বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৮০ / ১৪০ · ৭,৯০১৮,০০০ / ১৪,০৮০

৭,৯০১.
বীজ উৎপাদনকারী উদ্ভিদকে কী বলে?
  1. স্পারমাটোফাইটা
  2. ফাইকোফাইটা
  3. ব্রায়োফাইটা
  4. অ্যানজিওস্পার্মোফাইটা
সঠিক উত্তর:
স্পারমাটোফাইটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারমাটোফাইটা
ব্যাখ্যা
স্পারমাটোফাইটা: 
- বীজ উৎপাদনকারী উদ্ভিদকে স্পারমাটোফাইটা (Spermatophyta) বলা হয়। 
- এরা উদ্ভিদ জগতের উপজগত ফ্যানেরোগ্যামিয়ার (Phanerogamia) অন্তর্ভুক্ত। Phanerogamia শব্দের প্রকৃত অর্থ-দৃশ্যমান জনন অঙ্গধারী উদ্ভিদ। 
- বর্তমান পৃথিবীতে স্পারমাটোফাইটা উদ্ভিদের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। 
- স্পারমাটোফাইটা উদ্ভিদের জীবন চক্রের প্রধান অংশ স্পোরোফাইট। 
- উদ্ভিদের স্পোরোফাইটিক অংশ দীর্ঘস্থায়ী এবং গ্যামিটোফাইট অতি সংক্ষিপ্ত। 
- বীজ উৎপাদন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে স্পারমাটোফাইটাকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(ক) নগ্নবীজী এবং 
(খ) আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 

নগ্নবীজী উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদের বীজ সরাসরি উদ্ভিদের অক্ষে জন্মে এবং কোন ফল উৎপন্ন হয় না, এদেরকে জিমনোস্পার্মি (Gymnospermeae) বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়। 
- এদের গর্ভাশয় থাকে না তাই ফল হয় না। বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ (Sequoia gigantea ) এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 
যেমন- Cycas, Pimus, Gnetum ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য নগ্নবীজী উদ্ভিদ। 

আবৃতবীজী উদ্ভিদ: 
- যে সকল উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় এবং ফলের বীজ নির্দিষ্ট আবরণ দিয়ে আবৃত অবস্থায় থাকে তাকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Angiosperm) বলে। 
- আজ থেকে প্রায় ১২০ মিলিয়ন বছর পূর্বে Cretaceous যুগের প্রথম দিকে আবৃতবীজী উদ্ভিদের উদ্ভব হয়েছিল বলে ধরে নেয়া হয়। 
- Cretaceous যুগের শেষের দিকেই (আজ থেকে ৮০ মিলিয়ন বছর পূর্বে) পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রাধান্য বিস্তার লাভ করে ফেলে। 
- বর্তমানে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ ধারণা করা হয়। 
- এরা পানিতে, সিক্ত মাটিতে, মরুভূমিতে, পাথুরে পাহাড়ি অঞ্চলে এমনকি পরাশ্রয়ী ও পরভোজী হিসেবে অন্য উদ্ভিদের উপর জন্মায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯০২.
তেজস্ক্রিয়তার ব্যবহার হচ্ছে-
  1. ট্রেসার হিসাবে
  2. মহাকাশে যোগাযোগ স্থাপনে
  3. হরমোন সংশ্লেষণে
  4. নিউট্রিয়েন্ট সংযোজনে
সঠিক উত্তর:
ট্রেসার হিসাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেসার হিসাবে
ব্যাখ্যা

◉ তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে ট্রেসার (Tracer) হিসাবে অর্থাৎ শনাক্তকরণে তেজস্ক্রিয় পদার্থের ব্যবহার অন্যতম

তেজস্ক্রিয়তা:
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- যে সব মৌল হতে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় মৌল বলে।
- ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করেন।
- তাঁর নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকেরেল রশ্মি।

ব্যবহার:
১. ক্যান্সার রােগ নিরাময়ের কাজে তেজস্ক্রিয়তার ব্যবহার করা হয়। রেডিওনিউক্লাইড ট্রেসার (Radionuclide Tracer) ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড সমস্যা ও হৃৎপিণ্ডের রোগ শনাক্ত করা হয়।
২. উন্নত বীজ তৈরির গবেষণায় তেজস্ক্রিয়তা সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩. ঘড়ির কাঁটায় তেজস্ক্রিয় থােরিয়ামের সাথে জিঙ্ক সালফাইড মিশিয়ে ঘড়ির কাঁটা ও নম্বরে প্রলেপ দেওয়া হয় ফলে এরা অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে।
৪. তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ থেকে ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ও জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৫. নির্মাণ বা উৎপাদন শিল্পে কাগজ, প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি বিভিন্ন বস্তুর পুরুত্ব, ঘনত্ব ও উপাদানের সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ে আলফা ও বিটা রশ্মিকে ব্যবহার করা হয়

উৎস- পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৯০৩.
ভরবেগের মাত্রা কোনটি?
  1. ক) M
  2. খ) MLT-1
  3. গ) MLT-2
  4. ঘ) ML2T-2
সঠিক উত্তর:
খ) MLT-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MLT-1
ব্যাখ্যা
ভর হচ্ছে ভর ও বেগের গুণফল। ভর m ও বেগ v হলে,
ভরবেগ, p = mv

- ভরবেগের একক kgms-1
- ভরবেগের মাত্রা MLT-1 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৭,৯০৪.
অ্যাডিনো ভাইরাস দ্বারা মানুষের দেহে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) ডেঙ্গু
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) গুটিবসন্ত
  4. ঘ) নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউমোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউমোনিয়া
ব্যাখ্যা
ভাইরাস:
- সাধারণ সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ভাইরাল হেপাটাইটিস ইত্যাদি সবই ভাইরাসজনিত রোগ।
- মানুষের ন্যায় অন্যান্য প্রাণীসহ গাছপালারও ভাইরাসজনিত রোগ হয়।
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না।
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়।
- ভাইরাস নিউক্লিক অ্যাসিড (যা কেন্দ্রে থাকে) ও প্রোটিন ( যা আবরণ হিসেবে থাকে) দিয়ে গঠিত অতি-আণুবীক্ষণিক বস্তু যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে তথায় রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে।
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, অ্যাকটিনোমাইসিটিস প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে। 
- আবার বায়ু, মাটি, পানি ইত্যাদি জড় মাধ্যমে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে। কাজেই ভাইরাস জীব এবং জড় উভয় অবস্থায় অবস্থান করে। 


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৯০৫.
কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসর মধ্যে নিউট্রন কণিকাটি অনুপস্থিত?
  1. হাইড্রোজেন
  2. লিথিয়াম
  3. সোডিয়াম
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 
- ডালটনের পরমাণুবাদে পরমাণুকে অবিভাজ্য বলা হয়েছে কিন্তু  উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে প্রমাণিত হয়, পরমাণু অনেকগুলো সূক্ষ কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
- এ সব অতি সূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না, এদেরকে পরমাণুর মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 

ইলেকট্রন (Electron): 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হল ইলেকট্রন। 
- পরমাণুর ভর অতি সামান্য। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 
- ইলেকট্রনের সংকেত e- । 
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10-19 Coulomb । 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1 । 

প্রোটন (Proton): 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- ইহার সংকেত H+। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60× 10-19 Coulomb । 
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। 
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P । 
- প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1 । 

নিউট্রন (Neutron): 
- নিউট্রন আধানহীন (Neutral) বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- নিউট্রনের ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n । 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675× 10-24 g । 
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য (০)। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯০৬.
নিচের কোনটি পৌষ্টকনালির অংশ?
  1. ক) মুখ
  2. খ) দাঁত
  3. গ) অন্ননালি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পৌষ্টিকনালি
মুখগহ্বর থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত বিস্তৃত এই নালিপথ কোথাও সরু আবার কোথাও প্রশস্ত। এর প্রধান অংশগুলো নিম্নরূপ:
• মুখ
• মুখগহ্বর
• দাঁত
• গলবিল
• অন্ননালি
• পাকস্থলী
• অন্ত্র
• পায়ু

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৭,৯০৭.
জীববৈচিত্র্যকে কয়টি স্তরে ভাগ করা যায়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

• জীববৈচিত্র্যক বা Biodiversity মূলত তিন ভাগে বা স্তরে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: ১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity), ২। বংশগতীয় বৈচিত্র্য (Genetical diversity) এবং ৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)।

প্রজাতিগত বৈচিত্র্য:
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ের ভিন্নতাই হলো প্রজাতিগত বৈচিত্র্য।
- সাধারণভাবে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বোঝায়। যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা, বৃদ্ধির ধরন ইত্যাদি ভিন্ন হয়।

বংশগতীয় বৈচিত্র্য:
- এ বৈচিত্র্যতার কারণ হচ্ছে জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চালিত হয়।
- প্রাণিদেহের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য আলাদা আলাদা জীন দায়ী।
- বিভিন্ন কারণে এ জীনের গঠন ও বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটায় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। এ বংশানুক্রমিক প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে তাকেই বংশগতীয় বৈচিত্র্য বলা হয়।

বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য:
- একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান ও জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে।
- এ পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়।
- এ পরিবর্তনের জন্য যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য।
যেমন- একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যে সব উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯০৮.
কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. নীল
  2. হলুদ
  3. লাল
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯০৯.
একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের BMI কত হওয়া উচিত?
  1. ক) 15.00-18.40
  2. খ) 18.50-24.90
  3. গ) 25.00-29.90
  4. ঘ) 30.00-35.00
সঠিক উত্তর:
খ) 18.50-24.90
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 18.50-24.90
ব্যাখ্যা
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সঠিক বিএমআই হওয়া উচিত ১৮.৫০ থেকে ২৪.৯০ এর মধ্যে। ১৮.৫ এর কম হলে ওজন কম এবং ২৫-২৯.৯ হলে ওজন বেশি ধরা হয়। বিএমআই এর মান ৩০ এর বেশি হলে স্থুলাকায় বলা হবে সেই ব্যক্তিকে।
উৎসঃ বিজ্ঞা্‌ন নবম-দশম শ্রেণী
৭,৯১০.
নিচের কোন মৌলটি রঙিন যৌগ গঠন করে?
  1. দস্তা
  2. সোডিয়াম
  3. স্ক্যান্ডেনিয়াম
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা

অবস্থান্তর মৌলসমূহের বৈশিষ্ট্য হলো-
- পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে।
- রঙিন যৌগ গঠন করে।
- জটিল যৌগ গঠন করে।
- প্রভাবকরূপে ক্রিয়া করে।
- প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম প্রদর্শন করে।
দস্তা, সোডিয়াম, স্ক্যান্ডেনিয়াম এবং লোহার মধ্যে একমাত্র লোহাই অবস্থান্তর মৌল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭,৯১১.
ক্যালকুলাসের জনক কে?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) কোপার্নিকাস
  4. ঘ) আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
ব্যাখ্যা

নিউটন ক্যালকুলাসের আবিষ্কারক।
নিউটন প্রথমে ফ্লাক্সিওন নামে ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন বটে, কিন্তু তিনি তার আবিষ্কার ঠিকমত প্রকাশও করেননি।
তবে ক্যালকুলাস আবিষ্কারের কৃতিত্ব নিউটন আর লিবনিজ দুজনকেই দেওয়া হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

৭,৯১২.
তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মিতে শ্রেণিবদ্ধ করেন কে?
  1. পিয়ের কুরি
  2. মেরি কুরি
  3. আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
  4. হেনরি বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মিতে শ্রেণিবদ্ধ করেন আর্নেস্ট রাদারফোর্ড।

• মেরি কুরি ও পিয়ের কুরির তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ক অবদান:
- মেরি কুরি ও পিয়ের কুরি ইউরেনিয়াম যৌগ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে লক্ষ্য করেন যে কিছু পদার্থ বাহ্যিক প্রভাব ছাড়াই শক্তিশালী বিকিরণ নির্গত করে।
- তাঁরা গবেষণার মাধ্যমে দুটি নতুন তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম (Ra), পোলোনিয়াম (Po) আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কার তেজস্ক্রিয়তার ধারণাকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- এটি আধুনিক পরমাণুবিজ্ঞানের ভিত্তি গঠনে সহায়তা করে।
- মেরি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (বেকেরেল, পিয়ের কুরি সহ) লাভ করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁরা প্রমাণ করেন যে তেজস্ক্রিয়তা কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া নয়, বরং এটি পরমাণুর অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনজনিত প্রক্রিয়া।

• রাদারফোর্ডের অবদান:
- রাদারফোর্ড তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বিশ্লেষণ করে তিনটি প্রধান রশ্মি শনাক্ত করেন।
- আলফা (α) রশ্মি → ধনাত্মক চার্জযুক্ত, ভারী, কম অনুপ্রবেশক্ষম।
- বিটা (β) রশ্মি → ঋণাত্মক চার্জযুক্ত, ইলেকট্রন সদৃশ কণা।
- গামা (γ) রশ্মি → কোনো চার্জ নেই, তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ, সর্বাধিক অনুপ্রবেশক্ষম।

• অন্যান্য অপশন:
- পিয়ের কুরি → তেজস্ক্রিয় মৌল আবিষ্কারে অবদান রাখেন।
- মেরি কুরি → রেডিয়াম ও পোলোনিয়াম আবিষ্কার করেন।
- হেনরি বেকেরেল → তেজস্ক্রিয় রশ্মি আবিষ্কার করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।

৭,৯১৩.
বাতাসের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ -
  1. ক) কমে
  2. খ) বাড়ে
  3. গ) প্রথমে কমে, পরে বাড়ে
  4. ঘ) অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
খ) বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাড়ে
ব্যাখ্যা
- শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
- যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।
কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে।
- যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি।
- ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি।
- সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৭,৯১৪.
কোন প্রতিষ্ঠান টি বাংলাদেশের ভূকম্প বলয় সম্বলিত মানচিত্র টি তৈরি করেন?
  1. ক) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম
  2. খ) জাইকা
  3. গ) ইউএনডিপি
  4. ঘ) চায়না মেজর ব্রিজ কম্পানি
সঠিক উত্তর:
ক) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম
ব্যাখ্যা
১৯৮৯ সালে ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসাের্টিয়াম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বলয় সম্বলিত মানচিত্র তৈরি করেন। এতে ৩টি বলয় দেখানাে হয়েছে। প্রথম বলয়কে “প্রলয়ঙ্করী”; দ্বিতীয় বলয়কে ‘বিপজ্জনক’ এবং তৃতীয় বলয়কে ‘লঘু' বলে বর্ণনা করেছেন।
৭,৯১৫.
তেজস্ক্রিয় রশ্মি পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. ক) কুরী রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) ইউ-ভি রশ্মি
  4. ঘ) বেকেরেল রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল রশ্মি
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। - ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”।
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৯১৬.
যদি Al এর প্রোটন সংখ্যা ১৩ এবং নিউক্লিয়ন সংখ্যা ২৭ হয় তাহলে নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ২৭
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪
ব্যাখ্যা
যদি Al প্রোটন সংখ্যা ১৩ এবং নিউক্লিয়ন সংখ্যা ২৭ হয় তাহলে নিউট্রন সংখ্যা (২৭-১৩) = ১৪৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৭,৯১৭.
নিচের কোনটি স্ব-পরাগায়নের উদাহরণ?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. শিম
সঠিক উত্তর:
শিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিম
ব্যাখ্যা
পরাগায়ন (Pollination):
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলের অথবা একই প্রজাতির অন্য ফুলের গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে পরাগায়ন বলা হয়। - পরাগায়ন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• স্ব-পরাগায়ন।
• পর-পরাগায়ন ।

স্ব-পরাগায়ন (self-pollination):
- ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে একই ফুলের গর্ভমুন্ডে অথবা একই গাছের অন্য একটি ফুলের গর্ভমুন্ডে পতিত হওয়াকে স্ব-পরাগায়ন বলে।
- স্ব-পরাগায়নে অংশগ্রহণকারী দুটি ফুলের জিনোটাইপ (জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী বস্তুসমষ্টি) একই রকম থাকে।
- প্রকৃতিতে অল্প সংখ্যক উদ্ভিদে স্ব- পরাগায়ন ঘটে।
- তুলা, শিম, টমেটো, কানশিরা প্রভৃতি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন পরিলক্ষিত হয়।

পর-পরাগায়ন (cross-pollination):
- একটি ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে একই প্রজাতির অন্য একটি গাছের ফুলের গর্ভমুন্ডে পতিত হওয়াকে পর-পরাগায়ন বলে।
- পর-পরাগায়নে অংশগ্রহণকারী দুটি ফুলের জিনোটাইপ কিছুটা ভিন্নতর হয়।
- প্রকৃতিতে বেশিরভাগ উদ্ভিদে পর-পরাগায়ন পরিলক্ষিত হয়।
- ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, আম, কাঁঠাল, শিমুল ইত্যাদি উদ্ভিদে পর-পরাগায়ন ঘটে।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯১৮.
নিচের কোন Instrument টি very high resistance (Insulation resistance) পরিমাপে ব্যবহৃত হয়?
  1. Multimeter
  2. Meggar
  3. Wheatstone bridge
  4. Potentiometer
সঠিক উত্তর:
Meggar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meggar
ব্যাখ্যা
• The Megger insulation tester is a small, portable instrument that gives you a direct reading of insulation resistance in ohms or megohms. For good insulation, the resistance usually reads in the megohm range.

• The Megger insulation tester is essentially a high-range resistance meter (ohmmeter) with a built-in direct-current generator. This meter is of special construction with both current and voltage coils, enabling true ohms to be read directly, independent of the actual voltage applied. This method is non- destructive; that is, it does not cause deterioration of the insulation.
৭,৯১৯.
নিচের কোন তাপমাত্রায় ১ কেজি পানির আয়তন সবচেয়ে কম হয়?
  1. ১০০° সেলসিয়াস
  2. ৪° ফারেনহাইট
  3. ০° সেলসিয়াস
  4. ৪° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ৪° সেলসিয়াস
পানির একটা খুব মজার এবং অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে, যাকে বলা হয় 'পানির অস্বাভাবিক প্রসারণ'(Anomalous expansion of water)।

অন্যান্য তরল পদার্থের ক্ষেত্রে যা হয়,
তাপমাত্রা বাড়লে → আয়তন বাড়ে → ঘনত্ব কমে
কিন্তু পানির ক্ষেত্রে একটা বিশেষ জায়গায় এটা উল্টো হয়।

বিভিন্ন তাপমাত্রায় যা ঘটে-
⋅ ০° সেলসিয়াসে ⇒ পানির আয়তন বেশি (ঘনত্ব কম)
⋅ তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে (০° থেকে ৪° পর্যন্ত) ⇒ পানির আয়তন কমতে থাকে
⋅ ঠিক ৪° সেলসিয়াসে ⇒ পানির আয়তন সবচেয়ে কম হয় ⇒ ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় (প্রায় ১০০০ কেজি/মি)
⋅ ৪°-এর উপরে আবার তাপমাত্রা বাড়লে ⇒ আয়তন বাড়তে শুরু করে (যেমন সাধারণ তরলের মতো)

সুতরাং, ১ কেজি পানির আয়তন সবচেয়ে কম হয় ৪° সেলসিয়াসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৯২০.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা-
  1. ৯৮.৪° সেলসিয়াস
  2. ৫৪.৯° সেলসিয়াস
  3. ৯৮.৯° সেলসিয়াস
  4. ৩৬.৯° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৯২১.
মানবদেহে কোন এনজাইম স্নেহজাতীয় (চর্বিযুক্ত) খাদ্য হজমে প্রধান ভূমিকা পালন করে?
  1. পেপসিন
  2. মল্টেজ
  3. লাইপেজ
  4. ল্যাকটেজ
সঠিক উত্তর:
লাইপেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইপেজ
ব্যাখ্যা

লাইপেজ হলো চর্বি বা স্নেহ জাতীয় খাদ্য হজমের প্রধান এনজাইম।
- এটি ট্রাইগ্লিসারাইড (চর্বি) ভেঙে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল তৈরি করে। যা মানবদেহে স্নেহজাতীয় খাদ্যের পুষ্টির শোষণে গুরুত্বপূর্ণ।।
- মানবদেহে প্রধানত অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে লাইপেজ নিঃসৃত হয়।
- ছোট অন্ত্রে (ডিওডেনাম) সবচেয়ে সক্রিয় থাকে।
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে।
- লাইপেজ এনজাইমের অভাবে চর্বি সঠিকভাবে হজম হতে পারে না, যার ফলে পুষ্টির অভাব, পেটে অস্বস্তি এবং অন্যান্য হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অন্যদিকে,
- পেপসিন: প্রোটিন হজমকারী এনজাইম, যা পেটের অ্যাসিডিক পরিবেশে প্রোটিনকে পেপটাইডে ভেঙে দেয়। এটি স্নেহজাতীয় খাদ্যের হজমে কাজ করে না।
- মল্টেজ: কার্বোহাইড্রেট হজমের এনজাইম, যা ম্যলটোজকে তরলাকার ঘন শর্করায় ভেঙে দেয়। এটি চর্বি হজমে কার্যকর নয়।
-  ল্যাকটেজ: দুধে থাকা ল্যাকটোজ (দুগ্ধশর্করা) হজম করতে সাহায্য করে।
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

উৎস:
১।বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। ব্রিটানিকা।

৭,৯২২.
কোনটির অভাব পূরণে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফসফরাস
  2. জিংক
  3. নাইট্রোজেন
  4. পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারের কাজ: 
- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। 
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। 
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। 
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। 
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। 
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে। 

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৭,৯২৩.
কোনটি আদর্শ ফুলের অংশ নয়?
  1. ক) পুষ্পাক্ষ
  2. খ) পাপড়ি
  3. গ) পুংকেশর
  4. ঘ) উপবৃতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপবৃতি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ফুলের ৫ টি অংশ।
১. পুষ্পপক্ষ, 
২. বৃতি, 
৩. দল বা পাপড়ি, 
৪. পুংকেশর ও 
৫. গর্ভকেশর। 

কখনো কখনো ফুলে এই ৫টি অংশ ছাড়াও বৃতির নিচে একটি অতিরিক্ত অংশ থাকে একে উপবৃতি বলে। জবা ফুলে এমন উপবৃতি দেখ যায়।

সূত্র: ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৭,৯২৪.
Adult Cell- ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম হয়েছে তার নাম দেয়া হয়েছে-
  1. ক) শেলী
  2. খ) ডলি
  3. গ) মলি
  4. ঘ) নেলী
সঠিক উত্তর:
খ) ডলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডলি
ব্যাখ্যা
''Dolly the sheep'' was the first mammal to be cloned using adult cell cloning.

- কোনো জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
- ড. ইয়ান উইলমুট প্রথম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন।
- সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম ডলি।
- ডব্লিউ.এইচ.ও (WHO) বর্তমানে মানব শিশুর ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।

Source: cloningandgeneticengineering.weebly.com
৭,৯২৫.
কোন তাপমাত্রায় ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রার মান সমান হয়?
  1. ০°
  2. ৪°
  3. - ৪০°
  4. ২৭৩.১৫°
সঠিক উত্তর:
- ৪০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ৪০°
ব্যাখ্যা
• - 40° তাপমাত্রায় ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের তাপমাত্রার মান সমান হয়। 

• তাপমাত্রা পরিমাপের স্কেলের মধ্যে অন্যতম হলো সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেল।

আমরা জানি, সেলসিয়াস (C) ও ফারেনহাইট (F) এর মধ্যে সম্পর্ক:
C/5 = (F - 32)/9

ধরি,
সেলসিয়াস স্কেলের পাঠ C = ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ F

এখন,
C/5 = (C - 32)/9
⇒ 5(C - 32) = 9C
⇒ 5C - 160 = 9C
⇒ 9C - 5C = - 160
⇒ 4C = - 160
⇒ C = - 160/4 = - 40 

∴ C = F = - 40°

অর্থাৎ - 40° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের মান সমান হবে।
৭,৯২৬.
শব্দের বেগ মাধ্যমের কোন বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে?
  1. মাধ্যমের ঘনত্ব
  2. মাধ্যমের আর্দ্রতা
  3. মাধ্যমের তাপমাত্রা
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি। 
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
- শব্দ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে। 
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে কানে প্রবেশ করে। কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয় ফলে শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 

- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
- বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯২৭.
কোন উপাদানগুলো অঙ্কুরোদগমের জন্য প্রয়োজন?
  1. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন, আলো ও অক্সিজেন
  3. তাপ, পানি ও অক্সিজেন
  4. পানি ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
তাপ, পানি ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ, পানি ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
অঙ্কুরোদগম:
বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
যথাযথভাবে অঙ্কুরোধগম হওয়ার জন্য পানি, তাপ ও অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।
অঙ্কুরোদগম প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
১. মৃদগত অঙ্কুরোদগম
২. মৃদভেদী অঙ্কুরোধগম ও
৩. জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।

উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৯২৮.
উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় কখন?
  1. ক) ২১ মার্চ
  2. খ) ২১ জুন
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ২২এ ডিসেম্বর এমনভাবে কোণ করে থাকে তাতে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এবং উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন হয়।
- ২২এ ডিসেম্বর সূর্য দক্ষিণায়নের শেষ সীমায় পৌঁছায়, একে মকরসংক্রান্তি বলে। এ সময় সূর্যের রশ্মি ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ অর্থাৎ মকরক্রান্তির উপর লম্বভাবে পতিত হয় ।
- উত্তর গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়  ২২ ডিসেম্বর। 

দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়- ২১ জুন। 

• ২১জুন:
→ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৭,৯২৯.
প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা কত?
  1. ২৪৬০ মিটার
  2. ২৮৮০ মিটার
  3. ৩৯৩০ মিটার
  4. ৪২৭০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৪২৭০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৭০ মিটার
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের ধারণা: 
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere, Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সকল স্থানেই বারিমণ্ডলের অস্তিত্ব রয়েছে। 
যেমন- বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসাবে, ভূ-পৃষ্ঠে পানি রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূ-গর্ভে রয়েছে ভূ-গর্ভস্থ তরল পানি হিসাবে। 
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭  ভাগ রয়েছে সমুদ্রে। মাত্র ৩ ভাগ রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূ-গর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা জীবমণ্ডল ও বায়ুমণ্ডলে। 
- মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবনাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূ-গর্ভের পানি, বৃষ্টির পানি ও ঝর্ণার পানি মিঠা। 
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)।

মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 
- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়। 


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৯৩০.
এইচআইভি ভাইরাস প্রধানত কোন কোষকে আক্রমণ করে?
  1. বি-লসিকা কোষ
  2. অণুচক্রিকা
  3. বেসোফিল
  4. T4 লসিকা কোষ
সঠিক উত্তর:
T4 লসিকা কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T4 লসিকা কোষ
ব্যাখ্যা

◉ এইচআইভি (Human Immunodeficiency Virus) মূলত CD4+ T lymphocytes বা T4 লসিকা কোষ-কে আক্রমণ করে। এই কোষগুলো মানবদেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (immune system) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অন্যান্য প্রতিরক্ষা কোষকে সক্রিয় করে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

​AIDS:
- AIDS হলো Acquired (অর্জিত) Immune (ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) Deficiency (ডেফিসিয়েন্সি বা হ্রাস) Syndrome (সিনড্রোম বা অবস্থা) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।
Human Immunodeficiency Virus, সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। এইডস বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত (pandemic) একটি ভয়াবহ যৌন রোগ যা প্রতিনিয়ত আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

​আক্রমণের ধাপ:
- HIV ভাইরাসের envelope এ থাকা gp120 প্রোটিনের মাধ্যমে এটি CD4 receptor-এর সাথে যুক্ত হয়।
- ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং নিজের প্রতিলিপন করে।
- ধীরে ধীরে T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়।
- রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে চূড়ান্ত অবস্থায় সাধারণ রোগেও মৃত্যু হতে পারে।

​প্রতিরোধ:
- নিরাপদ যৌনমিলন করা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-বিধান মেনে চলা।
- যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা।
- অস্বাভাবিক যৌনমিলন, বহুগামিতা, সহকামিতা এবং পতিতাগামিতা পরিহার করা।
- যৌনসঙ্গী নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
- HIV আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা।
- এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান ধারণ অথবা সন্তানকে বুকের দুগ্ধ পান করানো থেকে বিরত রাখা।
- রক্ত গ্রহণের আগে HIV সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ইনজেকশন গ্রহণের সময় পরিশোধিত বা নতুন সিরিঞ্জ ও সুঁই ব্যবহার করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

৭,৯৩১.
স্নায়ুকোষের অবস্থান কোথায়?
  1. বহিঃত্বকে
  2. পেশী আবরনী কোষে
  3. মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে
  4. মুখছিদ্রের চারপাশে 
সঠিক উত্তর:
মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে
ব্যাখ্যা

• স্নায়ুকোষের অবস্থান (Neuron Position):
- স্নায়ুকোষ হলো স্নায়ুতন্ত্রের মৌলিক একক, যা সংকেত গ্রহণ ও প্রেরণ করতে সক্ষম।
- এটি সাধারণত মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে অবস্থান করে, যা গ্যাস্ট্রুলেশন পর্যায়ের মধ্যস্তর হিসেবে পরিচিত।
- স্নায়ুকোষের অবস্থান পেশী বা বহিঃত্বক কোষের মধ্যে নয়।
- মুখছিদ্রের চারপাশে কিছু স্নায়ু গঠন থাকতে পারে, কিন্তু প্রধান স্নায়ুকোষের কেন্দ্র নয়।
- স্নায়ুকোষের এই অবস্থান ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক গঠন নিশ্চিত করে।  

সুতরাং, স্নায়ুকোষের অবস্থান হলো - গ) মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে।  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৭,৯৩২.
বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. HNO2
  2. H3PO4
  3. H2SO4
  4. HCl
সঠিক উত্তর:
H2SO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H2SO4
ব্যাখ্যা

- বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)।

এসিডের ব্যবহার:

- ফলমূলে যে অ্যাসিড থাকে সেগুলো জৈব অ্যাসিড।
- এর মধ্যে অনেক অ্যাসিড আছে যা আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।
- এসকরবিক অ্যাসিড যা আমরা ভিটামিন সি বলে জানি তার অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি (Scurvy) রোগ হয়।
- ভিটামিন 'সি' ক্ষত সারাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
- পাকস্থলীতে খাদ্যবস্তু হজম করার জন্য হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl) এর প্রয়োজন হয় যা আমাদের দেহের গ্ল্যান্ড থেকে নিঃসৃত হয়।
- সফট ড্রিংকসের মত দই বা বোরহানি খেলে দই বা বোরহানিতে বিদ্যমান ল্যাকটিক অ্যাসিড খাবার হজমে সহায়তা করে।
- সার কারখানায় নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3), সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4), ফসফরিক অ্যাসিড (H3PO4) ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের সার প্রস্তুত করা হয়।
- টয়লেট পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত পরিষ্কারকের মূল উপাদানহলো হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) বা সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) এর মত শক্তিশালী অ্যাসিড।
- বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)।

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৩৩.
'শেভিং ফোম' এর উপাদান কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  2. খ) সোডিয়াম গ্লুটামেট
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
ব্যাখ্যা
• সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) - সাধারণ লবণ, খাবার লবণ বা টেবিল লবণ 
• সোডিয়াম গ্লুটামেট - টেস্টিং সল্ট
• সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) - কাপড় কাচার সাবান
• পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) - শেভিং ফোম বা জেল

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
৭,৯৩৪.
Cyclone engineering device এ ব্যবহৃত হয়
  1. ক) Transport materials
  2. খ) Segregate particles
  3. গ) Control switching device
  4. ঘ) Model particles
সঠিক উত্তর:
খ) Segregate particles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Segregate particles
ব্যাখ্যা
Cyclone engineering device এ Segregate particles ব্যবহৃত হয়।
Source:worldwidescience.org
৭,৯৩৫.
শর্করা পরিপাককারী এনজাইম কোন রসে থাকে না? 
  1. আন্ত্রিক রসে 
  2. অগ্ন্যাশয় রসে 
  3. লালা রসে 
  4. পাকস্থলি রসে 
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকস্থলি রসে 
ব্যাখ্যা

খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা: 
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে। 
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে। 
- মূলত তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়। 
- লালারসে মিউসিন এবং দু'প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে। 
- যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে- 
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ। 
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই। 
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ। 
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ। 

মিউসিন: 
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 

টায়ালিন: 
- টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে। 

মলটেজ: 
- ক্লোরিনের উপস্থিতিতে মলটেজ এনজাইম সামান্য পরিমাণ মলটোজের উপর ক্রিয়া করে গ্লুকোজে পরিণত করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৩৬.
জীবের বংশগতীয় উপাদান হল -
  1. ক) এনজাইম
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) DNA
  4. ঘ) RNA
সঠিক উত্তর:
গ) DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) DNA
ব্যাখ্যা
জীবের বংশগতীয় উপাদান হল DNA

- DNA এর পূর্ণরুপ হলো Deoxyribonucleic acid.
- ডিএনএ হলো একটি অণু যা কোনও জীবের বিকাশ, বাঁচতে এবং পুনরূত্পাদন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী ধারণ করে।
- DNA ক্রোমােজোমের স্থায়ী পদার্থ।
- মার্কিন বিজ্ঞানী Watson এবং ইংরেজ বিজ্ঞানী Crick ১৯৫৩ সালে প্রথম DNA অণুর ডাবল হেলিক্স (Double helix) বা দ্বি-সূত্রী কাঠামাের বর্ণনা দেন এবং এ কাজের জন্য তাঁরা নােবেল পুরস্কার পান।
- DNA-ই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং বাহক, ইহা জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সরাসরি বহন করে মাতাপিতা থেকে পরবর্তী প্রজন্মে নিয়ে যায়।
- DNA বংশগতির আণবিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

সূত্র: ২১৭ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৩৭.
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে-
  1. বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
  2. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
  3. লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
  4. সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
সঠিক উত্তর:
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
ব্যাখ্যা
- সাধারণ লোহার সাথে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে কার্বন মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা হয়, তাই এটি সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। 
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যার মধ্যে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। 
- এছাড়াও ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৩৮.
উদ্ভিদের ভেসেল টিস্যুর প্রধান কাজ কী? 
  1. শর্করা সঞ্চয়ন
  2. খাদ্য পরিবহন
  3. জলীয় বাষ্প পরিবহন
  4. পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন
সঠিক উত্তর:
পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন
ব্যাখ্যা
ভেসেল (Vessels): 
- ভেসেল কোষগুলো খাটো চোঙের মতো। 
- কোষগুলো একটির মাথায় আরেকটি সজ্জিত হয় এবং প্রান্তীয় প্রাচীরটি গলে গিয়ে একটি দীর্ঘ নলের মতো অঙ্গের সৃষ্টি করে। 
- এর ফলে কোষরসের উপরে ওঠার জন্য একটি সরু পথ সৃষ্টি হয়ে যায়। 
- প্রাথমিক অবস্থায় এ কোষগুলো প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ থাকলেও পরিণত বয়সে এরা মৃত এবং প্রোটোপ্লাজমবিহীন হয়। 
- ভেসেলের প্রাচীর ট্রাকিডের মতো বিভিন্নরূপে পুরু হয়, যেমন- সোপানাকার, সর্পিলাকার, বলয়াকার, কৃপাঙ্কিত ইত্যাদি। 
- ভেসেল সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার লম্বা হয়। তবে বৃক্ষ বা আরোহী উদ্ভিদে আরও অনেক লম্বা হতে পারে। 
- এদের প্রধানত গুপ্তবীজী উদ্ভিদের সব অঙ্গে দেখা যায়। 
- নগ্নবীজী উদ্ভিদের মধ্যে উন্নত উদ্ভিদ, যেমন নিটামে (Gnetum) প্রাথমিক পর্যায়ের ভেসেল থাকে। 
- পানি এবং খনিজ লবণ পরিবহন এবং অঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদান করা এর প্রধান কাজ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৩৯.
কার্ডিয়াক পেশির কাজের ধরণ কোন পেশির মতো? 
  1. ত্বকীয় পেশি
  2. কঙ্কাল পেশি
  3. ঐচ্ছিক পেশি
  4. অনৈচ্ছিক পেশি
সঠিক উত্তর:
অনৈচ্ছিক পেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈচ্ছিক পেশি
ব্যাখ্যা
কার্ডিয়াক পেশি বা হৃৎপেশি (Cardiac muscle): 
- এই পেশি মেরুদণ্ডী প্রাণীদের হৃৎপিণ্ডের এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি। 
- এই টিস্যুর কোষগুলো নলাকৃতি (অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো), শাখান্বিত ও আড়াআড়ি দাগযুক্ত। 
- এ টিস্যুর কোষগুলোর মধ্যে ইন্টারক্যালাটেড ডিস্ক (Intercalated disc) থাকে। 
- এদের সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়। 
অর্থাৎ, কার্ডিয়াক পেশির গঠন ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজ অনৈচ্ছিক পেশির মতো, তাই একে ঐচ্ছিক-অনৈচ্ছিক পেশিও বলে। 
- কার্ডিয়াক পেশির কোষগুলো শাখার মাধ্যমে পরস্পর যুক্ত থাকে। 
- হৃৎপিণ্ডের সব কার্ডিয়াক পেশি সমন্বিতভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়। 
- মানব ভ্রূণ সৃষ্টির একটা বিশেষ পর্যায় থেকে মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত হৃৎপিণ্ডের কার্ডিয়াক পেশি একটা নির্দিষ্ট গতিতে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের মধ্যে রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়া সচল রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৪০.
তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন কেমন হয়? 
  1. কম হয়
  2. অপরিবর্তিত থাকে
  3. ধীরে ধীরে কম হয়
  4. বেশি হয়
সঠিক উত্তর:
বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি হয়
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- বর্ষাকালের বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে ভেজা কাপড় কিছুতেই শুকাতে চায় না। আবার শীতকালে ঘরের ভেতর ছায়াতেও একটা কাপড় শুকিয়ে যায় কারণ বিষয়টি পানির বাষ্পায়ন ছাড়া আর কিছু না। 
- পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- সাধারণভাবেই একটা তরলের বাষ্পায়ন কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা নিম্নে দেওয়া হলো- 

বাতাসের প্রবাহ: 
- বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: 
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 

তরলের প্রকৃতি: 
- তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 

বাতাসের চাপ: 
- বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 

উষ্ণতা: 
- তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

বায়ুর শুষ্কতা: 
- বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৪১.
নিচের কোন প্রতীক দ্বারা পদার্থের পরিমাণের একক প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) kg
  2. খ) mol
  3. গ) m
  4. ঘ) g
সঠিক উত্তর:
খ) mol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) mol
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি ও একক:

- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে।
- মৌলিক রাশি সাতটি।
- যেমনঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ।
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। যেমনঃ
- দৈর্ঘ্যের একক - মিটার (m)
- ভর- কিলোগ্রাম (kg)
- সময়- সেকেন্ড (s)
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K)
- তড়িৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A)
- দীপন তীব্রতা - ক্যানডেলা (Cd)
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol)

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৪২.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর কত?
  1. 1×10-7 m থেকে 4×10-7 m
  2. 4×10-6 m থেকে 7×10-6 m
  3. 7×10-7 m থেকে 1×10-6 m
  4. 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m
সঠিক উত্তর:
4×10-7 m থেকে 7×10-7 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4×10-7 m থেকে 7×10-7 m
ব্যাখ্যা

• দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m.

• আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলোর বর্ণক্রম, বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।
- এই বর্ণগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m।
- ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।

• তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও বিক্ষেপণ:
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে বিক্ষেপণ কম হয়।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি।
- লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তাই এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৯৪৩.
কোন উদ্ভিদ অংশ প্যারেনকাইমা টিস্যু দ্বারা গঠিত? 
  1. কাণ্ডের মজ্জা
  2. মূলের ত্বক
  3. পাতার মেসোফিল
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সরল টিস্যু: 
- যে স্থায়ী টিস্যু একই প্রকার কোষ দ্বারা গঠিত, একই উৎসস্থল থেকে উৎপন্ন হয় এবং একই ধরনের কাজ সম্পন্ন করে তাকে সরল টিস্যু বলা হয়। 
- আকৃতি ও প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- ক) প্যারেনকাইমা, খ) কোলেনকাইমা এবং গ) স্ক্লেরেনকাইমা। 

প্যারেনকাইমা: 
- এ টিস্যু প্রায় সমান ব্যাসবিশিষ্ট, সাধারণত পাতলা বা পুরুপ্রাচীর যুক্ত কোষ দ্বারা গঠিত। 
- এ প্রকার টিস্যুর কোষের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা প্রায় একই রকম হয়। 
- আকৃতিতে এরা গোলাকার, ডিম্বাকার, লম্বাটে বা বহুভূজাকৃতির হয়। 
- এ টিস্যুর কোষসমূহের মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁকা স্থান থাকতে পারে কিংবা নাও থাকতে পারে। 
- এ জাতীয় কোষে ঘন প্রোটোপ্লাজম থাকে এবং এরা জীবিত টিস্যু। 
- উদ্ভিদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অধিকাংশ অংশ বিশেষ করে কোমল অংশ এ টিস্যু দ্বারা গঠিত। 
- উদ্ভিদের মূল, কাণ্ডের ত্বক, কর্টেক্স, মজ্জা, মজ্জারশ্মি, পাতার মেসোফিল টিস্যু, বীজের ভ্রূণ ও এন্ডোস্পার্ম, ফল ও ফুলের নরম ও মাংসল অংশ ইত্যাদি প্যারেনকাইমা কোষ দ্বারা গঠিত। 
- কোন কোন প্যারেনকাইমা কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে তাদেরকে ক্লোরেনকাইমা বলা হয়। 
- পাতার ক্লোরেনকাইমাকে মেসোফিল বলে। 
- জলজ উদ্ভিদের প্যারেনকাইমা টিস্যুতে বড় বড় বায়ুকুঠুরী থাকে যাকে অ্যারেনকাইমা বলা হয়। 
- কোন কোন প্যারেনকাইমা কোষে তেল, ট্যানিন এবং নানা ধরনের খনিজ পদার্থ জমা থাকে। 

কাজ:
- প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা, ক্লোরেনকাইমা ও মেসোফিল টিস্যুর কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা। 
- জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুতে অবস্থিত প্যারেনকাইমা খাদ্যের কাঁচামাল ও তৈরি খাদ্য পরিবহনে সাহায্য করে। 
- অন্যান্য টিস্যুর সাথে মিলে দৃঢ়তা প্রদান করে, মুকুল উৎপাদনের মাধ্যমে বংশ বিস্তারে সাহায্য করে এবং স্ফীত ও রসালো উদ্ভিদে পানি সঞ্চয় করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৪৪.
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন কত সালে?
  1. ১৯০০ সালে
  2. ১৯০৩ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০০ সালে
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয় ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের ফলে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া, দ্য ব্রগলি তরঙ্গ, কম্পটন প্রভাব ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়। 
- ১৯০৫ সালে আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তিত হয়।
-  আইনষ্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে ভর ও শক্তির, E = mc2  বিখ্যাত সম্পর্কটি বের করেন। 
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো - কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৭,৯৪৫.
গাইনিসিয়ামের প্রতিটি অংশকে কী বলা হয়?
  1. গর্ভাশয়
  2. কার্পেল
  3. স্তবক
  4. পুষ্পাক্ষ
সঠিক উত্তর:
কার্পেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্পেল
ব্যাখ্যা
গাইনিসিয়ামের প্রতিটি অংশকে কার্পেল বলা হয়।

• গাইনিসিয়াম (Gynoecium) বা স্ত্রীস্তবক:
- ফুলের সবচেয়ে ভেতরের স্তবক (চতুর্থ স্তবক) হলো গাইনিসিয়াম বা স্ত্রীস্তবক।
- এ স্তবকের প্রতিটি সদস্যকে বলা হয় কার্পেল (carpel), স্ত্রীকেশর বা গর্ভপত্র।

• গর্ভপাদ পুষ্প (Hypogynous):
- পুষ্পাক্ষ উত্তল হয় এবং গর্ভাশয় এর কেন্দ্রে সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক ক্রমান্বয়ে গর্ভাশয়ের নিচে সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অধিগর্ভ গর্ভাশয় (superior ovary)।
- যেমন: সরিষা, জবা, ধান ফুল।

• গর্তকটি পুষ্প (Perigynous):
- পুষ্পাক্ষ অবতল বা পেয়ালাকৃতি হয় এবং গর্ভাশয় এর কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক গর্ভাশয়কে ঘিরে ক্রমান্বয়ে পেয়ালার কিনারায় সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অর্ধ-অধিগর্ভ গর্ভাশয় (half superior ovary)।
- যেমন: শিম, গোলাপ ফুল।

• গর্ভশীর্ষ পুষ্প (Epigynous):
- পুষ্পাক্ষ প্রসারিত হয়ে পেয়ালাকৃতি ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ের পাদদেশে সংযুক্ত থাকে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক গর্ভাশয়ের উপরে পর্যায়ক্রমে সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অধোগর্ভ গর্ভাশয় (inferior ovary)।
- যেমন: কুমড়া, পেয়ারা ফুল।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৭,৯৪৬.
কোন প্রাণীর তিনটি হৃৎপিণ্ড?
  1. ক) কচ্ছপ
  2. খ) সিল মাছ
  3. গ) ক্যাটল ফিস
  4. ঘ) হাঙ্গর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাটল ফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাটল ফিস
ব্যাখ্যা

ক্যাটল ফিস ও অক্টোপাস উভয়ের তিনটি করে হৃৎপিন্ড আছে।
তাছাড়া ব্যাঙের হৃদপিন্ডে ৩টি প্রকোষ্ঠ এবং মানুষের হৃৎপিণ্ডে ৪ টি প্রকোষ্ঠ আছে।

৭,৯৪৭.
শ্রেণি বিন্যাসের জনক কে?
  1. ক) গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
  2. খ) কেরোলাস লিনিয়াস
  3. গ) অ্যাারিস্টটল
  4. ঘ) উইলিয়াম হার্ভে
সঠিক উত্তর:
খ) কেরোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেরোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
শ্রেণিবিন্যাস:

- বিশাল প্রাণিজগৎকে সহজে সুশৃঙ্খলভাবে জানার জন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
- প্রাণিদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
- Taxonomy শাখায় জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।
- তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo Sapiens.
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৯৪৮.
তড়িৎ বিশ্লেষণে কোন তড়িৎদ্বার ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত হয়?
  1. ক্যাথোড
  2. অ্যানোড
  3. ক্যাথোড ও অ্যানোড উভয়ই 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা

তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে দুটি ধাতব পরিবাহী বা গ্রাফাইট দন্ড ব্যবহৃত হয়, যা তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- একটির মাধ্যমে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে, অন্যটির মাধ্যমে বের হয়ে যায়। 
- তড়িৎদ্বার ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং কোষের বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের জন্য দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যেমন- 
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৪৯.
সিংহের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. ক) Allium cepa
  2. খ) Labeo rohita
  3. গ) Apis indica
  4. ঘ) Panthera leo
  5. ঙ) Nymphaea nouchali
সঠিক উত্তর:
ঘ) Panthera leo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Panthera leo
ব্যাখ্যা
Allium cepa-পিয়াজ; Labeo rohita -রুই মাছ; Apis indica- মৌমাছি ; Panthera leo-সিংহ; Nymphaea nouchali- শাপলা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭,৯৫০.
যদি ট্রান্সফরমারে বিভব বৃদ্ধি পায় তাহলে তড়িৎ প্রবাহ কেমন হয়?
  1. হ্রাস পায়
  2. বৃদ্ধি পায়
  3. শূন্য হয়ে যায়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র।
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলতঃ দুটি কুন্ডলী থাকে।
- কুন্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়।
- একটি কুন্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুন্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ।
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৫১.
মানুষের চোখের শ্বেত মন্ডলের সামনের অংশের নাম- 
  1. তারার
  2. কর্নিয়া
  3. রেটিনা
  4. আইরিস
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
ব্যাখ্যা
চোখ: 
- কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়। 
- একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক। 
- গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল। 
- শ্বেত মন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া। 
- শ্বেত মন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল। 
- আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়। 
- অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। 
- এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৫২.
একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণীদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. শ্বাসতন্ত্র
  2. স্নায়ুতন্ত্র
  3. রেচনতন্ত্র
  4. পানি সংবহনতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
পানি সংবহনতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি সংবহনতন্ত্র
ব্যাখ্যা
Echinodermata (একাইনোডার্মাটা): 
- একাইনোডার্মাটা শব্দটি দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত (গ্রিক, echino = spin, কণ্টকাবৃত এবং derma = skin, ত্বক)। 
- Jacob Klein (১৭৩৪) সর্বপ্রথম কণ্টকাবৃত প্রাণীদের একাইনোডার্মাটা নামকরন করেন। 
- এ পর্বভুক্ত প্রায় সমস্ত প্রাণীদের দেহত্বক কর্কশ, কণ্টক দ্বারা আচ্ছাদিত এবং দেহত্বকের নিচে অবস্থিত চূর্ণময় পাত থেকে অসংখ্য কণ্টকাকার অভিক্ষেপ সৃষ্টি হয়। 

বৈশিষ্ট্য: 
- অরীয় প্রতিসম, পূর্ণাঙ্গ প্রাণী সাধারণত পঞ্চ অরীয়ভাবে এবং লার্ভা দ্বিপার্শ্বীয়ভাবে প্রতিসম। 
- দেহত্বক ত্রিস্তরী, দেহগহ্বরযুক্ত, প্রকৃত মস্তক, মস্তিষ্ক ও খণ্ডকবিহীন; তবে স্পষ্ট মৌখিক ও পরাঙ্গমুখ তল দেখা যায়। 
- পানি সংবহনতন্ত্র সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য, পানি সংবহন নালি তরল দ্রব্য দিয়ে পূর্ণ থাকে। 
- সংবহনতন্ত্র বর্তমান, স্নায়ুতন্ত্র ও জ্ঞানেন্দ্রিয় অত্যন্ত অনুন্নত ধরনের। 
- সম্পূর্ণরূপে সামুদ্রিক, সমুদ্রের বিভিন্ন গভীরতায় বাস করে, স্বাধীনজীবী, মুক্ত সঞ্চারণশীল। 
- রেচনতন্ত্র অনুপস্থিত, লিঙ্গ সাধারণত পৃথক কিন্তু সঙ্গম হয় না, জনন পদার্থ বাইরে নিক্ষিপ্ত হয় ও পানিতে নিষিক্তকরণ ঘটে। 
- পরোক্ষভাবে বৃদ্ধিকালে লার্ভা দশা দেখা যায়, লার্ভা সর্বদাই দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম, মুক্ত সাতারু (কতক প্রজাতিতে বৃদ্ধি সরাসরি)। 
উদাহরণ: Echinus esculentus (সমুদ্র আর্চিন), Cucumaria frondosa (সমুদ্র শশা)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৫৩.
বেকিং পাউডার মূলত-
  1. বেকিং সোডা + পটাশ এলাম
  2. বেকিং সোডা + এসকরবিক এসিড
  3. বেকিং সোডা + গ্লুকোজ
  4. বেকিং সোডা + টারটারিক এসিড
সঠিক উত্তর:
বেকিং সোডা + টারটারিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকিং সোডা + টারটারিক এসিড
ব্যাখ্যা
• বেকিং পাউডার:
- বেকিং পাউডার বেকিং সোডা বা খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3)।
- বেকিং সোডা (NaHCO3) তৈরি করে তার মধ্যে টারটারিক এসিড (C₂H₂O) মিশালে বেকিং পাউডার তৈরি হয়।
- সাধারণত কেক বানানোর কাজে বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।

• বেকিং সোডা প্রস্তুতি:
- অ্যামোনিয়া গ্যাস, খাদ্য লবণ, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে বেকিং সোডা প্রস্তুত করা যায়।
- প্রথমে পানির মধ্যে NaCl কে দ্রবীভূত করে NaCl এর সম্পৃক্ত দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়।
- এবার এই সম্পৃক্ত দ্রবণের মধ্যে NH₃ গ্যাস প্রবাহিত করে NH₃ দ্বারা সম্পৃক্ত করা হয়।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে NH₃ সম্পৃক্ত NaCl দ্রবণের মধ্যে প্রবাহিত করা হয়।
- এক্ষেত্রে CO2, NH3, H2O একত্র হয়ে প্রথমে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NH4HCO3) উৎপন্ন হয়।
- এরপর অ্যামোনিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট সোডিয়াম ক্লোরাইড-এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) বা বেকিং সোডা উৎপন্ন করে।

CO2 + NH3 + H2O → NH4HCO3
NH4HCO3 + NaCl→ NaHCO3 + NH4Cl

- বেকিং সোডাকে বিক্রিয়া পাত্র থেকে পৃথক করে তার সাথে টারটারিক এসিড মেশানো হয়।
- এ মিশ্রণকে বেকিং পাউডার বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৫৪.
মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়-
  1. ইনফ্রারেড
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. আল্ট্রাভায়োলেট
  4. এক্স- রে
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

মোবাইল ফোন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয় মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তি ।
- অণুতরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ (ইংরেজি: Microwave) দ্বারা সে সকল তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নির্দেশ করা হয় যাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ন্যূনতম ১ মিলিমিটার হতে সর্বোচ্চ ১ মিটার পর্যন্ত।
- এদের কম্পাঙ্ক ৩০০ মেগাহার্জ (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১ মিটার) হতে ৩০০ গিগাহার্জ (তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ১ মিলিমিটার) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

উৎস:সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণি

৭,৯৫৫.
খরা এর ফলে কী ধরনের প্রাকৃতিক পরিবর্তন হয়?
  1. জমির মধ্যে পানি জমে যায়
  2. বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়
  3. মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
  4. শিলা বৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
ব্যাখ্যা
• খরা এর ফলে মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়।

• অনাবৃষ্টি ও খরা:
- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে, উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর- পূর্বাঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৫৬.
যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের কী বলা হয়?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা

যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের বলা হয় আইসোবার। 

• আইসোবার:
- 'Iso' অর্থ সমান এবং 'bar' শব্দটি ওজন বা ভরকে বোঝায়। তাই আইসোবার হলো সেইসব পরমাণু, যারা ভিন্ন মৌলের হওয়া সত্ত্বেও তাদের ভর সংখ্যা A, অর্থাৎ প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা সমান।
- কার্বন-14 এবং নাইট্রোজেন-14 হলো আইসোবার। উভয়ের ভর সংখ্যা 14 হলেও তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (6 এবং 7) ভিন্ন।
- যেহেতু এদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাই এদের রাসায়নিক ধর্ম ভিন্ন হয়।

• আইসোটোন:
- এদের নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা (Z) ও ভর সংখ্যা (A) উভয়ই ভিন্ন হয়।

• আইসোটোপ:
- এদের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) সমান কিন্তু ভর সংখ্যা (A) ভিন্ন হয়।

• আইসোমার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই কিন্তু শক্তি অবস্থা, গঠন, ও ধর্ম ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৯৫৭.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের ২য় সূত্র কোনটি?
  1. উপবৃত্ত সূত্র
  2. ক্ষেত্রফল সূত্র
  3. অক্ষের সূত্র
  4. আবর্তনকালের সূত্র
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষেত্রফল সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে এবং এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি হলো:

• ১ম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

• ২য় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

• ৩য় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

তথ্যসূত্র: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৫৮.
মাইট্রোকন্ড্রিয়ায় লিপিডের পরিমাণ -
  1. ক) ৭০-৭৩%
  2. খ) ৪৫-৪৭%
  3. গ) ২৫-৩০%
  4. ঘ) ২১-২৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫-৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫-৩০%
ব্যাখ্যা
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। এজন্য একে কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ৭৩% প্রোটিন ও ২৫%-৩০% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
- আদি কোষ বা প্রাক কেন্দ্রিক কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া অনুপস্থিত থাকে। ব্যাকটেরিয়া একটি আদিকোষী জীব।

সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৭,৯৫৯.
সম্পূর্ণ ফুল -
  1. ক) জবা
  2. খ) লাউ
  3. গ) ধুতুরা
  4. ঘ) ক এবং গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক এবং গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক এবং গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমন্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।
এবং এর যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া ইত্যাদি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৬০.
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হল-
  1. Vitamin K
  2. Vitamin A
  3. Vitamin B
  4. Vitamin C
সঠিক উত্তর:
Vitamin K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin K
ব্যাখ্যা
- রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হলো- Vitamin K (ভিটামিন কে)। 

ভিটামিন কে (Vitamin K): 
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন। 
- ভিটামিন কে তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে-এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
- কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। 
- রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
- ভিটামিন কে পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ভিটামিন কে যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত সমস্যা: 
- ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়, ফলে সামান্য কাটাছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 
 
উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৬১.
বাতাসের চেয়ে পানিতে শব্দ কত গুণ দ্রুত চলে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
ব্যাখ্যা
বাতাসের চেয়ে পানিতে শব্দ ৪ গুণ দ্রুত চলে। বাতাসের চেয়ে লোহার মধ্যে শব্দ প্রায় ১৫ গুণ দ্রুত চলে।
এছাড়াও-
১. শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে
২. তরল মাধ্যমে তার চেয়ে ধীরে চলে
৩. বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম
৪. ভ্যাকুয়ামে বা শূন্যে শব্দের দ্রুতি শূন্য
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৬২.
বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক হলো-
  1. ক) নিউক্লিয়াস
  2. খ) ক্রোমোসোম
  3. গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. ঘ) প্রোটোপ্লাজম
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোসোম
ব্যাখ্যা
যে সকল বস্তু জীবের বৈশিষ্ট্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বংশগতি বস্তু বলে। 
- DNA এর যে ছোট অংশ নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে জিন বলে।
- উন্নত জীবে DNA প্রোটিন এর সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ক্রোমোসোম।
- ক্রোমোসোমই জনন কোষের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিতে বাহিত হয়।
- অর্থাৎ ক্রোমোসোম হলো বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক।
- ক্রোমোসোমকে বংশগতির প্রধান উপাদান বলা হয়।

উৎস:  জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৭,৯৬৩.
নিউক্লিয়াসে কোন কণিকাগুলো অবস্থান করে? 
  1. নিউট্রন এবং পজিট্রন 
  2. প্রোটন এবং নিউট্রন 
  3. প্রোটন এবং ইলেকট্রন 
  4. নিউট্রন এবং ইলেকট্রন 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন এবং নিউট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন এবং নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকা তিনটি। 
যথা- ১. ইলেকট্রন, ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটিকে পরমাণুর স্থায়ী কণিকাও বলা হয়। 
- পরমাণুর কণিকাগুলো বিভিন্ন সংখ্যায় একত্রিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু সৃষ্টি করে। 
- মৌলিক কণিকাগুলোর আধান এবং ক্ষেত্রবিশেষে ভর খুব সামান্য হয়। 
- স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। 
- নিউট্রন সংখ্যা কখনো সমান আবার কখনো বেশি থাকে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর প্রোটন ও নিউট্রন নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৬৪.
নিচের কোনটি সম্পূর্ণ ফুল?
  1. লাউ
  2. ধুতুরা
  3. শসা
  4. ঝিঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
ব্যাখ্যা

একটি আদর্শ ফুলের থাকে ৫টি অংশ।
যেমন- পুষ্পপত্রাধার, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক।
- যে ফুলের ৫টি অংশই থাকে, তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে।
যেমন- ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।

আর যে সকল ফুলে এক বা একাধিক অংশ অনুপস্থিত থাকে তাকে বলা হয় অসম্পূর্ণ ফুল।
যেমন- লাউ, কুমড়া, শসা, ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৯৬৫.
নিচের কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অন্যগুলোর থেকে বেশি?
  1. ক) বেগুনী
  2. খ) হলুদ
  3. গ) নীল
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
ব্যাখ্যা
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি
- অপশনের চারটির মধ্যে হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৯৬৬.
1 a.m.u =?
  1. 1.66 × 10-23 গ্রাম
  2. 1.66 × 10-24 গ্রাম
  3. 1.66 × 10-27 গ্রাম
  4. 1.66 × 10-28 গ্রাম
সঠিক উত্তর:
1.66 × 10-24 গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.66 × 10-24 গ্রাম
ব্যাখ্যা
• কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়।
• আপেক্ষিক পারমাণবিক ভরকে পারমাণবিক ভরও বলা হয় ।
1 a.m.u (atomic mass unit) = 1.66 × 10-24 গ্রাম । 
• আণবিক ও পারমাণবিক ভর পরিমাণ বস্তুকে গ্রাম-এ ওজন করা হলে তাকে গ্রাম আণবিক ভর ও গ্রাম পারমাণবিক ভর বলা হয় ।
• কোন বস্তুর এক গ্রাম আণবিক ভর পরিমাণকে ঐ বস্তুর মোল বলা হয়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৬৭.
কোন আলোক রশ্মি ত্বকে ভিটামিন তৈরিতে সাহায্য করে?
  1. ক) বিটা রশ্মি
  2. খ) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
  3. গ) আলফা রশ্মি
  4. ঘ) এক্সরে রশ্মি
সঠিক উত্তর:
খ) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
ব্যাখ্যা
ভিটামিন D:
একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন D পাওয়া যায়। এই ভিটামিন সূর্যালােকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়।

- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন D– এর প্রধান উৎস।
- বাঁধাকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন D পাওয়া যায়।

ভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শােষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। ভিটামিন D–এর অভাবে শিশুদের রিকেট রােগ হতে পারে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৬৮.
আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন কে? 
  1. কেপলার
  2. নিউটন
  3. রবার্ট হুক
  4. কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়াও তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

রবার্ট হুক: 
- রবার্ট হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- এছাড়াও রবার্ট বয়েল গ্যাসের সূত্র আবিস্কার করেন। 

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেপলার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

অন্যদিকে, 
- ডা. গিলবার্ট চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। 
- জার্মানীর বিজ্ঞানী স্নেল প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- বিজ্ঞানী হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৬৯.
নিচের কোনটিকে 'জৈব মুদ্রা' বলা হয়?
  1. ATP
  2. DNA
  3. Chlorophyll
  4. NADP
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা

• ATP-কে 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা' (Biological coin or energy coin) বলা হয়।
- ATP (Adenosine Triphosphate) অণুর মধ্যে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন ফসফেট বন্ধনী থাকে যা ভেঙে প্রয়োজনীয় জৈবিক শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তি কোষে জমা থাকে এবং প্রয়োজনের সময় খরচ হয় বলে একে জৈব মুদ্রা বা শক্তি মুদ্রা বলা হয়।

• ATP(অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট):
- DNA এবং RNA-এর গাঠনিক উপাদানগুলোর একটি হলো অ্যাডেনিন।
- এটি একটি নাইট্রোজেন বেস। এর সাথে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ সুগার অণু যুক্ত হয়ে তৈরি হয় অ্যাডিনোসিন।
- অ্যাডিনোসিন অণুর সাথে পর্যায়ক্রমে একটি, দুটি এবং তিনটি ফসফেট/ফসফোরিক এসিড গ্রুপ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে অ্যাডিনোসিন মনোফসফেট (AMP), অ্যাডিনোসিন ডাইফসফেট (ADP) এবং অ্যাডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) গঠন করে।
- ATP-এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে যে শক্তি বের হয়, সেই শক্তি দিয়ে জীবদেহের প্রতিটি জৈবনিক কাজ অর্থাৎ, মাংসপেশির সংকোচন থেকে ইন্দ্রিয়ানুভূতি, খাবার খাওয়া থেকে হজম করা, নিঃশ্বাস নেওয়া থেকে কথা বলা, চিৎকার করা থেকে হাসি-কান্না, দৈহিক বৃদ্ধি থেকে প্রজনন, দেহের তাপমাত্রা ঠিক রাখা থেকে শুরু করে দেহের প্রতিটি কোষের স্বাভাবিক আয়তন বজায় রাখা- এর সবই সম্পন্ন হয়।
- আমরা যে খাবার খাই তা জারিত হয়, সেই জারণ থেকে নির্গত শক্তি দ্বারা ফসফোরাইলেশনের মাধ্যমে আবার সেই ভাঙা দুই টুকরা জোড়া লেগে ATP তৈরি হয়।
- শক্তির প্রয়োজন হলে তা আবার ভাঙে।
- তারপর খাদ্য থেকে শক্তি নিয়ে আবার জোড়া লাগে।
- এ যেন এক রিচার্জেবল ব্যাটারি। ATP শক্তি জমা করে রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে।
- এজন্য ATP-কে অনেক সময় 'জৈবমুদ্রা' বা 'শক্তি মুদ্রা' (Biological coin or energy coin) বলা হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট এবং চার ধরণের নাইট্রোজেন বেস নিয়ে DNA গঠিত।
- ম্যাগনেসিয়াম পরমাণু এবং পোরফাইরিন রিং নামক জটিল রাসায়নিক কাঠামো নিয়ে ক্লোরোফিল গঠিত।
- ভিটামিন বি৩ বা নিয়াসিন থেকে উদ্ভূত কো-এনজাইম কাঠামো নিয়ে NADP গঠিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৯৭০.
শূন্য মাধ্যমে তাপ সঞ্চারিত হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. সঞ্চালন
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
ব্যাখ্যা

শূন্য মাধ্যমে তাপ সঞ্চালিত হয় বিকিরণ পদ্ধতিতে।
যে পদ্ধতিতে তাপ জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের আকারে উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকিরণ বলে।
তাপ পরিবহন ও তাপ পরিচলনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, কিন্তু বিকিরণের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।

৭,৯৭১.
প্রথম কোন দেশে নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়?
  1. মালয়েশিয়া
  2. কঙ্গো
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. সিয়েরা লিওন
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
নিপাহ ভাইরাস:
- নিপাহ একটি ভাইরাসজনিত মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ।
- কাঁচা খেজুরের রসে বাদুড়ের বিষ্ঠা ও লালা মিশ্রিত হয় এবং ওই বিষ্ঠা ও লালাতে নিপাহ ভাইরাসের জীবাণু থাকে।
- ফলে খেজুরের কাঁচা রস পান করলে মানুষ নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।
- এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুহার প্রায় ৭০ শতাংশ।
- মানুষের মধ্যে এ সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয় মালয়েশিয়ায় ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০১ সালে মেহেরপুর জেলায় নিপাহ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব চিহ্নিত হয়।
- লক্ষণগুলো হলো : জ্বর, মাথা ব্যথা, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বমি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮-৯৯ সালে নিপাহ ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় মালয়েশিয়ার সুঙ্গাই ‘নিপাহ’ নামক গ্রামে।
- ওই গ্রামের নামেই ভাইরাসটির নামকরণ করা হয়।
- মূলত ফলাহারি বাদুড় এই ভাইরাসের প্রধান বাহক।

উৎস: প্রথম আলো।
৭,৯৭২.
মানুষের দেহের মোট ওজনের শতকরা কত ভাগ ক্যালসিয়াম?
  1. ক) এক
  2. খ) চার
  3. গ) তিন
  4. ঘ) দুই
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুই
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে।
- উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল।
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়।
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৭৩.
বাল্বের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে কোন শক্তি সৃষ্টি হয়?
  1. তাপ ও আলোক শক্তি
  2. আলোক ও চৌম্বক শক্তি
  3. তাপ ও শব্দ শক্তি
  4. চৌম্বক ও শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
তাপ ও আলোক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও আলোক শক্তি
ব্যাখ্যা
• বাল্বের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলোক শক্তি সৃষ্টি হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর:
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়।

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৭৪.
নিচের কোনটি নোবেল গ্যাস?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) নিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিয়ন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাসঃ হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এগুলোর মধ্যে প্রথম ৬টি প্রকৃতিতে প্রাপ্ত।
- ওগানেসন (Og) পরীক্ষাগারে তৈরি এবং তেজস্ক্রিয়।
এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।

- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে। হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৭৫.
বায়ু দূষণের জন্য প্রধানত দায়ী-
  1. ক) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন মনোক্সাইড
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
কার্বন মনো-অক্সাইড (CO)- মানুষের শ্বাসক্রিয়ার পক্ষে চূড়ান্ত ক্ষতিকারক এই গ্যাস বায়ুমণ্ডলের গ্যাসীয় ভারসাম্যের বিঘ্ন ঘটাতে পারদর্শী।
- মূলতঃ পুরনো যানবাহনের থেকে এই গ্যাসের উৎপত্তি। এই কারণে ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলীতে বিভিন্ন দূষণ-নিয়ন্ত্রণজনিত বিধি করা হয়েছে।
- ইউরো স্টেজ এবং ভারত স্টেজ (ইঞ্জিন-এর রেটিং ব্যবস্থা) এই ধরণের দূষণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে
৭,৯৭৬.
কৃষি জমিতে কিসের জন্য চুন ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) মাটির ক্ষয় রোধ করার জন্য
  2. খ) মাটির অম্লতা বৃদ্ধির জন্য
  3. গ) মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
  4. ঘ) জৈব পদার্থের বৃদ্ধির জন্য
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য
ব্যাখ্যা
এসিড মাটি অনুর্বর। জমিতে বার বার অ্যামোনিয়াম সালফেটকে সার হিসেবে ব্যবহার করলে মাটিতে এসিডের মাত্রা বাড়ে। ফলে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়। এই সারের সাথে চুন মিশালে এসিডের তীব্রতা হ্রাস পায়। তাই মাটির অম্লতা হ্রাসের জন্য সারের চুন ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
৭,৯৭৭.
পৃথিবীর মোট জলরাশির কতভাগ ভূগর্ভ ধারণ করে?
  1. ০.৮০%
  2. ১.৭০%
  3. ৯৭.৫%
  4. ৭২.৫%
সঠিক উত্তর:
১.৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭০%
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মোট জলরাশির একটি বড় অংশ মহাসাগর ও সমুদ্র দ্বারা গঠিত হলেও,
• ভূগর্ভস্থ জল (Groundwater) পৃথিবীর মোট জলরাশির প্রায় ১.৭% দখল করে।
- এই ভূগর্ভস্থ জল দুই ভাগে বিভক্ত:
- মিঠা ভূগর্ভস্থ জল (Fresh Groundwater) – প্রায় ০.৮%, যা পানীয় জল, কৃষি এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- লবণাক্ত ভূগর্ভস্থ জল (Saline Groundwater) – প্রায় ০.৯%, যা সাধারণত সরাসরি ব্যবহারের উপযোগী নয়।

অন্যদিকে,
- সাগর মহাসাগর মিলে ৯৭.৫% পানি রয়েছে।
- বাকি ২.৫% পানি মিঠা পানির উতসগুলোর মধ্যে পাওয়া যাতে নদী, খাল বিল, পুকুর ও ভূ-গর্ভস্থ পানি রয়েছে।



উৎস: USGS ওয়েবসাইট।[link]
৭,৯৭৮.
নিরক্ষরেখা অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. বিষুবরেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা 
  3. রবিমার্গ
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা :
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator),  অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)।

অপরদিকে, 
কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।
• সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৭,৯৭৯.
একটি স্বল্প পাল্লার অ্যামিটারকে বেশি পাল্লার অ্যামিটারে পরিণত করতে হলে এর সাথে কী যুক্ত করতে হবে?
  1. ব্যাটারি
  2. তামার তার
  3. রোধ
  4. ক্যাপাসিটর
সঠিক উত্তর:
রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ
ব্যাখ্যা
• একটি স্বল্প পাল্লার অ্যামিটার (Low Range Ammeter) কেবলমাত্র সীমিত পরিমাণ বৈদ্যুতিক প্রবাহ (Current) মাপতে পারে।
-  কিন্তু যদি এই অ্যামিটারকে বেশি কারেন্ট মাপার উপযোগী করতে চাই, তবে তাকে বেশি পাল্লার অ্যামিটারে (High Range Ammeter) পরিণত করতে হবে।

•একটি স্বল্প পাল্লার অ্যামিটারকে বেশি পাল্লার অ্যামিটারে পরিণত করতে হলে এর সাথে একটি শাণ্ট রোধ (shunt resistor)  সমান্তরাল সংযোগে যুক্ত করতে হয়।

একটি কম রোধবিশিষ্ট শাণ্ট রোধ সমান্তরালভাবে যুক্ত করা হলে এর ফলে মোট কারেন্টটি দুটি পথে বিভক্ত হয়।
→ বেশিরভাগ কারেন্ট চলে যায় শাণ্ট রোধের মধ্য দিয়ে, আর অ্যামিটারের মধ্য দিয়ে অল্প অংশ যায়।
→ ফলে বেশি রেঞ্জ এ কারেন্ট মাপা যায়।

তথ্যসূত্র: 
- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞান, ১১-১২ শ্রেণী। 
- নবম-দশম শ্রেণি – পদার্থবিজ্ঞান।
৭,৯৮০.
শ্বসনে নির্গত হয়-
  1. ক) CO2
  2. খ) O2
  3. গ) C4
  4. ঘ) N
  5. ঙ) Na
সঠিক উত্তর:
ক) CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) CO2
ব্যাখ্যা
শ্বসনের ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হয় যা সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭,৯৮১.
জিংক ধাতুর আকরিক কোনটি? 
  1. ক্যালামাইন 
  2. চালকোসাইট 
  3. গ্যালেনা
  4. সিন্নাবার 
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন 
ব্যাখ্যা

- 'ক্যালামাইন' জিংক ধাতুর আকরিক। 

আকরিক: 
- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না। 
- খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনকভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে। 
- এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 
 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৮২.
দুধে যে প্রোটিন থাকে সেটাকে বলা হয় -
  1. ক) ল্যাকটোজ
  2. খ) কেসিন
  3. গ) রেনিন
  4. ঘ) গ্যালাক্টোজ
সঠিক উত্তর:
খ) কেসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেসিন
ব্যাখ্যা
• দুধ একটি আদর্শ খাবার।
• এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
• দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
• এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
• দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।
৭,৯৮৩.
কোনটি সবচেয়ে ভারী ধাতু?
  1. ক) লিথিয়াম
  2. খ) পারদ
  3. গ) প্লাটিনাম
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারদ
ব্যাখ্যা

ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।

- সবচেয়ে ভারি ধাতু - রন্টজেনিয়াম (Roentgenium)। আনবিক ভর - ২৭২.০।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম (Uranium)। আনবিক ভর - ২৩৮.০৩।

- অপশনে যেগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে মার্কারি/পারদ (Mercury) সবচেয়ে বেশি ভারি। এর আনবিক ভর - ২০০.৫৯।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম (Platinum)। এর আনবিক ভর - ১৯৫.০৭৮

- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম (Lithium)। এর আনবিক ভর - ৬.৯৪

৭,৯৮৪.
যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম কী?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) ইথেন
  3. গ) কার্বন মনোক্সাইড
  4. ঘ) ফেরিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা
যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম হচ্ছে কার্বন মনোক্সাইড। এই গ্যাসটি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী। 

- যেসব সংক্রামক উপাদান বায়ু দেমিসে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে সেই সব উপাদান কে বলা হয় দূষক ।
- পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে বলা হয় দূষণ।

বায়ু দূষণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ- 
১. কার্বন মনোক্সাইড এর প্রভাবে মাথাধরা, ঝিমুনি, শারীরিক শক্তি হ্রাস পায়। 
২. সালফার অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির জ্বালা, হাঁপানি, কাশি, নাকজ্বালা। 
৩.  নাইট্রোজেন অক্সাইড-এর প্রভাবে শ্বাসনালির স্ফীতি ও ফুসফুসের জ্বালা। 
৪. সূক্ষ্মণার প্রভাবে চোখ, নাক ও গলার জ্বালা, রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস। 

সূত্র: Texas Commission on Environmental Quality Website [লিঙ্ক]
৭,৯৮৫.
পদার্থ সাধারণত কয়টি অবস্থায় থাকে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
ব্যাখ্যা
পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকে।কঠিন, তরল এবং বায়বীয়। এর চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন এবং পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৭,৯৮৬.
উভচর ও সরীসৃপ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়-
  1. Ornithology
  2. Ichthyology
  3. Entomology
  4. Herpetology
সঠিক উত্তর:
Herpetology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Herpetology
ব্যাখ্যা

- উভচর ও সরীসৃপ বিষয়ক বিদ্যাকে Herpetology বলে।
- মাছ সম্পর্কিত বিদ্যাকে Ichthyology বলে।
- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যাকে Ornithology বলে।
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞানকে কীটতত্ত্ব বা Entomology বলে।

উৎস: প্রাণিবিদ্যা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৯৮৭.
ডিএনএ -এর কার্যকরী একককে কী বলা হয়?
  1. রেপ্লিকন
  2. মিউটন
  3. সিসট্রন
  4. রেকন
সঠিক উত্তর:
সিসট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসট্রন
ব্যাখ্যা
জিনের আধুনিক ধারণা: 
- বিজ্ঞানী Avery, Macleod ও McCarty ১৯৪৪ সালে এবং Hershey ও Chasi ১৯৫২ সালের পরীক্ষা থেকে সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয় যে, DNA হলো জিনগত বস্তু। 
- আধুনিক ধারণা মতে, জিনকে বিভিন্ন একক রূপে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন-রেকন, মিউটন, রেপ্লিকন ও সিসট্রন। 

১। রেকন (Recon): 
- এটি জিন রিকম্বিনেশন এর একক। 
- DNA অণুর যে ক্ষুদ্রতম একক জেনেটিক রিকম্বিনেশনে অংশ গ্রহণ করে তাকে রেকন বলে। 
- রেকন এক অথবা দুই জোড়া নিউক্লিওটাইড দিয়ে গঠিত। 

২। মিউটন (Muton): 
- একে জিন মিউটেশনের একক বলা হয়। 
- DNA অণুর যে ক্ষুদ্রতম অংশে মিউটেশন সংঘটিত হয়, তাকে মিউটন বলে। 
- এক বা একাধিক নিউক্লিওটাইড যুগল নিয়ে মিউটন গঠিত হয়ে থাকে। 

৩। রেপ্লিকন (Replicon): 
- DNA-এর যে অংশ DNA-এর অনুলিপন নিয়ন্ত্রণ করে তাকে রেপ্লিকন বলে অর্থাৎ এটি রেপ্লিকেশন এর একক। 

৪। সিসট্রন (Cistron): 
- জিন কার্যের একক। 
- DNA অণুর যে খণ্ডাংশ কোষীয় বস্তুর কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে তাকে সিসট্রন বলে। 
- Escherichia coli ব্যাকটেরিয়ার একটি সিসট্রনে প্রায় ১৫০০টি নিউক্লিওটাইড যুগল থাকে। 
- প্রতিটি সিসট্রনে অনেক রেকন ও মিউটন থাকে। তাই রেকন ও মিউটন অপেক্ষা সিসট্রনের দৈর্ঘ্য অনেক বেশি। 
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে জিন ও সিসট্রন প্রায় সমতুল্য (equivalent) অর্থ বহন করে। 
- এজন্য DNA এর কার্যকরি একককে বলা হয় সিসট্রন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৭,৯৮৮.
AC কে DC-তে রূপান্তর করতে কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. রেকটিফায়ার
  2. মোটর
  3. ডায়নামো
  4. ট্রান্সফর্মার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

• AC-কে DC-তে রূপান্তর করতে যা ব্যবহার করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলা হয়। রেকটিফায়ার মূলত বৈদ্যুতিক বর্তমানকে একমুখী ধারায় পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সেমিকন্ডাক্টর উপাদান যেমন ডায়োডের মাধ্যমে কাজ করে। যখন AC প্রবাহ রেকটিফায়ারের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এটি শুধুমাত্র একদিকে প্রবাহিত হয় এবং বিপরীত দিকের কারেন্ট ব্লক হয়ে যায়। ফলে আমাদের কাছে একমুখী DC প্রবাহ পাওয়া যায়। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং চার্জিং সিস্টেমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) রেকটিফায়ার।


• রেকটিফায়ার:
- যে সার্কিট অলটারনেটিং বা AC কারন্টকে ডাইরেক্ট বা DC কারেন্টে রূপান্তর করে তা রেকটিফায়ার।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
- এটি মূলত AC কারেন্টকে পালসেটিং DC তে রূপান্তর করে।
- অধিকাংশ ইলেকট্রিক সার্কিট লো- ভোল্টেজ এবং লো-ডি.সি. কারেন্টে চলে।
- এই বিপুল পরিমাণ পাওয়ারের চাহিদা মেটাতে সেল ব্যবহার সাশ্রয়ী নয়।
- তাই এ.সি. কে প্রয়োজনীয় মানে কমিয়ে ডি.সি. তে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়।

• রেকটিফায়ার সার্কিটের প্রকারভেদ:
১. হাফ ওয়েভ রেকটিফায়ার (Half Wave Rectifier),
২. ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Full Wave Rectifier),
৩. সেন্টার ট্যাপ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Center Tape Full Wave Rectifier),
৪. ব্রীজ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Bridge Full Wave Rectifier)।

উৎস:
- পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৮৯.
ভ্রুণ দেহে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪.০-৫.০ লাখ
  2. খ) ৪.৫-৫.৫ লাখ
  3. গ) ৮০-৯০ লাখ
  4. ঘ) ৬০-৭০ লাখ
সঠিক উত্তর:
গ) ৮০-৯০ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮০-৯০ লাখ
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্ত কণিকা
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল এবং চাকতি আকৃতির।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে।
- মানুষের লোহত রক্তকণিকার গড় আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকণিকাগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে আসার পূর্বে নিউক্লিয়াসবিহীন হয়ে যায়।
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদের ক্ষেত্রে এরকম ঘটে না অর্থাৎ এদের লোহিত কণিকাগুলোতে নিউক্লিয়াস থাকে।
- লোহিত কণিকা প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ করে।
- বিভিন্ন বয়সের মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে গড়ে লোহিত কণিকার সংখ্যা ভিন্ন। যেমন-
১। ভ্রুণ দেহে: ৮০-৯০ লাখ
২। শিশুর দেহে: ৬০-৭০ লাখ
৩। পূর্ণবয়স্ক পুরুষ দেহে: ৪.৫-৫.৫ লাখ এবং
৪। পূর্ণবয়স্ক নারীর দেহে: ৪.০-৫.০ লাখ।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৯০.
তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ কোনটি? 
  1. লাইকেন
  2. ফার্ন
  3. জিমনোস্পার্ম
  4. অ্যানজিওস্পার্ম
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
ব্যাখ্যা
তুন্দ্রা: 
- সব থেকে উত্তরের স্থল বায়োম হলো তুন্দ্রা। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে। 
- দীর্ঘ শীতের সময় তুন্দ্রা অঞ্চলে বরফ জমা থাকে। 
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে। 
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন। 
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম। 
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৯১.
'ব্লাক হোল' বা কৃষ্ণবিবর সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. আবিষ্কারক জন হুইলার
  2. ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি।
  3. মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র অনেক শক্তিশালী
  4. ভর প্রায় শূন্য।
সঠিক উত্তর:
ভর প্রায় শূন্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর প্রায় শূন্য।
ব্যাখ্যা
• 'ব্লাক হোল' বা কৃষ্ণবিবর:
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না।
- তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole) I
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৯২.
উদ্ভিদের ক্লোরোসিস হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. নাইট্রোজেনের অভাব
  2. পর্যাপ্ত পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডের অভাব
  3. সালফার এবং ক্যালসিয়ামের অতিরিক্ত উপস্থিতি
  4. পটাশিয়ামের অভাব
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেনের অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেনের অভাব
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেনের অভাব হলো উদ্ভিদের ক্লোরোসিস (Chlorosis) হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ ও প্রধান কারণগুলির মধ্যে অন্যতম।
• ক্লোরোসিস:
- ক্লোরোসিস হলো উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোফিলের অভাবজনিত হলুদাভ রং ধারণ।
- এর প্রধান কারণ হলো আয়রন (Fe), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), নাইট্রোজেন (N) ইত্যাদি খনিজ উপাদানের ঘাটতি, যা ক্লোরোফিল গঠনে সরাসরি ভূমিকা রাখে।



উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৯৩.
খনিজ লবণের প্রধান উৎস-
  1. ক) মাংস, ডিম
  2. খ) দুধ, কলা
  3. গ) সবুজ শাকসবজি
  4. ঘ) সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
ব্যাখ্যা
মাংস, ডিম, দুধ, সবুজ শাকসবজি এবং ফল (কলা) খনিজ লবণের প্রধান উৎস। খনিজ লবণ দেহের অস্থি, দাঁত, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য অপরিহার্য উপাদান। ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড় গঠনে, রক্ত জমাট বাঁধতে, স্নায়ু ব্যবস্থায় সুষ্ঠু কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে। লৌহ রক্তের লোহিত রক্তকণিকা গঠন করে। আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির কাজ ও বিপাকের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে সহায়তা করে। দেহকোষ ও দেহরসের জন্য সোডিয়াম প্রয়োজন। সূত্রঃ যুগান্তর।
৭,৯৯৪.
বাদুড়ের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা হলো-
  1. ৪৫,০০০ Hz
  2. ১,০০,০০০ Hz
  3. ৩৫,০০০ Hz
  4. ২০,০০০ Hz
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ Hz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 

- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন।
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয়, মানুষের শ্রাব্যতার সীমা/পাল্লা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। 

- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচে উল্লেখ করা হলো - 

• মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz,
• কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz,
• বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz,
• ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz,
বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz ∼ ১,০০,০০০ Hz।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৯৫.
কোন করোটিক স্নায়ুটি শ্রবণ শক্তির সাথে যুক্ত?
  1. অপটিক
  2. অলফ্যাক্টরি
  3. অডিটরি
  4. হাইপোগ্লোসাল
সঠিক উত্তর:
অডিটরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিটরি
ব্যাখ্যা
অডিটরি করোটিক স্নায়ুটি শ্রবণ শক্তির সাথে যুক্ত।

• করোটিক স্নায়ু:
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে।
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু।
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে।
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু।
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে।
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু।

• অলফ্যাক্টরি স্নায়ু:
-অগ্রমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশ (অলফ্যাক্টরি লোবের শীর্ষদেশ) হতে উৎপন্ন হয়ে নাসিকা গহবরের মিউকাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- এটি সংবেদী স্নায়ু এবং মস্তিষ্কে ঘ্রাণের অনুভূতি পৌঁছায়। 

• অডিটরি:
- এটি মেডুলা অবলংগাটার পার্শ্বদেশ হতে উৎপত্তি লাভ করে অন্যকর্ণে বিস্তৃত হয়।
- অডিটরি স্নায়ু সংবেদী প্রকৃতির। এটি শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষার অনভূতি মস্তিষ্কে বহন করে।

• অপটিক:
- অপটিক করোটিক স্নায়ুটি দৃষ্টিশক্তির সাথে যুক্ত।

• হাইপোগ্লোসাল:
- হাইপোগ্লোসাল করোটিক স্নায়ুটি জিভের গতির সাথে যুক্ত।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৯৬.
'জিপসাম' কোন খনিজের আকরিক? 
  1. আয়রন
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৯৭.
নিচের কোনটি যৌন প্রজনন প্রক্রিয়া?
  1. ক) মুকুলােদগাম
  2. খ) বিভাজন
  3. গ) নিষেক
  4. ঘ) খণ্ডায়ন
সঠিক উত্তর:
গ) নিষেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিষেক
ব্যাখ্যা

প্রাণিজগতে দুই ধরনের প্রজনন দেখা যায়, অযৌন প্রজনন (Asexual reproduction) এবং যৌন প্রজনন (Sexual reproduction)।
অযৌন প্রজনন: নিম্নশ্রেণির প্রাণীতে অযৌন প্রজনন ঘটে। মুকুলােদগাম (Budding), বিভাজন, খণ্ডায়ন ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতিতে অযৌন প্রজনন হয়।
যৌন প্রজনন: যে প্রক্রিয়ায় দুইটি বিপরীত লিঙ্গের প্রাণী পুং ও স্ত্রী জনন কোষ বা গ্যামেট (Gamete) উৎপন্ন করে এবং তাদের নিষেকের মাধ্যমে প্রজনন ঘটায় এবং সন্তান-সন্তুতি উৎপন্ন করে, তাকে যৌন প্রজনন বলে।

৭,৯৯৮.
পেঁয়াজ কোন ধরনের রূপান্তরিত কান্ড?
  1. ক) কন্দ
  2. খ) স্টোলন
  3. গ) টিউবার
  4. ঘ) রাইজোম
সঠিক উত্তর:
ক) কন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কন্দ
ব্যাখ্যা
কন্দঃ এরা অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড। এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন- পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৭,৯৯৯.
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার কবে দেওয়া হয়?
  1. ১৯২২ সালে 
  2. ১৯৩৬ সালে 
  3. ১৯৪৫ সালে 
  4. ১৯৫০ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৩৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৬ সালে 
ব্যাখ্যা
Cosmic rays (মহাজাগতিক রশ্মি): 
- Cosmic rays এর বাংলা হলো মহাজগতিক রশ্মি। 
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বা Cosmic rays বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হলো মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৮,০০০.
ট্রাইকোডার্মা কোন তাপমাত্রায় বংশবিস্তার করতে পারে? 
  1. ৫–১০° সে.
  2. ৪০–৫০° সে.
  3. ১০–১৫° সে.
  4. ২৫–৩০° সে.
সঠিক উত্তর:
২৫–৩০° সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫–৩০° সে.
ব্যাখ্যা

ট্রাইকোডার্মা: 
- ট্রাইকোডার্মা এক প্রকার ছত্রাক। 
- এ ছত্রাক বিভিন্ন ময়লা আবর্জনার সাথে ব্যবহার করে যে সার তৈরি করা হয় তাকে ট্রাইকোডার্মা অণুজীব সার বলে। 
- ২৫-৩০° সে. তাপমাত্রায় এ ছত্রাক বংশবিস্তার করতে পারে। 
- পচনশীল দ্রব্য বিয়োজনের মাধ্যমে এর জীবন চক্র সম্পন্ন হয়। 
- ট্রাইকো কম্পোষ্ট তৈরিতে ট্রাইকোর্ডামা ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠে। 
- এই ছত্রাকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো যে, এটি অন্যান্য অণুজীবের বা ছত্রাকের চেয়ে কঠিন বস্তু যেমন কাঠের গুড়া গাছের শক্ত অংশ বিয়োজন করতে পারদর্শী। 
- মাটিতে এর কোন নেতিবাচক প্রভাব নেই, তাই এটি পরিবেশ বান্ধব। 
- এ ছত্রাক গাছে রোগ সৃষ্টিকারী অনেক রোগজীবাণু খেয়ে ফেলে এবং গাছের সুরক্ষা দেয়। এজন্য একে ডক্টরস ফাংগাস বলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।