বাসতন্ত্র বলে।
- যে সকল অঙ্গগুলো নিয়ে মানব শ্বাসতন্ত্র গঠিত তা হলো- নাসারন্ধ্র ও নাসাপথ (Nasal cavity), গলবিল ও গলনালি (Pharynx), স্বরযন্ত্র (Larynx), শ্বাসনালি (Trachea), বায়ুনালি বা ব্রঙ্কাস (Bronchus), ফুসফুস (Lung) ও মধ্যচ্ছদা (Diaphragm) ।

নাসারন্ধ্র বা নাসাপথ: 
- মানব শ্বাসতন্ত্রের প্রথম অংশের নাম নাসিকা। 
- এটা মুখ গহ্বরে উপরে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার গহ্বর, এর সাহায্যে কোন বস্তুর সুগন্ধ বা দুর্গন্ধ বোঝা যায়।
- একটি বিশেষ ধরনের স্নায়ু এ অঙ্গকে উদ্দীপিত করে, ফলে গন্ধ পাওয়া যায়।
- একটি পাতলা পর্দা দ্বারা এটি দু'ভাগে বিভক্ত।
- ইহার সম্মুখ ভাগ লোম দ্বারা আবৃত ও পেছনের দিকের অংশ শ্লেষ্মা প্রস্তুতকারী পর্দা দ্বারা আবৃত।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বায়ুতে বিদ্যমান ধূলিকণা, রোগ জীবাণু ও আবর্জনা থাকলে তা এ লোম ও পর্দাতে আটকে যায়।
- ফলে বায়ু ফুসফুসে প্রবেশের পূর্বে অনেকটা নির্মল হয়ে যায়।
- এছাড়া শ্বসনের জন্য গৃহীত বায়ু নাসাপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কিছুটা শুষ্ক ও আর্দ্র হয়। এর ফলে হঠাৎ ঠান্ডা বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে কোন প্রকার ক্ষতি করতে পারে না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৩৯৯.
বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড কত সালে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন? 
  1. ১৯০৮ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯১৮ সালে
  4. ১৯১১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল: 
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। 
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সোলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলা হয়। 
- এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়। 
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪০০.
প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম কোথায় শনাক্ত করা হয়েছিল?
  1. ক) চীনের উহানে
  2. খ) চীনের সাংহাইতে
  3. গ) চীনের বেইজিংয়ে
  4. ঘ) ইতালির লোম্বার্ডিতে
সঠিক উত্তর:
ক) চীনের উহানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীনের উহানে
ব্যাখ্যা
- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার সর্বপ্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ১১ জানুয়ারী ২০২০ চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়।
- ১৩ জানুয়ারি চীনের বাহিরে থাইল্যান্ডে সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়। এই রোগী উহান থেকে থাইল্যান্ডে এসেছিল।
- ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাহিরে ফিলিপাইনে প্রথম করোনা রোগী মারা যায়। এই রোগীও উহান থেকে ফিলিপাইন গিয়েছিলো।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং প্রথম রোগী মারা যায় ১৮ মার্চ।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।