বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৭৮ / ১৪০ · ৭,৭০১৭,৮০০ / ১৪,০৮০

৭,৭০১.
পৃথিবীতে চাঁদের আলো আসতে কতক্ষণ লাগে?
  1. ০.৬ সেকেন্ড
  2. ১.৩ সেকেন্ড
  3. ৮ সেকেন্ড
  4. ১.৬ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১.৩ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩,৮৪,৪০০ কিমি আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩,০০,০০০ কিমি বেগে চলে।
তাই, চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো পৌছাতে ১.৩ সেকেন্ড সময় লাগে।
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৫ম শ্রেণি
৭,৭০২.
অ্যালকেন প্রস্তুত করার সময় কোন ধাতু প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. কোবাল্ট
  2. নিকেল
  3. পলাডিয়াম
  4. প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকেল
ব্যাখ্যা

অ্যালকেন:
- অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের সাথে হাইড্রোজেন সংযোজন করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়।
- প্রভাবক নিকেল ধাতু (Ni) এর উপস্থিতিতে 150-180° সে. তাপমাত্রায় অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের সাথে হাইড্রোজেন সংযুক্ত করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়

অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম:
- অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম বিশেষ করে ভৌত অবস্থা, গলনাংক, স্ফুটনাংক নির্ভর করে যৌগের অণুতে কার্বনের সংখ্যার উপর।
- এক থেকে চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন গ্যাসীয়।
- পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা তরল।
- ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কঠিন।

অ্যালকেনের রাসায়নিক ধর্ম:
- অ্যালকেন সাধারণভাবে প্যারাফিন (Paraffin) নামে পরিচিত।
- Param অর্থ কম বা স্বল্প এবং affinis অর্থ আসক্তি, তাই Paraffin অর্থ স্বল্প আসক্তির যৌগ।
- অ্যালকেন যৌগের অণুতে কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক বন্ধনের মাধ্যমে সংযুক্ত।
- এই কারণে এরা অনেকটাই রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে না। আবার এসিড, ক্ষার, ধাতু ও ক্ষারকের সাথেও কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া করে না।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭০৩.
হিগস বোসন (Higgs Boson) কণা সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
  2. বোসন কণা সবসময় পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে।
  3. হিগস বোসনের স্পিন ঋণাত্মক।
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
ব্যাখ্যা

◉ বোসন (Boson): 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। 
- এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। 
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের। 
১। গেজ বোসন (Gauge Boson) এবং ২। হিগস বোসন (Higgs Boson) । 

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭০৪.
'সুনামি' (Tsunami) কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) জাপানি    
  2. খ) ডাচ্
  3. গ) ফরাসী    
  4. ঘ) চীন 
সঠিক উত্তর:
ক) জাপানি    
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপানি    
ব্যাখ্যা
সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ।
এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ। এখানে 'tsu' অর্থ বন্দর বা harbour এবং 'nami' অর্থ সামুদ্রিক ঢেউ। সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম.
৭,৭০৫.
স্টিফেন হকিং তাঁর কোন গ্রন্থে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন?
  1. The Theory of Everything
  2. The Universe in a Nutshell
  3. A Brief History of Time
  4. The Grand Design
সঠিক উত্তর:
A Brief History of Time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Brief History of Time
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং (১৯৪২-২০১৮):
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন, কৃষ্ণগহ্বর, কাল এবং মহাকর্ষের বিভিন্ন তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেন।
- স্টিফেন হকিং তার বিখ্যাত গ্রন্থ "A Brief History of Time" (১৯৮৮) বইতে বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।
- এই বইতে তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি, কাল, মহাকর্ষ, এবং কণিকা-তত্ত্বের নানা দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
- পৃথিবীর মানুষের কাছে “The Scientist on a Wheelchair” হিসেবে পরিচিত।
- স্টিফেন হকিং এর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- ‘Theory of Everything.’

• তাঁর রচিত বইসমূহ-
- The Theory of Everything,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- My Brief History ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭০৬.
উদ্ভিদের নামকরণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) ICVN
  2. খ) ICUN
  3. গ) ICBN
  4. ঘ) ICZN
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- প্রকৃতপক্ষে এই কোড পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল। নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭০৭.
কোন পদার্থটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্য পদার্থকে জারিত করে?
  1. সোডিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. সালফার ডাই অক্সাইড
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

জারক পদার্থ (Oxidizing Agent) হলো এমন একটি রাসায়নিক সত্তা যা কোনো জারণ-বিজারণ (Redox) বিক্রিয়ায় অন্য পদার্থ থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে। ক্লোরিন একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ কারণ এর ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রবণতা অত্যন্ত বেশি।

জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ।

বিজারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়।
- পর্যায় তালিকার গ্রুপ এ অবস্থিত মৌলসমূহ যেমন: H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। এছাড়াও Mg, Ca, SO2, H2S প্রভৃতি বিজারক পদার্থ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 

৭,৭০৮.
প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?
  1. ক) নদী
  2. খ) সাগর
  3. গ) হ্রদ
  4. ঘ) বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
The principal Source of fresh water comes from evaporation. Once that evaporated water returns to earth as rain, snow or fog it ultimately flows into streams, rivers, lakes and seas where it can be evaporated (distilled) again.
৭,৭০৯.
ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কি হিসেবে?
  1. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
  2. মেমোরি চিপ হিসেবে
  3. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
  4. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ও টেপ-রেকর্ডার বা ক্যাসেটের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক থাকে। 
- এক্ষেত্রে স্মৃতির ফিতা বা টেপে ব্যবহৃত ক্রোমিয়াম ডাই অক্সাইড (CrO2) পদার্থের বহি:চৌম্বক ক্ষেত্র সরিয়ে নিলেও আবিষ্ট চৌম্বকত্বের বেশিরভাগই অটুট থাকে অর্থাৎ, এর আবিষ্ট চুম্বকত্ব স্থায়ী হয়। 
 - ১৯৩০ সালের দিকে জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয় শব্দ সংরক্ষণের এই পদ্ধতি। 
- চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই এই ফিতাতে শব্দ সংরক্ষণ করা হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৭১০.
বায়োগ্যাসে মিথেনের অনুপাত কত?
  1. ক) ৫০-৫৫%
  2. খ) ৪০-৫৫%
  3. গ) ৬০-৭০%
  4. ঘ) ৭০-৮০%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০-৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০-৭০%
ব্যাখ্যা
বায়োগ্যাস:
প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুরূপ গ্যাস নানা রকম প্রাণী ও উদ্ভিদের বর্জ্য থেকে তৈরি করার ব্যবস্থা করা যায়। এ ধরনের গ্যাসকে বলে বায়োগ্যাস।

- বায়ো অর্থ জীবন। প্রাণী বা উদ্ভিদ জীবনের অধিকারী বিধায় এদের দেহ এবং দেহ নিঃসৃত পদার্থ পচনশীল।
- গোবর, মলমূত্র, পাতা, খড়কুটো প্রভৃতি পদার্থ পানিতে মিশিয়ে বাতাসের অনুপস্থিতি রাখলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে গাজন প্রক্রিয়া ঘটে। ফলে এক ধরনের বর্ণহীন দাহ্য গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৭,৭১১.
অদিক রাশির উদাহরণ কোনটি?
  1. বল
  2. ভর
  3. বেগ
  4. ত্বরণ
সঠিক উত্তর:
ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭১২.
শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি অনুযায়ী-
  1. শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়
  2. শক্তি চিরকাল ধ্রুবক থাকে, কিন্তু এটি ব্যবহার করা যায় না
  3. শক্তির পরিবর্তন হয়, কিন্তু এটি ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না
  4. শক্তিকে প্রয়োজন অনুসারে শূন্য থেকে সৃষ্টি করা যায়
সঠিক উত্তর:
শক্তির পরিবর্তন হয়, কিন্তু এটি ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির পরিবর্তন হয়, কিন্তু এটি ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না
ব্যাখ্যা

শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি অনুযায়ী, শক্তির পরিবর্তন হয়, কিন্তু এটি ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় না।

• শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র:
- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংশ করা যায় না।
- শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র।
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না।
- প্রকৃতপক্ষে আমরা নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করতে পারি না বা শক্তি ধ্বংসও করতে পারি না।
- বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে।
- এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা।

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭১৩.
রক্ত কণিকা উৎপাদনের স্থান কোনটি?
  1. অস্থিমজ্জায়
  2. যকৃত
  3. হৃৎপিণ্ড
  4. ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

• রক্ত কণিকা উৎপাদনের প্রধান স্থান অস্থিমজ্জা। অস্থিমজ্জা হাড়ের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত নরম টিস্যু, যা রক্তের সব ধরনের কণিকা-লাল রক্তকণিকা, সাদা রক্তকণিকা এবং রক্তের প্লেটলেট-উৎপাদন করে। শিশুর শরীরে অস্থিমজ্জা প্রাথমিকভাবে বৃহৎ হাড় যেমন পিঠের হাড় এবং বৃহৎ হাড়ের প্রান্তে থাকে, আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি প্রধানত পেরিফেরাল হাড়ে সীমিত থাকে। অন্য অঙ্গ যেমন যকৃত, হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস রক্তকণিকা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ নয়; তবে যকৃত কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ শর্তে লাল রক্তকণিকা তৈরি করতে পারে। সুতরাং, রক্তকণিকার জন্মস্থল হিসেবে অস্থিমজ্জাকে প্রধানভাবে চিহ্নিত করা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) অস্থিমজ্জায়।

• রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ।
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

• রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা-
- লোহিত রক্ত কণিকা,
- শ্বেত রক্ত কণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB।

৭,৭১৪.
Biotechnology শব্দটি প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. কার্ল এরেকি
  2. ক্রিক
  3. ওয়াটসন
  4. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
কার্ল এরেকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল এরেকি
ব্যাখ্যা
জীবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি (Biotechnology): 
- জীবপ্রযুক্তি দুটি শব্দ Biology এবং Technology-এর সমন্বয়ে গঠিত। 
- Biology শব্দের অর্থ জীব সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান এবং Technology শব্দের অর্থ প্রযুক্তি। 
অর্থাৎ, Biology এবং Technology-এর আন্তঃসম্পর্কিত বিষয়ই হলো জীবপ্রযুক্তি। 
- 1919 সালে হাঙ্গেরীয় প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (Karl Ereky) প্রথম Biotechnology শব্দটি প্রবর্তন করেন। 
- এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অণুজীব) উদ্ভাবন বা সেই জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। 

- বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় জীবপ্রযুক্তি কোনো নতুন সংযোজন নয়, মানবসভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই জীবপ্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। 
- গাঁজন এবং চোলাইকরণের (Fermentation and brewing) মতো প্রযুক্তিজ্ঞান মানুষ প্রায় ৪০০০ বছর আগেই রপ্ত করেছে। 
- 1863 সালে গ্রেগর জোহান মেন্ডেল কৌলিতত্ত্ব বা জেনেটিক্স-এর সূত্রগুলো আবিষ্কারের পর থেকে জীবপ্রযুক্তি নতুনরূপে অগ্রযাত্রা শুরু করে। 
- 1953 সালে Watson এবং Crick কর্তৃক ডিএনএ ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কারের ধারাবাহিকতায় আজকের আধুনিক জীবপ্রযুক্তির শুরু। 
- জীবপ্রযুক্তির অনেক পদ্ধতির মধ্যে বর্তমানে টিস্যু কালচার (Tissue culture) ও জিন প্রকৌশল (Genetic engineering) পদ্ধতি কৃষি উন্নয়ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭১৫.
জিংকের (Zn) খনিজ উৎস হচ্ছে - 
  1. সিন্নাবার
  2. বক্সাইট
  3. গ্যালেনা
  4. ক্যালামাইন
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা

• জিংক এর খনিজ উৎস ক্যালামাইন।
- জিংকের (Zn) প্রধান খনিজ উৎস হলো ক্যালামাইন। জিংক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, যা শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়া, ইমিউন সিস্টেম, কোষের বৃদ্ধিসহ নানা শারীরিক কাজের জন্য অপরিহার্য। প্রাকৃতিকভাবে জিংক বিভিন্ন খনিজের মধ্যে পাওয়া যায়। সিন্নাবার সাধারণত পারদ (Hg) সমৃদ্ধ, বক্সাইট অ্যালুমিনিয়ামের উৎস, আর গ্যালেনা সীসার (Pb) প্রধান খনিজ। ক্যালামাইন হলো একটি জিংক-অক্সাইড সমৃদ্ধ খনিজ, যা ধাতব জিংক উৎপাদনের মূল উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই জিংকের জন্য কেবল ক্যালামাইনকে প্রধান খনিজ উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটি শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা হয়।

• খনিজ সম্পদ:
- খনিজ সম্পদ প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে গঠিত হয়।
- এক বা একাধিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়ে বা সামান্য পরিবর্তিত অবস্থায় যেসব রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ শিলাস্তরে সঞ্চিত থাকে তাকে খনিজ বলে।
- খনিজে সাধারণত বিভিন্ন শিলার উপাদানগুলো ভূ-তাত্ত্বিক সময়ের উপর নির্ভর করে ধীরে ধীরে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে খনিজ পদার্থে পরিণত হয়। যেমন-লৌহ আকরিক, চুনাপাথর, গ্রাভেল, কঠিন শিলা, গ্লাস স্যাণ্ড, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ট্যাংস্টেন, সোনা, হীরা, রূপা, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ সম্পদ।
- খনিজ সম্পদ অজৈব পদার্থ।
- খনিজ সম্পদের গঠন, উপাদান, আকার এবং ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে খনিজ সম্পদকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. ধাতব খনিজ:
- ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি খনিজকে ধাতব খনিজ বলে।
- ধাতব খনিজ লৌহ বর্গীয় এবং অলৌহ বর্গীয় হয়ে থাকে।
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজসমূহ হলো- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ এবং নিকেল।
- অলৌহবর্গীয় খনিজসমূহ হলো- তামা, টিন, সোনা, রূপা, হীরা প্রভৃতি।

২. অধাতব খনিজ:
- যে সকল খনিজে ধাতব পদার্থ থাকে না তাকে অধাতব খনিজ বলে।
যেমন- সালফার, গ্রাফাইট, অভ্র এবং জিপসাম প্রভৃতি।

৩. শক্তিসম্পদ:
- যে সকল খনিজ সম্পদ প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তি সম্পদ বলে।
যেমন- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং আণবিক খনিজ প্রভৃতি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- গ্যালেনা সীসার খনিজ উৎস।
- বক্সাইট অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
- সিন্নাবার মার্কারির খনিজ উৎস।

উৎস:
১. ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭১৬.
সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে কী ধরনের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়? 
  1. সিম্পল প্রতিবিম্ব
  2. দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব
  3. ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব
  4. সিমুলেশন প্রতিবিম্ব
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান: 
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan)। 
- সিটিস্ক্যান এর সাহায্যে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটিস্ক্যান একটি বৃহৎ যন্ত্র, এ যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 

- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পাশ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 
- সিটিস্ক্যান পরীক্ষায় 'ডাই' ব্যবহৃত হয়ে এলার্জি জনিত বিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭১৭.
নিউক্লিয়াসে নিউট্রনবিহীন একমাত্র মৌল কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. ফ্লোরিন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 

নিউট্রন (Neutron): 
- নিউট্রন আধানহীন (Neutral) বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- নিউট্রনের ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n । 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g । 
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান ০(শূন্য)। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭১৮.
শব্দের তীক্ষ্ণতা কত ডেসিবল এর কম হলে মানুষ তা শুনতে পায় না?
  1. ক) ৫
  2. খ) ১০
  3. গ) ১০৫
  4. ঘ) ২১০
সঠিক উত্তর:
খ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০
ব্যাখ্যা
শব্দের একক বা শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপের একক ‘ডেসিবল’। শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপের একক এর উদ্ভাবক স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল এর নামানুসারে ‘ডেসিবল’ নামকরণ হয়েছে।
১. শব্দের তীক্ষ্ণতা ১০ ডেসিবল এর কম হলে মানুষ তা শুনতে পায় না।
২. শব্দের তীক্ষ্ণতা ১০৫ ডেসিবল এর বেশি হলে মানুষ বধির হয়ে যেতে পারে।
৩. পারমানবিক বোমা সবচেয়ে বেশি তীব্রতর শব্দ উৎপন্ন করে, ২১০ ডেসিবল।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭১৯.
শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) জুল
  2. খ) ক্যালরি
  3. গ) বিএমআই
  4. ঘ) বিএএমই
সঠিক উত্তর:
গ) বিএমআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিএমআই
ব্যাখ্যা
খাদ্য শক্তি মূল্য নির্ণয়ের আন্তর্জাতিক একক হচ্ছে জুল। 

১০০০ জুল = ১ কিলোজুল,
১০০০ কিলোজুল = ১ মেগাজুল,
১ কিলোক্যালরি= ৪১৮০ জুল = ৪.১৮ কিলোজুল ।

বিএমআই (BMI) এবং বিএমআর (BMR) : পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায় বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR- Basal Metabolic Rate) মানব শরীরে ব্যবহৃত শক্তির পরিমাণ নির্দেশ করে। আর বডি মাস ইনডেক্স (BMI - Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। শরীরের সুস্থতা ও স্থূলতার মান নির্ণয়ে এ মানদন্ড দুটি খুবই উপযোগী ।

সূত্র: ৬৩ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭২০.
প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন কে?
  1. ক) প্লেটো
  2. খ) টলেমি
  3. গ) আরিস্তারাকস
  4. ঘ) ঈশপ
  5. ঙ) এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
গ) আরিস্তারাকস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরিস্তারাকস
ব্যাখ্যা
প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন আরিস্তারাকাস।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৭,৭২১.
নিচের কোনটি দ্বারা দূষিত বাতাস বোঝায়?
  1. GAS
  2. FOG
  3. SMOG
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
SMOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMOG
ব্যাখ্যা
• SMOG বা ধোঁয়াশা: 
- SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস।
- কতিপয় বিষাক্ত পদার্থ সূর্যের আলোর উপস্থিতিতে ধোঁয়াশায় পরিণত হয় যা জীবের পক্ষে আরও ক্ষতিকর, একে আলোক রাসায়নিক ধোঁয়াশা বা ফটোকেমিক্যাল স্মগ (Photochemical smog) বলে।
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- 'SMOG' শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে।
- মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যানসার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১. পরিবেশ রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. National Geographic Society.
৭,৭২২.
সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রং হলে, কালো রং কিসে হয়?
  1. ক) লাল ও সবুজের সমন্বয়ে
  2. খ) নীল ও লাল রঙের সমন্বয়ে
  3. গ) বেগুনি ও নীল রঙের সমন্বয়ে
  4. ঘ) সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য
ব্যাখ্যা
কোনো বস্তু তার নিজস্ব রঙে দেখা যায়, কারণ নির্দিষ্ট রঙের বস্তুটি নিজের রঙ ছাড়া সকল রঙ শোষণ করে এবং নিজের রঙ প্রতিফলিত করে।
তাই বস্তু তার নিজের রঙে দেখা যায়। সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রঙ হয়, সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য কালো রঙ হয়।

যে বস্তু আলোর সব রঙ প্রতিফলিত করে তা সাদা দেখায়। কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে কালো দেখায়।
যেমন - আলোর সকল বর্ণ প্রতিফলিত করে বলে বরফ সাদা দেখায়।

আবার, দিনের বেলা সূর্যালোকে গাছের পাতা সবুজ দেখায় কিন্তু লাল আলোতে গাছের পাতা কালো বলে মনে হয়। দিনে গাছের সবুজ পাতা সূর্যালোকের সবুজ বাদে সাতটি বর্ণের সবকটিই শোষণ করে ফলে সবুজ দেখায়। কিন্তু সবুজ পাতা লাল আলোকে শোষণ করে নেয় বলে কোনো আলোই প্রতিফলিত হয় না তাই লাল আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৭,৭২৩.
একটি স্থানের তাপমাত্রা 77°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 27.5° C
  2. 20° C
  3. 29.5° C
  4. 25° C
সঠিক উত্তর:
25° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25° C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি স্থানের তাপমাত্রা 77°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলো:
C/5 = (F - 32)/9

F = 77° হলে,
C/5 = (77 - 32)/9
⇒ C/5 = 45/9
⇒ C = (45 × 5)/9
⇒ C = 225/9
∴ C = 25°

৭,৭২৪.
নিচের কোন মৌলটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
  1. লোহা
  2. হিলিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. রেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
রেডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিয়াম
ব্যাখ্যা

রেডিয়াম একটি অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় মৌল, যা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত করে।

তেজস্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয় মৌল (Radioactive element) হলো সেইসব মৌল, যাদের নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি (যেমন: আলফা, বিটা, গামা) নির্গত করে। 
- এই প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলা হয়।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th),
ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়।
- এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- লোহা: একটি স্থিতিশীল এবং অ-তেজস্ক্রিয় ধাতু।
- হিলিয়াম: একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং স্থায়ী মৌল।
- অক্সিজেন: একটি স্থায়ী মৌল। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৭,৭২৫.
বৃহস্পতিকে কী বলা হয়?
  1. নক্ষত্র
  2. গ্রহরাজ
  3. সূর্য 
  4. উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ
ব্যাখ্যা

- বৃহস্পতি হলো সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। এর বিশাল আয়তন ও ভরের কারণে একে 'গ্রহরাজ' বা 'গ্রহদের রাজা' বলা হয় 

বৃহস্পতি (Jupiter): 

- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই একে গ্রহরাজ বলে। 
- বৃহস্পতির ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়। 
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়। 
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)। 
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন। 
- বৃহস্পতির গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭২৬.
টাইডাল রেঞ্জ -এর দৈর্ঘ্য সাধারণত কত মিটার হয়ে থাকে?
  1. ক) ১-১০ মিটার
  2. খ) ৫-১৫ মিটার
  3. গ) ১-২০ মিটার
  4. ঘ) ১০-২৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১-২০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১-২০ মিটার
ব্যাখ্যা
জোয়ার ভাঁটার বিস্তৃতি (Tidal Range):
- উচ্চ জোয়ারের সময় পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ও নিম্ন জোয়ারের সময় পানির সর্বনিম্ন উচ্চতার ব্যবধানকে জোয়ার ভাঁটার বিস্তৃতি বা টাইডাল রেঞ্জ বলে।
- টাইডাল রেঞ্জ সাধারণত ১ মিটার থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে
- ভৌগোলিক অবস্থা ও এলাকার জ্যামিতিক আকৃতি অনুযায়ী টাইডাল রেঞ্জ এর বিভিন্নতা হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭২৭.
কোনটি না থাকলে কাঠে পেরেক ঢুকানো যেত না?
  1. ক) অভিকর্ষজ ত্বরণ
  2. খ) আন্তঃআণবিক ফাঁক
  3. গ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
  4. ঘ) স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক ফাঁক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক ফাঁক
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক ফাঁক বা আন্তঃআণবিক দূরত্ব বলতে পদার্থের অণুর মধ্যবর্তী স্থানকে বোঝায়।

- কঠিন পদার্থে, আন্তঃআণবিক স্থান খুব কম, কারণ অণুগুলি একত্রে ঘনিষ্ঠভাবে লেগে থাকে এবং জায়গায় কম্পন করে।
- তরল পদার্থে অণুগুলি তাদের মধ্যে আরও বেশি জায়গা রাখে এবং আরও অবাধে ঘুরে বেড়ায়, তবে এখনও একে অপরের তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি থাকে।
- গ্যাসীয় পদার্থে অণুগুলি অনেক দূরে থাকে এবং একে অপরের থেকে স্বাধীনভাবে চলে।

• এই আন্তঃআণবিক ফাঁক থাকার কারণেই কাঠে পেরেক ঢুকানো যায়। কাঠে পেরেক ঢুকানোর ক্ষেত্রে পেরেকের চারপাশের আন্তঃআণবিক ফাঁক স্থায়ীভাবে সংকুচিত হয় এবং পেরেক এবং কাঠের মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করবে।
আবার ঘর্ষণ বলের কারণে কাঠের মধ্যে এই পেরেক আটকে থাকে, বের হয়ে আসে না।
৭,৭২৮.
মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড রয়েছে কয়টি?
  1. ১৬টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

অ্যামাইনো এসিড:
- ২০ টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়।
- যেমন- লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন (Valine), লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
- এই ৮ টি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি।
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭২৯.
স্নায়ুবিক অস্থিরতা ও চলফেরায় অক্ষমতা দেখা দেয় কোন ভিটামিনের অভাবে?
  1. ভিটামিন বি-১
  2. ভিটামিন বি-২
  3. ভিটামিন বি-৫
  4. ভিটামিন বি-১২
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি-১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি-১২
ব্যাখ্যা
ভিটামিন বি-১২ বা সায়ানোকোবালামিন (Vitamin B12)
ভিটামিন বি-১২ এর রাসায়নিক নাম সায়ানোকোবালামিন (Cyanocobalamin)।
সায়ানোকোবালামিনের উৎস: যকৃত, মাছ, মাংস, বৃক্ক, ডিম ইত্যাদিতে এই ভিটামিন যথেষ্ট পরিমাণে পাওয়া যায়।

সায়ানোকোবালামিনের কাজ: 
১। রক্তের লোহিত কণিকা গঠনে ফলিক এসিডের সাথে ভিটামিন বি-১২ কাজ করে।
২। অত্যাবশ্যক এ্যামাইনো এসিড মিথিওনিন তৈরিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।

সায়ানোকোবালামিনের অভাবজনিত অবস্থা: 
১। ভিটামিন বি-১২ এর অভাবে পার্নিসাস এ্যনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হয়ে শরীর ফ্যাকাশে, দুর্বল ও অবসন্ন হয়ে যায়।
২। স্নায়ুবিক অস্থিরতা ও চলফেরায় অক্ষমতা দেখা দেয়।
 
অপরদিকে,
ভিটামিন বি-১ বা থায়ামিনের অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ার অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়৷
ভিটামিন বি-২ বা রিবোফ্ল্যাভিন এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা যায়, মুখে ও জিভে ঘা হয়।
ভিটামিন বি-৩ বা নিয়াসিনের অভাবে পেলেগ্রা হয়।


উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৩০.
Budding কোন প্রাণিতে ঘটে?
  1. Euglena
  2. Hydra
  3. তেলাপোকা
  4. পরিফেরা
সঠিক উত্তর:
Hydra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydra
ব্যাখ্যা

Budding (কুঁড়ি দ্বারা প্রজনন):
- Budding হলো এক ধরনের অযৌন প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে মূল দেহের গায়ে একটি ছোট কুঁড়ি (bud) তৈরি হয়।
- এই কুঁড়িটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ নতুন জীব হিসেবে পরিণত হয়।
- পরিপক্ব হলে কুঁড়িটি মূল দেহ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে।
- Budding প্রক্রিয়ায় জিনগত বৈচিত্র্য থাকে না, কারণ এটি অযৌন প্রজনন।
- এই প্রক্রিয়া সাধারণত সরল গঠনের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়।

Hydra-তে Budding:
- Hydra একটি সরল জলজ প্রাণী।
- Hydra-র দেহপ্রাচীরের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে কুঁড়ি সৃষ্টি হয়।
- কুঁড়িটি ধীরে ধীরে মুখ ও শুঁড় (tentacle) গঠন করে।
- পরিপক্ব হলে এটি মূল Hydra থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- তাই Hydra-তে Budding প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
- Euglena প্রধানত দ্বিখণ্ডন (Binary fission) প্রক্রিয়ায় বংশবিস্তার করে।
- তেলাপোকা যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
- পরিফেরা (স্পঞ্জ) তে কুঁড়ি সদৃশ প্রক্রিয়া থাকলেও পাঠ্যবই অনুযায়ী আদর্শ উদাহরণ নয়।

সুতরাং, Budding প্রক্রিয়াটি ঘটে Hydra-তে।
সঠিক উত্তর: খ) Hydra.

সূত্র - sciencedirect journal.

৭,৭৩১.
নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
  1. ক) ভাত
  2. খ) মাছ
  3. গ) দুধ
  4. ঘ) ফল
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
ব্যাখ্যা
- শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য দুধ অপরিহার্য। দুধ পুষ্টিকর খাদ্যসমূহের অন্যতম।
- পুষ্টিগুণের বিবেচনায় এটি আদর্শ খাদ্য। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ক্লোরিন) ও পানি খাদ্যের সকল উপাদানই দুধে বিদ্যমান।
- দুধের গড় উপাদানে আছে ৮৭.৬% পানি, ৩.৭% চর্বি, ৩.২% প্রোটিন, ৪.২% ল্যাকটোজ ও ০.৭২% খনিজ, ভিটামিন বি-১২ (২৬.১%)। 
- একশ মিলিলিটার দুধ থেকে ৬৫.৩ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।
- এছাড়া দুধে আয়রনের পরিমাণ ০.২৭ মিলিগ্রাম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট, National Library of Medicine.
৭,৭৩২.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'শতাব্দী ও ডেলফোজ'  কী ধরনের ফসলের জাত হিসেবে পরিচিত?
  1. ভুট্টা ও তামাক
  2. গম ও তুলা
  3. গম ও টমেটো
  4. আলু ও আম
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
ব্যাখ্যা

গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী
- তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

অন্যান্য ফসল ও তাদের কিছু উন্নত জাত:
-  ধান: ব্রি হাইব্রিড - ১, সুফলা, প্রগতি।
-  ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
-  বেগুন: নয়নতারা, শুকতারা, বিজয়।
- আলু: হিরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল।
- আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৭,৭৩৩.
মানবদেহে মোট কশেরুকা কয়টি?
  1. ক) ৩০টি
  2. খ) ৩২টি
  3. গ) ৩৩টি
  4. ঘ) ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩টি
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ড : অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দন্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া বলে।
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখন্ডক সমন্বয়ে মেরুদন্ড গঠিত। এ সকল অস্থিখন্ডককে কশেরুকা বলে।
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে।
এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৩৪.
লেকল্যান্স কোষে কোনটি ক্যাথোড হিসাবে ব্যাবহৃত হয়?
  1. MnO2
  2. Zn
  3. H2SO4
  4. ZnSO4
সঠিক উত্তর:
MnO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MnO2
ব্যাখ্যা
লেকল্যান্স কোষ  
- লেকল্যান্স কোষ হলো একটি একপ্রবাহী কোষ।
- জরজেস লেকল্যান্স ১৮৬৫ সালে এই কোষ উদ্ভাবন করেন।
- Leclanche cell এর অপর নাম দস্তা-কার্বন ব্যাটারি। 

- লেকল্যান্স কোষে Zn ইলেক্ট্রোড অ্যানোড এবং MnO2 ইলেক্ট্রোড ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে।
- ক্যাথোডে বিক্রিয়া : 2NH4+ + 2MnO2  + 2e- → 2MnO(OH) + 2NH3
- আ্যনোডে বিক্রিয়া : Zn → Zn2+ + 2e- 

উল্লেখ্য, 
 - প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ - যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৭,৭৩৫.
গামা রশ্মির প্রকৃতি কেমন?
  1. চার্জ পরিবর্তনশীল 
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. ধনাত্মক চার্জযুক্ত 
  4. আধানহীন
সঠিক উত্তর:
আধানহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধানহীন
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি একটি ধরনের বৈদ্যুতিক চুম্বকীয় তড়িৎ তরঙ্গ, যা পারমাণবিক বিকিরণ থেকে উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে কোন প্রকার চার্জ বা আধান থাকে না, অর্থাৎ এটি নিরপেক্ষ। গামা রশ্মি শক্তিশালী এবং খুব ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো হিসাবে কাজ করে। এটি পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজেই প্রবেশ করতে পারে এবং ধাতব বা ঘন পদার্থের দ্বারা আংশিকভাবে শোষিত হয়। তাই গামা রশ্মি আধানহীন এবং চার্জবিহীন, যা এটিকে অন্যান্য কণা বিকিরণের তুলনায় আলাদা করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) আধানহীন।

গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
- গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৩৬.
মানুষের হৃৎপিণ্ডের ওজন কত? 
  1. প্রায় ১০০ গ্রাম
  2. প্রায় ৩০০ গ্রাম
  3. প্রায় ৪০০ গ্রাম
  4. প্রায় ২০০ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩০০ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড: 
- পেশিবহুল ত্রিকোণাকার, ফাঁপা, চার প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো যন্ত্র যার সংকোচন ও প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয় তাকে হৃৎপিণ্ড বলে। 
- রক্তকে রক্তবাহিকার ভেতর দিয়ে সঞ্চালনের জন্য হৃৎপিণ্ড মানবদেহের পাম্প যন্ত্ররূপে কাজ করে। 
- একটি হৃৎপিণ্ডের ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম, তবে স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে তা পুরুষের তুলনায় ১/৩ অংশ কম হয়। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের মধ্যচ্ছদার উপরে ও দুই ফুসফুসের মাঝ বরাবর অঞ্চলে বাম দিক ঘেঁষে তির্যকভাবে অবস্থিত। 
- এটি দেখতে লালচে রংয়ের ও ত্রিকোণাকার। 
- এর সম্মুখভাব স্টার্নামের দিকে পচাৎভাগ মেরুদণ্ডের দিকে এবং নিম্নভাগ ডায়াফ্রামের উপরে থাকে। 
- হৃৎপিণ্ডটি ডান দিকের দ্বিতীয় কশেরুকা থেকে বাম দিকের পঞ্চম কশেরুকা পর্যন্ত তির্যকভাবে অবস্থান করে। 
- হৃৎপিণ্ডে প্রশস্ত সম্মুখভাগ অলিন্দ দ্বারা ও পশ্চাতের মোচাকার অংশটি নিলয় দ্বারা গঠিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৩৭.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ?
  1. ক) জিপসাম
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) ম্যাঙ্গানিজ
  4. ঘ) অভ্র
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- কয়লা
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র
৭,৭৩৮.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি নয়?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. ভর
  3. বল
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল
ব্যাখ্যা

• মৌলিক রাশি (Fundamental Quantity):
- যে রাশিগুলো অন্য কোনো রাশি থেকে নির্ণয় করা যায় না এবং পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি গঠন করে, সেগুলোই মৌলিক রাশি নামে পরিচিত।
- এদের মান অন্য কোনো ভৌত রাশির ওপর নির্ভর করে না।

• SI পদ্ধতিতে মোট সাতটি মৌলিক রাশি রয়েছে:
i) দৈর্ঘ্য (মিটার, m),
ii) ভর (কিলোগ্রাম, kg),
iii) সময় (সেকেন্ড, s),
iv) তড়িৎ প্রবাহ (অ্যাম্পিয়ার, A),
v) তাপমাত্রা (কেলভিন, K),
vi) পদার্থের পরিমাণ (মোল, mol) এবং
vii) আলোক তীব্রতা (ক্যান্ডেলা, cd)।
এই সাতটি রাশি থেকেই পদার্থবিজ্ঞানের সমস্ত অন্যান্য রাশি নির্ণীত হয়।

• লব্ধ রাশি (Derived Quantity):
- যে সকল ভৌত রাশি এক বা একাধিক মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত, তাদের লব্ধ রাশি বলা হয়।
- এদের মান নির্ভর করে মৌলিক রাশিগুলোর ওপর।
উদাহরণস্বরূপ, 
বল (Force) = ভর × ত্বরণ = kg.m/s2,
বেগ (Velocity) = m/s এবং
চাপ (Pressure) = N/m2 = kg/(m.s2)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ- শ্রেণি।

৭,৭৩৯.
স্টিফেন হকিন্স বিশ্বের একজন অতিশয় বিখ্যাত-
  1. দার্শনিক
  2. পদার্থবিদ
  3. কবি
  4. রসায়নবিদ
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিদ
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং ছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন।
- সম্মান: রয়্যাল সোসাইটির ফেলো, প্রেসিডেন্টিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, কপলি মেডেল
- ১৪ মার্চ ২০১৮ স্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭৪০.
মানবদেহে মাঙ্কিপক্সের উপস্থিতি সর্বপ্রথম কখন ধরা পড়ে?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৫৮
  3. গ) ২০২২
  4. ঘ) ১৯৭০ 
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৮
ব্যাখ্যা
মানবদেহে মাঙ্কিপক্সের উপস্থিতি সর্বপ্রথম ধরা পড়ে ১৯৫৮ সালে। 

মাঙ্কিপক্স এমন একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যা যা পশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হতে পারে। মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ অনেকটাই স্মলপক্স বা গুটিবসন্তের মতো। মাঙ্কিপক্স মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের খোঁজ মেলে। তবে নাম ‘মাঙ্কিপক্স’ হলেও একাধিক বন্যপ্রাণির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে। 

পশু থেকে মানুষের মধ্যে যে ভাবে সংক্রমণ ছড়াতে পারে:
১. আঁচড় বা কামড়ের মাধ্যমে
২. বন্য প্রাণী শিকার করে পাওয়া মাংস থেকে 
৩. সংক্রমিত কোনো পশুর শরীরের কোনও রস বা চোট-আঘাতের সংস্পর্শে এসে 

শ্বাসনালী, চামড়ার উপরের ক্ষত, অথবা মুখ, নাক বা চোখের মিউকাস মেম্ব্রেন-এর মাধ্যমে ভাইরাসটি শরীরে ঢুকতে পারে।   

সূত্র: Centers for Disease Control and Prevention Website. 
৭,৭৪১.
পৃথিবীর কেন্দ্রে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. লোহা
  3. কপার
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল (Core) মূলত লোহা (Fe) দ্বারা গঠিত, সাথে কিছু পরিমাণ নিকেল (Ni) ও হালকা উপাদান (যেমন সালফার, অক্সিজেন ইত্যাদি) থাকে।

পৃথিবীর কেন্দ্র: 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে গভীরতার সাথে তাপমাত্রা ও চাপ বৃদ্ধি পায়।
- গড়ে প্রতি ১ কিলোমিটার গভীরতায় প্রায় ২৫° সেলসিয়াস (অথবা প্রতি ২১.৩ মিটার গভীরতায় ১° ফারেনহাইট) তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে।
- পৃথিবীর কেন্দ্র প্রায় সম্পূর্ণই ধাতব; প্রধানত লোহা (Fe) ও নিকেল (Ni)। এজন্য কেন্দ্রকে সংক্ষেপে বলা হয় NiFe (Nickel + Iron)।
- পৃথিবীর মোট ভরের ৯০% গঠিত লোহা (Fe), অক্সিজেন (O), সিলিকন (Si), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা। এরা মূলত silicate minerals তৈরি করে।
- পৃথিবীর ভরের ৮৫–৯০% লোহা (Iron) মূলত কেন্দ্রে কেন্দ্রীভূত।

পৃথিবী গঠনের (প্রায় ৪.৫৬ বিলিয়ন বছর আগে) অল্প সময় পরই ভিন্ন ভিন্ন স্তরে বিভক্ত হয়েছিল—
Core (কেন্দ্র): ধাতব উপাদানে সমৃদ্ধ।
Mantle: সিলিকেট সমৃদ্ধ।
Crust: খনিজে বৈচিত্র্যময়, কিন্তু আয়তনে খুব পাতলা।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। National Geographic ওয়েবসাইট। 

৭,৭৪২.
প্রোটনের প্রকৃত চার্জ কত?
  1. ক) 1.602 × 10- 19
  2. খ) - 1.602 × 10- 19
  3. গ) 1.672 × 10- 27
  4. ঘ) 9.11 × 10- 21
সঠিক উত্তর:
ক) 1.602 × 10- 19
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1.602 × 10- 19
ব্যাখ্যা
স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়।


উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৪৩.
প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয় -
  1. রবার্ট হুককে
  2. উইলিয়াম হার্ভেকে
  3. অ্যারিস্টটলকে
  4. থিওফ্রাস্টাসকে
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটলকে
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞান: 
- জীবজগতের বিজ্ঞানভিত্তিক পঠন-পাঠন, আলোচনা, গবেষণা এবং প্রয়োগই হলো Biology বা জীববিজ্ঞান। 
- ফরাসী বিজ্ঞানী ল্যামার্ক  জীবনের বিজ্ঞান বোঝাতে Biology শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। 
- দু'টি গ্রীক শব্দ Bios (অর্থ জীবন) এবং Logos (অর্থ জ্ঞান)-এর সমন্বয়ে ইংরেজি Biology শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 
- জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি।
যথা- 
 ১. উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany): 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের উদ্ভিদ, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, পূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো উদ্ভিদবিজ্ঞান। 
- গ্রীক দার্শনিক থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 

২. প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology): 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের প্রাণী, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো প্রাণিবিজ্ঞান। 
- গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- কোষ বিদ্যার জনক রবার্ট হুক। 
- শারীর বিদ্যার জনক উইলিয়াম হার্ভে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৪৪.
SI (International System of Units) পদ্ধতিতে পরিবাহিতার একক-
  1. ক) সিমেন্স
  2. খ) বেকেরেল
  3. গ) ডায়প্টার
  4. ঘ) কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
ক) সিমেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিমেন্স
ব্যাখ্যা
SI(International System of Units) পদ্ধতিতে পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S); আধানের একক কুলম্ব(C); তেজস্ক্রিয়তার একক বেকেরেল(Bq) এবং লেন্সের ক্ষমতার একক ডায়াপ্টার(D)।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৭,৭৪৫.
রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
  1. Catla catla
  2. Tenualosa Ilisha
  3. Arius gagora
  4. Labeo rohita
সঠিক উত্তর:
Labeo rohita
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Labeo rohita
ব্যাখ্যা

রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম:
- রুই মাছ বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় স্বাদুপানির মাছ।
- এটি মূলত নদী, খাল, বিল ও পুকুরে পাওয়া যায়।
- রুই মাছ কার্প (Carp) জাতীয় মাছের অন্তর্ভুক্ত।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়েছে মাছটির গঠন, প্রজাতি ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে।
- রুই মাছের স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita.

অন্যান্য অপশন গুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- Catla catla → এটি কাতলা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম।
- Tenualosa ilisha → এটি ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম।
- Arius gagora → এটি একটি সামুদ্রিক/লবণাক্ত পানির মাছের প্রজাতি।

সুতরাং, রুই মাছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita.
সঠিক উত্তর: ঘ) Labeo rohitu.

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৪৬.
উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ করার প্রক্রিয়ায় কোন খনিজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম 
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পুষ্টিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের ভূমিকা: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন খনিজ পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- কিছু ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্টের ভূমিকা নিম্নে বর্ণনা করা হলো- 
১। পটাশিয়াম: 
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- পটাশিয়াম উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। 
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে। 

২। নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেন নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন আর ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হয়, আর ক্লোরোফিল সৃষ্টি ব্যাহত হলে খাদ্য প্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্যপ্রস্তুত বাধাপ্রাপ্ত হলে শ্বসন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শক্তি নির্গমন হ্রাস পায়। 

৩। ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- এর অভাব হলে ক্লোরোফিল অণু সৃষ্টি এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত ব্যাহত হবে। 

৪। ফসফরাস: 
- মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
- ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান। 
- কাজেই এটি ছাড়া উদ্ভিদের পুষ্টি একেবারেই সম্ভব নয়। 
- উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৪৭.
'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. স্টিফেন হকিং
  3. রিচার্ড ফেইম্যান
  4. নীলস বোর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা

৭,৭৪৮.
কোনো তরঙ্গের কম্পাংক f এবং পর্যায়কাল T হলে এদের মধ্যে সম্পর্ক-
  1. ক) T = 1/f
  2. খ) T = f
  3. গ) T = 1/f2
  4. ঘ) f = 1/T2
সঠিক উত্তর:
ক) T = 1/f
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) T = 1/f
ব্যাখ্যা

পর্যায়কাল বা দোলনকাল : তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনাে কম্পনশীল কণার একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল T বলে।
কম্পাঙ্ক : তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনাে কম্পনশীল কণা একক সময়ে যতগুলা পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে ঐ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক f বলে।
কোনাে কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক, f= N/t
কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়। কোনাে কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।
আবার, পর্যায়কাল T হলে, T সময়ে সম্পন্ন হয় 1টি কম্পন
একক সময়ে সম্পন্ন হয় 1/T টি কম্পন
সুতরাং f = 1/T
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৭,৭৪৯.
কোন উপাদানটি সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম সিলিকেট
  2. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. পটাশিয়াম ক্লোরাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা পটাশিয়াম লবণ (R- COOK) I
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) I
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3)' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৫০.
দ্রবণে সাধারণত কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
দ্রবণ
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দুই বা ততোধিক কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যার প্রতিটি উপাদানের আপেক্ষিক পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিবর্তিত করা যায়, তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের সাধারণত দুইটি অংশ থাকে। একটি হলো দ্রাবক আর অপরটি হলো দ্রব।
         দ্রবণ= দ্রাবক + দ্রব।
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয়, তাকে দ্রাবক বলা হয়।
- দ্রব ও দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকারের দ্রবণ হয়। যথা: 
দ্রাবক        দ্রব          উদাহরণ
গ্যাস           গ্যাস        বায়ু: সাধারণভাবে 78% N2 ও 21% O2। অধিক পরিমাণে N2 এর মধ্যে কম পরিমাণে O2                                        এর মিশ্রণ।
তরল           গ্যাস        সোডা ওয়াটার: পানিতে উচ্চ চাপে CO2 কেন্দ্রীভূত করা হয়।
তরল           তরল        পানি-অ্যালকোহলের দ্রবণ: পানিতে কিছু পরিমাণ অ্যালকোহল দ্রবীভূত করা হয়।
কঠিন          কঠিন       ধাতু সংকর: কপার ও জিংকের সমসত্ত্ব মিশ্রণ।
কঠিন          তরল        পারদ সংকর বা জিংক অ্যামালগাম
কঠিন          গ্যাস        কঠিন প্যালাডিয়াম ধাতু দ্বারা H2 গ্যাস শোষিত হয়।
গ্যাস            তরল        মেঘ: বায়ুতে জলীয় বাষ্প।

উৎস
: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৫১.
অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য কোনটি আবশ্যক?
  1. ক) ম্যাংগানিজ
  2. খ) কপার
  3. গ) মােলিবডেনাম
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
গ) মােলিবডেনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মােলিবডেনাম
ব্যাখ্যা

ম্যাংগানিজ: ক্লোরােপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাংগানিজ প্রয়ােজন।
কপার: টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কপার বা তামার প্রয়োেজন, শ্বসন প্রক্রিয়ার উপরও কপারের প্রভাব উল্লেখযোগ্য।
বােরন: উদ্ভিদের সক্রিয়ভাবে বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বােরন প্রয়ােজন, চিনি পরিবহনে বােরন পরােক্ষ প্রভাব বিস্তার করে।
মােলিবডেনাম: অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মােলিবডেনাম আবশ্যক।
ক্লোরিন: সুগারবিট এর মূল এবং কাণ্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়ােজন।

৭,৭৫২.
অগ্ন্যাশয় রসে কোন এনজাইম থাকে?
  1. ল্যাকটেজ
  2. অ্যামাইলেজ
  3. মলটেজ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা

খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা:
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে।
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
- মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়।
- লালারসে মিউসিন এবং দু'প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম; যথা- টায়ালিন ও মলটেজ থাকে।

যে সকল এনজাইম পরিপাকে অংশ নেয় সেগুলো হচ্ছে:
১. লালা রসে: টায়ালিন ও মলটেজ।
২. পাকস্থলি রসে: শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
৩. অগ্ন্যাশয় রসে: অ্যামাইলেজ ও মলটেজ।
৪. আন্ত্রিক রসে: অ্যামাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ।
মিউসিন: মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে।
টায়ালিন: টায়ালিন এনজাইম প্রধানত: সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৫৩.
কোন রক্ত কণিকা 'White Blood Cell' নামে পরিচিত?
  1. হিমোগ্লোবিন
  2. অনুচক্রিকা
  3. শ্বেত রক্ত কণিকা
  4. লোহিত রক্ত কণিকা
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকা ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৫৪.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না? 
  1. সৌর শক্তি 
  2. বায়ুপ্রবাহ 
  3. বায়োগ্যাস 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস 
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়োগ্যাস,  বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৫৫.
একটি পূর্ণতরঙ্গ রেকটিফায়ার কয়টি ডায়োড দ্বারা তৈরি হয়?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
• একটি পূর্ণতরঙ্গ রেকটিফায়ার ৪ টি ডায়োড দ্বারা তৈরি হয়। 

• ডায়োড:
- ডায়োড হলো একটি দুই প্রান্ত বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক উপাদান যা একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহ হতে দেয়, কিন্তু বিপরীত দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে বাধা দেয়।

• ডায়োডের বৈশিষ্ট্য:
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার:
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার হলো একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (এসি) কে সরাসরি কারেন্ট (ডিসি) তে রূপান্তর করে।

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার চারটি ডায়োড দ্বারা তৈরি করা হয়। 
- এই ৪টি ডায়োড এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যাতে AC ইনপুটের উভয় অংশকে DC আউটপুটে রূপান্তর করা যায়।

• নিম্নের চিত্রে চারটি ডায়োড D1, D2, D3, D4 পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করে। 


তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৫৬.
কোনটি চা-গাছে রোগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) শৈবাল
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) ব্যাকটেরিয়া
  4. ঘ) ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
খ) ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছত্রাক
ব্যাখ্যা
- চা গাছ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়। 
- এ পর্যন্ত ২২টি বিভিন্ন জীবানুঘটিত  রোগ চা গাছে শনাক্ত করা হয়েছে।
- মৌসুমের সব সময়ই চা গাছে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় ও রোগবালাই এর আক্রমন লেগে থাকে। 
- সাধারনত রোগবালাই, পোকামাকড় ও আগাছার আক্রমনের কারনে চায়ের ফলন গড়ে প্রায় ১০- ১৫% কমে যায়।
- মৌসুমের সময় চায়ের Red rust, Black rot, Dieback, Blight, Charcoal stump rot ইত্যাদি রোগসমূহ বেশ প্রকট থাকে। 
- মৌসুমে মে- জুন মাসে একবার এবং আগস্ট- সেপ্টেম্বর মাসে একবার মোট দুইবার ছত্রাকনাশক যেমন নোইন ৫০ 'ডব্লিউপি (কার্বেন্ডাজিম) ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট
৭,৭৫৭.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত? 
  1. ৫৪.৯° সেলসিয়াস
  2. ৯৮.৪° সেলসিয়াস
  3. ৩৬.৯° ফারেনহাইট
  4. ৯৮.৪° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮.৪° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে। 
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাঁটা থাকে। 
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৭,৭৫৮.
মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে কী বলে? 
  1. লিউকোসাইটোসিস
  2. থ্যালাসেমিয়া
  3. করোনারি থ্রম্বোসিস
  4. সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
সঠিক উত্তর:
সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েডের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। 
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। যথা- 
১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং 
২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL)। 

- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl.
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। 
- স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালী অন্তঃপ্রাচীরের গায়ে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্তনালী গহ্বর ছোট হয়ে যায়। 
- এই কারণে ধমনির প্রাচীরের স্থিথিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়। এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে। এর প্রভাবে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। 
- ধমনির গায়ে ফাটল দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে জমাট বেঁধে রক্তপ্রবাহ বাধপ্রাপ্ত হয়। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 
-  রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে LDL-এর পরিমাণ বেড়ে যায় আর HDL-এর পরিমাণ কমে যায়। LDL-এর পরিমাণ ১৫০ mg/dl থেকে বেশি হলে তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৫৯.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
  1. নদীতে
  2. পুকুরে
  3. হ্রদে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ:
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে।
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়।
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম।
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয়।
- ফলে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৭,৭৬০.
উপগ্রহ কী? 
  1. সূর্যের অংশবিশেষ 
  2. গ্রহাণুপুঞ্জের বড় অংশ 
  3. গ্রহের চারদিকে আবর্তিত ক্ষুদ্র গোলাকার বস্তু 
  4. দূরবর্তী নক্ষত্রের প্রভাবাধীন বস্তু 
সঠিক উত্তর:
গ্রহের চারদিকে আবর্তিত ক্ষুদ্র গোলাকার বস্তু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহের চারদিকে আবর্তিত ক্ষুদ্র গোলাকার বস্তু 
ব্যাখ্যা

সৌরজগত: 
- মহাকাশে মাঝারী এক নক্ষত্র হলো সূর্য। 
- সূর্যের মহাকর্ষ শক্তি (Gravitational Force) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে একে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আকারের গ্রহ-উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ ও উল্কাসমূহ একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ও নির্দিষ্ট গতিতে অনবরত ঘুর্ণনরত অবস্থায় বিরাজ করছে। 
 - সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুর্ণনরত অবস্থায় সকল গ্রহ-উপগ্রহ, গ্রহানুপুঞ্জ ও উল্কাপিন্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে সৌরজগৎ।
- সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত সূর্যের প্রবল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে বিভিন্ন আকারের গ্রহ (Planet) একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে, ডিম্বাকৃতির একটি পথে ক্রমাগত আবর্তিত হচ্ছে, এই পথটি কক্ষপথ নামে পরিচিত। 
- আবার গ্রহসমূহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রাকারের কিছু গোলাকার বস্তু, যা উপগ্রহ (Satellite) পরিচিত। 
যেমন: পৃথিবী নামক গ্রহটিকে ঘিরে আবর্তিত হয় চাঁদ নামক উপগ্রহ। 
- বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি নামক গ্রহ দুইটির কক্ষপথের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে এক কিলোমিটার বা তার চেয়ে ক্ষুদ্রায়তনের হাজার হাজার গ্রহাণু (Asteroids), লক্ষ লক্ষ ধূমকেতু (Comet), উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteoroids), সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও বিভিন্ন ধরনের গ্যাসীয় পদার্থসমূহের এক বলয়, যা গ্রহানুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৬১.
ডেকেনে হাইড্রোজেনের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৮
  3. গ) ২২
  4. ঘ) ২৬
সঠিক উত্তর:
গ) ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২
ব্যাখ্যা
অ্যালকেনের সাধারণ সংকেত CnH2n + 2

ডেকেন হলে, n = 10

CnH2n + 2
= C10 H2 × 10 + 2
= C10H22


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৬২.
এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়াকে বলা হয়- 
  1. বিয়োজন বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রশমন বিক্রিয়া
  4. জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশমন বিক্রিয়া: 
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়। 
যেমন - লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়। 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৬৩.
প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ২ মিনিট
  2. ৪ মিনিট
  3. ২ সেকেন্ড
  4. ৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে গণনা করা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।   

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৬৪.
গ্লুবার লবণ এবং তুঁতের মধ্যে অবস্থিত পানির অনুপাত কত?
  1. ৩ : ২
  2. ১ : ২
  3. ২ : ১
  4. ৪ : ৩
সঠিক উত্তর:
২ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ : ১
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

- গ্লুবার লবণে পানি রয়েছে - ১০ অণু,
- তুঁতেতে পানি রয়েছে - ৫ অণু,

সুতরাং, গ্লুবার লবণ এবং তুঁতেতে অবস্থিত পানির অনুপাত হচ্ছে: ২ : ১।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৬৫.
সূর্য প্রধানত কোন দুটি গ্যাস দিয়ে গঠিত? 
  1. হিলিয়াম ও কার্বন 
  2. হিলিয়াম ও অক্সিজেন 
  3. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  4. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- সূর্য প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৬৬.
বিদ্যুৎ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কি?
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্ট মিটার
  3. গ্যালভানো মিটার
  4. ট্রান্সফর্মার
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার। 
- ট্রান্সফরমার বা ট্রান্সফর্মার একটি গতিহীন নিশ্চল বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- গ্যালভানোমিটার দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৭৬৭.
এক অনু সালফিউরিক এসিডে কতটি পরমাণু আছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৫
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
ব্যাখ্যা

এক অনু সালফিউরিক এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H2SO4 । এতে পরমাণু সংখ্যা 2+1+4 = 7 টি।

৭,৭৬৮.
আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় কাকে?
  1. জেমস গ্রেগরি
  2. জন ম্যাক্সওয়েল
  3. জি. মার্কনী
  4. কার্ল রিটার
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ল রিটার
ব্যাখ্যা
• হুমবোল্ট ও রিটারের ধারণা:
- আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট এবং কার্ল রিটার হলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর দুই জার্মান মনীষী।
- এই দুইজনকে আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা বলা যেতে পারে।
- হুমবোল্টের বিভিন্ন রচনার মধ্যে ১৮৪৫ থেকে ১৮৬২ সালের মধ্যে পাঁচ খণ্ডে প্রকাশিত প্রাকৃতিক পৃথিবীর বর্ণনা সম্বলিত "The Cosmos" সর্বশ্রেষ্ঠ।
- এসব কাজে তিনি প্রাকৃতিক বিশ্বের "একত্ব" বা "সামগ্রিকত্ব” প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।
- তাঁর মতে প্রাকৃতিক বিশ্বকে কতগুলি মৌলিক নীতির সৃষ্ট ফল বলে ব্যাখ্যা করা যায়।
- তাঁর রচনার সমগ্রভাগে প্রাকৃতিক ঘটনাবলি এবং মানবজাতির পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়া হয়েছে এবং তিনি প্রাকৃতিক বিশ্বকে ব্যাখ্যার জন্য সার্বজনীন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়াস পেয়েছেন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৬৯.
কোনটি জীব-অজীব উপাদানের আন্তঃসম্পর্ক নির্ণয় করে?
  1. অঙ্গতন্ত্র
  2. জিনবিন্যাস
  3. বাস্তুতন্ত্র
  4. শ্রেণিবিন্যাস
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তুতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• বাস্তুতন্ত্র-
- বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem) হলো একটি নির্দিষ্ট এলাকার জীব ও অজীব উপাদানসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক ও নির্ভরশীলতার একটি পূর্ণাঙ্গ গঠন।
- এখানে উদ্ভিদ, প্রাণী, মাটি, পানি, আলো, তাপমাত্রা ইত্যাদি উপাদান পরস্পরের সঙ্গে জড়িত এবং একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
বাস্তুতন্ত্র জীব ও অজীব উপাদানগুলোর মধ্যে শক্তি প্রবাহ ও পুষ্টি চক্র সম্পর্ককে বোঝায়। 

অন্যদিকে,
• শ্রেণিবিন্যাস হলো জীবের নামকরণ ও শ্রেণীভুক্তি বিষয়ক। 
• জিনবিন্যাস হলো জীবের জিনের বিন্যাস বা গঠন।
• অঙ্গতন্ত্র হলো শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকর সমন্বিত গঠন। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৭,৭৭০.
টেপ রেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কোন ধরনের ব্যবহৃত হয়?
  1. অস্থায়ী চুম্বক
  2. সিরামিক চুম্বক
  3. কোমল চুম্বক 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিরামিক চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরামিক চুম্বক
ব্যাখ্যা

চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 

২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৭১.
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান-
  1. ক) ১৯০০ সালে
  2. খ) ১৯০১ সালে
  3. গ) ১৯১৬ সালে
  4. ঘ) ১৯১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৮ সালে
ব্যাখ্যা
কার্ল আর্নস্ট লুডভিগ ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, কোয়ান্টাম তত্ত্বের কারণে ১৯১৮ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
৭,৭৭২.
SMOG সৃষ্টির উৎস কোনটি?
  1. ক) তুষারপাত ও ধোঁয়া
  2. খ) কুয়াশা ও বৃষ্টি
  3. গ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
  4. ঘ) কালোধোঁয়া ও বাতাস
সঠিক উত্তর:
গ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
ব্যাখ্যা
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভূতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়।

 উৎস : National Geographic Society.
৭,৭৭৩.
জিকা ভাইরাস ছড়ায় কিসের মাধ্যমে?
  1. মশা
  2. মাছি
  3. পানি
  4. বাতাস
সঠিক উত্তর:
মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মশা
ব্যাখ্যা
• জিকা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত করা হয় উগান্ডায় ১৯৪৭ সালে বানরের শরীরে। পরবর্তীতে, ১৯৫২ সালে মানবদেহে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব এর প্রমাণ পেলে উগান্ডায় এবং তানজানিয়ায়। 

• ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার মতোই জিকা ভাইরাসও মশাবাহিত একটি ভাইরাস। জানা যাচ্ছে, যে এডিস মশার কারণে ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়া প্রভৃতি রোগ ছড়ায়, সেই এডিস মশাই জিকা ভাইরাস বহন করে। 

লক্ষণ:
জিকা ভাইরাসের সর্বাধিক সাধারণ লক্ষণগুলি হল জ্বর এবং ত্বকে ফুসকুড়ি, সাধারণত পেশি/অস্থিসন্ধিতে ব্যাথা এবং কনজাংটিভাইটিস। এই লক্ষণগুলি সাধারণত মৃদু হয়, ২-৭ দিন অবধি থাকতে পারে।

সূত্র: World Health Organization Website.
৭,৭৭৪.
সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার শীর্ষ থেকে টিস্যু মারা যাওয়াকে কী বলে?
  1. ডাইব্যাক
  2. ক্লোরোসিস
  3. ফ্লোরোসিস
  4. উইল্ট 
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইব্যাক
ব্যাখ্যা

- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার শীর্ষ থেকে টিস্যু মারা যাওয়াকে ডাইব্যাক (Dieback) বলে, যা গাছের শীর্ষ বা প্রান্তীয় অংশ থেকে টিস্যুর মৃত্যু নির্দেশ করে। 

সালফার: 
- সালফার (S) উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয় শুধু, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৭৫.
নিচের কোনটি দ্বিস্তরী প্রাণী?
  1. অরেলিয়া
  2. স্কাইফা
  3. মানুষ
  4. অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
অরেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেলিয়া
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক. একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum) । 

খ. দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita) । 

গ. ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens) । 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৭৬.
নক্ষত্রের ক্ষেত্রে চন্দ্রশেখর সীমা কোনটি?
  1. ক) ১ সৌরভর
  2. খ) ১.৪ সৌরভর
  3. গ) ৩.২ সৌরভর
  4. ঘ) ২ সৌরভর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৪ সৌরভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৪ সৌরভর
ব্যাখ্যা
১৯৩০ সালে ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী সুব্রাহহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর  মাত্র ১৯ বছর বয়সে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা ও আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব ব্যবহার করে দেখান যে, কোনো নক্ষত্রের ভর যদি ১.৪ সৌরভর হের চেয়ে বেশী হয়, তাহলে সেটি শ্বেত বামন নক্ষত্র হিসেবে স্থায়িত্ব লাভ করতে পারবে না। নক্ষত্রের এই ভরকে চন্দ্রশেখর সীমা বলে। কোন নক্ষত্রের ভর চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে বেশী হলে সেটি হয় নিউট্রন নক্ষত্র বা কৃষ্ণ গহবরে রুপান্তরিত হয়। ১৯৮৩ সালে এই আবিষ্কারের জন্য চন্দ্রশেখর উইলিয়াম ফাউলারের সাথে যুগ্মভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
৭,৭৭৭.
কঙ্কাল পেশি এক ধরনের- 
  1. অরৈখিক পেশি
  2. হৃদপেশি
  3. ঐচ্ছিক পেশি
  4. অনৈচ্ছিক পেশি
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক পেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐচ্ছিক পেশি
ব্যাখ্যা
পেশি টিস্যু বা মাসকুলার টিস্যু: 
- দেহের কোনো কোনো পেশি ইচ্ছামত চালনা করা যায়। যেমন- হাত বা পায়ের পেশি। 
- আবার দেহের কোনো কোনো পেশি ইচ্ছামতো চালনা করা যায় না। এ ধরনের পেশি নিজের ইচ্ছামতো চলে। যেমন- পাকস্থলির পেশি। 
- পেশি তিন প্রকার। 
যথা- 
১. ঐচ্ছিক পেশি: 
- যে পেশি ইচ্ছামতো সংকুচিত ও প্রসারিত করে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন করতে পারে, তাকে ঐচ্ছিক পেশি বলে। 
- মানবদেহে ঐচ্ছিক পেশির সংখ্যা বেশি। 
- এ পেশি হাড়ের সাথে লেগে থেকে অঙ্গ নড়াচড়া করতে সাহায্য করে, তাই এধরনের পেশিকে কঙ্কাল পেশিও বলা হয়। 

২. অনৈচ্ছিক পেশি: 
- খাদ্যনালিতে খাদ্য পরিবহনের দায়িত্ব পালন করছে অস্ত্রের পেশি। এ ধরনের পেশির উপর কারো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। 
অর্থাৎ, যেসব পেশি ইচ্ছামতো সংকুচিত হয় না, তাদের অনৈচ্ছিক পেশি বলে। 

৩. হৃদপেশি: 
- হৃদপেশি নামে আরেক ধরনের পেশি আছে, এ পেশি নিজ ছন্দে পর্যায়ক্রমে সংকুচিত হয়ে দেহের রক্ত সঞ্চালন করে। 
- শুধু হৃদপিন্ড এই পেশি দ্বারা গঠিত। 
- এই পেশি দেখতে অনেকটা ঐচ্ছিক পেশির মতো হলেও কাজে অনৈচ্ছিক। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭,৭৭৮.
আসল ও নকল রত্নের পার্থক্য নির্ণয়ে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি 
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

- রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-ray) ব্যবহার করে পদার্থের ভেতরের গঠন ও ঘনত্বের পার্থক্য বোঝা যায়। আসল ও নকল রত্নের কেলাস গঠন এবং তাদের মধ্য দিয়ে রশ্মি চলাচলের ক্ষমতা (Radiolucency) ভিন্ন হওয়ার কারণে মণিকারেরা রঞ্জন রশ্মির সাহায্যে সহজেই এদের শনাক্ত করতে পারেন। 

এক্সরের ব্যবহার (Uses of X-ray): 

- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১। শিল্প ক্ষেত্রে: 
- এক্স-রে শিল্পে নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ধাতুর ঢালাইয়ের ত্রুটি চিহ্নিতকরণ, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি শনাক্তকরণ, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান, এবং ঝালাইয়ের ত্রুটি নির্ণয় ইত্যাদি। 
- এছাড়া টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান পরীক্ষা এবং ক্ষতিকর বস্তু সনাক্তকরণেও এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

২। চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্স-রের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এক্স-রের ভেদন ক্ষমতার মাধ্যমে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়, যা রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। 
- কোমল এক্স-রে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে, কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করতে পারে না। এর মাধ্যমে হাড়ের ফাঁটল, দুর্ঘটনায় প্রবেশ করা ধাতব বস্তু, পাকস্থলিতে পাথর, ফুসফুসের ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের আলসার ইত্যাদি নির্ণয় করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে ক্যান্সার চিকিৎসা এবং কিছু চর্মরোগ নিরাময়ে এক্স-রের ভূমিকা অপরিহার্য। 

৩। বৈজ্ঞানিক গবেষণায়: 
- এক্স-রে কেলাসের গঠন এবং অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং গবেষণার জন্য একটি অপরিহার্য সরঞ্জাম। 

৪। গোয়েন্দা বিভাগে: 
- এক্স-রে গোয়েন্দা বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। এটি চোরাচালানী বা নিষিদ্ধ বস্তু, বিস্ফোরক, গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এমনকি হত্যাকাণ্ডের তদন্তেও এক্স-রের ব্যবহার দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৭৯.
১ ফ্যারাডে সমান কত কুলম্ব?
  1. ক) ৯৬৫০০
  2. খ) ৯৫০০০
  3. গ) ৯৫৬০০
  4. ঘ) ৯৫৫০০
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৬৫০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৬৫০০
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৭,৭৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি বাস্তুসংস্থানের সজীব উপাদান?
  1. জলবায়ু 
  2. উৎপাদক 
  3. মাটি 
  4. খনিজ লবণ 
সঠিক উত্তর:
উৎপাদক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদক 
ব্যাখ্যা

বাস্তুসংস্থানের উপাদান: 
- বাস্তুসংস্থানের উপাদান মূলত দুটি।
যথা- 
ক. সজীব উপাদান: 
- সজীব সম্প্রদায় হলো বাস্তুসংস্থানের জীব উপাদান। 
- সজীব উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. উৎপাদক: সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে পানি, কার্বন ডাই-অক্সাইড, খনিজ লবণ প্রভৃতি জীব উপাদান গ্রহণ করে সৌরশক্তির মাধ্যমে নিজেদের শর্করা জাতীয় খাদ্য নিজেরা তৈরি করে। এ সবুজ উদ্ভিদই উৎপাদক। 
২. খাদক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক কর্তৃক তৈরি খাদ্যের উপর নির্ভরশীল জীবগোষ্ঠিকে বলে খাদক। খাদক তিন প্রকার। যথা- প্রথম স্তরের খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং তৃতীয় স্তরের খাদক। 
৩. বিয়োজক: ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়ায় উৎপাদক ও খাদকের মৃতদেহ মাটিতে মিশে ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুদ্র পোকামাকড় ইত্যাদির দ্বারা বিয়োজক স্তর গড়ে উঠে। পরিশেষে উৎপাদক জীবগোষ্ঠি পুনরায় বিয়োজক স্তর হতে খাদ্য গ্রহণ করে দেহে পুষ্টি জোগায়। 

খ. জড় উপাদান: 
- পরিবেশের সকল অজৈব ও জৈব উপাদান হলো বাস্তুসংস্থানের জড় উপাদান। 
- জড় উপাদান আবার তিন প্রকার। 
যথা- 
১. অজৈব উপাদান: মাটি, পানি, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, খনিজ লবণ ইত্যাদি হচ্ছে বাস্তুসংস্থানের অজৈব উপাদান। 
২. জৈব উপাদান: উদ্ভিদ ও প্রাণির মৃতদেহ হতে তৈরি হিউমাস ও ইউরিয়া হলো মাটির জৈব উপাদান। 
৩. ভৌত উপাদান: আবহাওয়া, জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ বাস্তুসংস্থানের ভৌত উপাদান। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৮১.
নিউমোনিয়ায় ফুসফুসে জমে থাকা তরল পদার্থকে কী বলা হয়?
  1. সেরাম
  2. প্লাজমা
  3. শ্লেষ্মা
  4. রক্তরস
সঠিক উত্তর:
শ্লেষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্লেষ্মা
ব্যাখ্যা

নিউমোনিয়া (Pneumonia): 
- মানবদেহের ফুসফুস নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়।
- অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে। 
- হাম ও ব্রংকাইটিস রোগের পর ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া হতে দেখা যায়। 
- শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ। 

কারণ: 
- নিউমোকক্কাস ( Pneumococcus) নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ। 
- এছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে। 
- এমনকি বিষম খেয়ে খাদ্যনালির রস শ্বাসনালিতে ঢুকলে সেখান থেকেও নিউমোনিয়া হতে পারে। 

লক্ষণ: 
- ফুসফুসে শ্লেষ্মা-জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হয়। 
- কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়। 
- দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ বেশি জ্বর হয়। 
- চূড়ান্ত পর্যায়ে বুকের মধ্যে গুড়গুড় আওয়াজ হয়, মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৮২.
নিচের কোন অমেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহে একটি মাত্র ছিদ্র থাকে? 
  1. কেঁচো
  2. প্রজাপতি
  3. পামরীপোকা
  4. জেলী মাছ
সঠিক উত্তর:
জেলী মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলী মাছ
ব্যাখ্যা
- 'জেলী মাছ' একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যার দেহে একটি মাত্র ছিদ্র থাকে। 

অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 

- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণী নানা ধরনের হয়। 
যেমন- 
• অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণী আকারে খুবই ছোটো, এদের খালিচোখে দেখা যায় না। 
যেমন- অ্যামিবা। 
• একদলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যাদের দেহ অনেকগুলো খণ্ডে বিভক্ত থাকে। 
যেমন- কেঁচো, জোঁক। 
• আরেক দলভুক্ত প্রাণী, এদের দেহ খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত নয় এবং দেহ সাধারণত শক্ত খোলসে আবৃত থাকে এবং মাংসল পা থাকে। 
যেমন- শামুক ও ঝিনুক। 
• পৃথিবীতে পতঙ্গ শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এদের দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত যথা: মস্তক, বক্ষ ও উদর। এদের সন্ধিযুক্ত পা ও পুঞ্জাক্ষি থাকে। 
যেমন- প্রজাপতি, মশা, মাছি, তেলাপোকা, উইপোকা, মৌমাছি ইত্যাদি। 
• অনেক পতঙ্গ আছে যারা উপকার করে। এরা উপকারী পতঙ্গ। 
যেমন: মৌমাছি, রেশম পোকা ইত্যাদি। 
• নানা রকম রোগ ছড়ায় এমন শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। 
যেমন- মশা ও মাছি। 
• অনেক পতঙ্গ আবার ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও ফসলের ক্ষতিসাধন করে। 
যেমন- উইপোকা, লেদাপোকা, পামরীপোকা ইত্যাদি। 
• এমন কতকগুলো সামুদ্রিক প্রাণী আছে, যাদের ত্বকে কাঁটার মতো অংশ থাকে। 
যেমন- তারামাছ ও সামুদ্রিক শশা। 
• আরেক দলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী। এদের দেহের ভিতর একটা ফাঁপা গহ্বর বা সিলেন্টেরন থাকে। এদের দেহে একটি মাত্র ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রপথে এরা খাদ্য গ্রহণ করে আবার বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। 
যেমন- জেলী মাছ, প্রবালকীট। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭,৭৮৩.
Riccia উদ্ভিদের থ্যালাসের পৃষ্ঠের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. বিষমপৃষ্ঠ
  2. গোলাকার
  3. একমুখী
  4. সমান পৃষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
বিষমপৃষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষমপৃষ্ঠ
ব্যাখ্যা
Riccia উদ্ভিদ: 
- Riccia উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রজাতি বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই জন্মায়। 
- Riccia একটি বড় গণ। প্রায় ২০০ প্রজাতি নিয়ে এ গণ গঠিত। 
- Hepaticae শ্রেণীর সদস্যদেরকে লিভারওয়ার্ট বলা হয়। এদের দেহকে থ্যালাস বলা হয়। 
- থ্যালাসের আকৃতি মানুষের লিভারের ন্যায় তাই এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে Riccia গণের ৪৫টি প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। 
- নতুন প্রজাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে R. bengalensis, R. dhakensis, R. chittagonensis ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

Riccia এর শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য: 
- এদের দেহ অর্থাৎ থ্যালাস মূল, কান্ড এবং পাতায় বিভক্ত নয়। 
- থ্যালাস সবুজ, শায়িত, চ্যাপ্টা এবং বিষমপৃষ্ঠ। 
- থ্যালাস দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এবং মধ্য শিরাবিশিষ্ট। 
-  প্রতিটি শাখার শীর্ষদেশে খাঁজ বিদ্যমান থাকে। 
- থ্যালাসের নিচের পৃষ্ঠে দু'প্রকার এককোষী রাইজয়েড এবং বহুকোষী স্কেল (শল্ক) বিদ্যমান। 
- থ্যালাসটি অভ্যন্তরীণভাবে সালোকসংশ্লেষণ এবং সঞ্চয়ী অঞ্চলে বিভক্ত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৮৪.
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. Ca(OH)2
  2. Na2CO3.10H2O
  3. CuSO4.5H2O
  4. C17H35COOK
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
ব্যাখ্যা

তুঁতের রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে CuSO₄·5H₂O।

রাসায়নিক সংকেত:
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত - CuSO4.5H2O.
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত - ZnCO3.
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত - Ca(OH)2.
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত - NaHCO3.
- শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো - C17H35COOK.
- কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত - C17H35COONa.
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত - Na2CO3.10H2O.
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত - [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O].

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৮৫.
স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধানত দায়ী -
  1. ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) ক্লোরিন
  4. ঘ) মিথেন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরিন
ব্যাখ্যা

- স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোন স্তর হ্রাসের জন্য প্রধানত দায়ী ক্লোরিন এবং ব্রোমিন পরমাণু । 
- ক্লোরিন এবং ব্রোমিন পরমাণু যখন স্ট্রাটোস্ফিয়ারে ওজোনের সংস্পর্শে আসে তখন এই পরমাণুগুলো ওজোন অণু ধ্বংস করে।
- একটি ক্লোরিন পরমাণু ১ লক্ষ ওজোন অণু ধ্বংস করতে পারে।
- ওজোন প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়ার চেয়ে দ্রুত ধ্বংস হয়ে থাকে।
- রেফ্রিজারেশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (সিএফসি) এবং হাইড্রোক্লোরোফ্লুরোকার্বন (এইচসিএফসি) ব্যবহারের মাধ্যমে ক্লোরিন ও ব্রোমিন পরমাণু বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। 

উৎস :  এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) ওয়েবসাইট

৭,৭৮৬.
ডুমুর কোন জাতীয় ফল?
  1. ক) রসালো ফল
  2. খ) সরল ফল
  3. গ) যৌগিক ফল
  4. ঘ) গুচ্ছ ফল
সঠিক উত্তর:
গ) যৌগিক ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যৌগিক ফল
ব্যাখ্যা

- ফলের উৎস ও প্রকৃতি অনুসারে ফলকে তিনটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা- সরস ফল, গুচ্ছ ফল ও যৌগিক ফল।
- আনারস, কাঁঠাল, ডুমুর ইত্যাদি যৌগিক ফল।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৭৮৭.
সময়ের সাথে বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে কী বলে?
  1. ক) ত্বরণ
  2. খ) দ্রুতি
  3. গ) সরণ
  4. ঘ) ভরবেগ
সঠিক উত্তর:
ক) ত্বরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ত্বরণ
ব্যাখ্যা
ত্বরণ 
- সময়ের সাথে বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে।
- যদি বেগের মান বাড়তে থাকলে বস্তুটির ত্বরণ হবে।
- আবার বেগের মান কমতে থাকলে তাহলে ঋণাত্মক ত্বরণ বা মন্দন হবে।
- ত্বরণ = (শেষ বেগ - আদি বেগ)/অতিক্রান্ত সময়
- ত্বরণের মাত্রা, [a] = [LT-2]
- ত্বরণের একক = ms-2

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৮৮.
কোনটিতে সদ বিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) অবতল লেন্স
  2. খ) উত্তল লেন্স
  3. গ) উত্তল দর্পন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তল লেন্স
ব্যাখ্যা

সদ বিম্ব: কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মি গুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয়ে প্রতিবিম্ব গঠন করে তবে তাকে সদ বা বাস্তব প্রতিবিম্ব বলে।

• অবতল দর্পণ উত্তল লেন্সে সদ বিম্ব গঠিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৮৯.
নিচের কোনটি ম্যাক্রোমৌল?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) বোরন
  3. গ) আর্সেনিক
  4. ঘ) মারকারি
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি।
- মুখ্য উপাদানগুলো হল: নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, লৌহ, ম্যাগনেশিয়াম, কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ফসফরাস ও সালফার।

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬ টি।
- গৌণ উপাদান হলো: দস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, মলিবডেনাম, বোরন, তামা এবং ক্লোরিন।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৭৯০.
নিচের কোন গ্যাস গ্রীনহাউস গ্যাস নয়?
  1. ক) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. খ) নাইট্রাস অক্সাইড
  3. গ) সালফার ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) জলীয় বাষ্প
সঠিক উত্তর:
গ) সালফার ডাইঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালফার ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
সালফার ডাইঅক্সাইড গ্রীনহাউস গ্যাস নয়। 

গ্রীনহাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect):
- শীতপ্রধান দেশে গ্রীন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect) বলে।

গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2),
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC).
- ওজোন (O3)
- জলীয় বাষ্প

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Royal Society of Chemistry.
৭,৭৯১.
কোনো জলীয় দ্রবণে pH = 0 দ্রবণটির প্রকৃতি হবে-
  1. প্রশম
  2. অম্লীয়
  3. ক্ষারীয়
  4. উভধর্মী
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের [H+] মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pH বলে। 
অর্থাৎ pH = -log[H+
- একইভাবে, কোনো দ্রবণের হাইড্রোক্সাইড আয়নের [OH-] মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pOH বলে। 
অর্থাৎ, pOH = -log[OH-
- 25° C তাপমাত্রায় পানির [H+] ও [OH-] এর গুণফল হবে = 10-14
- যেকোনো নিরপেক্ষ দ্রবণে [H+] = [OH-] = 10-7 mol L-1, তাই নিরপেক্ষ দ্রবণের pH = pOH = 7. 
- বিশুদ্ধ পানির pH এবং pOH একই অর্থাৎ pH = pOH = 7. তাই বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 
- বিশুদ্ধ পানিতে এসিড যোগ করা হলে pH এর মান কমতে থাকে অর্থাৎ pH < 7 হয়। আবার বিশুদ্ধ পানিতে ক্ষার যোগ করা হলে pH এর মান বাড়তে থাকে অর্থাৎ pH > 7 হয়। 
সুতরাং, কোনো জলীয় দ্রবণের pH বা pOH = 7 হলে উক্ত দ্রবণ নিরপেক্ষ। pH < 7 হলে উক্ত দ্রবণ অম্লীয় এবং pH > 7 হলে উক্ত দ্রবণ ক্ষারকীয় হবে। 


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৯২.
গ্যালেনা (PbS) কোন ধাতুর আকরিক?
  1. সীসা 
  2. তামা
  3. লোহা 
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সীসা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীসা 
ব্যাখ্যা

- গ্যালেনা হলো সীসা বা লেড-এর প্রধান আকরিক, এর রাসায়নিক সংকেত PbS (লেড সালফাইড)। এটি পৃথিবীর ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যাওয়া সালফাইড খনিজগুলোর মধ্যে একটি এবং বাণিজ্যিক সীসা উৎপাদনের প্রধান উৎস। 

খনিজ (Minerals): 
- মাটির উপরিভাগে বা মাটির তলদেশে যেসকল পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রবাদি যেমন-বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে খনিজ বলা হয়।
- যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাকে খনি বলে।

আকরিক (Ores): 
- যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা য়ায সে সকল খনিজকে আকরিক বলে।
যেমন- গ্যালেনা (PbS) থেকে লাভজনকভাবে লেড ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাই গ্যালেনাকে লেড ধাতুর আকরিক বা লেড ধাতুর খনিজ বলা হয়।
- আবার, বক্সাইট থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। অতএব বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বা খনিজ বলা হয়।
- কাদামাটি থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না, সেজন্য কাদামাটি শুধু অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়।
অতএব, আকরিক অবশ্যই খনিজ হবে কিন্তু খনিজ হলে সেটা আকরিক নাও হতে পারে।
- আয়রনের সালফাইডকে আয়রন পাইরাইটস (FeS2) বলা হয়, আয়রন পাইরাইটস থেকে আয়রন ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭৯৩.
সূর্যগ্রহণ ঘটে কখন?
  1. যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ অবস্থান করে
  2. যখন সূর্য ও শনির মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে
  3. যখন চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় অবস্থান করে
  4. যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে চাঁদ অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা। [লিঙ্ক]।
৭,৭৯৪.
নিচের কোন অঙ্গটির গঠনতন্ত্রের একক হচ্ছে অ্যালভিওলাস?
  1. ক) রেচনতন্ত্র
  2. খ) কংকালতন্ত্র
  3. গ) যকৃত
  4. ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফুসফুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফুসফুস
ব্যাখ্যা

ফুসফুস দুই খণ্ডে বিভক্ত। ফুসফুস দুই ভাঁজবিশিষ্ট পুরা নামক পর্দা দিয়ে আবৃত। দুই ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনাে ঘর্ষণ হয় না।
ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। বায়ুথলিগুলােকে বলে অ্যালভিওলাস (Alveolus)। বায়ুথলিগুলাে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুক্লোম শাখাপ্রান্তে মৌচাকের মতাে অবস্থিত। নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করতে পারে।
বায়ুথলি পাতলা আবরণী দিয়ে আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দিয়ে পরিবেষ্টিত। বায়ু প্রবেশ করলে এগুলাে বেলুনের মতাে ফুলে ওঠে এবং পরে আপনা-আপনি সংকুচিত হয়। বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকার গাত্র এত পাতলা যে এর ভিতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান-প্রদান ঘটে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণী, জীববিজ্ঞান

৭,৭৯৫.
রেকটিফায়ার এর কাজ কি?
  1. ভোল্টেজকে বাড়ানো বা কমানো
  2. তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপ করা
  3. পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে পরিবর্তন
  4.  সুইচ বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসাবে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে। 
- যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দু'প্রকারের। 
যথা- ক। অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং  খ। পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

অন্যদিকে, 
- ট্রান্সফরমার: এটি AC ভোল্টেজকে বাড়াতে বা কমাতে পারে, কিন্তু এটি AC-কে DC-তে রূপান্তর করে না। 
- অ্যামিটার: অ্যামিটার বর্তনীতে তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- ট্রানজিস্টর: এটি মূলত একটি সুইচ বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি সরাসরি AC-কে DC-তে রূপান্তর করে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৭৯৬.
আলোর কোয়ান্টাম তথ্যের প্রস্তাবনা করেন কে?
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  3. গ) ম্যাক্সওয়েল
  4. ঘ) রন্টজেন
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিয় শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৯৭.
স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন নয় কোনটি?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin D
  3. Vitamin E
  4. Vitamin C
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vitamin C
ব্যাখ্যা
• স্নেহে দ্রবণীয়  ভিটামিনগুলি হল:
- ভিটামিন A – দৃষ্টি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং ত্বক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- ভিটামিন D – ক্যালসিয়াম শোষণ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সহায়ক।
- ভিটামিন E – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, কোষগুলিকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
- ভিটামিন K – রক্ত জমাট বাঁধা এবং হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয়।

• পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলি হল: 
- ভিটামিন C ।
- ভিটামিন B1 (থায়ামিন) ।
- ভিটামিন B2 (রিবোফ্ল্যাভিন) ।
- ভিটামিন B3 (নিয়াসিন) ।
- ভিটামিন B5 (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড) ।
- ভিটামিন B6 (পিরিডক্সিন) ।
- ভিটামিন B7 (বায়োটিন) ।
- ভিটামিন B9 (ফোলেট/ফলিক অ্যাসিড) ।
- ভিটামিন B12 (কোবালামিন) ।

উৎস: (এসএসসি প্রোগ্রাম),বিজ্ঞান,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৯৮.
গতিশীল চার্জের উপর যে বল ক্রিয়া করে তাকে বলে-
  1. ক) চৌম্বক বল
  2. খ) তড়িৎ বল
  3. গ) কুলম্ব বল
  4. ঘ) তড়িৎ-চুম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
ক) চৌম্বক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চৌম্বক বল
ব্যাখ্যা
ধরা যাক, q পরিমাণ চার্জ B চৌম্বক আবেশযুক্ত ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে v বেগে গতিশীল। পরীক্ষালব্ধ ফলাফল হতে দেখা যায় যে, গতিশীল চার্জের ওপর একটি বল ক্রিয়া করে। এ বলকে চৌম্বক বল বলে। এ বল নিম্নরূপ:
F = qvBSinθ
এ বলের মান ও দিক ভেক্টর গুণনের বিধি দ্বারা নির্ধারিত।
এখানে, θ হল v ও B এর মধ্যবর্তী কোণ।
যদি v = 0 হয়, তবে F=0 অর্থাৎ স্থির চার্জের ওপর চৌম্বক বল শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৯৯.
রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিস্তৃতি কতটুকু? 
  1. 10–380 nm
  2. 0.01-10 nm
  3. 400-700 nm
  4. 0.0005-0.15 nm
সঠিক উত্তর:
0.01-10 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.01-10 nm
ব্যাখ্যা
তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ: 
- যেসব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয় তাদের একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। 
- দৃশ্যমান আলো হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 
- এ সব তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণকে একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় স্পেকট্রাম ( spectrum) বা বর্ণালি বলা হয়। 

তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালির অঞ্চলসমূহ: 
- তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মিসমূহকে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম বৃদ্ধি অনুসারে প্রধান সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যথা- 

১. গামা (γ) রশ্মি অঞ্চল: 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.0005-0.15 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় এ তরঙ্গ অধিক শক্তিসম্পন্ন। 
- গামা রশ্মি জৈব যৌগের বিশ্লেষণে বর্ণালিমিতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। 

২. রঞ্জন রশ্মি (X-ray) অঞ্চল: 
- রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.01-10 nm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রঞ্জন রশ্মির ব্যবহার ব্যাপক। 
যেমন- এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফি, এক্সরে নিঃসরণ পদ্ধতিতে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

৩. অতিবেগুনি রশ্মি (UV) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10–380 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন, 300-320 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV-রশ্মি চিকিৎসাক্ষেত্রে লাইট থেরাপি, 270–360 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি প্রোটিন বিশ্লেষণের কাজে, 200-400 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি ড্রাগ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। 

৪. দৃশ্যমান (Visible) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলটি 400-700 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চল VIBGYOR অঞ্চলরূপে চিহ্নিত। 
- পরমাণুর সর্ববহিঃস্তরের ইলেকট্রন এ অঞ্চলের রশ্মি শোষণ বা বিকিরণ করে বর্ণালি সৃষ্টি করে। 

৫. অবলোহিত অঞ্চল: 
- অবলোহিত অঞ্চলটি Near-IR; Middle-IR এবং Far-IR এ তিনটি অংশে বিভক্ত। 
- জৈব যৌগের গঠন নির্ণয়ে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর নিম্নরূপ: 
• Near-IR অঞ্চল: 0.8-2.5 µm, 
• Middle-IR অঞ্চল: 2.5-25 µm, 
• Far-IR অঞ্চল : 25-1000 µm (1µm = 1×10-6 m).  

৬. মাইক্রোওয়েভস (Microwaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 µm হতে 1.0 cm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 

৭. রেডিও ওয়েভস (Radiowaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 cm হতে 5 m পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রেডিও এন্টেনাতে উচ্চ কম্পাঙ্কের পর্যায়ক্রমিক বিদ্যুৎ (AC) প্রবাহ দ্বারা এসব তরঙ্গের সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০০.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. ক) কাজ ও তাপের একক অভিন্ন।
  2. খ) তাপের SI একক ক্যালরি।
  3. গ) ১ জুল = ৪.২ক্যালরি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) কাজ ও তাপের একক অভিন্ন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজ ও তাপের একক অভিন্ন।
ব্যাখ্যা
তাপ শক্তির একটি রূপ। তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
তাপের SI একক জুল (J)।
এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১°C বাড়াতে বা কমাতে যতটা
তাপের প্রয়োজন তাকে ১ ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। ৪.২ জুল যান্ত্রিক শক্তি ১ ক্যালরি তাপের সমতুল্য।
তাই, ১ ক্যালরি = ৪.২ জুল।
∴ ১ জুল = ১/৪.২ ক্যালরি
= ০.২৪ ক্যালরি

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়